ঢাকা,শুক্রবার,১১০ ভাদ্র ১৪২৮,২৩,এপ্রিল,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > নিয়ম বহির্ভূতভাবে চলছে পশ্চিমাঞ্চল রেলের জিএম দপ্তর   > কাউয়াদিঘি হাওরে ধান কাটা উৎসব   > পঞ্চগড়ের এক মৌসুমে তিন ফসল   > অস্তিত্ব সংকটে রামগঞ্জে বীরেন্দ্র খাল   > করোনা থেকে সুস্থ হতে ঘরেই যা করবেন   > নোয়াখালীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ইফতার সামগ্রী বিতরণ   > পিএসজি-বায়ার্নকে নিয়ে পেরেজের মিথ্যাচার   > জিৎ করোনায় আক্রান্ত   > টিকার বিকল্প দেশের সন্ধান চলছে, সেরাম দিচ্ছে না   > বিচারকাজে গতি আনতে হাইকোর্টে আরও দুই বেঞ্চ  

   রাজধানী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
জাপান থেকে মেট্রোরেলের দুই কোচ ঢাকায় পৌঁছেছে

স্টাফ রিপোর্টার : মেট্রোরেলের প্রথম সেটের দুটি কোচ ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর দিয়াবাড়িতে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) নির্মিত জেটিতে এ দুটি কোচ পৌঁছেছে। মেট্রোরেল প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী সংস্থা ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন সিদ্দিকি দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ট্রেনের ছয়টি কোচের মধ্যে দুটি বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর দিয়াবাড়িতে মেট্রোরেল ডিপোর কাছে ডিএমটিসিএলের নতুন জেটিতে পৌঁছেছে। আরও চারটি কোচ বহনকারী বার্জ শিগগির পৌঁছে যাবে বলে জানান তিনি। গত ৩১ মার্চ মেট্রোরেলের কোচের প্রথম চালানটি জাপান থেকে মোংলা বন্দরে পৌঁছায়। সেখানে যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে ট্রেনের কোচ বহনকারী দুটি বার্জ ১৬ এপ্রিল ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। জাপানের কোবে বন্দর থেকে গত ৪ মার্চ কোচগুলো রওনা হয়। এমএএন সিদ্দিকি জানান, এখন কোচগুলো ডিপোতে নেওয়া হবে। তারপরে ট্রায়াল রান শুরুর আগে এগুলোর একটি সমন্বিত পরীক্ষা করা হবে। ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, প্রতিটি ট্রেনের ধারণ ক্ষমতা হবে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৩০৮টি আসন। ডিএমটিসিএল ২০১৭ সালের আগস্টে কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে মেট্রোরেলের জন্য ২৪ সেট ট্রেন তৈরির চুক্তি সই করে। গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পাঁচ সেট ট্রেন তৈরি হয়। দ্বিতীয় সেট ট্রেন আগামী ১৬ জুন ও তৃতীয়টি ১৩ আগস্ট ডিপোতে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দেশের প্রথম মেট্রোরেল প্রকল্প এমআরটি-৬ এর রুট রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত। চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত প্রকল্পটির ৬১ দশমিক ৪৯ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে।

জাপান থেকে মেট্রোরেলের দুই কোচ ঢাকায় পৌঁছেছে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : মেট্রোরেলের প্রথম সেটের দুটি কোচ ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর দিয়াবাড়িতে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) নির্মিত জেটিতে এ দুটি কোচ পৌঁছেছে। মেট্রোরেল প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী সংস্থা ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন সিদ্দিকি দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ট্রেনের ছয়টি কোচের মধ্যে দুটি বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর দিয়াবাড়িতে মেট্রোরেল ডিপোর কাছে ডিএমটিসিএলের নতুন জেটিতে পৌঁছেছে। আরও চারটি কোচ বহনকারী বার্জ শিগগির পৌঁছে যাবে বলে জানান তিনি। গত ৩১ মার্চ মেট্রোরেলের কোচের প্রথম চালানটি জাপান থেকে মোংলা বন্দরে পৌঁছায়। সেখানে যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে ট্রেনের কোচ বহনকারী দুটি বার্জ ১৬ এপ্রিল ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। জাপানের কোবে বন্দর থেকে গত ৪ মার্চ কোচগুলো রওনা হয়। এমএএন সিদ্দিকি জানান, এখন কোচগুলো ডিপোতে নেওয়া হবে। তারপরে ট্রায়াল রান শুরুর আগে এগুলোর একটি সমন্বিত পরীক্ষা করা হবে। ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, প্রতিটি ট্রেনের ধারণ ক্ষমতা হবে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৩০৮টি আসন। ডিএমটিসিএল ২০১৭ সালের আগস্টে কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে মেট্রোরেলের জন্য ২৪ সেট ট্রেন তৈরির চুক্তি সই করে। গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পাঁচ সেট ট্রেন তৈরি হয়। দ্বিতীয় সেট ট্রেন আগামী ১৬ জুন ও তৃতীয়টি ১৩ আগস্ট ডিপোতে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দেশের প্রথম মেট্রোরেল প্রকল্প এমআরটি-৬ এর রুট রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত। চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত প্রকল্পটির ৬১ দশমিক ৪৯ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে।

উদ্বোধন হলো এক হাজার শয্যার করোনা হাসপাতাল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে রাজধানীর মহাখালীতে ‘ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে’র সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাহিদ মালেক বলেন, গত দেড় মাসে দেশে করোনা সংক্রমণের হার কয়েকগুণ বেড়েছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর হার। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মাত্র ২০ দিনের মধ্যে এই হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে করোনার চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। অনেক উন্নত দেশ খোলা আকাশের নিচে তাঁবু টানিয়ে তারা চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেই জায়গায় আমরা একটি উন্নত পরিবেশে করোনা রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। গত বছর যখন দেশে করোনা রোগীর সংক্রমণের হার বেড়ে যায়, তখন রাজধানীর বসুন্ধরা এবং মহাখালী ডিএনসিসি মার্কেটে আইসোলেশন সেন্টার স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু পর্যাপ্ত রোগী না থাকায় বসুন্ধরা আইসোলেশন সেন্টারের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। ডিএনসিসি মার্কেটের আইসোলেশনের পরিবর্তে বিদেশগামীদের জন্য করোনা পরীক্ষা ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন এই আইসোলেশন সেন্টারেই ১ হাজার শয্যার হাসপাতাল করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় পাঁচ শতাধিক আইসিইউ সমমনা শয্যা তৈরি করা হয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ রয়েছে ১১২টি, এইচডিইউ ১০০টি। ঢাকা শহরের জনসংখ্যা অনুপাতে আইসিইউর সংখ্যা কম জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখন আইসিইউ সংকটের বিষয়টি সবার নজরে এসেছে। বাস্তবিক অর্থে ঢাকায় সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউর সংখ্যা কম। তবে করোনা রোগীদের জন্য আইসিইউর চেয়ে অক্সিজেনের দরকার বেশি হয়। তিনি বলেন, হাসপাতালে প্রতিটি শয্যায় অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের জন্য সেন্ট্রাল অক্সিজেন রয়েছে। পাশাপাশি ডায়ালাইসিসের জন্য পাঁচটি শয্যা রয়েছে। এছাড়া ১০টি ভিআইপি কেবিন ও ৮টি এসি কেবিন স্থাপন করা হয়েছে। এখন দেশে যে পরিমাণ করোনা সংক্রমিত হচ্ছে, তার অধিকাংশই তরুণদের মধ্যে করোনা সংক্রমণের হার বেশি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, তরুণদের মধ্যে করোনা সংক্রমণের হার বেশি দেখা গেলেও মৃত্যুর হার কম। বরং তারা পরিবারের সবাইকে করোনা আক্রান্ত করছেন। তাদের বয়স্ক বাবা-মা মৃত্যুর ঝুঁকিতে ফেলছেন। তাই অপ্রয়োজনীয় বাইরে ঘোরাঘুরি বন্ধ করতে হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ডিএনসিসি মার্কেট নির্মাণ করে দোকান বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বিভিন্ন কারণে মার্কেটটি চালু হয়নি। পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে মার্কেটটিতে করোনা হাসপাতাল করার প্রস্তাব দেই। প্রধানমন্ত্রী সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, এ মার্কেট নির্মাণে ১৭৫ কোটি টাকা ব্যয় করেছে ডিএনসিসি। যার খরচ দোকানির কাছ থেকে নেয়া হয়েছিল। কিছু দোকানী এখনো দোকান ফেরত চান। তাদের মধ্যে ১১ জন আমার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন। এই দোকানির মধ্যে কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে তাকে চিকিৎসার অগ্রাধিকার দেয়া হবে। দেশে প্রশিক্ষিত নার্স সংকটের কথা জানিয়ে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, এই হাসপাতাল ক্যাম্পাসে নার্সিং কলেজ স্থাপনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। আমি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করব এখানে নার্সিং কলেজ স্থাপনের জন্য। তা করা হলে দেশের স্বাস্থ্যখাত আরো কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবে। এছাড়া এই হাসপাতলে এখন করোনা চিকিৎসার পাশাপাশি অপারেশনের ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ, মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, ডিএনসিসি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে পরিচালক এ কে এম নাসির উদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

ঢাকায় রূপনগর-আদাবরে বেশি আক্রান্ত
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : করোনা নিয়ন্ত্রণে নেই। দেশে প্রতি ঘন্টায় তিনজনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে গত ২৪ ঘন্টায়। গতকাল রেকর্ড সংখ্যক ৭৮ জনের মৃত্যু হলো। এছাড়া দ্রুতই ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকাতে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা সংক্রমণ। প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছেন হাজারের উপর রোগী। সম্প্রতি আইইডিসিআর এর গবেষণা বলছে, ঢাকার দক্ষিণ সিটিতে করোনা শনাক্তের হার ৩৬ ভাগ আর উত্তর সিটিতে এই হার ২৯ ভাগ। এরমধ্যে শনাক্তের হার বেশি রূপনগর এবং আদাবর এলাকা। এছাড়া ১৭ এলাকায় শনাক্তের হার ৩০ শতাংশের উপর, ২৩ এলাকায় ২০ ভাগের উপর আর ৭ এলাকায় এই হার ১১ শতাংশের উপর। এছাড়া দেশের অর্ধেক জেলাই রয়েছে উচ্চ সংক্রমণের তালিকায়। এমন অবস্থায় সরকার ১৪ তারিখ থেকে সারাদেশে সর্বাত্নক লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সংক্রমণ রোধে এলাকা ভিত্তিক জোনিং করা হবে। সারাদেশে চলছে করোনা টিকাদান কার্যক্রম। প্রতিদিনই ভিড় হচ্ছে এসব টিকাদান কেন্দ্র। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলছেন, লকডাউনেও টিকা কার্যক্রম চলবে। তবে টিকার মজুদ বেশ কম রয়েছে। ভারত থেকে টিকা আসাও বন্ধ রয়েছে। এমন অবস্থায় সরকার বিকল্প উপায়ে টিকা প্রাপ্তি নিশ্চিত করছে বলেও জানালেন খুরশীদ আলম।

মৃত্যুর কথা ভুলে কাপড়ের বাজারে উপচেপড়া ভিড়
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : লকডাউনের মধ্যেও রাজধানীর বিপণিবিতানগুলোতে উপচেপড়া ভিড় ক্রেতাদের। আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউনের ঘোষণায় কেনাকাটার ধুম পড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। অনেকেই সেরে নিচ্ছেন ঈদের কেনাকাটাও। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। গতকাল শনিবার হওয়া সত্ত্বেও রাজধানীর সড়কগুলোতে দেখা গেছে যানজটের চিরচেনা দৃশ্য। গতকাল সকাল থেকেই লোকে লোকারণ্য নিউমার্কেট এলাকা। শুধু ফুটপাতই নয়, মানুষের ভিড় মার্কেটের ভেতরেও। নিউমার্কেট, গাউছিয়া, চাঁদনীচকসহ আশপাশের সব বিপণিবিতানেই একই দৃশ্য। ঢিলেঢালা লকডাউনের সুযোগে ঠেলাঠেলি করে কেনাকাটায় নেমেছেন সাধারণ মানুষ। ফলে মাস্ক পরার প্রবণতা বাড়লেও সামাজিক দূরত্ব মানা সম্ভব হচ্ছে না। করোনার সংক্রমণের মধ্যে কেনাকাটা করতে আসা ঝুঁকিপূর্ণ কি না এমন প্রশ্নে এক ক্রেতা বলেন, ‘হ্যাঁ, অনেকটা তো ঝুঁকিপূর্ণ।’ তাহলে কেন এসেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আসলে দরকার ছিল এজন্য এসেছি। আরেক ক্রেতা বলেন, ‘আসতে চাইনি। কিছু জরুরি কাজের কারণে আসতে হয়েছে। কারণ, কিছু কাজ তো করতেই হয়।’
১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউন ঘোষণার প্রভাব পড়েছে বিপণিবিতানগুলোতো। বিপণিবিতান বন্ধ হয়ে যেতে পারে অনির্দিষ্টকালের জন্য এমন আশঙ্কায় প্রয়োজনীয় কেনাকাটায় বের হয়েছেন সাধারণ মানুষ।। এমনকি ঈদের শপিংও করতে দেখা গেছে অনেককে। ‘আবার লকডাউন দিচ্ছে। কবে আবার খুলবে তার কোনো শিওরিটি (নিশ্চয়তা) নেই। এজন্য আমি আগে থেকেই মার্কেট সেরে নিচ্ছি’, বললেন এক ক্রেতা। আরেক ক্রেতা বলেন, ‘ঈদের কেনাকাটা করলাম হালকা-পাতলা।’ ঈদ তো অনেক দেরি। এত আগে কেন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ওই যে লকডাউনের জন্য ঝামেলা হয়ে যাবে। গাড়ি চলবে না। তখন অনেক ঝামেলা হয়ে যাবে আসা। এ জন্য আগে আগে বাচ্চাদের জামাকাপড় কিনলাম।’ আরেক ক্রেতা বললেন, ‘নিজেদের জন্য না হোক, বাচ্চাদের জন্য তো অবশ্যই (কিনতে হয়), বাচ্চারা তো একটু আশা করে। তার ওপর আবার লকডাউন হবে শুনছি। সেজন্য ভাবলাম যে সেরে আসি আজ।’ গতকাল রাস্তায় আগের কয়েকদিনের চেয়ে বেশি যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।

আজ থেকে সব সিটি করপোরেশন এলাকায় গণপরিবহন চালু
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : শর্ত সাপেক্ষে সরকার গণপরিবহনে চলাচলের অনুমোদন দিয়েছে। সরকারি-বেসরকারিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ও জনসাধারণের যাতায়াতে দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গতকাল মঙ্গলবার বিকালে তার বাসভবনে ব্রিফিংকালে একথা জানান। তিনি জানান, ৭ এপ্রিল বুধবার থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে। ওবায়দুল কাদের জানান, ঢাকা, চট্টগ্রাম মহানগরসহ গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এলাকাধীন সড়কে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অর্ধেক আসন খালি রেখে গণপরিবহন চলাচল করবে। তিনি জানান, প্রতি ট্রিপের শুরু এবং শেষে জীবাণুনাশক দিয়ে গাড়ি জীবাণুমুক্ত এবং পরিবহন সংশ্লিষ্ট ও যাত্রীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবেই সমন্বয়কৃত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না বলেও জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দূরপাল্লায় গণপরিবহন চলাচল যথারীতি বন্ধ থাকবে বলেও জানান।

নিউমার্কেট এলাকায় দোকান কর্মচারিদের বিক্ষোভ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ‘স্বাস্থ্যবিধি মানবো, দোকানপাট খুলব’ স্লোগানে নিউমার্কেট এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন দোকান মালিক ও কর্মচারীরা। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তারা দ্বিতীয় দিনের মতো তারা বিক্ষোভ করেন। দোকান বন্ধ রাখার প্রতিবাদে প্রায় চার-পাঁচ শ দোকান মালিক-কর্মচারী দফায় দফায় মিছিল করেন। এ সময় কিছুক্ষণ রাস্তা আটকে ছিল। তারপর আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়। গত বছরে তাদের ক্ষতির প্রসঙ্গ তুলে ধরে কয়েকজন দোকান কর্মচারি জানান, এ ভাবে চললে খাওয়ার কোন উপায় থাকবে না। আমরা বাঁচবো না। পরে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। নিউ মার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম কাইয়ুম বলেন, ‘দোকান কর্মচারীদের কয়েকজন সমবেত হয়ে বিক্ষোভ করেন। আমরা তাদের আশ্বস্ত করায় তারা ঘটনাস্থল ছেড়ে যান।’ এর আগে, রোববার দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন নিউমার্কেট ও আশপাশের বিপণিবিতানের দোকান মালিক-কর্মচারীরা।

ঢাকায় বয়ে গেলো কালবৈশাখী ঝড়
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী ঢাকার ওপর দিয়ে বয়ে গেলো কালবৈশাখী ঝড়। প্রথম দফায় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ নাগাদ শুরু হয় ধূলিঝড়। ধূলিঝড়ে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন বাইরে থাকা মানুষেরা। এমনিতেই লকডাউনের শেষদিন হওয়ায় রাস্তায় সকাল থেকে যানজটের ভোগান্তি ছিল। এখন ধুলাবালিতে অন্ধকার হয়ে গেছে শহরের আকাশ। আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, গতকাল সকাল থেকে ঢাকা আশেপাশের কয়েকটি অঞ্চলসহ দেশের অনেক জায়গায় ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হয়েছে। এই বৃষ্টিতে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। তবে প্রবল বৃষ্টি না হলে দিনে তাপপ্রবাহ আগের মতোই বইবে। রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যেতে পারে। ঢাকা ছাড়া বৃষ্টি হয়েছে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া , গাইবান্ধা, ময়মনসিংহ এবং কুষ্টিয়ায়। আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, উত্তর আন্দামান সাগর ও এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি উত্তর-উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে উত্তর আন্দামান সাগর ও মিয়ানমার উপকূলে অবস্থান করছে। এটি পরবর্তীতে আরও গুরুত্বহীন হয়ে পড়তে পারে। পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গও এর এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। এই লঘুচাপের প্রভাবে রংপুর, সিলেট, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ী ভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত ভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। এদিকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হওয়ায় কমে এসে তাপপ্রবাহ। আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রাজশাহীতে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে ঢাকায় ৩৪ দশমিক ৯, ময়মনসিংহে ৩৪, চট্টগ্রামে আজ ৩৩ দশমিক ২, সিলেটে ৩৫, রাজশাহীতে ৩৮, রংপুরে ৩৪ দশমিক ৪, খুলনায় ৩৫ দশমিক ৫ এবং বরিশালে আজ তাপমাত্রা ৩৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আজ থেকে রাইড শেয়ারিং দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : করোনা মহামারি ছড়িয়ে পড়ার কারণে আগামী দুই সপ্তাহের জন্য রাইড শেয়ারিং সার্ভিসের মাধ্যমে মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। গতকাল বুধবার বিআরটিএ এক অফিস আদেশের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত (আপাতত দুই সপ্তাহ) রাইড শেয়ারিং সার্ভিসে মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও, গণপরিবহণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহণের নির্দেশনাও দিয়েছে বিআরটিএ।

ওষুধ দিলে হাওয়ায় ওড়ে মশা
                                  

আলাউদ্দিন ওয়াজেদ : চরম আকারে বেড়েছে মশার উৎপাত। ওষুধের ধোঁয়ায় দলবেঁধে হাওয়ায় উড়তে থাকে মশার দল। কয়েক মিনিটের মাথায় বাতাসে ধোঁয়া মিলিয়ে গেলে আবারো নীচে নেমে আসে স্বগৌরবে। দাপটের সঙ্গে ঢুকে বাসা-বাড়ির ফাঁক ফোকর দিয়ে। এতে করে সিটি করপোরেশনের মশা নিয়ন্ত্রন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নগরবাসী। রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় দেখা যায় প্রতিদিন বিকেল ৪ থেকে ৫টার মধ্যে রাস্তা অন্ধকার করে মশার ওষুধ ছিটায় সিটি করপোরেশনের লোকজন। এ সময় বিভিন্ন বাড়ীর ছাদে ও ব্যালকনিতে গিয়ে আশ্রয় নেয় মশার দল। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ওষুধের ধোঁয়া বাতাসে মিলিয়ে যায়। এরপর মশা ছড়িয়ে পড়ে বাড়ী-ঘরে। নিয়ন্ত্রণহীন কিউলেক্স মশা: শীতে স্বাভাবিক নিয়মেই বাড়ে কিউলেক্স মশার প্রকোপ।বাড়ছে এডিস মশাও। কিন্তু ২০২০ সালের শেষ দিকে বৃষ্টি হওয়ায় মৌসুম শেষেও বংশ বিস্তার করেছে এডিস মশা। ফলে শেষ শীতেও মশার কামড়ে ডেঙ্গুজ্বর চিকুনগুনিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। নগরবাসীর জনজীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলছে। মশক নিধনে নানা কার্যক্রম চলমান থাকলেও পরিকল্পনার ঘাটতি দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই কালক্ষেপণ না করে এখনই সমন্বিত, দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণের তাগিদ তাদের। যে সব এলাকায় মশা বেশি: সরকারি সংস্থা জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) গবেষণায় গুলশান, বনানী, মিরপুর, খিলক্ষেত ও পুরান ঢাকার কয়েকটি এলাকায় এডিস মশার সবচেয়ে বেশি ঘনত্ব পাওয়া যায়। গবেষণা করলেও নিপসমকে মশা নিধন কর্মপন্থা নির্ধারণে সঙ্গে নগর কর্তৃপক্ষ রাখে না। এডিস মশার ঘনত্ব বেশি গুলশান, বনানী, নিকেতন, মিরপুর ও পুরাণ ঢাকার রাধিকা মোহন বসাক লেন, আওলাদ হোসেন লেন, কোর্ট হাউস স্ট্রিট, শাঁখারী বাজার ও রায়সাহেব বাজার এলাকায়। এসব এলাকায় সর্বোচ্চ বিআই ১৬ দশমিক ৬৭ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় উঠে এসেছে এসব তথ্য। এডিস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বছরে তিন দফায় জরিপের ভিত্তিতে এলাকা ভিত্তিক নিজেদের কর্মপরিকল্পনা সাজায় সিটি করপোরেশন। অথচ বর্ষা পরবর্তী জরিপ ডিসেম্বরে শেষ হলেও দুই সিটি করপোরেশন এ রিপোর্ট পায় ফেব্রুয়ারীতে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জরিপ রিপোর্ট দিতে কালক্ষেপন করায় উপায়ন্ত না পেয়ে এরই মধ্যে আলাদা জরিপ করেছে উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। মশা নিধনের নামে মশকারি: প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকেই অলি-গলিতে মশা নিধনের নামে একদল সিটি করপোরেশনের কর্মী ধোয়া উড়ানোর প্রতিযোগিতায় মেতে উঠে। এর পরে অনেকই ধোয়ায় অতিষ্ঠ হয়, অনেকের আবার মুখ জ্বালা পোড়া করছে বলে অভিযোগ করেন। প্রকৃত ভাবে ধোয়া থেকে শুধু কেরাসিনে গন্ধ পাওয়া যায়। এ ভাবেই মশা নিধনের নামে মশকারি করছে সিটি করপোরেশন। বাসা, অফিস, দোকান কিংবা উন্মুক্ত স্থানে মশার যন্ত্রণা। মশায় ছেয়ে গেছে নগরীর প্রতিটি অলি-গলি।
দুই মেয়রের তোরজোর: ঢাকা সিটির দুই মেয়র মশা নিধনের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে কড়া নির্দেশ দেন। কিন্তু শুধু দায়সারা একবার মশার ওষুধ ছিটানোর নামে ধোয়া উড়াতে দেখা যায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ দুই মেয়র উচিৎ মাঠ পর্যায় মনিটরিং করা। না হলে এ সব মশার কামড়ে রোগ বাড়বে।

মালিবাগ রেলক্রসিং এলাকায় বাসে আগুন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর মালিবাগের রেলক্রসিং এলাকায় তুরাগ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। গতকাল শনিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। বিষয়টি জানিয়েছেন হাতিরঝিল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল আলিম। তিনি আরও বলেন, ‘মালিবাগ রেলক্রসিংয়ের পাশে একটি পুলিশ বক্স আছে। সেখানে হঠাৎ তুরাগ পরিবহনের যাত্রীবাহী ওই বাসে আগুন লাগে। পরে যাত্রীরা নিরাপদে বের হয়ে যায়। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।’ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত সম্পর্কে জানতে চাইলে আব্দুল আলিম বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম। বাসের ড্রাইভার ও হেলপারের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বাসে আগুন লাগতে পারে। কেউ আগুন দিয়েছে, এ ধরনের তথ্য আমরা এখনও পাইনি। তবে আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।’ ‘বাসে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের সহায়তায় যাত্রীরা দ্রুত নেমে যায়। কেউ কেউ জানালা ভেঙেও নেমে পড়ে’ বলে জানা গেছে।

আতঙ্কে রাজধানীর ফুলবাড়িয়া মার্কেটের ব্যবসায়ীরা
                                  

আলাউদ্দিন ওয়াজেদ : জুতা ও কাপড় বিক্রয়ের দেশের পাইকারী অন্যতম মার্কেট রাজধানীর ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২। আতঙ্ক আর সমস্যা যেন পিছু ছাড়ছেই না এ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের। একের পর এক সমস্যা আর ষঢ়যন্ত্রকারীদের কুটচালে ব্যাবসায়ীরা ক্রমেই হয়ে পড়েছেন দিশেহারা। চরম আতঙ্কে এসব ব্যাবসায়ীরা। মার্কেটটি রক্ষায় ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ব্যবসায়ীরা।
অভিযোগ রয়েছে, রাজধানীর অন্যতম পাইকারী মার্কেট ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২ এর সুনাম ধ্বংস করতে একটি কুচক্রি মহল চতুর্মুখি ষঢ়ডন্ত্রে মেতে উঠেছে। এসব ষঢ়যন্ত্রকারীরা ইতোমধ্যেই এসব মার্কেট থেকে ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে নানা ফন্দি ফিকিরে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অনেকে বুঝলে টু শব্দটি করতে পারেনি। এর বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে চাইলে মার্কেটের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলু ওরফে ঘরজামাই দেলু তার পোষা গুন্ডাবাহীনি দিয়ে প্রতিবাদকারীকে শায়েস্তা করতো। তিনি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দোকানের জোড়পূর্বক ৬ মাসের ভাড়া এককালীন আগাম দিতে বাধ্য করতেন। কেউ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার দোকানে তালা লাগিয়ে পুনরায় খুলে দেয়ার নামে আদায় করতো ২ থেকে ৫ লাখ টাকা। চ্যালেঞ্জ করলেই তার উপর নেমে আসতো অত্যাচার আর জোড়পূর্বক কেড়ে নিতো দোকানের মালিকানা। শুধু ব্যবসায়ীদের ওপর অত্যাচারই নয় নগর ভবনকেও তোয়াক্কা না করে ঘরজামাই দেলু তার নিজস্ব নিয়মে চালায় মার্কেট। কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিলেও সম্প্রতি ডিএসসিসি নকশা বহির্ভূত দোকান উচ্ছেদ শুরু করলে উধাও হয়ে যায় সভাপতি নামধারী এই ঘরজামাই দেলু। ফলে ঐ সময় অভিভাবকত্বহীনতায় অসহায় হয়ে পড়েন ব্যবসায়ীরা। তখন দিশেহারা এসব ব্যবসায়ীদের পাশে দাড়িয়ে তাদের বিভিন্নভাবে আশস্ত করতে থাকেন জাকের সুপার মার্কেটের দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ ফিরোজ আহম্মেদ। তিনি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে থেকে উচ্ছেদকালে নানা কর্মসূচির নের্তৃত্ব দেন এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধি নিয়ে বিষয়টি অবহিত ও সুষ্ঠ সমাধানে ডিএসসিসি মেয়রের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর জাকের সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ীরা ঘরজামাই দেলুকে সভাপতির পদ থেকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করেন এবং কমিটি ভেঙ্গে দেন। এরপরই মার্কের্টে বিশৃঙ্খলা করাতে ঘরজামাই দেলু বিভিন্ন ষঢ়যন্ত্র শুরু করেন বলেন অভিযোগে প্রকাশ। গুদামমালিক ও মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উচ্ছেদ অভিযানের সময় জাকের সুপার মার্কেটের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেটে-২ –এর তিনটি ব্লকের ব্যবসায়ীদের পাশে দাড়ানোয় প্রায় সকলেই এখন নের্তৃত্বের দিকে তাকিয়ে আছেন। যদিও এর আগে এই মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ ছিল মার্কেটের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলু ওরফে ঘরজামাই দেলু নামের এক ব্যবসায়ীর হাতে। তার অত্যাচারে ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। ক্যাসিনো কেলেঙ্কারীর তালিকায় তার নাম উঠে আসায় তিনি মার্কেটে না গিয়ে আড়ালে থেকে নিয়ন্ত্রন করতে থাকে। ব্যবসায়ীরা আরও জানান, সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনের নাম ভাঙিয়ে অবৈধ দোকান বৈধ করার আশ্বাস দিয়ে একসময় মার্কেটের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলু ওরফে ঘরজামাই দেলু দোকানিদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল। এসব দোকানে বিদ্যুৎ সংযোগ, জমাখারিজ করানো সহ বিভিন্ন অজুহাতে প্রতি দোকান থেকে কমপক্ষে ৫ লাখ টাকা করে নিয়েছেন। কেউ দিতে অস্বীকৃতি জানালে বরাদ্দপত্র থাকলেও দোকান কেড়ে নিয়ে তাকে মার্কেট থেকে বের করে দেয়া হতো। তারা বলেন, সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলু মার্কেটের দোকান ভাড়া দিয়ে বছরে দুইবার ভাড়া নেন অর্থাৎ প্রতি ছয়মাসের ভাড়া তিনি আগাম এককালীন নিয়ে নেন। ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২ এর সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলু ওরফে ঘরজামাই দেলুর কাছে এ ব্যাপারে জানতে তিনি এ বিষয় এড়িয়ে গিয়ে বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য নয়। একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে সড়যন্ত্র করছে। এটা অপপ্রচার ছাড়া অন্য কিছু নয়। অভিযোগে আরো জানা যায়, ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২ এর এ ও বি ব্লকের নির্মান কাজ করছে মার্কেটটির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলু ওরফে ঘরজামাই দেলুর মালিকানাধিন হৃদি কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড সাপ্লায়ার্স নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এসব মার্কেটের নির্মান কাজ শেষ হলেও দীর্ঘদিন তা ডিএসসিসিকে বুঝিয়ে না দিয়ে মানভেদে দোকান মাসে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা করে এককালীন ছয় মাসের ভাড়া তুলে নেন দেলোয়ার হোসেন দেলু। এর মধ্যে ব্লক বি (নগর প্লাজা) থেকে ২০১৯ সাল থেকে এবং ব্লক এ (সিটি প্লাজা) এর ভাড়া তুলে নিচ্ছেন ২০২০ সাল থেকে। এছাড়াও এসব মার্কেটে থাকা গুদামও ভাড়া দিয়েছেন তিনি। কিন্তু নিজের এসব কর্মকান্ডের দায় জাকের সুপার মার্কেটের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহম্মেদের ওপর চাপিয়ে কতিপয় গণমাধ্যমে ভূয়া তথ্য পরিবেশন করানো হয়। জাকের সুপার মার্কেটে কোনো গুদাম না থাকলেও বলা হয়েছে ফিরোজ আহম্মেদ ডিএসসিসিকে গুদাম বুঝিয়ে না দিয়ে তা অবৈধভাবে ভাড়া দিচ্ছে। আবার অন্য দুই মার্কেটে রয়েছে আলাদা কমিটি। যার মধ্যে সিটি প্লাজার সুমন দেওয়ান এবং নগর প্লাজার মো. মহিউদ্দিন সাধারণ সম্পাদক আর এর সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলু ওরফে ঘরজামাই দেলু। ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. রাসেল সাবরিন এ ব্যাপারে বলেন, ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২ এর সকল নকশা বহির্ভূত দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। তারপরও প্রকৌশল বিভাগকে এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। মার্কেটের দোকান ও গুদাম ভাড়া দেওয়ার বিষয় জানতে চাইলে জাকের সুপার মার্কেটের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, কে বা কারা দোকান ভাড়া নিচ্ছেন বা দিচ্ছেন, তা আমাদের নলেজে নেই। তাছাড়া আমার মার্কেটে কোনো গুদাম নেই, তাই ভাড়া দেওয়ার বিষয়টিও আমার জানা নেই। তিনি বলেন, নগর প্লাজা ও সিটি প্লাজায় নতুন করে বেশ কিছু দোকান ও গুদাম নির্মান করা হলেও তা এখনো ডিএসসিসিকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। আর এসব মার্কেটে আলাদা কমিটি রয়েছে, যার সভাপতি হলেন এসব দোকান নির্মানকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হৃদি কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড সাপ্লায়ার্সের স্বত্ত্বাধীকারী দেলোয়ার হোসেন দেলু।

ছাত্র জোটের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের বিরোধীতা করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনকালে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে এ হামলার ঘটনায় ছাত্র জোটের কর্মী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী ছাত্র জোটের কর্মীরা টিএসসি থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগ ঘুরে ফের টিএসসিতে আসে। এসময় আগে থেকেই অবস্থান নেয়া ছাত্রলীগের কর্মীরা বিক্ষোভকারীদের কাছ থেকে মোদির কুশপুত্তলিকা কেড়ে নেয়। এরপর তারা কাগজ পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানায়। এরই মাঝে ছাত্রলীগের কর্মীদের সাথে হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে ডাবের খোসা, মোটরসাইকেলের হেলমেট, ইট-লাঠি দিয়ে দুই পক্ষ হামলা-পাল্টা হামলা করে। এরপর ছাত্রলীগের কর্মীরা এগিয়ে গিয়ে ছাত্র জোটের কর্মীদের উপর হামলা করে।

আইন-কানুনের তোয়াক্কা করছে না রাজধানীর অধিকাংশ বাস চালক
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করেই রাজধানীর অধিকাংশ বাস চালকই সড়কে বেপরোয়া প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হচ্ছে। ফলে অহরহ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটছে। নিরাপদ সড়ক আন্দোলন ও ওই প্রেক্ষিতে সরকারের নানা উদ্যোগের পরও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং আগের মতোই রাজধানীতে পুরোনো কায়দায় যাত্রীদের জীবন বিপন্ন করে প্রতিনিয়ত বাস-মিনিবাসের প্রাণঘাতী প্রতিযোগিতা চলছে। প্রশাসনের সামনেই সড়কের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে চালকরা এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আর ওই প্রতিযোগিতার কারণেই দুর্ঘটনার শিকার হয়ে প্রতিনিয়ত প্রাণ হারাচ্ছে যাত্রী, পথচারী এবং সাধারণ মানুষ। সম্প্রতি রাজধানীর বিমানবন্দর সড়ক, শ্যামপুর, তেজগাঁও, হানিফ ফ্লাইওভারে গণপরিবহনের অশুভ প্রতিযোগিতার কারণে মোটরসাইকেল চালক, রিকশা চালক, কমিউনিটি পুলিশের সদস্যসহ ৮ জন নিহত হয়েছে। আর এ সময় আহত হয়েছে ২০ জন। পাশাপাশি করোনাকালে কোনো গণপরিবহনেই স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। পরিবহণ খাত এবং ভুক্তভোগী যাত্রীদের সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বাস স্টপেজগুলোতে বাস চালকদের প্রতিযোগিতার মাত্রা বেড়ে গেছে। পেছন থেকে সামনে যাওয়া, কখনো পেছনের বাসকে সামনে যেতে বাধা দেয়ার মতো ঘটনা স্বাভাবিক খুবই স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। আর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রকদের সামনেই এসব ঘটনার বেশির ভাগই ঘটছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ইতিমধ্যে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজধানীর ১২১টি বাস স্টপেজের স্থান নির্ধারণ করেছিল। এসব স্টপেজ ছাড়া অন্য কোথাও বাস না থামানোর নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু ওই নির্দেশ অমান্য করে যত্রতত্র পরিবহন শ্রমিকরা যাত্রী ওঠাচ্ছে এবং নামাচ্ছে। মূলত অধিকাংশ বাস চালকই আইন-কানুন মানছে না। অধিক যাত্রী ও মুনাফার লোভে কে কার আগে যাবে এ নিয়ে চালকদের দৌরাত্ম্য বছরের পর বছর চলে আসছে। এমন পরিস্থিতিতে সড়কে শৃঙ্খলা আনতে হলে পদ্ধতিগত পরিবর্তন জরুরি। সূত্র জানায়, রাজধানীর বাস চালকদের অসুস্থ প্রতিযোগিতা কারণেই রাজপথে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মিছিল দিন দিন বড় হচ্ছে। রেষারেষি করে বাস চালাতে নিষেধ করা হলেও চালকরা শুনছে না। নগরীর বাড্ডা, কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় ক্লাসিক ভিক্টর, রাইদা, আকাশ, তুরাগ, রইস, রাজধানী, স্মার্ট উইনার, অছিম ও প্রচেষ্টা পরিবহন ফাঁকা সড়কে যাত্রী তুলতে রেষারেষি করে বাস চালাচ্ছে। সামনের বাস না সরলে পেছনের বাসটা সজোরে ধাক্কা মারছে। শুধু ওই বাসগুলো নয়, গুলিস্তান-বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ সড়কেও একই অবস্থা। কোনো শৃঙ্খলা না মেনেই শিকড়, বোরাক, আনন্দ কোম্পানির বাসগুলো চলাচল করে। মতিঝিলে এটিসিএল, এফটিসিএল, বাহনসহ বিভিন্ন কোম্পানির বড় বাসগুলো একটার পেছনে আরেকটা লেগে থাকে। যাত্রাবাড়ী থেকে আসা ৮ নম্বর রুটের বাসসহ অন্যান্য রুটের মিনিবাসও একটা আরেকটার সামনে পথরোধ করে আগে যাওয়ার চেষ্টা করে। এমনকি ট্রাফিক পুলিশের সামনেই প্রতিটি স্ট্যান্ডে বাস চালকরা বিশৃঙ্খলভাবে গাড়ি রাখে, যাত্রী তোলেন। সিটগুলো যাত্রীতে পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কেউ স্ট্যান্ড ছাড়তে চায় না। যাত্রীদের চাপাচাপিতে বাসটি যখন অপর স্ট্যান্ডের দিকে ছুটে যায় তখন তার গতিও থাকে বেপরোয়া। সেক্ষেত্রেও কে কার আগে যাবে, তা নিয়ে ভয়ঙ্কর প্রতিযোগিতা চলতে থাকে। তখন সড়ক পারাপার হতে থাকা পথচারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি গৌণ হয়ে পড়ে।
সূত্র আরো জানায়, চুক্তিভিত্তিক বাস চলাচলের কারণেই চালকরা পরস্পরের মধ্যে বেপরোয়া প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হচ্ছে। প্রতিযোগিতা না করতে গুপরিবহণ সংগঠনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দিলেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। লকডাউনের পরবর্তী সময় এ প্রতিযোগতা ছিল না। কিন্তু সম্প্রতি তা তীব্র আকার ধারণ করেছে।
এদিকে এ প্রসঙ্গে পরিবহন চালকরা জানান, চালক-হেলপার ও কন্ডাক্টর ৩ জন মিলে বাস মালিকের কাছ থেকে লিজ নেয়। সেজন্য প্রতিদিন মালিককে ১ হাজার ১০০ টাকা আর চাঁদা বাবদ ৯০০ টাকাসহ সব মিলিয়ে প্রতিদিন ২ হাজার টাকা খরচ হয়। তারপর যা থাকে ওই তিন জনে ভাগ করে নেয়। স্বাভাবিকভাবেই চালকরা বাস চালিয়ে খরচ বাদ দিয়ে নিজেদের আয় বাড়াতে প্রতিযোগিতা করে। অথচ মালিকের এক টাকাও লোকসান নেই। সন্ধ্যার পর তারা গুনে-গুনে টাকা বুঝে নেয়। এমন অবস্থায় যাত্রী তুলতে প্রতিযোগিতা না করলে পরিবহন শ্রমিকরা কি খাবে?
অন্যদিকে এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েতউল্যাহ জানান, সমিতির প্রতিটি মিটিংয়ে মালিক ও শ্রমিকদের সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি করোনা ভাইরাসের ব্যাপারে স্বাস্থ্যবিধি মানারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু চালকরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ওই নির্দেশ তোয়াক্কা করে না। তবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রের নেতৃত্বে ৫টি কোম্পানির অধীনে সিটি সার্ভিসের বাস পরিচালনার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রকেও এ পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করা হবে। ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সড়কে বিশৃঙ্খলা থাকবে না।

মশক নিধন কর্মীদের মনিটরিং করতে হবে: আতিক
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, যত বেশি আত্মসমালোচনা করা যাবে, ততো বেশি গ্যাপ কমানো যাবে। সমন্বিত মশক নিধন কার্যক্রম অভিযান চলাকালে আমি আমাদের বারোশো মশক নিধন কর্মীর হাজিরা দেখতে চাই, কিন্তু সেটা পাইনি। তাই এখন থেকে মশক সুপারভাইজারকে তার নিজ নিজ ওয়ার্ডের মশক নিধন কর্মীদের বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যেক মশক নিধন কর্মীর ট্র্যাকার লাগিয়ে মনিটরিং করতে হবে। মশক নিধন সুপারভাইজারগণ মনিটরিং করবেন। কাউন্সিলরগণও মনিটরিং করবেন। গতকাল শনিবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) গুলশানস্থ নগর ভবনে সমন্বিত মশক নিধন কার্যক্রম পরবর্তী এক মতবিনিময় সভায় মেয়র এসব কথা বলেন। সভায় গত ৮-১৬ই মার্চ অনুষ্ঠিত সমন্বিত মশক নিধন কার্যক্রম সম্পর্কে ডিএনসিসির বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী, মশক নিধন কর্মী, পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শক, মশক সুপারভাইজারগণ তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। এসময় বায়োমেট্রিক হাজিরা ও ট্র্যাকার স্থাপনের জন্য আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেন মেয়র। আগমী ২০শে এপ্রিলের মধ্যে এই কাজটি সম্পন্ন করার জন্য সময় বেঁধে দেয়া হয়। এছাড়া ২৭শে মার্চ প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের ডোবা, জলাশয়, পরিত্যক্ত জমি ইত্যাদির তালিকা প্রণয়ন করে জমা দিতে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়। মেয়র বলেন, ৩রা এপ্রিল সকল ডোবা, জলাশয়, পরিত্যক্ত জায়গা ইত্যাদির মালিকদের নিজ নিজ ডোবা, জলাশয়, পরিত্যক্ত জমি ইত্যাদি পরিষ্কারের জন্য চিঠি দেয়া হবে। যারা পরিষ্কার করতে ব্যর্থ হবে তাদের বিরুদ্ধে ১০ই এপ্রিল থেকে গণহারে মামলা করা হবে। যার জায়গা তাকেই দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি মালিকানাধীন যাই হোক না কেন সবার প্রতি এ নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর সাইদুর রহমান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়েদুর রহমান, বিভিন্ন অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেওয়ান আবদুল মান্নান, আবদুল মতিন প্রমূখ।

ঢামেক কোভিড আইসিইউতে আগুন স্থানান্তরের সময় ৩ মৃত্যু
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য বরাদ্দ ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) আগুন লাগার পর রোগী স্থানান্তরের সময় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে আটটায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, যে তিনজন রোগী মারা গেছেন তাদের কেউ অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যায়নি। এই ঘটনার পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, আপনারা জানেন করোনা আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগীরা আইসিইউতে থাকে। সকালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্সসহ অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীরা ছুটে গিয়ে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রোগীদের প্রথমেই হাসপাতালে অন্যান্য আইসিইউতে স্থানান্তর করেন। স্থানান্তরের পর তিনজন রোগীর মৃত্যু হয়। এর সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার কোনো যোগসূত্র নেই। এদিকে মারা যাওয়া তিনজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন- কাজী গোলাম মোস্তফা (৬৬), আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (৪৮) ও কিশোর চন্দ্র রায় (৬৮)। এর মধ্যে কাজী গোলাম মোস্তফার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার উজানী গ্রামে। তিনি ঢাকার দক্ষিণখানে থাকতেন। আর আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জ সদর থানার আটিগ্রামে। এছাড়া কিশোর চন্দ্র রায়ের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার সখিপুরে। তিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডে থাকতেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক নার্সসহ অন্যান্যরা দ্রুত রোগীদেরকে আইসিইউ থেকে সরিয়ে নেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি দল আটটা ১৫ মিনিটে আইসিইউ থেকে দুজন রোগীকে উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে- আইসিইউর এয়ারকন্ডিশনার থেকে ছোট্ট আগুনের সূত্রপাত হয়। এ সময় কক্ষটি ধোঁয়ায় ভরে যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্রুত আইসিইউ থেকে রোগীদের অন্যত্র সরিয়ে ফেলে। আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করা হয়।

মেট্রোরেলের ডেমো প্রদর্শনী উপস্থাপন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে মতিঝিল পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৬ এর মেট্রোরেলের ডেমো প্রদর্শনী হয়েছে। সম্প্রতি ডিপোর কনফারেন্স রুমে এই প্রদর্শনী হয়েছে। ডেমোটি গ্লাস দিয়ে ঢেকে রাখা। স্বচ্ছ গ্লাস হওয়ায় তা বাইরে থেকে স্পষ্ট দেখা যায়। ডেমোতে মেট্রোরেলের যে উপস্থাপন করা হয়েছে, এর কাজ সম্পন্ন হলে তেমনটাই হবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের। দিয়াবাড়ি থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রো রেল মূলত উড়াল। তাই মেট্রো রেল লাইনটি পিলারের ওপর স্থাপন করা হচ্ছে। এমআরটি লাইন-৬ জুড়ে পিলার বসানো সম্পন্ন হয়েছে। সেসব পিলারের ওপর ভায়াডাক্ট বসানো হচ্ছে। উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৬ এর প্রথম ধাপের কাজ এরইমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট বসানোর মাধ্যমে মেট্রো রেলের ওই অংশ এখন সম্পূর্ণ দৃশ্যমান। উদ্বোধন উপলক্ষে ডেমো মেট্রো রেল চালু করা হয়। প্রদর্শনীতে দেখা যায়, পিলারের ওপর ভায়াডাক্ট বসানো আছে। ভায়াডাক্টের ওপরে বসানো হয়েছে রেললাইন। সাধারণ লাইনের মতো সেখানেও দুটি রেললাইনের ট্র্যাক বসানো হয়েছে। দুই ট্র্যাকে দুটি ট্রেন চলাচল করছে। রেললাইনের এক ট্র্যাক দিয়ে উত্তরা থেকে মতিঝিলের দিকে মেট্রো রেল যাচ্ছে এবং আরেক ট্র্যাক দিয়ে মতিঝিল থেকে উত্তরার দিকে মেট্রো রেল আসছে। মেট্রো রেলের পিলারের গোড়াগুলো ফুল ও গাছে সজ্জিত। আর পিলারের দুইপাশ দিয়েই যানবাহন চলাচল করছে। রাস্তার পাশে দালানকোঠা। প্রদর্শনীতে আরও দেখা যায়, বৈদ্যুতিকভাবে মেট্রো রেল চালানোর জন্য মেট্রো রেললাইনজুড়ে থাকবে বৈদ্যুতিক লাইন। মেট্রো রেললাইনের নির্দিষ্ট দূরত্বে দুইপাশে দুটি খুঁটি এবং খুঁটি দুটি আরেকটি পাত দিয়ে সংযুক্ত থাকবে। এসবের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক লাইন নিয়ে যাওয়া হবে। উড়াল হওয়ায় মেট্রো রেলের স্টেশনগুলোও থাকছে ওপরে। ১৭ ফেব্রুয়ারি মেট্রো রেল ডেমোর উদ্বোধন করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। মেট্রো রেলের ডেমো পরিদর্শন ও উদ্বোধন করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দেখতে এসে, বিশেষ করে আমার মতো একজন বয়স্ক নাগরিক, আমি আবেগে আপ্লুত। আমরা এই কাজ দেখে যাচ্ছি। আমাদের যাদের বয়স অনেক কম, আপনারা এর পরিপূর্ণ রূপ দেখবেন কিছুদিনের মধ্যে।


   Page 1 of 84
     রাজধানী
জাপান থেকে মেট্রোরেলের দুই কোচ ঢাকায় পৌঁছেছে
.............................................................................................
উদ্বোধন হলো এক হাজার শয্যার করোনা হাসপাতাল
.............................................................................................
ঢাকায় রূপনগর-আদাবরে বেশি আক্রান্ত
.............................................................................................
মৃত্যুর কথা ভুলে কাপড়ের বাজারে উপচেপড়া ভিড়
.............................................................................................
আজ থেকে সব সিটি করপোরেশন এলাকায় গণপরিবহন চালু
.............................................................................................
নিউমার্কেট এলাকায় দোকান কর্মচারিদের বিক্ষোভ
.............................................................................................
ঢাকায় বয়ে গেলো কালবৈশাখী ঝড়
.............................................................................................
আজ থেকে রাইড শেয়ারিং দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ
.............................................................................................
ওষুধ দিলে হাওয়ায় ওড়ে মশা
.............................................................................................
মালিবাগ রেলক্রসিং এলাকায় বাসে আগুন
.............................................................................................
আতঙ্কে রাজধানীর ফুলবাড়িয়া মার্কেটের ব্যবসায়ীরা
.............................................................................................
ছাত্র জোটের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০
.............................................................................................
আইন-কানুনের তোয়াক্কা করছে না রাজধানীর অধিকাংশ বাস চালক
.............................................................................................
মশক নিধন কর্মীদের মনিটরিং করতে হবে: আতিক
.............................................................................................
ঢামেক কোভিড আইসিইউতে আগুন স্থানান্তরের সময় ৩ মৃত্যু
.............................................................................................
মেট্রোরেলের ডেমো প্রদর্শনী উপস্থাপন
.............................................................................................
মশার উপদ্রব আগের চাইতে কমতে শুরু করেছে: তাপস
.............................................................................................
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত পৌর মেয়র ও কাউন্সিলররা
.............................................................................................
কটিয়াদী থানার ওসি প্রত্যাহার তিনজন গ্রেফতার
.............................................................................................
ধানমন্ডির রাপা প্লাজার জুয়েলার্সে স্বর্ণ লুট
.............................................................................................
মেট্রোরেলের ট্রায়াল জুলাইয়ে শুরুর প্রস্তুতি
.............................................................................................
ভেজাল মদ খেয়ে মৃত্যু কারখানায় জড়িত ৬ জন গ্রেফতার
.............................................................................................
ঢাকায় আরও একটি সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা
.............................................................................................
১২ কোটি টাকায় গাবতলী-মহাখালী বাস টার্মিনাল ইজারা
.............................................................................................
ঢাকার চারিদিকে আউটার রিং রোড ও সার্কুলার রেললাইন নির্মাণের উদ্যোগ
.............................................................................................
রাজউকে প্রভাবশালি শফিউল্লাহ বাবু নকল, জাল-জালিয়াতির প্রধান কারিগর
.............................................................................................
ঢাকায় বৃদ্ধাকে বিবস্ত্র করে গৃহকর্মীর পাশবিকতা, ভিডিও ভাইরাল
.............................................................................................
রাজউক চেয়ারম্যানের বেপরোয়া ভাব জাতীয় সংসদ সদস্যের অভিযোগ
.............................................................................................
শাহজালাল বিমানবন্দরে ২৫০ কেজি ওজনের আরও একটি বোমা উদ্ধার
.............................................................................................
শাহজালালের নির্মাণাধীন টার্মিনাল থেকে সিলিন্ডার সদৃশ বোমা উদ্ধার
.............................................................................................
ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেটে দ্বিতীয় দিনেও উচ্ছেদ অভিযান
.............................................................................................
পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া
.............................................................................................
অনুমতি ছাড়া কোন সভা সমাবেশ করা যাবে না: ডিএমপি
.............................................................................................
ডিআরইউ’র সভাপতি নোমানী ও সম্পাদক মশিউর নির্বাচিত
.............................................................................................
শাহবাগে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের বিক্ষোভ সমাবেশে গ্রেফতারের দাবী
.............................................................................................
রাতে মহাখালিতে দিনে মোহাম্মদপুর বস্তিতে ভয়াবহ আগুন : ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
.............................................................................................
ভুয়া এনআইডি যাচাই রাজউকের যুগান্তকারী পদক্ষেপ
.............................................................................................
মাদকাসক্ত ডিএমপির ১০ পুলিশকে চাকরিচ্যুত
.............................................................................................
ফার্মগেট ইন্দিরা রোডে বিস্ফোরণে উড়ে গেছে ৫টি স্ল্যাব
.............................................................................................
বাসে আগুনের মামলায় রিমান্ডে ২৮
.............................................................................................
শৃঙ্খলা ফেরাতে সড়কে রাজধানীর ৪২ রুটে চলবে বাস
.............................................................................................
সম্পত্তির জন্য ভাড়াটে সন্ত্রাসি দিয়ে নির্যাতন
.............................................................................................
নভেম্বর পর্যন্ত ঝুলন্ত তার অপসারণের অভিযান বন্ধ
.............................................................................................
মধ্যরাতে হয়ে গেলো ‘শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা’
.............................................................................................
ঢাকার প্রায় অর্ধেক মানুষ করোনায় আক্রান্ত
.............................................................................................
ঢামেক ওসিসিতে চিকিৎসাধীন ২৩ জনের ১৭ জনই শিশু!
.............................................................................................
মেয়র আতিক সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত
.............................................................................................
এবার ঢাকায় মেসে কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণ!
.............................................................................................
শাহবাগে ধর্ষণবিরোধী গণজমায়েত শুরু
.............................................................................................
ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগ অবরোধ
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop