ঢাকা,মঙ্গলবার,৬ ভাদ্র ১৪২৮,২০,এপ্রিল,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > অসহায় ও ছিন্নমূলদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ   > মেহেরপুরে লকডাউন মানছে না কেউ   > দাগনভূঞায় আয়েশা ডেইরি ফার্মের সফল উদ্যোক্তা তুহিন   > তীব্র তাপদাহে পুুড়ছে বাগাতিপাড়া   > সখীপুরে অবাধে কাটা হচ্ছে টিলা   > ‘লকডাউনের আগে থেকেই শুটিং করছি না’   > ফুটবলার পগবাকে নিয়ে চলচ্চিত্র   > কুড়িগ্রামে বাজারে অগ্নিকান্ড প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি   > কুমারখালীতে বাজার মনিটরিং কমিটির অভিযান   > ভারতে করোনায় একদিনে আক্রান্ত আড়াই লাখ, মৃত্যু দেড় হাজার  

   ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সুনসান নিরবতায় পর্যটন কেন্দ্র বিছনাকান্দি

লোকমান হাফিজ, গোয়াইনঘাট : বিছনাকান্দি এই নামটি সবার সাথে পরিচিত। হরেক রঙা পাথর ছড়ানো সর্বত্র। মনে হয় যেন পাথরের বিছানা বিছানো। উঁচু উঁচু পাহাড়ের ভাঁজে সবুজের আস্তর। সেই সবুজ পাহাড়ের বুক বেয়ে নেমে এসেছে সরু ঝরনা। কলকল করছে শীতল স্বচ্ছ জলরাশি। আকাশে কখনো ঘোলা মেঘ, কখনো নীলের ছায়া। গোয়াইনঘাট বলতেই যেন পর্যটন নগরী।সাপ্তাহিক ছুটি কিংবা সরকারি ছুটির দিনে দেখা যেত পর্যটকদের ভীড়। কিন্তু বর্তমানে একদম ব্যতিক্রম। পুরো গোয়াইনঘাট জুড়ে সুনসান নিরবতা। নেই পর্যটকদের গাড়ি বহর। নেই পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের ভীড়। নেই পর্যটকদের কোলাহল। নীরব নিস্তব্ধ পাথরের জলরাশি এবং শীতল পানি স্তব্ধ হয়ে আছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে দেশে চলছে কঠোর লকডাউন। দ্বিতীয় ধাপে করোনার সংক্রমণ রোধে সিলেটের সব পর্যটন স্পট বন্ধ ঘোষণার পর পর্যটক শূন্য হয়ে পড়েছে বিছনাকান্দি পর্যটন স্পট। ২০২০ সালের ১৮ মার্চ সিলেটের সব পর্যটন স্পট বন্ধের ঘোষণা দেন সিলেটের জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম। পরবর্তীতে একই বছরের ১ আগস্ট থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এ অবস্থায় আবারও পর্যটনকেন্দ্র বন্ধের ঘোষণা এলো। পর্যটন স্পটকে ঘিরে যাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান একদম বেকার হয়ে পড়েছেন তারা। বেকার হয়ে পড়েছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হাজারো মানুষ। শতাধিক নৌকার মাঝি-হেলপার অলস সময় পার করছেন। বেকার হয়ে পড়েছেন স্থানীয় ফটোগ্রাফার। সপ্তাহের অন্যদিনের তুলনায় শুক্রবার এবং শনিবার পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকের সংখ্যা বেশি থাকে। মূলত চাকুরিজীবীরা এই দুই দিন বন্ধের হিসেব করে ঘুরতে আসেন।
এই দুই দিন পূর্বাকাশে সূর্য ওঠার সাথে সাথেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত থাকত। কিন্তু, গত শুক্রবারের চিত্রটা একদম ভিন্ন ছিলো। পর্যটনকেন্দ্র ছিল ফাঁকা। আবার দেখা যেত পশ্চিমাকাশে সূর্যাস্তের সাথে সাথে সারি সারি গাড়ি গুলো সালুটিকর বাজার হয়ে শহরে প্রবেশ করত। স্থানীয় মানুষেরা দেখার মধ্যেই আনন্দ অনুভব করত।

সুনসান নিরবতায় পর্যটন কেন্দ্র বিছনাকান্দি
                                  

লোকমান হাফিজ, গোয়াইনঘাট : বিছনাকান্দি এই নামটি সবার সাথে পরিচিত। হরেক রঙা পাথর ছড়ানো সর্বত্র। মনে হয় যেন পাথরের বিছানা বিছানো। উঁচু উঁচু পাহাড়ের ভাঁজে সবুজের আস্তর। সেই সবুজ পাহাড়ের বুক বেয়ে নেমে এসেছে সরু ঝরনা। কলকল করছে শীতল স্বচ্ছ জলরাশি। আকাশে কখনো ঘোলা মেঘ, কখনো নীলের ছায়া। গোয়াইনঘাট বলতেই যেন পর্যটন নগরী।সাপ্তাহিক ছুটি কিংবা সরকারি ছুটির দিনে দেখা যেত পর্যটকদের ভীড়। কিন্তু বর্তমানে একদম ব্যতিক্রম। পুরো গোয়াইনঘাট জুড়ে সুনসান নিরবতা। নেই পর্যটকদের গাড়ি বহর। নেই পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের ভীড়। নেই পর্যটকদের কোলাহল। নীরব নিস্তব্ধ পাথরের জলরাশি এবং শীতল পানি স্তব্ধ হয়ে আছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে দেশে চলছে কঠোর লকডাউন। দ্বিতীয় ধাপে করোনার সংক্রমণ রোধে সিলেটের সব পর্যটন স্পট বন্ধ ঘোষণার পর পর্যটক শূন্য হয়ে পড়েছে বিছনাকান্দি পর্যটন স্পট। ২০২০ সালের ১৮ মার্চ সিলেটের সব পর্যটন স্পট বন্ধের ঘোষণা দেন সিলেটের জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম। পরবর্তীতে একই বছরের ১ আগস্ট থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এ অবস্থায় আবারও পর্যটনকেন্দ্র বন্ধের ঘোষণা এলো। পর্যটন স্পটকে ঘিরে যাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান একদম বেকার হয়ে পড়েছেন তারা। বেকার হয়ে পড়েছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হাজারো মানুষ। শতাধিক নৌকার মাঝি-হেলপার অলস সময় পার করছেন। বেকার হয়ে পড়েছেন স্থানীয় ফটোগ্রাফার। সপ্তাহের অন্যদিনের তুলনায় শুক্রবার এবং শনিবার পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকের সংখ্যা বেশি থাকে। মূলত চাকুরিজীবীরা এই দুই দিন বন্ধের হিসেব করে ঘুরতে আসেন।
এই দুই দিন পূর্বাকাশে সূর্য ওঠার সাথে সাথেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত থাকত। কিন্তু, গত শুক্রবারের চিত্রটা একদম ভিন্ন ছিলো। পর্যটনকেন্দ্র ছিল ফাঁকা। আবার দেখা যেত পশ্চিমাকাশে সূর্যাস্তের সাথে সাথে সারি সারি গাড়ি গুলো সালুটিকর বাজার হয়ে শহরে প্রবেশ করত। স্থানীয় মানুষেরা দেখার মধ্যেই আনন্দ অনুভব করত।

গোয়াইনঘাটে চলছে ধান কাটার উৎসব
                                  

লোকমান হাফিজ, গোয়াইনঘাট : সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা একটি সীমান্তবর্তী উপজেলা হওয়ায়। বর্ষার সময় আসতে না আসতেই পাহাড়ী ঢল নেমে চলে আসে বন্যা। প্রতিবছর কৃষকরা বোরো ধান কাটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন। কালবৈশাখী ঝড় বৃষ্টিতে যাতে পাকা বোরো ধান নষ্ট না করে। সেজন্য কৃষকরা পাকা ধান কাটে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। অনেক সময় ধান ভাল হলেও নির্ধারিত সময়ে কাটা না শুরু করলে ধানগুলো ঘরে তোলা যায় না। বৃষ্টির পানিতে কিংবা পাহাড়ি ঢলে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় কৃষকদের। তবে এ বছর শ্রমিক সংকট মোকাবেলায় জমির ধান সহজে কাটা, ঝাড়াই-মাড়াই ও বস্তাবন্দি করার জন্য কৃষিক্ষেত্রে সরকারের প্রণোদনার অংশ হিসেবে গোয়াইনঘাট উপজেলায় এবার ৭০ শতাংশ ভর্তুকিতে ৩০ লাখ টাকা মূল্যের কম্বাইন্ড হারভেস্টার ২০ লাখ সরকার ভর্তুকি দিয়ে ১০ লাখ টাকায় কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুলতান আলী জানান, এ বছর গোয়াইনঘাট উপজেলায় ৮ হাজার ২শ’ ২৫ হেক্টর জমিতে ইরি ও বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও চাষাবাদ হয়েছে ৯ হাজার ৭শ` ৫০ হেক্টরের মতো। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় দেড় হাজার হেক্টরের বেশি। যদি বড় ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগের কবলে না পড়তে হয় তাহলে এবার রেকর্ড পরিমাণ ধান পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহি অফিসার তাহমিলুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বাধীন সরকার কৃষি এবং কৃষকের উন্নয়নে বদ্ধপরিকর।
সরকার দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে কৃষকদের বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করছে। কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ, বিনামূল্যে সার-বীজ বিতরণ করে যাচ্ছে। শেখ হাসিনা সরকার কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার-বীজ বিতরণ করছেন। দেশের উন্নয়ন করতে হলে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে হবে। এজন্য কৃষিতে সরকার ব্যাপক ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে।

বাগাতিপাড়ায় অস্তিত্ব সংকটে শিমুল গাছ
                                  

আফরোজা ইয়াসমিন, নাটোর : নাটোরের বাগাতিপাড়ায় বিলুপ্ত হতে চলেছে প্রকৃতির সৌন্দর্যবর্ধনকারী শিমুল (তুলা) গাছ। বসন্ত এলেই প্রকৃতিপ্রেমীদের আকৃষ্ট করে থাকে শিমুল ফুল। অন্য গাছের তুলনায় শিমুল গাছ অনেক উঁচু হওয়ায় বহু দূর থেকে এ গাছটির মনোরম দৃশ্য চোখে পড়ে। কবি ও সাহিত্যিক দের কল্পনা জগতকেও আলোড়িত করে এই শিমুল গাছের সৌন্দর্য। গাছটি কেবল সৌন্দর্যই বিলায় না, শিমুল গাছে রয়েছে নানা অর্থকরী ও ঔষধি গুণ। প্রাকৃতিক ভাবে তুলা আহরণের অন্যতম অবলম্বন এ গাছের সব অংশেরই রয়েছে ভেষজগুণ। আর্য়ুবেদিক চিকিৎসায় এ গাছের বিভিন্ন অংশ ব্যবহার করে। জানা যায়, শিমুল গাছের বৈজ্ঞানিক নাম ‘বোমাবাক্স সাইবা লিন’। এটা বোমাবাকাসিয়াক পরিবারের উদ্ভিদ। বীজ ও কান্ডের মাধ্যমে এর বংশবিস্তকার হয়। রোপণের ৬-৭ বছরের মধ্যে শিমুল গাছে ফুল ফোটে। গাছটি ৮০ থেকে ১০০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে শিমুল গাছ দেড়শ’ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে। শীতের শেষে পাতা ঝরে পড়ে। বসন্তের শুরুতেই গাছে ফুল ফোটে। আর এ ফুল থেকেই হয় ফল। চৈত্র মাসের শেষের দিকে ফল পুষ্ট হয়। বৈশাখ মাসের শেষের দিকে ফলগুলো পেকে শুকিয়ে গিয়ে বাতাসে আপনা আপনিই ফল ফেটে প্রাকৃতিকভাবে বাতাসের সাথে উড়ে উড়ে দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়া বীজ থেকেই এর জন্ম হয়। অন্যান্য গাছের মতো এ গাছ কেউ শখ করে লাগায় না। প্রাকৃতিক ভাবেই এ গাছ বেড়ে ওঠে। এ গাছের প্রায় সব অংশই কাজে লাগে। এর ছাল, পাতা ও ফুল গবাদি পশুর খুব প্রিয় খাদ্য। বালিশ, লেপ ও তোষক তৈরিতে শিমুল তুলার জুড়ি নেই। অথচ বর্তমান সময়ে মানুষ এ গাছকে তুচ্ছ মনে করে অকারণে কেটে ফেরছে। অতীতে ব্যাপক হারে নির্মাণ কাজ, টুথপিকসহ নানা ধরনের প্যাকিং বাক্সে ও দিয়াশালাই তৈরি এবং ইটভাটার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হয়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় রোপণ করা হয়নি। ফলে আজ বিলুপ্তির পথে। উপজেলার পারকুঠী (গালিমপুর) গ্রামের ১২১ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নূর মুহাম্মদ সরকার জানান, আগে গ্রামে গ্রামে অনেক শিমুল গাছ ছিল। এ শিমুল ঔষধি গাছ হিসেবেও পরিচিত। গ্রামাঞ্চলের মানুষ যৌন সমস্যা,বিষফোঁড়া ও কোষ্ঠকাঠিনা নিরাময়ে এ গাছের মূল ব্যবহার করত। শিমুল গাছের চারা চাষ করে অত্র উপজেলাতে অনেকেই স্বাবলম্বি হয়েছেন। এমনি একজন চাষি ও বাগাতিপাড়া প্রতিবন্ধি স্কুলের প্রধান শিক্ষক আকরাম হোসেন বলেন, আমরা চৈত্র মাসে শিমুল গাছের তুলা সংগ্রহের পরে, বৈশাখ মাসের শেষের দিকে এর বিচি গুলো আমাদের জমিতে রোপন করি।

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে কোটি টাকার মধু সংগ্রহ
                                  

দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে মৌচাষিরা ১৩ লিচু বাগানে বাক্স বসিয়ে ৪০ টন মধু সংগ্রহ করেছে। যার বাজার মূল্য এক কোটি ২০ লাখ টাকা। লিচু বাগানে মৌচাষ করে মৌচাষিরা যেমন মধু চাষ করে লাভবান হচ্ছেন অপরদিকে মৌমাছির মাধ্যমে মুকুলে মুকুলে পরাগায়ন ঘটায় লিচুর ফলন ২৫ ভাগ বেশী আশা করছেন কৃষকরা। লিচু বাগানে প্রতি বছর খরচ করতে হয় না এবং অল্প পরিচর্যায় মোটা অঙ্কের অর্থ আয় হয় বলে অনেকেই লিচুর বাগান করেছেন। চলতি বছরে চিরিরবন্দর উপজেলায় পাঁচশ’ ১০ হেক্টর জমিতে লিচুর চাষ করা হয়েছে। বর্তমানে লিচুর বাগানগুলো মুকুলে ছেয়ে গেছে। উপজেলার পুনট্টি ও ভিয়াইল ইউনিয়নে লিচু বাগানগুলোতে ব্যাপক মুকুল এসেছে। বাগান মালিক হানিফ খান ও আরিফ হোসেনের বাগান গুলোতে প্রায় দুই শতাধিক লিচু গাছ থাকায় টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন জেলা হতে মৌচাষিরা ১৩টি বাগানে একশ’ থেকে দেড়শটি করে ছোট বড় বিভিন্ন আকৃতির মৌমাছির বাক্স বসিয়ে বৈজ্ঞানিক উপায়ে মধু সংগ্রহ করছেন। মৌচাষি দুলাল হোসেন তালুকদার জানান, বৈজ্ঞানিক উপায়ে উদ্ভাবিত মৌচাষ পদ্ধতি ব্যবহার করছেন তারা। বাগানে তারা দুই শতাধিকের বেশি ব্রড ও নিউক্লিয়াস নামের ছোট বড় কাঠের বাক্স স্থাপন করেছেন। প্রতিটি বাক্সে একটি রাণী মৌমাছি, একটি পুরুষ মৌমাছি ও অসংখ্য এপিচ মেইলিফ্রা জাতের কর্মী মৌমাছি রয়েছে। কর্মী মৌমাছিরা মৌ মৌ গন্ধে ঝাঁকে ঝাঁকে ছুটে যায় লিচুর মুকুলে।পরে মুকুল হতে মধু সংগ্রহ করে মৌমাছির দল নিজ নিজ কলোনিতে মৌচাকে এনে জমা করে। ১০ হতে ১৫ দিন অন্তর অন্তর প্রতিটি বাক্স হতে চাষিরা ৫ হতে ৬ মণ মধু সংগ্রহ করে থাকে। যে লিচু গাছে মৌমাছির আগমন বেশি হয় সে গাছের মুকুলে পরাগায়ন ভালো হয়। ফলে ওই গাছে বা বাগানে লিচুর যেমন বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা থাকে তেমনি মৌচাষিরা বেশি মধু সংগ্রহ করে বাণিজ্যিকভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারেন। বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন বাগান থেকে মৌচাষিরা প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ মণ মধু সংগ্রহ করে বাজারজাত করছে। উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মাহমুদুল হাসান জানান, চলতি বছর প্রতিটি লিচু বাগানে ভালো মুকুল এসেছে। আর এ কারণে প্রচুর মৌমাছির আগমন দেখা দিয়েছে। লিচু গাছ থেকে মৌমাছি মধু আহরণের ফলে বেশী পরাগায়ন ঘটে থাকে। ফলে শতকরা ২৫ ভাগ লিচুর ফলন বেশি হয়। তাছাড়া বর্তমানে মৌচাষিদের দ্বারা উৎপাদিত মধু দেশের অর্থনীতিতে সহায়ক ভূমিকা রাখার ফলে মৌচাষিদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

খাগড়াছড়িতে তৈরি কোটি টাকার খাট
                                  

আলমগীর হোসেন, খাগড়াছড়ি : চার পায়ায় চারটি বড় পরী। চার পরীর হাতে উড়ছে চার প্রজাপতি। আর খাটের চার কোণে চারটি মাঝারি আকারের পরী এবং দুই পাশের ঝলমে চারটি করে আটটি ছোট্ট আকারের পরী। পরী আর প্রজাপতি ছাড়াও নানা রকমের নকশায় তৈরি করা হয়েছে ‘পরী পালং খাট’। সেগুন কাঠের তৈরি এ খাটটি বানিয়েছেন খাগড়াছড়ির গুইমারার স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. নুরুন্নবী। নান্দনিকতার ছোঁয়ায় তিন বছর দুই মাসে খাটটি পরিপূর্ণ করে তোলেন আবু বক্কর ছিদ্দিক ওরফে কাঞ্চন মিস্ত্রী। প্রায় ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে তৈরি করা এ খাটের কোনো নকশা বা ক্যাটালগ ছিল না। নিজের মনের আবেগ আর ভালোবাসায় খাটটির নকশা তৈরি করেছেন কাঞ্চন মিস্ত্রী। খাটটি তৈরি করতে স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী মো. নুরুন্নবীর কাছ থেকে সাড়ে নয় লাখ টাকা মজুরি নিয়েছেন তিনি। ‘পরী পালং খাট’ তৈরির বিষয়টি এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। খাটটি দেখতে প্রতিদিনই নানা বয়সী মানুষ ভিড় করছেন নুরুন্নবীর বাড়িতে। এছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আসছেন অনেকে। কথা হয় খাগড়াছড়ি থেকে আসা ব্যবসায়ী মো. আব্দুল গফুরের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘খাটটির কথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জেনেই শখের বসে দেখতে এসেছি। এমন খাট জীবনে প্রথম দেখলাম।’ খাটটি তৈরি করতে যে পরিমাণ অর্থ ও শ্রম গেছে তা অবিশ্বাস্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একজন সৌখিন মানুষের পক্ষেই এটা তৈরি করা সম্ভব।’ মাটিরাঙ্গার বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘এ খাট রুচিবোধের বহিঃপ্রকাশ। শুধু অর্থ থাকলেই এমন একটি নান্দনিক খাট তৈরি সম্ভব নয়। গুইমারা ইউনিয়ন পরিষদের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘ফার্নিচার মিস্ত্রি আবু বক্কর ছিদ্দিক যা করেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এ খাট তৈরিতে অর্থ বিনিয়োগ করার মাধ্যমে মো. নুরুন্নবী তার সুন্দর মনের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন বলেন, ‘পরী পালং খাট’ গুইমারাকে দেশবাসীর কাছে নতুন করে পরিচিত করে তুলেছে। কাঞ্চন মিস্ত্রীর এমন প্রতিভা আছে এই খাট না দেখলে জানা হতো না। তার এই কাজ মানুষকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। গুইমারার মুসলিমপাড়ার বাসিন্দা ফার্নিচার মিস্ত্রী কাঞ্চন ২০১৭ সালের দিকে নুরুন্নবীর ইচ্ছায় খাটটি তৈরির কাজ শুরু করেন। তিন বছর দুই মাস পরিশ্রমের পর খাটি তৈরির কাজ শেষ করেন।
চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া ফার্নিচার মিস্ত্রী আবু বক্কর ছিদ্দিক ওরফে কাঞ্চন মিস্ত্রী ১৪ বছর বয়সে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় একটি ফার্নিচার দোকানের সহকারী হিসেবে এ পেশায় কাজ শুরু করেন। চার বছরের মাথায় নিজেই মিস্ত্রী হয়ে যান। পরে তিনি ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাঙামাটিতে বিভিন্ন ফার্নিচার দোকানে কাজ করেন। সর্বশেষ কুষ্টিয়ার একটি ফার্নিচার দোকানে কাজ শেষে নিজের জন্মভূমি খাগড়াছড়ির গুইমারা বাজারে কাজ শুরু করেন। কাঞ্চন মিস্ত্রি জানান, খাটটি তৈরিতে প্রায় একশ ফুট কাঠ লেগেছে। এ খাটের নকশা তৈরি থেকে শুরু করে তিনি একাই সব কাজ করেছেন। তার কোনো সহযোগী ছিল না। তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল নিজের মনের মতো করে একটি খাট তৈরি করার। কিন্তু সাধ আর সাধ্যের মধ্যে বিস্তর ফারাক ছিল। একসময় তার স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে আসেন সৌখিন মানুষ মো. নুরুন্নবী। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতা নুরন্নবী জানান, ব্যতিক্রমী কিছু করার অভিপ্রায় থেকেই কাঞ্চন মিস্ত্রিকে দিয়ে একটি ভিন্ন মাত্রার খাট তৈরির পরিকল্পনা করেন সৌখিন ব্যবসায়ী মো. নুরুন্নবী। কথাবার্তা চূড়ান্ত হওয়ার পর বিভিন্ন স্থানে কাঠ সংগ্রহ শুরু করেন তিনি। কাজ শুরু করার তিন বছর দুই মাস পর তার স্বপ্নের পূর্ণতা লাভ করে।

পাখিদের রক্ষায় গাছে গাছে কৃত্রিম হাড়ি স্থাপন
                                  

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : জীববৈচিত্র্য ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে পাখি। আগে গ্রামে গ্রামে হরহামেশাই দেখা মিলত নানা প্রজাতির পাখি। কালের আবর্তে এসব পাখপাখালি এখন হারিয়ে গেছে। নিরাপদ আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় খাদ্যের অভাবে পাখির সংখ্যা দিন দিন কমছে। পাখিদেরও রয়েছে অধিকার। তাদেরকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য আমাদের উচিত তাদের বসবাসের জন্য উপযুক্ত বাসস্থানের ব্যবস্থা করা। পাখির নিরাপদ বিচরণ নিশ্চিত, পাখি নিধন রোধ ও পাখির প্রতি ভালোবাসায় গাছে গাছে বাঁশের তৈরি কৃত্রিম হাঁড়ি বেঁধে পাখির অভয়াশ্রম গড়ে তুলেছে মানুষের জন্য কুষ্টিয়া এবং কুষ্টিয়া বার্ড ক্লাব। দীর্ঘ ১৬ বছর নিজেদের অর্থ খরচ করে তারা গাছে গাছে বাঁশের তৈরি কৃত্রিম হাড়ি বেঁধে পাখির অভয়াশ্রম গড়ে তুলেছে সংগঠন দুটি। গতকাল শুক্রবার সকালে শহরের রেনউইক বাঁধে ১০০ টি গাছে বাঁশের তৈরি কৃত্রিম হাড়ি বেঁধে দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মানুষ মানুষের জন্য কুষ্টিয়ার পরিচালক শাহাবউদ্দিন মিলন, কুষ্টিয়া বার্ড ক্লাবের সভাপতি পাখি গবেষক এস আই সোহেল, সঙ্গীত শিল্পী কুশল, মানুষ মানুষের জন্য কুষ্টিয়ার সদস্য ও কুষ্টিয়া বার্ড ক্লাবের প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক নাব্বির আল নাফিজ, এসময় বক্তারা বলেন, পাখিদের মুক্তভাবে বাঁচার জন্য পুকুর ভরাট, গাছ নিধন, শিকার বন্ধ করার ওপর জোর দিয়েছেন প্রাণী বিশেষজ্ঞরা।পাখিদের মুক্তভাবে বাঁচার জন্য পুকুর ভরাট, গাছ নিধন, শিকার বন্ধ করার ওপর জোর দিয়েছেন প্রাণী বিশেষজ্ঞরা।আমাদের দেশে বড় বড় গাছের সংখ্যা কোমতি হওয়াতে পাখিরা বাসা বাঁধার স্থান পাচ্ছে না, এ সময় পাখিদের বাসা বাচ্চা দেওয়ার সময় কিন্তু বড় বড় গাছ না থাকাতে ওরা দিশেহারা তাইতো প্রকৃতির সন্তানদেরকে বাঁচাতে রক্ষা করতে আমাদের পাখির বাসা বাঁধা শুরু হয়েছে, আমরা সৃষ্টিকর্তার পরিবারদের কে রক্ষা করব। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জয়নুল আবেদীন মুরাদ, এ এইচ এম বিল্লা বাপ্পা, নুরুল হাসান,শরীফ আহমেদ, কল্লোল আলম, তাহেরুল খালেক, মীর কুশল, সিরাজ খালাসী, আরিফ আহমেদ, আকাশ, গাছি রুহুল আমিন প্রমুখ।

রাণীশংকৈলে যত্রতত্র অবস্থায় ঐতিহ্যবাহী শিব মন্দির
                                  

রাণীশংকৈল প্রতিনিধি : রক্ষনাবেক্ষন আর অবহেলায় ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার প্রাচীন গোরাক্ষনাথ আশ্রম ও দুর্গা ও শিব মন্দির। দায়িত্বে থাকা লোকজনের অবহেলার কারণে মন্দিরটির ভিতরে এখন গরু-ছাগলের অবাধ বিচরণ। সপ্তাহব্যাপী আয়োজিত মেলার সময় কদর বাড়ে মন্দিরটির। অন্য সময়ে খোঁজ খবর রাখেন না উপজেলা প্রশাসনের লোকজন কিংবা মন্দির পরিচালনা কমিটির কেউই। স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে দেখছি এখানে মেলা হয়, তবে গোরক্ষরাথ মন্দিরের তেমন উন্নয়ন হয় না। এবছরে ১১ মার্চ মেলা শুরু হয়ে ১৬ মার্চ শেষ হয়েছে। এবারে কোভিড-১৯ এর কারণে মেলা খুব স্বল্প করে আয়োজন হলেও মেলায় বিভিন্ন জেলার মানুষের ঢল নেমেছিল। উপজেলা শহর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দুরে নেকমরদ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে গোরকই গ্রামে অবস্থিত এ প্রাচীন মন্দিরটি। মন্দিরটির নির্মাণ কবে হয়েছিল এবং মন্দিরটির আসল মালিকানা সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা নেই কারোই। “তবে মন্দিরের গেটে লেখা বর্ণনায় দেখা গেছে, গুপ্ত যুগ থেকে সেন যুগের মধ্যেই কুপ ও মন্দির নির্মিত হয়েছিল এবং নাথ সহজিয়া মতের গুরু গোরাকই নাথের নামানুসারে কুপ ও ¯’ানের নাম হয়েছে গোরকই।
গরকই ফকিরি স্নান বা বারুনীর মেলা হিসেবে আজও সমান ভাবে সমাদৃত। এতদ্ব অঞ্চলের মানুষের কাছে এটি একটি তীর্থ ¯’াণ। ফাল্গুনের শিব চতুর্দশী তিথীতে পূণ্য স্নানের জন্য আগমন ঘটে অসংখ্য পূণ্যার্থীর। স্থানীয়দের সাথে বলে জানা গেছে, ভারত থেকে আসা গোরাক্ষনাথ নামে এক ঠাকুর এই এলাকায় বসবাস করছিলেন। তার নামানুসারে গ্রামের ও মন্দিরের নামকরণ হয় গোরকই। তবে মন্দিরের দেখাশুনা গোরাক্ষনাথ ঠাকুর করলেও মন্দির তিনিই নির্মাণ করেন নি, রাতারাতি দেবতারা পাথর দিয়ে মন্দিরটি নির্মাণ করেন বলে স্থানীয়দের ধারণা। যদিও এ তথ্যগুলোর সঠিক দলিলাদি নেই।

তালা উপজেলার গ্রামগঞ্জ থেকে হারিকেন বিলুপ্ত
                                  

পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : তালা উপজেলার গ্রাম-গঞ্জ থেকে প্রাণের হারিকেন বিলুপ্ত। বর্তমান হারিকেন আর দেখা যায় না। এক সময় পল্লী গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে হারিকেনের ব্যাপক প্রচলন ছিল। প্রতিটি বাড়ির গৃহ বধুরা সন্ধ্যা হওয়ার পূর্বে হারিকেনের চিমনির কালি, ময়লা সুন্দর করে পরিষ্কার করে এক ইঞ্চি চওড়া ও হাফ ফুট লম্বা লেপতি (পলতি) এবং ট্যাংকে কেরোসিন ভরে জ্বালিয়ে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে শ্বশুর শ্বাশুড়ির নিকট দিত হারিকেন। শ্বশুর শ্বাশুড়ি মাগরিবের নামাজ আদায় করত। আবার ছেলে মেয়েরা বই, কুরআন শরীফ পাঠ করত। ল্যাম্প-এর আলোর জ্যোতি কম হতে। তাছাড়া বাতাসে নিভে গিয়ে হয়ে যেত অন্ধকার। তাই হারিকেনের তুলনা ছিলনা। তাই হারিকেনের প্রচলন ছিল অনেক বেশি। গ্রামের পর গ্রাম খোঁজ খবর নিয়ে দেখা যায় কোনো বাড়িতে আর হারিকেন নজরে পড়ে না। তবে এখানে একটা কথা আছে, যুগের সাথে দেশ এখন উন্নতির দিতে অনেক এগিয়ে। তাছাড়া ডিজিটাল বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী দেশে শতভাগ বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পন্নতা অর্জন করেছে। বিদ্যুতে আমাদের কোনো ঘাটতি নেই। তাই তালা উপজেলার গ্রাম গঞ্জ থেকে হারিকেন এখন আর দেখা যায় না।

মির্জাগঞ্জে দেখা মিললো বিলুপ্তপ্রায় পলাশ গাছের
                                  

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : এক সময়ের সকলের চিরচেনা ও পরিচিত পলাশ গাছ ও পলাশ ফুল এখন অত্বিত্ব সংকটে। শুধু পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জেই নয় দেশের কোথাও এখন পলাশ গাছ খুঁজে পাওয়া দুস্কর।
এক সময়ে বন জঙ্গলের দিকে তাকালেই দেখা মিলত চির পরিচিত পলাশ গাছ ও ফুলের। লাল টকটকে অগ্নিধারন করে দাড়িয়ে ছিল বন জুঁড়ে। তাই তো পলাশকে বলা হতো বনের অগ্নিশিখা। পুরনো গাছ সংরক্ষণ ও পরিচর্যা না করা এবং নতুন করে গাছ লাগানোর উদ্যোগ না নেওয়ায় এ গাছটি এখন বিলুপ্তির পথে। উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের কপালভেড়া গ্রামে থানার প্রধান ফটকের সামনে রাস্তার পাশের জমির উপর লাল শাড়ী পড়ে দাড়িয়ে আছে রিবাট বড় একটি পলাশ গাছ । গাছটিতে ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে। গাছটি অনেক দিনে পুরানো। জানা যায়, পলাশ বসন্তের প্রতীক। রঙভরা বসন্তে পলাশের বিশাল দখলদারিত্ব। পলাশ ফুটলেই বোঝা যায় ফাগুন এসেছে। টিয়া পাখির ঠোঁটের সঙ্গে পলাশ ফুলের দারুন মিল। সে জন্যই বুঝি পলাশ গাছে বসে টিয়া পাখীর মেলা। আর একই কারণে পলাশের প্রচলিত ইংরেজি নাম প্যারোট ট্রি। আবার পলাশ দেখতে অনেকটা বক ফুলের মতো কিন্তু ফুলে গন্ধ নেই। পলাশ মাঝারি আকারের পর্ণমোচী বৃক্ষ। শীত আসলেই এ গাছের পাতা ঝরে যায়। বসন্তে গাছ ফুলে ফুলে ভরে ওঠে। পলাশ এর ফুল দুই প্রকার এক প্রকার পলাশ ফুলের রং আগুনের মতো লাল। আবার হলুদ ও লালচে কমলা রংয়ের। পলাশ গাছের বাকল ধূসর। শাখা-প্রশাখা আঁকাবাঁকা। নতুন পাতা রেশমের মতো সূক্ষ্ম। গাঢ় সবুজ পাতা ত্রিপত্রী। হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেকের মত পলাশের গাঢ় সবুজ ত্রিপত্রী হিন্দু দেবতা ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরের প্রতীক। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কেউ কেউ মনে করেন পলাশ গাছের নিচে ভগবান গৌতম বুদ্ধের জন্ম হয়েছিল। সংস্কৃতিতে পলাশ হচ্ছে কিংসুক। বাংলা ও হিন্দি নাম পলাশ। মণিপুরি ভাষায় পলাশ হচ্ছে পাঙ গোঙ। আদি নিবাস ভারত উপমহাদেশ। বিলুপ্ত প্রায় এ পলাশ গাছের
মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাডভোকেট মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, প্রতিবছর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় অন্যান্য গাছের সাথে পলাশ গাছের চারাও রোপণ করা উচিৎ। এ গাছ রক্ষায় এখনই ব্যবস্থা না নিলে এক সময় পরিবেশের সৌন্দর্য বর্ধনকারী এ গাছটি হারিয়ে যাবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো জানতেও পারবে না বাংলাদেশে পলাশ নামের কোন গাছ ছিল।

বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে ঝালকাঠির শঙ্খশিল্প
                                  

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : কালের বিবর্তণে হারিয়ে যাচ্ছে ঝালকাঠির শঙ্খশিল্প। এক সময় ঝালকাঠি শহরে অনেক শাখা শঙ্খের দোকান ছিলো। এখন মাত্র ৪টি দোকান রয়েছে। শঙ্খ শিল্পের কারিগররা পেশা পরিবর্তন করে চলে যাচ্ছেন অন্য পেশায়। কাচাঁমালের মূল্যবৃদ্ধি ও ভ্যাট দিয়ে তাদের যা আয় হয় তা দিয়ে সংসার চলে না।
সংশ্লিষ্টদের আশংকা এ অবস্থা চলতে থাকলে অচিরেই সম্ভবনাময় এই শিল্প বিলীন হবে ঝালকাঠি থেকে। তবে বিসিক কর্তৃপক্ষ বলছেন, তারা যদি ঋণ নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে চায় তাহলে তাদেরকে সহযোগিতা করা হবে। এক সময় শঙ্খশিল্পের জমজমাট বাজার ছিলো ঝালকাঠি শহরে। ২২ টি শঙ্খ বনিক পরিবারের মালিকানাধীন দোকান ছিলো ২০/২৫টি। জেলার বাইরে থেকেও অনেকে আসতেন এখানে শাঁখার তৈরী বিভিন্ন অলংকার কিনতে। কিন্তু সে অবস্থা এখন আর নেই। শঙ্খ শিল্পের সাথে জড়িত রয়েছে মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি পরিবার। বাকি পরিবারের সদস্যরা অন্যন্য পেশায় চলে গেছে। কালের বিবর্তণে হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহি এ পেশা। ঝালকাঠি শহরে এখন মাত্র ৪টি শঙ্খের দোকান রয়েছে। শঙ্খ শিল্পের কারিগররা জানান, আগে শ্রীলংকা থেকে তাদের কাচামাল আসতো, এখন আসে ভারত থেকে। এ কারণে ভ্যাট মিলিয়ে তাদের কাঁচামাল সংগ্রহের খরচ বেড়ে যায়। এছাড়া তারা কোনো ঋণও পাচ্ছেন না। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতাকারী প্রতিষ্ঠান বিসিকের সাথেও তাদের কোনো যোগাযোগ নেই। যদিও বিসিক কর্তৃপক্ষ বলছেন শঙ্খ শিল্পিরা তাদের প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধিত নয়। তবে তারা ইচ্ছে করলে নিবন্ধিত হয়ে ঋণ চাইতে পারেন। কারিগররা জানান, প্রতি জোড়া শাখার চুরি তারা ৩শ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা পযর্ন্ত বিক্রি করেন। স্বর্ণের প্রলেপ দিয়ে যেটা ডিজাইন করা হয় সেটির মূল্য নেন ১৫শ থেকে ২ হাজার টাকা। তাদের সংগ্রহ করা ১ কেজি কাঁচামালের দাম পড়ে ২৫০ টাকা। এছাড়া ডিজাইন করা কাঁচামালের মূল্য প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা। কাঁচামালের দাম বেশী হওয়ায় তারা লাভ করতে পারছেন না। তবে এ পেশার সাথে জড়িতরা মনে করেন, তারা যদি কম মূল্যে কাঁচামাল সংগ্রহ করতে পারেন এবং সহজ শর্তে ব্যাংক বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের ঋণ পান, তাহলে তারা আবারো ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন। ঝালকাঠি বিসিক উপ-ব্যবস্থাপক মো: শাফাউল করিম বলেন, শঙ্খ শিল্পিরা ঋণ চাইলে এক্ষেত্রে তাদের সহযোগিতা করা হবে।

দেওয়ানগঞ্জে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা
                                  

দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধি : গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের ফারাজি পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে শনিবার বিকালে মরহুম সুরুজ্জামান দুদু চেয়ারম্যান স্মৃতি ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত ফাইনাল খেলায় বিজয়ী হয় মাদারগঞ্জের মেয়ে রুপালী আক্তার। উক্ত খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরুষ্কার বিতরণ করেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সোলায়মান হোসেন। আরো উপস্থিত ছিলেন, চিকাজানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোমতাজ উদ্দিন মুনতা, বাহাদুরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাকিরুজ্জামান রাখাল, দেওয়ানগঞ্জ পৌর কাউন্সিলর মামুন উর রশিদ, চিকাজানি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আযহারুল ইসলাম আকা ও সাধারণ সম্পাদক আক্কাস আলি, সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা পলাস, ইউপি মেম্বার ছালাম মিয়া, সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা, হাজার হাজার উৎসক জনগন খেলা।

কুমিল্লায় পলো দিয়ে মাছ শিকার
                                  

কুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লা দক্ষিণাঞ্চলের লাকসাম, বরুড়া, লালমাই, নাঙ্গলকোট ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা জুড়ে হারিয়ে যাচ্ছে সৌখিন মৎস্য শিকারীদের পলো দিয়ে মাছ শিকার। অতীতের মতো শীতের শেষ দিকে খাল-বিল-নদীতে পানি কমে গেলে দল বেঁধে গ্রামীন ঐতিহ্য পলো নিয়ে মাছ শিকারের দৃশ্য এখন আর চোখে পড়ে না। মাঝে মধ্যে কয়েকজন সৌখিন শিকারীকে পলো দিয়ে মাছ ধরতে দেখা যায়। অনেকে প্রাইভেট কার কিংবা মাইক্রো বাস হাঁকিয়ে লাকসাম ও মনোহরগঞ্জের জলাঞ্চলে খাল-বিল ও ডাকাতিয়া নদীতে মাছ শিকার করতে আসলে ওই সময় এলাকায় উৎসব মুখর হয়ে ওঠে পরিবেশ। স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, এ ৫টি উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ডাকাতিয়া নদীসহ সংযোগ খাল ও পার্শ্ববর্তী বিলগুলো এখন প্রায় পানিশূন্যের পথে। দেশীয় প্রজাতির মাছ নেই বললেই চলে। তারপরও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা মাছ শিকারীরা পলো দিয়ে এসব এলাকার নদী-খাল-বিলে মাছ ধরায় নেমে পড়েন। লাকসামের ডাকাতিয়া নদী, চাইলতাতলী খাল, ফতেপুর-গাজিমুড়া খাল, চিলোনিয়া-বিপুলাসার খাল, শ্রীয়াং-মুদাফরগঞ্জ কার্জন খাল, বাইপাস-নরপাটি খাল, ফতেপুর-নাঙ্গলকোট খাল এবং মনোহরগঞ্জের মেল্লা খাল, ঘাগৈর খাল, দাঁড়াচো খাল, লৎসর-লক্ষণপুর খালসহ ডাকাতিয়ার সাথে সংযুক্ত শাখা খালে এখন চলছে পলোসহ নানাহ সরঞ্জাম দিয়ে মাছ ধরতে দেখা গুটি কতেক সৌখিন শিকারীকে। এ অঞ্চলে এক সময় শত শত লোকের মাছ শিকারকালে সমগ্র এলাকা উৎসব মুখর হয়ে উঠলেও তা আজ যেন শুধুই অতীত স্মৃতি। মনোহরগঞ্জের সৌখিন মাছ শিকারী আবু জাহেদ, আবুল কালাম, আব্দুস ছাত্তার ও জামাল হোসেন জানান, বিগত ১০/১৫ বছর আগে এ অঞ্চলে মাইকিং করে বিভিন্ন স্থানে পলো দিয়ে মাছ শিকার করা হতো। নদী ও খালের দু’পাড়ে ভোর না হতেই হরেক রকম পণ্যের মেলা বসতো। আনন্দ-উল্লাসের মাধ্যমে হৈ-হুল্লোল ঝাঁকে ঝাঁকে পলো দিয়ে মাছ ধরতো যুব-বৃদ্ধসহ নানা বয়সের মানুষ। এ সুযোগে ছোট ছোট ছেলে-মেয়েসহ স্থানীয় মৎস্যজীবীরাও নেমে পড়তো মাছ ধরতে। নদী ও খালে হাঁটু পানি, কোথাও গলা পানি। মাইলের পর মাইল নদী-খালে হাজার হাজার মানুষ পলোসহ অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে নামতো মাছ শিকারে। এখন আর ওইসব দেখা যায় না। তবে কিছু কিছু লোক এখনো অতীত ঐতিহ্য ধরে রেখেছে।
লাকসাম পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলের মাছ শিকারী তসলিম হোসেন, মিনার মাহমুদ, রাসেল আহমেদ ও আলী আক্কাছ জানায়, এখন আর আগের মতো দেশীয় প্রজাতির মাছ পাওয়া যায় না। পর্যাপ্ত পানি না থাকায় নদী-খালে মাছ নেই। আগে দেশীয় মাছের মধ্যে বোয়াল, শৈল, গজার, আইড়, রুই, কাতল, চিতলসহ হরেক রকমের মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু এখন ওইসব মাছ প্রায় বিলীন হয়ে গেছে। গত সপ্তাহে ডাকাতিয়া নদীতে হামিরাবাগ এলাকায় সারাদিন মাছ ধরতে গিয়ে একটা মাছও পাইনি। সদর দক্ষিণ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সৌখিন মাছ শিকারী আরব আলী, আমির হোসেন, কোরবান আলী ও আবদুস সামাদ জানায়, এ অঞ্চলের নদী-খালের মিঠা পানিতে সুস্বাদু মাছ ধরতে আগে আমরা বন্ধুরা মিলে কয়েক গ্রুপে মাছ ধরতাম। বর্তমানে মাছ তেমন না থাকায় এখন আর কেউ আসতে চায় না। বিগত ৮/১০ বছর আগে এ এলাকার নদী ও খালে সকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন পেশার লোকজন শখ করে পলোসহ অন্যান্য সরঞ্জাম দিয়ে মাছ ধরতো। এ সময় তারা বাড়ি থেকে আনা খাবার খেতো নদীর পাড়ে বসেই। সারাদিন পলো দিয়ে ধরা হরেক রকমের মাছ পলোর ভিতরে কলাপাতা দিয়ে বেঁধে বিভিন্ন যানবাহনে দলে দলে বাড়ি ফিরতো শিকারীরা। এ দিকে ৫ উপজেলার স্থানীয় জেলে সুধীর, বিপ্লব দাশ, মইন, আশ্রাফ হোসেন, নিখিল ও রবীন্দ্র জানায়, মেল্লা খালসহ ডাকাতিয়া নদীতে প্রতি বছর অনেক দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসতো পলো নিয়ে। তারা সাইকেল, রিক্সা, প্রাইভেট কার, মাইক্রোসহ বিভিন্ন যানবাহনে পলো বেঁধে নিয়ে আসতো। আবার কেউ আগের দিন এসে থাকতো নদী বা খালের পাড়ে তাঁবু গেড়ে কিংবা আশে পাশের আত্মীয়-স্বজনদের বাড়ীতে। সকাল হলেই এ সময় উৎসব মুখর হয়ে উঠতো এলাকার পরিবেশ কিন্তু এখন তা অনেকটাই অতীত। লাকসাম উপজেলা জলাঞ্চলের বেশক’টি গ্রামের বাসিন্দা আক্রাম আলী, মামুন মিয়া, সুলতান মাহমুদ, সিরাজুল ইসলাম ও আলী আজগর জানায়, গত শুক্রবার সকালে ডাকাতিয়া নদীসহ সংযোগ কয়েকটি খালে পলোসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে কয়েকটি ভাগ হয়ে সৌখিন মাছ শিকারী নামছিলো। সব মিলিয়ে এতে শ’তিনেক লোক অংশ নেয়। অনেকক্ষণ পলো মারার পর মাছ না পেয়ে অনেকেই হতাশ। অথচ কালের আর্বত্তে এখন আর সকল ঐতিহ্যের সাথে দেশীয় মাছ ধরার বাহন পলোও দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।

পৈত্রিক পেশা ঘোড়া দিয়ে ঘানি ভাঙা
                                  

মো. আব্দুল হান্নান,নাসিরনগর, (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) : জেলার নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের রানিয়াচং গ্রামের ছিপত আলীর ছেলে তিন সন্তানের জনক মো. মফিজ মিয়া,শত অভাব অনটনের মাঝেও ধরে রেখেছেন বাপ দাদা চার পুরুষের পৈত্রিক পেশা ঘোড়া দিয়ে ঘানি ভাঙা। সরেজমিন এলাকায় গিয়ে দেখে গেছে তার বাড়িতে রয়েছে দুইটি ঘানি। আর ঘানি টানতে রয়েছে দুইটি ঘোড়া। মফিজ জানায়, একটি তার শ্বশুরের দেয়া। প্রতিদিন দুইটি ঘানিতে ভাঙানো হয় ৫০ কেজি সরিষা। আর প্রতি লিটার খাঁটি সরিষার তেল বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা ধরে। তবে সরিষার দামের উপর তেলের মূল্য কম বেশি হয় বলেও জানান তিনি। মফিজ জানান,তার পরিবারে তিন সন্তান, স্ত্রী ও বাবা সহ ছয়জন সদস্য রয়েছে। এই ঘানি ভাঙ্গার তেল বিক্রি করে সামান্য আয় দিয়ে অতি কষ্ঠে অভাব অনটনের মাঝে চলে তার সংসার। পুঁজির অভাবে ক্রয় করতে পারেনি সরিষা। অভাবের সংসারে ছেলে মেয়েদের পড়াতে পাড়ছে না স্কুলে। তাই মফিজ ও তার পরিবারের লোকজন সরকারী সাহায্য সহযোগিতা কামনা করছে। কথায় হয়. আধা কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কাহেতুরা গ্রাম থেকে তেল ক্রয় করতে আসা ফিরোজ মিয়ার সাথে। তিনি বলেন, বাজারে ভাল তেল পাওয়া যায়নি। তাই এতদুর থেকে পায়ে হেটে এসে ঘানি ভাঙ্গা সরিষার তেল নিয়ে ব্যবহার করি। ফিরোজ মিয়া আরো জানান, মফিজ মিয়ার সরিষার তেল শতভাগ গুণগত মান সম্পন্ন ও শতভাগ খাঁটি সরিষার তেল হওয়ায় প্রতি দিন উপজেলার বাহিরে জেলার সদর ও রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত চলে যাচ্ছে।

বিদেশি পর্যটক আকৃষ্টে পতেঙ্গায় হচ্ছে বিশ্বমানের ট্যুরিস্ট জোন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বিশ্বমানের ট্যুরিস্ট জোন করতে চায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। যাতে, থাকবে বিনোদনের আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা। ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রিক্রিয়েশন জোনের দুই প্রান্তে থাকবে বিশেষায়িত সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে স্পেশাল জোন। যাতে প্রবেশেও থাকবে বিশেষ চার্জ। এর মাধ্যমে দেশী বিদেশী পর্যটকদের কাছে পতেঙ্গাকে আরো আকর্ষণীয় করে উপস্থাপনের কথা বলছে সিডিএ। চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। যেখানে ছুটির দিনতো বটেই, প্রতি বিকেলেই ঢল নামে নানা বয়সী মানুষের। তবে যথাযথ পরিকল্পনার অভাবে এই সমুদ্র সৈকতে বিনোদনের তেমন ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। ফলে, তেমন টানেনা চট্টগ্রামের বাইরের পর্যটকদের। এমন বাস্তবতায় পতেঙ্গা সৈকতসহ আশপাশের ছয় কিলোমিটার অংশকে ঘিরে বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সিডিএ। যেখানে হবে পরিকল্পিত পর্যটন কেন্দ্র। যার দুই প্রান্তে থাকবে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন সুবিধাসহ বিশেষ ট্যুরিস্ট জোন। যাতে প্রবেশে থাকবে ফি। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বোর্ড সদস্য স্থপতি আশিক ইমরান বলছেন, এখানে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য নির্মাণ করা হবে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন। থাকবে কনফারেন্স রুম, সিনেপ্লেক্সসহ পর্যটনবান্ধব নানা উপকরণ। তবে, নগরবিদ প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন মজুমদারের মতে, সমুদ্র সৈকতের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্থানে প্রবেশ ফি ধার্য করা উচিত হবেনা।
আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে এই ট্যুরিস্ট জোন বাস্তবায়নের কথা বলছে সিডিএ।

নবীনগরে বিলুপ্তির পথে বাঁশশিল্প
                                  

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাঁশ শিল্প আজ বিলুপ্তির পথে। এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত পরিবার গুলো এখন নিঃস্ব প্রায়। উপজেলার ইব্রাহিমপুর, জিনোদপুর, বাঙ্গরা, কড়ুইবাড়ি, নারায়ণপুুর, শ্রীরামপুর, বিদ্যাকুট কৃষ্ণনগর, শিবপুর ,কাইতলা, শ্রীরঘর এ সব গ্রামের লোকজন বাঁশজাত শিল্পের সঙ্গে জড়িত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছে। প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে, বাঁশের মূল্য বেড়ে যাওয়াতে তারা এই শিল্পকে আকরে ধরে রাখতে পারছে না। এলাকার বাঁশজাত কুটির শিল্পের মধ্যে ডালা, চালুন, ঝুড়ি, হাড়ি, ধাড়ি, চাটি, কুলা,জুকনি, কাপাইর, মোড়া প্রভৃতি বিশেষ ভাবে পরিচিত । জ্বালানি হিসেবে উপজেলার ইউনিয়ন গুলোতে বছরের-পর-বছর বাসের ব্যবহারের ফলে বাসেরে সংকট দেখা দিয়েছে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে অনেকেই বাঁশঝার কেটে বাসস্থান চাষাবাদ করছে। বাসের এই সংকটের ফলে দাম কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। তাই জীবিকা রক্ষার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে। তাদেরকে কুটির শিল্প ঋণ প্রদানের জন্য, তা হলে এই পেশা টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগীরা। এ দিকে বাঁশ শিল্পী রেছত খাঁ জানান বাঁশের তৈরি জিনিষের স্থান দখল করে নিয়েছে প্লাস্টিকের তৈরি তৈজসপত্র। প্লাস্টিকের দাম বেশি হলে ও অধিক টিকশয়। তাই গ্রামের সাধারণ মানুষ এলমনিয়াম ও প্লাস্টিকের তৈরি তৈজসপত্র কিনে নেন।

মেহেরপুর বিলুপ্তির পথে ঘটকালী প্রথা
                                  

নুহু বাঙ্গালী, মেহেরপুর : মেহেরপুরের গাংনীর মিনাপাড়া গ্রামের ইমান আলী। ছোটকালে হাসির ছলে এক বন্ধুর বিয়ে দেন পাশের গ্রামের এক অনাথ মেয়ের সাথে। সে সময় গ্রামের মৌলভীর মুখে শুনেছেন ১০১ টি বিয়ে দিলে জান্নাতী হওয়া যায়। এ থেকেই শুরু করেন এ ঘটকালী। গত ২২ বছরে দশ হাজারেরও বেশি ছেলে মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন তিনি। এখন সবাই তাকে ইমান ঘটক নামে চিনেন। তবে এখন আর হাক ডাক নেই। মোবাইল ফোনের বদৌলতে ফেসবুক, হোয়াট্স আপের মাধ্যমে ছেলে মেয়েরা প্রেমজ সম্পর্ক করে একাই বিয়ে করছেন। কখনও পরিবারের লোকজন নিজেরাই বিয়ের ব্যবস্থা করছেন। ঘটকের আর তেমন প্রয়োজন পড়ছে না। বিলুপ্তির পথে এ ঘটকালী প্রথা।
বছর বিশেক আগেও গ্রাম গঞ্জে চোখে পড়তো ঘটকরা পান চিবুতে চিবুতে ছাতা বগলে হেঁটে চলেছেন গ্রামের পর গ্রাম। সজাগ দৃষ্টি কার বাড়িতে রয়েছে বিবাহযোগ্য ছেলে মেয়ে। ঘটকের কাছে টাকা-পয়সা তেমন মুখ্য নয়, বরং বিয়ের ঘটকালি করে তিনি অনেক আনন্দ পান। তাঁর আবার নিন্দুকেরও অভাব নেই। বিয়েটি সুখের হলে ঘটকের কথা কেউ তেমন মনে রাখে না। তবে বিয়ের পর যদি অশান্তি বা ঝামেলা দেখা দেয় তাহলে সব দোষ গিয়ে পড়ে ঘটকের ঘাড়ে। রাইপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম জানান, ঘটকদের কথা চালাচালির ধরনই আলাদা। সাতশ’ সাতবার কথা চালাচালি না হলে নাকি বিয়ে হয় না। অর্থাৎ সামাজিক বিয়েতে কথা খরচ করতে হয় প্রচুর। ঘটকের প্রধান কাজই হচ্ছে মেয়ের বাড়িতে ছেলে এবং ছেলের পরিবারের বংশগৌরব ও গুণ-গরিমা প্রকাশ করা, আর ছেলের বাড়িতে মেয়ের রূপসৌন্দর্য ও শিক্ষা-দীক্ষা তুলে ধরা। এভাবেই তিনি দুটি পরিবারকে বিয়ের ব্যাপারে আগ্রহী করে তোলেন। ঘটকের মাধ্যমে পছন্দের পর্বটি শেষ হলে বিয়ের কথাবার্তা ও চূড়ান্ত হয় বিয়ের দিনক্ষণ। বিয়ের আগের দিন হয় গায়েহলুদ অনুষ্ঠান। বিয়ের অন্যতম অনুষঙ্গ হচ্ছে ভূরিভোজ। ভোজনপর্ব শেষ হলে শুরু হয় বিয়ের মূলপর্ব। কাজি এসে বিয়ে রেজিস্ট্রির কাজটি সমাধা করেন। বিয়ে হয়ে গেলে চলে কনে বিদায়ের পালা। বরের বাড়িতে বধু বরণসহ কিছু আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে অন্দরমহলে অর্থাৎ সাজানো বাসরঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। শুরু হয় বর-কনের দাম্পত্য জীবন। বিয়ে হয়ে গেলে আসে ঘটক বিদায়ের পালা। ছেলে বা মেয়ের পক্ষ থেকে তিনি পান কিছু নগদ টাকা, কখনওবা সঙ্গে জামাকাপড় ও একটা ছাতা।
গাংনী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম জানান, সৃষ্টির আদিকাল থেকেই এ ঘটকালী প্রথাটি চালু। আগে গ্রাম গঞ্জে পেশাদারীত্ব ঘটক প্রথা ছিল না। তারা টাকা পয়সা নিয়েও কোন চিন্তা করতো না। ১৯৮০ সালের গোড়ার দিকে এ প্রথাটি ব্যাপকতা পায়। বিভিন্ন পত্র পত্রিকাতেও ঘটকের বিজ্ঞাপণ দেখা দেয়। এতে খরচ খরচাটাও বেশি। বর্তমানে কেউ আর বেশি খরচ করতেও চাচ্ছে না আবার নিজেরাই এ ঘটকালীর কাজটি করছেন।
রুয়েরকান্দি গ্রামের ঘটক রশিদ জানান, গত ১৫ বছরে সে ১৭০৩ টি বিয়ে দিয়েছেন। এর মধ্যে বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে ১৫ টি। ঘটকের প্রচলন না থাকায় এখন ঘটকালী ছেড়ে দিয়ে ইজিবাইক চালাচ্ছেন। তিনি আরো জানান, আগে ঘটক ছাড়া বিয়ে কল্পনা করা যেতো না। আর এখন ছেলে মেয়েরা এমনকি বিধবারাও ঘর পালিয়ে বিয়ে করছে। তাছাড়া এখন ছেলে মেয়েরা আর তাদের পরিবারের লোকজন নিজেরাই বিয়ের দেখা শোনা পর্বটি সেরে ফেলায় আর ঘটকের প্রয়োজন পড়ছে না। আগে ঘটকের আগমনে বিয়ে বাড়িতে নানা গীত গাইতো। যা বিভিন্ন নাটকেও দেখা যায়। এখন আর যেমন বিয়ে নেই পারিবারিকভাবে, তেমন এ ঘটকালি প্রথাটির প্রচলনও হারাতে বসেছে।


   Page 1 of 18
     ফিচার
সুনসান নিরবতায় পর্যটন কেন্দ্র বিছনাকান্দি
.............................................................................................
গোয়াইনঘাটে চলছে ধান কাটার উৎসব
.............................................................................................
বাগাতিপাড়ায় অস্তিত্ব সংকটে শিমুল গাছ
.............................................................................................
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে কোটি টাকার মধু সংগ্রহ
.............................................................................................
খাগড়াছড়িতে তৈরি কোটি টাকার খাট
.............................................................................................
পাখিদের রক্ষায় গাছে গাছে কৃত্রিম হাড়ি স্থাপন
.............................................................................................
রাণীশংকৈলে যত্রতত্র অবস্থায় ঐতিহ্যবাহী শিব মন্দির
.............................................................................................
তালা উপজেলার গ্রামগঞ্জ থেকে হারিকেন বিলুপ্ত
.............................................................................................
মির্জাগঞ্জে দেখা মিললো বিলুপ্তপ্রায় পলাশ গাছের
.............................................................................................
বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে ঝালকাঠির শঙ্খশিল্প
.............................................................................................
দেওয়ানগঞ্জে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা
.............................................................................................
কুমিল্লায় পলো দিয়ে মাছ শিকার
.............................................................................................
পৈত্রিক পেশা ঘোড়া দিয়ে ঘানি ভাঙা
.............................................................................................
বিদেশি পর্যটক আকৃষ্টে পতেঙ্গায় হচ্ছে বিশ্বমানের ট্যুরিস্ট জোন
.............................................................................................
নবীনগরে বিলুপ্তির পথে বাঁশশিল্প
.............................................................................................
মেহেরপুর বিলুপ্তির পথে ঘটকালী প্রথা
.............................................................................................
ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যস্ত মৌ-চাষীরা
.............................................................................................
কমলগঞ্জের তাঁতশিল্পে উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা বাড়ছে বিশ্ববাজারে
.............................................................................................
থামছেই না টাঙ্গুয়ায় পাখি শিকার
.............................................................................................
হারিয়ে যাচ্ছে শরীয়তপুরের কুটির শিল্প
.............................................................................................
কালের সাক্ষী ৪০০ বছরের বলিয়াদী জমিদার বাড়ি
.............................................................................................
বরগুনায় নৌকা জাদুঘর
.............................................................................................
রাজবাড়ীতে এক বাড়িতে ৫০টি মৌচাক
.............................................................................................
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে গরুর গাড়ির দৌড় প্রতিযোগিতা
.............................................................................................
চৌহালীতে সরিষা ক্ষেতে মধু চাষ
.............................................................................................
ফুরবাড়িতে ভাপা পিঠা বিক্রি করে স্বাবলম্বি সুজন
.............................................................................................
অতিথি পাখিদের কলরবে মুগ্ধ দিনাজপুরের শেখপুরা ইউনিয়নে ভাটিনা গ্রামের মানুষ
.............................................................................................
ঐতিহ্য হারাচ্ছে দাগনভূঞার জমিদার বাড়ি
.............................................................................................
জয়পুরহাটে পরিযায়ি পাখির অভয়ারণ্য পুন্ডুরিয়া গ্রাম
.............................................................................................
কাস্তে বানাতে ব্যস্ত মির্জাগঞ্জের কামারা
.............................................................................................
কুমিল্লার কুচিয়া যাচ্ছে বিদেশে
.............................................................................................
ফুলবাড়িতে বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ী
.............................................................................................
অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা রাঙ্গাবালী
.............................................................................................
জাবি ক্যাম্পাসে পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা
.............................................................................................
ঝুটের জোড়া তালির কম্বলে নারীদের ভাগ্য বদলে চেষ্টা
.............................................................................................
সুপারি কেনা-বেচায় ভালো দাম পাওয়ায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের মুখে হাসি
.............................................................................................
ঠাকুরগাঁও বুড়ির বাঁধে মাছ ধরা উৎসব
.............................................................................................
ঠাকুরগাঁওয়ের একমাত্র ভারী শিল্প কারখানা সুপ্রিয় জুটমিল
.............................................................................................
গোপালগঞ্জের শাপলার বিল
.............................................................................................
সিরাজদিখানের কোলা ভিলেজ পার্ক
.............................................................................................
শামুক নিধনে ঝুঁকিতে জীববৈচিত্র্য
.............................................................................................
বর্ষার পানি মিলছে দেশি প্রজাতির মাছ
.............................................................................................
স্ট্রিট লাইটের আলোয় আলোকিত ধোবাউড়ার জনপদ
.............................................................................................
পিলপিলের ৪৪ ডিমে চারটি বাচ্চার জন্ম
.............................................................................................
পর্যটকদের জন্য খুলেছে বান্দরবান
.............................................................................................
কদর বেড়েছে মৌসুমি ছাতার কারিগরদের
.............................................................................................
আদর্শ নগর পর্যটন কেন্দ্র হচ্ছে আদর্শ নগরে
.............................................................................................
সুন্দরবনে বেড়েছে মধু উৎপাদন, খুশি মৌয়াল
.............................................................................................
বীরগঞ্জে হারিয়ে যাওয়া মাছ ধরার সামগ্রীর চাহিদা বাড়ছে
.............................................................................................
রামসাগর জাতীয় উদ্যানে কোলাহল মুক্ত পরিবেশে চিত্রা হরিন দল
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop