| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > ইবি ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি   > ‘ভোটে বিচ্যুতি হলে সরকার হটানোর আন্দোলন’   > পর্দা নয় এবার বাস্তবে বাংলাদেশি ‘ভাইজান’কে দেখল ভারতবাসী!   > সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে : প্রধানমন্ত্রী   > মেডিকেল শিক্ষার্থীর দায়বদ্ধতা রয়েছে জনগণের কাছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী   > হেলিকপ্টার থেকে প্রধানমন্ত্রীর মোবাইলে পদ্মা সেতুর ছবি   > পাকিস্তানের জয়ের পর শোয়েব মালিকের টুইটবার্তা   > সীমান্ত হত্যা: বিএসএফের `গরু পাচার` যুক্তি মানছে না বিজিবি   > ১৩ অভিজাত ক্লাবে জুয়ার বিষয়ে রায় আগামী ২৮ জানুয়ারি   > মুজিববর্ষে বিএসএমএমইউতে বিনামূল্যে চিকিৎসা  

   কৃষি সংবাদ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ফসলী জমির মাটি যাচ্ছে শরীয়তপুর-নাগেরপাড়া সড়কে

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : ফসলী জমির মাটি ইট ভাটায় নেয়া শরীয়তপুরের ইতিহাসে পূরনো ঘটনা কিন্তু অবৈধ খননযন্ত্র (ড্রেজার)

দিয়ে ফসলী জমির মাটি নিয়ে রাস্তা নির্মাণের ঘটনাও দৃশ্যমান হল শরীয়তপুরে।

এতে পার্শ্ববর্তী ফসলী জমি হুমকিতে পড়ছে বলে জানিয়েছে জমির মালিকগণেরা।

দেখা গেছে, মংলা-চট্টগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কের শরীয়তপুর অংশের আমিন বাজার-নাগেরপাড়া সড়কে কার্পেটিং রাস্তা প্রসস্তুকরণ সহ সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে।

সেই সড়কে মুন্সীরহাট বাজারের পার্শ্ববর্তী উত্তর ভদ্রচাপ এলাকায় রাস্তা প্রসস্তকরণের জন্য ভ্যাকু মেশিন দিয়ে সড়কের দুই পাশে গভীর গর্ত করা হয়েছে।

সড়কের সেই গর্ত ভড়াট করার জন্য ঠিকাদার মাসুদ স্থানীয় সুমন মীরদের ফসলী জমিতে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে জমির তলদেশ থেকে বালু উত্তোলন করছেন।

এতে পার্শ্ববর্তী ফসলী জমি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন জমির মালিকগণ।

সুমন মীর বলেন, ঠিকাদার আমাকে প্রস্তাব করেছে প্রতি ঘণফুট মাটির জন্য আমাকে ২ টাকা দর দিবে।

আমি হিসাব করে দেখলাম প্রতি শতাংশ জমি থেকে আমি ২০/৩০ হাজার টাকারও বেশী মাটি উত্তোলন করতে পারব।

অনেক টাকা ইনভেস্ট করেও আমি সেই পরিমান ফসল পাব না।

তাই ফসলী জমি থেকে মাটি বিক্রি করতে রাজী হই।

এতে পার্শ্ববর্তী জমি ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা আছে কিনা তা নিয়ে ভাবছি না।

পার্শ্ববর্তী জমির মালিকগণ জানায়, এক সপ্তাহের বেশী সময় ধরে ড্রেজার বসানো হয়েছে।

রাতদিন করে ড্রেজার চালাচ্ছে। সুমন মীরদের জমি থেকে প্রায় ১৫/২০ ফুট গভীর করে মাটি উত্তোলন করছে।

এখন আমাদের জমি সহকারে ফাটল ধরেছে।

দ্রুত মাটি উত্তোলন বন্ধ না করলে আমাদের তিন ফসলী জমি নষ্ট হয়ে যাবে।

ড্রেজার মালিক মোকসেদ মাদবর বলেন, ঠিকাদার মাসুদ আমার সাথে চুক্তি করেছে।

জমি থেকে যত ঘণফুট মাটি ড্রেজার দিয়ে রাস্তায় উঠিয়ে দিব তার প্রতি ঘণফুট মাটির জন্য আমাকে ৪ টাকা করে দিবে।

ড্রেজার দিয়ে ফসলী জমির কাটা অবৈধ তাও আমি জানি। ঠিকাদার বলেছে যত বাঁধা আসবে তা সে মোকাবিলা করবে।

ঠিকাদার মাসুদ বলেন, পরীক্ষামূলক ভাবে একটা জমিতে ড্রেজার বসিয়েছি।

যদি বালুর সন্ধান মিলে তাহলে ড্রেজার চলবে। নয়তো ড্রেজার বন্ধ করে দিব।

 

ফসলী জমির মাটি যাচ্ছে শরীয়তপুর-নাগেরপাড়া সড়কে
                                  

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : ফসলী জমির মাটি ইট ভাটায় নেয়া শরীয়তপুরের ইতিহাসে পূরনো ঘটনা কিন্তু অবৈধ খননযন্ত্র (ড্রেজার)

দিয়ে ফসলী জমির মাটি নিয়ে রাস্তা নির্মাণের ঘটনাও দৃশ্যমান হল শরীয়তপুরে।

এতে পার্শ্ববর্তী ফসলী জমি হুমকিতে পড়ছে বলে জানিয়েছে জমির মালিকগণেরা।

দেখা গেছে, মংলা-চট্টগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কের শরীয়তপুর অংশের আমিন বাজার-নাগেরপাড়া সড়কে কার্পেটিং রাস্তা প্রসস্তুকরণ সহ সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে।

সেই সড়কে মুন্সীরহাট বাজারের পার্শ্ববর্তী উত্তর ভদ্রচাপ এলাকায় রাস্তা প্রসস্তকরণের জন্য ভ্যাকু মেশিন দিয়ে সড়কের দুই পাশে গভীর গর্ত করা হয়েছে।

সড়কের সেই গর্ত ভড়াট করার জন্য ঠিকাদার মাসুদ স্থানীয় সুমন মীরদের ফসলী জমিতে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে জমির তলদেশ থেকে বালু উত্তোলন করছেন।

এতে পার্শ্ববর্তী ফসলী জমি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন জমির মালিকগণ।

সুমন মীর বলেন, ঠিকাদার আমাকে প্রস্তাব করেছে প্রতি ঘণফুট মাটির জন্য আমাকে ২ টাকা দর দিবে।

আমি হিসাব করে দেখলাম প্রতি শতাংশ জমি থেকে আমি ২০/৩০ হাজার টাকারও বেশী মাটি উত্তোলন করতে পারব।

অনেক টাকা ইনভেস্ট করেও আমি সেই পরিমান ফসল পাব না।

তাই ফসলী জমি থেকে মাটি বিক্রি করতে রাজী হই।

এতে পার্শ্ববর্তী জমি ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা আছে কিনা তা নিয়ে ভাবছি না।

পার্শ্ববর্তী জমির মালিকগণ জানায়, এক সপ্তাহের বেশী সময় ধরে ড্রেজার বসানো হয়েছে।

রাতদিন করে ড্রেজার চালাচ্ছে। সুমন মীরদের জমি থেকে প্রায় ১৫/২০ ফুট গভীর করে মাটি উত্তোলন করছে।

এখন আমাদের জমি সহকারে ফাটল ধরেছে।

দ্রুত মাটি উত্তোলন বন্ধ না করলে আমাদের তিন ফসলী জমি নষ্ট হয়ে যাবে।

ড্রেজার মালিক মোকসেদ মাদবর বলেন, ঠিকাদার মাসুদ আমার সাথে চুক্তি করেছে।

জমি থেকে যত ঘণফুট মাটি ড্রেজার দিয়ে রাস্তায় উঠিয়ে দিব তার প্রতি ঘণফুট মাটির জন্য আমাকে ৪ টাকা করে দিবে।

ড্রেজার দিয়ে ফসলী জমির কাটা অবৈধ তাও আমি জানি। ঠিকাদার বলেছে যত বাঁধা আসবে তা সে মোকাবিলা করবে।

ঠিকাদার মাসুদ বলেন, পরীক্ষামূলক ভাবে একটা জমিতে ড্রেজার বসিয়েছি।

যদি বালুর সন্ধান মিলে তাহলে ড্রেজার চলবে। নয়তো ড্রেজার বন্ধ করে দিব।

 

দিনাজপুরে আগাম আলু চাষ
                                  

দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরে আগাম আলু চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনুকুল আবহাওয়া ও অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করায় এবার

এ অঞ্চলে আগাম আলু’র ভালো ফলন হয়েছে। এ জেলার আলু যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। আগাম আলুর দাম ভালো পাওয়ায় ঘুরছে অনেক কৃষকের ভাগ্যের চাকা।
দিনাজপুরের বিস্তৃর্ণ ফসলের মাঠ জুড়ে এখন আগাম আলু’র সমারোহ। আগাম আলু পরিচর্যা ও উত্তোলনে ব্যস্ত কৃষক।

এ আগাম আলু চাষের ফলে কৃষকের পাশাপাশি শ্রমিকদেরও সৃষ্টি হয়েছে কর্মসংস্থানের।
বিভিন্ন উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের আলু আবাদ করেছেন কৃষক। এ জাতের আলু চাষ করে তারা প্রতি বিঘা জমি থেকে লাভ করছেন ৪০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা।
দিনাজপুর জেলার ১৩ টি উপজেলায় এবার ৪০ হাজার এক’শ ৩২ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর মধ্যে আগাম জাতের আলু চাষ হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় অর্ধেক জমিতে। এর মধ্যে সদর ও বীরগঞ্জ উপজেলাতে হয়েছে সবচেয়ে বেশী।

দাম ভালো পাওয়ায় কৃষক ক্ষেতেই বিক্রি করছেন আলু। এছাড়াও আগাম জাতের আলু বেচা-কেনাকে কেন্দ্র করে জেলায় গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি আলুর মৌসুমি হাট।

বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকারেরা এসে এসব আলু কিন নিয়ে যাচ্ছেন ।

জেলার চাহিদা মিটিয়ে এসব আলু চলে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।
লাভ জনক ফসল হওয়ায় আগাম আলু চাষে কৃষকদের সহযোগিতা ও পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

উপ-পরিচালক তৌহিদুল ইকবাল জানান, সদর ও বীরগঞ্জ উপজেলাতে হয়েছে সবচেয়ে বেশী হয়েছে আগাম জাতের আলু চাষ।

দাম ভালো পাওয়ায় কৃষক ক্ষেতেই বিক্রি করছেন আলু।
দিগন্ত বিস্তৃত ক্ষেতেই জানান দিচ্ছে, এ অঞ্চলে আগাম আলু চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই আগাম আলু চাষ করে ঘুরছে, অনেক কুষকের ভাগ্যের চাকা।

সংশ্লিষ্ট বিভাগের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে এবং এই আগামজাতের আলুর ভালো দাম পেলে

এ অঞ্চলে আগামীতে আগাম আলু চাষ পরিধি আরো বেড়ে যাবে এমনটাই মন্তব্য করেছেন কৃষিবিদরা। শাহ্ আলম শাহী-চ্যানেল আই দিনাজপুর) ।

 

বিলুপ্তির পথে শস্যভান্ডার প্রাচীন ঐতিহ্য ধানের গোলা
                                  

শুভ কুমার ঘোষ, সিরাজগঞ্জ : শস্য ভান্ডারখ্যাত দেশের বৃহত্তর চলনবিল অঞ্চলের প্রাচীন ঐতিহ্য ধানের গোলা প্রায় বিলুপ্তির পথে।

এ অঞ্চলের ৫টি জেলার প্রায় ২০টি উপজেলায় এখন আর ধানের গোলা তেমন চোখে পরে না। কোথাও কোথাও ধানের গোলার খোঁজ মেলা দায় হয়ে পড়েছে।

তাই বলা যায় সিরাজগঞ্জ-পাবনাসহ সমগ্র চলনবিল অঞ্চলে গ্রাম বাংলার সেই ধানের গোলা ভবিষ্যত প্রাজন্মর কাছে ক্রমে ক্রমেই অপরিচিত হয়ে উঠছে।

অদূর ভবিষ্যতে হয়তো জাদুঘরে এই ধানের গোলা দেখতে হতে পারে।  জানা গেছে, কৃষকের সমৃদ্ধির প্রতীক ধানের গোলা এখন বিলুপ্ত হয়ে গেছে প্রায়।

অধিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে কৃষি জমিতে এখন তৈরি হচ্ছে বসবাসযোগ্য ঘরবাড়ি। হারিয়ে যাচ্ছে কৃষিক্ষেত ও কৃষকের ঐতিহ্যবাহী গোলা।

বর্তমানে মাঠের পর মাঠ ধানক্ষেত থাকলেও অধিকাংশ কৃষকের বাড়িতে নেই ধান মজুদ করে রাখার বাঁশ, বেত ও কাদা দিয়ে তৈরি গোলাঘর।

অথচ একসময় সমাজের নেতৃত্ব নির্ভর করতো কার কয়টি ধানের গোলা আছে। বর-কনে পাত্র করতেও ধানের গোলার খবর নিত বর-কনের লোকজন।

যা এখন শুধুই কল্পকাহিনি। গ্রামাঞ্চলে বাড়িতে বাড়িতে বাঁশ দিয়ে গোলাকৃতির তৈরি ধানের গোলা বসানো হতো উঁচুতে।

কৃষকরা ধান কাটার মৌসুম এলেই পাটনিদের কাছে ধান রাখার গোলা তৈরির জন্য খবর দিত। তারা বাড়িতে এসে বাঁশ দিয়ে তৈরি করত গোলা।

সিরাজগঞ্জ জেলার বিল অঞ্চল এলাকায় অধিক জমির কৃষকদের ধানের গোলা দেখা যেত মিসরের পিরামিড আকৃতির মতো।

দেখা যেত অনেক দূর থেকে। কৃষি অধ্যুষিত এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে বাঁশ, বাঁশের বাতা ও কঞ্চি দিয়ে প্রথমে গোল আকৃতির কাঠামো তৈরি করা হতো।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে বর্গ বা আয়তক্ষেত্র আকারে গোলা তৈরি করা হতো। এঁটেল মাটির কাদা তৈরি করে ভিতরে ও বাইরে আস্তর লাগিয়ে দিত।

এর প্রবেশপথ রাখা হতো বেশ ওপরে, যেন চোর/ডাকাত চুরি করতে না পারে। সেই সঙ্গে ইদুরও ধানের গোলায় ঢুকে ক্ষয়ক্ষতি করতে পারতো না।

ধানের গোলা বসানো হতো উঁচুতে। গোলার মাথায় থাকত বাঁশ ও খড়ের তৈরি বা টিনের তৈরি ছাউনি। গোলায় শুকানো ভেজা ধানের চাল হতো শক্ত।

কিন্তু সম্প্রতি রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও আধুনিক কলের লাঙ্গল যেন উল্টে-পাল্টে দিয়েছে কৃষি অঞ্চলের চিত্র। গোলায় তোলার ধান আর তাদের থাকে না।

গোলার পরিবর্তে কৃষকরা ধান রাখা শুরু করে বাঁশের তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতি ডোলায়। ধান আবাদের উপকরণ কিনতেই কৃষকের বিস্তর টাকা ফুরায়।

বর্তমানে সংসারে যেটুকু খাদ্যের প্রয়োজন, তা কৃষকরা চটের বস্তা বা ব্যারেলভর্তি করে রাখছে আউশ, আমন ও বোরো মৌসুমে উৎপাদিত ধান-চাল।

নব প্রজন্মের কাছে গোলাঘর একটি স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে। এখন আধুনিক গুদামঘর ধান-চাল রাখার জায়গা দখল করছে।

ফলে গোলাঘরের ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে। শুধু কি তাই? কাঠের নাঙ্গল, ঢেকি, কাঠের উলকিসহ বিভিন্ন প্রাচীন এসব সমগ্রী বিলুপ্তির পথে।

সেই সাথে গ্রাম বাংলার ঐহিত্য হিসেবে ধনীদের বাড়িতে থাকতো কাচারি ঘর বা বৈঠক খানা। সেই ঐহিত্য গ্রাম বাংলা থেকে এখন হারিয়ে যাচ্ছে।

তাই গ্রাম বাংলার প্রাচীন ঐহিত্যগুলো ধরে রাখার জন্য প্রাযোজনীয় ব্যবস্থা জরুরীভাবে গ্রহন করা উচিত।

অন্যথায় ভবিষ্যত প্রজম্ম এ প্রাচীন এতিহ্য দেখতে জাদুঘরেই যেতে হবে।

 

 

কৃষিকে শতভাগ যান্ত্রিকিকরণ ও বহুমুখীকরণ করা হবে : কৃষিমন্ত্রী
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : আগামী  থেকে  বছরের মধ্যে কৃষিকে শতভাগ যান্ত্রিকিকরণ  বহুমুখীকরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত করে রফতানি করা হবে। এজন্য জাপানের সহযোগিতা প্রয়োজন।

 রবিবার সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত এইচ. ই. নোকি ইতো’র সাথে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে পাশে থাকা জাপান এবার কৃষি উন্নয়নেও বাংলাদেশের পাশে থাকবে। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ কাজের সহযোগিতার জন্য জাপানের রাষ্ট্রদূতকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য, এ টার্মিনাল নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এতে সরকার দেবে ৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ আসবে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) থেকে। জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং কোরিয়ার স্যামসং একটি কনসোর্টিয়াম হিসেবে টার্মিনালের নির্মাণকাজ করবে।

সিরাজগঞ্জে মৌ চাষীরা ঝুঁকিতে
                                  

শুভ কুমার ঘোষ, সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ জেলায় চলতি মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ সরিষার চাষ হওয়ার পাশাপাশি সেই সরিষার ফুল থেকে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৌ চাষীরা। সিরাজগঞ্জের চলনবিল অঞ্চলসহ জেলার বিস্তীর্ন মাঠজুড়ে হলুদের সমারোহে একাকার। এসব ক্ষেতের পাশে বসানো হয়েছে সারি সারি মৌ বক্স।

আর এসব বক্সে থাকা মৌমাছির গুনগুন শব্দে মুখরিত চারিদিক। মৌ চাষীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন মধু সংগ্রহে।

তবে একই সঙ্গে আশংকা করছেন লোকসানেরও। আবহাওয়া অনুকুলে না থাকায় আশানুরূপ মধু সংগ্রহ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন মৌ-চাষিরা।

পাশাপাশি মধু শিল্পের উন্নয়নের জন্য আর্থিক ঋণ ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবি তাদের।

জেলার সংগ্রহ করা উন্নতমানের মধু পাইকারী ২০০-২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলেও জানান তারা।

কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, জেলায় এ বছর প্রায় ২০ হাজার মৌ বক্স স্থাপন করা হয়েছে।

এ বছর সর্বোচ্চ মধু উৎপাদন করে সারা দেশের মধ্যে প্রথম হবে সিরাজগঞ্জ জেলা বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

তবে মধুর কাঙ্খিত দাম না পাওয়ায় লোকসানের আশংকাও করছেন মৌ চাষীরা।

একাধিক মৌ খামারের মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানাযায়, ২৫০ টি মৌ বক্স থেকে প্রতি সপ্তাহে ৮ থেকে ১০ মন মধু সংগ্রহ করা যায়।

সরিষার ক্ষেত এলাকায় মৌ বক্স স্থাপনের কারনে সরিষার ফলনও বৃদ্ধি পায় বলেও জানান তারা।

খাঁটি মধু পেতে অনেক ছোট বড় ক্রেতা মাঠে এসে মধু সংগ্রহ করেন বলেও জানাযায়।

একাধিক মৌ চাষী জানান, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মধু সংগ্রহ করতে পাইকারি ব্যাবসায়ীরা ছুটে আসেন তবে মধু সংরক্ষণ, সঠিক ভাবে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের সঠিক ব্যবস্থা না থাকায় কাঙ্খিত দাম না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে মৌ চাষীদের।

মৌ চাষীদের সঙ্গে কথা বলারত  সময়েই মাঠে মধু ক্রয় করতে আসেন রুহুল আমিন।

তিনি প্রতিবেদককে জানান, প্রতি বছরই আমি এই সময়ে মাঠ থেকে মধু সংগ্রহ করে থাকি। অন্যান্যবারে ন্যায় এবারেও প্রায় ১০ কেজি মধু সংগ্রহ করবো।

এই মধু সারা বছর পরিবার নিয়ে ব্যবহার করি। এখান থেকে মধু ক্রয় করলে ভেজাল মুক্ত খাটি মধু পাওয়া যায়।

এবিষয়ে সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক (ডিডি) মোঃ হাবিবুর হক জানান, সারা দেশের মধ্যে এ বছর জেলায় সর্বোচ্চ মধু উৎপাদন হওয়ার আশা করছেন কৃষি বিভাগ।

চলতি বছর জেলায় ৫০হাজার ৮শ ৭০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে।

যা গত বছরের চেয়ে ৩শত হেক্টর বেশি। ফলে জেলায় এ বছর প্রায় ২শত মেট্রিক টন মধু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এবছর সরিষার চাষ বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই মধু সংগ্রহও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সঙ্গে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধি দল
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : সফররত হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে ।

গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবের দপ্তরে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম ও সমিতির মহাসচিব অধ্যাপক এম কামরুজ্জামান এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

হার্ভার্ডের প্রতিনিধি দলে ছিলেন ডেমোক্রেটিক গভর্নেন্স অ্যান্ড ইনোভেশন ইউনিটের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ম্যালকম এফ ম্যাকফারসন, ডায়েউ ইন্টারন্যাশনাল এফেয়ার্সের অধ্যাপক এন্থনি সায়েক ও সিনিয়র ফেলো ইকবাল কাদির।

এই প্রতিনিধি দলটি বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিযোজন প্রক্রিয়ায় গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।

সভায় বাংলাদেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়াতে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা সম্পন্ন নতুন নতুন জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এক্ষেত্রে ভিয়েতনামের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো যেতে পারে বলেও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এন্থনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলে কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প স্থাপনের উপরও গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় অতিথিদের ‘ফার্ম ইকোনমি’ জার্নালের একটি কপি হস্তান্তর করা হয়।

বগুড়ায় হাইব্রিড পেঁপে চাষে বাম্পার ফলন
                                  

বগুড়া প্রতিনিধি : মাল্টা বাগানের আইলের পাশ দিয়ে পতিত জমিতে হাইব্রিড পেঁপের বাম্পার ফলন ফলিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন বগুড়ার শাজাহানপুরের জোকা গ্রামের আবু জাফর মাস্টার।
তার বাগানের প্রতিটি গাছে গড়ে দেড় মণ পেঁপে ধরেছে। এমন ফলন ফলিয়ে যে কেউ এক বিঘা জমিতে পেঁপে চাষ করে এক বছরেই বনে যাবেন লাখপতি।

তাই হাইব্রিড পেঁপে চাষ নিয়ে হৈ চৈ পড়েছে পুরো এলাকায়। হু হু করে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে চারা।
জোকা গ্রামের আবু জাফর মাস্টার। তার আবাদী জমির পরিমাণ ১৬ বিঘা। বড় ছেলে কৃষিবিদ মনিরুল ইসলাম সজলের পরামর্শে ৬ বিঘা জমিতে এ বছর মাল্টার বাগান করেছেন।

৩ খন্ড জমিতে থাকা মাল্টা বাগানের আইলের চারধারে পতিত জমিতে সুদুর তাইওয়ান থেকে আমদানীকৃত ফাষ্ট লেডি ভ্যারাইটির হাইব্রিড পেঁপে লাগিয়েছেন।
৬ মাস বয়সী প্রতিটি গাছে গড়ে দেড় মণ পেঁপে ধরেছে। সেগুলো পাকতেও শুরু করেছে। প্রতি কেজি পাকা পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায় আর সবজি হিসেবে কাঁচা পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকায়। আবু জাফর মাস্টার জানিয়েছেন, রোপনের ক্ষেত্রে চারা থেকে চারার দুরত্ব রাখতে হয় ৬ ফুট বাই ৬ ফুট।
এ হিসেবে ৩৩ শতকের একবিঘা জমিতে ৩৬৩টি গাছ লাগানো যায়। প্রতিটি গাছে দেড় মণ পেঁপে ফললে প্রতি বিঘায় মোট উৎপাদন দাঁড়ায় ৫ শ’ ৪৪ মণ।

সবজি হিসেবে প্রতি কেজি ১০ টাকা দামে বিক্রি করলেও এর বাজার মূল্য পাওয়া যাবে ২ লাখ ১৭ হাজার টাকা।
এছাড়া পেঁপে গাছের ফাঁকে ফাঁকে সাথী ফসল হিসেবে আদা চাষ করা হলে ১ বিঘা জমিতে অন্তত: ৫০ হাজার টাকার আদা ফলবে।

অপরদিকে ১ বিঘা জমি পত্তন, চারা ও বীজ ক্রয়, জমি চাষ, সেচ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ সব মিলিয়ে উৎপাদন খরচ পড়বে ৬০ হাজার টাকা।
ফলে যার জমি নেই এমন একজন ভূমিহীন চাষীও জমি পত্তন নিয়ে পেঁপে চাষ করে বছরে প্রায় দুই লাখ টাকা আয় করতে পারেন।
শাহ্নগর সবজি নার্সারি মালিক সমিতির সভাপতি আমজাদ হোসেন জানিয়েছেন, শুধু আবু জাফর মাস্টারই নয়, শাজাহানপুরের দুরুলিয়া গ্রামের নজরুল ইসলাম, শাহ্নগর গ্রামের আব্দুস সালামসহ বেশ কয়েক ব্যক্তি ফাস্ট লেডি, সুইট লেডি, রেড লেডি ইত্যাদি ভ্যারাইটির হাইব্রিড পেঁপে চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন।
তাদের এ সফলতা স্থানীয় সবজি চাষীদের ব্যাপক ভাবে আগ্রহী ও উৎসাহিত করেছে। ফলে গত ২ মাসে প্রায় ১০ হাজার হাইব্রিড পেঁপে চারা বিক্রি হয়েছে।

চারার দাহিদা বেড়ে যাওয়ায় নার্সারি গুলোতে পেঁপে চারা উৎপাদনের প্রস্তুতি চলছে জোরেসোরে।
আবু জাফর মাস্টারের পেঁপে বাগানে বাম্পার ফলনের কথা উল্লেখ করে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান জানিয়েছেন, এ ধরণের ফসল চাষ করে যে কেউ লাভবান হতে পারবেন। এতে একদিকে পতিত জমির সদ্ব্যবহার হবে। অপরদিকে দেশে সবজি ও ফলের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে।

 

অগ্রযাত্রার ৪৫ বছরে পদার্পণ মোংলা পোর্ট পৌরসভা
                                  

মনির হোসেন, মোংলা প্রতিনিধি ঃ হাঁটি হাঁটি পা পা করে প্রতিষ্ঠার ৪৪ বছর পেরিয়ে ৪৫ বছরে পদার্পন করল ঐতিহ্যবাহী মোংলা পোর্ট পৌরসভা।

১৯৭৫ সালের ১ ডিসেম্বর তৃতীয় শ্রেনীর সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে মোংলা পৌরসভা।

কালের পরিক্রমায় তৃতীয় শ্রেণীর পৌরসভাটি ধাপে ধাপে উন্নীত হয়ে প্রথম শ্রেণীর পৌরসভার মর্যাদা লাভ করেছে। ব্যাপক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞের কারনে দেশের প্রথম শ্রেণীর মডেল পৌরসভার পরিচিতিও পেয়েছে এ প্রতিষ্ঠানটি।

বিগত দিনে পৌর এলাকায় এডিবির অর্থায়নে বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। উন্নত বিশ্বের নাগরিক সেবার আদলে গড়ে তোলা হয়েছে পৌরসভার সবগুলো দপ্তরের কার্যক্রম।

শহরের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও তথ্য যোগাযোগের উন্নত সাউন্ড সিষ্টেম সহ অন্যান্য কার্যক্রমের কারনে পৌরসভার নাগরিক সেবায় পেয়েছে ভিন্ন মাত্রা।

আগামীদিনে পৌরসভাকে একটি অন্যতম পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ শুরু করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ।

পৌরসভার সকল স্থাপনাকে হোল্ডিং সুবিধার আওতায় এনে পৌর কর্তৃপক্ষ নিজস্ব অর্থায়নে বেশ কিছু উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে এবং আরো কিছু প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। ১৯৭৫-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মরহুম এম এ বাতেন।

১৯৮৮ -২০০৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মরহুম শেখ আব্দুল হাই, ২০০৩ - ২০০৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন আলহাজ্ব শেখ আব্দুস সালাম, ২০০৪ সাল থেকে ২০১১ সালের জানুয়ারী পর্যন্ত পৌরসভার মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন মোল্লা আব্দুল জলিল, ২০১১ সালের ১১ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে আলহাজ্ব জুলফিকার আলী মেয়র নির্বাচিত হয়ে এখনো দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

 

পিঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না : কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক
                                  

মোক্তার হোসেন, গাজীপুর প্রতিনিধি ঃ কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, দেশে যে কোন পন্যের মূল্য নির্ভর করে ডিমান্ড এন্ড সাপ্লাইয়ের উপর, অর্থাৎ কি পরিমান পণ্য চাহিদা রয়েছে আর কি পরিমান পণ্য সরবরাহ হচ্ছে তার উপর।

তাই দেশে পিঁয়াজের চাহিদার তুলনায় আমদানী অপ্রতুল হওয়ায় এবং মজুদ কম থাকায় পিঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

বাজারে পণ্য সরবরাহ কম হলে র‌্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনী কোন কিছু দিয়েই বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

অর্থনীতির প্রাথমিক সূত্রানুযায়ী পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণের মূল শক্তি হলো পণ্যের চাহিদানুযায়ী সরবরাহ করা।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের কৃষি প্রকৃতি নির্ভর। ইচ্ছা করলেই আমি নতুন জাত উদ্ভাবন করতে পারিনা।

গত বছর পিয়াঁজ হারভেস্টের সময় বৃষ্টিপাত হয়। এতে পিঁয়াজ নষ্ট হয়ে যায়। কৃষকরা পিঁয়াজ ঘরে মজুত রাখতে পারেনি।

এতে দেশে পিঁয়াজের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ভারত যে এভাবে পিঁয়াজের উপর নিষেধাজ্ঞা দেবে এটা আমরা বুঝতে পারিনি। এখানে হয়ত আমাদের ভুল থাকতে পারে।

আগেই আমাদের এসেসমেন্ট করা দরকার ছিল। জরিপ করা দরকার ছিল যে দেশে কতটন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। আমরা কতটা পিঁয়াজ আমদানি করব।

পিঁয়াজ আমদানী একটা দেশের উপর নির্ভর না করে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানির জন্য যোগাযোগ করা দরকার ছিল। সেটি হয়নি।

ভারত নিজেরাও পিঁয়াজ আমদানি করছে। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশেও পিঁয়াজের দাম অনেক বেশি।

কৃষিমন্ত্রী দেশে আমদানি হলেও পিঁয়াজের দাম না কমার বিষয়ে বলেন, আমাদের প্রয়োজন লক্ষ টন, সেখানে আমদানি হয় পাঁচশ টন, তিনশ টন। একটা প্লেনে আর কতটা পিঁয়াজ আমদানি করা যায়। দেশে পিঁয়াজের প্রয়োজন ২৫-২৬লক্ষ টন, সেখানে পাঁচশ টন, তিনশ টন কি হয়? তাই এক্ষেত্রে আমাদেরকে আরো সজাগ ও সচেতন হতে হবে।

বৃহস্পতিবার সকালে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক গাজীপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউটের বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালা-২০১৮-২০১৯-এ যোগ দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ওইসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, চালের বাজারে কোন অস্থিরতা নেই। কিন্তু কিছু মিডিয়ায় পেঁয়াজের বাজারের পাশাপাশি চালের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে এমন খবর প্রচার করছে।

বড়লোকেরা যে চাল পছন্দ করে সেই চিকন চালের দাম কিছুটা বাড়লেও মোটা চালের দাম তেমন বাড়েনি। তাহলে চালের বাজারে অস্থিরতা কোথায়?

মিডিয়ায় চালের মূল্যের অস্থিরতা নিয়ে কেন খবর প্রচার করছে তা আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।

কৃষকরা যাতে ন্যায্য মূল্য পান তাতে আমন মৌসুমে ছয় লাখ টন ধান কৃষকদের কাছ থেকে কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

কৃষকের প্রণোদনা এবং কম মূল্যে কৃষি সরঞ্জাম-সার সরবরাহেরও আশ্বাস দেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কে হবেন তা নির্ধারণ করবেন দলের সভানেত্রী।

দলের প্রধান হলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, উনি দলের সভানেত্রী। দলের সাধারণ সম্পাদক কে হবেন সেটা উনি কাউন্সিলরদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নির্ধারণ করবেন।

কাজেই আমি বা তোফায়েল আহমেদ সাহেব কিংবা ওবায়দুল কাদের সাহেব, জাহাঙ্গীর কবির নানক কেউ আমরা কোন ফ্যাক্টর নই।

গঠনতন্ত্র মোতাবেক আমাদের দলের সভানেত্রী এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। কাজেই দলের সাধারণ সম্পাদকও দলের গঠণতন্ত্র মোতাবেক হবে।

মন্ত্রী বলেন, আওয়ামীলীগ এ দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ও সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। এ দলটি প্রতিষ্ঠার পর হতে মূলনীতি আদর্শ থেকে কোনদিন বিচ’্যত হয়নি।

এদেশের সকল প্রগতিশীল আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে এবং সর্বোপরি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট হিসেবে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

নানা প্রতিক’লতার মধ্যেও আওয়ামীলীগ নীতি আদর্শের প্রতি অবিচল রয়েছে। আওয়ামীলীগ পরিচালিত হয় তার গঠনতন্ত্র ভিত্তিক ।

বিএনপি, জাতীয়পার্টিসহ অনেক রাজনৈতিক দল দেখবেন যে একটা বিবৃত্তি দিয়ে দলের প্রধান একজনকে সাধারন সম্পাদক থেকে সরিয়ে দিল, আরেকজনকে মনোনয়ন দিল।

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দিয়েছেন, উনি কিন্তু কোনদিন এটা করতে পারবেন না। গঠণতন্ত্র মোতাবেক তাকে এগুতে হয়।

আমাদের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদে মাত্র ৮১জন সদস্য রয়েছেন। এটা কমানো বাড়ানো কারো কাউকে বাদ দেয়া সবকিছুই গঠনতন্ত্র মোতাবেক হয়। তিনি বলেন, কোন উপজেলা কমিটিও ভাঙ্গার ক্ষমতা জেলা কমিটির নেই।

পরে কৃষিমন্ত্রী ব্রি অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালায় যোগ দেন।     

ব্রি’র মহাপরিচালক মো. শাহজাহান কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. কমলা রঞ্জন দাস, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস প্রফেসর ড. এমএ সাত্তার মন্ডল, বার্কের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. কবির ইকরামুল হক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মুঈদ বক্তব্য রাখেন।

এতে ‘গবেষণা অগ্রগতি ২০১৮-১৯’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্রি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. তমাল লতা আদিত্য।

ব্রি’র পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. কৃষ্ণ পদ হালদার এতে ধন্যবাদ সূচক বক্তব্য রাখেন।

কর্মশালায় কৃষিমন্ত্রী বলেন, ব্রি’র বিজ্ঞানীদের কল্যাণে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ এমনকি চাল উৎপাদনে উদ্ধৃত্ব অবস্থানে চলে এসেছে।

এখন নতুন চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে, আর সেটি হলো ধান উৎপাদন তথা সার্বিক কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থাকে কৃষকের জন্য লাভজনক করা।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের যে আয় হচ্ছে তা দিয়ে পুষ্টি জাতীয় খাবার পাওয়া সম্ভব নয়। পুষ্টি জাতীয় নিরাপদ খাবার নিশ্চয়তার জন্য মানুষের আয় বাড়াতে হবে।

কৃষকসহ সবার আয় বাড়াতে হবে, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। কৃষিকে লাভজনক করতে হবে। শুধু ধানের উপর নির্ভরশীল হলে হবেনা, এটাকে বহুমুখী করণ করতে হবে।

যদি কৃষিকে লাভজনক করা না যায়, তাহলে কেউ পুষ্টি জনক খাবার খেতে পারবে না। এজন্য সঠিকভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে।

তাই আগামীদিনে কৃষিকে লাভজনক করে মানুষের জীবনমান আরো উন্নত করার জন্য আমাদের সবাইকে পরবর্তী চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে হবে।

কৃষিমন্ত্রী ৬দিন ব্যাপি বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউটে বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালা-২০১৮-২০১৯ উদ্বোধন করেন।

কর্মশালায় ব্রি, বারি, বিএআরসি, ডিএই, ইরিসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা যোগ দেন।

৬দিন ব্যাপী কর্মশালার বিভিন্ন কারিগরী অধিবেশনগুলোতে গত এক বছরে ব্রি’র ১৯টি গবেষণা বিভাগ ও নয়টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের গবেষণা ফলাফল সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সামনে তুলে ধরা হবে।

 

ধান ক্রয়ে ‘কৃষকের অ্যাপ`
                                  

ডেস্ক রির্পোট : বাংলাদেশে ধান সংগ্রহ অভিযান নিয়ে অনিয়ম রোধে এবার বেশ কিছু জেলায় অ্যাপের মাধ্যমে আমন ধান সংগ্রহ কার্যক্রম চালানোর পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশের খাদ্য বিভাগ।

চলতি বছরের আমন ধান সংগ্রহ অভিযান ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছ গত ২০শে নভেম্বর থেকে, যা শেষ হবে আগামী ৮ই ফেব্রুয়ারি।

এবারে ২৬ টাকা কেজি দরে ছয় লাখ টন ধান কৃষকদের কাছ থেকে ক্রয় করবে সরকার।

এছাড়া মিল থেকে সাড়ে তিন লাখ টন চাল কিনবে কেজি প্রতি ৩৬ টাকা দরে।

সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী এ বছর কোন জেলা থেকে কত পরিমাণ ধান কেনা হবে তার একটি তালিকা করেছে কৃষি বিভাগ।

যদিও খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বলছেন, এখন মূলত কৃষকদের নাম নিবন্ধনের কার্যক্রম চলছে।

নিবন্ধন শেষ হওয়ার পর অ্যাপের মাধ্যমে ধান বিক্রির আবেদনের সুযোগ পাবেন কৃষকরা, বলছেন তিনি।

খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বলছেন `কৃষকের অ্যাপ` নামে এই অ্যাপটি তৈরি করেছে কম্পিউটার কাউন্সিল।

এখন অ্যাপে আগামী ৭ই ডিসেম্বর পর্যন্ত নিজেদের নাম ও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন কৃষকরা।

এরপর যাদের নাম অ্যাপে চলে আসবে তারা ই ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় পাবেন আবেদনের।

অর্থাৎ কৃষক তখন তার আবেদনে জানাবেন যে তিনি কোন জাতের ধান উৎপাদন করেছেন এবং কি পরিমাণ ধান তিনি বিক্রি করতে চান।

এসব তথ্য বিশ্লেষণের পর সফটওয়্যারের মাধ্যমে লটারি করে চূড়ান্ত করা হবে যে কাদের কাছ থেকে ধান কেনা হবে।

একই সাথে ডিজিটালি জানিয়ে দেয়া হবে যে তিনি কোথায় ধান বিক্রি করবেন এবং সেখানেই তাকে মূল্য পরিশোধে একটি চেকের প্রিন্ট কপি দেয়া হবে যা তিনি ব্যাংকে দেখিয়ে টাকা তুলতে পারবেন।

খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বলছেন, "ফলে ধান ক্রয়ের সময় মধ্যসত্ত্বভোগী দালাল কিংবা কর্মকর্তাদের মধ্যেও যদি কোনো অসাধু ব্যক্তি থাকে তারা আর অনিয়মের সুযোগ পাবেনা"।

খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বলছেন, তারা যে ১৬জেলায় অ্যাপটি এবার ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়েছেন সেখানকার কর্মকর্তা ও কৃষকদের বিষয়টি নিয়ে সচেতন করতে ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

খাদ্য বিভাগের জেলা ও থানা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেবাকেন্দ্রগুলো সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে অ্যাপটি ব্যবহার সম্পর্কে।

মহাপরিচালক বলেন, "কারও কাছে ফোন না থাকলেও বেশ কয়েকটি জায়গায় গিয়ে তারা নাম নিবন্ধন ও আবেদন করতে পারবেন।

আর নিবন্ধন একজনের জন্য একবারই চূড়ান্ত। ওই নিবন্ধন নাম্বার দিয়েই তিনি প্রতিবছর ধান বিক্রয়সহ বেশ কিছু কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন"।

অ্যাপের বৈশিষ্ট্য:

১.গুগল প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপটি যে কেউ ডাউনলোড করতে পারবেন।

২. এরপর এটি ব্যবহার করে কোনো ঝামেলা ছাড়াই কৃষক তার উৎপাদিত ধান ও চাল সরকারের কাছে বিক্রি করতে পারবেন।

৩. মিল মালিক ও কৃষক মোবাইলে ধান চালের চাহিদা, সরবরাহের তারিখ বার্তার মাধ্যমে জেনে যাবেন

৪. ধান বিক্রয়ের আবেদন ও আবেদনের অবস্থা দেখা যাবে

৫. কেউ হয়রানির শিকার হলে অভিযোগ করতে পারবেন

 

কুড়িগ্রামে দোকান পুড়ে প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
                                  

শ্যামল ভৌমিক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর হাটে অগ্নিকান্ডে ব্যবসায়ীর দোকান ঘর পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

গতকাল রোববার ভোররাতে যাত্রাপুর হাটে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর হাটে মোঃ নুরনবী মিস্ত্রির ফার্নিচারের দোকানে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

পাশের খড়ে আগুন লেগে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
অগ্নিকান্ডে নুরনবীর মিস্ত্রির দোকানে থাকা, বক্স খাট, সেমি বক্স, কেবিনেট, শোকেচ, ড্রেসিং টেবিল,ও যন্ত্রপাতি প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সহ প্রায় ৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে যায়।

নুরনবী মিস্ত্রি বলেন, আমি অত্যন্ত মর্মাহত। কোন ভাষাই আসছেনা মুখে। শুধু এটুকুই বলবো যে আমার আসবাবপত্র সহ মূল্যবান যন্ত্রপাতি আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে।

আমার সবকিছুই শেষ হয়ে গেছে।
এব্যাপারে কুড়িগ্রামের যাত্রাপুর ইউনিয়নের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোঃ আইয়ুব আলী সরকার বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম।

গতকাল হাটের দিন ছিল। হাটে থাকা খড়ের ঘর থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হলে সে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় পাশ্ববর্তী ফার্নিচারের দোকান ও ছ`মিলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এতে করে প্রায় ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকার মালামাল আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত হয়।
স্থানীয় লোকজন ও বিজিবি সদস্যরা অনেক চেষ্টার পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ফায়ার সার্ভিস খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

 

পীরগঞ্জে হলুদ রঙের সফল তরমুজ চাষ
                                  

পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি : ঠাকুরগাও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার রনশিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের তিন কৃষক অসময়ে সামমাম (হলুদ রঙের তরমুজ) চাষ করে বাজিমাত করেছেন। ৬ বিঘা জমিতে মাচা পদ্ধতিতে এ জাতের তরমুজ চাষ করে এলাকায় ব্যাপক চমক দিয়েছেন তারা।

স্বল্প সময়ে অত্যন্ত লাভজনক নতুন জাতের এ ফসলের চাষ আগামীতে আরো বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সাধারণত ফাল্গুন-চৈত্র মাসে তরমুজ চাষ করা হয়। কিন্তু উপজেলার জাবরহাট ইউনিয়নের রনশিয়া পশ্চিমপাড়ায় ৬ বিঘা জমিতে এবারই প্রথম অসময়ে হলুদ রঙের তরমুজ সামমাম চাষ হয়েছে। উজ্জল হোসেন, সহেদ আলী ও মনতাজুর নামে তিন কৃষক মাচা পদ্ধতিতে এ ফসলের চাষ করেছেন।

প্রায় দুই মাস আগে তারা এ ফসল লাগান। এখন তাদের খেতের মাচায় ঝুলছে দুই থেকে চার কেজি ওজনের হলুদ রঙের হাজারো তরমুজ।

চলতি সপ্তাহেই ঢাকায় পাঠানো হবে ওই সব তরমুজ।

চাষি উজ্জল হোসেন জানান, ময়মনসিংহ এলাকায় হলুদ রঙের তরমুজের চাষের খবর শুনে তারা সেখান থেকে বীজ সংগ্রহ করে ৬ বিঘা জমিতে এবার পরীক্ষামূলক আবাদ করেছেন।

এতে তাদের খরচ হয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা। বেশ ভালো ফল এসেছে।

নতুন জাতের এ ফসল প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় কৃষক দেখতে আসছেন। এখন এ জাতের তরমুজের দামও ভালো। বর্তমানে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এই তরমুজ।

এরই মধ্যে ঢাকার পার্টি এসে ক্ষেত দেখে গেছেন। আট থেকে ৯ লাখ টাকায় খেতেই তরমুজ কিনে নিতে চাইছেন তারা।

যোগাযোগ চলছে, চলতি সপ্তাহেই ঢাকার পার্টি এসে তরমুজ নিয়ে যাবেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস এম গোলাম সারওয়ার বলেন, অসময়ে সামমাম বা হলুদ রঙের তরমুজ চাষ এ অঞ্চলে এটাই প্রথম। সাধারণ তরমুজের চেয়ে এর স্বাদ অনেক ভালো, মিষ্টিও অনেক বেশি।

সাধারণত ৬০ দিনেই এ ফসল বাজারজাত করা যায়। কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ প্রদান আর অবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ ফসলের আবাদ ভালো হয়েছে।

বেশ লাভবান হবেন তারা। আগামীতে এ উপজেলায় ওই জাতের তরমুজের আবাদ বাড়বে বলেও আশা প্রকাশ করেন এই কৃষি কর্মকর্তা।

বোয়ালমারীতে সরকারি পুকুর দখল করে মাছ ও লাউ চাষ
                                  

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের পাইকহাটি গ্রামে জেলা পরিষদের অর্থায়নে খননকৃত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত একটি পুকুর দখল করে মাছ ও লাউ চাষ করার অভিযোগ পাওয়া গেছ।
জানা যায়, পানি সংরক্ষণ ও নিরাপদ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ফরিদপুর জেলা পরিষদ বিভিন্ন পুকুর ও জলাশয় পুণঃখনন বা সংস্কার প্রকল্পের অধীনে বোয়ালমারী উপজেলায় ২২টি পুকুর খনন করে।
জলাধারা সংরক্ষণের মাধ্যমে পরিবেশের উন্নয়ন, ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানির ব্যবহার ভূ-গর্ভস্ত পানির স্তরের উচ্চতা হ্রাসকরণ কমিয়ে আনা সহ পানিবাহিত ও পানীয় জল সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগের প্রকোপ কমিয়ে আনার মাধ্যমে গ্রামীন জনসাধারণের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।
কিন্তু বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের পাইকহাটি গ্রামে ঘোষপুর মৌজার ৫৪৫০ দাগে ৩৭ শতাংশ খাস জমিতে জেলা পরিষদের একটি পুকুর রয়েছে।
মাঝকান্দি-ভাটিয়াপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে জেলা পরিষদের এই পুকুরটি বর্তমানে দখল করে মাছ ও লাউ চাষ করছে স্থানীয় প্রভাবশালী মো. আবুল হাসেম ব্যাপারী।
স্থানীয় মানুষ যাতে পুকুরটি ব্যবহার করতে না পারে সে লক্ষে পুকুর ঘেঁষে প্রাচীর দেওয়াসহ তালা মেরে রাখা হয়েছে পুকুরে ঢোকার মূল গেটে।
স্থানীয়রা জানান, ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে জেলা পরিষদের অর্থায়নে পুকুরটি পুন: খনন করা হয়।
খনন পূর্বে জেলা পরিষদের থেকে লিজ নিয়ে পুকুরটিতে মাছ চাষ করে আসছিল হাসেম ব্যাপারী।
বর্তমানে পুকুরটি প্রকল্পধীন থাকায় লিজ বা মাছ চাষ নিষিদ্ধ রয়েছে। কিন্তু হাসেম ব্যাপারী প্রভাবশালী হওয়ায় এ বিধি নিষেধ অমান্য করে মাছ ও লাউয়ের চাষ করে আসছে।

যে কারণে সাধারণ মানুষকে পুকুরটির পানি ব্যবহার করতে দিচ্ছে না সে।
এ ব্যাপারে মো. আবুল হাসেম ব্যাপারী বলেন, পুকুরটির দুই পাড়ে আমার জমি রয়েছে সে কারণে আমি পুকুরের চারপাশে লাউয়ের আবাদ করেছি এবং কিছু মাছ ছাড়া হয়েছে।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. আমিনুর রহমান বলেন, পুকুর দখল করে মাছ ও লাউ চাষ করার বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে জায়গা খালি করে দেওয়ার জন্য বলেছি।
দখলকারী আবুল হাসেম ব্যাপারী আমাদের কাছ থেকে ১৫-২০ দিনের সময় নিয়েছে। বিষয়টি জেলা পরিষদ কতৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

 

লক্ষ্মীপুরে ‘পান পল্লীতে’ বাম্পার ফলন
                                  

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার চরাঞ্চলে পানের বাম্পার ফলনে এবং দাম বেশি পাওয়ায় মুখে হাসি ফুটছে পান সংশ্লিষ্ট কৃষক ও ব্যবসায়ীদের।
রায়পুর উপজেলায় বছরে পান বিক্রি হয় প্রায় ৫০ কোটি টাকার উপরে।

এ পান জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখানীসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।

পানের মান এবং চাহিদা থাকায় বিদেশে সুখ্যাতি ছড়াচ্ছে। অনেক ব্যবসায়ী জানান, পান নিয়ে আমাদের নানা সমস্যার মোকাবেলা করতে হলেও কৃষি বিভাগের কোন কর্মকর্তার মুখ আমরা দেখিনা। তাঁরা আমাদের সঠিক পরামর্শ দিলে পান চাষ এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য বদল করে দিতে পারে।
দীর্ঘদিন যাবৎ পান ব্যবসার সাথে জড়িত সোলাখালী ব্রীজ এলাকার বাসিন্দা আব্দুল জাব্বার জানান, রায়পুর থেকে অনেক প্রতিষ্ঠিত পান ব্যবসায়ী পান সংগ্রহ করেন।

এ অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে পান চাষ খুলে দিতে পারে অর্থনৈতিক উন্নয়নের দ্বার। প্রতি শনি ও বুধবার লক্ষ্মীপুরের সবচেয়ে বড় পান বাজার বসে হায়দরগঞ্জ।

বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ব্যবসায়ীরা আগের রাত থেকে হায়দরগঞ্জ বাজারে আসেন।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, রায়পুরে ৪৪০ হেক্টর জমিতে ১৬’শ ২০ বরজে পান চাষ হয়। প্রতি হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয় প্রায় ৯ হাজার পান, উৎপাদন খরচ হয় প্রায় আড়াই লাখ টাকা। বর্তমান বাজারে ভালো মানের প্রতি বিড়া (৭২ পিস) পান বিক্রি হয় ১৫০ টাকা।

এ হিসেবে রায়পুরে ৩৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার পান উৎপাদন হয়। তবে বেসরকারি হিসেবে পানের উৎপাদন হয় প্রায় ৫০ কোটি টাকার।

উপজেলার উত্তর চর আবাবিল, দক্ষিণ চর আবাবিল, উত্তর চরবংশী ও দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নে পানের আবাদ বেশী হয়।

‘পানপল্লী খ্যাত ক্যাম্পের হাট এলাকার পান চাষীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বৈশাখ থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত পানের উৎপাদন ভালো হয়। এসময় উৎপাদিত পানের সাইজও বড় হয়। অতি শীত, ঘন কুয়াশা ও ক্ষেতে পানি জমে থাকলে পানের বরজ নষ্ট হয়ে যায়। একটি বরজ ১০ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তবে মাঝে মধ্যে সংস্কার করতে হয়।

এছাড়াও বর্তমানে সার ও কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ার কারণে পানের বরজের আবাদ কমে আসছে। শুস্ক মৌসুমে বৃষ্টি না থাকায় পানি সেচ দিয়েও পান গাছ রক্ষা করা যায় না।
হাদারগঞ্জ মিউচুয়াল ট্রাষ্ট এসএমই শাখার ব্যবস্থাপক বলেন,পান চাষের উপর মিউচুয়াল ট্রাস্ট এসএমই হায়দারগঞ্জ শাখায় সাতজন চাষীর মাঝে ২৯ লক্ষ টাকা ঋণ দিয়েছে।

চাষীরা ঋণ নিয়ে পানের বরজ তৈরি করেছে। তাদের দেখা দেখে অন্য প্রান্তিক চাষীরা ঋণ নিয়ে পান চাষ করার পরিকল্পনা বুনছেন ।
রায়পুর উপজেলা কৃষি অফিসার হোসেন শহীদ সোরওয়ার্দী জানান, রায়পুরে পানের বাম্পার ফলন হয়, সঠিক পরিচর্যা করলে ৪৪০ হেক্টর জমিতে পানের ফলন বেশী হয়, সুপারি ৩৭০০ হেক্টর, সয়াবিন ৭ হাজার হেক্টর উৎপাদিত হয়।

কৃষকদের খাদ্য শস্য গুদামজাত করার জন্য খুব শীঘ্রই বিএডিসির ভবন গুলো সংস্কার করে ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করেছি। কৃষকদের যে কোন সমস্যা সমাধানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। কোন চাষী ফলন নিয়ে সমস্যা পড়লে তার অফিসে আসার অনুরোধ করেছেন।

শেরপুরে উচ্চফলনশীল ও স্বল্প মেয়াদী বিনা ধান-১৭ এর মাঠ দিবস
                                  

শেরপুর প্রতিনিধি ঃ শেরপুরের নকলায় বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট (বিনা) কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্প জীবনকালীন ধানের জাত বিনা ধান-১৭ জাতের সম্প্রসারণ ও প্রচারের লক্ষে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল সোমবার দুপুরে বিনা উপকেন্দ্র নালিতাবাড়ী ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নকলা’র যৌথ আয়োজনে উপজেলার পাইসকা গ্রামে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।
খামার বাড়ী শেরপুরের উপ-পরিচালক আলহাজ¦ কৃষিবিদ আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিনা ময়মনসিংহের মহাপরিচালক ড. বীরেশ কুমার গোস্বামী।

এ মাঠ দিবসে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আসাদুল্লাহ, বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট (বিনা)’র প্রশিক্ষণ ও কর্মসূচি উইং এর পরিচালক ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, বিনা নালিতাবাড়ী উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসরীন আক্তার, উপজেলা কৃষি অফিসার পরেশ চন্দ্র দাস, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা রোকসানা নাসরিন, বিনা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শ.ম. আব্দুল আলিম, ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন খাঁন মুকুল, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল রাজ্জাক ও জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। এসময় বিনা ও স্থানীয় কৃষক, কৃষাণীসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা
                                  

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥ ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল সোমবার ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান (পিপিএম), ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা মেজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক দীপক কুমার রায়, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব সভাপতি মনসুর আলী, জেলা পরিষদ সদস্য নজরুল ইসলাম স্বপন, চেম্বার অব কমার্সের মুরাদ হোসেন প্রমুখ।

এ সময় জেলার বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আইন শৃঙ্খলা কমিটির এ সভায় জেলার হরিপুর উপজেলার আওয়ামীলীগের দু গ্রুপের চলমান সমস্যা সমাধানে আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দদের জরুরী ভিত্তিতে উদ্যোগ নেওয়ার আহবান জানানো হয়।

 


   Page 1 of 8
     কৃষি সংবাদ
ফসলী জমির মাটি যাচ্ছে শরীয়তপুর-নাগেরপাড়া সড়কে
.............................................................................................
দিনাজপুরে আগাম আলু চাষ
.............................................................................................
বিলুপ্তির পথে শস্যভান্ডার প্রাচীন ঐতিহ্য ধানের গোলা
.............................................................................................
কৃষিকে শতভাগ যান্ত্রিকিকরণ ও বহুমুখীকরণ করা হবে : কৃষিমন্ত্রী
.............................................................................................
সিরাজগঞ্জে মৌ চাষীরা ঝুঁকিতে
.............................................................................................
কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সঙ্গে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধি দল
.............................................................................................
বগুড়ায় হাইব্রিড পেঁপে চাষে বাম্পার ফলন
.............................................................................................
অগ্রযাত্রার ৪৫ বছরে পদার্পণ মোংলা পোর্ট পৌরসভা
.............................................................................................
পিঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না : কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক
.............................................................................................
ধান ক্রয়ে ‘কৃষকের অ্যাপ`
.............................................................................................
কুড়িগ্রামে দোকান পুড়ে প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
.............................................................................................
পীরগঞ্জে হলুদ রঙের সফল তরমুজ চাষ
.............................................................................................
বোয়ালমারীতে সরকারি পুকুর দখল করে মাছ ও লাউ চাষ
.............................................................................................
লক্ষ্মীপুরে ‘পান পল্লীতে’ বাম্পার ফলন
.............................................................................................
শেরপুরে উচ্চফলনশীল ও স্বল্প মেয়াদী বিনা ধান-১৭ এর মাঠ দিবস
.............................................................................................
ঠাকুরগাঁওয়ে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা
.............................................................................................
কালীগঞ্জে কৃষকের স্বপ্ন ভেঙে দিল ‘বুলবুল’
.............................................................................................
কুড়িগ্রামে ধানের দাম কম হওয়ায় বিপাকে কৃষকরা
.............................................................................................
হরিণাকুন্ডুতে গেন্ডারি (আখ) চাষ
.............................................................................................
ঝিনাইদহের হাটবাজারে শীত কালীন সবজি
.............................................................................................
খাদ্যনিরাপত্তা কর্মসূচিতে আগ্রহ নেই শাহজালাল ব্যাংকের
.............................................................................................
শীতে টবে চাষ করুন শাক-সবজি
.............................................................................................
শীতে টবে চাষ করুন শাক-সবজি
.............................................................................................
শীতে যে ফুলগুলো চাষ করবেন
.............................................................................................
বদলে যাচ্ছে খাদ্যাভ্যাস
.............................................................................................
আমন উৎপাদনে ব্যয় বেড়েছে
.............................................................................................
বিশ্বের প্রথম উচ্চ প্রযুক্তির ভাসমান দুগ্ধ খামার
.............................................................................................
৮০ কোটি টাকার বীজ-সার পাচ্ছেন ৭ লাখ কৃষক: কৃষিমন্ত্রী
.............................................................................................
নবাবগঞ্জে উৎপাদিত বেগুন যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়
.............................................................................................
ফটিকছড়িতে বোরো ধানের বাম্পার ফলন ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষক
.............................................................................................
জেলায় বেগুনের দাম কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে
.............................................................................................
ভোলায় বোরোর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
.............................................................................................
প্রাথমিকে নিয়োগ বিধিতে আসছে বড় পরিবর্তন
.............................................................................................
সূর্যমুখীর চাষে ব্যাপক সাড়া
.............................................................................................
ধান ক্ষেতে মাছ চাষে সাফল্য
.............................................................................................
বোরো ক্ষেতে `পাতাপোড়া` রোগ
.............................................................................................
কৃষি খামারে মৎস্য ও সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী শিবুপদ রায়
.............................................................................................
রসুন নিয়ে বিপাকে কৃষকেরা
.............................................................................................
কৃষিক্ষেত্রে নতুন সাফল্য বিজ্ঞানীদের
.............................................................................................
৫ মণ বেগুনের দামে ১ কেজি গরুর মাংস
.............................................................................................
৫ মণ বেগুন বিক্রি করে এক কেজি গরুর মাংস
.............................................................................................
কৃষিখাতে কর্মসংস্থান কমছে ধারাবাহিকভাবে
.............................................................................................
মেহেরপুরে বেড়েছে হাইব্রিড জাতের তুলা চাষ
.............................................................................................
ইটভাটার কারণে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি
.............................................................................................
টিস্যু কালচার আলু বীজ ব্যবহারে ভাল ফলন পেল চাষিরা
.............................................................................................
বগুড়ায় মরিচের ফলন ও দামে খুশি কৃষকরা
.............................................................................................
মটরশুটির চাষ বাড়ছে
.............................................................................................
দিনাজপুরে শীত ও কুয়াশায় ঝরে পড়ছে পান
.............................................................................................
সাথী ফসল চাষে লাভবান ভোলার কৃষকরা
.............................................................................................
ভোলায় সবজির বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি