ঢাকা, সোমবার , ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ , ২৮ সেপ্টেম্বর , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > করোনায় দেশে আরো ৩২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১,২৭৫   > এক্সট্রাকশনের পর নেটফ্লিক্সের নতুন ছবিতে ক্রিস হেমসওয়ার্থ   > ঠাকুরগাঁওয়ে সুরক্ষা সামগ্রী ও স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ   > বিনামূল্যে গ্রামীন জনপদের প্রান্তিক মায়েরা পাচ্ছে জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ের সেবা   > বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ে বাঁধের পুনঃনির্মাণ কাজ শেষ না হতেই ভাঙন   > টাঙ্গাইলে গৃহবধূর আত্মহত্যা!   > নীলফামারীতে ভিটামিন"এ" ক্যাম্পেইন সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা   > সাংগুতে বিপুল পরিমান ইয়াবা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড   > মোংলায় বিশ্ব নদী দিবস পালন   > বৌদ্ধবিহারে বিশ্ববিদ্যালয় পুন:প্রতিষ্ঠার দাবি  

   সাক্ষাৎকার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
জনগণের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি: বাবুল শেখ

সাইফুল্লাহ সরকার, তাড়াশ : সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবুল শেখ বলেন, জনগণের সেবা করার জন্যই আমি রাজনীতিতে এসেছি। জনগণের পাশে থেকে তাদের নানা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমি তাদের সেবক হয়ে কাজ করছি মাত্র। আজ সোমবার দৈনিক গনমুক্তিক দেওয়া একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি এসব কথা বলেন।
জানা গেছে, ২০০৩ সালে তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন বাবুল শেখ। এরপর থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন একজন বলিষ্ঠ সংগঠক। জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন ছাত্র রাজনীতিতে। ২০০৩ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ১০ বছর ন্যায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের। তখন থেকেই সপ্ন দেখতেন মানেেষর সেবা করার। কারন সংগঠন করে শুধু দলকে সু-সংগঠিত করা যায়। কিন্ত সরাসরি জনসেবার কোন সুযোগ থাকে না। তাই তিনি জনপ্রতিনিধি হওয়ার সপ্ন দেখেন। সপ্ন দেখেন মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার।
২০১৬ সালে ২৩ সে এপ্রিল স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন বাবুল শেখ। সফলভাবে সকল বাধা বিপত্তি কাটিয়ে সদর ইউনিয়নবাসীর সেবা করেন তিনি। করোনা প্রতিরোধেও সম্মুখ যোদ্ধার ভূমিকা পালন করছেন। সামাজিক যোগাযোগ ম্যাধমসহ বিভিন্ন মহলে করোনাযোদ্ধা ও জনতার চেয়ারম্যান হিসেবেও পরিচিতি এই বাবুল শেখ। এবার সপ্ন দেখছেন পৌরসভার উন্নয়নের। সপ্ন দেখছেন নবগঠিত তাড়াশ পৌরসভার মেয়র হওয়ার। উন্নয়ন করতে চান তাড়াশ পৌরবাসীর।

জনগণের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি: বাবুল শেখ
                                  

সাইফুল্লাহ সরকার, তাড়াশ : সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবুল শেখ বলেন, জনগণের সেবা করার জন্যই আমি রাজনীতিতে এসেছি। জনগণের পাশে থেকে তাদের নানা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমি তাদের সেবক হয়ে কাজ করছি মাত্র। আজ সোমবার দৈনিক গনমুক্তিক দেওয়া একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি এসব কথা বলেন।
জানা গেছে, ২০০৩ সালে তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন বাবুল শেখ। এরপর থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন একজন বলিষ্ঠ সংগঠক। জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন ছাত্র রাজনীতিতে। ২০০৩ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ১০ বছর ন্যায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের। তখন থেকেই সপ্ন দেখতেন মানেেষর সেবা করার। কারন সংগঠন করে শুধু দলকে সু-সংগঠিত করা যায়। কিন্ত সরাসরি জনসেবার কোন সুযোগ থাকে না। তাই তিনি জনপ্রতিনিধি হওয়ার সপ্ন দেখেন। সপ্ন দেখেন মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার।
২০১৬ সালে ২৩ সে এপ্রিল স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন বাবুল শেখ। সফলভাবে সকল বাধা বিপত্তি কাটিয়ে সদর ইউনিয়নবাসীর সেবা করেন তিনি। করোনা প্রতিরোধেও সম্মুখ যোদ্ধার ভূমিকা পালন করছেন। সামাজিক যোগাযোগ ম্যাধমসহ বিভিন্ন মহলে করোনাযোদ্ধা ও জনতার চেয়ারম্যান হিসেবেও পরিচিতি এই বাবুল শেখ। এবার সপ্ন দেখছেন পৌরসভার উন্নয়নের। সপ্ন দেখছেন নবগঠিত তাড়াশ পৌরসভার মেয়র হওয়ার। উন্নয়ন করতে চান তাড়াশ পৌরবাসীর।

পরিকল্পিত উন্নয়নের বিকল্প নেই: অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক
                                  

মবরুর আহমদ সাজু সিলেট ব্যুরো: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের লড়াকু সৈনিকের নাম, অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক। যিনি শিক্ষা স্বাস্থ্য সংস্কৃতির প্রাণ পুরুষ এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে তাঁর অবস্থানে থেকে কাজের নীতি-আদর্শকে সামনে রেখে নগর থেকে তৃণমূলপর্যায়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তার নিরবিচ্ছিন্ন কাজের জন্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সিলেট সদর এলাকার সর্বস্তরের মানুষের চোখের সান্নিধ্য নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন বলে যুব সমাজ ও সকল মানুষের মুখে মুখে বইছে পরির্বতনের সুর। এই যখন বাস্তবতা, তখন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ,অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক সংবাদ সম্মেলন করে নিজের প্রার্থীতার কথা জানান দিয়ে আলোকিত সদর গড়ার প্রত্যয়ে শুরু করেছেন প্রচারণা। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় দৈনিক সকালের সময়ের সিলেট ব্যুরো প্রধান মবরুর আহমদ সাজুর মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। যা পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো।
সকালের সময়: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আপনাদের প্রস্তুতি কেমন?
সুজাত আলী রফিক: আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সিলেট সদর উপজেলা পরিষদে আমি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চাই। বঙ্গবন্ধু কন্যা, সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে দলের সক্রীয় কর্মী হিসেবে কাজ করতে চাই। মানুষ পরির্বতন চায় আমি সেই পরিবর্তনের সাথে নৌকার কান্ডারী হতে চাই?
সকালের সময়: দলে কোন্দল আছে, নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে কি?
সুজাত আলী রফিক : একে কোন্দল না বলে, বলা উচিত প্রতিযোগিতা। আওয়ামী লীগ দেশের সর্ববৃহৎ দল। এই দলে অনেক যোগ্য নেতা রয়েছেন। ফলে প্রতিযোগিতা হওয়াটাই স্বাভাবিক।
সকালের সময় : তৃণমূলে আপনার অবস্থা কেমন?
সুজাত আলী রফিক : আমি আগেই বলেছি, আমার জন্য তৃণমূল পর্যায় শক্তিশালী আছে। আমার জন্য কমিটিগুলো অনেক সক্রিয়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি সবার আগাধ আস্থা রয়েছে। সাংগঠনিক কাঠামোই আমার প্রধান শক্তি।
সকালের সময় : একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশীতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে?
সুজাত আলী রফিক : শেখ হাসিনার কাছে সব সদস্যের ভালো-মন্দের আমলনামা আছে। যোগ্য এবং সৎ ব্যক্তিকেই তিনি মনোনয়ন দেবেন। একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকতেই পারেন। এতে কোনো সমস্যা নেই। মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর সবাই দলের প্রার্থীর জন্য একসঙ্গে কাজ করবেন বলেই আমি বিশ্বাস করি।
সকালের সময় : জনগণ আওয়ামী লীগকে কেন ভোট দেবে?
সুজাত আলী রফিক : গত ১০ বছরের ব্যাপক উন্নয়ন জনগণের জীবনযাত্রার মানেও ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সরকারের শক্ত অবস্থান, আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন এবং দেশের ভাবমূর্তি উন্নয়নের কারণে জনগণ আবারও আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে বলে আমার বিশ্বাস।
সকালের সময় : জনপ্রতিনিধি হওয়ার ব্যাপারে আপনি কতটা আশাবাদী?
সুজাত আলী রফিক : আমি গ্রামের সন্তান হিসেবে গ্রামের মানুষের সুখ-দুঃখ বুঝি। গ্রামের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আমি কাজ করতে চাই। আমি শতভাগ আশাবাদী। কেননা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়ন হয়, এটা প্রমাণিত। বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান শহরের মানুষ তিনি ভোট ট্রান্সফার করেছেন। আমি গ্রামের সন্তান। এ হিসেবে মানুষ আমাকে ভালবাসে। তাদের দাবি আদায়ে অতীতে স্বোচ্চার ছিলাম, ভবিষ্যতেও তাদের সেবায় থাকরেত চাই। আমি জাতির জনকের আদর্শেও রাজনীতি করি, ১৯৮১-৮২ সাল থেকে আমি ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হই। স্বৈরাচার বিরোধি আন্দোলনে জড়িত ছিলাম। ৮৭ সালে এবং ৯৪ সালে আন্দোলন করতে গিয়ে শাসকের চক্ষুশুল হয়ে কারাবরণ করেছি। রাজনৈতিক জীবনে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে আমার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।
সকালের সময় : যদি আপনাকে নৌকার টিকেট না দেওয়া হয় তখন আপনার অবস্থান কোথায় থাকবে?
সুজাত আলী রফিক: সময় বলে দিবে? দেখেন, শরীরের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে সংগঠনের জন্য কাজ করে যাবো। স্বপ্ন ছিল উপজেলা নির্বাচন করবো? সময়ের সাথে সাথে সর্বস্তরের মানুষ আমার সাথে। এছাড়া দলের জন্য দীর্ঘ দিন যাবৎ কাজ করে আসছি। আমার বিশ^াস জননেত্রী শেখহাসিনা বিবেচনা করবেন।
সকালের সময় : জনপ্রতিনিধি হলে এলাকায় কি পরিকল্পনা আছে?
সুজাত আলী রফিক: একটি আদর্শ উপজেলা গড়ে তুলতে দক্ষ নেতৃত্ব, পরিকল্পিত উন্নয়নের বিকল্প নেই। সিলেট সদর উপজেলার উন্নয়নে নিজে কে বিলিয়ে দিতে চাই। সদরকে দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সিলেট সদর। এখানে ফায়ার ব্রিগেড নেই, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভাড়া বাড়িতে চলে। পশু হাসপাতাল নেই, বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাব রয়েছে। নদীভাঙন সমস্যা, খেলার মাঠের সংকট রয়েছে। এরকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নজর দেওয়া প্রয়োজন। সিলেটের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে স্থানীয়দের চাকুরীর সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। আমি সেদিকে বিশেষ নজর দেবো।

 

 

বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তির বিপ্লব শুরু হয়েছে
                                  

মবরুর আহমদ সাজু সিলেট 

সিলেট জেলা পরিষদের তরুণ সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল কাদের মোজাহিদ । লেখাপড়ার শেষ করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায় থেকে। জানাযায় বিভিন্ন জায়গায় চাকুরী করেছেন তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সহিত । বর্তমানে তিনি সিলেট জেলা পরিষদ সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। বয়সে তরুণ হলে ও একজন কাজ প্রিয় মানুষ আব্দুল কাদের মোজাহিদ। যিনি স্বপ্ন দেখেন একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের। উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশের অংশীদার হতে চান তিনি ও তার চাকুরীর স্থান সিলেট জেলা পরিষদ। এমন স্বপ্ন আর সম্ভাবনা নিয়ে দৈনিক সকালের সময়ের সাথে কথা বলেছেন এ তরুণ সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল কাদের মাজাহিদ। যা বিস্তারিত পাঠকের জন্য তুলে ধরেছেন সিলেট ব্যুরো মবররু আহমদ সাজু ।

সকালের সময় : জেলা পরিষদ সম্পর্কে জানতে চাই এখানে কেমন কাজ হয়।

স: প্র: আব্দুল কাদের মোজাহিদ: জেলা পরিষদ বাংলাদেশের স্থানীয়সরকার প্রতিষ্ঠাগুলোর মধ্যে প্রাচীনতম জনসমাদৃত একটি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠান শহর ও গ্রামাঞ্চলের জনগণের সার্বিক উন্নয়ন ও সেবায় নিয়োজিত থাকে। সিলেটের সমাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা উত্থান-পতন সত্তে¡ও জেলা পরিষদের কার্যক্রম কখন ও থেমে যায়নি। বরং নতুন নতুন ক্ষেত্র সংযোজিত হয়েছে। জেলা পরিষদ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা তার আর্থিক ক্ষমতার মধ্যে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কার্যকরী অবদান রেখে চলেছে। জেলা পরিষদের মাধ্যমে গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির-গীর্জা-প্যাগোডা প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। বর্তমান সরকারের সাড়ে নয় বছরে উন্নয়নে অদম্য বাংলাদেশে বদলে গেছে দিনকাল ।

সকালের সময়: সিলেট জেলার অবকাঠামো উন্নয়নে জেলা পরিষদের ভুমিকা কি জানতে চাই
স: প্র: আব্দুল কাদের মোজাহিদ: বর্তমান সরকার ঘোষিত ভিশন ২০২১ এ বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের সহায়ক ভূমিকা রাখার নিমিত্ত সিলেট জেলা পরিষদের তহবিলের অর্থায়নে ও সরকারের এডিপি তহবিলের বরাদ্দকৃত অর্থের মাধ্যমে জেলার সকল উপজেলায় যোগাযোগ ব্যবস্থা, অবকাঠামো উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন ও নারী উন্নয়ন, শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি, বৃক্ষরোপন, জাতীয় কর্মসূচি, ধর্মীয় এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে সিলেট জেলা পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এছাড়া সরকারের মাস্টার প্লান বাস্তবায়ন করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

সকালের সময়: সিলেট জেলা পরিষদের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা কেমন দেখেছেন
স: প্র: আব্দুল কাদের মোজাহিদ: সিলেট জেলা পরিষদ স্থানীয় সরকারের একটি অমিত সম্ভাবনার জায়গা ।কারণ এখানে দক্ষতার ঘাটতি না থাকলেও জনবল ও সম্পদের অভাব রয়েছে । এছাড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনের পর পরিষদে কিছু ইতিবাচক কাজ করার সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলা পরিষদ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের বেশ সাফল্য দেখিয়েছে। নিজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং ইউনিয়ন ও উপজেলার সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্রে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।স্থানীয়ভাবে নিজস্ব আয় বৃদ্ধিতে সিলেট উদাহরণ ওপ্রশংসাযোগ্য।আমরা আশা করি, জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর গণতান্ত্রিক স্থানীয় সরকার গড়ার পথে বাংলাদেশে একটি নবতর অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। মাঠ প্রশাসন, নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলো(ইউনিয়ন, উপজেলা ও পৌরসভা)এবং অরাষ্ট্রীয় উদ্যোগগুলো একটি সমন্বিত ও গতিশীল স্থানীয় উন্নয়ন ও সেবা কাঠামো সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

সকালের সময়: অগ্রযাত্রার সাড়ে নয় বছরে বংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড কেমন দেখছেন?
স: প্র:আব্দুল কাদের মোজাহিদ: শেখ হাসিনার দর্শন বাংলাদেশের উন্নয়ন এ সরকারের দুই মেয়াদে অগ্রযাত্রার পার হয়েছে সাড়ে নয় বছর। এ সময়ে সারাদেশের ন্যায় সিলেটের হাওর ও পাহাড় আর শহর গ্রামগঞ্জে রাস্তা, ব্রিজ, প্রাচীর ও ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত হয়েছে সিলেট জেলা পরিষদের মাধ্যমে। নিয়মনীতি অনুসারে এসব উন্নয়ন কর্মকান্ড করায় তৃণমূল মানুষের বিরাট উপকার হয়েছে। অনেক প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে সফলভাবে শেষ করার সুনাম কুড়িয়েছেন সরকার ।

সকালের সময়: সিলেট জেলা পরিষদ নাগরিক সেবায় অনন্য সে সম্পর্কে আপনার প্রত্যয় জানতে চাই...
স: প্র:আব্দুল কাদের মোজাহিদ: দিনবদলের সরকারের ঘোষিত ভিশন-২০২১ ও ভিশন-২০৪১ সফল করার লক্ষ্যে গুণগত জনসেবা ও জনবান্ধব পরিষদ গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর। `ডিজিটাল বাংলাদেশ` বিনির্মাণে সকল নাগরিককে ই-সেবার আওতায় আনার জন্য আমাদরে সংশ্লিষ্ঠ টিম সিলেট জেলায় নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। সিলেট জেলা পরিষদের উন্নয়নের স্বার্থে সততা, স্বচ্ছতা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাব। সিলেট জেলার ঐতিহ্যকে ধারণ করে বাংলাদেশের প্রথম সারির জেলায় রূপান্তরের চেষ্টা করব। সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে নিয়ে একটি টিম হিসেবে এ কাজ করে যাচ্ছি আমরা

সকালের সময় : তথ্য প্রযুক্তি খাতে আমাদের সম্ভাবনা কতটুকু?
স: প্র:আব্দুল কাদের মোজাহিদ: তথ্য-প্রযুক্তির বিপ্লব শুরু হয়েছে দু থেকে তিন দশক হলো। এরই মধ্যে আমরা মোটামুটি একটা অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি। দেশে বর্তমানে হাজার দুয়েক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। এসব প্রতিষ্টানে প্রায় দুই লাখ শ্রমিক রয়েছে। বিশ্ব বাজারে দিনকে দিন এ খাতের গুরুত্ব বাড়ছে। বিশেষ করে আমাদের নিজেদের দেশেই রয়েছে ষোলো কোটি মানুষ। ষোলো কোটি মানুষের বাজারটাও ছোট নয়, এটা অনেক বড়। অন্যদিকে আমাদের রয়েছে শিক্ষিত তরুণ প্রজন্ম। এ জন্য আমাদের সম্ভাবনা শতভাগ। আর দেশীয় বাজারে প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো করতে পারলে, ক্রমান্বয়ে এগুলো দক্ষ হয়ে উঠবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে গিয়ে উন্নত দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

সকালের সময় : নগর উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য কী জানতে চাই?
স: প্র:আব্দুল কাদের মোজাহিদ: নগর উন্নয়নের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নগরগুলোকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা এবং মানুষের সুযোগ-সুবিধার দিকে নজর রেখে যে ভূমি ব্যবহার, সেই ভূমি ব্যবহারটাকে নিশ্চিত করা৷ এখানে বাসস্থান, পরিবহণ থেকে শুরু করে অন্যান্য যে সামাজিক সুযোগ-সুবিধা আছে, সেগুলো যাতে মানুষের চাহিদা মতো তাদের কাছে দেয়া যায়, সে কারণেই পরিকল্পনা প্রয়োজন৷

সকালের সময় : একটা সুন্দর নগর গড়ে তোলার জন্য আসলে কী কী থাকা দরকার?
স: প্র:আব্দুল কাদের মোজাহিদ: কয়েকটা ‘বেসিক’ জিনিস থাকতেই হবে৷ যেমন বাসস্থান৷ সেটা শুধু থাকলেই হবে না, সেটা যেন মানসম্পন্ন হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে৷ তাছাড়া পরিবহণব্যবস্থা যেন জনবান্ধব হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে৷ অনেক সময় আমরা পরিবহণের যে ব্যবস্থা করি, সেটা জনবান্ধব হয় না ৷ এছাড়া অনেক সামাজিক ব্যবস্থা আছে, যেমন খেলার মাঠ, স্কুল-কলেজ, হেলথ সেন্টার – একটি শহরে সেগুলিও থাকতে হবে৷ এগুলোর বিন্যাস যেন সুষ্ঠু হয়৷ মানুষ যেন সহজেই এই সেবাগুলো নিতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে৷

সকালের সময় : জেলার ডিজিটালাইজেশন ও এর সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাই?
স: প্র:আব্দুল কাদের মোজাহিদ: দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে সিলেট সা¤প্রদায়িক স¤প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সিলেট । এ লক্ষ্যে জেলায় স্থাপিত টি ইউনিয়নে ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সেবা জনগণের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে জনগণ অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন, পাসপোর্ট ফরম পূরণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ও ফলাফল জানা, প্রবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ, বিদ্যালয়ের নিবন্ধন, ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন আবেদন ফরম ডাউনলোডসহ নানা কাজ করতে পারছে। বেকার দরিদ্রদের আউট সোর্সিংকে ত্বরান্বিত করতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এখানে বিনামূল্যে দ্রæতগতির ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ ফ্রি বেসকি কম্পিউটার, শেলাই প্রশিক্ষণ, ফ্রি ড্রাইবিং কোর্স প্রশিক্ষণ দেয়া হয় ।

সকালের সময়: কেমন বাংলাদেশ দেখতে চান
স: প্র:আব্দুল কাদের মোজাহিদ: সুন্দর একটি বাংলাদেশ দেখতে চাই

সকালের সময়: ধন্যবাদ আপনাকে
স: প্র:আব্দুল কাদের মোজাহিদ: ধন্যবাদ আপনাকে দৈনিক সকালের সময় কে

দারিদ্র বিমোচন ও শিক্ষা বিস্তারে জেছিস উজ্জ্বল ভূমিকা রেখে চলেছে : এ.টি.এম বদরুল ইসলাম
                                  

দিনবদলে পাল্টে যাচ্ছে বাংলাদেশের হালচাল পাল্টে যাচ্ছে। চারদিকে উন্নয়নে অদম্য বাংলাদেশর চিত্রের জয় জয়কার । এই যখন আজকের বাস্তবতা তখন একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ব্যাংকিং এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ডিভিশন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন স্থাপন করার মাধ্যমেবাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের সিলেট জেলার চারটি পার্টনার অর্গানাইজেশনের মধ্যে অন্যতম অর্গানাইজেশন হলো জৈন্তাপুর ছিন্নমূল সংস্থা। যে সংস্থাটি আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিবেদিত হয়ে কাজ করছে সিলেটে বিভাগে। জানাযায় জৈন্তিয়া ছিন্নমূল সংস্থা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ক্ষুদ্র নৃতাত্তি¡কগোষ্ঠী ও বাঙালীদের স্বাস্থ্যসেবা, গাছের চারা বিতরণ, সবজি বীজ বিতরণ করে থাকে। এছাড়া দরিদ্র শ্রেণী বিশেষত চা বাগানের ক্ষুদ্র নৃতাত্তি¡কগোষ্ঠীর জন্য সংস্থাটি কাজ করে আসছে। উল্লেখ্য দীর্ঘদিন দেশের গন্ডি পেড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সামাজিক ও মানব উন্নয়ন কর্মকান্ডে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন জৈন্তিয়া ছিন্নমূল সংস্থা(জেছিস) নির্বাহী প্রধান এ.টি.এম বদরুল ইসলাম । তিনি সিলেটের জৈন্তাপুর চারিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের নয়াখেল দক্ষিণ গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি সিলেটর এক আলোকিত মানুষ জৈন্তিয়া ছিন্নমূল সংস্থা(জেছিস) এর প্রতিষ্ঠাতা ও সংস্থার নির্বাহী পরিচালক। সংস্থার মধ্যে দিয়ে এলাকার গরিব অসহায়দের সাহায্য সহযোগিতা করেন অনায়েসে এতে অনেকে তার সহযোগিতায় সাবলম্ভী হয়েছেন আবার অনেকে আলোরমুখ দেখতে শুরু করেছেন । সবমলিয়ে এ.টি.এম বদরুল ইসলাম শিক্ষা ও সমাজ সেবামূলক অসংখ্য কর্মকান্ডে জড়িত আছেন । জীবনমান উন্নয়নে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের অবদান : প্রেক্ষিত সিলেট জেলার জৈন্তিয়া ছিন্নমূল সংস্থা(জেছিস)’ নিয়ে দৈনিক সকালের সময়ে সাথে মুখোমুখি হয়েছেন সংস্থার নির্বাহী এ.টি.এম বদরুল ইসলাম সিলেট ব্যুরো মবরুর আহমদ সাজুর একান্তে কথা বলেছেন সেখানে উঠে আসে অনেক অজানা তথ্য। যা পাঠকের জন্য তুলে ধরা হল।
সকালের সময় : জৈন্তিয়া ছিন্নমূল সংস্থার (জেছিস) অপরিহার্যতা, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ তথা সিলেট প্রেক্ষিত সম্পর্কে জানেতে চাই।
এ.টি.এম বদরুল ইসলাম : সিলেট উন্নয়নশীল হলে বুঝতে হবে সারাদেশ তথা বাংলাদেশ উন্নয়ন সম্ভব। সিলেট বিভাগে “দারিদ্র্ বিমোচন ও শিক্ষা বিস্তারে জেছিস উজ্জ্বল ভূমিকা রেখে চলেছে। জৈন্তাপুর ছিন্নমূল সংস্থা দরিদ্র শ্রেণী বিশেষত চা বাগানের ক্ষুদ্র নৃতাত্তি¡কগোষ্ঠীর জন্য সংস্থাটি কাজ করছে। ।বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য জেছিসের গুরুত্ব অপরিসীম। আমরা মনে করি সিলেট ধনী এলাকা তা বাস্তবে দেখা যায় সেখানেও গরীব, অসহায় লোকজন আছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি অবস্থা দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিশ্র“তি ছিল বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে তারই ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন জাতির জনরে কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। দেশ এখন দিন দিন উন্নতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তারই পাশাপাশি যে সমস্ত এনজিওগুলো দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। জৈন্তাপুর ছিন্নমূল সংস্থা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ক্ষুদ্র নৃতাত্তি¡কগোষ্ঠী ও বাঙালীদের স্বাস্থ্যসেবা, গাছের চারা বিতরণ, সবজি বীজ বিতরণ করে থাকে। জৈন্তাপুর ছিন্নমূল সংস্থার প্রকল্প হচ্ছে সমন্বিত ক্ষুদ্র নারী উদ্যোগ উন্নয়ন প্রকল্প। এটি চারিকাটা ইউনিয়নে গ্রহণ করা হয়েছিল অনেক বছর আগে আজ সময়ের পরিক্রমায় জেসিসের আওতায় সিলেট বিভাগে জুড়ে জণমকল্যাণে কাজ করছে এ সংস্থার মানুষ।
সকালে সময় : সিলেটে বিভাগে জিছিসের জীবন মান উন্নয়ন কর্মসূচি বহুল আলোচিত। এ ক্ষেত্রে কোনো গুণগত পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে কি?
এ.টি.এম বদরুল ইসলাম: সফলতার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে আমাদের চেষ্টা হবে সৃজনশীল। আমি মনে করি প্রতিটি মানুষের জীবন মান উন্নয়ন বাড়ানো গেলে আমরা একটি যোগ্য আগামী প্রজন্ম নিশ্চিত করতে পারব। আমরা চাই মানসম্মত সেবার মধ্য দিয়ে নেতৃত্বের গুণ, দক্ষতা, বিশ্লেষণী ক্ষমতার অধিকারী ও একটি মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন আগামী প্রজন্ম গড়ে উঠুক। বলা যায় শিক্ষাক্ষেত্রে আমরা এখন গুণগত মানের দিকে নজর দেব।
সকালের সময় : পরিবর্তিত পরিস্থিতি ও বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে জেছিস তার কর্মসূচিতে কি পরিবর্তন আনছে। বা আগামিতে কোনো ধরনের পরিবর্তন আসছে কি?
এ.টি.এম বদরুল ইসলাম: সরকারের দেয়া কর্মসূচির ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি মানবিক সেবা মূলক সংস্থা হিসেবে জেছিস এ সৃজনশীলতা আনা হচ্ছে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হচ্ছে দূর্নীতির সাহায্যনির্ভরতা থেকে বের হয়ে আসা। জাতিগতভাবে আমরা নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছি। আমাদের নিজেদের সক্ষমতা বেড়েছে। ফলে এখন আমাদের সাহায্যনির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার সময় হয়েছে।
সকালের সময়: আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রেক্ষাপট ও কার্যক্রম সম্পর্কে যদি কিছু বলতেন
এ.টি.এম বদরুল ইসলাম: বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা হিসাবে জেছিস শিক্ষা ও মানব সম্পদ উন্ন্য়নের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই জেছিস পরীক্ষামুলকভাবে সার্বজনিক প্রাথমিক শিক্ষা, প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলের ছাত্র/ছাত্রীদের ড্রপ-আউট কমানোর এবং শিক্ষা বিশেষ করে নারী শিক্ষা উন্নয়নের জন্য একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জন্মলগ্ন থেকেই সংস্থাটি দরিদ্র, অবহেলিত, দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পশ্চাদপদ জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তন আনয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই সংস্থার বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচী আছে যেমন অ-প্রাতিষ্ঠনিক শিশু শিক্ষা, কারিগরী প্রশিক্ষণ,স্বাস্থ্য উন্নয়ন সেবা, ত্রান ও পূনর্বাসন কার্যক্রম, মানবাধিকার ও সুশাসন, বৃত্তি প্রদান, ঋণ কার্যক্রম ও সচেতনতা সৃষ্টি উল্লেখযোগ্য।বেইস বর্তমানে সিলেটের প্রতিটি উপ জেলায় উল্লেখিত কার্যক্রম সমূহ সফলতার সাথে বাস্তবায়ন করে আসছে। জিছিসের এ দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বাংলাদেশ সরকার ও বিভিন্ন দাতা সংস্থার সহযোগিতায় বেশ কিছু পাইলট কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেছে, যা পরবর্তীতে সরকার কর্তৃক জাতীয় কর্মসূচীতে অন্তর্ভূক্ত করা সহ পাইলট কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেছে, সেগুলো হলো, প্রক-শৈশব উন্নয়ন, উন্নত চূলা, গণশিক্ষা, ম্যাচ বক্সের মাধ্যমে স্বাক্ষরতা ও অ-প্রাতিষ্ঠানিক খাতে শিক্ষানবিশী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ। জিছিস তার কর্ম উদ্দীপনায় প্রমাণ করেছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হয়েও সেবাব্রতী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ালে আস্থা ও ভালোবাসায় যে কর্মচাঞ্চল্য তৈরি হয় তা দেশ, সমাজ ও জাতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।বস্তুতঃ যুগোপযোগী কর্মকান্ডের মাধ্যমেই বর্তমান সরকারের ভিশন-২০২১ বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। একটি দেশ ও জাতির জন্য তা গর্বের বিষয়।
সকালের সময়: দারিদ্র্যবিমোচন, স্বাস্থ্য, শিক্ষাÍএসব খাতে সিলেট যথেষ্ট এগিয়েছে। দরিদ্র দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পরিচিতিও ঘুচেছে। এসব পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জেছিসের কাজ ও কর্মসূচির ক্ষেত্রে সামনে কোনো পরিবর্তন আসছে কি?
এ.টি.এম বদরুল ইসলাম: দেখুন, সরকারি বেসরকারি নানা উদ্যোগে বাংলাদেশ সত্যিই বদলে গেছে। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় আমরা ভালো করেছি। এখন এসডিজি বা টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রাগুলো বিবেচনায় নিয়ে এগোতে হবে। বর্তমান উন্নয়নকে মাথায় রেখে সামনে কী কী ক্ষেত্রে নজর দেওয়া উচিত, সেটাই এখন আমাদের বড় বিবেচনা। সামনের চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত ও সে অনুযায়ী কর্মসূচি নেওয়ার কাজটিই আমরা করছি। আমরা ২০৪‘ সাল পর্যন্ত আগামী চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় নিয়ে কর্মসূচিগুলো ঠিক করেছি। অর্থনৈতিকভাবে আমাদের পরিবর্তন হচ্ছে, আগামী দিনে ৬ থেকে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, প্রবৃদ্ধির এই সুফল সবাই পাবে কি? উন্নয়নের সুফল যাতে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া যায়, সেটা বিবেচনায় নিয়েই আমরা কর্মসূচিগুলো নির্ধারণ করার উদ্যোগ নিয়েছি।
সকালের সময় : আগামিতে জেছিস কোন কোন বিষয় প্রধান্য দিবে?
এ.টি.এম বদরুল ইসলাম: আমরা জানি যে জনসংখ্যার পরিবর্তন হবে। জনসংখ্যা বাড়বে। জনগোষ্ঠীর প্রায় ৫০ ভাগ সামনে শহরবাসী হবে। অন্যদিকে ২৫ থেকে ৪০ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীও হবে জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক। এই জনগোষ্ঠীকে কর্মক্ষম করা ও তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে আমাদের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেও দেখা দেবে নতুন চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে আজ বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে যে সম্মানজনক অবস্থায় এসে পৌঁছেছে, এর সুফল সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে পৌঁছাতে হলে অর্থনৈতিক কর্মকাÐে সবার অংশগ্রহণ ও যুক্ততা বাড়াতে

সকালের সময়: নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আমাদের করনীয় কি ?
এ.টি.এম বদরুল ইসলাম: নারী নির্যাতন রোধে কিছু মৌলিক কাজ আগে করতে হবে । এর মধ্যে নারী শিক্ষা, সমাজে নারীর সুষ্ঠ অধিকার নিশ্চিত, নারীর কর্মসংস্থান ইত্যাদি ।বাংলাদেশে নারী নির্যাতনের প্রধান কারণ গুলো হল- নারীর পরনির্ভরশীলতা, শিক্ষার অভাব, দুর্বল মনোভাব । একজন নারী যখন শিক্ষিত হবেন, কাজ করবেন তখন তিনি আর অন্যের উপর নির্ভরশীল থাকবেন না, নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হবেন । এছাড়া, পুরুষদের মাঝে নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার মনোভাব গড়ে উঠলে, এবং আইনের শাসন আরও কঠোর হলে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সম্ভব
সকালের সময়: দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশে কি বিরাট সাফল্য দেখছেন?
এ.টি.এম বদরুল ইসলাম: বিশ্বে এখন হতদরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৭৭ কোটি, যাদের দৈনিক আয় ১ দশমিক ৯০ ডলারের কম। তাদের মধ্যে ৫১ শতাংশ বা ৩৯ কোটির বাস সাব-সাহারা অঞ্চলে। আর ৩৪ শতাংশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে। বিশ্বব্যাংকের এই তথ্যের বিপরীত অবস্থানে রয়েছে এখন বাংলাদেশ। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, পাকিস্তান ও ভুটানের চেয়েও এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। ২০০৫ সালেও দেশে যেখানে অতিদরিদ্রের হার ছিল ৪৩ শতাংশ, দশ বছরের ব্যবধানে তা কমে ১২ দশমিক ৯ শতাংশে নেমে এসেছে। বিশ্বের খুব কম দেশই এ সাফল্য দেখাতে পেরেছে। ফলে বর্তমান বিশ্বে বাংলাদেশ এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
সকালের সময় : দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে জেছিসের কর্মসূচিতে কোনো পরিবর্তন দেখছেন?
এ.টি.এম বদরুল ইসলাম: বাংলাদেশে এনজিওর প্রয়োজন ফুরাবে নাজেছিসের অর্জিত ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে সিলেট বিভাগ কে দারিদ্র্যমুক্ত করার কর্মসূচির ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখা হবে। আমাদের কর্মসূচির মাধ্যমে ইতিমধ্যে শতশত লোককে চরম দারিদ্র্য অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটানো গেছে। নানা ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাÐে অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে অতিদরিদ্রদের অবস্থানের উন্নয়ন ঘটানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। মূলধন ও ঋণসহায়তা এবং বিমার মতো কর্মসূচি নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। মূল কথা হচ্ছে, অর্থনৈতিক কর্মকাÐে দরিদ্র জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানো। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর দিনে দিনে আমাদের উন্নয়নের এবং সমৃদ্ধির গতিপথ বদলেছে। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে উঠেছে আরো আগেই। এ দেশের মানুষের প্রাণশক্তি অনেক বেশি, তারাই অর্থনীতির চালিকাশক্তি সার্বিক দারিদ্র্য বিমোচনে এনজিও, সুশীল সমাজের ভূমিকাও আছে। অর্থনৈতিক উন্নতির কারণেই চরম দরিদ্রের সংখ্যা কমেছে। এত সমৃদ্ধির ও উন্নয়নের পরে দেশে এখনো প্রায় দুই কোটি মানুষ চরম দরিদ্র। সংখ্যার দিক থেকে এটি অনেক বেশি। বাংলাদেশ থেকে দারিদ্র্য বিদায় নিয়েছে, তেমন দাবি করার সময় আসতে আরো অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে। দারিদ্র্য সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে- এটা ভাবলে হবে না। তবে দারিদ্র্যের চেহারাও বদলেছে। নগর দারিদ্র্য বেড়েছে, যা নতুন এক চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়া বৈষম্যও জোরালো হয়েছে।
সকালের সময়: নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আমাদের করনীয় কি ?
এ.টি.এম বদরুল ইসলাম: নারী নির্যাতন রোধে কিছু মৌলিক কাজ আগে করতে হবে । এর মধ্যে নারী শিক্ষা, সমাজে নারীর সুষ্ঠ অধিকার নিশ্চিত, নারীর কর্মসংস্থান ইত্যাদি । বাংলাদেশে নারী নির্যাতনের প্রধান কারণ গুলো হল- নারীর পরনির্ভরশীলতা, শিক্ষার অভাব, দুর্বল মনোভাব । একজন নারী যখন শিক্ষিত হবেন, কাজ করবেন তখন তিনি আর অন্যের উপর নির্ভরশীল থাকবেন না, নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হবেন । এছাড়া, পুরুষদের মাঝে নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার মনোভাব গড়ে উঠলে, এবং আইনের শাসন আরও কঠোর হলে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সম্ভব
সকালের সময় : অর্থনৈতিক বৈষম্যের পাশাপাশি নারী-পুরুষের বৈষম্য বাংলাদেশের বড় সমস্যা। নতুন পরিকল্পনায় জেছিস এই বৈষম্য দূর করার ক্ষেত্রে কর্মসূচির ধারাবাহিকতা রক্ষা করবে কি?
এ.টি.এম বদরুল ইসলাম: জেন্ডার-বৈষম্য দূর করার ক্ষেত্রে জেসছস শুরু থেকেই কাজ করে আসছে এবং এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। সকল পর্যায়ে এই বৈষম্য দূর করার জন্য কর্মসূচি থাকছে। শ্রমক্ষেত্রে নারী-পুরুষের বেতনের সমতা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে নারীর ভূমিকা বাড়ানো, পুষ্টিক্ষেত্রে সমতাÍএগুলো সবই আমাদের স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সব কর্মসূচির মাধ্যমে বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সকালের সময় : বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বাংলাদেশে আইন থাকলেও প্রয়োগ নেই? এক্ষেত্রে জেছিসের ভুমিকা কি?
এ.টি.এম বদরুল ইসলাম: বাল্যবিবাহ বন্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তলতে জেছিস েি¯øট গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। আসলে বাল্য বিবাহ একটি সামাজিক অভিশাপ । এর ফলে সম্ভাবনাময় কিশোর কিশোরীদের বেড়ে উঠা ও বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। বিয়ে মানুষের জীবনে একটি আনন্দময় ঘটনা, সেই সঙ্গে পরিবার ও শুভানওধ্যায়ীদের জন্য একটি উৎসবের উপলক্ষ্য হলেও বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে ঘটনাটি বেদনা ও তিক্ততার । কেননা বাল্য বিবাহ কোনো জীবনের শুভ সূচনা করে না, বরং একটি সর্বনাশা পরিণতি ডেকে আনে । অবুঝ মেয়ে শিশু বা অসহায় কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনেক সময় জোড় করেই বাল্য বিবাহ দেয়া হয়। এ কারণে বাল্যবিবাহ মানে শিশু, বিশেষ করে ময়ে শিশুর মানবাধিকার লঙ্ঘন। বাল্যবিবাহের ফলে ছেলে বা মেয়ের সুন্দর শৈশবের সমপাপ্তি ঘটে এবং তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, বিকাশের অধিকার ও সুয়োগ খর্ব হয়।
সকালের সময়: ধন্যবাদ আপনাকে
এ.টি.এম বদরুল ইসলাম: ধন্যবাদ আপনাকে ও সকালের সময় কে

 

এ.টি.এম বদরুল ইসলাম 

নির্বাহী প্রধান জৈন্তিয়া ছিন্নমূল সংস্থা(জেছিস)

মধ্যরাতেও জনসেবায় ব্যস্ত আইনমন্ত্রী
                                  

মো. নূর হাকিম: সম্পূর্ণ প্রচার বিমুখ সদা হাস্যোজ্জল প্রধানমন্ত্রীর আস্থাভাজন বিভিন্ন পরীক্ষায় পরিক্ষীত দেশের সংকট মুহুর্তে অবিচল আস্থার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন আইন মন্ত্রণালয়ে নিয়োজিত মন্ত্রী এ্যাড. আনিসুল হক। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা, জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলার রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌসুলী, কসবা আখাউড়া থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সংবিধান প্রনেতা, বিশিষ্ট আইনজীবী মরহুম সিরাজুল হক বাচ্চু মিয়ার যোগ্য সন্তান বর্তমান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। আনিসুল হক তার যোগ্যতা ও কর্মদিয়ে এলাকাবাসীসহ সকল শ্রেণির মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার পক্ষ থেকে সোমবার রাত ১১টার সময় মন্ত্রীর গুলশানস্থ বাসায় গিয়ে দেখা যায়, চলমান শীতের মধ্যেও প্রায় ১০০ জনের বেশি লোক তার অপেক্ষায় আছেন। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ছাড়াও এলাকার নেতা কর্মীরা নানা সমস্যাসহ সাহায্য প্রাপ্তির আশা নিয়েও মন্ত্রীর বাসায় আবস্থান করছেন। এ ব্যাপারে সকালের সময়ের পক্ষ থেকে উপস্থিত কয়েক জনকে মন্ত্রীর বাসায় আসার কারণ জানতে চাইলে ইকবাল ভুইয়া, তানিয়া আক্তার ও সোহেল জানান, আমরা স্কুলে কলেজ, রাস্তাঘাট, এলাকার মসজিদ মাদ্রাসাসহ উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড ও নানা সমস্যা নিয়ে এখানে আসলে মন্ত্রী মহোদয় অত্যন্ত মনোযোগের সঙ্গে আমাদের কথা শুনেন এবং তা কিভাবে করা যায় তা জেনে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

আইনমন্ত্রীর গুলশানস্থ বাসায় সোম, মঙ্গল ও বুধবার সাক্ষাৎ ছাড়াও মন্ত্রীর এপিএসের সঙ্গে সার্বক্ষণিক এলাকার লোকজন যোগাযোগ করে তাদের দাবী দাবা পেশ করেন। তাছাড়া মন্ত্রী তার নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই তিনি ১০ সহাস্রাধিক লোকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পাশাপাশি এ পর্যন্ত তিনি তার এলাকার প্রায় ৮ সহাস্রাধিক লোকের বিভিন্ন পেশায় চাকরি দিয়েছেন। এটা তার একটি বিরাট সফলতা। এছাড়া তিনি এলাকার রাস্তার মোড়ে পবিত্র কোরআন শরীফের ভাস্কর্য দিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রসংসা কুড়িয়েছেন। এ সকল বিভিন্ন কর্মকান্ডে এলাকার সাধারণ জনগণ তার প্রতি কৃতজ্ঞ।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিনানতি ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড. মো. ইকবাল হোসেন বলেন, মন্ত্রী মহোদয় সরাসরি জনগণের কথা শোনেন এবং সমাধানের চেষ্টা করেন। তিনি আরও বলেন, এই শীতে মন্ত্রী মহোদয় প্রায় ৬৫ হাজার শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন। তার এসব জনসুলভ কার্যক্রমে এলাকাবাসী তার উপর দারুন খুশি এবং আগামি নির্বাচনে তাকে নিয়েই তাদের একমাত্র ভাবনা।

শীতে আমার ভিডিও বেশি করে দেখুন : হিরো আলম
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : শীতে ক্রমেই বাড়ছে। এমতাবস্থায় শীতের স্পেশাল গরম গরম কাল্পনিক সাক্ষাৎকার নিতে আমরা গিয়েছিলাম হিরো আলমের কাছে। প্রিয় পাঠক, আসুন সময় নষ্ট না করে সাক্ষাৎকার পড়ে নিই।

হাস্যরস : কেমন আছেন হিরো দাদা?
হিরো আলম : ধন্যবাদ।
হাস্যরস : ধন্যবাদ কেন?
হিরো আলম : আসলে আমাকে কেউ দাদা বলে সম্বোধন করলে নিজেকে কলকাতার হিরো আলম মনে হয়।
হাস্যরস : বাংলাদেশের হিরো আলম হয়ে খুশি নয়?
হিরো আলম : অবশ্যই খুশি। তবে বাংলাদেশকে আমার দেওয়ার মতো আর কিছু নাই। এখন কলকাতাকেও কিছু দিতে চাই। সত্যি কথা বলতে শিল্পীদের কোনো দেশ নাই।
হাস্যরস : সব কিছু বুঝলাম।কিন্তু কলকাতাকে আপনি ঠিক কী দিতে চাচ্ছেন?
হিরো আলম : দেখেন আমি চলচ্চিত্রকে শিল্প হিসেবে দেখি, ব্যবসা হিসেবে নয়।তাই আমার সব কিছু ইউটিউবে ফ্রি পাওয়া যায়। আমি চাই কলকাতার জন্য মুভি বানাব। তারা যাতে ইউটিউবে ফ্রি দেখতে পায়।
হাস্যরস : কিন্তু ইউটিউবে কিছু দেখতে ইন্টারনেট কানেকশন লাগে। তার জন্য টাকা দরকার।
হিরো আলম : ব্যাপার না।আমার ওয়াইফাই পাস ওয়ার্ড দিয়ে দিব।
হাস্যরস : তো দেশে এখন প্রচণ্ড শীত। তো শীতে গরম হতে আপনার কোনো টিপস আছে?
হিরো আলম : শীতে আমার ভিডিও বেশি করে দেখুন,গরম হয়ে যাবেন।

সৈয়দ হক ছিলেন আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী : আসাদ চৌধুরী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের ৮২তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ছোটগল্প, কবিতা, উপন্যাস, কাব্যনাট্য, শিশুসাহিত্য, নাটক, গান, প্রবন্ধ সহ সাহিত্যের সব শাখায় তার বিচরণ। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ‘নিষিদ্ধ লোবান’ খেলা রাম খেলে যা, নীল দংশন, পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, নুরলদীনের সারাজীবন, পরানের গহীন ভেতর, প্রভৃতি।

বাংলা সাহিত্যে অনবদ্য অবদানের জন্য তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান। এছাড়া তিনি একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

সৈয়দ হকের ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বিশিষ্ট কবি আসাদ চৌধুরী বলেন, ‘পদাবলী’করতে গিয়ে তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তিনি চমৎকার ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। বরাবরই আমার তাকে একটু বেশি স্মার্ট মনে হয়েছে। কবি-সাহিত্যিকদের মধ্যে এমন স্মার্ট ব্যক্তি আমার চোখে আর পড়েনি। সৈয়দ হক আমার থেকে আট বছরের বড়। তবে তার সঙ্গে আমার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তাকে ঘিরে আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে।কথাগুলো বলতে বলতে অনেকটা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন আসাদ চৌধুরী। তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সিনিয়র সহ-সম্পাদক দীপংকর দীপক।

সৈয়দ হকের সঙ্গে আপনার প্রথম দেখা হওয়ার ঘটনাটা জানতেই চাই ?
আসাদ চৌধুরী : প্রথম কবে দেখা হয়েছিল, তা সঠিকভাবে বলতে পারব না। অনেক দিন আগের কথা তো, তাই মনে করতে পারছি না। তবে বাংলাবাজারের বিউটি বোর্ডিং ও গুলিস্তানের লা সানিতে তাকে বেশ কয়েকবার দেখেছিলাম। প্রথমে সাহস করে কথা বলিনি। তবে ওই সময় তার বেশ ক’টি উপন্যাস আমার পড়া হয়ে গেছে। তার লেখা কয়েকটি নাটকও দেখেছি। কাব্যনাট্য রচনার ক্ষেত্রে তিনি সিদ্ধহস্ত ছিলেন। রবীন্দ্রনাথের পর আর এমন করে কেউ কাব্যনাট্য লিখেছেন কি না, আমার জানা নেই।

সাহিত্যিক হিসেবে সৈয়দ হককে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন ?
আসাদ চৌধুরী : হক সাহেব আমার কাছে এক বিস্ময়। তার ‘তাস’ আর ‘রক্তগোলাপ’ আমাকে বিমুগ্ধ করেছে। ছাত্রজীবনে তার গল্প বলার ঢং ও গদ্যশৈলী আমাকে কাবু করে ফেলেছিল। এর অনেক পরে বীরশ্রেষ্ঠদের নিয়ে তথ্যচিত্রে তার সঙ্গে কণ্ঠদানের সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছিলাম।

তার কোন গুণটি আপনাকে সবচেয়ে বেশি অভিভূত করেছে ?
আসাদ চৌধুরী : তিনি বহুগুণের অধিকারী ছিলেন। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক, গান- সব ক্ষেত্রেই পারদর্শীতার পরিচয় দিয়েছেন। চ্যানেল আইয়ের একটি অনুষ্ঠানে তিনি তার কবিতার খাতা থেকে একটি কবিতা শুনিয়েছিলেন। দেশের যে ক’জন কবির কবিতা আমার ভালো লাগত, তিনি তাদেরই একজন। রেডিও-টেলিভিশনে বা কবিতাপাঠের আসরে তার সঙ্গে কবিতা পড়া আমার একটা চমৎকার অভিজ্ঞতা। ছন্দ নিয়ে, শব্দ নিয়ে, আঞ্চলিক শব্দকে মুক্তি দিতে তার ঈর্ষণীয় সাফল্য আমাকে বারবার বিস্মিত করেছে। অপর দিকে দেশ-সমাজ ও সময় সম্পর্কে তার গভীর ধারণা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আঞ্চলিক ক্রিয়াপদের চমৎকার ব্যবহার শুধু কাব্যনাট্যেই নয়; কোনো কোনো কবিতায় অত্যন্ত সচেতনভাবেই ব্যবহার করেছেন তিনি।

ব্যক্তিত্বের দিক থেকে তাকে আপনার কেমন মানুষ মনে হয়েছে ?
আসাদ চৌধুরী : সৈয়দ হক চমৎকার ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ ছিলেন। আমার দৃষ্টিতে তিনি একটু বেশিই স্মার্ট ছিলেন। কবি-সাহিত্যিকদের মধ্যে এমন স্মার্ট ব্যক্তি আমার চোখে পড়েনি। স্ত্রীকে খুব ভালোবাসতেন। দু’জনে প্রায় প্রতিটি অনুষ্ঠানেই একসঙ্গে যেতেন। তাছাড়া তিনি লেখালেখিকে ধ্যান-জ্ঞান মনে করতেন। এটা আমার খুব ভালো লাগতো। অসুস্থ অবস্থায়ও তিনি কবিতা লিখে গেছেন। হাসপাতালে বসেই ২০০ কবিতা, ৪টি গল্প, ৪টি গান লিখেছেন। বাংলা সাহিত্যে তার অবদানের কথা বলে শেষ করা যাবে না।

সৈয়দ হকের নাটক সব সময় আপনাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। এর পেছনের কারণ কী?
আসাদ চৌধুরী : হক সাহেব যে একজন সুদক্ষ লেখক ছিলেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তার লেখা ছিল জীবনমুখী। ব্রেখট-মলিয়রের পরেই আমি সৈয়দ শামসুল হকের ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ ও ‘নূরলদীনের সারা জীবন’ নাটক দুটির কথা সবাইকে বলতাম। এই দুটি নাটক বাংলা সাহিত্যে ইতিহাস হয়ে থাকবে। সবমিলিয়ে বাংলা সাহিত্যে তিনি অমর হয়ে থাকবেন।

সৈয়দ শামসুল হক অনুবাদেও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে আপনার অভিমত জানতে চাই।
আসাদ চৌধুরী : মৌলিক সাহিত্যের পাশাপাশি অনুবাদেও তিনি দক্ষ ছিলেন। বাংলাদেশে যে কজনের অনুবাদ আমি অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে পাঠ করি, তিনি তাদেরই একজন। ভাবতে ভালো লাগে, ভাষার ব্যাপারে তার তেমন অ্যালার্জি ছিল না। হিন্দি, উর্দু ভাষায়ও তার ভালো দখল ছিল। শেক্সপিয়রের বেশ কয়েকটি নাটক তিনি অনুবাদ করেছেন। তার লেখা ম্যাকবেথ দেখে আমি অভিভূত হয়েছিলাম।

নেপালের নির্বাচন জনগণের হাতেই: ড. আয়োধী প্রসাদ যাদব
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মূল কারণ হলো, নির্বাচিত সংবিধান সভার দ্বারা নেপালে নতুন সংবিধান কার্যকর করা হয়েছে। এর জন্য সংবিধান সভার প্রতিনিধি নির্বাচন করতে হয়েছে। এই প্রথম নেপালে নির্বাচিত সংবিধান সভার প্রতিনিধিদের দ্বারা সংবিধান প্রণয়ন ও কার্যকর করা হলো।

সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্র পুনর্গঠন করার বাধ্যবাধকতা ছিল। আর তা অবশ্যই ২০১৮ সালের ২১ জানুয়ারির আগেই অনুষ্ঠিত হতে হবে। তা পূরণে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, প্রাদেশিক সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি নির্বাচন করা হচ্ছে। প্রতিটি নির্বাচন একে অন্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। স্থানীয় নির্বাচনে চেয়ারম্যান এবং মেয়র ও ভাইস মেয়র নির্বাচত হন। প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত সদস্যরা প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত করবেন। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা থেকে নির্বাচিত হবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী।

গত দুই দশকে নেপালে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়নি। নির্বাচন কমিশন এত সব চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই সব সম্পন্ন করছে। তাই এটা আমাদের নির্বাচনী উৎসবের বছর। ২০ বছর পর ১৮ দিনের মধ্যে আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করেছি। এর দুই মাস পর প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন হচ্ছে। চিন্তা করা যায়?

নেপালে এখন দুটি কর্তৃপক্ষ: নির্বাচনকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আপনি কি নির্বাচন আয়োজনের বেলায় কোনো টানাপোড়েন বা বাধার সামনে পড়েছেন?

আয়োধী প্রসাদ : এটা খুবই স্বাভাবিক যে নির্বাচনের সময় সংঘাত ও ভুল–বোঝাবুঝি হবে। কিন্তু আমাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জায়গা থেকে দেখলে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে সম্পর্ক খুব ভালো। আমাদের আর্থিকসহ অন্য যা যা সাহায্য দরকার, তা পাচ্ছি। নিরাপত্তা পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখায়ও সরকার সহযোগিতা করছে। ২০১৩ সালের সংবিধান সভা নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তৎকালীন দায়িত্বরত প্রধান বিচারপতি ছিলেন সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু নতুন সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোনো বিধান নেই। এখন রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সরকার চালাবে। এবার এই সরকারে অংশ নিয়েছে চারটি প্রধান দল। ক্ষমতাসীন কংগ্রেস দল, মাওবাদী দল এবং আরপিপি ও আরপিপি (ডেমোক্রেটিক)। যদিও মাওবাদী মন্ত্রীরা দপ্তরহীন মন্ত্রী হিসেবে থাকছেন।

কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউএমএল) থাকছে বিরোধী দলে। সবার সঙ্গে কথা বলেই নিরপেক্ষভাবে আমরা কাজ করছি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটদানের হার ছিল ৭৫ শতাংশ। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বলছে, এবারের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের প্রথম দফায় ভোট দিয়েছেন ৬৫ শতাংশ। কম ভোট পড়ার কারণ কী?

আয়োধী প্রসাদ: ৬৫ শতাংশও কিন্তু খুবই উৎসাহব্যঞ্জক। ভোট কিছু কম পড়ার প্রধান কারণ হলো প্রতিকূল আবহাওয়া এবং ভৌগোলিক অবস্থা। পাহাড়ি অঞ্চলে এখন খুব শীত পড়েছে। ভোটকেন্দ্রগুলো অনেক দূরে দূরে অবস্থিত। এ রকম কঠিন শীতে অনেকের পক্ষেই দূর-দূরান্তের ভোটকেন্দ্রে আসা সম্ভব হয়নি। দ্বিতীয়ত, অনেকেই কাজের সন্ধানে ভারতসহ বিভিন্ন দেশে চলে গেছেন। এটাও একটা কারণ।

নিয়ম অনুসারে প্রথম দফা ভোটের ব্যালট বাক্সগুলো খোলা ও গণনা করা হবে ৭ ডিসেম্বর দ্বিতীয় পর্বের ভোট গ্রহণের পর। দূর-দূরান্তের এবং প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে ব্যালট বাক্সগুলো ১০ দিন নিরাপদ থাকবে কী করে?

আয়োধী প্রসাদ: সব ব্যালট বাক্স সংগ্রহ করে জেলা সদরে ওই জেলার প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তার হেফাজতে নিরাপদে রাখা হচ্ছে। এসবের নিরাপত্তার ব্যাপারে আমরা রাজধানী ও জেলা পর্যায়ে রাজনৈতিক সমঝোতা ও ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি যে কেউ কোনো ।‌ ব্যঘাত ঘটাবে না। সরকার, রাজনৈতিক দলগুলো ও নিরাপত্তা বাহিনী যৌথভাবে পাহারা দিচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের জন্য এবার বিশেষভাবে লক্ষণীয় বিষয় হলো, সব সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। এ জন্যই সবার সহযোগিতায় ব্যালট বাক্সের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা আত্মবিশ্বাসী।

কিন্তু অনেকে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে সংঘাতের আশঙ্কা করছেন।

আয়োধী প্রসাদ: স্থানীয় নির্বাচনও দুই দফায় অনুষ্ঠিত হয়, কিন্তু কোনো সহিংসতা, মারামারি, ব্যালট বাক্স ছিনতাই—এসব কিছুই হয়নি। জাতীয় ও প্রাদেশিক নির্বাচনের প্রথম দফাও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। চূড়ান্ত পর্যায়েও তেমনটাই হবে।


কিন্তু গত এক সপ্তাহে ৩০টিরও বেশি জায়গায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

আয়োধী প্রসাদ: কিছু আন্ডারগ্রাউন্ড রাজনৈতিক গোষ্ঠী কিছু কিছু জায়গায় হুমকি সৃষ্টি করতে চাইছে। কিন্তু আমাদের নির্বাচনী আয়োজন কিংবা নির্বাচনী কর্মকর্তা, ভোটার কিংবা রাজনৈতিক দলগুলোকে বাধাগ্রস্ত করার ক্ষমতা তাদের নেই। তাদের এসব কার্যকলাপের পরও কিন্তু ৬৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। ২০০৮ ও ২০১৩ সালে নিরাপত্তা পরিস্থিতি ভয়ানক খারাপ ছিল। তার থেকে এখনকার অবস্থা অনেক ভালো। সবচেয়ে বড় কথা, ভোটাররা নির্বাচনের মালিকানা হাতে নিয়েছেন। একে ব্যাহত করা কারও পক্ষে সম্ভব হবে না।

আপনার দায়িত্বের মেয়াদে কতটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে?

আয়োধী প্রসাদ: আমি ১১ বছর ধরে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে কাজ করছি। ২০০৮ ও ২০১৩ সালের দুটি জাতীয় নির্বাচন করেছি কমিশনার হিসেবে এবং এবার থাকছি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে। আমি বলব, এবারের স্থানীয়, জাতীয় ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন আগের সব নির্বাচনের চেয়ে অনেক বেশি সফল। আমার ও আমার সহকর্মীদের জন্য এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে শেষ করায় আমরা বদ্ধপরিকর।

অভিযোগ আছে, রাজনৈতিক দলগুলো মাফিয়া, কালোটাকার মালিক ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মনোনয়ন দিয়েছে। নির্বাচনী ব্যয়ও আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী?

আয়োধী প্রসাদ: রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে তাদের প্রার্থী হিসেবে কাদের মনোনয়ন দেবে, সেটা তাদের বিষয়। কিন্তু সেটা অবশ্যই আইনি বাধ্যবাধকতা ও সংবিধানের নির্দেশিত শর্তেই হতে হবে। গণতন্ত্রে এ ধরনের অভিযোগ ওঠে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রার্থীদের একেবারে আটকে দেওয়া সম্ভব হয় না। তখন জনগণের ওপর দায়িত্ব বর্তায় তাঁদের ভোট না দেওয়ার। আমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো নিরপেক্ষ, মুক্ত ও নিরাপদভাবে নির্বাচনের আয়োজন করা। এবার আমরা দুর্নীতির অভিযোগে দুজন প্রভাবশালী প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছি।

নেপালের নির্বাচন কমিশনের ৬৬টি বছরের ইতিহাসের অর্জন সম্পর্কে বলুন।

১৯৫০ সাল থেকে নেপালি জনগণ সংবিধান সভা ও সংসদীয় গণতন্ত্রের অধীনে নির্বাচনের দাবি করে আসছে। ১৯৫১ সালে নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠিত হলেও নানা বাধাবিপত্তি পেরিয়ে এবারই প্রথম সেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে নেপাল রাজতান্ত্রিক, কেন্দ্রীভূত ও হিন্দু রাষ্ট্র থেকে প্রজাতান্ত্রিক, ফেডারেল ও সেক্যুলার রাষ্ট্রে পরিণত হলো। এই দীর্ঘ যাত্রায় অনেক প্রাণহানি হয়েছে, জনগণ অনেক দুর্ভোগ সয়েছে। রাজারা বারবার জনগণের আকাঙ্ক্ষা দমন করেছেন। নেপালের জনগণ এবার তাদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের সুযোগ পেল। এটাই নিয়মিত নির্বাচনের শুরু। এটাই সবচেয়ে উজ্জ্বল বিষয়। এই নির্বাচনের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে, তারা পূর্ণ মেয়াদে দেশ পরিচালনা করবে, এই আশা করি।

নেপালি জনগণ সম্পর্কে কিছু বলুন।

আয়োধী প্রসাদ: নেপাল অনেক জাতি-গোষ্ঠী-সম্প্রদায়ে বিভক্ত। এত বৈচিত্র্য সত্ত্বেও জনগণ ঐক্যবদ্ধ। আমাদের জনগণ তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে খুবই সজাগ। এই নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা যাচ্ছে, কারণ নির্বাচন কমিশনের প্রতি তাদের আস্থা অগাধ। আমার প্রতিও তারা আস্থাশীল। গত তিন মাসে প্রতিদিন সকালে টিভি ও রেডিওর মাধ্যমে আমার বার্তা জনগণের কাছে গেছে। সেটা রাজনৈতিক দলগুলো, প্রার্থী ও ভোটারদের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে বলে আমার বিশ্বাস। রাজনৈতিক দলগুলোও বিবাদ বন্ধ করে সংবিধান রচনা, গণতন্ত্রকে এগিয়ে নেওয়া এবং নির্বাচন সুষ্ঠু করায় একযোগে কাজ করছে। নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার জন্য তাদেরও ধন্যবাদ জানাতে হবে।

প্রধান বিচারপতিকে সরকার চাপের মুখে পদত্যাগে বাধ্য করেছে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার প্রধান সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, প্রধান বিচারপতি এস. কে সিনহাকে সরকার চাপের মুখে পদত্যাগে বাধ্য করেছে। এতে দেশবাসীর মনে কোনো সন্দেহ নেই। শুক্রবার একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে এসব কথা বলেন।

সাইফুল হক বলেন, উচ্চ আদালতের রায়কে কেন্দ্র করে যেভাবে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে কুৎসা, চরিত্র হনন, কথিত দুর্নীতির মামলা দায়ের এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মধ্যদিয়ে প্রথমে তাকে ছুটি নিতে ও পরবর্তীতে পদত্যাগে বাধ্য করা হলো, তা দেশের বিচার ব্যবস্থায় এক নজীরবিহীন ঘটনা। এই ঘটনার মধ্যদিয়ে বিচার বিভাগের অবশিষ্ট স্বাধীনতা যেমন কেড়ে নেওয়া হলো-এর পাশাপাশি বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থাও নষ্ট হলো।

তিনি বলেন, এই ধরণের অশুভ তৎপরতার মধ্যদিয়ে বিচার বিভাগ কার্যত সরকার তথা নির্বাহী বিভাগেরই অধিন্যাস্ত করা হলো। এই সমগ্র ঘটনা সরকারের চরম অসহিষ্ণু, অগতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী চরিত্রেরই বহি:প্রকাশ। এটা বাংলাদেশে আগামী দিনগুলোতে স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদের বিপদ আরো বাড়িয়ে দেবে। বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকটকে অনেকাংশে বাড়িয়ে তুলবে এবং দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেবে।

বিশেষ সাক্ষাৎকারে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত
                                  


মো : নূর হাকিম : রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। মানবতার মা বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বহু সমস্যার মধ্যে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে দেশ-বিদেশে যে প্রশংসা পেয়েছেন তা ইতিহাস হয়ে থাকবে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান।
গতকাল সোমবার দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।  
শাজাহান খান নৌ-পরিবহন মন্ত্রালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। তিনি দুইবার এই মন্ত্রালয়ে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। তিনি মাদারীপুরের সন্তান এবং কয়েকবার নির্বাচিত এমপি। তিনি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে একজন ভাল মানুষ হিসেবে সুপরিচিত। নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কথা শুনে তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা ও হাসিমুখে সবার সঙ্গে উত্তম আচরণ করার জন্য তার প্রসংসা সর্বাজ্ঞে। এতে দিন দিন তার ভক্তের সংখ্যাও বাড়ছে। সরকারের বিভিন্ন সংকটময় মুহুর্তে শাজাহান খান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে যে ভূমিকা পালন করেছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তার কাজের কারণেই নৌ-পরিবহনমন্ত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একজন আস্হাভাজন ও বিশ্ব¯’ সহচর। রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা অত্যন্ত প্রকট। বাংলাদেশের বিভিন্ন আর্থ- সামাজিক সমস্যা, সাম্প্রতিক কালের বন্যায় ফসলী জমির ব্যাপক ক্ষতির কারণে কিছুটা সমস্যায় পড়েছে দেশ। এর পর আবার যোগ হয়েছে রোহিঙ্গা সরণার্থীর প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ। এদের আশ্রয় ও তাদের সব ধরণের মানবিক চাহিদা পূরণ করে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যে মহানুভবতার পরিচয় দিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রশংসা পেয়েছেন, বিশ্বের ইতিহাসে তা বিরল, যা কিয়ামত পর্যন্ত স্হান লাভ করবে।
নৌ-পরিবহনমন্ত্রী ও সকালের সময়ের প্রশ্ন উত্তরপর্ব প্রকাশ করা হলো-
সকালের সময় : রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে সরকারের  ভূমিকার কথা বলুন।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী : রোহিঙ্গা ইস্যু আমাদের জন্য বড় একটি সমস্যা। জনবহুল উন্নয়নশীল দেশের জন্য লাখ লাখ রোহিঙ্গা আমাদের দেশে আশ্রয় ও খাদ্য সরবরাহ করা এর মত কঠিন কাজ আছে বলে আমার জানা নেই। তারপরও মানবতার মা বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বহু সমস্যার মধ্যে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে দেশ-বিদেশ যে প্রশংসা পেয়েছেন তা ইতিহাস হয়ে থাকবে।
সকালের সময় : রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে কি ভাবছেন ?
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী : নিশ্চয় রোহিঙ্গাদের ফেরত যেতে হবে তা সময়ের ব্যাপার। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে নিয়মিত অধিবেশনে জোরালো বক্তব্যের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের কথা তুলে ধরেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বিশ্ব বিবেকের সাড়া নিশ্চয় আমরা পাব। মিয়ানমার সরকারের উচিত রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়া। কারণ রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক।
সকালের সময় : রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেবার ক্ষেত্রে ভারত ও চীনের কাছে আপনি কি প্রত্যাশা করেন?
নৌ-পরিবহনমন্ত্রী : ভারত আমাদের প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্র, তারা মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা রেখেছিল। বর্তমানে যে কোনো সংকটে ভারত আমাদের পাশে থাকবে বলে আমি আশা করি। আর চীন আমাদের উন্নয়নের সহযোগী, সুতরাং চীনের উচিৎ রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে জোরালো ভূমিকা পালন করা এবং আমাদের পাশে থাকা।
সকালের সময় : রোহিঙ্গা সমস্যা, সম্প্রতি বন্যা সমস্যাসহ বিভিন্ন সমস্যার করাণে নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা?
নৌ-পরিবহনমন্ত্রী : দেখেন বিএনপির কাজ হচছে জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন সংকট তৈরি করা। কিছুদিন পূর্বে তারা বাসে আগুন দিয়ে নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে সরকারকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিš‘ সরকারের দুরদর্শিতার কারণে বিএনপি জামায়াত জোট সফল হয়নি। এখনো বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তারা সরকারকে বিপদে ফেলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিš‘ তারা তা পারবে না ইনশাল্লাহ্। রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে তারা ত্রাণের নামে নাটক সাজিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার অপচেষ্টা চালিয়ে ব্যার্থ হয়ে দেশ-বিদেশে এখন অপপ্রচার চালাচ্ছে। নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে। এ ব্যাপারে বিএনপির  কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না বলে মনে করেন তিনি।


নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ওসি সহিদ আলম বি.পি.এম
                                  


এস.এম.আর শহিদ: রাজধানী মিরপুরে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা রূপনগর থানা। বিগত সময়ে কিছুটা পুলিশের অপ্রতিকর ঘটনার মধ্যে দিয়ে গেলেও বর্তমানে আধার কাটিয়ে পূনরায় আইন শৃঙ্খলা এবং আমাদের পুলিশ প্রশাসনের সার্বিক ব্যবস্হাতাপনায় পরিচিতির প্রভূত উন্নয়ন হয়েছে। আর এর সুবিধা জনসাধারণ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন রূপনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ সহিদ আলম-বি.পি.এম। তিনি বলেন, আমাদের বর্তমান সরকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের সুযোগ্য কন্যা দেশরত জননেত্রী শেখ হাসিনা আইন শৃঙ্খলার উন্নয়ন চায়, আইনের শাসন  প্রতিষ্ঠা ও ন্যায় বিচারের মানদন্ডকে সমুন্নত করে জাতিকে সুশাসন উপহার দিতে চান। জনগণের সুখ, শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য আওয়ামী সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সরকার উগ্র মৌলবাদী জঙ্গী গোষ্টিকে নিমুল করে শান্তিময় সমাজ গঠনে ধর্ম নিরপেক্ষতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জিবিত হয়ে জাতিগত ঐক্য ও  সংহতি বজায় রাখার উপর জোর দিয়াছেন। সরকারের এসব শিক্ষাকে সামনে রেখেই কাজ করে যা”েছন রূপনগর থানার ওসি সৈয়দ সহিদ আলম-বি.পি.এম। তিনি  রূপনগর থানায় যোগদান করার পর থেকে তার চৌকস অফিসারদের নিয়ে রাত দিন নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ফলে অল্প দিনেই পাল্টে যায় রূপনগর থানার চিত্র। যার ফলে স্হানীয় থানা ও পুলিশ বিভাগের প্রতি জনগণের স্বস্তি ফিরে এসেছে ও বিশ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। ইতোপূর্বে আর কেউ এমন বিশ্বাস ও আস্হা অর্জন করতে সক্ষম হয়নি। এছাড়া তার কঠোর হস্তক্ষেপে তার থানাধীন মাদক সেবন ও বিক্রয় বন্ধ হয়েছে অনেকাংশে। রূপনগর থানা এলাকায় সোর্সদের দৌরাত্ব নিরশন করে এলাকাবাসির মাঝে স্বস্তি ফিরে এনেছেন।
সরেজমিনে জানা যায়, ওসি সহিদ নিজ উদ্যোগে তার থানাধীন বিভিন্ন ওলি-গলি, প্রত্যেক বাসায়-বাসায় গিয়ে ভাড়াটিয়া তথ্য হালনাগাদ ও জঙ্গি নিমূলের কাজ করছেন। বেড়িবাঁধ এলাকায় তার নিজ উদ্যোগে রোডের সাইডে যে সকল ঝোড়-জঙ্গল ছিল তা পরিস্কার করেছেন। ফলে ছিনতাই, ডাকাতি কমে গেছে।  তাছাড়া বেড়িবাধ এলাকায় সন্ধ্যার পরে সর্বক্ষনিক ৩টি টিম টহলের ব্যবস্হা রাখা হয়েছে। এসব উন্নয়ন মূলক কাজ ও তার আন্তরিকতা ও দক্ষতার কারণে রাষ্টীয় পদক পান। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন কাজে প্রায় ৬০-৭০টি পদক লাভ করেন। এ বিষয়ে ওসি সৈয়দ সহিদ-বি.পি.এম এর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, সন্ত্রাস দমন ছাড়াও আইন শৃঙ্খলার উন্নতি কল্পে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত নির্দেশনা মোতাবেক জিরো টলারেন্সে থাকবে। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মুলের বিষয়ে কি ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি সহিদ বলেন, সন্ত্রাস ও মাদক ব্যবসায়ীদের এবং জঙ্গিদের সাথে আমার কোনো আপোষ নেই। এর

   Page 1 of 1
     সাক্ষাৎকার
জনগণের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি: বাবুল শেখ
.............................................................................................
পরিকল্পিত উন্নয়নের বিকল্প নেই: অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক
.............................................................................................
বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তির বিপ্লব শুরু হয়েছে
.............................................................................................
দারিদ্র বিমোচন ও শিক্ষা বিস্তারে জেছিস উজ্জ্বল ভূমিকা রেখে চলেছে : এ.টি.এম বদরুল ইসলাম
.............................................................................................
মধ্যরাতেও জনসেবায় ব্যস্ত আইনমন্ত্রী
.............................................................................................
শীতে আমার ভিডিও বেশি করে দেখুন : হিরো আলম
.............................................................................................
সৈয়দ হক ছিলেন আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী : আসাদ চৌধুরী
.............................................................................................
নেপালের নির্বাচন জনগণের হাতেই: ড. আয়োধী প্রসাদ যাদব
.............................................................................................
প্রধান বিচারপতিকে সরকার চাপের মুখে পদত্যাগে বাধ্য করেছে
.............................................................................................
বিশেষ সাক্ষাৎকারে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত
.............................................................................................
নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ওসি সহিদ আলম বি.পি.এম
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD