| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > ইবি ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি   > ‘ভোটে বিচ্যুতি হলে সরকার হটানোর আন্দোলন’   > পর্দা নয় এবার বাস্তবে বাংলাদেশি ‘ভাইজান’কে দেখল ভারতবাসী!   > সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে : প্রধানমন্ত্রী   > মেডিকেল শিক্ষার্থীর দায়বদ্ধতা রয়েছে জনগণের কাছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী   > হেলিকপ্টার থেকে প্রধানমন্ত্রীর মোবাইলে পদ্মা সেতুর ছবি   > পাকিস্তানের জয়ের পর শোয়েব মালিকের টুইটবার্তা   > সীমান্ত হত্যা: বিএসএফের `গরু পাচার` যুক্তি মানছে না বিজিবি   > ১৩ অভিজাত ক্লাবে জুয়ার বিষয়ে রায় আগামী ২৮ জানুয়ারি   > মুজিববর্ষে বিএসএমএমইউতে বিনামূল্যে চিকিৎসা  

   রাজধানী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সীমান্ত হত্যা: বিএসএফের `গরু পাচার` যুক্তি মানছে না বিজিবি

ডেস্ক রিপোর্ট :বাংলাদেশের সীমান্তে গত কয়েকদিনে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের

গুলিতে কমপক্ষে পাঁচজন বাংলাদেশী নিহত হওয়ার পর এনিয়ে বিজিবি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির কর্মকর্তারা বলেছেন,

বাংলাদেশিদের হত্যার ঘটনা নিয়ে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ

আত্মরক্ষায় গুলি চালানোর যে বক্তব্য দিয়ে থাকে তা গ্রহণযোগ্য নয়।

তারা আরও বলেছেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে প্রতিটি ঘটনার প্রতিবাদ করা হচ্ছে।

মানবাধিকার কর্মীরা বলেছেন, সীমান্ত হত্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ খতিয়ে দেখা প্রয়োজন

এবং তা করতে হবে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে।

`বিএসএফ`এর বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়`

সীমান্তে গুলিতে বাংলাদেশী নিহত হওয়ার সর্বশেষ ঘটনা ঘটেছে গত ২৩শে জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ভোরে।

উত্তরাঞ্চলীয় জেলা নওগাঁর পোরশা উপজেলার একটি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী

বাহিনী বিএসএফ সদস্যদের গুলিতে তিনজন বাংলাদেশী নিহত হয়।

এর আগে গত বুধবার লালমনিরহাট জেলার একটি সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুইজন নিহত হয়।

পর পর এই দু`টি ঘটনা ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এই জানুয়ারি মাসের তিন সপ্তাহেই বিএসএফের

গুলিতে হতাহতের আরও কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে এবং সীমান্তে মানুষ হত্যা বেড়ে চলেছে।

বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির অপারেশন বিভাগের পরিচালক লে: কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন,

সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তারাও উদ্বিগ্ন।

তবে এসব ঘটনার ব্যাপারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

"তথ্য অনুযায়ী আসলে সংখ্যাটা বেড়েছে। বিষয়টা নিয়ে আমরাও উদ্বিগ্ন।

প্রতিটা ঘটনার পর পরই আমরা বিএসএফকে জোরালো প্রতিবাদ জানাই।"

তিনি আরও বলেছেন, "বিভিন্ন চুক্তিতে বলা আছে এবং নিয়ম আছে,

কেউ অবৈধভাবে সীমান্তে গেলে তাকে ধরে আমাদের কাছে হস্তান্তর করবে এবং

আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো। কিন্তু সেটা না করে বিএসএফ কিছু কিছু ক্ষেত্রে গুলি বর্ষণ করছে।"

বিজিবির কর্মকর্তা লে: কর্নেল আহমেদ বলেছেন, "যখন আমরা বিএসএফকে প্রতিবাদ জানাই,

তার জবাবে তারা আমাদেরকে জানায় যে, তারা আত্মরক্ষার্থে অর্থাৎ

যখন আমাদের দেশের নাগরিকরা তাদেরকে আক্রমণ করে কেবল তখনই

ননলিথাল উইপেন (প্রাণঘাতী নয়) ব্যবহার করে গুলি বর্ষণ করে। যেটা আসলে গ্রহণযোগ্য নয়।"

বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলেছেন, সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যা বন্ধের ব্যাপারে বিজিবি এবং

বিএসএফের শীর্ষ পর্যায়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে।

সেসব আলোচনার প্রেক্ষাপটে প্রাণঘাতী নয় এমন অস্ত্র ব্যবহার করার ব্যাপারে দুই পক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক

পর্যায়ের বিভিন্ন আলোচনাতেও সীমান্তে হত্যা শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি ভারত বিভিন্ন সময় দিয়েছিল।

সে অনুযায়ী সীমান্তে হত্যা কয়েক বছর কম থাকলেও সম্প্রতি আবার বেড়েছে বলে কর্মকর্তারা বলেছেন।

বেড়ে চলছে সীমান্তে মানুষ হত্যা

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে,

২০১৯ সালে সীমান্তে ৩৮জন বাংলাদেশি নিহত হয় এবং প্রাণহানির এই সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় তিনগুণ বেশি।

সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজা বলছিলেন, বেড়ে যাওয়ার কারণ বের করা প্রয়োজন।

"সীমান্তে মানুষ হত্যা কেন বেড়েছে, সেটাই আসলে প্রশ্ন। এই হত্যা কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত নয়।"

"এমন হতে পারে যে বাংলাদেশের মানুষ অনেকেই সীমান্তের ওপারে আছে, যারা কাজ করতে যাওয়া আসা করে।

ভারতের নাগরিকত্ব আইন বা তালিকার কারণে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে যদি তারা সীমান্ত পার হন,

সে সময় কিছু হচ্ছে কিনা- এগুলো খতিয়ে দেখা দরকার।"

সীমান্তে মানুষ হত্যা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনায় এসেছে।

বিরোধী দল বিএনপি পর পর কয়েকটি ঘটনার ব্যাপারে নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছে।

গত বছরের অক্টোবরে রাজশাহী জেলায় পদ্মা নদীতে বিজিবি এবং

বিএসএফের মধ্যে গোলাগুলিতে বিএসএফ একজন সদস্য নিহত হয়েছিল।

সেই ঘটনার পর সীমান্তে বিএসএফের পক্ষ থেকে গুলি চালানোর ঘটনা বেড়েছে কিনা, এমন প্রশ্নও তুলছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

তবে এই প্রশ্ন মানতে রাজি নন বিজিবি`র লে: কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশিরাও যেনো অবৈধভাবে সীমান্তে না যায় সে ব্যাপারেও

সীমান্ত এলাকার মানুষকে সতর্ক করার কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।

বেড়ে চলছে সীমান্তে মানুষ হত্যা

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে,

২০১৯ সালে সীমান্তে ৩৮জন বাংলাদেশি নিহত হয় এবং প্রাণহানির এই সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় তিনগুণ বেশি।

সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজা বলছিলেন, বেড়ে যাওয়ার কারণ বের করা প্রয়োজন।

"সীমান্তে মানুষ হত্যা কেন বেড়েছে, সেটাই আসলে প্রশ্ন। এই হত্যা কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত নয়।"

"এমন হতে পারে যে বাংলাদেশের মানুষ অনেকেই সীমান্তের ওপারে আছে, যারা কাজ করতে যাওয়া আসা করে।

ভারতের নাগরিকত্ব আইন বা তালিকার কারণে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে যদি তারা সীমান্ত পার হন,

সে সময় কিছু হচ্ছে কিনা- এগুলো খতিয়ে দেখা দরকার।"

সীমান্তে মানুষ হত্যা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনায় এসেছে।

বিরোধী দল বিএনপি পর পর কয়েকটি ঘটনার ব্যাপারে নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছে।

গত বছরের অক্টোবরে রাজশাহী জেলায় পদ্মা নদীতে বিজিবি এবং

বিএসএফের মধ্যে গোলাগুলিতে বিএসএফ একজন সদস্য নিহত হয়েছিল।

সেই ঘটনার পর সীমান্তে বিএসএফের পক্ষ থেকে গুলি চালানোর ঘটনা বেড়েছে কিনা,

এমন প্রশ্নও তুলছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

তবে এই প্রশ্ন মানতে রাজি নন বিজিবি`র লে: কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশিরাও যেনো অবৈধভাবে সীমান্তে না যায় সে ব্যাপারেও

সীমান্ত এলাকার মানুষকে সতর্ক করার কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।

"এর সাথে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। বিএসএফতো বাংলাদেশের ভিতরে এসে গুলি করছে না।

বাংলাদেশি নাগরিক যখন সীমান্তে যাচ্ছে, তখন গোলাগুলিটা হচ্ছে।"

"সেজন্য আমরা সীমান্ত এলাকাগুলোতে সতর্কতামূলক কর্মসূচি চালাই,

যেনো বাংলাদেশিরা অবৈধভাবে সীমান্তে না যায় এবং এমন সমস্যার মুখোমুখি না হয়।"

এদিকে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বলেছেন,

পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক পর্যায়েও ভারতের সাথে বাংলাদেশ আলোচনা করবে।

সীমান্তে হত্যার বিষয়ে ভারত কী বলছে?

ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ বলছে যে রাজশাহী সীমান্তে বিজিবির গুলিতে তাদের

যে সদস্য মারা গিয়েছিলেন, তার প্রতিশোধ নেওয়ার প্রশ্নই নেই।

এবং তার পর থেকে বিএসএফের গুলিতে ৫/৬ জন মারা গেছেন ঠিকই, কিন্তু সেগুলির সঙ্গে ওই ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই।

কলকাতায় বিবিসি বাংলার সংবাদদাতা অমিতাভ ভট্টশালীকে বিএসএফের দক্ষিণবঙ্গ

সীমান্ত অঞ্চলের ইন্সপেক্টর জেনারেল ওয়াই বি খুরানিয়া বলেছেন, "ওই ঘটনাটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক।"

"আমরা দুই বাহিনীই ঘটনার তদন্ত করেছি এবং কেন, কীভাবে ওই ঘটনা হয়েছিল

আর ভবিষ্যতে যাতে এধরনের ঘটনা এড়ানো যায়, তার ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

কিন্তু সেসব বিস্তারিত ভাবে সংবাদমাধ্যমকে জানাতে চাই না।"

বিএসএফ কর্মকর্তারা আরও বলছেন, সীমান্তে গরু পাচারসহ অন্যান্য অপরাধ রুখতে যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে,

 তাতে পাচারকারীদের কাজকর্ম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এখন শুধু যে সীমান্তে আসার পরে গরু আটকানো হচ্ছে, তা নয়।

স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে সীমান্ত থেকে ১০/১১ কিলোমিটার দূর অবধি গিয়েও গরু পাচার রোধ করা হচ্ছে।

 

২০১৮ সালে পাচার হওয়ার সময়ে গরু আটক করা হয়েছিল প্রায় ৪০ হাজার,

 

আর ২০১৯ এ সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজারের কিছু বেশিতে।

"এই সব ব্যবস্থার ফলেই পাচারকারীরা অনেক সময়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

যে কোনও ভাবেই তারা গরু পাচার করার চেষ্টা করতে গিয়ে বিএসএফ সদস্যদের ওপরে হামলা করতেও দ্বিধা করছে না।

এরকম হামলা হলে তো বিএসএফ সদস্য নিজের প্রাণ বাঁচাতে তার যা করণীয়, সেটাই করবেন," বলছিলেন মি. খুরানিয়া।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৮ সালে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে ১৪ জন মারা গিয়েছিলেন,

অথচ ২০১৯-এ সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৮। মি. খুরানিয়াকে প্রশ্ন করা হয় যে

এটিই কী প্রমাণ করে না যে সীমান্তে হত্যার সংখ্যা বাড়ছে?

জবাবে তিনি বলেন, "বাহিনীর সদস্যদের পরিষ্কার নির্দেশ দেওয়া আছে

যে শুধুমাত্র আত্মরক্ষার্থেই বলপ্রয়োগ করা যাবে, আর সেটাও যতটা সম্ভব কম বলপ্রয়োগ করেই করতে হবে।

এরজন্য দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তে অনেক পাম্প অ্যাকশন গান ব্যবহার করা হয়, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রাণঘাতী নয়।"

বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, বিএসএফের নজরদারির ফলে গরু পাচার অনেকাংশে কমে যাচ্ছে দেখে

পাচারকারীরা নিত্যনতুন পদ্ধতি বার করছে। এর আগে গলায় কলার ভেলা বেঁধে সেগুলো নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছিল।

সেই কায়দা ধরা পড়ার পরে ওই গরুগুলির গায়ে এমনভাবে বোমা বেঁধে দেওয়া হচ্ছিল যাতে

বিএসএফ সেগুলি আটক করে জল থেকে উদ্ধার করতে গেলেই বিস্ফোরিত হয়।

বিএসএফ বলছে, পাচারকারীরা আরো কিছু কায়দা বার করেছে,

যেখানে মৃত গরুর শরীরের কিছুটা অংশ কেটে তার ভেতরে একটি বা দুটি ছোট বাছুর ভরে দেওয়া হচ্ছে।

বাছুরগুলির শ্বাস নেওয়ার জন্য তাদের মুখে অর্ধেক কাটা জলের বোতল লাগানো থাকছে, যা জলস্তরের ওপরে রাখা হচ্ছে।

মৃত পশু ভেসে যাচ্ছে দেখে বিএসএফ সদস্যরা নজর করছিলেন না।

কিন্তু সম্প্রতি একটি মৃত পশুর শরীর থেকে দুটি বাছুর খুঁজে পাওয়ার পরে পাচারকারীদের নতুন কায়দার কথা জানা গেছে।

 

সীমান্ত হত্যা: বিএসএফের `গরু পাচার` যুক্তি মানছে না বিজিবি
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :বাংলাদেশের সীমান্তে গত কয়েকদিনে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের

গুলিতে কমপক্ষে পাঁচজন বাংলাদেশী নিহত হওয়ার পর এনিয়ে বিজিবি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির কর্মকর্তারা বলেছেন,

বাংলাদেশিদের হত্যার ঘটনা নিয়ে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ

আত্মরক্ষায় গুলি চালানোর যে বক্তব্য দিয়ে থাকে তা গ্রহণযোগ্য নয়।

তারা আরও বলেছেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে প্রতিটি ঘটনার প্রতিবাদ করা হচ্ছে।

মানবাধিকার কর্মীরা বলেছেন, সীমান্ত হত্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ খতিয়ে দেখা প্রয়োজন

এবং তা করতে হবে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে।

`বিএসএফ`এর বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়`

সীমান্তে গুলিতে বাংলাদেশী নিহত হওয়ার সর্বশেষ ঘটনা ঘটেছে গত ২৩শে জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ভোরে।

উত্তরাঞ্চলীয় জেলা নওগাঁর পোরশা উপজেলার একটি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী

বাহিনী বিএসএফ সদস্যদের গুলিতে তিনজন বাংলাদেশী নিহত হয়।

এর আগে গত বুধবার লালমনিরহাট জেলার একটি সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুইজন নিহত হয়।

পর পর এই দু`টি ঘটনা ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এই জানুয়ারি মাসের তিন সপ্তাহেই বিএসএফের

গুলিতে হতাহতের আরও কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে এবং সীমান্তে মানুষ হত্যা বেড়ে চলেছে।

বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির অপারেশন বিভাগের পরিচালক লে: কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন,

সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তারাও উদ্বিগ্ন।

তবে এসব ঘটনার ব্যাপারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

"তথ্য অনুযায়ী আসলে সংখ্যাটা বেড়েছে। বিষয়টা নিয়ে আমরাও উদ্বিগ্ন।

প্রতিটা ঘটনার পর পরই আমরা বিএসএফকে জোরালো প্রতিবাদ জানাই।"

তিনি আরও বলেছেন, "বিভিন্ন চুক্তিতে বলা আছে এবং নিয়ম আছে,

কেউ অবৈধভাবে সীমান্তে গেলে তাকে ধরে আমাদের কাছে হস্তান্তর করবে এবং

আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো। কিন্তু সেটা না করে বিএসএফ কিছু কিছু ক্ষেত্রে গুলি বর্ষণ করছে।"

বিজিবির কর্মকর্তা লে: কর্নেল আহমেদ বলেছেন, "যখন আমরা বিএসএফকে প্রতিবাদ জানাই,

তার জবাবে তারা আমাদেরকে জানায় যে, তারা আত্মরক্ষার্থে অর্থাৎ

যখন আমাদের দেশের নাগরিকরা তাদেরকে আক্রমণ করে কেবল তখনই

ননলিথাল উইপেন (প্রাণঘাতী নয়) ব্যবহার করে গুলি বর্ষণ করে। যেটা আসলে গ্রহণযোগ্য নয়।"

বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলেছেন, সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যা বন্ধের ব্যাপারে বিজিবি এবং

বিএসএফের শীর্ষ পর্যায়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে।

সেসব আলোচনার প্রেক্ষাপটে প্রাণঘাতী নয় এমন অস্ত্র ব্যবহার করার ব্যাপারে দুই পক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক

পর্যায়ের বিভিন্ন আলোচনাতেও সীমান্তে হত্যা শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি ভারত বিভিন্ন সময় দিয়েছিল।

সে অনুযায়ী সীমান্তে হত্যা কয়েক বছর কম থাকলেও সম্প্রতি আবার বেড়েছে বলে কর্মকর্তারা বলেছেন।

বেড়ে চলছে সীমান্তে মানুষ হত্যা

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে,

২০১৯ সালে সীমান্তে ৩৮জন বাংলাদেশি নিহত হয় এবং প্রাণহানির এই সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় তিনগুণ বেশি।

সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজা বলছিলেন, বেড়ে যাওয়ার কারণ বের করা প্রয়োজন।

"সীমান্তে মানুষ হত্যা কেন বেড়েছে, সেটাই আসলে প্রশ্ন। এই হত্যা কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত নয়।"

"এমন হতে পারে যে বাংলাদেশের মানুষ অনেকেই সীমান্তের ওপারে আছে, যারা কাজ করতে যাওয়া আসা করে।

ভারতের নাগরিকত্ব আইন বা তালিকার কারণে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে যদি তারা সীমান্ত পার হন,

সে সময় কিছু হচ্ছে কিনা- এগুলো খতিয়ে দেখা দরকার।"

সীমান্তে মানুষ হত্যা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনায় এসেছে।

বিরোধী দল বিএনপি পর পর কয়েকটি ঘটনার ব্যাপারে নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছে।

গত বছরের অক্টোবরে রাজশাহী জেলায় পদ্মা নদীতে বিজিবি এবং

বিএসএফের মধ্যে গোলাগুলিতে বিএসএফ একজন সদস্য নিহত হয়েছিল।

সেই ঘটনার পর সীমান্তে বিএসএফের পক্ষ থেকে গুলি চালানোর ঘটনা বেড়েছে কিনা, এমন প্রশ্নও তুলছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

তবে এই প্রশ্ন মানতে রাজি নন বিজিবি`র লে: কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশিরাও যেনো অবৈধভাবে সীমান্তে না যায় সে ব্যাপারেও

সীমান্ত এলাকার মানুষকে সতর্ক করার কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।

বেড়ে চলছে সীমান্তে মানুষ হত্যা

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে,

২০১৯ সালে সীমান্তে ৩৮জন বাংলাদেশি নিহত হয় এবং প্রাণহানির এই সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় তিনগুণ বেশি।

সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজা বলছিলেন, বেড়ে যাওয়ার কারণ বের করা প্রয়োজন।

"সীমান্তে মানুষ হত্যা কেন বেড়েছে, সেটাই আসলে প্রশ্ন। এই হত্যা কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত নয়।"

"এমন হতে পারে যে বাংলাদেশের মানুষ অনেকেই সীমান্তের ওপারে আছে, যারা কাজ করতে যাওয়া আসা করে।

ভারতের নাগরিকত্ব আইন বা তালিকার কারণে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে যদি তারা সীমান্ত পার হন,

সে সময় কিছু হচ্ছে কিনা- এগুলো খতিয়ে দেখা দরকার।"

সীমান্তে মানুষ হত্যা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনায় এসেছে।

বিরোধী দল বিএনপি পর পর কয়েকটি ঘটনার ব্যাপারে নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছে।

গত বছরের অক্টোবরে রাজশাহী জেলায় পদ্মা নদীতে বিজিবি এবং

বিএসএফের মধ্যে গোলাগুলিতে বিএসএফ একজন সদস্য নিহত হয়েছিল।

সেই ঘটনার পর সীমান্তে বিএসএফের পক্ষ থেকে গুলি চালানোর ঘটনা বেড়েছে কিনা,

এমন প্রশ্নও তুলছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

তবে এই প্রশ্ন মানতে রাজি নন বিজিবি`র লে: কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশিরাও যেনো অবৈধভাবে সীমান্তে না যায় সে ব্যাপারেও

সীমান্ত এলাকার মানুষকে সতর্ক করার কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।

"এর সাথে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। বিএসএফতো বাংলাদেশের ভিতরে এসে গুলি করছে না।

বাংলাদেশি নাগরিক যখন সীমান্তে যাচ্ছে, তখন গোলাগুলিটা হচ্ছে।"

"সেজন্য আমরা সীমান্ত এলাকাগুলোতে সতর্কতামূলক কর্মসূচি চালাই,

যেনো বাংলাদেশিরা অবৈধভাবে সীমান্তে না যায় এবং এমন সমস্যার মুখোমুখি না হয়।"

এদিকে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বলেছেন,

পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক পর্যায়েও ভারতের সাথে বাংলাদেশ আলোচনা করবে।

সীমান্তে হত্যার বিষয়ে ভারত কী বলছে?

ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ বলছে যে রাজশাহী সীমান্তে বিজিবির গুলিতে তাদের

যে সদস্য মারা গিয়েছিলেন, তার প্রতিশোধ নেওয়ার প্রশ্নই নেই।

এবং তার পর থেকে বিএসএফের গুলিতে ৫/৬ জন মারা গেছেন ঠিকই, কিন্তু সেগুলির সঙ্গে ওই ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই।

কলকাতায় বিবিসি বাংলার সংবাদদাতা অমিতাভ ভট্টশালীকে বিএসএফের দক্ষিণবঙ্গ

সীমান্ত অঞ্চলের ইন্সপেক্টর জেনারেল ওয়াই বি খুরানিয়া বলেছেন, "ওই ঘটনাটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক।"

"আমরা দুই বাহিনীই ঘটনার তদন্ত করেছি এবং কেন, কীভাবে ওই ঘটনা হয়েছিল

আর ভবিষ্যতে যাতে এধরনের ঘটনা এড়ানো যায়, তার ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

কিন্তু সেসব বিস্তারিত ভাবে সংবাদমাধ্যমকে জানাতে চাই না।"

বিএসএফ কর্মকর্তারা আরও বলছেন, সীমান্তে গরু পাচারসহ অন্যান্য অপরাধ রুখতে যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে,

 তাতে পাচারকারীদের কাজকর্ম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এখন শুধু যে সীমান্তে আসার পরে গরু আটকানো হচ্ছে, তা নয়।

স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে সীমান্ত থেকে ১০/১১ কিলোমিটার দূর অবধি গিয়েও গরু পাচার রোধ করা হচ্ছে।

 

২০১৮ সালে পাচার হওয়ার সময়ে গরু আটক করা হয়েছিল প্রায় ৪০ হাজার,

 

আর ২০১৯ এ সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজারের কিছু বেশিতে।

"এই সব ব্যবস্থার ফলেই পাচারকারীরা অনেক সময়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

যে কোনও ভাবেই তারা গরু পাচার করার চেষ্টা করতে গিয়ে বিএসএফ সদস্যদের ওপরে হামলা করতেও দ্বিধা করছে না।

এরকম হামলা হলে তো বিএসএফ সদস্য নিজের প্রাণ বাঁচাতে তার যা করণীয়, সেটাই করবেন," বলছিলেন মি. খুরানিয়া।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৮ সালে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে ১৪ জন মারা গিয়েছিলেন,

অথচ ২০১৯-এ সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৮। মি. খুরানিয়াকে প্রশ্ন করা হয় যে

এটিই কী প্রমাণ করে না যে সীমান্তে হত্যার সংখ্যা বাড়ছে?

জবাবে তিনি বলেন, "বাহিনীর সদস্যদের পরিষ্কার নির্দেশ দেওয়া আছে

যে শুধুমাত্র আত্মরক্ষার্থেই বলপ্রয়োগ করা যাবে, আর সেটাও যতটা সম্ভব কম বলপ্রয়োগ করেই করতে হবে।

এরজন্য দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তে অনেক পাম্প অ্যাকশন গান ব্যবহার করা হয়, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রাণঘাতী নয়।"

বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, বিএসএফের নজরদারির ফলে গরু পাচার অনেকাংশে কমে যাচ্ছে দেখে

পাচারকারীরা নিত্যনতুন পদ্ধতি বার করছে। এর আগে গলায় কলার ভেলা বেঁধে সেগুলো নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছিল।

সেই কায়দা ধরা পড়ার পরে ওই গরুগুলির গায়ে এমনভাবে বোমা বেঁধে দেওয়া হচ্ছিল যাতে

বিএসএফ সেগুলি আটক করে জল থেকে উদ্ধার করতে গেলেই বিস্ফোরিত হয়।

বিএসএফ বলছে, পাচারকারীরা আরো কিছু কায়দা বার করেছে,

যেখানে মৃত গরুর শরীরের কিছুটা অংশ কেটে তার ভেতরে একটি বা দুটি ছোট বাছুর ভরে দেওয়া হচ্ছে।

বাছুরগুলির শ্বাস নেওয়ার জন্য তাদের মুখে অর্ধেক কাটা জলের বোতল লাগানো থাকছে, যা জলস্তরের ওপরে রাখা হচ্ছে।

মৃত পশু ভেসে যাচ্ছে দেখে বিএসএফ সদস্যরা নজর করছিলেন না।

কিন্তু সম্প্রতি একটি মৃত পশুর শরীর থেকে দুটি বাছুর খুঁজে পাওয়ার পরে পাচারকারীদের নতুন কায়দার কথা জানা গেছে।

 

দুর্নীতিতে বিশ্বে বাংলাদেশ ১৪তম
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :  বিশ্বের বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় এবারও বাংলাদেশের নাম রয়েছে।

শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ ১৪তম। তবে আশার কথা হচ্ছে

গত বছরের তুলনায় এবার বাংলাদেশে দুর্নীতি কিছুটা কম হয়েছে।

প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে দুর্নীতির ধারণা সূচক প্রকাশ করে থাকে বার্লিনভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই)।

এরই ধারাবাহিকতায় এবারও প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। এই প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে ২০১৯ সালের এই সূচক প্রকাশ করে টিআইবি।

এবার দুর্নীতির ধারণা সূচকে (করাপশন পারসেপশন ইনডেক্স- সিপিআই ২০১৯) বাংলাদেশের স্কোর ২৬। গত বছরও একই স্কোর ছিল বাংলাদেশের।

দুর্নীতির এই তালিকার বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৬তম, যা ২০১৮ এর তুলনায় ৩ ধাপ উন্নতি।

তালিকায় বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪তম, যা গত বছরের তুলনায় একধাপ উন্নতি।

দুর্নীতির ধারণা সূচকের ব্যাখ্যায় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সিপিআই ২০১৯ অনুযায়ী, ১০০ এর মধ্যে গড় স্কোর ৪৩।

সেই বিবেচনায় বাংলাদেশের স্কোর ২৬ হওয়ায় দুর্নীতির ব্যাপকতা এখনও উদ্বেগজনক।

সূচকে কিছুটা উন্নতি হয়েছে, তবে তা সন্তোষজনক নয়।

তিনি আরও বলেন, দুর্নীতির ব্যাপকতা ও গভীরতার কারণে বাংলাদেশে দুর্নীতিগ্রস্ত বা

বাংলাদেশের অধিবাসীরা সবাই দুর্নীতি করে-এই ধরনের ভুল ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে।

যদিও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য দূরীকরণসহ সর্বোপরি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে কঠিনতম অন্তরায় দুর্নীতি,

তথাপি দেশের আপামর জনগণ দুর্নীতিগ্রস্ত নয়। তারা দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগী মাত্র।

ক্ষমতাবানদের দুর্নীতি ও তা প্রতিরোধে ব্যর্থতার কারণে দেশ বা জনগণকে কোনোভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত বলা যাবে না।

তিনি জানান, সূচকের ০-১০০ এর স্কেলে এবার বাংলাদেশের স্কোর ২৬। যা গত বছরের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

সূচকে ৮৭ স্কোর পেয়ে কম দুনীতিগ্রন্ত দেশ হিসেবে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড।

৮৬ স্কোর পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফিনল্যান্ড এবং তৃতীয় স্থানে ৮৫ স্কোর নিয়ে যৌথভাবে রয়েছে সিঙ্গাপুর, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড।

৯ স্কোর পেয়ে গতবারের মতো এবারও শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হয়েছে সোমালিয়া।

১২ স্কোর দ্বিতীয় শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় নাম রয়েছে দক্ষিণ সুদান এবং ১৩ স্কোর পেয়ে তৃতীয় সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে সিরিয়া।

 

বিজিএমইএ ভবন ভাঙ্গা : স্বয়ংক্রিয়ের বদলে সনাতন পদ্ধতিতে কেন
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :ঢাকার কারওয়ানবাজারের হাতিরঝিল এলাকায় দুটি বেজমেন্টসহ

পনের তলা ভবনটি ভাঙ্গার কাজ আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়েছে আজ।

১৯৯৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই সরকারের কাছ থেকে জমি পেয়ে

পরবর্তীতে নিজেদের সদর দপ্তর ভবন নির্মাণ করেছিলো তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

কিন্তু জলাধার আইন লঙ্ঘন করে ভবনটি তোলায় ২০১১ সালে হাইকোর্ট ভবনটি

ভেঙ্গে ফেলার রায় দিয়েছিলো পরে যা আপিল বিভাগেও বহাল থাকে।

পরে নানা আনুষ্ঠানিকতায় কিছুটা বিলম্বের পর রাজউক আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ভবনটি ভাঙ্গার উদ্যোগ নেয়।

তখন কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে বলা হয়েছিলো যে ডিনামাইট ব্যবহার করে

উন্নত বিশ্বের আদলে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে ভবনটি অপসারণের কাজ করা হবে।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিন মাসের মধ্য ভবন ভাঙ্গার শর্ত দিয়ে দরপত্র আহবান করে

সেখান থেকে ভবনটি ভাঙ্গার জন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচিত করেছে রাজউক।

প্রতিষ্ঠানটি নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের বদলে যান্ত্রিক পদ্ধতি, যেটি আসলে সনাতন পদ্ধতি হিসেবে পরিচিত,

ব্যবহার করে ভবনটি অপসারণ করবে বলে জানিয়েছেন পূর্ত মন্ত্র শ ম রেজাউল করিম।

ভবন ভাঙ্গার কার্যক্রমের সূচনা করে তিনি বলেছেন,

"আমরা প্রথম দিকে ভেবেছিলাম অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় কোনো পদ্ধতিতে আমরা ভবনটি ভাঙ্গতে পারি কিনা।

কিন্তু বিভিন্ন রকম বিবেচনা ও পরীক্ষা নিরীক্ষায় দেখা গেলো এ

ভবনের পাশে একটি বড় ফাইভ স্টার হোটেল ও অন্য প্রতিষ্ঠান আছে"।

তিনি বলেন ওই জাতীয় স্বয়ংক্রিয় কার্যক্রম চালাতে গেলে তার যে,

গতিবেগ ও শক্তি তা চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং

ভাঙ্গার সঙ্গে ধুলাসহ বিভিন্ন রকম (জিনিস) ছড়িয়ে পরিবেশও নষ্টও হতে পারে।

"এসব কারণেই আমরা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির বদলে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভাঙ্গার সিদ্ধান্ত নিয়েছি"।

তবে মন্ত্রীর ব্যাখ্যার সাথে একমত নন নগর পরিকল্পনাবিদ ড: আদিল মোহাম্মদ খান।

মিস্টার খান বলছেন সম্প্রতি ভারতে বিজিএমইএ ভবনের চেয়ে উঁচু

একটি বহুতল ভবন ভাঙ্গা হয়েছে বিস্ফোরণের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে এবং

সেখানে কোনো প্রাণহানি বা পরিবেশগত সমস্যা তৈরি হয়নি।

"বিশ্বব্যাপী এখন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাতেই ভবন ভাঙ্গা হচ্ছে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে।

এতে সময় ক্ষেপণ হয়না, প্রাণহানির সম্ভাবনা থাকেনা এবং পরিবেশের কম ক্ষতি হয়"।

আদিল মোহাম্মদ খান বলেন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে হলে জনদুর্ভোগ কমে,

সময় বাঁচে ও শ্রমিকদের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা থাকেনা।

"তবে এটি ঠিক যে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে হলে সেটি একটু ব্যয়বহুল হতো।

তবে তাতে রাজউক বা সরকারের উদ্বিগ্ন হবার কারণ ছিলোনা কারণ

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ভবন ভাঙ্গার খরচ বিজিএমই`র কাছ থেকেই নেয়ার কথা"।

তার মতে সনাতন পদ্ধতিতে ভাঙ্গার কারণ হিসেবে মন্ত্রী যে যুক্তি তুলে ধরেছেন তা বেশ দুর্বল বলেই মনে করেন তিনি।

"এ ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়, বরং অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে যেটি হয়তো প্রকাশ করা হয়নি"।

তবে রাজউকের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কয়েকজন জানিয়েছেন

স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে না করার ক্ষেত্রে পাঁচ তারকা হোটেলে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও-

এর নিরাপত্তার পাশাপাশি আর্থিক দিকটিই বিবেচনা করা হয়েছে।

"স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে করতে গেলে অনেক খরচ হতো। এমনকি বিদেশীদের সহায়তাও নিতে হতো।

অতো খরচ বিজিএমই কর্তৃপক্ষ দিতে রাজী হতোনা।

তাই সনাতন পদ্ধতি বেছে নেয়া হয়েছে যাতে ভবনটি যারা ভাঙ্গবে তারা ভবনের জিনিসপত্র বিক্রি করে তাদের খরচ তুলে নেবে"।

তবে মন্ত্রী যেহেতু বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেছেন তাই এই কর্মকর্তা নিজের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

মন্ত্রী অবশ্য তার বক্তব্যে আরও জানিয়েছেন যে পুরো বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী অবহিত রয়েছেন

এবং তার নির্দেশনার আলোকেই অপসারণের কার্যক্রম শুরু হলো।

তিনি জানিয়েছেন যে এতো গভীর থেকে ভবনটি তুলে ফেলা হবে যাতে হাতিরঝিলের মূল গভীরতার সমান

এবং এ ভবন যেখানে আছে সেখানেও সেই গভীরতায় যাওয়া সম্ভব হয়।

এছাড়া সেনাবাহিনী, রাজউক, বুয়েট, ইমারত বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে কমিটি করা হয়েছে যারা

এ ভবন ভাঙ্গার কাজ দেখভাল করবেন এবং প্রতিটি স্তর ভাঙ্গার সাথে সাথে সেগুলো অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হবে

এবং সতর্ক থাকা হবে র‍্যাংগস ভবনের মতো কোনো প্রাণহানি যেনো না ঘটে।

ঢাকায় পাসপোর্টের জন্য হাহাকার, বিপাকে আবেদনকারীরা
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :বাংলাদেশে আজ ই-পাসপোর্ট কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তবে চলমান মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের বই সংকটের কারণে আবেদনকারিদের

নির্দিষ্ট সময়ের পর তিন চার মাসেও পাসপোর্ট মিলছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এখন পাসপোর্টের জন্য তিন লাখের বেশি আবেদন ঝুলে রয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা পাসপোর্ট দেয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে বলে স্বীকার করেন।

একইসাথে তারা বলেছেন, ইতিমধ্যে মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের ৪০ লাখ বই আমদানি করা হয়েছে এবং এখন কোনো সংকট নেই।

আজ বুধবার সকালে যখন ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ই-পাসপোর্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান চলছিল,

তখন এর কাছেই আগারগাঁ এলাকায় পাসপোর্ট কার্যালয়ে গিয়ে চোখ পড়ে কয়েক শ মানুষের ভিড়।

তাদের কেউ কেউ মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের জন্য আবেদন জমা দিতে এসেছেন, কেউ এসেছেন পাসপোর্ট নিতে।

তবে সেই ভিড়ের একটা বড় অংশ ছিল, যারা দুই তিন মাস বা

তারও চেয়ে বেশি সময় ধরে ঘুরছেন পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য।

সেখানে কথা হয় ঢাকার মিরপুর এলাকার মোছা: আফসানার সাথে।

দুবাইয়ে প্রবাস জীবন থেকে দেশে ফিরে তিনি পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করেছিলেন।

কিন্তু তাঁর অভিজ্ঞতা ভাল নয়। তিনি বলছিলেন, তিন মাসেও পাসপোর্ট নিয়ে সঠিক কোনো জবাব পাচ্ছেন না

এবং এদিকে তার দুবাইয়ে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে।

"আমাকে বলেছিল, পাসপোর্ট রেডি হলে মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ যাবে।

কিন্তু কোনো ম্যাসেজ আসেনি। এখন তিন মাস হয়ে গেলো। আমার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে।

ম্যাসেজ না পেয়ে আমি কয়েকবার পাসপোর্ট অফিসে এসে পাসপোর্ট পাওয়ার ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোনো তারিখ পাইনি।"

সৌদি প্রবাসী মো: নাসিরউদ্দিনের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার সাত দিন আগেও

তার পাসপোর্টের ব্যাপারে নিশ্চিত কিছু জানতে পারছেন না।

তার বাড়ি কুমিল্লায় হওয়ায় তিনি সেখানে পাসপোর্ট অফিসে নবায়নের আবেদন করেছিলেন।

দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে কুমিল্লা এবং ঢাকার পাসপোর্ট অফিসে ধর্ণা দিচ্ছেন মো: নাসিরউদ্দিন।

"আমি সেই নভেম্বরে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট নবায়ন করতে দিয়েছি।

এখন দুই মাস ২০ দিন হচ্ছে। কিন্তু আমি পাসপোর্ট পাইনি।

আমি কুমিল্লা আর ঢাকা পাসপোর্ট অফিসের মধ্যে ছোটাছুঁটি করছি। আমি সৌদি আরবে থাকি।

আমার সেখানকার ভিসার মেয়াদ শেষ হলে আমি মহাবিপদে পড়বো।"

প্রবাস থেকে দেশে এসে অনেকেই পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন করে বিপাকে পড়েছেন।

চিকিৎসা বা লেখাপড়ার জন্য বিদেশে যাবেন, তাদেরও অনেকে পাসপোর্ট নিয়ে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।

ঢাকায় পাসপোর্ট অফিসে আসা এমনই কয়েকজন বলছিলেন, পরিস্থিতির কারণে তারা অসহায়বোধ করছেন।

পরিস্থিতি সামলাতে ইতিমধ্যেই ৪০ লাখ বই আমদানি করা হয়েছে এবং

এই বইয়ের সংকট নেই বলে পাসপোর্ট অধিপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন।

তবে এই অধিদপ্তরের বিভিন্ন সূত্র বলছে,পাসপোর্টের বইয়ের ভিতরে আবেদনকারির সব তথ্য দেশে ছাপানোর ক্ষেত্রে মুল সমস্যা হচ্ছে।

১০ বছর ধরে তিনটি মেশিনে পাসপোর্টে তথ্য ছাপানো হচ্ছে।

সেই মেশিনগুলোর ক্ষমতা কমে গেছে। এখন দিনে ১৫ হাজার পর্যন্ত ছাপানো যাচ্ছে।

কিন্তু প্রতিদিন ২২হাজারের বেশি আবেদন পড়ছে বা পাসপোর্টের চাহিদা আসছে।

পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ বলছিলেন,

২০১৫ সালে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট চাল করা হয়েছিল এবং

সেই পাসপোর্টগুলোর মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে এখন বেশি চাপ পড়েছে।

"বাকি আর কোনো সমস্যা নাই। আমাদের ছাপার কাজ প্রতিদিনই হচ্ছে।

যাদের বিশেষ প্রয়োজন, চিকিৎসা বা শিক্ষার জন্য বিদেশ যাবেন বা যারা প্রবাসী,

তাদের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে জরুরিভিত্তিতে পাসপোর্ট দেয়া হচ্ছে।"

জেনারেল আহমেদ বলেছেন, তারা এখন পাসপোর্ট দেয়ার ক্ষেত্রে বিলম্বের সময়টা কমিয়ে আনার চেষ্টা তারা করছেন।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদেরই অনেকে বলছেন,

ই-পাসপোর্ট দেয়ার পরিধি বাড়ানো এবং মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট দেয়া অব্যাহত রাখা-

এই দু`টি বিষয় একসাথে চালানো বেশ কঠিন।

হাতিরঝিলে বিজিএমইএ ভবন ভাঙা শুরু
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : বহুল আলোচিত রাজধানীর হাতিরঝিলের ‘ক্যান্সার’ বাংলাদেশ তৈরি পোশাক উৎপাদক

ও রফতানিকারকদের সংগঠনের (বিজিএমইএ) ভবন ভাঙার কার্যক্রম বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে।

গতকাল মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন।

তিনি জানান, আজ বুধবার সকাল ১০টায় ভবনটি ভাঙার কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পর এই ভবন থেকে যাবতীয় কার্যক্রম এবছরের শুরুতে ঢাকার উত্তরায় নতুন ভবনে সরিয়ে নিয়েছিল বিজিএমইএ।

১৯৯৮ সালে সরকারের কাছ থেকে জমি পেয়ে কারওয়ান বাজারের হাতিরঝিলে ভবন গড়ে তুলেছিল

বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

জলাধার আইন লঙ্ঘন করে ভবনটি তোলায় ২০১১ সালে তা ভেঙে ফেলার রায় আসে হাইকোর্ট থেকে।

পরে আপিল বিভাগও সে রায় বহাল রাখেন।

বিজিএমইএ ভবনটিকে সৌন্দর্যমণ্ডিত হাতিরঝিলের ‘ক্যান্সার’ আখ্যায়িত করেছিল হাইকোর্ট।

রায়ে বলা হয়েছিল, ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা হিসেবে বিজিএমইএর আইনের প্রতি আরও বেশি শ্রদ্ধাশীল হওয়া বাঞ্ছনীয় ছিল।

তারা তা না করে আইনকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছে।’

আদালতের রায়ের পর ভবন খালি করতে কয়েক দফা সময় নিয়েছিল বিজিএমএইএ;

এরপর গত এপ্রিলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-রাজউক ভবনটিতে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

গত এপ্রিলে বিজিএমইএ ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয় রাজউকগত এপ্রিলে বিজিএমইএ ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয় রাজউক।

এরই মধ্যে ভবনটি ভাঙার এবং ব্যবহারযোগ্য মালামাল কিনতে আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দরপত্র আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।

আগ্রহীদের আগামী ২৪ এপ্রিল বিকাল ৪টার মধ্যে রাজউক চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করতে বলা হয়।

তিন মাসের মধ্যে ভবন ভাঙার শর্ত দিয়ে ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,

আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বহুতল ভবন ভাঙার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

ভাঙার ব্যাপারে ক্রেতাকে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

রাজউকের ওই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর পাঁচটি প্রতিষ্ঠান দরপ্রস্তাব জমা দেয়।

এর মধ্যে মেসার্স সালাম অ্যান্ড ব্রাদার্স এক কোটি ৭০ লাখ টাকা, পিএনএস এন্টারপ্রাইজ ৫৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা,

মেসার্স চন্দ্রপুরী এন্টারপ্রাইজ এক কোটি টাকা, ফোর স্টার এক কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং

মেসার্স সামিরা এন্টারপ্রাইজ ৩০ লাখ টাকা দর প্রস্তাব করে।

রাজউকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সবকিছু যাচাইবাছাই শেষে ফোর স্টার নামে প্রতিষ্ঠানটিকে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

রাজউকের কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভবন ভাঙার জন্য আলাদা কোনো অর্থ পাবে না।

দুটি বেইজমেন্টসহ ১৫তলা বিজিএমইএ ভবন ভাঙার পর ব্যবহারযোগ্য মালামাল বিক্রি করে তারা তাদের খরচ ও লাভ উঠিয়ে নেবে।

স্টেশন পরিষ্কার করতে লাগল ৯৫ লাখ টাকার ভিম পাউডার!
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের বিভিন্ন স্টেশন পরিষ্কার করতেই ৯৫ লাখ টাকার ভিম পাউডার লেগেছে।

এখানকার একটি ছোট্ট টয়লেট মেরামতে খরচ হয়েছে ২৮ লাখ টাকা। আরেকটি টয়লেটসহ বারান্দার টিন বদলে খরচ ৭৩ লাখ টাকা।

ভৌতিক খরচ দেখানো হয়েছে বিভিন্ন স্টেশন রঙ করা, লাইন সংস্কার, রেলসেতু রঙ করা,

ছাউনি-প্ল্যাটফর্মের টিন বদল এমনকি স্যানিটারি উপকরণের মতো ছোট ছোট কাজে। কোথাও ছিটেফোটা কাজ হয়েছে।

কোথাও কাজের কোনো অস্তিত্বই নেই। কিন্তু গায়েবি এসব কাজ দেখিয়ে তুলে নেয়া হয়েছে কোটি কোটি টাকার বিল।

রেলের এমন শত শত কাজ টেন্ডার ছাড়াই ক্ষমতাসীন দলের তৃতীয় শ্রেণির ঠিকাদারদের দেয়া হয়েছে।

এক্ষেত্রে কোনো নিয়মই মানা হয়নি। ২০১৭ ও ২০১৮ সালে পশ্চিম রেলের ফাঁস হওয়া দুর্নীতির নথিপত্রে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

জানা গেছে, দুর্নীতির এ সিরিজ প্যাকেজের মোট মূল্য ৭০০ কোটি টাকা।

পশ্চিম রেলের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. রমজান আলী ও তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কর্মকর্তার সিন্ডিকেট এই মহাদুর্নীতিতে জড়িয়ে রয়েছেন।

 ফাঁস হওয়া নথিপত্র পর্যালোচনা করে জানা গেছে, পশ্চিম রেলের দুই থেকে আড়াই শতাধিক গায়েবি খাতে ৭০০ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে।

বিভিন্ন স্টেশন রঙ করা, লাইন সংস্কার, রেলসেতু রঙ করা, টয়লেট মেরামত, ছাউনি-প্ল্যাটফর্মের টিন বদল, স্টেশন প্রাঙ্গণ সংস্কার,

ওভার ব্রিজ সংস্কার, মাটি ভরাট, জেটি সংস্কার, হাঁটার পথ সংস্কার, দরজা মেরামত, শীত আর গরমের পোশাক কেনা,

স্যানিটারি উপকরণ ও ভিম পাউডার কেনা, বন্যার সময় ইট-খোলা কেনা, সেতু মেরামত,

বাউন্ডারি ওয়াল মেরামতের মতো ছোট ছোট কাজে বিপুল অংকের অর্থ ব্যয় দেখানো হয়েছে।

রাজশাহীতে পশ্চিমাঞ্চল রেল ভবনে এসএসএই দফতরের বারান্দার টিন পরিবর্তন ও

একটি টয়লেট সংস্কারে ৭২ লাখ ৩১ হাজার ৫০২ টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, রাজশাহীতে রেলের এ দফতরটি একটি ছোট্ট টিনশেড অফিস।

২০১৭ সালের ৭ জুলাই এ কাজটির কার্যাদেশ দেয়া হয় মোমিন ট্রেডার্স নামে একটি তৃতীয় শ্রেণির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে।

বিধিবদ্ধ দরপত্র আহ্বান ছাড়াই লোকাল টেন্ডার মেথড (এলটিএম) বা স্থানীয় টেন্ডার পদ্ধতিতে কোনো প্রতিযোগিতা ছাড়াই মোমিন ট্রেডার্স কাজটি পায়।

কাজ সম্পাদন দেখিয়ে ওই বছরের ১ অক্টোবর ঠিকাদারকে পুরো বিল পরিশোধ করা হয়।

নথিপত্র বিশ্লেষণ করে আরও দেখা যায়, পশ্চিম রেলের প্রধান টেলিযোগাযোগ ও

সংকেত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর দফতরের একটি টয়লেট মেরামতে ব্যয় দেখানো হয়েছে ২৮ লাখ টাকা।

এ কাজটি করেছে তৃতীয় শ্রেণির ঠিকাদার তোফা কন্সট্রাকশন।

রাজশাহীতে রেল অফিসার্স মেসের একটি কক্ষের (ইসি-৪) মেরামত ও

মেসের ভেতরে হাঁটার পথ সংস্কারে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৮৯ লাখ ৪৮ হাজার ৭৮০ টাকা। এই কাজটি করেছে সরকার অ্যান্ড ব্রাদার্স।

রাজশাহীতে ভদ্রা ব্যারাকের পুকুরপাড় উন্নয়ন ও ওয়াশপিট (ট্রেন ধোয়া-মোছার শেড) সম্প্রসারণে ব্যয় দেখানো হয়েছে ২ কোটি ৪ লাখ ৯ হাজার টাকা।

আশরাফুল কবির নামে একজন ঠিকাদার কাজ করেছেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। তবে সরেজমিনে পুকুরপাড় উন্নয়নের কোনো চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এদিকে উল্লাপাড়া স্টেশনের ইয়ার্ডে বালু ভরাট দেখিয়ে মোল্লাহ কন্সট্রাকশনকে ৭৩ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৯ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

রাজশাহী রেল স্টেশনটি কয়েক বছর আগে রি-মডেলিংয়ের মাধ্যমে নতুন করে নির্মাণ করা হলেও

জরুরি কাজ উল্লেখ করে এই স্টেশনের বুকিং কাউন্টার, ওয়েটিং রুম ও

কার পার্কিং এরিয়া মেরামত দেখিয়ে আনোয়ারুল ইসলাম বাবু নামে একজন ঠিকাদারকে ৫৭ লাখ ৭৪ হাজার ৪৬৪ টাকা বিল দেয়া হয়েছে।

সিরাজগঞ্জের রায়পুর নামক স্টেশনে মালামাল ওঠা-নামার সুবিধা সম্প্রসারণের নামে ঠিকাদার

আরটিসিকে ৯৭ লাখ ১৮ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে। তবে নথিপত্রে ওই কাজের ধরন উল্লেখ নেই।

রেলের সাবেক ডিজি আমজাদ হোসেনের শ্যালক পরিচয়দানকারী বদরুল আলমকে নাটোর, মাধনগর,

আত্রাই ও সান্তাহার স্টেশনে রেললাইনের প্লাস্টিকের ওয়াসার সরবরাহে মোট ৯ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার টাকার

৫টি প্যাকেজের কাজ একসঙ্গে কোনো টেন্ডার ছাড়াই দেয়া হয়।

বদরুল গত আড়াই বছরে এভাবে বিনা টেন্ডারে প্রায় ১০০ কোটি টাকার কাজ করেছেন বলে রেলওয়ের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

নিয়ম ভেঙে কাজ শুরুর আগেই বদরুলকে সমস্ত বিল পরিশোধ করা হয়।

যদিও রেলের সাবেক ডিজি আমজাদ হোসেন বলেন, বদরুল তার শ্যালক নয়, এলাকায় বাড়ি।

তার প্রভাব খাটিয়ে কাজ নেয়ার অভিযোগ ঠিক নয়। দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকে বদরুল আত্মগোপনে রয়েছেন।

এদিকে একই সময়ে কোনো টেন্ডার ছাড়াই ঢাকার আরটিসি নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন রেললাইন সংস্কারের নামে মোট ১৯টি কাজ দেয়া হয়।

এসব কাজের জন্য ওই প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ২৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকার বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

কোথায়, কীভাবে কাজগুলো হয়েছে বিল-ভাউচারে তার কোনো বিবরণ নেই।

২০১৮ সালের ১৮ মার্চ ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশন প্ল্যাটফর্মের ২০০ ফিট সিআই সিট পরিবর্তনসহ

আনুষাঙ্গিক কাজের জন্য ৩৮ লাখ ৩৬ হাজার ৫০০ টাকার বিল পরিশোধ করা হয়।

ফরমাল টেন্ডার ছাড়াই উল্লাপাড়া স্টেশনের ৩০০ ফুট সিআই সিট পরিবর্তনের জন্য ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে।

২০১৭ সালের ৩ জুন দ্বিতীয় মৈত্রী ট্রেনের জন্য বেনাপোল স্টেশনে একটি টিনের শেড নির্মাণে ৮০ লাখ ৯০ হাজার ব্যয় করা হয়।

একই স্টেশনের ফুটওভার ব্রিজ সংস্কার ও রঙ করা বাবদ ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬৩ লাখ ২৯ হাজার ৫০০ টাকা।

২০১৭ সালের বন্যায় কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, টাঙ্গাইল, পার্বতীপুর, কুমারখালী ও

মোবারকগঞ্জে জরুরি সেতু প্রটেকশন খাতে ৭১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়।

ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ খাতে ৬০ লাখ ৪৩ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে।

রেলওয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের শীতের পোশাক কেনা খাতে ৭ লাখ ৯৩ হাজার টাকা ব্যয়

দেখানো হলেও গরমের পোশাক কেনার খাতে দেখানো হয়েছে ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

বিভিন্ন স্টেশন পরিষ্কার করতে ভিম পাউডার কেনায় ৯৫ লাখ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানাচ্ছে, পশ্চিম রেলের এসব ছোট ছোট কাজ হয়েছে প্রায় আড়াই শতাধিক প্রকল্পে।

এসব কাজ ইচ্ছামতো দেয়া হয়েছে ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের। তবে কোথাও আংশিক ও

কোথাও কাজ না করেই ঠিকাদার ও রেলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যোগসাজশ করে বিপুল অংকের বিল তুলে নিয়েছেন।

এরই মধ্যে রেল ভবন থেকে পশ্চিম রেলের দুর্নীতির এসব নথিপত্র জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এখন অনুসন্ধান চালাচ্ছেন দুদক কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. রমজান আলীর পুরো মেয়াদে এ ধরনের কাজের মাধ্যমে বিপুল অর্থ লোপাট হয়েছে।

রমজান আলী বর্তমানে মোংলা রেল প্রকল্পের পরিচালক।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে দফায় দফায় কথা বলার চেষ্টা করা হলেও ব্যস্ততা দেখিয়ে এড়িয়ে গেছেন রমজান আলী।

অন্যদিকে টয়লেট মেরামত দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ বিল প্রদানকারী সাবেক সিনিয়র উপসহকারী প্রকৌশলী ও

বর্তমানে সৈয়দপুর সহকারী প্রকৌশলী (সেতু) পদে কর্মরত মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও ব্যস্ততা দেখিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি আগের কর্মকর্তার সময়ের দাবি করে এনিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সিনিয়র উপসহকারী প্রকৌশলী (এসএসইএ) বাবুল আকতার।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সাবেক প্রধান সিগন্যাল ও টেলিকমিউনিকেশন প্রকৌশলী অসীম কুমার তালুকদার বর্তমানে পাকশীর বিভাগীয় ম্যানেজার।

তিনিও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পশ্চিম রেলের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মিহির কান্তি গুহ বলেন, মাত্র কিছুদিন আগে দায়িত্ব নিয়েছি।

এরই মধ্যে দুদকের কর্মকর্তারা কয়েকবার এসেছেন এবং তাদের চাহিদামতো নথিপত্র সরবরাহ করা হয়েছে।

দুর্নীতি কতটুকু কী পরিমাণ হয়েছে, সেটা আমি এখন বলতে পারছি না।

জানতে চাইলে দুদকের রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক মোর্শেদ আলম বলেন, রেলে দুর্নীতির পরিসর বিস্তৃত ও মাত্রা ভয়াবহ।

সীমিত জনবলে এসব অনুসন্ধানে অনেক সময়ের প্রয়োজন। অনুসন্ধান পুরোদমে চলছে। সময় হলে সব জানানো হবে।

ভোটের দিন ঢাকায় শিল্প-কারখানা বন্ধ রাখার নির্দেশ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দিন নির্বাচনী এলাকায়

শিল্প-কারখানা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

 আজ মঙ্গলবার দুপুরে ইসির উপসচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২)

আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

শিল্প, বাণিজ্য ও শ্রমকল্যাণ সচিবকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে,

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন উপলক্ষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ভোট গ্রহণের দিন নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করবে।

সাধারণ ছুটি উপলক্ষে সরকারি/বেসরকারি সব অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থা বন্ধ থাকবে।

ভোট গ্রহণের দিন অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী এলাকার শিল্প-কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা

এবং প্রাসঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।’

পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে চিঠিতে।

প্রসঙ্গত, ঢাকার দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ করা হবে ১ ফেব্রুয়ারি। এবারই প্রথম ঢাকার সবগুলোর ভোটকেন্দ্রে ভোট হচ্ছে।

গণমাধ্যম অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করছে : তথ্যমন্ত্রী
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : দেশের গণমাধ্যম অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করছে দাবি করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন,

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও ইলেকট্টনিক মিডিয়ায় স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে সরকার কোনো রকম হস্তক্ষেপ করছে না।

বর্তমান সরকারের সময় সংবাদপত্র ও ইলেকট্টনিক মিডিয়া অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করছে।

ইতিমধ্যে নবম ওয়েজবোর্ড ঘোষণা করা হয়েছে। গণমাধ্যম কর্মী আইন চূড়ান্তকরণের কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

আজ সোমবার সংসদে আফজাল হোসেনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী আরও জানান, দেশের জাতীয় উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

বর্তমান সরকারের মেয়াদে জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র চালু করে তথ্য সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় নেওয়া হয়েছে।

সরকার জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা, তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন ও তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠাসহ অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা প্রণয়ন করেছে।

গণমাধ্যম বান্ধব সরকারের উদার সম্প্রচার নীতিমালার কারণে বর্তমানে বেসরকারি খাতে ৪৪টি টেলিভিশন,

২২টি এফএম রেডিও এবং ৩৩টি কমিউনিটি রেডিও চ্যানেলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী জানান, অনলাইন গণমাধ্যমের রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন জমা পড়েছে।

সম্প্রচার ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত নীতিমালা ইতিমধ্যে প্রণীত হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

তিনি জানান, অনলাইন গণমাধ্যম রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন জমাদান ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাস হতে শুরু হয়েছে।

এই পর্যন্ত ৩ হাজার ৫৯৭টি রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করেছে।

প্রাপ্ত আবেদনপত্রসমূহ যাচাই-বাছাই করে তালিকাসহ তথ্য মন্ত্রণালয়ে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।

নাছিমুল আলম চৌধুরীর প্রশ্নের লিখিত জবাবে তথ্যমন্ত্রী জানান,

সব সংবাদপত্রের গণমাধ্যমকর্মীর শতকরা ৪৫ ভাগ মহার্ঘ ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

সরকার ইতিমধ্যে নবম ওয়েজ বোর্ডের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

এছাড়া ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন ব্যতিত পত্রিকাসমূহের ওয়েজ বোর্ডপ্রাপ্তদের সমান হারে বিজ্ঞাপন হার প্রদানের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

এসব পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে সারাদেশের সাংবাদিকতর মানোন্নয়নের প্রভূত কল্যাণ সাধিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

 

 

 

যাত্রাবাড়ীতে বাসের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : রাজধানী যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া ও রায়েরবাগের মাঝামাঝি এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময়

বাসের ধাক্কায় নুরজাহান বেগম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।

আজ সোমবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

দুর্ঘটনার পর মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তার ছেলে সহিদুল ইসলাম জানান, রায়েরবাগে তার মেয়ে বেলা বেগমের বাসায় যাওয়ার সময় রাস্তা পার হচ্ছিলেন তিনি।

ওই সময় একটি বাস তাকে ধাক্কা দেয়। প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়।

পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ (ইন্সপেকটর) বাচ্চু মিয়া জানান ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।

 

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণায় প্লাস্টিকের পোস্টার, রাত বিরেতে শব্দ দূষণ: প্রার্থীরা কতটা দায়িত্ব নেবেন?
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : কানের পর্দা ফাটানো নির্বাচনী প্রচারণার শব্দ এখন ঢাকা শহরের যে কোনো এলাকাতেই শোনা যাচ্ছে।

প্রায় সকল প্রার্থীকে নিয়ে গাওয়া গান আর কিছুক্ষণ পরপর তাকে জনগণের সেবা করার সুযোগ দেয়ার আহবান জানানো হচ্ছে প্রচারণায়।

কেন তিনি অন্যদের চেয়ে যোগ্য প্রার্থী সেনিয়ে চলছে প্রতিযোগিতা।

প্রচারণায় আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে রাত আটটার পরে মিছিলে উচ্চ শব্দে এক সংগে মোটর সাইকেলের হর্ন বাজিয়ে,

মাইকে জোরে চীৎকার করে স্লোগান ও গান বাজিয়ে প্রচারণা চলছে বিভিন্ন পাড়ায়।

প্লাস্টিক দিয়ে মোড়ানো পোষ্টারে ছেয়ে রয়েছে ঢাকা।

এই পোস্টার যেখানে সেখানে ঝরে গিয়ে পরিবেশও দূষণ করছে। প্রচারণার সময় কর্মীরাও রাস্তাঘাটে আবর্জনা ফেলে যাচ্ছেন।

যিনি প্রচারণার সময় সচেতন নন, নিজের শহরের দেখভাল করার জন্য এমন নির্বাচিত প্রতিনিধি চান কিনা সেনিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

যে প্রার্থীরা একটি সুন্দর শহর গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন,

তারা প্লাস্টিকের আবরণ দেয়া হাজার হাজার পোষ্টার অথবা রাতের বেলার লাউড স্পিকারের পরিবেশ দূষণ সম্পর্কে কতটা ভাবছেন?

আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী উত্তরের বর্তমান মেয়র আতিকুল ইসলাম বলছেন, "আমাদের প্রচারণা আটটার পরে আমরা করি না।

জনতার যখন ঢল নামে তখন আটটা নাকি দশটা নাকি চব্বিশ ঘণ্টা কেউ কিছু বলতে পারবে না। জনতার ঢল আমি তো দাবায়ে রাখাতে পারবো না।"

প্লাস্টিকে ল্যামিনেট করা পোষ্টার সম্পর্কে তিনি দাবি করছেন, "যে যার মতো লাগাচ্ছে।

আমি যেমন প্রিন্টিং করেছি ল্যামিনেটিং ছাড়া। কোথা থেকে কে লাগাচ্ছে বোঝার ক্ষমতা কারো নেই।"

কিন্তু মি. ইসলামের প্লাস্টিকে মোড়ানো পোষ্টার ঝুলছে তার নির্বাচনী এলাকা জুড়ে।

ঢাকার উত্তরে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী তাবিথ আউয়ালও বলছেন, "আমার জানামতে আমার পোষ্টার প্লাস্টিকে হওয়ার কথা না।

আমরা জানি শুধু বাংলাদেশ কেন পৃথিবীর অনেক বড় সমস্যা হচ্ছে প্লাস্টিক বর্জ্য, প্লাস্টিক দূষণ।

আমি সচেতনভাবে আমার কর্মীদের বলেছি আমরা যেন কোন পলি ব্যবহার না করি।"

তিনি বলছেন, নির্বাচনের রায় যাই হোক সকল প্রার্থীর ল্যামিনেট করা পোষ্টার তিনি নিজে সরিয়ে রিসাইকেলের ব্যবস্থা করবেন

এবং তিনি বলছেন, নিরাপত্তার জন্য তার সমর্থকরা সন্ধ্যা ছয়টা পরে প্রচারণার কাজ বন্ধ রাখছেন।

বাংলাদেশে নির্বাচনী আচরণ বিধি অনুযায়ী প্রচারণায় মাইক, লাউড স্পিকার

বা উঁচু শব্দ তৈরি করে এমন কিছু ব্যবহারের নির্ধারিত সময় দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

দড়িতে উপরের দিকে ঝুলিয়ে পোষ্টার লাগানোর নিয়ম থাকলেও দেয়াল, যানবাহন, খুঁটি,

গাছসহ যেখানে সেখানে পোস্টার লাগানো যাবে না। পোষ্টার কেমন হবে সেব্যাপারেও আইনে বলা রয়েছে। কিন্তু এসব নিয়ম অবাধে ভঙ্গ করা হচ্ছে।

 

তিন দিন পর ফের শীত বাড়তে পারে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : পৌষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হয়েছিল।

এবার মাঘেও বৃষ্টি হতে পারে। আগামী ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিন পর শীত বাড়তে পারে।

আজ শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ রংপুর ও

সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে হালকা বা গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হতে পারে।

এছাড়া, আকাশ আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে,

শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে।

সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

গতকাল শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস

এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল শ্রীমঙ্গলে ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

 

রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় ৪ জনের মৃত্যু
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর পৃথক স্থানে বাসের ধাক্ষায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এর মধ্যে যাত্রাবাড়ীতে বাসের ধাক্কায় মামা-ভাগ্নে ও উত্তরায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইলের দুই আরোহীর মৃত্যু হয়েছে।

জানা গেছে গতকাল শুক্রবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে উত্তরা পূর্ব থানার সামনে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হন।

নিহত দুজনের মধ্যে একজনের নাম লিটন (৩৫)। অপর জনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

পুলিশ জানায়, উত্তরা পূর্ব থানার সামনে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী ছিটকে পড়ে যান।

পরে মুমূর্ষু অবস্থায় দু`জনকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

উত্তরা পূর্ব থানার এসআই আল আরাফাত জানান, নিহত দুজনের নাম-পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

ময়নাতদন্তের জন্য লাশ দুটি ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সাদ্দাম মার্কেটের সামনে বাসের ধাক্কায় মামা-ভাগ্নের মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত আনোয়ার হোসেন (৪০) ও তার ভাগ্নে সালাউদ্দিন (২২) মতিঝিল এলাকায় জারের পানি সরবরাহের ব্যবসা করতেন।

তারা থাকাতেন সাদ্দাম মার্কেট এলাকায়। স্বজনদের বরাত দিয়ে ঢাকা মেডিকল কলেজ হাসপাতাল ফাঁড়ি পুলিশের পরিদর্শক মো.

বাচ্চু মিয়া বলেন, আনোয়ার ও সালাউদ্দিন রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি বাস তাদের ধাক্কা দেয়।

স্থানীয়রা রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাদের ঢাকা মেডিকল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

রেসিডেনশিয়াল স্কুলের ছাত্র আবরারের মৃত্যু : প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান সহও গ্রেফতার- ১০
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :বাংলাদেশের বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ও

পত্রিকাটির সহযোগী প্রকাশনা কিশোর আলো`র সম্পাদক আনিসুল হকসহ দশজনের

বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার একটি আদালত।

ঢাকায় কিশোর আলোর একটি অনুষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থীর বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে নিহত হবার ঘটনায় এ আদেশ দিয়েছে আদালত।

প্রথম আলোর পক্ষের একজন আইনজীবী বিবিসি বাংলার কাছে আদালতের এ আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত পহেলা নভেম্বর ঢাকার রেসিডেনশিয়াল মডেল স্কুল ও কলেজে প্রথম আলোর কিশোর ম্যাগাজিন

`কিশোর আলো`র বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছিলো।

ওই অনুষ্ঠান দেখতে গিয়েছিলো স্কুলটির নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী নাঈমুল আবরার।

ঘটনার কয়েকদিন পর ৬ই নভেম্বর তার বাবা মজিবুর রহমান মহানগর হাকিম আদালতে মামলা করেন

যাতে তার সন্তানকে অবহেলা জনিত হত্যার অভিযোগ আনেন প্রথম আলো সম্পাদকসহ অনুষ্ঠান আয়োজন কমিটির বিরুদ্ধে।

তবে মামলার আগে সরকারের একজন মন্ত্রী এ বিষয়ে মন্তব্য করার পর ৫ই নভেম্বর

প্রথম আলোতে কিশোর আলো সম্পাদকের একটি বক্তব্য প্রকাশিত হয়।

তাতে কিশোর আলো সম্পাদক জানান যে, অনুষ্ঠানে প্রত্যেক দর্শনার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আয়োজকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা ছিলো।

পুলিশ, র‍্যাব ও দুটি বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার কর্মীরা সেখানে ছিলেন।

"এছাড়া জরুরি চিকিৎসা শিবির ছিলো যাতে দুজন এফসিপিএস চিকিৎসক কর্মরত ছিলেন। আইসিইউ সুবিধা সংবলিত অ্যাম্বুলেন্সও রাখা ছিলো।

বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে নাঈমুল আবরার কেমন করে এলো, সেখানে কোনো ত্রুটি ছিলো কি-না, তা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে।

তদন্তে কিশোর আলো সহায়তা করছে"।

ওদিকে আবরারের বাবার দায়ের করা মামলার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয় আদালত।

এ প্রেক্ষাপটে আজ আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছেন মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ যাতে মতিউর রহমান ও

আনিসুল হকসহ দশজনকে আসামি করা হয়।

প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে আদালত দশজনের বিরুদ্ধেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

যাদের নামে পরোয়ানা দেওয়ার আদেশ হয়েছে তারা হলেন : প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান,

সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হক, কবির বকুল, শুভাশিস প্রামাণিক, মহিতুল আলম, শাহ পরাণ তুষার,

জসীম উদ্দিন, মোশাররফ হোসেন, সুজন ও কামরুল হাওলাদার।

`ক্রসফায়ার` নিয়ে বিতর্ক : এমপিদের বক্তব্যে দ্বিমত ওবায়দুল কাদেরের
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশে ধর্ষণকারীদের `ক্রসফায়ারে` হত্যার সমর্থনে কয়েকজন সংসদ সদস্য সংসদে যে বক্তব্য তুলেছেন,

সেটা তাদের ব্যক্তিগত মতামত বলে উল্লেখ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ারকে সরকার এবং দল সমর্থন করে না।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো ক্রসফায়ার বা এনকাউন্টারের পক্ষে দেয়া বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

এদিকে আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টির যে সংসদ সদস্যরা এমন বক্তব্য দিয়েছিলেন,

তারা সরাসরি ক্রসফায়ার বা এনকাউন্টারের দাবি করার বিষয় অস্বীকার করেছেন।

ধর্ষণকারীদের বিরুদ্ধে ক্রসফায়ার বা এনকাউন্টার চেয়ে সংসদে যে বক্তব্য এসেছে, তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বন্দুকযুদ্ধ, ক্রসফায়ার বা বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ নিয়ে তা বন্ধের দাবি করে আসছে।

কিন্তু আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো এবং সরকার এসব অভিযোগ কখনও স্বীকার করেনি।

এমন প্রেক্ষাপটে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং তাদের মিত্র জাতীয় পার্টির কয়েকজন সদস্য যখন খোদ সংসদে ক্রসফায়ার

বা বন্দুকযুদ্ধে হত্যার সমর্থনে বক্তব্য দিয়েছেন, তখন সেই বক্তব্য ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

তবে এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এমন বক্তব্য সেই সংসদ সদস্যদের একান্তই ব্যক্তিগত।

"যারা বক্তব্য রেখেছেন এনকাউন্টারের পক্ষে, আমার মনে হয়, এটা তাদের ব্যক্তিগত মতামত। এটা সরকার বা দলের কোনো বক্তব্য নয়।

আমরা এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ারকে সাপোর্ট করতে পারি না। এটা সংবিধানের আওতার বাইরে। কারণ এটা সংবিধান সম্মত নয়।"

মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজা মনে করেন, সংসদে কোনো সদস্য যখন বক্তব্য দেন,

তিনি জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে তা করে থাকেন। সেখানে কারও ব্যক্তিগত কোনো মতামতের বিষয় নেই।

শীপা হাফিজা বলছিলেন, সংসদে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সমর্থনে বক্তব্যে তারা ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

"আমরা খুবই বিস্মিত। এবং বার্তাটা হচ্ছে তাহলে কি পার্লামেন্ট দেশের আইনকে যথোপযুক্ত মনে করেন না বা কার্যকরী মনে করেন না।

দেশের বিচারবিভাগকে কি কার্যকরী মনে করেন না? এরকম একটা আশংকা আমাদের মাঝে আসে।"

মানবাধিকার সংগঠনগুলো ইতিমধ্যে এই বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

গত ১৪ই জানুয়ারি মঙ্গলবার সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক

ধর্ষণকারীদের বিরুদ্ধে বন্দুক যুদ্ধের কথা বলে এনিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেছিলেন। সংসদের রেকর্ডে তার এই বক্তব্য রয়েছে।

তবে তিনি আলাপকালে বন্দুকযুদ্ধ, ক্রসফায়ার বা এনকাউন্টারের সমর্থনে বক্তব্য দেয়ার বিষয় স্বীকার করেননি।

সেই আলোচনায় অংশ নেয়া অন্যরাও সরাসরি এমন কোনো বক্তব্য দেয়ার বিষয় অস্বীকার করেছেন।

তবে রেকর্ডে দেখা যায়, জাতীয় পার্টির সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ বলেছিলেন, ১০/১২ ক্রসফায়ার ঘটলেই ধর্ষণের ঘটনা কমে আসবে।

তিনি এখন বলেছেন, ধর্ষণের মামলায় যেহেতু সাক্ষী পাওয়া যায় না। সেকারণে এসব মামলা বছরের পর বছর ঝুলে থাকছে।

পলে এই অপরাধ কমছে না। বরং উদ্বেগ বাড়ছেই।

এমন প্রেক্ষাপট বিবেচনায় তিনি মাদক এবং জঙ্গি দমনের মতো ধর্ষণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছেন।

তরিকত ফেডারেশনের নেতা নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর বক্তব্য ছিল, তাঁর ভাষায় ধর্ষকদের ক্রসফায়ার করলে বেহেস্তে যাওয়া যাবে।

আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা তোফায়েল আহমেদও সংসদে সেই আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন।

কিন্তু কেন এমন বক্তব্য দিয়েছেন-এই প্রশ্নে মি: আহমেদ বলেছেন, "আসলে পার্লামেন্টে জাতীয় পার্টির দু`জন সদস্য বক্তব্য রেখেছেন।

তারা বিভিন্ন দেশের উদাহরণ তুলে ধরেছেন।

এই যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যখন একজনকে আক্রমণ করে, তিনি কিন্তু নাই। স্পটেই ডেথ।

ভারতে বাস থেকে নামার পর একজন ডাক্তার মেয়েকে চারজন ধর্ষণ করেছে।

চারজনকেই ক্রসফায়ার দিয়েছে। তারপর আর ভারতে এমন ঘটনা ঘটে নাই।"

তিনি আরও বলেছেন, "এজন্য প্রশ্ন উঠেছে যে যারা ছোট শিশুদের সাথে এমন পাশবিক নির্যাতন করে,

তাদের পৃথিবীতে বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নাই। যখন চিহ্নিত হচ্ছে যে এই লোকটা ধর্ষণের পর হত্যা করেছে,

সেগুলোর বিরুদ্ধেতো স্পটেই ব্যবস্থা নেয়া উচিত। সেই কথা বলা হয়েছে।"

 

সরকার-ইসি হিন্দুদের অপমান করেছে : তাবিথ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজার দিনে পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করে

তাদের অপমান করেছে সরকার ও নির্বাচন কমিশন বলে মন্তব্য করেছেন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী তাবিথ আওয়াল।

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আহ্বান করে বলেন,

ভোট বর্জন না করে তারা যেন ধানের শীষে ভোট দিয়ে এর অন্যায়ের জবাব দেয়।

আগামী রোববার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বন্ধ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের জন্মদিন উপলক্ষে আগামী রোববার ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বন্ধ থাকবে।

আজ বৃহস্পতিবার দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের জন্মদিন উপলক্ষে আগামী রোববার  যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস,

কনস্যুলার সেকশন এবং আর্চার কে. ব্লাড আমেরিকান সেন্টার লাইব্রেরি ও

এডুকেশন ইউএসএ স্টুডেন্ট অ্যাডভাইজিং সেন্টারসহ আমেরিকান সেন্টার বন্ধ থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের জন্মদিন জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়।

দূতাবাস বন্ধ থাকাকালীন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জরুরি সেবা অব্যাহত থাকবে।

জরুরি সেবার জন্য ৫৫৬৬-২০০০ নম্বরে ফোন করা যেতে পারে।

                                                                                                                   


   Page 1 of 78
     রাজধানী
সীমান্ত হত্যা: বিএসএফের `গরু পাচার` যুক্তি মানছে না বিজিবি
.............................................................................................
দুর্নীতিতে বিশ্বে বাংলাদেশ ১৪তম
.............................................................................................
বিজিএমইএ ভবন ভাঙ্গা : স্বয়ংক্রিয়ের বদলে সনাতন পদ্ধতিতে কেন
.............................................................................................
ঢাকায় পাসপোর্টের জন্য হাহাকার, বিপাকে আবেদনকারীরা
.............................................................................................
হাতিরঝিলে বিজিএমইএ ভবন ভাঙা শুরু
.............................................................................................
স্টেশন পরিষ্কার করতে লাগল ৯৫ লাখ টাকার ভিম পাউডার!
.............................................................................................
ভোটের দিন ঢাকায় শিল্প-কারখানা বন্ধ রাখার নির্দেশ
.............................................................................................
গণমাধ্যম অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করছে : তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
যাত্রাবাড়ীতে বাসের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু
.............................................................................................
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণায় প্লাস্টিকের পোস্টার, রাত বিরেতে শব্দ দূষণ: প্রার্থীরা কতটা দায়িত্ব নেবেন?
.............................................................................................
তিন দিন পর ফের শীত বাড়তে পারে
.............................................................................................
রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় ৪ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
রেসিডেনশিয়াল স্কুলের ছাত্র আবরারের মৃত্যু : প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান সহও গ্রেফতার- ১০
.............................................................................................
`ক্রসফায়ার` নিয়ে বিতর্ক : এমপিদের বক্তব্যে দ্বিমত ওবায়দুল কাদেরের
.............................................................................................
সরকার-ইসি হিন্দুদের অপমান করেছে : তাবিথ
.............................................................................................
আগামী রোববার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বন্ধ
.............................................................................................
জাতীয় কবির পুত্রবধূ উমা কাজী আর নেই
.............................................................................................
পেঁয়াজ নিয়ে বিপাকে ভারত, বাংলাদেশকে কেনার অনুরোধ
.............................................................................................
বিজিএমইএ ভবন ভাঙার প্রক্রিয়া স্থবির
.............................................................................................
‘পূজার দিন ভোট নয়’ দাবিতে অবরুদ্ধ শাহবাগ
.............................................................................................
ঘন কুয়াশায় বিমানবন্দরে বিমান চলাচল বন্ধ
.............................................................................................
ফকিরাপুলে ট্রাকের ধাক্কায় একজনের মৃত্যু
.............................................................................................
রাজমিস্ত্রি সেজে ১৫ বছর আত্মগোপনে ‘জঙ্গি বিল্লাল’
.............................................................................................
ক্যাসিনোকাণ্ডের এনামুল-রূপন দুই ভাই গ্রেফতার
.............................................................................................
ঢাকায় ৩০ জানুয়ারি সাধারণ ছুটি
.............................................................................................
শাহজালালে সাড়ে ৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার
.............................................................................................
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন : প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবসম্মত?
.............................................................................................
চলন্ত বাসে ধর্ষণের পর নারী শ্রমিককে হত্যা, চালক আটক
.............................................................................................
নারীদের চাকরির সুযোগ বিমান বাহিনীতে
.............................................................................................
ঢাকার ১১.৮ শতাংশ ট্রাফিক পুলিশই কানে কম শোনে
.............................................................................................
বিনা ভোটে ৪ কাউন্সিলর নির্বাচিত দক্ষিণে
.............................................................................................
ঢাকার কামরাঙ্গির চরে কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ৫
.............................................................................................
ধানমন্ডিতে জাল টাকা তৈরির কারখানার সন্ধান
.............................................................................................
মোয়াজ্জেম আলীর দেশপ্রেম ছিল জীবনের অংশ
.............................................................................................
দেশের বিভিন্ন স্থানে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা
.............................................................................................
সাবেক বিমান বাহিনীর কর্মকর্তার মৃত্যু
.............................................................................................
বায়ুদূষণে ফের শীর্ষে ঢাকা, তারপরই দিল্লি আর করাচি
.............................................................................................
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তীব্র নিন্দা ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায়
.............................................................................................
২০১৭ সালে পর্যটন শিল্প ১১ লাখ ৭৯ লোকের কর্মসংস্থান-পর্যটন প্রতিমন্ত্রী
.............................................................................................
ইভিএমে ত্রুটি শনাক্ত, ফিঙ্গার প্রিন্টের পর একজনের ভোট দিতে পারেন আরেকজন
.............................................................................................
বিটিআরসি এবার বাংলালিংকের অডিট করবে
.............................................................................................
২০১৯ সালে ৩৯৩ রেল দুর্ঘটনায় নিহত ৪২১, আহত- ৩৬৬
.............................................................................................
`সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ার কারণ কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাব`, ইলিয়াস কাঞ্চন
.............................................................................................
বুড়িগঙ্গায় বাল্কহেড ডুবে মৃত্যু-৪
.............................................................................................
বিভিন্ন গন্তব্যে ২৮ ট্রেনের সময়সূচি পরিবর্তন
.............................................................................................
সাংবাদিকপুত্রের আগুন লেগে মৃত্যু
.............................................................................................
বাড্ডায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১,আহত-১
.............................................................................................
ঢাকা টাইমস সম্পাদকের বাবার ইন্তেকাল
.............................................................................................
শেখ মারুফকে দুদকে তলব
.............................................................................................
তাপমাত্রা আরো কমতে পারে সারাদেশে
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি