| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > ইবি ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি   > ‘ভোটে বিচ্যুতি হলে সরকার হটানোর আন্দোলন’   > পর্দা নয় এবার বাস্তবে বাংলাদেশি ‘ভাইজান’কে দেখল ভারতবাসী!   > সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে : প্রধানমন্ত্রী   > মেডিকেল শিক্ষার্থীর দায়বদ্ধতা রয়েছে জনগণের কাছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী   > হেলিকপ্টার থেকে প্রধানমন্ত্রীর মোবাইলে পদ্মা সেতুর ছবি   > পাকিস্তানের জয়ের পর শোয়েব মালিকের টুইটবার্তা   > সীমান্ত হত্যা: বিএসএফের `গরু পাচার` যুক্তি মানছে না বিজিবি   > ১৩ অভিজাত ক্লাবে জুয়ার বিষয়ে রায় আগামী ২৮ জানুয়ারি   > মুজিববর্ষে বিএসএমএমইউতে বিনামূল্যে চিকিৎসা  

   তথ্য-প্রযুক্তি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
প্রযুক্তি হুমকিতে ফেলতে যাচ্ছে যে সাতটি পেশা

ডেস্ক রিপোর্ট : আপনার কাজ কি কিছুটা একঘেয়ে ও নিরস ধরনের? হলেও এ নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই।

জীবিকার প্রয়োজনে মানুষ বেছে নেয় নানা ধরনের পেশা এবং কাজ করতে করতে কোনোটি হয়ে যায় রুটিন বা একঘেয়ে।

আর এ ধরনের রুটিন বা সহজে অনুধাবন যোগ্য কাজগুলো আগামী পাঁচ বা ১০ বছরের মধ্যে হয়ে যাবে অনেকটা অঙ্কের নিয়মে।

 লেখক জন পুগলিয়ানো বলছেন এটি আর কোথাও না হলেও উন্নত দেশগুলোতে হবে।

অর্থাত্ মানুষকে আর হাতে কলমে এ ধরনের কাজগুলো করতে হবে না।

গবেষণা করে তিনি চিহ্নিত করেছেন এমন কয়েকটি পেশা যেগুলো তার মতে রীতিমতো হুমকির মুখে আছে।

যদিও এ মুহূর্তে এসব পেশাকে নিরাপদই মনে করা হচ্ছে।

বিবিসি মুণ্ডু ও বিবিসি স্প্যানিশ সার্ভিসকে তিনি বলেন, ‘চিকিত্সক ও আইনজীবীরা কখনোই হারিয়ে যাবেন না।

কিন্তু শ্রম খাতের একটি বড়ো অংশই আর থাকবে না।’ মিস্টার পুগলিয়ানোর মতে প্রযুক্তির কারণে ক্ষতির মুখে পড়বে এমন সাতটি পেশা হলো—

চিকিৎসা : এটা ঠিক যে চিকিত্সকদের চাহিদা সবসময় থাকবে। এমনকি বিশ্বে বয়স্কদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার প্রবণতার মধ্যেও।

কিন্তু পুগলিয়ানো বিশ্বাস করেন এ খাতে কিছু জায়গায় লোকবল হুমকির মুখে পড়বে প্রযুক্তির কারণে।

কারণ রোগ চিহ্নিত করণে প্রযুক্তির দাপট বাড়বে সামনের দিনগুলোতে।

আইনজীবী : পুগলিয়ানোর মতে ডকুমেন্ট প্রসেসিং কিংবা নিয়মিত কাজের জন্য ভবিষ্যতে দরকার হবে অল্প আইনজীবী বা সলিসিটরের।

বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের খুব বেশি দরকার হবে না কম্পিউটার সফটওয়্যারের কারণে।

স্থপতি : ভবনের নকশা তৈরির কাজে এখনি সফটওয়্যার নিজেই সক্ষম হয়ে উঠেছে। আর ভবিষ্যতে এটি আর জোরদার হবে।

একমাত্র সৃষ্টিশীল স্থপতিরা হয়তো তখন কিছু করে খেতে পারবেন।

হিসাবরক্ষক : ট্যাক্সের জটিল সব হিসাব নিকাশের জন্য আর হিসাবরক্ষকের দরকার হবে না। কেনই বা দরকার হবে? চাহিদাই তো কমে যাবে।

কারণ কাজগুলো তো করবে কম্পিউটার আর সফটওয়্যার।

যুদ্ধবিমানের পাইলট : এখনি বড়ো যুদ্ধগুলোর খবরে প্রতিদিনই শোনা যায় পাইলটবিহীন যুদ্ধবিমানের নানা তত্পরতার খবর।

ড্রোন এখন সবার কাছেই সুপরিচিত। ঝুঁকিপূর্ণ সামরিক লড়াইয়ে পাইলটবিহীন বিমান হরহামেশাই ব্যবহার হচ্ছে।

যুদ্ধবিমানের ক্ষেত্রে সামনের দিনগুলোতে এটি আরো বিস্তৃত হবে।

পুলিশ ও গোয়েন্দা : নিয়মিত নজরদারি বা তদন্তের জন্য এখনি পুলিশ সদস্যের বদলে জায়গা করে নিতে শুরু করেছে আধুনিক প্রযুক্তিগত পদ্ধতি।

যদিও পুলিশ বা গোয়েন্দা একেবারেই বিলুপ্ত হবে না, তবে তাদের চাহিদা দিন দিন কমতেই থাকে। কারণ তাদের কাজ করে দিবে যন্ত্র।

রিয়েল এস্টেট এজেন্ট : খুচরা বিক্রেতাদের ক্ষেত্রে এখনি বড়ো ভূমিকা পালন করছে ওয়েবসাইট।

এর মাধ্যমেই এখন সংযুক্ত হচ্ছেন ক্রেতা ও বিক্রেতা। তাহলে এজেন্ট বা প্রতিনিধি লাগবে কেন।

ভবন বা ফ্ল্যাট ক্রয়-বিক্রয়ে এজেন্ট এখন আর খুব কার্যকর কিছু নয়। সামনে এটি হারিয়েই যাবে বলে মনে করছেন পুগলিয়ানো।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আমাদের ধ্বংস করতে পারে

স্টিফেন হকিং থেকে শুরু করে ইলন মাস্ক—বিশ্বের শীর্ষ কয়েক জন বিজ্ঞানী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে,

এটি একসময় হয়তো মানব প্রজাতির জন্য একটি হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

কিন্তু নতুন একটি বইতে বলা হচ্ছে, রোবট আসলে নিজে থেকে সচেতন হয়ে উঠছে না

বা তাদের মানুষ প্রভুর বিরুদ্ধে কোনো মনোভাব তৈরি করছে না, যেটি মানুষের জন্য ভয়ের কারণ হতে পারে।

কিন্তু আসলে এসব যন্ত্রের জন্য নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে এগুলো এতটাই দক্ষ হয়ে উঠছে যে,

হয়তো দুর্ঘটনাবশত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে তাদের ভুল কোনো কাজে লাগানোর মাধ্যমেই আমাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতে পারে।

হিউম্যান কম্প্যাটিবল : এআই অ্যান্ড দ্য প্রবলেম অব কন্ট্রোল’ নামের বইটি লিখেছেন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টুর্ট রাসেল,

যিনি আধুনিক যন্ত্র সক্ষমতা প্রযুক্তির ব্যাপারে একজন বিশেষজ্ঞ।

তিনি বলেছেন,‘হলিউডের সিনেমায় দেখানো হয় যে, যন্ত্রগুলো নিজে থেকেই সচেতন হয়ে উঠছে এবং

তারপরে তারা মানুষকে ঘৃণা করতে শুরু করে আর সবাইকে মেরে ফেলতে চায়।’

কিন্তু রোবটের কোনো মানবিক অনুভূতি থাকে না।

সুতরাং সেটা একেবারেই অহেতুক একটা বিষয়, যা নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।

‘এখানে আসলে খারাপ মনোভাবের কোনো ব্যাপার নেই। আমাদের আসলে তাদের দক্ষতার ক্ষমতা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত।’

অত্যন্ত দক্ষ : বিবিসি টুডে অনুষ্ঠানে দেওয়া একটি সাক্ষাত্কারে তিনি হুমকির একটি কল্পিত উদাহরণ তুলে ধরেন,

যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন। কল্পনা করুন যে, আমাদের একটি শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা আছে,

যেটি বিশ্বের জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং সেটি ব্যবহার করে আমার প্রাক-শিল্প পর্যায়ের কার্বন ডাইঅক্সাইড মাত্রার আবহাওয়ায় ফিরে যেতে চাই।

‘তখন সেটি ঠিক করলো যে, এটা করার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে পৃথিবী থেকে সব মানুষকে সরিয়ে ফেলা,

কারণ পৃথিবীতে কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসারণের দিক থেকে মানুষই সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে, বলছেন অধ্যাপক রাসেল।

‘আপনি হয়তো বলতে চাইবেন, তুমি যা চাও সব কিছুই করতে পারবে, শুধু মানুষের ক্ষতি করতে পারবে না।

তখন ঐ সিস্টেম কী করবে? এটি তখন আমাদের সন্তান কম নেওয়ার ব্যাপারে প্রভাবিত করবে, যতক্ষণ না পৃথিবী থেকে মানুষ শেষ হয়ে যায়।’

এই উদাহরণের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের বিপদের সেইসব দিক তুলে ধরা হয়েছে,

যা মানুষ খুব চিন্তাভাবনা করে নির্দেশ না দিলে বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে।

অতি বুদ্ধি : যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব এক্সিসটেনশিয়াল রিস্কের তথ্য অনুসারে

বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পদ্ধতিগুলো অ্যাপ্লিকেশন সীমাবদ্ধ, যেগুলোর নকশা করা হয়েছে সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার সমাধান করার জন্য।

এই খাতের একটি মাইলফলক মুহূর্ত আসে ১৯৯৭ সালে,

যখন কম্পিউটার ডিপ ব্লু দাবায় তত্কালীন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন গ্যারি কাসপারভকে ছয়টি খেলার একটি ম্যাচে হারিয়ে দেয়।

তা সত্ত্বেও ডিপ ব্লুকে মানুষ বিশেষভাবে নকশা করেছিল দাবা খেলার জন্য।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে আবিষ্কৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে আর সে কথা বলা যাবে না।

উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, আলফাগো জিরো সফটওয়্যার তিন দিন ধরে নিজের বিরুদ্ধেই ‘গো’ (একটি বোর্ড গেম)

খেলার পরে দক্ষতার দিক থেকে সুপার-হিউম্যান পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই পদ্ধতি যতই শক্তিশালী হয়ে উঠবে, ততই এটি অতি বুদ্ধির অধিকারী হয়ে উঠবে।

এটি হয়তো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মানুষের সক্ষমতাকেও ছাড়িয়ে যাবে, বলছে এক্সিসটেনশিয়াল রিস্ক সেন্টার।

আর এ কারণেই অধ্যাপক রাসেল বলছেন, মানুষের উচিত রোবট বা যন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখা।

প্রযুক্তি হুমকিতে ফেলতে যাচ্ছে যে সাতটি পেশা
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : আপনার কাজ কি কিছুটা একঘেয়ে ও নিরস ধরনের? হলেও এ নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই।

জীবিকার প্রয়োজনে মানুষ বেছে নেয় নানা ধরনের পেশা এবং কাজ করতে করতে কোনোটি হয়ে যায় রুটিন বা একঘেয়ে।

আর এ ধরনের রুটিন বা সহজে অনুধাবন যোগ্য কাজগুলো আগামী পাঁচ বা ১০ বছরের মধ্যে হয়ে যাবে অনেকটা অঙ্কের নিয়মে।

 লেখক জন পুগলিয়ানো বলছেন এটি আর কোথাও না হলেও উন্নত দেশগুলোতে হবে।

অর্থাত্ মানুষকে আর হাতে কলমে এ ধরনের কাজগুলো করতে হবে না।

গবেষণা করে তিনি চিহ্নিত করেছেন এমন কয়েকটি পেশা যেগুলো তার মতে রীতিমতো হুমকির মুখে আছে।

যদিও এ মুহূর্তে এসব পেশাকে নিরাপদই মনে করা হচ্ছে।

বিবিসি মুণ্ডু ও বিবিসি স্প্যানিশ সার্ভিসকে তিনি বলেন, ‘চিকিত্সক ও আইনজীবীরা কখনোই হারিয়ে যাবেন না।

কিন্তু শ্রম খাতের একটি বড়ো অংশই আর থাকবে না।’ মিস্টার পুগলিয়ানোর মতে প্রযুক্তির কারণে ক্ষতির মুখে পড়বে এমন সাতটি পেশা হলো—

চিকিৎসা : এটা ঠিক যে চিকিত্সকদের চাহিদা সবসময় থাকবে। এমনকি বিশ্বে বয়স্কদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার প্রবণতার মধ্যেও।

কিন্তু পুগলিয়ানো বিশ্বাস করেন এ খাতে কিছু জায়গায় লোকবল হুমকির মুখে পড়বে প্রযুক্তির কারণে।

কারণ রোগ চিহ্নিত করণে প্রযুক্তির দাপট বাড়বে সামনের দিনগুলোতে।

আইনজীবী : পুগলিয়ানোর মতে ডকুমেন্ট প্রসেসিং কিংবা নিয়মিত কাজের জন্য ভবিষ্যতে দরকার হবে অল্প আইনজীবী বা সলিসিটরের।

বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের খুব বেশি দরকার হবে না কম্পিউটার সফটওয়্যারের কারণে।

স্থপতি : ভবনের নকশা তৈরির কাজে এখনি সফটওয়্যার নিজেই সক্ষম হয়ে উঠেছে। আর ভবিষ্যতে এটি আর জোরদার হবে।

একমাত্র সৃষ্টিশীল স্থপতিরা হয়তো তখন কিছু করে খেতে পারবেন।

হিসাবরক্ষক : ট্যাক্সের জটিল সব হিসাব নিকাশের জন্য আর হিসাবরক্ষকের দরকার হবে না। কেনই বা দরকার হবে? চাহিদাই তো কমে যাবে।

কারণ কাজগুলো তো করবে কম্পিউটার আর সফটওয়্যার।

যুদ্ধবিমানের পাইলট : এখনি বড়ো যুদ্ধগুলোর খবরে প্রতিদিনই শোনা যায় পাইলটবিহীন যুদ্ধবিমানের নানা তত্পরতার খবর।

ড্রোন এখন সবার কাছেই সুপরিচিত। ঝুঁকিপূর্ণ সামরিক লড়াইয়ে পাইলটবিহীন বিমান হরহামেশাই ব্যবহার হচ্ছে।

যুদ্ধবিমানের ক্ষেত্রে সামনের দিনগুলোতে এটি আরো বিস্তৃত হবে।

পুলিশ ও গোয়েন্দা : নিয়মিত নজরদারি বা তদন্তের জন্য এখনি পুলিশ সদস্যের বদলে জায়গা করে নিতে শুরু করেছে আধুনিক প্রযুক্তিগত পদ্ধতি।

যদিও পুলিশ বা গোয়েন্দা একেবারেই বিলুপ্ত হবে না, তবে তাদের চাহিদা দিন দিন কমতেই থাকে। কারণ তাদের কাজ করে দিবে যন্ত্র।

রিয়েল এস্টেট এজেন্ট : খুচরা বিক্রেতাদের ক্ষেত্রে এখনি বড়ো ভূমিকা পালন করছে ওয়েবসাইট।

এর মাধ্যমেই এখন সংযুক্ত হচ্ছেন ক্রেতা ও বিক্রেতা। তাহলে এজেন্ট বা প্রতিনিধি লাগবে কেন।

ভবন বা ফ্ল্যাট ক্রয়-বিক্রয়ে এজেন্ট এখন আর খুব কার্যকর কিছু নয়। সামনে এটি হারিয়েই যাবে বলে মনে করছেন পুগলিয়ানো।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আমাদের ধ্বংস করতে পারে

স্টিফেন হকিং থেকে শুরু করে ইলন মাস্ক—বিশ্বের শীর্ষ কয়েক জন বিজ্ঞানী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে,

এটি একসময় হয়তো মানব প্রজাতির জন্য একটি হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

কিন্তু নতুন একটি বইতে বলা হচ্ছে, রোবট আসলে নিজে থেকে সচেতন হয়ে উঠছে না

বা তাদের মানুষ প্রভুর বিরুদ্ধে কোনো মনোভাব তৈরি করছে না, যেটি মানুষের জন্য ভয়ের কারণ হতে পারে।

কিন্তু আসলে এসব যন্ত্রের জন্য নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে এগুলো এতটাই দক্ষ হয়ে উঠছে যে,

হয়তো দুর্ঘটনাবশত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে তাদের ভুল কোনো কাজে লাগানোর মাধ্যমেই আমাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতে পারে।

হিউম্যান কম্প্যাটিবল : এআই অ্যান্ড দ্য প্রবলেম অব কন্ট্রোল’ নামের বইটি লিখেছেন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টুর্ট রাসেল,

যিনি আধুনিক যন্ত্র সক্ষমতা প্রযুক্তির ব্যাপারে একজন বিশেষজ্ঞ।

তিনি বলেছেন,‘হলিউডের সিনেমায় দেখানো হয় যে, যন্ত্রগুলো নিজে থেকেই সচেতন হয়ে উঠছে এবং

তারপরে তারা মানুষকে ঘৃণা করতে শুরু করে আর সবাইকে মেরে ফেলতে চায়।’

কিন্তু রোবটের কোনো মানবিক অনুভূতি থাকে না।

সুতরাং সেটা একেবারেই অহেতুক একটা বিষয়, যা নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।

‘এখানে আসলে খারাপ মনোভাবের কোনো ব্যাপার নেই। আমাদের আসলে তাদের দক্ষতার ক্ষমতা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত।’

অত্যন্ত দক্ষ : বিবিসি টুডে অনুষ্ঠানে দেওয়া একটি সাক্ষাত্কারে তিনি হুমকির একটি কল্পিত উদাহরণ তুলে ধরেন,

যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন। কল্পনা করুন যে, আমাদের একটি শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা আছে,

যেটি বিশ্বের জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং সেটি ব্যবহার করে আমার প্রাক-শিল্প পর্যায়ের কার্বন ডাইঅক্সাইড মাত্রার আবহাওয়ায় ফিরে যেতে চাই।

‘তখন সেটি ঠিক করলো যে, এটা করার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে পৃথিবী থেকে সব মানুষকে সরিয়ে ফেলা,

কারণ পৃথিবীতে কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসারণের দিক থেকে মানুষই সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে, বলছেন অধ্যাপক রাসেল।

‘আপনি হয়তো বলতে চাইবেন, তুমি যা চাও সব কিছুই করতে পারবে, শুধু মানুষের ক্ষতি করতে পারবে না।

তখন ঐ সিস্টেম কী করবে? এটি তখন আমাদের সন্তান কম নেওয়ার ব্যাপারে প্রভাবিত করবে, যতক্ষণ না পৃথিবী থেকে মানুষ শেষ হয়ে যায়।’

এই উদাহরণের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের বিপদের সেইসব দিক তুলে ধরা হয়েছে,

যা মানুষ খুব চিন্তাভাবনা করে নির্দেশ না দিলে বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে।

অতি বুদ্ধি : যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব এক্সিসটেনশিয়াল রিস্কের তথ্য অনুসারে

বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পদ্ধতিগুলো অ্যাপ্লিকেশন সীমাবদ্ধ, যেগুলোর নকশা করা হয়েছে সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার সমাধান করার জন্য।

এই খাতের একটি মাইলফলক মুহূর্ত আসে ১৯৯৭ সালে,

যখন কম্পিউটার ডিপ ব্লু দাবায় তত্কালীন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন গ্যারি কাসপারভকে ছয়টি খেলার একটি ম্যাচে হারিয়ে দেয়।

তা সত্ত্বেও ডিপ ব্লুকে মানুষ বিশেষভাবে নকশা করেছিল দাবা খেলার জন্য।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে আবিষ্কৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে আর সে কথা বলা যাবে না।

উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, আলফাগো জিরো সফটওয়্যার তিন দিন ধরে নিজের বিরুদ্ধেই ‘গো’ (একটি বোর্ড গেম)

খেলার পরে দক্ষতার দিক থেকে সুপার-হিউম্যান পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই পদ্ধতি যতই শক্তিশালী হয়ে উঠবে, ততই এটি অতি বুদ্ধির অধিকারী হয়ে উঠবে।

এটি হয়তো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মানুষের সক্ষমতাকেও ছাড়িয়ে যাবে, বলছে এক্সিসটেনশিয়াল রিস্ক সেন্টার।

আর এ কারণেই অধ্যাপক রাসেল বলছেন, মানুষের উচিত রোবট বা যন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখা।

শিগগির রফতানিতে গার্মেন্টকে ছাড়াবে আইটি খাত : জয়
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন,

১১ বছর আগে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের অভিযান শুরু করি।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দেশ এখন অনেক এগিয়ে গেছে। ডিজিটাল গভর্নেন্সে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে মডেল।

অফিসিয়াল রেকর্ড অনুযায়ী আইটি খাতে বাংলাদেশের রফতানি ১শ’ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

আমি বিশ্বাস করি, খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের প্রযুক্তি খাতের রফতানি গার্মেন্ট খাতকে অতিক্রম করবে।

আজ  বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি)

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন জয়।

পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তিসহ (ফাইভজি) দেশের ডিজিটাল উন্নয়নের নানা দিক তুলে ধরতে

প্রথমবারের মতো তিন দিনব্যাপী মেলার আয়োজন করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।

মেলায় সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, অধিকাংশ আইটি সেবা ইন্টারনেটভিত্তিক ও ইন্টারনেটের মাধ্যমেই এ খাতে রফতানি হচ্ছে।

তাই প্রকৃতপক্ষে কী পরিমাণ রফতানি হচ্ছে, তা জানা সম্ভব নয়।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, একসময় রাজনৈতিক বিবেচনায় ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’র সমালোচনা হলেও

মানুষের কাছে প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দিয়ে সত্যিকারের ডিজিটাল করার পথে হাঁটছে সরকার।

এক যুগ আগেও দেশে ইন্টারনেট সংযোগ দুষ্প্রাপ্য ছিল।

কিন্তু প্রযুক্তির প্রসারে এখন রোবোটিক্স আর চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ নিতেও প্রস্তুত বাংলাদেশ।

খুব শিগগিরই বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফাইভজি সেবার নবযুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ।

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে জয় বলেন,

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ওই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সমাধান খোঁজার চেষ্টা করলাম।

ভাবতে শুরু করলাম কীভাবে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। আমরা এই বিষয়টাকে চাপিয়ে দিতে পারতাম না।

আমরা ঠিক করলাম, আমরা দেশেই মোবাইল উৎপাদন করে তা কম দামে মানুষের মাঝে দেব,

যাতে বাংলাদেশের সব মানুষ মোবাইল ফোন কিনতে পারে।

একসময় আমরা বছরে ৩০ মিলিয়ন মোবাইল ফোন আমদানি করতাম, সেখানে আজ ২০ মিলিয়ন মোবাইল ফোন দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ফোরজি চালু করার জন্য আমাদের সে মানের স্মার্টফোন দরকার ছিল।

তবে বিদেশ থেকে আনা স্মার্টফোনগুলো ছিল বেশ দামি।

ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করতে গিয়ে স্মার্টফোন উৎপাদনের সব বাধা দূর করেছি।

আজ শুধু বাংলাদেশিদের চাহিদা পূরণের জন্যই আমরা স্মার্টফোন উৎপাদন করছি না।

আমরা দেশের বাইরেও স্মার্টফোন রফতানি করছি, এমনকি বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ আমেরিকাতেও।

জয় বলেন, ডেটা কানেকটিভিটির দিক থেকেও আমরা অনেক পিছিয়ে ছিলাম।

১১ বছর আগে আমাদের এখানে টুজি কানেকটিভিটি পাওয়াই যেত না, অধিকাংশ পেতাম ওয়ানজি।

আমরা ক্ষমতায় আসার পর প্রাইভেট সেক্টরগুলোর সঙ্গে বসলাম।

নানা ইনসেনটিভ দিয়ে থ্রিজি স্পেকট্রাম অকশন দিলাম। তারপর ৫ বছরে আমরা ফোরজিতে উন্নীত হলাম।

তিনি বলেন, দেশের সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়নের মধ্যে সাড়ে ৩ হাজার ইউনিয়নে এখন ফাইবার অপটিক সংযোগ পৌঁছে গেছে।

ইন্টারনেট সংযোগ ছিল জটিল একটি ইস্যু। এখন আমাদের লক্ষ্য-

২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সব গ্রামে অপটিক্যাল ফাইবার কানেকটিভিটি পৌঁছে দেয়া।

‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা, প্রযুক্তির মহাসড়ক’ প্রতিপাদ্যে প্রথমবারের মতো হচ্ছে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা’।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ৩ দিনের মেলায় বিশ্বের সর্বশেষ প্রযুক্তির পাশাপাশি অভিজ্ঞতা নেয়া যাবে পঞ্চম প্রজন্মের ইন্টারনেটেরও।

উদ্বোধনী পর্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে কার্যকর ভূমিকার জন্য ১৪টি ক্যাটাগরিতে সম্মাননা দেয়া হবে।

তিনদিনে বিভিন্ন বিষয়ে ১৩টি আলোচনাসভা হবে, যেখানে সরকারের মন্ত্রী ও দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি একেএম রহমতুল্লাহ,

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ডাক মন্ত্রণালয়ের সচিব নূর উর রহমান,

হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সিইও ঝাং ঝেংজুন বক্তৃতা করেন।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে ই-এডুকেশন সেবার উদ্বোধন : ভোলার দৌলতখান উপজেলার দুর্গম চরে আধুনিক শিক্ষাসেবা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার মেঘনা নদীর মধ্যবর্তী বিচ্ছিন্ন চর মদনপুরের মকবুল হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-এডুকেশন সেবার উদ্বোধন করেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

এ সময় জয় চরের শিক্ষার্থীদের বলেন, তোমাদের প্রতি আমার দাবি তোমরা ঠিকমতো লেখাপড়া করবে। ভালো রেজাল্ট করবে। তোমরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।

এ সময় টেলিকনফারেন্সে ভোলা-২ আসনের এমপি আলী আজম মুকুল বলেন, চরমদনপুর ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ইউনিয়ন।

এখানে ১২ হাজার মানুষ বসবাস করছে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে চরাঞ্চলের মানুষকে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এই চরে তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের জন্য পাকা সড়ক তৈরি করা হয়েছে।

এ সময় মদনপুর আলোর পাঠশালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী রুমা এবং ছাত্র এমরান হোসেন সরাসরি টেলিকনফারেন্সে কথা বলে।

উপস্থিত ছিলেন ভোলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম সিদ্দিক, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা শিক্ষা অফিসার জাকির হোসেন,

সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার খলিলুর রহমান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নসির উদ্দিন নান্নু ডাক্তারসহ স্থানীয় নেতারা।

 

ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার উদ্বোধন করলেন জয়
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে (বিআইসিসি) তিন দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা-২০২০’

উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

 ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার প্রযুক্তির মহাসড়ক’-এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে এ মেলা।

মেলায় পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তির (ফাইভজি) বিভিন্ন দিকসহ দেশের ডিজিটাল উন্নয়নের নানা দিক তুলে ধরা হবে।

তিন দিনব্যাপী মেলার প্রথম দিনের প্রথম পর্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ

১৪টি ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রদান করা হবে। মেলায় সরকারের মন্ত্রীরা ছাড়াও দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার,

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি একেএম রহমতুল্লাহ,

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ডাক মন্ত্রণালয়ের সচিব নূর উর রহমান,

হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সিইও ঝাং ঝেংজুন প্রমুখ।

                                                                                                                

স্যার ডেভিড অ্যাটেনবারো জলবায়ু `সঙ্কটের মুহুর্ত` সম্পর্কে সতর্ক করেছেন
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার প্রয়াসে "সঙ্কটের মুহূর্তটি এসেছে", স্যার ডেভিড অ্যাটেনবারো সতর্ক করেছেন।

প্রখ্যাত প্রকৃতিবিদ ও সম্প্রচারকের মতে, "আমরা বছরের পর বছর জিনিসগুলি বন্ধ করে দিই"।

"আমি যেমন বলছি, দক্ষিণ পূর্ব অস্ট্রেলিয়ায় আগুন লেগেছে।

কেন? কারণ পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ছে," তিনি বলেছিলেন।

স্যার ডেভিডের মন্তব্য বিবিসি নিউজের একটি সাক্ষাৎকারে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক এক বছরের বিশেষ কভারেজ চালু করতে এসেছিল।

তিনি আমাকে বলেছিলেন যে কিছু রাজনীতিবিদ ও ভাষ্যকারদের পরামর্শ দেওয়া,

যে অস্ট্রেলিয়ার অগ্নিকান্ডের সাথে বিশ্বের উষ্ণতর হয়ে ওঠার কিছুই ছিল না তা বোঝাই এটি "স্পষ্ট বোকামি"।

"আমরা পুরোপুরি ভালভাবে জানি," তিনি বলেছিলেন, গ্রহের উত্তাপের পিছনে মানুষের ক্রিয়াকলাপ রয়েছে

স্যার ডেভিড `সঙ্কটের মুহূর্ত` বলতে কী বোঝায়? 
তিনি এই সত্যটি তুলে ধরছেন যে জলবায়ু বিজ্ঞানীরা যখন দ্রুত প্রতিক্রিয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছেন, 
তখন আন্তর্জাতিক আলোচনার গতি মেশিনে ধীর গতিতে চলেছে। 
গত মাসে মাদ্রিদে সর্বাধিক সাম্প্রতিক আলোচনাকে জাতিসংঘের মহাসচিব, ব্রিটিশ সরকার এবং অন্যরা হতাশ বলে চিহ্নিত করেছিলেন।
 মূল ইস্যুতে সিদ্ধান্ত বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল এবং অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিল সহ বেশ 
কয়েকটি দেশ তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার চেষ্টা করেছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছিল।
তারা প্রতিশ্রুতি অনুসারে সরবরাহ করা হয়েছে বলে ধরে নেওয়া (এবং এর কোনও গ্যারান্টি নেই),
প্রাক-শিল্প স্তরের তুলনায় শতাব্দীর শেষের দিকে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা ৩ সে এরও বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে। 
জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত জাতিসংঘের আন্তঃসরকারী প্যানেলের (আইপিসিসি) সর্বশেষ মূল্যায়ন এর বিপদগুলি বহন করে। 
এটি পরামর্শ দেয় যে ১.৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের উপরে যে কোনও কিছুর উত্থানের অর্থ উপকূলীয় বন্যা, 
হিটওয়েভ এবং কোরাল রিফের ক্ষতি আরও তীব্র হয়ে উঠবে।
এবং সর্বশেষ পরিসংখ্যান দেখায় যে বিশ্ব ইতিমধ্যে ১সি এর বেশি উত্তপ্ত হয়েছে।  
এরপরে কি হবে? জিনিস যেমন দাঁড়ায়, আরও উত্তাপ অনিবার্য মনে হয়। "আমরা ইতিমধ্যে একটি পরিবর্তিত বিশ্বে বাস করছি,
" ইউনিভার্সিটি অব রিডিংয়ের প্রফেসর এড হকিন্সের মতে, বৈজ্ঞানিক যেটির বৈশ্বিক উষ্ণায়নের চিত্র প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল।
তিনি প্রতি বছর তাপমাত্রা গড়ের উপরে বা নীচে কতটা দেখানোর জন্য গাঢ় বর্ণের স্ট্রাইপ ব্যবহার করেন – 
গরমের জন্য লাল রঙের বিভিন্ন শেড এবং ঠাণ্ডার জন্য নীল। ডিজাইনগুলি এখন জার্মানিতে টি-শার্ট, স্কার্ফ এমনকি ট্রামকে সাজায়
এই মুহুর্তে, অধ্যাপক হকিনস সর্বাধিক স্তর উষ্ণায়নের চিত্র বোঝাতে গাঢ় লাল ব্যবহার করেছেন,
তবে আর্কটিক মহাসাগরের মতো অঞ্চলগুলি বছরের পর বছর সর্বাধিক স্তরের পর্যবেক্ষণ করেছে।
এই পরিবর্তনটির স্কেলটিই তাকে নতুন রঙের জন্য অনুসন্ধান করতে হবে।
"আমি গা গাঢ় বেগুনি বা এমনকি কালো যোগ করার বিষয়ে ভাবছি", তিনি আমাকে বলেছিলেন, তাপমাত্রায় ভবিষ্যতের বৃদ্ধি বাড়াতে। 
"লোকেরা ভাবতে পারে জলবায়ু পরিবর্তন একটি সুদূরপ্রসারী সম্ভাবনা তবে আমরা 
অস্ট্রেলিয়ার মতো নতুন রেকর্ড এবং নতুন মাত্রা নিয়ে বিশ্বজুড়ে অনেক উদাহরণ দেখছি।"
এই বছর পরিবেশগত এজেন্ডা আর কি?
প্রাকৃতিক বিশ্ব এবং আমরা এর ক্ষতি বন্ধ করতে পারি কিনা।
যদিও বেশিরভাগ রাজনৈতিক মনোযোগ জলবায়ু পরিবর্তনের দিকে থাকবে, 
২০২০ সালে বাস্তুসংস্থায় মানুষের ক্রিয়াকলাপটি যে ক্ষয়ক্ষতি রয়েছে তা বন্ধ করার জন্যও এটি সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে দেখা যায়।
কেন এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা সম্পর্কে স্যার ডেভিডের এক কট্টর ব্যাখ্যা রয়েছে : 
"আমরা প্রতিটি বায়ু গ্রহণের জন্য এবং আমরা যে খাবার খাই তার মুখের জন্য আমরা প্রকৃত পৃথিবীর উপর নির্ভর করি।"
কীভাবে প্রকৃতির নিরাপত্তা রক্ষা করা যায় সে বিষয়ে একটি বড় সম্মেলনে বিশ্ব নেতাদের চীনা শহর কুনমিংয়ে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

গত বছর একটি যুগান্তকারী প্রতিবেদনে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল যে আগাম দশকগুলিতে দশ মিলিয়ন প্রজাতির প্রাণী,

পোকামাকড় এবং গাছপালা বিলুপ্তির হুমকী রয়েছে।

আরও একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে শহরগুলির বৃদ্ধি, কৃষিকাজের জন্য বন পরিষ্কার করা

এবং মাছের বর্ধমান চাহিদা প্রায় তিন-চতুর্থাংশ জমি এবং দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি মহাসাগরকে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন করেছে।

জড়িত এক বিজ্ঞানী লন্ডনের ন্যাচারাল হিস্ট্রি যাদুঘরের প্রফেসর অ্যান্ডি পুরভিস বলেছেন যে গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থলকে অবহেলা করে

"আমরা আমাদের সুরক্ষা জাল থেকে দূরে সরে যাচ্ছি, আমরা যে পরিবেশের উপর নির্ভরশীল তার পরিবেশ ট্র্যাশ করছি"।

তিনি প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং শ্যাম্পুতে পাম তেল ব্যবহার থেকে শুরু করে দ্রুত ফ্যাশনের দ্বারা তৈরি চাপগুলিতে সমস্ত কিছুর প্রভাবের দিকে ইঙ্গিত করেন।

যদিও অনেক উন্নত দেশগুলিতে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা বোঝা যাচ্ছে, প্রফেসর পূর্ভিস বলেছেন,

"আমরা আমাদের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছি এর পরিবেশগত ব্যয় পরিচালনার জন্য আমরা খুব দরিদ্র দেশগুলির ক্ষতি রপ্তানি করেছি"।

গ্লাসগোতে জাতিসংঘের জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনের একমাস আগে অক্টোবরে কুনমিংয়ে এই সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল,

যা এই বছরটিকে গ্রহের সাথে আমাদের সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে নিশ্চিত করেছে। টুইটারে ডেভিড অনুসরণ করুন।

প্রথমবারের মতো ৫জি ব্যবহারের সুযোগ আগামি-বৃহস্পতিবার
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ৫জি অভিজ্ঞতা গ্রহণের সুযোগ পেতে যাচ্ছে।

 হুয়াওয়ে আগামী ১৬ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২০’-এ এই সুযোগ করে দিচ্ছে মেলার টাইটেনিয়াম সহযোগী হুয়াওয়ে।

তিন দিনব্যাপী এই মেলায় আগত দর্শনার্থীগণ হুয়াওয়ের প্যাভিলিয়নে সরাসরি ৫জি স্পিড ও লো-ল্যাটেন্সি অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন।

এ ছাড়াও আকর্ষণ হিসেবে আনা হয়েছে বিশেষ একটি রোবট যাকে হাতের ইশারায় পরিচালনা করে খেলা যাবে ফুটবল।

৫জি প্রযুক্তিতে কত দ্রুত হিউম্যান টু মেশিন কিংবা মেশিন টু মেশিন কমিউনিকেশন সম্ভব তা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে এই আয়োজন।

পাশাপাশি আরও একটি প্লে-জোন থাকবে যেখানে সবাই ৫জি প্রযুক্তির মাধ্যমে রিয়েল-টাইম ভি-আর উপভোগ করতে পারবেন।

৫ জি ভি-আর পরার সঙ্গে সঙ্গেই অংশগ্রহণকারী নিজেকে খুঁজে পাবেন স্কিইরত অবস্থায়।

উন্নত প্রযুক্তি এবং অডিও কিংবা ভার্চুয়াল রিয়েলিটির সরাসরি অভিজ্ঞতা দিতেই হুয়াওয়ের এই আয়োজন।

থাকবে হুয়াওয়ের ৫জি স্মার্টফোনের অভিজ্ঞতা নেয়ার সুযোগ।

এবং কেনা যাবে বাজারে বর্তমান হুয়াওয়ের ফোনগুলো।

গতকাল সোমবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে এ সব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সব গ্রাহককে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে ৪জি সম্প্রসারণ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু ৫জি নেটওয়ার্কের বিষয়েও কাজ করা প্রয়োজন।

কারণ এটি শুধু সাধারণ ব্রাউজিং বা স্ট্রিমিং বা সামাজিক নেটওয়ার্কিং ডেটা সক্ষমতা বৃদ্ধিই করবে না বরং

ডেটা পরিষেবাগুলোর বৃহত্তর উপযোগিতার মাধ্যমে শিল্পখাতে নতুন নতুন সেবা ও পরিচালন প্রক্রিয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৮ সালের ২৫ জুলাই বাংলাদেশে ৫জি সেবা পরীক্ষায় মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিল হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেড।

হুয়াওয়ে সারা বিশ্বে শীর্ষ স্থানীয় ৫জি প্রযুক্তি ও সেবাদাতা হিসেবে স্বীকৃত।

৫জির অত্যাধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও গবেষণায় গত ১০ বছর কাজ করছে হুয়াওয়ে আর এর মধ্যেই এ জন্য ব্যয় করেছে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গত সপ্তাহের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ৩৪টি দেশে বাণিজ্যিকভাবে ৬১টি অপারেটর ৫জি সার্ভিস চালু করেছে।

তার মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ অপারেটরকেই সেবা দিয়ে যাচ্ছে হুয়াওয়ে।

নভেম্বরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ৫জি পেটেন্ট রয়েছে হুয়াওয়ের কাছে।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় আগামী ১৬ জানুয়ারি এই মেলার উদ্বোধন করবেন।

ডিজিটাল প্রযুক্তি উদ্ভাবন, উপযোগী মানবসম্পদ সৃষ্টি, ডিজিটাল প্রযুক্তির আধুনিক সংস্করণের সঙ্গে জনগণের সেতুবন্ধন তৈরি এবং

ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বাস্তবায়ন অগ্রগতি তুলে ধরাই ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

এ বছর মেলার মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার প্রযুক্তির মহাসড়ক’।

ডিজিটাল প্রযুক্তির মহাসড়ক বিনির্মাণের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা এবং

পরিবর্তিত বিশ্বে নতুন সভ্যতার রূপান্তরে আইওটি, রোবটিক্স, বিগডাটা,

ব্লকচেইন প্রযুক্তির মহাসড়ক ৫জির বিস্ময়কর সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে দেশে প্রথমবারের মতো এই মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।

 

মিলিয়ন ডলার খরচ করে মহাকাশে যাচ্ছেন প্রথম যে পর্যটকরা
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত ১৫ বছর ধরে কেটি মেইসনরুজ অপেক্ষা করছেন

এমন এক সফরের জন্য যেটি তাকে পৃথিবী থেকে নিয়ে যাবে ভিন্ন এক জগতে।

একষট্টি-বছর বয়সী কেটি মেইজনরুজ একটি বিজনেস স্কুলের প্রফেসর।

২০০৫ সালে আড়াই লাখ ডলার দিয়ে মহাকাশে যাওয়ার জন্য টিকেট কাটেন।

অর্থের বিনিময়ে এরকম মহাকাশ ভ্রমণের টিকেট বিক্রি করছিল ভার্জিন গ্যালাকটিক।

তাদের প্রথম যে ফ্লাইট মহাকাশে যাবে, সেটিতে থাকবেন কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা স্যার রিচার্ড ব্র্যানসন।

ভার্জিন গ্যালাকটিক বলছে, শেষ পর্যন্ত তাদের মহাকাশ ফ্লাইটের উদ্বোধন হবে এবছরই।

মিসেস মেইসনরুজ আশা করছেন, তাদের মহাকাশ ভ্রমণটি হবে এক চমৎকার অভিজ্ঞতা।

সবকিছু ঠিকঠাক চললে ভার্জিন গ্যালাকটিক হবে প্রথম কোন বেসরকারি কোম্পানি যারা পর্যটকদের মহাকাশে নিয়ে যাবে।

এ পর্যন্ত ৬০০ লোক তাদের মহাকাশ ভ্রমণের টিকেট কিনেছে।

এদের মধ্যে জাস্টিন বিবার এবং লিওনার্ডো ডিক্যাপ্রিওর মতো সেলিব্রেটিও আছে।

তবে ভার্জিন গ্যালাকটিকের প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানিগুলোও পিছিয়ে নেই।

আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের কোম্পানি `ব্লু অরিজিন` আশা করছে তাদের মহাকাশ ফ্লাইটও এবছরই শুরু হবে।

আর টেসলার প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক এরই মধ্যে ঘোষণা করেছেন যে চাঁদকে প্রদক্ষিণ করতে

তাদের স্পেস এক্সের ফ্লাইটের প্রথম যাত্রী হবেন একজন জাপানি ধনকুবের।

মহাকাশের স্বপ্ন

দু`হাজারউনিশ সালে সুইস ব্যাংক ইউবিএস একটি রিপোর্টে অনুমান করেছিল যে

আগামী দশ বছরে মহাকাশ পর্যটন ৩০০ কোটি ডলারের ব্যবসায় পরিণত হবে।

ভার্জিন গ্যালাকটিকের মহাকাশ ভ্রমণের টিকেট একেবারে শুরুতে যারা কেটেছিলেন, মিসেস মেইসনরুজ তাদের একজন।

টিকেটের দাম আড়াই লাখ ডলার হওয়া সত্ত্বেও তা কেনার মতো লোকের অভাব ছিল না।

খুব অল্প বয়স থেকেই মিসেস মেইসনরুজ মহাকাশের স্বপ্ন দেখতেন।

তিনি এখনো পরিস্কার মনে করতে পারেন ১৯৬৯ সালে নীল আর্মস্ট্রং এবং বাজ অলড্রিন যখন প্রথম চাঁদে পা রাখেন।

ভার্জিন গ্যালাকটিক যখন প্রথম ঘোষণা করলো যে তারা মহাকাশে সাধারণ পর্যটকদের নিয়ে যাবে,

তখন সাথে সাথে তার টিকেট বুক করেন মিসেস মেইসনরুজ।

তবে মহাকাশে যাওয়ার টিকেট কাটলেও এই পরিকল্পনা বেশ গোপনই রেখেছিলেন তিনি।

কেবল তার পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাই জানতেন তার মহাকাশে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা।

পর্যটকদের প্রথম যে দলটি মহাকাশে যাবে, ২০১৯ সালের নভেম্বরে তারা প্রথম তাদের `স্পেসস্যুট` পরার সুযোগ পান।

এই স্পেসস্যুট ডিজাইন করেছে স্পোর্টসওয়্যার ব্র্যান্ড `আন্ডার আর্মার।`

"আমার জন্য তখন ব্যাপারটা ছিল এমন, এটি তাহলে সত্যিই ঘটতে চলেছে", বললেন মিসেস মেইসনরুজ।

"আপনি যখন ১৫ বছর ধরে অপেক্ষা করছেন, আপনি যখন এত বছর ধরে এই স্বপ্ন দেখছেন,

তখন যতক্ষণ ব্যাপারটা না ঘটছে, ততক্ষণ আপনার মনে হতে থাকে, এটা কি সত্যিই ঘটবে?

অ্যাপোলো মিশনের নভোচারীদের যেখানে মাসের পর মাস কঠোর প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে,

সেখানে মিসেস মেইসনরুজ এবং তার সহযাত্রী পর্যটকদের দেয়া হবে মাত্র তিন দিনের প্রশিক্ষণ।

ভার্জিন গ্যালাকটিক বলছে, প্রশিক্ষণের সময় এর চেয়েও কম হতে পারে।

মহাকাশযাত্রীরা যেন তাদের এই ভ্রমণ অভিজ্ঞতা খুব ভালোভাবে উপভোগ করতে পারেন, সেটা বুঝিয়ে দেয়াই হবে এই প্রশিক্ষণের লক্ষ্য।

এই মহাকাশ পর্যটকরা এরই মধ্যে নিউ মেক্সিকোর মরুভূমিতে `স্পেসক্রাফট আমেরিকায়` ভার্জিন গ্যালাকটিকের টার্মিনাল পরিদর্শন করেছেন।

এখান থেকেই পর্যটকরা ভার্জিন গ্যালাকটিকের স্পেসশিপে আরোহন করবেন।

তাদের নিয়ে স্পেসশীপটি ৯০ মিনিট আকাশে থাকবে। এরমধ্যে তারা পৃথিবীর কক্ষপথে থাকবেন মাত্র কয়েক মিনিট।

এরকম নব্বুই মিনিটের একটি ভ্রমণের জন্য আড়াই লাখ ডলার অনেক বেশি মনে হতে পারে,

কিন্তু ভার্জিন গ্যালাকটিক বলছে, তাদের স্পেস ফ্লাইটের জন্য চাহিদা বাড়বে বলেই মনে করছে তারা।

রাশিয়ার সয়ুজ স্পেসফ্লাইটের জন্যও কয়েক মিলিয়ন ডলার খরচ করে টিকেট কেটেছে সাতজন ব্যক্তিগত অভিযাত্রী।

মার্কিন মহাকাশ সংস্থাও এরকম পথে যাচ্ছে। তারা স্পেসএক্স এবং বোয়িং এর সঙ্গে চুক্তি করেছে তাদের নভোচারীদের মহাকাশে নিয়ে যাওয়ার জন্য।

তবে শুধু মহাকাশে যাওয়ার জন্যই নয়, পৃথিবীরই এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় দ্রুত যাওয়ার জন্য পৃথিবীর কক্ষপথ ব্যবহারের পরিকল্পনা চলছে।

স্পেসএক্স নিউ ইয়র্ক থেকে মাত্র ৪০ মিনিটে সাংহাই পৌঁছানো যায় এমন এক ফ্লাইটের পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে।

তারা স্পেস ফ্লাইটের প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, যেখানে আসলে স্পেসশিীপটি পৃথিবীর নীচু কক্ষপথ ব্যবহার করে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাবে।

সুইস ব্যাংক ইউবিএস এর মতে, ২০৩০ সাল নাগাদ এটি হবে দু হাজার কোটি ডলারের ব্যবসা।

 

স্পেসএক্স আরও ৬০ টি স্টারলিঙ্ক উপগ্রহকে কক্ষপথে প্রেরণ করে
                                  
ডেস্ক রিপোর্ট : ক্যালিফোর্নিয়ার স্পেসএক্স সংস্থা তার স্টারলিংক নেটওয়ার্কে আরও ৬০ টি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেছে। 
এটি বিশ্বব্যাপী ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবা সরবরাহের পরিকল্পনার অংশ হিসাবে ফার্মটি এখন আকাশে ফেলেছে এমন মহাকাশযানের সংখ্যা ১৮২এ নিয়েছে। 
সর্বশেষ প্ল্যাটফর্মগুলি ফ্যালকন -৯ রকেটে উঠেছিল, যা ফ্লোরিডার কেপ কানাভেরাল থেকে ছেড়ে গেছে। 
তুন সংযোজন মানে স্পেসএক্স এখন অন্য কোনও সংস্থার চেয়ে কক্ষপথে আরও বাণিজ্যিক উপগ্রহ পরিচালনা করে। 
ক্যালিফোর্নিয়ার প্ল্যানেট ল্যাবগুলির পরবর্তী বৃহত্তম কর্মক্ষেত্র রয়েছে যা কেবলমাত্র দেড়শ বছরের নিচে রয়েছে এর মহাকাশযানটি পৃথিবীর পৃষ্ঠকে চিত্রিত করতে ব্যবহৃত হয়। 
স্পেসএক্সের ১২,০০০ প্ল্যাটফর্ম চালু করার জন্য নিয়ামকদের কাছ থেকে অনুমতি রয়েছে তবে প্রকল্পটি কীভাবে বিকাশ করবে তার উপর নির্ভর করে ৪০,০০০ অবশেষে কথা বলেছে। 
মাস শেষ হওয়ার আগেই ৬০ টির আরও দুটি ব্যাচ উঠে যেতে পারে, কারণ দৃঢ় প্রচেষ্টা এই বছরের শেষের দিকে কিছু আঞ্চলিক ব্রডব্যান্ড লিঙ্ক সরবরাহ করা শুরু করেছে।  
তবে রোল আউট জ্যোতির্বিদদের কাছ থেকে সমালোচনার ঝড় তুলেছে যারা অভিযোগ করেছেন যে,
রাতের আকাশে প্রচুর সংখ্যক কৃত্রিম বস্তু মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি নষ্ট করে দেবে।
এই অভিযোগগুলি আরও জোরদার করার জন্য, বিজ্ঞানীরা উজ্জ্বল বিন্দুগুলির ট্রেনগুলির ওভারহেড পেরিয়ে যাওয়ার ছবি প্রকাশ করেছেন - 
উপগ্রহগুলির প্রতিচ্ছবি তারা পৃথিবী জুড়ে চলেছে।
স্পেসএক্স বিশ্বাস করে যে উদ্বেগগুলি অত্যধিক উত্সাহিত। 
সংস্থাটি স্টারলিঙ্কগুলি লঞ্চের অল্প সময়ের মধ্যেই উজ্জ্বল বলে স্বীকার করেছে তবে উপগ্রহগুলি যে,
২৯৯ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে ৫৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় নিজেদের উত্থাপন করবে সেগুলি কনফিগারেশনের ফল তাদের চূড়ান্ত কক্ষপথে একবার,
মহাকাশযানটি সবেমাত্র দৃশ্যমান হওয়া উচিত, সংস্থাটি বলে; এবং 
এটি জ্যোতির্বিদ্যার গোষ্ঠীগুলিতে বিশদ স্টারলিঙ্ক সমন্বয় সরবরাহ করছে যাতে হস্তক্ষেপ এড়ানোর জন্য তারা আরও ভাল তাদের পর্যবেক্ষণ পরিকল্পনা করতে পারে।
সর্বশেষ মিশনের ৬০ টি স্যাটেলাইটের একটি পরীক্ষামূলক লেপও ছিল এটি দেখার জন্য যে এটি আরও বেশি প্রতিফলন হ্রাস করতে পারে। 
বিজ্ঞানীরা সন্তুষ্ট হবেন কি না তা দেখার বাকি রয়েছে। 
আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি এই সপ্তাহে হাওয়াইয়ের বৈঠকে একটি বিশেষ অধিবেশন ডেকেছে।
স্পেসএক্সের উপগ্রহ সরকার বিষয়ক সহ-সভাপতি প্যাট্রিসিয়া কুপার এতে অংশ নেবেন। 
অনেক স্কাইওয়্যাচাররা কীসের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তা হল যে হথর্ন-সদর দফতর একটি তথাকথিত "মেগা-নক্ষত্রমণ্ডল" এর নকশাযুক্ত একমাত্র সংস্থা নয়। 
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ওয়ানওয়েব প্রাথমিক ৬৫০ ব্রডব্যান্ড উপগ্রহ স্থাপন করতে চায় গত বছর ছয় জন বিক্ষোভকারী চালু করা হয়েছিল তবে পরের মাস থেকে লন্ডন ফার্মটি আশা করে যে মাসে প্রায় ৩০টি উচ্চকণ্ঠে থাকবে। 
অ্যামাজন অনলাইন খুচরা বিক্রেতাও এই ব্যবসায়টিতে যেতে চায়। 
এর প্রস্তাবিত কুইপার প্রকল্পটি কম উন্নত পর্যায়ে রয়েছে তবে অপারেশনাল নেটওয়ার্কের জন্য বিবেচিত স্যাটেলাইটের সংখ্যা ৩০০০ এরও বেশি ।
এই সমস্ত সংখ্যাটি কিছু প্রসঙ্গে রাখার জন্য: আজকে আকাশে সমস্ত ধরণের মাত্র ২,২০০ কার্যকারী উপগ্রহ রয়েছে বলে জানিয়েছে ইউনিয়ন সম্পর্কিত উদ্বেগবিদরা।
ব্রডব্যান্ড মেগা-নক্ষত্রগুলি বিলিয়নে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে। স্পেসএক্স যদিও প্রচুর আর্থিক চাপ হ্রাস করতে পারে কারণ এটি পুনরায় ব্যবহারযোগ্য রকেট উড়ে চলেছে। 
যতবারই স্টারলিংক মিশন যায়, এটি এমন কোনও যানবাহনে ঘটে যা পূর্বের স্যাটেলাইট মোতায়েনের জন্য ইতিমধ্যে অন্য কারও দ্বারা ইতিমধ্যে কেনা হয়েছিল। 
এই সপ্তাহে ব্যবহৃত রকেটটি চতুর্থ আরোহণ করছে।
চলতি বছরই মহাকাশ ভ্রমণ করবে মানুষ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রযুক্তি নির্ভর পৃথিবীতে ২০২০ সালে আসছে নতুন কিছু চমক। এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রিগুলো বলছে,

২০২০ সালেই মানুষ মহাকাশ ভ্রমণে যাবেন।  পরিবেশবান্ধব মোবাইল ফোন তৈরি করতে হবে স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

এছাড়া ২০২০ সালে আসছে আরও ফ্লেক্সিবেল ডিসপ্লে সংবলিত ফোন এবং সম্প্রসারিত হচ্ছে ফাইভ জি নেটওয়ার্ক।

কার্যকর হতে পারে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ব্যবহারও।যদি মহাকাশে ভ্রমণে যেতে চান, এখনই ভাবুন কীভাবে অর্থের যোগান দেবেন।

কারণ ২০২০ সাল থেকে যাচ্ছে মহাকাশ ভ্রমণের অন্যতম বছর।

চলতি বছরই মহাকাশে ক্রুসহ যাত্রা করবে বোয়িংয়ের সিএসটি-ওয়ান হান্ড্রেড স্টারলাইনার মহাকাশযান।

পরীক্ষামূলকভাবে চলতি বছরই মহাকাশে যাবে মহাকাশযান স্পেস এক্স ড্রাগন।

বিলিয়নিয়ার অ্যামাজানের জেফ বেজসের ব্লু অরিজিন রকেটও মহাকাশে যেতে প্রস্তুত হবে চলতি বছরই।

মহাকাশে ভ্রমণে যেতে প্রস্তুত ভার্জিন গ্যালাটিকও। প্রতিবেদন বলছে, টিকিটের দাম আড়াই লাখ ডলার হলেও এরইমধ্যে বুকিং দিয়েছেন ৬শ’ জন।
তবে দুঃসংবাদ আছে মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর জন্য। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উৎপাদন পদ্ধতি পরিবেশবান্ধব করার চাপ এসেছে।

একই পথে হাঁটতে হবে টেলিভিশন, ফ্রিজ, ওয়াশিংমেশিনসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য তৈরির জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে চাপ দিচ্ছে বিভিন্ন দেশের সরকার।

বর্তমানে পৃথিবীতে ১ হাজার ৮শ’ কোটি ফোন অব্যবহৃত আছে। ২০১৯ সালে বিক্রি হয়েছে ১৩০ কোটি ফোন।
এদিকে ২০২০ সালে মোবাইল কোম্পানিগুলো নিয়ে আসছে ফ্লেক্সিবল ডিসপ্লে সংবলিত ফোন। পাশাপাশি তৈরি হবে হাইস্পিড নেটওয়ার্ক সংবলিত ফোন।

২০১৯ সালেই অন্তত ২০ টি দেশ ফাইভ জি এনেছে। ২০২০ সালের শেষে এ সংখ্যা দ্বিগুণ হবে বলে মনে করছে টেক প্রতিষ্ঠানগুলো।

২০২০ সালে মাইলফলক হতে পারে কোয়ান্টাম কম্পিউটার।

গুগলের গবেষণা বলছে, সুপার ফাস্ট কম্পিউটার যে কাজ করতে ১০ বছর লাগে, কোয়ান্টাম কম্পিউটারের লাগে ২০০ সেকেন্ড।

এ পদক্ষেপ সফল হলে কেমিস্ট্রি, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অভাবনীয় উন্নতি হবে।

হুয়াওয়ের নতুন অফার নতুন বছরে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : নতুন বছরের আনন্দকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে গ্রাহকদের জন্য আকর্ষণীয় ‘বাই অ্যান্ড উইন’ অফার নিয়ে এসেছে শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।

২ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলমান এই অফারের আওতায় হুয়াওয়ে হ্যান্ডসেট, ট্যাবলেটসহ নানা অ্যাকসেসরিজ কিনে গ্রাহকরা জিতে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় সব উপহার।

বাজারে হুয়াওয়ের প্রায় সব হ্যান্ডসেট, ট্যাবলেট, ওয়াচ জিটি-২, ফ্রিবাডস লাইট এবং ফ্রিবাডস-৩ কিনে জেতার সুযোগ রয়েছে ওয়াই ফাইভ ২০১৯ স্মার্টফোন,

ওয়াচ জিটি-১, ব্যান্ড-৪, ব্যান্ড-২, পাওয়ার ব্যাংক, ভিআর ৩৬০ ক্যামেরা, সেলফি স্টিক এবং টি-শার্ট।

সম্প্রতি দেশের বাজারে চারটি প্রিমিয়াম স্মার্ট গ্যাজেট ওয়াচ জিটি-২ এর দুটি সংস্করণ, ফ্রিবাডস থ্রি, ব্যান্ড ফোর এবং ব্যান্ড ফোরই নিয়ে আসে হুয়াওয়ে।

এদের মধ্যে স্মার্টওয়াচ জিটি-২ মার্কেটে দারুণ সাড়া ফেলেছে। ডিভাইসটি ব্যবহারকারীর হৃৎস্পন্দন ও হাঁটাচলার দিকে নজর রাখতে সক্ষম।

ব্যায়াম, ঘুম, হাঁটাচলা ও হৃৎস্পন্দন ট্রাকিং ছাড়াও ব্লুটুথ সংযোগের মাধ্যমে ফোনের নোটিফিকেশন পাওয়া যাবে।

এছাড়া ফ্রি-বাডস থ্রি’তে রয়েছে নয়েজ ক্যানসেলেশন ফিচার। ফলে বাইরের কোলাহল কমিয়ে দারুণ অডিও অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে।

এতে কথা শোনার পাশপাশি গান শোনার জন্য রয়েছে বিশেষ ফিচার।

হুয়াওয়ে অনুমোদিত যেকোন ব্র্যান্ডশপ ও গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের (জিঅ্যান্ডজি) আউটলেট থেকে পণ্য কিনে অফারটি পাওয়া যাবে।

 

চীনের বাজারে শাওমির ওয়্যারলেস কি-বোর্ড ও মাউস
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : সম্প্রতি শাওমি চীনের বাজারে কি-বোর্ড, মাউস কম্বো অবমুক্ত করেছে ।

চীনে শাওমির ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্ম ইউপিন থেকে এই কি-বোর্ড, মাউস কম্বো পাওয়া যাবে।

চীনে শাওমি ওয়্যারলেস কি-বোর্ড, মাউস কম্বো প্যাকের দাম ৯৯ ইউয়ান।

কোম্পানির অন্যান্য প্রোডাক্টের মতোই কম দামে নতুন ওয়্যারলেস কি-বোর্ড, মাউস কম্বো প্যাক লঞ্চ করে প্রতিযোগীদের ধরাশায়ী করতে চাইছে শাওমি।

শাওমির ওয়্যারলেস কি-বোর্ডে থাকছে সম্পূর্ণ লেআউটের ১০৪টি কি।

৫০০ গ্রাম ওজনের এই কি-বোর্ডে আলাদা নাম প্যাড থাকছে। এছাড়াও থাকছে ভলিউম কন্ট্রোল, মিডিয়া কন্ট্রোল, ইমেলের মতো মিডিয়া কন্ট্রোল বাটন।

প্রোডাক্ট পেজে জানানো হয়েছে ২.৪ গিগাহার্জ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যে এই কি-বোর্ড, মাউস কাজ করবে।

শুধুমাত্র মাউসের ওজন ৬০ গ্রাম। মাউসে থাকছে টেক্সচার্ড ফিনিশ।

এর ফলে মাউসের চলাচল আরও মসৃণ হবে। অন্যান্য মাউসের মতোই থাকছে একটি স্ক্রল হুইল আর দুটি ক্লিক বাটন।

ভালো গ্রিপের জন্য থাকছে বিশেষ ডিজাইন।

অ্যাপেল ও মাইক্রোসফটের ওয়্যারলেস মাউসের মতো ডিজাইন থাকছে শাওমির মাউসে।

নতুন ওয়্যারলেস মাউসে ১০০ ডিপিআই সেন্সর ব্যবহার করেছে শাওমি।

থাকছে ইউএসবি প্লাগ অ্যান্ড প্লে ফিচার। কি-বোর্ডে কতটা ব্যাটারি বাকি আছে দেখে নেওয়া যাবে।

এছাড়াও থাকছে স্ক্রোল লক, ক্যাপস লক আর নাম্বার প্যাড। ৬ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে হেলিয়ে এই কি-বোর্ডে টাইপ করা যাবে।

কাজের জায়গার অতিরিক্ত তারের ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে শাওমি ওয়্যারলেস কি-বোর্ড, মাউস কম্বো প্যাক ব্যবহার করা যাবে।

১,০০০ টাকা দামে এই প্রোডাক্ট প্রতিযোগীদের থেকে এগিয়ে রাখবে।

 

২০২০ : সতর্ক থাকুন তারিখ লেখা নিয়ে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ব্যাংক, বীমা, ব্যবসা, বাণিজ্য কিংবা চাকরিসহ প্রায় অনেক কাজেই তারিখ উল্লেখ করার প্রয়োজন হয়।

২০২০ সালে এই তারিখ লেখা নিয়ে সতর্ক থাকার কথা বলছেন অনেকে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই প্রচার করছেন যে ২০২০ সালে তারিখ লেখা নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

তারা বলছেন এই বছরটিতে কোনো ধরণের নথিপত্র বা গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে পূর্ণাঙ্গ ফরমেটে তারিখ লেখাই ভালো হবে।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়: ০১-০১-২০২০ বা ৩১-১২-২০২০ বা এ ধরণের অর্থাৎ বছরকে পূর্ণাঙ্গভাবে লেখা।

যারা এর পক্ষে ক্যাম্পেইন করছেন তাদের যুক্তি হলো কেউ যদি ০১-০১-২০ লিখেন তাহলে কোনো অসাধু ব্যক্তি সেটি সহজেই সামনে দুটো শূন্য দিয়ে ০১-০১-২০০০ বানিয়ে দিতে পারবে বা ২০ এরপর যে কোনো দুটি সংখ্যা বসিয়ে দিতে পারবে।

ফলে ব্যাংকের চেক বা ব্যবসা বাণিজ্যের কাগজপত্রের ক্ষেত্রে বড় ধরনের জালিয়াতি বা ক্ষতি করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এসব কারণে নতুন বছরে তারিখ লেখার ক্ষেত্রে সচেতন হওয়ার পরামর্শ অনেকেই শেয়ার করছেন ফেসবুক সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

তাদের দাবি তারিখ নিয়ে এ সমস্যাটি শুধু ২০২০ সালেই দেখা দিবে।

কিন্তু তারিখ লেখা আসলেই কতটা চিন্তার কারণ হতে পারে

ইসলামি ব্যাংকের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু রেজা মো: ইয়াহিয়া বলছেন নানা প্রয়োজনে তারিখ বিভিন্নভাবে লেখা হয়।

"২০২০ সংখ্যাটা সাল হিসেবে একটু ভিন্নতর। তাই একটু সতর্ক থাকাই ভালো হবে। পহেলা জানুয়ারিকে ১-১-২০ লেখা ২০ এর সামনে অন্য ডিজিট বসানোর সুযোগ থাকে। চেকের ক্ষেত্রে হয়তো সমস্যা হবে না কারণ চেকের পাতায় ঠিকমতো তারিখ না লেখা হলে কর্মকর্তারা সেটি গ্রহণ করেন না"।

তিনি বলেন তারপরেও ২০২০ নিয়ে তারা তাদের ম্যানেজারদের আরও সতর্ক থাকতে ও নিজেদের যে কোনো ডকুমেন্টে পূর্ণাঙ্গ তারিখ লেখার চর্চা বাড়াতে বলবেন।

তবে এনআরবি ব্যাংকের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: খোরশেদ আলম বলছেন বিষয়টি নিয়ে খুব একটা সমস্যার সুযোগ আছে তিনি মনে করেননা।

"ব্যাংকিং খাতে ফুল ডিজিটই লিখতে হয়। কেউ যদি কাউকে বিপদেও ফেলতে চায় সেটি করাও কঠিন হবে। লিগ্যাল কনটেন্ট, কোনো চুক্তি বা এগ্রিমেন্টে পূর্ণাঙ্গ বাংলা ও ইংরেজিতে তারিখ লেখা হয়। তাই তারিখ নিয়ে সমস্যা হবে বলে মনে হয় না"।

মিস্টার আলম বলেন আর চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে ভুল বা অসম্পূর্ণ তারিখ লেখা থাকলে সেটি এমনিতেই গ্রহণ করা হয়না।

আবার কারও লেখা তারিখ বিকৃত করা হলে সেটি ধরা পড়বে বা তিনি নিজেও জানাতে পারবেন এবং এসব কারণে ২০২০ সালে তারিখ লেখা নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই বলেই মনে করেন মিস্টার আলম।

 

২০১৯ সালের মহাকাশের সেরা কিছু ছবি
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : পৃথিবীতে যখন বেশ কিছু বড় মহাকাশ অভিযানের পরিকল্পনা চলছে, তখন ২০১৯ সালে মহাকাশে, সৌরজগতের আশেপাশের ওপর তোলা বেশ কিছু চমৎকার ছবি পৃথিবীর মানুষের হাতে এসে পৌঁছেছে। এখানে তারই কয়েকটি বর্ণনা :

নাসার জুনো মহাকাশযান থেকে বৃহস্পতিগ্রহের মেঘের বেশ কিছু ছবি পাওয়া গেছে। ২০১৬ সালে বিশাল ওই গ্রহটির কক্ষপথে যাওয়ার পর থেকে এই প্রথম ছবি পাঠানো জুনো। চমৎকার রঙিন এসব ছবি দেখে মনে হবে সেগুলো যেন জলরঙে আঁকা হয়েছে।

বৃহস্পতিগ্রহের কাছাকাছি একটি ছবিও তুলেছে জুনো। গ্রহটির ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৮৬০০ কিলোমিটার দূরত্ব থেকে তোলা এই ছবিটি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মেঘের আস্তর গ্রহটির ওপর এমন একটি আবহ তৈরি করেছে যেন জেট বিমানের ধোয়া।

২০১৫ সালে প্লুটো গ্রহে অভিযান শুরুর পর নাসার নতুন হরিযন`স মহাকাশযান নেপচুন গ্রহের কুইপার বেল্টের কয়েকটি ছবি পাঠিয়েছে। এটি রয়েছে নেপচুনের কক্ষপথের নীচে। এখানে এমন সব আদিম, বরফের উপকরণ আছে, যা থেকে সৌরজগতের উৎপত্তির ধারণা পাওয়া যেতে পারে। এই বস্তুটির নাম এমইউ৬৯, এটি দুই ধরণের বরফের বলের উপকরণ আস্তে আস্তে মিলে তৈরি করেছে।

ইটা কারিনে এমন একটি তারকা বলয়, যা পৃথিবী থেকে সাড়ে সাত হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এখানে অন্তত দুইটি তারকা রয়েছে, যা আমাদের সূর্যের চেয়ে প্রায় পাঁচ মিলিয়ন গুণ তাপ বিকিরণ করে। দশকের পর দশক ধরে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা ভাবতেন এটা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে এবং একটি সুপারনোভায় পরিণত হবে। এই ছবিটি হাবল টেলিস্কোপ থেকে নেয়া।

নাসার কিউরিওসিটি রোভার যান মঙ্গল গ্রহে ২০১২ সাল থেকেই অভিযান চালাচ্ছে। একটি পাহাড় চূড়ায় ওঠার সময় এই `সেলফি` তুলেছে রোবটটি। এখানে পাথর খুড়ে পাওয়া দুইটি নমুনায় কাদার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। কাদায় অনেক সময় পানি মিশে থাকে, যা জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

চাঁদের অন্য পিঠের ছবি। এ বছরের শুরুতে চীনের চ্যাঙ্গ`ই-চার মহাকাশ প্রথমবারের মতো চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ করে, যে পিঠ পৃথিবী থেকে দেখা যায় না। অবতরণের কয়েক দিন পর রোবোটিক রোভার এবং সেটার ল্যান্ডারকে একে অপরের ছবি তুলতে বলা হয়। এটি হচ্ছে রোভার।

চাঁদের অন্য পিঠের ছবি। এ বছরের শুরুতে চীনের চ্যাঙ্গ`ই-চার মহাকাশ প্রথমবারের মতো চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ করে, যে পিঠ পৃথিবী থেকে দেখা যায় না। অবতরণের কয়েক দিন পর রোবোটিক রোভার এবং সেটার ল্যান্ডারকে একে অপরের ছবি তুলতে বলা হয়। এই মহাকাশযানে ক্যামেরা, রাডার আর স্পেকট্রোমিটার রয়েছে, যা চাঁদের পিঠের খনিজ পরীক্ষা করে দেখবে এবং একটি ক্ষুদ্র জীবমণ্ডল তৈরি করে উদ্ভিদ জন্মানোর চেষ্টা করবে।

হাবল টেলিস্কোপের তোলা এনজিসি ৭৭২ নামের একটি সর্পিল ছায়াপথের ছবি, যা পৃথিবী থেকে ১৩০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এই ছায়াপথের সঙ্গে আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথের অনেক মিল আছে। তবে অনেক অমিলও রয়েছে।

ইনবক্সে `সারপ্রাইজ মেসেজ` খোলার আগে ভাবুন
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া এলাকার বাসিন্দা ও স্কুল শিক্ষিকা শবনম মোশফিকা অনি গতকাল রাতে দুই বন্ধুর কাছ থেকে সারপ্রাইজ উইশের বার্তা পান।

এরপর সেটা কী তা না জেনেই কৌতুহলবশত একটি বার্তা খুলে দেখেন তিনি।

এরপর বুঝতে পারেন যে সেটি একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার বা ভাইরাস। এর পরপরই তথ্য চুরি হওয়ার ভয় থেকে ফেইসবুক ও জি-মেইল অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড বদলে ফেলেন তিনি।

"বোঝার সাথে সাথে আমি পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করেছি। এখন বুঝতে পারছি না যে, পুরোপুরি সেইফ হয়েছি কিনা, নাকি এখনো ভয় আছে," বলেন মিজ অনি।

তবে শুধু অনি নন, এ ধরণের সারপ্রাইজ উইশ-এর বার্তা ফেইসবুকের মেসেঞ্জার এবং হোয়াটস অ্যাপে অনেকেই পেয়েছেন।

অনেকে এটিকে স্প্যাম বুঝতে পেরে এড়িয়ে গেলেও না বুঝে খুলে দেখেছেন অনেকে।

এনিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে কিংবা ট্রল করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকেও পোস্ট দিয়েছেন অনেক ব্যবহারকারী।

কিন্তু আপনিও যদি এ ধরণের বার্তা পেয়ে থাকেন ইনবক্সে, যেটি আপনার কোন বন্ধুর কাছ থেকে এলেও ওয়েবসাইটের ঠিকানা হিসেবে wish4u.com বা my-love.co লেখা রয়েছে, সেটিতে যেন ভুলেও ক্লিক করবেন না।

এটি আসলে এক ধরণের সফটওয়্যার যেটি আপনার ব্রাউজারে ইন্সটল হয়ে যেতে পারে।

এধরণের ক্ষতিকর সফটওয়্যারকে ব্রাউজার হাইজ্যাকারও বলা হয়।

অবশ্য সিআইডি`র ডিজিটাল ফরেনসিকস-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জালাল উদ্দিন ফাহিম বলেন, "এটা সে অর্থে কোন ম্যালওয়্যার না।

এটা খুব বেশি ম্যালিশিয়াস বা ক্ষতিকরও না। এটা যে তৈরি করেছে সে সেটা তার কিছু মনিটরি ইনকামের জন্য তৈরি করেছে।"

তিনি বলেন, "এটা গুগলে ক্লিকের মাধ্যমে কিছু টাকা-পয়সা পাওয়া যায়, রেভিনিউ জেনারেট করা যায়।

আর এটাতে তো অনেকেই ক্লিক করছে, হ্যাপি নিউ ইয়ারের উইশ হিসেবে, এটা থেকে সে কিছু টাকা পয়সা জেনারেট করছে গুগল এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে"।

তবে এই সফটওয়্যার দিয়ে তথ্য চুরির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না মি. ফাহিম। তবে এখনো পর্যন্ত এমনটি হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি ।

কিন্তু এর প্রস্তুতকারক যদি এই সফটওয়্যারটি রি-ডিজাইন করে তাহলে ভবিষ্যতে হয়তো ক্ষতি হতে পারে বলে তার আশঙ্কা।

"হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, মেসেঞ্জার বা অন্যকোন মাধ্যমে এ ধরণের মেসেজ এলে সেটা ক্লিক না করাই বুদ্ধিমানের কাজ," বলেন তিনি।

কী কী ক্ষতি করে এই সফটওয়্যার?

my-love.co বা wish-you.co থেকে যে বার্তা আসছে, তাতে ক্লিক করলে মূলত একটি ধরণের ক্ষতিকর সফটওয়্যারের ডাউনলোড সচল করে দিচ্ছে।

এই সফটওয়্যার বিভিন্ন ধরণের জনপ্রিয় সব ব্রাউজার যেমন ক্রোম, ফায়ারফক্স, অপেরা এবং সাফারির সাথে একীভূত হয়ে যেতে পারে।

একবার ইন্সটল করা হলে এটি সাধারণত ডিফল্ট ব্রাউজার বা সার্চ ইঞ্জিনের হোমপেইজকে পরিবর্তন করে দেয় এবং এর পরিবর্তে স্পন্সর করা একটি হোমপেইজ ইন্সটল করে দেয়।

এর সাথে সাথে ব্রাউজার স্ক্রিনে প্রচুর পরিমাণে বিজ্ঞাপন, ব্যানার, পপ-আপ মেসেজ এবং কিছু নোটিফিকেশন আসে যার কারণে অনেক সময় নানা ধরণের লিংকে ক্লিক করতে হয়।

তবে আশার কথা হচ্ছে, এই সফটওয়্যারগুলো কম্পিউটার ভাইরাস বা ম্যালওয়ার যেমন র‍্যানসমওয়্যার বা ট্রোজানের সাথে কোন সম্পর্ক নেই।

এগুলো আসে মূলত ইমেইল-এর সাথে যুক্ত হয়ে, ফ্রি ডাউনলোড, স্প্যাম মেসেজ, ফ্রিওয়্যার ও শেয়ারওয়্যার প্ল্যাটফর্ম এবং টরেন্ট থেকে।

খুলে ফেললে কী করবেন?

যদি কেউ খুলে ফেলে এবং সে যদি তার ব্রাউজারে কোন ধরণের সমস্যায় পড়েন তাহলে কিছু পদক্ষেপ নেয়া উচিত বলে মনে করেন মিস্টার ফাহিম।

তিনি বলেন, `হাউ টু রিমুভ ডট গাইড` নামে একটি ওয়েবসাইটে গিয়ে কিছু ধাপ অনুসরণ করে সফটওয়্যারটি আন-ইন্সটল করা যায়।

কীভাবে বুঝবেন এটা ম্যালওয়্যার

সাধারণত একটু খেয়াল করলেই বোঝা যায় যে ডিভাইসে ব্রাউজার হাইজ্যাকার রয়েছে কিনা। কারণ এধরণের সফটওয়্যার থাকলে ডিফল্ট ব্রাউজারে নতুন হোমপেইজ তৈরি হয় বা আগেরটি পরিবর্তিত হয়, ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন বদলে নতুন ধরণের সার্চ ইঞ্জিন আসে, আগে ছিল না এমন কিছু নতুন টুলবারও যোগ হয়।

এর ফলে আমরা যখন কোন কিছু সার্চ করতে যাই তখন তা এমন কিছু ওয়েব লিংকে রি-ডিরেক্ট করা হয় যেখানে হয়তো আমরা কখনোই যেতাম না।

ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর ভাইরাস বা সফটওয়্যার- প্রতিনিয়তই এগুলোর বৈশিষ্ট্য বদলায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিস্টার জালাল উদ্দিন বলেন, "কোন লিংক নিয়ে সন্দেহ হলে সেটি নিশ্চিত করতে হলে `ভাইরাস টোটাল ডট কম`-এ গিয়ে যে লিংক পাঠানো হয়েছে সেটি না খুলে শুধু কপি করে ভাইরাস টোটালে দিলেই সেটি বলে দেয় যে লিংকটি ম্যালওয়্যার কিনা।"

তবে ম্যালওয়্যার না হলেও যে সেটি নিরাপদ সেটি বলা যাবে না।

যেমন আলোচিত `সারপ্রাইজ মেসেজ` সম্পর্কে এই মুহুর্তে ভাইরাস টোটাল বলছে যে এটি ক্ষতিকর নয়। তবে এটি প্রোগ্রামিংয়ে পরিবর্তন করলে বা উন্নয়ন ঘটানো হলে যেকোন মুহূর্তে ক্ষতিকর হতে পারে বলেও মনে করছেন আইটি বিশেষজ্ঞরা।

আগামী দিনগুলোতে এ ধরণের ম্যালওয়্যার বা ভাইরাসের সমস্যা আরো বাড়বে। তখনকার হুমকি ঠেকাতে এখনই আরো বেশি সতর্ক হওয়া দরকার বলে মনে করছেন তারা।

"এখন এটা আমদের সার্চ বারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। কিংবা আমাদের ইন্টারনেট ব্রাউজিং বা গুগল সার্চে সমস্যা হচ্ছে, কিন্তু ভবিষ্যতে দেখা যাবে যে না বুঝে ক্লিক করার কারণে হয়তো লাখ লাখ টাকাও বেহাত হতে পারে," বলেন মিস্টার জালাল উদ্দিন।

`সারপ্রাইজ মেসেজ` যেসব ওয়েব ঠিকানা ব্যবহার করছে:

wish-you(dot)co

wish4u(dot)co

my-msg(dot)co

look-me(dot)co

surprise4u(dot)me

hookupgist(dot)com

see-magic(dot)co

mera-style(dot)co

whatsapp-style(dot)co

my-love(dot)co

 

যুবরাই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রধান শক্তি : আইনমন্ত্রী
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :  যুবরাই ডিজিটাল বাংলাদেশ ও সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রধান শক্তি উল্লেখ করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, যুবসমাজ দেশের মূল্যবান সম্পদ।

দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ যুবসমাজ। ডিজিটাল বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রধানতম শক্তি হচ্ছে এই যুবসমাজ।

তাই যুবগোষ্ঠীকে সুসংগঠিত, সুশৃঙ্খল এবং উৎপাদনমুখী শক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার।

গতকাল শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) ঢাকায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড কর্তৃক তিন সহস্রাধিক দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, যুব উন্নয়নে সরকারের অগ্রাধিকার হচ্ছে- যুবকদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদান, দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ ও মাদকমুক্ত যুবসমাজ।

আনিসুল হক বলেন, আজকের বিশ্ব জ্ঞান ও বিজ্ঞানের বিশ্ব। এই নতুন বিশ্বে শিক্ষার ক্ষেত্রে যে-জাতি যত সাফল্য অর্জন করবে, সে জাতি জীবন-জীবিকার মানোন্নয়নে ও মানবিক গুণাবলি বিকাশে ততটাই অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি লাভ করবে।

সেজন্য বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকার শিক্ষার অধিকার ও মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে যাচ্ছে।

স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যুগোপযোগী করতে কারিগরি শিক্ষা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে অধিকতর বিনিয়োগ করছে সরকার। ফলশ্রুতিতে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শিক্ষা প্রসারে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এ বছর এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৩ হাজার ১৮ জন শিক্ষার্থীকে স্নাতক শ্রেণিতে অধ্যয়নের জন্য মাসিক তিন হাজার টাকা হারে বৃত্তি দিচ্ছে এবং এই শিক্ষাবৃত্তির শতকরা ৯০ ভাগ দেয়া হচ্ছে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের।

নিঃসন্দেহে এটি ব্যাংকের একটি মহতী উদ্যোগ। এই উদ্যোগ ৩ হাজার ১৮টি পরিবারকে আলোকিত করার অন্যতম সিঁড়ি তৈরি করে দিয়েছে।

ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম মোহাম্মদ শিরিন বক্তব্য রাখেন। 

 

ইন্টারনেটের অভাবে কীভাবে ডুবছে কাশ্মীরের অর্থনীতি
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  "গত চার মাসে কিছু না হলেও ১০ লাখ রুপির ক্ষতি হয়েছে আমার। ব্যবসা বাঁচাতে না পেরে শ্রীনগর ছেড়ে জম্মুতে আসতে হয়েছে।"

জম্মু থেকে বলছিলেন শারিক আহমেদ।

"এখানে ৭,০০০ রুপীতে একটি ঘর ভাড়া করতে হয়েছে। নতুন ব্রডব্যান্ড সার্ভিস নিতে মাসে ২,০০০ রুপী গুনতে হচ্ছে। এছাড়া, বাড়ি ছেড়ে বাইরে থাকার খরচ তো রয়েছেই।"

শ্রীনগরে একটি ট্যুর কোম্পানি চালাতেন শরিক। ইন্টারনেটের অভাবে ব্যবসা বন্ধ হওয়ার যোগাড় হয়েছিল।

প্রায় এক মাস আগে শ্রীনগর ছেড়ে জম্মুতে এসে ব্যবসা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। স্ত্রী-সন্তানদের ফেলে নতুন অপরিচিত জায়গায় আসতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

গত ৫ই অগাস্ট সংবিধানে ৩৭০ ধারা রহিত করে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা খর্ব করার পর থেকে কাশ্মীর উপত্যকায় ইন্টারনেট যোগাযোগ বন্ধ রেখেছে ভারত সরকার।

পরিণতিতে, এখানকার ব্যবসা-বাণিজ্য লাটে ওঠার যোগাড় হয়েছে।

শ্রীনগরে একটি বইয়ের দোকান চালান সানি হুসেন । ইন্টারনেটে নতুন বইয়ের অর্ডার দিতে পারছেন না বলে তাকে দিল্লি যেতে হয়েছিল।

তিনি বলেন, "শ্রীনগর থেকে দিল্লি যাওয়া মানে সব মিলিয়ে ৩০,০০০ রুপীর ধাক্কা। এই টাকা তো আমার ব্যবসা থেকেই আয় হয়না।

পাঁচই অগাস্টের আগে এই কাজের জন্য কখনই আমাকে দিল্লি যেতে হয়নি। সবসময় অনলাইনেই অর্ডার দিয়েছি।"

ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে হুসেন মানুষকে জানাতেন কী কী বই এখন তার দোকানে পাওয়া যাচ্ছে। অনলাইনে অ্যামাজনের সাইটে বইয়ের অর্ডার দিতেন।

ইন্টারনেট না থাকায় দুটো রাস্তাই এখন বন্ধ। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে শ্রীনগরের বাইরের দোকানদারদের কাছ থেকে বইয়ের অর্ডার আসতো।

দেনা-পাওনার হিসাবও হতো হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে। সেটাও বন্ধ। সম্প্রতি শ্রীনগরে ল্যান্ডফোন লাইন এবং পোস্ট-পেইড মোবাইল ফোনের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।

কিন্তু প্রি-পেইড মোবাইল সার্ভিস এবং ইন্টারনেট এখনও বন্ধ।

ব্যবসা-বাণিজ্য ধুঁকছে

শ্রীনগরে শুকনো ফল এবং জাফরানের ব্যবসা করেন ওমর আমিন। দেশের বাইরে থেকেও ইন্টারনেটে তার কাছে অর্ডার আসতো।

কাশ্মীর উপত্যকায় এখন ইন্টারনেট না থাকায় দিল্লি থেকে তাকে তার অনলাইন অপারেশন চালাতে হচ্ছে। সেখানে লোক নিয়োগ করতে হয়েছে। ফলে বেড়ে গেছে ব্যবসার খরচ।

ওমর জানালেন দিল্লিতে বিকল্প ব্যবস্থা করার আগে প্রায় দেড় মাস তার ওয়েবসাইট বন্ধ রাখতে হয়েছিল। ফলে, তার ব্যবসার সুনাম এবং নির্ভরযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে।

মজুরী কমে অর্ধেক

ইন্টারনেটের অভাবে বিশেষ হুমকিতে পড়েছে কাশ্মীরের হস্তশিল্প। ব্যবসায়ীরা বলছেন, মোবাইল ফোন এখন তাদের ব্যবসার বড় জায়গা।

মানুষজন ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপে ছবি দেখে অর্ডার দেয়। সেই রাস্তা এখন পুরোপুরি বন্ধ। কাশ্মীরের কারুশিল্পীরা এখন তাদের জীবিকা নিয়ে গভীর আশঙ্কার মধ্যে রয়েছেন।

শাল তৈরির কারখানায় কাজ করেন ফায়াজ আহমেদ। তিনি বলছেন, "লন্ডন থেকে যে ক্রেতা শালের অর্ডার দিতেন তিনি যদি মাঝপথে নকশায় কোনো পরিবর্তন চান, যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা ছিল ইন্টারনেট। তার পাঠানো ছবি দেখে আমরা শাল বানাতাম। নকশা বদল করতাম।" সেই সুবিধা এখন বন্ধ।

ব্যবসা কমায় মজুরীও কমছে। অগাস্ট মাসের আগে ফায়াজের আয় ছিল মাসে কমপক্ষে ১০,০০০ রুপী। এখন পাচ্ছেন পাঁচ হাজার।

শ্রীনগরে হস্তশিল্পের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইয়াসিন মীর ভিন্ন এক সমস্যার কথা বললেন

"যারা আমাদের পণ্য কিনতো, বা যাদের কাছ থেকে আমরা নানা জিনিস কিনতাম, সেসব লেনদেন বন্ধ।

সম্প্রতি অমৃতসর থেকে টেলিফোন করে একজন আমাকে দুটো ইলেকট্রিক কম্বলের অর্ডার দেয়। কিন্তু আমি তাদের স্যাম্পল দেখাতে পারছি না।

একজনকে সেখানে স্যাম্পল সহ পাঠানো অনেক খরচের ব্যাপার। ফলে আমি অর্ডার নিতে পারিনি।।

`এখনকার অফিসাররা কথা শোনেন না`

তারা সরকারের কাছে সমস্যা সমাধানের আবেদন কেন করছেন না? এই প্রশ্নে, সব ব্যবসায়ীদেরই উত্তর ছিল প্রায় একই রকম।

"এই সরকার আমাদের কথা শুনতে রাজী নয়। আগে আমরা নির্বাচিত সরকারের কাছে নানা আর্জি নিয়ে যেতাম, কিন্তু এখন যেসব অফিসার এখানে আছেন, কাশ্মীরিদের কথা তারা শোনেনই না। তারা আমাদের চেনেন না।

আমাদের সমস্যা তারা বোঝেন না। সে কারণে আমরা তাদের কাছে যাই না। আমরা শুধু অপেক্ষা করছি পরিস্থিতি হয়তো একদিন ভালো হবে।"

ভারত-শাসিত কাশ্মীরের শিল্প ও বণিক সমিতি বলছে, ৫ই অগাস্ট থেকে ইন্টারনেট বন্ধ থাকার জেরে রাজ্যের ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতির পরিমান দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৮,০০০ কোটি রুপী।

মঙ্গল গ্রহে যে নভোযান হয়তো দু-তিন মাসেই নিয়ে যাবে
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এখনকার দিনের রকেটচালিত মহাকাশযানে চড়ে পৃথিবী থেকে মঙ্গল গ্রহে যেতে সময় লাগবে নয় মাস

একজন অভিজ্ঞ নভোচারীর জন্যও হয়তো সেটা বড় বেশি দীর্ঘ সময়

এটা একটা বড় কারণ - যে জন্য মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠানোর কোন প্রকল্পই সেভাবে এগুতে পারছে না।

তাই মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসাসহ নানা প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা কাজ করছেন এমন একটা প্রযুক্তি বের করতে - যাতে অনেক কম সময়ে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছানো যাবে।

এর লক্ষ্য হলো পৃথিবী থেকে মঙ্গলে যাবার সময়টা তিন মাস বা তার নিচে নামিয়ে আনা। কিন্তু এত দ্রুতগামী রকেট বা মহাকাশযান কীভাবে তৈরি করা সম্ভব?

নাসার কিছু বিজ্ঞানী বলেন, সৌরশক্তি ব্যবহার করে মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠানো আগে অন্যান্য সরঞ্জাম পাঠানো যেতে পারে। তবে এতে জ্বালানি কম লাগলেও সময় লাগবে অনেক বেশি - প্রায় দু-আড়াই বছর।

অন্য বিজ্ঞানীরা বলছেন, দ্রুত মঙ্গলে পৌঁছানোর একটি উপায় হচ্ছে নিউক্লিয়ার থার্মাল ইলেকট্রিক প্রোপালশন - সোজা বাংলায় যাকে বলা যেতে পারে পরমাণু শক্তিচালিত রকেট ইঞ্জিন। আরেকটি উপায় হচ্ছে ইলেকট্রিক আয়ন প্রোপালশন - যাতে ব্যবহৃত হবে বিদ্যুৎশক্তি।

এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করেই চলছে নতুন ধরণের নভোযান নির্মাণের চেষ্টা।

নিউক্লিয়ার থার্মাল ইলেকট্রিক প্রোপালশন

কিছু ইঞ্জিনিয়ার বলছেন, তাদের আইডিয়াটা হলো : প্রথমে রাসায়নিক জ্বালানিচালিত রকেট দিয়ে পৃথিবীতে থেকে রকেট উৎক্ষেপণ হবে।

নভোচারীদের প্রথমে নিয়ে যাওয়া হবে ওরায়ন ক্যাপসুলে - যা বর্তমানে নির্মাণাধীন একটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য নভোযান।

এটি আগে থেকেই চাঁদের কক্ষপথে থাকা গেটওয়ে নামের একটি স্পেস স্টেশনের সাথে যুক্ত হবে।

সেখান থেকে অন্য আরেকটি ট্রান্সফার ভেহিকলের সাথে যুক্ত হবে ওরায়ন, এবং নভোচারীরা রওনা দেবেন মঙ্গলের উদ্দেশ্যে।

এই নভোযানটি হবে একটি পারমাণবিক বৈদ্যুতিক রকেট। নভোচারীরা থাকবেন একটি ক্রু ক্যাপসুলে, সাথে থাকবে একটি ট্রান্সপোর্ট মডিউল।

দুটিকেই মঙ্গলের কাছাকাছি পর্যন্ত নিয়ে যাবে এই পারমাণবিক বৈদ্যুতিক রকেট।

মঙ্গলের কক্ষপথে আগে থেকেই থাকবে আরেকটি প্রদক্ষিণরত নভোযান, যাতে থাকবে একটি ল্যান্ডার অর্থাৎ মঙ্গলের মাটিতে অবতরণকারী যান।

তার সাথে ডকিং অর্থাৎ সংযুক্ত হবে পারমাণবিক বৈদ্যুতিক রকেট। তার পরই আসবে মঙ্গলের মাটিতে নভোচারীদের নামার পালা।

এখন এই যে এই পারমাণবিক বৈদ্যুতিক রকেট - তা চলবে কিভাবে?

এরোজেট রকেটডাইন প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক জো ক্যাসিডি বলছেন, আমরা মনে করছি নিউক্লিয়ার থার্মাল প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যা দিয়ে দ্রুত মহাকাশ ভ্রমণ সম্ভব হতে পারে।

এ্যালাবামা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেল টমাস এরকম একটি মহাকাশ রকেট ডিজাইনের কাজ করছেন।

তিনি বলছেন, "ল্যাবরেটরি পরীক্ষা থেকে মনে হচ্ছে আমরা হয়তো মঙ্গলে যাত্রার সময়টা তিন মাসে কমিয়ে আনতে পারে।

এটাও অনেক দীর্ঘ সময়, তবে রাসায়নিক জ্বালানিচালিত রকেটে যে সময় লাগবে, এটা তার মাত্র এক-তৃতীয়াংশ।"

অবশ্য এর অসুবিধা হলো বোয়িং কোম্পানি এ নিয়ে আগ্রহী নয়, কারণ তারা উদ্বিগ্ন যে পারমাণবিক রিঅ্যাক্টরওয়ালা মহাকাশযান নভোচারীদের ক্ষতি করতে পারে।

তবে মি. টমাস এ ভয় অমূলক বলেই মনে করেন।

তার মতে আসল সমস্যা হলো এই প্রযুক্তি পৃথিবীতে পরীক্ষা করা কঠিন। তবে নাসা এ সমস্যার সমাধানের একটি উপায় নিয়ে এখন কাজ করছে।

ইলেকট্রিক আয়ন প্রোপালশন

এর মূল কথা হলো: বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চার্জযুক্ত পরমাণু বা অণুতে দ্রুত গতির সঞ্চার করা - এবং তা থেকে বিপরীতমুখী থ্রাস্ট বা ধাক্কা তৈরি করা, যাতে রকেট সামনের দিকে এগুতে পারে।

এ প্রযুক্তি ইতিমধ্যেই মহাকাশে উপগ্রহ পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে - তবে এর গতি খুব দ্রুত নয়।

অ্যাড এ্যাস্ট্রা নামের একটি কোম্পানি এখন কাজ করছে ভাসিমার নামে একটি উচ্চগতিসম্পন্ন থ্রাস্টার তৈরি করার জন্য। তারা চাইছে, এর জন্য যে বিদ্যুৎ প্রয়োজন তা আসবে একটি পারমাণবিক রিএ্যাক্টর থেকে।

এ্যাড এ্যাস্ট্রার প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী ফ্র্যাংকলিন চ্যাং-ডিয়াজ বলছেন, "এখানে দ্রুতগতির রকেট তৈরিটাই হচ্ছে সমাধান।

একটি মহাকাশযান যার ওজন হবে ৪০০ থেকে ৬০০ মেট্রিকটন - তা যদি ২০০ মেগাওয়াট স্তরের বিদ্যুৎশক্তি পায় তাহলে ৩৯ দিনে আপনি মঙ্গলগ্রহে পৌঁছাতে পারবেন।"

তবে ডেল টমাস বলছেন, এটা এখনো ল্যাবরেটরি পর্যায়ে আছে, এবং এর বাস্তবায়ন এখনো অনেক দূরের কথা।

তা ছাড়া নতুন এ সব প্রযুক্তি শুনতে আকর্ষণীয় লাগলেও লকহিড-মার্টিন বা বোয়িংয়ের মতো কোম্পানি এখনো তরল জ্বালানিনির্ভর রকেটকেই মহাকাশযাত্রার প্রধান ভিত্তি হিসেবে দেখতে চায়। তারা মনে করে এটি একটি পরীক্ষিত প্রযুক্তি - যা কার্যকর।

তাহলে কবে নাগাদ মানুষ মঙ্গলগ্রহে যাবে?

নাসার সময়সূচি অনুযায়ী ২০৩৩ সাল নাগাদ মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠানোর মিশন শুরু হতে পারে।

তবে এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, আসলে এ মিশন শুরু হতে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।

 


   Page 1 of 74
     তথ্য-প্রযুক্তি
প্রযুক্তি হুমকিতে ফেলতে যাচ্ছে যে সাতটি পেশা
.............................................................................................
শিগগির রফতানিতে গার্মেন্টকে ছাড়াবে আইটি খাত : জয়
.............................................................................................
ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার উদ্বোধন করলেন জয়
.............................................................................................
স্যার ডেভিড অ্যাটেনবারো জলবায়ু `সঙ্কটের মুহুর্ত` সম্পর্কে সতর্ক করেছেন
.............................................................................................
প্রথমবারের মতো ৫জি ব্যবহারের সুযোগ আগামি-বৃহস্পতিবার
.............................................................................................
মিলিয়ন ডলার খরচ করে মহাকাশে যাচ্ছেন প্রথম যে পর্যটকরা
.............................................................................................
স্পেসএক্স আরও ৬০ টি স্টারলিঙ্ক উপগ্রহকে কক্ষপথে প্রেরণ করে
.............................................................................................
চলতি বছরই মহাকাশ ভ্রমণ করবে মানুষ
.............................................................................................
হুয়াওয়ের নতুন অফার নতুন বছরে
.............................................................................................
চীনের বাজারে শাওমির ওয়্যারলেস কি-বোর্ড ও মাউস
.............................................................................................
২০২০ : সতর্ক থাকুন তারিখ লেখা নিয়ে
.............................................................................................
২০১৯ সালের মহাকাশের সেরা কিছু ছবি
.............................................................................................
ইনবক্সে `সারপ্রাইজ মেসেজ` খোলার আগে ভাবুন
.............................................................................................
যুবরাই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রধান শক্তি : আইনমন্ত্রী
.............................................................................................
ইন্টারনেটের অভাবে কীভাবে ডুবছে কাশ্মীরের অর্থনীতি
.............................................................................................
মঙ্গল গ্রহে যে নভোযান হয়তো দু-তিন মাসেই নিয়ে যাবে
.............................................................................................
প্রকৃতি ক্ষতি : `প্রাকৃতিক ও মানব জরুরী অবস্থা` তুলে ধরার জন্য প্রধান প্রতিবেদন
.............................................................................................
সূর্য গ্রাহান ২০১9 : সৌর গ্রহণ চলাকালীন কি কি খাওয়া উচিত নয়
.............................................................................................
বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ‘সফলভাবে পরীক্ষা’ করেছে রাশিয়া
.............................................................................................
নতুন ইঞ্জিন প্রযুক্তি যা আমাদের মঙ্গল গ্রহে দ্রুত পৌঁছে দিতে পারে
.............................................................................................
চলতি বছরে আয়ে শীর্ষ ১০ ইউটিউবার
.............................................................................................
বোয়িং নভোচারী স্টারলাইনার ক্যাপসুল অসম্পূর্ণ মিশনের পরে অবতরণ করে
.............................................................................................
মহাকাশে মিলল এলিয়েনের সন্ধান!
.............................................................................................
পাবলিক প্লেসের ইউএসবি পোর্ট ব্যবহার করে ফোন চার্জ করার ঝুঁকি সম্পর্কে কতটুকু জানেন?
.............................................................................................
ফেসবুক থেকে ২৭ কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁস
.............................................................................................
আরও ২ দিন থাকবে শৈত্যপ্রবাহ : আবহাওয়া
.............................................................................................
ক্ষুদ্র ব্যবসার বিকাশে বাংলাদেশেও কাজ করবে ফেসবুক
.............................................................................................
ইউটিউবে খেলনার বাক্স খোলার ভিডিও দেখার সুফল ও কুফল
.............................................................................................
`লেটস টক` অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
জলবায়ু পরিবর্তনে সাগর-মহাসাগরে কমে যাচ্ছে অক্সিজেন
.............................................................................................
হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, মেসেঞ্জার, ইমো-র মত যোগাযোগের অ্যাপগুলো কতটা নিরাপদ?
.............................................................................................
অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন শুরু আগামী সপ্তাহে – তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
পাসপোর্টের ‘পুলিশ ভেরিফিকেশন’ তথ্য এখন এসএমএসে
.............................................................................................
ইন্সটাগ্রামে ফলোয়ার, লাইক, ভিউজ কিনবেন কীভাবে
.............................................................................................
নতুন মোবাইল প্রযুক্তি ৫জি
.............................................................................................
ভারতের বাজার থেকে ভোডাফোনের বিদায়
.............................................................................................
হতাশা আর প্রযুক্তির উন্নয়নে সমাজে বাড়ছে সহনশীলতার অভাব
.............................................................................................
ফেসবুক ৫৪০ কোটি ভুয়া অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলেছে
.............................................................................................
উবারের লাভের সঙ্কট ধৈর্য ধারনে -শেয়ারহোল্ডাররা
.............................................................................................
‘বুলবুল’ শেষ হওয়ার আধ ঘণ্টার মধ্যে লাইনের মেরামত
.............................................................................................
প্রবাসীদের জাতীয় পরিচয়পত্র আবেদন
.............................................................................................
সুনামি সচেতনতা দিবস
.............................................................................................
হোয়াটস্ অ্যাপের গোয়েন্দার আড়ি পাতা
.............................................................................................
ফেসবুকে মিথ্যা খবর ছড়ালেই `রাজনীতিবিদ`
.............................................................................................
সঙ্গীর ফোনে নজরদারির সফটওয়্যার যখন মাথাব্যাথার কারণ: স্টকারওয়্যার
.............................................................................................
সড়ক নিরাপত্তা: দেশব্যাপী মহাসড়কে বসবে সিসিটিভি ক্যামেরা, স্পিড সেন্সর
.............................................................................................
কীভাবে ফেসবুক, টুইটার, মেসেঞ্জারের মতো সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখবেন
.............................................................................................
প্রযুক্তি ব্যবহারে শিষ্টাচার জানার প্রয়োজন আছে কি
.............................................................................................
দৈনিক প্রায় ৮ হাজার ফেইসবুক ব্যবহারকারী মারা যাচ্ছে
.............................................................................................
কমছে আইফোনের দাম
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি