| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > ইবি ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি   > ‘ভোটে বিচ্যুতি হলে সরকার হটানোর আন্দোলন’   > পর্দা নয় এবার বাস্তবে বাংলাদেশি ‘ভাইজান’কে দেখল ভারতবাসী!   > সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে : প্রধানমন্ত্রী   > মেডিকেল শিক্ষার্থীর দায়বদ্ধতা রয়েছে জনগণের কাছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী   > হেলিকপ্টার থেকে প্রধানমন্ত্রীর মোবাইলে পদ্মা সেতুর ছবি   > পাকিস্তানের জয়ের পর শোয়েব মালিকের টুইটবার্তা   > সীমান্ত হত্যা: বিএসএফের `গরু পাচার` যুক্তি মানছে না বিজিবি   > ১৩ অভিজাত ক্লাবে জুয়ার বিষয়ে রায় আগামী ২৮ জানুয়ারি   > মুজিববর্ষে বিএসএমএমইউতে বিনামূল্যে চিকিৎসা  

   সভা-সেমিনার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বিরামপুরে প্রকল্প সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত

বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : বিরামপুরে আরডিআরএস পরিচালিত সীডস প্রকল্পের সমাপনী উপলক্ষ্যে উপকার ভুগি সদস্যা ও সরকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে রবিবার (২৮ ডিসেঃ) এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা অডিটরিয়ামে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিনারা বেগমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুর রহমান, সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান, এনজিও ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, আরডিআরএস’র প্রকল্প কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান, উপজেলা ম্যানেজার হাবিবুল হাসান, উপকারভুগি শান্তনা কর্মকার, বিথি লাকড়া ও পুর্ণিমা মার্ডি।

বিরামপুরে প্রকল্প সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত
                                  

বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : বিরামপুরে আরডিআরএস পরিচালিত সীডস প্রকল্পের সমাপনী উপলক্ষ্যে উপকার ভুগি সদস্যা ও সরকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে রবিবার (২৮ ডিসেঃ) এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা অডিটরিয়ামে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিনারা বেগমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুর রহমান, সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান, এনজিও ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, আরডিআরএস’র প্রকল্প কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান, উপজেলা ম্যানেজার হাবিবুল হাসান, উপকারভুগি শান্তনা কর্মকার, বিথি লাকড়া ও পুর্ণিমা মার্ডি।

ধনবাড়ীতে ইলেকট্্রনিক এন্ড প্রিন্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের মত বিনিময়
                                  

ধনবাড়ী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ইলেকট্্রনিক এন্ড প্্িরন্ট মিডিয়া এসোসিয়েশন ধনবাড়ী (ই.পা.ধ) মতবিনিময় সভা গতকাল বুধবার পৌর মিয়নায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ধনবাড়ী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সমকাল সাংবাদিক আনছার আলীর সভাপতিত্বে এবং এসেসিয়েশনের সদস্য সচিব জাহিদ হাসান সুমনের সঞ্চলনায় মতবিনিময় সভায় এসেসিয়েশনের লক্ষ, উদ্দেশ্য ও পরামর্শমূলক বক্তব্য রাখেন ধনবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি স. ম. জাহাঙ্গীর আলম, নিউজ নেশন বিডির সম্পাদক রবিউল আলম শাহীন, দৈনিক বাংলাদেশ খবরের ধনবাড়ী প্রতিনিধি মো. ইউনুস, আরজে হেভেন, মাইটিভি প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান, শহীদুল্লাহ, জীবন মাহমুদ শক্তি, রমজান আলী, সৈয়দ সাজন আহমদ রাজু, নূর নবী শেখ, আবুল হোসেন, মিলন আহমেদ প্রমূখ।
মতবিনিময় সভায় সংবাদ কর্মীদের মধ্যে ঐক্য, সৎ ও উন্নয়ন সাংবাদিকতা মানউন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

 

দাকোপে দলিতের নেটওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত
                                  

দেবাশীষ বাইন, দাকোপ,খুলনা : খুলনার দাকোপে গতকাল ২৪ ডিসেম্বর রোজ মঙ্গলবার দলিত সংস্থার উদ্যোগে ‘চাইল্ড প্রোটেকশান ফর ভালনারেবল কমিউনিটিস’ প্রকল্পের স্থানীয় পর্যায়ের স্টেকহোল্ডারদের সাথে নেটওয়ার্কিং/এ্যাডভোকেসী সভা  বানিশান্তা ইউনিয়নের আমতলা দলিত এর প্রকল্প কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দাকোপ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মো: আব্দুল ওয়াদুদ ।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দাকোপ উপজেলা উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব মো:মুনসুর আলী খান।

দলিত সংস্থার পক্ষ থেকে নির্বাহী পরিচালক জনাব স্বপন কুমার দাস।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব খাদিজা আক্তার, বানিশান্তা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সুদেব কুমার রায়, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জনাব সুরাইয়া সিদ্দিকা, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জনাব মো: মাহাবুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের ইঞ্জিনিয়ার কাজী আবেদ হোসেন, সাবেক বাজুয়া ইউপি চেয়ারম্যান দেবপ্রসাদ গাইন, সাবেক লাউডোব ইউপি চেযারম্যান শেখ যুবরাজ, ইউপি সদস্য জনাব ফিরোজ আলী খাঁ, সংরক্ষিত মহিলা আসনের ইউপি সদস্য বেগম আমিরুন্নেছা, এছাড়া বাণীশান্তা ইউনিয়ন এর বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দিপংকর বৈদ্য, মলয় কুমার মন্ডল, বিশ্বজিৎ কুমার মন্ডল, বিজন বিহারী মন্ডল ও দলিত কমিউনিটির মানুষ ।

দলিতের কর্মী উজ্জ্বল মন্ডল, প্রহলাদ দাস ও উত্তম দাস অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং অন্যান্য কর্মীরা সভা পরিচালনার সহযোগী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বাণিশান্তা ইউনিয়নের ভাঙ্গন কবলিত মানুষের সমস্যাগুলো সমধানের জন্য করণীয় বিষয়ে আলোচনা করেন।

এছাড়া বানিশান্তা ইউনিয়নের আমতলা গ্রামের ৮৭টি ভাঙ্গন কবলিত পরিবারের শিশু ও পরিবারের মাঝে অতিথিদের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সহায়তা, হাইজিন কিটস/পারিবারিক উপকরণ ও আয় বর্ধক সরঞ্জাম হিসেবে প্রত্যেক পরিবারের মাঝে ৬ টি করে হাঁস বিতরন করা হয়।

শরীয়তপুরে মুজিব বর্ষের প্রস্তুতি সভা
                                  

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শরীয়তপুরে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতি মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) ২০১৯ ইং সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল্লাহ্ আল মামুন তালুকদার, সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ খলিলুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহাবুর রহমান শেখ, শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মুনীর আহমেদ খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক আব্দুস সামাদ তালুকদার সহ জেলার সরকারি-বেসরকারি উবর্ধতন কর্মকর্তারাবৃন্দ।

মুন্সীগঞ্জে অনলাইনে পাসপোর্ট ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ভেরিফিকেশন সফটওয়ার কার্যক্রম
                                  

রুবেল মাদবর, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি : মুন্সীগঞ্জে প্রথমবারের অনলাইনে পাসপোর্ট ও পুলিশ ক্লিায়ারেন্স সফটওয়ার ভিক্তিক কার্যক্রম বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার সকালে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এই মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে অনলাইনে পাসপোর্ট ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদনকারী গ্রাহক, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় পুলিশ সুপার তার বক্তেব্যে বলেন, অনলাইনে কোন গ্রাহক পুলিশ ক্লিায়ারেন্স এবং পাসপোর্টের আবেদনে করলে পুলিশের পক্ষ থেকে কোন ধরনের হয়রানি বা টাকার লেনদেন কোন সুযোগ নেই।

তিনি আরো বলেন, গ্রাহকরা আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশ রিপোর্ট এবং ক্লিয়ারেন্স পাবে । এতে পুলিশের কোন সদস্য বা সংশ্লিষ্ট কেউ অর্থ দাবি করলে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুশিয়ারি দেন পুলিশ সুপার।
মত বিনিময় সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম পিপিএম (বার) এর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: মুস্তাফিজুর রহমান, ওসি ডিবি এস এম আলমগীর হোসাইন, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আনিচুর রহমান, মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আরিফ উল ইসলাম, সাবেক সাধারন সম্পাদক সোনিয়া হাবিব লাবনীসহ, অনলাইনে পাসপোর্ট ও পুিলশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদনকারী একাধিক গ্রাহক। 

 

নওগাঁর আত্রাইয়ে সচেতনতা মূলক সভা
                                  

নওগাঁ প্রতিনিধি ঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে মানব পাচার ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে ইউএস আই ডি ও ইউনরক ইন্টারন্যাশনাল এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় মানব পাচার ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতা মূলক সভা হয়েছে। এবং

এদিকে, রাজশাহীর, বাস্তবায়নে  বাংলাদেশ  কাউন্টার ট্রাফিকিং ইন পার্সন (বিসি/টিআইপি)প্রকল্পের আত্রাই উপজেলায় কর্মরত  বিভিন্ন কমিউনিটি বেসর্ড অর্গানাজেশনদের (সিবিও)  নিয়ে  সভাপত্বি করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছানাউল ইসলাম ।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম, সচেতন, রাজশাহী প্রোগ্রাম অফিসার  রোকসানা পারভীন, সচেতন, রাজশাহী প্রোগ্রাম অফিসার শিরিন আকতার,  বিসিটি/আইপি সচেতন,রাজশাহী , প্রোগ্রাম এ্যাসিস্টেন  মোঃ রবিউল ইসলাম, আস্থা শিশু ও মহিলা উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন  সাংবাদিক রওশন  আরা পারভীন শিলা,  আত্রাই পল্লী উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক ফারুক আহম্মেদ, শাপলা উন্নয়ন সংস্থার আত্রাই উপজেলা প্রতিনিধি ফরিদ উদ্দিন মন্ডল, মুক্তা নারী উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি সাজেদুর রহমান, কুমঘাট নারী উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক ছবি রানী প্রমূখ।

কুড়িগ্রামে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
                                  

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামে লোকাল গভর্ণমেন্ট ইনশিয়েটিভ অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (লজিক) প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম কালেক্টরেট সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। চলমান উন্নয়নের সাথে জলবায়ু জনিত বিপদাপন্ন এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে স্থানীয় সরকারের সমন্বয়ে জলবায়ু সহিষ্ণু সেবা দেয়ার লক্ষ্যে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের অগ্রগতি আলোচনার জন্য এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোছাঃ সুলতানা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কে.এম. তারিকুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও লজিক প্রকল্প পরিচালক মোঃ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, উপ-সচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার মোঃ মহিবুল ইসলাম খান।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রামের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ হাফিজুর রহমান ও লজিক প্রকল্পের সমন্বয়কারী সেলিনা শেলী খান প্রমুখ।

এই প্রকল্প কার্যক্রম কুড়িগ্রাম, খুলনা, বাগেরহাট, বড়গুনা, পটুয়াখালী, ভোলা ও সুনামগঞ্জ এই সাত জেলার ১৯ উপজেলার ৭২ ইউনিয়নের ঝুঁকিপূর্ণ ২ লাখ পরিবার নিয়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এর মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন এই কার্যক্রমের আওতাভূক্ত করা হয়েছে।

এই কর্ম এলাকায় ইতিমধ্যে ৮১৭ জন উপকারভোগী নিয়ে ৫৬টি দল গঠন করা হয়েছে। আগামী ২০২১ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত এই প্রকল্প কার্যক্রম চলবে।

কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সুধীজন ও সাংবাদিকগণ অংশগ্রহণ করেন।

মোংলায় সাংবাদিকদের সাথে বন্দর চেয়ারম্যানের মতবিনিময়
                                  

মোংলা প্রতিনিধি ঃ মোংলা বন্দরের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, ভবিষ্যত পরিকল্পনা ও করনীয় নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম. মোজাম্মেল হক,পিএসসি,বিএন।
সোমবার সকাল ১০ টায় বন্দরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বন্দরে চলমান নানা সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের দেন বন্দর চেয়ারম্যান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বন্দরের বোর্ড ও জনসংযোগ বিভাগের সচিব ওহিউদ্দিন চৌধুরী, উপসচিব মো. মাকরুজ্জামান, সহকারী জনসংযোগ কর্মকর্তা টিপু সুলতান, ট্রাফিক অফিসার মো.সোহাগ, মোংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও বন্দর ব্যবহারকারী হোসাইন মোহাম্মদ দুলাল, সাংবাদিক আহসান হাবীব হাসান, মনিরুল হায়দার ইকবাল, নূর আলম শেখ, মনিরুল ইসলাম দুলু, মাহমুদ হাসান, রিয়াজুল আলীম, মনির হোসেন, আসাদুজ্জামান দুলাল, মাসুদুর রহমান টুটুল, সোহেল হাওলাদার, এমরান হোসেন বাবুল, কামরুল চৌধুরী, মো. শরিফুল ইসলাম, মো. নূর আলম, কবির হোসেন, খাইরুল ইসলাম খোকন, ইলিয়াস হোসেন, মো. হান্নান, রুহুল আমিন হাওলাদার, বোর্ড ও জনসংযোগ বিভাগের দিদারুল আলম দিদার প্রমূখ।

সভায় বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক নেতা হোসাইন মোহাম্মদ দুলাল, আহসান হাবীব হাসান, মাহমুদ হাসান ও মনিরুল হায়দার ইকবাল।

সভায় মোংলা বন্দরের সুবিধাদী সম্প্রসারন ও আধুনিকায়ন, আধুনিক বর্জ্য ও নিঃসৃত তেল অপসারন ব্যবস্থাপনাসহ চলমান প্রকল্প, পশুর চ্যানেলে ইনার বারে ড্রেজিং, সহায়ক জলযান সংগ্রহ, আপগ্রেশন অব মোংলা পোর্ট অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন ভবিষ্যত প্রকল্প ও বিবেচনাধীন উল্লেখযোগ্য ভবিষ্যত প্রকল্প নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা করেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোজাম্মেল হক, পিএসসি,বিএন।

 

নদী দখলমুক্ত করতে সেনাবাহিনী চায় নোঙর
                                  

সাদিক হাসান পলাশ : নদীমাতৃক বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার চারপাশে বৃত্তাকারে ঘিরে আছে চারটি নদ-নদী— বুড়িগঙ্গা, বালু, শীতলক্ষ্যা ও তুরাগ। এ নৌপথ ঘিরেই ঢাকা শহরের বিস্তার লাভ করেছে। ১৯৭০ সালে এই দেশের নৌপথের দৈর্ঘ্য ছিল ২৪,০০০ কিলোমিটার।বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করার পরে গত ৪৭ বছরে সেই নদীপথ বর্তমানে মাত্র ৩,০০০ কিলোমিটার। ক্রমেই সরু হচ্ছে ঢাকার চারপাশের সবগুলো নদ-নদী। নদীর ভেতরে গড়ে উঠছে বহুতল আবাসিক ও বাণিজ্যিক স্থাপনা। আর অস্তিত্ব হারাতে বসেছে ঢাকার চারপাশের নদ-নদীসহ দেশের বেশির ভাগ নদী।
হাতিরঝিলের মতো অপরাধের অভয়ারণ্য দখল মুক্ত করে যে নান্দনিক একটি দৃষ্টিনন্দন দর্শনীয় স্থান গড়ে তুলতে যে ভাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতা নেয়া হয়ে ছিল, ঠিক সেই রকম করে দখল হয়ে যাওয়া সকল নদী উদ্ধার করতে দ্রæত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতা নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করে নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর’।
নোঙর গত ১৪ বছরে বাংলাদেশের নৌপথের নিরাপত্তা এবং নদী দখল-দূষণ রোধ করতে সরেজমিনে গবেষণায় দেখা যায় নদী দখলের ভয়ঙ্কর চিত্র। বৃহষ্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘দেশের সকল নদী দখল মুক্ত করতে দ্রæত সেনাবাহিনী চাই’ শীর্ষক মানববন্ধনের আয়োজন করে সংগঠনটি ।
গত ২০০১ সাল থেকে এই পর্যন্ত ঢাকার চারপাশে নদ-নদীগুলোর ২৫০ একরের বেশি জায়গা দখল হয়েছে। যদিও রাজধানীর ভেতরে গত সাড়ে তিন দশকে খাল, জলাশয় ও নিম্নভূমি দখল হয়েছে প্রায় ১০ হাজার ২৪৫ হেক্টর। আইডবিøউএম‘র সমীক্ষায় দেখা যায়, ১৯৭৮ সালে ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় জলাভূমির পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৯৫২ ও নিম্নভূমি ১৩ হাজার ৫২৮ হেক্টর। একই সময়ে খাল ছিল ২ হাজার ৯০০ হেক্টর। ২০১৪ সালে ঢাকা ও আশপাশে জলাভূমি কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৩৫, নিম্নভূমি ৬ হাজার ১৯৮ ও নদী ১ হাজার ২ হেক্টর।
২০০১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা দখলের চিত্রে দেখা গেছে, ঢাকার চারপাশে সবচেয়ে বেশি দখল হয়েছে তুরাগ নদ। আবদুল্লাহপুর থেকে গাবতলী পর্যন্ত ৫ দশমিক ৭৬ মাইল এলাকাজুড়ে গত এক যুগে নদের ১২০ দশমিক ৭৯ একর ভুমি দখল হয়েছে। এর পর সবচেয়ে বেশি দখল হয়েছে আদি বুড়িগঙ্গা নদী। কামরাঙ্গীরচর থেকে বসিলা পর্যন্ত ৭ দশমিক ৪১ মাইল এলাকায় গত এক যুগে নদীটি দখল হয়েছে ৯৭ দশমিক ১৭ একর। কাঁচপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত ৩ দশমিক ৫৭ মাইলজুড়ে শীতলক্ষ্যা ও ডেমরা থেকে নন্দীপাড়া পর্যন্ত ৪ দশমিক ২ মাইলজুড়ে দখল হয়েছে বালু নদ।
বুড়িগঙ্গা ও বালু নদ-নদী দুটি যথাক্রমে ২৩ দশমিক ৮৩ ও ৮ দশমিক ৮৪ একর দখল করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২৬০ দশমিক ৬৩ একর খাল ও নদী দখল করা হয়েছে। এই নদী দখলে প্রতিযোগিতার দৃশ্য এখন সারা দেশজুড়ে। তাই নোঙর মনে করে যে, নদী দখল হওয়া মানে মাতৃভুমি দখল হয়ে যাওয়া। সুতরাং নদীমাতৃক দেশের সকল নদ-নদী, খাল- দখল মুক্ত করতে দ্রæত সেনাবাহিনী নিয়োগ করা জরুরী।পাশাপাশি সকল নদী খোকোদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে দেশের সেবা প্রদান করবে।
চারটি নদীর মধ্যে তুরাগের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। বিভিন্ন ধরনের শিল্প-কারখানা গড়ে তুলে এটি এমনভাবে দখল করা হয়েছে, যা সরু খালে পরিণত হয়েছে। ফলে স্যাটেলাইট ইমেজে তুরাগকে খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে তুরাগ একসময় হারিয়ে যাবে।
নোঙরের অনুসন্ধানে আরো বলা হয়েছে, নদ-নদীগুলো দখল করে বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। কামরাঙ্গীরচর ও বসিলায় নদী দখল করে বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামো সবচেয়ে বেশি গড়ে তোলা হয়েছে। এলাকা দুটিতে এ হার যথাক্রমে ৫০ ও ৫৬ শতাংশ। এছাড়া আবদুল্লাহপুর, গাবতলী, ডেমরা, কাঁচপুর ও নারায়ণগঞ্জ এলাকায় নদী দখল করে ৩৮-৪৮ শতাংশ স্থানে বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। গাছপালা ও কৃষিজমি হিসেবে বেশি ব্যবহার হচ্ছে নন্দীপাড়ায় ৭৩ শতাংশ জমি। আর পরিত্যক্ত জমি হিসেবে বেশি অংশ রয়েছে বসিলায়, প্রায় ৩১ শতাংশ। মানববন্ধনে নোঙর প্রতিষ্ঠতা সভাপতি সুমন শামস এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন পরিবেশবাদি সংগঠনের একাধিক প্রতিনিধিরা।

সংস্কৃতিতে অনুদান নয় বিনিয়োগ প্রয়োজন: হাসান ইমাম
                                  

সাদিক হাসান পলাশ: সংস্কৃতিতে অনুদান নয় বিনিয়োগের জন্য সরকারের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম। আজ দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে "নির্বাচন-২০১৮: অপরাজনীতির প্রস্থান ও নতুন অধ্যায়ের সূচনা" শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। জাগো বাংলা ফাউন্ডেশন এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেনি, করেছে একটি চক্র। এই চক্র এখন সজাগ। তাদেরকে প্রতিহত করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে । বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে বাংলাদেশ বহু বছর পিছিয়ে গেছে। ব্যক্তি স্বার্থ দূর করে রাজনীতি করতে হবে। আমাদের সংস্কৃতির পরিবর্তন করতে হবে। অপসংস্কৃতি দূর করতে হবে তবেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব) মোহাম্মদ আলী শিকদার অভিযোগ করেন, জিয়াউর রহমানই দেশে অপরাজনীতির জন্ম দিয়েছেন। তার দল যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন করে দেশকে কলঙ্কিত করেছে।
এ সময় বিকল্পধারার প্রেসিডিয়াম সদস্য শমসের মবিন চৌধুরী বলেন, ‘অপরাজনীতির প্রস্থান ও নতুন অধ্যায়ের সূচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। এটা অব্যাহত রাখতে হবে।
বৈঠকে সাংবাদিক সুভাষ সিংহ রায় বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস বিকৃত করার জন্য কী না করা হয়েছে? আজকের বাংলাদেশ এক নতুন বালাদেশ। বিএনপিকে এখন মাইনাস ৩টি ফর্মুলা বাস্তবায়ন করতে হবে। এগুলো হচ্ছে তারেক রহমান, জামায়াত ইসলাম ও জঙ্গিবাদ।
সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, জেনারেল শওকত আলী বলেছিলেন- জিয়া এবং তিনি বাধ্য হয়েই মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছেন। তিনি ওপারে গিয়েছেন পাকিস্তানের চর হিসেবে। আমি এভিডেন্সসহ বলছি ৭৫-এ বঙ্গবন্ধু হত্যার মূল নায়ক ছিলেন মেজর জিয়া। তিনি কোনও যুদ্ধে করেননি। জিয়া মোটেও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। যদিও তিনি যুদ্ধে গিয়েছিলেন। তিনি যুদ্ধে গেছেন পাকিস্তানিদের হয়ে।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ সম্পর্কে সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ‘নির্বাচনে অনিয়মের কথা বলা হয়েছে। এইবার নির্বাচনে বহু দেশের অবজারভার (পর্যবেক্ষক) এসেছিলেন। নেপাল থেকে, ভারত থেকে, ওআইসি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে এসেছিলেন। কেউ কিন্তু মৌলিক অনিয়মের কোনো কথা বলেননি। ছোটখাটো দুই একটি ঘটনা ঘটেছে। তবে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে এত নিষ্কলুষ নির্বাচন, এত প্রচ্ছন্ন নির্বাচন আমি আগে কখনও দেখিনি, অনেক অবজারভারই দেখেননি।’
জাগো বাংলা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কবি ও সাংবাদিক নাসির আহমেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো অংশ নেন ওিয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী, বিএফইউজের সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী, বিএসএমইউয়ের হেপাটোলজির চেয়ারম্যান ডা. মামুন আল-মাহতাব স্বপ্নিল, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, ফাউন্ডেশনের সভাপতি শেখ মনিরুল ইসলাম এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক রিপন কুমার মন্ডলসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ, রাজনীতিক এবং সাংবাদিকরা।

যুদ্ধাপরাধী ও তাদের দোসরদের ভোট না দেয়ার আহ্বান
                                  

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর কাছাকাছি সময়ে এসে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুদ্ধাপরাধী ও তাদের দোসরদের ভোট না দেয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত তরুণ প্রজন্ম’ নামে একটি সংগঠন। সংগঠনের নেতারা বলেন, আগে যাদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের হিসেবে জানতাম তারাও আজ স্বাধীনতা বিরোধীদের পক্ষে কাজ করছেন।

রাজধানীর শাহবাগে বুধবার আয়োজিত এক মানববন্ধনে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দরা এ দাবি জানান। সংগঠনের পক্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক মাজহারুল কবির শয়ন বক্তব্য রাখেন। এসময় সংগঠনের সাব্বির হোসেন, মিমু দাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এই সময় নেতারা বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে মেরুকরণ হয়েছে সেখানে সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নামে একটি জোট গঠিত হয়। আমরা তরুণ প্রজন্ম বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রাকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী রাজনৈতিক দল জামায়াত ইসলাম থেকে ২২ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। ঐক্যফ্রন্ট থেকে মনোনয়ন প্রাপ্তদের মধ্যে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ও অভিযুক্ত পরিবার থেকে প্রার্থী রয়েছে ১০ জনের মতো। যা আমাদের ব্যথিত করে। আমরা ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্বে থাকা ড. কামাল হোসেন ও আ স ম আব্দুর রবদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষ হিসাবে জানতাম। সেই জায়গা থেকে আমরা ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত তরুণ প্রজন্ম’-র প্রতিনিধি দল কয়েকটি জোর আবেদন নিয়ে ড. কামাল হোসেনের সাথে দেখা করি আমাদের আবেদনের মধ্যে ছিল- জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ নিয়ে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা, জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতাকারীদের সঙ্গ ত্যাগ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতকারীদের সঙ্গ ত্যাগ। আবেদনসমূহের বিষয়ে অবগত হওয়ার পর ড. কামাল হোসেন ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে পরবর্তীতে আমাদের সাথে কথা বলবেন বলে আশ্বস্ত করেন। কিন্তু পরবর্তীতে আমাদের সাথে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। ফলে আমরা তরুণ প্রজন্ম মনে করি বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা হওয়া দরকার। সেই লক্ষ্যে আমাদের উত্থাপিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা নতুনভাবে বলতে চাই, আগামী সরকারের মেয়াদেই হবে আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব। এই সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব পালনের সময়ে স্বাধীনতাবিরোধী বা স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের কেউ জাতীয় সংসদে সাংসদ হিসাবে থাকুক আমরা তা চাই না। আমরা অতীত অভিজ্ঞতায় দেখেছি- কিভাবে স্বাধীনতাবিরোধী বা যুদ্ধাপরাধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে বেদনাবিদ্ধ হৃদয়ে আমাদের অর্জিত, পঙ্কিলতাপূর্ণ ইতিহাসের যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

অগ্নিকান্ড বিষয়ে গামেন্টস শ্রমিক-মালিকদের সচেতনতা বাড়ছে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : গামেন্টস শ্রমিক-মালিকদের মধ্যে অগ্নিকান্ড সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়ছে বলে জানিয়েছে সলিডারিটি সেন্টার অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা। এসবের ফলে এখন গামেন্টস ফ্যাক্টরিতে অগ্নিকান্ডের মতো ঘটনা কমে গেছে বলেও জানান তারা। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে সলিডারিটি সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব কথা বলেন তারা।

সলিডারিটি সেন্টারের কান্ট্রি প্রোগ্রামের পরিচালক ক্রিসটোপার কে জনসন বলেন, বাংলাদেশে গামেন্টস শ্রমিক ও মালিকদের মধ্যে এখনও বড় একটি ব্যবধান কাজ করে থাকে। মালিদের সঙ্গে মুক্তভাবে কথা বলাটা যেন অনেক বড় বিষয় শ্রমিকদের কাছে। তবে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির পর গামেন্টস শ্রমিক ও মালিকদের মধ্যে সচেতনা তৈরি হয়েছে। সকল গার্মেন্টেসে এখন ফায়ার টিম তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, যদিও অনেক ফ্যাক্টরির মালিকের নামে মাত্র ফায়ার টিম তৈরি করলেও অগ্নিনির্বাপন বিষয়ে তাদের কার্যক্রম ও দক্ষতা তৈরির কোন কার্যক্রম করা হয় না। মূলত বিদেশি ক্রেতাদের কাছে কাজ পেতেই তারা নামে মাত্র ফায়ার টিম তৈরি করেন।

জনসন আরও বলেন, বাংলাদেশে আমরা ২০০ শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। নানা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শ্রমিক নেতাদের এ বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সলিডারিটির সিনিয়র লিগাল কাউন্সিলর এ্যাডভকেট এ কে এম নাসিম বলেন, অনেক গার্মেন্টেসে মালিকরা ফায়ার টিম গঠন করছে। কিন্তু তাদের কার্যক্রম নেই। এ কারণে সেখানে আগুন লাগলে এই দোহাই দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছেন। তাই কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। আগুন লাগার ঝুকি নিয়েই সেই প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, এ বিষয় নিয়ে আমরা মালিক পক্ষের সঙ্গে নানাভাবে আলাপ-আলোচনা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। শুধু শ্রমিক নয়, মালিক পক্ষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হলেই বাংলাদেশের গামেন্টস ফ্যাক্টরিতে আগুনের ঝুকি কমে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। সেমিনারে বিভিন্ন কারখানায় কাজ করা শ্রমিক নেতারা গার্মেন্টস সেক্টরে সেসব অগ্নিকান্ডের ঝুঁকি রয়েছে সেসব বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। পাশাপাশি তাদের কর্মক্ষেত্রে বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যুতি দেখিয়ে দিয়ে তা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই সমাধান করতে সক্ষম হয়েছেন।তবে সারাদেশে সাড়ে ৩ হাজার গার্মেন্টস কারখানার তুলনায় এটি অনেক কম। এক্ষেত্রে সরকারেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।

সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সলিডারিটি সেন্টার অব বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর কেলি ফে রড্রিজ, সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মির্জা সানাম, প্রোগ্রাম অফিসার রাকিবুল হাসান প্রমুখ। এছাড়া দেশের বিভিন্ন কারখানা থেকে আগত শ্রমিক নেতারা তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।

 

জামালপুর হবে বাংলাদেশের মডেল ব্যবসায়িক কেন্দ্র
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : জামালপুর শহর হবে বাংলাদেশের মডেল ব্যবসায়িক কেন্দ্রবিন্দু, যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে সারাদেশের মানুষের মাঝে। জামালপুর শহরকে আধুনিকায়ন করে গড়ে তোলার জন্য সরকার ৩ লাখ কোটি টাকার উন্নয়নের কাজ এ পর্যন্ত শেষ হয়েছে।

গতকাল ইডিইবি ভবনে জামালপুর সমিতির ঈদ পূণর্মিলনী -২০১৮ ও সম্মানিত সিআইপিদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন আওয়ামী লীগ সরকার যোগাযোগ ও ব্যবসায়িক শিল্প কারখানা গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। জামালপুর শহরে জমি বরাদ্দ করে সেখানে কুঠির শিল্পের নগরীসহ একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার হবে যেখানে ব্যবসায়িরা থাকা খাওয়ার সুযোগ সুবিধাসহ এমন একটি আধুনিক ডিজিটাল মডেল মার্কেট ও শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হচ্ছে। জামালপুর শহর থেকে মাত্র দেড় ঘন্টায় গাজীপুর যাওয়ার জন্য দ্রুতগামী ট্রেন লাইনের রাস্তা হচ্ছে। জামালপুরের ব্রম্মপুত্রনদকে ড্রেজারের মাধ্যমে খনন করে সরাসরি ভারত থেকে মাল আনা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে এই ড্রেইজিংয়ের কাজ দীর্ঘ সময় চলবে যা জামালপুর শহরের মানুষ লাভবান হবে। জামালপুর সমিতির উদ্দ্যোগে সম্মানিত  সিআইপিদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি মহাদানবীর ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব হাসান মোহাম্মদ রাজা।

সিআইপি হিসাবে যারা সংবর্ধনা পেলেন তারা হচ্ছেন, ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন, রেজাউল করিম রেজনু, মেহের আফরুজ শাওন। উক্ত অনুষ্ঠানে আর উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী সিরাজুল হক, সমিতির সহসভাপতি রিয়াজুল হক, সমিতির মহাসচিব গ্রুপ ক্যাপ্টেন শফিকুল ইসলাম (অবঃ), উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী, সহসভাপতি এম রিয়াজুল হক, সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান ময়না, সহসভাপতি মাজাহারুল ইসলাম মৃনাল।

জামালপুর সমিতির সভাপতি ও ইউনাইটেড গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাসান মাহ্মুদ রাজা বলেন, জামালপুরে ইউনাইটেড হাসপাতাল গড়ে তুলা হবে যেখানে হাজার হাজার মানুষের সেবা করা হবে। বক্তারা আরও বলেন, যে জামালপুরের মানুষেরা নি¤œ আয়ের যে খানে কোন মিল ফ্যাক্ট্ররী নেই যে খানে শিক্ষার হার একদম তলানীতে সেই শহর একদিন হবে বাংলাদেশের মডেল শহর। সকল সিআইপি যারা সম্মানিত হয়েছেন তারাই হাল ধরবেন এ নগরীর। ভবিষ্যত প্রজন্মকে উন্নয়ন করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি যে নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী ও সেনাবাহিনীতে আমাদের ছেলেরা ভর্তি হচ্ছে আমাদের সমিতির মাধ্যমে তাদের সহযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছি। ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার ও সচিব পর্যায়ে যারা চাকরী করছেন তাদেরকেও সহযোগিতার হাত বারিয়ে দিতে হবে যাতে আমাদের জামালপুর একটি আধুনিক শিক্ষিত মডেল শহর হিসাবে গড়ে তুলতে পারি। সর্বশেষে  লটারী ড্র ও নৈশ্য ভোজের আয়োজন করা হয়।

যৌতুক ও মাদকের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এর ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেছেন, যৌতুক ও মাদকের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স ভূমিকা পালন করছে। এই দুই অভিশাপ থেকে দেশবাসী ও বিশাল তারুণ্য শক্তিকে বাঁচাতে ঘরে ঘরে প্রতিরোধের বলয় তৈরি করতে হবে। আনজুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর এর উদ্যোগে রাজধানীর বিএমএ অডিটোরিয়ামে যৌতুক ও মাদকবিরোধী সেমিনার গতকাল শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আনজুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক এডভোকেট সৈয়দ মোখতার আহমদ সিদ্দীকি।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এর ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমাযুন। উদ্বোধক ছিলেন নারিন্দা মশুরীখোলা দরবার শরীফের পীর সাহেব আল্লামা শাহ্ মুহাম্মদ আহ্ছানুজ্জামান।
যৌতুক ও মাদকবিরোধী সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, দেশে গরিবের সংসারে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। যৌতুক দিতে না পারায় দেশে প্রতিদিনই শত শত বিয়ে ভাঙছে। কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা-মাতার আর্তনাদ ও আহাজারি থামাতে কেউ সত্যিকার অর্থে এগিয়ে আসছে না। মাদকের সহজলভ্যতা যুব তরুণদের বিপথে ঠেলে দিচ্ছে। হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবাসহ সর্বনাশা মাদক। যুব সমাজ ফেসবুক মোবাইল আসক্তিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত থেকে নিজেদের সম্ভাবনাময়ী জীবনকে অর্থহীন করে তুলছে।

বক্তারা বলেন, যৌতুক ও মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন ও অভিশাপ থেকে বাঁচতে সারা দেশে গণজাগরণ গড়ে তুলতে হবে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে এব্যাপারে সবাইকে সচেতন করে তোলার দায়িত্ব পালন করতে হবে। আলেম-ইমাম-খতিবদের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের পেশাজীবীদেরকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। নির্দিষ্ট বিষয়ে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষক-শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল। সেমিনারে পঠিত প্রবন্ধের ওপর বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এর মহাসচিব মাওলানা এম এ মতিন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল, দিনাজপুর ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক ড. আল্লামা সৈয়দ এরশাদ আহমদ আল বোখারী, ঢাকা কাদেরীয়া তৈয়বীয়া আলিয়া মাদ্রাসার উপাধ্যাক্ষ আবুল কাশেম মুহাম্মদ ফজলুল হক, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক ড. মোহাম্মদ মাসুম চৌধুরী, সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট কুতুব উদ্দিন চৌধুরী, মুফতী মোঃ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী, মুফতী মোঃ এহসানুল হক মেজাদ্দেদী।

সেমিনারে মুখ্য আলোচক ছিলেন আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান আন্তর্জাতিক মুফাস্সিরে কুরআন পীরে তরিকত আল্লামা মুহাম্মদ আবুল কাশেম নূরী (মজিআ)। তিনি বলেন, যৌতুকের আগ্রাসন ও অশুভ হাতছানি থেকে গরিব পরিবারগুলোকে মুক্তি দিতে আমি এক যুগ ধরে সোচ্চার রয়েছি। চট্টগ্রাম-ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সভা-সম্মেলন-সেমিনার করে আসছি। আমাদের আন্দোলনে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করছি। এখন যৌতুকমুক্ত বিয়ের প্রচলন জোরদার হচ্ছে। যুব সমাজ যৌতুক দেয়া-নেয়াকে অসম্মানজনক ও অপরাধ বলে বুঝতে শিখেছে। এতেই মূলত আমাদের আন্দোলনের সাফল্য। আল্লামা নূরী যৌতুক দেয়া-নেয়া বন্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করার এবং প্রয়োজনে বিদ্যমান আইনকে সংশোধন ও বাস্তবানুগ করার দাবি জানান। তিনি যৌতুকমুক্ত বিয়ের প্রণোদনা হিসেবে যুবক-যুবতীদের সরকারি চাকরি অথবা সহজ শর্তে বিনা সুদে আর্থিক অনুদান দিতে সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। আল্লামা নূরী বলেন, ইমানি ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমি যৌতুক ও মাদক বিরোধী আন্দোলন শুরু করেছি। এতে যারা আমার সাথে সম্পৃক্ত আছেন সবাইকে জানাচ্ছি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। বিশেষ অতিথি এম এ মতিন বলেন, যৌতুক ও মাদকের আগ্রাসন থামাতে হলে বিদ্যমান আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে বিদ্যমান আইনকে যুগোপযোগী, কার্যকর ও বাস্তবায়নযোগ্য করতে হবে। বিশেষ অতিথি মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সচিব মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, যৌতুক দেয়া নেয়া বন্ধে গণঘৃণাবোধের বিকল্প নেই। যৌতুক দেয়া-নেয়া দুটোই সমান অপরাধ গণ্য করলে এই সমস্যা থেকে নিষ্কৃতি মিলতে পারে। বিশেষ অতিথি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল বলেন, যৌতুক ও মাদকের ছোবল থেকে সত্যিকার অর্থে মুক্তি পেতে হলে পরিবার ও সমাজ থেকেই আন্দোলনের সূচনা করতে হবে। আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ বলেই যৌতুকের অভিশাপে দেশে গরিবদের আহাজারি থামাতে পারছি না। মাদক নির্মূলেও আমরা যথেষ্ট সোচ্চার নই। যৌতুক ও মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর ভূমিকার পাশাপাশি আলেম ও ইমাম সমাজকেও অগ্রণী ভূমিকা রাখার তাগিদ দেন তিনি। মূল প্রবন্ধে অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল যৌতুক ও মাদকের নানা ক্ষতির দিক, এ ব্যাপারে কী করণীয়, মাদকের উৎস বন্ধ করা, মিয়ানমার টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা আসা থামাতে সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেয়াসহ নানা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। বিশেষ অতিথি  তিনি বলেন, মাদকের উৎসে হাত না দিলে এর থেকে নিস্তার মিলবে না। আর যৌতুকের ভয়াবহতা থেকে লক্ষ লক্ষ গরিব পরিবার থেকে বাঁচতে সরকারের পাশাপাশি সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে জোরালো ভূমিকা পালন করে যেতে হবে। সেমিনার প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা আবদুল হাকিম  এবং আবু নাছের মুসা এর যৌথ সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাষ্টার মোহাম্মদ আবুল হোসেন।

সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া ট্রাস্ট এর সেক্রেটারি এডভোকেট আবদুর রশিদ দৌলতি, সংগঠনের কাতার সভাপতি কাজী মুহাম্মদ ফোরকান রেজা, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল গণি, এডভোকেট ইসলাম উদ্দিন দুলাল, অধ্যক্ষ জাফর আলম হেলাল, অধ্যক্ষ মোস্তাক আল কাদেরী, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোঃ আবু আজম, মদিনা স্টার গ্রুপ এর চেয়ারম্যান গোলাম মাহমুদ ভূইয়া মানিক, বিশিষ্ট আইনজীবি এডভোকেট ইকবাল হাসান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা সভাপতি এইচ এম শহীদ উল্লাহ, হাজী সৈয়দ মুহাম্মদ সেলিম, মুহাম্মদ আবুল হাসান, সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম, অধ্যাপক এমরানুল ইসলাম, নুরুল্লাহ রায়হান খান, মুহাম্মদ ইমরান হোসেন তুষার, মোঃ মিয়া জোনাইদ, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল কাদের রজভী, মোঃ জাহিদুল হাসান রুবাইত, মোঃ তারেক আজিজ, মোঃ ফরিদুল আলম, রজভীয়া নূরীয়া ইসলামি সাংস্কৃতিক ফোরাম এর সভাপতি শায়ের মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী, এস এম ইকবাল বাহার চৌধুরী, মোঃ সাইফুলসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
                   

বেগম মুজিব ছিলেন বঙ্গবন্ধুর প্রেরণা ও শক্তির উৎস
                                  


নিজস্ব প্রতিবেদক : বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেছেন, বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন বঙ্গবন্ধুর প্রেরণা ও শক্তির উৎস। বঙ্গবন্ধুর সহযোদ্ধা হিসেবে মানবতার কল্যাণে সারা জীবন তিনি অকাতরে দুঃখ ও সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তিনি আরো বলেন, জীবনের শেষদিন পর্যন্ত এই মহিয়সী নারী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাশে থেকে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে গেছেন।

বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের উদ্যোগে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর ৮৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ৫১,৫১/এ পুরানা পল্টন ঢাকায় আয়োজিত আলোচনাসভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব একজন আদর্শ নারী, তার গুণাবলী বর্তমান নারী সমাজের জন্যে অনুসরণ ও অনুকরণীয়। তিনি পাঠ্যপুস্তকে বঙ্গবন্ধুর ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর জীবনীমূলক লেখা আরো অধিক অন্তর্ভূক্ত করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ও বঙ্গমাতার গুণাবলীতে উজ্জীবিত করে গড়ে তুলতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০১৮ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের মাসব্যাপি কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ গণ-আজাদী লীগ এর মহাসচিব মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি মোঃ জিন্নাত আলী খান জিন্নাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মতীন, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি-জেএসপি’র চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান মিজু, আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ খান, সংগঠনের নির্বাহী সদস্য মোঃ মাসুদ আলম, পাক্ষিক ইতি কথা’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নুরুল ইসলাম বাবুল, সংগঠনের সদস্য লায়ন খান আক্তারুজ্জামান, মোঃ রাজিবুল ইসলাম রাজিব প্রমুখ।

আলোচনা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ শহীদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন, মাওলানা হাফেজ শামসুল হক হাবিবী।

পাহাড়ে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ দেয়া হবে
                                  

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধী : পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ কয়েক দশকের সমস্যাকে রাজনৈতিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর পার্বত্য শান্তিচুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাহাড়ের মানুষকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় যুক্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সাবস্টেশন স্থাপনের মাধ্যমে খাগড়াছড়িতে বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
রোববার দুপুর পৌনে ২টার দিকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পার্বত্য চট্টগ্রামের ‘মা’ উল্লেখ করে ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেছেন, আপনার সহযোগিতায় খাগড়াছড়িবাসী দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সমস্যা থেকে মুক্তি পেল। আগে ঝড়-তুফান এলেই খাগড়াছড়ির মানুষ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কায় থাকলেও এখন সে শঙ্কা কেটে গেছে।
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলামের সঞ্চালনায় ভিডিও কনফারেন্সে স্থানীয় পামচাষি হাজি মো. আলী আকবর ও খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র ধনিরাম ত্রিপুরা বক্তব্য রাখেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ির রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী ও খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো. আলী আহম্মেদ খানসহ জেলার সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, খাগড়াছড়িবাসীর বিদ্যুৎ সঙ্কট মোকাবেলায় ২০১৩ সালের ১১ নভেম্বর খাগড়াছড়ির এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাগড়াছড়ি সদরের ঠাকুরছড়া এলাকায় ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপ-কেন্দ্র নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। আঞ্চলিক সংগঠনের চাঁদাবাজিসহ নানা কারণে ২০১৫ সালের শেষ দিকে উপ-কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।


   Page 1 of 2
     সভা-সেমিনার
বিরামপুরে প্রকল্প সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
ধনবাড়ীতে ইলেকট্্রনিক এন্ড প্রিন্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের মত বিনিময়
.............................................................................................
দাকোপে দলিতের নেটওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
শরীয়তপুরে মুজিব বর্ষের প্রস্তুতি সভা
.............................................................................................
মুন্সীগঞ্জে অনলাইনে পাসপোর্ট ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ভেরিফিকেশন সফটওয়ার কার্যক্রম
.............................................................................................
নওগাঁর আত্রাইয়ে সচেতনতা মূলক সভা
.............................................................................................
কুড়িগ্রামে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
মোংলায় সাংবাদিকদের সাথে বন্দর চেয়ারম্যানের মতবিনিময়
.............................................................................................
নদী দখলমুক্ত করতে সেনাবাহিনী চায় নোঙর
.............................................................................................
সংস্কৃতিতে অনুদান নয় বিনিয়োগ প্রয়োজন: হাসান ইমাম
.............................................................................................
যুদ্ধাপরাধী ও তাদের দোসরদের ভোট না দেয়ার আহ্বান
.............................................................................................
অগ্নিকান্ড বিষয়ে গামেন্টস শ্রমিক-মালিকদের সচেতনতা বাড়ছে
.............................................................................................
জামালপুর হবে বাংলাদেশের মডেল ব্যবসায়িক কেন্দ্র
.............................................................................................
যৌতুক ও মাদকের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স
.............................................................................................
বেগম মুজিব ছিলেন বঙ্গবন্ধুর প্রেরণা ও শক্তির উৎস
.............................................................................................
পাহাড়ে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ দেয়া হবে
.............................................................................................
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ভুমিকা অপরিসিম---মান্না
.............................................................................................
সোনাইমুড়ীর আমিশাপাড়াকে পৌরসভা ঘোষণার দাবী হলে
.............................................................................................
বাংলাদেশ অনলাইন আওয়ামী টীমের শোকসভা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
বিশ্বশান্তিতে ওআইসির স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন
.............................................................................................
২০৪১ সালে উন্নত দেশ হবে বাংলাদেশ
.............................................................................................
ঢাকাস্থ খুলনা বিভাগীয় সমিতির আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি