ঢাকা,সোমবার,১২ আশ্বিন ১৪২৮,২৭,সেপ্টেম্বর,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক   > বাণিজ্য সম্প্রসারণে বৈশ্বিক ভিত্তি বঙ্গবন্ধুর তৈরি করা   > সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তাঁর স্ত্রীর বিচার শুরু   > করোনায় শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২১   > প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটনে অবস্থান করছেন   > একদিনে ৮০ লাখ ডোজ টিকা   > রাজবাড়ীতে জন্ম নিবন্ধন তৈরিতে নাজেহাল সনদ গ্রহিতারা   > গ্রাম ও শহরের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না : এমপি নয়ন   > সোনাইমুড়ীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন   > নন্দীগ্রামে ১৫ বছরেও চালু হয়নি হাসপাতাল  

   বিশেষ খবর
  ছাত্র-সংসদ নির্বাচন ও নেতৃত্ব সংকটে দেশ
  Publish Time : 5 July 2021, 10:41:1:PM

 

মোঃ কামরুল ইসলাম :

আমাদের রক্তে কেনা বহু কাঙ্খিত এ দেশ আমাদেরই বাংলাদেশ। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাস মাত্র পঞ্চাশ বছরের। অনেক কিছুই দেখার সুযোগ হয়েছে আমাদের। স্বৈরশাসন, সামরিক শাসন, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থা, সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা, একদলীয় শাসন, বহুদলীয় শাসন, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সুশাসন, দুঃশাসন, ইত্যাদি ইত্যাদি। 

এদেশে আমরা পেয়েছি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মাওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো উজ্জ্বল নক্ষত্র, আরো অনেক উজ্জ্বল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। 

বর্তমান বাংলাদেশে আমরা দেখতে পাচ্ছি নেতৃত্ব তৈরীর প্রধান মাধ্যম হচ্ছে উত্তরাধিকারী পদ্ধতি। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা থেকে ইউনিয়ন পর্যায়েও একই চিত্র বিদ্যমান। যা সঠিক নেতৃত্ব তৈরীতে মূল অন্তরায় হয়ে দেখা দিয়েছে। পরিবার থেকেও যদি নেতৃত্ব দেয়ার গুণাবলী কারো থাকে তার নেতৃত্ব দিতে কোনো আপত্তি নেই কিন্তু সে সংখ্যা তো হাতে গোনা। সব রাজনৈতিক পরিবারে শেখ হাসিনার মতো নেত্রী জন্মায় না। 

বাংলাদেশ কিংবা পূর্ব পাকিস্তানের আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে আমরা দেখতে পাই এদেশের সকল আন্দোলন সংগ্রামে দেশের শিক্ষিত সমাজ নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলো, যার মূল ভূমিকায় ছিলো বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ ছাত্র সংসদ এর নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় গত ২৫ বছরে বাংলাদেশের কোনো কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় এ ছাত্র-সংসদ নির্বাচন হয়নি (ডাকসু’র একটি নির্বাচন ব্যতীত)। ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা কোনো ছাত্র সংসদে প্রতিনিধি নির্বাচনের কোনো সুযোগ পায়নি। তাহলে কি আগামীর বাংলাদেশ নেতৃত্ব সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে !  

যে রাজনৈতিক দল যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকে তখন ক্যাম্পাসে পেশী শক্তির জোরে সরকারী দলের ছাত্র সংগঠনের আধিপত্য দেখতে পাওয়া যায়। অধিকাংশ রাজনৈতিক দলগুলোতে যেমন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতা নির্বাচিত করে না তেমনি কাম্পাসভিত্তিক কমিটি গুলোতেও সাধারন কর্মীদের গ্রহণযোগ্য নেতা নির্বাচন করার কোনো সুযোগ থাকে না। 

বাংলাদেশে দলমত নির্বিশেষে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহন করেছিলো ছাত্র-শিক্ষক-কৃষক-শ্রমিক সহ সাধারন জনগন। সেই স্বৈরাচার শাসনামলেও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবছর ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতো। ’৯০ এর গণআন্দোলনের সময় আমান উল্লাহ আমান ছিলেন ডাকসু’র নির্বাচিত ভিপি আর খায়রুল কবির খোকন ছিলেন জিএস। আমান-খোকনের নেতৃত্বে ছাত্রদল, ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউিনিয়ন, ছাত্র ফ্রন্টসহ সকল ছাত্র সংগঠন একত্রিত হয়ে সর্বদলীয় ছাত্রঐক্য গঠন করে এবং স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়। পরিশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ স্বৈরশাসক ক্ষমতার মসনদ ত্যাগ করে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে বাধ্য হন। 

এদেশের যেকোনো আন্দোলনে ডাকসু, রাকসু, চাকসু, জাকসু, বাকসুসহ সকল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় এর নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই ছিলেন নেতৃত্বে। ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার আন্দোলন, ছয় দফা, গণ অভ্যূত্থান, মুক্তিযুদ্ধ এমকি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনেও ছাত্র নেতৃত্ব পিছপা হয়নি। ক্যাম্পাসভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রীদের যেকোনো দাবী-দাওয়ার আন্দোলনেও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ছাত্র-সংসদ এর নেতৃত্বকে মেনে নিতো কোনো ধরনের প্রশ্ন ছাড়া। কিন্তু বর্তমানে কোনো কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত ছাত্র-সংসদ নির্বাচন না হওয়ার কারণে নেতৃত্বের বিকাশ আমরা দেখতে পাই না। দলীয় আদিপত্য বিস্তার করাই হচ্ছে বর্তমান দলীয় নেতাদের মূল লক্ষ্য। ক্যাম্পাসে নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদের। তাহলে ক্যাম্পাস থাকবে স্থিতিশীল। 

প্রতিবছর কেন্দ্রিয় ছাত্র সংসদ এর মাধ্যমে বিভিন্ন জাতীয় দিবসের উপর আলোচনা সভা, বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, নাট্যানুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, উপস্থিত বক্তৃতা, অনেক ধর্মীয় অনুষ্ঠান (যেমন স্বরস্বতী পূজা), বার্ষিক ম্যাগাজিন, বইমেলা, বৈশাখী মেলা, বার্ষিক পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান সহ সারাবছর আরো নানাবিধ অনুষ্ঠান পালিত হতো। সারা বছর ছাত্র-ছাত্রীরা ক্লাশ-পরীক্ষার বাহিরেও কো-কারিকুলাম কার্যক্রম নিয়েও ব্যস্ত থাকতো। আর যেকোনো ছাত্র সংগঠনের কাউন্সিল অধিবেশন তো ছিলো একটা ছোটোখাটো আনন্দ উৎসব। নিজ দলসহ অন্যদলের কর্মীরা অপেক্ষা করতো বিরোধী ছাত্র-সংগঠনের কে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়। এক দলের কাউন্সিলে অন্য দলের অতিথি হয়ে অংশগ্রহণ ছিলো একটি ভ্রাতৃসুলভ আচরণ। যা আমরা হারাতে বসেছি। 

কোনো ক্যাম্পাসে ছাত্র-সংসদ নির্বাচন মানেই রীতিমতো একটি ঈদ উদযাপনের মতো এক বিশাল মহোৎসব। সবার প্রত্যক্ষ অংশগ্রহন। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা ছাড়াও সাধারন ছাত্র-ছাত্রীরা এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করতো। কে কে আগামী এক বছর ক্যাম্পাসের নেতৃত্বে থাকবে তা নির্ধারিত হতো? কিন্তু বর্তমানে আমরা কি দেখতে পাচ্ছি, যা কোনো ভাবেই কাম্য না। আমরা দাবী করি বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ, এ দেশে রয়েছে গণতন্ত্রের অনেক ইতিহাস। শুধু মাত্র ক্যাম্পাসভিত্তিক সুষ্ঠু, সুচিন্তিত ছাত্র রাজনীতি বর্তমান অসহিষঞু রাজনীতির চিত্র পাল্টে দিতে পারে। আমরা যদি আমাদের ক্যাম্পাসগুলোকে ২৫ বছর আগের ক্যাম্পাসেও ফিরিয়ে নিতে পারি তবেই বর্তমান চিত্র পাল্টে যাবে।

একটু অতীত বিশ্লেষণে ফিরে গেলেই দেখা যায়- প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসে যারা ক্রীড়ামুখী ছিলো তারা সারা বছর তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলত। ফুটবল, বাস্কেটবল, ভলিবল, হান্ডবল, ক্রিকেট সহ দলীয় খেলা, বিভিন্ন এ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা কিংবা বিভিন্ন ইনডোর গেমস যেমন-দাবা, টেবিল টেনিস, ব্রিজ, ক্যারামসহ আরো নানাবিধ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। যেখান থেকে আন্তঃবিশ্বাবিদ্যালয় প্রতিযোগিতাসহ জাতীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করতো প্রতিযোগীরা। প্রতিভার স্বাক্ষর রাখার সুযোগ পেতো ছাত্র-ছাত্রীরা। কিন্তু বর্তমানে ছাত্র-সংসদ না থাকার কারনে এসকল প্রতিযোগিতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সারা বাংলাদেশে সকল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা।

আমরা দেখতে পেয়েছি বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় নজরুলগীতি, রবীন্দ্র সংগীত, আধুনিক গান, নৃত্য, দেশীয় সংস্কৃতিতে তুলে ধরে ছাত্র-ছাত্রীরা নানা প্রতিযোগিতায় সম্মুক্ষীন হতো। যা তাদের মন ও মানসিকার বিকাশ গঠনে সহায়তা করতো। বিভিন্ন উপন্যাস অবলম্বনে বার্ষিক নাটক হতো ক্যাম্পাসে যা, ছাত্র-সংসদ আয়োজন করতো। হিন্দু ধর্মালম্বীরা তাদের শিক্ষাদেবী হিসেবে স্বরস্বতী পূজা পালন করতো প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসে, যাতে সকল ধর্মের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করতো। বিভিন্ন বিষয়ের উপর উপস্থিত বক্তৃতার আয়োজন ছিলো নিয়মিত। যেখান থেকে নেতৃত্ব বিকশিত হতো। বিতর্ক প্রতিযোগিতা ছিলো একটা রেওয়াজ এর মতো। বিভিন্ন জাতীয় দিবসে আলোচনা সভা-র‌্যালী আয়োজন করতো কারন সাধারন ছাত্রছাত্রীদের সেই দিবসের ইতিহাস বিষয়ে সচেতন করার জন্য। বার্ষিক পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে সারা বছর ক্যাম্পাসে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বহির্ভূত কার্যকলাপে অংশগ্রহনে স্বীকৃতিস্বরূপ পুরষ্কার প্রদান করা হতো। যা ছাত্র-ছাত্রীরা আরো বেশী উজ্জ¦বিত হতো। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক লিখার হাতেখড়ি হিসেবে বার্ষিক ম্যাগাজিন ছিলো অন্যতম মাধ্যম। প্রায় প্রত্যেকটি ক্যাম্পাস থেকেই একটি করে বার্ষিক ম্যাগাজিন বের হতো। একটু ভেবে দেখুন ছাত্র সংসদ না থাকায় বর্তমানে কত লেখনীর হাত স্তব্ধ হয়ে গেছে? 

এ সকল কার্যক্রম কেন্দ্রিয় ছাত্র-সংসদ আয়োজন করতো প্রতিটি ক্যাম্পাসে। কেন্দ্রিয় ছাত্রসংসদ এর পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের হল সংসদও ছিলো সরব। হলের সকল দাবী আদায়ের মূল কেন্দ্রই ছিলো হল সংসদ।

সারা বাংলাদেশে কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-সংসদ নির্বাচন হলে সচেতন সকলে তা খোঁজ খবর রাখতো, সংবাদ মাধ্যমগুলো সে সংবাদ খুবই গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করতো। গত পচিশ বছরে ঢাকসুর একটি নির্বাচন ব্যতিত বাংলাদেশের কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কোনো সরকারী কিংবা বেসরকারী কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি। ১৯৯৭ সালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর কেন্দ্রিয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ছিলো সর্বশেষ নির্বাচিত ছাত্র সংসদ। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাত্র সংসদ নির্বাচনের উদ্যোগ নিলেও কার্যতঃ তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। ব্যর্থতার মূল কারণ হিসেবে দেখা যায় ক্যাম্পাসে বিভিন্ন ছাত্র-সংগঠনের নেতা কর্মীদের সহাবস্থান নেই বললেই চলে। যে দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকে তাদের সমর্থনপুষ্ট ছাত্রসংগঠন ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার করে রাখে। ক্যাম্পাসের প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হচ্ছে বারবার। 

প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসেই দেখতে পাওয়া যায় সরকার কর্তৃক সিলেক্টেড ভাইস-চ্যান্সেলর কিংবা প্রিন্সিপাল তাদের অবস্থানকে শক্ত ভিত দেয়ার জন্য সরকারী দলের ছাত্র সংগঠনকে ব্যবহার করার প্রবণতাও দেখতে পাওয়া যায়। প্রতিবছর শিক্ষক সমিতির নির্বাচন, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে অথচ একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মূল ভিত্তি হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রী। তাদের দাবী-দাওয়া আদায়ে কোনো ছাত্র সংসদ নির্বাচন নেই এই গণতান্ত্রিক দেশে। সত্যিই সেলুকাস, বিচিত্র এ দেশ আমাদের বাংলাদেশ।

সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা না থাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা নৈতিকতা বিবর্জিত নানাবিধ কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে। সকল ক্যাম্পাসে নানারকম নেশা জাতীয় দ্রব্যের উপস্থিত, আত্মহত্যার প্রবণতা, অসহনশীল মনোভাব থেকে খুন, রাজনৈতিক পেশী শক্তি প্রদর্শনের অশুভ শক্তি প্রকাশ, যার কারণে ধর্ষণ এর মতো ঘটনা, কিছু কিছু শিক্ষকদের মধ্যে অনৈতিক চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ, ছাত্র-শিক্ষকদের হাতাহাতি যা সাম্প্রতিক কালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখা গেছে, যা ছিল শিক্ষিত সমাজের কাছে অনভিপ্রেত।

বার্ষিক শিক্ষা ক্যালেন্ডার যেকোনো ক্যাম্পাসের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ক্যাম্পাসে সুস্থ পরিবেশ বজায় থাকলেই বার্ষিক ক্যালেন্ডার সুষ্ঠভাবে পালন করা সম্ভব। গত পচিশ বছর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাত্র-ছাত্রী সংসদ এর জন্য বাৎসরিক চার্জ/ফি দিয়ে যাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীরা। কিন্তু ছাত্র সংসদ না থাকার কারণে সেই খাতের অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে এটাও ভাববার বিষয়। যেখানে শিক্ষা বহির্ভূত কোনো কার্যক্রম নেই সেখানে ছাত্র-সংসদ ফি কেনই বা নেয়া হয়। যা প্রতিবছর শিক্ষা ব্যয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। ছাত্র সংসদবিহীন ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদের নামে কোটি কোটি টাকা উত্তোলন বন্ধ করা জরুরী হয়ে পড়েছে। অবিলম্বে ছাত্র সংসদ প্রতিষ্ঠা করে ক্যাম্পাসের সুষ্ঠু রাজনৈতিক চর্চার ব্যবস্থা করতে হবে তাহলে এ দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব সংকট থেকে পরিত্রানের সুযোগ পাবে।

লেখক : মোঃ কামরুল ইসলাম, 

প্রেসিডেন্ট, সাস্ট ক্লাব লিমিটেড



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 142        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     বিশেষ খবর
সংস্কারের অভাবে ঝুঁকির মুখে ৪০০ বছরের পুরনো মসজিদ
.............................................................................................
রাজবাড়ীতে দুই বছর ধরে আটকে আছে মহাসড়কের ফোরলেনের উন্নয়ন কাজ
.............................................................................................
বিদ্যুতের হাতছানি চরাঞ্চলের ৮ হাজার পরিবারে
.............................................................................................
গজারিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল
.............................................................................................
২০ গ্রামের জলাবদ্ধতার আশংকা
.............................................................................................
মোরেলগঞ্জে অধিকাংশ সৌর বিদ্যুতের সড়ক বাতি জ্বলে না
.............................................................................................
মানিকগঞ্জে অপরাধীরা শেল্টারের সন্ধানে, ভুক্তভোগিরা আশার আলো দেখছেন
.............................................................................................
বিচ্ছিন্ন হাত জোড়া লাগিয়ে সিলেটের পাঁচ চিকিৎসকের বিরল নজির
.............................................................................................
নিরাপত্তাহীনতায় চলছে রাজশাহী সজীব গ্রুপ প্রতিষ্ঠান
.............................................................................................
বাড়ি ফিরতে লঞ্চে গাদাগাদি ঘাটে ও ফেরিতে দুর্ভোগ
.............................................................................................
শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশ নয় বাণিজ্যই প্রধান
.............................................................................................
প্রতিদিন ৫০০ ভাসমান মানুষকে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে খাদ্য পরিদশর্ক সমিতি
.............................................................................................
সাজেকে বাড়ছে ম্যালেরিয়া রোগীর সংখ্যা
.............................................................................................
ছাত্র-সংসদ নির্বাচন ও নেতৃত্ব সংকটে দেশ
.............................................................................................
আতঙ্কে আট গ্রামের মানুষ
.............................................................................................
কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, প্লাবিত নীচু এলাকাগুলো
.............................................................................................
সরকারি নিষেধাজ্ঞায় নোয়াখালীতে জেলেদের দুর্দিন
.............................................................................................
যুবলীগের বটবৃক্ষ শেখ ফজলে শামস পরশ
.............................................................................................
কুড়িগ্রামে টানা বৃষ্টিতে বেড়েছে নদীর পানি
.............................................................................................
ঠাকুরগাঁওয়ে বাজারে উঠছে আম, করোনার প্রভাবেও দাম বেশি
.............................................................................................
তজুমদ্দিনে ঘাটে নেই পন্টুনের সংযোগ যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে
.............................................................................................
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে ২০ গ্রামের মানুষের চলাচল
.............................................................................................
রুপগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ ঢাকা-রূপসী মুড়াপাড়া-কাঞ্চন সড়ক
.............................................................................................
বেউথা আন্ধারমানিক সড়কের মরণ দশা
.............................................................................................
অচল হয়ে পড়ছে ৭ গ্রামের মানুষ
.............................................................................................
সড়কতো নয় যেন ছোট ছোট পুকুর!
.............................................................................................
অতি: ডিআইজি’র ফোন ভিকটিম হাবিবুল হককে
.............................................................................................
করোনার থাবায় ক্ষতিগ্রস্থ মোংলার কয়েক হাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী
.............................................................................................
গোয়াইনঘাটে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর প্রস্তুত : উদ্বোধনের অপেক্ষা
.............................................................................................
নিরাপত্তা চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে আবেদন
.............................................................................................
রাজাপুর বাজারে পশুর বর্জে হুমকির মুখে পরিবেশ
.............................................................................................
রামগঞ্জে ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পারাপার
.............................................................................................
ঢাকায় শিশুদের মুখের লালায় ‘নিকোটিন’
.............................................................................................
ভার্চ্যুয়াল প্রচারণায় ধূমপানের ফাঁদ
.............................................................................................
পরোক্ষ বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন বেড়েছে, ভার্চ্যুয়াল প্রচারণায় ধূমপানের ফাঁদ
.............................................................................................
লক্ষ্মীপুরে বাস্তবায়িত হচ্ছে এলজিএসপির ২৭৮ প্রকল্প
.............................................................................................
ময়লা-আবর্জনার গন্ধে অতিষ্ঠ সালথার ব্যবসায়ীরা
.............................................................................................
জীবননগরে সারের কৃত্রিম সঙ্কট
.............................................................................................
ভিটেমাটি হারিয়ে নি:স্ব দাগনভূঞার ৯ পরিবার
.............................................................................................
মোবাইল ব্যাংকিং এ সেবা প্রদানে সফলতা
.............................................................................................
সাংবাদিক হাকিম ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম আর নেই
.............................................................................................
আলোকিত হবে ফরিদপুরের ৮৮ গ্রাম
.............................................................................................
শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির করুন দশা
.............................................................................................
সদর ইউএনও আরিফার অমানবিকতায় ক্ষুব্ধ নাঃগঞ্জবাসী
.............................................................................................
জেলা ডিসির বদলী আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
.............................................................................................
কৃষি জমিতে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন অব্যাহত
.............................................................................................
ঢাকায় ফিরতে মানুষের ভরসা পিকআপভ্যান
.............................................................................................
একশ লিচু বেচা-কেনায় কমিশন ১৭ টাকা
.............................................................................................
নোয়াখালীতে ঈদ উপহার পেল ২৫ হাজার পরিবার
.............................................................................................
বেনাপোল বন্দরে স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা
.............................................................................................
Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale
Digital Load Cell
Digital Indicator
Digital Score Board
Junction Box | Chequer Plate | Girder
Digital Scale | Digital Floor Scale

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop