| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > করোনা ভাইরাসে লোকসানে তথ্যপ্রয্ক্তুরি বিনিয়োগকারীরা   > সারাবিশ্বে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ৩৭৬৮৬   > নববর্ষের সব অনুষ্ঠান বন্ধ: প্রধানমন্ত্রী   > আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে কোনো গরিব না খেয়ে কষ্ট পায় না: পানিসম্পদ উপমন্ত্রী   > সৌদিতে ৩ দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা   > তিন হাজার শয্যার হাসপাতাল হচ্ছে মহাখালীর ডিএনসিসি মার্কেটে   > পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   > করোনাভাইরাসে সারা বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০৮৮০   > করোনাভাইরাসের প্রকোপের মাঝেই ইসরাইল থেকে অস্ত্র কিনছে ভারত   > করোনা সন্দেহে চিকিৎসায় অবহেলা  

   স্বাস্থ্য চিকিৎসা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
শেরপুরে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে মেয়াদাত্তীর্ণ ওষুধ উদ্ধার

শেরপুর প্রতিনিধি :  শেরপুরে মা ও শিশু কল্যাণ কেদ্রে বিপুল পরিমাণ সরকারি টাকায় ক্রয়কৃত মেয়াদাত্তীর্ণ ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল ২৩ মার্চ সোমবার বিকেলে শেরপুর সদর উপজলার মা ও শিশু কল্যাণ কেদ্রের ওষুধ উদ্ধার করা হয়। এসব ওষুধর মূল্য ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা হবে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানিয়ছে দীর্ঘ দিন ধরেই এই সেবা কেদ্রটিতে কােনো সেবা দেওয়া হয় না মানুষ-দেরকে। একজন কর্মকর্তার দূনীতির জন্য হাসপাতালটিতে মানুষজন যায় না। এনিয়ে গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার খবর প্রকাশিত হলেও উর্ধতনরা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তদন্তের নামেও চালিছে কয়েক দফা দূনীর্তি। ভুক্তভাগীরা তা ঔষুধ পত্র মানুষকে দেওয়াই হতো না বলে জানা যায়। মায়েদের প্রসবে জন্য নিরাপদ ও আধুনিক এই হাসপাতাল গত দুই বছরে মাত্র দুটি সিজার হয়ছে তব্ওু বাহির থেকেই ওষুধ কিনে নিয়ে ।

অভিযুক্ত ওই কর্মকর্তা কমিশনের বিনিময়ে রাগীদের অন্য কোনো চয়েজ মতো বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠিয়ে কমিশন হিসাব বুঝে নিতেন। মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারী সূত্রে জানা গেছে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরাধকল্প এই কেদ্রের তিনতলা ভবনটি পরিষ্কার পরিছন্ন করার উদ্যােগ নেওয়া হলে এসব সরকারি অষুধ মেয়াদ শেষ। পরি ছন্ন অংশ হিসবে আজ দুপুর কেদ্রে সেখানে অব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ মেয়াদাত্তীর্ণ ওষুধ পড়ে আছে। এসব ওষুধের মধ্যে মূল্যবান এট্রিবায়োটিক ওষুধ ও গজ-ব্যান্ডেজ রয়েছে। এ ছাড়াও উপকারভোগীদর মধ্যে বিতরণর জন্য শাড়ি ও লুঙ্গি রয়েছে। সদর উপজলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এবং মা ও শিশু কল্যাণ কেদ্রের চিকিৎসা কর্মকর্তা শারমিন রহমান অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন যাবত সিজার করার সমস্ত যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও কেদ্রের চিকিৎসা কর্মকর্তা (ক্লিনিক) মা. মস্তাফিজুর রহমান এই কেদ্রে সিজারিয়ান অস্ত্রাপচার করেন না।

গত দুই বছর এই কেদ্রে মাত্র দুটি সিজারিয়ান অস্ত্রাপচার হয়েছে। তিনি (মোস্তাফিজুর) সিজার করতে আসা রোগীদর অন্যত্র প্রাইভেট ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেন। সম্পূর্ণ ইছাকৃত ভাবে এসব মূল্যবান সরকারি ওষুধ নষ্ট হয়ে গেছে। এতে সরকারর বিপুল পরিমাণ অর্থের অপচয় হয়েছে এবং রাগীরাও সঠিক চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।অভিযাগ অস্বীকার করে কেদ্রের চিকিৎসা কর্মকর্তা (ক্লিনিক) মো মাস্তাফিজুর রহমান বলেন, মা ও শিশু কল্যাণ কেদ্রে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় এখানে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হয়নি। এতে কিছু ওষুধ মেয়াদাত্তীর্ণ হয়ে গেছে। তবে মেয়াদাত্তীর্ণ ওষুধ সরকারি নিয়মানুযায়ী শীঘ্রই নষ্ট করা হবে। এদিকে মেয়াদাত্তীর্ণ ওষুধ উদ্ধারের সংবাদ পেয়ে গতকাল দুপুরে জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক ডা. পীযুষ চদ্র সূত্রধর মা ও শিশু কল্যাণ কেদ্র পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, এতেবচিকিৎসা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা ও আইনানুয়ায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেরপুরে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে মেয়াদাত্তীর্ণ ওষুধ উদ্ধার
                                  

শেরপুর প্রতিনিধি :  শেরপুরে মা ও শিশু কল্যাণ কেদ্রে বিপুল পরিমাণ সরকারি টাকায় ক্রয়কৃত মেয়াদাত্তীর্ণ ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল ২৩ মার্চ সোমবার বিকেলে শেরপুর সদর উপজলার মা ও শিশু কল্যাণ কেদ্রের ওষুধ উদ্ধার করা হয়। এসব ওষুধর মূল্য ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা হবে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানিয়ছে দীর্ঘ দিন ধরেই এই সেবা কেদ্রটিতে কােনো সেবা দেওয়া হয় না মানুষ-দেরকে। একজন কর্মকর্তার দূনীতির জন্য হাসপাতালটিতে মানুষজন যায় না। এনিয়ে গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার খবর প্রকাশিত হলেও উর্ধতনরা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তদন্তের নামেও চালিছে কয়েক দফা দূনীর্তি। ভুক্তভাগীরা তা ঔষুধ পত্র মানুষকে দেওয়াই হতো না বলে জানা যায়। মায়েদের প্রসবে জন্য নিরাপদ ও আধুনিক এই হাসপাতাল গত দুই বছরে মাত্র দুটি সিজার হয়ছে তব্ওু বাহির থেকেই ওষুধ কিনে নিয়ে ।

অভিযুক্ত ওই কর্মকর্তা কমিশনের বিনিময়ে রাগীদের অন্য কোনো চয়েজ মতো বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠিয়ে কমিশন হিসাব বুঝে নিতেন। মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারী সূত্রে জানা গেছে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরাধকল্প এই কেদ্রের তিনতলা ভবনটি পরিষ্কার পরিছন্ন করার উদ্যােগ নেওয়া হলে এসব সরকারি অষুধ মেয়াদ শেষ। পরি ছন্ন অংশ হিসবে আজ দুপুর কেদ্রে সেখানে অব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ মেয়াদাত্তীর্ণ ওষুধ পড়ে আছে। এসব ওষুধের মধ্যে মূল্যবান এট্রিবায়োটিক ওষুধ ও গজ-ব্যান্ডেজ রয়েছে। এ ছাড়াও উপকারভোগীদর মধ্যে বিতরণর জন্য শাড়ি ও লুঙ্গি রয়েছে। সদর উপজলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এবং মা ও শিশু কল্যাণ কেদ্রের চিকিৎসা কর্মকর্তা শারমিন রহমান অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন যাবত সিজার করার সমস্ত যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও কেদ্রের চিকিৎসা কর্মকর্তা (ক্লিনিক) মা. মস্তাফিজুর রহমান এই কেদ্রে সিজারিয়ান অস্ত্রাপচার করেন না।

গত দুই বছর এই কেদ্রে মাত্র দুটি সিজারিয়ান অস্ত্রাপচার হয়েছে। তিনি (মোস্তাফিজুর) সিজার করতে আসা রোগীদর অন্যত্র প্রাইভেট ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেন। সম্পূর্ণ ইছাকৃত ভাবে এসব মূল্যবান সরকারি ওষুধ নষ্ট হয়ে গেছে। এতে সরকারর বিপুল পরিমাণ অর্থের অপচয় হয়েছে এবং রাগীরাও সঠিক চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।অভিযাগ অস্বীকার করে কেদ্রের চিকিৎসা কর্মকর্তা (ক্লিনিক) মো মাস্তাফিজুর রহমান বলেন, মা ও শিশু কল্যাণ কেদ্রে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় এখানে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হয়নি। এতে কিছু ওষুধ মেয়াদাত্তীর্ণ হয়ে গেছে। তবে মেয়াদাত্তীর্ণ ওষুধ সরকারি নিয়মানুযায়ী শীঘ্রই নষ্ট করা হবে। এদিকে মেয়াদাত্তীর্ণ ওষুধ উদ্ধারের সংবাদ পেয়ে গতকাল দুপুরে জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক ডা. পীযুষ চদ্র সূত্রধর মা ও শিশু কল্যাণ কেদ্র পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, এতেবচিকিৎসা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা ও আইনানুয়ায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কুষ্টিয়ায় চব্বিশ ঘন্টায় ১৮ জনসহ ১১৪ জন কোয়ারেন্টিন
                                  

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : ভারত, মালেশিয়া, ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়াসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে গত দুই সপ্তাহে কুষ্টিয়া সদরসহ ৬টি উপজেলায় ৫২৮ জন মানুষ এসেছেন। কিন্তু পুর্বাদেশ না থাকায় তাদেরকে সঠিক ভাবে সণাক্তকরণ বা কোয়ারেন্টিন করা যায়নি। অপরদিকে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ১৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে। দৌলতপুর, মিরপুরসহ বিভিন্ন উপজেলায় হোম কোয়ারেন্টিনে লাল পতাকা দিয়ে চিহ্নিতকরণ ও গ্রাম পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে। 

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আব্দুস সবুর জানান, গত ৮ই মার্চ থেকে দেশে করণা সণাক্ত হওয়ার পর থেকে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভির আরাফাত পিপিএম বিষয়টি খুব গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়েছিলেন। অনেক চেষ্টা করেও ১মার্চ থেকে ১৮ই মার্চ পর্যন্ত কুষ্টিয়ায় কত জন বিদেশ থেকে এসেছেন সে তথ্য জানতে পারেননি। এর পর তিনি ঢাকায় ইমিগ্রেশন থেকে ৫২৮ জনের একটি তালিকা সংগ্রহ করেছেন। তবে এর সংখ্যা অনেক বেশি বলে তিনি জানান।
কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন অফিসের ডাঃ নুসরাত জাহান জানান, কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ২২টিসহ জেলায় ৬৭টি জায়গায় এ পর্যন্ত ১শ ৩১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৭ জনের দেহে পরীক্ষা-নিরিক্ষা শেষে কোন আলামত না পাওয়ায় তাদের ছুটি দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

 

করোনাভাইরাস ঝুঁকিতে নরসিংদী জেলা কারাগার
                                  

নরসিংদী প্রতিনিধি : সারাদেশের ন্যায় নরসিংদী জেলা কারাগারও করোনাভাইরাস সংক্রামকের ঝুঁকিতে রয়েছে। বর্তমানে নরসিংদী জেলা কারাগারে ধারন ক্ষমতার ৩গুনেরও অধিক হাজতী এবং কয়েদি রয়েছে। এতে করে বাধ্য হয়ে তাদেরকে গাদাগাদি করে রাখতে হচ্ছে। হাজতী ও কয়েদীদের স্থান সংকট থাকায় আলাদা একটি নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে অনেক হাজতিকে রাখা হয়েছে। ফলে বন্দীদের ঘুমানো এবং গোসলকরাসহ প্রতিদিন নানা সমস্যায় হিমসিম খাচ্ছেন কারা কর্তৃপক্ষ। এমতাবস্থায় নরসিংদী জেলা কারাগারের জেল সুপার মো: নজরুল ইসলাম মরনব্যাধী করোনাভাইরাসের সংক্রামক ঠেকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, জেলাকারাগারে বন্দীদের রাখার জন্য মোট ১১টি ওয়ার্ড রয়েছে। তার মধ্যে ৯টি পুরুষ ও ২টি নারী ওয়ার্ড রয়েছে। নরসিংদী জেলা কারাগারের জেলার মো: আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, কারাগারে মোট ধারন ক্ষমতা হচ্ছে ৩৪৪ জন। ইতিপূর্বে এর ধারণ ক্ষমতা ছিল ২৪৪ জন। ১শত জনের জন্য একটি নতুন ভবন নির্মাণ করার পর ধারণ ক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ৩৪৪ জনে। এর মধ্যে পুরুষ বন্দী ধারণ ক্ষমতা হচ্ছে ৩৩৪ জন এবং নারী বন্দী ধারণ ক্ষমতা হচ্ছে ১০ জন। গতকাল রোববার ২২ মার্চ পর্যন্ত এখানে বন্দী ছিল ১ হাজার ১১৫ জন। জেল সুপার মো: নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রামক ঠেকাতে সর্তকতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা ও মনিটরিং করছেন কারাগারের কর্মকর্তাগন। নতুন বন্দীদের কারাগারের ভিতরে ঢোকানোর পূর্বে প্রধান গেটে সাবান ও হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে ভাল করে হাত মুখ ধুয়ানো হচ্ছে। এছাড়া বন্দীদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করার জন্য একজন ফার্মাসিস্ট ও একজন ডাক্তার নিয়োজিত রয়েছেন। প্রাথমিক ভাবে বন্দীদের সুস্থ্যতার বিষয়টি নিশ্চিত হবার পর ভিতরে ঢোকানো হচ্ছে। এছাড়া কারাগারে রান্নাঘর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি খাবার সমূহ ভালভাবে সিদ্ধ হবার পর পরিবেশন করা হচ্ছে। জেল সুপার আরো জানান, আনুপাতিক হারে হাজতিদের ১৫ দিন পর পর মাসে দুই দিন এবং দন্ডপ্রাপ্ত কয়েদীদের মাসে এক বার অর্থাৎ ৩০দিন অন্তরন্তর সাক্ষাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই সাথে সাক্ষাৎ প্রার্থীদের দিকে নজর রাখা হচ্ছে।

অপর দিকে নতুন বন্দীদের প্রাথমিকভাবে আলাদা করে রাখা হয়। পরীক্ষা নিরিক্ষা করার পর কারো যদি সর্দি, জ্বর বা কাঁশি থাকে তা হলে ১৪ দিন তাকে আলাদা করে রাখা হয়। তবে এখানে লক্ষনীয় বিষয় হচ্ছে কারা কর্তৃপক্ষ বন্দীদের জন্য প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে ইমাম সাহেব দিয়ে মরনব্যাধি এ করোনা ভাইরাস থেকে নরসিংদী জেলা কারাগারটি করোনা ঝুঁকিমুক্ত করার জন্য দোয়া ও মুনাজাত করাচ্ছেন এবং দোয়ায়ে ইউনূস পাঠ করাচ্ছেন।

#
এম.এ. আউয়াল

নওগাঁয় ৮৮৪ জন হোম কোয়ারেনটাইনে , ছাড়পত্র ৪২
                                  

নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁ জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় বিদেশ থেকে ফেরত আসা ৮৮৪ জনকে হোম কোয়ারেনটাইনে পাঠানো হয়েছে। নওগাঁ জেলায় হোম কায়ারেনটাইনে পাঠানো ব্যক্তির সংখ্যা এ’টি সর্বোচ্চ। গত শনিবার বেলা ১২টা থেকে গতকাল  রবিবার ২২ মার্চ  বেলা ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের কন্ট্রোল রুম থেকে সহকারী পুলিশ সুপার সুরইয়া খাতুন।

এ নিয়ে নওগাঁ জেলায় এ পর্যন্ত হোম কোয়ারেনটাইনে পাঠানো ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১শ ২৭ জন-এ। এদের মধ্যে এ পর্যন্ত হোম কোয়ারেনটাইনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ৪২ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। বর্তমানে হোম কোয়ারেনটাইনে রয়েছেন ১ হাজার ৮৫ জন ব্যক্তি।

কন্ট্রোলরুমের তথ্য মতে গত ২৪ ঘন্টায় উপজেলা ভিত্তিক হোম কোয়ারেনটাইনে প্রেরনের সংখ্যা হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় ১৯০ জন, রানীনগর উপজেলায় ৮৫ জন, আত্রাই উপজেলায় ১১১ জন, মহাদেবপুর উপজেলায় ১০১ জন, মান্দা উপজেলায় ৭৭ জন, বদলগাছি উপজেলায় ৮৩ জন, পত্নীতলা উপজেলায় ১১৮ জন, ধামইরহাট উপজেলায় ৬ জন, নিয়ামতপুর উপজেলায় ৫৬ জন, সাপাহার উপজেলায় ২৬ জন এবং পোরশা উপজেলায় ৩১ জন।

নওগাঁ’র সিভিল সার্জন ডাঃ আ ম আক্তারুজ্জামান আলাল জানিয়েছেন এখন পর্যন্ত নওগাঁ জেলা সদরসহ কোন হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিটে কাউকে ভর্ত্তি করা হয় নি।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ মোমিনুল হক জানিয়েছেন নওগাঁ জেলা সদরে একশ জন স্বাস্থ্যকর্মীর ব্যবহারের মত ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জাম (পিপিই) সররাহ পাওয়া গেছে।

করোনা সনাক্তে ১০ হাজার কিট আমাদানী
                                  

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি : গাজীপুর নগরবাসীকে সুরক্ষা রাখতে করোনা ভাইরাস সনাক্তের জন্য সিঙ্গাপুর থেকে ১০ হাজার কিট আমদানী করা হচ্ছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য সেবা সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সুরক্ষা পোশাক সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিটি মেয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। প্রয়োজন না হলে বাড়ির বাইরে কাউকে না যাওয়ার আহবান জানিয়েছেন তিনি।

গতকাল রবিবার দুপুরে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের (গাসিক) গাছা এলাকার আঞ্চলিক কার্যালয়ে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র এসব তথ্য জানান।

মেয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বিপুল সংখ্যক লোক বাস করে। এখানে দু’হাজারের বেশী কল-কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় প্রায় ২০-২২ লাখ লোক কাজ করে। এখানে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের ঝুকি রয়েছে। তাই করোনা ভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ, বিজিএমইএ, পরিবহণ, ফায়ারসার্ভিসসহ সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠাণের সঙ্গে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন একযোগে কাজ করবে। এব্যাপারে সকল বিভাগের প্রতিনিধিদের অংশ গ্রহণে যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জনসাধারণকে এ ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করতে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে করোনা ভাইরাস সনাক্তের জন্য সিঙ্গাপুর থেকে ১০ হাজার কিট আমদানী করা হচ্ছে। মহানগরের প্রতিটি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে কর্মরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের ব্যবহারের জন্য সুরক্ষা পোশাক সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সরবরাহ করা হবে। এছাড়াও পুলিশসহ স্বাস্থ্য সেবা সংশ্লিষ্ট অন্যদেরও এ পোশাক দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে করোনা ভাইরাসকে মোকাবেলা করতে ৮টি থানা ও ৫৭টি ওয়ার্ডের সবক’টিতে ১টি করে মোট ৬৩টি কমিটি গঠণ করা হয়েছে। আমরা সবাই নিজেকে করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষা করে অন্যকে সুরক্ষা রাখতে একযোগে কাজ করবো। প্রয়োজন না হলে বাড়ির বাইরে কাউকে না যাওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, যতোটা সম্ভব বাড়ি বা ঘরে বসে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করবেন। 

তিনি গাজীপুরের মিল কারখানাগুলোর মালিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রাথমিকভাবে কোন শ্রমিকের জ্বর বা ঠান্ডার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে কর্তৃপক্ষ যেন তাকে ছুটি দিয়ে দেন। সে যাতে বাসায় অবস্থান করে সেই ব্যাপারে গার্মেন্টস মালিক এবং সিটি কর্পোরেশন সহযোগীতা করবে এবং তাদেরকে অর্থনৈতিক সাপোর্ট দেয়া হবে। কারখানায় প্রবেশের আগে গেইটে শ্রমিকদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করাররও আহবান জানান তিনি।

মতবিনিময় সভায় গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার আনোয়ার হোসেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, জেলা সিভিল সার্জন খায়রুজ্জামান, গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক খলিলুর রহমানসহ গাজিপুর সিটি কর্পোরেশনের এর বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরগন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় সিভিল সার্জন খায়রুজ্জামান জানান, গাজীপুরে ইতোমধ্যে প্রায় হাজার প্রবাসী বিদেশ থেকে ফিরে এসেছেন। এরমধ্যে ১৮৭জন বিদেশ ফেরত প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। এছাড়া ইতালী ফেরত ৩৬জন পূবাইলের মেঘডুবি ও ৭জন কাপাসিয়ার পাবুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। তাদের এখনো করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। 

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আনোয়ার হোসেন বলেন, পাসপোর্টে দেয়া গাজীপুরের ঠিকানা অনুযায়ী বিদেশ ফেরত প্রবাসীদের অনেককেই পাওয়া যায়নি। তবে জননিরাপত্তার জন্য পুলিশ তাদের খোঁজ খবর নিচ্ছে।

 

 

 

জগন্নাথপুরে ৮ জনকে কোয়ারেন্টাইনে প্রেরণ
                                  

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলি ইউনিয়নের সাতহাল গ্রামের এক যুক্তরাজ্য প্রবাসী নারী সিলেট আইসোলেশন সেন্টারে ১০ দিন ধরে জ্বর, সর্দি, কাশির সঙ্গে শ্বাসকষ্টে ভোগার পর গতকাল রোববার ২২ মার্চ রোববার মৃত্যু বরণ করেন।

এদিকে-এ ঘটনায় ওই নারীর ৮ জন আত্মীয়-স্বজনকে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে কোয়ারেন্টাইনে প্রেরণ করেন জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইয়াসির আরাফাত। তারা হলেন সাতহাল গ্রামের আসকর আলীর ছেলে আজিজ মিয়া, একই গ্রামের আলতাবুর রহমানের স্ত্রী শফিকুল বেগম, রুমেন মিয়ার স্ত্রী দুলন বেগম, টুকের বাজার এলাকার আবুল কালামের ছেলে কলিম উদ্দিন, ছাতক উপজেলার ঝিগলি গ্রামের ফজর আলীর স্ত্রী আছিয়া বেগম, ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, আলমগীর হোসেন ও একই গ্রামের মৃত তছকির আলীর স্ত্রী কিতাবুন বেগম। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইয়াসির আরাফাত বলেন, তাদেরকে অবশ্যই ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। শর্ত ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

 

 



শরীয়তপুরে ২৪ ঘন্টায় ৫৮ জন হোম
                                  

 

মোঃ সোহাগ নড়িয়া (শরিয়তপুর) : শরীয়তপুরে ২৪ ঘন্টায় ৫৮ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে, হোমকোয়ারেন্টাইনে না থাকায় ৮জন প্রবাসীদেরকে ১ লক্ষ ৬২ হাজর ৯শ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্মমান আদালত। বেশির ভাগ হাট বাজার গুলো তেমন কোন ভির লক্ষ কারা যায়নি ।

কাঁচা বাজার মুদির দোকানে কিছুটা ভির থাকলেও অন্যঅন্য দোকানে মানুষের উপস্থিতি ছিল অনেক কম। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. আব্দুর রশিদ জানিয়েছেন, শরীয়তপুরে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৫৮ জনকে হোমকোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ২ সপ্তাহ পার হওয়ায় ১১৪ জনকে কোয়ারান্টাইন থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। গতকাল ২২ মার্চ রবিবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত জেলায় মোট ৩৬৪ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ১মার্চ থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে ৫২২ জনকে। জেলার ৬টি উপজেলায় ৩০টি আইসোলেশন শয্যা ও ১০০ টি কোয়ারেন্টাইন শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলায় এখনো পর্যন্ত কোন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত বা সন্দেহজনক কেউ সনাক্ত হয়নি।

 এদিকে গত এক সপ্তাহে  কোয়ারেন্টাইনে না থেকে বাহিরে ঘুরাঘুরি করায় শরীয়তপুর সদর উজেলায় ২জন ,জাজিরা ১ ,নড়িয়া ১, ভেদরগঞ্জ ৩, ডামুড্যা ১ শরীয়তপুর জেলায় মোট ৮ জনকে  ভ্রাম্মমান আদালত ১লক্ষ ৬২ হাজার ৯শ টাকা জরিমানা করেছে। 

 অন্যদিকে  করোনা আতংকের সুযোগে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দাম বাড়ানোর কারনে নড়িয়া উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ৮টি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ২১ হাজার টাকাসহ জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম বৃদ্ধি করার দায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচারনা করে  ৩লক্ষ ১৫ হাজার ৫শ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদলত । 

 

বার্জাজ রোগে আক্রান্ত আরশেদ আলী বাঁচতে চায়
                                  

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি : থ্রোমবাংইটিস (বার্জাজ) রোগে আক্রান্ত মো. আরশেদ আলী (২৯) বাঁচতে চায়। দিনদিন তার শারীরিক সমস্যা জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। টাকার অভাবে তার চিকিৎসা থেমে আছে। ইতোমধ্যেই তার চিকিৎসায় ৫ লাখ টাকা ব্যায় হয়ে গেছে। বর্তমানে তার চিকিৎসা একেবারে বন্ধ রয়েছে। 

বার্জাজ রোগে আক্রান্ত অটোরিক্সা চালক মো. আরশেদ আলী টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার যদুনাথপুর ইউনিয়নের বারই পাড়া গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের কার্ডিয়াক ভাসকুলার এন্ড থোরাসিক সার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞ ডাঃ শাহারিয়ার মঈনুদ্দীনসহ অন্যান্য চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে আরশেদ আলীর থ্রোমবাংইটিস (বার্জাজ) রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ সময় তার সঠিক চিকিৎসা না করতে পারলে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যেতে হবে এমন আশষ্কাও করছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
আরশেদ আলী জানান, ইতিমধ্যেই তিনি এ রোগের চিকিৎসা করে নিশ্বঃ হয়ে গেছেন। শারীরিক দুর্বলতার কারণে অটোরিক্সাও চালাতে পারছেন না। কাজেই পরিবার-পরিজন নিয়ে দুর্বিসহ জীবন-জাপন করছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীসহ সমাজের বিত্তবানদের কাছে তার চিকিৎসার জন্য সাহায্যের প্রার্থনা জানিয়েছেন।
স্থানীয় যদুনাথপুর ইউপি চেয়ারম্যান মীর ফিরোজ আহমেদ জানান, আরশেদ আলী র্দীঘদিন যাবৎ বার্জাজ রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থতায় ভোগতেছে। তার সহায়-সম্ভল যা ছিল চিকিৎসা করে সব শেষ করেছে। আমি তার রাগমুক্তি ও সকলের সহযোগিতা কামনা করি।
ধনবাড়ী পৌর মানবাধিকার কমিশনের সাধারণ সম্পাদক রাজীব ভদ্র অপু জানান, আরশেদ আলী র্দীঘদিন যাবৎ বার্জাজ রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থতায় ভোগতেছে । তার পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব না তাই আমাদের মত সমাজে যারা বৃত্তবান আছি তাদেও এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই আরশেদ আলীকে সু-চিকিৎসা করানো সম্ভব। আরশেদ আলীকে বাঁচাতে সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।

আরশেদ আলীকে সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম আমাদের প্রতিনিধি সাংবাদিক হাফিজুর রহমান’র মোবাইলে বিকাশ (পার্সোনাল)- ০১৩১৭৩৪৩৪৫৩

ডামুড্যায় জরিমানা করে প্রবাসীদের ‘হোম কোয়ারেন্টিন’
                                  

ডামুড্যা (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি : শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলায় দিনে দিনে আতঙ্ক বেড়েই চলেছে। অধিকাংশদের দাবি ডামুড্যার বিভিন্ন স্থানে প্রবাসীরা অবাদে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। প্রশাসনও নেই বসে প্রতিদিনি তারা অভিযান পরিচালনা করছেন পাশাপাশি জরিমানা।

গত ২২ই মার্চ (রবিবার) হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় ২ ব্যক্তিকে ২২ হাজার ৯০০ টাকা অর্থদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।
অর্থদন্ড প্রাপ্তরা হচ্ছেন দুবাই প্রবাসী মোহাম্মদ আলী (৩৮) ও ওমান প্রবাসী বাপ্পি মাদবর (২৫)। মোহাম্মদ আলী ধানকাঠি ইউনিয়নের মোল্লা কান্দি গ্রামের আব্দুল করিম মোল্লার ছেলে। অন্যজন বাপ্পি মাদবর ডামুড্যা পৌর সভার কুলকুড়ি গ্রামের মৃত মোস্তফা মাদবরের ছেলে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাত ৯টায় হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় এক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অর্থদন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হান্নান ঢালী (৪৮) ডামুড্যা পৌর সভার ধুপখোলা এলাকার আবুল কালাম ঢালী ছেলে। তিনি সৌদি প্রবাসী। গত ১৫ মার্চ তিনি বাংলাদেশে আসেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন এই অভিযান পরিচালনা করেন।তিনি বলেন, এই অভিযান চলবে ততদিন যতদিন না এই ভাইরাসের সংক্রমণ না কমে।

মশার কামড়ে বীরগঞ্জের মানুষ অতিষ্ঠ
                                  

বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : বীরগঞ্জ পৌরশহরের আনাছে,কানাছে প্রচন্ড মশার উপদ্রব দেখা দিয়েছে। শীতের রেশ কাটয়ে বসন্তের বাতাস বইতে না বইতেই গত কয়েকদিন ধরে দিন-রাত মশার উৎপাত বেড়ে গেছে। বীরগঞ্জ পৌরসভার কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন নিয়মিত মশা নিধনের ওষুধ না ছিটানোর কারণে শহরে হঠাৎ মশার উপদ্রব দেখা দিয়েছে। শীত মৌসুমে মশার উপদ্রব কম থাকলেও গরমে তার উপদ্রব অনেক বৃদ্ধি পায়। মশা নিধনে প্রতি বছর বাজেট বরাদ্দ থাকলেও ঠিকমতো অর্থগুলো ব্যয় করছে না পৌর কর্তৃপক্ষ। শহরের ময়লাগুলো রাস্তা ঘাটের পাশে বিভিন্ন জায়গায় ফেলানোর কারণে দিনের পর দিন মশার উদ্ভব বেড়েই চলছে।

রাস্তায় দুর্গন্ধ বাড়ছে,পথচারীরা চলাচল করতে কষ্ট হচ্ছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলাররা দেখেও না দেখার ভ্যান করছেন। স্থানীয়রা বলছেন, শুধু ট্যাক্সের টাকার জন্য আমাদের কাছে আসে কিন্তু উন্নয়ন কাজে কোনোটাই করছেনা পৌর কর্তৃপক্ষ। ছেলে -মেয়েরা রাতের বেলা পড়ালেখা করতে পারছেনা মশার অত্যাচারে।

পৌরবাসীর অভিযোগ বীরগঞ্জ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ নিয়মিত মশা নিধনের জন্য ওষুধ না দেওয়ার কারণে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা যদি প্রতিদিন নিয়মিত মশা নিধনের জন্য কাজ করতেন তাহলে হয়তো শহরে এতটা মশার উপদ্রব দেখা যেতোনা। পৌর মেয়র মোঃ মোশারফ হোসেন বলেন, আগামীকাল সোমবার থেকে ওষুধ ছিটিয়ে মশা নিধন করা হবে এবং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। 

 

চীন বাকি বিশ্বের জন্য আশার আলো : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চীন আশার আলো জ্বেলেছ বলে মনে করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে চীনের কৌশল অন্য দেশগুলোয় ব্যবহার করা যায় কি না, এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলোর বেলায়।

এএফপির খবরে জানানো হয়, চীনে গত চার দিনে স্থানীয়ভাবে আক্রান্ত একজন রোগী পাওয়া গেছে। গত বছরের ডিসেম্বরে দেশটির হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার পর যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, তা থেকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

যদিও অনেক বিশেষজ্ঞ চীনের আক্রান্ত মানুষের সংখ্যার তথ্য নিয়ে সতর্ক করেছেন, তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রস আধানম গেব্রেইয়েসুস চীনের সফলতার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, চীনের সফলতা বাকি বিশ্বের জন্য আশার আলো দিচ্ছে।চীন কেন্দ্রনিয়ন্ত্রিত একদলীয় শাসনব্যবস্থার এমন দেশ, যেখানে ভিন্নমতের স্থান নেই এবং যেকোনো ইস্যুতে বিপুল পরিমাণের সম্পদ, লোকবলে রাতারাতি পরিবর্তন ঘটাতে পারে। চীনের যেসব বিষয় আলোচনা হচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে অবরুদ্ধ ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, মাস্ক পরিধান, গণকোয়ারেন্টিন, সংহতি ইত্যাদি।

গত জানুয়ারি মাসে চীন উহান শহরকে কার্যকরভাবে অবরুদ্ধ করে এবং এর ১ কোটি ১১ লাখ জনসংখ্যাকে কোয়ারেন্টিনে পাঠায়। এই প্রক্রিয়া পরে অনুসরণ করা হয় পুরো হুবেই প্রদেশের জন্য। পাঁচ কোটি মানুষকে গণ–আইসোলেশনে পাঠায়। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষকে কঠোরভাবে বাড়িতে থাকার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়।

পিকিং ইউনিভার্সিটির জনস্বাস্থ্য বিষয়ের অধ্যাপক ঝেং জিজিই বলেছেন, হুবেই প্রদেশে কমপক্ষে ৪২ হাজার চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হুবেই প্রদেশে পাঠানো হয় স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার জন্য। এ সময় ৩ হাজার ৩০০ স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হন এবং ১৩ জন মারা যান।

শহরগুলোয় মাস্ক পরার প্রয়োজনীয়তা ব্যাপকভাবে দেখা দেয়। অধ্যাপক ঝেংজিজিই বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষের ভাইরাসটি বহনের আশঙ্কার মধ্যে ব্যাপক হারে মাস্ক ব্যবহার ভাইরাসের বিস্তার রোধ করতে পারে। বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার খবর অনুসারে চীন প্রতিদিন ১৬ লাখ মাস্ক উৎপাদন করেছে ওই সময়।

উচ্চপ্রযুক্তির দেশটিতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টি যেখানে সীমিত, সেখানে কোনো কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের জন্য ফোনে কিউআর কোড দেখানোর ব্যবস্থা করে। যেটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার পরিস্থিতির ভিত্তিতে তাদের ‘সবুজ’, ‘হলুদ’ এবং ‘লাল’ চিহ্ন দেখায়। এর মাধ্যমে নাগরিকদের দেখানো হয়, তাঁরা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যাচ্ছেন কিনা।

সাতক্ষীরায় এ পর্যন্ত বিদেশ ফেরত ৩৯৯ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে
                                  

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘন্টায় বিদেশ ফেরত আরো নতুন ২২৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে। এনিয়ে গত ৬ দিনে বিদেশ ফেরত সাতক্ষীরার ৩৯৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে। এছাড়া শ্যামনগরের দাতনিখালী গ্রামের এস.এম সুলতান মাহমুদ সুজনকে সদর হাসপাতাল আইসোলেশানে নেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ৪০ জন, আশাশুনি উপজেলায় ২৮ জন, দেবহাটা উপজেলায় ২৫ জন, কালিগঞ্জ উপজেলায় ৭০ জন, কলারোয়া উপজেলায় ১০৩ জন, শ্যামনগর উপজেলায় ৫৪ জন ও তালা উপজেলায় ৭৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে।
যদিও বিদেশ থেকে আগত লোকের সংখ্যা গত ১ মার্চ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৯ হাজার ৫০ জন। এর মধ্যে হোম কোয়ারেন্টাইনের বাইরে রয়েছে প্রায় ৮ হাজার ৬ শ’ ৫০ জন।
তবে, সাতক্ষীরা জেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রন কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল জানিয়েছেন, বিদেশ থেকে আসা সকল প্রবাসীদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে আনা হবে। ইতিমধ্যে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ।
এদিকে, সাতক্ষীরার ভোমরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশে আটকে থাকা পাসপোর্ট যাত্রীর পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে। যদিও দু দেশেই নতুন করে কোন পাসপোর্ট যাত্রীকে প্রবেশাধিকার না থাকায় যাত্রী সংখ্যা অনেক কমে গেছে।

শরিযতপুরে ৩৩৫ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে
                                  

মোঃসোহাগ নড়িয়া(শরিয়তপুর) : 

 শরিয়তপুরে বিদেশ থেকে আসা ৩৩৫ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. আব্দুর রশিদ বলেন,  জেলায় ইতালিসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরায় গতকাল শনিবার ২১ মার্চ বিকেল ৫টা পর্যন্ত সদর উপজেলায় ৭১ নড়িয়ায় ১২৬ জন, জাজিরায় ৩২ জন, ভেদরগঞ্জে ৪৫ জন, ডামুড্যায় ৪০ জন ও গোসাইরহাটে ২১ জনসহ মোট ৩৩৫ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন।

এদের প্রত্যেককেই জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সদর উপজেলায় ৬ জন, নড়িয়ায় ৬জন, ভেদরগঞ্জে ৪জন, জাজিরায় ৩জন ও ডামুড্যায় ৪জনসহ সর্বমোট ২৩ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। নতুন করে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় এসেছন সদর উপজেলায় ১৬ জন, নড়িয়ায় ২৪জন, জাজিরায় ৪জন, ভেদরগঞ্জে ৪জন, ডামুড্যায় ৮জন ও গোসাইরহাটে ৫জনসহ সর্বমোট ৬১ জন।   

তিনি আরও জানান, জেলায় ৩০টি আইসোলেশন শয্যা ও ১০০ টি কোয়ারেন্টাইন শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলায় এখনো পর্যন্ত কোন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত বা সন্দেহজনক কেউ সনাক্ত হয়নি।

সরিষাবাড়ীর কোয়ারেন্টাইনে ১০, তালিকা ২৭০,হিমশিমে প্রশাসন
                                  

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি : জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রবাসীদের সঠিক হিসাব নেই। উপজেলা প্রশাসন ১০ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে পেরেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তালিকা এসেছে ২৭০ জনের।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্র জানায়, গত বৃহষ্পতিবার পর্যন্ত সরিষাবাড়ীর বাসিন্দা ২৭০ জন প্রবাসী ঢাকা বিমানবন্দর পার হয়ে এ উপজেলায় এসেছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক পত্রে জানানো হয়। তবে গতকাল ২০ মার্চ শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের হাতে ১০ জন প্রবাসীর পরিচয় পাওয়া গেছে। যাদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হয়েছে। এরা ইতালি, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ভারত, কাতার, মালয়েশিয়া, দুবাই, ও সৌদি আবর থেকে সম্প্রতি সরিষাবাড়ীতে ফিরেছেন। অপরদিকে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের তালিকা মতে ১৯ জন প্রবাসীকে হোম কেয়ারেন্টাইনে রাখার খবর জানিয়েছে প্রশাসন। তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেরিত তালিকা অনুযায়ী সরিষাবাড়ীর ২৭০ জন প্রবাসী দেশে ফিরলেও তাদের অবস্থান বলতে পারছে না কেউ।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিহাব উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরা ২৭০ জন প্রবাসীর তালিকা অনুসন্ধান করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই যাদের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে, তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।’ তিনি আরো জানান, প্রবাসীদের খোঁজখবর নিতে পৌরসভাসহ ৮টি ইউনিয়নে ১৮ জন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। পৌর মেয়র-কাউন্সিলর, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য পরিদর্শক, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক ও গ্রাম পুলিশসহ সবাইকে ট্যাগ অফিসারদের সহযোগিতার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

নতুন করে ঝিনাইদহে হোম কোয়ারেন্টাইনে মোট ৩৯০ জন
                                  

ঝিনাইদহ থেকে গিয়াস উদ্দীন সেতু : ঝিনাইদহের ৬ উপজেলায় গত বৃহস্পতিবার বিকাল (১৯ মার্চ) পর্যন্ত প্রবাসিসহ আরো ১১৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এই নিয়ে জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার সংখ্যা দাড়িয়েছে ৩৯০ জনে। ইতালি, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভারত থেকে প্রবাসিরা আসার পর তাদের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যদেরকেও হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে। ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন অফিসের পরিসংখ্যানবিদ জাহাঙ্গীর হোসেন গত বৃহস্পতিবার বিকালে জানান, গত ১০ মার্চ থেকে ১৯ মার্চ এই ৯ দিনে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ৬জন, কোটচাঁদপুরে ৫১ জন, কালীগঞ্জে ১২জন, শৈলকুপায় ৮জন, হরিণাকুন্ডুতে ৫ ও মহেশপুর উপজেলায় ৩০৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনা জারী করা হয়েছে।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার আইন তেমন ভাবে মানা হচ্ছে না। অনেক গ্রামে প্রবাসিরা এসে বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন সেলিনা বেগম বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের একার পক্ষে এটা মানানো সম্ভব নয়। তবে ঝিনাইদহে এখন পর্যন্ত কোন করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি। এদিকে ঝিনাইদহে করোনা প্রতিরোধে করনীয় বিষয়ক জরুরি লিফলেট ও হ্যান্ডবিল বিলি করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ ঝিনাইদহের প্রলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে নাগরিকবদের মাঝে হ্যান্ডবিল বিতরণ করেন।

সাতক্ষীরায় বিদেশ ফেরত ৩৭ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে
                                  

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : গত ১৭ মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১২ টা থেকে বুধবার বেলা ১২ টা পর্যন্ত সাতক্ষীরায় করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে মোট ৩৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় বিদেশ ফেরত নতুন ২৪ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এসমস্ত লোকের সর্দি, কাশি ও জ্বর থাকায় তাদের কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়। 
এর মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ১০ জন, আশাশুনি উপজেলায় ৬ জন, কালিগঞ্জ উপজেলায় ৮ জন, দেবহাটা উপজেলায় ২ জন ও শ্যামনগর উপজেলায় ১১ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে। 
সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা.হুসাইন সাফায়াত জানান, সাতক্ষীরায় ইতিমধ্যে বিদেশ ফেরত মোট ৩৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে। এর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এরা সবাই ভারত, ইটালী, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরেছেন। তবে ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন এমন লোকের সংখ্যা বেশী। এসব ব্যক্তিদের বিশেষ নজরদারীতে রাখা হয়েছে। 
তিনি আরো বলেন, এ সব ব্যক্তিরা যেন ঘরের বাইরে ঘোরাফেরা না করে সেজন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তাদের উপর স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ, ইউনিয়ন পরিষদ ও গ্রাম পুলিশকে নজরদারিতে রাখতে বলা হয়েছে। কেউ নির্দেশনা অমান্য করলে তাকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে শাস্তির আওতায় আনা হবে। তবে, সাতক্ষীরায় এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এমন কোন রোগী পাওয়া যায়নি।

 




   Page 1 of 33
     স্বাস্থ্য চিকিৎসা
শেরপুরে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে মেয়াদাত্তীর্ণ ওষুধ উদ্ধার
.............................................................................................
কুষ্টিয়ায় চব্বিশ ঘন্টায় ১৮ জনসহ ১১৪ জন কোয়ারেন্টিন
.............................................................................................
করোনাভাইরাস ঝুঁকিতে নরসিংদী জেলা কারাগার
.............................................................................................
নওগাঁয় ৮৮৪ জন হোম কোয়ারেনটাইনে , ছাড়পত্র ৪২
.............................................................................................
করোনা সনাক্তে ১০ হাজার কিট আমাদানী
.............................................................................................
জগন্নাথপুরে ৮ জনকে কোয়ারেন্টাইনে প্রেরণ
.............................................................................................
শরীয়তপুরে ২৪ ঘন্টায় ৫৮ জন হোম
.............................................................................................
বার্জাজ রোগে আক্রান্ত আরশেদ আলী বাঁচতে চায়
.............................................................................................
ডামুড্যায় জরিমানা করে প্রবাসীদের ‘হোম কোয়ারেন্টিন’
.............................................................................................
মশার কামড়ে বীরগঞ্জের মানুষ অতিষ্ঠ
.............................................................................................
চীন বাকি বিশ্বের জন্য আশার আলো : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
.............................................................................................
সাতক্ষীরায় এ পর্যন্ত বিদেশ ফেরত ৩৯৯ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে
.............................................................................................
শরিযতপুরে ৩৩৫ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে
.............................................................................................
সরিষাবাড়ীর কোয়ারেন্টাইনে ১০, তালিকা ২৭০,হিমশিমে প্রশাসন
.............................................................................................
নতুন করে ঝিনাইদহে হোম কোয়ারেন্টাইনে মোট ৩৯০ জন
.............................................................................................
সাতক্ষীরায় বিদেশ ফেরত ৩৭ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে
.............................................................................................
করোনা ভাইরাসে আরো এক রোগী শনাক্ত
.............................................................................................
হোসেনপুরে করোনা সন্দেহে ৬ প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টাইনে
.............................................................................................
ফরিদপুরে মশার উপদ্রবে অতিষ্ট জনজীবন
.............................................................................................
করোনা চিকিৎসায় প্রস্তুত ১৫০ আইসিইউ : ডা. সেব্রিনা
.............................................................................................
করোনায় দুই শিশুসহ আরও ৩ জন আক্রান্ত : আইইডিসিআর
.............................................................................................
মধুপুরে ভ্রাম্যমান ক্লিনিকে গারো সম্প্রদায়ের উপস্থিতি
.............................................................................................
পঞ্চগড়ে চিকিৎসকদের সাথে সাংসদের মতবিনিময় সভা
.............................................................................................
আশকোনা থেকে ছাড়া পাচ্ছেন ইতালিফেরত ১৪২ বাংলাদেশি
.............................................................................................
একটি দুর্ঘটনা বাড়িয়ে দিয়েছে ফুরকান মিয়ার মানবতা
.............................................................................................
বোয়ালমারী হাসপাতালে বাঁশের খুটিতে ছাদ রক্ষা
.............................................................................................
করোনাভাইরাস ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা
.............................................................................................
নোয়াখালীতে অতিরিক্ত দামে ফেস মাস্ক বিক্রি, ৮০ হাজার টাকা জরিমানা
.............................................................................................
মাগুরায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আলোচনা সভা
.............................................................................................
দিনাজপুরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্কতা
.............................................................................................
করোনা আক্রান্ত ৬৪ হাজার সুস্থ
.............................................................................................
সাতক্ষীরায় করোনো ভাইরাস প্রতিরোধে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
কুমারখালীতে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচির সভা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স করোনা ভাইরাসের চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত
.............................................................................................
নভেল করোনা ভাইরাস আপডেট ভাইরাসের নাম : SARS-CoV-2,রোগের নাম COVID-19
.............................................................................................
ধরন বদলে বিপদ বাড়াচ্ছে করোনা
.............................................................................................
করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে তিন হাজার ছাড়িয়েছে
.............................................................................................
চুয়াডাঙ্গায় মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন
.............................................................................................
পাবনা কমিউনিটি হাসপাতালের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ক্যাম্প
.............................................................................................
নওগাঁয় ফ্রি গাইনী ক্যাম্প
.............................................................................................
করোনা চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার
.............................................................................................
শ্রীপুরে পদমর্যাদার দাবীতে হাম রুবেলা ট্রেনিং বর্জন
.............................................................................................
এদিকে করোনা, ওদিকে ইঁদুরের ছড়ানো ভাইরাসে ৭০ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
রংপুর মেডিকেলে ভর্তি চীন ফেরত শিক্ষার্থীকে ঢাকায় স্থানান্তর
.............................................................................................
হেলোগ্রুপের অর্থায়নে রৌমারীর শিশুদেরকে চিকিৎসা
.............................................................................................
`ভার্জিনিটি রিপেয়ার` সার্জারি নিষিদ্ধ করার আহ্বান
.............................................................................................
চীন করোনভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ত্বরান্বিত করছে, শি জিনপিং সতর্ক করেছেন
.............................................................................................
করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে যা করবেন
.............................................................................................
চীন করোনভাইরাস : রোগ ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে
.............................................................................................
মুজিববর্ষে বিএসএমএমইউতে বিনামূল্যে চিকিৎসা
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD