| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > মুসলিম নিধন-যজ্ঞ চালিয়েছে উত্তর প্রদেশের পুলিশ   > শিবির সন্দেহে` চার ছাত্রকে পিটিয়ে পুলিশে দেবার অভিযোগ   > বিজিএমইএ ভবন ভাঙ্গা : স্বয়ংক্রিয়ের বদলে সনাতন পদ্ধতিতে কেন   > ঢাকায় পাসপোর্টের জন্য হাহাকার, বিপাকে আবেদনকারীরা   > করোনাভাইরাস কী, কীভাবে ছড়ায়, কীভাবে ঠেকানো যাবে?   > ক্রিকেট : পাকিস্তান সফরে যেভাবে নিরাপত্তা দেয়া হবে বাংলাদেশ জাতীয় দলকে   > জামাল খাসোগজি হত্যা : যুবরাজ বিন সালমানের বিরুদ্ধে আমাজন বস জেফ বেজোসের ফোন হ্যাকে জড়িত থাকার অভিযোগ   > নাগরিকত্ব আইনে স্থগিতাদেশ দিতে রাজি হল না ভারতের সুপ্রিম কোর্ট   > মৃত্যুর হুমকি নিয়ে তাকে টিভি অনুষ্ঠান করতে হয়   > দ্বিতীয় রাউন্ডে জকোভিচ, তৃতীয় রাউন্ডে ওসাকার প্রতিপক্ষ কোরি গাফ  

   অপরাধ জগত -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সাতক্ষীরায় প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক লম্পট গ্রেপ্তার

শেখ হাবিবুর রহমান (হবি), সাতক্ষীরা : গতকাল  রোববার ভোর রাতে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার 

কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রাম থেকে মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে

লাল্টু গাজী (৩২) নামের এক এজাহার নামীয় লম্পট আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত লাল্টু কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বাঘাডাঙ্গা গ্রামের মৃত ইসলাম গাজীর ছেলে।

এর আগে এ ঘটনায় শনিবার রাতে কলারোয়া থানায় একটি মামলাটি দায়ের করেন ওই প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাবা।

মামলার এজাহার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,

গত শনিবার সকালে মানসিক প্রতিবন্ধী ওই কিশোরীকে বাড়িতে রেখে

তার পরিবারের সদস্যরা নিজেদের মাছের ঘেরে কাজ করতে যান।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কিশোরীর দাদী ও তার ছোট বোন বাড়ি এসে

দেখতে পান ঘরের বারান্দায় ধর্ষনের উদ্দেশ্যে তার মুখ চেপে মাদকসেবী লাল্টু ধস্তাধস্তি করছে।

ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তার পোশাক ছিড়ে যায় ও শরীরে আঁচড় লাগে।

এসময় তাদের আত্ন-চিৎকারে লম্পট লাল্টু ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রতিবন্ধী ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে লাল্টুকে আসামি করে ওই দিন রাতেই কলারোয়া থানায় ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সুপার) মোঃ ইলতুৎ মিশ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,

এ ঘটনায় ওই কিশোরী প্রতিবন্ধীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে

থানায় মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত লাল্টুকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

 

সাতক্ষীরায় প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক লম্পট গ্রেপ্তার
                                  

শেখ হাবিবুর রহমান (হবি), সাতক্ষীরা : গতকাল  রোববার ভোর রাতে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার 

কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রাম থেকে মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে

লাল্টু গাজী (৩২) নামের এক এজাহার নামীয় লম্পট আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত লাল্টু কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বাঘাডাঙ্গা গ্রামের মৃত ইসলাম গাজীর ছেলে।

এর আগে এ ঘটনায় শনিবার রাতে কলারোয়া থানায় একটি মামলাটি দায়ের করেন ওই প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাবা।

মামলার এজাহার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,

গত শনিবার সকালে মানসিক প্রতিবন্ধী ওই কিশোরীকে বাড়িতে রেখে

তার পরিবারের সদস্যরা নিজেদের মাছের ঘেরে কাজ করতে যান।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কিশোরীর দাদী ও তার ছোট বোন বাড়ি এসে

দেখতে পান ঘরের বারান্দায় ধর্ষনের উদ্দেশ্যে তার মুখ চেপে মাদকসেবী লাল্টু ধস্তাধস্তি করছে।

ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তার পোশাক ছিড়ে যায় ও শরীরে আঁচড় লাগে।

এসময় তাদের আত্ন-চিৎকারে লম্পট লাল্টু ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রতিবন্ধী ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে লাল্টুকে আসামি করে ওই দিন রাতেই কলারোয়া থানায় ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সুপার) মোঃ ইলতুৎ মিশ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,

এ ঘটনায় ওই কিশোরী প্রতিবন্ধীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে

থানায় মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত লাল্টুকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

 

জাহাঁলিয়া পাড়ায় ফাদঁ পেতে হরিণ শিকার
                                  

শামসু উদ্দীন, টেকনাফ কক্সবাজার প্রতিনিধি  সমূদ্র উপকূলীয় বাহারছড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডস্থ চৌকিদার পাড়া শীলকালী বেজ্ঞের বন বীটের সংরক্ষিত বনঞ্চল বনদস্যুদের রামরাজত্ব চলছে।

কক্সবাজার টেকনাফ বিস্তীর্ন সমূদ্র উপকূলীয় মেরিন ড্রাইব সড়ক নিমির্ত হবার পর থেকে স্থানীয়

ভুমিদস্যুরা শেষ পর্যন্ত বনাঞ্চলকে বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবহার করছেন।

সবেজমিন পরিদর্শন করে জানা যায়, মেরিন ড্রাইব সড়ক নির্মিতের পর স্থানীয় জায়গা জমির দাম বৃদ্দি পায়

এবং দেশী ও বিদেশী বিভিন্ন কোম্পানীরা মেরিন ড্রাইব সড়কের পাশ্বে অর্থ বিনিয়োগ করে জায়গা জমির মালিক বনে যায়।

স্থানীয়রা অর্থের মোহে পড়ে জায়গা জমি বিক্রি করে এখন ওরা পাহাড়ে বসতি স্থাপনে মরিয়া হয়ে ওঠে।

যার ফলে এর বিরুপ প্রভাব পড়ে স্থানীয় বনাঞ্চলের উপর।

অভিযোগ উঠেছে শীলখালী রেজ্ঞের বন বীটের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় ভুমিদস্যুদের যোগ সাজশে বনভুমি দখল এবং বনভুমির বেছাকেনার রমরমা বানিজ্য চলছে।

পাহাড় কাটা, স্থাপনা নির্মান, প্লট তৈরী, পানের বরজ সহ বাগান তৈরীর নামে কয়েক হাজার হেক্টর সংরক্ষিত বনাঞ্চল

ভুমিদস্যু কর্তৃক বেদখল হয়ে ব্যাক্তি প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে। খোজ নিয়ে জানা যায়, সংরক্ষিত বনাঞ্চল কেটে পানের বরজ, সুপারি

ও শাক সবজির বাগান সৃজন করে বেশীর ভাগ।

শীলখালী সংরক্ষিত বন বীটের বনাঞ্চলটি বন কর্তৃপক্ষের নাকের ডাগার উপর, এভাবে বিনাস হয়ে যাচ্ছে।

বনাঞ্চলে বেশীর ভাগ গড়ে উঠেছে, পানের বরজ বাগান।

বনাঞ্চল বসতি স্থাপন গড়ে উটার পর পাহাড়ে বন্যপ্রানি অবলুপ্ত ঘটে এবং পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাব পড়ছে।

এদিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের জাহাঁলিয়া পাড়া সংলগ্ম বনাঞ্চলে হরিণ শিকারের মহৌৎসব চলছে।

স্থানীয় হরিণ শিকার তথা পল্লান জাহাঁলিয়া পাড়া বনাঞ্চলের মাঠ পাড়ায় ফাঁদ তৈরী করে প্রতি কেজি ১ হাজার টাকা করে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জাহাঁলিয়া পাড়া, মিটা পানিরছড়া, হাবিরছড়া ও নোয়াখলী এলাকার পোশাদার হরিণ শিকারীরা

শীতকালীন মওসূকে হরিন শিকারে মত্ত হয়ে উটায় এখানকার হরিণ প্রজনন কেন্দ্র বিলুপ্তি ঘটার আশংখা দেখা দিয়েছে।

সমপ্রতি জাহাঁলিয়া পাড়ায় প্রকাশ্য দিবালোকে হরিণ শিকার করে প্রতি কেজি মাংস ১ হাজার টাকায় বিক্রি করে।

এ নিয়ে তোলপাড় দেখা দেয়। বিষয়টি টেকনাফে আলোচিত হলেও বনকর্তৃপক্ষ রহস্যজনক ভাবে নীরব ভূমিকা পালন করে আসছে।

বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ মাসিক সভায় উত্তাপিত হয়েছে এবং কয়েকজন ইউপি সদস্য এ ব্যপারে সংশ্লিষ্ঠ বনকর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছে।

 

 

অপরাধ বিষয়ক তথ্যচিত্র দেখে বন্ধুকে হত্যার পরিকল্পনা
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :  বাংলাদেশে তিন কিশোর রোলার স্কেট নিয়ে বিবাদের জেরে তাদের এক খেলার সাথীকে হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে তাকে গুরুতরভাবে জখম করেছে। পুলিশ বলছে, ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলে অপরাধ বিষয়ক তথ্যচিত্র দেখে তারা এমন পরিকল্পনা করেছে।

পাবনার ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ফিরোজ কবির জানিয়েছেন, ১৫ তারিখ রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে।

ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেছেন, চারটি কিশোর ছেলে একসাথে খেলাধুলা করতো। তাদের একজনের নাম আরাফাত।

তার রোলার স্কেট অন্য তিন বন্ধুদের মধ্যে সবচেয়ে বড় কিশোরটি কিনতে চেয়েছিল।

রোলার স্কেটটি তাকে দেয়াও হয়েছে কিন্তু বিনিময়ে কোন টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায় ওই কিশোর। তখন টাকার বদলে দুটো কবুতর চেয়েছিল আরাফাত।

মি. কবির বলেছেন, "কিন্তু টাকা বা কবুতর কিছুই না দিয়ে আরাফাতকে আখ ক্ষেতে নিয়ে রড দিয়ে পিটিয়ে তাকে মারাত্মকভাবে জখম করেছে তিন বন্ধু।"

তিন বন্ধুর বয়স ১২ থেকে ১৪ বছর। যাকে মেরে গুরুতর জখম করা হয়েছে সেই আরাফাতের বয়স ১২ বছর।

মোঃ ফিরোজ কবির বলছেন, "এই ছেলেদের মধ্যে সবচেয়ে বড় যে সে জানিয়েছে সে নিয়মিত ভারতীয় চ্যানেলে `ক্রাইম পেট্রল` নামে একটা অনুষ্ঠান দেখত। সে বলেছে, সেখান থেকেই সে জেনেছে কী করতে হয়।"

তিনি বলছেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী আখ ক্ষেতে রড লুকিয়ে রাখা ছিল। সেখান থেকে আখ তুলে খাওয়ার কথা বলে আরাফাত নামের বন্ধুটিকে তারা নিয়ে যায়। আখ তুলতে মাটির দিকে ঝুঁকতে বলে, তার পর পেছন থেকে লোহার রড দিয়ে পেটাতে আরম্ভ করে।

"আরাফাত জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তারা ধরে নেয় সে মারা গেছে এবং সেই অবস্থায় তাকে সেখানে ফেলে রেখে চলে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে আরাফাত চিৎকার করে উঠলে তারা আবার ফিরে এসে তাকে মারে এবং আবার মৃত মনে করে চলে যায়। সেখানেই রক্তাক্ত অবস্থায় ১২ ঘণ্টা পড়েছিলো আরাফাত।"

তিনি জানিয়েছেন, ওই তিন কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল তাদের কিশোর আদালতে তোলা হয়েছিলো।

মামলা চলাকালীন থানা হাজত থেকে তাদের কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

আর মার খেয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় আরাফাত এখন হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছে।

পশ্চিমা বিশ্বে শিশুরা টেলিভিশনে এমন অনুষ্ঠান যাতে দেখতে না পারেন সেজন্য টেলিভিশন বা ইন্টারনেটে "প্যারেন্টাল লক" বলে এক ধরনের ব্যবস্থা থাকে।

সিনেমা হলে কোনটি কোন বয়সের সিনেমা, কোন সিনেমা দেখতে কত বছর বয়সীরা ঢুকতে পারবেন সে বিষয়েও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।

কিন্তু বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় বাবা-মায়ের সাথে বসেই শিশু কিশোরেরা অপরাধ ও সহিংসতা আছে এরকম অনুষ্ঠান দেখছে।

ডা. ইশরাত শারমিন রহমান বলছেন, "সবচেয়ে প্রথম কাজ হচ্ছে, অভিভাবকদেরকে আগে এসব অনুষ্ঠান দেখা বন্ধ করতে হবে।

যেটা আমি নিজে করবো সেটি বাচ্চাদের নিষেধ করলে কাজ হবে না।"

তিনি বলেছেন, শিশুদের জন্য খেলা ও অন্যান্য বিনোদনমূলক কার্যক্রম বাড়াতে হবে, যাতে তাদের আগ্রহ পরিবর্তিত হয়।

মাঠ না থাকলে ঘরে যেসব খেলা যায় সেগুলো ব্যবস্থা করার কথা বলছেন তিনি। "হাতে মোবাইল ও টিভির রিমোট দিলেই হবে না, তাকে পর্যবেক্ষণের মধ্যে রাখতে হবে যে সে কী দেখছে।"

তবে তিনি বেশ গুরুত্ব দিচ্ছেন শিশুদের সাথে অভিভাবকদের নিয়মিত কথা বলার বিষয়ে, শিশু কিশোরদের কথা শোনার ব্যাপারে।

তিনি বলছেন, "শিশুরা কিছু বললে রেগে গিয়ে প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে বরং তাদেরকে অপরাধের ফল কি হয় সেটি বোঝাতে হবে। পাশাপাশি তাদের শেখাতে হবে কনফ্লিক্ট রেজুলুশন। অর্থাৎ পাশাপাশি চলতে গেলে অনেকের সাথে অনেক দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে, যা মেটাতে কাউকে আঘাত করা সমাধান নয়।"

 

পত্নীতলা বিজিবির ভারতীয় ফেন্সিডিল ও মদ উদ্ধার
                                  

পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি ঃ নওগাঁর পত্নীতলা বিজিবির অভিযানে ২০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল ও ২০ বোতল ম্যাকডুয়েল মদ উদ্ধার করেছে।
পত্নীতলা ১৪ বিজিবি ক্যাম্প সূত্র জানায়, রোববার রাত ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি)’র অধীনস্থ কালুপাড়া বিওপি`র টহল কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোঃ আঃ সালাম এর নেতৃত্বে একটি টহল দল সীমান্ত পিলার ২৭১/৫-এস হতে আনুমানিক ৫শ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চকরহমতপুর নামক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল ও ২০ বোতল ম্যাকডুয়েল মদ মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

পত্নীতলা ১৪ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোঃ জাহিদ হাসান জানান, যার সিজার মূল্য ৩৮ হাজার টাকা।

প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী উক্ত উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ব্যাটালিয়ন সিজার স্টোরে জমা রেখে পরবর্তীতে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হবে।

বগুড়ায় পুরাতন জেএমবির উত্তরাঞ্চলীয় প্রধানসহ গ্রেফতার -৪, অস্ত্র ও বিপুল বিষ্ফোরক উদ্ধার
                                  

বগুড়া থেকে এমদাদুল হক ঃ গ্রেনেড তৈরীর বিপুল সরঞ্জাম ও অস্ত্র সহ গ্রেফতার হয়েছে পুরাতুন জেএমবি উত্তরাঞ্চলীয় প্রধান আতাউর রহমান সহ চার জঙ্গী।

গত শনিবার দিবাগত রাত ১ টায় বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার পাকুরতলা বাস্ট্যান্ড থেকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ সদস্যরা।

পুলিশ সদর দপ্তরের এলআইসি শাখা ও বগুড়া গোয়েন্দা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। তাদের বিরুদ্ধে বিষ্ফোরক ও অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জিজ্ঞাসা বাদর জন্য তাদের ১০ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দাওয়াতি বিভাগ প্রধান আতাউর রহমান ওরফে হারুন ওরফে আরাফাত (৩৪), পুরাতন জেএমবির রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বায়তুল মাল প্রধান ও নওগাঁ জেলার দায়িত্বশীল মিজানুর রহমান ওরফে নাহিদ ওরফে মোরছাল (৪২), পুরাতন জেএমবির গাইবান্ধা জেলার দায়িত্বশীল জহুরুল ইসলাম ওরফে সিদ্দিক (২৭), পুরাতন জেএমবির বগুড়া জেলার দায়িত্বশীল মিজানুর রহমান (২৪)।

তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে ১০দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলে সংবাদিকদের জানান পুলিশ সুপার।
গতকাল রোববার  বেলা ১১ টায় পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা বিপিএম আরো জানান,গ্রেফতারকৃতরা ঐ স্থানে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিল।

তারা কি কারনে বৈঠক করছিল তা জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জানা যাবে, একারনে তাদের প্রত্যেককে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে।

গ্রেফতারকৃতদের কাছে থেকে একটি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, ২টি চাপাতি, চাকু, ১ কেজি বিস্ফোরক, ৮টি গ্রেনেড বডি, ১০ টি গ্রেনেড তৈরীর সার্কিট বডি, ১০০ কে ৩০টি রেজিষ্টেন্স, ১০০ কে ১৫টি ক্যাপাসিটর সহ গ্রেনেড তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার জানান , রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বেটুবাড়ী আ: করিম সরকারের ছেলে আতাউর রহমান সেখানকার একটি স্কুলের ল্যাব সহকারী।

তার বিরুদ্ধে ২০১৬ সালে সন্ত্রাস নিরোধ আইনে মামলা হয়। ২০১৩ সালে সে জেএমবিতে যোগ দিয়ে রংপুর বিভাগের দাওয়াতি বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে।

২০১৮ সাল হতে সে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে দাওয়াতি বিভাগের প্রধান হন।
নওগাঁ জেলার পোরশা থানার কাশিপাড়া গ্রামের গোলাম মোহাম্মদের ছেলে মিজানুর রহমান ওরফে নাহিদ ২০০৪ সাল থেকে জেএমবির সক্রিয় সদস্য।

সে বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে নওগাঁ জেলার সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাদের কারাবন্দি পরিবারকে টাকা দিত।
পুরাতন জেএমবির গাইবান্ধা জেলার দায়িত্বে থাকা জহুরুল ইসলাম ওরফে সিদ্দিক (২৭) গাইবান্ধার রামচন্দ্রপুর সোনারপাড়া গ্রামের আ: গফ্ফারের পুত্র।

২০১১ সালে ঢাকায় সোয়েটার কোম্পানীতে চাকুরীকালীন জেএমবিতে যোগ দিয়ে গাইবান্ধা জেলায় দাওয়াতি কার্যক্রম শুরু করে। ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার ছদ্মবেশে ডিম, পেপার ও পাপ্পন বিক্রি করে দাওয়াতি কার্যক্রম চালাতো। সে মিজানুর রহমান ওরফে নাহিদের জামাতা।
বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার হাটশেরপুরবাধ করমজাপাড়া গ্রামের হামিদুল ইসলামের পুত্র মিজানুর রহমান বগুড়া জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত।

২০১৬ সালে সে পুরাতন জেএমবিতে যোগদান করে পরের বছর জেলার দায়িত্বশীল হয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সে বগুড়া পৌর টেকনিক্যাল এন্ড কলেজ থেকে ২০১৪ সালে এইচএসসি পাশ করে।
ব্রিফিংকালে উপস্থিত ছিলেন পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল, ওসি ডিবি আছলাম আলী সহ পুলিশ কর্মকর্তাগন।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, উত্তরাঞ্চলের জেএমবির প্রধান টাঙ্গাইলের তৌকির আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ক্রসফায়ারে নিহত হওয়ার পর আতাউর রহমান এই অঞ্চলের দায়িত্ব পান।

সেই থেকে তারা নিষিদ্ধ এই সংগঠনের কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তবে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কর্মকান্ড সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানা যাবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

 

চুরির মামলায় ফাঁসলেন বিচারপতি সিনহার ভাতিজা
                                  

ডেস্ক রির্পোট : বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ভাতিজা রনজিৎ সিনহা যুক্তরাষ্ট্রে চুরির মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর এখন জেল-জরিমানার মুখে ।

নিউ ইয়র্কের সেথাম সিটিতে মুনলাইট গ্যাস স্টেশনে কর্মরত অবস্থায় বিপুল অর্থ চুরির মামলায় সম্প্রতি গ্রেপ্তার হন রনজিৎ।

গত ১৫ নভেম্বর তাকে সরকার পক্ষের আইনজীবীরা কম শাস্তি পেতে দোষ স্বীকারের প্রস্তাব দিয়েছেন। সেটি হচ্ছে ৫ বছরের জেল এবং চুরিকৃত সমুদয় অর্থ কিস্তিতে পরিশোধ।

রনজিৎ দোষ স্বীকার করতে চাইছেন না। কারণ তাহলে জেল খাটার পরই তার গ্রিনকার্ড বাতিল করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়ে দেবে ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছেন, আইনজীবীরা ।

স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার না করলে চুরির দায়ে কমপক্ষে ১২ বছরের জেল খাটতে হবে আসামি রনজিৎকে বলে জানিয়েছেন,কলম্বিয়া কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট এটর্নি পোল সিজেজকা ।

আসামী সিলেটের কমলগঞ্জের রনজিৎ (৪৮) নিউ ইয়র্ক সিটির ব্রঙ্কসে বসবাস করতেন। গত 2০১৫ সালে হাডসন সিটি সংলগ্ন সেথাম সিটির ৩১০ রিজোর হিল রোডে মুনলাইট গ্যাস স্টেশনে কাজ নিয়ে সেখানে যান তিনি।

বাংলাদেশি সাঈদ মোহাম্মদ খোকন ওই গ্যাস স্টেশনটির মালিক ব্যবসায়র টাকার হিসেবে গরমিল পেয়ে সিসি টিভির ফুটেজ দেখে বুঝতে পারেন যে রনজিৎ অর্থ চুরি করছেন।

পরে ২০১৬ সালে ঘটনাটি ধরার পর তিনি পুলিশে অভিযোগ করলে রনজিৎ গা ঢাকা দেন। গত সেপ্টেম্বরে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সাঈদ বলেন, “বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির ভাতিজা হিসেবে আমি তাকে অনেক বেশি বিশ্বাস করেছিলাম।

তাকে কাজ দিয়ে তার আর্থিক দুরবস্থা কাটিয়ে উঠতে সহযোগিতা করতে চেয়েছিলাম। তবে তার চুরির স্বভাবে পরিবর্তন ঘটেনি।”

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিদেশ পাড়ি জমিয়ে এস কে সিনহা যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে থাকা অবস্থায় রনজিৎ তার সঙ্গে বেশ কয়েকবার দেখা করেছিলেন। রনজিৎ যুক্তরাষ্ট্রে আসার আগে ঢাকায় ‘আদম ব্যবসা’ করতেন। তাতেও প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

রনজিতের মামলা প্রসঙ্গে কলম্বিয়া কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট এটর্নি কার্যালয়ে যোগাযোগ করলে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

চুরির দায়ে জেল তাকে খাটতেই হবে। তবে তার আগে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী আলোচনা চলছে। এরপরই দণ্ড ঘোষণা করা হবে।

 

সমকামীদের জন্য অনলাইনে ফাঁদ তৈরি করা চক্রের সন্ধান করছে র‍্যাব
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : নাইমুর রহমানের (ছদ্মনাম) বাড়ি ঢাকা শহরের পাশেই। যেহেতু তিনি একজন সমকামী, সেজন্য নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তার নাম এবং বসবাসের স্থান উল্লেখ করা হচ্ছে না।

গত মে মাসের মাঝামাঝি তার ফেসবুক মেসেঞ্জারে একটি বার্তা আসে।

সে বার্তার মাধ্যমে অন্য আরেক ব্যক্তি নিজকে সমকামী হিসেবে পরিচয় দিয়ে নাইমুর রহমানের সাথে বন্ধুত্বের আগ্রহ প্রকাশ করে।

নাইমুর রহমান নিজেও বেশ কিছুদিন যাবত অনলাইনের মাধ্যমে একটি সমকামী ছেলে বন্ধুর খোঁজ করছিল।

তিনি জানান, তার মতো অনেকেই বিভিন্ন অনলাইন সাইটে সমকামী বন্ধুর খোঁজ করে।

মেসেঞ্জারে বন্ধুত্বের প্রস্তাব আসা মাত্র নাইমুর রহমান বেশ দ্রুততার সাথে সাড়া দেন। এক পর্যায়ে দুজনে দেখা করার জন্য একটি স্থান এবং সময় নির্ধারণ করেন।

"আমার মেয়েদের ভালো লাগে না। সেজন্য আমি সেই ছেলে বন্ধুর সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম।

কোন যৌন সম্পর্ক করার জন্য যাইনি। শুধু বসে গল্প করতে চেয়েছিলাম," বলছিলেন নাইমুর রহমান।

নির্ধারিত দিনে দেখা করতে যাবার পর নাইমুর রহমানকে একটি বাড়িতে নিয়ে যান তার কথিত সেই ছেলে বন্ধু।

এরপর তাকে সেখানে আটকে রেখে মোবাইল ফোন, টাকা পয়সা রেখে দেয়।

এরপর নাইমুর রহমানকে দিয়ে তাঁর বাবার কাছে ফোন করিয়ে ৪০ হাজার টাকা দাবি করে অপহরণকারীরা।

তাদের সাথে আপসরফা করে মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে ১৫ হাজার টাকা পাঠানো হয় অপহরণকারীদের কাছে।

সেখান থেকে ছাড়া পেয়ে বাসায় ফিরে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র‍্যাব-এর কাছে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

কিন্তু ঘটনার বিস্তারিত নাইমুর রহমান তার বাবা-মা`র কাছে প্রকাশ করেননি।

মি: রহমান বলেননি যে সমকামী বন্ধুর খোঁজে বের হয়ে তিনি এ বিপদে পড়েছিলেন।

তিনি বিষয়টিকে শুধুই একটি অপহরণের ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

কিন্তু র‍্যাব-এর কাছে তিনি ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ করেছেন।

"আমার বাবা-মা যদি জানতে পারে যে আমি সমকামী তাহলে তারা আমাকে মেরেই ফেলবে।

এটা শুধু আমার রড় বোন জানে। যারা আমাকে জোর করে ধরে আটকে রেখেছিল তারাও সমকামী।" বলছিলেন নাইমুর রহমান।

ঠিক একই কায়দায় গত বুধবার ঢাকা থেকে ত্রিশোর্ধ্ব এক ব্যক্তিকে অপহরণ করার একটি অভিযোগ আসে নারায়ণগঞ্জ কর্মরত র‍্যাব ১১ তে।

সে অপহরণের সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে তিন যুবককে আটক করে র‍্যাব।

র‍্যাব বলছে নাইমুর রহমানকে আটকে রাখার সাথে এ চক্রটির সম্পৃক্ততা ছিল।

র‍্যাব ১১`র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন বলেন, যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের তারা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে যে তারা নিজেরাও সমকামী।

"অনলাইনে সুদর্শন ছেলেদের ছবি ব্যবহার করার মাধ্যমে তারা সমকামীদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে," বলছিলেন র‍্যাব কর্মকর্তা আলেপ উদ্দিন।

তিনি বলেন, এসব ছবি দেখে সাড়া দিচ্ছেন তাদের সংখ্যাও কম নয়।

র‍্যাব-এর এ কর্মকর্তা বলছেন, সমকামীদের জন্য অনলাইনে ফাঁদ তৈরি করছে সে চক্রটি যেমন বড়, তেমনি এসব ফাঁদে যারা পা দিচ্ছেন তাদের সংখ্যাও বিস্তৃত।

উভয় পক্ষই সমকামী বলে দাবি করেন এই র‍্যাব কর্মকর্তা।

"আমরা এ রকম বেশ কিছু ঘটনা পেয়েছি। ভিকটিমরা আমাদের কাছে অভিযোগ করলেও তারা সমাজে লজ্জার ভয়ে প্রকাশ্যে কোন মামলা করতে চায় না," বলছিলেন আলেপ উদ্দিন।

র‍্যাব বলছে বুধবার রাতে যে তিনজনকে আটক করা হয়েছে তাদের কাছে একটি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি এবং দুটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।

সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞানের শিক্ষক ফারজানা ইসলাম বাংলাদেশের সমাজে যেহেতু সমকামিতা গ্রহণযোগ্য নয়, বরং শাস্তিযোগ্য, সেজন্য সমকামীরা তাদের পার্টনার পায় না।

ইন্টারনেটের বিস্তারের কারণে সমকামীদের সঙ্গী খুঁজে পাবার জন্য বিভিন্ন সাইট এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে তিনি মনে করেন।

"যেহেতু তাদের জীবন অবদমিত এবং তারা নিজেদের প্রকাশ করতে পারেনা সেজন্য তারা যখন অনলাইনে কোন অফার পায় তখন বিষয়টি তাদের কাছে সোনার হরিণের মতো। তাদের কমন ইন্টারেস্ট থাকে," বলছিলেন ফারজানা ইসলাম।

তিনি বলেন, শুধু সমকামীদের সম্পর্ক নয়, বর্তমানে যে কোন সম্পর্কের ক্ষেত্রে সাইবার স্পেস-এর একটি বড় ভূমিকা আছে।

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তা কামরুল ও তার স্ত্রীর যত সম্পদ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে একটি ফ্ল্যাট, একটি মাইক্রোবাস ও চার বিঘা জমির কথা উল্লেখ করে সম্পদবিবরণী জমা দিলেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তা একেএম কামরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ফাতেমাতুজ জোহরার আরও বিপুল সম্পদের তথ্য মিলেছে।

কামরুল অধিদফতরের ঢাকা মেট্রো উপ-অঞ্চলের রমনা সার্কেলের পরিদর্শক। আর জোহরা গৃহিণী।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক একেএম মাহবুবুর রহমান এই দম্পতির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করছেন ।

দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে গত ২৮ আগস্ট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পাঁচ পরিদর্শক ও তাদের স্ত্রীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ পাঠায় দুদক।

এদের মধ্যে কামরুল ও তার স্ত্রীর নামও রয়েছে।

নোটিশের ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদবিবরণী দুদকে দাখিল করার কথা থাকলেও কামরুল দম্পতি ১৫ কার্যদিবস সময় চেয়ে গত মাসের শেষদিকে সম্পদবিবরণী দাখিল করেন ।
‘আমরা একসঙ্গে পাঁচ পরিদর্শক ও তাদের স্ত্রীদের সম্পদবিবরণী দাখিলের নোটিশ পেয়েছিলাম। পরিদর্শকদের মধ্যে তিন জনের হিসাব নিয়ে কোনও সমস্যা নেই।

পরিদর্শক সুমনুর রহমান ও লায়েকুজ্জামানের সম্পদ ও সম্পদবিবরণী নিয়ে সমস্যা আছে। সমস্যা দূর করে একসঙ্গে সম্পদবিবরণী দাখিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।

সেজন্যই সম্পদবিবরণী দাখিলের সময় বাড়ানো হয়েছিল বলে বলেন, কামরুল  ।

’তিনি বলেন, ‘রাজধানীর চামেলীবাগে যে ফ্ল্যাটে আমি থাকি, সেটি মূলত আমার স্ত্রীর নামে। এটি আমার যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ভায়েরা ভাই তাকে হেবা করে দিয়েছেন।

আমার একটি মাইক্রোবাস আছে। সেটি ভাড়ায় চলে, নিজেও ব্যবহার করি। পৈতৃক সূত্রে ৩-৪ বিঘা জমির মালিক আমি।’

কামরুলের দাবি, অধিদফতরের কিছু কর্মকর্তা শত্রুতা করে দুদকে অভিযোগ করেছে।
পুরো বিষয়টি অনুসন্ধান পর্যায়ে আছে বলে দুদক উপ-পরিচালক মাহবুবুর রহমান এ বিষয়ে তথ্য জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
তবে দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র জানায়, কামরুল ও তার স্ত্রী জোহরার বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু হয় গত বছরের ৩ জানুয়ারি।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়ার পর সম্পদবিবরণী চেয়ে নোটিশ জারির অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনুমোদনের পর নোটিশ পাঠান দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।
দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী কামরুল দম্পতির নামে-বেনামে যত সম্পদ:
রাজধানীর শাহজাহানপুরে (৪১, চামেলীবাগে) ২ হাজার বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট। বর্তমান এর বাজারমূল্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকা।
মালিবাগে (শাহী মসজিদের পূর্বপাশে, হোল্ডিং নং ২২৭) দেড় হাজার বর্গফুটের করে দুটি ফ্ল্যাট। ফ্ল্যাট দুটি রানার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির কাছ থেকে কেনা।

এগুলোর বাজারমূল্য ২ কোটি টাকা।
পটুয়াখালীর চরপাড়ায় ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও পাঁচতলা বাড়ি। পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ৩ একরের বাগানবাড়ি।

একটি ইলেকট্রনিক্স কোম্পানিতে ৩০ শতাংশ শেয়ার। কালো রঙের ১৪ সিটের একটি মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-১৯-২০৪৫)।

বঙ্গোপসাগরে ১১৯ রোহিঙ্গা উদ্ধার
                                  

 

ডেস্ক রিপোর্ট : মালয়েশিয়া যাত্রাকালে একটি ট্রলার থেকে ১১৯ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।

আজ  বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে তাদের উদ্ধার করা হয়।

আজ  সকালে গোপন সংবাদে জানা যায় সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে একটি ট্র্রলার সাগরপথে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করবে।

এমন খবরে সেন্টমার্টিন কোস্ট গার্ডের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে ট্রলারসহ ১১৯ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করে।

তাদের টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হবে জানান, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড চট্টগ্রাম পূর্ব জোনের স্টাফ অফিসার অপারেশন লে. কমান্ডার সাইফুল ইসলাম  ।

উদ্ধার ১১৯ রোহিঙ্গার মধ্যে ১৪টি শিশু, ৫৮ জন নারী ও ৪৭ জন পুরুষ রয়েছে। তারা সবাই কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে আরও বলেন,লে. কমান্ডার  ।

 

বাগেরহাটে বিআরটিএ অফিসে দুদকের অভিযান
                                  

বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটে রোড ট্রান্সপোর্টৃ অথরিটির সহকারি পরিচালকের  কার্যালয়ে দুদুকের  অভিযান, এক দালালের জেল  এক জনকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে দুদকের খুলনা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নামজুল হাসানসহ চার সদস্যের একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় দালাল মিঠু মিয়াকে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসতিয়াক হোসেন তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। একই সময় দুদকের টিম বাগেরহাটে রোড ট্রান্সপোর্টৃ অথরিটির সহকারি পরিচালকের অফিসে তল্ল্যাসি চালায়। খুলনা জেলা সমন্বিত কার্য্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নামজুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, অফিসে কর্মরত (চুক্তিভিওিক) মো. মজিবর রহমান কতিপয় ব্যক্তির কাছ থেকে ঘুষ গ্রহন করার অভিযোগের সত্যতা পায় এবং অভিযোগকারিদের টাকা ফেরত দেয়। তাই  তাকে চাকরি হতে অব্যহতি প্রদানের সুপারিশ করা হয়েছে।


জবি ভবনের ১৫ কোটি টাকা লোপাট
                                  

বিশেষ প্রতিবেদক : দেশব্যাপী দুদকের দুর্নীতি বিরোধী অভিযান তোয়াক্কা না করেই ফের সরকারী অর্থ লুটপাটে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) প্রধান প্রকৌশলী ভুয়ামুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান মো. হানজালা ও তার সংঘবদ্ধ চক্র।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাম প্রশাসনিক ভবনের (৭ম ফ্লোর হইতে ১৫তম ফ্লোর) পর্যন্ত ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় ১৫ কোটি টাকা লোপাট করা হচ্ছে। কাজটি দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড দেশ উন্নয়ন লিঃ (জেভি) এর যোগসাজশে প্রক্কলন সংশোধনের মাধ্যমে ঠিকাদারকে ৭.২৮ কোটি টাকার আর্থিক সুবিধা দেয়া হয়েছে এবং সমপরিমান টাকা সরকারী কোষাগার থেকে লুটপাট করা হয়েছে।
প্রকল্প তদারককারী অন্যতম তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন, যিনি একজন সৎ, দক্ষ, কর্মঠ ও বিচক্ষণ কর্মকর্তা। তিনি ইইডি ঢাকা মেট্রো সার্কেলে কর্মরত অবস্থায় এমন অনেক দূর্নীতি প্রতিহত করেছেন এবং প্রতিহতের চেষ্টা করেছেন এবং বর্তমানেও তিনি মেট্রো সার্কেলের দূর্নীতির বিরুদ্ধে একাই প্রতিবাদ করে যাচ্ছেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ ও প্রাক্তন মন্ত্রীর আর্শীবাদপুষ্ট হওয়ায় তার প্রতিবাদ কখনও আমলে নেননি বা কখনও খোড়া যুক্তি দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। যেমন ২০১৬ সালের ২৩ নভেম্বর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন তার ৫৮৯ স্মারকে ঠিকাদার ও নির্বাহী প্রকৌশলী ঢাকা জোনকে মোজাইকের পরিবর্তে টাইলস না লাগানোর জন্য নির্দেশ দেন।
তারপর ২০১৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ৩৬ স্মারকে কেন মোজাইক দরপত্রে যুক্ত করা হল, তার প্রযুক্তিগত ব্যাখ্যা এবং মোজাইক পরিবর্তন করে টাইলস লাগালে আইনগত এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার বিষয়টি বিষদভাবে বর্ণনা করে নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মো. আবুল কালাম আক্তারুজ্জামান ঢাকা জোনকে একটি পত্র দেন। কিন্তু নির্বাহী প্রকৌশলী বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে প্রকৌশলী হয়েও একটা অপ্রকৌশলী সুলভ উদ্ভট যুক্তি উপস্থাপন করে টাইলস লাগানো বৈধ করার জন্যে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সমীপে সংশোধিত প্রাক্কলন অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করেন। দেলোয়ার হোসেন কোনভাবেই প্রতিপক্ষকে এই অনৈতিক কাজ থেকে বিরত রাখতে না পেরে ৮৪ স্মারকে প্রধান প্রকৌশলীর নির্দেশনা চেয়ে পত্র দেন। সমস্ত তথ্য উপাত্ত অগ্রাহ্য করে প্রধান প্রকৌশলী মহোদয় স্টিয়ারিং কমিটির টাইলস লাগানোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশ দেন।
গত ২০১৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারী তারিখে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ১১ শতাংশ নিম্নদরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাম প্রশাসনিক ভবনের (৭ম ফ্লোর হইতে ১৫তম ফ্লোর) পর্যন্ত উর্দ্ধমুখী সম্প্রশারণ কাজটি দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড দেশ উন্নয়ন লিঃ (জেভি) পায়। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি আইটেম অনুযায়ী দরপত্র দাখিল করে। আইটেম বিশ্লেষনে দুর্নীতির একটা অশনী সংকেত প্রথম থেকেই পরিলক্ষিত হয়। যেমন কোন কোন আইটেম অস্বাভাবিক উচ্চ মূল্য যেমন-(রড, কাষ্টিং) ইত্যাদি প্রাক্কলিত মূল্য অপেক্ষা ৩০ শতাংশ ঊর্ধ্বদর এবং কোন কোন আইটেম বিশেষ করে মোজাইক অধিক (৪২ শতাংশ) নি¤œদরে দাখিল করে। উচ্চমূল্যের কাজগুলি অর্থাৎ লাভের আইটেম শেষ করার পর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি তাদের পূর্ব পরিকল্পিত নীল নকশার অধ্যায়টি বাস্তবায়ন করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। অর্থাৎ তারা ডিপার্টমেন্টের অসাধু কর্মচারী এবং কর্মকর্তার যোগসাজশে দরপত্রে দাখিলকৃত ৪০ শতাংশ নিম্নদরের মোজাইকের পরিবর্তে টাইলস ব্যবহার করে ভেরিয়েশন আইটেম হিসাবে বিবেচনায় নিয়ে রিভাইস স্টিমেট করে সমদরে টাইলসের বিল ঠিকাদারের পক্ষে নিয়ে সরকারী প্রায় ৭.২৮ কোটি টাকা অত্যন্ত সুকৌশলে লুটপাট করে।
সূত্র জানায়, ঢাকা জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী কর্তৃক প্রেরিত সংশোধিত প্রক্কলনটি জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে তৈরী করা হয়েছে। যাতে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৭.২৮ কোটি টাকা। সংশোধীত প্রাক্কলনে তিনি উল্লেখ করেছেন ৭তলা থেকে ১৫তলা পর্যন্ত ৯টি তলার দরপত্র মূল্য ৪৫.২৪ কোটি টাকা। কিন্তু তিনি সংশোধিত প্রাক্কলনটির মূল্য নির্ধারণ করেছেন ৩৭.৪০ কোটি টাকা যা ৭ম থেকে ১২তম মোট ৬টি তলা। এই হিসেবে ৭ম থেকে ১৫তলা পর্যন্ত সংশোধিত প্রাক্কলন হয় ৫৬.১০ কোটি টাকা। যা দাখিলকৃত দরপত্র অপেক্ষা ২৪% উর্দ্ধদর। অথচ অনুমোদিত দর ছিলো ১১ শতাংশ নি¤œ দর। এভাবে প্রাক্কলন সংশোধনের মাধ্যমে ঠিকাদারকে ৭.২৮ কোটি টাকার আর্থিক সুবিধা দেয়া হয়েছে এবং সমপরিমান টাকা সরকারী কোষাগার থেকে লুটপাট করা হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন দৈনিক এবং বিভিন্ন টেলিভিশনে ইইডির প্রধান প্রকৌশলী ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান মো. হানজালা ও তার দোসরদের সীমাহীন দুর্নীতির চিত্র সিরিজ আকারে প্রকাশিত হওয়ার পরও তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর আর্শীবাদপুষ্ট দূর্নীতির বরপুত্র দেওয়ান মো. হানজালা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমান থাকা সত্ত্বেও কোন বিচারতো হয়নি। বরং অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা হয়েছিল বলে জানা যায়। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের অতি আর্শীবাদ দেওয়ান মো. হানজালা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে একটা দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে। অর্থের বিনিময়ে অনেক বেআইনি কাজকে আইনের মারপ্যাচে বৈধতা দেয়া হচ্ছে।

বেড়ানোর নামে ইয়াবা ফাঁদ, তিন নারীসহ চারজন গ্রেপ্তার
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজারে বেড়াতে নিয়ে ফাঁদে ফেলে ইয়াবা পাচার করছে একটি চক্র। মঙ্গলবার রাজধানীর কদমতলী এলাকা থেকে ২৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ এমন একটি চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তারা একই পরিবারের সিরাজগঞ্জের ব্রাহ্মণবয়ড়াপাড়ার তারা বানু (৪৮), তার কলেজপড়ুয়া ছেলে আলিফ হোসেন, আলিফের নববিবাহিতা স্ত্রী সুমাইয়া রহমান স্বর্ণ এবং তারা বানুর মেয়ে শিখা খাতুন। তারা কক্সবাজার থেকে বাসে করে ইয়াবা নিয়ে ফিরছিল।

র‌্যাব-১০-এর উপ-অধিনায়ক মেজর আশরাফুল হক বলেন, ইয়াবা কারবারিরা নিজেদের টাকা দিয়ে পরিবারটিকে কক্সবাজার ঘুরিয়ে ফেরার পথে তাদের হাতে ইয়াবার প্যাকেট ধরিয়ে দিয়েছিল। তারা বানুর স্বামী কৃষক হাবিবুর রহমান কক্সবাজারে না গিয়ে গ্রামের বাড়িতেই ছিলেন। তাঁর মাধ্যমে ব্রাহ্মণবয়ড়াপাড়ার জাকির হোসেন ও রাশিদুল ইসলাম নামের দুই ইয়াবা কারবারি এই পাচারের কাজ করছিল। জাকির ও রাশিদুল কৃষক হাবিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের বিনা খরচে ঘোরার লোভ দেখিয়ে তিন-চার দিন আগে কক্সবাজারে নিয়ে যায়।

জাবিতে মদ-গাঁজা সেবনকালে বহিরাগতসহ আটক ১০
                                  

জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) মাদক সেবনরত অবস্থায় বহিরাগত ৫ জনসহ মোট ১০ জনকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের পেছন থেকে তাদেরকে মাদক সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

আটককৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হলেন, একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের প্রথম বর্ষের (৪৭তম আবর্তন) সামিয়া ইসলাম, রুজেন নূর, নোমান, ফিন্যাস অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের একই বর্ষের (৪৭তম আবর্তন) রাকিব নেহাল তন্ময়, শারমিন সুলতানা উপমা।

অন্যদিকে আটককৃত বহিরাগতরা হলেন, গুলশান কমার্স কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নাজিয়া তাবাসসুম, দি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নাফিজ আদনান, দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আদনান শাহেদ, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জিসান আহমেদ উষ্ণ এবং সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আরমিনা আকতার।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ.স.ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে নিরাপত্তা শাখার সদস্যরা মিলে আটককৃতদের মেডিকেল সেন্টারের পেছন থেকে আটক করা হয়। পরে প্রক্টর অফিসে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের দোষ স্বীকার করে। পরবর্তীতে ভবিষ্যতে এরকম কর্মকাণ্ড না করার শর্তে অভিভাবকদের অবগত করে লিখিত মুচলেকা নেয়া হয়েছে।

প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহিন বলেন, বহিরাগতরা নিরাপত্তা শাখা অফিসে তাদের কৃতকর্মের জন্য ভুল স্বীকার করেছে। পরবর্তীতে তাদের কাছে লিখিত মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের অবগত করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

ওরা ভয়ঙ্কর প্রতারক
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রতারক ওমর ফারুক। প্রধানমন্ত্রীর নামে ৬টি এবং তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নামে ১টি ভুয়া ফেসবুক একাউন্ট খুলে প্রতারণা চালিয়ে আসছিল। হাতিয়ে নিতো অর্থ। ওমর ফারুক নিজেই আওয়ামী লীগ সমর্থক গোষ্ঠীসহ জাতীয় নেতাদের নামে ৩৬টি ভুয়া একাউন্ট খুলেছিল। সে তার নিজের নামেও ৬টি ফেসবুক একাউন্ট খুলেছে। আরেক প্রতারক সাব্বির পেশায় সাইবার কমিউনিকেশন এক্সপার্ট। সে ইতোমধ্যে ৬টি মামলার এজহারভুক্ত আসামি। সে ইতোপূর্বে তারেক জিয়া সাইবার ফোর্স, দেশ নেত্রী সাইবার ফোরাম পেজের এডমিন ছিল। সম্প্রতি সেসব পেজের নামের জায়গায় শেখ হাসিনার পরামর্শক ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নাম সংযোজন করে তাতে নিরাপদ সড়ক চাই ও কোটা আন্দোলনসহ নতুন কোনো ইস্যু পেলে সেগুলো নিয়ে উসকানিমূলক ভিডিও পোস্ট করে আসছিল।

এরকম ৫ প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। র‌্যাব-২ এর একটি বিশেষ দল তাদের গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো, মো. ওমর ফারুক (৩০), মো. সাব্বির হোসেন (২৪), মো. আল আমিন (২৭), মো. আমিনুল ইসলাম (২৫), মো. মনির হোসেন (২৯)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১২টি মোবাইল ফোন এবং ১টি ল্যাপটপও উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাওরান বাজারের র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান।

তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে সক্রিয় সাইবার অপরাধী চক্ররা এখনও ভিন্ন পথ অবলম্বন করছে। তারা এখন প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে ফেসবুকে ভুয়া একাউন্ট খুলে প্রতারণা ও রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছে। তাদের মধ্যে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মুফতি মাহমুদ খান বলেন, চক্রটি প্রধানমন্ত্রীর নামে খোলা ফেসবুক অ্যাকাউন্টগুলোতে জনসাধারণের গ্রহণযোগ্যতা পেতে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরত। তাদের পোস্টগুলোতে ওমর ফারুকের নিজের মোবাইল নম্বর দেয়া থাকতো। পোস্টগুলো দেখে সাধারণ মানুষ তাদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার জন্য ফোন করতেন। আর সেসব কল রিসিভ করত এই চক্রের সদস্যরা। তারা ফোন ধরে বলতো, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তারা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ম্যানেজ করছে ও কল রিসিভ করছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা ভুয়া এসব পেজে প্রধানমন্ত্রীর নামে নাম্বার দিয়ে তাদের নাম্বার যোগ করেছে। এতো অনেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে ওই নাম্বারে ফোন দিলে তারা ধরে। এর পর তারা নিজেদেরকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদেরকে প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করে।

সম্প্রতি সংসদে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন ফরম নেয়া প্রার্থীদের ফোন দিয়ে তাদের মনোনয়ন নিশ্চিতের ব্যাপারে প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা চালিয়েছিল তারা। তবে গ্রেপ্তারকৃতরা কত অর্থ প্রতারণা করেছে এবং তাদের রাজনৈতিক পরিচয় কি সেটি এখনও নিশ্চিত করতে পারেননি বলে জানান তিনি। তাদেরকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে সে বিষয়ে জানার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তার আল আমিন পেশায় বেসরকারি চাকরিজীবী। সে প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য জাতীয় নেতাদের ছবি বিকৃত আকারে প্রকাশ, বিভিন্ন জাতীয় প্রতিষ্ঠান যেমন-বিচার বিভাগ, সেনাবাহিনী, পুলিশকে ঘিরে মিথ্যা তথ্য সন্নিবেশ করে তাতে ভুয়া ছবি সুপার অ্যানিমেশনের মাধ্যমে ফেসবুকে পোস্ট করে।

প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতি, গ্রেপ্তার ৩
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জাল করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎকারী চক্রের মূল হোতাসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি।

মঙ্গলবার সকালে তাদের গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিআইডির বিশেষ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শারমিন জাহান।

শারমিন জাহান বলেন, প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রধানের স্বাক্ষর জাল করে এই চক্রটি প্রতারণা করে আসছে।

প্রতারণাকারী চক্রটি বিভিন্ন লোকের কাছে থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।

সোমবার গোয়েন্দা সূত্রের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে টাকা আত্মসাৎকারী চক্রের মূল হোতাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে অর্গানাইজড ক্রাইম (হোমিসাইডাল স্কোয়াড) সিআইডি।

বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানানোর জন্য সিআইডি কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান এই সিআইডি কর্মকর্তা।

ডেমরায় দুই শিশু খুনে গ্রেফতার ২
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : শিশু ফারিয়া ও নুসরাতকে খুনের ঘটনায় মূল আসামিসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার গভীর রাতে ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গত ৭ জানুয়ারি রাজধানীর ডেমরার কোনাপাড়ায় এ দুই শিশু খুন হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- মূল অভিযুক্ত গোলাম মোস্তফা ও তার চাচাতো ভাই আজিজুল।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডেমরা জোনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (এসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিশু নুসরাতের বাবা পলাশ হাওলাদার গোলাম মোস্তফা ও তার চাচাতো ভাই আজিজুলকে আসামি করে ডেমরা থানায় একটি মামলা করেন। পরে রাতেই তাদের দুইজনকে গ্রেফতার হয়।

গত মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (মিটফোর্ড হাসপাতাল) দুই শিশুর ময়নাতদন্ত করা হয়।

ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিদ্দিকুর রহমান জানান, সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহত নুসরাতের কপালে ও বাম চোখের উপরে এবং নাকের উপরে কালো দাগ আছে। আর ফারিয়ার গলার ডান পাশের সামনের দিকে কালচে দাগ রয়েছে। আমাদের ধারণা, ওই দুই শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

৭ জানুয়ারি রাতে ডেমরার কোনাপাড়ার শাহজালাল রোডের নাসিমা ভিলার নিচতলার একটি কক্ষ থেকে পুলিশ শিশু দুটির লাশ উদ্ধার করে।


   Page 1 of 26
     অপরাধ জগত
সাতক্ষীরায় প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক লম্পট গ্রেপ্তার
.............................................................................................
জাহাঁলিয়া পাড়ায় ফাদঁ পেতে হরিণ শিকার
.............................................................................................
অপরাধ বিষয়ক তথ্যচিত্র দেখে বন্ধুকে হত্যার পরিকল্পনা
.............................................................................................
পত্নীতলা বিজিবির ভারতীয় ফেন্সিডিল ও মদ উদ্ধার
.............................................................................................
বগুড়ায় পুরাতন জেএমবির উত্তরাঞ্চলীয় প্রধানসহ গ্রেফতার -৪, অস্ত্র ও বিপুল বিষ্ফোরক উদ্ধার
.............................................................................................
চুরির মামলায় ফাঁসলেন বিচারপতি সিনহার ভাতিজা
.............................................................................................
সমকামীদের জন্য অনলাইনে ফাঁদ তৈরি করা চক্রের সন্ধান করছে র‍্যাব
.............................................................................................
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তা কামরুল ও তার স্ত্রীর যত সম্পদ
.............................................................................................
বঙ্গোপসাগরে ১১৯ রোহিঙ্গা উদ্ধার
.............................................................................................
বাগেরহাটে বিআরটিএ অফিসে দুদকের অভিযান
.............................................................................................
জবি ভবনের ১৫ কোটি টাকা লোপাট
.............................................................................................
বেড়ানোর নামে ইয়াবা ফাঁদ, তিন নারীসহ চারজন গ্রেপ্তার
.............................................................................................
জাবিতে মদ-গাঁজা সেবনকালে বহিরাগতসহ আটক ১০
.............................................................................................
ওরা ভয়ঙ্কর প্রতারক
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতি, গ্রেপ্তার ৩
.............................................................................................
ডেমরায় দুই শিশু খুনে গ্রেফতার ২
.............................................................................................
মূল নির্দেশদাতা ইউপি সদস্যসহ গ্রেপ্তার ২
.............................................................................................
ইসি ভবন উড়িয়ে দেয়ার হুমকি
.............................................................................................
সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে আটক ৩
.............................................................................................
বুয়েটে তিন সাংবাদিককে আটকে রেখে ছাত্রলীগের মারধর
.............................................................................................
বিরামপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস- ২০১৮ পালিত
.............................................................................................
ভুয়া সাংবাদিকের ছড়াছড়ি বিপাকে পেশাদারা
.............................................................................................
দৈনিক ৭১ ডটকমের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক গ্রেপ্তার
.............................................................................................
রাজধানীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ৫
.............................................................................................
ঢাকায় মাদক সেবন ও বিক্রির অপরাধে আটক ৫৭
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মনীতি মানেন না ড. ‍আতিকুর রহমান
.............................................................................................
বিমানবন্দরে ১৮৮৫ কেজি মাদক ‘খাত’ জব্দ
.............................................................................................
পৌনে ৪ কোটি টাকার মোবাইল জব্দ শাহজালালে
.............................................................................................
স্বরূপকাঠীতে ইয়াবাসহ ছানিম-আসলাম গ্রেফতার
.............................................................................................
প্রতারকরা র‌্যাব পরিচয়ে অপহরণ করে লুটে
.............................................................................................
শাহজালালে বিমানবন্দরে সোনার বারসহ ৩ যাত্রী আটক
.............................................................................................
পিডিবির সাবেক প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগপত্র
.............................................................................................
ঢাবির প্রশ্নপত্র ফাঁস, গ্রেপ্তার ৪
.............................................................................................
অর্থ আত্মসাতসহ ব্যাপক অনিয়ম
.............................................................................................
দেড়শ টাকা ইলিশের কেজি
.............................................................................................
ভোলা থানার এস আই আমিনুলের বিরুদ্ধে বাণিজ্যের অভিযোগ
.............................................................................................
পুলিশের এএসআই আটক
.............................................................................................
মালয়েশিয়ানের জ্যাকেটে ৩ কোটি টাকার সোনা
.............................................................................................
নির্বাচন সামনে তৎপর সন্ত্রাসীরা
.............................................................................................
মেডিকেল ভর্তির প্রশ্নফাঁস চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার
.............................................................................................
হত্যা মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি
.............................................................................................
স্টেনোগ্রাফার থেকে সমন্বয় কর্মকর্তা লুৎফর এখন কোটি টাকার মালিক
.............................................................................................
তদন্তে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
.............................................................................................
প্রতিটি সিম বিক্রি হতো পাঁচশ থেকে পাঁচ হাজার টাকা
.............................................................................................
অবৈধভাবে সিম বিক্রি, গ্রামীণফোনের কর্মকর্তাসহ আটক ২
.............................................................................................
ইউটিউবে রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা, দুই শিবিরকর্মী গ্রেপ্তার
.............................................................................................
জাবিতে জাল নোটের ছড়াছড়ি, আটক ১
.............................................................................................
বিদেশে পালিয়ে গেছেন আক্তার হত্যার খুনি পিয়ার মাদবর
.............................................................................................
শাহজালালে মোবাইল ও স্মার্ট ঘড়িসহ ৪ কোটি টাকার মালপত্র জব্দ
.............................................................................................
সুন্দরবন কুরিয়ারের পার্সেল থেকে ইয়াবা উদ্ধার
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি