ঢাকা,বুধবার,৬ মাঘ ১৪২৮,১৯,জানুয়ারী,২০২২ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুরের মামলার বাদির উপর হামলা   > ‘গানে গানে চলছে প্রার্থীদের প্রচারণা’   > ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ১৫ জানুয়ারী থেকে পরিবহন বন্ধের ঘোষণা   > বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুরকারী বিআইডব্লিউটিএ’র আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা   > নর্থ সাউথের আরও দুই ট্রাস্টি রেহেনা ও বেনজীরকে দুদকে তলব   > ঢাকায় অবৈধ রিকশার বিরুদ্ধে ডিএসসিসির অভিযান   > পথ যত কণ্টকাকীর্ণ হোক, আমরা থেমে থাকব না : প্রধানমন্ত্রী   > বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর মুক্তিযোদ্ধারা পরিচয় দিতে পারেনি : আবুল হাসেম খান এমপি   > শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ: এনামুল হক শামীম   > আগামী দুইদিনে শৈত্যপ্রবাহের মাত্রা বাড়বে  

   স্বাস্থ্য চিকিৎসা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
২০২১ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২৮ হাজার ৪২৯

স্টাফ রিপোর্টার : গত ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ রাজধানীসহ সারাদেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। তার মধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন ২৮ হাজার ২৬৫ জন। এছাড়া এক বছরে ডেঙ্গুতে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে চারজন হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের সবাই রাজধানীর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি সক্রিয় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৯ জন। রোগীদের মধ্যে রাজধানীর সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ৩১ জন এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ২৮ জন চিকিৎসাধীন। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ডা. মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মাসওয়ারি হিসাবে দেখা যায়, জানুয়ারিতে ৩২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৯ জন, মার্চে ১৩ জন, এপ্রিলে ৩ জন, মে মাসে ৪৩ জন, জুনে ২৭২ জন, জুলাইয়ে ২ হাজার ২৮৬ জন, আগস্টে ৭ হাজার ৬৯৮ জন, সেপ্টেম্বরে ৭ হাজার ৮৪১ জন, অক্টোবরে ৫ হাজার ৪৫৮ জন, নভেম্বরে ৩ হাজার ৫৬৭ জন ও ডিসেম্বরে ১ হাজার ২০৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হন।
এ ছাড়া মারা যাওয়া ১০৫ জনের মধ্যে জুলাইয়ে ১২ জন, আগস্টে ৩৪ জন, সেপ্টেম্বরে ২৩ জন, অক্টোবরে ২২ জন, নভেম্বরে সাতজন ও ডিসেম্বরে সাতজনের মৃত্যু হয়।

২০২১ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২৮ হাজার ৪২৯
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : গত ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ রাজধানীসহ সারাদেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। তার মধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন ২৮ হাজার ২৬৫ জন। এছাড়া এক বছরে ডেঙ্গুতে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে চারজন হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের সবাই রাজধানীর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি সক্রিয় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৯ জন। রোগীদের মধ্যে রাজধানীর সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ৩১ জন এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ২৮ জন চিকিৎসাধীন। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ডা. মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মাসওয়ারি হিসাবে দেখা যায়, জানুয়ারিতে ৩২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৯ জন, মার্চে ১৩ জন, এপ্রিলে ৩ জন, মে মাসে ৪৩ জন, জুনে ২৭২ জন, জুলাইয়ে ২ হাজার ২৮৬ জন, আগস্টে ৭ হাজার ৬৯৮ জন, সেপ্টেম্বরে ৭ হাজার ৮৪১ জন, অক্টোবরে ৫ হাজার ৪৫৮ জন, নভেম্বরে ৩ হাজার ৫৬৭ জন ও ডিসেম্বরে ১ হাজার ২০৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হন।
এ ছাড়া মারা যাওয়া ১০৫ জনের মধ্যে জুলাইয়ে ১২ জন, আগস্টে ৩৪ জন, সেপ্টেম্বরে ২৩ জন, অক্টোবরে ২২ জন, নভেম্বরে সাতজন ও ডিসেম্বরে সাতজনের মৃত্যু হয়।

জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনদের চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় : মন্ত্রী
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : করোনাভাইরাসের আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ বিশ্বের প্রায় ৯০টি দেশে ছড়িয়ে গেছে। আগের ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টার চেয়ে ‘ওমিক্রন’ খুব দ্রুত সংক্রমণ করছে। এমন পরিস্থিতিতে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ ‘লকডাউন’ জারি করেছে। ভ্রমণের ক্ষেত্রে অনেক কড়াকড়ি আরোপ করে রেখেছে। বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই দুইজন শনাক্ত হয়েছেন। তারা দুজনই জিম্বাবুয়েফেরত জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের সদস্য। আক্রান্ত দুই নারী ক্রিকেটার সুস্থ আছেন। ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ লকডাউন দিয়েছে, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশও এই ব্যবস্থায় যাবে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ইউরোপের অনেক দেশ লকডাউন দিয়েছে। আমরা আমাদের দেশে লকডাউন চাচ্ছি না। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী একথা বলেন। সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। দেশে নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নেই, কিন্তু করোনা তো (অন্য ভ্যারিয়েন্ট) আছে! ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট থেকেও যদি আমরা রক্ষা পেতে চাই, আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে- যেটি আমরা করছি না। মাস্ক না পরলে এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানলে দেশে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ওমিক্রন’ বিশ্বের ৯০ দেশে ছড়িয়ে গেছে। আমাদের দেশেও ধরা পড়েছে। কিন্তু মানুষ মাস্ক পরছে না এবং স্বাস্থ্যবিধিও মানছে না। এ জন্য ওমিক্রন বাড়ার আশঙ্কা করছে সরকার। এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের সমালোচনা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ যেন বেপরোয়াভাবে না ঘুরে বেড়ায়; কিন্তু সেটা হচ্ছে, রাজনৈতিক অনুষ্ঠানগুলো কীভাবে হয়? কক্সবাজারে লাখ লাখ মানুষ যাচ্ছে, কেউ মাস্ক পরছে না। বিয়ে হচ্ছে, কেউ মাস্ক পরছে না। তাহলে সংক্রমণ বাড়ার সুযোগ তো রয়েছে! আমরা এ বিষয়ে দুঃখিত।’ জাহিদ মালেক বলেন, সারা দেশের মানুষ যাতে আগের মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, এ জন্য জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনদের চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কোভিড নিয়ন্ত্রণে সফলতার উদাহরণ হয়েছে। সব হাসপাতালে এখন অক্সিজেন সাপোর্ট আছে। সংক্রমণ কমে গেছে। এটি ধরে রাখতে হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে টিকা কার্যকরী ভূমিকা রেখেছে। এখন পর্যন্ত প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে সাত কোটি, যা ৬০ শতাংশ মানুষ পেয়েছে। আর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে সাড়ে চার কোটি, শতকরা হিসাবে তা ৩০ ভাগ। তিনি বলেন, সরকারের টার্গেট ১২ থেকে ১৩ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া। এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ৩০ শতাংশ মানুষকে। উল্লেখ্য, দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।
চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

‘ওমিক্রন’ তিনগুন বেশি সংক্রামক শক্তিতে থাকে
                                  

এনডিটিভি/আজকাল : দক্ষিণ আফ্রিকাসহ প্রতিবেশী কতগুলো দেশের বিরুদ্ধে দেয়া ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা যখন পুনর্বিবেচনার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞরা, তখন দক্ষিণ আফ্রিকার বিজ্ঞানীরা বলছেন- নতুন শনাক্ত হওয়ার ‘ওমিক্রন’ ভ্যারিয়েন্ট আগের শনাক্ত হওয়া ডেল্টা অথবা বেটা’র থেকে তিনগুণ বেশি সংক্রমণ ঘটায়। দক্ষিণ আফ্রিকার বিজ্ঞানীরা সেদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা থেকে সংগ্রহ করা ডাটা বিশ্লেষণ করে এই তথ্য হাজির করেছেন। এর মধ্য দিয়ে এই প্রমাণ প্রথম উঠে এসেছে যে, আগের সংক্রমণ থেকে রোগ-প্রতিরোধক্ষমতা জন্ম নিলেও তাকে অতিক্রম করতে পারে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। এই গবেষণাকর্ম প্রকাশ হবার আগেই তা সার্ভারের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে এখনো তা পিয়ার-রিভিউ হয়নি। ২৭শে নভেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষা করা হয়েছে ২৮ লাখ মানুষকে। এরমধ্যে সন্দেহজনকভাবে নতুন করে শনাক্ত করা হয়েছে ৩৫ হাজার ৫৭০ জনকে। দক্ষিণ আফ্রিকার ডিএসআই-এনআরএফ সেন্টার অব এক্সিলেন্স ইন এপিডেমিওলজিক্যাল মডেলিং অ্যান্ড এনালাইসিসের পরিচালক জুলিয়েট পুল্লিয়াম এক টুইটে বলেছেন, করোনার যে তৃতীয় ঢেউ বয়ে গেছে, তাতে যারা সংক্রমিত হয়েছিলেন, সেসব মানুষই নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন। এসব মানুষ আগে ডেল্টা ভেরিয়েন্ট সংক্রমিত হয়েছিলেন। তিনি আরো সতর্কতা দিয়ে বলেন, যেসব মানুষের মধ্যে এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে তারা টিকা নিয়েছেন কিনা সে বিষয়টি নিশ্চিত নন গবেষকরা। এর ফলে টিকা নেয়ার ফলে যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি হয়, তাকে ওমিক্রন অতিক্রম করতে পারে কিনা, সে বিষয়টি নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে গবেষকরা আগামী সপ্তাহে নজর দেবেন বলেও তিনি জানান। ইউনিভার্সিটি অব সাউদাম্পটনের বিজ্ঞানী মাইকেল এ গবেষণাকে উচ্চমানের বলে এর প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন এই গবেষণা যথেষ্ট উদ্বেগের সৃষ্টি করে সেটা হল- এর আগে যারা সংক্রমিত হয়েছেন তারাই তুলনামূলকভাবে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।

স্কুলশিক্ষার্থীদের ২ ডোজ টিকার সংস্থান হয়েছে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘সারা দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় তিন কোটি ডোজ টিকার মধ্যে প্রায় দুই কোটি ডোজ সংস্থান হয়ে গেছে।’ রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে সোমবার সকালে ঢাকাসহ দেশব্যাপী ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সি স্কুলগামী শিশুদের টিকাদান কর্মসূচির উদ্ববোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী। জাহিদ মালেক বলেন, ‘১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য ফাইজার উপযুক্ত ভ্যাকসিন। এ ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা সব থেকে বেশি পাওয়া গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও শিশুদের ফাইজারের ভ্যাকসিন দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে।’ ‘এ কারণে আমরাও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশের প্রায় তিন কোটি শিক্ষার্থী ১২-১৭ বছর বয়সী শিশুদের ফাইজারের ভ্যাকসিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি’, যোগ করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী। জাহিদ মালেক বলেন, ‘ফাইজারের এ ভ্যাকসিন এখন পর্যন্ত দেশে ৯৬ লাখ ডোজ এসেছে। এর মধ্যে নানাভাবে এ ভ্যাকসিন ১৪ লাখ ডোজ দেওয়া হয়েছে। হাতে এখন আছে ৮২ লাখ ডোজ। খুব দ্রুতই ফাইজারের আরও ৯২ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন চলে আসবে। সব মিলে সারা দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন লাগবে। তার মধ্যে প্রায় দুই কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের সংস্থান হয়েই গেছে। বাকি আরও এক কোটি ডোজ দ্রুতই ব্যবস্থা করে দেশের সব এলাকার ১২-১৭ বছর বয়সি শিক্ষার্থীদের ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে।’ প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকার আটটি কেন্দ্রে প্রতিটি থেকে পাঁচ হাজার ডোজ করে দিনে প্রায় ৪০ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। যেহেতু ফাইজারের টিকাটি বিশেষ তাপমাত্রায় রাখতে হয়, তাই সব ব্যবস্থা ঠিক করে দ্রুতই সারা দেশেরই ১২-১৭ বছর বয়সি শিশুদের টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. দীপু মনি শিক্ষার্থীদের টিকা নেওয়ার আগে ও পরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান। টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য শিক্ষামন্ত্রী এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেন। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল কে মিলার, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষার মহাপরিচালকসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

দেশে করোনায় আরও ১৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৮১ জন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ হাজার ৬৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া দেশে নতুন করে ৪৮১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ১৫ লাখ ৬২ হাজার ৩৫৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে ৬৯৯ জন। এ নিয়ে দেশে মোট ১৫ লাখ ২৩ হাজার ৮৩৩ জন করোনা থেকে সুস্থ হলো। গতকাল রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮২১টি ল্যাবে ২০ হাজার ৩৫৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১৯ হাজার ৯৫২টি। করোনা শনাক্তের হার দুই দশমিক ৩৬ শতাংশ। এই পর্যন্ত গড় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ১৪ জন মৃত্যুবরণকারীর মধ্যে পুরুষ ৩ জন ও নারী ১১ জন। এ পর্যন্ত পুরুষ মৃত্যুবরণ করেছেন ১৭ হাজার ৭৪৮ জন ও নারী নয় হাজার ৯৪০ জন। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে একজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে সাতজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে একজন ।
২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সাতজন, চট্টগ্রাম বিভাগে একজন, খুলনা বিভাগে একজন, বরিশাল বিভাগে একজন, সিলেট বিভাগে একজন, ময়মনসিংহ বিভাগে একজন। এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালে দশজন ও বেসরকারি হাসপাতালে তিনজন ও বাসায় ১জন মৃত্যুবরণ করেছেন।
দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ওই বছরের ১৮ জুন তিন হাজার ৮০৩ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে লাখ ছাড়িয়েছিল করোনার রোগী। সেদিন পর্যন্ত মোট শনাক্ত ছিল এক লাখ দুই হাজার ২৯২ জন। এ ছাড়া দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে গত বছরের ১৮ মার্চ।

করোনায় শনাক্তের হার কমলেও মৃত্যু বেড়েছে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৬৯৪ জন এবং মারা গেছেন ২৩ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৬১৪ জনের এবং শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৫৯ হাজার ৪৫২ জন। গতকাল ১৮ জনের মৃত্যুর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং গতকাল এ হার ছিল ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৭০৮ জন এবং এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ২০ হাজার ২৯৬ জন। অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৫ হাজার ৪২২টি, অ্যান্টিজেন টেস্টসহ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৫ হাজার ৪৯৯টি। এখন পর্যন্ত ৯৮ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত ১৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ শনাক্ত হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৭ শতাংশ। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে পুরুষ ১৫ জন এবং নারী ৮ জন। তাদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮১-৯০ বছরের মধ্যে একজন, ৭১-৮০ বছরের মধ্যে ৪ জন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে ২ জন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে ২ জন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে ২ জন, ১১-২০ বছরের মধ্যে একজন এবং ০-১০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন। বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ১৩ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, রাজশাহীতে একজন, খুলনায় ২ জন, বরিশালে একজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন।
২৪ ঘণ্টায় সরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন ১৯ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ২ জন এবং বাড়িতে ২ জন।

করোনায় দেশে আরও ১৮ জনের প্রাণহানি
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : করোনাভাইরাসে দেশে মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে কমে এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে ভাইরাসটিতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৭ হাজার ৫৯১ জন। সোমবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৭৯৪ জন। এখন পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৫৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৪ হাজার ৯২৮ জনের। নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৮৩৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ১৯ হাজার ৫৮৮ জন। দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।
চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

করোনায় ২৪ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৫৮৯ জন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ হাজার ৫৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া দেশে নতুন করে ৫৮৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ১৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে ৭৪১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৬৪২ জন করোনা থেকে সুস্থ হলো। শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮২১টি ল্যাবে ১৭ হাজার ২৮৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১৬ হাজার ৪১৫টি। করোনা শনাক্তের হার তিন দশমিক ৪১ শতাংশ। এই পর্যন্ত গড় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ২৪ জন মৃত্যুবরণকারীর মধ্যে পুরুষ ১৫ জন ও নারী নয়জন। এ পর্যন্ত পুরুষ মৃত্যুবরণ করেছে ১৭ হাজার ৬৮৩ জন ও নারী নয় হাজার ৮৭২ জন। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ছয়জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে নয়জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে পাঁচজন ও ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন। ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে চারজন, খুলনা বিভাগে একজন, বরিশাল বিভাগে একজন, সিলেট বিভাগে একজন, রংপুর বিভাগে দুইজন ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন। এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালে ২১ জন ও বেসরকারি হাসপাতালে তিনজন মৃত্যুবরণ করেছে। দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ওই বছরের ১৮ জুন তিন হাজার ৮০৩ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে লাখ ছাড়িয়েছিল করোনার রোগী। সেদিন পর্যন্ত মোট শনাক্ত ছিল এক লাখ দুই হাজার ২৯২ জন। এ ছাড়া দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে গত বছরের ১৮ মার্চ।

হাজার হাজার অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : দেশের অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধের প্রক্রিয়া গতকাল শুক্রবার থেকে শুরু করছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। বৃহস্পতিবার অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেটের নেটওয়ার্ক হতে বন্ধকরণ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে একথা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১ জুলাই ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ১ অক্টোবর হতে নেটওয়ার্কে নতুনভাবে সংযুক্ত সব অবৈধ হ্যান্ডসেটের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে।
একই সঙ্গে কোনো আমদানিকারক বা স্থানীয়ভাবে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট সংযোজন ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে অবৈধ হ্যান্ডসেট উৎপাদন কিংবা আমদানি না করার জন্য এবং কোনো বিক্রেতাকে অবৈধ হ্যান্ডসেট বিক্রি না করতেও বলেছে বিটিআরসি।
কোনো বিক্রেতা অবৈধ হ্যান্ডসেট বিক্রি করলে ক্রেতার দাবি অনুযায়ী হ্যান্ডসেটের দাম ফেরত দিতে হবে। পাশাপাশি টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনার আগে তা আসল কি না, তা যাচাই করে নিতে বলা হয়েছে ক্রেতাদের। এজন্য মেসেজ অপশন থেকে কণউ ও ১৫ ডিজিটের KYD নম্বর লিখে (উদাহরণ স্বরুপ কণউ ১২৩৪৫৬৭৮৯০১২৩৪৫) ১৬০০২ নম্বরে পাঠাতে বলা হয়েছে। এছাড়া, বৈধভাবে বিদেশ থেকে ব্যক্তিগতভাবে আনা হ্যান্ডসেট ব্যবহারের আগে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন করিয়ে নিতে বলা হয়েছে।
বিটিআরসি বলছে, দেশে প্রতি বছর বিক্রি হওয়া মোবাইল হ্যান্ডসেটের প্রায় ২৫ থেকে ৩০ ভাগ অসাধু উপায়ে কর ফাঁকি দিয়ে বাজারে ঢুকছে। ফলে ৮০০ থেকে ১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
বিটিআরসি স্পেক্ট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিবন্ধনের মাধ্যমে অবৈধভাবে আমদানি, চুরি ও নকল হ্যান্ডসেট প্রতিরোধ করা যাবে, গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে, মোবাইল ফোনের হিসাব রাখা যাবে। সবশেষে সরকারি রাজস্বের ক্ষতি ঠেকানো সম্ভব হবে।
নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় দেশে যত হ্যান্ডসেট বৈধভাবে আমদানি হচ্ছে এবং স্থানীয়ভাবে যে মোবাইলগুলো অ্যাসেমব্লিং বা উৎপাদিত হচ্ছে সেগুলোর আইএমইআই নম্বর নিয়ে একটি বৈধ ফোনের ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রারের (ইআইআর) মাধ্যমে প্রতিটি সক্রিয় সেট নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।
ব্যবহারকারীর হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের জন্য নিজেদের নিবন্ধিত সিমটি সেটে সক্রিয় করলেই সেটটি ওই নামে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধন হয়ে যাবে। তবে একই সেটে দ্বিতীয় সিম ব্যবহার করতে চাইলে সেই সিমটিও একই নামে নিবন্ধিত হতে হবে।
কারও একাধিক সেট থাকলে তিনি অন্যান্য সেটে যে সিম সক্রিয় করবেন সেই সিমটি যে নামে নিবন্ধিত ফোনটিও সেই নামে নিবন্ধিত হতে হবে। ওই সেটে অন্য নামে নিবন্ধিত কোনো সিম আর কাজ করবে না। অর্থাৎ সিম ও সেট একই নামের নিবন্ধিত না হলে ওই সেটে সিম সক্রিয় হবে না।

করোনায় একদিনে দেশে আরও ২১ মৃত্যু
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়ে আরও ২১ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৭ হাজার ৫৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন ও আরটি-পিসিআর পদ্ধতিতে ২৪ হাজার ৬৭০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৮৪৭ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত মোট ১৫ লাখ ৫৬ হাজার ৭৫৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য জানানো হয়েছে। গতকাল দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৩ জন মারা গিয়েছিল এবং শনাক্তের হার ছিল ৩ দশমিক ২৪ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২১ জনের মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ৯ জন নারী। একই সময়ে সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ ছাড়া, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ জন, খুলনা বিভাগে ৪ জন এবং রাজশাহী, বরিশাল, সিলেটে ১ জন করে মারা গেছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে কেউ মারা যাননি।
২৪ ঘন্টায় দেশে সুস্থ হয়েছেন ৯৬০ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ১৬ হাজার ৯০১ জন। বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত মোট পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। মোট শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ ও মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত দুটোই বাড়লো
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : করোনাভাইরাসে দেশে এক দিনের ব্যবধানে মৃত্যু ও শনাক্ত দুটোই বেড়েছে । গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৩১০ জন। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সোমবার ২৫ জনের মৃত্যু ও ১২১২ জন শনাক্তের তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এছাড়াও ২৫ সেপ্টেম্বর ২৫, ২৪ সেপ্টেম্বর ৩১, ২৩ সেপ্টেম্বর ২৪, ২৩ সেপ্টেম্বর ৩৬, ২২ সেপ্টেম্বর ২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২৬, ২০ সেপ্টেম্বর ৪৩, ১৯ সেপ্টেম্বর ৩৫ জনের মৃত্যু হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনায় আক্রান্ত হয়ে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ হাজার ৪৭০ জনে। মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৫৩ হাজার ৮৭৩ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ১৯৫ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ১৩ হাজার ৮৭৬ জন। ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় এবং এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

করোনায় আরও ২৫ জনের মৃত্যু
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৭ হাজার ৪৩৯ জনে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ২১২ জন। সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত ১৫ লাখ ৫২ হাজার ৫৬৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ২০২ জন এবং এখন পর্যন্ত ১৫ লাখ ১২ হাজার ৬৮১ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে আরও জানানো হয়, দেশে ৮২১টি পরীক্ষাগারে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ হাজার ৪৮৫টি নমুনা সংগ্রহ এবং ২৭ হাজার ৭৮৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৯৬ লাখ ৪৬ হাজার ৯৩৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচানয় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২৫ জনের মধ্যে পুরুষ ১৩ জন এবং নারী ১২ জন। তাদের নিয়ে দেশে মোট পুরুষ মারা গেছেন ১৭ হাজার ৬১৮ জন এবং নারী ৯ হাজার ৮২১ জন। তাদের মধ্যে বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ৪ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৪ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১ জন রয়েছেন। মারা যাওয়া ২৫ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮ জন, খুলনা বিভাগে ৩ জন, সিলেটে ৩ জন, রংপুর ২ জন। তাদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ২০ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৫ জন।

করোনায় শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২১
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : করোনাভাইরাসে দেশে এক দিনের ব্যবধানে মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯৮০ জন। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। শনিবার ২৫ জনের মৃত্যু ও ৮১৮ জন শনাক্তের তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এছাড়াও শুক্রবার ৩১, বৃহস্পতিবার ২৪, বুধবার ৩৬, মঙ্গলবার ২৬, সোমবার ২৬, রোববার ৪৩, শনিবার ৩৫ জনের মৃত্যু হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ হাজার ৪১৪ জনে। আর মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৫১ হাজার ৩৫১ জনে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৩১২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ১১ হাজার ৪৭৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ২১ হাজার ৭৭৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ২২ হাজার ২২১টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট ৯৬ লাখ ১৯ হাজার ১৫০টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ১৩ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় যে ২১ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ৭ জন এবং নারী ১৪ জন। এ সময়ের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রামে ৪, রাজশাহীতে ২, খুলনায় ১, সিলেটে ৩ ও ময়মনসিংহে ১ জন মারা গেছেন।
২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় এবং এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

করোনায় দেশে প্রাণ গেলো আরও ২৫ জনের
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৭ হাজার ৩৯৩ জনে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৮১৮ জন। সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত ১৫ লাখ ৫০ হাজার ৩৭১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৬৫ জন এবং এখন পর্যন্ত ১৫ লাখ ১০ হাজার ১৬৭ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে আরও জানানো হয়, দেশে ৮১৫টি পরীক্ষাগারে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ হাজার ৫১৫টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৭ হাজার ৮১৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৯৫ লাখ ৯৬ হাজার ৯২৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচানয় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ। ফুসফুস কেমন আছে তা পরীক্ষা করে জানিয়ে দেবে মোবাইল অ্যাপ! জীবনে অনেক ন্যাপি পাল্টিয়েছি, বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করলেন তিনি ছয় সন্তানের বাবা শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২৫ জনের মধ্যে পুরুষ ১৪ জন এবং নারী ১১ জন। তাদের নিয়ে দেশে মোট পুরুষ মারা গেছেন ১৭ হাজার ৫৯৮ জন এবং নারী ৯ হাজার ৭৯৫ জন। তাদের মধ্যে বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ২ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৭ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ২ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১ জন রয়েছেন। মারা যাওয়া ২৫ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬ জন, খুলনা বিভাগে ৪ জন, সিলেটে ২ জন, রংপুর ২ জন। তাদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ১৯ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৬ জন।

দেশে করোনায় আরও ২৬ জনের মৃত্যু
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : করোনায় দেশে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে কমে এসেছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ২৭ হাজার ২৭৭ জন মারা গেলেন ভাইরাসটিতে। মঙ্গলবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৫৬২ জনের। এতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৪৫ হাজার ৮০০ জনে। দীর্ঘ দিন পর করোনা শনাক্তের হার পাঁচ শতাংশের নিচে নেমেছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৬০৩ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৪ হাজার ৭০৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ হাজার ৩৭৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৩৩ হাজার ৩২৭টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় যে ২৬ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ১৬ জন এবং নারী ১০ জন।
এ সময়ের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রামে ৩, রাজশাহীতে ৩, খুলনায় ২, সিলেটে ২ ও ময়মনসিংহে ১ জন মারা গেছেন।
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

দেশে করোনায় ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৫৫ জন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : করোনায় দেশে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে কমে এসেছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ২৭ হাজার ২৫১ জন মারা গেলেন ভাইরাসটিতে। সোমবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গতকাল মৃত্যু হয়েছিল ৪৩ জনের। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৫৫৫ জনের।
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।
গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।


   Page 1 of 57
     স্বাস্থ্য চিকিৎসা
২০২১ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২৮ হাজার ৪২৯
.............................................................................................
জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনদের চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় : মন্ত্রী
.............................................................................................
‘ওমিক্রন’ তিনগুন বেশি সংক্রামক শক্তিতে থাকে
.............................................................................................
স্কুলশিক্ষার্থীদের ২ ডোজ টিকার সংস্থান হয়েছে
.............................................................................................
দেশে করোনায় আরও ১৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৮১ জন
.............................................................................................
করোনায় শনাক্তের হার কমলেও মৃত্যু বেড়েছে
.............................................................................................
করোনায় দেশে আরও ১৮ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় ২৪ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৫৮৯ জন
.............................................................................................
হাজার হাজার অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু
.............................................................................................
করোনায় একদিনে দেশে আরও ২১ মৃত্যু
.............................................................................................
করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত দুটোই বাড়লো
.............................................................................................
করোনায় আরও ২৫ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
করোনায় শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২১
.............................................................................................
করোনায় দেশে প্রাণ গেলো আরও ২৫ জনের
.............................................................................................
দেশে করোনায় আরও ২৬ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
দেশে করোনায় ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৫৫ জন
.............................................................................................
করোনায় আরও ৪৩ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
দেশে করোনায় ৩৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১১৯০
.............................................................................................
স্কুল-কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন হচ্ছে
.............................................................................................
করোনায় ৩৫ মৃত্যু শনাক্তের হার কমলো
.............................................................................................
করোনায় আরও ৪১ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
করোনায় আবার মৃত্যু পঞ্চাশ ছাড়ালো
.............................................................................................
করোনায় আরও ৪৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৩২৭ জন
.............................................................................................
দেশে করোনায় মৃত্যু পঞ্চাশজনের নিচে নামলো
.............................................................................................
করোনায় আরও ৫৬ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় মৃত্যু ২৬ হাজার ছাড়ালো
.............................................................................................
করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত আরও কমল
.............................................................................................
করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমেছে
.............................................................................................
করোনায় দেশে মৃত্যু ও সংক্রমণ আরও কমেছে
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের ১০ লাখ ডোজ ফাইজার টিকা কাল আসছে
.............................................................................................
করোনায় একদিনে ৯৪ জনের মৃত্যু শনাক্ত ৩৭২৪
.............................................................................................
করোনায় মৃত্যু ২৬ হাজার ছাড়াল
.............................................................................................
করোনায় মৃত্যু ১শ’র নিচে নামলো
.............................................................................................
দেশে করোনায় একদিনে ১১৪ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
জাপানি মা সকালে ও বাংলাদেশি বাবা বিকেলে দুই সন্তানকে কাছে পাবেন
.............................................................................................
করোনায় মৃত্যু কমলো, নতুন শনাক্ত ৫৭১৭ জন
.............................................................................................
করোনায় একদিনে মৃত্যু ও আক্রান্ত বেড়েছে
.............................................................................................
করোনায় আরও ১২০ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
করোনায় মৃত্যু বাড়লেও শনাক্তের হার কমেছে
.............................................................................................
একদিনে করোনায় মৃত্যু ১৭৪, শনাক্ত ৬৯৫৯ জন
.............................................................................................
করোনায় দেশে মৃত্যু ২৪ হাজার ছাড়ালো
.............................................................................................
দেশে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমেছে
.............................................................................................
দেশে করোনায় আরও ২৪১ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
দেশে টিকা নিয়েছে এমন ৯৮ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি
.............................................................................................
আবারও করোনায় মৃত্যু ২১৮ জনের, শনাক্ত ৯৩৬৯
.............................................................................................
একদিনে ২১২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৩ হাজার ৮৬২
.............................................................................................
করোনায় আবারও দুই শতাধিক মৃত্যু
.............................................................................................
করোনায় আবার মৃত্যু ১৮৭, শনাক্ত ১২ হাজার ১৪৮ জন
.............................................................................................
আবারও একদিনে দুই শতাধিক মৃত্যু
.............................................................................................
সংক্রমণ বাড়ছে দ্রুত গতিতে
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop