ঢাকা,মঙ্গলবার,১৩ মাঘ ১৪২৭,২৬,জানুয়ারী,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > বাঁচতে চায় নীলফামারী আতোয়ারা বেগম   > কমলগঞ্জের তাঁতশিল্পে উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা বাড়ছে বিশ্ববাজারে   > টুঙ্গিপাড়ায় সাড়ে ৩৫শ’ পরিবার পাচ্ছেন নিরাপদ পানি   > ধান সংগ্রহে লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করা হয়েছে : ইউএনও   > সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা বিষয়ক লোক সংগীত ও পথ নাটক   > মেসিবিহীন বার্সেলোনার জয়   > সাতপাকে বাঁধা পড়লেন বরুণ-নাতাশা   > এসএসসির পাঠ্যসূচি কমিয়ে সিলেবাস প্রকাশ   > কুয়াশায় মাওয়ায় বিধ্বস্ত ৭ গাড়ী, আহত অনেকে   > রিমান্ডে পিকে হালদারের তিন সহযোগী  

   নগর-মহানগর -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
চুনারুঘাট-বাল্লা সড়কের বেহাল দশা

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের চুনারুঘাট - বাল্লা সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। কার্পেটিং, ইট-খোয়া উঠে খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। কোথাও কোথাও সড়কের দু’ধার ভেঙে গিয়ে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে কৃষিপণ্যসহ অন্য মালামাল পরিবহণ। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে সড়কটি সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর। এ সড়কটি দিয়ে উপজেলার প্রান্তিক কৃষকরা কৃষিপণ্যসহ অন্যান্য মালামাল পরিবহণ করেন। এই সড়কটি দিয়ে উপজেলার আসামপাড়া, আমরোড, বগাডুবি, রাণীকোট, রাজার-বাজার, সাদ্দাম বাজার, জারুলিয়া বাজার, ইছালিয়া,কালিশিরী, চেগানগর, কোনাবাড়ি, বনগাঁওসহ ২০/২৫টি গ্রামের জনসাধারণ যাতায়াত করেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, কার্পেটিং উঠে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। রাস্তার কোথাও কোথাও ইট খোয়ার টুকরো পড়ে রয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, এ সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কের বেহাল দশা। খানাখন্দ ও গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে পানি জমা হয়ে এই সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে হয় অনেক ঝুঁকি নিয়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, চুনারুঘাট- বাল্লা সড়কের পাশে বালুমহালের বালু তোলা হয়। বড় বড় ট্রাক ও অবৈধ ট্রাক্টরে করে ওই সড়ক দিয়ে মাটি-বালু আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে সড়কটি আরও বেহাল হতে শুরু করে। চুনারুঘাট- বাল্লা রোডের সিএনজি চালক ইদ্রিস মিয়া বলেন, এই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়তই সিএনজি চালাই। সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে সিএনজি চলাচল করতে হয়।
জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) হবিগঞ্জ নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সজিব আহমেদ বলেন, চুনারুঘাট - বাল্লা সড়কটির নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চুনারুঘাট-বাল্লা সড়কের বেহাল দশা
                                  

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের চুনারুঘাট - বাল্লা সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। কার্পেটিং, ইট-খোয়া উঠে খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। কোথাও কোথাও সড়কের দু’ধার ভেঙে গিয়ে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে কৃষিপণ্যসহ অন্য মালামাল পরিবহণ। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে সড়কটি সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর। এ সড়কটি দিয়ে উপজেলার প্রান্তিক কৃষকরা কৃষিপণ্যসহ অন্যান্য মালামাল পরিবহণ করেন। এই সড়কটি দিয়ে উপজেলার আসামপাড়া, আমরোড, বগাডুবি, রাণীকোট, রাজার-বাজার, সাদ্দাম বাজার, জারুলিয়া বাজার, ইছালিয়া,কালিশিরী, চেগানগর, কোনাবাড়ি, বনগাঁওসহ ২০/২৫টি গ্রামের জনসাধারণ যাতায়াত করেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, কার্পেটিং উঠে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। রাস্তার কোথাও কোথাও ইট খোয়ার টুকরো পড়ে রয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, এ সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কের বেহাল দশা। খানাখন্দ ও গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে পানি জমা হয়ে এই সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে হয় অনেক ঝুঁকি নিয়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, চুনারুঘাট- বাল্লা সড়কের পাশে বালুমহালের বালু তোলা হয়। বড় বড় ট্রাক ও অবৈধ ট্রাক্টরে করে ওই সড়ক দিয়ে মাটি-বালু আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে সড়কটি আরও বেহাল হতে শুরু করে। চুনারুঘাট- বাল্লা রোডের সিএনজি চালক ইদ্রিস মিয়া বলেন, এই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়তই সিএনজি চালাই। সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে সিএনজি চলাচল করতে হয়।
জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) হবিগঞ্জ নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সজিব আহমেদ বলেন, চুনারুঘাট - বাল্লা সড়কটির নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

লক্ষ্মীপুরে জমিসহ ঘর পেলো ২’শ পরিবার
                                  

মো: নজরুল ইসলাম দিপু, লক্ষ্মীপুর : বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে লক্ষ্মীপুরে ২’শ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জসিসহ ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলা অডিটরিয়ামে উপকারভোগীদের ঘরগুলো বুঝিয়ে দেওয়া হয়। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাসুম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার হোছাইন আকন্দ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু, সাধারণ সম্পাদক এড. নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু। এ সময় সরকারি বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, সুশিল সমাজ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিসহ বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উপকারভোগী পরিবারের কাছে গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার পূনর্বাসন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জেলার ৪টি উপজেলায় ২’শ পরিবার ঘর পেয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৬৫, রামগতিতে ৯০, রায়পুরে ২৫ ও কমলনগরে ২০টি। এছাড়া সদর উপজেলা চরমেঘায় আশ্রয়ন প্রকল্প জান্নাতুল মাওয়ায় ২৪টি ব্যারাকের ১২০টি গৃহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
আধাপাকা প্রতিটি গৃহ নির্মাণে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। প্রতিটি ঘরের ধরন একই। সেখানে আছে- দুটি শোবারঘর, একটি টয়লেট, রান্নাঘর, কমনস্পেস ও একটি বারান্দা। এসব ঘর প্রত্যেক পরিবারের জন্য আলাদা করে নির্মাণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে গুচ্ছগ্রাম দ্বিতীয় পর্যায় (সিডিআরপি) প্রকল্পের আওতায় লক্ষ্মীপুরে দুই ধাপে ২ হাজার ৩৬টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদানের লক্ষ্যে কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে লক্ষ্মীপুরের চার উপজেলায় ‘ক’ শ্রেণীর (ভূমি ও গৃহহীন) ৩১০টি অসহায় পরিবারের মধ্যে এসব ঘর হস্তান্তরের কথা ছিল। কিন্তু কাজ শেষ না হওয়ায় বর্তমানে ২’শ পরিবারের মাঝে এসব গৃহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

নাসিরনগরে বাড়ছে ডায়রিয়ার প্রকোপ
                                  

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। ১ জানুযারী থেকে আজ পর্যন্ত ২০দিনে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অন্তত ২৩০ জন শিশু রোগী ভর্তি হয়েছে। অর্ন্তবিভাগ ও বহির্বিভাগে মিলে চিকিৎসাসেবা নিয়েছে শতাধিক। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গড়ে প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছে ১৫ জন ডায়রিয়ার রোগী। ডায়রিয়া আক্রান্তদের বেশির ভাগই ১থেকে ৫ বছরের শিশু। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স নয়ন মনি জানান, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে প্রতি ঘন্টায় ১ জন শিশু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। ভর্তি হওয়া রোগীদের সব ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। উপজেলার বুড়িশ্বর থেকে আগত ফেরু মিয়ার ছেলে ফাহিম (৬ মাস) ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়, আশরাইলের ইনচান মিয়ার ১ বছরের শিশু শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হয়েছে। শিশুদের অভিভাবকরা জানান, গত কয়েক দিনের ঠান্ডায় শিশুদের পাতলা পায়খানার সাথে বমি করা শুরু করলে চিকিৎসার জন্য তারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। দু-তিন দিন ধরে এখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ রায় বলেন, প্রচন্ড ঠান্ডা রোটা ভাইরাস দেখা দেওয়ায় শিশুরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। আক্রান্ত শিশুদের পানি শূন্যতা পূরণের পাশাপাশি জিংক দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, শিশুদের ডায়রিয়া থেকে রক্ষা করতে হলে অবশ্যই অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। পরিষ্কার -পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি ফুটানো পানি পান করাতে হবে। তাছাড়া ঠান্ডা ও বাসী খাবার খাওয়ানো থেকে বিরত রাখতে হবে।

রূপগঞ্জে ইটভাটায় বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি
                                  

সৈয়দ নাজমুল হক, রূপগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জের উপজেলার তারাবো, কাঞ্চন পৌরসভা, ভোলাবো দাউদপুর, গোলাকান্দাইল ও রূপগঞ্জ ইউনিয়নে আইনকে উপেক্ষা করে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে ওঠা শতাধিক অবৈধ ইটভাটা কৃষি জমির টপসয়েল গিলে ফেলছে। তাতে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। হুমকির মুখে পড়ছে আগামীর ভবিষ্যৎ। পরিবেশ দূষণকারী প্রায় শতাধিক ইটভাটার নির্গত কালো ধোঁয়ায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে লাখো মানুষ। মরে যাচ্ছে আম, জাম, কাঁঠাল, নারকেলসহ বিভিন্ন ওষধি ও ফলদ গাছ। ইটভাটায় ব্যবহারকারী ইছারমাথা কিংবা ভটভটির দাপটে সড়কগুলো খানাখন্দে পরিণত হচ্ছে। ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় হাঁচি-কাশি, শ্বাসকষ্টসহ ফুসফুসজনিত নানা রোগে ভুগছে উপজেলার মানুষ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ইটভাটার চিমনি দিয়ে কালো ধোঁয়া বের হচ্ছে। কোন কোন ভাটার সামনে কয়লার স্তুপ থাকলেও পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। ভাটার ভেতরে রয়েছে কাঠের স্তুপ। আশপাশের গাছগুলো বিবর্ণ। মরে যাচ্ছে গাছ। নেই আশানুরুপ ফলন। ভ্যাকু দিয়ে কৃষি ও ফসলি জমির টপসয়েল কাটা হচ্ছে। কোন কোন জমি পনের থেকে বিশ ফুট গভীরে মাটি কাটা হচ্ছে। আর ভেঙ্গে পড়ছে আশপাশের জমি। বিরাবো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবকরা বলেন, একসময় ফসলে ভরা ছিল মাঠ। চারদিকে ছিল সবুজের সমারোহ। এখন কৃষি জমিতে শুধু বালি আর ইটভাটা। আর ইটভাটার মাটি নেয়ার গাড়ি থেকে সৃষ্ট ধূলায় স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ পথচারীদের জামা কাপড় নষ্ট হচ্ছে। তারাবো পৌরসভার কান্দাপাড়া এলাকার কৃষক সিরাজ মিয়া বলেন, ঘণবসতি ও জনবহুল এলাকা কান্দাপাড়ায় স্থাপিত ইটভাটা প্রতিনিয়ত পরিবেশ দূষণ করছে। ইটভাটার মালিক স্থানীয় প্রভাবশালী হওয়ায় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবাধে ইটভাটার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিরাবো গ্রামের আব্দুল জব্বার বলেন, রাতের আধাঁরে ভ্যাকু দিয়ে গভীর খনন করে কেটে নেয়া হচ্ছে কৃষি জমির মাটি। বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি। ভাঙ্গছে গ্রামীণ রাস্তাঘাট। খানা খন্দকে ঘটছে দুর্ঘটনা।
দাউদপুর ইউনিয়নের রোহিলা এলাকার কৃষক হেলাল উদ্দিন বলেন, আমার তিন বিঘা জমিতে ধান চাষ করি। কিন্ত এবছর পাশের জমিতে ভ্যাকু দিয়ে গভীর খনন করে মাটি কেটে নেয়ায় আমার জমি ভেঙ্গে সৃষ্ট গর্তে পড়ছে। ভোলাব ইউনিয়নের তারু মার্কেট এলাকার কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, মাটি খেকোদের কারণে চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে। নিঃস্ব হতে চলছে কৃষকরা। ইটভাটায় মাটি নেয়ার কাজে সেচখালে বাঁধ দেয়ায় জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। তাতে চরমভাবে চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে। বিরাবো এলাকার কৃষক আব্দুল লতিফ বলেন, ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় গাছ পালা ঝলসে যাচ্ছে। বৃষ্টি হলে কাদা আর শুকনো মৌঁসুমে ধুলো-বালির কারণে চলাচল করা যায়না। রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার ফাতেহা নুর বলেন, কৃষি জমির উপরি ভাগের ৬/৭ ইঞ্চির মধ্যে থাকে সবধরণের জৈব গুণাগুণ। অথচ কৃষকের অজান্তেই এ জৈব গুণাগুণের মাটি কেটে নিচ্ছে ইটভাটা। তাতে উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাচ্ছে আশংকাজনকহারে। রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ নুসরাত জাহান বলেন, পরিবেশ ছাড়পত্রহীন অবৈধ ইটভাটা ও আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, সুষ্ঠু তদন্ত করে পরিবেশ দূষণকারী অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মুজিববর্ষে ঘর পাচ্ছে নওগাঁর ১১০ পরিবার
                                  

নওগাঁ প্রতিনিধি : মুজিববর্ষ উপলক্ষে নওগাঁ সদরের ভূমিহীন ও গৃহহীন ১১০টি পরিবারকে ঘর করে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। উপজেলার হাঁপানিয়া, বক্তারপুর, কীর্ত্তিপুর এবং তিলকপুরে ঘরগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। আগামী ২৩ জানুয়ারী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপকারভোগীদের মাঝে এসব ঘর হস্তান্তর করবেন বলে জানা গেছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে অসহায় দরিদ্র যাদের জমি ও ঘর নেই তাদের জমিসহ ঘর দেয়ার প্রকল্প নেয় সরকার। এ প্রকল্পের আওতায় নওগাঁ সদর উপজেলায় সরকারীভাবে ১১০টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের মাঝে ঘর দেয়া হবে। এর মধ্যে হাঁপানিয়া ইউনিয়নে ৬৯টি, বক্তারপুরে ১২টি, কীর্ত্তিপুরে ২৩টি এবং তিলকপুরে ৬টি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিটি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা। প্রতিটি ঘরে দুটি শয়নক্ষ, একটি রান্নাঘর, সংযুক্ত টয়লেট-বাথরুম ও সামনে একটি বারান্দাসহ রঙিন টিনের ছাউনি রয়েছে। এছাড়া বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ এবং পানি সরবরাহের জন্য পাম্প স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। হাঁপানিয়ার মখরপুর গ্রামের বৃদ্ধ ভ্যান চালক আতোয়ার রহমান জানান, আগে ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করলেও বয়স বেশি হওয়ায় এখন নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে আর ভ্যান চালাতে পারেন না। বয়স বৃদ্ধির পর কাজ করতে না পারায় সন্তানরা আলাদা থাকেন। স্ত্রী অন্যের বাড়িতে কাজ করে খাবার এনে দেয়। অন্যের জমিতে বেড়ার তৈরী একটি ছোট্ট বাড়িতে থেকে জীবন পার করছেন। শেষ বয়সে এসে সরকার তাকে একটি বাড়ি করে দিবে জেনে সে খুশিতে আত্নহারা। নতুন বাড়ি তৈরী হওয়ায় দেখতে এসেছেন হাঁপানিয়ার আবাদপুর গ্রামে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া এত বড় একটি উপহার পেয়ে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। কীর্ত্তিপুরের দাসকান্দি গ্রামের বিধবা খুকি বিবি বলেন, স্বামী মারা যাবার পর মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়ির এক অংশে বেড়ার ঘরে থেকে ভিক্ষা করে খেতে হয়। এর মধ্যে আমি ক্যান্সারে আক্রান্ত হই। ডাক্তাররা বলেছেন চিকিৎসা না করলে বেশিদিন বাঁচবো না। জীবনের শেষ মুহুর্তে এসে পাগল মেয়েকে নিয়ে অনেক দুঃশ্চিন্তায় ছিলাম। এই মুহুর্তে এসে সরকার আমাকে ঘর দিচ্ছে। আমার মৃত্যু হলেও আর কোনো আপসোস নেই। মরার আগে নিজের নতুন ঘরে থাকতে পারবো এটাই অনেক। মেয়েটার একটা থাকার জায়গা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামণা করছি। তার এই মহানুভবতার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মির্জা ইমাম উদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীণ থাকবে না। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে সকল ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়ন-২ প্রকল্পে গৃহ প্রদানের নীতীমালা করা হয়েছে। যারা একেবারেই গৃহহীন আছেন বিশেষ করে যারা বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা যাদের এখনই ঘর দরকার তাদেরকে আমরা বাছাই করার চেষ্টা করেছি। আমাদের ১১০টি ঘর নির্মাণের কাজ প্রায় শেষের দিকে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে তাদেরকে জমিসহ ঘরটি দিয়েছেন এমন একটি সার্টিফিকেট পাবেন তারা। জমির দলিল, নামজারির খতিয়ান, ডিসিআরসহ সার্টিফিকেট আগামী ২৩ জানুয়ারী তাদের মাঝে হস্তান্তর করা হবে। আরো ভূমিহীন গৃহহীন যারা আছেন তারা এখনো আবেদন করছেন। পরবর্তীতে যদি প্রকল্প আসে আমরা তাদেরকেও ঘর দেয়ার চেষ্টা করবো।

রাণীশংকৈলে গরুর খাবার এখন শীতকালীন সবজি
                                  

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে পৌরমার্কেট কাঁচা বাজারে ফুলকপি ও বাধাঁকপি গরুর খাদ্য হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি বস্তা ফুলকপি-বাধাঁকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ১০০ টাকায়। কিছুদিন আগেই প্রতি কেজি কপি ৭০ থেকে ৯০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে পানির দরে। এমন চিত্র দেখা গেছে সোমবার সকালে রাণীশংকৈলের শিবদিঘী প্রাত্যাহিক সকালের সবজি বাজারে। ক্রেতা বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি কেজি ১ থেকে দেড় টাকা আর বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা থেকে ১০০ টাকায় । এ নিয়ে কৃষকদের অনেক লোকসান গুনতে হচ্ছে। তারা বলছেন মাঠ থেকে বাজারে পরিবহন খরচ তুলে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। সেই সাথে মাঠে কপির পরিচর্চার টাকা একেবারেই বিফলে। প্রথমদিকে কিছুটা দাম বেশি ছিল এখন একেবারে পানির দরে বিক্রি করতে হচ্ছে তাদের। উপজেলার নেকমরদ থেকে কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম জানান, ৩ বস্তা কপি ক্রয় করেছেন ২১০ টাকায় গরুকে খাওয়ানোর জন্য। পৌরমার্কেটের চা দোকানদার আমান জানান, এখন বাজারে গরুর খামারিরা তাদের গরুকে খাওয়ানোর জন্য নিয়ে যাচ্ছে বস্তা বস্তা কপি। তিনি নিজেও তার গরুর জন্য প্রতিদিন সকালে কম দামে কপি কিনে নিয়ে যান।
তবে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা খুচরা পাইকাররা বস্তা প্রতি ভালো মানের কপি ১২০ টাকায় ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন। খুচরা বাজারে ২ থেকে ৫ টাকা দরে কপি বিক্রি করছেন তারা। জানা যায়, রানীশংকৈলের শিবদিঘী প্রত্যাহিক বাজার ঠাকুরগাঁও জেলার সবচেয়ে বড় বাজার গুলোর মধ্যে অন্যতম। তাই এ বাজারে প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসে সবজি পাইকাররা। এ বাজারে সব ধরনের আগাম সবজি ভোর থেকে সকাল ৯ টা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা যায়।
কপি বিক্রি করতে আসা সাদিকুল নামের এক কৃষক জানান, একটু ভালো দাম পেলে কীটনাশক ও পরিচর্চার খরচ উঠে আসতো। তাহলে আর এবারের ফসলে লোকসান গুনতে হতো না। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, জেলার মধ্যে এ উপজেলায় সবচেয়ে বেশি রবিশস্যের আবাদ হয়, একিই সাথে এখানে কোন রবিশস্যের সংরক্ষণাগার নেই। তবে এ বাজার দর বেশিদিন স্থায়ী থাকবেনা।

পাটকেলঘাটা-দলুয়া রাস্তার বেহাল দশা
                                  

এস এম মজনু, পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) : পাটকেলঘাটা- দলুয়া ১০ কি. মি. রাস্তার বেহাল দশা। যানবাহন চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে। এ রাস্তার এমন হাল কোন স্থানে ১০ হাতও ভালো নেই। প্রায়ই শোনা যায় বড় বড় গর্তের কারণে পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাকের টায়ার ফেটে ছিড়ে যায়। এক্সেল, পাতি ভেঙ্গে চালকের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে গিয়ে ঘটে দূর্ঘটনা। সরেজমিনে দেখা যায়, এসব দূর্ঘটনা ঘটলেও দেখার কেউ নেই। এই রাস্তা পাটকেলঘাটা-দলুয়া পর্যন্ত কাঁচামাটি ছিল। ১৯৯৬ সালে ১২ জুন নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামীলীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পর ১৯৯৭ সালে পাটকেলঘাটা থেকে দলুয়া পর্যন্ত টেন্ডার হয়। টেন্ডার হওয়ার কিছুদিন পর উক্ত রাস্তা পিচ ঢালাই হয়। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতির দিকে এগিয়ে পাটকেলঘাটা ও দলুয়া। বর্তমানে এই রাস্তার এমন হাল চলাচলের অত্যন্ত অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। পাটকেলঘাটায় সপ্তাহে ২ দিন হাট। এই হাটে ব্যবসার জন্য পূর্বাঞ্চল, পাইকগাছা, বাকা, রাঢ়ুড়ী, কাঠিপাড়া, মুড়াগাছা, গাছা, জেঠুয়া, কপিলমুনী, মাগুরা অপরদিকে বড়দল, আশাশুনির বুধহাটা, গুনাকরকাটিসহ বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা আসে এই পাটকেলঘাটায় ব্যবসার জন্য। ১৯৯৭ সালে নতুন পিচ ঢালাই হওয়ার ৬ বছরের মাথায় রাস্তার কোন সমস্যা হয়নি। তারপর কিছু কিছু স্থানে বড় বড় গর্ত হলে মাঝে মধ্যে পুটিং করে এলজিইডি কর্মচারী ও কর্মকর্তারা। বর্তমানে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। এই রাস্তা দিয়ে দৈনিক হাজার হাজার পথচারী ও যাত্রীদের চলাচল। এদিকে পাটকেলঘাটা টু দলুয়া পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার রাস্তা নতুন করে সংস্কার করার জন্য সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

বড়রিয়াতে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা
                                  

ফারুক আহমেদ, মাগুরা : মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বড়রিয়ায় শতবর্ষী মেলা ও গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের বড়রিয়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী এই মেলা ও ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দক্ষিন-পশ্চিম অঞ্চলের সর্ববৃহৎ এ মেলা ও ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা প্রতি বছর বাংলা পৌষ মাসের ২৮ তারিখে বসে। খুলনা বিভাগের সর্ববৃহৎ এ মেলাকে ঘিরে উৎসব আমেজে মেতে ওঠে এলাকার প্রায় ৫০টি গ্রামের সকল বয়াসের মানুষ। এ মেলায় মাছ-মাংশ, মিষ্টির দোকানসহ ফার্ণিচার, বাঁশ, বেত ও মৃৎশিল্পিদের তৈরি নানা রকম খেলনা ও প্রসাধনীর স্টল বসেছে বিশাল এলাকা জুড়ে।
একশত বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা ঐতিহ্যবাহী মেলার মূল আকর্ষণ ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা, নাগরদোলা, পুতুল নাচ, যাদু ও কমিডিয়ান শিল্পিদের উপস্থিতি। তবে শিশু-কিশোর, ছেলে-বুড়ো, নারীসহ সব শ্রেনি পেশার মানুষের একটাই উদ্দেশ্য গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা উপভোগ করা। তাই দূরদূরান্ত থেকে আসা নানা শ্রেনি পেশার মানুষ মাঠের মধ্যে রাস্তার পাশে এক কাতারে সামিল হয়েছে দুই চোখ ভরে ঐতিহ্যবাহী সেই ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা উপভোগ করবে বলে। প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহনের জন্য দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় ২৫টি ঘোড়া আনা হয়। দুপুর ৩টায় ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা শুরুর আগমুহুর্তে ঘোড়ার মালিক, ফকির ও ছোয়ার (জকি) ঘোড়াকে তার পথপরিক্রমা দেখাতে ব্যাস্ত। এরপর শুরু হয় কাঙ্খিত সেই ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা। শীতের বিকালে মিস্টি রোদে অন্যরকম এক আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠে লাখও দর্শক। মেলা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খাঁন জাহাঙ্গীর আলম বাচ্চু জানান, শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এ মেলা দেখতে আশপাশের কয়েক জেলার সকল শ্রেনি পেশার লাখো মানুষের আগমণ ঘটে। সকলের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবে মেলা শেষ হয়। ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা শেষে সভাপতিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলেদেন।

রাঙামাটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ১৫
                                  

রাঙামাটি প্রতিনিধি : রাঙামাটি শহরের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শিশুসহ প্রায় ১৫জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহতরা হলেন, কালাধন চাকমা(৩২), শ্যামল চাকমা(৫৫), মোঃ ইউনুছ(৭৫), আবদুল হক(৪), মোঃ সোলাইমান(৪০) ও মোঃ মীর হোসেন(২০)। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা লোকাল বাস নং- রাঙামাটি-জ-০৪-০০১৪ শহরের শিমুলতলী আঞ্চলিক পাসপোর্ট এলাকায় পৌছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের দেয়ালে ধাক্কা লেগে দূর্ঘটনায় পড়ে। আহত ১৫জনের মধ্যে ৮জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেয়া হয়। গুরুতর আহত কালাধন চাকমা(৩২), শ্যামল চাকমা(৫৫), মোঃ ইউনুছ(৭৫), আবদুল হক(৪), মোঃ সোলাইমান(৪০) ও মোঃ মীর হোসেন(২০) কে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে রাঙামাটি কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কবির হোসেন জানিয়েছেন, রাঙামাটি-জ ০৪-০০১৪ নাম্বারের যাত্রীবাহী বাসটি চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে এসে শিমুলতলী পাসপোর্ট অফিসের সামনে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারালে দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষনিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে এবং ১৫জনকে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত ৭জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাসের চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে।

কুড়িগ্রামে আবারো শৈত্য প্রবাহ, বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে জনজীবন
                                  

শ্যামল ভৌমিক, কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামে শীতে অনেকটাই বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে জনজীবন। দিনের বেলায়ও সুর্যের দেখা না মেলায় বাড়ছে ঠান্ডার প্রকোপ। গত তিন-চার দিন ধরে কনকনে ঠান্ডার সাথে হিমেল হাওয়া ও শৈত্য প্রবাহে আবারও স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবন যাত্রা। ঘন কুয়াশায় চারিদিকে ঢেকে থাকায় দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন।
ঠান্ডার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায়, কাজে বের হতে পারছেন না শ্রমজীবি মানুষ। গরম কাপড়ের অভাবে ও টানা শীতের কারনে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্টসহ শীতজনিত নানা রোগে। স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানায় আরো কয়েকদিন জেলায় শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত থাকবে। স্বাস্থ্য বিভাগ জানায় হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আন্তঃবিভাগের পাশাপাশি বর্হিবিভাগে প্রতিদিন ৮শ’ থেকে ৯শ রোগী চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে।
কুড়িগ্রামের অটোরিক্সা চালক কিছিমুদ্দিন জানান, কয়েক দিনধরে সূর্যের দেখা না মেলায় মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। তাই রিক্সার প্যাসেঞ্জার পাচ্ছি না। তাই আয় রোজগার অনেকাংশে কমে গেছে। এ অবস্থায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। কুড়িগ্রাম সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী জানান, আমার ইউনিয়নটির অধিকাংশ এলাকা চর। এসব চরের অধিকাংশ মানুষ নিম্ন আয়ের ও দরিদ্র। এদের শীতের কাপড় কেনার সামর্থ নেই। সরকারি ভাবে কিছু কম্বল বরাদ্দ পেয়েছি যা প্রয়োজনের তুলনায় অতি সামন্য।
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বিএম আবুল হোসেন বলেন, আমার ইউনিয়নে ৯-১০ হাজার দরিদ্র পরিবার, সরকারি ভাবে এখন পর্যন্ত ৪শ কম্বল পেয়েছি তা বিতরণ করা হয়েছে। সরকারের পাশাপাশি অন্যন্য লোকজন যদি এগিয়ে আসে তাহলে অনেক দরিদ্র পরিবার এ ঠান্ডা থেকে রেহাই পেতে পারে। কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, কুড়িগ্রামে মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জেলায় শৈত্য প্রবাহ আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে।

সোনারগাঁওয়ে লোক কারুশিল্প মেলা পিছিয়েছে দু’মাস
                                  

আবুল বাসার, সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) : দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের লুপ্তপ্রায় লোকজ ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মাসব্যাপী লোক কারুশিল্প মেলা এবার দু’মাস পিছিয়েছেন বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন। মন্ত্রনালয়ের ছাড়পত্র না পাওয়ায় এ মেলা পেছানো হয়েছে। ১৪ জানুয়ারি মেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও করোনার মহামারীর কারণে ২০২১ সালে মেলা জানুয়ারী থেকে পিছিয়ে মার্চে আয়োজন করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিলুপ্তপ্রায় লোকজ ঐতিহ্যকে পুনরুদ্ধার, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, গবেষণা, প্রদর্শন এবং পুনরুজ্জীবনের লক্ষে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রতি বছর এ মেলার আয়োজন করে। বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক রবিউল ইসলাম জানান, সাধারণত জানুয়ারীতে আমরা মেলার আয়োজন করে থাকি। করোনা মহামারীর কারণে এ বছর আমরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মন্ত্রনালয়ে ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেছি। সেই আবেদনের কোন উত্তর আমরা এখনও পাইনি। ফেব্রুয়ারির শেষে কিংবা মার্চের প্রথমে আমরা মেলা শুরু করতে পারবো আশা করছি। সোনারগাঁয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রাঙ্গণে মাসব্যাপী লোক কারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব আয়োজন করা হয়ে থাকে প্রতি বছর। মেলায় নওগাঁও ও মাণ্ডরার শোলা শিল্প, রাজশাহীর শখের হাড়ি, চট্টগ্রামের তালপাখা ও নক্শি পাখা, রংপুরের শত রঞ্জি, সোনারগাঁয়ের হাতি ঘোড়া পুতুল ও কাঠের কারু শিল্প, নক্শিকাঁথা, বেত ও বাঁশের কারুশিল্প, নক্শি হাতপাখা, সিলেট ও মুন্সিগঞ্জের শীতল পাটি, কুমিল্লার তামা-কাঁসা পিতলের কারুশিল্প, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠীর কারু পণ্য, কিশোরগঞ্জের টেরা কোটা শিল্প, সোনারগাঁয়ের পাটের কারু শিল্প, নাটোরের শোলার মুখোস শিল্প, মুন্সিগঞ্জের পট চিত্র, ঢাকার কাগজের হস্ত শিল্প প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়াও লোক কারু শিল্প মেলা ও লোকজউৎসবে  বাউলগান, পালাগান, কবিগান, ভাওয়াইয়া ও ভাটিয়ালী গান, জারি-সারি ও হাছন রাজার গান,লালন সংগীত, মাইজভান্ডারী গান, মুর্শিদী গান, আলকাপ গান, গাঁয়ে হলুদের গান, বান্দরবান, বিরিশিরি, কমলগঞ্জের-মণিপুরী ক্ষুদ্র নৃ- গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শরিয়তী-মারফতি গান, ছড়া পাঠের আসর, পুঁথি পাঠ, গ্রামীণ খেলা, লাঠি খেলা, দোক খেলা, ঘুড়ি ওড়ানো, লোকজ জীবন প্রদর্শনী, লোকজ গল্প বলা, পিঠা প্রদর্শনী থাকে।

রাঙামাটির রাজবন বিহারে পুণ্যার্থীর ঢল
                                  

রাঙামাটি প্রতিনিধি : পার্বত্যাঞ্চলের বৌদ্ধ আর্য্যপুরুষ, মহাসাধক শ্রীমৎ সাধনানন্দ মহাস্থবির বনভান্তের জন্মোৎসবে রাঙামাটি রাজবন বিহারে অগণিত পুণ্যার্থীর ঢল নেমেছে। শুক্রবার রাঙামাটির রাজবন বিহারে উদযাপিত হয়েছে, মহাপরিনির্বাণপ্রাপ্ত অরহতলাভী বনভান্তের ১০২তম জন্মোৎসব। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বৌদ্ধধর্মীয় এই মহাগুরু বনভান্তে ছিলেন দেশের প্রধানতম বৌদ্ধধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রাঙামাটি রাজবন বিহারের অধ্যক্ষ। মহান সাধক বনভান্তের জন্ম ১৯২০ সালের ৮জানুয়ারি রাঙামাটি সদরের মগবান মৌজার মোড়ঘোনা নামক গ্রামের এক নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে। তিনি মহামতি গৌতম বুদ্ধের পথ অনুসরণ করে ১৯৪৯ সালে গৃহত্যাগী হয়ে অরহৎ লাভ করেন। মহাপরিনির্বাণ লাভের মধ্য দিয়ে দেহত্যাগ করেন, ২০১২ সালের ৩০জানুয়ারি। জীবদ্দশায় আমরণ রাজবন বিহারে অবস্থান করেছিলেন তিনি। বনভান্তের এবার জন্মোৎসবে রাঙামাটি রাজবন বিহারে পালিত হয়েছে ধর্মীয় নানা আচার-অনুষ্ঠান। এতে যোগ দেন, হাজারও পুণ্যার্থী। গত শুক্রবার ভোরে রাজবন বিহারে সংরক্ষিত বনভান্তের পবিত্র দেহধাতুতে পুস্পাঞ্জলি দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শুভসূচিত হয়, বনভান্তের জন্মোৎসবের। ভক্তকূলের শ্রদ্ধাঞ্জলির ফুলে ফুলে ছেয়ে যায়, বনভান্তের নিস্প্রাণ দেহধাতু। এরপর কেক কেটে ও মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্যদিয়ে পালিত হয় বনভান্তের জন্মদিন। মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে কেক কাটেন, বনভান্তের উত্তরসূরি ও রাজবন বিহারের আবাসিক ভিক্ষুপ্রধান শ্রীমৎ প্রজ্ঞালঙ্কার মহাস্থবির। এ সময় হাজারও বেলুন উড়ানো হয়। জন্মোৎসব অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী, জেলা পরিষদ’র সাবেক চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, রাজবন বিহার উপাসক-উপাসিকা পরিষদ সভাপতি গৌতম দেওয়ানসহ ভিক্ষুসংঘ, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও অগণিত পুণ্যার্থী। এ ছাড়াও জন্মোৎসবে পালিত অনুষ্ঠানের মধ্যে সকালে বুদ্ধপূজা, পঞ্চশীল প্রার্থনা, সংঘদান, অষ্টপরিস্কার দান, বুদ্ধমূর্তি দান, প্রদীপ পূজা ও ধর্মীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বনভান্তের অমৃতময় বাণীর উদ্ধৃতি দিয়ে পুণ্যার্থীদের মাঝে ধর্মদেশনা দেন ,রাজবন বিহারের আবাসিক ভিক্ষু প্রধান শ্রীমৎ প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবিরসহ অন্য বৌদ্ধভিক্ষুরা। সন্ধ্যায় হাজার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও ফানুস উড়িয়ে সমাপ্তি ঘটাবেন বনভান্তের ১০২তম জন্মোৎসব’র।

কমলগঞ্জে আ’লীগের মেয়র প্রার্থীর প্রচার গাড়িতে হামলা ও অগ্নি সংযোগ
                                  

অঞ্জন প্রসাদ রায় চৌধুরী, কমলগঞ্জ : মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ (নৌকা) প্রতিকের প্রচারনার গাড়ীতে অগ্নি সংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কমলগঞ্জে পৌর নির্বাচনের প্রচারনায় উত্তেজনা শুরু হয়েছে। জানাযায়, কমলগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের গোপালনগর এলাকায় আ’লীগ মেয়র প্রার্থী বর্তমান মেয়র মোঃ জুয়েল আহমেদের প্রচারণার সিএনজি অটোরিক্সা প্রচারণা শেষে প্রচারণার মাইক লাগানো সিএনজি অটোরিক্সা নিয়ে চালক শফিক মিয়া বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিল। বুধবার রাত ১১টার দিকে চালক যুদ্ধাপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে সিএনজি অটো নিয়ে যাবার পথে অতর্কিতে এসে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। হামলায় সিএনজি অটো রিক্সার সাইডের পর্দা ছিড়ে ফেলে ভাঙ্গচুর করে অগ্নি সংযোগ করে। ঘটনার খবর পেয়েই রাতে কমলগঞ্জ থানার পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে। আ,লীগ মেয়র প্রার্থী বর্তমান মেয়র মো. জুয়েল আহমেদ বলেন, এবারের নির্বাচনে তাকে আবারও দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেওয়ার পরও দলীয় দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে নির্বাচন করছেন। ফলে শুরু থেকেই প্রচারণায় তাকে নানাভাবে হয়রানির চেষ্টা চলছে। এমনিভাবে বুধবার রাতে প্রচারণা শেষে তার ভাড়া করা একটি সিএনজি অটোরিক্সা চালকের গাড়ীতে হামলা চালিয়ে অগ্নি সংযোগ করেছে। তিনি মনে করেন তার প্রতিদ্বন্ধীদের মাঝে কোন একটি পক্ষের দুর্বৃত্তরা তার প্রচারণার সিএনজি অটোরিক্সায় হামলায় চালায়। তিনি রাতেই থানায় অভিযোগ করেছেন। কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় থানায় কোন অভিযোগ তার হাতে আসেনি। তারপরও পুলিশ জোর তদন্ত করছে। উল্লেখ্য যে,কমলগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামীলীগ প্রার্থীর বিপরীতে ২ জন বিদ্রোহী প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন। এছাড়াও মেয়র পদে প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন বিএনপির এক প্রার্থী।

সাতক্ষীরা বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন
                                  

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার সাবেক সদর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এস.এম শওকত হোসেন’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য নৌ-কমান্ডো ০০০১ বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন,‘বিগত সময়ে এই অঞ্চল ছিল উগ্র মৌলবাদের আখড়া। উগ্র মৌলবাদীদের হাতে দীর্ঘদিন ক্ষমতা থাকায় সাতক্ষীরা উন্নয়নে পিছিয়ে পড়েছিল। জননেত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতায় বর্তমানে সাতক্ষীরার সকল সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার জনগণের সরকার ও উন্নয়নের সরকার। জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আছে বলে বিশে^র দরবারে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার এমন কোন স্কুল কলেজ নেই যেখানে আমরা বিল্ডিং দিচ্ছিনা। সব জায়গায় আওয়ামীলীগ সরকার বিল্ডিং দিয়েছে এবং বিল্ডিং হচ্ছে। এই বিদ্যালয়ে নতুন এই একাডেমিক ভবনটি নির্মাণ হলে একটি ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রুপ নেবে। এসময় উপস্থিত সকলের কাছে জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এমপি রবি।’ 

মোংলা বন্দরে ৪ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২২ সালে
                                  

মনির হোসেন, মোংলা : দেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর মোংলার উন্নয়নে ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান ১০ প্রকল্পের মধ্যে ১টির কাজ সমাপ্ত হয়েছে ৩ টির কাজ চলতি বছরের জুনে শেষ হবে, অধিক গুরুত্বপূর্ণ আরো ৪ টি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ২০২২ সালের জুনে সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আপগ্রেডেশন অব মোংলা পোর্ট নামে যে প্রকল্পটি রয়েছে সেটি বাস্তবায়ন করতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে। বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০০৯ সালের জুন থেকে ২০২০ পর্যন্ত ১৮টি উন্নয়ন প্রকল্পসহ ৫০টির অধিক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বর্তমানে ১০টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন ও তিনটি প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় আছে। মোংলা বন্দর ব্যবহারকারীদের দ্রুত ও দক্ষ সেবা প্রদানে যেসব উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে তার মধ্যে আছে: ৭০টি কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, ৮০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌর প্যানেল স্থাপন, ৩টি কার ইয়ার্ড নির্মাণ, ১০টি বিভিন্ন ধরনের সহায়ক জলযান ক্রয়, ৬২টি বিভিন্ন ধরনের লাইটেড বয়া, ২টি রোটেটিং বিকন, ৬টি জিআরপি লাইট টাওয়ার সংগ্রহ ও স্থাপন, একটি মোবাইল হারবার ক্রেন, একটি স্টাফিং-আনস্টাফিং শেড, একটি ওয়েব্রিজ মোবাইল স্ক্যানার সংগ্রহ। এ ছাড়া রুজভেল্ট জেটির বিভিন্ন অবকাঠামোর উন্নয়ন কাজও সম্পন্ন করা হয়েছে। বন্দরের আধুনিকায়ন, চ্যানেলের নাব্যতা সংরক্ষণ ও দক্ষতার সঙ্গে কার্গো ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে জাহাজের গড় অবস্থানকাল হ্রাস এবং কার্গো ও কন্টেইনার সংরক্ষণের সুবিধাদির সম্প্রসারণসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মোংলা বন্দরে যেসব সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে তাহলো জাহাজ হ্যান্ডলিং সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ২২৫ মিটার, ড্রাফট ৭-৮.৫ মিটার, কার্গো হ্যান্ডলিং ক্যাপাসিটি ১০ মিলিয়ন মে. টন, ও কন্টেইনার ৭০ হাজার টিইউজ। এছাড়া কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি সুবিধার মধ্যে রয়েছে, স্ট্র্যাডেল ক্যারিয়ার ৫টি, ফর্কলিফট ৩১টি, রিচ স্ট্র্যাকার ২টি, মোবাইল ক্রেন ৫টি, ডকসাইট ক্রেন ৫টি, টার্মিনাল ট্রাক্টরে শেষ হবে। আরও আছে মোংলা পোর্টের স্ট্র্যাটেজিক মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন। এর কাজ শুরু হয়েছে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে, শেষ হবে ২০২১ সালের জুনে। সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের কাজও সমাপ্তির পথে। এ বছরেই প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করবে মোংলাবাসী। এসবের বাইরে গত বছরের ডিসেম্বরে মোংলা বন্দরের আউটার বারে ড্রেজিং কার্যক্রম সমাপ্ত হয়েছে। ৭১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১১৯.৪৫ ঘনমিটার ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে এই চ্যানেল দিয়ে ১০.৫ মিটার ড্রাফটের জাহাজ হারবারিয়া পর্যন্ত হ্যান্ডলিংয়ের সুবিধায় আনা হয়েছে।পোর্টের অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রপাতি-সরঞ্জাম সংগ্রহ, পশুর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং যা চলতি বছরের জানুয়ারী থেকে ২০২২ সালের জুনে শেষ হবে। সহায়ক জলযান সংগ্রহ, বর্জ্য নি:সৃত তেল অপসারণ ব্যবস্থাপনা, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ থেকে পিপিপি`র আওতায় মোংলা বন্দরের ২টি অসম্পূর্ণ জেটির নির্মাণও কাজ শেষ করা হবে ২০২২ সালের মধ্যে। চলমান এ সব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে ৮ হাজার কোটি টাকা।

দুর্গাপুরে গো খাদ্যের সংকট বিপাকে খামারিরা
                                  

দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি : রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলা গো খাদ্য সংকট ও বাড়তি দামের কারণে বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। প্রাণীর খাদ্য চাহিদা মেটাতে কচুরিপানা খাওয়াচ্ছেন অনেকেই। উপজেলায় চারণভূমি খুবই সামান্য পরিমাণে রয়েছে,চারিদিকে পুকুর ও ফসলি খেত দ্বারা পরিপূর্ণ। সেই কারণেই প্রাকৃতিক কাঁচা ঘাসের উৎপাদন খুবই কম। এবারের বর্ষা মৌসুমে তীব্র জলাবদ্ধতার কারণে ধান ও খড় কোনটাই কাঙ্খিত পরিমানে উৎপাদন হয়নি। অন্যদিকে ব্যাপক মাত্রায় কচুরিপানার জন্ম হয়েছে। উপজেলায় প্রায় ৩,৫০০০০ গরু মহিষ রয়েছে ফলে প্রচুর গো খাদ্যের চাহিদা রয়েছে। এদিকে মাঠ থেকে কাঙ্ক্ষিত কাঁচা ঘাস সংগ্রহ করতে না পেরে দুর্গাপুরের বিভিন্ন এলাকার গরু-মহিষের মালিকদের খড়ের ওপর নির্ভরশীল হতে হচ্ছে। খড়ের দাম বেশি হওয়ায় অনেকেরই কেনা সম্ভব হচ্ছে না। তাই গরু-মহিষের খাদ্য চাহিদা মেটাতে বিকল্প হিসেবে পানিতে ভাসমান কচুরিপানার ওপর নির্ভরশীল হচ্ছে সবাইকে। অর্থ সাশ্রয়ের জন্য গবাদি পশুকে খাওয়ানো হচ্ছে কচুরিপানা। সরজমিন ঘুরে জানা গেছে উপজেলার পৌর এলাকা, নওপাড়া,কিসমতগনকৈড়, পানানগর, দেলুয়াবাড়ী, ঝালুকা, মাড়িয়া, জয়নগর এলাকাগুলোতে বিভিন্ন ধরনের ফসল রোপণ করা হয়েছে , উঁচু, নিচু ফাঁকা জমিগুলোতে চলছে পুকুর খনন। ফলে ব্যাহত হয়েছে প্রাকৃতিক ভাবে ঘাস উৎপাদন,পর্যাপ্ত ভূমি সংকটের কারণে ঘাস লাগানোর জমিও পাওয়া যাচ্ছে না। কথা হয় উপজেলার সিংগা গ্রামের মোজাম্মেলের সাথে তিনি জানান,আমার তিনটা গরু আছে, বিলে কাঁচা ঘাস পাচ্ছি আউরের যে দাম তা কেনা মুশকিল। সে জন্য বাতরাজ ও সামান্য আউর মিশিয়ে গরুকে খাওয়াচ্ছি। এক ভ্যান কচুরিপানায় আমার ২ দিন চলে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আবু আনাস জানায়,পর্যাপ্ত চারণভূমি না, থাকার কারণেই এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। কাঁচা ঘাসের বিকল্প রূপে আমরা এটিকে খাওয়াতে পারি ,পরিমাণমতো কচুরিপানার সাথে খড় মিশিয়ে খাওয়াতে পারি। কচুরিপানায় ৮০% পানি রয়েছে যার ফলে গবাদিপশুকে তেমন পানীয় খাওয়াতে হবেনা। আবার অতিরিক্ত কচুরিপানা খাওয়ালে গবাদি পশুর সমস্যা হতে পারে। একটি সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক গরুকে ৫,৬ কেজি পর্যন্ত কচুরিপানা খাওয়ানো যাবে।


   Page 1 of 28
     নগর-মহানগর
চুনারুঘাট-বাল্লা সড়কের বেহাল দশা
.............................................................................................
লক্ষ্মীপুরে জমিসহ ঘর পেলো ২’শ পরিবার
.............................................................................................
নাসিরনগরে বাড়ছে ডায়রিয়ার প্রকোপ
.............................................................................................
রূপগঞ্জে ইটভাটায় বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি
.............................................................................................
মুজিববর্ষে ঘর পাচ্ছে নওগাঁর ১১০ পরিবার
.............................................................................................
রাণীশংকৈলে গরুর খাবার এখন শীতকালীন সবজি
.............................................................................................
পাটকেলঘাটা-দলুয়া রাস্তার বেহাল দশা
.............................................................................................
বড়রিয়াতে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা
.............................................................................................
রাঙামাটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ১৫
.............................................................................................
কুড়িগ্রামে আবারো শৈত্য প্রবাহ, বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে জনজীবন
.............................................................................................
সোনারগাঁওয়ে লোক কারুশিল্প মেলা পিছিয়েছে দু’মাস
.............................................................................................
রাঙামাটির রাজবন বিহারে পুণ্যার্থীর ঢল
.............................................................................................
কমলগঞ্জে আ’লীগের মেয়র প্রার্থীর প্রচার গাড়িতে হামলা ও অগ্নি সংযোগ
.............................................................................................
সাতক্ষীরা বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন
.............................................................................................
মোংলা বন্দরে ৪ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২২ সালে
.............................................................................................
দুর্গাপুরে গো খাদ্যের সংকট বিপাকে খামারিরা
.............................................................................................
মোংলায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
.............................................................................................
যশোরে এগ্রোটেকের ফিডে বিষাক্ত কেমিক্যাল
.............................................................................................
মুকসুদপুরের বানিয়ারচরে ক্লাবের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
.............................................................................................
চুক্তিবদ্ধ হয়নি আমন ধান-চাল সরবরাহে ৬ হাজার মিলার
.............................................................................................
সিলেটে ১৬৭ যাত্রী নিয়ে লন্ডন থেকে আরও একটি ফ্লাইট
.............................................................................................
ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল শুরু
.............................................................................................
অবৈধ গ্যাস সরবরাহে দূর্ঘটনার আশংকায় এলাকাবাসী
.............................................................................................
রাজবাড়ীতে আলুর বাজার উর্দ্ধগতি
.............................................................................................
স্বস্তিতে দুইপারের লাখো মানুষ
.............................................................................................
কাপাসিয়া-শ্রীপুর যোগাযোগ সড়ক বিচ্ছিন্ন
.............................................................................................
আমি দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের কল্যাণে কাজ করেছি : আইভি
.............................................................................................
নীলফামারীতে বাঁশের খুঁটিতে বৈদ্যুতিক লাইন
.............................................................................................
শরীয়তপুরে করোনাকালিন সময়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও মাস্ক পরিধানে সাইকেল র‌্যালি
.............................................................................................
রায়গঞ্জে প্রধান সড়কের বেহাল দশা
.............................................................................................
জৌকুড়া-নাজিরগঞ্জ নৌ-রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগ ১০ জেলার যাত্রীদের
.............................................................................................
রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পথসভা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
শ্রীপুরের বাহী গরু হাটা ময়লার ভাগারে পরিনত
.............................................................................................
শরীয়তপুরে বিট পুলিশিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
কুষ্টিয়ায় ৬ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
.............................................................................................
চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলে ইটভাটার দুষিত ধোঁয়ায় হুমকিতে জনস্বাস্থ্য
.............................................................................................
নির্বাচন অফিসারের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগে বিক্ষোভ
.............................................................................................
ঠাকুরগাঁওয়ে কেক কেটে মোহনা টেলিভিশনের জন্মদিন পালন
.............................................................................................
চট্টগ্রামে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে দগ্ধ ৯
.............................................................................................
গোবিন্দগঞ্জ জগন্নাপুরে দাখিল মাদ্রাসায় ভূয়া প্রার্থী দিয়ে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ
.............................................................................................
কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং ডে পালিত
.............................................................................................
সিলেটে রায়হান হত্যা: এএসআই আশেক এলাহী গ্রেপ্তার
.............................................................................................
ধামরাই উপজেলা কৃষকলীগের বর্ধিত সভা ও বৃক্ষ রোপণ
.............................................................................................
রায়হান হত্যা: এবার কনস্টেবল হারুন গ্রেফতার
.............................................................................................
নাসিকের প্রকল্প অনুমোদন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মেয়র আইভীর ধন্যবাদ
.............................................................................................
গোবিন্দগঞ্জে যৌতুক না পেয়ে গৃহবধুকে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে স্বামী
.............................................................................................
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া সন্তান প্রসব হয় না
.............................................................................................
ধোবাউড়ায় ২দিন ব্যাপী বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের উদ্বোধন করেন সাংসদ জুয়েল আরেং
.............................................................................................
ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ পালিত
.............................................................................................
দুই পক্ষের সংঘর্ষ নিহত ১, আহত ১০
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop