| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > করোনা ভাইরাসে লোকসানে তথ্যপ্রয্ক্তুরি বিনিয়োগকারীরা   > সারাবিশ্বে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ৩৭৬৮৬   > নববর্ষের সব অনুষ্ঠান বন্ধ: প্রধানমন্ত্রী   > আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে কোনো গরিব না খেয়ে কষ্ট পায় না: পানিসম্পদ উপমন্ত্রী   > সৌদিতে ৩ দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা   > তিন হাজার শয্যার হাসপাতাল হচ্ছে মহাখালীর ডিএনসিসি মার্কেটে   > পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   > করোনাভাইরাসে সারা বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০৮৮০   > করোনাভাইরাসের প্রকোপের মাঝেই ইসরাইল থেকে অস্ত্র কিনছে ভারত   > করোনা সন্দেহে চিকিৎসায় অবহেলা  

   কৃষি সংবাদ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
চোখ ধাঁধানো সবুজের বুকে হলুদের সমাহার

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) থেকে : নজরকাড়া সৌন্দর্য। সেই সাথে তেল হিসেবেও ব্যবহার রয়েছে। কথাগুলা বলছি সূর্যমুখীর ফুলের। সারাদেশের ন্যায় হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় প্রথমবারের মতো সূর্যমুখী ফুলের চাষ করছেন এক কৃষক। মাঠ জুড়ে হলুদ ফুলের সমারোহে চোখ জুড়াতে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিনিয়তই আসছেন দর্শনার্থীরা। এ যেনো চোখ ধাঁধানো সবুজের বুকে সমারোহ। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার মান্দারকান্দি গ্রামের পার্থ সারথি ঘোষ বাড়ীর পাশের ৬২ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন। ইতোমধ্যেই গাছে ফুল ধরতে শুরু করেছে। এক একটি ফুল যেন হাসিমুখে সূর্যের আলো ছড়াচ্ছে। পার্থ সারথি ঘোষের সফলতা দেখে অন্যান্য চাষীরাও এবার সূর্যমুখী ফুলের চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন বুনছেন। এ প্রসঙ্গে আলাপকালে পার্থ সারথি ঘোষ বলেন- সূর্যমূখী ফুলের চাষে ৬২ বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। কর্তন করতে কিছু টাকা খরচ হবে। পুরো ফসলে সামান্য রাসায়নিক সার আর দুইবার সেচ দিতে হয়। কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগীতায় ফসলে সফলতা পেয়েছি। আগামীতে আরো ১০০ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী চাষের পরিকল্পনা আছে। এদিকে প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সৌন্দর্য পিপাসু মানুষ সূর্যমুখী ফুলের বাগান দেখতে আসছে। অনেকেই ফুলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন এবং সৌন্দর্যে ভরপুর সূর্যমুখী ফুলের বাগান দেখে আনন্দিত দর্শনার্থীরা।

তারা বলেন- চারিদিকে হলুদ ফুল আর সবুজ গাছে সে এক অপরূপ দৃশ্য। সূর্যমুখীর নজরকাড়া সৌন্দর্য পুলকিত করে যে কাউকেই। ওই অ লের বল্কে দায়ীত্বরত নবীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী অলক কুমার চন্দ্র বলেন- আগে ওই জমিতে বছরে একবার ধানের ফসল হতো। তেল ফসলের আবাদ বৃদ্ধি করার জন্য এবারই প্রথম সূর্যমুখী ফুলের চাষের উদ্যোগ নেয়া হয়। কারণ সয়াবিনের চেয়ে সূর্যমুখীর তেল বেশি পুষ্টিগুনসম্পন্ন। আর্থিকভাবে লাভজনক হওয়ায় এ ফুলের চাহিদা বেড়েই চলেছে। অন্য ফসলের চেয়ে কম খরচ আর অধিক লাভ হওয়ায় নবীগঞ্জের কৃষকরা সূর্যমুখীর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। যেখানে বছরে ১ বার ধান ফসল হতো সেখানে এবার সূর্যমূখী ফুলের বীজ বপন করার পর ১শ থেকে ১শ ১০ দিনে ফুল তোলা যায় বলেও জানান অলক কুমার চন্দ্র। নবীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ.কে.এম মাকসুদুল আলম বলেন- এ বছর সূর্যমুখী ফুলের চাষীদের রাজস্ব প্রকল্প থেকে ও প্রনোদনা কর্মসূচির আওতায় ফসল করতে বীজসহ সার্বিক সহযোগীতা করা হয়েছে। এটা আমাদের কৃষি বান্ধব সরকারের একটা বিশেষ অর্জন এবং মুজিব বর্ষে সফল ফসল হয়েছে।

এই সূর্যমুখী ফুলের বাগানে প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা ভীড় করছেন, তারা ছবি তুলে ফেসবুকে প্রচার করছেন। এছাড়া কৃষি অফিসের উপ-সহকারী অলক কুমার চন্দ্র এখানে সার্বক্ষণিক থেকে সহযোগীতা করে চাষীদের পরার্মশ দিচ্ছেন। এখন অনেকেই যোগাযোগ করছেন বীজ নেয়ার জন্য। আগামীতে সরিষা ও সূর্যমুখীর চাষ বাড়বে বলেও আশাবাদী তিনি। সরকারের পক্ষ থেকে প্রান্তিক কৃষকদের আরো সার্বিক সহযোগীতা ও সূর্যমূখী চাষে আগ্রহী করে তুললে দেশে বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক আকারে চাষ করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক তমিজ উদ্দিন খান বলেন- নবীগঞ্জে এই প্রথম এক সাথে ৬২ বিঘা সূর্যমূখী ফুলের চাষ হয়েছে। এখন এই প্রকৃতির অপরূপ সুন্দর্য দেখে ফুলে ফুলে সজ্জিত এই নবীগঞ্জের মাঠ। এই ফুলের সুন্দর্য উপভোগ করছেন প্রতি শ্রেণী পেশার লোকজন। সূর্যমুখী ফুলের এই সফল ফসলের ফলে বাংলার কৃষিতে নতুন মাত্রা সংযোজন হয়েছে। দেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার তেল আমদানী করা হয়। দেশের চাষকৃত সূর্যমূখীর মাধ্যমে তেলে ঘাটতি পূরন করা সম্ভব। এই তেল অনেক পুষ্টিকর এবং অন্য তেলের চেয়ে অনেক ভালো। হবিগঞ্জ জেলায় ৫২০ বিঘা জমিতে শতাধিক কৃষক সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন। চাষ করতেও অনেক কম সময় লাগে। এ বছর আড়াই কোটি টাকার তেল বিক্রি করা হবে বলে মনে করছেন এই কর্মকর্তা।

 

 

চোখ ধাঁধানো সবুজের বুকে হলুদের সমাহার
                                  

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) থেকে : নজরকাড়া সৌন্দর্য। সেই সাথে তেল হিসেবেও ব্যবহার রয়েছে। কথাগুলা বলছি সূর্যমুখীর ফুলের। সারাদেশের ন্যায় হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় প্রথমবারের মতো সূর্যমুখী ফুলের চাষ করছেন এক কৃষক। মাঠ জুড়ে হলুদ ফুলের সমারোহে চোখ জুড়াতে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিনিয়তই আসছেন দর্শনার্থীরা। এ যেনো চোখ ধাঁধানো সবুজের বুকে সমারোহ। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার মান্দারকান্দি গ্রামের পার্থ সারথি ঘোষ বাড়ীর পাশের ৬২ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন। ইতোমধ্যেই গাছে ফুল ধরতে শুরু করেছে। এক একটি ফুল যেন হাসিমুখে সূর্যের আলো ছড়াচ্ছে। পার্থ সারথি ঘোষের সফলতা দেখে অন্যান্য চাষীরাও এবার সূর্যমুখী ফুলের চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন বুনছেন। এ প্রসঙ্গে আলাপকালে পার্থ সারথি ঘোষ বলেন- সূর্যমূখী ফুলের চাষে ৬২ বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। কর্তন করতে কিছু টাকা খরচ হবে। পুরো ফসলে সামান্য রাসায়নিক সার আর দুইবার সেচ দিতে হয়। কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগীতায় ফসলে সফলতা পেয়েছি। আগামীতে আরো ১০০ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী চাষের পরিকল্পনা আছে। এদিকে প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সৌন্দর্য পিপাসু মানুষ সূর্যমুখী ফুলের বাগান দেখতে আসছে। অনেকেই ফুলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন এবং সৌন্দর্যে ভরপুর সূর্যমুখী ফুলের বাগান দেখে আনন্দিত দর্শনার্থীরা।

তারা বলেন- চারিদিকে হলুদ ফুল আর সবুজ গাছে সে এক অপরূপ দৃশ্য। সূর্যমুখীর নজরকাড়া সৌন্দর্য পুলকিত করে যে কাউকেই। ওই অ লের বল্কে দায়ীত্বরত নবীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী অলক কুমার চন্দ্র বলেন- আগে ওই জমিতে বছরে একবার ধানের ফসল হতো। তেল ফসলের আবাদ বৃদ্ধি করার জন্য এবারই প্রথম সূর্যমুখী ফুলের চাষের উদ্যোগ নেয়া হয়। কারণ সয়াবিনের চেয়ে সূর্যমুখীর তেল বেশি পুষ্টিগুনসম্পন্ন। আর্থিকভাবে লাভজনক হওয়ায় এ ফুলের চাহিদা বেড়েই চলেছে। অন্য ফসলের চেয়ে কম খরচ আর অধিক লাভ হওয়ায় নবীগঞ্জের কৃষকরা সূর্যমুখীর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। যেখানে বছরে ১ বার ধান ফসল হতো সেখানে এবার সূর্যমূখী ফুলের বীজ বপন করার পর ১শ থেকে ১শ ১০ দিনে ফুল তোলা যায় বলেও জানান অলক কুমার চন্দ্র। নবীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ.কে.এম মাকসুদুল আলম বলেন- এ বছর সূর্যমুখী ফুলের চাষীদের রাজস্ব প্রকল্প থেকে ও প্রনোদনা কর্মসূচির আওতায় ফসল করতে বীজসহ সার্বিক সহযোগীতা করা হয়েছে। এটা আমাদের কৃষি বান্ধব সরকারের একটা বিশেষ অর্জন এবং মুজিব বর্ষে সফল ফসল হয়েছে।

এই সূর্যমুখী ফুলের বাগানে প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা ভীড় করছেন, তারা ছবি তুলে ফেসবুকে প্রচার করছেন। এছাড়া কৃষি অফিসের উপ-সহকারী অলক কুমার চন্দ্র এখানে সার্বক্ষণিক থেকে সহযোগীতা করে চাষীদের পরার্মশ দিচ্ছেন। এখন অনেকেই যোগাযোগ করছেন বীজ নেয়ার জন্য। আগামীতে সরিষা ও সূর্যমুখীর চাষ বাড়বে বলেও আশাবাদী তিনি। সরকারের পক্ষ থেকে প্রান্তিক কৃষকদের আরো সার্বিক সহযোগীতা ও সূর্যমূখী চাষে আগ্রহী করে তুললে দেশে বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক আকারে চাষ করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক তমিজ উদ্দিন খান বলেন- নবীগঞ্জে এই প্রথম এক সাথে ৬২ বিঘা সূর্যমূখী ফুলের চাষ হয়েছে। এখন এই প্রকৃতির অপরূপ সুন্দর্য দেখে ফুলে ফুলে সজ্জিত এই নবীগঞ্জের মাঠ। এই ফুলের সুন্দর্য উপভোগ করছেন প্রতি শ্রেণী পেশার লোকজন। সূর্যমুখী ফুলের এই সফল ফসলের ফলে বাংলার কৃষিতে নতুন মাত্রা সংযোজন হয়েছে। দেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার তেল আমদানী করা হয়। দেশের চাষকৃত সূর্যমূখীর মাধ্যমে তেলে ঘাটতি পূরন করা সম্ভব। এই তেল অনেক পুষ্টিকর এবং অন্য তেলের চেয়ে অনেক ভালো। হবিগঞ্জ জেলায় ৫২০ বিঘা জমিতে শতাধিক কৃষক সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন। চাষ করতেও অনেক কম সময় লাগে। এ বছর আড়াই কোটি টাকার তেল বিক্রি করা হবে বলে মনে করছেন এই কর্মকর্তা।

 

 

ফুলপুরের মাড়াদেওড়া খাল বিলীন হওয়ার পথে
                                  

ফুলপুর (ময়মনসিংহ) : ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ভাইটকান্দি ইউনিয়নের মাড়াদেওড়া খাল ভরাট ও বেদখলে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
জানা যায়, ভাইটকান্দি ইউনিয়নের মাড়াদেওরা বিল থেকে খাল শুরু হয়ে ৫ কিলোমিটার দূরের সিংহেশ্বর ইউনিয়নের বালিচান্দা বিলে গিয়ে শেষ হয়ে। এ খাল দিয়ে মাড়াওদেড়া, শিববাড়ী, চাঁনপুর, মোকামিয়া ও বালিচাঁন্দা গ্রামের পানি প্রবাহিত হয়ে থাকে। বর্তমানে আর আগের মত নেই। তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। জায়গা বেদখল হয়ে যাচ্ছে। নদীর বুক চিরে চলছে চাষাবাদ। এক সময় এ খালে ছিল এ অঞ্চলের অনেক মানুষের জীবন জীবিকার উৎস। বর্তমানে বছরের বেশি ভাগ সময়ই খালে পানি থাকে না। অনেক জায়গা চাষাবাদ এবং মাছের পুকুর হয়ে গেছে। তীব্র গরমে গ্রামের ছোট ছেলে মেয়েদের খালের জলে সাঁতার কাটা দূশ্য, এখন শুধু যেন সৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই খাল একবার জিয়াউর রহমানের আমলে খনক করা হয়েছিল। পরে আর খনন না করায় মরা খালে পরিণত হয়ে বৃষ্টির সময় এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে অনেক জমির চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে ভাইটকান্দি ইউনিয়নের মাড়াদেওড়া গ্রামের হয়যত আলী জানান, মাড়াদেওড়া নদীটি বর্ষাকালে পানি যেতে না পেরে কচুরিপানা ফসলের জমিতে উঠে ক্ষতি করে থাকে। কুচরিপানার কারণে সরকারি ভাবে বিলটির ডাক হয় না। এ খালের এক সময় পাস ছিল ৫০ থেকে ১০০ ফুট পর্যন্ত। বর্তমানে রয়েছে মাত্র ২০ থেকে ৫ ফুট। অনেক জায়গায় খাল ভরে রোব চাষ ও মাছের পুকুর করেছেন প্রভাবশালীরা।

ভাইটকান্দি মাড়াদেওড়া গ্রামের আবু খায়ের বাদল বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নানা উন্নয়ন মূলক কাজ করে আসছেন। বাংলাদের সরকারের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব, শরীফ আহমেদ এমপি আমাদের এই মাড়াদেওড়া খাল খননের দিকে একটু নজর দিলে ভাইটকান্দি ও সিংহেশ্বর ইউনিয়নের অনেক লোকের উপকার হতো।
ভাইটকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আলাল উদ্দিন আহমদ জানান, খালটি খনন করা জরুরী। এ ব্যাপারে চেষ্টা করে যাচ্ছি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মধুপুরে দোখলা রেঞ্জে ৮ একর জায়গা জবরদখল মুক্ত
                                  

মধুপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা : টাঙ্গাইলের মধুপুরে বন বিভাগের দোখলা রেঞ্জের ৮ একর জায়গা কলা বাগান কেটে জবর দখল মুক্ত করা হয়েছে। আজ ২২ মার্চ রবিবার এ জায়গা উদ্ধার করা হয়েছে। দখলমুক্ত এসব জায়গায় মধুপুর গড় এলাকার লাল মাটির বিক্রির সাথে মিল রেখে সুফল প্রজেক্টের মাধ্যমে হরেক প্রজাতির দেশি গাছের ও পশুপাখির খাদ্যের মিশ্র বাগান করা হবে। করা হবে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ। 
দোখলা রেঞ্জ সূত্রে জানা যায়, মধুপুরের দোখলা রেঞ্জের এলাকায় বন বিভাগের জায়গা স্থানীয় জবরদখলকারীরা জবরদখল করে অবৈধ ভাবে কলা চাষ করে আসছিল। বন বিভাগ ৮ একর জায়গায় কলা বাগান কেটে জবর দখল মুক্ত করেছে। মধুপুর শালবনের ঐতিহ্য ফিরাতে ও সুফল প্রজেক্টের আওতায় দেশী প্রজাতির বাগান ও পশু খাদ্যে পরিবেশ সম্মত মিশ্র বাগান এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করার জন্য উদ্ধার করা হয়েছে। দখলমুক্তে সহাকারী বন সংরক্ষক, দোখলা রেঞ্জ কর্মকর্তা, কমিউনিটি ফরেস্ট ওয়ার্কার, বন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন। এসব তথ্য বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। 
এ ব্যাপারে দোখলা রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ জানান, দোখলা রেঞ্জের সিএস দাগ নং ১৩ অরণখোলা মৌজায় স্থানীয়রা দীর্ঘ দিন যাবত জবর দখল করে অবৈধ ভাবে কলা চাষ করে আসছে। জবর দখল মুক্ত করতে ৮ একর জায়গার কলা বাগান কেটে জায়গা উদ্ধার করেছি। উদ্ধারকৃত এ জায়গায় সুফল প্রজেক্টের আওতায় দেশী প্রজাতির বাগান করা হবে। 
সহকারী বন সংরক্ষক (টাঙ্গাইল উত্তর) জামাল হোসেন তালুকদার জানান, দোখলা রেঞ্জের ৮ একর জায়গা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত এসব জায়গায় সুফল প্রজেক্টের আওতায় দেশী প্রজাতির বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপন এবং পরিবেশ সম্মত টেকসই বাগান ও পশু খাদ্যের জন্য বনায়ন করা হবে ।


চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা বরেন্দ্র নওগাঁয় মাঠ দিবস
                                  

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : ভূ-গর্ভস্থ পানি সম্পদের ভারসাম্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে পানি সাশ্রয়ী শস্য বিন্যাস বাছাইকরণ শীর্ষক বারিগম-২৬ নিয়ে মাঠ দিবস হয়েছে নওগাঁয়। বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-বিনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপকেন্দ্র ও কৃষি প্রকৌশল বিভাগের আয়োজনে এবং নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় গতকাল ১৬ মার্চ সোমবার সকালে নিয়ামতপুর উপজেলার সিরাজপুরে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি প্রকৌশল বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. হোসেন আলী। বিনা`র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষি প্রকৌশলী ড. মো. হাসানুজ্জামানের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নওগাঁ বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী প্রকৌশলী মো. মতিউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী প্রকৌশলী শাহ মো. মঞ্জুরুল ইসলাম।

মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলীবৃন্দ ও স্থানীয় কৃষকরা। অনুষ্ঠানে ভূ-গর্ভস্থ পানি সম্পদের ভারসাম্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে পানি সাশ্রয়ী শস্য হিসেবে বারিগম-২৬ এর বিভিন্ন উপকারীতা নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।

 

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা বরেন্দ্র নওগাঁয় মাঠ দিবস
                                  

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : ভূ-গর্ভস্থ পানি সম্পদের ভারসাম্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে পানি সাশ্রয়ী শস্য বিন্যাস বাছাইকরণ শীর্ষক বারিগম-২৬ নিয়ে মাঠ দিবস হয়েছে নওগাঁয়। বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-বিনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপকেন্দ্র ও কৃষি প্রকৌশল বিভাগের আয়োজনে এবং নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় গতকাল ১৬ মার্চ সোমবার সকালে নিয়ামতপুর উপজেলার সিরাজপুরে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি প্রকৌশল বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. হোসেন আলী। বিনা`র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষি প্রকৌশলী ড. মো. হাসানুজ্জামানের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নওগাঁ বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী প্রকৌশলী মো. মতিউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী প্রকৌশলী শাহ মো. মঞ্জুরুল ইসলাম।

মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলীবৃন্দ ও স্থানীয় কৃষকরা। অনুষ্ঠানে ভূ-গর্ভস্থ পানি সম্পদের ভারসাম্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে পানি সাশ্রয়ী শস্য হিসেবে বারিগম-২৬ এর বিভিন্ন উপকারীতা নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।

 

 

আক্কেলপুরে সেচ পানির দাম বৃদ্ধির অভিযোগ
                                  
সিলেটে সূর্যমুখী ফুলবাগান পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক
                                  

সিলেট ব্যুরো চীফ : সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় সূর্যমুখী ফুল বাগানে জেলা প্রশাসক এম,কাজী এমদাদুল ইসলামসহ তাঁর সহকর্মীদের পরিদর্শন উপজেলার কৃষক কোলে প্রেরণা যোগাচ্ছ। গত ১৩ মার্চ শুক্রবার বিকেলে সিলেটের জেলা প্রশাসক এম,কাজী এমদাদুল ইসলাম তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলার সোনাপুর সূর্যমুখী ফুল বাগানের ফুটন্ত ফুলের সৌন্দর্য রুপ ও লাবন্য কাছে থেকে এক নজর অবলোকন করার জন্য ছুটে আসেন।

এ সময় তাঁর সাথে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আসলাম উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্র্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শারমিন সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবুল কালাম আজাদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ এম মাহফুজুর রহমান, গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুস সাকিব প্রমূখ।

সিলেটের জেলা প্রশাসক এম,কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেন, গোয়াইনঘাটে পতিত থাকা ওই জমিতে সূর্যমুখী ফুল চাষ করলে ৯০/১০৫ মধ্যেই কৃষকরা বীজ ঘরে তুলতে পারবেন। যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগে কোন প্রকার ক্ষতি না হয় তাহলে প্রতি বিঘা জমিতে ছয় থেকে সাড়ে ছয় মণ সূর্যমুখী ফুলের বীজ পাওয়া যাবে। এক মণ বীজ থেকে ১৮ কেজি তেল পাওয়া যাবে। প্রতি কেজি তেল বাজারে ২৮০ টাকা দামে বিক্রি করা যায়। সূর্যমুখীর তেল ছাড়াও খৈল দিয়ে মাছের খাবার এবং গাছ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। জেলা প্রশাসক আরো বলেন, গোয়াইনঘাট উপজেলায় পতিত জমিতে বানিজ্যিক ভাবে সূর্যমুখী ফুল চাষসহ বিভিন্ন কৃষিজাত শষ্য উৎপাদনে কৃষক কোলকে আগ্রহ বাড়াতে আমিসহ আমার সহকর্মীদের সূর্যমুখী ফুল বাগান পরিদর্শন। গোয়াইনঘাট উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের প্রণোদনায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে আলীরগাওঁ ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে।

সূর্যমুখী ফুলের বাগান করেন স্থানীয় কৃষক কামরান। বিগত ফেব্রুয়ারি মাসে সুর্যমুখী ফুলের চাষ শুরু করেন তিনি। ইতিমধ্যে চাষী কামরনের চাষকৃত সূর্যমুখী ফুলের বাগানে ফুল ফোটে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে শুরু করেছে। কামরান কতৃক চাষকৃত সূর্যমুখী ফুল তার অপরুপ সৌন্দর্য্য, রূপ ও লাবন্যের খবর নিজেদের ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পেরিয়ে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছে। সূর্যমুখী ফুটন্ত ফুলের রুপ, লাবন্য ও সৌন্দর্য উপভোগের জন্য প্রতিদিন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ নানা বয়সী মানুষ সোনাপুরের কামরানের সূর্যমুখী ফুল বাগানে ভিড় জমাচ্ছেন। সূর্যমুখী ফুটন্ত ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ থেকে পিছিয়ে নেই সিলেটের জেলা প্রশাসক এম,কাজী এমদাদুল ইসলাম ও উনার সহকর্মীরা।

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
                                  

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট-বিনা উদ্ভাবিত মুগ ফসল সম্প্রসারণ শীর্ষক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সকালে বিনা ময়মনসিংহের অর্থায়নে এবং জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় বিনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপকেন্দ্র এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।
বিনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপকেন্দ্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কৃষক প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কমলারঞ্জন দাশ।

মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. সমরজিত পাল, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হাসানুজ্জামান উজ্জামানসহ অন্যরা। দিনব্যাপি প্রশিক্ষণে জেলার ৫উপজেলার শতাধিক কৃষক ও কৃষানী অংশগ্রহণ করেন।

 

ক্যাপসিকাম চাষে সফল মহেশপুর মিন্টু মিয়া
                                  

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : ঝিনাইদহে মহেশপুর উপজেলার কুসুমপুর মাঠপাড়ার জহুরুল হকের ছেলে আলমগীর কবির মিন্টু মিয়া নামের এক কৃষক প্রথম ১ একর জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে বানিজ্যিক ভাবে সফল হয়েছেন। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার সুলতান মাহমুদের প্রেরনায় প্রথমবারের মতো ঝিনাইদহে এই আবাদ করেছেন। ইতোমধ্যে বাগানের ফল বিক্রি করে লাভবান হয়েছেন।
আলমগীর কবির মিন্টু জানান, সুলতান মাহমুদ তার মামা হন তারি সহযোগিতায় গত বছর বীজ সংগ্রহ করে সেপ্টেম্বর মাসে মাঝামাঝিতে বীজ তলায় বীজ ছিটান এবং নভেম্বরে জমি তৈরি করে বিশেষ পেপারে মালচিং তৈরি করে এক একর জমিতে ১ হাজার ৫শ’ চারা লাগান। সেখান থেকে কিছু গাছ মারা যায়। আর বাকিগুলো থেকে ফল সংগ্রহ চলছে। গাছ থেকে ফল উঠিয়ে প্যাকেজিং এর মাধ্যমে ঢাকাতে পাঠান। সেখানে পাইকারি বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি ১৩০-১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এখনও প্রতি গাছে প্রায় ১২-১৫টি করে ফল আছে। ৫-৬টি ফলে এক কেজি হচ্ছে। গাছ লাগানোর দুই মাস বয়সে ক্ষেত থেকে ক্যাপসিকাম তোলা শুরু এবং প্রায় চার মাস পর্যন্ত ফল সংগ্রহ করা যাবে বলে তিনি আশা করছেন। তার এই নতুন ফসল দেখতে পাশর্^বর্তি এলাকা থেকে চাষিদেও আগমন ঘটছে। তিনি আরও বলেন, এক একর জমিতে ফল সংগ্রহের আগ পর্যন্ত প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এপর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ টাকার বিক্রি হয়েছে। ক্ষেতে যে পরিমান ফল আছে আরও ৬ লক্ষাধিক টাকার বিক্রির আশা করছেন তিনি।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ হাসান আলী জানান,এ ফসলটি নতুন লাভ জনক,সম্ভাবনা ময় একটি ফসল। জেলা কৃষি সম্প্রসারনের অতিরিক্ত পরিচালক, কৃপাংশু শেখর বিশ^াস বলেন, তিনি নিজেও ক্ষেতটি দেখেছেন। আগামীতে পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ এই চাষ বাড়াতে পরামর্শের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার কৃষককে ক্ষেতে এনে উৎসাহিত করছে কৃষি বিভাগ। ক্যাপসিকাম চাষে ঝিনাইদহের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। ক্যাপসিকাম শীতকালে আবাদ করা হয়। তাই দোকামাকড়ের আক্রমন কম হয়। এসময় এফিডজ্যাসিড জাতীয় কিছু পোকা আক্রমন করে থাকে। বিষমুক্ত রাখতে এই পোকা দমনে এখানে ইয়োলো ও ব্লু রঙের বিশেষ ট্রাপ ব্যবহার করা হয়। এই অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া ক্যাপসিকাম চাষের জন্য উপযোগী।

 

কমলগঞ্জে সূর্যমুখী ফুলের চাষে লাভের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক
                                  

চিনু রঞ্জন তালুকদার , মৌলভীবাজার : কমলগঞ্জে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক সৈয়দ জামাল হোসেন। ১ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন তিনি। ইতোমধ্যেই গাছে ফুল ধরতে শুরু করেছে। এক একটি ফুল যেন হাসিমুখে সূর্যের আলো ছড়াচ্ছে। চারিদিকে হলুদ ফুল আর সবুজ গাছে সে এক অপরূপ দৃশ্য। প্রতিদিন আশপাশের এলাকা থেকে সৌন্দর্য পিয়াসু মানুষ সূর্যমুখী ফুলের ক্ষেত দেখতে আসছে। অনেকেই ফুলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। কমলগঞ্জ পৌর এলাকার কামারগাও গ্রামের মৃত সৈয়দ আবুল হোসেনের ছেলে সৈয়দ জামাল হোসেন (৩৫)। তিনি টানা ২ বারের পৌর কাউন্সিলর।

জনপ্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি তিনি কৃষিকাজও করেন। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে বীজ ও সার পেয়ে এ বছর পানিশালা গ্রামে ১ বিঘা জমি লিজ নিয়ে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন তিনি।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, অল্প সময়ে কম পরিশ্রমে ফসল উৎপাদন ও ভালো দাম পাওয়া যায় বলে কৃষকরা এখন সূর্যমুখী চাষ করছেন। প্রতি বিঘা জমিতে ১ কেজি বীজ দিতে হয়। দেড় ফুট অন্তর অন্তর একটি করে বীজ বপন করতে হয়। একটি সারি থেকে আরেকটি সারির দূরত্ব রাখতে হয় দেড় ফুট। মাত্র ৮৫ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে বীজ বপন থেকে শুরু করে বীজ উৎপাদন করা সম্ভব।

প্রতি একর জমিতে সব খরচ বাদ দিয়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা লাভ হয়। যা অন্য কোনো ফসলের চেয়ে কম পরিশ্রমে ভালো আয়। কৃষক জামাল হোসেন (পৌর কাউন্সিলর) বলেন- উপজেলা কৃষি অফিসারের পরামর্শে ১ বিঘা জমি লিজ নিয়ে সূর্যমুখীর চাষ শুরু করেছেন তিনি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আশা করছেন ভালো আয় হবে। তিনি আশা করছেন ১ বিঘায় ৬ থেকে ৭ মণ ফলন পাওয়া যাবে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হয়েছে। কমলগঞ্জ পৌরসভার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কনক লাল সিংহ বলেন, ‘সূর্যমুখী চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে ছয় থেকে সাড়ে ছয় মণ সূর্যমুখী ফুলের বীজ পাওয়া যাবে। কৃষকদের স্বাবলম্বী করতেই সূর্যমুখী ফুল চাষে উৎসাহিত করা হয়েছে। যদি সফল হওয়া যায় আগামীতে সূর্যমুখীর চাষ অনেক বাড়বে।


 

রেকর্ড পরিমাণ রসুনের আবাদ পুঠিয়ায়
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : রাজশাহীর পুঠিয়ায় চলতি বছর রেকর্ড পরিমাণ রসুনের আবাদ করা হয়েছে। কয়েক বছর ধরে ব্যাপক চাহিদা ও ভালো দাম পাওয়ায় রসুন আবাদে আগ্রহী হয়েছেন এখনকার চাষিরা। 

চাষিরা আশা করছেন, অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করলে এবার এ অঞ্চলে রসুন উৎপাদন অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস জানায়, চলতি বছর উপজেলার ৬টি এলাকায় প্রায় দু’হাজার হেক্টর জমিতে রসুনের আবাদ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় জমির পরিমাণ প্রায় ৮০০ হেক্টর বেশি। 

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রায় ১৯ হাজার ২৫০ মেট্রিক রসুন উৎপাদন হওয়া সম্ভব। সদর ইউনিয়নের তারাপুর বিলের রসুন চাষি হাসেম আলী জানান, কয়েক বছর ধরে বৈরি আবহাওয়ার কারণে গম ও মসুরের জমিতে বিভিন্ন মোড়ক দেখা দিচ্ছে। যায় কারণে বেশিরভাগ চাষিরা ওইসব ফসল ছেড়ে রসুন চাষে ঝুঁকছেন।

তিনি জানান, গত বছর এক বিঘা জমিতে রসুন আবাদ করেছিলেন। দামও ভালো পেয়েছিলেন।ব্যাপক দাম ও চাহিদা থাকায় এবার তিনি প্রায় আড়াই বিঘা জমিতে রসুন চাষ করেছেন। এর মধ্যে তিনি প্রায় এক বিঘা জমিতে কাঁদামাটিতে রসুন বুনেছেন। 

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, গত বছরের চেয়ে এবার আশানুরূপ ভালো ফলন পাবো। জিউপাড়ার রসুন চাষি জানান, এ বছর অতিরিক্তি বর্ষার কারণে অনেকেই জমিতে চৈতালী ফসল বপন করতে পারেননি। এ বছর রসুনের ভালো দাম পাওয়ায় বেশিরভাগ চাষি কাদাযুক্ত জমিতে রসুন রোপন করেছেন। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামসুন নাহার ভূঁইয়া বলেন, বৃষ্টিপাতের কারণে চলতি মৌসুমে সময়মতো কিছু জমিতে রবিশস্য বপন করা যায়নি। তারওপর চাষিরা ভালো দাম পাওয়ায় অনেকেই রসুন চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। রেকর্ড পরিমাণ জমিতে রসুনের আবাদ করা হয়েছে।  আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বাম্পার ফলন হওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।

সুনামগঞ্জে শষ্য আবাদে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের
                                  

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : আব্দুর রহমান পেশায় একজন কৃষক। তার বাড়ি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের সালামপুর গ্রামে। তিনি এবার কেদার জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করেছেন। ফলনও হয়েছে আশানুরূপ। বার বার বোরো ফসলের হানি এবং ধানের মূল্য কমে যাওয়ায় তার মাথায় আসে বিকল্প চিন্তা। তার সাথে দেখা হলে তিনি বলেন,প্রতি কেদারে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে এবং এ থেকে ২৪/২৫ মন সূর্যমুখী বীজ উৎপাদন করতে পারবেন তিনি। এর দামও অনেক বেশি। হিসাব করে দেখিয়েছেন তিন কেদার জমি থেকে ৪০/৫০ হাজার টকা আয় করতে পারবেন। তিনি এও বলছেন যে সূর্যমুখী থেকে উৎপাদিত তেল ডায়াবেটিস, হৃদরোগের জন্য খুবই উপকারি। আব্দুর রহমানের এই সূর্যমুখী ফুলের বাগান নতুন করে আকর্ষন করছে পর্যটকদের। তার এই বাগানের সুন্দর্যের কথা ছড়িয়ে পড়েছে জেলা ব্যাপি। প্রতিদিন তার এই বাগান দেখতে নতুন নতুন পর্যটক ভীড় করছেন। এমনকি বিষয়টি জেলা প্রশাসকের নজরে আসলে তিনিও বাগান পরিদর্শন করে হাওর অঞ্চলের কৃষকদের সূর্যমুখী সহ রবি শষ্য চাষে পরামর্শ দেন। জেলায় শুধু সূর্যমুখী নয় ভূট্টা, সরিষা আবাদও করেছেন কৃষক। কৃষকরা জানান শষ্য আবাদে খরচ কম এবং লাভ বেশি। বন্যার ঝুঁকিও নেই। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের চিনাকান্দি গ্রামের কৃষক রফিক মিয়া জানান,এক কেদার জমিতে ভূট্টা আবাদে খরচ হয় মাত্র দুই হাজার টাকা।ভূট্টা উৎপাদন হয় প্রায় ত্রিশ মন। যার বাজার মূল্য ২৪ হাজার টাকা।এই হিসেবে এক কেদার জমিতে ধান পাওয়া যায় ১২/১৪ মন। যার বাজার দর ৬ হাজার টাকা। ভূট্টা আবাদে চার গুন লাভ পাওয়া যায়। তাই তিনি এবার ভূট্টা চাষ করেছেন। জেলার আরেকটি উপজেলা জামালগঞ্জ এর মান্নান ঘাট এলাকার বেশ কিছু কৃষক সূর্যমুখী ও ভূট্টা চাষ করেছেন। তারা বলছেন সরকার শষ্য আবাদে পর্যাপ্ত পরিমান বীজ, সার বিতরণ করলে কয়েক বছরের মধ্যেই ঘুরে দাঁড়াবে কৃষক। সচল হবে হাওরের অর্থনীতির চাকা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরে ভূট্টা ৪২৭ হেক্টর,সরিষা ২ হাজার হেক্টর,সূর্যমুখী ২৭ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে এবং ৬ হাজার কৃষকের মাঝে শষ্য আবাদের বীজ বিতরণ করা হয়েছে। এবিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক সফর উদ্দিন বলেন, কৃষক এখন ধানের বিকল্প হিসেবে রবি শষ্য চাষে ঝুঁকছে। আমাদের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত পরিমান বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে এবং কৃষদের রবি শষ্য চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। আমার বিশ্বাস আগামীতে হাওরের কৃষকের বৃহৎ একটি অংশ শষ্য আবাদে এগিয়ে আসবেন।



সুনামগঞ্জে শষ্য আবাদে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের
                                  

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : আব্দুর রহমান পেশায় একজন কৃষক। তার বাড়ি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের সালামপুর গ্রামে। তিনি এবার কেদার জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করেছেন। ফলনও হয়েছে আশানুরূপ। বার বার বোরো ফসলের হানি এবং ধানের মূল্য কমে যাওয়ায় তার মাথায় আসে বিকল্প চিন্তা। তার সাথে দেখা হলে তিনি বলেন,প্রতি কেদারে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে এবং এ থেকে ২৪/২৫ মন সূর্যমুখী বীজ উৎপাদন করতে পারবেন তিনি। এর দামও অনেক বেশি। হিসাব করে দেখিয়েছেন তিন কেদার জমি থেকে ৪০/৫০ হাজার টকা আয় করতে পারবেন। তিনি এও বলছেন যে সূর্যমুখী থেকে উৎপাদিত তেল ডায়াবেটিস, হৃদরোগের জন্য খুবই উপকারি। আব্দুর রহমানের এই সূর্যমুখী ফুলের বাগান নতুন করে আকর্ষন করছে পর্যটকদের। তার এই বাগানের সুন্দর্যের কথা ছড়িয়ে পড়েছে জেলা ব্যাপি। প্রতিদিন তার এই বাগান দেখতে নতুন নতুন পর্যটক ভীড় করছেন। এমনকি বিষয়টি জেলা প্রশাসকের নজরে আসলে তিনিও বাগান পরিদর্শন করে হাওর অঞ্চলের কৃষকদের সূর্যমুখী সহ রবি শষ্য চাষে পরামর্শ দেন। জেলায় শুধু সূর্যমুখী নয় ভূট্টা, সরিষা আবাদও করেছেন কৃষক। কৃষকরা জানান শষ্য আবাদে খরচ কম এবং লাভ বেশি। বন্যার ঝুঁকিও নেই। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের চিনাকান্দি গ্রামের কৃষক রফিক মিয়া জানান,এক কেদার জমিতে ভূট্টা আবাদে খরচ হয় মাত্র দুই হাজার টাকা।ভূট্টা উৎপাদন হয় প্রায় ত্রিশ মন। যার বাজার মূল্য ২৪ হাজার টাকা।এই হিসেবে এক কেদার জমিতে ধান পাওয়া যায় ১২/১৪ মন। যার বাজার দর ৬ হাজার টাকা। ভূট্টা আবাদে চার গুন লাভ পাওয়া যায়। তাই তিনি এবার ভূট্টা চাষ করেছেন। জেলার আরেকটি উপজেলা জামালগঞ্জ এর মান্নান ঘাট এলাকার বেশ কিছু কৃষক সূর্যমুখী ও ভূট্টা চাষ করেছেন। তারা বলছেন সরকার শষ্য আবাদে পর্যাপ্ত পরিমান বীজ, সার বিতরণ করলে কয়েক বছরের মধ্যেই ঘুরে দাঁড়াবে কৃষক। সচল হবে হাওরের অর্থনীতির চাকা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরে ভূট্টা ৪২৭ হেক্টর,সরিষা ২ হাজার হেক্টর,সূর্যমুখী ২৭ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে এবং ৬ হাজার কৃষকের মাঝে শষ্য আবাদের বীজ বিতরণ করা হয়েছে। এবিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক সফর উদ্দিন বলেন, কৃষক এখন ধানের বিকল্প হিসেবে রবি শষ্য চাষে ঝুঁকছে। আমাদের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত পরিমান বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে এবং কৃষদের রবি শষ্য চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। আমার বিশ্বাস আগামীতে হাওরের কৃষকের বৃহৎ একটি অংশ শষ্য আবাদে এগিয়ে আসবেন।



বকশীগঞ্জে সবজি চাষে বদলে যাচ্ছে গ্রামীণ অর্থনীতি
                                  

বকশীগঞ্জ(জামালপুর)প্রতিনিধি : জামালপুরের বকশীগঞ্জে সবজি চাষে বদলে গেছে অনেকের ভাগ্য। সবজি চাষের কারণে এ উপজেলার অর্থনৈতিক অবস্থা বদলে যেতে শুরু করেছে। কৃষকরা ধান ও অন্যান্য অলাভজনক চাষাবাদ বাদ দিয়ে সবজি চাষে ঝুঁকতে শুরু করেছেন। ফলে মানুষের ভাগ্যও যেমন পরিবর্তন হচ্ছে তেমনি পুষ্টি চাহিদাও পূরণ হচ্ছে। আগামি পাঁচ বছর এ ধারা অব্যাহত থাকলে এ অঞ্চলের পুরো অর্থনীতি বদলে যাবে ।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের জুলাইয়ে ভয়াবহ বন্যায় রোপা আমনের পর কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এরপরও থেমে থাকেন নি এ উপজেলার কৃষক। তারা বিভিন্নভাবে ঘুড়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন।
উপজেলা কৃষি দপ্তরের পরিবেশ বান্ধব সবজি উৎপাদনের পরামর্শ পেয়ে কৃষকরা উৎসাহ পেতে থাকেন। প্রতি বছরই এই উপজেলায় কমবেশি সবজি চাষ হলেও এই বছর সবজি চাষ বেড়ে গেছে।
এ বছর বকশীগঞ্জ উপজেলার সাত টি ইউনিয়নে ৮০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রকারের শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়েছে। কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে কম খরচে বেশি লাভ করা যায় এমন সবজি চাষের পরামর্শ দেওয়া হয়।
কৃষি দপ্তরের পরামর্শে এবং উন্নয়ন সংঘ রি-কল ২০২১ প্রকল্পের সার্বিক সহযোগিতায় মেরুরচর ইউনিয়নের পূর্ব কলকিহারা গ্রামে জহুরা বেগমের সাফল্যের গল্প এখন সবার মুখে মুখে। জহুরা বেগম গত বছরের রোকেয়া দিবসে সবজি চাষ করে অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জন করায় শ্রেষ্ঠ জয়িতা পুরস্কার পেয়েছেন। এরকম অনেক নারীই এখন সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।
বগারচর ইউনিয়নের বালুরচর গ্রাম এখন নিরারপদ সবজির গ্রাম নামে পরিচিত হয়েছেন। এই গ্রামের ৯০ ভাগ মানুষ সবজি চাষ করে থাকেন। সবজি চাষ করে বেশির ভাগ মানুষ অর্থনৈতিক মুক্তি লাভ করেছেন। এ বছর এই গ্রামে বিষমুক্ত সবজি চাষ করে খ্যাতি অর্জন করে অনেক কৃষক। কপি, টমোটো, বেগুন, মুলা, ডাটা শাক , শসা, বরবটি, লাউ সহ বিভিন্ন ফসল পরিবেশ বান্ধব ।
বালুরচর গ্রামের সবজি চাষি মিনুকা বেগম, বাসেনা বেগম, আমিরন বেগম সবজি চাষ করে সাফল্যের মুখ দেখেছেন। এখন তারা বছর জুড়ে সবজি চাষ করেন।
এই গ্রামের সবজি চাষি মিনুকা বেগম জানান, উন্নয়ন সংঘ রি-কল ২০২১ প্রকল্পের সহায়তায় আমি ও আমার গ্রামের অনেকেই সবজি উৎপাদনের জন্য প্রশিক্ষণ পেয়ে সবজি চাষের উপর জোর দেই। রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার ছাড়াই আমি জৈব সার, কেঁচো কম্পোষ্ট ব্যবহার করে সম্পূর্ণ বিষমুক্ত উপায়ে সবজি চাষ করে থাকি। এ কারণে ফসল উৎপাদন খরচ কম ও ভাল ফলন পাচ্ছি।
এরকম প্রায় প্রতিটি গ্রামেই সবজি চাষ করা হয়েছে। বিশেষ করে বেগুন, কপি, টমোটো , গোল আলু, ডাটা শাক, শসা চাষ জনক হওয়ায় কৃষকরা এসব চাষেই বেশি ঝুঁকছেন। শীতকালীন সময়ে সবজি চাষ শেষে অনেকেই আবার নতুন করে শসা, করলা, চিচিঙ্গা, ঢেরস চাষ শুরু করেছেন।
এবারের মৌসুমে সবজি দাম ভাল পাওয়ায় মোটা অংকের লাভ হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। এতে করে গ্রামীণ অর্থনীতি বদলে যাচ্ছে। মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটে যাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলমগীর আজাদ জানান, আমরা কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছি। বিশেষ করে কৃষককে নিরাপদ সবজি চাষে আগ্রহ সৃষ্টি করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কৃষকরা যেমন লাভবান হচ্ছে তেমনি ভোক্তারা বিষমুক্ত সবজি পাচ্ছেন।



নওগাঁয় প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে বেড়েছে ভুট্টার চাষ
                                  

নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁয় প্রতি বছর বাড়ছে ভুট্টার আবাদ। গত পাঁচ বছরে জেলায় প্রায় ৩ হাজার ৮৪৫ হেক্টর জমিতে বেড়েছে ভুট্টার চাষ। ধান, গম ও অন্যান্য ফসলের তুলনায় খরচ ও পরিশ্রম কম এবং দাম ভালো পাওয়ায় চাষীরা ভুট্টা আবাদে ঝুঁকেছেন। এছাড়া সরকারি প্রনোদনা ও সহযোগীতা দেয়ায় প্রতি বছরই বাড়ছে ভুট্টার আবাদ। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া ভালো থাকলে ভালো ফলন পাবেন এমনটাই আশা করছেন চাষীরা।
নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলায় প্রায় ৭ হাজার ১৪৫ হেক্টর জমিতে ভুট্টার আবাদ হয়েছে। এ বছর ২৮৫ হেক্টর জমিতে বেশি পরিমান আবাদ করা হয়েছে।

এর মধ্যে সদর উপজেলায় ২৫৫ হেক্টর, রানীনগরে ৪২০ হেক্টর, আত্রাইয়ে ৫ হাজার ১৫০ হেক্টর, বদলগাছীতে ৮০ হেক্টর, মহাদেবপুরে ১২০ হেক্টর, পত্নীতলায় ৩৫ হেক্টর, ধামইরহাটে ৩৯০ হেক্টর, সাপাহারে ২০ হেক্টর, পোরশায় ১৫ হেক্টর, মান্দায় ৬১৫ হেক্টর, নিয়ামতপুরে ৪৫ হেক্টর। এছাড়া প্রদর্শণী রয়েছে ৩০০টি। উন্নত মানের সুপার সাইন, মিরাক্কেল, ডন, ১১১ উন্নত জাতের ভুট্টা আবাদ করা হয়েছে।
গত বছর(২০১৯) ৬ হাজার ৮৬০ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছিল। এছাড়া ২০১৮ সালে ৬ হাজার ২২০ হেক্টর, ২০১৭ সালে ৪ হাজার ৫০০ হেক্টর এবং ২০১৬ সালে ৩ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছিল। ২০১৬-২০২০ সাল (পাঁচ বছর) পর্যন্ত জেলায় প্রায় ৩ হাজার ৮৪৫ হেক্টর জমিতে বেড়েছে ভুট্টার আবাদ।
জেলার বিভিন্ন মাঠে মাঠে লক লকে সবুজ পাতায় স্বপ্ন বুনছেন ভুট্টা চাষিরা। ইতিমধ্যে কোথাও কোথাও গাছে ফুল আসা শুরু করেছে। আবার কোথাও তরতাজা হয়ে গাছ বেরিয়ে আসছে। কোথাও মাঝারি ও বড় গাছ। আর এমন দৃশ্য জেলার উপজেলাগুলোর মাঠ জুড়ে। স্বল্প সময়ে ও ভূগর্ভস্তরের পানি কম ব্যবহার করতে রবিশষ্য আবাদের জন্য কৃষকরা ভুট্টা চাষ করছেন। ভুট্টা চাষে প্রতি বিঘাতে হাল চাষ, বীজ, সার, ঔষধ ও শ্রমিক দিয়ে প্রায় ৬/৭ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। এছাড়া আলুর জমিতে ভুট্টার আবাদ করলে খরচ আরো একটু কম হয়। ভুট্টার পর ওই জমিতে পাটের আবাদও হয়ে থাকে।
প্রতি বিঘাতে ভালো মানের ভুট্টা হলে ফলন আসে ৩৫-৪০ মণ। এছাড়া কমপক্ষে ২০-২৫ মণের মতো ফলন হয়ে থাকে। যেখানে নতুন ভুট্টা বাজারে দাম পাওয়া যায় ৫০০-৬০০ টাকা মণ। ভুট্টার আবাদে রোগবালাই তেমন নাই। গত বছর প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে ভুট্টা চাষীরা কিছুটা ক্ষতিতে পড়েছিল। এবার সে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বাড়তি আবাদ করেছেন। কোন ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে কৃষকরা ভালো ফলন পাবেন বলে আশাবাদী।
অপরদিকে, বোরো আবাদ কিছুটা কমিয়ে দিয়ে ওইসব জমিতে ভুট্টার আবাদ করা হচ্ছে। ধান লাগানো থেকে শুরু করে সার, ওষধ, কাটা মাড়াই পর্যন্ত ঘরে তুলতে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া বাজারে ধানের দাম তুলনামুলক কম। আবার পোকার আক্রমন হলে নিয়ন্ত্রন করা অনেকটা কষ্টকর হয়ে উঠে কৃষকদের পক্ষে। যার কারণে কৃষকরা বিকল্প হিসেবে ভুট্টার আবাদের দিকে আগ্রহী হয়েছেন।
রাণীনগর উপজেলার মিরাট গ্রামের কৃষক এচাহক আলী বলেন, এ বছর ৪ বিঘা জমিতে ভুট্টার আবাদ করেছেন। প্রতি বিঘা জমিতে ৬/৭ হাজার টাকা খরচ হয়। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ভুট্টার সর্বোচ্চ ৩৫-৪০ মনের মতো আবাদ হয়ে থাকে। এ উপজেলার অধিকাংশ জমিতে মুলত দুইটি ফসল হয়ে থাকে। ভ্ট্টুার পর সেই জমিতে পাটের আবাদ করা হয়। অল্প পরিশ্রম এবং কম খরচে অধিক লাভ হওয়ায় ভুট্টার আবাদ করা হয়।
একই উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের সোনাতন প্রামাণিক বলেন, দেড় বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করেছেন। অন্যান্য ফসলের তুলনায় ভ্ট্টুা চাষে খরচ ও পরিশ্রম কম। দামও ভালো পাওয়া যায়। প্রথম দিকে ৫০০-৬০০ টাকা মণ বিক্রি করা হয়। তবে একটু দেরীতে (ফেব্রুয়ারী/মার্চ) বিক্রি করতে পারলে মণে ৯০০ থেকে হাজার টাকা দাম পাওয়া যায়। এছাড়া কৃষি অফিস থেকে সার্বিক পরামর্শ দিয়ে থাকে। তবে ভুট্টা চাষ ধান থেকে লাভজনক ফসল।
আত্রাই উপজেলার হাটকালুপাড়া গ্রামের ভুট্টা চাষী মোঃ আব্দুস শুকুর জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও ৫ বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করেছেন তিনি। আত্রাই নদীর চর এলাকায় তার জমি হওয়ায় এখানে ভুট্টার আবাদ করায় প্রচুর ফলন পাওয়া যায়। ভুট্টা চাষে ব্যপক লাভবান হওয়ায় এই উপজেলায় দিন দিন ভুট্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষকরা।
আত্রাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম কাওছার হোসেন বলেন, এই উপজেলায় চলতি বছরে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৪০ হেক্টর। সেখানে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে ৫ হাজার ১৫০ হেক্টর। যেখানে আদর্শ প্রকল্পের আওতায় প্রদর্শণী রয়েছে ৫০ টি। এছাড়া ১ হাজার ৫০ জন কৃষককে প্রনোদনা দেয়া হয়েছে। কৃষকরা ভুট্টা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। ভ্ট্টুা আবাদে পরিশ্রম ও উৎপাদন খরচ কম। আবার ফলনও বেশি পাওয়া যায়। কৃষকরা যদি কিছু সময় দেরী করে বাজারে বিক্রি করতে পারে তাহলে দামও ভাল পায়।
নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ভূগর্ভস্ত পানির ব্যবহার কমাতে কৃষকদের রবিশষ্যসহ স্বল্প পানি দিয়ে স্বল্প সময়ে ফসল চাষের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এই জেলায় প্রতি বছর ভুট্টার আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের সার্বিক সহযোগীতা করা হচ্ছে।

 

 

বসন্তের আগমনে নতুন সাজে আম গাছ, মৌমাছির গুনগুন চারিদিকে
                                  

মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি : ছয় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। আর এই ছয়টি ঋতুর মধ্যে ঋতুরাজ বসন্ত। কোকিলের সুমধুর কন্ঠে মাতাল করতে আবার ঋতুরাজ বসন্ত এসেছে শীতের শেষ প্রান্তে। তাই ফাগুনের ছোয়ায় ফুলে ফুলে রঙ্গিন সাজে সেজেছে পলাশ-শিমুলের গাছ। সেই সাথে আমের মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে আম গাছগুলো।
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় আমের মুকুলের ঘ্রাণ জানান দিচ্ছে ঋতুরাজ বসন্তের উপস্থিতি। রঙ্গিন ফুলের সমারোহে বর্ণিল সাজে সেজেছে যেমন প্রকৃতি চারপাশ, তেমনি মুকুলে মুকুলে নতুন ভাবে সেজেছে উপজেলার বিভিন্ন আমের বাগান। মুকুলের ভারে নুয়ে পড়ার উপক্রম চারপাশের প্রায় প্রতিটি আমগাছ। আর শোভা ছড়াচ্ছে স্বমহিমায়। মৌমাছিরাও ব্যস্থ মধু আহরণে।
উপজেলার বাগান মালিক ও আমচাষিরা ব্যস্থ সময় পার করছেন পরিচর্ষা নিয়ে। অবশ্য গাছে মুকুল আসার আগে থেকেই তারা গাছের পরিচর্ষা করে থাকে, যাতে গাছে মুকুল বা গুটি বাঁধার সময় কোন সমস্যা না হয়। বাগানে সারিবদ্ধ মুকুলে নুয়ে পড়া আম গাছ গুলো দেখতে যেন অপরুপ সৌন্দর্য। এ উপজেলায় ফজলি, রুপালী, হিম সাগর, মল্লিকা, বিশ^নাথ ও ল্যাংড়াসহ কয়েক জাতের আমের চাষ করা হয়।
আম চাষিরা নিজ উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এ চারা সংগ্রহ করে আমের বাগান তৈরী করেন বা আম চাষ শুরু করেন। কিন্তুু বর্তমানে তারা নিজেরাই চারা উৎপাদন করছেন এবং বাজারজাত করে অর্থ উপার্জনও করছেন উপজেলার আম চাষিরা বা বাগান মালিকেরা।
উপজেলা সদরের ধোয়াইল গ্রামের আম বাগানের মালিক ইউসুফ সরদার জানান, চার একর জমিতে আমের বাগান করেছি। তবে এখনো সব গাছে মুকুল আসেনি, কিছু দিনের মধ্যে হয়তো চলে আসবে বলে আশা করছি। প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে এবং আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে আমের ফলন ভালো হবে।  
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুস সোবাহান বলেন, আবহাওয়াগত ও জাতের কারণে নির্ধারিত সময়ের আগে থেকেই আম গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। তবে এ বছর আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবং বড় ধরণের কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে এ উপজেলায় আমের বাম্পার ফলন হবে এবং আম চাষিরা লাভবান হবে বলে আশা করা হচ্ছেস্ময়ও


   Page 1 of 10
     কৃষি সংবাদ
চোখ ধাঁধানো সবুজের বুকে হলুদের সমাহার
.............................................................................................
ফুলপুরের মাড়াদেওড়া খাল বিলীন হওয়ার পথে
.............................................................................................
মধুপুরে দোখলা রেঞ্জে ৮ একর জায়গা জবরদখল মুক্ত
.............................................................................................
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা বরেন্দ্র নওগাঁয় মাঠ দিবস
.............................................................................................
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা বরেন্দ্র নওগাঁয় মাঠ দিবস
.............................................................................................
আক্কেলপুরে সেচ পানির দাম বৃদ্ধির অভিযোগ
.............................................................................................
সিলেটে সূর্যমুখী ফুলবাগান পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক
.............................................................................................
চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
ক্যাপসিকাম চাষে সফল মহেশপুর মিন্টু মিয়া
.............................................................................................
কমলগঞ্জে সূর্যমুখী ফুলের চাষে লাভের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক
.............................................................................................
রেকর্ড পরিমাণ রসুনের আবাদ পুঠিয়ায়
.............................................................................................
সুনামগঞ্জে শষ্য আবাদে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের
.............................................................................................
সুনামগঞ্জে শষ্য আবাদে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের
.............................................................................................
বকশীগঞ্জে সবজি চাষে বদলে যাচ্ছে গ্রামীণ অর্থনীতি
.............................................................................................
নওগাঁয় প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে বেড়েছে ভুট্টার চাষ
.............................................................................................
বসন্তের আগমনে নতুন সাজে আম গাছ, মৌমাছির গুনগুন চারিদিকে
.............................................................................................
ঝিনাইদহে ভুট্টার বাম্পার ফলনের আশায় কৃষক
.............................................................................................
গৌরীপুরে কৃষক প্রশিক্ষণ
.............................................................................................
নান্দাইলে নরসূন্দা নদীর নাব্যতা হ্রাস
.............................................................................................
চুনারুঘাটে চা শ্রমিক হত্যার অভিযোগে আটক ২
.............................................................................................
নাজিরপুরে ৩ দিন ব্যাপী কৃষি মেলা
.............................................................................................
ফুলবাড়ীতে ইরি-বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত কৃষক
.............................................................................................
গোবিন্দগঞ্জে শরিষা কর্তন উপলক্ষে মাঠ দিবস অনুষ্টিত
.............................................................................................
মৌসুমী সবজি থাকলেও হাসি নেই কৃষকের মুখে
.............................................................................................
মাগুরায় রেকর্ড পরিমাণ পেঁয়াজ রোপন করেছে কৃষকরা
.............................................................................................
কুড়িগ্রামের বৃষ্টির কারনে সরিষা ফলনে দু:চিন্তায় কৃষকরা
.............................................................................................
ডিমলায় কৃষকদের মাঝে মুগডাল বীজ ও সার বিতরণ
.............................................................................................
পাইকগাছার লবনাক্ত মাটিতে “তীন” গাছে ফল
.............................................................................................
মধুপুর-ধনবাড়ীতে কলা চাষে স্বাবলম্বী কৃষক
.............................................................................................
কোল্ড ইনজুরিতে ক্ষতিগ্রস্ত বীজতলার কারণে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কা
.............................................................................................
রাজনগরে আমন ধান সংগ্রহে লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্ণয়
.............................................................................................
ধনবাড়ীতে সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে
.............................................................................................
জয়পুরহাটে ব্রোকলি চাষে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছে কৃষক
.............................................................................................
ফসলী জমির মাটি যাচ্ছে শরীয়তপুর-নাগেরপাড়া সড়কে
.............................................................................................
দিনাজপুরে আগাম আলু চাষ
.............................................................................................
বিলুপ্তির পথে শস্যভান্ডার প্রাচীন ঐতিহ্য ধানের গোলা
.............................................................................................
কৃষিকে শতভাগ যান্ত্রিকিকরণ ও বহুমুখীকরণ করা হবে : কৃষিমন্ত্রী
.............................................................................................
সিরাজগঞ্জে মৌ চাষীরা ঝুঁকিতে
.............................................................................................
কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সঙ্গে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধি দল
.............................................................................................
বগুড়ায় হাইব্রিড পেঁপে চাষে বাম্পার ফলন
.............................................................................................
অগ্রযাত্রার ৪৫ বছরে পদার্পণ মোংলা পোর্ট পৌরসভা
.............................................................................................
পিঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না : কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক
.............................................................................................
ধান ক্রয়ে ‘কৃষকের অ্যাপ`
.............................................................................................
কুড়িগ্রামে দোকান পুড়ে প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
.............................................................................................
পীরগঞ্জে হলুদ রঙের সফল তরমুজ চাষ
.............................................................................................
বোয়ালমারীতে সরকারি পুকুর দখল করে মাছ ও লাউ চাষ
.............................................................................................
লক্ষ্মীপুরে ‘পান পল্লীতে’ বাম্পার ফলন
.............................................................................................
শেরপুরে উচ্চফলনশীল ও স্বল্প মেয়াদী বিনা ধান-১৭ এর মাঠ দিবস
.............................................................................................
ঠাকুরগাঁওয়ে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা
.............................................................................................
কালীগঞ্জে কৃষকের স্বপ্ন ভেঙে দিল ‘বুলবুল’
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD