ঢাকা,সোমবার,১২ আশ্বিন ১৪২৮,২৭,সেপ্টেম্বর,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক   > বাণিজ্য সম্প্রসারণে বৈশ্বিক ভিত্তি বঙ্গবন্ধুর তৈরি করা   > সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তাঁর স্ত্রীর বিচার শুরু   > করোনায় শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২১   > প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটনে অবস্থান করছেন   > একদিনে ৮০ লাখ ডোজ টিকা   > রাজবাড়ীতে জন্ম নিবন্ধন তৈরিতে নাজেহাল সনদ গ্রহিতারা   > গ্রাম ও শহরের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না : এমপি নয়ন   > সোনাইমুড়ীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন   > নন্দীগ্রামে ১৫ বছরেও চালু হয়নি হাসপাতাল  

   কৃষি সংবাদ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
দেশের সর্ববৃহত মাল্টা বাগান গড়ে উঠেছে পঞ্চগড়ে

পঞ্চগড় প্রতিনিধি : যতদুর চোখ যায় দেখা মেলে সুবিস্তৃত সারি সারি মালটা গাছ। এতবড় মালটা বাগান এর আগে কখনো দেখেনি এদেশের মানুষ। দেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে সম্প্রতি গড়ে উঠেছে দেশের সর্ববৃহত মাল্টা বাগানটি। সমতল ভূমিতে চা চাষে সফলতার পর বাণিজ্যিক ভাবে মাল্টা চাষেও এসেছে সফলতা। জেলার বোদা উপজেলার বেংহারী বনগ্রাম ইউনিয়নের টেকরাপাড়ায় সৈয়দ মাহফুজুর রহমান সেলিম ৬০ বিঘা জমি লিজ নিয়ে গড়ে তুলেছেন দেশসেরা এ মাল্টা বাগানটি। বাগানটি গড়ে উঠায় সৃস্টি হয়েছে কর্মসংস্থান। এদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, দেশের সর্ববৃহত মাল্টা বাগান, লেবু ফসলের সম্প্রসারন ব্যবস্থপনা প্রকল্পের আওতায় উৎপাদন বৃদ্ধি লক্ষে মাল্টা চাষে কৃষক উদ্বদ্ধ করা হচ্ছে। এবং কৃষকদের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতাও করা হচ্ছে।
দেশের সর্ববৃহত মাল্টা বাগান গড়ে উঠেছে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বেংহারী ইউনিয়নের টেকরাপাড়া এলাকায়। প্রায় দুই বছর আগে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার এক ব্যবসায়ী সৈয়দ মাহফুজুর রহমান সেলিম ৬০ বিঘা জমি লিজ নিয়ে এ বাগানটি গড়ে তোলেন। সাত হাজার চারশ গাছের এ মাল্টা বাগানটিতে এপর্যন্ত তার ব্যায় হয়েছে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা। কেবল শুধু মাল্টায় নয়, একই বাগানে মাল্টার পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে প্রায় দুই হাজার পেঁপে গাছ লাগিয়ে সাড়া জাগিয়েছেন এলাকায়। সঠিক ভাবে ফলন আসলে একই বাগান থেকে দ্বিগুন মুনাফার আশা করছেন তিনি। তবে এ বছরে তার বাগানে কিছু গাছে মাল্টার ফলন ধরলেও আগামি বছরে অন্যান্ন বাগানের মত ফুলে, ফলে ভড়ে যাবে এমনটি আশা করছেন তিনি। তবে সাথী ফসল হিসেবে পেঁপে প্রতিটি গাছে গাছে ভরপুর। এক একটি পেঁপেঁর ওজন দুই থেকে তিন কেজি। তবে সব ঠিক থাকলে এ বাগান থেকে মাল্টা ও সাথী ফসল পেঁপে বিক্রি করে প্রতি বছরে ৮৫ হাজার থেকে ১ কোটি টাকা আয়ের আশা করছেন তারা। আর এবাগানটি গড়ে উঠায় দূর হচ্ছে এলাকার বেকারত্ব, বাগান পরিচর্যার শ্রমিকরা জানান, প্রতিদিন আড়াই তিন’শ টাকা আয় রোজগার করে ছেলে মেয়ের লেখা পড়াসহ সংসারের খরচ যোগান হচ্ছে- এমনি ভাবে এই বাগানে কাজ করে শতাধিক পরিবার জীবিকা নির্বাহ করছে উদ্দ্যোক্তা সৈয়দ মাহফুজুর রহমান সেলিম মাল্টার পাশাপাশি বাড়তি লাভের আশায় সাথী ফসল হিসেবে একই সাথে চাষ করছেন, পেঁপেঁ, কমলা। তবে মাল্টা উৎপাদন খরজের ব্যয় যোগান দিতে আয়ের উৎস ও সহযোগি হিসেবে পেঁপেঁ চাষ করা হচ্ছে। তবে এবছরে মাল্টা থেকে আয় না হলেও পেঁপেঁ থেকে ২৫-৩০ লক্ষ টাকা আয় হতে পারে। সব ঠিক ঠাক থাকলে আগামি বছর থেকে ফলন বিক্রি করে প্রায় ১ কোটি টাকা আসবে বলে ধারনা করছেন বাগান মালিক। বেংহারী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন আবু জানান, দেশের সর্ববৃহত মাল্টাবাগান বাগানটি তার এলাকায় হওয়ায় প্রশংসা করে বলেন, দেশে এত বড় বাগান আর কোথাও নেই, বাগানটি সংরক্ষণ ও আরও সম্প্রসারনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। বোদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন-অর-রশিদ জানান এটা বাংলাদেশের সর্ববৃহত মাল্টা বাগান, ৬০ বিঘা জমির উপরে বাগানটি গড়ে তোলা হয়েছে।
এটি ছারাও জেলায় মোট ৮৫হেক্টর জমিতে মাল্টা চাষ হলেও এর মধ্যে বোদা উপজেলায় ৩৫ হেক্টর জমিতে ছোট বড় আরও বেশ কয়েকটি মাল্টা বাগান গড়ে উঠেছে। প্রতি কেজি মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১শ’ টাকায়, লেবু ফসলের সম্প্রসারন ব্যবস্থপনা প্রকল্পের আওতায় উৎপাদন বৃদ্ধি লক্ষে বানিজ্যিক ভাবে মাল্টা চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কৃষকদের মাল্টা চাষে উদ্বদ্ধ করাসহ তাদের পাশে থেকে সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

দেশের সর্ববৃহত মাল্টা বাগান গড়ে উঠেছে পঞ্চগড়ে
                                  

পঞ্চগড় প্রতিনিধি : যতদুর চোখ যায় দেখা মেলে সুবিস্তৃত সারি সারি মালটা গাছ। এতবড় মালটা বাগান এর আগে কখনো দেখেনি এদেশের মানুষ। দেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে সম্প্রতি গড়ে উঠেছে দেশের সর্ববৃহত মাল্টা বাগানটি। সমতল ভূমিতে চা চাষে সফলতার পর বাণিজ্যিক ভাবে মাল্টা চাষেও এসেছে সফলতা। জেলার বোদা উপজেলার বেংহারী বনগ্রাম ইউনিয়নের টেকরাপাড়ায় সৈয়দ মাহফুজুর রহমান সেলিম ৬০ বিঘা জমি লিজ নিয়ে গড়ে তুলেছেন দেশসেরা এ মাল্টা বাগানটি। বাগানটি গড়ে উঠায় সৃস্টি হয়েছে কর্মসংস্থান। এদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, দেশের সর্ববৃহত মাল্টা বাগান, লেবু ফসলের সম্প্রসারন ব্যবস্থপনা প্রকল্পের আওতায় উৎপাদন বৃদ্ধি লক্ষে মাল্টা চাষে কৃষক উদ্বদ্ধ করা হচ্ছে। এবং কৃষকদের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতাও করা হচ্ছে।
দেশের সর্ববৃহত মাল্টা বাগান গড়ে উঠেছে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বেংহারী ইউনিয়নের টেকরাপাড়া এলাকায়। প্রায় দুই বছর আগে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার এক ব্যবসায়ী সৈয়দ মাহফুজুর রহমান সেলিম ৬০ বিঘা জমি লিজ নিয়ে এ বাগানটি গড়ে তোলেন। সাত হাজার চারশ গাছের এ মাল্টা বাগানটিতে এপর্যন্ত তার ব্যায় হয়েছে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা। কেবল শুধু মাল্টায় নয়, একই বাগানে মাল্টার পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে প্রায় দুই হাজার পেঁপে গাছ লাগিয়ে সাড়া জাগিয়েছেন এলাকায়। সঠিক ভাবে ফলন আসলে একই বাগান থেকে দ্বিগুন মুনাফার আশা করছেন তিনি। তবে এ বছরে তার বাগানে কিছু গাছে মাল্টার ফলন ধরলেও আগামি বছরে অন্যান্ন বাগানের মত ফুলে, ফলে ভড়ে যাবে এমনটি আশা করছেন তিনি। তবে সাথী ফসল হিসেবে পেঁপে প্রতিটি গাছে গাছে ভরপুর। এক একটি পেঁপেঁর ওজন দুই থেকে তিন কেজি। তবে সব ঠিক থাকলে এ বাগান থেকে মাল্টা ও সাথী ফসল পেঁপে বিক্রি করে প্রতি বছরে ৮৫ হাজার থেকে ১ কোটি টাকা আয়ের আশা করছেন তারা। আর এবাগানটি গড়ে উঠায় দূর হচ্ছে এলাকার বেকারত্ব, বাগান পরিচর্যার শ্রমিকরা জানান, প্রতিদিন আড়াই তিন’শ টাকা আয় রোজগার করে ছেলে মেয়ের লেখা পড়াসহ সংসারের খরচ যোগান হচ্ছে- এমনি ভাবে এই বাগানে কাজ করে শতাধিক পরিবার জীবিকা নির্বাহ করছে উদ্দ্যোক্তা সৈয়দ মাহফুজুর রহমান সেলিম মাল্টার পাশাপাশি বাড়তি লাভের আশায় সাথী ফসল হিসেবে একই সাথে চাষ করছেন, পেঁপেঁ, কমলা। তবে মাল্টা উৎপাদন খরজের ব্যয় যোগান দিতে আয়ের উৎস ও সহযোগি হিসেবে পেঁপেঁ চাষ করা হচ্ছে। তবে এবছরে মাল্টা থেকে আয় না হলেও পেঁপেঁ থেকে ২৫-৩০ লক্ষ টাকা আয় হতে পারে। সব ঠিক ঠাক থাকলে আগামি বছর থেকে ফলন বিক্রি করে প্রায় ১ কোটি টাকা আসবে বলে ধারনা করছেন বাগান মালিক। বেংহারী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন আবু জানান, দেশের সর্ববৃহত মাল্টাবাগান বাগানটি তার এলাকায় হওয়ায় প্রশংসা করে বলেন, দেশে এত বড় বাগান আর কোথাও নেই, বাগানটি সংরক্ষণ ও আরও সম্প্রসারনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। বোদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন-অর-রশিদ জানান এটা বাংলাদেশের সর্ববৃহত মাল্টা বাগান, ৬০ বিঘা জমির উপরে বাগানটি গড়ে তোলা হয়েছে।
এটি ছারাও জেলায় মোট ৮৫হেক্টর জমিতে মাল্টা চাষ হলেও এর মধ্যে বোদা উপজেলায় ৩৫ হেক্টর জমিতে ছোট বড় আরও বেশ কয়েকটি মাল্টা বাগান গড়ে উঠেছে। প্রতি কেজি মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১শ’ টাকায়, লেবু ফসলের সম্প্রসারন ব্যবস্থপনা প্রকল্পের আওতায় উৎপাদন বৃদ্ধি লক্ষে বানিজ্যিক ভাবে মাল্টা চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কৃষকদের মাল্টা চাষে উদ্বদ্ধ করাসহ তাদের পাশে থেকে সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

বগুড়ায় চিচিঙ্গা চাষ করে স্বাবলম্বি কৃষকরা
                                  

বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় চলতি মৌসুমে ন্যায্য বাজার মূল্যের সাথে এ মৌসূমে চিচিঙ্গা চাষ করে কৃষক লাভের মুখ দেখছে। চাষিরা চওড়া দামে বিক্রি করায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ফসল কাটছে বিস্তর মাঠজুড়ে। চলতি মৌসুমে চিচিঙ্গা চাষ দিন দিন বাড়ছে। দুপচাঁচিয়া উপজেলার শাজাহান আলীর ছেলে কৃষক ওমর ফারুক জানায়, এ বছর তিনি ১২ হাজার টাকা খরচ করে ৩০ শতাংশ জমিতে চিচিঙ্গা চাষ করেছেন এবং আগস্টের শুরু থেকে সবজি সংগ্রহ শুরু করেছেন। তিনি ইতিমধ্যে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলায় পাইকারদের কাছে ১৫০০০-১৯,০০০ হাজার টাকায় সবজি বিক্রি করেছেন এবং উৎপাদন খরচ পরিশোধ করে ৫৫ থেকে ৬৫ হাজার টাকা লাভের আশা করছেন। চিকিৎসক মো. আব্দূল হালিম বলেন, চিচিঙ্গা একই সাথে ক্যারোটিন এবং ক্যালসিয়াম উভয়ই ধারণ করে। আমাদের শরীরকে ফিট রাখতে, চিচিঙ্গা খাওয়া ছাড়া কোন বিকল্প নেই। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজেদুল আলম বলেন, চিচিংগা চাষ চরম দরিদ্র কৃষকদের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নত করছে। তারা কৃষকদের প্রতি মৌসুমে বিস্তর্ণ জমি চাষের আওতায় আনতে উৎসাহিত করেন।

মির্জাগঞ্জে আউশের বাম্পার ফলন
                                  

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে চলতি মৌসুমে আউশের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসির ঝিলিক। উপজেলার প্রতিটি গ্রামে গ্রামে এখন চলছে আউশ ধান কাটা ও মাড়াইয়ের মহোৎসব। চলতি বছরে করোনা দুর্যোগকে সঙ্গে নিয়েও আউশের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। করোনার সঙ্কটকালে আউশ ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলার কাজে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। তবে আউশের বাম্পার ফলন হলেও বাজারে ধানের ন্যায্যমুল্য পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ কৃষকদের।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চলতি মৌসুমে আউশ ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার কৃষকরা। ভালো ফসল উৎপাদন হওয়ায় হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করছেন তারা। কেউ ধান কাটছেন, কেউ আবার ধান মাড়াই করার কাজে ব্যস্ত। তাদের যেন নাওয়া খাওয়ার ফুরসত নেই। পরিবারের সকল সদস্য মিলে ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলার কাজে ব্যস্ত কৃষকরা। করোনার এই ক্রান্তিকালে আউশের ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকদের মুখে ফুটেছে হাসির ঝিলিক। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে এবার চলতি আউশ মৌসুমে ৭ হাজার ৫ শত ৫ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন মাঠে স্থানীয় জাতের আউশ রোপন হয়েছে মাত্র ০৫ হেক্টর জমিতে এবং বাকি সব জমিতে উফশী আউশ রোপণ করা হয়েছে। আর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ হাজার ২৬০ মেট্রিক টন চাল। উপজেলায় এবারে উফশি জাতের মধ্যে ব্রি-ধান -২৭, ৪২, ৪৩, ৪৮, ৫৫, বাউ-৬৩, (আবদুল হাই) ও বিআর ২৬ এবং স্থানীয় কালাবোরো জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। এবারে চাষী পর্যায়ে বীজ উৎপাদনের জন্য সরকারি অর্থায়নে ৩৫টি প্রদর্শনী দেওয়া হয়েছে। গত বারের আউশের ভালো ফলন দেখে এবারে আউশ চাষে কৃষকের আগ্রহ দেখা গেছে। ফলে গতবারের চেয়ে এবারে ২৭০ হেক্টর বেশি জমিতে আউশ ধান চাষ হয়েছে। পশ্চিম সুবিদখালী গ্রামের আঃ রব, নুরুল ইসলাম, সাহেব আলী, মন্নান মল্লিকসহ কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর ফলন ভাল হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে কাঠালের বাম্পার ফলনেও দাম নেই
                                  

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ে এ বছর কাঁঠালের বাম্বার ফলন হয়েছে। গত বছরের চেয়ে অনেক বেশি ফলন হলেও বিক্রি না হওয়ায় কৃষক ও ব্যবসায়িরা বীপাকে পরেছেন। এর কারন হিসেবে করোনা পরিস্থিতি ও কঠোর বিধিনিষেধকেই দুষছেন তারা। জেলার বিভিন্ন বাজারে কাঁঠাল বিক্রি হলেও বর্তমানে দাম না থাকায় বাড়িতে ও গাছেই পঁচা শুরু করেছে কাঠাল। ফলে পাইকার ও ব্যবায়িরা পূজি হারানোর শঙ্কায় পরেছেন।
এছাড়াও বাজারে চাহিদা না থাকায় তা কিনেও পুঁজি হারানোর শঙ্কায় পরেছেন ব্যবসায়িরা। অপরদিকে কাঁঠাল বাগান মালিকদের দীর্ঘদিনের দাবি থাকলেও প্রক্রিয়াজাতকরণের কোন ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত করা হয়নি। এর ফলে ফলন বেশি হলেও অর্থনৈতিক গুরুত্ব হারাচ্ছে কাঁঠাল। ২০১৯ সালে ঠাকুরগাঁওয়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়, চাহিদা অনুযায়ী কাঁঠাল বিক্রিও হয় ভাল। এতে করে ব্যবাসায়ি ও আড়ৎদারগণ পর্যাপ্ত পরিমাণে কাঠাল কিনে তা দেশের বিভিন্ন স্থানে ও বিদেশেও রপ্তানী করেছিলেন। ওই সময় জেলার বিভিন্ন হাট বাজার ও রাস্তাঘাটে কাঁঠালের হাট বসলেও এ পর্যন্ত জেলায় হাট বসতে দেখা যায়নি। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল রোববার সদর উপজেলার রহিমানপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সামসুল নামে এক ব্যক্তির ৪/৫ টি গাছে কাঁঠাল ধরেছে প্রচুর পরিমানে। কিন্তু দাম না থাকায় কাঁঠাল গাছেই পঁচে যাচ্ছে। এর কারণ হিসেবে করোনার কারনে দাম না থাকাকেই দায়ী করছেন গাছের মালিক, পাইকার ও ব্যবসায়িগণ।
জেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, প্রত্যেক বছর এ সময়টাতে কাঁঠালের ছড়াছড়ি হয়। এ সময় দামও থাকে চড়া। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারনে গাড়িঘোড়া বন্ধ থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ি বা পাইকারগণ আসতে পারছেন না। এর আগে তারা বিভিন্ন বাগান ও স্থান থেকে কাঁঠাল কিনে তা পুরো মৌসুমজুড়ে দেশের বিভিন্ন বড় ছোট হাট বাজারে ভাল দামে বিক্রি করে লাভবান হতেন। এ অবস্থায় জেলার বিভিন্ন হাট বাজার ও গ্রাম-গঞ্জে কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে না, ফলে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে পাইকার ও ব্যবসায়িগণ পুঁজি হারানোর শঙ্কায় পরেছেন।
সদর উপজেলার মাদারগঞ্জ এলাকার ডাবলু জানান, তাদের একটি কাঁঠালের বাগান ও কৃষি জমির বিভিন্ন স্থান মিলে ৫০-৬০ টি কাঁঠাল গাছ রয়েছে। ইতিমধ্যে কাঁঠাল পাকা শুরু হয়েছে। কিন্তু বারবার স্থানীয় কয়েকজন পাইকার-ব্যবসায়িকে খবর দিলেও তারা কাঁঠাল নিতে আসেননি। তাই তিনি কোন কাঁঠাল বিক্রি করতে পারেননি। এতে কাঁঠাল গাছেই পেকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
সদর উপজেলার গিলাবাড়ী গ্রামের নাসিমুল হক জানান, প্রতি বছর তিনি ২০-৩০ হাজার টাকার কাঠাল বিক্রি করেন। এ বছর কাঁঠালের ফলন অনেক ভাল হলেও করোনার কারণে কঠোর বিধিনিষেধ থাকায় এ পর্যন্ত কোন কাঁঠাল বিক্রি করতে পারেননি। ফলে প্রত্যেক বছর বিক্রি কম হলে আত্মীয়-স্বজনদের বাড়ি পাঠালেও এ বছর পারছেন না, ফলে কাঁঠাল পঁচে নষ্ট হচ্ছে।
জেলার বেশ কয়েকজন কাঁঠাল পাইকার-ব্যবসায়ির সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রত্যেক বছর তারা গাছে কাঁঠাল ছোট থাকাকালীন চুক্তিভিত্তিক বাগান কিনে থাকেন। পরে বেশি দামে তা বাজারে ও দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানী করেন। কিন্তু এ বছর দেশের বিভিন্ন স্থানের আড়ৎদারগণ কাঁঠাল কিনতে অনিহা প্রকাশ করায় আর্থিক দিক থেকে লোকসানের শঙ্কায় পরেছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ আবু হোসেন জানান, এ বছর জেলায় ১৫৭ হেক্টর জমিতে কাঁঠালের আবাদ হয়েছে। দিন দিন জেলায় কাঁঠালের চাষ বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং ঠাকুরগাঁও জেলার মাটি কাঁঠাল চাষের উপযোগী হওয়ায় ফলন প্রতি বছরের তুলনায় এ বছর অনেক ভাল হয়েছে। তবে করোনার কারনে কঠোর বিধিনিষেধ থাকায় কাঁঠাল কেনা-বেচায় একটু সমস্যা হতে পারে। তবে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে কৃষকেরা যাতে করে কাঁঠাল বিক্রি করে আর্থিক দিক থেকে লাভবান হতে পারেন এ ব্যাপারে যাবতীয় সহযোগিতা করবে কৃষি বিভাগ।

কুমারখালীতে ক্রমেই বাড়ছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু
                                  

কুষ্টিয়া ব্যুরো : কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সরকারি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে চলাফেরা করায় ক্রমেই বাড়ছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ৮৪টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ২০ জনের করোনা শনাক্ত ও মারা গেছেন ৫ জন।
কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোভিড ১৯ সম্পর্কিত তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, ২০২১ এর জানুয়ারি মাসে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয় ২৫৯ জনের তার মধ্যে পজিটিভ ছিলো শুন্যে, ফেব্রুয়ারী মাসে ২৩৮ জনের পরীক্ষায় পজিটিভ ১, মার্চে ৩০১ জনের পরীক্ষায় পজিটিভ ২০, এপ্রিলে ২৯৬ জনের পরীক্ষায় পজিটিভ ৪০, মে মাসে ২৩৫ জনের পরীক্ষায় পজিটিভ ২৪ এবং শুধুমাত্র জুন মাসে ৯৭৩ জনের পরীক্ষায় পজিটিভ ৩৬৯ জন এবং চলতি মাসের ২৬ তারিখ পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা ১৪ জন।
এতথ্য নিশ্চিত করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আকুল উদ্দিন বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং মারা গেছে ৫ জন তন্মধ্যে ২ জনের করোনা পরীক্ষার রেজাল্ট এখনো পাওয়া যায়নি। করোনা সন্দেহ করা হচ্ছে। হাসপাতালের আইসোলেশনে ভর্তি আছেন ১৪ জন এবং হোম আইসোলেশনে আছেন দুই শতাধিক। তিনি আরো বলেন, উপজেলায় করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু জরুরী প্রয়োজনে করোনায় আক্রান্ত গুরুত্বর অসুস্থ রোগীকে প্রয়োগ করার জন্য হাসপাতালে কোন হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা নেই এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকও নেই, এবং যে পরিমাণ অক্সিজেন রয়েছে তাও পর্যাপ্ত নয়।

জেলে থেকে মৎস্য হ্যাচারির মালিক যতীন্দ্র চন্দ্র বর্মণ
                                  

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : ছোটবেলা থেকে যতীন্দ্র চন্দ্র বর্মনের স্বপ্ন ছিল লেখাপড়া শিখে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার। কিন্তু পরিবারের অভাব অনটন তাঁর স্বপ্ন পূরনে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। সংসারের হাল ধরতে তখন কিশোর বয়সে বাবার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি মাছ ধরার পেশায়। তাঁর সম্বল বলতে ছিল তখন মাছ ধরার একটি ঝাঁকি (থাপা) জাল। সারাদিন খালে বিলে মাছ ধরে সেই মাছ বাজারে বিক্রি করে যে সামান্য টাকা আয় হতো তা দিয়ে কোনমতে চলতো তাদের নয় সদস্যের সংসার। এভাবে অনাহারে ও অনিশ্চয়তায় কাটছিল তার জীবন। এটি প্রায় ৪০ বছর আগের কথা। এদিকে দিন দিন নদী-নালা ও খাল-বিলে মাছ কমতে থাকায় সারাদিন মাছের দেখা পেতেন না যতীন্দ্র বর্মণ। এতে বন্ধ হয়ে যায় পৈত্রিক পেশা দিয়ে তার আয় রোজগারের পথ। তাই হতাশায় বসে না থেকে স্থানীয় মৎস্য খামারীর কাছ থেকে পানি ভর্তি পাতিলে পোনা নিয়ে তা কাঁধে ভারবাঁশ দিয়ে বহন করে সারাদিন ঘুরে ঘুরে সেই পোনা মৎস্য চাষীদের নিকট বিক্রি করতেন তিনি। এতে তার সংসার ভাল চলছিল না। পরে অন্যের মৎস্য খামারে শ্রমিক হিসেবে কাজে যোগদান করেন। সেখানে পুকুরে জাল টানা ও মাছের পরিচর্চার কাজ করে যে টাকা আয় করতেন তা পুরোটাই ব্যয় করতেন তিনি নিজ সংসারে। কঠোর পরিশ্রম ও সততার কারনে পুকুরের মালিকগন অন্য শ্রমিকদের চেয়ে তাকে একটু বেশি পারিশ্রমিক দিতেন। অন্যের পুকুরে শ্রমিকের কাজ করার সময় যতীন্দ্র চন্দ্র বর্মণের মাছ চাষে ভাল অভিজ্ঞতা হয়। একসময় স্বপ্ন দেখেন নিজেই পুকুরে মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার। সেই স্বপ্ন পূরণে অন্যের ডোবার মত ছোট একটি পুকুর ভাড়া নিয়ে অনেক কষ্টে জমানো ৫শ টাকা দিয়ে ৮০’র শতকের প্রথমদিকে শুরু করেন তিনি মাছ চাষ। মাছ চাষে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রথম বছর এ পুকুরে মাছ চাষ করে লাভের মুখ দেখেন তিনি। এভাবে মাছ চাষ করে প্রতিবছর ভাল মুনাফা পেতে থাকেন তিনি। একে একে পুকুর ভাড়া ও সরকারি ভাবে লীজ নিয়ে তার মাছ চাষের ব্যবসার পরিধি দিন দিন বড় হতে থাকে। এরপর আর তাকে পিছনে তাকাতে হয়নি। যতীন্দ্র বর্মণ গৌরীপুর-রামগোপালপুর সড়কের পাশে বাহাদুরপুর এলাকায় ২ একর ৩৭ শতক জমি ক্রয় করে ২০০৫ সনে তাতে গড়ে তুলেন বর্মণ মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র (হ্যাচারি)। রেণু ও পোনা উৎপানের বিশ^স্ত প্রতিষ্ঠান এ হ্যাচারিতে রয়েছে ছোট বড় ১৫টি পুকুর। এছাড়া ভাড়া করা ও লীজ নেয়া পুকুর রয়েছে আরও ১০টি।

শায়েস্তাগঞ্জে বাণিজ্যিকভাবে সুইট লেডি পেঁপে চাষে স্বাবলম্বী মিল্লাদ
                                  

শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে প্রথমবারের মতো বানিজ্যিক ভাবে “সুইট লেডি পেপে” চাষ করে বাজিমাত করে সবার নজরে এসেছেন চাষি মিল্লাদ তালুকদার। নতুন জাত ও নতুন নামের এই পেপের সাথে অনেকেরই পরিচয় না থাকায় উপজেলার কৃষকদের কাছে সুইট লেডি পেপের প্রতি আলাদা মনযোগ পড়েছে। সুইট লেডি জাতের পেঁপের আশানুরূপ ফলনে অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তির হাসি ফুঁটে উঠেছে চাষি মিল্লাদ তালুকদারের ঠোটে। সে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভাধীন বিরামচর গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাক তালুকদারের ছেলে। জানা যায়, মুদিমাল ব্যবসায়ী মিল্লাদ তালুকদার তার ব্যবসায় সুবিধা করতে না পেরে, পুঁজি হারিয়ে যখন বেকার হয়ে পড়েছিলেন তখন অনেকটা শখের বসেই তিনি কৃষি কাজে মনোনিবেশ করেন। আর তাতেই সাফলতা পেয়ে যান। স্বল্প সময়ের ব্যবধানে ব্যবসায়ী থেকে হয়ে যান সফল চাষি। মিল্লাদ সুইট লেডি জাতের ৩ শতাধিক পেঁপের চারা রংপুর থেকে সংগ্রহ করে নিজের ৩৬ শতক জমিতে রোপণ করেন। চারা রোপণের প্রায় তিন মাসের মধ্যেই প্রতিটি গাছে গড়ে ৩০টি করে পেঁপে ধরেছে। একেকটা পেঁপে ৫শ গ্রাম থেকে ৬শ গ্রাম ওজনের হয়েছে। নতুন নামের এই সুইট লেডি জাতের পেঁপে চাষ করে এলাকায় সবার দৃষ্টি কেড়েছেন মিল্লাদ। প্রতিদিন লোকজন আসছেন পেপে বাগান দেখতে। অনেকেই এখন এই নতুন জাতের ও নামের পেপে চাষ করার পরিকল্পনার করছেন। এ ব্যাপারে আব্দুল গাফফার তালুকদার মিল্লাদ বলেন, পেঁপে বাগান করার জন্য তার বহু দিনের শখ ছিল। কিন্তু ব্যবসার ঝামেলায় এতোদিন বাগান করতে পারেননি। ব্যবসায় লোকসান হওয়ার পরে তার বড় ভাই মাহমুদ কাদির তালুকদার বাচ্চু, মাসুদ তালুকদার ও আব্দুল জব্বার তালুকদার মুরাদের সহযোগীতায় পেপে চাষ শুরু করে প্রথমবারেই সফলতা পেয়ে যান। তিনি বলেন যে কেউ পেপের চাষ করে বেকারত্ব দুর করার পাশাপাশি স্বাবলম্বী হতে পারবে। জমি তৈরি, চারা রোপন, সার প্রয়োগ, বালাইনাশক প্রয়োগ, আগাছা পরিষ্কার ইত্যাদি বাবদে শ্রমিকের মজুরীসহ প্রায় ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে তার। এখনই গাছ থেকে সপ্তাহে ২/৩ বার পেঁপে সংগ্রহ করা যাচ্ছে। কাঁচা পেঁপে পাইকারি মূল্যে কেজি ৩৫ টাকা করে বিক্রি করছেন। এক বছরে প্রতিটি গাছ থেকে প্রায় ৮শ থেকে ১ হাজার টাকার পেঁপে বিক্রি করার সম্ভাবনা রয়েছে। বাগান করার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৪৫ হাজার টাকার কাঁচা পেঁপে বিক্রি হয়েছে। সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে দেড় বছর পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। এতে প্রায় ৩ লাখ টাকার পেঁপে বিক্রি করতে পারবেন বলে জানান তিনি। পেপে বাগান দেখতে আসা সৈয়দ আরিফ আহমেদ বলেন, পরিশ্রম ও লক্ষ্য অদম্য থাকলে কৃষি কাজে সফল হওয়া সম্ভব। প্রথমবারের মতো পেপে বাগান করে তিনি বাজিমাত করেছেন। তার বাগান দেখে এলাকার অনেকেই এখন উৎসাহ পাচ্ছেন পেপে চাষ করতে। উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ বলেন, সুইট লেডি পেপের জাতটি নতুন। এতে যেমন পোকার আক্রমন হয়না তেমনি ফলনও হয় বেশি। তাই বেকার যুবকরা এই পেপে চাষ করে স্বাবলম্বী হতে পারবে সহজেই। মিল্লাদ তালুকদার তার প্রমান। উনার সফলতা দেখে অনেকেই এখন আমাদের পরামর্শ নিচ্ছেন।

সখীপুরে লেবু চাষে সফল তরুণ উদ্যোক্তা মোফাজ্জল হোসেন
                                  

বাদল হোসাইন সখীপুর : আট থেকে দশ বছর বিদেশ করেছি কোনো লাভ হয়নি। কোনোমতে ঋণ পরিশোধ করেছিলাম। কি করি, কি করি এরকম হতাশা আমাকে সবসময় তাড়া করে বেড়াত। এরপর টিভি ও ইউটিউবে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষের সফলতা দেখে কৌতুহলী হলাম লেবু চাষ করতে। প্রথমে ঝুঁকিই মনে হতে লাগলো তারপরও পিছনের দিকে না তাকিয়ে এগোতে লাগলাম সামনের দিকে। আবার উদ্যোগ নিলাম ব্যাংক লোন করব। জমিও যথারীতি পেয়ে গেলাম। শুরু করলাম আর একটি জগত, নতুন প্রবাস। কথাগুলো বলেছেন, কচুয়া পূর্বপাড়ার বাচ্ছু মিয়ার ছেলে মোফাজ্জল হোসেন।
সরেজমিন, বুধবার এ প্রতিবেদকের সঙ্গে তার কথা হয়। বাবার পর্যাপ্ত জমি না থাকায় ২০১৬ সালে কচুয়া বাজারের দক্ষিণ পাশে ২১০ শতাংশ জমি তিন লাখ টাকা দিয়ে ১০ বছরের জন্য নেন। এরপর জমি অভিজ্ঞ লোকদের পরামর্শে চাষ উপযোগী করে তুলেন। উন্নত মানের ১২‘শ চারা কিনে এনে শুরু করলেন লেবু চাষ। বাগানের নাম দিলেন জান্নাতুল লেমন গার্ডেন। দুই বছর পর থেকে কিছু কিছু লেবু আসা শুরু হল তার বাগানে। পরের বছর ৫০ ভাগ লেবু আসতে লাগলো। তিন বছর পর পুরো গাছে লেবু আসতে লাগলো। মোফাজ্জলের ভাগ্যাকাশে আলোর ঝলকানি দেখা গেল। এখন তার প্রতি বছর লেবু এবং চারা বিক্রি করে প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা আসছে। প্রতিদিনই তার বাগানে লেবু এবং চারা কিনার জন্য গ্রাহকরা ভিড় জমাচ্ছে। এখন তিনি পরিপাটি করে বাড়িঘর নির্মাণ শেষে বাগানের পরিধিও পর্যায়ক্রমে আরও বাড়াচ্ছেন। ইতিমধ্যে সে আর একটি জমি লিজ নিয়ে কমলা চাষ শুরু করেছেন। সব মিলিয়ে তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা। এখন সুখে স্বাচ্ছন্দে দিনাতিপাত করছেন তিনি। সে জানায়, বিদেশে থেকে আমি কিছুই করতে পারি নাই। লেবু চাষ করে আল্লাহ আমার ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েছে। দেশে থেকে পরিশ্রম করে স্বাবলম্বী হওয়া যায় এটি আমি বুঝতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন, আমার বাগানটি সখীপুর-সাগরদিঘী সড়কের পাশে থাকায় আমি লেবু এবং চারা বিক্রির অর্ডারও বেশি পাই। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.নুরুল ইসলাম বলেন, সখীপুরের মাটি লেবু চাষ উপযোগী। এখানে লেবু চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব।

দিনাজপুরে ভুট্রা চাষে ঝুঁকছে কৃষকরা
                                  

রাজু বিশ্বাস, দিনাজপুর : শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত উত্তরের জেলা দিনাজপুর। ধান, গম, ভুট্টা, পাটসহ বিভিন্ন ফল আর ফসলের সমাহার এ জেলা। তবে ধানের পাশাপাশি ভুট্টার চাষাবাদ কয়েকগুণ বেড়েছে। ভুট্টা সারা বছরই চাষযোগ্য ফসল। জেলার বিভিন্ন এলাকায় সারা বছর ভুট্টা চাষ করতে দেখা যায় কৃষকদের। দুই প্রকার ভুট্রা বছরে আবাদ হয়। বর্তমানে রবি জাতের ভুট্রা উঠতে শুরু করেছে, প্রায় শেষের দিকে। আর খরিপ-১ জাতের ভুট্রার ক্ষেত্রে চারা গাছ বড় হতে শুরু করেছে, ৪ মাসের মধ্যে জমি থেকে কর্তন হবে। দিনাজপুরের বর্তমান আবহাওয়া অনুকুল হওয়াতে ভুট্টা চাষে উপযোগী, সেইজন্য কৃষকরা ভুট্টা চাষের দিকেই বেশি ঝুঁকছেন।
গত ২০১৯ সালে দিনাজপুর জেলায় ভুট্টা চাষ হয়েছিল প্রায় ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে। আর ২০২০ সালে জেলায় ভুট্টা চাষ হয়েছে প্রায় ৭০ হাজার ৬শত ৫৫ হেক্টর জমিতে। বর্তমানে এই রবি মৌসুমে জেলার ১৩টি উপজেলায় ৭১ হাজার ১ শত ২৩ হেক্টর জমিতে ভুট্রা চাষ হয়েছে। দিনাজপুরে ১৩টি উপজেলার মধ্যে প্রথম বীরগঞ্জ উপজেলা ১১ হাজার ৩শত ৭৭ হেক্টর, দ্বিতীয় কাহারোলে ১১ হাজার ১শত ৫৫ হেক্টর আর বিরল উপজেলায় ১০ হাজার ৬ শত ২০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের তথ্য মতে প্রায় ৯৭% হেক্টর জমি থেকে ভুট্রা উঠানো হয়েছে আর ০৩% ভুট্রা ০৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে জমি থেকে কর্তন করা হবে। এই মৌসুমে উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা প্রতি হেক্টরে ১০.৭৫ মেট্রিক টন ছিল। কিন্তু প্রতি হেক্টরে ১১.২৫ মেট্রিক টন ভুট্রা পাওয়া গিয়েছে। সেই দিক থেকে এবার জেলায় ৮ লক্ষ ১ শত ৩৪ মেট্রিক টন ভুট্রা পাওয়া যাবে। এ দিকে দিনাজপুর জেলায় ভুট্রার বাজার উঠতে শুরু করেছে। দেখা গেছে প্রতি কেজি ভুট্রার দাম ১৯টাকা থেকে ২০ টাকার মধ্যে। দিনাজপুর জেলায় কবিরাজহাট, ১৩ মাইল গড়েয়া, দশ মাইল, রানীবন্দরে এবং সেতাবগঞ্জে বড় বড় আড়তদার বিভিন্ন উপজেলা থেকে শুকনা ভুট্রা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করে থাকে। বিশেষ করে ফিড মিলে ভুট্রার চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাজারে কৃষকরা নায্য দাম পাচ্ছে। সদর উপজেলার রানীগঞ্জ বাজার এলাকার কৃষক মো. রায়হান ইসলাম বলেন, আমি তিন বিঘা জমিতে ভুট্রা চাষ করেছি। ‘ফলন বৃদ্ধি আর দাম ভাল পাওয়ায় বর্তমানে মানুষ ভুট্টা চাষের দিকেই বেশি ঝুঁকছে। কারণ ভুট্টা চাষের ফলন ও লাভ দুটোই ভালো থাকায় আমরাও দিন দিন ভুট্টাই চাষে ঝুঁকেছি’।

সোনালী ধান ঘরে তুলতে পেরে খুশি
                                  

ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি : কৃষি প্রধান দেশে কৃষকই হচ্ছে আসল চালিকাশক্তি। তাদের শান্তি তো এদেশের শান্তি। সেই শান্তি সুখের হাসি এখন বৃড়ী তিস্তা পাড়ের কৃষকের ঘরে ঘরে। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা ছোট পুল, রামডাঙ্গা, কেয়ার বাজার, পাশ্ববর্তী জলঢাকা উপজেলার গোলনা ও খারিজা গোলনার কৃষক মনির, জহুরুল ইসলাম, দবির উদ্দিন, সোহেল কৃষাণী ছাবিয়া খাতুন, লক্ষি রাণী জানান, এবারে বোর মৌসুমে এই এলাকার শহস্রধিক কৃষক কিষাণী সোনালী ধান, সোনালী আঁশ পাট,ভূট্রা,বাদাম, পেঁয়াজ, রশুন, মরিচসহ বেশ কিছু রবিশস্যর ফসল ফলিয়ে এবং তা বাজারযাত করে আমরা অত্যন্ত লাভবান হয়েছি। এই লাভবানের ব্যাপারে কি কারণ থাকতে পারে? উত্তরে তারা বলেন, ওই যে দেখতে পাচ্ছেন বুড়ী তিস্তা ব্যারেজটি, এটি আমাদের হাসি কান্নার উৎস। গেট যদি খোলা থাকে তাহলে আমাদের কোন চিন্তা থাকেনা।আর যদি এটি বন্ধ থাকে তাহলে অনাহারে অর্ধাহারে পরিবার পরিজন নিয়ে দিন কাটাত হয়।গেট বন্ধ থাকার কারনে এমনও দিন গেছে ঢেঁপের গুরা ছিল নিত্য দিনের সাথী। নৌকায়,কলার গাছের ভেলা বানিয়ে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত পাকা ঢেঁপ তুলে তা এনে জীবিকা নির্বাহ করেছি।দীর্ঘদিন ধরে ব্যারেজের জল কপাট গুলো খোলা থাকার কারণে এখন আমাদের প্রতিটি কৃষক কৃষাণীদের ঘরে ঘরে সন্তানদের হাতে বই তুলে দিতে পারছি, আবাদের ফলে নিজে খাচ্ছি একটু হলেও আমাদের দেশ বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য চাহিদা পুরন করতে পারছি।

বৃষ্টি আর পরিবহন সংকটে ক্ষতির মুখে বীরগঞ্জের সবজি চাষিরা
                                  

বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : বৈশিক মহামারী করোনার কারণে পরিবহন সংকট এবং ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে গত দুইদিনের বৃষ্টিপাতের ফলে ক্ষতির মুখের পড়েছে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সবজি চাষিরা। করোনা সংকট ও বৃষ্টির কারণে পন্যের ক্রেতার চাহিদা না থাকায় এবং বিভিন্ন জাতের সবজিতে পোকার আক্রমনের পাশাপাশি পচন রোগে আক্রান্ত ধরেছে। বিশেষ করে দুইদিনের বৃষ্টিতে বর্ষাকালীন খরিপ-০১ মৌসুমের ত্রিপল-০১জাতের ফুলকপি-বাঁধাকপিতে পচন ধরেছে বলে জানিয়েছেন কৃষকেরা। কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, উপজেলার এ বছর আনুমানিক ২শত হেক্টর জমিতে সবজি আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ৩হেক্টর জমিতে বর্ষাকালিন ফুলকপি এবং ২.২৫হেক্টর জমিতে বাঁধাকপি আবাদ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সবজি চাষী উপজেলার সাতোর ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রাণনগর গ্রামের মো. ইব্রাহিম জানান, এ বছর ২০শতক জমিতে ফুলকপি আবাদ করেছি। যেহেতু এটি শীতকালিন সবজি। বৃষ্টি সহ্য করতে পারে না। তাই দুই দিনের বৃষ্টিপাতে ফলনে পচন ধরচে। করোনা এবং বৃষ্টিপাতের ফলে গ্রাহক না থাকায় দামও কমেছে। সপ্তাহ খানেক আগে ১হাজার ১২শত টাকা মন দরে বিক্রয় করলেও এখন ৮শত টাকা মন। একারণে লাভ হওয়ার চেয়ে লোকসানের সম্ভবনা বেশি। একই কথা জানিয়ে সবজি চাষী আহম্মদ আলী জুয়েল বলেন, করোনার কারণে পরিবহন সংকট এবং দুই দিনের বৃষ্টিতে সবজি নিয়ে কৃষকের মাথায় হাত পড়েছে। বিশেষ করে কৃষকদের উৎপাদিত পন্য সরাসরি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠাতে না পেরে মধ্যস্বত্ব ভোগীদের দৌড়াত্বে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুরেজা মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, সবজি দ্রুত পচন একটি পন্য। তারপর বৈশিক মহামারী এবং আবহাওয়ার বৈরীতা লেগে আাছে। এরপরেও কৃষি দপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় সবজি চাষ এখন লাভজনক পন্যতে পরিণত হয়েছে। এর ধারাবাহিকতা রক্ষায় গত দুইদিনের বৃষ্টিতে কৃষকদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে মাঠে রয়েছে কৃষি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

দিনাজপুরে বোরো ধান চাষে কৃষকের মুখে হাসি
                                  

রাজু বিশ্বাস, দিনাজপুর : বাংলাদেশ কৃষি ভিত্তিক দেশ। ৮০% লোক কৃষির উপর নির্ভরশীল। দেশের সব বিভাগ থেকে রংপুর বিভাগ ধান উৎপাদনের ক্ষেত্রে অগ্রনী ভ’মিকা পালন করছে। সেক্ষেত্রে রংপুর বিভাগের দিনাজপুর জেলায় বোরো ধান চাষে বেশ সাফল্য অর্জন করেছে। এ জেলাকে খাদ্য শস্যের ভান্ডার হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। জেলায় দুই জাতের ধান উৎপন্ন হচ্ছে হাইব্রিড ও উফশী। উফশী জাতের মধ্যে ব্রি-২৮, ব্রি-২৯, ব্রি-৫৮, মিনিকেট, সম্পা কাঠারী, বগুড়া সম্পা, জামাই কাঠারী, সোনামুখী, নানিয়া, কোটরা পারী ও বিয়ার-১৬ । হাইব্রীড ধানের মধ্যে তেজ গোল্ড, হীরা-২, ব্রাক (রূপালী) ও SL8H। এবার আবহাওয়া অনুকুল পরিবেশ থাকায় মাঠে ধানের ফলনও ভালো হয়েছে। ফলে অন্যান্য বছরের তুলনায় কৃষকরা উৎসব মুখর পরিবেশে ধান কাটা-মাড়া নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ৮৮% ধান কাটা-মাড়াই হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ অসময়ে ঝড় ও বৃষ্টি-পাতের জন্য ক্ষেতে ধান শুয়ে পড়েছিল। এ দিকে ভিজা ধান কিনতে ক্রেতারা আগ্রহ প্রকাশ করছিল না। দাম কিছুটা কম হলেও কৃষকরা ধান বিক্রয় করেছে। কিন্তু বর্তমানে প্রচন্ড তাপ প্রবাহে ধানের বাজার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কৃষকরা এখন নায্য দাম পাচ্ছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে মোট ধান বস্তা প্রতি ১৭০০ থেকে ১৯০০ টাকার মধ্যে বিক্রয় হচ্ছে। অথচ কিছু দিন আগে মোটা ধান বস্তা প্রতি ১৩০০ থেকে ১৪৫০ পর্যন্ত দাম কৃষকরা পেয়েছে। কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের তথ্য মতে এবার দিনাজপুর জেলায় ১লক্ষ ৭১ হাজার ৪০০হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড ২৫ হাজার ১০৬ হেক্টর জমিতে আর উফশী ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে উফশী ধানের ক্ষেত্রে ৯লক্ষ ৩০হাজার ৪শত ৬৮ মেট্রিক টন আর হাইব্রীডের ক্ষেত্রে ১লক্ষ ৮১হাজার ১০০ শত মেট্রিক টন। অফিস সুত্রে বর্তমানে জেলায় ৮৮% ধান কর্তন হয়েছে। সেই অনুযায়ী উফশী ও হাইব্রিড ধানের ক্ষেত্রে মোট ১ লক্ষ ৫০ হাজার ৮শত ৮৯ হেক্টর জমিতে ধান কাটা হয়েছে। প্রতি হেক্টরে ধান উৎপন্ন হয়েছে ৬.৫৮ টন, যার পরিমান ৯ লক্ষ ৯৩ হাজার ৬শত মেট্রিক টন ধান। ৪ নং শেখপুরা ইউনিয়নে কিষান বাজারে ধান বিক্রয় করতে আসা কৃষক মো. রফিকুল বলেন, অসময়ে বৃষ্টিপাত হওয়ায়, কিছুটা ফলন কম হলেও বাজারে ধানের দাম আশানুরুপ পাওয়া যাচ্ছে। গত হাটে মন প্রতি ৯০০ শত টাকা দরে ধান বিক্রয় করেছি। আরেক কৃষক সনাতন বলেন, ফলন ভাল হয়েছিল। আগে ভিজা ধান বিক্রয় করেছি ১৩০০ থেকে ১৪০০ টাকায়। বর্তমানে তাপ প্রবাহে শুকনা ধান বিক্রয় করছি বস্তা প্রতি ১৮০০ থেকে ১৯০০ টাকা দরে। গড়ে ভাল দাম পেয়েছি।

বীরগঞ্জে অপরিপক্ক লিচুতে বাজার সয়লাব
                                  

বিকাশ ঘোষ, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) : এবার একের পর এক দুর্যোগের পরেও লিচুর জন্য খ্যাত দিনাজপুরের বীরগঞ্জ বাজারেমৌসুম শুরু হওয়ার আরও ক’দিন বাকি থাকলেও বাজারে আসতে শুরু করেছে লিচু। বীরগঞ্জ উপজেলা অফিস বলছে, অপরিপক্ব লিচু প্রকৃতি এবারের পরিবেশ অনুযায়ী জাতভেদে আগাম জাতের লিচু পরিপক্ব হতে সময় লাগবে অন্তত আরও ১৫ দিন। প্রতিকূল আবহাওয়া আর ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কায় পুরোপুরি রং আসার আগেই লিচু বিক্রি করতে শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন বাগান মালিকরা। বাগান মালিকারা আরও জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর ফলন হয়েছে কম। দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জে প্রধান লিচুর বাজার পৌর শহরের তাজ মহল সিনেমা হলের সামনে ফলের বাজারে শনিবার গিয়ে দেখা যায়, অপরিপক্ব লিচু দিয়েই জমতে শুরু করেছে লিচুর বাজার। এর মধ্যে অধিকাংশ লিচুর গায়ে রং আসেনি এবং আকারেও ছোট। বাজারে এসব অপরিপক্ব লিচু বিক্রি হচ্ছে প্রতি শ’ ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা দরে। এই বাজারে লিচু বিক্রি করতে আসেন বীরগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন থেকে লিচু চাষীরা জানান, লিচুর গায়ে এখনও রং আসনি। সবুজ রং-ই লেগে আছে লিচুর গায়ে। এই অপরিপক্ব লিচু বাগান থেকে বাজারে বিক্রি করতে আনার কারণ হিসেবে বাগান মালিকরা বলছেন, অধিক গরম ও রোদের কারণে লিচু ফেটে যাচ্ছে। তাছাড়া ঝড় ও বৃষ্টিতে লিচুর ক্ষতি হতে পারে। করোনার এমন পরিস্থিতিতে কাঁচা লিচু বাজারে বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রতি হাজার লিচু ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা দরে পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। পরে এই দামই যদি না তুলতে পারেন এমন আশঙ্কায় যা টাকা পাচ্ছেন, তাই দিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছেন। বাজারের বিক্রেতারা বলছেন, কাঁচা থাকতেই বাগান মালিকরা বাজারে লিচু নিয়ে আসছেন। এসব লিচু কিনে সামান্য কিছু লাভ রেখেই তারা লিচু বিক্রি করছেন ভোক্তাদের কাছে। বীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু রেজা মো. আসাদুজ্জামান জানান, বীরগঞ্জ উপজেলায় বেশ কয়েক জাতের লিচু উৎপাদন হয়ে থাকে। এর মধ্যে মাদ্রাজি লিচু পরিপক্ব হয়ে মে মাসের শেষের দিকে, বোম্বাই ও বেদেনা পরিপক্ব হয় জুন মাসের ১০ তারিখের পর, এবং সবশেষে পরিপক্ব হয় চায়না -৩ লিচু। তিনি জানান, এবার আবহাওয়ার কারণে লিচুর ফুল আসতে দেরি হয়। এই কারণে এবার লিচু পরিপক্ব হতে আরও সময় লাগবে। কিন্তু ইতিমধ্যে ব্যাপক হারে অপরিপক্ব লিচু বাজারে আনতে শুরু করেছে লিচুর বাগান মালিকরা। এসব লিচুর স্বাদ এখনও হয়নি বলে তিনি জানান। তিনি পরিপক্ব হওয়ার পর লিচু বাজারে আনার জন্য বাগান মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

সখীপুরে বোরো ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা
                                  

বাদল হোসাইন, সখীপুর (টাংগাইল) : বোরো ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার চাষিরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে উপজেলা জুড়ে। তবে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে বেশ সংশয়ে রয়েছে তারা। পাশাপাশি ধান কাটার শ্রমিক নিয়ে বেশ ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, উপজেলায় চলতি মৌসুমে ধান চাষ হয়েছে ১৫ হাজার ৯২৫ হেক্টর জমিতে। বোরো ধান উৎপাদনের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮৭ হাজার ৫৮৭ টন। এ বছর উচ্চফলনশীল ব্রি-২৮, ২৯, ৮৯, ৯২ এবং হাইব্রিড জাতের ধান এবং দেশি জাতের ধান চাষ করেছেন কৃষকরা। পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কম থাকায় ফলনও হয়েছে ভালো।প্রতি বছর পার্শবর্তী ময়মনসিংহ, ফুলবাড়িয়া, শেরপুর, জামালপুর, কুড়িগ্রামসহ বেশ কয়েকটি জেলা ও উপজেলা থেকে কৃষি শ্রমিকরা এসে জমির ধান কাটতেন। তবে এ বছর করোনায় দীর্ঘ সময় ধরে লকডাউনের কারণে কৃষি শ্রমিকের সংকট দেখা দিয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন এবং কৃষি অফিস নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ধান কাটার শ্রমিক আনা নেওয়ার ব্যবস্থা করলেও, করোনার হাত থেকে রক্ষায় অনেক কৃষি শ্রমিক কাজে আসতে অনীহা প্রকাশ করছেন। ফলে ধান কাটা নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে চাষিদের। উপজেলা ঘুরে দেখা যায়, যারা আগাম জাতের বোরো চাষ করেছেন তারা এখন ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনেকে আবার জমিতে কেটে রাখা ধান ঘরে তোলা নিয়ে ব্যস্ত। তবে যেসব জমিতে অপেক্ষাকৃত দেরিতে ধান রোপণ করা হয়েছিল সেসব জমির ধান কাটামাড়া আগামী এ সপ্তাহের মধ্যে শুরু হবে। উপজেলার বোয়ালী গ্রামের কৃষক জাকির হোসেন বলেন, ‘চলতি মৌসুমে তিন একর জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছি। প্রতি একরে ৬০ থেকে ৭০ মণ ফলন পাবো বলে আশাবাদি। এরই মধ্যে ধান কাটা শুরু করেছি। প্রায় অর্ধেক জমির ধান কেটে বাড়িতে নিয়ে গেছেন বলেও জানান তিনি। সখীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম জানান, উপজেলার ৮১ শতাংশ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে। চলতি মৌসুমে প্রায় ১৫ হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

গাইবান্ধায় বেড়েছে কাউন চাষ
                                  

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : এক সময়ের জনপ্রিয় ফসল কাউন রয়েছে বিলুপ্তির পথে। তবে গাইবান্ধায় এ ফসল চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। নতুন উদ্ভাবিত বারী কাউন-২ জাতের কাউনের ফল ভালো হওয়ায় সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখছেন তারা। জানা যায়, গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বালু চরে কাউন চাষ করা হচ্ছে। গাইবান্ধা কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের সরেজমিন বিভাগের তত্ত্বাবধানে নতুন উদ্যোমে চাষ শুরু করেছেন কৃষকরা। সাঘাটা উপজেলায় যমুনা নদী দ্বারা বেষ্টিত চরাঞ্চলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হলদিয়া, কানাইপাড়া, গাড়ামারা, দীঘলকান্দী, চিনিরপটল, কুমারপাড়া, কালুরপাড়া ও পাতিলবাড়িসহ বিভিন্ন চরের কৃষকরা কাউন চাষ শুরু করেছে। একসময় কাউনের চালের ভাত, পায়েস ও পান্তা খেয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো চরাঞ্চলের মানুষ। সে কাউন বর্তমানে আর দরিদ্র মানুষের খাবার নয়। কাউনের চালের পিঠা, পায়েস ও মলাসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী গ্রামবাঙলার পাশাপাশি শহরের মানুষের শখের খাবারে পরিণত হয়েছে। একসময় গাইবান্ধার চরাঞ্চল জুড়ে ছিল শুধু বালু আর বালু। সময়ের সঙ্গে সেখানে পলি পড়ে এ বালুময় চরাঞ্চল ফসল ফলানোর উপযোগী হয়েছে। গাইবান্ধা কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে প্রায় দুই হাজার বিঘা জমিতে কাউন চাষ করা হয়েছে। সাঘাটার চিনিরপটল চরের কৃষক আমিনুল ইসলাম বলেন, চরের একজন কৃষক ১৫-২০ বিঘা পর্যন্ত জমি কাউনের চাষ করতে পারেন। এরআগে দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা ব্যয়ে দেশি জাতের কাউনের আবাদ করে প্রতি বিঘায় চার-পাঁচ মণ ফলন হতো। ফলন ও দাম ছিল অনেক কম। ফলে লাভ না হওয়ায় কাউন চাষের প্রতি আগ্রহ হারান কৃষকরা। হলদিয়া ইউনিয়নের দীঘলকান্দি গ্রামের মইনুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে বারী কাউন-২ জাতের প্রতি বিঘা জমিতে উৎপাদন হয় ১০-১২ মণ। দেশীয় জাতের তুলনায় ফলন প্রায় তিনগুণ। আর প্রতি মণ কাউন বাজারে বিক্রি হয় ১৬০০-১৭০০ টাকায়। তিনি আরও বলেন, কাউন চাষে খরচ কম সেইসঙ্গে লাভ বেশি। এদিকে বাজারে চাহিদাও রয়েছে কাউনের। এ কারণে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে আবাদ শুরু করেছি। হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী জাগো নিউজকে বলেন, দেশি জাতের ফলন কম হওয়ায় কাউনের আবাদ থেকে মুখ ফিরে নিয়েছিল কৃষকরা।

ফলন ভালো না হলেও দামে খুশি মুগডাল চাষিরা
                                  

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : অনাবৃষ্টির কারণে পটুয়াখালীতে এবার মুগডালের ফলন ভালো না হলেও বাজারে দাম থাকায় খুশি কৃষকরা। ভালো দামে বিক্রি করে লোকসান কাটিয়ে ওঠার আশা করছেন এখানকার মুগডাল চাষিরা।
জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মুগডাল মণ প্রতি ৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। দূর-দূরান্ত থেকে পাইকার ও মহাজনরা এসে ভিড় করছেন পটুয়াখালীর বিভিন্ন হাট-বাজারে। কিনে নিয়ে যাচ্ছেন কৃষকের উৎপাদিত মুগডাল। কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলায় মোট ৯৭ হাজার ১৩২ হেক্টর জমিতে মুগডাল চাষ হয়েছে। এবছর বৃষ্টি না হওয়ায় মুগডালের ফলন কম হয়েছে। কিন্তু বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় ক্ষত পোষাতে পারবেন কৃষকরা। সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষকরা ক্ষেত থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মুগডাল ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ আবার ডাল মাড়াই করে রোদে শুকানোর কাজে ব্যস্ত। স্থানীয় মুগডাল চাষি আবুল হাসেম জানান, এবার পানি না পাওয়ায় মুগডালের ফলন তেমন ভালো হয়নি। গাছে পোকায়ও আক্রমণ করেছে। তবে আশার কথা হল এবার মুগের বাজার দর ভালো। আমি মঙ্গলবার (৪ মে) পুরাণ বাজার হাটে মণ ৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করেছি। পটুয়াখালীর বাউফল থেকে আসা এক পাইকার জানায়, পুরাণ বাজার থেকে ৪০ মণ মুগডাল কিনেছি। মণ প্রতি ৩ হাজার ২০০ টাকায় এবার মুগডাল কিনতে হয়েছে। গতবার দাম কিছুটা কম ছিল। পটুয়াখালী জেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এ কে এম মহিউদ্দিন বলেন, অনাবৃষ্টির কারণে মুগ ফসলের ক্ষতি হয়েছে। তবে বাজারে মুগডালের ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে। এতে মুগডাল চাষিরা তাদের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন।


   Page 1 of 17
     কৃষি সংবাদ
দেশের সর্ববৃহত মাল্টা বাগান গড়ে উঠেছে পঞ্চগড়ে
.............................................................................................
বগুড়ায় চিচিঙ্গা চাষ করে স্বাবলম্বি কৃষকরা
.............................................................................................
মির্জাগঞ্জে আউশের বাম্পার ফলন
.............................................................................................
ঠাকুরগাঁওয়ে কাঠালের বাম্পার ফলনেও দাম নেই
.............................................................................................
কুমারখালীতে ক্রমেই বাড়ছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু
.............................................................................................
জেলে থেকে মৎস্য হ্যাচারির মালিক যতীন্দ্র চন্দ্র বর্মণ
.............................................................................................
শায়েস্তাগঞ্জে বাণিজ্যিকভাবে সুইট লেডি পেঁপে চাষে স্বাবলম্বী মিল্লাদ
.............................................................................................
সখীপুরে লেবু চাষে সফল তরুণ উদ্যোক্তা মোফাজ্জল হোসেন
.............................................................................................
দিনাজপুরে ভুট্রা চাষে ঝুঁকছে কৃষকরা
.............................................................................................
সোনালী ধান ঘরে তুলতে পেরে খুশি
.............................................................................................
বৃষ্টি আর পরিবহন সংকটে ক্ষতির মুখে বীরগঞ্জের সবজি চাষিরা
.............................................................................................
দিনাজপুরে বোরো ধান চাষে কৃষকের মুখে হাসি
.............................................................................................
বীরগঞ্জে অপরিপক্ক লিচুতে বাজার সয়লাব
.............................................................................................
সখীপুরে বোরো ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা
.............................................................................................
গাইবান্ধায় বেড়েছে কাউন চাষ
.............................................................................................
ফলন ভালো না হলেও দামে খুশি মুগডাল চাষিরা
.............................................................................................
বৈরী আবহাওয়ায় ঝরে পড়ছে আম-লিচু শঙ্কায় বাগান মালিকরা
.............................................................................................
দীর্ঘদিন ধরে পাকচং ঘাস চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন সাবলম্বী কৃষকরা
.............................................................................................
পঞ্চগড়ের এক মৌসুমে তিন ফসল
.............................................................................................
লালপুরে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন ভঙ্গ
.............................................................................................
দাগনভূঞায় আয়েশা ডেইরি ফার্মের সফল উদ্যোক্তা তুহিন
.............................................................................................
দাগনভূঞায় আয়েশা ডেইরি ফার্ম ও অনাবাদিকে আবাদে পরিকল্পনার সফল উদ্যোক্তা তুহিন
.............................................................................................
মানিকছড়িতে সৌর বিদ্যুতের প্যানেলে চলছে আধুনিক চাষাবাদ
.............................................................................................
দেওয়ানগঞ্জ বালুঝড়ে বোরোধানের ব্যাপক ক্ষতি
.............................................................................................
স্ট্রবেরি চাষ করে লাভবান যশোরের আব্দুল আলীম
.............................................................................................
মির্জাগঞ্জে তরমুজের বাম্পার ফলন
.............................................................................................
কাল বৈশাখি ঝড়ে লন্ডবন্ড সিলেটে সূর্যমুখী বাগানগুলো
.............................................................................................
কুলাউড়ায় বিভিন্ন চা বাগানে চা পাতা উত্তোলন শুরু
.............................................................................................
যমুনেশ্বরীর বুকে বোরোচাষ
.............................................................................................
পাইকগাছায় সজিনার ব্যাম্পার ফলন
.............................................................................................
কুল চাষে সফল আজগর আলী
.............................................................................................
হাকালুকি হাওরে এখন সূর্যমুখী
.............................................................................................
বীরগঞ্জ বাজারে উঠতে শুরু করেছে নতুন তরমুজ
.............................................................................................
মেক্সিকো ও আমেরিকার ‘চিয়া’ চাষ হচ্ছে ঝিনাইদহে
.............................................................................................
জগন্নাথপুরে এবার সূর্য্যমুখির বাম্পার ফলন
.............................................................................................
রায়গঞ্জের খালবিল এখন ধান ও মাছ চাষের পুকুর
.............................................................................................
রংপুরে বাড়ছে আলুর দাম
.............................................................................................
গোয়াইনঘাটে সূর্যমুখীর বাম্পার ফলন
.............................................................................................
ত্বীন ফলের চাষ দিনাজপুরে
.............................................................................................
তিস্তা চরের পতিত জমিতে সবজি চাষ
.............................................................................................
বিষমুক্ত নিরাপদ ফল চাষে ঝুঁকছে চাষীরা
.............................................................................................
সঙ্কট না থাকলেও সিন্ডিকেটের কারণে বাড়ছে সারের দাম
.............................................................................................
শায়েস্তাগঞ্জ সীম চাষে স্বাবলম্বী সোহাগ
.............................................................................................
দাগনভূঞা অনাবাদি জমিতে চাষাবাদ
.............................................................................................
হরিনাকুণ্ডতে সূর্যমুখী ফুল চাষে ঝুকছে কৃষকরা
.............................................................................................
লক্ষমাত্রা ১১ হাজার হেক্টর জমিতে ঝালকাঠিতে বোরো চাষ
.............................................................................................
স্ট্রবেরি চাষে সাবলম্বী দেলোয়ার
.............................................................................................
ভুট্টায় স্বপ্ন দেখছে কাজিপুরের যমুনা চরের কৃষকরা
.............................................................................................
গোয়াইনঘাটে সবজি চাষে স্বাবলম্বী দিদার
.............................................................................................
আনোয়ারায় নিরাপদ সবজি চাষ উপজেলা প্রশাসনের সাফল্য
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop