২২ জিলহজ ১৪৪১ , ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৩ আগস্ট , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > বরগুনায় অগ্নিঝরা টাউনহল চত্বরে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের মানববন্ধন ও অবস্থান ধর্মঘট   > বন্যায় মৃতের সংখ্যা দুইশ ছাড়াল   > স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হলেন সেব্রিনা ফ্লোরা   > বরিশাইল্লা ‘দাদো’র চরিত্রে মীর সাব্বির   > ২৪ ঘন্টায় আরো ৪৪ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬১৭   > ট্রেনের টিকিট হাতবদল হলেই সাজা   > মাদারীপুরের ডাসারে র‌্যাব-৮ এর অভিযানে দেশি-বিদেশী মদ উদ্ধার, আটক ১   > সুবিদখালী বাজার সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগ চরমে !   > এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিচার শুরু   > ভূঞাপুরে ছাত্রলীগ নেতার গলাকাটা লাশ উদ্ধার  

   রাজধানী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
এ বছরের মধ্যে তারের জঞ্জালমুক্ত হবে ডিএসসিসি : তাপস

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) সড়কের ওপর ঝুলে থাকা তার-ক্যাবল সরানো হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সময়সীমা নির্ধারণের কথা বলেন।

মেয়র বলেন, আবশ্যকীয়তা ছাড়া সকল ধরনের তার আমরা অপসারণ করব। এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে তারের জঞ্জালমুক্ত করা হবে।

এর আগে গত ৫ আগস্ট ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে অবৈধ ক্যাবল সংযোগ উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

ক্যাবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬ এর ২৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী সেবাপ্রদানকারী ক্যাবল সংযোগের কাজে কোনো সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার স্থানীয় কার্যালয়ের লিখিত অনুমোদন ব্যতীত কোনো স্থাপনা ব্যবহার বা সুবিধা নেয়া যাবে না।

আইনের উপ-ধারা ২৮ (২) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তা হলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ১ (এক) লাখ টাকা কিন্তু অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং অপরাধ পুনরাবৃত্তির ক্ষেত্রে তিনি অনধিক ৩ (তিন) বছর সশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ২ (দুই) লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।

এ বছরের মধ্যে তারের জঞ্জালমুক্ত হবে ডিএসসিসি : তাপস
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) সড়কের ওপর ঝুলে থাকা তার-ক্যাবল সরানো হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সময়সীমা নির্ধারণের কথা বলেন।

মেয়র বলেন, আবশ্যকীয়তা ছাড়া সকল ধরনের তার আমরা অপসারণ করব। এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে তারের জঞ্জালমুক্ত করা হবে।

এর আগে গত ৫ আগস্ট ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে অবৈধ ক্যাবল সংযোগ উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

ক্যাবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬ এর ২৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী সেবাপ্রদানকারী ক্যাবল সংযোগের কাজে কোনো সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার স্থানীয় কার্যালয়ের লিখিত অনুমোদন ব্যতীত কোনো স্থাপনা ব্যবহার বা সুবিধা নেয়া যাবে না।

আইনের উপ-ধারা ২৮ (২) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তা হলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ১ (এক) লাখ টাকা কিন্তু অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং অপরাধ পুনরাবৃত্তির ক্ষেত্রে তিনি অনধিক ৩ (তিন) বছর সশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ২ (দুই) লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।

ডুবে যাচ্ছে ঢাকার নিম্নাঞ্চল
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : বন্যার পানি ঢুকে পড়ছে ঢাকার নিম্নাঞ্চলের বাসাবাড়িগুলোতে। পূর্বাঞ্চলের বালু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে। এরই মধ্যে শহরের পূর্বাঞ্চলে বসবাসরত সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে সব কিছুই পানির নিচে। ফলে নৌকা দিয়েই যোগাযোগ করতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। বাসা বাড়িতে পানি উঠে যাওয়ায় ঘরের মধ্যে মাচা কিংবা নৌকায় রান্না হচ্ছে। অনেকেই বাড়ি-ঘরও ছেড়েছেন।

গত এক মাসের বেশি সময় ধরে এমন চিত্র বিরাজ করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৭০, ৭১, ৭৩ ও ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে। সদ্য যুক্ত হওয়া ওয়ার্ডগুলোর বাসিন্দাদের কাছে কোনও খাদ্য বা ত্রাণ সহায়তাও পৌঁছেনি।

ঢাকা পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বালু নদীকে ঘিরেই কয়েকটি এলাকা রয়েছে। যে এলাকাগুলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নতুন যুক্ত হওয়া ৭০, ৭১, ৭৩ ও ৭৫ ওয়ার্ড। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যমতে, বর্তমানে বালু নদীতে বন্যা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নদীতে পানির সর্বোচ্চ স্তর ৭ দশমিক ১৩ মিটার। এই নদীর পানির সমতল ৫ দশমিক ৮৭ মিটার। আর ৫ দশমিক ৭৫ মিটারের ওপরে গেলে বিপৎসীমা ধরা হয়ে থাকে।

সরেজমিন দেখা গেছে, এসব ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। চারদিকে পানি আর পানি। কোথাও মাটি দেখা যাচ্ছে না। মানুষের বাসাবাড়ি, রস্তাঘাট ও দোকানপাটসহ সব কিছুই পানিতে ডুবে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পানির কারণে তাদের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যহত হচ্ছে। তারা কাজে যোগ দিতে পারছেন না। বাসাবাড়ির সবজি বাগান ডুবে যাওয়ায় উপার্জনের পথও বন্ধ হয়ে গেছে। হাঁস-মুরগিসহ গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন অনেকেই। যাতায়াতের কোনও ব্যবস্থা না থাকায় শহরের সঙ্গেও তারা যোগাযোগ করতে পারছেন না। এ অবস্থায় সিটি করপোরেশন থেকেও তারা কোনও সহযোগিতা পাচ্ছেন না।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৭০ নম্বর ওয়ার্ড ডেমরা। এরই এলাকার দেইল্লা, পাইটি, কায়েতপাড়া, ঠুলঠুলিয়া, খলাপাড়া, তাম্বুরাবাদ, নলছাটা, ধীৎপুর, মেন্দিপুর, আমুলিয়া ও শূন্যা টেংরা এলাকার নিম্নাঞ্চল বালু নদের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এলাকায় বসবাসরত মানুষের বাসাবাড়িতে পুনি ঢুকে পড়েছে।

খিলগাঁও থানাধীন ডিএসসিসির ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিচ্ছিন্ন বিভিন্ন এলাকায় দেড় থেকে আড়াই ফুট পানি বেড়েছে। এসব এলাকার বসবাসরত মানুষের ঘরবাড়িতে পানি উঠে পড়েছে। তাদের নৌকায় করে পানির ভেতর দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

ডিএসসিসির ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণগাঁও, ভাইগদিয়া ও মানিকদিয়া খালের তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার মানুষও কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। অনেকের সংসারে দেখা দিয়েছে অভাব। ঘরবাড়ি ছেড়েও কেউ কেউ অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। কাজের সন্ধানে বেরিয়ে পড়েছেন অনেক পরিবারের কর্মঠ মানুষ।

একই চিত্র দেখা গেছে, ডিএসসিসির ৭১ নম্বর ওয়ার্ডের মাণ্ডা, কদমতলী, ঝিলপাড়া ও উত্তর মাণ্ডা এলাকায়। এই এলাকাগুলোতে বালু নদীর পানি অভ্যন্তরির খালগুলো দিয়ে প্রবেশ করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এতে খাল তীরবর্তী বেশির ভাগ বাড়িতেই পানি ঢুকে পড়েছে।

এদিকে রাজধানীর সবুজবাগ, বাড্ডা, বেরাইদ, ডুমনি, সাঁতারকুল, দক্ষিণখানসহ বালু নদের তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলোও প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া বালু নদ তীরবর্তী নগরীর বিভিন্ন এলাকায় শাখা নদের সংযোগ ও ছোট-বড় সংযোগ খালেও বানের পানি ঢুকেছে।

রাজধানীর ওয়ারী থেকে লকডাউন প্রত্যাহার
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : কার্যকর হওয়ার ২১ দিন পর রাজধানীর ওয়ারী থেকে লকডাউন তুলে নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার বেশি হওয়ায় ওয়ারী অঞ্চলকে ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করে ৪ জুলাই থেকে শুরু হওয়া লকডাউন শুক্রবার মধ্যরাতে তুলে নেওয়া হয়।

ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাসের বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) থেকে এ বিষয়ে নতুন কোনো নির্দেশনা না পাওয়ায় লকডাউন প্রত্যাহার করা হয়েছে। ওই এলাকায় করোনা সংক্রমণের হার তুলনামূলকভাবে হ্রাস পেয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে আগের মতো লাউডস্পিকারে জনসচেতনামূলক মাইকিং অব্যাহত থাকবে।

লকডাউন এলাকায় করোনা পরীক্ষার বুথ ও ই-কমার্সের মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রী সরবরাহসহ অন্যান্য সেবাও অব্যাহত থাকবে ৩০ জুলাই পর্যন্ত।

যৌতুকের কারণে স্ত্রীকে নিজ হাতে হত্যা করেন নিরঞ্জন
                                  

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি : পাবনার চাটমোহরে গৃহবধূ কল্পনা রানী পাল (৩৮) কে গলা কেটে হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। যৌতুকের কারণে স্ত্রীকে নিজের হাতে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে তার স্বামী। ঘটনায় জড়িত নিহত গৃহবধূর স্বামী নিরঞ্জন পাল ওরফে নিরু (৪৫) কে আটক করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ডের বিষয়টি স্বীকারও করেছেন তিনি। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, প্রায় ২৬ বছর আগে কল্পনা রানীর সাথে বিয়ে হয় নিরঞ্জন ওরফে নিরু’র। দুই ছেলে দিনাজপুরে বসবাস করায় তারা স্বামী-স্ত্রী বাড়িতে থাকতেন। চায়ের দোকানের আয় দিয়ে চলে তাদের সংসার। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী কল্পনা রানীকে বেধড়ক মারধর করতেন নিরঞ্জন। রোববার (১৯ জুলাই) এনিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিরঞ্জন পুলিশকে জানিয়েছে, স্ত্রীর উপর ক্ষোভ থেকে রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে প্রবল বৃষ্টির মধ্যে নিজের চায়ের দোকান থেকে গোপনে বাড়িতে যান নিরঞ্জন। শোবার ঘরে ঢুকেই স্ত্রী কল্পনা রানীকে মারধর করেন। পরে মুখ চেপে ধরে ধারালো ছুরি দিয়ে জবাই করে হত্যা করে নিজের চা দোকানে ফিরে যান তিনি। পরে রাত পৌনে ১১টার দিকে বাড়ি ফিরে নিরঞ্জন স্থানীয়দের ডেকে জানায় কল্পনা রানীকে হত্যা করেছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার ও স্বামী নিরঞ্জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।

চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, নিরঞ্জন পাল খুব বদমেজাজী টাইপের লোক। তার হাতে কাটা চিহ্ন দেখে সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে অকপটে স্ত্রী হত্যার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় থানায় ওই গৃহবধুর বাবা মনোরঞ্জন পাল বাদী হয়ে নিরঞ্জন ওরফে নিরুকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নাম্বার ১২। সোমবার (২০ জুলাই) মামলায় নিরঞ্জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আশুলিয়ায় হেরোইনসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক
                                  

হাসান ভূঁইয়া, আশুলিয়া (ঢাকা) : আশুলিয়ায় হেরোইনসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের নিকট তল্লাশী চালিয়ে ২ হাজার ৩০৫ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
সোমবার সকালে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার উপ-পরির্দশক (এসআই) হারুন-অর-রশিদ। এর আগে রোববার রাতে আশুলিয়ার জিরানী টেঙ্গুরি এলাকার মান্নান কলেজের সামনে থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো- ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন ঘুগুদিয়া টেকপাড়া গ্রামের মৃত মকছেদ আলীর ছেলে মানিক হোসেন (৩১), টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার থানার মাদারকুল পূর্বপাড়া গ্রামের ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে সানোয়ার হোসেন (৩৮) ও গাইবান্ধা জেলার সদর থানার হাট লক্ষীপুর ইউনিয়নের সরকার পাড়া গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে রুপ শাহ্ (২১)। তারা সকলেই আশুলিয়ার টেঙ্গুরি পুকুরপাড় এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে টেঙ্গুরিসহ আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক সরবারহ ও বিক্রয় করে আসছিলো বলে জানায় পুলিশ।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুন-অর-রশিদ জানান, রোববার রাতে আশুলিয়ার জিরানী টেঙ্গুরি এলাকায় মাদক ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৩০৫ পুরিয়া হেরোইনসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২ লক্ষ ৩০ হাজার ৫০০টাকা।
তিনি আরও জানান আটকদের মধ্যে মানিক হোসেন মাদক মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত পলাতক আসামি। তার বিরুদ্ধে চারটি মাদক মামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।
আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান আশুলিয়া থানা পুলিশের এই চৌকস অফিসার।

বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় নাকাল রাজধানীবাসী
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : মধ্যরাত থেকেই রাজধানীতে বৃষ্টি হচ্ছে। এই বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে কর্মব্যস্ত নগরবাসী চলাচলে অন্তহীন দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। পানি অপসারণের ড্রেনগুলো সচল না থাকায় জলাবদ্ধতা তীব্র হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সেবা সংস্থার অপরিকল্পিত খোঁড়াখুঁড়ি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে দুর্ভোগ। এতে যানচলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এ সুযোগে রিকশা, সিএনজি চালকরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন।
বৃষ্টিতে নগরীর ধানমন্ডি ২৭, সংসদ ভবন এলাকা, লালমাটিয়া, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, সেনপাড়া, তেজকুনিপাড়া, তেজতুরি বাজার, মিরপুর ১০ থেকে ১৪ নম্বর, তেজগাঁও, সাতরাস্তা মোড, কারওয়ানবাজার টিসিসি ভবন, রাজারবাগ পুলিশ লাইনের উত্তর গেট, খিলগাঁও, বাসাবো, মুগদা, নয়াপল্টন, পুরান ঢাকার বঙ্গবাজার এলাকা, সিদ্দিক বাজার মোড়, নাজিরা বাজার, নাজিম উদ্দিন রোড, গ্রিন রোড, মোহাম্মদপুর, ফার্মগেট, শুক্রাবাদ, রামপুরা, মালিবাগ ও খিলক্ষেতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী ও ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা।

এসব এলাকায় সাধারণ মানুষকে পথচলাচলে তীব্র ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। কোথাও কোথাও ইঞ্জিনে পানি ঢুকে যানবাহনও বিকল হতে দেখা গেছে। রাস্তায় পানি জমায় মানুষ গাড়িতে উঠ‌তে পারছেন না। এছাড়া বিভিন্ন বাসা-বাড়িতেও পানি উঠেছে বলে জানা গেছে। বৃষ্টিতে কোনও কোনও এলাকা যেন নদীতে পরিণত হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। এতে ট্রাফিক পুলিশকেও চরম ভোগান্তি সহ্য করতে হয়।

মতিঝিলে অফিস করতে আসা ফাহিম তাজওয়ার লিমন বলেন, ‘সকালে অফিস করার জন্য বের হয়ে দেখি বাসাবো থেকে মুগদা, কমলাপুর রেল স্টেশন হয়ে নটর ডেম কলেজ, ফকিরাপুল পর্যন্ত সড়কে পানি ঢুকে তলিয়ে গেছে। রিকশা সিএনজি ও প্রাইভেট কার চলাচল করতে পারছে না। এই এলাকায় ফুটপাত ধরেও চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে।’

মিরপুর ১৪ নম্বর এলাকার বাসিন্দা মহিউদ্দিন বলেন, ‘রাস্তায় পানি আর পানি। মিরপুর ১০ থেকে ১৪ নম্বর পর্যন্ত পুরো রাস্তায় পানি। বিশেষ করে বিআরটিএ ভবনের সামনে পানির পরিমাণ অনেক বেশি। এই এলাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।’

যশোর-৬ আসনে বিপুল ভোটে নৌকার মাঝি হলেন শাহীন
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা পরিস্থিতির মধ্যে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের উপনির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এই আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাতে ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঘোষিত ফলাফলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহীন চাকলাদার এক লাখ ২৪ হাজার ৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন দুই হাজার ১২ ভোট। তবে বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচন বর্জন করায় মাঠে ছিলেন না আবুল হোসেন আজাদ। অপর প্রার্থী জাতীয় পার্টির হাবিবুর রহমান লাঙল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন এক হাজার ৬৭৮।


কেশবপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বজলুর রশীদ ভোট গণনা শেষে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে একটানা বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর শুরু হয় গণনা।

কেশবপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বজলুর রশীদ জানান, কেশবপুর আসনে মোট দুই লাখ ৩ হাজার ১৮ জন ভোটারের মধ্যে এক লাখ ২৯ হাজার ৬৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে এক হাজার ৩৭৪ ভোট। আওয়ামী লীগ প্রার্থী শাহীন চাকলাদার নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ২৪ হাজার ৩ ভোট, বিএনপি প্রার্থী আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন দুই হাজার ১২ ও জাতীয় পার্টির হাবিবুর রহমান লাঙল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন এক হাজার ৬৭৮। নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৬৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

যশোর জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, যশোর-৬ কেশবপুর আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শেষে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। করোনাকালের মধ্যে ভোটগ্রহণ হওয়ায় ভোটাররা স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট প্রদান করেছেন।

সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী শাহজাহান সিরাজের মৃত্যু
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী এবং বিএনপি নেতা শাহজাহান সিরাজ মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে (সাবেক অ্যাপোলো) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে গেছেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শাহজাহান সিরাজ দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন বলেও জানান তিনি।

এদিকে, সাবেক এ মন্ত্রীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আগামীকাল বুধবার রাজধানীর বনানী কবরস্থানে সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান সিরাজের মরদেহ দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, জাসদের মনোনয়নে তিনবার এবং বিএনপির মনোনয়নে একবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন শাহজাহান সিরাজ। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।

ওয়ারীতে লকডাউনের মধ্যেও দ্বিগুণ লোকের চলাচল
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক: করোনা নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর ওয়ারীতে ১ কিলোমিটার এলাকা লকডাউনের আজ চতুর্থ দিন। এ লকডাউনে কেবল জরুরি সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ও লোকদের এলাকায় প্রবেশ ও বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে নিয়ম না মেনে তালিকাভুক্তির চেয়ে দ্বিগুণ লোকজন এ এলাকায় চলাচল করছেন।

সূত্র জানায়, ওয়ারীতে প্রবেশ ও বের হওয়ার তালিকায় ৬৯২ জনের নাম রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের একশ’ যানবাহন প্রবেশ ও বের হওয়ার অনুমতি রয়েছে। কিন্তু এলাকায় আসা-যাওয়া করা লোকের সংখ্যা এর অনেক বেশি। এদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টাফ, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের স্বজন ও বাসিন্দারা রয়েছেন।

সোমবার (৭ জুলাই) ওয়ারী ওয়্যার স্ট্রিট (চণ্ডীচরণ বোস স্ট্রিট) রোডের গেটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকেই বাইরে বের হওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে অনেক লোক। তারা একে একে নাম এন্ট্রি করে বের হচ্ছিলেন। এদের মধ্যে রয়েছে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্টাফ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টাফ, ই-ভ্যালি, ফুডপান্ডার স্টাফ ও স্থানীয় বাসিন্দা। যদিও একেবারে জরুরি ছাড়া স্থানীয়দের বের হতে দিতে চাইছিলেন না স্বেচ্ছাসেবকরা। কিন্তু শুধুমাত্র অনুমোদিত লোকজন ও যানবাহন বের হওয়ার নিয়ম থাকলেও অনেকই জোরপূর্বক এলাকায় প্রবেশ করছিলেন।

ওয়ারীর টিপু সলতান রোডের গেটটিও শুধু মাত্র অনুমোদিত লোকজন ও জরুরি যানবাহন প্রবেশের জন্য খোলা। সেখানেও অনেকই নাম এন্ট্রি করে প্রবেশ করছেন। তবে নিয়ম অমান্য করেন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর স্বজন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টাফদের এই গেট দিয়ে বের হতে দেখা যায়। যদিও অনেককেই স্বেচ্ছাসেবকরা বের হতে বাধা দিচ্ছেন।

স্বেচ্ছাসেবক কর্মীরা জানান, ওয়ারীতে প্রবেশের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেন ৬৯২ জন স্টাফ, প্রতিষ্ঠানগুলোর একশ’ যানবাহন এবং খাদ্যদ্রব্য সরবরাহের জন্য ৭০টি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি আছে। ঠিক একই তালিকা বের হওয়ার গেট ওয়্যার স্ট্রিটেও দেওয়া আছে।

লকডাউন বাস্তবায়ন সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, ওয়ারীর ভেতরে ৩টি হাসপাতালে ভর্তি রোগীর স্বজনরাই মূলত নিয়মের বাইরেও বেশি চলাচল করছেন। এর বাইরেও অনেকেই জোরপূর্বক প্রবেশ ও বের হবার চেষ্টা করছেন।

ওয়ারীর ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আহমেদ ইমতিয়াজ মান্নাফি বাংলানিউজকে বলেন, লকডাউন এলাকার ভেতরে প্রবেশ ও বের হওয়ার বিষয়ে কিছু প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের পারমিশন রয়েছে। তালিতার বাইরে কাউকে আমরা প্রবেশ ও বের হতে দিচ্ছি না।

 

করোনায় হাঁসফাঁস করছে মধ্যবিত্ত
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : গত দুই দশকে বাংলাদেশের অর্থনীতির বিস্তর পরিবর্তন ঘটেছে। বেড়েছে মধ্যবিত্তের বিস্তৃতি। সেই বদলেছে তাদের চরিত্রও। ঋণ দেয়ার সুবিধার্থে সদস্য দেশগুলোকে আয়ের ভিত্তিতে চারটি ভাগে ভাগ করে বিশ্বব্যাংক। কোনো দেশের জনগণের গড় মাথাপিছু আয় ১০৩৬ ডলারের কম হলে সে দেশটি নিম্ন আয়ের হিসেবে বিবেচিত হয়।

২০১৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছিল এই কাতারে। মাথাপিছু আয় ১০৩৬ থেকে ৪০৪৫ ডলার হলে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ, ৪০৪৬ থেকে ১২,০৪৫ ডলার হলে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ। সবশেষটি উচ্চ আয়ের দেশ, এজন্য মাথাপিছু আয় হতে হবে ১২ হাজার ৫৩৫ ডলারের বেশি।

২০১৫ সালের বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। মধ্যবিত্তের যেমন আত্মসম্মানবোধ প্রবল, বিপদে পড়লেও কারো কাছ থেকে দয়াদাক্ষিণ্য নেয় না, একইভাবে এই ক্যাটাগরিতে থাকা দেশগুলোর জন্য স্বল্প সুদের ঋণসহ অনুদানের সুযোগ সুবিধাগুলো নেই, যেমনটা আছে নিম্ন আয়ের দেশের জন্য।

আর্থিক ও সামাজিক সামর্থের বিচারে দেশগুলোকে স্বল্পোনন্নত, উন্নয়নশীল ও উন্নত এই তিন ভাগে ভাগ করে জাতিসংঘ। বাংলাদেশ আছে সবচেয়ে নিচে, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকাতে। যদিও সেখান থেকে উত্তরণে যে শর্তগুলো রয়েছে দুই বছর আগেই সেগুলো পূরণ হয়ে গেছে। এই ধারা বজায় থাকলে ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছাবে। এতে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাছ থেকে এখন যেই সুবিধাগুলো মিলছে, সেগুলো আর পাওয়া যাবে না।

সব মিলিয়ে বাংলাদেশকে এখন বড়সড় একান্নবর্তী মধ্যবিত্ত এক পরিবারের সঙ্গেই তুলনা করা চলে। পরিবারের সবার আর্থিক স্বচ্ছলতা যে এক রকম, তা নয়। বেশিরভাগের অবস্থাই টানাটানির। তার মধ্যেই দু-একজন, আলাদিনের চেরাগের বদৌলতে অবাক করা সম্পত্তির মালিক হয়ে উঠেছেন। তাদের হাতেই সমস্ত কিছুর নিয়ন্ত্রণ। সব সুযোগ সুবিধাও তারা নিজেরাই ভোগ করতে চান, বাকিদের প্রাপ্যটা নিয়েও টানাটানি করেন। পরিবারের কর্তৃত্ব যার হাতে, তিনিও সমস্ত কিছুতে তাদের পক্ষেই অবস্থান নেন, সিদ্ধান্ত দেন। সদস্যদের যাদের অবস্থা একেবারে নিচে তারা মাঝে মধ্যে প্রতিবাদ করেন, কিছুটা প্রাপ্য আদায় করে নেন। মাঝখানে যারা আছেন তাদের তেমন কোন উচ্চবাচ্য নেই। খারাপ বা ভাল যাই থাকেন না কেন, বাইরে বেশ পরিপাটি এক ভাব নিয়ে চলেন। তাই তাদের প্রকৃত অবস্থা বোঝাটা মুশকিল। আগে মাঝে মধ্যে কোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন এখন তা-ও করেন না, সবার সঙ্গে আপোষ করে চলেন। কখনও কখনও পরিবারে যে তাদের অস্তিত্ব আছে তা টেরই পাওয়া যায় না।

মধ্যবিত্তের হাত ধরেই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটেছিল। গণতান্ত্রিক আন্দোলন, সংগ্রাম সবকিছুতে তারাই নেতৃত্ব দিয়েছেন। সংস্কৃতি বিনির্মাণ করেছেন, নিজেদের শিক্ষিত হিসেবে বিকশিত করেছেন। দেশের রাজনীতিতেও এক সময় তাদেরই আধিপত্য ছিল৷ অথচ এই মধ্যবিত্তকে এখন কর্মসংস্থানের বাজার আর বিনোদন কেন্দ্র ছাড়া অন্য কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না।

নিজেদের তৈরি করা জায়গা তারা ছেড়ে দিয়েছেন উঠতি ধনিক শ্রেণির হাতে। এই উচ্চবিত্তের প্রতিপত্তি দিন দিন এতই বাড়ছে যে, ধনীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে গোটা বিশ্বকেই এখন বাংলাদেশ পেছনে ফেলে দিয়েছে। রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদেও তাদের আধিপত্য। সরকার তাদের সর্বোচ্চ মুনাফা নিশ্চিতেই কাজ করে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে শ্রমিকরা লড়াই করে কিছুটা আদায় করে নিতে জানে, কিন্তু মধ্যবিত্ত সেটাও পারে না। না আছে সে নীতি নির্ধারণে, না আছে মাঠে ময়দানে।

আর্থিক স্বচ্ছলতার বিচারে বাংলাদেশে মধ্যবিত্ত শ্রেণিরও স্ফীতি ঘটেছে তাতে সন্দেহ নেই। গত দুই দশকে দেশের কর্পোরেট ও সেবা খাত বিকশিত হয়েছে, অনেক মানুষের কর্মসংস্থান জুটেছে। বোস্টন কনসালটেন্ট গ্রুপের ২০১৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত মধ্যবিত্ত ও স্বচ্ছল মানুষ রয়েছেন এক কোটি ২০ লাখ। প্রতি বছরই সেখানে আরও ২০ লাখ নতুন যুক্ত হচ্ছেন। ২০২৫ সালে তাদের সংখ্যা বেড়ে হবে তিন কোটি ৪০ লাখ। বোস্টনের প্রতিবেদন অনুযায়ী এরা উচ্চাভিলাষী, কেনাকাটায় বিদেশি ব্র্যান্ডকে গুরুত্ব দেন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের খরচ বাড়াতে চান। তাদের জন্যই শহরগুলোতে একের পর এক শপিং মল উঠছে, রেস্টুরেন্টের ব্যবসা চাঙা হচ্ছে। মধ্যবিত্তরা কোথায় বুঁদ হয়ে আছেন সেটা এই প্রতিবেদন আর প্রবণতা থেকেই আঁচ করা যেতে পারে।

তবে মধ্যবিত্তের আপাত সুখের এই জগতে হানা দিতে শুরু করেছে করোনা। এরই মধ্যে শহর ছাড়তে শুরু করেছেন নিম্নমধ্যবিত্তরা। বড় অংকের মাইনে পাওয়াদের কপালেও চিন্তার ভাঁজ পড়তে শুরু করেছে। নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না অনেকে, কেউ কেউ চাকরি হারাচ্ছেন। অনিশ্চিত সময় সামনে। উচ্চবিত্ত এরই মধ্যে সরকারের কাছ থেকে প্রণোদনা আদায় করে নিয়েছে। ঠিক মতো দেয়া হচ্ছে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কা থাকলেও ৫০ লাখ নিম্নবিত্ত পরিবারের জন্যেও সরকার খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে। অন্যদিকে মধ্যবিত্ত কিছু পায়নি, এতটুকু অভিমান সে করতেই পারে। তার উপর বাজেটে নানামুখী খরচের চাপ বেড়েছে। বাস মালিকদের ক্ষতি পোষাতে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি আর বিদ্যুতের ভুতূড়ে বিলের মতো উটকো সব বোঝাতো আছেই। তারপরও সব সয়ে যাওয়ার এক অবাক করা শক্তি আছে তার ভিতরে। এই লড়াইয়ে মধ্যবিত্ত কতদিন আর টিকে থাকতে পারবে তাই এখন দেখার বিষয়।

২১ দিনের জন্য `অবরুদ্ধ` ওয়ারী
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : করোনা সংক্রমণ রোধে আজ শনিবার থেকে রাজধানী ঢাকার ওয়ারী এলাকা ২১ দিনের জন্য লকডাউন করা হয়েছে। এই লকডাউন বলবৎ থাকবে আগামী ২৫ জুলাই পর্যন্ত। এই ২১ দিন শুধু ওষুধ ও জরুরি পণ্য সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে।

আজ শনিবার ভোর ৬টা থেকে ওয়ারীর এই লকডাউন কার্যকর করা হয়েছে। এ সময়ে সেখানে স্বাভাবিক জীবনযাপনে থাকবে কড়াকড়ি, যা চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের টিপু সুলতান রোড, জাহাঙ্গীর রোড, ঢাকা-সিলেট হাইওয়ে (জয়কালী মন্দির থেকে বলধা গার্ডেন) আউটার রোড এবং ইনার রোড হিসেবে লারমিনি রোড, হরে রোড, ওয়ার রোড, র‌্যানকিন রোড এবং নওয়াব রোড লকডাউনের আওতায় রয়েছে।

অবরুদ্ধ `রেড জোন` ওয়ারীতে এই ২১ দিন থাকবে সাধারণ ছুটি। এলাকার সরকারি-বেসরকারি সব অফিস-কারখানা বন্ধ থাকবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী যাঁরা এ এলাকায় বসবাস করেন, তাঁরাও থাকবেন ছুটির আওতায়। দোকানপাট, বিপণিবিতান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে, খোলা থাকবে শুধু ওষুধের দোকান।

লকডাউন বাস্তবায়নে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি রয়েছে সেনাবাহিনীর টহল। এ ছাড়া এলাকার ভেতরে রয়েছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। বলধা গার্ডেনের কাছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও পুলিশের একটি কন্ট্রোল রুম বসানো হয়েছে।

ডিএসসিসি ৪১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সারোয়ার হোসেন আলো জানিয়েছেন, লকডাউনের জন্য সব প্রস্তুতি আগেই শেষ করা হয়েছে। আজ ভোরে সেটি কার্যকর করা হয়।

তিনি জানান, লকডাউনের আওতাধীন ১৭টি রোডের মধ্যে ১৫টি রোড ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুধু দুটি রোড খোলা থাকবে। যে দুটি রোড খোলা থাকবে এগুলো হলো টিপু সুলতান রোডের র‌্যানকিন স্ট্রিটের দিকে এবং ফোল্ডার স্ট্রিটের হট কেকের পাশে ঢাকা-সিলেট হাইওয়ের দিকের রাস্তা।

লকডাউন বাস্তবায়নে জনগণকে সচেতন করতে কয়েক দিন ধরে এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। এখানে তিন শিফটে ১০০ স্বেচ্ছাসেবক কাজ করবেন। এ ছাড়া করোনা টেস্টের জন্য দুটি বুথ প্রস্তুত করা হয়েছে। সার্বক্ষণিক ডাক্তার চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাবেন এবং মুমূর্ষু রোগীদের জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতালে নিয়ে যেতে সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হবে বলে তিনি জানান।

এর আগে ৩০ জুন লকডাউন বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রস্তুতি বৈঠক শেষে নগর ভবনে ডিএসসিসির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস সাংবাদিকদের জানান, ৪ জুলাই ভোর ৬টা থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত রাজধানীর ওয়ারী এলাকা লকডাউন করা হবে। এ সময় সবকিছু বন্ধ থাকবে। তবে চলাচলের জন্য দুটি সড়ক খোলা থাকবে। এ সময় লকডাউন এলাকায় করোনা নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়া অন্যান্য জরুরি সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

২০ কোটি টাকা খাবার বিলের অভিযোগ সত্য নয়: ঢামেক পরিচালক
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনাভাইরাস চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের খাবারের বিল নিয়ে ওঠা বিতর্কের ব্যাখ্যা দিয়ে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলছেন, বিষয়টি পুরোপুরি মিথ্যা। বুধবার সকালে তিনি বলেন, “এতে কোনো সন্দেহ নাই এটা মিথ্যা প্রচার। এখানে খাবারের জন্য ওই টাকাটা খরচ হচ্ছে না। হোটেল ভাড়ায় বেশি টাকা যাচ্ছে। খাবার ৫০০ টাকা করে প্রতিজনের জন্য। আমরা মন্ত্রণালয় থেকে যে অনুমোদন নিয়েছি, সেখানেও বিষয়টি বলা আছে।”

তিনি বলেন, বুধবার এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে। সেখানে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। করোনাভাইরাস চিকিৎসায় নিয়োজিত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের ‘এক মাসের খাবারের বিল’ ২০ কোটি টাকা আসার ওই খবর কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে এলে আলোচনা শুরু হয়। বিষয়টি সংসদ অধিবেশনে উঠলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও গত সোমবার এ নিয়ে কথা বলেন। এক মাসের খাবারের বিল ২০ কোটি টাকা কী করে হয়, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার এ বিষয়ে কয়েকজন সাংবাদিকের সামনে ব্যাখ্যা দেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রায় ১৫০ জনের মত চিকিৎসক, ২৫০ জনের মত নার্স এবং ১০০ জনের বেশি কর্মচারী ও আনসার সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। তাই স্বাস্থ্যকর্মীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোটেলে রাখা হচ্ছে।

খাবারের জন্য ৫০০ টাকা করে নির্ধারণ করা আছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা হোটেলকে বলেই দিয়েছি, খাবার বাবদ এক দিনে ৫০০ টাকার বেশি দিতে পারব না। এটা দিয়েই ম্যানেজ করতে হবে। তারা তাদের মত ম্যানেজ করেছে। একদিনে কোনো হোটেলের ভাড়া দুই হাজার টাকা, কোনো হোটেলের ৫০০ টাকা, কোনো হোটেলের আড়াই হাজার টাকা এবং কোনো হোটেলে পাঁচ হাজার টাকাও আছে। হোটেলের ভাড়াই তো ম্যাক্সিমাম খরচ, তারপর হচ্ছে তাদের খাবার ও যাতায়াত। আমাদের এখানে যাতায়াতের জন্য প্রায় ১৫টি মিনিবাস, দুটি মাইক্রোবাস ও দুটি বাস রেখেছি। এগুলো দিয়ে প্রতিদিন তিন বেলা তাদের আনা-নেওয়া করা হচ্ছে। দুই মাসের জন্য কী পরিমাণ খরচ হতে পারে তা মন্ত্রণালয় থেকে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তখন তারা হিসাব করে দেখেছেন- দুই মাসে ২০ কোটি টাকার মত লাগতে পারে। এখানে রেলওয়ে হাসপাতাল আছে একটি, সেটিও আমরা চালাচ্ছি এবং তার জন্য এক কোটি টাকা ধরেছি। সেখানে সব মিলিয়ে এক কোটি টাকা লাগতে পারে, আবার নাও লাগতে পারে। এটা তো একটা বাজেট। বাজেট তো একটু বেশি করেই আমরা চাই সবসময়। তারপর আমাদের যে বিল এসেছে, সেটা আমরা দেখব। যার যত বিল হবে হোটেলে, আমরা সে অনুযায়ী তাকে পে করব। যেটি থেকে যাবে সেটি আবার সরকারের কোষাগারে জমা চলে যাবে। এটা তো একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।”

তিনি জানান, সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর ওই অভিযোগ নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। তারা এর ব্যাখ্যা দেবেন।

রাজধানীতে ট্রেনে কাটা পড়ে তিনজনের মৃত্যু
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত একজনের নাম আল-আমিন (১৬)। বাকি দু’জনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তাদের বয়স ২৫ ও ৪০ বছর।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিমানবন্দর রেলস্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) আমিনুল ইসলাম জানান, সকাল ৮টার দিকে বিশ্বরোড সংলগ্ন রেললাইন এলাকা আল-আমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার বাড়ি কুড়িগ্রামে। সে দিনমজুরের কাজ করত।

তিনি আরও জানান, একই জায়গায় বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আরেকটি ট্রেনের ধাক্কায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ওই দুই ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।

নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাদের নাম-পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

নীলফামারী জেলা সদর ভুমি অফিসে নেই ভোগান্তি
                                  

আব্দুল মালেক, নীলফামারী : নীলফামারী জেলা সদর ভুমি অফিসে পাচ্ছে দ্রুত গ্রাহক সেবা। নেই এখন আর ভোগান্তি। জমি সংক্রান্ত বিষয়ে যাবতীয় কাজ ডিজিটাল পদ্ধত্বিতে ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করে দ্রুতগতিতে সমাধান পাওয়ায় আনন্দিত সাধারণ মানুষ।
১৫টি ইইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত নীলফামারী সদর উপজেলা। এই সদর উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস গুলোতে এখন আর নেই গ্রাহক হয়রানি। জমির দলিল খাজনা খারিজ করতে ঘুরতে হয় না মাসের পর মাস। এখন বাড়িতে বসে অনলাইনে আবেদন করে ডিজিটালের মাধ্যমে দ্রুতগতিতে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে যে কোন দিচ্ছে ভুমি অফিস।
টাকা না দিলে ফাইল নড়ে না, এ চিত্রও আর দেখা যায়না এখন। ইউনিয়ন ভূমি অফিস গুলোতে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ ভূমি অফিসে আসতে ভয় পেত। দালালদের উৎপাত ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু এখন আর দালালদের উৎপাত নাই।

সাধারণ মানুষ যে কোনো অভিযোগ দিতে সরাসরি আসে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বেলায়েত হোসেনের কাছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে অফিসে খোলা হয়েছে সহায়তা কেন্দ্র, তথ্য বাতায়ন, উপজেলা রাজস্ব আদালত, সুবিন্যস্ত রেকর্ড রুম, মিনি লাইব্রেরি, রাজস্ব আদালত, গণশুনানির ব্যবস্থার মাধ্যমে জবাবদিহিতাসহ তৃণমূলে ভূমি সেবা। সব মিলিয়ে পাল্টে গেছে উপজেলা ভূমি অফিস। এসব উদ্যোগ গ্রহণ করায় সন্তোষ প্রকাশ করছেন ভূমি অফিসে আসা সাধারণ মানুষ।

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখে সহকারী কমিশনার (ভূমি), নীলফামারী সদর হিসেবে বেলায়েত হোসেনের যোগদানের পর থেকে একটু একটু করে পাল্টে দিয়েছেন অফিসের চিত্র। তিনি প্রায় ০৬ মাস ধরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মধ্য দিয়ে অফিসের সব কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন তিনি। এতে করে উপজেলা ভূমি অফিসে বৃদ্ধি পেয়েছে সেবার মান। সেবা পেয়ে ভুক্তভোগী গ্রাহকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এখন। দালালমুক্ত পরিবেশে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভূমি সেবা নিতে আসছে সাধারণ মানুষ।

রয়েছে সহায়তা কেন্দ্র, সেবা গৃহীতারা এখান থেকে তাৎক্ষণিক সেবা পেয়ে থাকেন। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রকার আবেদন দাখিলসহ প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে থাকেন। সপ্তাহের প্রতি বুধবার সর্ব সাধারণের জন্য গণশুনানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এখান থেকে সরাসরি সহকারী কমিশনারের সঙ্গে জমিজমা বিষয়ে মতবিনিময় এবং পরামর্শ পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। জমিজমা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার জন্য বাদী ও বিবাদীর নিয়ে সপ্তাহের দুদিন রয়েছে শুনানীর ব্যবস্থা। অফিসে আগত মানুষরা যেন ভূমি বিষয়ে তাৎক্ষণিক আইনকানুন জানতে পারেন সে জন্য রয়েছে মিনি লাইব্রেরি। গণসচেতনতার জন্য ভূমি অফিসের চারপাশে দেয়ালে টাঙ্গানো রয়েছে ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যানার, তৃণমূলে ভূমি সেবা পৌঁছানোর লক্ষে পোস্টার ও মাইকিংয়ে প্রচার চালানো হয় মাঝে মধ্যে।

নামজারি সহজীকরণ করা হয়েছে ও টোকেনের মাধ্যমে আবেদন জমা নেয়া হয়। ১৫/২০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। স্থাপন করা হয়েছে অভিযোগ কেন্দ্র। যে কেউ অভিযোগ দিতে পারছেন এবং তা দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধানও করা হচ্ছে।

মিসকেস সহজীকরণ করা হয়েছে। আগে ৩-৪ বছর লাগত বর্তমানে তা ৩-৪ মাসের মধ্যে ৩-৪ ভিজিটে মামলা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে, ভুক্তভোগীদের মধ্যে অনেকে জানিয়েছেন, এক সময় উপজেলা ভূমি অফিস ঘুষ দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। টাকা ছাড়া কোনো কাজ হত না। অফিসের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঘুষ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন। ভূমি অফিসে ভূমি-সংক্রান্ত সব বিষয়ে জনসাধারণকে অবহিত করতে টাঙানো হয়েছে সিটিজেন চার্টার। দ্রুত সেবা পেতে অফিসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম, ছবি, মোবাইল নাম্বারসহ বোর্ড টাঙানো হয়েছে। বিনামূল্যে সর্বপ্রকার আবেদন ফরম প্রদান করা হয়। ভূমি আইন সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে ও নিজের জমি নিজে রক্ষায় করণীয় সতর্ক বাণী সংবলিত বোর্ড বসানো হয়েছে। সব মিলিয়ে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে উপজেলা ভূমি অফিসে।

এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বেলায়েত হোসেন জানান, অফিসে ভূমি-সংক্রান্ত কাজে আসা জনসাধারণের কাংক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে অফিসের ঘুষ দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দালালদের দৌরাত্ম্য রোধে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয় বর্তমানে ডিজিটালাইজেশনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ই-নামজারী, অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা, ডিজিটাল রেকর্ডরুম ইত্যাদি বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে এখন সেবা প্রত্যাশীদের অফিসে ঘুরতে হচ্ছে না। সেবা সহজীকরণের ফলে বাড়িতে বসে থেকেই সব সেবা এখন পাওয়া যাচ্ছে। ডিজিটালাইজেশনের ফলে মনিটরিংও অনেক বেড়েছে। ফলে জনগণ নির্ধারিত সময়ে প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছেন। এখন আর দালালদের খপ্পরে পড়তে হচ্ছে না কোন গ্রাহককে।

শনিরআখড়া আন্ডারপাসের ময়লা পরিষ্কার করে লাইটিং করলেন কুয়াশা
                                  

বিশেষ প্রতিনিধি : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৪-এর কউন্সিলর ফারহানা ইয়াসমিন কুয়াশা শনিরআখড়া আন্ডারপাসের পরিচ্ছন্নতার কাজ করে আলোকসাজ্জিতকরণের কাজ সম্পন্ন করেন। শনিবার সকালে তিনি এ পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন এবং রোববার শেষ করেন। বিগত কয়েক বছর ধরে এখানে শুধু ময়লাই ফেলানো হতো। কিন্তু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয়নি। এতে আন্ডারপাসের পশ্চিম অংশে এতোই দুর্গন্ধ হয়েছিল যে এ পথ দিয়ে মানুষ চলাচলের অযোগ্য পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। গত সিটি নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬১, ৬২ ও ৬৩ নং ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত হয়ে ফারহানা ইয়াসমিন কুয়াশা এ আন্ডারপাসের কাজটি করার কথা অঙ্গীকার করেন এবং তার রুটিন কাজ হিসেবেই এর পরিষ্কারের কাজ করার আগে আন্ডারপাসের লাইটিংয়ের কাজ শেষ করেন। উল্লেখ্য, যাত্রাবাড়ী থানা প্রেসক্লাব এর আগে নিজ উদ্যোগেই এই আন্ডারপাসের লাইটিংয়ের কাজ করেছিল। কিন্তু সন্ত্রাস এবং চাঁদাবাজের জন্য সেই লাইটিংয়ের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। এর পরে আর কেউ তত্ত্বাবধান করেনি আন্ডারপাসের।
নির্বাচিত সংরিক্ষিত আসনের কউনন্সিলর কুয়াশা তার বক্তব্যে বলেন, জনগণের উপকারের উদ্দেশ্যে এই আন্ডারপাস পরিষ্কার করে অলোকসংযোক করা হলো। এর ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখর জন্য অস্থায়ীভাবে কিছু গরিব মানুষকে বেঁচে থাকার জন্য কয়েকটি দোকনের সুযোগ দেওয়া হলো। তারাই এর দেখাশোনা করবে। এতে তারও বাচঁবে। আন্ডারপাসও অত্যাচার থেকে রেহাই পাবে। ইতিপূর্বে এখানে বাতির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে চাঁদাবাজি ও ছিনতাইসহ অসামাজিক কার্যকলাপ করা হতো। তিনি বলেন, এই লাইট এবং ব্যানারের ওপর যদি কেউ খবরদারি করতে আসে বা চাঁদাবাজির চেষ্টা চালায় তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অবশিষ্ট অংশের সিআই মোঃ খবির খাঁন, যাত্রাবাড়ী থানা প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফয়সাল রানা, সদস্য মোঃ পাখি, ৬১ নং ওয়ার্ড যুব মহিলা লীগের মুনালিসা লিপি, ৬১ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের মোঃ রাব্বি চৌধুরী জয়, মোঃ সাদিক মাহ্মুুদ, শ্রাবণ, রাহাত, বাবু, সাইমন, রাব্বি ও মুন্না। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন দনিয়া ইউনিয়ন হকার্স লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নূর ইসলাম।

লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যা: রাজধানীতে গ্রেপ্তার ৪
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : লিবিয়ায় পাচারের পর ২৬ বাংলাদেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে রাজধানীতে চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে রোববার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. আবু আশরাফ সিদ্দিকী জানিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতরা স্থানীয় দালাল, দেশীয় পাচারকারী ও লিবিয়া ক্যাম্পের মালিক।”

পরে মিন্টু রোডের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তাদের পরিচয়সহ বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে তিনি জানান।

পুলিশ সদরদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যাকাণ্ডের পর মানবপাচার ও সন্ত্রাস দমন আইনে সারাদেশে ২২টি মামলায় রোববার পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে হিসেবে এই চারজনকে ধরে মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৭ জনে।


গত ২৮ মে লিবিয়ার ত্রিপলি থেকে ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণের শহর মিজদাহতে ২৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করে একদল মানব পাচারকারী ও তাদের স্বজনরা। ওই ঘটনায় চার আফ্রিকান অভিবাসীও নিহত হন।

ওই ঘটনায় বেঁচে যাওয়া একজনের বরাতে সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উন্নত জীবিকার সন্ধানে ইউরোপ যাওয়ার জন্য লিবিয়ায় দুর্গম পথ পাড়ি দিচ্ছিলেন ৩৮ বাংলাদেশি। বেনগাজি থেকে মরুভূমি পাড়ি দিয়ে মানবপাচারকারীরা তাদের ত্রিপোলি নিয়ে যাচ্ছিল।

বৃহস্পতিবার ত্রিপলি থেকে ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণের শহর মিজদাহতে ওই দলটি লিবিয়ার মিলিশিয়া বাহিনীর হাতে জিম্মি হয়। তখন পাচারকারীরা আরও টাকা দাবি করে।

এ নিয়ে বচসার মধ্যে আফ্রিকার মূল পাচারকারীকে মেরে ফেলা হলে তার পরিবার এবং বাকি পাচারকারীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ৩০ জনকে হত্যা করে, আরও ১১ জন আহত হন।


   Page 1 of 81
     রাজধানী
এ বছরের মধ্যে তারের জঞ্জালমুক্ত হবে ডিএসসিসি : তাপস
.............................................................................................
ডুবে যাচ্ছে ঢাকার নিম্নাঞ্চল
.............................................................................................
রাজধানীর ওয়ারী থেকে লকডাউন প্রত্যাহার
.............................................................................................
যৌতুকের কারণে স্ত্রীকে নিজ হাতে হত্যা করেন নিরঞ্জন
.............................................................................................
আশুলিয়ায় হেরোইনসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক
.............................................................................................
বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় নাকাল রাজধানীবাসী
.............................................................................................
যশোর-৬ আসনে বিপুল ভোটে নৌকার মাঝি হলেন শাহীন
.............................................................................................
সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী শাহজাহান সিরাজের মৃত্যু
.............................................................................................
ওয়ারীতে লকডাউনের মধ্যেও দ্বিগুণ লোকের চলাচল
.............................................................................................
করোনায় হাঁসফাঁস করছে মধ্যবিত্ত
.............................................................................................
২১ দিনের জন্য `অবরুদ্ধ` ওয়ারী
.............................................................................................
২০ কোটি টাকা খাবার বিলের অভিযোগ সত্য নয়: ঢামেক পরিচালক
.............................................................................................
রাজধানীতে ট্রেনে কাটা পড়ে তিনজনের মৃত্যু
.............................................................................................
নীলফামারী জেলা সদর ভুমি অফিসে নেই ভোগান্তি
.............................................................................................
শনিরআখড়া আন্ডারপাসের ময়লা পরিষ্কার করে লাইটিং করলেন কুয়াশা
.............................................................................................
লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যা: রাজধানীতে গ্রেপ্তার ৪
.............................................................................................
এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে ঢাকাবাসীকে মুক্ত রাখতে পারবো: তাপস
.............................................................................................
কাশিমপুর কারাগারের হাজতির মৃত্যু
.............................................................................................
ভিডিপির সদস্যর ২৬শে মার্চ প্যারেডে অংশগ্রহন করার অনুরোধ
.............................................................................................
আজ রাত ১২টা থেকে ৪টি বাদে সব দেশে বিমান চলাচল বন্ধ
.............................................................................................
যানজট নিরসনে কাজ করছেন ছাত্রলীগ নেতা রুমান
.............................................................................................
সকাল সকাল বৃষ্টি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে
.............................................................................................
দেশের অখন্ডতা রক্ষা ও আগ্রাসী কর্মকান্ড প্রতিরোধে সেনাবাহিনীর সম্পূর্ণ সক্ষমতা রয়েছে-সেনা প্রধান
.............................................................................................
আজ ফাগুনে একাকার ভালোবাসা দিবস
.............................................................................................
লেবানন থেকে সেচ্ছায় দেশে ফিরছেন ৪৭১ জন অবৈধ প্রবাসী
.............................................................................................
রেলের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে : রেলমন্ত্রী
.............................................................................................
সিলেট-ছাতক রেলপথ সুনামগঞ্জ পর্যন্ত দ্রুত কাজ শুরু হবে : রেলমন্ত্রী
.............................................................................................
দক্ষিনের নব নির্বাচিত মেয়র তাপসকে ফুলেল শুভেচ্ছা
.............................................................................................
করোনা ভাইরাস রুখতে চীনা নাগরিকদের ভিসা স্থগিত সতর্কতা জারি সমুদ্র বন্দরেও
.............................................................................................
আজ বিকালে একুশের বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
হরতালে যানবাহন চালানোর সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির
.............................................................................................
ভোটকেন্দ্রে ছবি তোলায় সাংবাদিককে কুপিয়ে রক্তাক্ত
.............................................................................................
দেশ ও জনগণের কল্যাণে আমাদের কাজ করতে হবে- প্রধান প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তর
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে ভোট দেবেন সিটি কলেজ কেন্দ্রে
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর দোয়া নিলেন আতিকুল
.............................................................................................
ভোটার ছাড়া কেন্দ্রের আশপাশে বহিরাগত দেখলেই আটক
.............................................................................................
ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে টাকা নেয়ার দায়ে ৭ ডিবি পুলিশ ক্লোজড
.............................................................................................
কূটনীতিকরা যেন বাড়াবাড়ি না করে : এইচটি ইমাম
.............................................................................................
৫ বছরে এক কোটির বেশি লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে -অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে হবে
.............................................................................................
চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন --নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
.............................................................................................
দুদক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি
.............................................................................................
জেনে নিন রান্না সহজ করার ৫ উপায়
.............................................................................................
নতুন চার মেরিন একাডেমীতে প্যারেড অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
বিদেশ থেকে বাংলাদেশে আসার সময় শুল্ক দিয়ে এবং বিনা শুল্কে আনতে পারবেন যেসব জিনিস
.............................................................................................
সড়ক নিরাপত্তায় নারীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ব্র্যাক
.............................................................................................
চলন্তিকা বস্তিতে লাগা আগুনে দগ্ধ পারভিনের মৃত্যু
.............................................................................................
সীমান্ত হত্যা: বিএসএফের `গরু পাচার` যুক্তি মানছে না বিজিবি
.............................................................................................
দুর্নীতিতে বিশ্বে বাংলাদেশ ১৪তম
.............................................................................................
বিজিএমইএ ভবন ভাঙ্গা : স্বয়ংক্রিয়ের বদলে সনাতন পদ্ধতিতে কেন
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD