ঢাকা, সোমবার , ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ , ২৮ সেপ্টেম্বর , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > করোনায় দেশে আরো ৩২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১,২৭৫   > এক্সট্রাকশনের পর নেটফ্লিক্সের নতুন ছবিতে ক্রিস হেমসওয়ার্থ   > ঠাকুরগাঁওয়ে সুরক্ষা সামগ্রী ও স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ   > বিনামূল্যে গ্রামীন জনপদের প্রান্তিক মায়েরা পাচ্ছে জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ের সেবা   > বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ে বাঁধের পুনঃনির্মাণ কাজ শেষ না হতেই ভাঙন   > টাঙ্গাইলে গৃহবধূর আত্মহত্যা!   > নীলফামারীতে ভিটামিন"এ" ক্যাম্পেইন সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা   > সাংগুতে বিপুল পরিমান ইয়াবা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড   > মোংলায় বিশ্ব নদী দিবস পালন   > বৌদ্ধবিহারে বিশ্ববিদ্যালয় পুন:প্রতিষ্ঠার দাবি  

   পাঁচমিশালি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
নড়াইলে কলা রেখে খোসা বিক্রি !

ডেস্ক রিপোর্ট : কলা রেখে খোসা বিক্রির গল্প শুধু ঠাকুরমার ঝুলিতেই থাকার ধারণা করা হয়। ঝুলির গল্পগুলো শুধুমাত্র বিনোদন দেয়। বাস্তবে এ রকম ঘটনা কখনই দেখা যায় না। কিন্তু সবাইকে অবাক করে কলা রেখে খোসা বিক্রির ঘটনা ঘটে গেল নড়াইলে। এ ঘটনাকে নতুন ইতিহাস বলে ফেসবুকে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এ তোলপাড়ই বিনোদন দিচ্ছে নেটিজেনদের।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, স্থানীয় মো. রব্বেল নামের ব্যক্তি একটি পাকা কলার কাঁদি বিক্রয়ের জন্য দিঘোলিয়া বাজারে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বিক্রেতা রব্বেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় চর দিঘলিয়ার মনু মিয়ার।

সাক্ষাতে রব্বেলকে কলার হালির দাম জিজ্ঞেস করেন মনু মিয়া। উত্তরে রব্বেল জানান, প্রতি হালি ২০ টাকা। তখন আবার মনু মিয়া বলেন, কলার হালি সাত টাকা রাখেন।

এতে রব্বেল ক্রেতা মনু মিয়াকে জানান, সাত টাকা তো এক হালি কলার খোসার দাম। তখন মনু মিয়া সিদ্ধান্ত নেন যে, কলার খোসার হালি সাত টাকা দামে কিনবেন।

যেই ভাবা সেই কাজ। মনু মিয়া পাকা কলার কাঁদি থেকে খোসা নিয়ে ছিলানো কলা রব্বেলকে ফেরত দেন। একই সঙ্গে হালির হিসাবে মূল্যও পরিশোধ করেন মনু মিয়া।

এ ঘটনার খবর ও ঘটনার ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার পরই ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়। এ ঘটনা রূপকথাকে হার মানিয়ে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে বলে নেটিজেনরা দাবি করছেন।

নড়াইলে কলা রেখে খোসা বিক্রি !
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : কলা রেখে খোসা বিক্রির গল্প শুধু ঠাকুরমার ঝুলিতেই থাকার ধারণা করা হয়। ঝুলির গল্পগুলো শুধুমাত্র বিনোদন দেয়। বাস্তবে এ রকম ঘটনা কখনই দেখা যায় না। কিন্তু সবাইকে অবাক করে কলা রেখে খোসা বিক্রির ঘটনা ঘটে গেল নড়াইলে। এ ঘটনাকে নতুন ইতিহাস বলে ফেসবুকে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এ তোলপাড়ই বিনোদন দিচ্ছে নেটিজেনদের।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, স্থানীয় মো. রব্বেল নামের ব্যক্তি একটি পাকা কলার কাঁদি বিক্রয়ের জন্য দিঘোলিয়া বাজারে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বিক্রেতা রব্বেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় চর দিঘলিয়ার মনু মিয়ার।

সাক্ষাতে রব্বেলকে কলার হালির দাম জিজ্ঞেস করেন মনু মিয়া। উত্তরে রব্বেল জানান, প্রতি হালি ২০ টাকা। তখন আবার মনু মিয়া বলেন, কলার হালি সাত টাকা রাখেন।

এতে রব্বেল ক্রেতা মনু মিয়াকে জানান, সাত টাকা তো এক হালি কলার খোসার দাম। তখন মনু মিয়া সিদ্ধান্ত নেন যে, কলার খোসার হালি সাত টাকা দামে কিনবেন।

যেই ভাবা সেই কাজ। মনু মিয়া পাকা কলার কাঁদি থেকে খোসা নিয়ে ছিলানো কলা রব্বেলকে ফেরত দেন। একই সঙ্গে হালির হিসাবে মূল্যও পরিশোধ করেন মনু মিয়া।

এ ঘটনার খবর ও ঘটনার ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার পরই ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়। এ ঘটনা রূপকথাকে হার মানিয়ে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে বলে নেটিজেনরা দাবি করছেন।

বিশ্বের বৃহত্তম বসতবাড়ি, থাকেন ১০ হাজার মানুষ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : এমন অনেক দেশ রয়েছে, যার একটা শহর বা গ্রামে সাকূল্যে দু-পাঁচ শ` বা বড়জোর দু-পাঁচ হাজার মানুষ বসবাস করেন। এমন কিছু পরিবার গিনেস বুকে ঠাঁই পেয়েছে, যার সদস্য সংখ্যা বড়জোর শ’খানেক। কিন্তু হংকংয়ের কুয়েরিবে এলাকায় এমন একটি বাড়ি রয়েছে,যাতে অন্তত ১০ হাজার মানুষ থাকেন। এক ছাদের নিচে এতবেশি মানুষ কোনো বহুতল আবাসনেও থাকে না। সেই নিরিখে বলা চলে, হংকংয়ের এই বিল্ডিং নিজেই একটা আস্ত গ্রাম বা শহর। সমীক্ষায় জানা গেছে, এটাই বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় আবাসিক ভবন।

হংকংয়ের কুয়েরিবে সম্পর্কে জানা যায়, ১৯৬০ সালে প্রথম এটি নির্মিত হয়। ৬০ বছর আগে এটা একটা মাত্র বিল্ডিং ছিল। পরে পরে এ রকম ৫টি বিল্ডিং একসঙ্গে সংযুক্ত হয়। ৬ দশক ধরে এভাবেই বিল্ডিংটা ক্রমশ সম্প্রসারিত হতে হতে এই জায়গায় এসে পৌঁছায়। দৈত্যকার বিল্ডিংটিতে মোট ২ হাজার ২৪৩টি রুম আছে। অধিকাংশই মধ্যবিত্ত মানুষ এখানে থাকেন।

গুগল ম্যাপ দেখে ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত পাড়ি দিতে হাজির প্রেমিক!
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : প্রেম আসলেই অন্ধ এবং তা কোন সীমানা মানতে পারে না তা আবারো প্রমাণিত হলো ভারত পাকিস্তান সীমান্তে। এমনটা প্রমাণ করলেন মহারাষ্ট্রের এক পাগলাটে যুবক। সীমানা পার করে পাকিস্তানে থাকা প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি।

দীর্ঘ যাত্রায় সীমান্ত পার করার আগেই অসুস্থ হয়ে পরে প্রেমিক যুবক। সংজ্ঞাহীন ওই যুবককে উদ্ধার করে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের জওয়ানেরা।

আলোচিত যুবক হচ্ছেন সিদ্দিকি মহম্মদ জিশান। মহারাষ্ট্রের ওসামাবাদ এলাকার বাসিন্দা ওই ২০ বছরের ছেলেটি। ফেসবুকে আলাপ হওয়া এক মহিলার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন তিনি। সেই মেয়েটির বাড়ি পাকিস্তানের বন্দর শহর করাচিতে। ফেসবুক মেসেঞ্জারের বার্তালাপ থেকে খুব সহজেই তা হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে যায়।

এভাবেই ঘুঁচে গিয়েছিল প্রায় ১২০০ কিলোমিটারের দূরত্ব। যদিও সম্পূর্ণটাই হয়েছিল ভার্চুয়াল প্রক্রিয়ায়। সামনে থেকে কেউই কাউকে দেখেননি। সেই দূরত্ব দূর করতেই উদ্যত হয়েছিলেন সিদ্দিকি মহম্মদ জিশান। বাইক নিয়েই মহারাষ্ট্রের ওসামাবাদ থেকে ক্রাচির উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। ১২০০ কিলোমিটার বাইক চালিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন পাকিস্তান সীমান্তের বেশ কাছেই।

সেই সময়েই ঘটল বিপত্তি। গুজরাত হয়ে পাকিস্তানে প্রবেশের পরিকল্পনা করেছিলেন ওসামাবাদের যুবক সিদ্দিকি মহম্মদ। কচ্ছের রণ এলাকায় পৌঁছেও গিয়েছিলেন। কিন্তু এই গ্রীষ্মে শরীর আর সঙ্গ দেয়নি তাঁর। সীমান্তের কাছেই সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন সিদ্দিকি মহম্মদ জিশান। সেখান থেকেই তাঁকে উদ্ধার করে বিএসএফ জওয়ানেরা। ভর্তি করা হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখান থেকেই পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় প্রেমিক সিদ্দিকিকে।

২০ বছরে সাপের কামড়ে ১২ লাখ মানুষের মৃত্যু
                                  

গণমুক্ত ডেস্ক : ভারতে গত বিশ বছরে ১২ লাখ মানুষ সাপের কামড়ে মারা গেছে বলে নতুন এক গবেষণার ফলাফলে জানা গেছে। গবেষণার জরিপে বলা হয়েছে সাপের কামড়ে মৃতের প্রায় অর্ধেকের বয়স ৩০ থেকে ৬৯ এর মধ্যে, এবং এক চতুর্থাংশ শিশু। ভারতে সর্পদংশনে বেশির ভাগ মানুষ মারা যায় কোবরা (ভারতীয় গোখরা) , রাসেলস ভাইপার এবং ক্রেইৎস (কালাচ) প্রজাতির সাপের কামড়ে। বাদবাকি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে অন্যান্য অন্তত ১২টি বিভিন্ন প্রজাতির সাপের কামড়ে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাপের কামড়ে মৃত্যু হয় যেসব এলাকায় দ্রুত চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় না।

বর্ষাকালে জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এই সময় সাপ বাইরে বেরিয়ে আসে বেশি। আর সাপ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কামড় দেয় পায়ে। ই-লাইফ নামেএকটি জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণাটি চালিয়েছিলেন যৌথভাবে ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। ভারতে অসময়ে মৃত্যুর ওপর চালানো মিলিয়ন ডেথ টাডি নামে বিশালএক জরিপ থেকেও তথ্য নেয়া হয়েছে এই গবেষণার কাজে।

রাসেলস ভাইপার ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ায় খুবই বিষধর প্রজাতির সাপ। এই অঞ্চলে এই সাপ দেখা যায় খুবই বেশি। এরা সাধারণত ইঁদুর জাতীয় প্রাণী খায়। কাজেই শহরাঞ্চলে এবং গ্রামেও মানুষের বাসার আশেপাশেই তাদের ঘোরাফেরা বেশি।

ভারতীয় ক্রেইৎ সাপ সাধারণত দিনের বেলা কামড়ায় না। কিন্তু রাতের বেলা তারা হিংস্র হয়ে ওঠে। এই সাপ দৈর্ঘে প্রায় পাঁচ ফুট ৯ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। ভারতীয় কোবরা বা গোখরা সাপ সাধারণত কামড়ায় অন্ধকারের পর। গোখরার কামড়ে শরীরের ভেতর রক্তক্ষরণ হয়। ফলে এই সাপ কামড়ালে সাথে সাথে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন।

এই জরিপে আরও দেখা গেছে ২০০১ সালে থেকে ২০১৪ পর্যন্ত, সাপের কামড়ে মারা যাবার ৭০% ঘটনা ঘটেছে ভারতের আটটি রাজ্যে- বিহার, ঝাড়খণ্ড, মধ্য প্রদেশ, ওড়িশা,উত্তর প্রদেশ, অন্ধ্র প্রদেশ, রাজস্থান এবং গুজরাটে। বলা হয় ভারতে মানুষের ৭০ বছর বয়স পুরো হবার আগে সাপের কামড়ে মৃত্যুর ঝুঁকি প্রতি ২৫০ জনে প্রায় একজনের। কিন্তু নতুন এই জরিপে বলা হচ্ছে কোন কোন এলাকায় এই ঝুঁকি এখন বেড়ে প্রতি ১০০জনে একজন হয়েছে।

গবেষকরা বলছেন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন গ্রামে কৃষক সম্প্রদায়ের মানুষ। তারা বর্ষা মরশুমে সর্প দংশনের বড় ঝুঁকিতে থাকেন। -বিবিসি বাংলা

বিশ্বের প্রথম সোনায় মোড়া হোটেল!
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : সোনায় মোড়া টয়লেটের খবর শুনেছেন, সোনার তৈরি আরও কত শত জিনিসের নাম শুনেছেন। এবার সোনায় মোড়া হোটেল। আর ঝাঁ চকচকে সেই সোনার হোটেলটি তৈরি করা হয়েছে ভিয়েতনামে।

ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়তে তৈরি হয়েছে বিশ্বের সর্বপ্রথম সোনার প্লেটে নির্মিত হোটেল। ২০০৯ সাল থেকে এই হোটেলের কাজ শুরু হয়েছে। মনে করা হচ্ছে যে, চলতি বছরের শেষ দিকেই পুরোপুরি নির্মিত হয়ে যাবে তাক লাগানো এই হোটেল। তবে জেনে রাখা ভালো যে, এই হোটেল ফাইভ স্টারেরও বেশি। এটি একটি সিক্স স্টার অর্থাৎ ছয় তারা হোটেল। হ্যানয়য়ের এই সুন্দর সোনার প্লেটে তৈরি হোটেলের নাম রাখা হয়েছে ‘ডলস হানোই গোল্ডেন লেক’।

এই হোটেল তৈরি করতে খরচ হয়েছে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। হোটেলের ইন্টিরিয়ার এবং এক্সটিরিয়ার দুই ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়েছে ২৪ ক্যারেটের সোনা। তবে সোনার পাতে পুরো হোটেল নির্মিত হলে কী হবে, হোটেলের টয়লেট সিট থেকে শুরু করে লবি, ইনফিনিটি পুল , রুম এমনকী বাথরুমের শাওয়ারের মাথাটিও সোনা দিয়েই তৈরি করা হয়েছে। হোটেলে কোনও গেস্ট কফি খেতে চাইলে, তাকে সোনার কাপেই কফি পরিবেশন করা হবে।
ভিয়েতনামের রাজধানী এখন অন্যতম ট্যুরিস্ট আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই সোনায় মোড়া হোটেল। হোটেলের কাজ পুরোপুরি ভাবে শেষ হতে এখনও বেশ কিছু দিন বাকি রয়েছে। কিন্তু বিগত বেশ কিছু বছর ধরেই পর্যটকেরা হোটেলের সামনে দাঁড়িয়ে ভিড় জমাচ্ছেন। হ্যানয়য়ের বা দিন জেলার গিয়াং ভো লেকের এক্কেবারে ধারেই তৈরি হয়েছে এই হোটেল। ভিয়েতনামের প্রসিদ্ধ হোয়া বিন গ্রুপই তৈরি করেছে ‘ডলস হানোই গোল্ডেন লেক’। হোটেলটির ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব সামলাচ্ছে আমেরিকান সংস্থা উইনধাম হোটেল গ্রুপ।

হোটেলটির অন্দরে এবং বাইরেও ৫০০০ বর্গমিটারের সেরামিক টাইলস বসানো রয়েছে। এই ধরনের টাইলস নির্মিত হয় সম্পূর্ণ সোনা দিয়েই। সোনার পাতে মোড়া এই হোটেলে রয়েছে মোট ২৫টি তলা। আর ইমিউনিটি পুলটি রয়েছে এক্কেবারে রুফটপে। তবে এহেন হোটেলের ঘরগুলি যেমন সোনায় মোড়া, তেমনই আবার বাথরুম থেকে পুল সবই সোনার প্লেটে তৈরি। কাপ থেকে শুরু করে খাবার-দাবারও এই হোটেলে সোনার পাত্রেই পরিবেশন করা হয়। তবে তার থেকেও চিত্তাকর্ষক বিষয়টি হল হোটেলের যাবতীয় সব আসবাবপত্রই সোনায় তৈরি করা হয়েছে।

শুধু ধনীরাই নয়। সাধারণ ছাপোষা মধ্যবিত্তরাও ঘুরে যাক এই হোটেলে। এমন কথাই বলছেন হোটেলের নির্মাতা থেকে শুরু করে খোদ হোটেল কর্তৃপক্ষ। তাদের বক্তব্য, সোশ্যাল মিডিয়া তো বটেই এমনকী সশরীরেও মানুষ চেক ইন করুক এই হোটেলে।

হোটেলের নির্মাতা সংস্থা হোয়া বিন গ্রুপের চেয়ারম্যান এনগ্যুয়েন হু ডুয়োং বলছেন, “আমাদের গ্রুপেরই একটি ফ্যাক্টরি রয়েছে যেখানে আমরা খুব সস্তায় নানা ধরনের সোনার জিনিসপত্র বানাই। সেই দিক থেকে দেখতে গেলে সোনায় মোড়া এই হোটেলে থাকার খরচ কম।”

তবে করোনা আবহে যে, তাদের ব্যবসা রীতিমতো ধাক্কা খেয়েছে, সে কথাটাও স্বীকার করে নিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। যদিও এই সংকটজনক পরিস্থিতি একবার চলে গেলে আবার যে তারা ঘুরে দাঁড়াবেন, সে বিষয়ে যথেষ্ট আশাবাদী ‘ডলস হানোই গোল্ডেন লেক’ কর্তৃপক্ষ।

চুরি করতে গিয়ে পেল মদ, আনন্দে ফ্লাটে ৩ দিন পার
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর গুলশান এভিনিউয়ের ৮৯ নম্বর সড়কের একটি ফ্লাটে বাস করতেন রিচার্ড হাবার্ড। যুক্তরাষ্ট্রের এই নাগরিকের ঢাকায় `নর্থ অ্যান্ড কফি` নামে একটি প্রতিষ্ঠান আছে। করোনাকালে সেটি বন্ধ থাকায় ফিরে গেছেন নিজ দেশে।

গুলশানের ফ্ল্যাটটিতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো থাকায় শনিবার দেখতে পান অন্যরকম এক দৃশ্য। যেখানে দেখা যাচ্ছে- তার ঘরে হাঁটাহাঁটি করছে এক যুবক। আবার ফ্রিজ থেকে খাবার ও ওয়াইন নিয়ে টেবিলে রেখে নাচানাচি করছে। যে দৃশ্য দেখে অবাক হন হাবার্ড। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি জানান তার বাংলাদেশি সহকর্মীকে। রাতেই গুলশান থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল ফ্লাটটিতে প্রবেশ করে। কিন্তু কাউকে না পেলেও টেবিলের ওপর কিছু রান্না করা খাবারভর্তি কড়াই, জুসের প্যাকেট ও ওয়াইনের বোতল দেখতে পায়। ঘরগুলো তল্লাশির একপর্যায় পুলিশ বুঝতে পারে ফ্লাটে কেউ একজন আছে। এরপর বেডরুমের একটি টয়লেট থেকে গ্রেপ্তার করা হয় চোর মাসুমকে। গত বুধবার বা বৃহস্পতিবার সে ফ্লাটটিতে ঢুকেছিলো।

গুলশান থানার ইন্সপেক্টর আমিনুল ইসলাম জানান, মাসুম মাদকাসক্ত এবং পেশায় চোর। গ্রেপ্তারের পর সে (মাসুম) জানিয়েছে- চুরির জন্যই ফ্লাটটিতে প্রবেশ করেছিল। কিন্তু সেখানে প্রচুর খাবার থাকায় চুরির কথা ভুলে যান। এরপর ফ্লাটে অবস্থান করে তিনদিন। এর আগেও মাসুদ গ্রেপ্তার হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় ফ্লাটের মালিক বিদেশে থাকায় থানায় অভিযোগ করতে পারেননি। পূর্বের একটি মামলায় তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পাঁচ টাকায় মুরগির ভুনা খিচুড়ি
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : মাত্র পাঁচ টাকায় পেট ভরে খাবার! তাও আবার ভুনা খিচুড়ি আর মুরগির মাংস। অবিশ্বাস্য মনে হলেও জামালপুরে এমনই খাবার বিক্রি করছে ‘আমরা’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। নামমাত্র মূল্যে পথশিশু ও দরিদ্রদের মাঝে এ খাবার বিক্রি করে সংগঠনটি। ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম তিন মাস ধরে চালানোর ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনের নেতারা। ওই দিন দুপুরে জামালপুর রেলস্টেশন এলাকায় ভুনা খিচুড়ি, মুরগির মাংস, পানি, গ্লাস ও প্লেট নিয়ে হাজির হন সংগঠনটির সদস্যরা।

এদিকে এক বেলা উন্নত মানের খাবারের জন্য রেলস্টেশন এলাকায় জড়ো হন ছিন্নমূল শিশু, কিশোর ও নারী-পুরুষ। কিন্তু এ খাবার কিনতে প্রয়োজন পাঁচ টাকা। যা উপস্থিত অনেকের কাছেই ছিল না। পরে সংগঠনের কেউ কেউ পাঁচ টাকা করে দিয়ে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করেন।

এ সময় তারা সামাজিক দূরত্ব মেনেই লাইনে দাঁড়ান। খাবারের ডেকের সামনে দাঁড়ানো সংগঠনের সদস্য আতাউর রহমান। তার হাতে পাঁচ টাকা দিলেই মিলছে এক প্লেট খাবার। অনেকেই প্রথম প্লেটের খাবার শেষ করে দ্বিতীয়বারও নেন। দ্বিতীয়বারের জন্য কোনো টাকা লাগে না।

স্টেশন এলাকার ছোট চা-দোকানি আমিনুল ইসলাম বলেন, করোনার কারণে স্টেশন এলাকাটি মরুভূমির মতো হয়ে গেছে। কোনো ব্যবসা নেই। তাই পেট ভরে খেতেও পারি না। দূর থেকে দেখি, রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে মানুষ লাইন ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। পরে এসে দেখি পাঁচ টাকার বিনিময়ে গরম খিচুড়ি বিক্রি হচ্ছে। এরপর লাইনে দাঁড়িয়ে এক প্লেট খিচুড়ি কিনলাম।

‘আমরা’র সদস্য সাজ্জাদুর রহমান ও আতাউর রহমান জানান, করোনাভাইরাসে কর্মহীন মানুষের খাদ্য সহায়তায় সংগঠনের সদস্যদের নিজস্ব অর্থায়নে এ উদ্যোগ নেয়া হয়। ত্রাণের পরিবর্তে প্রতি শুক্রবার ১২০ জনকে এ খাবার সরবরাহের পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামেন তারা। তবে বিনামূল্যে খাবার খেয়ে অনেকেই তৃপ্তি পাবেন না বলে মাত্র পাঁচ টাকা নেয়া হচ্ছে।

সাজ্জাদুর রহমান বলেন, এ সংগঠনের ৩০ সদস্য সবাই তরুণ। কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবার কেউ চাকরিজীবী। তবে মালয়েশিয়া প্রবাসী নূরে আলম নামের এক বন্ধু এ ধরনের সংগঠনের আইডিয়া দেন। পরে আলোচনার মাধ্যমে সংগঠনটি গঠন করা হয়।

 

বিয়ের কনের ক্রয়মূল্য
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :সাব-সাহারান আফ্রিকা জুড়ে একটি প্রথা প্রচলিত আছে যে

বিয়ে করার জন্য কনের মূল্য বাবদ বড় অংকের অর্থ পরিশোধ করতে হয় বরপক্ষকে।

কিন্তু গানাইয়ান বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ তরুণী অ্যাঞ্জেলা এটিকে `কনের ক্রয়মূল্য` হিসেবে দেখতে রাজী নন।

"আমি বরং এটাকে অন্যভাবে দেখি। আমার বাগদত্তা এবং তার পরিবার আমাকে বিবেচনা করছে এমন এক মূল্যবান সম্পদ হিসেবে, যা তাদের ঘরে যাচ্ছে।"

কনের মূল্য নানাভাবে পরিশোধ করা যায়। নগদ অর্থে কিংবা উপহার দিয়ে, অথবা কোন কোন ক্ষেত্রে দুটি দিয়েই।

একবারেই এটি পরিশোধ করার কথা, তবে কিস্তিতে পরিশোধের ঘটনাও অস্বাভাবিক নয়।

এই সামাজিক প্রথার প্রচলন আছে থাইল্যাণ্ডে, চীনে এবং পাপুয়া নিউ গিনিতেও।

অ্যাঞ্জেলা তার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য মেনে চলেন, এই প্রথাটিকে তিনি তার অংশ বলেই মনে করেন।

"আফ্রিকানরা তাদের আফ্রিকান ঐতিহ্য নিয়ে গর্বিত। একটা সময় ছিল, যখন হয়তো আফ্রিকান পরিচয়টা

বড়াই করে বলার মতো কোন পরিচয় ছিল না। কিন্তু এখন আপনি দেখছেন,

সবাই কিভাবে আফ্রিকান সংস্কৃতিকে আলিঙ্গন করছে।"

অ্যাঞ্জেলার স্বামী জিওফ্রে নিজেও একজন গানাইয়ান বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ।

তিনি অ্যাঞ্জেলাকে বিয়ে করার জন্য যে অর্থ দিয়েছেন, সেটিকে দেখেন কনের পরিবারের প্রতি একধরণের সন্মানের প্রতীক হিসেবে।

"তবে এই মূল্য যদি এই প্রতীকী ব্যাপারটাকে ছাড়িয়ে যায়,

তখন আসলে এটি কনের জন্য মূল্য পরিশোধের মতো ব্যাপার বলে মনে হতে পারে", বলছেন তিনি।

`তুমি বিক্রির জন্য নও, কেউ তোমাকে কিনতে পারবে না`

আইনগত আনুষ্ঠানিকতার আগে জিওফ্রে এবং অ্যাঞ্জেলা গানার সামাজিক রীতি অনুসারেই তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান করেছিলেন।

এই অনুষ্ঠানের সময়েই জিওফ্রের পরিবারের পক্ষ থেকে `কনের মূল্য` বাবদ অর্থ এবং উপহার অ্যাঞ্জেলার পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হয়।

তবে এই দম্পতি সামাজিক রীতিটিকে একটু বদলে নিয়েছেন নিজেদের মতো করে।

"কনের মূল্য হিসেবে যা দেয়া হয়েছিল, তা আবার নববিবাহিত দম্পতি হিসেবে আমাদেরকেই উপহার দেয়া হয়।"

অ্যাঞ্জেলা বলেন, "আমার মা শুরু থেকেই এ বিষয়ে আমাকে পরিস্কার বলে দিয়েছেন,

সব সময় বলেছেন, তুমি বিক্রির জন্য নও, কেউ তোমাকে কিনতে পারবে না।"

কনের দাম কত হবে, তা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম। জিওফ্রে বলছেন,

তার বেলায় এটা খুব কমই ছিল, অংকটা ছিল কয়েকশোর ঘরে।

কিন্তু ডার্বি শহরের বাসিন্দা ব্লেসিং এবং চেলসীর বেলায় ব্যাপারটা ছিল একটু ভিন্ন।

ব্লেসিং এসেছেন জিম্বাবুয়ে থেকে। তিনি বলছেন, কনের দাম পরিশোধ করতে তাকে দ্বিতীয় একটি চাকুরি নিতে হয়েছিল।

কনের মূল্য হিসেবে যে অংক তাকে দিতে হয়েছিল, সেটি তার ভাষায়,

"একটা বাড়ি কেনার ব্যাংক ঋণের জন্য যে ডিপোজিট দিতে হয়, প্রায় তার কাছাকাছি।"

সনাতনী রীতিতে বিয়ে করতে শুরুতে চেলসী রাজী ছিলেন না। কারণ তার বাবা তখন মারা গেছেন।

"তখন আমি বলছিলাম.... এই অর্থ কে নেবে? কারণ এই অর্থ নেয়ার কথা আমার মা কিংবা বাবার।

আমার মনে হয়েছিল এই অর্থ নেয়টা ঠিক হবে না।"

কিন্তু ব্লেসিং রাজী করালেন তাকে। যদিও বিরাট অংকের অর্থ এই বাবদ খরচ হয়েছে, তারপরও ব্লেসিং মনে করেন, এর দরকার ছিল।

যদি এই অর্থ তিনি দিতে না পারতেন, তাহলে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে তার স্ত্রীর পরিবারের কাছে যেতেই পারতেন না।

এটি স্পষ্ট নয়, কনের জন্য দাম পরিশোধের এই প্রথাটি কবে থেকে আফ্রিকায় চালু হয়।

তবে অনেক দেশেই মূদ্রা চালুর আগে থেকেই এই প্রথা প্রচলিত।

বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এই প্রথাটি নানা ভাবে চালু আছে।

ইভলিন শিলার উগান্ডায় এই প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিলেন।

তার বিশ্বাস, গত তিন প্রজন্মে এই প্রথা অনেক বদলে গেছে।

"আজকের দিনে কথা ভাবুন, এখনকার উপহারগুলো কিরকম দামী।

এগুলোর আর্থিক মূল্য আছে, সেকারণেই এখন বিষয়টিকে `মূল্য` বলে দেখা হচ্ছে।"

২০১৫ সাল উগান্ডার সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে `কনের দাম` পরিশোধের ব্যাপারটি ঐচ্ছিক, বাধ্যতামূলক নয়।

কিন্তু কোন দম্পতির মধ্যে যদি বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তখন এই `মূল্য` ফেরত চাওয়া বে-আইনি।

ব্রিটেনে জন্ম নেয়া নাইজেরিয়ান পডকাস্টার টলি টি অবশ্য এই প্রথাটি নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন।

"আমার সন্তানের জন্য কেউ আমাকে অর্থ দিচ্ছে, ব্যাপারটা এরকম, যেন কেউ তার মালিকানা নিচ্ছে।"

"আমি একজন ভালো স্ত্রী হবো কীনা, তার সঙ্গে এর কী সম্পর্ক?"

"আমার মনে হয় না, আমরা যারা নতুন প্রজন্মের কৃষ্ণাঙ্গ বৃটিশ বা নাইজেরিয়ান ব্রিটিশ,

আমরা আর আমাদের নিজেদের সংস্কৃতির অংশ।"

"আমরা আমাদের কিছু অংশ নিচ্ছিল আফ্রিকান ঐতিহ্য থেকে, কিছু ব্রিটিশ ঐতিহ্য থেকে।"

"কাজেই আমরা একটা নতুন `সাবকালচার` তৈরি করেছি, যেখানে আমরা যে কোন কিছুর ব্যাপারে প্রশ্ন তুলি,

এবং যদি সেটি আমাদের কাছ অর্থপূর্ণ বলে মনে হয়, তখনই আমরা সেটিকে গ্রহণ করি", বলছেন তিনি।

পৃথিবীর সবচেয়ে গোল‍াকার প্রাণী
                                  

ডেস্ক রির্পোট : পৃথিবীতে অনেক প্রাণী রয়েছে, আর তাদের মধ্যে অনেক প্রাণিই গোলগাল।

সেগুলোকে আপনি গোলাকৃতির আদুরে বল মনে করলেও তাদের এই আকৃতি আসলে প্রকৃতিতে তাদের টিকে থাকতে সহায়তা করে।

প্রাণীজগতের সবচেয়ে গোলগাল কয়েকটি প্রাণীর তালিকা দেয়া হলো এখানে।

আমাদের তালিকার শুরেুতেই রয়েছে পাফার ফিশ পরিবার (টেট্রাওডোনটিডায়ে), যারা পটকা মাছ নামেও পরিচিত।

এই গোলাকার মাছ আত্মরক্ষার্থে বলের মত বৃত্তাকার আকার ধারণ করতে পারে।

নিজেদের ইলাস্টিকের মত পাকস্থলিতে প্রচুর পরিমাণ পানি প্রবেশ করিয়ে তারা এই আকৃতি ধারণ করতে পারে। এর ফলে তাদেরকে খুবই কম আকর্ষণীয় মনে হয়, সেসময় এই মাছের আকৃতি দেখে মনে হয় যে এটি খেতেও কঠিন।

বল আকৃতির এই মাছগুলো দেখতে ভাল লাগেও এটিকে ছোঁয়া একেবারেই উচিত নয়।

দুইশো`রও বেশি জাতের পটকা মাছের অধিকাংশের মধ্যেই টেট্রোডোটক্সিন নামের এক ধরনের বিষ রয়েছে, যা সায়ানাইডের চেয়ে ১২০০ গুণ বেশি বিষাক্ত।

স্প্যানিশ ভাষায় আরমাডিলো শব্দের অর্থ `বর্ম পরিহিত ছোট প্রাণী।`

পৃথিবীতে মোট ২১ ধরণের আরমাডিলো রয়েছে যাদের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষুদ্রটির নাম `গোলাপী পরী আরমাডিলো` (ক্ল্যামিফোরাস ট্রাঙ্ক্যাটাস), যার দৈর্ঘ্য ৯ থেকে ১২ সেন্টিমিটারের মধ্যে হয়।

আরমাডিলোরা দিনে ১৬ ঘন্টা পর্যন্ত ঘুমায়। এছাড়া প্রাণী হিসেবে তাদের যথেষ্ট ফ্যাশন সচেতনও বলতে পারেন। লাল, হলুদ, কালো, গোলাপী - এমন নানা রঙয়ের আরমাডিলো হয়ে থাকে।

যুক্তরাজ্যে পাওয়া যাওয়া সাধারণ প্যাঁচাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় আকৃতির প্যাঁচা হলো টওনি আওল বা পিঙ্গলবর্ণ প্যাঁচা।

এই প্যঁচাগুলোর নরম, গোলাকার মাথা থাকে যেটি তারা ২৭০ ডিগ্রি পর্যন্ত ঘোরাতে পারে।

প্রজননের সময় এই ধরণের পুরুষ প্যাঁচা শুরুতে স্ত্রী প্যাঁচাকে দীর্ঘ `হুউউ` ডাকে ডাক দেয়।

এরপর অপেক্ষাকৃত কম দীর্ঘ `হু` এবং সবশেশে `হুহুহোওওওও` ডাক দিয়ে শেষ করে।

জবাবে স্ত্রী প্যাঁচা `কী-উইক` ডাকে জবাব দেয়।

সিল সাধারণত একা থাকলেও প্রজননের মৌসুমে একত্রিত হয়।

এই বৃত্তাকার মাছ গড়ে প্রতি ঘন্টায় ১০ কিলোমিটার সাঁতার কাটতে পারে।

তবে কখনো কখনো তারা ঘন্টায় ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতেও সাঁতারাতে সক্ষম হয়।

এই ধরণের সিল সাধারণত ২৫ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে।

হেজহগ অনেকটা সজারুর মত দেখতে একটি প্রাণী, নিজেকে শিকারী প্রাণীদের হাত থেকে রক্ষা করতে এর পিঠে অনেকগুলো কাঁটার মত থাকে।

বৃত্তাকার হওয়ায় শরীরের কাঁটামুক্ত অংশগুলো রক্ষা করতে সুবিধা হয় এর জন্য।

ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকায় ১৫ ধরণের হেজহগ পাওয়া যায়, যার মধ্যে সবকটিই নিশাচর।

 

Haha, Kkkkkk,: অনলাইনে কথোপথনের ভাষায় ভিন্ন হাসি
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট ( অনলাইন সংস্করণ) : আপনি আর কী লিখতে পারেন: "হাহাহা" অথবা "ওই মাইগশ, এতোই হাসির যে আমি হাসি থামাতে পারছিনা!!!"

এটা ঠিক যে টেক্সট বা মেসেজ পাঠানোর সময় কেউই সময় কিম্বা ড্যাটা নষ্ট করতে চায় না।

একারণেই অনেক মানুষ এমন শব্দ ব্যবহার করে, যা দিয়ে কোন ধ্বনিকে প্রকাশ করা যায়। যেমন ধড়াস, ক্রিং ক্রিং, হৈ হৈ, ঠাস ঠাস অথবা দ্রুম দ্রাম ইত্যাদি।

হাসির শব্দ তো সার্বজনীন- সব ভাষাতে ও সব মানুষের মুখে এই হাসি একই রকমের। তাই কি? আসলে ঠিক তা নয়।

আমাদের সবার হাসির শব্দ হয়তো একই রকমের হতে পারে, কিন্তু সেই হাসি যখন আমরা শব্দে প্রকাশ করি বা বানান করে লিখি তখন সেটা একেক দেশে একেক ভাষায় একেক রকমের হয়।

১. Haha

অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুসারে হাসি প্রকাশের সঠিক বানান হচ্ছে ha ha অথবা Ha ha ha!

কিন্তু যখন কোন মেসেজ বা টেক্সট পাঠানো হয় তখন সেটা কতো দ্রুত, কতো সহজে ও কতোটা স্বতস্ফূর্তভাবে পাঠানো হচ্ছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ। সেকারণে আমরা সাধারণত hahaলিখে মেসেজ পাঠাই।

অনেকে আবার hehe... ও লিখে থাকেন। কিন্তু এটা এখনো অতোটা জনপ্রিয় হতে পারেনি।

২. Kkkkkk

আপনি যদি পর্তুগীজ কিম্বা কোরীয় ভাষাতে আপনার হাসি প্রকাশ করতে চান তাহলে লেখা হয় kkkkkk

পর্তুগীজ ভাষীরা, বিশেষ করে ব্রাজিলে, হাসির ধ্বনি সাধারণত ইংরেজি বর্ণমালা kদিয়ে প্রকাশ করে।

কিন্তু এই হাসিটাই যদি খুব বেশি জোরে হয় তাহলে কয়েকবার k ব্যবহার করে লেখা হয় kkkkkk - অনেকে আবার লেখেন rsrsrs যা পর্তুগীজ শব্দ রিসোসের (হাসি) সংক্ষিপ্ত রূপ।

পর্তুগীজ ভাষার সাথে কোরীয় ভাষার কিছু কিছু মিল আছে, তবে যদি মুখ টিপে হাসা বা চাপা হাসি প্রকাশ করতে হয় তারা লিখবেন ㅋㅋㅋㅋㅋㅋ.

k অথবা ㅋএই দুটোই মুখের গভীরে জিহ্বার একেবারে গোড়া থেকে উচ্চারণ করা হয়, যা হাসির ফলে যে শব্দ হয় তার কাছাকাছি হতে পারে।

মানুষ যতো ভাষায় কথা বলে তার প্রায় সবকটিতেই খুশির শব্দ এই বর্ণমালার কাছাকাছি ধ্বনির সাহায্যে প্রকাশ করা হয়।

৩. Xaxaxa

গ্রিসে কেউ যদি প্রাণ খুলে অনলাইনে হাসতে চান, তাহলে তিনি hahaha অথবা kkkkkk এই দুটোর কোনটাই না লিখে লিখবেন xaxaxa, কারণ সেখানে এই অক্ষরগুলো দিয়েই হাসিটাকে সঠিকভাবে প্রকাশ করা সম্ভব।

৪. Olololo

রাশিয়াতে কেউ যদি সিরিলিক বর্ণমালা ব্যবহার করে হাসি প্রকাশ করতে চান তাহলে তারাও লিখবেন хахаха.

কেউ কেউ আবার লিখে থাকেন Olololo।

৫. Kiekie

কেউ আবার যদি তার হাসি বান্টু ভাষা লিঙ্গালায় প্রকাশ করতে চায়, তাকে লিখতে হবে kiekie.

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ও তার প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে ৮০ লাখ মানুষ এই ভাষাতে কথা বলেন।

তাদের হাসি যদি এমন হয় যে তারা সেটা থামাতেই পারছেন না তাহলে তারা লিখবেন kiekiekie.

৬. Jajaja

অনুষ্ঠানিক স্প্যানিশ ভাষায় যদি হাসি প্রকাশ করতে হয় তাহলে লিখতে হবে "Ja, ja, ja" কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই লেখেন jajaja - অথবা jajajajaaaa. এটানির্ভরকরেতারহাসিরতীব্রতারওপর।

তবে একেক রকমের হাসির জন্যে ব্যবহার করা হয় একেক রকমের বর্ণমালা। যেমন দুষ্টু হাসির জন্যে je অথবা jejeje, নিঃশব্দ হাসির জন্য jijiji আর বিস্ময়কর হাসি বোঝাতে jojojo!

৭. mdr

ফরাসী ভাষাতেও হাসির ধ্বনি যখন বানান করে লিখে প্রকাশ করা হয় তখন hahahaলেখা হয়। কিন্তু ফরাসী ভাষীরা তার পরিবর্তে কখনো সখনোmdr ব্যবহার করেন।

কেন? কারণ এটা হচ্ছে mort de rire (হাসতে হাসতে মরে যাচ্ছি) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এছাড়াও এটি খুব দ্রুত টাইপ করা যায়।

৮. lwkmd

নাইজেরিয়াতে কিছু হাস্যকর সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়। শুধু সংক্ষিপ্ত হওয়ার কারণেই সেটা করা হয় না। এটা অনেক জোরালোও বটে।

lwkmd হচ্ছে laugh wan kill me die -এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যার অর্থ বিষয়টি এতোটাই হাসির যে হাসতে হাসতে আপনি মরেই যাচ্ছেন।

৯. 555555

আপনি যদি কখনো কোন থাই বন্ধুর কাছ থেকে মজার মেসেজ পান তাহলে দেখবেন যে সে আপনাকে ইংরেজি 5 নম্বরটি কয়েকবার লিখে পাঠিয়েছে। থাইল্যান্ডে হাসির আওয়াজ হচ্ছে 555555.

এই বর্ণমালা যে থাই ভাষা থেকে এসেছে সেটি `ক্রা-দাই` ফ্যামিলির। এতে দক্ষিণপূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ চীন এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রায় সাড়ে নয় কোটি মানুষ কথা বলে থাকেন।

কিন্তু আপনি যদি চীনে থাকেন, তাহলে সাবধান! সেখানে 5 এই নম্বরটি উচ্চারিত হয় "উ" শব্দের মতো যার সাথে আবার কান্নার আওয়াজের মিল আছে। ফলে সেখানে 555555 এর অর্থ হতে পারে গভীর কান্নাও।

১০. H

ল্যাটিন অক্ষরের পর সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় আরবী বর্ণমালা।

ইসলামের প্রসারের সাথে সাথে এই ভাষাটিও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে। আরো অনেক ভাষা লেখা হয় আরবী বর্ণমালা ব্যবহার করে।

এই বর্ণমালার একটি বৈশিষ্ট্য হলো যে এটি শুধু ব্যাঞ্জনবর্ণ ব্যবহার করে থাকে। ফলে তাদের ha তে aথাকে না।

ফলে হাসির ধ্বনি হচ্ছে: hhhhhh অথবা ههههه

১১. Www

জাপানি ভাষায় হাসির জন্যে শব্দ হচ্ছে ওয়ারাই অথবা 笑い

এখন এটা টাইপ করতে সময় লাগে। ফলে অনেকেই লেখেন www অথবা wwwww.

১২. Ha3

মালয়েশিয়াতে তারা এটিকে আরো সংক্ষিপ্ত করেছে, যা যোগ করেছে একেবারে ভিন্ন মাত্রা।

চাপা হাসি বোঝাতে লিখতে পারেন: Ha

আর হাসি যদি জোরে হয় তাহলে লিখবেন Ha3 (যার অর্থ hahaha = ha x 3 = ha3)

১৩. Ahahah

ভাববেন না যে এখানে টাইপ করতে গিয়ে ভুল হয়েছে। আমরা আসলেই লিখতে চেয়েছি ahahah.

ইটালিয়ান ভাষায় hঅক্ষরটি উচ্চারিত হয় না। তবে এটি অন্যান্য স্বরবর্ণের উচ্চারণ বদলে দিতে পারে।

এক্ষেত্রে a অক্ষরের পর h ব্যবহার কোন হাসির ব্যাপার নয়- ইটালিতেha এর অন্য একটি অর্থ আছে। তা থেকে আলাদা করতেই hএর আগে a ব্যবহার করা হয়।

১৪. høhøhø

নরওয়েতে হাসি বোঝানো হয় কীভাবে? বেশিরভাগ মানুষই লিখেন hahaha.

তবে কেউ কেউ তাদের নিজস্ব একটি প্রকাশভঙ্গির পক্ষে। høhøhø... ড্যানিশ ভাষা- hæhæhæ (যাhehehe এর কাছে) থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তারা এটা ব্যবহার করে থাকতে পারেন।

 

 

৩ মরদেহের সঙ্গে ব্রিটিশ যুবকের ঘনিষ্ঠতা, অতঃপর…!
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ব্রিটিশ যুবক কাসিম খুররাম। বয়স ২৩ বছর। উপার্জনের জন্য প্রায়ই চুরি করে সে। একদিন সে চুরি করতে ঢুকে পরে বার্মিংহামের একটি শ্মশানে। সেখানে সে দেখতে পায় একের পর এক মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। পরিকল্পনা ছিল চুরি করার। কিন্তু তার পরিবর্তে পরপর তিনটি মৃতদেহের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতায় জড়ায় সে।

কাসিম খুররামের বিকৃত যৌনতার কথা প্রকাশ পেতে বেশি সময় লাগেনি। খবর পৌঁছায় বার্মিংহামে প্রশাসনের কাছেও। গ্রেফতার করা হয় তাকে। আদালতের প্রশ্নের মুখে আর অভিযোগ অস্বীকার করতে পারেনি সে। পরিবর্তে নিজের কৃতকর্মের কথা স্বীকার করে নেয় কাসিম।

কাসিম জানায়, শ্মশানে চুরির উদ্দেশ্যে গিয়েছিল। ড্রাগের নেশায় ডুবে ছিল সেই সময়। নেশার ঘোরে শ্মশানে থাকা তিন মৃতদেহের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে মেতে ওঠে সে। উল্লেখ্য, অপরাধের ভিত্তিতে কাসিমকে ৬ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন বিচারক। আপাতত তাই কারাগারেই থাকতে হবে তাকে।

শিশুদের আইকিউ বাড়ানোর কয়েকটি সহজ উপায়
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আইকিউ অর্থাৎ বুদ্ধি তীক্ষ্ম না হলে এখন প্রতিযোগিতার দুনিয়ায় টেকা দায়। কিন্তু শিশুদের আইকিউ কীভাবে বাড়ানো যায়? খুব সহজ কিছু উপায় দেখিয়েছেন শিশু বিশেষজ্ঞ ক্যারেন কুইন।

সব বিষয়ে কথা বলুন...

আপনার সন্তানের সঙ্গে সম্ভব হলে সব বিষয়েই কথা বলবেন। এতে অল্প অল্প করে জ্ঞান তো বাড়বেই, পাশাপাশি ভাষায় দক্ষতাও বাড়বে। শিশু বেশি কথা বললেই ভালো। কথা বলায় নিরুৎসাহিত করা তাদের বিকাশের জন্য ক্ষতিকর।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু খুব কম কথা বলে, তাদের তুলনায় বেশি কথা বলতে অভ্যস্ত শিশুদের বুদ্ধি অন্তত ২৮ পয়েন্ট বেশি।

ভাবনা আর দেখার জগতটা বড় করুন

নানা ধরনের রং, বিভিন্ন আকৃতির বস্তু, নানা রকমের ফল এবং প্রাণী দেখাতে হবে শিশুদের। স্কুলে যদি সে ব্যবস্থা থাকে তাহলে তো কথাই নেই। তবে নিজেও এমন কিছু বই কিনে দিন, যা পড়ে বা যেসব বইয়ের ছবি দেখে শিশু এ সব সম্পর্কে জানতে পারে।

গুনতে শেখান

বাচ্চাদের খুব সহজেই গুনতে শেখানো যায়। এই যেমন যদি বলেন, “পাঁচ মিনিটের মধ্যে খাবার তৈরি হয়ে যাবে”– তাহলে কিন্তু শিশু ৫ সংখ্যাটার সঙ্গে পরিচিত হলো।

যদি বলেন, “তোমার তিনটা চকলেট আছে, আমার আছে দুটো” – তাহলে আপনি ওকে ২ আর ৩ শিখতে সহায়তা করলেন।

চকলেট যদি হাতে নিয়ে দেখান – তাহলে ওরা আরো উৎসাহ নিয়ে সংখ্যাগুলো শেখার সঙ্গে সঙ্গে গুণতেও শিখবে।

স্মৃতি পরীক্ষা

কোনো বই পড়া শেষ হলে আপনার সন্তানকে বইয়ের গল্পটা নিজের মতো করে বলতে বলুন। এভাবে শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়ানো যায়। স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর আরো সহজ উপায়ও আছে। টেবিলের ওপর কিছু ক্যান্ডি রেখে সন্তানকে দেখান। দেখা হয়ে গেলে ক্যান্ডিগুলো কাগজ বা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিন। তারপর ওকে বলুন টেবিলের ফাঁকা জায়গায় সমান সংখ্যক চকলেট ক্যান্ডির মতো সাজিয়ে রাখতে৷ এভাবেও শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়ানো যায়।

খেলনা

পাজল, লেগো কাঠের তৈরি নানা ধরণের ব্লক – এসব বাচ্চাদের জন্য স্রেফ খেলনা হলেও, ওদের বুদ্ধাঙ্ক বা আইকিউ বৃদ্ধিতে খুব ভালো ভূমিকা রাখে।

সমস্যার সমাধান

নিজের কাপড় নিজেকেই পরতে দিন। খুব বেশি সময় লাগছে? বিরক্ত হবেন না। ওকে সময় দিন, ওর মতো করে কম সময়ে কাজটা শেষ করার সুযোগ দিন। ধীরে ধীরে ও সমস্যাটার একটা সমাধান ঠিকই বের করবে। এভাবে রাতের খাবারে কী কী খাওয়া যায়, ও কোথায় বেড়াতে যেতে চায় – এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগও দিন বাচ্চাদের। এর ফলে ওদের চিন্তা করা এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বাড়বে।

সৃষ্টিশীল কাজ

বাসায় ছবি আঁকার কাগজ, রং, তুলি, কাঁচি, আঠা, ব্রাশ – এসব রাখতে ভুলবেন না। এ ধরনের জিনিস নিয়ে খেলতে খেলতেও অনেক শিশু সৃষ্টিশীল কাজে আগ্রহী হয়ে ওঠে। পরবর্তী জীবনে এই আগ্রহটাই হয়ত ওকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

একাধিক অদ্ভূত শয্যাসঙ্গীর কথা জানালেন এই তরুণী!
                                  

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাজ্যের এই তরুণীর নাম অ্যামেথিস্ট রেলম। তার দাবি, তিনি ২০টি প্রেতাত্মার শয্যাসঙ্গিনী হয়েছেন। অশরীরীদের সঙ্গে শরীরী মিলন সম্ভব কি না, সে নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে। কিন্তু তার নিজের বক্তব্যে অনড় এই তরুণী। খবর নিউজ মেইলের।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২৭ বছর বয়সি অ্যামেথিস্ট পেশায় স্পিরিচুয়াল গাইডেন্স কাউন্সেলর। পেশাগত কারণেই ভৌতিক জগতের সঙ্গে তার নাকি ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ। ১২ বছর আগে তার তৎকালীন প্রেমিক এক নতুন বাড়িতে গিয়ে ওঠেন। সেখানে তিনি প্রথম অশরীরীর অস্তিত্ব টের পান।

প্রথমে তা ছিল একান্তভাবেই আবছায়া অনুভূতি। কোনও অদৃশ্য শক্তির উপস্থিতি তিনি টের পেতেন। কিন্তু ক্রমে তা শরীরী হয়ে ওঠে। তিনি তার উরুর উপরে চাপ অনুভব করতেন, সেই সঙ্গে ঘাড়ের কাছে কারোর নিঃশ্বাস পড়ছে টের পেতেন।
ক্রমে সেই অশরীরীর সঙ্গে তার শরীরী সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অ্যামেথিস্টের ভাষায়, অবর্ণনীয় আনন্দ সেই মিলনে। তিন বছর সেই সম্পর্ক টিকেছিল। কিন্তু তার প্রেমিক একদিন তাকে ভূতের সঙ্গে মিলিত অবস্থায় দেখে ফেলেন। তারপর সেই ভূত আর ফিরে আসেনি।

মানুষ প্রেমিকের সঙ্গ থেকে বেরিয়ে আসেন অ্যামেথিস্ট। একের পর এক প্রেতাত্মার সঙ্গে চলতে থাকে তার প্রেম। সেই সব শরীরী ভৌতিক প্রেম তাকে অন্য এক জগতের সন্ধান দিয়েছে বলেই তিনি মনে করেন।

একে একে ২০টি প্রেতাত্মার শয্যাসঙ্গিনী হয়েছেন তিনি। অ্যামেথিস্ট আরও জানান, কোনও ভূতের মাধ্যমেই গর্ভবতী হতে চান তিনি।

অ্যামেথিস্টের দাবির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু তাতে অ্যামেথিস্টের কিছু যায় বা আসে বলে মনে হয় না। তিনি ভৌতিক প্রেমিকদের নিয়ে সুখেই আছেন বলে জানান।

রহস্যময় ‘ফিংগালস কেভ’
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : স্কটল্যান্ডের অদূরে উত্তাল সমুদ্রে স্টাফা দ্বীপপুঞ্জে ‘ফিংগাল’স কেভ’র অবস্থান। কেউ বাস করে না সেই দ্বীপে। নাবিকেরা তাকে দেখছে হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে। এক সময় ‘সমুদ্র নেকড়ে’ ভাইকিংরা এই দ্বীপের নাম রেখেছিল ‘ফিংগাল’স কেভ’।

প্রকৃতির আশ্চর্য খেয়ালের কারণে ‘ফিংগাল’স কেভ’-এর ভেতরে তৈরি হয়েছে অসংখ্য খিলান। এ ব্যাপারে ভূতত্ত্ববিদরা মনে করেন, আজ থেকে প্রায় ছয় কোটি বছর আগে লাভা থেকে এই গুহার সৃষ্টি। এর গলিত পাথর খড়িমাটির ওপর দিয়ে যাওয়ায় গুহাটি এই বিশেষ আকৃতি পায়।

অন্যদিকে, আয়ারল্যান্ডের ‘জায়ান্ট’স কজওয়ে’ নামের অপর স্থানের সঙ্গেও এর আশ্চর্য রকমের মিল রয়েছে। যদিও ভূতত্ত্ববিদদের মতে, এদের মধ্যে মিল নাকি আপতিক নয়। তবে তাদের ধারণা, এই দুই প্রাকৃতিক বিস্ময়ের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে। তারা মনে করেন, একই লাভাস্রোত থেকে এই দুই গুহার সৃষ্টি হয়। এমনকি দু`টি গুহার সঙ্গে সংযোগ ছিল বলেও উপকথা রয়েছে। পরে নাকি সেই সেতু ধ্বংস হয়ে যায়।

হলুদ রঙের কোনো পোশাক পরা যাবে না যে দেশে!
                                  


অনলাইন ডেস্ক : মালয়েশিয়ায় হলুদ রঙের কোনও পোশাক একেবারেই পরা যাবে না। কারণ, হলুদ রংকে সে দেশে প্রতিবাদের প্রতীকী রং বলে মনে করা হয়। আসলে সে দেশের একটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হিসাবেই এই আইন করে মালয়েশিয়ায় ক্ষমতায় থাকা সরকার। এমনই আরও অনেক অদ্ভত আইন চালু রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। আসুন তার কয়েকটি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক...

১। আপনার আদরের পোষ্যটিকে ইচ্ছে মতো বিচিত্র পোশাকে সাজাবেন ভাবলেই সাজানো যাবে না। কারণ, আপনার এই ইচ্ছা পশু নির্যাতনের সামিল! তাই আপনার মোটা অঙ্কের জরিমানা হতে পারে! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমায় এমন বিচিত্র নিয়ম মানতে হয় সেখানকার বাসিন্দাদের।

২। আপনার কি সবচেয়ে পছন্দের ‘টাইম পাস’ ভিডিও গেম খেলা? আপনি কি সুযোগ পেলেই ভিডিও গেম খেলতে ব্যস্ত হয়ে যান? তাহলে গ্রিসে বেড়াতে গেলে বিপদে পড়তে পারেন। কারণ, গ্রিসে ভিডিও গেম খেলা নিষিদ্ধ। ভাবছেন, হোটেলের ঘরে লুকিয়ে খেলবেন! তাহলে শুনুন, রাস্তা-ঘাটে তো দূরের কথা, সে দেশে ঘরে কম্পিউটারেও ভিডিও গেম খেলা যাবে না। আসলে ‘বেআইনি জুয়া’ বন্ধ করতেই ২০০২ সালে এমন আইন করে গ্রিস সরকার। কারণ, একটা সময় বিভিন্ন ভিডিও গেমের আড়ালেই ‘বেআইনি জুয়া’র কারবার রমরমিয়ে বাড়ছিল সে দেশে।
৩। সন্তানকে নিজের পছন্দের নামে ডাকতে পারেন না ডেনমার্কবাসীরা। শুধু তাই নয়, শিশুর জন্মের পর সে দেশের সরকারের তৈরি ২৪ হাজার নামের একটি তালিকা থেকেই বেছে নিতে হয় সন্তানের নাম। সন্তানের নাম নিজের পছন্দ মতো রাখতে চাইলে তার জন্য বিশেষ ভাবে আবেদন করতে হয় সে দেশের নাগরিকদের। তাতে সরকারের সম্মতি মিললে তবেই সন্তানের নাম নিজের পছন্দ মতো রাখতে পারেন তাঁরা।

৪। সিঙ্গাপুরে গিয়ে ভুলেও চিউইংগাম খাবেন না। ধরা পড়লে জরিমানা করা হতে পারে! কারণ, সিঙ্গাপুরে চিউইংগাম নিসিদ্ধ। এক যদি আপনি প্রমাণ করতে পারেন যে আপনার চিউইংগামটি স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী বা ভেষজ গুণে ভরপুর, সে ক্ষেত্রে অনুমতি মিলতেও পারে!

৫। অনেকেই সকালে উঠে জগিং করেন শরীর-স্বাস্থ্য তরতাজা রাখার জন্য। তবে পূর্ব আফ্রিকার বুরুন্ডিতে গিয়ে জগিং করলে জেলে যেতে হতে পারে আপনাকে। স্থানীয় উপজাতিদের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করতে বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট পিয়ের এনকুরুনজিজা সে দেশে জগিং নিষিদ্ধ করেন। কারণ, এখানে জগিং করাকে যুদ্ধের মহড়া বলেই মনে করা হয়।

৬। অনেকেই ঘর সাজানোর জন্য বা ভালোবাসেন বলে ছোট কাচের পাত্রে গোল্ড ফিস রাখেন। গোল্ড ফিস রাখুন, ক্ষতি নেই। তবে পাত্রে যদি একা একটি গোল্ড ফিস রাখেন তা হলে প্রাণী নির্যাতনের অপরাধে আপনার থেকে মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হতে পারে! এমনই অদ্ভুত আইন রয়েছে রোমে। সে দেশের আইন অনুযায়ী, গোল্ড ফিস সমাজবদ্ধ প্রাণী। সুতরাং, পাত্রে একা একটি গোল্ড ফিস রাখা, সেটিকে বন্দি করে কষ্ট দেওয়ারই সামিল। তাই এই কড়া আইন।

পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে ডাইনোসর!
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : তাহলে ফিরিয়ে আনা যাবে সেই দৈত্যাকার ডাইনোসরদের? ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে ‘জুরাসিক পার্ক’-এর সেই দিনগুলো? পৃথিবীতে ফের দাপিয়ে বেড়াবে সেই ভয়ঙ্কর মাংসাশী টিরানোসরারা?

সেই সম্ভাবনা বা আশঙ্কা দেখা দিয়েছে হালের দু’-একটি আবিষ্কারে। জুরাসিক যুগের একটি গাছের কোটরে থাকা হলদেটে-বাদামি রঙের অ্যাম্বারের মধ্যে মিলেছে মশার জীবাশ্ম (ফসিল)। যার মধ্যে পাওয়া গেছে প্রাণ-সৃষ্টির প্রধান বীজ ডিএনএ। শুধু তাই নয়, ডাইনোসরের জীবাশ্মে অন্যত্র হদিস মিলেছে রক্তনালী ও কোলাজেন নামে বিশেষ এক ধরনের প্রোটিনের। ফলে সেই সব থেকে কোটি কোটি বছর আগে অবলুপ্ত হয়ে যাওয়া ডাইনোসরদের ফিরিয়ে আনা যাবে কি না, সেই কৌতূহলেরও জন্ম হয়েছে।

একেবারেই তা অসম্ভব, বিজ্ঞানীরা কিন্তু সে কথা বলছেন না। ‘আজগুবি’ বলে উড়িয়েও দিচ্ছেন না সেই সম্ভাবনা বা আশঙ্কা। কারণ বিবর্তনের নিয়মেই ডাইনোসররা হারিয়ে গেছে। তার পর বিবর্তনের প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়েই উন্নততর প্রাণের জন্ম ও বিকাশ হয়েছে পৃথিবীতে। তবে সেই বিবর্তনের রথের চাকার কোনও নির্দিষ্ট দিক নেই। এমন বলা যায় না তা শুধু ডাইনোসর যুগ থেকে মানবসভ্যতার দিকে বা তার চেয়ে উন্নততর কোনও প্রাণীর দিকে এগিয়ে চলেছে।

ব্রিটেনের নর্দাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনতত্ত্ববিদ জামাল নাসিরের কথায়, ‘অসম্ভব নয়। কারণ বিবর্তন প্রক্রিয়ার কোনও সুনির্দিষ্ট দিক নেই। এমন নয় যে তা শুধুই সামনের দিকে এগিয়ে যায়। বলা যায় না, তা শুধু পূর্ব থেকে পশ্চিম বা উত্তর থেকে দক্ষিণে গড়িয়ে চলেছে। কোন দিকে যাবে বিবর্তনের রথের চাকা, তা আগে থেকে ঠিক করা থাকে না। তার গতিপথ একেবারেই পরিকল্পিত নয়। বরং তা ভীষণ পাগলাটে। তাই জীবাশ্ম থেকে ডাইনোসরদের একেবারেই ফিরিয়ে আনা যাবে না, এটা মনে করি না। সেই সম্ভাবনাটা কমও নয়।’

নাসির এও জানিয়েছেন, সেই ডাইনোসরদের ফিরে আসার জন্য যথাযথ পরিবেশেরও প্রয়োজন। আমাদের জিনোমে আচমকা একটা বড়সড় রদবদল ঘটে গেলেই সেটা সম্ভব হয়ে যেতে পারে।

নাসিরের ওই বক্তব্য অবশ্য মানতে রাজি নন লন্ডনের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের ভার্টিব্রেট প্যালিয়েন্টোলজিস্ট সুসি মেডমেন্ট। তিনি বলেছেন, ‘ঠিকই অ্যাম্বারের মধ্যে ডাইনোসর যুগের মশার জীবাশ্ম মিলেছে। কিন্তু সেখানে মশার জীবন্ত কলার সন্ধান মেলেনি। ফলে সেখানে রক্ত জমাট বেঁধে রয়েছে, দেখা যায়নি। তাই সেখান থেকে ডাইনোসরদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।’

তবে অন্যত্র ডাইনোসরের জীবাশ্মে রক্তনালী ও কোলাজেন প্রোটিন মিলেছে। কিন্তু সেখানেও ডাইনোসরদের আদত ডিএনএ পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞানীদের একাংশের বক্তব্য, কোলাজেন তুলনায় বেশি দিন অবিকৃত থাকতে পারলেও। ডিএনএ’র পক্ষে তা সম্ভব নয়। কিছু দিনের মধ্যেই ডিএনএ পানি আর সূর্যালোকে একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়।

সুসি বলছেন, ‘এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণীর যে প্রাচীনতম ডিএনএ-র হদিস মিলেছে, তার বয়স ১০ লাখ বছর। আর ডাইনোসররা অবলুপ্ত হয়ে গেছে ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগে। ডাইনোসরদের ফিরিয়ে আনতে গেলে ততটা প্রাচীন ডিএনএ-র হদিস পেতে আমাদের। তাহলে হয়তো ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বহু বহু কোটি বছর আগে হারিয়ে যাওয়া ডাইনোসরদের।’

সূত্র: আনন্দবাজার


   Page 1 of 34
     পাঁচমিশালি
নড়াইলে কলা রেখে খোসা বিক্রি !
.............................................................................................
বিশ্বের বৃহত্তম বসতবাড়ি, থাকেন ১০ হাজার মানুষ
.............................................................................................
গুগল ম্যাপ দেখে ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত পাড়ি দিতে হাজির প্রেমিক!
.............................................................................................
২০ বছরে সাপের কামড়ে ১২ লাখ মানুষের মৃত্যু
.............................................................................................
বিশ্বের প্রথম সোনায় মোড়া হোটেল!
.............................................................................................
চুরি করতে গিয়ে পেল মদ, আনন্দে ফ্লাটে ৩ দিন পার
.............................................................................................
পাঁচ টাকায় মুরগির ভুনা খিচুড়ি
.............................................................................................
বিয়ের কনের ক্রয়মূল্য
.............................................................................................
পৃথিবীর সবচেয়ে গোল‍াকার প্রাণী
.............................................................................................
Haha, Kkkkkk,: অনলাইনে কথোপথনের ভাষায় ভিন্ন হাসি
.............................................................................................
৩ মরদেহের সঙ্গে ব্রিটিশ যুবকের ঘনিষ্ঠতা, অতঃপর…!
.............................................................................................
শিশুদের আইকিউ বাড়ানোর কয়েকটি সহজ উপায়
.............................................................................................
একাধিক অদ্ভূত শয্যাসঙ্গীর কথা জানালেন এই তরুণী!
.............................................................................................
রহস্যময় ‘ফিংগালস কেভ’
.............................................................................................
হলুদ রঙের কোনো পোশাক পরা যাবে না যে দেশে!
.............................................................................................
পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে ডাইনোসর!
.............................................................................................
সুন্দরী মেয়েরা হৃদযন্ত্রের ক্ষতির কারণ, বলছে গবেষণা
.............................................................................................
যৌবন ধরে রাখে যেসব খাবার
.............................................................................................
চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় এই নারীর মল!
.............................................................................................
শিশুর পায়ে কিডনি!
.............................................................................................
গলায় জোঁকের বাসা! (ভিডিও)
.............................................................................................
নখের উপরেই সন্তানের জন্ম!
.............................................................................................
মারা গেলেন রাশিয়ার সবচেয়ে বয়স্ক নারী
.............................................................................................
বিশ্বের সবচেয়ে সুখী-অসুখী দেশ
.............................................................................................
এক টাকায় সিঙাড়া!
.............................................................................................
জড়িয়ে ধরাই যে নারীর পেশা, মাসে আয় লক্ষাধিক!
.............................................................................................
২০১৯ এর ক্যালেন্ডার একদমই ১৮৯৫ এর মতো!
.............................................................................................
এই লিপ আর্টের দাম সাড়ে চার কোটি টাকা!
.............................................................................................
মৃতদের সঙ্গে যৌনমিলন করেন যে হিন্দু সাধুরা
.............................................................................................
৩৩ বছর ধরে শুধু চা খেয়ে বেঁচে আছেন এই নারী!
.............................................................................................
সেক্স টয়ে আগ্রহী যে চার শহরের মানুষ
.............................................................................................
যে দেশে স্ত্রীর জন্মদিন ভুললেই ডিভোর্স!
.............................................................................................
আইসক্রিমের দাম ৭০ হাজার টাকা!
.............................................................................................
মৃত্যু পর্যন্ত তিনি খেতেই থাকবেন!
.............................................................................................
স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে মন্দিরে বিয়ে করলেন দুই নারী!
.............................................................................................
স্বেচ্ছায় বিষধর সাপের ২০০ ছোবল খেলেন যিনি
.............................................................................................
প্রেতাত্মার সঙ্গে প্রেম ও বিয়ে, অতঃপর ডিভোর্স
.............................................................................................
পৃথিবীতে মুরগির সংখ্যা কত?
.............................................................................................
খাঁটি নীলা চেনার উপায়
.............................................................................................
৩০০ কেজি মেদ ঝরিয়ে কেমন আছে পৃথিবীর সবচেয়ে মোটা পুরুষ?
.............................................................................................
বিশ্বের সবচেয়ে বড় জিহ্বা!
.............................................................................................
এইচআইভি পজিটিভ হওয়ার অপরাধে চাকরি থেকে বরখাস্ত
.............................................................................................
ওরাংওটাংকে বছরের পর বছর শিকল বেঁধে ধর্ষণ!
.............................................................................................
৯০ বছর পরে খোঁজ মিলল অন্য এক `টাইটানিক`র!
.............................................................................................
লড়াই করল কুকুর, ধর্ষণ থেকে বাঁচলেন নারী!
.............................................................................................
হোয়াইট হাউসের ব্রিফ্রিং রুমে টার্কি!
.............................................................................................
নিজের মেয়েকে `নববধূ` সাজিয়ে ফেসবুকে নিলাম
.............................................................................................
পোশাক ছাড়াই শপিংমল ঘুরে বেড়ালেন তরুণী!
.............................................................................................
ভ্যাম্পায়ার তরুণী
.............................................................................................
কুকুরের লাস্যময়ী তরুণীর সঙ্গ পছন্দ
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD