ঢাকা,বুধবার,৬ মাঘ ১৪২৮,১৯,জানুয়ারী,২০২২ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুরের মামলার বাদির উপর হামলা   > ‘গানে গানে চলছে প্রার্থীদের প্রচারণা’   > ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ১৫ জানুয়ারী থেকে পরিবহন বন্ধের ঘোষণা   > বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুরকারী বিআইডব্লিউটিএ’র আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা   > নর্থ সাউথের আরও দুই ট্রাস্টি রেহেনা ও বেনজীরকে দুদকে তলব   > ঢাকায় অবৈধ রিকশার বিরুদ্ধে ডিএসসিসির অভিযান   > পথ যত কণ্টকাকীর্ণ হোক, আমরা থেমে থাকব না : প্রধানমন্ত্রী   > বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর মুক্তিযোদ্ধারা পরিচয় দিতে পারেনি : আবুল হাসেম খান এমপি   > শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ: এনামুল হক শামীম   > আগামী দুইদিনে শৈত্যপ্রবাহের মাত্রা বাড়বে  

   আজকের পত্রিকা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
পথ যত কণ্টকাকীর্ণ হোক, আমরা থেমে থাকব না : প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চলার পথ যত কণ্টকাকীর্ণ হোক, যত রক্তক্ষরণ হোক, সব পদদলিত করে বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে এগিয়ে যাব—এটিই হচ্ছে আমার প্রতিজ্ঞা। গতকাল রোববার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের স্বীকৃতি উদযাপন উপলক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি জানি, স্বাধীন চেতা হলে অনেক বাধা আসে। আর দেশকে ভালোবেসে শুধু দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে যারা পথ চলে, তাদের পথ চলা কখনও সহজ হয় না। অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়। চলার পথ যতই অন্ধকারাচ্ছন্নই হোক না কেন, যত বন্ধুর হোক না কেন, যত কণ্টকাকীর্ণ হোক, সেখানে আমরা থেমে থাকব না। অন্তত আমি এই প্রতিজ্ঞা করছি থেমে থাকব না। যে কোনো সময় আমি জানি অনেক বুলেট, বোমা ও গ্রেনেড আমার জন্য অপেক্ষা করে থাকে। আমি কখনও সেগুলো নিয়ে পরোয়া করি না। আমি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করি। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে যে লক্ষ্য স্থির করেছিলেন, সেই লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যাব। অনুষ্ঠানে রবার্ট ফ্রস্টের কবিতা থেকে উদ্ধৃত করে শেখ হাসিনা বলেন, দ্য উডস আর লাভলি, ডার্ক অ্যান্ড ডিপ, বাট আই হ্যাভ প্রমিজেস টু কিপ, অ্যান্ড মাইলস টু গো বিফোর আই স্লিপ, অ্যান্ড মাইলস টু গো বিফোর আই স্লিপ। তিনি বলেন, আমরা বিজয়ী জাতি। মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছি। বিশ্বদরবারে বিজয়ী জাতি হিসেবে সম্মান নিয়ে মাথা উঁচু করে আমরা চলব। নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্তত আমি তাদের এটুকু আহ্বান করব যে— দেশকে ভালোবাসবে, মানুষকে ভালোবাসবে এবং দেশের মানুষের জন্য কাজ করবে। সেখানেই শান্তি, সেখানেই অগ্রগতি, সেখানেই উন্নতি সেখানেই স্বস্তি। তিনি বলেন, চিরদিন কেউ বাঁচে না। কিন্তু যেই কাজ আমরা করে গেলাম, সেই গতি যেন হারিয়ে না যায়, চলার গতি যেন অব্যাহত থাকে, বাংলাদেশ যেন এগিয়ে যায়; সেটিই আমরা চাই।

পথ যত কণ্টকাকীর্ণ হোক, আমরা থেমে থাকব না : প্রধানমন্ত্রী
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চলার পথ যত কণ্টকাকীর্ণ হোক, যত রক্তক্ষরণ হোক, সব পদদলিত করে বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে এগিয়ে যাব—এটিই হচ্ছে আমার প্রতিজ্ঞা। গতকাল রোববার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের স্বীকৃতি উদযাপন উপলক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি জানি, স্বাধীন চেতা হলে অনেক বাধা আসে। আর দেশকে ভালোবেসে শুধু দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে যারা পথ চলে, তাদের পথ চলা কখনও সহজ হয় না। অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়। চলার পথ যতই অন্ধকারাচ্ছন্নই হোক না কেন, যত বন্ধুর হোক না কেন, যত কণ্টকাকীর্ণ হোক, সেখানে আমরা থেমে থাকব না। অন্তত আমি এই প্রতিজ্ঞা করছি থেমে থাকব না। যে কোনো সময় আমি জানি অনেক বুলেট, বোমা ও গ্রেনেড আমার জন্য অপেক্ষা করে থাকে। আমি কখনও সেগুলো নিয়ে পরোয়া করি না। আমি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করি। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে যে লক্ষ্য স্থির করেছিলেন, সেই লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যাব। অনুষ্ঠানে রবার্ট ফ্রস্টের কবিতা থেকে উদ্ধৃত করে শেখ হাসিনা বলেন, দ্য উডস আর লাভলি, ডার্ক অ্যান্ড ডিপ, বাট আই হ্যাভ প্রমিজেস টু কিপ, অ্যান্ড মাইলস টু গো বিফোর আই স্লিপ, অ্যান্ড মাইলস টু গো বিফোর আই স্লিপ। তিনি বলেন, আমরা বিজয়ী জাতি। মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছি। বিশ্বদরবারে বিজয়ী জাতি হিসেবে সম্মান নিয়ে মাথা উঁচু করে আমরা চলব। নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্তত আমি তাদের এটুকু আহ্বান করব যে— দেশকে ভালোবাসবে, মানুষকে ভালোবাসবে এবং দেশের মানুষের জন্য কাজ করবে। সেখানেই শান্তি, সেখানেই অগ্রগতি, সেখানেই উন্নতি সেখানেই স্বস্তি। তিনি বলেন, চিরদিন কেউ বাঁচে না। কিন্তু যেই কাজ আমরা করে গেলাম, সেই গতি যেন হারিয়ে না যায়, চলার গতি যেন অব্যাহত থাকে, বাংলাদেশ যেন এগিয়ে যায়; সেটিই আমরা চাই।

সংক্রমণ বাড়লে লকডাউন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের দেশে দেশে করোনা পরিস্থিতি আবার আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বিশেষ করে ওমিক্রন। প্রতিবেশি ভারতে সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে নেই। সে কারণে বাংলাদেশেও উদ্বেগ বেড়েছে। ‘দেশে করোনা পরিস্থিতি এখনো ভালো। যদি সংক্রমণ অতিমাত্রায় বেড়ে যায় তাহলে আবার লকডাউনের চিন্তা ভাবনা মাথায় রাখতে হবে। তবে এখনই লকডাউনের কোনো পরিকল্পনা নাই।’ এ কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। গতকাল শনিবার বিকেলে মানিকগঞ্জ নার্সিং কলেজ মিলনায়তনে বুস্টার ডোজ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বুস্টার ডোজের পাশাপাশি এরই মধ্যে ওয়ার্ড পর্যায়ে গণটিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জানুয়ারি মাসে অন্তত চার কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা আছে। টিকা দেওয়ার জন্য আরও ছয় কোটি নতুন সিরিঞ্জ চীন থেকে আমদানি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ওমিক্রনের হানা থেকে অন্যান্য দেশের থেকে বাংলাদেশের অবস্থা ভালো। যদি সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন তাহলে ভালোই থাকবো ইনশাআল্লাহ। জাহিদ মালেক বলেন, এরই মধ্যে প্রতিষেধক হিসেবে করোনার মুখে খাওয়ার ট্যাবলেট দেশের বাজারে এসেছে। তবে এ ট্যাবলেট টিকার বিকল্প নয়। করোনা আক্রান্ত মাঝামাঝি ব্যক্তি যাদের মৃদু সমস্যা আছে তারা এ ট্যাবলেট সেবন করতে পারবেন। বুস্টার ডোজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. সামিউল ইসলাম, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর ডা. শামসুল হক, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, জেলা পরিষদেও চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মহিউদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজুর রহমান, পৌর মেয়র রমজান আলী, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আরশাদ উল্লাহ, কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. জাকির হোসেন, সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) লুৎফর রহমান, ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল প্রমুখ।

বিদায় ২০২১, স্বাগত ২০২২
                                  

সালেহ আহাম্মেদ জুবায়ের : করোনার ভয়াবহতার মধ্য দিয়ে আনন্দ-বেদনায় কেটে গেলো আরও একটি বছর। বিদায় ২০২১। সুস্বাগত ২০২২। শুভ নববর্ষ। এমধ্যেই এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল হলো। করোনা প্রতিরোধে কোটি কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে। শেয়ার বাজারে উত্থান হলেও পতনের চিত্রও রয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন, মুজিব শতবর্ষ উদযাপন, করোনা মহামারিসহ নানা কারণে আলোচিত-সমালোচিত ২০২১ বিদায় নিচ্ছে। পাশাপাশি পদ্মা সেতু, মেট্রো রেলের মতো প্রকল্প চালু হওয়াসহ নানা কারণে ২০২২ সাল খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর। নতুন বছরে অগ্রগতির পথে সব জটিলতা দূর হবে এটাই সবার প্রত্যাশা। মহামারির ধাক্কা সামলে নিয়ে বাংলাদেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাক। করোনা মহামারি আর রোহিঙ্গা ইস্যুর কারণে বেশ কয়েক বছর থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন নিয়ে কক্সবাজার সৈকতের অনুষ্ঠান হয়নি। এবারও কক্সবাজারে কোনো আয়োজন রাখা হয়নি। তবে, নিয়মরক্ষায় তারকা হোটেল ওশান প্যারাডাইজ, সায়মন বিচ রিসোর্ট, কক্স-টু-ডে এবং সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা’ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ইনডোর প্রোগ্রামের আয়োজন করে। হোটেলের অতিথি, বিদেশি পর্যটক এবং বিশেষ মেহমান ছাড়া এসব অনুষ্ঠানে অন্যদের শরিক হওয়ার তেমন সুযোগ নেই। কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি মো. জিললুর রহমান বলেন, বিগত সময়ের অভিজ্ঞতায় এবারও বছরের শেষ দিনে লাখো পর্যটক উপস্থিতির কথা মাথায় রেখে সেভাবে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বালিয়াড়ি ও সৈকতের আশপাশে টহল জোরদার করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। সচেতনতামূলক মাইকিং করা হয়।

সরকারী কর্মচারী হয়ে নির্বাচনের মাঠে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ার’
                                  

এফ রহমান রূপক
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের নেতা আবুল হোসেন স্ব-ঘোষিত ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ার তার বিরুদ্ধে আছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি ভাঙ্গার অভিযোগ। তিনি দুর্নীতির পাহাড় গড়ে অডেল সম্পদের মালিক। আবুল হোসেন চাকরী করেন কোষাদক্ষ পদে, থাকেন নিজের বাড়ি সবুজবাগ, তার বিরুদ্ধে দুদকে চলছে একাধিক মামলার তদন্ত এছাড়া আছে বিভিন্ন মামলা। তারপর ও তিনি রাজনীতির মাঠে সয়লাভ। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি হয়েও ব্রাহ্মণবারিয়া মনিয়ন্ধ ইউনিয়ন এক জনসভায় তিনি বলেন, সরকারের অর্থমন্ত্রী তিনি এলাকার জনগনের কাছ থেকে জনবিচ্ছিন্ন। অন্যদিকে আইন মন্ত্রী আনিসুল হকের নাম ভাঙ্গিয়ে বলেন, তিনি ইউপি নির্বাচনে তাহার মনোনীত প্রার্থী ঘোড়া মার্কা যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে সভাপতি গণপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী নৌকা মার্কার বিরোধী প্রার্থীর ঘোড়া মার্কার নির্বাচনী মিটিংয়ে দলের আর্শিবাদ পূষ্ঠ এবং আইনমন্ত্রীর নির্দেশনায় ঘোড়া মার্কাকে বিজয়ী করার জন্য ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন। এমন একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ফেইজবুকে’ ভাইরাল হলে খোজ নিয়ে জানা যায় আবুল হোসেন এর কর্মরত প্রতিষ্ঠান বিআইডব্লিউটিএ মতিঝিল শাখায়, চাকুরির প্রবিধান মালা ১৯৯০ এর ৩৪ এর ২ (ক) ধারা অনুযায়ী চাকুরী রত অবস্থায় কোন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করা যাবে না। যা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে চাকুরী চুত্য করা হবে। তিনি কোন আইনের তোয়াক্কা না করে, নিজস্ব খেয়াল খুশি মত অফিসকে অবহিত না করে, যেখানে খুশি সে খানে চলে যান। ঠিকমতো অফিসও করেন না। অফিসের একাধিক কর্মচারী অভিযোগ করে বলেন, তার ভয়ে কোন কর্মচারীও মুখ খুলতে নারাজ। ভয় দেখান চাকরী চ্যুত ও করার বিধান রয়েছে। যার শাস্তিও ভোগ করছেন কয়েকজন কর্মচারী। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হলে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এ বিষয়ে আবুল হোসেন সাথে একাধিক বার মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আগে নৌ-কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা উচিত ছিল : হাইকোর্ট
                                  

কোর্ট রিপোর্টার : ঝালকাঠিতে লঞ্চ ট্র্যাজেডিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় যে নৌ-কর্মকর্তা ফিটনেস পরীক্ষা ছাড়াই লঞ্চ চলাচলের অনুমোদন দিয়েছেন তাকে আগে গ্রেপ্তার করা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত দুটি রিটের শুনানি শেষে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ, ব্যারিস্টার অনিক আর হক, অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান রায়হান ও অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান। রিটের শুনানিকালে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার বলেন, লঞ্চে আগুন লাগার ঘটনায় সরকারের তো কোনো নিষ্ক্রিয়তা নেই। তখন আদালত প্রশ্ন রেখে বলেন, আপনি বলছেন নিষ্ক্রিয়তা নেই? আপনার বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা না দেখেই তো লঞ্চের ক্লিয়ারেন্স দিয়েছেন। বিআইডব্লিউটিএর এক্ষেত্রে কি দায়িত্ব ছিল না? আদালত আরও বলেন, যে নৌ-কর্মকর্তা ফিটনেস পরীক্ষা ছাড়াই লঞ্চ চলাচলের অনুমোদন দিয়েছেন তাকে আগে অ্যারেস্ট করা উচিত ছিল। এরপর আদালত এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আহত ও নিহত হওয়ার ঘটনায় গঠিত সব তদন্ত কমিটির রিপোর্ট ৩০ দিনের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে লঞ্চ, জাহাজসহ অভ্যন্তরীণ নৌযানের ফিটনেস সংক্রান্ত সব তথ্য ৯০ দিনের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া লঞ্চ দুর্ঘটনায় ভুক্তভোগীদের কেউ আর্থিক সহযোগিতার জন্য আবেদন করলে স্ব স্ব জেলা প্রশাসককে তা বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি লঞ্চ দুর্ঘটনা রোধে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আহত ও নিহতদের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার সেটাও আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিবারগুলোকে ৫০ লাখ এবং গুরুতর আহতদের ২০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে রিটে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এমভি অভিযান-১০ নামের লঞ্চটি প্রায় ৮০০ যাত্রী নিয়ে ঝালকাঠি শহরের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর সুগন্ধা নদীতে থাকা অবস্থায় হঠাৎ আগুন লাগে। দ্রুতই আগুন পুরো লঞ্চে ছড়িয়ে পড়ে।
শীতের রাতে লঞ্চের বেশির ভাগ যাত্রী তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। তিন ঘণ্টার আগুনে পুড়ে মারা গেছেন লঞ্চের অন্তত ৩৯ জন যাত্রী। আর প্রাণ বাঁচাতে লঞ্চ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিল যারা, তাদের মধ্যে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

দেশে লক্ষাধিক কোটিপতি
                                  

সালেহ আহাম্মেদ জুবায়ের : করোনাকালে কোটিপতির সংখ্যা বাড়লো। এই হার আগামীতে আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে সঠিক সংখ্যা উঠে আসেনি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গত তিন মাসের মধ্যে প্রতি মাসে ১শ ৭জন কোটিপতি হয়েছেন। গত তিন মাসে ৩২১ জন কোটি পতির রেকর্ড কেন্দ্রিয় ব্যাংকে রয়েছে বলে জানা যায়। বাস্তবে নব্য কোটিপতির সংখ্যা আরও বেশি হবার কথা। ব্যাংকে কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৩৯টি। এরমধ্যে শুধু করোনা সংকটের সময়ে দেড় বছরে নতুন করে কোটিপতি হয়েছেন ১৭ হাজার ২৯৩ জন। আর গত তিন মাসে নতুন কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে ৩২১ জন। যদিও গত এক বছরে করোনায় প্রভাবে অনেক মানুষ নতুন করে গরিব হয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। বিগত কয়েক বছরের আমানত ও ঋণ বিতরণের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জুন শেষে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ৯৯ হাজার ৯১৮ জন। অর্থাৎ গত তিন মাসে ব্যাংক খাতে নতুন কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে ৩২১ জন। ২০০৯ সালের জুন মাস শেষে ব্যাংক খাতে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ২১ হাজার ৪৯২ জন। ২০২১ সালের জুন শেষে এই সংখ্যা দাড়ায় ৯৯ হাজার ৯১৮ জনে। অর্থাৎ গত ১৩ বছরে ব্যাংক ব্যবস্থায় নতুন কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে ৭৮ হাজার ৪২৬ জন । এরমধ্যে করোনাকালের দেড় বছরেই নতুন করে কোটিপতি হয়েছেন ১৭ হাজার ২৯৩। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের মার্চে দেশে মহামারি করোনা সংক্রমণ যখন শুরু হয়, তখন ব্যাংকে কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৬২৫টি। এই বছরের জুনে এটি বেড়ে হয়েছে ৯৯ হাজার ৯১৮টি। অর্থাৎ এই পরিমাণ অ্যাকাউন্টে কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হয়েছে। যদিও গত সোয়া বছরের করোনাকালে এর কয়েকগুণ মানুষ নতুন করে গরিব হয়েছে। তবে দেশে বর্তমানে কোটিপতির প্রকৃত সংখ্যা কত, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনও পরিসংখ্যান নেই। তবে ২০১৮ সালে সম্পদশালী বৃদ্ধির হার ও ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রক্ষেপণ ধরে ওয়েলথ-এক্স’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ৩ কোটি ডলার বা আড়াইশ’ কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিকদের সংখ্যা বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি হারে বাড়ছে। ওয়েলথ-এক্সের হিসাবে, ২০১৭ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে বাংলাদেশে অতি ধনীর সংখ্যা বেড়েছে গড়ে ১৭ শতাংশ হারে। এ হার যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, ভারতসহ মোট ৭৫টি বড় অর্থনীতির দেশের চেয়ে বেশি। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই পরিসংখ্যান কোটিপতির প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করে না। বাস্তবে নতুন কোটিপতি বেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। এই বৃদ্ধিকে সমাজে আয় বৈষম্যের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বলে মনে করেন তারা। তারা বলছেন, দেশে কোটিপতির সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি গরিবের সংখ্যাও বেড়েছে।

ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার তিন, মূল হোতা আশিক পলাতক
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : কক্সবাজারে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় এজাহারভুক্ত দুজনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে এ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃরা ব্যক্তিরা হলেন কক্সবাজার শহরের দক্ষিণ বাহারছড়া গ্রামের রেজাউল করিম (৩০), একই গ্রামের মেহেদী হাসান (২৫) ও চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের উলুবনিয়া গ্রামের মামুনুর রশীদ (২৮)। এর আগে হোটেল ব্যবস্থাপক রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে এ আলোচিত মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান, চট্টগ্রাম ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি মোসলেম উদ্দিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জোনের ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ। ডিআইজি মোসলেম উদ্দিন বলেন, তাদের আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তবে ধর্ষণকাণ্ডের মূল হোতা আশিক এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ভিকটিম পর্যটক নারী দাবি করেন, গত বুধবার সকালে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে স্বামী-সন্তানসহ কক্সবাজার বেড়াতে যান তিনি। এরপর তাঁরা শহরের হলিডে মোড়ের একটি হোটেলে ওঠেন। সেখান থেকে বিকেলে যান সৈকতের লাবনী পয়েন্টে। সেখানে অপরিচিত এক যুবকের সঙ্গে তাঁর স্বামীর ধাক্কা লাগলে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে সন্ধ্যার পর পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে তাঁর আট মাসের সন্তান ও স্বামীকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে কয়েকজন তুলে নিয়ে যায়। এ সময় আরেকটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তাঁকে তুলে নেয় তিন যুবক। পর্যটন গলফ মাঠের পেছনে একটি ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে নিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করে তিনজন। ধর্ষণ শেষে তাঁকে নেওয়া হয় জিয়া গেস্ট ইন নামের একটি হোটেলে। সেখানে আরেক দফা তাঁকে ধর্ষণ করে ওই তিন যুবক। ঘটনা কাউকে জানালে সন্তান ও স্বামীকে হত্যা করা হবে হুমকি দিয়ে রুম বাইরে থেকে বন্ধ করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা। এর মধ্যে ওই নারী জিয়া গেস্ট ইনের তৃতীয় তলার জানালা দিয়ে এক যুবকের সহায়তায় দরজা খোলেন। এরপর ফোন দেন জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ। পুলিশ তাঁকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করার পরামর্শ দেয়।

২৩ জনের ডিএনএ সংগ্রহ
                                  

সালেহ আহাম্মেদ জুবায়ের : ঝালকাঠি জেলার সুগন্ধা নদীতে লঞ্চে আগুন লেগে নিহতদের মরদেহ হস্তান্তর ও কবর দেয়ার প্রক্রিয়া শেষ করেছে প্রশাসন। বরগুনার জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মোট ১৪ জনের মৃতদেহ স্বজনরা শনাক্ত করে নিয়ে গেছে আর বাকী ২৩ জনকে দাফন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে শনাক্তের জন্য তাদের ডিএনএ নমুনা রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান। হাবিবুর রহমান বলেন, জেলা প্রশাসন ভবনে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে - যাতে নিখোঁজদের স্বজনরা সেখানে খোঁজ নিতে পারেন এবং শনাক্তের জন্য ডিএনএ নমুনা দিয়ে আসতে পারেন। বর্তমানে সুগন্ধা নদীতে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ড মিলে নিখোঁজদের সন্ধান চালাচ্ছে। মি. রহমান বলেন, আর কোন মৃতদেহ পাওয়া গেলে তা সনাক্ত করে স্বজনদের খবর দেয়া হবে। ঝালকাঠির এই লঞ্চটিতে অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া অন্তত ২৩ জনকে শনাক্ত করা যায়নি। ঢাকার সদরঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া ওই লঞ্চটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে গতকাল পর্যন্ত মোট ৪১ জন মারা গেছেন বলে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন। তবে বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার গতরাতে মৃতের সংখ্যা ৪১ বলে জানিয়েছিলেন।। আহত অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন লঞ্চের আরও অন্তত ৭০ যাত্রী জন। তবে বরগুনার জেলার প্রশাসক হাবিবুর রহমান বিবিসিকে বলেছেন তারা ২৫টি কবরে ২৭ জনের দাফন সম্পন্ন করেছেন যাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ‘বরিশাল, ঝালকাঠি ও বরগুনা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত মোট দশ জনকে শনাক্ত করে তাদের স্বজনরা নিয়ে গেছেন’ বলছিলেন তিনি। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি গতকাল সকাল থেকে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন ওই কমিটির সদস্য ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নাজমুল আলম। সাত সদস্যের এ কমিটিতে বিআইডব্লিউটিএ, নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধিও আছেন। কমিটিকে আগামী তিনদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকার সদরঘাট থেকে ছেড়ে রাতে বরিশাল হয়ে বরগুনার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে অবস্থানের সময় রাত তিনটা নাগাদ লঞ্চটিতে আগুন ধরে যায়। পুরো লঞ্চে আগুন ছড়িয়ে পড়লে বহু যাত্রী জীবন বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ দেন। বেশ কিছু যাত্রীর সন্ধান এখনো মেলেনি বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজমুল আলম জানিয়েছেন যে শুক্রবারই ঝালকাঠি থেকে চারজনের ও বরিশাল শেরে বাংলা হাসপাতাল থেকে একজনের মৃতদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুড়ে যাওয়া লঞ্চটি বরগুনাগামী হওয়ায় ৩২টি মৃতদেহ সেখানে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। ‘মরদেহগুলো শনাক্ত করার মতো অবস্থায় ছিল না, তাই ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। পরে কারও ডিএনএ’র সাথে মিলে গেলে সে অনুযায়ী কবর দেখিয়ে দেয়া হবে’ বলছিলেন তিনি।

লঞ্চ ট্র্যাজেডিতে যাত্রিরা পুড়ে অঙ্গার
                                  

স্টাফ রিপোর্টার/বিবিসি/ডয়েচে ভ্যালে : হতভাগা লঞ্চটির নাম এমভি অভিযান-১০। ঢাকা থেকে ঝালকাঠি হয়ে এর গন্তব্য ছিলো বরগুনা পর্যন্ত। রাত দুইটার পর ঝালকাঠির সুগন্ধা নদী পার হবার সময় চলন্ত অবস্থায় লঞ্চে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে। ঘুমন্ত মানুষ, আটকা পড়া মানুষ আগুনে দগ্ধ হয়ে মর্মান্তিকভাবে মাঝ নদীতে নিহত হয়েছেন। অনেকে বাঁচার জন্য নদীতে লাফ দিয়েও মারা গেছেন। এছাড়া এখনো নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। স্বজনরা সুগন্ধা নদীর তীরে ভিড় করছেন শুধু লাশটি পাবার আশায়। এক সঙ্গে থাকা মেয়ে বেঁচে গেলেও বাবা নিখোঁজ, ছেলে নিখোঁজ হলেও মা বেঁচে গেছেন এমন মর্মান্তিক ট্র্যাজেডির শেষ নেই। লঞ্চটি পুড়ে যাবার পর স্টিলের কাঠামো ছাড়া এতে আর কিছুই নেই। আগুন লাগার পর লঞ্চের ভেতর আর্তচিৎকার আর বাঁচার এক করুণ চিত্র মনে করতে পারছেন যারা বেঁচে আছেন তারা। তবে যাত্রিরা জানিয়েছেন, চাঁদপুর ছাড়ার পর থেকেই ইঞ্জিনের সমস্যা দেখা দেয়। প্রচন্ড শব্দ এবং কালো ধুয়ায় ছেয়ে যেতে থাকে পুরো লঞ্চ। চালক বা তার সহযোগিরা বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি। ঝালকাঠি থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক শতকণ্ঠ’ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন মনজু এই প্রতিবেদককে গতকাল শুক্রবার জানিয়েছেন, ‘লঞ্চটিতে ৪শ’র মতো যাত্রি ছিলেন। কয়েক দিন আগে এতে নতুন ইঞ্জিন লাগানো হয়েছিলো। যাত্রা পথে ইঞ্জিন বেশ গরম হয়ে যায়। এক সময় লঞ্চের ফ্লোরও অসহনিয় গরম হতে থাকে। তাতে কেউ গুরুত্ব দেয়নি। এক পর্যায়ে ইঞ্জিন রুম থেকে আগুন ধেয়ে আসে।’ তিনি তার নিজস্ব সূত্র থেকে এই তথ্য জানতে পেরেছেন বলে জানান। এদিকে বিবিসি জানিয়েছে, লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৪০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত হয়েছেন ৭২ জন। তাদের বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রায় ৪শ’ যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি ঢাকার সদরঘাট থেকে ছেড়ে যায়। চাঁদপুর ও বরিশাল টার্মিনালে লঞ্চটি থামে এবং যাত্রী ওঠানামা করেন। ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে পৌঁছলে রাত প্রায় ৩টার দিকে এতে আগুন ধরে যায়। পরে ঝালকাঠি সদর উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের দিয়াকুল এলাকায় নদীর তীরে লঞ্চটি ভেড়ানো হয়। লঞ্চ থেকে প্রাণ বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন যাত্রীদের অনেকেই। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা নৌকা নিয়ে লঞ্চের আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিটের চেষ্টায় ভোর ৫টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় বাসিন্দা, কোস্টগার্ড ও পুলিশ সদস্যরাও উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতা করেন।
ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষ জানায়, রাত ৩টা ২৮ মিনিটে তাদের কাছে অগ্নিকাণ্ডের খবর আসে। তাদের কর্মীরা ৩টা ৫০ মিনিটে সেখানে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহত ৭২ জনকে বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের পরিচালক এইচএম সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের এখানে বার্ন ইউনিট বন্ধ। যারা এসেছেন তাদের অনেকেই দগ্ধ হয়েছেন। ৬৭ জনকে সার্জারি ইউনিটে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বন্দর ও পরিবহণ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো. সাইফুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।
গভীর রাতে মাঝ নদীতে আর্তনাদ, চিৎকারে অবর্ণনীয় এক পরিবেশ তৈরি হয়। আগুন থেকে প্রাণ বাঁচাতে নারী, পুরুষ ও শিশুরা নদীতে ঝাঁপ দিতে থাকেন যাদের অনেকে এখনো নিখোঁজ আছেন। এক পর্যায়ে ঝালকাঠির দিয়াকূল গ্রামে তীরে লঞ্চটি ভেড়ানো হলেও দ্রুত নামতে গিয়ে আটকে পড়া যাত্রীদের অনেকে আহত হন। কেউ কেউ শিশু সন্তান হারিয়ে এখনো খুঁজে পাননি।
একজন যাত্রী বলছেন, যখন মাঝরাতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে তখন একদিকে আগুন আর অন্যদিকে পানি - এ ছাড়া আর তো কোনো উপায় ছিলো না। যাত্রীরা কয়েকজন জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর থেকেই ইঞ্জিনের দিক থেকে মাঝে মধ্যেই জোরে শব্দ হচ্ছিলো আর প্রচণ্ড কালো ধোঁয়া দেখা যাচ্ছিলো।
‘আমরা অনেকেই বুঝতে পারছিলাম যে কোনো একটা ঝামেলা হচ্ছে। লঞ্চের ফ্লোরগুলোও গরম হয়ে উঠছিলো। ইঞ্জিনে প্রচণ্ড শব্দ হচ্ছিলো আর ব্যাপক কালো ধোঁয়া দেখছিলাম। স্টাফরা বলছিলো সমস্যা হবেনা, বলছিলেন লঞ্চের তিন তলার একটি কেবিনে থাকা যাত্রী জহিরুল। জহিরুল আগুন লাগার পর নদীতে লাফ দেন এবং প্রায় এক ঘণ্টা ভাসার পর তীরে আসতে সক্ষম হন। আগুনে তার দুই পা পুড়ে গেছে। হাসপাতাল থেকে ফোনে বিবিসির সাথে কথা বলেছেন তিনি। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সদরঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর এক ইঞ্জিনে চলছিলো লঞ্চটি। পরে চাঁদপুর ছাড়ার পর দ্বিতীয় ইঞ্জিনটি চালু করা হয়। ‘এরপর ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ ব্যাপক চিৎকারে ঘুম ভেঙ্গে যায়। দরজা খুলে দেখি আগুন আর আগুন। স্টাফরা তখনো ধৈর্য্য ধরতে বলে। কিন্তু আগুনের উত্তাপ সইতে না পেরে দিলাম নদীতে ঝাঁপ দিলাম’।

অভিজিৎ ঘাতককে ধরতে পুরস্কার
                                  

বিবিসি/দ্য গার্ডিয়ান : লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ-এর পলাতক ঘাতক বহিষ্কৃত মেজর জিয়া ও আকরামের তথ্য জানালে যুক্তরাষ্ট্র তাকে ৫০ লাখ ডলার বা ৪৩ কোটি টাকার বেশি পুরস্কার দেয়া হবে বলে এক ঘোষণায় জানিয়েছে। বাংলাদেশে ২০১৫ সালে ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায়কে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী বলে যাদের সন্দেহ করা হয় - সেই ‘মেজর জিয়া’ নামে পরিচিত সৈয়দ জিয়াউল হক এবং আকরাম হোসেনের ব্যাপারে তথ্য দেবার জন্য ৫০ লক্ষ ডলার পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর। এ তথ্য জানিয়ে প্রকাশ করা একটি পোস্টারে বলা হয়, ‘২০১৫ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় একটি বইমেলা থেকে বেরিয়ে আসার সময় আল-কায়েদা ভিত্তিক সন্ত্রাসীরা মার্কিন নাগরিক অভিজিৎ রায়কে হত্যা করে এবং তার স্ত্রী রাফিদা বন্যা আহমেদকে আহত করে।’ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস কর্মসূচির এক টুইট বার্তায় জিয়াউল হক ও আকরাম হোসেনের ব্যাপারে কোন তথ্য জানা থাকলে তা টেক্সট করে পাঠাতে একটি ফোন নম্বর দেয়া হয়। এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের একটি আদালতে ছয়জনকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দেয়া হয়েছে উক্ত হামলায় তাদের ভূমিকার জন্য। ওই আসামীদের মধ্যে দুজন - সৈয়দ জিয়াউল হক (ওরফে মেজর জিয়া) এবং আকরাম হোসেন-এর অনুপস্থিতিতে বিচারকার্য সম্পন্ন হয়েছিল এবং তারা এখনো পলাতক রয়েছেন।’ উক্ত হক, হোসেন বা হামলার সাথে জড়িত অন্য কারো সম্পর্কে আপনার নিকট কোন তথ্য থাকলে, নিচের নম্বরটি ব্যবহার করে সিগন্যাল, টেলিগ্রাম বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আপনার তথ্য আমাদের নিকট প্রেরণ করুন। সেক্ষেত্রে আপনিও পুরস্কার পেতে পারেন’ - বলা হয় পোস্টারটিতে। পোস্টারের শিরোনামে বলা হয়, ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস ৫ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছে/বাংলাদেশে মার্কিন নাগরিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলার তথ্যের জন্য।’ পোস্টারের নিচে বাম দিকের কোণায় মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নাম ও প্রতীক, ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি সার্ভিস, ও রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিসের নাম রয়েছে। রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস হচ্ছে সন্ত্রাসদমনের কাজে ভূমিকার জন্য পুরস্কার দেবার লক্ষ্যে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের একটি কর্মসূচি। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের বিচারের আওতায় আনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের কোন ব্যক্তি বা সম্পত্তির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিহত করা। এ কর্মসূচির অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এমন কোন তথ্যের জন্য কাউকে পুরস্কৃত করতে পারেন যার ফলে: আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করা বা করার চেষ্টা, অথবা এর পরিকল্পনা বা সহায়তার সাথে জড়িত আমি শুনেছি। যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব পলিসি রয়েছে। তারা যদি এ পদ্ধতিতে আসামিদের ধরতে পারে তাহলে ভালোই হবে।’ ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ মামলার পলাতক আসামিদের ধরতে এভাবে পুরস্কার ঘোষণা করেছি। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের ধরতে আমরাও পুরস্কার ঘোষণা করেছিলাম।’ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কিছু পদক্ষেপ বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদের পদ্ধতি মেনেই কাজ করছে। আমরাও আমাদের পদ্ধতি অনুযায়ী কাজ করছি। তাদের কাজ তারা করছে, আমাদের কাজ আমরা করছি। তবে কোনো গরিব দেশ যখন এগিয়ে যায়, তখন নানাভাবে বিভিন্ন জায়গা থেকে একটা চাপ তো আসেই।’
প্রশ্নকারী ওই সাংবাদিকের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনি নিজেও যখন কর্মস্থলে অন্য সহকর্মীদের চেয়ে ভালো করবেন তখন সবাই ঈর্ষা করবে, চাপে ফেলার চেষ্টা করবে। তবে আমরা সব চাপ ও বাধা অতিক্রম করে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

বঙ্গভবন ঘিরে সকলের স্বপ্ন
                                  

সাঈদ আহাম্মেদ খান : রাজনৈতিক দলগুলো রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে নিজেদের মতামত দিচ্ছেন আগামী নির্বাচন কমিশন কেমন হবে। বঙ্গবভন ঘিরে এখন সকলের স্বপ্ন। অনেকগুলো দল নিজেরা উদ্যোগি হয়েছে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয়ার জন্য। নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপ্রধান মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে আরও ৮টি রাজনৈতিক দলের সংলাপের জন্য দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়েছে। সোমবার নির্বাচন কমিশন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী- ২২ ডিসেম্বর (বুধবার) বিকেল ৪টায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), ২৬ ডিসেম্বর (রোববার) বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), ২৭ ডিসেম্বর (সোমবার) বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, সন্ধ্যা ৬টায় খেলাফত মজলিস, ২৮ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, ২৯ ডিসেম্বর (বুধবার) বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) ও সন্ধ্যা ৬টায় ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে রাষ্ট্রপ্রধানের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে গতকাল সোমবার বিকাল ৪টার পর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদেরের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নেন। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন- দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু, সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কো-চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি, এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, অ্যাডভোকেট কাজী ফিরোজ রশীদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মশিউর রহমান রাঙ্গা। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন নিয়ে এবার তৃতীয়বারের মতো রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রাজনৈতিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রথমবার ২০১১ সালের ২২ ডিসেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রয়াত জিল্লুর রহমান বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোকে সংলাপে ডাকেন। দ্বিতীয়বার ২০১৬ সালের ১৮ ডিসেম্বর থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সংলাপ শুরু হয়, চলে ২০১৭ সালের ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। বঙ্গভবনে পর্যায়ক্রমে মোট ৩১টি রাজনৈতিক দল এই সংলাপে অংশ নেয়। উল্লেখ্য, বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। পরদিন নতুন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণ করবে। এর আগে রাষ্ট্রপতি ২০ জানুয়ারির মধ্যে নতুন সার্চ কমিটি গঠন করবেন। এই সার্চ কমিটি রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে নতুন কমিশন গঠনে সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করবে। সার্চ কমিটি রাষ্ট্রপতির কাছে সিইসির জন্য দুইজন, চারজন নির্বাচন কমিশনারের জন্য ৮ জনের নাম প্রস্তাব করবে। পরে সার্চ কমিটির প্রস্তাবিত মোট ১০ জনের নামের তালিকা থেকে একজন সিইসি ও ৪ জন নির্বাচন কমিশনার চূড়ান্ত করবেন রাষ্ট্রপ্রধান।

মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার উন্মুক্ত
                                  

সালেহ আহাম্মদ জুবায়ের : বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার উন্মুক্ত হলো। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে শ্রম বাজার নিয়ে সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) সম্পন্ন হয়েছে। মালয়েশিয়ার পক্ষে দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি এম সারাভানান এবং বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমদ চুক্তিতে সই করেন। গতকাল রোববার কুয়ালালামপুরে এ চুক্তি সম্পন্ন হয়। এ সময় উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সূত্রে বলা হয়, এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশি কর্মীদের মালয়েশিয়া প্রান্তের সব খরচ নিয়োগকর্তা বহন করবেন। রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি নিয়োগ, মালয়েশিয়ায় নিয়ে যাওয়া, তাদের আবাসন, কর্মে নিয়োজিত করা এবং কর্মীর নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর খরচ বহন করবেন। নিয়োগকর্তা নিজ খরচে মালয়েশিয়ান রিক্রুটিং এজেন্ট নিযুক্ত করতে পারবেন। এতে বলা হয়, মালয়েশিয়ায় আসার পর বাংলাদেশি কর্মীর ইমিগ্রেশন ফি, ভিসা ফি, স্বাস্থ্য পরীক্ষার খরচ, ইনস্যুরেন্স সংক্রান্ত খরচ, করোনা পরীক্ষার খরচ, কোয়ারেন্টিন সংক্রান্ত খরচসহ সব ব্যয় মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তা বা কোম্পানি বহন করবে। নিয়োগকর্তা কর্মীর মানসম্মত আবাসন, বিমা, চিকিৎসা ও কল্যাণ নিশ্চিত করবেন। মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং প্রত্যাবাসনে আদর্শ কাঠামো প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের শ্রমিকদের কর্মসংস্থান একটি অন্যতম সহযোগিতার ক্ষেত্র এবং পারস্পরিকভাবে উপকারী বলে উভয় দেশ বিশ্বাস করে। দীর্ঘ তিন বছর বন্ধ থাকার পর গত ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে অনুমোদন দেয় মালয়েশিয়া। সব সেক্টরে কর্মী নেওয়ার অনুমোদন দেয় দেশটির মন্ত্রী পরিষদ। বিশেষ করে গৃহকর্মী, বাগান, কৃষি, উৎপাদন, পরিষেবা, খনি ও খনন এবং নির্মাণ খাতে বাংলাদেশি কর্মী নেবে দেশটি। চুক্তি সই সম্পন্ন হওয়ায় এসব খাতে বাংলাদেশি কর্মীরা দেশটিতে যেতে পারবে। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার চেষ্টা বারবার ব্যাহত করেছে ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সি। তাদের তৈরি সিন্ডিকেট অবৈধভাবে এ বাজার দখলের চেষ্টা করার সময় ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এটি বন্ধ হয়ে যায়। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ কমিটির বৈঠকে ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশের শ্রমিক নিয়োগ বন্ধ করে দেয় দেশটি। জানা গেছে, আগের চেয়ে এবারের সমঝোতা স্মারকে বেশকিছু বিষয়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- জিটুজি প্লাস পদ্ধতি উল্লেখ থাকছে না; যুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার রিক্রুটিং এজেন্সি; থাকছে কর্মীদের বাধ্যতামূলক বিমা; কর্মীদের দেশে ফেরার ব্যবস্থা ও খরচ বহন করবে নিয়োগদাতা; চুক্তি মেয়াদে কর্মীদের দায়িত্ব নিতে হবে মালয়েশিয়ার রিক্রুটিং এজেন্সিকেও; বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ থেকে ৪৫ বছর পর্যন্ত।

পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো ভারত
                                  

এনডিটিভি/এএনআই : দক্ষিণ এশিয়ায় অস্ত্রের ভারসাম্য বিলম্বিত হতে চলেছে। ভারতের পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ার মধ্য দিয়ে তা প্রমাণ হলো। প্রতিবেশি চীন ও পাকিস্তানকে একটি বার্তাও দেয়া হলো এই পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। পরমাণু অস্ত্রবাহী নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র ‘অগ্নি প্রাইম’ এর সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। গতকাল শনিবার ওড়িশা উপকূল থেকে অগ্নি সিরিজের এ ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপন করা হয়। এনডিটিভি জানিয়েছে, মাঝারি পাল্লার এ ক্ষেপণাস্ত্রটি এক থেকে দুই হাজার কিলোমিটারের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি করা হচ্ছে। ওয়্যারহেড ওজন দেড় হাজার থেকে তিন হাজার কিলোগ্রামের মধ্যে। এতে পরমাণু সক্ষম কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি প্রাইম-এ অনেক নতুন বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বার্তা সংস্থাকে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাটি উচ্চ স্তরের নির্ভুলতার সঙ্গে তার সব মিশনের উদ্দেশ্য পূরণ করেছে। এর আগে পরমাণু অস্ত্রবহন ক্ষমতা সম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-৫ পরীক্ষার পর পাশাপাশি অত্যাধুনিক দূরপাল্লার গাইডেড বোমার পরীক্ষাও চালিয়েছে ভারত।

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল মঙ্গলবার সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে তাদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বাণীতে বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ ও পথ অনুসরণ করে অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে পারলেই তাদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। তিনি বলেন, ‘শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। আমি দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ৭১- এর ঘাতক, মানবতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-মৌলবাদীচক্রের রাষ্ট্র ও গণতন্ত্রবিরোধী সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।’ ১৯৭১ সালের এ দিনে দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার আল-বদর, আল-শামস মিলিতভাবে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঠিক দুদিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। দিবসটি উপলক্ষে জাতীয়ভাবে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা নিয়ে তিন মন্ত্রী দায়িত্বে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : পুলিশের বর্তমান আইজিপি, র‍্যাবের বর্তমান ডিজিসহ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আমেরিকার দেয়া নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কাজ করার জন্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তিন মন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব দিয়েছেন। গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। ভিডিও কনফারেন্সে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বৈঠকে যোগ দেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে কাজ করতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মন্ত্রিসভায় কোনো আলোচনা হয়েছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। কারণ বিষয়টি ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হ্যান্ডেল করছেন। তাই এটি নিয়ে আর আলোচনা হয়নি। গুরুতর মানবাধিকার লংঘনমূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশের বিশেষ পুলিশ র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এবং এর ছয়জন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে মার্কিন অর্থ দফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, গত শুক্রবার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসের এই দিনে মার্কিন অর্থ দফতরের ফরেন অ্যাসেটস কনট্রোল অফিস (ওএফএসি) বিভিন্ন দেশের মোট ১০টি প্রতিষ্ঠান ও ১৫ জন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে - যারা মানবাধিকার লংঘন এবং নিপীড়নের সাথে সংশ্লিষ্ট। এই তালিকাভুক্তদের অন্যতম হচ্ছে বাংলাদেশের র‍্যাব ও এর ছয়জন কর্মকর্তা।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত ছয় জন কর্মকর্তা হচ্ছেন: চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন-র‍্যাবের বর্তমান মহাপরিচালক, বেনজির আহমেদ-সাবেক র‍্যাব মহাপরিচালক, জানুয়ারি ২০১৫-এপ্রিল ২০২০, খান মোহাম্মদ আজাদ-বর্তমান অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অপারেশন্স, তোফায়েল মুস্তাফা সরওয়ার-সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অপারেশন্স, জুন ২০১৯-মার্চ ২০২১, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম-সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অপারেশন্স, সেপ্টেম্বর ২০১৮-জুন২০১৯, এবং মোহাম্মদ আনোয়ার লতিফ খান-সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অপারেশন্স, এপ্রিল-২০১৬-সেপ্টেম্বর ২০১৮। এতে বলা হয়, গুরুতর মানবাধিকার লংঘনে জড়িত থাকার জন্য বেনজির আহমেদের ওপর ভিসা বিধিনিষেধ আরোপ করার কথা ঘোষণা করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর - যার ফলে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অযোগ্য হবেন। বিজ্ঞপ্তিটিতে বলা হয়, বাংলাদেশের বেসরকারি সংগঠনগুলো অভিযোগ করেছে যে র‍্যাব এবং অন্যান্য আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ২০০৯ সাল থেকে প্রায় ৬০০টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, ৬০০-রও বেশি লোকের অদৃশ্য হয়ে যাওয়া, এবং নির্যাতনের জন্য দায়ী। কিছু রিপোর্টে আভাস পাওয়া যায় যে এসব ঘটনায় বিরোধীদলীয় সদস্য, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের টার্গেট করা হয়েছে - বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।  এতে  গুরুতর মানবাধিকার লংঘনমূলক কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশের বিশেষ পুলিশ র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এবং এর ৬ জন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার কথা বলা হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় র‍্যাবের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লংঘনের ব্যাপক অভিযোগ - আইনের শাসন, মানবাধিকার, মৌলিক স্বাধীনতা, ও বাংলাদেশের জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে হেয় করার মাধ্যমে - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থকে হুমকির মুখে ফেলছে। নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিন প্রভাবশালী মন্ত্রী আমেরিকায় কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন বলে আভাস পাওয়া গেছে।

 এতে বলা হয়, গুরুতর মানবাধিকার লংঘনে জড়িত থাকার জন্য বেনজির আহমেদের ওপর ভিসা বিধিনিষেধ আরোপ করার কথা ঘোষণা করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর - যার ফলে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অযোগ্য হবেন। বিজ্ঞপ্তিটিতে বলা হয়, বাংলাদেশের বেসরকারি সংগঠনগুলো অভিযোগ করেছে যে র‍্যাব এবং অন্যান্য আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ২০০৯ সাল থেকে প্রায় ৬০০টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, ৬০০-রও বেশি লোকের অদৃশ্য হয়ে যাওয়া, এবং নির্যাতনের জন্য দায়ী। কিছু রিপোর্টে আভাস পাওয়া যায় যে এসব ঘটনায় বিরোধীদলীয় সদস্য, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের টার্গেট করা হয়েছে - বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে। এতে গুরুতর মানবাধিকার লংঘনমূলক কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশের বিশেষ পুলিশ র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এবং এর ৬ জন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার কথা বলা হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় র‍্যাবের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লংঘনের ব্যাপক অভিযোগ - আইনের শাসন, মানবাধিকার, মৌলিক স্বাধীনতা, ও বাংলাদেশের জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে হেয় করার মাধ্যমে - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থকে হুমকির মুখে ফেলছে। নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিন প্রভাবশালী মন্ত্রী আমেরিকায় কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন বলে আভাস পাওয়া গেছে।

দেশেই ফিরলেন মুরাদ হাসান
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : প্রতিমন্ত্রীর পদ হারানো ডা. মুরাদ হাসান প্রথমে কানাডা এবং পরে দুবাই ঢুকতে গিয়ে সফল হননি। দ্ইু দেশের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। চারদিন পথে পথে ভ্রমণে থেকে সবশেষে নিজে দেশেই ফিরতে হলো। বিমানবন্দরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, মুরাদ এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে ৫৮৬ ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন। বিমানবন্দরে নামার পর সাংবাদিকদের দৃষ্টি এড়াতে মুরাদ হাসান আন্তর্জাতিক টার্মিনাল ব্যবহার না করে অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল দিয়ে বের হন। তিনি সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। রোববার সকালে দুবাই থেকে তার ঢাকায় পৌঁছার কথা, কিন্তু সেই ফ্লাইটে তিনি আসেননি। একাধিক সূত্র জানায়, ডা. মুরাদ দুবাই থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের (ইকে-৫৮২) বিমানে দেশে ফিরছেন সকাল ৭টা ৫৬ মিনিটের ফ্লাইটে এমন খবরে সাংবাদিকরা ভোর থেকেই ভিড় করেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। নির্ধারিত সময়ে বিমানটি ল্যান্ড করলেও ওই ফ্লাইটে ডা. মুরাদ হাসান আসেননি। সূত্র জানায়, কানাডায় প্রবেশে ব্যর্থ হওয়ার পর দুবাইয়ের ভিসা পাওয়ার চেষ্টায় করছিলেন ডা. মুরাদ। কিন্তু সেই চেষ্টায়ও ব্যর্থ তিনি। পরে দুবাইয়ের ভিসা না পেয়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন মুরাদ। গত ৯ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে কানাডার উদ্দেশে দেশত্যাগ করেছিলেন তিনি। এরপর কানাডার টরন্টো পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছলেও তাকে সে দেশে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। সেখান থেকে তাকে দুবাইগামী একটি ফ্লাইটে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু দুবাইও তাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়। কিন্তু আনুষ্ঠানিক কোনো সূত্রে ডা. মুরাদের অবস্থানের কথা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। করোনাকালীন চাহিদা অনুযায়ী কাগজপত্র না দেখাতে পারায় তাকে কানাডার টরেন্টো পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠিয়েছে কানাডার বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স। গত বৃহস্পতিবার রাতে কানাডার উদ্দেশে দেশত্যাগ করার পর মুরাদ হাসানকে কানাডার বিমানবন্দর থেকে অন্য ফ্ল¦াইটে দুবাই ফেরত পাঠানো হয়। সেখানেও প্রবেশে ব্যর্থ গতকাল রোববার বিকেল ৪ টা ৫৫ মিনিটে এমিরেটসের ইকে-৫৮৬ নম্বর ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। জানা গেছে, কানাডায় ঢুকতে চেয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর মুরাদ হাসান দুবাইয়ের ভিসা পাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সে চেষ্টাও ব্যর্থ হয়ে গতকাল বিকেলে চূড়ান্তভাবে দেশে ফেরেন তিনি। দুবাই বিমানবন্দরের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, টরেন্টো থেকে এমিরেটস এয়ারলাইনসের ইকে-২৪২ ফ্লাইটে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় দুবাইয়ে এসে পৌঁছান ডা. মুরাদ হাসান। এরপর তিনি বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩ এ প্রবেশ করেন। তবে অন-অ্যারাইভাল অথবা পর্যটন ভিসা না থাকায় তিনি ইমিগ্রেশন পার হতে পারেননি। সূত্র আরও জানায়, বিমানবন্দরের ট্রানজিট এলাকায় বসে দুবাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে ডা. মুরাদ যোগাযোগ করেছেন। তার সঙ্গে কথা বললেও শনিবার দুবাইয়ে সরকারি ছুটি থাকায় ভিসার ব্যবস্থা করতে পারেননি দূতাবাসের কর্মকর্তারা। সূত্রে জানা যায়, ডা. মুরাদ হাসান দুবাই বিমানবন্দরে বসেই এমিরেটস এয়ারলাইসের ইকে-৫৮২ ফ্লাইটের বিজনেস ক্লাসের একটি টিকিট কাটেন। ফ্লাইটটি দুবাইয়ের স্থানীয় সময় শনিবার মধ্যরাত ১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে সকাল ৮টা ১০ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করার কথা ছিলো। কিন্তু সেই ফ্লাইটে দেখা যায়নি ডা. মুরাদকে। উল্লেখ্য, বিভিন্ন টকশো ও অনুষ্ঠানে নানা বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, নারীদের নিয়ে অশোভন বক্তব্য ও ঢাকাই সিনেমার এক নায়িকার সঙ্গে অডিও ফাঁসের ঘটনায় সোমবার ডা. মুরাদকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মঙ্গলবার তিনি পদত্যাগ করেন। তিনি জামালপুর আওয়ামী লীগের পদও হারান। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে দেশ ছেড়ে ডা. মুরাদ ১০ ডিসেম্বর দুপুরে কানাডার টরেন্টো পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন।


   Page 1 of 46
     আজকের পত্রিকা
পথ যত কণ্টকাকীর্ণ হোক, আমরা থেমে থাকব না : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
সংক্রমণ বাড়লে লকডাউন
.............................................................................................
বিদায় ২০২১, স্বাগত ২০২২
.............................................................................................
সরকারী কর্মচারী হয়ে নির্বাচনের মাঠে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ার’
.............................................................................................
আগে নৌ-কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা উচিত ছিল : হাইকোর্ট
.............................................................................................
দেশে লক্ষাধিক কোটিপতি
.............................................................................................
ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার তিন, মূল হোতা আশিক পলাতক
.............................................................................................
২৩ জনের ডিএনএ সংগ্রহ
.............................................................................................
লঞ্চ ট্র্যাজেডিতে যাত্রিরা পুড়ে অঙ্গার
.............................................................................................
অভিজিৎ ঘাতককে ধরতে পুরস্কার
.............................................................................................
বঙ্গভবন ঘিরে সকলের স্বপ্ন
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার উন্মুক্ত
.............................................................................................
পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো ভারত
.............................................................................................
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
.............................................................................................
নিষেধাজ্ঞা নিয়ে তিন মন্ত্রী দায়িত্বে
.............................................................................................
দেশেই ফিরলেন মুরাদ হাসান
.............................................................................................
ঢাকায় দুই নারীর ‘ওমিক্রন’ শনাক্ত
.............................................................................................
প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদের পদত্যাগ
.............................................................................................
৫শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক
.............................................................................................
ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’ আসছে
.............................................................................................
নিউইয়র্কে ওমিক্রন উদ্বেগ
.............................................................................................
দুর্জয়ের স্বপ্ন বাস চাপায় চুরমার
.............................................................................................
ভারতের ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ তালিকায় বাংলাদেশ
.............................................................................................
সকল বিমানবন্দরে সতর্কতা
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে কড়াকড়ি আরোপ
.............................................................................................
নিউইয়র্কে থ্যাঙ্কসগিভিং প্যারেড উদযাপিত
.............................................................................................
কালো টাকা সাদা করলেন শতাধিক
.............................................................................................
ইউরোপে করোনার নতুন ঢেউ
.............................................................................................
করোনায় মৃত্যুশূন্য বাংলাদেশ
.............................................................................................
অস্ট্রিয়া জুড়ে লকডাউন ঘোষণা
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু পরিবারের নিরাপত্তায় এসএসএফ
.............................................................................................
নিউইয়র্কে গণমুক্তি’র সঙ্গে তিন্নির স্বামী পিয়াল : ন্যায় বিচারের অপেক্ষায় আছি
.............................................................................................
বিচারকের ক্ষমতা ‘প্রত্যাহার’
.............................................................................................
বিচারকের ক্ষমতা ‘সিজ’ হচ্ছে
.............................................................................................
বিশ্ব সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ অবদান রাখতে চায়
.............................................................................................
সিনহার ১১ বছরের কারাদণ্ড
.............................................................................................
ইভ্যালির গ্রাহকদের রিট
.............................................................................................
ভাড়া বাড়িয়ে ধর্মঘট প্রত্যাহার
.............................................................................................
স্থবির যোগাযোগ ব্যবস্থা
.............................................................................................
দেশজুড়ে সড়কে সীমাহিন দুর্ভোগ
.............................................................................................
রাজশাহী থেকে ঠিকাদার আটক
.............................................................................................
বিদ্রোহি প্রার্থী সরকার দলের চ্যালেঞ্জ
.............................................................................................
সিআইডি’র হাতে আটক ৬
.............................................................................................
স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ে কেনাকাটার ১৭ ফাইল গায়েব
.............................................................................................
জড়িতদের তালিকা সিআইডিতে
.............................................................................................
শীর্ষ কয়েক নেতা নজরদারিতে
.............................................................................................
স্বাধীন কমিশন গঠনের আর্জি
.............................................................................................
২৫ জনের মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ
.............................................................................................
দেশব্যাপি গণঅনশন পালিত
.............................................................................................
শরীয়তপুরে ইউএনওকে হত্যার হুমকিতে জিডি
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop