ঢাকা, সোমবার , ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ , ২৮ সেপ্টেম্বর , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > করোনায় দেশে আরো ৩২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১,২৭৫   > এক্সট্রাকশনের পর নেটফ্লিক্সের নতুন ছবিতে ক্রিস হেমসওয়ার্থ   > ঠাকুরগাঁওয়ে সুরক্ষা সামগ্রী ও স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ   > বিনামূল্যে গ্রামীন জনপদের প্রান্তিক মায়েরা পাচ্ছে জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ের সেবা   > বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ে বাঁধের পুনঃনির্মাণ কাজ শেষ না হতেই ভাঙন   > টাঙ্গাইলে গৃহবধূর আত্মহত্যা!   > নীলফামারীতে ভিটামিন"এ" ক্যাম্পেইন সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা   > সাংগুতে বিপুল পরিমান ইয়াবা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড   > মোংলায় বিশ্ব নদী দিবস পালন   > বৌদ্ধবিহারে বিশ্ববিদ্যালয় পুন:প্রতিষ্ঠার দাবি  

   ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
গোপালগঞ্জের শাপলার বিল

অংকন তালুকদার, কোটালীপাড়া : আকাশে মেঘ। ভরাট জলাশয় থই থই। বিলের নতুন জলে ফুটেছে শাপলা। এটি শুধু জাতীয় ফুলই নয়, মানুষের কাছে সবজি হিসেবেও জনপ্রিয়। গোপালগঞ্জ জেলার শতাধিক বিলে শাপলা তুলে পেট চালাচ্ছেন কয়েক হাজার দরিদ্র মানুষ। আর এই শাপলাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে শাপলা বিক্রির বাজারও গড়ে উঠেছে
জেলার শতাধিক বিলে শাপলা তুলে পেট চালাচ্ছেন কয়েক হাজার দরিদ্র মানুষ। কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়ার জোয়ারিয়ার বিল, কান্দির বিল, রামনগর, কালিগঞ্জ, ভঙ্গারহাট, পিরারবাড়ি, রামশীলসহ শতাধিক বিলে প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেয় শাপলা। বর্ষা মৌসুমে কৃষকের তেমন কাজও থাকে না। তাই বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ এই শাপলা তোলাকেই সাময়িক পেশা হিসেবে নেন। এই পেশায় কোনও পুঁজির প্রয়োজন না হওয়ায় বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ বিল থেকে শাপলা তুলে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
শাপলা তোলার কাজে নিয়োজিতরা বলেন, ভোরে নৌকা নিয়ে বিলে যেয়ে ঘুরে ঘুরে শাপলা তুলি। প্রতিদিন একশ থেকে চারশ আটি (১০ পিস শাপলায় এক মোঠা। ১০ মোঠায় এক আটি) শাপলা তুলি। সকালে স্থানীয় বাজারে ও দুপুরে পাইকাররা আসেন। তাদের কাছে বিক্রি করে দুইশ থেকে চারশ টাকা পাই। তারা এসব শাপলা সংগ্রহ করে জেলা সদরসহ আশপাশের জেলার হাটবাজারে নিয়ে বিক্রি করে থাকেন।
একাধিক ব্যক্তি জানান, বছরের পাঁচ মাসই এসব বিলের শাপলার ওপর নির্ভরশীল অনেক পরিবার। এদের কেউ শাপলা তুলে, কেউবা বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। বিলে আষাঢ় থেকে শুরু করে কার্তিক মাস পর্যন্ত শাপলা ফুল পাওয়া যায়।
কাশিয়ানী উপজেলার সিংগা গ্রামের শাপলা সংগ্রহকারী বৌদ্ধনাথ বিশ্বাস বলেন, বর্ষার সময় আমাদের বিলে বেশ শাপলা জন্মে। এই সময় আমাদের এলাকায় কোনও ফসল হয় না। তাই আমি প্রতিদিন ভোর থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত সিংগার বিলে শাপলা সংগ্রহ করি। তাতে আমার ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা রোজগার হয়।
একই গ্রামের নসিমন চালক মনিশংকর মন্ডল ও বিকাশ বিশ্বাস বলেন, সিংগা ব্রিজ থেকে প্রতিদিন দুই-তিন নসিমন শাপলা বাগেরহাটের মোল্লাহাট, নড়াইল জেলার নড়াগাতী বাজারে নিয়ে যাই। এসব এলাকার ব্যবসায়ীরা এখানে এসে শাপলা কিনে নিয়ে আবার ওখানে বিক্রি করেন।
শাপলার পাইকার ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম, আনিস মোল্লা বলেন, আমরা সাতপাড়, সিংগা ও হাতিয়াড়া থেকে এলাকার মানুষদের কাছ থেকে শাপলা কিনে গোপালগঞ্জ জেলা শহরসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে পাইকারি দরে বিক্রি করি। এতে যা হয়, তাতে ভালোই হয়। ঘুরে না বেড়িয়ে কাজ করে খাওয়া ভালো।
কোটালীপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিটুল রায় বলেন, শাপলা উপজেলার আনাচে-কানাচে সবজি হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। শাপলার বৈশিষ্ট্য নিরাপদ সবজি, কীটনাশক ও রাসায়নিক সার মুক্ত। গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাণিজ্যিক হিসেবে শাপলা বিক্রি হচ্ছে।

গোপালগঞ্জের শাপলার বিল
                                  

অংকন তালুকদার, কোটালীপাড়া : আকাশে মেঘ। ভরাট জলাশয় থই থই। বিলের নতুন জলে ফুটেছে শাপলা। এটি শুধু জাতীয় ফুলই নয়, মানুষের কাছে সবজি হিসেবেও জনপ্রিয়। গোপালগঞ্জ জেলার শতাধিক বিলে শাপলা তুলে পেট চালাচ্ছেন কয়েক হাজার দরিদ্র মানুষ। আর এই শাপলাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে শাপলা বিক্রির বাজারও গড়ে উঠেছে
জেলার শতাধিক বিলে শাপলা তুলে পেট চালাচ্ছেন কয়েক হাজার দরিদ্র মানুষ। কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়ার জোয়ারিয়ার বিল, কান্দির বিল, রামনগর, কালিগঞ্জ, ভঙ্গারহাট, পিরারবাড়ি, রামশীলসহ শতাধিক বিলে প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেয় শাপলা। বর্ষা মৌসুমে কৃষকের তেমন কাজও থাকে না। তাই বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ এই শাপলা তোলাকেই সাময়িক পেশা হিসেবে নেন। এই পেশায় কোনও পুঁজির প্রয়োজন না হওয়ায় বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ বিল থেকে শাপলা তুলে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
শাপলা তোলার কাজে নিয়োজিতরা বলেন, ভোরে নৌকা নিয়ে বিলে যেয়ে ঘুরে ঘুরে শাপলা তুলি। প্রতিদিন একশ থেকে চারশ আটি (১০ পিস শাপলায় এক মোঠা। ১০ মোঠায় এক আটি) শাপলা তুলি। সকালে স্থানীয় বাজারে ও দুপুরে পাইকাররা আসেন। তাদের কাছে বিক্রি করে দুইশ থেকে চারশ টাকা পাই। তারা এসব শাপলা সংগ্রহ করে জেলা সদরসহ আশপাশের জেলার হাটবাজারে নিয়ে বিক্রি করে থাকেন।
একাধিক ব্যক্তি জানান, বছরের পাঁচ মাসই এসব বিলের শাপলার ওপর নির্ভরশীল অনেক পরিবার। এদের কেউ শাপলা তুলে, কেউবা বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। বিলে আষাঢ় থেকে শুরু করে কার্তিক মাস পর্যন্ত শাপলা ফুল পাওয়া যায়।
কাশিয়ানী উপজেলার সিংগা গ্রামের শাপলা সংগ্রহকারী বৌদ্ধনাথ বিশ্বাস বলেন, বর্ষার সময় আমাদের বিলে বেশ শাপলা জন্মে। এই সময় আমাদের এলাকায় কোনও ফসল হয় না। তাই আমি প্রতিদিন ভোর থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত সিংগার বিলে শাপলা সংগ্রহ করি। তাতে আমার ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা রোজগার হয়।
একই গ্রামের নসিমন চালক মনিশংকর মন্ডল ও বিকাশ বিশ্বাস বলেন, সিংগা ব্রিজ থেকে প্রতিদিন দুই-তিন নসিমন শাপলা বাগেরহাটের মোল্লাহাট, নড়াইল জেলার নড়াগাতী বাজারে নিয়ে যাই। এসব এলাকার ব্যবসায়ীরা এখানে এসে শাপলা কিনে নিয়ে আবার ওখানে বিক্রি করেন।
শাপলার পাইকার ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম, আনিস মোল্লা বলেন, আমরা সাতপাড়, সিংগা ও হাতিয়াড়া থেকে এলাকার মানুষদের কাছ থেকে শাপলা কিনে গোপালগঞ্জ জেলা শহরসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে পাইকারি দরে বিক্রি করি। এতে যা হয়, তাতে ভালোই হয়। ঘুরে না বেড়িয়ে কাজ করে খাওয়া ভালো।
কোটালীপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিটুল রায় বলেন, শাপলা উপজেলার আনাচে-কানাচে সবজি হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। শাপলার বৈশিষ্ট্য নিরাপদ সবজি, কীটনাশক ও রাসায়নিক সার মুক্ত। গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাণিজ্যিক হিসেবে শাপলা বিক্রি হচ্ছে।

সিরাজদিখানের কোলা ভিলেজ পার্ক
                                  

শহীদ শেখ, শ্রীনগর : মানব জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত নির্দিষ্ট কাঠামোতে বন্দী। শৈশব কাটিয়ে যৌবনে গিয়ে মানুষ পা রাখে কর্মজীবনে। আর এই কর্মব্যস্ত জীবনে একমাত্র ছুটির দিনকে রাঙ্গাতে অথবা সারা সপ্তাহের ক্লান্তি দূর করতে প্রত্যেকে পরিবার পরিজন কিংবা বন্ধু বান্ধবদের সাথে একান্তে আনন্দ মুখর সময় কাটাতে চায়। এজন্য অধিকাংশ মানুষের পছন্দ রিসোর্ট এবং পার্ক সমূহ। মানুষের নির্মল আনন্দ ও প্রাকৃতিক পরিবেশে বাহারী ফুলের রঙে মনকে রাঙিয়ে দিতে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় গড়ে তোলা হয়েছে কোলা ভিলেজ নামে ছোট্ট পরিসরে একটি পার্ক।
উপজেলার কোলা ইউনিয়নে কোলা গ্রামে অবিস্থিত। এই পার্কটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে জেলার জনসাধারণের কাছে পরিচিতি পাচ্ছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে পরিবার পরিজন ও বন্ধু বান্ধব নিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে নিরিবিলি আনন্দ উপভোগ করতে এ পার্কটিকে বেছে নিচ্ছে। জেলায় বিভিন্ন উপজেলাতে দর্শনীয় স্থান থাকলেও সিরাজদিখানের এ পার্কটিতে প্রতিদিনি ভিড় জমাচ্ছে শত শত মানুষ। ২০১৬ সালের জানুয়ারী মাসে প্রথমে এক একর জমির উপর গড়ে তোলা হয় এ পার্কটি।
বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের জন্য মিনি চাইনিজ ও রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। সাথে রাখা হয়েছে একটি চায়ের স্টল। চা স্টলের নানা ধরনের চায়ের স্বাদ নিতে দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন অনেকে। পার্কটি প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। প্রবেশ মূল্য মাত্র ৫০ টাকা।
পার্কটির স্বত্ত্বাধিকারী মো. মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী বলেন, ব্যস্ততম জীবনে একটু স্বস্তি ও আনন্দ পেতে হলে বেড়ানোর কোন বিকল্প নেই। আর সেটা যদি হয় প্রাকৃতিক কোন নিরিবিলি পরিবেশে পার্ক বা রিসোর্ট। নিজের উদ্যোগে একটু একটু করে গড়ে তুলেছি এ পার্কটিকে। জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এখানে অনেকেই ঘুরতে আসছে। করোনার কারণে দীর্ঘদিন জনসমাগম তুলনামূলক ভাবে কম ছিলো। বর্তমানে লোকজন এখানে আসতে শুরু করেছে।

শামুক নিধনে ঝুঁকিতে জীববৈচিত্র্য
                                  

অংকন তালুকদার, কোটালীপাড়া : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় অবাধে চলছে শামুক নিধন। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে জীববৈচিত্র্য। অপরদিকে, এভাবে শামুক নিধনের ফলে কৃষিজমির উর্বরতা কমছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। প্রতিবছর আষাঢ় মাস থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত উপজেলার লখন্ডা, পিড়ারবাড়ি, নৈয়ারবাড়ি, রামনগর, কলাবাড়ি, কুমুরিয়া, সাতুরিয়া, রামশীলসহ বিভিন্ন বিল থেকে শামুক সংগ্রহ করে উপজেলা সদরে প্রশাসনের চোখের সামনে দিয়ে চলে যায় বাগেরহাট জেলাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। কৃষির জমির উর্বরতা ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য এভাবে শামুক নিধন বন্ধের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।
এদিকে মৎস্য আইনে শামুক নিধনের সুনির্দিষ্ট ধারা না থাকার কারণে ব্যবস্থা নিচ্ছে না মৎস্য বিভাগ। প্রাণিবিভাগও নিশ্চুপ। শিক্ষানুরাগী এক যুবক বলেন, প্রতিদিন বিল থেকে শত শত মানুষ শামুক সংগ্রহ করে এলাকার ব্যাপারীদের কাছে বিক্রি করে। এভাবে শামুক নিধনের ফলে জীববৈচিত্র হুমকির মুখে পড়েছে। অপরদিকে দিন দিন জমির উর্বরতা কমে যাচ্ছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা পলাশ দাস বলেন, শামুক প্রাণিসম্পদের মধ্যে পড়ে না । এটি মৎস্য অধিদপ্তরের বিষয়। শামুক নিধনে তারা ব্যবস্থা নিতে পারে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সরকার বলেন, শামুক নিধনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মৎস্য আইনে সুনিদিষ্ট কোনো ধারা না থাকার কারণে আমরা ব্যবস্থা নিতে পারছি না। তবে আমরা আমাদের দপ্তর থেকে শামুক নিধন না করার জন্য মানুষদের উৎসাহিত করছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাহফুজুর রহমান বলেন, যারা নির্বিচারে শামুক নিধন করছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বর্ষার পানি মিলছে দেশি প্রজাতির মাছ
                                  

শ্যামল ভৌমিক, কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় খাল-বিল, নদী-নালা ও আবাদি জমিতে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় দেশী মাছের স্বাভাবিক প্রজননের ফলে বৃদ্ধি পেয়েছে দেশী মাছ। এতে জেলার বিভিন্ন হাঁট-বাজারে দেখা মিলছে প্রচুর দেশি প্রজাতির মাছ। দাম কিছুটা হওয়ায় খুশি ক্রেতারা যেমন খুশি, আর দাম কম হলেও অনেক বেশি মাছ ধরতে পেরে খুশি জেলেরাও।
বৃষ্টির পানির সাথে উঠে আসা ডিমওয়ালা দেশি প্রজাতির মা মাছগুলো জেলার ১৬টি নদ-নদী ও খাল-বিলসহ বিভিন্ন জলাশয়ে পায় ডিম ছাড়ার এক সুবর্ণ সুযোগ। তাদের বিচরণ ক্ষেত্রে অবাধে ডিম ছাড়ার সুযোগ পাওয়ার ফলে এবার দেশি মাছের প্রচুর সমারোহ দেখা যাচ্ছে জেলা ও উপজেলা শহরসহ গ্রামীণ হাঁট-বাজাগুলোতে।
জানা গেছে, জৈষ্ঠ্য-আষাঢ় মাস মাছের প্রজনন কাল। কিন্তু এর আগেই বিভিন্ন জলাশয়, নদী-নালা, খাল-বিলে মা মাছ নিধন করতো এক শ্রেণির অসাধু জেলেরা। বিভিন্ন পয়েন্টে কুঁচ, জুইতা, টেঁটা, কারেন্ট জাল, বেড়জাল, চাই, খরাসহ মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে সন্ধ্যা হতে গভীর রাত পর্যন্ত ডিমওয়ালা মা ও পোনা মাছ নিধনের উৎসব চলতো। বর্ষা আসার আগেই খাল বিলে মা মাছ নিধন চললেও দেখার কেউ ছিলোনা। অবৈধ কারেন্ট জাল দিয়ে নির্বিচারে ডিম ওয়ালা মা মাছ ও ছোট পোনা মাছ ধরা, খাল-বিল-ডোবা ভরাট, উন্মুক্ত জলাশয়ে বাঁধ নির্মাণসহ মাছের বিচরণক্ষেত্রের অনুকূল পরিবেশ সংকট হওয়ার কারণে দিনকে দিন দেশীয় প্রজাতির মাছ গুলো বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছিলো। কিন্তু এবার পানি বেশি হওয়ায় এবং দীর্ঘদিন নদ-নদী, খাল-বিল পানিতে পুর্ণ থাকায় সেভাবে মা মাছ নিধন করতে পারেনি অসাধু মাছ শিকারীরা। েেজলার ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা, দুধকুমার, ফুলকুমার, কালজনী, গঙ্গাধর ও সংকোষ নদীসহ বিভিন্ন খাল-বিল মূলত মাছের প্রধান উৎস।
ভুরুঙ্গামারী উপজেলার মৎস্যজীবি মন্টু জানান, বর্ষা মৌসুমে মা মাছগুলো ডিম ছাড়ে। ওই সময় এক শ্রেণির অসাধু মৎস্য শিকারি কারেন্ট জাল ও ভারতীয় এক প্রকার টানা জাল দিয়ে মা মাছ শিকার করার ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন হচ্ছিল না। ফলে দেশীয় প্রজাতির এই মাছগুলো বিলুপ্তির পথে। অপর দিকে প্রকৃতির বিরূপ আচরণে বর্ষা মৌসুমেও অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতে উত্তরাঞ্চলের খরা প্রবণ এ উপজেলার খাল-বিল, নদী-নালা শুকিয়ে যাওয়ায় দেশি প্রজাতির মাছ বংশ বিস্তার করতে পারতো না। যতটুকু বংশ বিস্তার ঘটতো তাও আবার খরায় শুকিয়ে যাওয়ায় খাল-বিল সেচে নিধন করা হতো দেশি মাছের পোনা। কিন্তু এবার বন্যা ও বৃষ্টির পানি স্থায়ী হওয়ায় উপজেলার সোনাহাট ছড়া, পাইকেরছড়া, বহলগুড়ি বিল, কেদার বিল, তিলাই ছড়া, ভেড়ভেড়ি বিল, দলবাড়ী বিল, ঝুকিয়া বিল, নাউডাঙ্গা বিল, নলেয়া নতুন ছড়া ও শরবোঝা বিল সহ ছোট বড় অনেক খাল বিলে প্রচুর পরিমানে দেশীয় প্রজাতির মাছ পাওয়া যাচ্ছে।
সুস্বাদু ও পুষ্টি গুনে ভরা দেশীয় এসব মাছের মধ্যে কৈ, মাগুর, শিং, পাবদা, টেংরা, পুঁটি, ডারকা, মলা, ঢেলা, শৌল, বোয়াল, আইড়, ভ্যাদা, বাইম, খলিশা, ফলি, চিংড়ি, টাকি, চিতল, বালিয়া, কাকিলা, চাপিলা, চাঁদা, গোল চাঁদা, আইড়, গুলশা, পাবদা, দেশি পুঁটি, সরপুঁটি, তিতপুঁটি, বাটা, পিয়ালি, ছোট টেংরা, বড় টেংরা, চান্দা, কাজলি, চ্যাং, ছোট চিংড়ি, বাতাসি, বড় বাইম, শালবাইম, কুচিয়া, টাটকিনি, ধুতরা, গছি, বইরালি, গোলসা প্রজাতির দেশীয় মাছ গুলো বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কালিপদ রায় জানান, এবার আগাম বন্যা আসায় এবং দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় জেলার বেশির ভাগ এলাকা প্লাবিত হয়ে মাছের প্রজনন স্বাভাবিক ছিল। পাশাপাশি জেলার ১৯টি প্লাবন ভূমিতে দেশী মাছ সংরক্ষণ ও প্রজননের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ায় জেলায় দেশী মাছের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্ট্রিট লাইটের আলোয় আলোকিত ধোবাউড়ার জনপদ
                                  

ধোবাউড়া প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী উপজেলা ধোবাউড়া। এক সময় যেখানে সন্ধ্যা নামলেই বসতো বখাটেদের আড্ডা, লেগে থাকতো চুরি-ছিনতাই। এখন সেখানে বসেছে সোলার স্ট্রিট লাইট বা সৌর সড়ক বাতি। এতে কমেছে অপরাধ, বদলে গেছে উপজেলার কয়েক হাজার মানুষের জীবন।
রাতের ধোবাউড়াকে আলোকিত করে অধিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে অবদান রেখেছেন ময়মনসিংহ-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং ও ধোবাউড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডেভিড রানা চিসিম। ২০২০-২১ অর্থবছরের ত্রান পুনর্বাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষনাবেক্ষণ কর্মসূচীর আওতায় টিআর কাবিখার কর্মসূচীর অন্তর্গত বিশেষ বরাদ্দের ২৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা ব্যয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৪২টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান ডেভিড রানা চিসিম বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্রামকে শহরে রুপান্তরের অংশ হিসেবে শতভাগ বিদ্যুতায়নের ঘোষণার পর সাংসদ জুয়েল আরেং এর সহায়তায় উপজেলার গুরুত্বপূর্ন স্থানগুলোতে স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায় উপজেলার গুরুত্বপূর্ন মোড়, ঝুঁকিপূর্ন স্থান ও জনবহুল স্থানে এসব স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে। এতে লোডশেডিং এর সময়েও মানুষ ব্যবসাবাণিজ্য চালিয়ে যেতে পারছে। কমেছে চুরি-ছিনতাইয়ের ভয়। উপজেলা পরিষদের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করছেন সচেতন মহল।

পিলপিলের ৪৪ ডিমে চারটি বাচ্চার জন্ম
                                  

মনির হোসেন, মোংলা : দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী প্রজননকেন্দ্র করমজলের কুমির পিলপিলের ৪৪টি ডিমে মাত্র চারটি ছানা ফুটেছে। আজ শনিবার সকালে নতুন ইনকিউবেটরে রাখা ১১টি ডিম থেকে মাত্র চারটি বাচ্চা জন্ম নেয়। ৪৪টি ডিম থেকে মাত্র চারটি কুমির ছানা ফোটায় হতাশা প্রকাশ করেছেন বনকর্মীরা। তবে প্রাণীসম্পদ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স বৃদ্ধির কারণে করমজলের মা কুমির দুটির বাচ্চা উৎপাদনের ক্ষমতা অনেক কমে গেছে। এর আগে এ বছরের ১২ জুন দুপুরে প্রজনন কেন্দ্রের পুকুর পাড়ে নিজের বাসায় ৪৪টি ডিম দেয় পিলপিল। ডিমগুলোর মধ্যে ২১টি ডিম পিলপিলের নিজের বাসায়, ১২টি পুরাতন ইনকিউবেটরে এবং ১১টি নতুন ইনকিউবেটরে রেখে বাচ্চা ফোটানোর চেষ্টা করেন বনকর্মীরা। এর মধ্যে নতুন ইনকিউবেটরে রাখা ১১টি ডিমের মধ্যে ৪টি ডিমে বাচ্চা ফুটেছে।
এছাড়া ২৯ মে অন্য কুমির জুলিয়েট ৫২টি ডিম দিয়েছিল। সেগুলোর মধ্যে ১৪টি ডিম জুলিয়েটের বাসায়, ২৬টি পুরাতন ইনকিউবেটরে এবং ১২টি নতুন ইনকিউবেটরে রাখা হয়েছিল। কিন্তু জুলিয়েটের ৫২টি ডিমে কোন বাচ্চা ফোটেনি বলে জানিয়েছেন সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবির। তিনি জানান, করমজল দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র। এখানে প্রজননের জন্য দুটি মা কুমির রয়েছে। আমরা খুব যত্নের সাথে এই কুমিরের প্রজননের চেষ্টা করি। কুমির ডিম পাড়ার পর থেকে বাচ্চা ফোটানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। কিন্তু জুলিয়েট এবং পিলপিল দুটি কুমিরেরই অনেক বয়স হয়েছে। যার ফলে তাদের ডিমে ফার্টিলিটি হার খুবই কম। তিনি আরও বলেন, এখানে বর্তমানে পুরনো যে ইনকিউবেটর রয়েছে সেগুলো অনেক সেকেলে। নতুন যে ইনকিউবেটরটি তৈরি করা হয়েছে তার ধারণ ক্ষমতা মাত্র ২৪টি। এ ধরনের আরও দু একটি ইনকিউবেটর তৈরি করা গেলে সফলতা আসলেও আসতে পারে বলে দাবি করেন তিনি। বনবিভাগ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনে কুমিরের বংশবিস্তার বৃদ্ধিতে নানামূখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কুমিরের ডিম থেকে ছানা জন্মদানের জন্য রক্ষনাবেক্ষন ও যত্ন করে বনবিভাগের কর্মীরা। কুমিরগুলোর বয়স হওয়ার কারণে ছানা উৎপাদন ক্ষমতা কমে গেছে।
উল্লেখ্য, ২০০০ সালে করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের শুরু হলে এখানে কুমিরে ডিম দেয় ২০০৫ সালে। এখন পর্যন্ত করমজলে বিভিন্ন সময় ২৯২টি কুমিরের ছানা জন্ম নিয়েছে । যার মধ্যে ১৯৫টি ছানা এখনও প্রজনন কেন্দ্রে রয়েছে। ৯৭টি কুমিরের ছানা সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী ও খালে অবমুক্ত করা হয়েছে।

পর্যটকদের জন্য খুলেছে বান্দরবান
                                  

বাসুদেব বিশ্বাস,বান্দরবান : দীর্ঘ ৫ মাস বন্ধ থাকার পর বান্দরবানের পর্যটনস্পটগুলো পর্যটকদের জন্য খুলে দেয় হয়েছে। শর্তসাপেক্ষে গতকাল শুক্রবার থেকে বান্দরবানের সকল পর্যটন স্পটগুলো উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসন। বান্দরবান জেলা প্রশাসনে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শামীম হোসেন।
মহামারী দূর্যোগ করোনা মোকাবেলায় জন্য প্রায় পাঁচ মাস ধরে পর্যটন বন্ধ রয়েছে, তাতেই বিরাট ক্ষতির মুখে পরেছে পর্যটন সংশ্লিষ্টরা, অবশেষে জেলার পর্যটন শিল্পের কথা ভেবে ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আগামী শীত মৌসুমকে সামনে রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুক্রবার থেকে বান্দরবানে সব সরকারি-বেসরকারি পর্যটনকেন্দ্র ও আবাসিক হোটেল- মোটেল খুলে দেওয়া হয়।
সবুজ অরণ্যে ঘেরা সৌন্দর্যের অপরুপ জেলা বান্দরবান। যেখানে রয়েছে মেঘলা, নীলাচল, নীলগিরি, বৌদ্ধ জাদি, চিম্বুক, শুভ্রনীলা, থানচির রেমাক্রি, নাফাকুম, রুমার বগালেক, কেউক্রাডং, লামার মিরিঞ্জা, আলীকদমের আলীর সুড়ঙ্গসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পট। পর্যটন স্পটগুলো খুলে দেওয়ার পর স্পটগুলোতে বাড়বে পর্যটকের সংখ্যা, এমন মত সংশ্লিষ্টদের।
এ ব্যাপারে বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শামীম হোসেন বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে বান্দরবানের পর্যটনস্পটে পর্যটকদের প্রবেশ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে কড়া নজরদারি থাকবে, মাস্ক ছাড়া কাউকে পর্যটন কেন্দ্র ঢুকতে দেওয়া হবে না। প্রসঙ্গত, করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে গত ১৮মার্চ থেকে জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয় জেলা প্রশাসন। জেলায় ৬০টি হোটেল মোটেল রয়েছে, আর পর্যটকবাহী যান রয়েছে প্রায় ৪ শতাধিক, এই পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িত জেলার প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

কদর বেড়েছে মৌসুমি ছাতার কারিগরদের
                                  

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : এখন বর্ষাকাল। বছরের অন্য সময়ের তুলনায় বর্ষার সময় ছাতার ব্যবহার অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই এ সময়ে ছাতার কারিগরদের কর্মব্যস্ততাও বাড়ে। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের ছাতার কারিগররাও এর ব্যতিক্রম নয়। বৃষ্টি হলেই বেড়ে যায় তাদের কদর, বেড়ে যায় ব্যস্ততা। তাই ত্রুটিযুক্ত ছাতা মেরামত করতে ভাসমান কারিগরদের কাছে ভিড় জমায় লোকজন। বর্ষার কারণে মির্জাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বসেছে ভ্রাম্যমাণ ছাতা কারিগর। ত্রুটিযুক্ত ছাতা মেরামত করতে ওই কারিগরদের কাছে ভিড় করছে বিভিন্ন এলাকার মানুষ। তাই বর্তমানে মৌসুমি ছাতার কারিগরদের কদর বেড়েছে। বর্তমানে করোনার প্রাদুর্ভাবের সময় অন্য ব্যবসায়ীরা অলস সময় পার করলেও ব্যস্ত সময় পার করছে ছাতা কারিগররা। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অন্য সময়ের তুলনায় ছাতা কারিগরদের ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। তারা নাওয়া-খাওয়া ভুলে রাত দিন কাজ করে যাচ্ছেন। কারিগররা শহরের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার পাশে, কেউ অন্যের বারান্দায় বসে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নিয়ে দিন ভর হরেক রকমের ভাঙা ছাতা মেরামত করছে। আর কাজ বুঝে প্রতিটি ছাতা মেরামতের টাকা নিচ্ছে তারা। বৃষ্টির প্রভাব বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে কাজের চাপও বেড়ে যায় তাদের। আর বৃষ্টির হাত থেকে স্বস্তি পেতে বর্ষার অকৃত্রিম বন্ধু ছাতাকে মেরামত করতে যেন ভুলছে না কেউ।
ছাতা কারিগর পশ্চিম সুবিদখালী গ্রামের মো. হাবিবহা ওলাদার জানান, তার বাবা আ. ওয়াহেদ ক্বারি আগে এ পেশায় ছিলেন। বাবার হাত ধরেই তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে এ পেশার সঙ্গে জড়িত। বছরের ছয় মাস তিনি এ পেশায় থাকেন আর বাকি মাসগুলো অন্য পেশায় জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি দৈনিক ১০ থেকে ১৫টি ছাতা মেরামত করে থাকেন। দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় করেন তিনি। এবার করোনার কারণে কাজ একটু কম বলে জানান হাবিব। আরেক ছাতা কারিগর মো. হারুন বলেন, আমি এ পেশায় ২০-২৫ বছর ধরে আছি। বছরের এ সময়ে আয় বেশি হতো। কিন্তু এখন করোনার কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। তাই এবার রোজগার কিছুটা কম হচ্ছে। বছরে ছয় মাস আমি এ পেশায় থাকি, বাকি ছয় মাস অন্য কাজ-কর্ম করে সংসার চালাই। কথা হয় ছাতা মেরামত করতে আসা মাওলানা মো. রুহুল আমীন এর সাথে। তিনি বলেন, তার একটি ছাতা বাড়িতে পড়ে ছিলো তাই মেরামত করতে এসেছেন। নতুন ছাতা কেনার চেয়ে অল্প টাকায় পুরোনোটাই মেরামত করা ভালো, এতে কিছুটা সাশ্রয় হবে।

আদর্শ নগর পর্যটন কেন্দ্র হচ্ছে আদর্শ নগরে
                                  

মোহনগঞ্জ (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি : অফুরন্ত সুন্দরে সমৃদ্ধ নেত্রকোণা জেলা হতে পাড়ে দেশের পর্যটন এলাকার অন্যতম একটি। হাওর-বাওর, নদী, খাল-বিলসহ অসংখ্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে পরিপূর্ণ এই জেলা। জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলায় আদর্শ নগর এলাকায় নির্মিত হচ্ছে আদর্শ নগর পর্যটন কেন্দ্র। বিমান বাংলাদেশ এ্যয়ারলাইন্স এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব সাজ্জাদুল হাসানের প্রচেষ্টায়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে, বাংলাদেশ পর্যটক করপোরেশন এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ১০ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত হচ্ছে এ পর্যটন কেন্দ্র।
প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে পর্যটকদের হাওরাঞ্চলে ভ্রমণ ও অবস্থানে ভূমিকা রাখবে। এতে এ অঞ্চল পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে। বর্ষা মৌসুমে এ এলাকা মিনি সমুদ্রে ও মিনি সমুদ্র সৈকতে পরিনত হয়। অসংখ্য ভ্রমণ পিপাসু মানুষ পানি দেখতে হাওরে ছুটে আসেন এতে পর্যটন সুবিধা না থাকায় তাদের অনেকে পড়তে হয় বিরম্বনায়। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে এসব পর্যটকদের ভ্রমণ নিরাপদ ও সুন্দর হবে। প্রকল্পের মেয়াদ কাল ২৯.১২.২০১৯ হতে ২১.৬.২০২১ পর্যন্ত। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার্স-সাম্স ইঞ্জিনিয়ার্স (জেভি) নেত্রকোণা। ঠিকাদার রিজভী জানান, বন্যার পানিতে প্রকল্পের কাজ সাময়িক বন্ধ রয়েছে। সমস্ত মালামাল মজুদ রয়েছে, বন্যা চলে গেলে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা হবে।
উপজেলা প্রকৌশলী ইমরান হোসেন জানান, প্রকল্পের কাজ বিভিন্ন অংশে ৩০-৪০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। হাওরে বন্যা পরিস্থিতির কারনে ২ মাস যাবৎ পর্যটন কেন্দ্রের কাজ বন্ধ রয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রের ব্যাপারে সাজ্জাদুল হাসান জানান, আদর্শ নগর পর্যটন কেন্দ্রের কাজ সম্পন্ন হলে, বহু পর্যটক মোহনগঞ্জ আসবে। এবং হাওরাঞ্চলের প্রকৃতিক সৌন্দর্য্য পর্যটকদের আকৃষ্ঠ করবে। এতে মোহনগঞ্জ পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিতি অর্জনে সক্ষমতা লাভ করবে।

সুন্দরবনে বেড়েছে মধু উৎপাদন, খুশি মৌয়াল
                                  

মনির হোসেন, মোংলা : চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে করোনা সংক্রমণের কারনে সুন্দরবনে দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় অনেকটাই কোলাহল মুক্ত ছিল সুন্দরবন। এসময় বনবিভাগের কঠোর নজরদারির কারনে বণ্যপ্রাণী শিকারীদের উৎপাত কিছুটা কমেছে। মাঝে মধ্যে হরিণ শিকারের ঘটনা ঘটলেও অল্প সংখ্যক জনবল নিয়ে পুরো বনকে সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে বনবিভাগ। সব মিলিয়ে গত ৫ মাস ধরে সুন্দর পরিবেশ নিয়েই আরো সুন্দর হয়ে উঠেছে সুন্দরবন। বাড়ছে গাছপালা। সেই সাথে বেড়েছে বণ্যপ্রাণীদের কোলাহল। সুন্দরবনের আকাশে ডানা মেলে উড়ছে নানা প্রজাতির পাখি। জনমানব শূন্য সুন্দরবন এখন নতুন অবয়ব ধারন করেছে। সেই সাথে বেড়েছে মৌমাছির আবাসস্থল। বেড়েছে মধু ও মোমের উৎপাদন।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে গেল বছরের থেকে প্রায় ৫০০ কুইন্টাল মধু এবং ১৩৭ কুইন্টাল মোম বেশি উৎপাদন হয়েছে। সুন্দরবনে মধু ও মোমের উৎপাদন বৃদ্ধিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বন গবেষক, সুন্দরবনজীবী, মৌয়াল ও বনবিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবছরে সুন্দরবন থেকে এক হাজার ২২০ কুইন্টাল মধু আহরণ করেছেন মৌয়ালরা। যা ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে মধুর উৎপাদন ছিল ৭৪২ কুইন্টাল। অর্থাৎ ২০১৯-২০ অর্থ বছরে গেল বছরের থেকে ৪৭৮ কুইন্টাল মধু বেশি উৎপাদিত হয়েছে। এরআগে, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৪৮৮ কুইন্টাল মধু উৎপাদন হয়েছিল।
২০১৯-২০ অর্থ বছরে রাজস্বের পরিমাণও বেড়েছে অনেক। এই অর্থবছরে মধু থেকে রাজস্ব এসেছে নয় লাখ ১৫ হাজার ৩৭৫ টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে রাজস্ব ছিল ৫ লাখ ৫৬ হাজার ৮৭৫ টাকা এবং ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ছিল ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৪৮০ টাকা মাত্র। এদিকে, মধুর উৎপাদনের সঙ্গে মোমেরও উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এ বছর। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগে ৩৬৬ কুইন্টাল মোম উৎপাদন হয়েছে। এই থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩ লাখ ৬৬ হাজার ১৫০ টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে মোমের উৎপাদন ছিল ২২৯ কুইন্টাল এবং রাজস্ব ছিল দুই লাখ ২৯ হাজার ৬০০ টাকা। ২০১৭-১৮ বছরে মোমের উৎপাদন ছিল মাত্র ১৫৮ কুইন্টাল এবং রাজস্ব আদায় হয়েছিল ১ লাখ ৫৮ হাজার ৪৫৩ টাকা। বনবিভাগের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, করোনা পরিস্থিতির কারনে সবকিছুতেই একটা নতুনের ছোঁয়া লেগেছে। বিশেষ করে সুন্দরবনের। নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে এ বন। গত কয়েক মাসে জনসাধারনের প্রবেশাধিকার না থাকায় বণ্যপ্রাণীরা যেমন নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারছে তেমনি মৌমাছির আবাসস্থল বেড়েছে কয়েকগুন। বেড়েছে মধুর উৎপাদন। এতে সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল মৌয়ালরাও দারুন খুশি।

বীরগঞ্জে হারিয়ে যাওয়া মাছ ধরার সামগ্রীর চাহিদা বাড়ছে
                                  

বিকাশ ঘোষ, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) : দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় জমে উঠেছে মাছ ধরার সামগ্রী খোলসুনের (ভোরং) । বর্ষায় নতুন পানি আসার সঙ্গে সঙ্গে খাল বিল ডোবা ও নিম্নাঞ্চল পানির নিচে। শত শত পুকুর ও মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সব জায়গায় পাওয়া যাচ্ছে মাছ। এ সময় গ্রামে স্থানীয়ভাবে তৈরি বিভিন্ন জাল ও বাঁশের তৈরি ভোরং দিয়ে ছোট মাছ শিকারের ধুম পড়েছে। বর্ষার মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হচ্ছে বাঁশের তৈরি ভোরং নামের একটি যন্ত্র। এলাকা ভেদে এই যন্ত্রটিকে খোলসুন বলা হয়। আর বই-পুস্তকের ভাষায় বিটে বলা হয়। পানির মধ্যে এই যন্ত্রটি রেখে দেওয়া হয়। চলাচলের সময় ছোট ছোট মাছগুলো বাঁশের তৈরি এই ফাঁদের ভিতরে আটকা পড়ে। এটি গ্রামাঞ্চলে মাছ ধরার খুব জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। উপজেলার সবচেয়ে বড় হাট গোলাপগঞ্জ হাটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি ভোরং আকার ভেদে ৩৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও জেলার গড়েয়াহাট সহ বিভিন্ন হাট থেকে প্রায় কয়েক হাজার ভোরং বিক্রি করতে এসেছে আশরাফুল, লতিফুর ও আজিজুর রহমান। এছাড়াও অনেকে বাড়িতে তৈরি করে বিক্রি করছেন। উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে এইসব মাছ ধরার সামগ্রীর চাহিদা তুলনামূলক বৃদ্ধি পয়েছে।

রামসাগর জাতীয় উদ্যানে কোলাহল মুক্ত পরিবেশে চিত্রা হরিন দল
                                  

রাজু বিশ্বাস, দিনাজপুর : করোনা ভাইরাসের সংক্রমনরোধে বিনোদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ। আর এ বন্ধে ফুরফুরা মেজাজে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে দিনাজপুরের মিনি চিড়িয়াখানায় চিত্রা হরিনের পাল। কোলাহল নেই, নেই দর্শনাথীদের বিরক্ত। এমন পরিবেশ থেকে মুক্ত এই হরিনের পাল তাদের ইচ্ছামত বনজঙ্গলের মত ঘুরে বেড়াচ্ছে।
মধ্যযুগের বিখ্যাত সামন্ত রাজার অমর কীর্তি দিনাজপুরের রামসাগর, যা সারা বাংলার এক সৌন্দর্য মন্ডিত ঐতিহাসিক দীঘি। প্রাকৃতিক অপরূপ নয়নাভিরাম দীঘিটি পর্যটকদের মনকে ছুঁয়ে যায় ভাল লাগার পরশে। আরও বেশী পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়ে এই রামসাগরের মিনি চিড়িয়াখানার মায়াবী চিত্রা হরিনগুলো। আর এই চিত্রা হরিনের সংসারে গত কয়েক মাসে এসেছে ৮টি নতুন অতিথি। এনিয়ে এখন মিনি চিড়িয়াখানায় নতুন অতিথিসহ ৫৫টি চিত্রা হরিন।

চিত্রা হরিনগুলোর খাদ্যের জন্য সঠিক সময়ে খাদ্য বাজেট আসেনা। এতে একটু সমস্যা হয় যা স্থানীয়ভাবে ব্যবস্থা করা হয়। পরে বাজেট এলে তা সমন্বয় করা হয়। আবার চাহিদার তুলনায় খাবার বরাদ্দ পাওয়া যায় না। এতে বিকল্পভাবে খাবারের ব্যবস্থা করতে হয় স্থানীয়ভাবে। চিত্রা হরিনগুলোকে ছোলা, নেপিয়ার ঘাস, গমের ভূসি, ভূট্টা ভাঙ্গা, চক্কর, লতাপাতা ইত্যাদি খাবার দেয়া হয়। তবে রামসাগর দিঘিতে শাপলা চাষ করা গেলেই খাবারের চাহিদা পুরন করা সম্ভব বলে জানান ফরেস্টার ফসিউল আলম।

চিত্রা হরিণের প্রিয় খাবার শাপলা পাতা। বরাদ্দ কম এলেও রামসাগর দিঘিতে শাপলা চাষ করতে পারলে হরিণের খাদ্য চাহিদা কিছুটা মেটানো সম্ভব হবে। কিন্তু গত কয়েকবছর ধরে দিঘিতে মাছ শিকার, ইঞ্জিন নৌকা চালানোর কারণে শাপলা চাষ বন্ধ হয়ে যায়। আবার রামসাগরের জলরাশির পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতা করে জেলা প্রশাসন। ইঞ্জিন নৌকার মাধ্যমে আগে দর্শনার্থিরা দিঘিতে বেড়াতো।

দিনাজপুর রামসাগর জাতীয় উদ্যানের ফরেস্টার ফসিউল আলম জানান, রামসাগর জাতীয় উদ্যানের চিড়িয়াখানায় সরকারিভাবে ৬টি চিত্রা হরিণ আনা হয়। হরিণগুলো দ্রুত বংশবিস্তারে বাড়তে বাড়তে এদের সংখ্যা হয় ৫৪টি। গত বছরের আগস্টে ৭টি চিত্রা হরিন সিলেট ইকো পার্কে নেওয়া হয়। এদিকে কয়েক মাসে ৮টি মা হরিনের নতুন অতিথি এসেছে। এই নিয়ে বাচ্চাসহ এখন ৫৫টিতে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে এসব চিত্রা হরিনসহ মিনি চিড়িয়াখানার বিভিন্ন জীবজন্তুর জন্য খাবার আগে যোগাড় করে রাখতে হচ্ছে। গ্রীষ্মকালে এই মিনি চিরিয়াখানায় ওষুধ, খাবারসহ এক লাখ টাকার অধিক ব্যয় হয় এবং শীতকালে আরও বেশী ব্যয় হয় বলে জানান তিনি।

দস্যুতা দমন ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কাজ করছে পুলিশ-কোস্টগার্ড-র‌্যাব
                                  

মনির হোসেন : অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি সুন্দরবন। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা বিশাল আয়তনের সুন্দরবন চির সবুজের ছায়া সুনিবিড় বন হিসেবে বিশ্ব দরবারে সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু বিশাল আয়তনের এ বনের নিরাপত্তায় নেই পর্যাপ্ত জনবল। আর পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ না হওয়ায় সুন্দরবনের নিরাপত্তা কার্যক্রমও বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে বন কর্মকর্তারা বলছেন সুন্দরবন সুরক্ষায় বনবিভাগের পাশাপাশি প্রতিটি রেঞ্জে পুলিশের আলাদা আলাদা টিম কাজ করছে। সুন্দরবনে দস্যুতা দমন ও মৎস্য সম্পদ সুরক্ষায় বনবিভাগ, পুলিশ, কোস্টগার্ড ও র‌্যাবের নিয়মিত টহল অব্যাহত রয়েছে। জানা গেছে, সুন্দরবন সুরক্ষায় প্রতি ৭ বর্গ কিলোমিটার বন পাহারায় ১ জন বনরক্ষী। নেই পর্যাপ্ত জনবল। বিশাল এই বনের জনবল সংকট নিরসনের দাবী বনরক্ষীদের। দেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেসে গড়ে উঠে বৃহত্তর প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন। এ বনের প্রধান উদ্ভিদ সুন্দরী। এই সুন্দরী গাছের জন্য এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন। সুন্দরী গাছের জন্য বিশ্ববাসীর কাছে এই বন বিখ্যাত। সেই ‘সুন্দরীথ গাছ ও বন সংরক্ষনের জন্য যে সংখ্যক বন প্রহরী রয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় নিতান্তই অপ্রতুল। সুন্দরবনের প্রতি ৭ বর্গ কিলোমিটার পাহারা দিতে হয় একজন বন প্রহরীকে। আর এই বন পাহারা দেয়া একজন বন প্রহরীর পক্ষে মোটেও তা সম্ভব নয়। সুন্দরবনে বাংলাদেশ অংশের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার। এরমধ্যে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের আয়তন ২৪৩০ বর্গ কিলোমিটার। বাগেরহাট জেলার তিন উপজেলা শরনখোলা, মোড়েলগঞ্জ ও মোংলা সংলগ্ন পূর্ব সুন্দরবনকে শরনখোলা ও চাদঁপাই দুটি রেঞ্জে বিভক্ত করা হয়েছে। এই রেঞ্জের অধীনে ৮টি ষ্টেশন ও ৩০টি ক্যাম্প ও ফাড়ি রয়েছে। ২৪৩০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের বন পাহারায় রয়েছে মাত্র ৩৫০ জন বনরক্ষী। যেখানে পদ রয়েছে ৫১৬ টি।শুধু জনবল সংকট নয়, রয়েছে অত্যাধুনিক জলযান সংকট। বর্তমানে যা আছে তা চলাচলের অযোগ্য হলেও তাই দিয়েই কাজ সারতে হচ্ছে তাদের। বনরক্ষীদের দাবী হরিণ শিকারীদের খোঁজ পেলে আমরা যেতে যেতে তারা পালিয়ে যায় যার অন্যতম কারণ হচ্ছে জলযান। জলযান উন্নতমানের ও দ্রুত গতির হলে হরিণ শিকারীদের ধরতে সুবিধা হবে।পূর্ব সুন্দরবন করমজলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবীর বলেন, সুন্দরবন অনেক বড় এরিয়া আর প্রতি ৭ বর্গকিলোমিটারে একজন বনরক্ষী পাহারা দেওয়াটা অনেক সমস্যার। সুন্দরবনে জনবল সংকট থাকায় রক্ষীদের পাহারা দিতে সমস্যা হয়। জনবল সংকট নিরসন হলে বনের সুরক্ষা বাড়বে। আর সেই সাথে আমাদের জলযানগুলো চলাচলের অনুপযোগী। উন্নতমানের জলযান পেলে আমরা অনেকটাই উপকৃত হব। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, একজন রক্ষীর পক্ষে ৭ বর্গকিলোমিটার বন পাহারা দেওয়া সম্ভব না। আমরা জনবল চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেছি ইতিমধ্যেই। আশা করি অতিশিঘ্রই জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আর সুন্দরবনে যে জলযান রয়েছে এগুলো পর্যাপ্ত নয়। এই জলযান গুলো অনেক পুরোনো হয়ে গেছে।

নৌকা তৈরী ও কেনাবেচার ধুম!
                                  

হাফিজুর রহমান, টাঙ্গাইল : নদীতে এসছে নতুন পানি নৌকা তৈরী ও কেনাবেচার ধুম পড়েছে টাঙ্গাইলে । টাঙ্গাইল সদর উপজেলা সহ জেলার ভূঞাপুর, গোপালপুর,ধনবাড়ী, দেলদুয়ার, বাসাইল, কালিহাতী, নাগরপুরসহ বেশ কয়েকটি উপজেলায় বর্ষার সময় নদীতে পানি বাড়ার সাথে সাথেই শুরু হয় গ্রামীন ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ।

প্রতি বছরের মত এবারো বর্ষার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নৌকা তৈরী ও বেচাকেনার ধুম পড়েছে। এ ছাড়া অনেকে পুরাতন নৌকা মেরামত করে নিচ্ছেন।
ব্যস্ত সময় পার করছেন নৌকা তৈরীর কারিগররা। বর্ষার কারণে চাহিদা বেড়ে গেছে নৌকার। বর্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত হুগড়া, কাকুয়া, কাতুলী ও মাহমুদনগর নদীবেষ্টিত এলাকার জেলেরা নৌকা দিয়ে রাতদিন মাছ শিকার করেন। চরাঞ্চলের নিচু এলাকার বাসিন্দারা নৌকার মাধ্যমে খেয়া পার হয়ে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রাম ও স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, হাটবাজারে যাতায়াত করেন। নদীতীরবর্তী গ্রামগুলোতে নৌকার ব্যবহার হচ্ছে যুগ যুগ ধরে। বন্যার সময় নৌকাই একমাত্র ভরসা। বন্যার পরপরই শুরু হবে নৌকাবাইচ।

সরেজমিনে সদর উপজেলায় কাতুলী ইউনিয়নের তোরাপগঞ্জ ও কাকুয়া ওমরপুর এলাকার নৌকা তৈরীর কারখানায় দেখা যায়, নৌকা তৈরীরতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। কেউ করাত দিয়ে কাঠ কাটায় ব্যস্ত। কেউ হাতুড়ী দিয়ে নৌকায় পেরেক বা গজাল লাগাতে ও আবার কেউবা তৈরী নৌকা বিক্রি নিয়ে ব্যস্ত। সব মিলিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন নৌকা তৈরীর কারিগররা।

নৌকা তৈরীর কারিগর আ. সামাদ বলেন, সারাবছর নৌকা তৈরী করলেও বর্ষাকালে ব্যস্ততা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এবার আগাম বন্যা হওয়ায় নৌকার চাহিদা বেড়ে গেছে। প্রতিটি নৌকা বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার থেকে আট হাজার টাকায়। দূর-দূরান্ত থেকে আগত ক্রেতারা প্রতিদিন তাদের পছন্দসই নৌকা এখান থেকে কিনে নিচ্ছেন।

ধনবাড়ী উপজেলার বীরতারা ইউনিয়নের ঝিনাইনদীতে এবছর সম্প্রতি ৯৫ হাত দীর্ঘ লম্বা নৌকা নামানো হয়েছে নদীতে। ধনবাড়ীর বীরতারা ইউনিয়নের রাজার হাট ও পাচখালী, বালাসুতী গ্রামে চলছে নৌকা তৈরী ও বেচা কেনা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ও নৌকা তৈরী ও বিক্রয়কারক মনোহর আলী মেম্বার তিনি জানান, আমরা প্রতি বছরই নৌকা তৈরী করে বিক্রি করি ও নৌকা বাইচে প্রতিযোগীতা দেই এবছরও দেব। ৯৫ হাত লম্বা একটি নৌকা তৈরী করে ঝিনাই নদীতে নামিয়েছি।

এব্যাপারে বীরতারা ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফি তিনি জানান, নৌকা বাইচ একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী খেলা। এই খেলাটি নতুন প্রজম্মসহ সকল কে এর আনন্দ দেওয়ার জন্য প্রতি বছরই আমাদের ধনবাড়ীর বীরতারার ঝিনাই নদীর রাজারহাট পয়েন্ট ও বীরতারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের পয়েন্ট থেকে এ নৌকা বাইচের আয়োজন করা হয়। আমাদের ধনবাড়ী মধুপুর আসনের সংসদ সদস্য মাননীয় কৃষি মন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি মহোদয় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নৌকা বাইচ উদ্বোধন করে উপভোগ করেন। আমারা ও আমার বীরতারা ইউনিয়নবাসী এ নৌকা বাইচ টি ধরে রাখতে ৯৫ হাত লম্বা নৌকা তৈরী করে ঝিনাই নদীতে নামিয়েছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জানান, নৌকা নির্মাণ ও ব্যবহার সুদীর্ঘকালের ঐতিহ্য। ঐতিহ্যবাহী এ বাহনকে ধরে রাখতে এবং নির্মাণ শ্রমিকদের টিকিয়ে রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

কোরবানীর হাট মাতাতে আসছে ‘বাংলার বস’ ও ‘বাংলার সম্রাট’
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : যশোরের মণিরামপুর এলাকার খামারি আসমত আলী গাইন কোরবানি ঈদের জন্য দু’টি গরু লালন-পালন করেছেন। এদের একটি ‘বাংলার বস’, আরেকটি ‘বাংলার সম্রাট’। তিনি গরু দুটোর দাম চাইছেন ৮০ লাখ টাকা। বিশালাকার গরু দু’টি দেখতে হুরগাতি গ্রামে তার বাড়িতে লোকজন ভিড় করছেন।

আসমত বলেন, ‘বাংলার বসের দাম চেয়েছেন ৫০ লাখ টাকা। ব্যাপারিরা ৩০ লাখ পর্যন্ত দাম উঠিয়েছেন। আর বাংলার সম্রাটের দাম ৩০ লাখ টাকা চাইলেও ব্যাপারিরা দাম বলেছেন ১৫ লাখ টাকা।’
তার দাবি, এ বছর কোরবানিতে এর চেয়ে বড় গরু আর পাওয়া যাবে না। কোরবানির আগে গরু দু’টি ঢাকায় নিতে পারলে আশানুরূপ দামেই বিক্রি করতে পারবেন। করোনার কারণে ব্যাপারিরা সঠিক দাম বলছেন না। এজন্য গরু দু’টি ঢাকায় নিয়ে যাবেন। আশানুরূপ দাম না পেলে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর বিক্রি করবেন।
আসমত জানান, ২৫ বছর ধরে তিনি গরু পালন করেন। মীম ডেইরি ফার্ম নামে তার একটি খামারও আছে। গতবছর কোরবানির ঈদের কয়েকদিন আগে যশোর হাইকোর্ট মোড়ের খামারি মুকুলের কাছ থেকে ‘বাংলার বস’কে ১৭ লাখ টাকায় কেনেন। আর ‘বাংলার সম্রাট’কে কেনেন ৮ লাখ টাকায়। এরপর সুষম খাদ্য, উপযুক্ত চিকিৎসা, নিয়মিত পরিচর্যা শুরু করেন। গরু দুটির দিনে দু’বার মোট ৮০-৯৫ কেজি খাদ্য খাওয়ানো হয়। বাংলার বস ফ্রিজিয়ান জাতের। বর্তমানে তার ওজন ২৬০০ কেজি (প্রায় ৬৫ মণ)। আর সম্রাটের ওজন ২ হাজার কেজি (৫০ মণ)।
ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এত বড় বড় গরু পালন করলেও এ পর্যন্ত প্রাণিসম্পদ অফিসের কোনও সহযোগিতা পাননি। এমনকি কোনোদিন তারা খামারও পরিদর্শন করেনি।’
অভিযোগ অস্বীকার করে মণিরামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবুজার সিদ্দিকী বলেন, প্রাণিসম্পদ অফিসের লোকজনের সঙ্গে খামারির নিয়মিত যোগাযোগ হয়। খামারি তার যে গরুটির ওজন ৬৫ মণ দাবি করছেন, তা অসম্ভব। আমাদের স্টাফরা পরশুদিনও গেছে ওই বাড়িতে। তারা আমাকে জানিয়েছেন, গরুর ওজন সর্বোচ্চ ৩৫-৩৬ মণ হতে পারে।

করোনাকালে জলকেলিতে ব্যস্ত পথশিশু-কিশোরেরা
                                  

ফিচার ডেস্ক : সারাদেশে চলছে করোনার দুর্যোগের আতঙ্ক। একইসঙ্গে বাংলাদেশে চলছে বর্ষাকাল। এই মৌসুমে কখনো আকাশজুড়ে ভাসতে থাকে সাদা মেঘের ভেলা। আবার কখনো আকাশ ভেঙে গড়িয়ে পড়ে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। এই পরিস্থিতিতে মানুষ নিজেকে ঘরবন্দি রাখলেও দলবেঁধে পথশিশু-কিশোরেরা রাস্তায় ও পার্কে ঘুরছে ও খেলছে। আবার দেখা যাচ্ছে পার্কের লেকের পানিতে লাফালাফি করছে।

প্রচণ্ড তাপদাপে অতিষ্ঠ হয়ে রাজধানীর আশেপাশের নদী কিংবা লেকের পানিতে জলকেলিতে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায় এসব শিশুদের।


   Page 1 of 16
     ফিচার
গোপালগঞ্জের শাপলার বিল
.............................................................................................
সিরাজদিখানের কোলা ভিলেজ পার্ক
.............................................................................................
শামুক নিধনে ঝুঁকিতে জীববৈচিত্র্য
.............................................................................................
বর্ষার পানি মিলছে দেশি প্রজাতির মাছ
.............................................................................................
স্ট্রিট লাইটের আলোয় আলোকিত ধোবাউড়ার জনপদ
.............................................................................................
পিলপিলের ৪৪ ডিমে চারটি বাচ্চার জন্ম
.............................................................................................
পর্যটকদের জন্য খুলেছে বান্দরবান
.............................................................................................
কদর বেড়েছে মৌসুমি ছাতার কারিগরদের
.............................................................................................
আদর্শ নগর পর্যটন কেন্দ্র হচ্ছে আদর্শ নগরে
.............................................................................................
সুন্দরবনে বেড়েছে মধু উৎপাদন, খুশি মৌয়াল
.............................................................................................
বীরগঞ্জে হারিয়ে যাওয়া মাছ ধরার সামগ্রীর চাহিদা বাড়ছে
.............................................................................................
রামসাগর জাতীয় উদ্যানে কোলাহল মুক্ত পরিবেশে চিত্রা হরিন দল
.............................................................................................
দস্যুতা দমন ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কাজ করছে পুলিশ-কোস্টগার্ড-র‌্যাব
.............................................................................................
নৌকা তৈরী ও কেনাবেচার ধুম!
.............................................................................................
কোরবানীর হাট মাতাতে আসছে ‘বাংলার বস’ ও ‘বাংলার সম্রাট’
.............................................................................................
করোনাকালে জলকেলিতে ব্যস্ত পথশিশু-কিশোরেরা
.............................................................................................
করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে বন্ধ থাকবে সিলেটের সব হোটেল
.............................................................................................
নাজিরপুরে বর্ষা মৌসুমে জমে উঠেছে চাইয়ের হাট
.............................................................................................
রাসিক মেয়র লিটনের স্বপ্ন নগরীতে এখন ফুলের সুবাস
.............................................................................................
শরীয়তপুর উন্নয়নের স্বপ্ন
.............................................................................................
যেভাবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হয়
.............................................................................................
দিনাজপুরে উঠছে প্রচুর রসালো মিষ্টি লিচু
.............................................................................................
শাল, গজারি, আদিবাসী, আনারস, রাবার চাষ সহ নানা ঐতিহ্যের মধুপুর
.............................................................................................
আমাদেরকে কী সবকিছুই আইন করেই মানাতে হবে?
.............................................................................................
‘৩২ নম্বর’ বাড়িটি এখন ইতিহাস
.............................................................................................
জলবায়ু পরিবর্তন চ্যালেঞ্জ : পানি ও পরিবেশ
.............................................................................................
১৩৬ বছরেও কাজ করছেন সোনাভান
.............................................................................................
আমাদের সেই মহানায়ক
.............................................................................................
সুতাং নদীর দূষিত পানিতে মারা যাচ্ছে জলজ প্রাণী
.............................................................................................
মহম্মদপুরে ঋতুরাজ বসন্তের শিমুল ফুল
.............................................................................................
কালিয়াকৈরে নবনির্মিত ব্রিজ সংলগ্ন সড়কে গর্ত, দুর্ঘটনার আশঙ্কা
.............................................................................................
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের মুখে বাংলাদেশ
.............................................................................................
বীরগঞ্জে গাছে গাছে শিমুল ফুল
.............................................................................................
বীরগঞ্জে বিলুপ্তির পথে বাঁশ শিল্প
.............................................................................................
ইসলামপুর পৌরবাসীর প্রিয় নেতা মেয়র সেখ মো: আ: কাদের
.............................................................................................
ফুলপুরে কংশ নদীতে পারাপার ঝুঁকিতে দশ গ্রামের মানুষ
.............................................................................................
সাহেবের আলগা হতে দাঁতভাংগা পর্যন্ত রাস্তাটির বেহালদশা
.............................................................................................
সুনামগঞ্জের পাখির গ্রাম মুরাদপুর
.............................................................................................
প্রায় ৮ হাজার নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু’র আদর্শকে ধারণ করে চলছেন আবদুল খালেক
.............................................................................................
ডেপুটেশনের ফাঁদে ধ্বংস হচ্ছে কুড়িগ্রামের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা
.............................................................................................
আধুনিকতার ছোঁয়ায় বিলুপ্তির পথে আত্রাইয়ে মাটির ঘর
.............................................................................................
নারী জাগরনের অগ্রদূত -বেগম রোকেয়া
.............................................................................................
অসহায় মানুষের জীবনে দ্বীপ জ্বালাতে চান রেশমা জাহান
.............................................................................................
লাখো ভক্তের স্বপ্নসারথী ইকবাল হোসেন অপু প্রকৃত অর্থেই একজন জননেতা
.............................................................................................
“নারীবাদ নাকি সমকামিতা, কোন পথে আমরা”
.............................................................................................
কি ঘটে জানুয়ারির প্রথম সোমবারে?
.............................................................................................
নারী পুরুষের ১০টি মানসিক পার্থক্য
.............................................................................................
শিশুর যত সুন্দর নাম
.............................................................................................
সৌভাগ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যে চারটি বিষয়
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD