ঢাকা, সোমবার , ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ , ২৮ সেপ্টেম্বর , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > করোনায় দেশে আরো ৩২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১,২৭৫   > এক্সট্রাকশনের পর নেটফ্লিক্সের নতুন ছবিতে ক্রিস হেমসওয়ার্থ   > ঠাকুরগাঁওয়ে সুরক্ষা সামগ্রী ও স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ   > বিনামূল্যে গ্রামীন জনপদের প্রান্তিক মায়েরা পাচ্ছে জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ের সেবা   > বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ে বাঁধের পুনঃনির্মাণ কাজ শেষ না হতেই ভাঙন   > টাঙ্গাইলে গৃহবধূর আত্মহত্যা!   > নীলফামারীতে ভিটামিন"এ" ক্যাম্পেইন সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা   > সাংগুতে বিপুল পরিমান ইয়াবা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড   > মোংলায় বিশ্ব নদী দিবস পালন   > বৌদ্ধবিহারে বিশ্ববিদ্যালয় পুন:প্রতিষ্ঠার দাবি  

   আইন ও আদালত -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
এমসি কলেজে ধর্ষণ: গ্রেপ্তার আরও দুই আসামি

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষ‌ণের ঘটনায় করা মামলায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার হয়েছে। এরা হলেন, রবিউল ইসলাম ও মাহবুবুর রহমান রনি।

রোববার রাত পৌনে ১০টার দিকে মামলার আসামি রবিউল ইসলামকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জের এনায়েতগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যাহ সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের বানিয়াচং সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মো. সেলিম সমকালকে বলেন, গোয়েন্দা তথ্যেরভিত্তিতে রবিউলের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর সমন্বিত অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি জানান, আসামি রবিউল ইসলাম এনায়েতগঞ্জে দূর-সম্পর্কের এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। গ্রেপ্তারের পর রবিউলকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানান তিনি।

এদিকে একই জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থেকে রোববার রাতে আসামি মাহবুবুর রহমান রনিকে গ্রেপ্তার করে সিলেট র‌্যাব-৯।

এর আগে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান ও অর্জুন লস্করকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলায় মোট ৯ আসামির মধ্যে এ পর্যন্ত ৪ জন গ্রেপ্তার হলেন।

আসামি সাইফুর রহমানকে রোববার সকালে সুনামগ‌ঞ্জের ছাতক থে‌কে এবং অর্জুন লস্করকে ভোরে হবিগঞ্জর মাধবপুরের মনতোলা সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গত শুক্রবারের ওই বর্বরোচিত ঘটনার পর ক্ষোভ, নিন্দা আর ধিক্কারে সরব হয়ে উঠেছে বিভিন্ন সংগঠন। অবিলম্বে ধর্ষকদের গ্রেপ্তারের দাবি সবার। বন্ধ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ কর্মীদের থাকতে দেওয়ায় কলেজ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন, ১২৮ বছরের পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনায় এক কলঙ্কজনক ইতিহাস সৃষ্টি হলো।

এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে নগরীর শাহপরাণ থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তবে এজাহারে ছয় আসামির নাম রয়েছে, তিনজন অজ্ঞাতপরিচয় আসামি। নাম থাকা আসামিদের ছয়জনই ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত। তারা হলেন- সাইফুর রহমান, মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান।

এমসি কলেজে ধর্ষণ: গ্রেপ্তার আরও দুই আসামি
                                  

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষ‌ণের ঘটনায় করা মামলায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার হয়েছে। এরা হলেন, রবিউল ইসলাম ও মাহবুবুর রহমান রনি।

রোববার রাত পৌনে ১০টার দিকে মামলার আসামি রবিউল ইসলামকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জের এনায়েতগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যাহ সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের বানিয়াচং সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মো. সেলিম সমকালকে বলেন, গোয়েন্দা তথ্যেরভিত্তিতে রবিউলের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর সমন্বিত অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি জানান, আসামি রবিউল ইসলাম এনায়েতগঞ্জে দূর-সম্পর্কের এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। গ্রেপ্তারের পর রবিউলকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানান তিনি।

এদিকে একই জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থেকে রোববার রাতে আসামি মাহবুবুর রহমান রনিকে গ্রেপ্তার করে সিলেট র‌্যাব-৯।

এর আগে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান ও অর্জুন লস্করকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলায় মোট ৯ আসামির মধ্যে এ পর্যন্ত ৪ জন গ্রেপ্তার হলেন।

আসামি সাইফুর রহমানকে রোববার সকালে সুনামগ‌ঞ্জের ছাতক থে‌কে এবং অর্জুন লস্করকে ভোরে হবিগঞ্জর মাধবপুরের মনতোলা সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গত শুক্রবারের ওই বর্বরোচিত ঘটনার পর ক্ষোভ, নিন্দা আর ধিক্কারে সরব হয়ে উঠেছে বিভিন্ন সংগঠন। অবিলম্বে ধর্ষকদের গ্রেপ্তারের দাবি সবার। বন্ধ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ কর্মীদের থাকতে দেওয়ায় কলেজ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন, ১২৮ বছরের পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনায় এক কলঙ্কজনক ইতিহাস সৃষ্টি হলো।

এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে নগরীর শাহপরাণ থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তবে এজাহারে ছয় আসামির নাম রয়েছে, তিনজন অজ্ঞাতপরিচয় আসামি। নাম থাকা আসামিদের ছয়জনই ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত। তারা হলেন- সাইফুর রহমান, মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান।

জাহালমকাণ্ড: ক্ষতিপূরণ নিয়ে রুলের রায় মঙ্গলবার
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : বিনা দোষে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ভুল আসামি হয়ে ২৬ মামলায় প্রায় ৩ বছর কারাভোগ করা পাটকল শ্রমিক জাহালমকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়ে রায় ঘোষণার জন্যে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর দিন ঠিক করেছেন হাইকোর্ট।

আজ বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত কার্যতালিকায় মামলাটি বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চের ২৯ সেপ্টেম্বরের কার্যতালিকায় রায়ের জন্য ১ নম্বর ক্রমিকে রাখা হয়েছে।

এর আগে জাহালমের ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে রুলের শুনানি শেষে যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করবেন বলে অপেক্ষমান রাখেন আদালত।

২০১৯ সালের জানুয়ারিতে একটি জাতীয় দৈনিকে ৩৩ মামলায় ‘ভুল’ আসামি জেলে ‘স্যার, আমি জাহালম, সালেক না...’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অমিত দাশ গুপ্ত।

এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তা, মামলার বাদীসহ চারজনকে তলব করেন হাইকোর্ট বেঞ্চ। এছাড়া রুলও জারি করেন আদালত।

পরে একই বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্টরা হাজিরের পর হাইকোর্ট জাহালমকে মুক্তির নির্দেশ দেন এবং দুদকের কাছে ঘটনার বিষয়ে হলফনামা আকারে জানতে চেয়েছেন। সে আদেশ অনুসারে দুদক হলফনামা আকারে তা উপস্থাপন করেন।

পরে জাহালম প্রশ্নে ব্যাংক ঋণ জালিয়াতির ৩৩ মামলার এফআইআর, চার্জশিট, সম্পূরক চার্জশিট ও সব ব্যাংকের এ সংক্রান্ত নথিপত্র দাখিল করতে দুদককে নির্দেশ দেন।

এর ধারাবাহিকতায় হাইকোর্ট গত ১৭ এপ্রিল জাহালম কাণ্ডে কে বা কারা দায়ী তা দেখার জন্য এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতিবেদন চেয়েছিলেন। পরবর্তীকালে এসব মামলায় দুদক, ব্র্যাক ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকের প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়।

জাহালম নিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘স্যার, আমি জাহালম। আমি আবু সালেক না…আমি নির্দোষ। ’ আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়ানো লোকটির বয়স ৩০-৩২ বছরের বেশি না। পরনে লুঙ্গি আর শার্ট। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এ বিচারকের উদ্দেশ্যে তাকে বারবার বলতে দেখা যায়, ‘আমি আবু সালেক না। ’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আবু সালেকের বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি টাকা জালিয়াতির ৩৩টি মামলা হয়েছে। কিন্তু আবু সালেকের বদলে জেল খাটছেন, আদালতে হাজিরা দিয়ে চলেছেন এই জাহালম। তিনি পেশায় পাটকল শ্রমিক।

আবু সালেকের বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি টাকা জালিয়াতির ২৬টি মামলা হয়। কিন্তু আবু সালেকের বদলে জেল খাটছেন, আদালতে হাজিরা দিয়ে চলেছেন জাহালম। যিনি পেশায় পাটকল শ্রমিক। যে ঘটনার তদন্ত করে দুদক বলছে, জাহালম নিরপরাধ। একই মত দেয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।’’

ডিআইজি প্রিজন বজলুর রশিদের সব সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় কারা অধিদপ্তর হেডকোয়ার্টারের ডিআইজি প্রিজন বজলুর রশিদের স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ পিছিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ নির্দেশ দেন।

গত ১ সেপ্টেম্বর কারা অধিদপ্তরের সাময়িক বরখাস্ত ডিআইজি প্রিজন বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার চার্জশিট গ্রহণ করে আদালত। ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ আসামির উপস্থিতিতে চার্জশিট গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে ২২ সেপ্টেম্বর চার্জ শুনানির তারিখ ধার্য করে মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বদলির আদেশ দেন।

এর আগে ২৬ আগস্ট আদালতে এই অভিযোগপত্রটি (চার্জশিট) দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন।

গত বছরের ২০ অক্টোবর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে বজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে দুদক। অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামি বজলুর রহমানের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৮ লক্ষ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক আইন ২০০৪ এ ২৭ (১) ধারায় দুদকের উপপরিচালক সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

নৃত্যশিল্পী ইভান ৭ দিনের রিমান্ডে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার ইভান শাহরিয়ার সোহাগকে মানবপাচার আইনের মামলায় সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরা শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ইভান শাহরিয়ার সোহাগকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল সিআইডি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে নারী পাচারের অভিযোগে গত ১২ সেপ্টেম্বর ইভানকে কারাগারে পাঠান আদালত। পরদিন তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়।

গত ১১ সেপ্টেম্বর সিআইডির অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) শেখ রেজাউল হায়দার জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ড্যান্স বারে কাজ দেওয়ার নামে নারী পাচারের অভিযোগে নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার ইভানকে আটক করা হয়।

তিনি বলেন, দুবাইয়ে ড্যান্স বারের আড়ালে নারী পাচারের অভিযোগে সম্প্রতি আজম খানসহ নারী পাচারকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে দুজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে কোরিওগ্রাফার ইভানের নাম বলেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিট তাকে আটক করে।

ইভান শাহরিয়ার সোহাগ নিজের নামে (সোহাগ ড্যান্স ট্রুপ) একটি ড্যান্স কোম্পানি পরিচালনা করতেন। বিভিন্ন কর্পোরেট অনুষ্ঠানের নাচে অংশগ্রহণ করত তার দল। ২০১৭ সালে নির্মিত ধ্যাততেরিকি নামে একটি সিনেমায় নৃত্য পরিচালনার জন্য ৪২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি।

সাহেদের অস্ত্র মামলার রায় ২৮ সেপ্টেম্বর
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : করোনা টেস্টসহ বিভিন্ন জালিয়াতির ঘটনায় গ্রেপ্তার রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলার রায় আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেছে আদালত।

আজ রবিবার সকালে ঢাকার ১ নম্বর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক কেএম ইমরুল কায়েশ এই তারিখ ঠিক করেন।

সাহেদের পক্ষে আইনজীবী নাজমুল হোসেন, মনিরুজ্জামানসহ কয়েকজন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।
এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর মামলাটিতে সাহেদের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দাবি করেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। চার কার্যদিবসে মামলাটিতে ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে আদালত।

করোনাকালে নানা প্রতারণার অভিযোগে গত ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় আনা হয়। পরদিন করোনা পরীক্ষার নামে ভুয়া রিপোর্টসহ বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

রিজেন্ট হাসপাতালে কোভিড-১৯ পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার মামলায় গোয়েন্দা পুলিশের রিমান্ডে থাকার সময় ১৮ জুলাই রাতে সাহেদকে নিয়ে উত্তরায় অভিযান চালিয়ে তার একটি গাড়ি থেকে গুলিসহ একটি পিস্তল এবং কিছু মাদক জব্দ করা হয়।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ডিবি পুলিশের পরিদর্শক এস এম গাফফারুল আলম বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করেন।

বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা মামলার বিচার শুরু
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় ২৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আদালত। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মামলার বিচার শুরু হলো।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত অভিযোগ গঠন করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, গত ৯ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠন বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও গ্রেপ্তার ২২ আসামির শুনানি শেষ হয়েছে। ওই দিন শুনানি শেষে আদালত অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য আজ দিন ধার্য করেছিলেন।

অভিযোগ গঠনের সময় ২২ আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। অভিযোগ গঠন করার আগে কারাগারে থাকা ২২ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

এর আগে ১৩ জানুয়ারি মামলাটি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন। এর পর মহানগর দায়রা জজ আদালত দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ পাঠানোর আদেশ দেন।

গত বছরের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটছাত্র আবরারকে তার কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। তারা ২০১১ নম্বর কক্ষে নিয়ে গিয়ে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের সিঁড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় গত ৭ অক্টোবর রাজধানীর চকবাজার থানায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ পরে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যে আটজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তারা সবাই বুয়েট ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।

আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৭ জন এবং এজাহারের বাইরে থাকা ৬ জনের মধ্যে ৫ জনসহ মোট ২২ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক রয়েছে তিনজন।

এজাহারভুক্ত আসামিরা হলো– মেহেদী হাসান রাসেল, অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মেহেদী হাসান রবিন, মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুল ইসলাম, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এএসএম নাজমুস সাদাত, মোর্শেদুজ্জামান জিসান ও এহতেশামুল রাব্বি তানিম।

এজাহারবহির্ভূত ৬ জন হলো– ইশতিয়াক আহমেদ মুন্না, অমিত সাহা, মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, এসএম মাহমুদ সেতু ও মোস্তবা রাফিদ।

পলাতক তিন আসামি হলো– মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত।

দুদকের মামলায় গ্রেফতার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক: অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যায় অভিযুক্ত কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমারকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দেড়টায় এ আদেশ দেন চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত।

দুদক কর্মকর্তারা জানান, আজ আদালতে দুদকের দায়ের করা মামলায় ওসি প্রদীপকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদনের শুনানি ছিল। আদালত এই আবেদন আমলে নিয়েছেন। পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ সেপ্টেম্বর।

গত ২৩ আগস্ট প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দীন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছিলেন। সেই মামলায় ২৭ আগস্ট মহানগর সিনিয়র স্পেশাল দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালতে প্রদীপ কুমার দাশকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন জমা দেয়া হয়।

মামলায় প্রায় চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয় প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে।

চট্টগ্রাম কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোঃ কামাল উদ্দিন জানান, প্রদীপ কুমার দাস চট্টগ্রাম কারাগারে সাধারণ হাজতির মতো সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। তাকে ডিভিশন দেয়া হয়নি। তবে তাকে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথেই রাখা হয়েছে।

প্রাইমারি শিক্ষক ও তার স্ত্রী হত্যা : ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : তিন বছর আগে টাঙ্গাইলে শিক্ষক অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রানীকে হত্যার ঘটনায় ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: স্বপন কুমার দাস, জাহিদুল ইসলাম, মো. ফরহাদ, মো. মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মঞ্জুরুল ইসরাম ও শয়ান মিয়া। তাদের মধ্যে স্বপন নিহত অনিল কুমারের সৎ ভাই।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, অনিলের সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য তার সৎ ভাই স্বপন কুমার ও অন্য আসামিরা ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই টাঙ্গাইল মডেল থানাধীন রসুলসপুর গ্রামের বাড়িতে গিয়ে অনিল ও তার স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন। এ ঘটনার দু’দিন পর ২৮ জুলাই নিহতদের ছেলে নির্মল কুমার দাস বাদী হয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পুলিশ ওই ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট মামলার বিচার শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ৩৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৭ জন সাক্ষ্য দেন। এরপর শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় রোববার এ রায় দেন আদালত।

পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু : ৩ পুলিশের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : থানায় নিয়ে জনি নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় পল্লবী থানার তৎকালীন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান জাহিদসহ তিন পুলিশ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া এই তিন পুলিশ সদস্যের প্রত্যেককে বাদীপক্ষকে দুই লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মামলার অন্য দুই আসামিকে সাত বছর করে কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ রায় ঘোষণা করেন। নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনের এটি প্রথম রায়। এ মামলায় ২৪ জনের সাক্ষ্য নিয়েছেন আদালত।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন-পল্লবী থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রাশেদুল, এএসআই কামরুজ্জামান মিন্টু। সাত বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-সোর্স সুমন ও রাশেদ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর-১১ নম্বর সেক্টরে স্থানীয় সাদেকের ছেলের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান চলাকালে পুলিশের সোর্স সুমন মেয়েদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। এ সময় জনি ও তার ভাই সুমনকে চলে যেতে বলেন। সুমন চলে গেলেও পরদিন এসে আবার আগের মতো আচরণ করতে থাকেন। তখন জনি ও তার ভাই তাকে চলে যেতে বললে সুমন পুলিশকে ফোন করে তাদের ধরে নিয়ে যান। তাদের নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার লোকজন ধাওয়া দিলে পুলিশ গুলি ছোড়ে।

পরে থানায় নিয়ে জনিকে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে জনির অবস্থা খারাপ হলে ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনায় ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে নির্যাতন ও পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহত জনির ছোট ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন-পল্লবী থানার সাবেক এসআই জাহিদুর রহমান জাহিদ, এসআই আবদুল বাতেন, এসআই রাশেদ, এসআই শোভন কুমার সাহা, কনস্টেবল নজরুল, সোর্স সুমন ও রাসেল।

২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম মারুফ হোসেন পাঁচজনকে অভিযুক্ত এবং পাঁচজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্তকালে পুলিশের এএসআই রাশেদুল ও কামরুজ্জামান মিন্টুকে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান জাহিদ, এএসআই রাশেদুল, এএসআই কামরুজ্জামান মিন্টু, সোর্স সুমন ও রাশেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা।

কিশোরগঞ্জে হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি
                                  

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার বারঘরিয়য়া-দক্ষিণ ধীতপুর গ্রামের বদিউর রহমান হত্যা মামলায় ১ জনের ফাঁসি ও ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জের প্রথম আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ আব্দুর রহিম আজ রবিবার উল্লেখিত দণ্ড ছাড়াও প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুস সাত্তার পলাতক রয়েছে। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো- আবু তাহের, মো. তবারক হোসেন, মো. মেনু মিয়া, মো. নূরুল ইসলাম ও মো. আনোয়ার হোসেন। সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবে এই মামলায় অভিযুক্ত ১০ জনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। একজন আসামি বিচার চলাকালে মারা যায়।
মামলার বিবরণে প্রকাশ, পূর্ব শত্রুতার জেরে ২০১৩ সালের ২৪ জুলাই দুপুরে আসামিরা দেশিয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভিকটিম বদিউর রহমানের পুত্র মো: গোলাপ মিয়াকে ধাওয়া করে স্থানীয় মসজিদের সামনে মাটিতে ফেলে মারপিট করতে থাকে। তার চিৎকার শুনে তার পিতা বদিউর রহমান এগিয়ে আসলে আসামিরা বল্লম ও কিরিচ দ্বারা তাকে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে ১৭ জনের বিরুদ্ধে করিমগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ তদন্তশেষে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এপিপি জীবন কুমার রায় এবং আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোটেক অশোক সরকার। এপিপি জীবন কুমার রায় জানান, রায় ঘোষণার সময় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ও খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিল।

দুই এনআইডি : ডা. সাবরিনা দুই দিনের রিমান্ডে
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিয়ে জালিয়াতির মামলায় জেকেজির চেয়ারম্যান ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের বরখাস্ত হওয়া চিকিৎসক ডা. সাবরিনার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

ইসির করা মামলায় রিমান্ড শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।

এর আগে দুটি এনআইডি করার রহস্য উদঘাটন ও তদন্তে ১ সেপ্টেম্বর সাবরিনাকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে পুলিশ। পাশাপাশি এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনও করে বাড্ডা থানা পুলিশ।

গত ৩০ আগস্ট প্রথম জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য গোপন করে দ্বিতীয় এনআইডি করার অভিযোগে গুলশান থানা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইনের ১৪ ও ১৫ ধারায় করা মামলায় অভিযোগ প্রমাণ হলে ২ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে ডা. সাবরিনার। নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে প্রতারণার মামলায় এরই মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন সাবরিনা।

রাজবাড়ীতে চিকিৎসককে ধর্ষণে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
                                  

রাজবাড়ী প্রতিনিধি : রাজবাড়ীতে চিকিৎসককে দলবেঁধে ধর্ষণ মামলায় তিন আসামিকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। এছাড়া আদালত দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছে।

দণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন- রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের মজলিসপুর এলাকার আবুল মোল্লার ছেলে রানা মোল্লা (২৪), আরশাদ মোল্লার ছেলে মামুন মোল্লা (২০) ও মোন্নাফ সরদারের ছেলে হান্নান সরদার (২৬)।

আজ বুধবার জেলা জজ ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক নিগার সুলতানা এ আদেশ দেন। মামলার অপর তিন আসামি আনিছুর রহমান আনিছ, করিম মোল্লা ও কুটি মনিরকে খালাস দেয়া হয়েছে।

২০১৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি মুন্সিগঞ্জ থেকে গোপালগঞ্জ যাচ্ছিলেন ওই তরুণী চিকিৎসক। এদিন রাত ৮টার দিকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ মোড় এসে নেমে ফরিদপুরে যাওয়ার জন্য গাড়ির সন্ধ্যান করে। এসময় এক অটোরিকশা চালক ওই তরুণীকে বলেন, ‘এখান থেকে ফরিদপুরের গাড়ি পাওয়া যাবে না। আমার অটোতে ওঠেন শিবরামপুর গেলে ফরিদপুরের গাড়িতে উঠিয়ে দেব।’

এসময় তরুণী অটোরিকশায় উঠেন। ওই অটোরিকশায় আরও দুই যুবক ছিলেন। এরপর গোয়ালন্দ মোড়-শিবরামপুরের মাঝামাঝি বসন্তপুর এলাকার নির্জন জায়গায় অটোটি থামায়। পরে চালকসহ তিনজন মিলে রাস্তার পাশে নিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। এসময় ওই তরুণীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে ওই তিন যুবক অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি র‌্যাব-৮ ফরিদপুর ক্যাম্পের সদস্যদের অবহিত করে। র‌্যাব সদস্যরা ওই তরুনীকে উদ্ধার করার পাশাপাশি ওই ধর্ষক তিন জন যুবককেই রাতেই গ্রেপ্তার করে রাজবাড়ী থানায় সোপর্দ করে।

এ ঘটনায় রাজবাড়ী থানায় ওই চিকিৎসকের করা মামলার দীর্ঘ স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিদের উপস্থিতিতে আদালত ওই তিন জনকে ফাঁসির দন্ডাদেশ এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ প্রদান করেছে বলে রাজবাড়ীর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট উমা সেন জানিয়েছেন।

উমা সেন বলেন, ‘আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমান পাওয়ায় তিন আসামিকে ফাঁসির আদেশ ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে। সেই সঙ্গে অপর তিন আসামিকে খালাস দিয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।’

মুসা হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড
                                  

খুলনা প্রতিনিধি : খুলনার মুদি দোকানি ও মাদ্রাসা ছাত্র মুসা শিকদার (১৬) হত্যা মামলার রায়ে চার জনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুই জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। খুলনার সিনিয়র দায়রা জজ মো. মশিউর রহমান চৌধুরী আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন রূপসার আলাইপুরের বনি আমিন শিকদার (২০), রাহিম শেখ (২১), রাজু শিকদার (২০) ও নুহু শেখ (২৭)। খালাস পেয়েছেন সিরাজ শিকদার (৫২) ও জসিম শিকদার (৫৯)।

পিপি এনামুল হক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায়ে ৩০২/৩৪ ধারায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি বনি আমিন শিকদার, রাহিম শেখ, রাজু শিকদার ও নুহু শেখকে ৩৬৪/৩৪ ধারায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে প্রত্যেককে এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। এ মামলার দায় থেকে খালাস পেয়েছেন জসিম শিকদার ও সিরাজ শিকদার। হত্যা মামলায় ছয় আসামিই কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। ছয় জনের মধ্যে চার জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় রূপসা থানার আঠারোবেকি নদীতে রাজাপুর গ্রামের রূপসা থানার আলিপুর গ্রামের মুদি দোকানদার ও মাদ্রাসা ছাত্র মুসা শিকদারের লাশ পাওয়া যায়। মুদি দোকানে বাকি খাওয়া ও গুলতি মারা নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে একদিন আগে তার বিরোধ হয়েছিলো। এ বিরোধ ও মারামারির জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এরপর ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আদালতে হত্যার অভিযোগ দায়ের করেন মুসার পিতা মোস্তাকিম শিকদার। মামলায় চার জনের নাম দেওয়া হয়। এরা হলেন, বনি আমিন শিকদার, রাহিম শেখ, নুহু শেখ ও রাজু শিকদার। আদালত মামলাটি তদন্ত করে নথিভুক্ত করার জন্য রূপসা থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। এরপর ২০১৯ সালের ১৫ জানুয়ারি থানায় মামলাটি নথিভুক্ত হয় (রূপসা থানার মামলা নম্বর-১২, তারিখ ১৫/০১/২০১৯)। মামলাটি তদন্তের জন্য জেলা ডিবিতে হস্তান্তর হয়। জেলা ডিবির এসআই মুক্ত রায় চৌধুরী মামলাটি তদন্ত করেন। তিনি ২০১৯ সালের ৩০ মে আদালতে ছয় জনের নামে চার্জশিট দাখিল করেন। এজাহারভুক্ত চার জনের সঙ্গে নতুন যুক্ত হওয়া দুই জন হলেন জসিম শিকদার ও সিরাজ শিকদার। আসামিরা সবাই আলাইপুরের বাসিন্দা। ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর চার্জ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয় জেলা জজ আদালতে। বিচারক খুলনার সিনিয়র দায়রা জজ মো. মশিউর রহমান চৌধুরী এ মামলার শুনানিকালে ২৪ জনের মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন পিপি এনামুল হক ও এপিপি এম ইলিয়াস খান। আসামি পক্ষে ছিলেন মো. ফরহাদ আব্বাস ও নিরঞ্জন কুমার ঘোষ।

অস্ত্র মামলায় সাহেদের বিচার শুরু
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা অস্ত্র মামলায় রিজেন্ট গ্রুপ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্যে দিয়ে অস্ত্র মামলায় তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় সাহেদ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান।

গত ১৯ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে, মামলার চার্জগঠনের জন্য ২৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

১৩ আগস্ট ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম জুলফিকার হায়াত মামলার চার্জশিটে (অভিযোগপত্র) স্বাক্ষর করেন এবং পরে মামলার নথি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি করেন। ৩০ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালতে আসামি সাহেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. শায়রুল।

করোনা টেস্ট নিয়ে জালিয়াতির পর রিজেন্ট হাসপাতালের দুটি শাখা সিলগালা করে দেয়ার পর লাপাত্তা হয়ে যাওয়া সাহেদকে গত ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় আনা হয়।

পরদিন করোনা পরীক্ষার নামে ভুয়া রিপোর্টসহ বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর তাকে নিয়ে উত্তরায় অভিযানে যায় ডিবি পুলিশ। অভিযানে গিয়ে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়। ইতোমধ্যে কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে।

স্বাস্থ্যের সেই আবজাল কারাগারে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অফিস সহকারী আবজাল হোসেনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। ৩৬ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের দুই মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

আজ বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন আবজাল হোসেন। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত রোববার সকালে আবজাল হোসেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে আত্মসমর্পণপূর্বক জামিনের আবেদন করেন। এরপর তার আইনজীবী আবেদনটি ফেরত নেন।

২০১৯ সালের ২৭ জুন দুদক উপ-পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ কার্যালয়ে অবৈধ সম্পদ অর্জন, মানি লন্ডারিং এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা দুটি করেন। মামলা দুটিতে আবজাল দম্পতির বিরুদ্ধে ৩৬ কোটি ৩০ লাখ ৬১ হাজার ৪৯৩ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগ দখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলায় দীর্ঘ সময় ধরে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে ২৮৪ কোটি ৫১ লাখ ১৩ হাজার ২০৭ টাকার মানি লন্ডারিং অপরাধের অভিযোগও করা হয়েছে।

আবজালের বিরুদ্ধে করা মামলায় ৪ কোটি ৭৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি দুদকে পেশ করা সম্পদ বিবরণীতে ২ কোটি ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৮৫ টাকার সম্পদ গোপন করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে।

আবজাল ও তার স্ত্রী রুবিনা খানমকে যৌথভাবে আসামি করে করা মামলায় ৩১ কোটি ৫১ লাখ ২৩ হাজার ৪৪ টাকার সম্পদের কথা বলা হয়েছে। তিনি দুদকের কাছে ৫ কোটি ৯০ লাখ ২৮ হাজার ৯২৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় বলা হয়, আবজালের নামে থাকা সম্পদের চেয়ে তার স্ত্রীর নামে সম্পদের পরিমাণ বেশি। অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতে তিনি স্ত্রীর নামে সম্পদ করেছেন। এসব সম্পদের বৈধ উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এজাহারে আবজালের নামে ২০ কোটি ৭৪ লাখ ৩২ হাজার ৩২ টাকার মানি লন্ডারিং অপরাধের প্রমাণ মিলেছে। রুবিনা খানমের বিরুদ্ধে ২৬৩ কোটি ৭৬ লাখ ৮১ হাজার ১৭৫ টাকার মানি লন্ডারিং অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অস্ত্র মামলায় পাপিয়া দম্পতির বিচার শুরু
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : যুব মহিলা লীগ থেকে বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরীর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিচার শুরু হলো। আজ রবিবার (২৩ আগস্ট) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ অভিযোগ গঠন শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগপত্রে ১২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ৩১ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দিন ধার্য করেছেন আদালত।

এর আগে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে পাপিয়া ও তার স্বামী সুমনকে আদালতে হাজির করা হয়। এর পরপরই শুনানি শুরু হয়, যা শেষ হয় দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে।

গত ১৮ আগস্ট মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আদালত অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আজ (২৩ আগস্ট) দিন ধার্য করেন।

এর আগে ২৯ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর এসআই মো. আরিফুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এ অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জাল টাকা বহন ও অবৈধ টাকা পাচারের অভিযোগে শামিমা নূর পাপিয়া ওরফে পিউসহ চার জনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এরপর ২৩ ফেব্রুয়ারি সকালে শামিমা নূর পাপিয়ার রাজধানীর ফার্মগেটের ইন্দিরা রোডে বাসায় অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, ২০ রাউন্ড গুলি, ৫ বোতল বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা, ৫টি পাসপোর্ট, ৩টি চেক, বেশ কিছু বিদেশি মুদ্রা ও বিভিন্ন ব্যাংকের ১০টি এটিএম কার্ড উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় অস্ত্র আইনে একটি, বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি এবং বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়।


   Page 1 of 76
     আইন ও আদালত
এমসি কলেজে ধর্ষণ: গ্রেপ্তার আরও দুই আসামি
.............................................................................................
জাহালমকাণ্ড: ক্ষতিপূরণ নিয়ে রুলের রায় মঙ্গলবার
.............................................................................................
ডিআইজি প্রিজন বজলুর রশিদের সব সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ
.............................................................................................
নৃত্যশিল্পী ইভান ৭ দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
সাহেদের অস্ত্র মামলার রায় ২৮ সেপ্টেম্বর
.............................................................................................
বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা মামলার বিচার শুরু
.............................................................................................
দুদকের মামলায় গ্রেফতার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ
.............................................................................................
প্রাইমারি শিক্ষক ও তার স্ত্রী হত্যা : ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু : ৩ পুলিশের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
.............................................................................................
কিশোরগঞ্জে হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি
.............................................................................................
দুই এনআইডি : ডা. সাবরিনা দুই দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
রাজবাড়ীতে চিকিৎসককে ধর্ষণে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
মুসা হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
অস্ত্র মামলায় সাহেদের বিচার শুরু
.............................................................................................
স্বাস্থ্যের সেই আবজাল কারাগারে
.............................................................................................
অস্ত্র মামলায় পাপিয়া দম্পতির বিচার শুরু
.............................................................................................
শিপ্রার ব্যক্তিগত ছবি ভাইরাল, দুই এসপির বিরুদ্ধে রিট খারিজ
.............................................................................................
স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে কুমারখালীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
.............................................................................................
সুপ্রিমকোর্টের সকল অবকাশকালীন ছুটি বাতিল
.............................................................................................
এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিচার শুরু
.............................................................................................
সাবরিনা-আরিফুলদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন পেছালো
.............................................................................................
সিনহা হত্যা : চার পুলিশ ও তিন সাক্ষী ৭ দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
প্রায় পাঁচ মাস পর সুপ্রিমকোর্ট খুলছে আজ
.............................................................................................
অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাহেদ ৭ দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
সিনহার সহযোগী সিফাতেরও জামিন
.............................................................................................
সিনহার সহযোগী শিপ্রার জামিন, সিফাতের শুনানি কাল
.............................................................................................
আজ খুলছে দেশের অধস্তন আদালত
.............................................................................................
কুমারখালীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
.............................................................................................
সিলেট লাক্কাতুরা মাঠের পশুর হাট বন্ধের নির্দেশ দিল আদালত
.............................................................................................
আদমদীঘির নশরতপুরে হাট ইজারাদারসহ ৮ জনকে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা
.............................................................................................
৪ মামলায় সাহেদ ২৮ দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
দুই দফা রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবরিনা
.............................................................................................
স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় শরীয়তপুরে ১১ জনকে অর্থদন্ড
.............................................................................................
মহম্মদপুরে মার্কেট উচ্ছেদে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
রিজেন্টের সাহেদ-মাসুদ ১০ দিনের, তরিকুল সাত দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
কুমারখালীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ২জনের কারাদণ্ড
.............................................................................................
জেকেজির ডা. সাবরিনা ৩ দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
রাজবাড়ীর বড় বাজারে বিভিন্ন হোটেল ও দোকানে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা
.............................................................................................
ওয়াসার পানির মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত
.............................................................................................
সাংসদ পাপুল থেকে ৩০ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়া ব্যক্তিকে খুঁজছে কুয়েতি পুলিশ
.............................................................................................
বহিস্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ তিন দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
ঝিনাইদহে সামাজিক দূরত্ব না মানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫২ জনকে জরিমানা
.............................................................................................
শেরপুরে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসীতে চলছে ভার্চুয়াল শুনানী
.............................................................................................
মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পদক্ষেপ নিতে আইনি নোটিশ
.............................................................................................
রানা প্লাজার সোহেল রানার জামিন স্থগিত
.............................................................................................
কাঁঠালিয়ায় একই পরিবারের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার ৭
.............................................................................................
চাঁদপুরে ৪ চাউল ব্যবসায়ীকে জরিমানা
.............................................................................................
সাতক্ষীরায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে জরিমানা
.............................................................................................
মতলবে ভ্রাম্যমান আদালতে ৭ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
.............................................................................................
দ্রব্যমুল্যর দাম বৃদ্ধিতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD