ঢাকা,মঙ্গলবার,৬ ভাদ্র ১৪২৮,২০,এপ্রিল,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > অসহায় ও ছিন্নমূলদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ   > মেহেরপুরে লকডাউন মানছে না কেউ   > দাগনভূঞায় আয়েশা ডেইরি ফার্মের সফল উদ্যোক্তা তুহিন   > তীব্র তাপদাহে পুুড়ছে বাগাতিপাড়া   > সখীপুরে অবাধে কাটা হচ্ছে টিলা   > ‘লকডাউনের আগে থেকেই শুটিং করছি না’   > ফুটবলার পগবাকে নিয়ে চলচ্চিত্র   > কুড়িগ্রামে বাজারে অগ্নিকান্ড প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি   > কুমারখালীতে বাজার মনিটরিং কমিটির অভিযান   > ভারতে করোনায় একদিনে আক্রান্ত আড়াই লাখ, মৃত্যু দেড় হাজার  

   পাঁচমিশালি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
পদ্মায় ধরা পড়ল ২৯ কেজি ওজনের বাঘাইড়

নাটোর প্রতিনিধি : নাটোরের লালপুরের পদ্মা নদীতে থেকে ধরা পড়েছে ২৯ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ। গতকাল ভোরে নাটোর জেলার লালপুরের স্থানীয় জেলেরা পদ্মা নদী থেকে বাঘাইড় মাছটি জালে ধরা পড়ে। পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী বাঘা উপজেলার বাঘা বাজারে মাছ আড়তে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ফজলুর রহমান নামে এক মাছ ব্যবসায়ী বাঢ়াইড় মাছটি ক্রয় করে দুপুরে নাটোর শহরের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে বিক্রির জন্য নিয়ে আসে। এসময় মাছটি দেখতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। কেউ কেউ মাছের ছবি তুলে পোস্ট করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ সময় মাছ বিক্রির জন্য দায়িত্বে থাকা ব্যবসায়ী জাকির হোসেন প্রতি কেজি এক হাজার টাকা মাছের দাম হাকেন। কিন্তু ক্রেতাদের আগ্রহ কম থাকায় ৮’শ টাকা কেজি পর্যন্ত দাম বলেছে কেউ কেউ। পড়ে মাছটি স্থানীয়রা ক্রয় করেন বলে জানা যায়।

পদ্মায় ধরা পড়ল ২৯ কেজি ওজনের বাঘাইড়
                                  

নাটোর প্রতিনিধি : নাটোরের লালপুরের পদ্মা নদীতে থেকে ধরা পড়েছে ২৯ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ। গতকাল ভোরে নাটোর জেলার লালপুরের স্থানীয় জেলেরা পদ্মা নদী থেকে বাঘাইড় মাছটি জালে ধরা পড়ে। পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী বাঘা উপজেলার বাঘা বাজারে মাছ আড়তে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ফজলুর রহমান নামে এক মাছ ব্যবসায়ী বাঢ়াইড় মাছটি ক্রয় করে দুপুরে নাটোর শহরের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে বিক্রির জন্য নিয়ে আসে। এসময় মাছটি দেখতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। কেউ কেউ মাছের ছবি তুলে পোস্ট করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ সময় মাছ বিক্রির জন্য দায়িত্বে থাকা ব্যবসায়ী জাকির হোসেন প্রতি কেজি এক হাজার টাকা মাছের দাম হাকেন। কিন্তু ক্রেতাদের আগ্রহ কম থাকায় ৮’শ টাকা কেজি পর্যন্ত দাম বলেছে কেউ কেউ। পড়ে মাছটি স্থানীয়রা ক্রয় করেন বলে জানা যায়।

ধান খাওয়ার অভিযোগে ৩৩ বাবুই ছানা পুড়িয়ে হত্যা
                                  

কে এম সবুজ, ঝালকাঠি অফিস : ঝালকাঠির নলছিটিতে ক্ষেতের ধান খাওয়ার অভিযোগ তুলে বাবুই পাখির ৩৩টি বাচ্চা পুড়িয়ে মারার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের ঈশ্বরকাঠি গ্রামে শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় জালাল সিকদারের ক্ষেতের ধান খাওয়ায় তিনি ওই এলাকার সিদ্দিক মার্কেটের সামনের তাল গাছে থাকা বাবুই পাখির বাসায় আগুন ধরিয়ে দিলে ৩৩টি বাবুই ছানা নির্মমভাবে পুড়ে মারা যায়। এ ঘটনায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা জুলহাস মল্লিক বলেন, নিষ্ঠুর এই ঘৃণ্য কাজ মানুষ করতে পারে, তা ভাবতেই অবাক লাগে। বাবুই পাখির অপরাধ হচ্ছে ‘ক্ষেতের ধান খাওয়া’। এলাকার পাখি প্রেমী অভিজিৎ চন্দ্র বলেন, গতকাল শনিবার ঝালকাঠি বন বিভাগকে লিখিতভাবে অভিযোগ জানানো হয়েছে। কিন্তু কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ঝালকাঠি সদর উপজেলা বন কর্মকর্তা কার্তিক চন্দ্র মন্ডল বলেন, মৌখিক অভাযোগ পেয়েছি, ‘এটা যদিও খুলনা বন ও বণ্যপ্রাণী বিভাগের আওতায়। আমাদের ঝালকাঠি অফিস হচ্ছে সামাজিক বন বিভাগের। তবুও আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি দেখবো।’
বাবুই পাখির নীড়ে আগুন লাগানো জালাল সিকদার বলেন, ‘আমার ক্ষেতের ধান প্রতিদিন পাখিতে খেয়ে ফেলায় আমি আর্থিক লোকসানের দিকে যাচ্ছিলাম। মাথা গরম থাকায় বাসা নষ্ট করেছি। আমি এজন্য অনুতপ্ত।’
নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা সিকদার বলেন, বিষয়টি শুনেছি, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিমানবন্দরে শিশুসন্তানকে ফেলে গেলেন সৌদিফেরত এক মা
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮ মাসের এক কন্যাশিশুকে ফেলে রেখে গেছেন তার মা। ফেলে যাওয়া শিশুটিকে বিমানবন্দরে দায়িত্বরত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) এক সদস্য উদ্ধার করেন। পরে এপিবিএনের নারী সদস্যরা মেস থেকে দুধ এনে খাওয়ালে শিশুটির কান্না থামে।
শুক্রবার সকালে বিমানবন্দরের অ্যারাইভাল (আগমনী) টার্মিনাল থেকে ফেলে রাখা অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। তার মা রাতে একটি ফ্লাইটে সৌদি থেকে দেশে আসেন।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ওই নারী বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টায় সৌদি আরব থেকে একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন। ফ্লাইট অবতরণের পর তিনি ৫ নম্বর লাগেজ বেল্টের সামনে শিশুটিকে নিয়ে অবস্থান করেন। বাড়ি ফেরার জন্য রাতে গাড়ি পাবেন না, তাই সকাল পর্যন্ত সেখানেই অপেক্ষা করেন। সকাল ৮টার দিকে হঠাৎ শিশুটিকে কান্না করা অবস্থায় রেখে তিনি লাগেজ নিয়ে পালিয়ে যান।
একই ফ্লাইটে ওই নারীর সঙ্গে আসা আরেক নারী জানান, শিশুটির মা সৌদি আরবে কাজের জন্য গিয়েছিল। সেখানে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের ঘরেই এই সন্তানের জন্ম। তবে দেশে ফেরার আগেই তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। সন্তানকে নিয়ে তিনি কোথায় যাবেন তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলেন। ফ্লাইটে কান্নাকাটি করছিলেন ওই নারী। শিশুটিকে ফেলে যাওয়ার পর কান্নাকাটি করছিল। এপিবিএনের কয়েকজন নারী সদস্য তার কান্না থামানোর চেষ্টা করেন। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ওই নারীকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।

এই প্রথম মাশরুম দিয়ে তৈরি হলো পোশাক!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মাশরুমের চামড়া দিয়েও পোশাক তৈরি হয়, তা কি আগে জানা ছিল? ইংরেজ ফ্যাশন ডিজাইনার স্টেলা ম্যাককার্টনি দীর্ঘদিন গবেষণার পর মাশরুমের চামড়া দিয়ে নতুন পোশাক তৈরি করেছেন। টেকসই বিলাসবহুল ফ্যাশন আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী হিসেবে স্টেলা ম্যাককার্টনির অনেক খ্যাতি আছে। সম্প্রতি বিখ্যাত এ ফ্যাশন ডিজাইনার বিশ্বের সামনে তুলে ধরলেন মাশরুম থেকে উৎপন্ন চামড়া দিয়ে তৈরি পোশাক। ২০ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি সবসময় প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে পোশাক এবং বিভিন্ন ফ্যাশনেবল বস্তু তৈরির চেষ্টায় থেকেছেন। কখনো প্রাণীর চামড়া দিয়ে কিছু তৈরির প্রয়াস ঘটাননি তিনি। এ ফ্যাশন ডিজাইনার এবারই প্রথম মাইলো গার্মেন্টস হিসেবে একটি কালো বাস্টিয়ার এবং ট্রাউজার্স তৈরি করেছেন, তাও আবার মাশরুমের চামড়া দিয়ে। ইনস্টাগ্রামে তিনি পোশাকের ছবি দিয়ে লিখেছেন, ‘এটি ফ্যাশনের ভবিষ্যত’। এই প্রথম মাইলো গার্মেন্টস নামক একটি ব্র্যান্ড আত্মপ্রকাশ করেছে- ব্ল্যাক বাস্টিয়ার এবং ট্রাউজার্স তৈরি করে। স্টাইলের ক্ষেত্রে এ পোশাক অনবদ্য এবং পরিবেশবান্ধব বলে জানান স্টেলা ম্যাককার্টনি।
জাতিসংঘের দেওয়া তথ্য মতে, বিশ্বের কার্বন নিঃসরণের ১০ শতাংশ এবং বৈশ্বিক বর্জ্য-পানির প্রায় ২০ শতাংশের জন্য দায়ী ফ্যাশন শিল্প। এ সংকটপূর্ণ সময়ের প্রেক্ষাপটে ফ্যাশন ডিজাইনার ও উদ্ভাবকগণ টেকসই ও পরিবেশ-বান্ধব বিকল্প ফ্যাশনের খোঁজে কাজ করছেন। ঠিক এমন সময়ই স্টেলা ম্যাককার্টনি পরিবেশবান্ধব পোশাক নিয়ে হাজির হলেন। মাশরুমের মাইসেলিয়াম থেকে কৃত্রিম চামড়া তৈরি করা হয়। মাইসেলিয়াম হলো মাশরুমের ছত্রাক ও তন্তুযুক্ত ভূ-গর্ভস্থ কাঠামো। মাশরুমের তন্তুযুক্ত উপাদান প্রক্রিয়াজাত করে চামড়ার মতো অসংখ্য কিছু তৈরি করা সম্ভব। এ নিয়ে অনেকেই এখনো গবেষণা করছেন। বর্তমানে আমেরিকান বিভিন্ন কোম্পানি যেমন- এডিডাস ও লুলুলেমন তাদের তৈরি জুতা ও হাতব্যাগে ব্যবহৃত চামড়ার জন্য মাশরুম থেকে তৈরি করা কৃত্রিম চামড়া ব্যবহার করে থাকে। এ ছাড়াও লেডিস ব্যাগ, মানি ব্যাগ, ঘড়ির বেল্টও তৈরি হয়েছে মাশরুম থেকে।

সুন্দরবন থেকে উদ্ধার বাঘের মরদেহেরে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন
                                  

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ সুন্দরবনের নদীর চর থেকে উদ্ধার হওয়া বাঘের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। গত শনিবার সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ অফিসের সামনে মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা জিএম আব্দুল কুদ্দুসের নেতৃত্বে এই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। এ সময়, শরণখোলা রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক (এসিএফ) জয়নাল আবেদীন, বন্য প্রাণি ও প্রকৃতি সংরক্ষন বিভাগের মো. মফিজুর রহমানসহ বন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা জিএম আব্দুল কুদ্দুস বলেন, আমরা মৃত বাঘটির ময়নাতন্দ সম্পন্ন করেছি।বাঘটির শরীরে কোন প্রকার আঘাতের চিহ্ন ছিল না। ধারণা করছি বাঘটি বার্ধক্য জনিত কারণে বাঘটি মারা যেতে পারে।অন্তত ৫ দিন আগে বাঘটি মারা গেছে বলে দাবি করেন তিনি।
প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা জিএম আব্দুল কুদ্দুস আরও বলেন, কয়েকদিন আগে মারা যাওয়ার কারণে বাঘটির অনেক অঙ্গেই পচে গেছে।তারপরও আমরা গুরুত্বপূর্ণ কিছু আলামত সংগ্রহ করেছি। এই আলামতগুলো রাজধানীস্থ বনবিভাগের ফরেন্সিক ল্যাবে পাঠানো হবে।সেখানের রিপোর্টে বাঘটির মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। শরণখোলা রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক (এসিএফ) জয়নাল আবেদীন বলেন, বাঘটির ময়না তদন্ত সম্পন্ন করেছি। রেঞ্জ অফিস সংলগ্ন বনে বাঘটির মরদেহ মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০২০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের কবরখালী খালের চর থেকে অর্ধগলিত অবস্থায় একটি বাঘের মরদেহ উদ্ধার করে বন বিভাগ। তার আগে ২০১৯ সালের ২০ আগস্ট সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের চাপড়াখালী এলাকায় বনের মধ্য থেকে একটি বাঘের মরদেহটি উদ্ধার করে বন বিভাগ।

সুখী দেশের তালিকায় ৬ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ
                                  

বিবিসি/এনডিটিভি : সুখী দেশের তালিকায় এ বছর ৬ ধাপ উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। ১০৭তম অবস্থান থেকে উঠে এবার বাংলাদেশ আছে ১০১ নম্বরে। তবে মানুষ তার ব্যক্তিগত জীবনে কতোটা সুখী সেটার গড় মূল্যায়ণে বাংলাদেশ তার প্রাপ্ত স্কোর অনুযায়ী তালিকার ৬৮ নম্বরে স্থান পেয়েছে। যা ২০১৭-২০১৯ সালের স্কোরের চাইতে ৯ ধাপ আগে। খবরে বলা হয়েছে, বরাবরের মতোই তালিকায় প্রথমে রয়েছে ফিনল্যান্ড। গত চার বছর ধরে দেশটি বিশ্বের সবথেকে সুখী দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে আসছে। জাতিসংঘের সৌজন্যে ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট নামের এই বার্ষিক প্রতিবেদনে ১৪৯টি দেশের মধ্যে জরিপ চালানো হয়েছে। এতে ফিনল্যান্ডের পরেই আছে ডেনমার্ক। এরপরই আছে সুইজারল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস। আগের অবস্থান থেকে চার ধাপ পিছিয়েছে বৃটেন। আগে দেশটির অবস্থান ছিল ১৩তে। তবে এবার সেখান থেকে পিছিয়ে এসে ১৭তে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এবার ১৯তম। মূলত সুখের পরিমাপক হিসেবে, দেশের সামাজিক সুযোগ-সুবিধা, সামাজিক উদারতা, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, মোট দেশজ উৎপাদন-জিডিপি, গড় আয়ু এবং দুর্নীতির মাত্রা বিষয়গুলোকে বিবেচনা করা হয়। এবার সবথেকে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে করোনাভাইরাস মহামারীতে মানুষের সার্বিক পরিস্থিতিকে। এসব মানদণ্ডে বিশ্বের সবথেকে অসুখী দেশ হিসেবে আফগানিস্তানের নাম উঠে এসেছে। তার পরেই রয়েছে লেসোথো, বোতসোয়ানা, রুয়ান্ডা এবং জিম্বাবুয়ে।

অর্থনীতি সচলে ‘ভ্যাকসিন পাসপোর্ট’ বিস্তার
                                  

সালেহ আহম্মেদ জুবায়ের : কয়েক মাসের লকডাউন, সীমান্ত চলাচল বন্ধ ও ব্যক্তিগত ঘোরাঘুরির স্বাধীনতা কমে যাওয়ার পর মহামারির এই পর্যায়ে ‘ভ্যাকসিন পাসপোর্ট’ ধারণাটি কয়েকটি দেশে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, বাহরাইন ও চীনসহ বেশ কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক ভ্রমণ চালু করতে ও অর্থনীতি বাঁচাতে নিজেদের মতো করে সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া চালু করেছে। বেশ কয়েকটি দেশে যেসব নাগরিকরা করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাদেরকে ডকুমেন্ট বা সার্টিফিকেট দেওয়ার কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে। ‘ভ্যাকসিন পাসপোর্ট’ বলতে এমন একটি সার্টিফিকেট বোঝায়, যেখানে কেউ ভ্যাকসিন নিয়েছেন কি না, সেইসব বিস্তারিত লেখা থাকে। কোনো প্রতিষ্ঠানের সই ও সিল থাকা সার্টিফিকেট অথবা স্মার্টফোনের কিউআর কোডের আকারেও ভ্যাকসিন পাসপোর্ট হতে পারে। অর্থনীতিকে পুনর্জীবিত করতে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ও সীমান্ত খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভ্যাকসিন পাসপোর্ট একটি আকর্ষণীয় ধারণা। তত্ত্ব অনুযায়ী, ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে এমন প্রমাণ দেখানোর ক্ষমতা বৈশ্বিক এই মহামারিতে একটা পরিবর্তন ঘটাতে পারে। পর্যটন নির্ভর দেশগুলো যেসব দর্শনার্থীরা ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাদের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের ভয় ছাড়াই বাণিজ্য শুরু করতে পারবে। তবে বাস্তবতা হলো, এই ধরনের দলিলগুলোর ক্ষেত্রে গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও বৈষম্য তৈরির সম্ভাবনা আছে। সম্ভবত এটি কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণের যে প্রচেষ্টা, সেটিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। বেশ কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যেই নিজেদের মতো করে ভ্যাকসিন পাসপোর্ট বা সার্টিফিকেট ব্যবহার করতে শুরু করেছে। ইসরায়েল একটি সরকার-অনুমোদিত সার্টিফিকেট তৈরি করেছে, যা ‘গ্রিন পাস’ নামে পরিচিত। যাদের কাছে ‘গ্রিন পাস’ আছে, তারা ভ্যাকসিন পেয়েছেন এবং তাদেরকে ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত বলে বিবেচনা করা হবে। স্মার্টফোনেও এই ধরনের পাসের ডিজিটাল কপি রাখা যেতে পারে। এটির মেয়াদ সম্পূর্ণ ভ্যাকসিন দেওয়ার পর থেকে ছয় মাস পর্যন্ত থাকবে। যাদের কাছে গ্রিন পাস আছে তারা জিম, রেস্তোরাঁ বা থিয়েটারের মতো জায়গায় যেতে পারবেন। ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট থাকলে আইসোলেশন ছাড়াই বিদেশে ভ্রমণের মতো সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। ইসরায়েল ইতোমধ্যেই গ্রিস ও সাইপ্রাসের সঙ্গে এমন একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন দেওয়ার সার্টিফিকেট আছে এমন নাগরিকরা ওই তিন দেশের মধ্যে নির্বিঘ্নে ভ্রমণ করতে পারবেন। চীনও নিজেদের মতো করে ভ্যাকসিন পাসপোর্টের নিজস্ব সংস্করণ প্রবর্তন করেছে। ওই সার্টিফিকেটে করোনা পরীক্ষার ফল ও ভ্যাকসিনের বিস্তারিত জানা যাবে। বাহরাইনও একইরকম একটি প্রক্রিয়া চালু করেছে। অন্যদিকে, ডেনমার্ক ও সুইডেনও তাদের নিজস্ব করোনা ভ্যাকসিন সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া শুরু করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভ্যাকসিন সার্টিফিকেটের একটি ডিজিটাল সংস্করণ নিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর ফলে গরমের ছুটিতে ইউরোপীয়দের ভ্রমণ সহজ হবে।

মুন্সীগঞ্জে মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ
                                  

রুবেল মাদবর, মুন্সীগঞ্জ : মুন্সীগঞ্জে মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। এ সময় উত্তেজীত লোকজন প্রতিপক্ষের দোকানপাট ভাংচুর চালীয়েছে। গত শনিবার সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভায় এ বিক্ষোভ ও দোকানপাট ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, বিকালে আওয়ামী লীগ কর্মী ফিরোজ এর মরদেহ নিয়ে তার হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি পৌরসভার মিরাপাড়া থেকে বের হয়ে রামগোপালপুর হয়ে বটতলা দিয়ে ঈদ গা মাঠে এসে শেষ। এ সময় বিচার চাওয়া উত্তেজিত লোকজন হত্যাকারী প্রতিপক্ষের দোকানপাট ভাংচুর করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উল্লেখ্য আধিপত্য নিয়ে বিভিন্ন সময় সদ্যবিদায় নেয়া পৌর মেয়র মো. শহিদুল ইসলাম শাহীন ও জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পাদ বিষয়ক সম্পাদক মনসুর আহম্মেদ কালাম এর লোক জনের মধ্যে বিগত সময়ে কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তাদের দু’জনের বিরোধ তাদের সমর্থকদের মধ্যে অভ্যন্তরীণভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ফিরোজের নিহত হওয়ার ঘটনাটিও বিবাদমান দুপক্ষের সমর্থকদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের একটি ফল। হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় ফিরোজকে প্রথমে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে ফিরোজ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক জানান, এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আবারও গিনেস রেকর্ড অর্জনের পথে পার্থ
                                  

নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : দ্বিতীয় বারের মত গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অর্জনের পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক ইউনিয়নের ফান্দাউক গ্রামের প্রয়াত জগদীশ চন্দ্র দেবের ২য় ছেলে অধম্য যুবক পার্থ চন্দ্র দেব। ২০২০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সেপটিপিন দিয়ে দীর্ঘ চেইন তৈরী করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অর্জন করেন পার্থ। এরপর গত বছরের ৩০ মে ষ্ট্যাপলার পিন দিয়ে বিশ্বের দীর্ঘতম চেইন তৈরী করার জন্য অনুমতি চেয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন তিনি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, স্থানীয় শ্রী শ্রী পাগল শংকর জিও মন্দিরে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের দেওয়া শর্ত অনুযায়ী দু’জন সাক্ষী মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বিল্পব (কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার) ও পল্লব হালদার (সরকারী শিক্ষক, আইসিটি, ফান্দাউক পন্ডিত রাম উচ্চ বিদ্যালয়) এবং সার্ভেয়ার তোফাজ্জল হোসেন মারজানের উপস্থিতিতে এই চেইন পরিমাপ করা হয়। এ সময় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, এর আগে ষ্ট্যাপলার পিন দিয়ে বিশ্বের দীর্ঘতম চেইনের রেকর্ডটি ছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দুবরাজপুরের মিনহাজুল মন্ডলের। তিনি ২০১৯ সালে ৩০ ডিসেম্বর আশি হাজার ষ্ট্যাপনার পিন দিয়ে ৮২ দিন কাজ করে ছয়শ ৬১ দশমিক ৬৬ মিটার বা দুই হাজার ১৭০ ফুট দশ ইঞ্চি লম্বা চেইন তৈরী করে বিশ্ব রেকর্ড অর্জন করেন। এ রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন রেকর্ড করতে পার্থ গত বছর ৩ মে গিনেস কর্তৃপক্ষের কাছে ই-মেইলের মাধ্যমে আবেদন করেন। ৭ জুলাই তার আবেদনটি গ্রহণ করে ২০ জুলাই কাজ করার জন্য দ্বিতীয় বার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের জন্য তথ্য সংবলিত বোর্ডে পার্থ চন্দ্র দেবকে অনুমতি দেয় গিসেন কর্তৃপক্ষ। পার্থ ২০ জুলাই থেকে কাজ শুরু করে করে চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারী শেষ করে। তার এই চেইনটি তৈরি করতে সময় লেগেছে ২০৭ দিন। ঘন্টায় প্রতিদিন চার ঘন্টা করে মোট ৮১৬ ঘন্টা ৩৫ মিনিট। তার চেইনটি পাঁচ হাজার ৭৫৩ ফুট পাঁচ বা এক হাজার ৭৫৪ দশমিক শূন্য ৯ মিটার লম্বা। তিনি এই চেইনটি থৈরী করতে আধা ইঞ্চি লম্বা এক লাখ ৭১ হাজার ৯০১টি ষ্ট্যাপলার পিন ব্যবহার করেন। যার ওজন সাত কেজি ২৯৬ গ্রাম। দ্বিতীয়বার বিশ্ব রেকর্ড করতে যাওয়া পার্থ বলেন, প্রথম গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পাওয়া অনুভূতি বুঝাতে পারব না। এখন আবারও রেকর্ডের জন্য কাজ করছি। আমার প্রধান উদ্দেশ্য হলো দেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকাকে সম্মানিত করা।

শ্রীপুরে কলম উৎসব পালন
                                  

কাজী আব্দুল্লাহ্ আল সুমন, শ্রীপুর : গাজীপুরের শ্রীপুরে কলম উৎসব পালণ করা হয়েছে গতকাল সোমবার কলম উৎসবকে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সারা বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতেই এই কলম উৎসবের আয়োজন করা হয়। ১৯৫২ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে মায়ের মুখের ভাষার জন্য প্রান দিয়েছিলেন ছালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ নাম না জানা অনেকে। তাঁদের স্মরণে শ্রীপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শ্রীপুরে বিভিন্ন স্কুল প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের মাঝে কলম বিতরণ করে "কলম উৎসব" পালন করা হয়। শ্রীপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে আনছার রোডে আবেদ আলী গালর্স স্কুল এন্ড কলেজে পাঁচশতাধিক ছাত্রী শিক্ষক ও অভিভাবকসব সর্বস্তরের লোকজনের উপস্থিতিতে এ উৎসব পালন করা হয়। এসময় প্রত্যেককে একটি করে কলম উপহার ও ২০০ বেলুনের মাধ্যমে একটি তিন ফিট আয়তনের প্রতিকী কলম আকাশে অবমুক্ত করা হয়। উৎসবে অন্যদের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন, আবেদ আলী গালর্স স্কুল এন্ড কলেজের মেনেজিং কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক, শ্রীপুর থানার প্রতিনিধি, শ্রীপুর প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তানভির আহম্মেদ ও সাধারণ সম্পাদক মহিদুল আলম চন্চল, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান,বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলের শীপুর শাখার সভাপতি সাঈদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, পুস্পদাম রির্সোটের মেনেজিং ডিরেক্টর সাদ্দাম হোসেন অনন্তের সহধরমিনী ফারজানা আক্তার সহ প্রমুখ।

সাপাহারে দম্পতি মেলা
                                  

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর সাপাহারে গ্রামীণ দম্পতিদের সাথে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কুইজ প্রতিযোগিতা বাল্যবিবাহের কুফল ও আইনি পরামর্শ নিয়ে আঞ্চলিক ভাষায় গম্ভরা গ্রামীণ দম্পতি অংশ গ্রহণে এই মেলার আয়োজন করা হয়। ডাসকো ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ও নেটজ বাংলাদেশের সহায়তায় গত বুধবার উপজেলার ময়নাকুড়ি মাঠে শিরন্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাকি’র সভাপতিত্বে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ও পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন বিষয়ে দম্পতি, মানবাধিকার কর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহনে দম্পতি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহজাহান হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আমিনা খাতুন, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা সাহারা বানু, প্রকল্প সমন্বয়কারী মাহাবুবুর রহমান, ভানু রানী প্রমূখ।

দুই মাথার নবজাতক শিশু ঢাকার হাসপাতালে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : মাগুরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মঙ্গলবার বিকেলে দুই মাথা নিয়ে এই শিশুর জন্ম হলে গতকাল বুধবার বিকেলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে শিশুটির জন্ম হয়। পরে শিশুটিকে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য সেখান থেকে বুধবার দুপুরে শিশুটিকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা। হাসপাতাল সূত্র জানায়, মাগুরা সদর উপজেলার জগদল গ্রামের দিনমজুর পলাশ হোসেন তাঁর স্ত্রী সোনালি বেগমকে শহরের ‘মা প্রাইভেট হাসপাতালে’ ভর্তি করেন। সেখানেই বিকেল সাড়ে ৪টায় শিশুটির জন্ম হয়। জন্মের পর দেখা যায়, শিশুটির দুটি মাথা রয়েছে। দিনমজুর পলাশ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শহরের ভায়না মোড়ের হাজী সাহেব সড়কে গতকাল বিকেলে মা প্রাইভেট হাসপাতালের চিকিৎসক মাসুদুল হক আমার স্ত্রীর সিজার করেন। এর আগে আল্ট্রাসনোগ্রাফির রিপোর্টে এসেছিল সোনালি বেগমের যমজ বাচ্চা হবে। কিন্তু জন্মের পর দেখা গেল, একটিই শিশু, কিন্তু মাথা দুটি। পরে বিকেলে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাই।’ ‘আমরা তো গরিব মানুষ। এই ধরনের চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য আমাদের নেই। আমি শিশুটির জন্য সমাজের বিত্তবানদের সাহায্য চাই’, যোগ করেন দিনমজুর পলাশ। গতকাল বুধবার দুপুরে শিশুটিকে তার মা-বাবার সঙ্গে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। এ ব্যাপারে মাগুরা জগদল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা দুপুরে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উদ্দেশে পাঠাই।’ তিনি আরো জানান, শিশুটির পরিবার আর্থিকভাবে অসচ্ছল বলে মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর তাঁর উন্নত চিকিৎসার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন। শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জেলা হাসপাতালে ভর্তির প্রায় চার ঘণ্টা পর রাত সোয়া ৯টার দিকে সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের ভারপ্রাপ্ত কনসালটেন্ট ডা. জয়ন্ত কুণ্ডু শিশুটিকে দেখতে আসেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেন। এ সময় চিকিৎসক শিশুটির পরিবারের সদস্যদের জানান, দুটি মাথা বাদে শিশুটির দুটি হাত, দুটি পাসহ অনান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক রয়েছে।

রঙিন ডিম দেয়া মুরগি!
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : যেকোনো মুরগি ডিম পারবে যেকোনো এক রঙের এতাও স্বাভাবিক। কোনটা সাদা। কোনোটা বাদামি, হাল্কা নীল, হালকা গোলাপী বা হালকা সবুজ কিন্তু মুরগি একই সঙ্গে নানা রঙের ডিম পাড়ে। শুনতে আজব মনে হতে পারে। ঘটনা সত্য। যদিও দেখে মনে হয় যে সাধারণ সাদা রঙের ডিমে রং করে এমন বাহারি রূপ দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবেই এমন রঙিন ডিম পাড়ে আমেরিকার বিশেষ প্রজাতির একটি মুরগি। বিশেষ প্রজাতির এই মুরগি ‘ইস্টার এগার্স’ নামে পরিচিত।

ইস্টার এগার্স মুরগি মূলত বিখ্যাত তার নানা রঙের ডিমের জন্যই। সাদা, বাদামি, হাল্কা নীল, হালকা গোলাপী বা হালকা সবুজ রঙের ডিম পাড়ে এই ইস্টার এগার্স। নানা রঙের ডিম পেতে কোনো রকম ওষুধ খাওয়ানোর প্রয়োজন হয় না এদের।

ইস্টার এগার্স ছাড়াও এমন রঙিন ডিম পাড়ে আরও বেশ কয়েকটি প্রজাতির মুরগি। এর মধ্যে রয়েছে চিলির শঙ্কর প্রজাতির অ্যারোকানাস মুরগি, ব্রিটেনের ক্রিম লেগবার মুরগি বা ফ্রান্সের মারানস প্রজাতির মুরগি।

অ্যারোকানাস প্রজাতির মুরগির ডিমের রং হাল্কা নিচ বা আকাশি। এই মুরগির কানের ঠিক দুই পাশে অদ্ভুত ধরনের পালক রয়েছে যা এদের আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। এছাড়াও, প্লাইমাউথ রক, লেগহর্ন, ক্যাম্বার্স প্রজাতির মুরগির মিলনে সৃষ্টি হয় ক্রিম লেগবার প্রজাতির মুরগি। এই মুরগি হালকা নীল বা ফিকে সবুজ রঙের ডিম পাড়ে। ফ্রান্সের মারানস প্রজাতির মুরগির ডিমের রং গাঢ় বাদামি বা লালচে বাদামি। এই সব বাহারি রঙের ডিম দেখলে ইস্টারের কথাই মনে পড়ে।

নড়াইলে কলা রেখে খোসা বিক্রি !
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : কলা রেখে খোসা বিক্রির গল্প শুধু ঠাকুরমার ঝুলিতেই থাকার ধারণা করা হয়। ঝুলির গল্পগুলো শুধুমাত্র বিনোদন দেয়। বাস্তবে এ রকম ঘটনা কখনই দেখা যায় না। কিন্তু সবাইকে অবাক করে কলা রেখে খোসা বিক্রির ঘটনা ঘটে গেল নড়াইলে। এ ঘটনাকে নতুন ইতিহাস বলে ফেসবুকে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এ তোলপাড়ই বিনোদন দিচ্ছে নেটিজেনদের।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, স্থানীয় মো. রব্বেল নামের ব্যক্তি একটি পাকা কলার কাঁদি বিক্রয়ের জন্য দিঘোলিয়া বাজারে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বিক্রেতা রব্বেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় চর দিঘলিয়ার মনু মিয়ার।

সাক্ষাতে রব্বেলকে কলার হালির দাম জিজ্ঞেস করেন মনু মিয়া। উত্তরে রব্বেল জানান, প্রতি হালি ২০ টাকা। তখন আবার মনু মিয়া বলেন, কলার হালি সাত টাকা রাখেন।

এতে রব্বেল ক্রেতা মনু মিয়াকে জানান, সাত টাকা তো এক হালি কলার খোসার দাম। তখন মনু মিয়া সিদ্ধান্ত নেন যে, কলার খোসার হালি সাত টাকা দামে কিনবেন।

যেই ভাবা সেই কাজ। মনু মিয়া পাকা কলার কাঁদি থেকে খোসা নিয়ে ছিলানো কলা রব্বেলকে ফেরত দেন। একই সঙ্গে হালির হিসাবে মূল্যও পরিশোধ করেন মনু মিয়া।

এ ঘটনার খবর ও ঘটনার ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার পরই ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়। এ ঘটনা রূপকথাকে হার মানিয়ে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে বলে নেটিজেনরা দাবি করছেন।

বিশ্বের বৃহত্তম বসতবাড়ি, থাকেন ১০ হাজার মানুষ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : এমন অনেক দেশ রয়েছে, যার একটা শহর বা গ্রামে সাকূল্যে দু-পাঁচ শ` বা বড়জোর দু-পাঁচ হাজার মানুষ বসবাস করেন। এমন কিছু পরিবার গিনেস বুকে ঠাঁই পেয়েছে, যার সদস্য সংখ্যা বড়জোর শ’খানেক। কিন্তু হংকংয়ের কুয়েরিবে এলাকায় এমন একটি বাড়ি রয়েছে,যাতে অন্তত ১০ হাজার মানুষ থাকেন। এক ছাদের নিচে এতবেশি মানুষ কোনো বহুতল আবাসনেও থাকে না। সেই নিরিখে বলা চলে, হংকংয়ের এই বিল্ডিং নিজেই একটা আস্ত গ্রাম বা শহর। সমীক্ষায় জানা গেছে, এটাই বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় আবাসিক ভবন।

হংকংয়ের কুয়েরিবে সম্পর্কে জানা যায়, ১৯৬০ সালে প্রথম এটি নির্মিত হয়। ৬০ বছর আগে এটা একটা মাত্র বিল্ডিং ছিল। পরে পরে এ রকম ৫টি বিল্ডিং একসঙ্গে সংযুক্ত হয়। ৬ দশক ধরে এভাবেই বিল্ডিংটা ক্রমশ সম্প্রসারিত হতে হতে এই জায়গায় এসে পৌঁছায়। দৈত্যকার বিল্ডিংটিতে মোট ২ হাজার ২৪৩টি রুম আছে। অধিকাংশই মধ্যবিত্ত মানুষ এখানে থাকেন।

গুগল ম্যাপ দেখে ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত পাড়ি দিতে হাজির প্রেমিক!
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : প্রেম আসলেই অন্ধ এবং তা কোন সীমানা মানতে পারে না তা আবারো প্রমাণিত হলো ভারত পাকিস্তান সীমান্তে। এমনটা প্রমাণ করলেন মহারাষ্ট্রের এক পাগলাটে যুবক। সীমানা পার করে পাকিস্তানে থাকা প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি।

দীর্ঘ যাত্রায় সীমান্ত পার করার আগেই অসুস্থ হয়ে পরে প্রেমিক যুবক। সংজ্ঞাহীন ওই যুবককে উদ্ধার করে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের জওয়ানেরা।

আলোচিত যুবক হচ্ছেন সিদ্দিকি মহম্মদ জিশান। মহারাষ্ট্রের ওসামাবাদ এলাকার বাসিন্দা ওই ২০ বছরের ছেলেটি। ফেসবুকে আলাপ হওয়া এক মহিলার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন তিনি। সেই মেয়েটির বাড়ি পাকিস্তানের বন্দর শহর করাচিতে। ফেসবুক মেসেঞ্জারের বার্তালাপ থেকে খুব সহজেই তা হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে যায়।

এভাবেই ঘুঁচে গিয়েছিল প্রায় ১২০০ কিলোমিটারের দূরত্ব। যদিও সম্পূর্ণটাই হয়েছিল ভার্চুয়াল প্রক্রিয়ায়। সামনে থেকে কেউই কাউকে দেখেননি। সেই দূরত্ব দূর করতেই উদ্যত হয়েছিলেন সিদ্দিকি মহম্মদ জিশান। বাইক নিয়েই মহারাষ্ট্রের ওসামাবাদ থেকে ক্রাচির উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। ১২০০ কিলোমিটার বাইক চালিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন পাকিস্তান সীমান্তের বেশ কাছেই।

সেই সময়েই ঘটল বিপত্তি। গুজরাত হয়ে পাকিস্তানে প্রবেশের পরিকল্পনা করেছিলেন ওসামাবাদের যুবক সিদ্দিকি মহম্মদ। কচ্ছের রণ এলাকায় পৌঁছেও গিয়েছিলেন। কিন্তু এই গ্রীষ্মে শরীর আর সঙ্গ দেয়নি তাঁর। সীমান্তের কাছেই সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন সিদ্দিকি মহম্মদ জিশান। সেখান থেকেই তাঁকে উদ্ধার করে বিএসএফ জওয়ানেরা। ভর্তি করা হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখান থেকেই পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় প্রেমিক সিদ্দিকিকে।


   Page 1 of 35
     পাঁচমিশালি
পদ্মায় ধরা পড়ল ২৯ কেজি ওজনের বাঘাইড়
.............................................................................................
ধান খাওয়ার অভিযোগে ৩৩ বাবুই ছানা পুড়িয়ে হত্যা
.............................................................................................
বিমানবন্দরে শিশুসন্তানকে ফেলে গেলেন সৌদিফেরত এক মা
.............................................................................................
এই প্রথম মাশরুম দিয়ে তৈরি হলো পোশাক!
.............................................................................................
সুন্দরবন থেকে উদ্ধার বাঘের মরদেহেরে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন
.............................................................................................
সুখী দেশের তালিকায় ৬ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ
.............................................................................................
অর্থনীতি সচলে ‘ভ্যাকসিন পাসপোর্ট’ বিস্তার
.............................................................................................
মুন্সীগঞ্জে মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ
.............................................................................................
আবারও গিনেস রেকর্ড অর্জনের পথে পার্থ
.............................................................................................
শ্রীপুরে কলম উৎসব পালন
.............................................................................................
সাপাহারে দম্পতি মেলা
.............................................................................................
দুই মাথার নবজাতক শিশু ঢাকার হাসপাতালে
.............................................................................................
রঙিন ডিম দেয়া মুরগি!
.............................................................................................
নড়াইলে কলা রেখে খোসা বিক্রি !
.............................................................................................
বিশ্বের বৃহত্তম বসতবাড়ি, থাকেন ১০ হাজার মানুষ
.............................................................................................
গুগল ম্যাপ দেখে ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত পাড়ি দিতে হাজির প্রেমিক!
.............................................................................................
২০ বছরে সাপের কামড়ে ১২ লাখ মানুষের মৃত্যু
.............................................................................................
বিশ্বের প্রথম সোনায় মোড়া হোটেল!
.............................................................................................
চুরি করতে গিয়ে পেল মদ, আনন্দে ফ্লাটে ৩ দিন পার
.............................................................................................
পাঁচ টাকায় মুরগির ভুনা খিচুড়ি
.............................................................................................
বিয়ের কনের ক্রয়মূল্য
.............................................................................................
পৃথিবীর সবচেয়ে গোল‍াকার প্রাণী
.............................................................................................
Haha, Kkkkkk,: অনলাইনে কথোপথনের ভাষায় ভিন্ন হাসি
.............................................................................................
৩ মরদেহের সঙ্গে ব্রিটিশ যুবকের ঘনিষ্ঠতা, অতঃপর…!
.............................................................................................
শিশুদের আইকিউ বাড়ানোর কয়েকটি সহজ উপায়
.............................................................................................
একাধিক অদ্ভূত শয্যাসঙ্গীর কথা জানালেন এই তরুণী!
.............................................................................................
রহস্যময় ‘ফিংগালস কেভ’
.............................................................................................
হলুদ রঙের কোনো পোশাক পরা যাবে না যে দেশে!
.............................................................................................
পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে ডাইনোসর!
.............................................................................................
সুন্দরী মেয়েরা হৃদযন্ত্রের ক্ষতির কারণ, বলছে গবেষণা
.............................................................................................
যৌবন ধরে রাখে যেসব খাবার
.............................................................................................
চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় এই নারীর মল!
.............................................................................................
শিশুর পায়ে কিডনি!
.............................................................................................
গলায় জোঁকের বাসা! (ভিডিও)
.............................................................................................
নখের উপরেই সন্তানের জন্ম!
.............................................................................................
মারা গেলেন রাশিয়ার সবচেয়ে বয়স্ক নারী
.............................................................................................
বিশ্বের সবচেয়ে সুখী-অসুখী দেশ
.............................................................................................
এক টাকায় সিঙাড়া!
.............................................................................................
জড়িয়ে ধরাই যে নারীর পেশা, মাসে আয় লক্ষাধিক!
.............................................................................................
২০১৯ এর ক্যালেন্ডার একদমই ১৮৯৫ এর মতো!
.............................................................................................
এই লিপ আর্টের দাম সাড়ে চার কোটি টাকা!
.............................................................................................
মৃতদের সঙ্গে যৌনমিলন করেন যে হিন্দু সাধুরা
.............................................................................................
৩৩ বছর ধরে শুধু চা খেয়ে বেঁচে আছেন এই নারী!
.............................................................................................
সেক্স টয়ে আগ্রহী যে চার শহরের মানুষ
.............................................................................................
যে দেশে স্ত্রীর জন্মদিন ভুললেই ডিভোর্স!
.............................................................................................
আইসক্রিমের দাম ৭০ হাজার টাকা!
.............................................................................................
মৃত্যু পর্যন্ত তিনি খেতেই থাকবেন!
.............................................................................................
স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে মন্দিরে বিয়ে করলেন দুই নারী!
.............................................................................................
স্বেচ্ছায় বিষধর সাপের ২০০ ছোবল খেলেন যিনি
.............................................................................................
প্রেতাত্মার সঙ্গে প্রেম ও বিয়ে, অতঃপর ডিভোর্স
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop