ঢাকা,সোমবার,১২ আশ্বিন ১৪২৮,২৭,সেপ্টেম্বর,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক   > বাণিজ্য সম্প্রসারণে বৈশ্বিক ভিত্তি বঙ্গবন্ধুর তৈরি করা   > সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তাঁর স্ত্রীর বিচার শুরু   > করোনায় শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২১   > প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটনে অবস্থান করছেন   > একদিনে ৮০ লাখ ডোজ টিকা   > রাজবাড়ীতে জন্ম নিবন্ধন তৈরিতে নাজেহাল সনদ গ্রহিতারা   > গ্রাম ও শহরের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না : এমপি নয়ন   > সোনাইমুড়ীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন   > নন্দীগ্রামে ১৫ বছরেও চালু হয়নি হাসপাতাল  

   পাঁচমিশালি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
১১ কেজি ওজনের ঢাই মাছ ৩৪ হাজার টাকায় বিক্রি

রাজবাড়ী প্রতিনিধি : রাজবাড়ী গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় পদ্মা ও যমুনা নদীর মোহনায় বিলুপ্তপ্রায় ১১ কেজি ওজনের একটি ঢাই মাছ ধরা পড়েছে রাম হালদার নামের এক জেলের জালে। গতকাল শনিবার সকালে মোহন মন্ডলের আড়ত থেকে উন্মুক্ত নিলামে ৩১০০ টাকা কেজি দরে ৩৪ হাজার ১০০ টাকায় মাছটি কিনে নেন দৌলতদিয়া ঘাটের মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাজাহান শেখ। এ সময় মাছটি দেখতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। পড়ে মাছটি সীমিত লাভে বিক্রির জন্য ঢাকায় যোগাযোগ করেনি তিনি। জানা যায়, ঢাই মাছ দেখতে অনেকটা পাঙাশ মাছের মতো এবং খেতে অনেক সুস্বাদু। খুব সহজে মাছটি জেলেদের জালে ধরা পড়ে না। সম্রাট শাজাহান শেখ জানান, সকালে নিলামের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দামে একটু লাভের আশায় ঢাই মাছটি কিনেছেন। এখন ৩২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রির চেষ্টা করছেন। ঢাই মাছ সচরাচর ধরা পড়ে না। কয়েকমাস আগে সাড়ে ৪ কেজি ওজনের একটি মাছ পেয়েছিলেন। এটি খেতে অনেক সুস্বাদু তাই মাছটির চাহিদাও অনেক বলে জানান তিনি।

১১ কেজি ওজনের ঢাই মাছ ৩৪ হাজার টাকায় বিক্রি
                                  

রাজবাড়ী প্রতিনিধি : রাজবাড়ী গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় পদ্মা ও যমুনা নদীর মোহনায় বিলুপ্তপ্রায় ১১ কেজি ওজনের একটি ঢাই মাছ ধরা পড়েছে রাম হালদার নামের এক জেলের জালে। গতকাল শনিবার সকালে মোহন মন্ডলের আড়ত থেকে উন্মুক্ত নিলামে ৩১০০ টাকা কেজি দরে ৩৪ হাজার ১০০ টাকায় মাছটি কিনে নেন দৌলতদিয়া ঘাটের মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাজাহান শেখ। এ সময় মাছটি দেখতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। পড়ে মাছটি সীমিত লাভে বিক্রির জন্য ঢাকায় যোগাযোগ করেনি তিনি। জানা যায়, ঢাই মাছ দেখতে অনেকটা পাঙাশ মাছের মতো এবং খেতে অনেক সুস্বাদু। খুব সহজে মাছটি জেলেদের জালে ধরা পড়ে না। সম্রাট শাজাহান শেখ জানান, সকালে নিলামের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দামে একটু লাভের আশায় ঢাই মাছটি কিনেছেন। এখন ৩২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রির চেষ্টা করছেন। ঢাই মাছ সচরাচর ধরা পড়ে না। কয়েকমাস আগে সাড়ে ৪ কেজি ওজনের একটি মাছ পেয়েছিলেন। এটি খেতে অনেক সুস্বাদু তাই মাছটির চাহিদাও অনেক বলে জানান তিনি।

করোনার টিকা নিয়ে শরীয়তপুরের অনিক পেলেন ১শ’ ডলার
                                  

হাসান মাহমুদ, নিউইয়র্ক থেকে : করোনাকালে কত কিছুই না ঘটেছে এবং অবিরাম ঘটে চলেছে। আমেরিকায় করোনার টিকা নিলে তাকে নগদ ১শ’ ডলার দেয়া হয় এমন খবর আমরা গণমাধ্যমে দেখেছি। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯ হাজার টাকা। টিকা নিতে গিয়ে এই উপহার পেয়েছেন এমন একজন হলেন শরীয়তপুরের অনিক হোসেন। কেউ কেউ পাচ্ছেন বিয়ার ক্যান। অনিক নিউইয়র্কে বসবাস করলেও বাংলাদেশে যাবেন পরিবারের কাছে। এয়ারলাইন্স থেকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে, টিকা গ্রহণ করা ছাড়া তাকে যেতে দেয়া হবে না। অনিক এই প্রতিবেদককে জেমাইকা এলাকার এক রেস্টুরেন্টে জানান, টিকা নিতে তিনি আগ্রহ বোধ করেন না। দেশে যেতে হলে তাকে অবশ্যই টিকার রিপোর্ট লাগবে। তাই তিনি টিকা নিয়েছেন। কুইন্সে টিকা নিতে গেলে তাকে সরকার থেকে ১শ’ ডলার যা প্রায় ৯ হাজার বাংলাদেশি টাকা দেয়া হয়। এব্যাপারে অনিক বলেন, আমার পরিবার বাংলাদেশের শরীয়তপুরে বসবাস করে। করোনার কারণে দেশে যাওয়া হয়নি। বর্তমান পরিস্থিতি ভালো। তাই দেশে যাবার জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন বলে জানান। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে টিকার ডোজ নেয়া থাকতে হবে। এছাড়া যাবার ৭২ ঘন্টা আগে তাকে করোনা ‘নেগেটিভ রিপোর্ট’ দেখাতে হবে। অনিক নেগেটিভ টেস্ট করাবার জন্য সময় পাচ্ছিলেন না। বিমানের টিকিট কনফার্ম করা হয়েছে ৭ সেপ্টেম্বর। আগের দিন পথেই মোবাইল টেস্ট রিপোর্ট জমা দেন। অর্থাৎ নিউইয়র্কে মোবাইল গাড়ী সারাদিন ঘুরছে বিনা পয়সায় করোনা টেস্ট করাবার জন্য। সেম্পল নেয়ার ১২ ঘন্টার মধ্যে পরীক্ষার সার্টিফিকেট দেয়া হচ্ছে মোবাইল ফোনের অ্যাপসে। অনিক জানান, এবার দেশে গেলে ৬ মাস থাকবেন। সে জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা জরুরী। করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট ছাড়া কোন এয়ারলাইন্সই যাত্রীদের নিচ্ছে না। সীমিত সংখ্যক এয়ারলাইন্স এখন চালু রয়েছে। অনিক বলেন, টিকা নিতে আমাদের উৎসাহিত করার জন্যই এই উদ্যোগ। আমি জনসন এন্ড জনসন টিকা নিয়েছি। জ্বর হয়েছিলো। এখন ভালো আছি। এর আগে অনিক করোনায় সংক্রমিত হননি বলে জানান। তার মতে বাংলাদেশেও করোনার টিকা এবং টেস্ট সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে এই মহামারি থেকে আমরা মুক্ত থাকতে পারবো।

লক্ষ্মীপুরে ৫’শ টন গিগজ মুড়ি হাতে ভাজা হয়, রপ্তানি হয় বিশ্ববাজারেও
                                  

রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি : পাঁচশ টন গিগজ মুড়ি হাতে ভাজা হয়।দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি হয় বিশ্ববাজারেও। বিশেষ কিছু ধারাবাহিক প্রক্রিয়া শেষে হাতে ভাজা গিগজ ধানের চাউলের মুড়ির স্বাদ আর প্রাকৃতিকতার জন্য প্রাচীনকাল থেকেই সারাদেশে বিখ্যাত। তবে গত কয়েক বছর যাবত ধানের বিলুপ্তি এবং মেশিনের মুড়ির চাপে দেশের বিভিন্ন জেলায় অদৃশ্য হয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী এ মুড়ি। ফলে বর্তমান প্রজন্মের অনেকে গিগজ মুড়ির সাথে পরিচিত নন। মাহবুবুর রহমান নামের এক ব্যাংক কর্মকর্তার দাবী এমনটাই।
কিন্ত লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় শতাধিক পরিবার হাতে ভাজা মুড়ি উৎপাদন ও ব্যবসার সাথে জড়িয়ে আছে যুগ যুগ ধরে। ঐতিহ্যবাহী হাতে ভাজা গিগজ মুড়ি তারা শুধু ধরেই রাখেনি বিশ্ববাজারেও পৌঁছে দিচ্ছে সুস্বাদু এ মুড়ি। লক্ষ্মীপুরের হাতে ভাজা গিগজ মুড়ি নামে দেশ বিদেশে তৈরি করেছে বিশেষ একটি ব্র্যান্ড।
সারাদেশসহ বিদেশের কিছু রাষ্ট্রে অনিয়মিত ভাবেও রপ্তানি হচ্ছে লক্ষ্মীপুরের গিগজ মুড়ি। জেলায় বছরে উৎপাদন হচ্ছে পাঁচশতাধিক টন মুড়ি । সংশ্লিষ্ট উৎপাদনকারী, ব্যবসায়ী এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলে এসব জানা গেছে। স্থানীয় ভাবে জানা যায়, হাতে তৈরি গিগজ মুড়ি ও ধান ক্রয় বিক্রয়ের জন্য তৈরি হয়েছে ভিন্ন আড়ত ও হাট। সুস্বাদু আর ঐতিহ্যবাহী এ খাদ্যকে টিকিয়ে রাখতে উৎপাদনকারীদের পড়তে হচ্ছে নানা প্রতিকূলতায়। বিশেষ এ মুড়ির ক্রেতাদের অনেকেই জানেনা বিচিত্র এ পেশা সর্মúকে। লক্ষ্মীপুর থানা রোডের হাতে ভাজা গিগজ মুড়ির আড়তে কথা হয়, স্বরসতী দাস (৪৫) নামের এক নারীর সাথে । রবিবারে হাটের দিন প্রতি কেজি ১৩০ টাকা দরে ৬০ কেজি মুড়ি আড়তে আসা পাইকারের নিকট বিক্রি করেছিলেন তিনি। পরে সে টাকায় আড়ত থেকে প্রতি মণ (৪০ কেজি) ২২শ টাকা দরে গিগজ ধান ক্রয় করেছিলেন মুড়ির জন্য । আড়তে ওই সময়ে মেশিনে তৈরি সাধারণ মুড়ি বিক্রি হচ্ছিল প্রতি কেজি ৫০ টাকায়। সাধারণ ধান প্রতি মণ (৪০ কেজি) ৯শ টাকা দরে। স্বরসতী দাস জানান, স্বাদ, ঐতিহ্য আর প্রাকৃতিকতার কারণে সাধারণ মুড়ির তুলনায় হাতে ভাজা গিগজ মুড়ি এবং গিগজ ধানের দাম প্রায় তিনগুণ বেশি। তবুও এ মুড়ির ব্যাপক চাহিদা। বাড়ি থেকে আড়তে আনলেই মুড়ি বিক্রি হয়ে যায়। গত ৫ বছর যাবত এ ব্যবসার সাথে জড়িত তিনি। তার পুরো সংসার চলছে হাতে ভাজা মুড়ির আয়ে। স্বরসতী দাসের বাড়ি লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের সমসেরাবাদ। একই গ্রামের জোড়দিঘী নামক এলাকায় প্রায় ৩০ পরিবারের প্রধান পেশা হাতে ভাজা গিগজ মুড়ি উৎপাদন। অত্যন্ত কষ্টকর পেশা হলেও বংশগতভাবে যুগ যুগ ধরে তারা জড়িত এ ব্যবসার সাথে। পুরো গ্রামকে মানুষ গিগজ মুড়ির গ্রাম নামে জানে।
গ্রামের বাবুল দাস জানান, দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত হাতে ভাজা গিগজ মুড়ি ও খই উৎপাদন করেন তিনি। শহরের ওপর জমি কিনে বহুতল বাড়ি করেছেন। কিন্ত আদি পেশা ছাড়েননি। তিনি হাতে ভাজা মুড়িকে ঐতিহ্যবাহী খাদ্য মনে করেন। বাবুল দাসদের সরকার বাড়ীর প্রায় সব পরিবার এ মুড়ির উৎপাদন ও ব্যবসার সাথে জড়িত। স্থানীয় ভাবে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর জেলা শহরের পৌরসভার সমসেরাবাদ, উত্তর মজুপুর, বেঁড়িরমাথা, কমলনগর উপজেলার করুণানগর, দক্ষিণ গ্রাম, উত্তর গ্রাম, চর জালিয়া, রামগতি উপজেলার চর ডাক্তার এবং রঘুনাথপুর হাতে ভাজা গিগজ মুড়ির জন্য বিখ্যাত। এ ৮টি গ্রামের শতাধিক পরিবারের হাজার মানুষের প্রধান জীবিকা হাতে ভাজা গিগজ মুড়ি। ওই পরিবারদের প্রত্যেক সদস্যই রাতদিনের বেশির ভাগ সময় গিগজ ধান সিদ্ধ করা, শুকানো, চাল ভাঙ্গানো, মুড়ি ভাজা, আড়ত কিংবা দোকানে গিয়ে মুড়ি বিক্রি ও ধান ক্রয়ের মতো কাজের সাথে জড়িত। বৃহস্পতি এবং রবিবার লক্ষ্মীপুর শহরের থানা সড়কের আড়তে হাতে ভাজা মুড়ির হাট বসে। এসময় জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকার ও মুড়ি বিক্রেতারা আসে। সকাল ৯টা থেকে রাত পর্যন্ত মুড়ি ক্রয় বিক্রয় চলে। নির্মল দাসের আড়ত, ক্ষিতিশ বাবুর আড়ত এবং গুপি ভান্ডার জেলার হাতে ভাজা মুড়ির বড় আড়ত। দেশের বিভিন্ন জেলায় এখান থেকে মুড়ি যায়। আড়তদার স্বদেশ দাস জানান, প্রতিহাটের দিন কমপক্ষে ৫-৬ টন এবং বছরে গড়ে ৫শ টনের বেশি গিগজ মুড়ি ক্রয় বিক্রয় হয়। আড়ত ছাড়াও বিভিন্ন দোকানীরা উৎপাদনকারীদের থেকে সরাসরিও মুড়ি কিনে থাকেন।
আড়তদার নির্মল দাস জানান, মাঝে মাঝে কয়েকজন ঢাকার রপ্তানীকারক মালেশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ এবং আমেরিকাতে লক্ষ্মীপুরের মুড়ি রপ্তানী করেন। এ অঞ্চলের প্রবাসীরা বিদেশ যাওয়ার সময় প্রায় ৫-১০ কেজি গিগজ মুড়ি সঙ্গে নিয়ে যান বলেও জানান তিনি।
অঞ্জনা দাস নামের এক নারী জানায়, ধান থেকে চাউল তৈরি এবং মুড়ি ভাজা পর্যন্ত প্রক্রিয়াটি একটি জটিল কাজ। সে কারণে অনেকে এখন পেশা ছেড়ে দিয়েছেন।
উৎপাদনকারীরা জানান, হাতে ভাজা মুড়িতে লবণ পানি ছাড়া অন্য কোন পদার্থ দেয়া যায় না, লাড়কী ছাড়া গ্যাসের আগুনেও এ মুড়ি ভাজা যায় না। বাজারে পাওয়া কোন চাউলেও এ মুড়ি তৈরি করা যায় না। উৎপাদনকারীরা জানান, মুড়ি ভাজার লোকেদের প্রধান সমস্যা পূজিঁর অভাবে বছরের শুরুতে ধান মজুদ করতে না পারা। সেজন্য এ কুটির শিল্প বেঁচে রাখতে তারা আড়তদার এবং এনজিও ঋণে আবদ্ধ থাকে। স্বল্প সুদে কোন ব্যাংক থেকে ঋণ পায় না তারা। অন্য দিকে বৃষ্টির সময় মুড়ির ধান শুকাতে তাদের বড় কষ্ট। বৃষ্টির সময় মুড়ির ধান শুকাতে জন্য সরকারি সহায়তায় এয়ার ড্রাইয়ার পেতে চেয়েছেন, উৎপাদনকারীরা। লক্ষ্মীপুরের কমিউনিটি ডিজিটাল নিউজ মিডিয়া অর্গানাইজেশন লক্ষ্মীপুর২৪ এর সাংবাদিক জুনায়েদ আহমেদ জানান, তাদের মিডিয়ার স্থানীয় অফিসে সংবাদকর্মীরা প্রতি সন্ধ্যায় ছোলার সাথে হাতে ভাজা গিগজ মুড়ি দিয়ে সান্ধ্য নাস্তা করেন। তিনি জানান, এ অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার গিগজ মুড়ি। কলেজ শিক্ষক মোঃ আক্তার হোসেন জানান, রমজানের ইফতারী মুড়ি ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। মেশিনের তৈরি মুড়ির চাউল মেশিনে তৈরি করা হয়। ভাজার সময় বিষাক্ত হাইড্রোজ এবং ইউরিয়া সার মিশ্রিত করা হয়। কিন্ত হাতে ভাজা মুড়িতে সে রকম কিছু মেশানো সম্ভব হয় না। সে কারণে গিগজ মুড়ি শতভাগ নিরাপদ এবং ঐতিহ্য ও আভিজাত্যের প্রতীক। শীতের মোলা এবং বাসাবাড়ি ও অফিস আদালতে সকাল-সন্ধ্যার কমন নাস্তা ছোলা মুড়ি খুবই জনপ্রিয় একটি খাদ্য। হাতে ভাজা মুড়ি ব্যবসায়ীদের আর্থিক সংকট নিয়ে কথা হয়, সোনালী ব্যাংক লক্ষ্মীপুরের প্রধান শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার (ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার) মোঃ শামছুল ইসলামের সাথে । তিনি জানান-হাতে ভাজা গিগজ মুড়ি একটি ঐতিহ্যবাহী কুটির শিল্প। সোনালী ব্যাংক থেকে কুটির শিল্পে ঋণ নিতে হলে ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন। কিন্ত মুড়ি উৎপাদনকারীরা ট্রেড লাইসেন্স না দিতে পারলে তাদেরকে সহযোগিতা করা সম্ভব না। কিন্ত ইসলামী ব্যাংক লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার ম্যানেজার মোঃ সানা উল্লাহ জানান,ঐতিহ্যবাহী গিগজ মুড়ি শিল্পকে রক্ষার জন্য ইসলামী ব্যাংক সহজ শর্তে পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যেমে ৩০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা ঋণ দিতে পারে। অন্যদিকে সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের প্রধান তথ্যকর্মকর্তা ফয়সল হাসান জানান, তিনি নিজেও লক্ষ্মীপুর ব্র্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী হাতে ভাজা গিগজ মুড়ির এক নিয়মিত ক্রেতা। ঐতিহ্যবাহী গিগজ মুড়িকে বাঁচিয়ে রাখতে কৃষক পর্যায়ে গিগজ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ব্যাংক ঋণসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে এ সম্প্রদায়ের পাশে থাকার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগে জানাবেন বলেও জানান তিনি।

জীবন বাঁচাতে মা মেয়ে নদীতে ঝাঁপ
                                  

গোয়ালন্দ প্রতিনিধি : যাত্রীবাহী বাসের ভয়ে ফেরির পন্টুন থেকে নিজেকে বাঁচানোর আশায় কোলের চার বছরের শিশু কন্যাকে নিয়ে পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন রোকসানা বেগম (২৯) নামের এক মা। তাৎক্ষণিক তাদের উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। বর্তমান মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ রয়েছেন বলে জানা যায়। সকাল ৯ টার দিকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ার ৫ নং ফেরি ঘাটে শাহআলী ফেরিতে উঠার সময় এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উদ্ধারকারি বিআইডব্লিউটিসির স্টাফ মনির হোসেন। নদীতে ঝাঁপ দেওয়া রোকসানা বেগম মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার হোচা ইছাপুর গ্রামের হাসানুজ্জামানের স্ত্রী। আর শিশুর নাম মেহরাব হোসেন (৪)।
উদ্ধারকারি বিআইডব্লিউটিসির স্টাফ মনির হোসেন বলেন, ঐ নারী তার শিশুকে কোলে নিয়ে স্বামীর সাথে ফেরিতে উঠার জন্য পন্টুন দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। এ সময় দূরপাল্লার হানিফ পরিবহনও ফেরিতে উঠার জন্য পন্টুনে গেলে ঐ নারী ভয়ে তার কোলের শিশুকে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেয়। আমি বিষয়টি দেখার সাথে সাথেই নদীতে ঝাঁপ দিয়ে তাদেরকে ধরে ফেলি। পরে তার স্বামীও নদীতে ঝাঁপ দিয়ে তাদেরকে সুস্থভাবে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। বর্তমানে আল্লাহর রহমতর মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ আছেন এবং তারা ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন।

পরীমণিকে দেখতে বৃদ্ধ নানা ঢাকায়, দেখা হলো না তাদের
                                  

কোর্ট রিপোর্টার : নায়িকা পরীমণির বৃদ্ধ নানা শামসুল হক গাজী বলেছেন, পরীমণি নিজের জন্য জীবনে কিছু করেনি। সারা জীবন মানুষকে দান করেছে। আর এখন পরিস্থিতির শিকার হয়ে আছে। তিনি পরীমণিকে এক নজর দেখতে এসে শামসুল হক গাজী গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের গারদখানার সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। শামসুল হক গাজী বলেন, ‘পরী মণি নিজের একটা ফ্ল্যাট করে নাই, কিছু করে নাই। এফডিসিতে প্রত্যেক বছর ঈদে গরু কোরবানি করে গরিব-দুঃখীদের জন্য। নিজের জন্য সে নিজে কিছুই করে নাই, সব মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দেয়।’ এ দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমণি ও তাঁর সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দীপুর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাসের আদালত এ আদেশ দেন।

একসঙ্গে দুই ডোজ টিকা নিয়ে আলোচনায় এক নারী
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় ইসমত আরা (৩১) নামে এক নারীকে একসঙ্গে দুই ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের পাটকিয়া বাড়ি দাখিল মাদরাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। টিকা গ্রহিতার স্বামী নাহিদুল হক স্বপন জানান, পাটকিয়া বাড়ী দাখিল মাদরাসা টিকা কেন্দ্রে কোনো শৃঙ্খলা নেই। এক সঙ্গে অনেককে বসিয়ে টিকা দেয়া হচ্ছে। সকালে তার স্ত্রী টিকা নিতে গেলে স্বাস্থ্যকর্মী তার বাম হাতে টিকা দেয়। টিকা দেয়া শেষে তার স্ত্রী টিকা দেবার স্থান অন্য হাত দিয়ে চাপ দিয়ে ধরে রাখে। সে সময় আরেক স্বাস্থ্যকর্মী এসে ডান হাতে টিকা দেন।
এখন তিনি তার স্ত্রীকে নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন। বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শাফিন জব্বার বলেন, ভুলবসত এক মহিলাকে দুই ডোজ টিকা দেয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। ঘটনার পর থেকে ওই মহিলার স্বাস্থ্যগত খোঁজ রাখা হচ্ছে। তিনি এখন পর্যন্ত ভালো আছেন। ভিড় বেশির কারণে এটা হয়েছে।

তার সঙ্গে হৃদয়ের লেনদেন: লাভ ইজ পাওয়ার
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী হেলেনা জাহাঙ্গীরকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুখ খুলেছেন বহুল আলোচিত অস্ট্রিয়া প্রবাসী সেফাত উল্লাহ সেফুদা। তিনি বলেছেন, ‘হেলেনা জাহাঙ্গীরের সঙ্গে আমার টাকা নয়, হৃদয়ের লেনদেন।’ গতকাল শনিবার ফেসবুক লাইভে এসে সেফাত উল্লাহ সেফুদা এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি নাকি হেলেনা জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে টাকা-পয়সা নেই কিংবা সে নাকি আমাকে টাকা-পয়সা দেয়। এরকম কী কী জানি বলেছে। তিনি বলেন, হেলেনা জাহাঙ্গীরের সঙ্গে আমার টাকা-পয়সার লেনদেন নেই। সম্পদের লেনদেন নেই। হৃদয়ের লেনদেন আছে। হেলেনা জাহাঙ্গীর লাস্ট কালকেও আমাকে বলেছে, দাদা আই লাভ ইউ। আমি বলেছি লাভ ইউ টু। কারণ লাভ ইজ পাওয়ার। আপনারা জানেন ভালোবাসা আমার আদর্শ।
এসময় লাভ ইজ পাওয়ার লেখা সম্বলিত এবং তার ছবি সংযুক্ত টি-শার্ট দেখিয়ে বলেন, ‘হাজার হাজার লোক এই টি-শার্ট কিনছে।’ সেফুদা বলেন, ‘আই লাভ হেলেনা জাহাঙ্গীর। হোয়াই নট, হোয়াই আই সুড নট লাভ হেলেনা জাহাঙ্গীর?’ এরপর অবশ্য তিনি বলেন, ‘হু ইজ হেলেনা জাহাঙ্গীর? আই ডোন্ট নো, আই ডোন্ট নিড টু নো।’
এরপরই তিনি আবার বলেন, ‘অনলাইনে গত প্রায় তিন বছরের কম সময় ধরে আমি তাকে চিনি। মানে আমাকে সে আবিষ্কার করেছে।’
সেফুদা বলেন, ‘হেলেনা জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তারের সময় চেহারায় কোনো অনুতাপ নেই (ছিল না)। অনুতাপ থাকবে কেন? তিনি কঠোর পরিশ্রমী একজন শিল্পউদ্যোক্তা। নিজের পরিশ্রমের ফসল আজ তার কোটি কোটি টাকা, অনেকগুলো শিল্প, অনেক বাড়ি-গাড়ির মালিক। তিনি সমাজের ওপর স্তরের মানুষ। টাকা-পয়সা না থাকলে তার কোনো দাম নেই।’

কবরস্থানে শক্তিশালি হাতবোমা নিষ্ক্রীয় করলো ডিএমপির টিম
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকার পাশে আড়াইহাজার উপজেলায় কবরস্থানে পড়ে থাকা বোমাসদৃশ বস্তুগুলো শক্তিশালী হাতবোমা। গতকাল শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক কর্মকর্তা। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় ডিএমপির বোমা নিস্ক্রিয়করণ দল বোমাগুলো নিস্ক্রিয় করেছে। স্থানীয় ডাকাত দলের সদস্যরা বোমাগুলো সেখানে রেখেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডিএমপি সূত্র জানায়, গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটা থেকে সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত কবরস্থানে থাকা ছয়টি বোমা একে নিষ্ক্রীয় করেন ডিএমপির বোমা নিস্ক্রিয়করণ দলের সদস্যরা।
এ সময় বোমা নিস্ক্রিয়করণ দলের নেতৃত্বে থাকা ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহমুদুজ্জামান বলেন, বোমাগুলো ককটেলের চেয়ে শক্তিশালী। এগুলো এক ধরনের হাতবোমা। সাধারণত ডাকাতির পর জনমনে আতঙ্ক তৈরির জন্য এ ধরনের বোমা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এর আগে আজ সকালে উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের উজান গোপিন্দী বড় বিনাইরচর কবরস্থানে বোমাসদৃশ বস্তুগুলো দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। এ বিষয়ে কবরস্থানের খাদেম চান শরীফ গণমাধ্যমকে বলেন, সকালে কবরস্থান পরিষ্কার করতে গিয়ে একটি কবরের পাশে ব্যাগের ভেতর পলিথিনে মোড়ানো কালো কিছু বস্তু দেখতে পান তিনি। বস্তুগুলো বোমা বলে সন্দেহ হলে স্থানীয় লোকজনের ডেকে এনে দেখান। পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন।

স্বামীর মরদেহ নিয়ে একাকি শ্মশানে রাত কাটান স্ত্রী কল্পনা
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : কুষ্টিয়ার মিরপুর পৌরসভার হরিতলা এলাকার বাসিন্দা প্রফুল্ল কর্মকার (৭০)। গত শনিবার রাতে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে তার স্ত্রী কল্পনা কর্মকার মরদেহটি নিজ বাড়িতে নিতে চাইলেও বাড়ির অন্যরা করোনা আক্রান্ত থাকার কারণে বাধা দেন। রাতেই মরদেহটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মিরপুর উপজেলার পৌর শ্মশানে নেওয়া হয়। মধ্যরাতে শ্মশানে কল্পনা কর্মকার ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। শ্মশানের গেটে তালা ঝুলছিল এবং বৃষ্টিও হচ্ছিল। অ্যাম্বুলেন্স থেকে দু’জন কর্মচারী শ্মশানের এক পাশে মরদেহটি নামিয়ে চলে যান। এসময় কল্পনা কর্মকার শ্মশান কমিটির সদস্যদের তার স্বামীর মৃত্যুর বিষয়টি জানান, কিন্তু কেউ তাতে সাড়া দেয়নি। প্রফুল্ল কর্মকারের মৃত্যুর পর স্ত্রী কল্পনা তার পরিবারকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু, দুই ছেলে, ছেলে বউ ও নাতি করোনায় আক্রান্ত। তাই তারা শ্মশানে আসতে পারেনি। শ্মশানে রেখে সবাই চলে গেলেও স্বামীর মরদেহ ফেলে যেতে পারেননি স্ত্রী কল্পনা রানী। রাতে বৃষ্টির গতি বাড়লে তিনি নিজেই মরদেহ সরিয়ে শ্মশানের পাশে গোপালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায় আশ্রয় নেন। সেখানে একাই পার করেন পুরো রাত। সকাল পর্যন্ত অপেক্ষার পরও মরদেহ সৎকারে শ্মশান কমিটি বা নিজ আত্মীয়-স্বজনের কেউ আসেনি বলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান। গতকাল রোববার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানালে সমাহিত করার ব্যবস্থা করতে বলেন। পরে সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন মুসলিম যুবক মরদেহটি মুখাগ্নি করে শ্মশানের পাশে সমাহিত করেন।

কোভিড কীটের আবিষ্কারক কোভিড আক্রান্ত, আছেন আইসিইউতে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট ড. রেহানা পারভীন। তিনি বায়োকেমিস্ট্রি ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। গত বছর শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে কোভিড কীট (করোনা ভাইরাস কিলিং কীট) নামক ডিভাইস আবিষ্কার করেন। কীটটি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ২৬শে জুন শনিবার রাতে তার শরীরে কোভিড উপসর্গ দেখা দেয়। এরপর তিনি চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউতে) আছেন।
ববি শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, বরিশালে হাসপাতালে থাকাকালীন ড. রেহানা পারভীনের করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে।
যতটুকু খবর পাচ্ছি তিনি বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন। তার সুচিকিৎসার জন্য সবরকমের চেষ্টা আমরা করবো। পরিবারের সকলের সঙ্গে তিনিও যেন দ্রুত সুস্থতা লাভ করেন সেই কামনা করছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড.সুব্রত কুমার দাস জানান, একমাত্র শিশু সন্তানসহ রেহানা পারভীনের পরিবারের তিন সদস্যই করোনা আক্রান্ত। তবে তিনি বাদে বাকি দুজনের শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। নানা শারীরিক জটিলতার কারণে তাকে ভেন্টিলেশনে রেখে কৃত্রিমভাবে অক্সিজেন সরবরাহ করতে হচ্ছে।

খিলগাঁওয়ে পা পিছলে ড্রেনে পড়ে নিখোঁজ কিশোর
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকার খিলগাঁও এলাকায় ড্রেন অর্থাৎ নর্দমায় পড়ে নিখোঁজ এক কিশোরকে উদ্ধারে অনুসন্ধান চালাচ্ছেন দমকল বাহিনীর ডুবুরিরা। গতকাল মঙ্গলবার সকালে কিশোরটি পা পিছলে ওই নর্দমায় পড়ে গিয়ে নিখোঁজ হয় বলে জানাচ্ছে পুলিশ। ওই কিশোরের নাম এবং পরিচয় সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পুলিশ এখনো জানাতে পারেনি। পুলিশ বলছে, ছেলেটির বয়স ১৪/ ১৫ বছর হবে। তবে ওই কিশোরের পরিবারের কোন সদস্যকে এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। স্থানীয় অধিবাসীদের বরাত দিয়ে খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ফারুকুল আলম গণমাধ্যমকে বলেছেন, সকাল সাড়ে দশটার দিকে ছেলেটি ওই নর্দমার পাশে কাগজ কুড়াচ্ছিল। সকাল থেকে বৃষ্টি হওয়ায় জায়গাটা পিচ্ছিল হয়ে ছিল, কাগজ কুড়ানোর কোন এক পর্যায়ে কিশোরটি পা পিছলে নর্দমায় পড়ে যায়। আলম বলেন, পড়ার পর মুহূর্তের মধ্যেই ড্রেনের স্রোতে তলিয়ে যায় ছেলেটি। কাছের দোকান থেকে কয়েকজন মানুষ আসতে আসতে সে পুরোপুরি ডুবে যায়। এরপরই মানুষজন পুলিশে খবর দেয়।’ ফায়ার সার্ভিস খিলগাঁও স্টেশনের ডিউটি অফিসার মোহাম্মদ রোমি বলেছেন, উদ্ধারকাজে দমকল বাহিনীর ডুবুরি দল কাজ করছে। যে নর্দমায় ছেলেটি পড়ে গেছে, সেটি খিলগাঁওয়ের তিল্পাপাড়া এলাকার সাত নম্বর গলিতে অবস্থিত। ফায়ার সার্ভিস বলছে, এটি এক সময় খাল ছিল এবং এটি বেশ গভীর বলে তাদের ধারণা। নিখোঁজ কিশোরকে খুঁজে পেতে কত সময় লাগবে সে সম্পর্কে কোন ধারণা নেই দমকল বাহিনীর কর্মীদের।

মন্ত্রীর ছিনতাই হওয়া মোবাইল উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : এক মাস হতে চললো পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের মোবাইল ফোন ছিনতাই হয়েছে বিজয় সরণির সড়ক থেকে। তিনি এসময় গাড়ীতে বসে ব্রাউজ করছিলেন। গাড়ীর গ্লাস নামানো থাকায় হঠাৎ টানা পার্টির সদস্যরা ফোনটি নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। মন্ত্রীর গানম্যান তাকে আর ধরতে পারেনি। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট থেকে ব্যাপকভাবে অনুসন্ধান করেও ফোন বা ছিনতাইকারির সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে ওই এলাকা থেকে কয়েকজন ছিনতাইকারীকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও ঘটনার ‘নায়ক’কে অদ্যাবদি পায়নি পুলিশ। এব্যাপারে গতকাল মঙ্গলবার তার দপ্তরে সাংবাদিক সম্মেলনে ছিনতাই হওয়া ফোন ফিরে পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘লন্ডনে রানির বাড়ির সামনে থেকেও টান দিয়ে মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। আমাদের দেশে ১২ থেকে ১৩ কোটি মোবাইল সেট। এর মধ্যে কিছু হারাবে, এটাই স্বাভাবিক।’ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আমার হারিয়ে যাওয়া ফোন নাকি চার্জ দিচ্ছে না। এটা এখন মৃত। ফোন হাতে না পাওয়ায় আমি দুঃখিত। তবে শঙ্কিত নই।

পৌরশহরে লোকালয়ে ক্ষুধার্ত বানরের পাশে সোহেল আহমেদ
                                  

বিকাশ ঘোষ, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) : দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পৌরশহরের লোকালয়ে বেশকিছু দিন ধরে কয়েকটি বানর বিচরণ করছে। বানরগুলো এক ঘরের চাল থেকে আরেক ঘরের চালে এবং এক পাড়া-মহল্লা থেকে আরেক পাড়ায় লাফিয়ে বেড়াচ্ছে। এলাকাবাসী জানান,লাফিয়ে চলা বানরগুলো কিছু কৌতুহলী মানুষকে আনন্দ দিলেও অনেকে আবার ভয় পেয়ে থাকেন। কেউ কেউ হামলার আশঙ্কায় তাদের তাড়া করেন। তাড়া খেয়ে পাড়া থেকে পাড়ায় ছুটে চলা বানরগুলো ক্ষুধার্ত এবং ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাঁদের এই দুর্গতি দেখে এগিয়ে এসেছেন তরুণ সমাজসেবক পশুপ্রেমিক সোহেল আহমেদ। প্রতিদিন বীরগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের পাড়া-মহল্লা ঘুরে বানরদের খুঁজে বের করে নিজ অর্থায়নে খাবার কিনে দিচ্ছেন তিনি। এব্যাপারে মানবিক সোহেল আহমেদ বলেন,ঠিক মতো খাবার খেতে না পেয়ে লোকালয়ে আসা অসহায় বানরগুলো ক্ষুধার্ত এবং দুর্বল হয়ে পড়েছে। আমি আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। তাবে বানরগুলোর পুনর্বাসন সরকারি ও বেসরকারিভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। কারণ আমাদের দেশে সকল বন্যপ্রাণীগুলোকে রক্ষা করতে হবে তা না হলে আমাদের পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। পৌরশহরের অনুপম ঘোষ তুষার জানান,কয়েকদিন আগে হঠাৎ করে আমার বাসায় একটি বানর এসে দেখতে পায়। বানর দেখে প্রথমে কিছুটা ভয় পেয়েছিলাম। তবে বানরটি আমাদের কোনো ক্ষতি করেনি। আমি তাকে কলা খেতে দেই। পরে সেখান থেকে অন্ত্য চলে যায়। এব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার মুহিবুল ইসলাম জানান, বানর লোকালয়ে বিচরণের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। বন বিভাগকে অবহিত করে প্রয়োজনে আমাদের দপ্তরের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে। জাতীয় উদ্যান বীরগঞ্জ শালবনের বিট কর্মকর্তা পদাধর রায় জানান,পৌরশরের লোকালয়ে বানরের অবস্থানের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। উর্ধতন কর্মকর্তাকে এ বিষয়টি অবহিত করার পর নির্দেশনা মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সখীপুরে ক্ষুধার যন্ত্রণায় লোকালয়ে বানর
                                  

বাদল হোসাইন, সখীপুর : নানা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সখীপুরের বনাঞ্চলের দেওবাড়ী এলাকায় এখনও টিকে আছে আড়াই শতাধিক বানর। তবে প্রতিনিয়ত তাদের দিন কাটে অর্ধাহারে-অনাহারে। খাদ্য সংকটে ক্ষুধার যন্ত্রণায় তারা মাঝেমধ্যে দল বেঁধে ছুটে আসে জনবসতির দিকে, লোকালয়ে।
স্থানীয়রা জানান, খাদ্যের অভাবে দুই-তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে তারা হানা দেয় স্থানীয় কৃষকের আম, কাঁঠাল, সবজির বাগানসহ শস্য খেতে। বাড়িতে ঢুকে খেয়ে ফেলে কৃষকের রান্না করা খাবার। ক্ষুধার যন্ত্রণায় তারা মাঝেমধ্যে দল বেঁধে ছুটে আসে জনাকীর্ণ এলাকায় দর্শনার্থী ও উৎসুক জনতার দেওয়া সামান্য কলা, বিস্কুট কিংবা পাউরুটি খেতে। জীবনযুদ্ধে এভাবেই বেঁচে আছে বানরগুলো। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বানরগুলো রক্ষায় সরকারি সহায়তা প্রয়োজন। নাহলে তারা দ্রুতই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এক সময় সখীপুরের শালগজারির বনাঞ্চলে বসবাসরত বানর ও বিলুপ্ত হওয়া নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণী হরীতকী, আমড়া, বহেড়া, আমলকী, বংকৈ, তিথিজাম, পিড়ালু, মেঠোআলু, কুল, অড়বড়ই, চিচিঙ্গা, মাকাল ফল, আনাই, গাধুলা, শটিসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য খেয়ে বেঁচে থাকত। তারা আনন্দে ছুটে বেড়াত এক গাছ থেকে অন্য গাছে। শালগজারির বন উজাড় হওয়ার পাশাপাশি এসব ফলদ গাছপালাও নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। তাই বানরগুলো খাদ্যের অভাবে চলে এসেছে মানুষের খুব কাছাকাছি। তাদের অভয়াশ্রমও নেই। সরকারি তহবিল থেকেও খাদ্যের কোনো ব্যবস্থা নেই। গত শুক্র ও গতকাল শনিবার সরেজমিন ঘুরে এমনই তথ্য ও চিত্র পাওয়া গেছে।
দেওবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ও যুবলীগ নেতা আল-আমিন জানান, শালগজারি উজাড় হওয়ায় সামান্য সংরক্ষিত বনাঞ্চলে আশ্রয় নিচ্ছে বানরগুলো। ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি বাগানে লতাপাতা ও ফলদ বৃক্ষ না থাকায় বানরগুলো খাদ্যাভাবে কোনো রকমে বেঁচে আছে। শুকিয়ে গেছে তাদের শরীর। সরকারি সহায়তা না পেলে অন্য প্রাণীর মতো শিগগিরই হারিয়ে যাবে বন্যপ্রাণী বানরও। একই ধরনের অনুভূতি প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দা এরশাদ, মিনহাজ ও আবুল হোসেন।
বহেড়াতৈল রেঞ্জ বন কর্মকর্তা এইচএম এরশাদ জানান, বানরের জন্য স্থায়ী কোনো বরাদ্দ নেই। গত এক বছরে দুই কিস্তিতে ১০ হাজার টাকা পেয়েছিলাম, যা বানরের খাবারের জন্য ব্যয় করেছি। সরকারি মুজিব কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুনির্মল চন্দ্র বসু জানান, বনে বসবাসরত এসব বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হলে পরিবেশের ভারসাম্য হারাবে। আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তন, বিভিন্ন ধরনের রোগ-বালাই সৃষ্টি, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও ইকোসিস্টেম সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে।
উপজেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটির সভাপতি ইউএনও চিত্রা শিকারি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের স্থায়ী কোনো বরাদ্দ নেই। চলতি অর্থবছরে উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের মাধ্যমে সামান্য সাময়িক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। বন্যপ্রাণী রক্ষায় জেলা পরিষদের সভায় প্রস্তাব রাখা হয়েছে। টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক সমকালকে জানান, আগামী অর্থবছর থেকে চাহিদা অনুযায়ী বানরগুলোর জন্য খাবারের ব্যবস্থা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

করোনা আক্রান্ত ট্রেন পরিচালক এক বগিতে একা ঢাকায় এলেন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেন পরিচালক শরিফুল ইসলাম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে গতকাল শনিবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ট্রেনের একটি বগিতে করে ঢাকায় আনা হয়েছে। তাকে ঢাকায় পাঠানোর জন্য খুলনা-ঢাকা রুটের চিত্রা এক্সপ্রেসে আলাদা একটি বগি যুক্ত করা হয়। নাম দেয়া হয় ‘কোয়ারেন্টাইন কোচ’। এই বগিতে তিনি একাই ঢাকায় আসেন। তার পরিবারের কেউ আসেননি বলে জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এক সপ্তাহ ধরে তিনি জ্বরে ভুগছেন। তিন দিন আগে থেকে শুরু হয় কাশি। দেখা দিয়েছে শ্বাসকষ্টও। গত ৯ জুন নমুনা পরীক্ষা করালে তার শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এরপর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে তাকে ঢাকায় আনা হয়। ঢাকার মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানোর কথা রয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মিহির কান্তি গুহ বলেন, শরিফুল ইসলাম কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন। তাই আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বললেন, ঢাকায় নিতে হবে। সে জন্য চিত্রা এক্সপ্রেসে তার জন্য আলাদা একটি বগি যুক্ত করে শরিফুলকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।

সিলেটে একদিনে পাঁচবার ভূমিকম্প, আতঙ্ক চারদিকে
                                  

বিবিসি : বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট এলাকায় গতকাল শনিবারে অন্তত পাঁচবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে এবং দফায় দফায় এমন কম্পনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয়দের মধ্যে। আবহাওয়াবিদ ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন সাধারণত বড় কোন ভূমিকম্পের আগে বা পরে এমন দফায় দফায় মৃদু কম্পন হতে পারে। ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ মুমিনুল ইসলাম বলছেন, "বেলা তিনটা পর্যন্ত পাঁচ বার কম্পন অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে চারটি হলো ৪.১, ৪, ৩ এবং ২.৮ মাত্রার। কোন কোনটি এতো মৃদু যে সব স্টেশনে মাত্রা মাপাও যায়নি"। মিস্টার ইসলাম বলছেন সিলেটে এমন আর কখনো হয়নি যদিও সিলেট অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে। বিশেষ করে তিনটি প্লেটের সংযোগস্থলে বাংলাদেশে। সিলেটের জৈন্তায় আজকের ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। তবে সবগুলোই ছোটো ধরণের ভূমিকম্প। "কিন্তু ভূমিকম্পের প্রিশক ও আফটারশক থাকে। অনেক সময় বড় ভূমিকম্পের আগে ছোট কম্পন হয়। আবার বড় ভূমিকম্প হলে তারপর ছোট ছোট কম্পন হয়। যেহেতু সিলেট অঞ্চল ভূমিকম্প প্রবণ সেজন্য সতর্ক থাকতে হবে। তাছাড়া ওই অঞ্চলে বড় ভূমিকম্পের ইতিহাস আছে"।


   Page 1 of 36
     পাঁচমিশালি
১১ কেজি ওজনের ঢাই মাছ ৩৪ হাজার টাকায় বিক্রি
.............................................................................................
করোনার টিকা নিয়ে শরীয়তপুরের অনিক পেলেন ১শ’ ডলার
.............................................................................................
লক্ষ্মীপুরে ৫’শ টন গিগজ মুড়ি হাতে ভাজা হয়, রপ্তানি হয় বিশ্ববাজারেও
.............................................................................................
জীবন বাঁচাতে মা মেয়ে নদীতে ঝাঁপ
.............................................................................................
পরীমণিকে দেখতে বৃদ্ধ নানা ঢাকায়, দেখা হলো না তাদের
.............................................................................................
একসঙ্গে দুই ডোজ টিকা নিয়ে আলোচনায় এক নারী
.............................................................................................
তার সঙ্গে হৃদয়ের লেনদেন: লাভ ইজ পাওয়ার
.............................................................................................
কবরস্থানে শক্তিশালি হাতবোমা নিষ্ক্রীয় করলো ডিএমপির টিম
.............................................................................................
স্বামীর মরদেহ নিয়ে একাকি শ্মশানে রাত কাটান স্ত্রী কল্পনা
.............................................................................................
কোভিড কীটের আবিষ্কারক কোভিড আক্রান্ত, আছেন আইসিইউতে
.............................................................................................
খিলগাঁওয়ে পা পিছলে ড্রেনে পড়ে নিখোঁজ কিশোর
.............................................................................................
মন্ত্রীর ছিনতাই হওয়া মোবাইল উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ
.............................................................................................
পৌরশহরে লোকালয়ে ক্ষুধার্ত বানরের পাশে সোহেল আহমেদ
.............................................................................................
সখীপুরে ক্ষুধার যন্ত্রণায় লোকালয়ে বানর
.............................................................................................
করোনা আক্রান্ত ট্রেন পরিচালক এক বগিতে একা ঢাকায় এলেন
.............................................................................................
সিলেটে একদিনে পাঁচবার ভূমিকম্প, আতঙ্ক চারদিকে
.............................................................................................
সাত বছরের প্রেম-ভালোবাসায় বিয়ে
.............................................................................................
অ্যাম্বুলেন্স থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়া মরদেহের এনডিটিভির ছবি ভাইরাল
.............................................................................................
ফোর্বস তালিকায় বাংলাদেশি ৯ মেধাবী তরুণের নাম
.............................................................................................
পদ্মায় ধরা পড়ল ২৯ কেজি ওজনের বাঘাইড়
.............................................................................................
ধান খাওয়ার অভিযোগে ৩৩ বাবুই ছানা পুড়িয়ে হত্যা
.............................................................................................
বিমানবন্দরে শিশুসন্তানকে ফেলে গেলেন সৌদিফেরত এক মা
.............................................................................................
এই প্রথম মাশরুম দিয়ে তৈরি হলো পোশাক!
.............................................................................................
সুন্দরবন থেকে উদ্ধার বাঘের মরদেহেরে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন
.............................................................................................
সুখী দেশের তালিকায় ৬ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ
.............................................................................................
অর্থনীতি সচলে ‘ভ্যাকসিন পাসপোর্ট’ বিস্তার
.............................................................................................
মুন্সীগঞ্জে মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ
.............................................................................................
আবারও গিনেস রেকর্ড অর্জনের পথে পার্থ
.............................................................................................
শ্রীপুরে কলম উৎসব পালন
.............................................................................................
সাপাহারে দম্পতি মেলা
.............................................................................................
দুই মাথার নবজাতক শিশু ঢাকার হাসপাতালে
.............................................................................................
রঙিন ডিম দেয়া মুরগি!
.............................................................................................
নড়াইলে কলা রেখে খোসা বিক্রি !
.............................................................................................
বিশ্বের বৃহত্তম বসতবাড়ি, থাকেন ১০ হাজার মানুষ
.............................................................................................
গুগল ম্যাপ দেখে ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত পাড়ি দিতে হাজির প্রেমিক!
.............................................................................................
২০ বছরে সাপের কামড়ে ১২ লাখ মানুষের মৃত্যু
.............................................................................................
বিশ্বের প্রথম সোনায় মোড়া হোটেল!
.............................................................................................
চুরি করতে গিয়ে পেল মদ, আনন্দে ফ্লাটে ৩ দিন পার
.............................................................................................
পাঁচ টাকায় মুরগির ভুনা খিচুড়ি
.............................................................................................
বিয়ের কনের ক্রয়মূল্য
.............................................................................................
পৃথিবীর সবচেয়ে গোল‍াকার প্রাণী
.............................................................................................
Haha, Kkkkkk,: অনলাইনে কথোপথনের ভাষায় ভিন্ন হাসি
.............................................................................................
৩ মরদেহের সঙ্গে ব্রিটিশ যুবকের ঘনিষ্ঠতা, অতঃপর…!
.............................................................................................
শিশুদের আইকিউ বাড়ানোর কয়েকটি সহজ উপায়
.............................................................................................
একাধিক অদ্ভূত শয্যাসঙ্গীর কথা জানালেন এই তরুণী!
.............................................................................................
রহস্যময় ‘ফিংগালস কেভ’
.............................................................................................
হলুদ রঙের কোনো পোশাক পরা যাবে না যে দেশে!
.............................................................................................
পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে ডাইনোসর!
.............................................................................................
সুন্দরী মেয়েরা হৃদযন্ত্রের ক্ষতির কারণ, বলছে গবেষণা
.............................................................................................
যৌবন ধরে রাখে যেসব খাবার
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop