| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > বিয়ের কনের ক্রয়মূল্য   > ল্যান্স নায়েক পদে পদোন্নতি পেলেন আরচার রোমান সানা   > পাকিস্তানে বিস্ফোরণে ধসে মৃত্যু ১১   > সালমানের সিনেমার এক দৃশ্যের খরচ সাড়ে ৭ কোটি রুপি   > শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ হতে হবে : ঢাবি উপাচার্য   > ভারতে `বেইমান`দের গুলি করে মারার স্লোগান দিলেন বিজেপি মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর   > সরকার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার অব্যাহত রাখবে : প্রধানমন্ত্রী   > ধর্মান্তরিত ১২ সদস্যের পরিবারটিকে ভারতে ফেরত পাঠানোর নেপথ্যে   > আবদুল্লাহর পদত্যাগ, কাতারের নতুন প্রধানমন্ত্রী খালিদ   > সোলেইমানি হত্যার নীল নকশাকারী বিমান দুর্ঘটনায় নিহত  

   পাঁচমিশালি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বিয়ের কনের ক্রয়মূল্য

ডেস্ক রিপোর্ট :সাব-সাহারান আফ্রিকা জুড়ে একটি প্রথা প্রচলিত আছে যে

বিয়ে করার জন্য কনের মূল্য বাবদ বড় অংকের অর্থ পরিশোধ করতে হয় বরপক্ষকে।

কিন্তু গানাইয়ান বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ তরুণী অ্যাঞ্জেলা এটিকে `কনের ক্রয়মূল্য` হিসেবে দেখতে রাজী নন।

"আমি বরং এটাকে অন্যভাবে দেখি। আমার বাগদত্তা এবং তার পরিবার আমাকে বিবেচনা করছে এমন এক মূল্যবান সম্পদ হিসেবে, যা তাদের ঘরে যাচ্ছে।"

কনের মূল্য নানাভাবে পরিশোধ করা যায়। নগদ অর্থে কিংবা উপহার দিয়ে, অথবা কোন কোন ক্ষেত্রে দুটি দিয়েই।

একবারেই এটি পরিশোধ করার কথা, তবে কিস্তিতে পরিশোধের ঘটনাও অস্বাভাবিক নয়।

এই সামাজিক প্রথার প্রচলন আছে থাইল্যাণ্ডে, চীনে এবং পাপুয়া নিউ গিনিতেও।

অ্যাঞ্জেলা তার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য মেনে চলেন, এই প্রথাটিকে তিনি তার অংশ বলেই মনে করেন।

"আফ্রিকানরা তাদের আফ্রিকান ঐতিহ্য নিয়ে গর্বিত। একটা সময় ছিল, যখন হয়তো আফ্রিকান পরিচয়টা

বড়াই করে বলার মতো কোন পরিচয় ছিল না। কিন্তু এখন আপনি দেখছেন,

সবাই কিভাবে আফ্রিকান সংস্কৃতিকে আলিঙ্গন করছে।"

অ্যাঞ্জেলার স্বামী জিওফ্রে নিজেও একজন গানাইয়ান বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ।

তিনি অ্যাঞ্জেলাকে বিয়ে করার জন্য যে অর্থ দিয়েছেন, সেটিকে দেখেন কনের পরিবারের প্রতি একধরণের সন্মানের প্রতীক হিসেবে।

"তবে এই মূল্য যদি এই প্রতীকী ব্যাপারটাকে ছাড়িয়ে যায়,

তখন আসলে এটি কনের জন্য মূল্য পরিশোধের মতো ব্যাপার বলে মনে হতে পারে", বলছেন তিনি।

`তুমি বিক্রির জন্য নও, কেউ তোমাকে কিনতে পারবে না`

আইনগত আনুষ্ঠানিকতার আগে জিওফ্রে এবং অ্যাঞ্জেলা গানার সামাজিক রীতি অনুসারেই তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান করেছিলেন।

এই অনুষ্ঠানের সময়েই জিওফ্রের পরিবারের পক্ষ থেকে `কনের মূল্য` বাবদ অর্থ এবং উপহার অ্যাঞ্জেলার পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হয়।

তবে এই দম্পতি সামাজিক রীতিটিকে একটু বদলে নিয়েছেন নিজেদের মতো করে।

"কনের মূল্য হিসেবে যা দেয়া হয়েছিল, তা আবার নববিবাহিত দম্পতি হিসেবে আমাদেরকেই উপহার দেয়া হয়।"

অ্যাঞ্জেলা বলেন, "আমার মা শুরু থেকেই এ বিষয়ে আমাকে পরিস্কার বলে দিয়েছেন,

সব সময় বলেছেন, তুমি বিক্রির জন্য নও, কেউ তোমাকে কিনতে পারবে না।"

কনের দাম কত হবে, তা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম। জিওফ্রে বলছেন,

তার বেলায় এটা খুব কমই ছিল, অংকটা ছিল কয়েকশোর ঘরে।

কিন্তু ডার্বি শহরের বাসিন্দা ব্লেসিং এবং চেলসীর বেলায় ব্যাপারটা ছিল একটু ভিন্ন।

ব্লেসিং এসেছেন জিম্বাবুয়ে থেকে। তিনি বলছেন, কনের দাম পরিশোধ করতে তাকে দ্বিতীয় একটি চাকুরি নিতে হয়েছিল।

কনের মূল্য হিসেবে যে অংক তাকে দিতে হয়েছিল, সেটি তার ভাষায়,

"একটা বাড়ি কেনার ব্যাংক ঋণের জন্য যে ডিপোজিট দিতে হয়, প্রায় তার কাছাকাছি।"

সনাতনী রীতিতে বিয়ে করতে শুরুতে চেলসী রাজী ছিলেন না। কারণ তার বাবা তখন মারা গেছেন।

"তখন আমি বলছিলাম.... এই অর্থ কে নেবে? কারণ এই অর্থ নেয়ার কথা আমার মা কিংবা বাবার।

আমার মনে হয়েছিল এই অর্থ নেয়টা ঠিক হবে না।"

কিন্তু ব্লেসিং রাজী করালেন তাকে। যদিও বিরাট অংকের অর্থ এই বাবদ খরচ হয়েছে, তারপরও ব্লেসিং মনে করেন, এর দরকার ছিল।

যদি এই অর্থ তিনি দিতে না পারতেন, তাহলে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে তার স্ত্রীর পরিবারের কাছে যেতেই পারতেন না।

এটি স্পষ্ট নয়, কনের জন্য দাম পরিশোধের এই প্রথাটি কবে থেকে আফ্রিকায় চালু হয়।

তবে অনেক দেশেই মূদ্রা চালুর আগে থেকেই এই প্রথা প্রচলিত।

বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এই প্রথাটি নানা ভাবে চালু আছে।

ইভলিন শিলার উগান্ডায় এই প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিলেন।

তার বিশ্বাস, গত তিন প্রজন্মে এই প্রথা অনেক বদলে গেছে।

"আজকের দিনে কথা ভাবুন, এখনকার উপহারগুলো কিরকম দামী।

এগুলোর আর্থিক মূল্য আছে, সেকারণেই এখন বিষয়টিকে `মূল্য` বলে দেখা হচ্ছে।"

২০১৫ সাল উগান্ডার সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে `কনের দাম` পরিশোধের ব্যাপারটি ঐচ্ছিক, বাধ্যতামূলক নয়।

কিন্তু কোন দম্পতির মধ্যে যদি বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তখন এই `মূল্য` ফেরত চাওয়া বে-আইনি।

ব্রিটেনে জন্ম নেয়া নাইজেরিয়ান পডকাস্টার টলি টি অবশ্য এই প্রথাটি নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন।

"আমার সন্তানের জন্য কেউ আমাকে অর্থ দিচ্ছে, ব্যাপারটা এরকম, যেন কেউ তার মালিকানা নিচ্ছে।"

"আমি একজন ভালো স্ত্রী হবো কীনা, তার সঙ্গে এর কী সম্পর্ক?"

"আমার মনে হয় না, আমরা যারা নতুন প্রজন্মের কৃষ্ণাঙ্গ বৃটিশ বা নাইজেরিয়ান ব্রিটিশ,

আমরা আর আমাদের নিজেদের সংস্কৃতির অংশ।"

"আমরা আমাদের কিছু অংশ নিচ্ছিল আফ্রিকান ঐতিহ্য থেকে, কিছু ব্রিটিশ ঐতিহ্য থেকে।"

"কাজেই আমরা একটা নতুন `সাবকালচার` তৈরি করেছি, যেখানে আমরা যে কোন কিছুর ব্যাপারে প্রশ্ন তুলি,

এবং যদি সেটি আমাদের কাছ অর্থপূর্ণ বলে মনে হয়, তখনই আমরা সেটিকে গ্রহণ করি", বলছেন তিনি।

বিয়ের কনের ক্রয়মূল্য
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :সাব-সাহারান আফ্রিকা জুড়ে একটি প্রথা প্রচলিত আছে যে

বিয়ে করার জন্য কনের মূল্য বাবদ বড় অংকের অর্থ পরিশোধ করতে হয় বরপক্ষকে।

কিন্তু গানাইয়ান বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ তরুণী অ্যাঞ্জেলা এটিকে `কনের ক্রয়মূল্য` হিসেবে দেখতে রাজী নন।

"আমি বরং এটাকে অন্যভাবে দেখি। আমার বাগদত্তা এবং তার পরিবার আমাকে বিবেচনা করছে এমন এক মূল্যবান সম্পদ হিসেবে, যা তাদের ঘরে যাচ্ছে।"

কনের মূল্য নানাভাবে পরিশোধ করা যায়। নগদ অর্থে কিংবা উপহার দিয়ে, অথবা কোন কোন ক্ষেত্রে দুটি দিয়েই।

একবারেই এটি পরিশোধ করার কথা, তবে কিস্তিতে পরিশোধের ঘটনাও অস্বাভাবিক নয়।

এই সামাজিক প্রথার প্রচলন আছে থাইল্যাণ্ডে, চীনে এবং পাপুয়া নিউ গিনিতেও।

অ্যাঞ্জেলা তার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য মেনে চলেন, এই প্রথাটিকে তিনি তার অংশ বলেই মনে করেন।

"আফ্রিকানরা তাদের আফ্রিকান ঐতিহ্য নিয়ে গর্বিত। একটা সময় ছিল, যখন হয়তো আফ্রিকান পরিচয়টা

বড়াই করে বলার মতো কোন পরিচয় ছিল না। কিন্তু এখন আপনি দেখছেন,

সবাই কিভাবে আফ্রিকান সংস্কৃতিকে আলিঙ্গন করছে।"

অ্যাঞ্জেলার স্বামী জিওফ্রে নিজেও একজন গানাইয়ান বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ।

তিনি অ্যাঞ্জেলাকে বিয়ে করার জন্য যে অর্থ দিয়েছেন, সেটিকে দেখেন কনের পরিবারের প্রতি একধরণের সন্মানের প্রতীক হিসেবে।

"তবে এই মূল্য যদি এই প্রতীকী ব্যাপারটাকে ছাড়িয়ে যায়,

তখন আসলে এটি কনের জন্য মূল্য পরিশোধের মতো ব্যাপার বলে মনে হতে পারে", বলছেন তিনি।

`তুমি বিক্রির জন্য নও, কেউ তোমাকে কিনতে পারবে না`

আইনগত আনুষ্ঠানিকতার আগে জিওফ্রে এবং অ্যাঞ্জেলা গানার সামাজিক রীতি অনুসারেই তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান করেছিলেন।

এই অনুষ্ঠানের সময়েই জিওফ্রের পরিবারের পক্ষ থেকে `কনের মূল্য` বাবদ অর্থ এবং উপহার অ্যাঞ্জেলার পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হয়।

তবে এই দম্পতি সামাজিক রীতিটিকে একটু বদলে নিয়েছেন নিজেদের মতো করে।

"কনের মূল্য হিসেবে যা দেয়া হয়েছিল, তা আবার নববিবাহিত দম্পতি হিসেবে আমাদেরকেই উপহার দেয়া হয়।"

অ্যাঞ্জেলা বলেন, "আমার মা শুরু থেকেই এ বিষয়ে আমাকে পরিস্কার বলে দিয়েছেন,

সব সময় বলেছেন, তুমি বিক্রির জন্য নও, কেউ তোমাকে কিনতে পারবে না।"

কনের দাম কত হবে, তা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম। জিওফ্রে বলছেন,

তার বেলায় এটা খুব কমই ছিল, অংকটা ছিল কয়েকশোর ঘরে।

কিন্তু ডার্বি শহরের বাসিন্দা ব্লেসিং এবং চেলসীর বেলায় ব্যাপারটা ছিল একটু ভিন্ন।

ব্লেসিং এসেছেন জিম্বাবুয়ে থেকে। তিনি বলছেন, কনের দাম পরিশোধ করতে তাকে দ্বিতীয় একটি চাকুরি নিতে হয়েছিল।

কনের মূল্য হিসেবে যে অংক তাকে দিতে হয়েছিল, সেটি তার ভাষায়,

"একটা বাড়ি কেনার ব্যাংক ঋণের জন্য যে ডিপোজিট দিতে হয়, প্রায় তার কাছাকাছি।"

সনাতনী রীতিতে বিয়ে করতে শুরুতে চেলসী রাজী ছিলেন না। কারণ তার বাবা তখন মারা গেছেন।

"তখন আমি বলছিলাম.... এই অর্থ কে নেবে? কারণ এই অর্থ নেয়ার কথা আমার মা কিংবা বাবার।

আমার মনে হয়েছিল এই অর্থ নেয়টা ঠিক হবে না।"

কিন্তু ব্লেসিং রাজী করালেন তাকে। যদিও বিরাট অংকের অর্থ এই বাবদ খরচ হয়েছে, তারপরও ব্লেসিং মনে করেন, এর দরকার ছিল।

যদি এই অর্থ তিনি দিতে না পারতেন, তাহলে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে তার স্ত্রীর পরিবারের কাছে যেতেই পারতেন না।

এটি স্পষ্ট নয়, কনের জন্য দাম পরিশোধের এই প্রথাটি কবে থেকে আফ্রিকায় চালু হয়।

তবে অনেক দেশেই মূদ্রা চালুর আগে থেকেই এই প্রথা প্রচলিত।

বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এই প্রথাটি নানা ভাবে চালু আছে।

ইভলিন শিলার উগান্ডায় এই প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিলেন।

তার বিশ্বাস, গত তিন প্রজন্মে এই প্রথা অনেক বদলে গেছে।

"আজকের দিনে কথা ভাবুন, এখনকার উপহারগুলো কিরকম দামী।

এগুলোর আর্থিক মূল্য আছে, সেকারণেই এখন বিষয়টিকে `মূল্য` বলে দেখা হচ্ছে।"

২০১৫ সাল উগান্ডার সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে `কনের দাম` পরিশোধের ব্যাপারটি ঐচ্ছিক, বাধ্যতামূলক নয়।

কিন্তু কোন দম্পতির মধ্যে যদি বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তখন এই `মূল্য` ফেরত চাওয়া বে-আইনি।

ব্রিটেনে জন্ম নেয়া নাইজেরিয়ান পডকাস্টার টলি টি অবশ্য এই প্রথাটি নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন।

"আমার সন্তানের জন্য কেউ আমাকে অর্থ দিচ্ছে, ব্যাপারটা এরকম, যেন কেউ তার মালিকানা নিচ্ছে।"

"আমি একজন ভালো স্ত্রী হবো কীনা, তার সঙ্গে এর কী সম্পর্ক?"

"আমার মনে হয় না, আমরা যারা নতুন প্রজন্মের কৃষ্ণাঙ্গ বৃটিশ বা নাইজেরিয়ান ব্রিটিশ,

আমরা আর আমাদের নিজেদের সংস্কৃতির অংশ।"

"আমরা আমাদের কিছু অংশ নিচ্ছিল আফ্রিকান ঐতিহ্য থেকে, কিছু ব্রিটিশ ঐতিহ্য থেকে।"

"কাজেই আমরা একটা নতুন `সাবকালচার` তৈরি করেছি, যেখানে আমরা যে কোন কিছুর ব্যাপারে প্রশ্ন তুলি,

এবং যদি সেটি আমাদের কাছ অর্থপূর্ণ বলে মনে হয়, তখনই আমরা সেটিকে গ্রহণ করি", বলছেন তিনি।

পৃথিবীর সবচেয়ে গোল‍াকার প্রাণী
                                  

ডেস্ক রির্পোট : পৃথিবীতে অনেক প্রাণী রয়েছে, আর তাদের মধ্যে অনেক প্রাণিই গোলগাল।

সেগুলোকে আপনি গোলাকৃতির আদুরে বল মনে করলেও তাদের এই আকৃতি আসলে প্রকৃতিতে তাদের টিকে থাকতে সহায়তা করে।

প্রাণীজগতের সবচেয়ে গোলগাল কয়েকটি প্রাণীর তালিকা দেয়া হলো এখানে।

আমাদের তালিকার শুরেুতেই রয়েছে পাফার ফিশ পরিবার (টেট্রাওডোনটিডায়ে), যারা পটকা মাছ নামেও পরিচিত।

এই গোলাকার মাছ আত্মরক্ষার্থে বলের মত বৃত্তাকার আকার ধারণ করতে পারে।

নিজেদের ইলাস্টিকের মত পাকস্থলিতে প্রচুর পরিমাণ পানি প্রবেশ করিয়ে তারা এই আকৃতি ধারণ করতে পারে। এর ফলে তাদেরকে খুবই কম আকর্ষণীয় মনে হয়, সেসময় এই মাছের আকৃতি দেখে মনে হয় যে এটি খেতেও কঠিন।

বল আকৃতির এই মাছগুলো দেখতে ভাল লাগেও এটিকে ছোঁয়া একেবারেই উচিত নয়।

দুইশো`রও বেশি জাতের পটকা মাছের অধিকাংশের মধ্যেই টেট্রোডোটক্সিন নামের এক ধরনের বিষ রয়েছে, যা সায়ানাইডের চেয়ে ১২০০ গুণ বেশি বিষাক্ত।

স্প্যানিশ ভাষায় আরমাডিলো শব্দের অর্থ `বর্ম পরিহিত ছোট প্রাণী।`

পৃথিবীতে মোট ২১ ধরণের আরমাডিলো রয়েছে যাদের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষুদ্রটির নাম `গোলাপী পরী আরমাডিলো` (ক্ল্যামিফোরাস ট্রাঙ্ক্যাটাস), যার দৈর্ঘ্য ৯ থেকে ১২ সেন্টিমিটারের মধ্যে হয়।

আরমাডিলোরা দিনে ১৬ ঘন্টা পর্যন্ত ঘুমায়। এছাড়া প্রাণী হিসেবে তাদের যথেষ্ট ফ্যাশন সচেতনও বলতে পারেন। লাল, হলুদ, কালো, গোলাপী - এমন নানা রঙয়ের আরমাডিলো হয়ে থাকে।

যুক্তরাজ্যে পাওয়া যাওয়া সাধারণ প্যাঁচাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় আকৃতির প্যাঁচা হলো টওনি আওল বা পিঙ্গলবর্ণ প্যাঁচা।

এই প্যঁচাগুলোর নরম, গোলাকার মাথা থাকে যেটি তারা ২৭০ ডিগ্রি পর্যন্ত ঘোরাতে পারে।

প্রজননের সময় এই ধরণের পুরুষ প্যাঁচা শুরুতে স্ত্রী প্যাঁচাকে দীর্ঘ `হুউউ` ডাকে ডাক দেয়।

এরপর অপেক্ষাকৃত কম দীর্ঘ `হু` এবং সবশেশে `হুহুহোওওওও` ডাক দিয়ে শেষ করে।

জবাবে স্ত্রী প্যাঁচা `কী-উইক` ডাকে জবাব দেয়।

সিল সাধারণত একা থাকলেও প্রজননের মৌসুমে একত্রিত হয়।

এই বৃত্তাকার মাছ গড়ে প্রতি ঘন্টায় ১০ কিলোমিটার সাঁতার কাটতে পারে।

তবে কখনো কখনো তারা ঘন্টায় ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতেও সাঁতারাতে সক্ষম হয়।

এই ধরণের সিল সাধারণত ২৫ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে।

হেজহগ অনেকটা সজারুর মত দেখতে একটি প্রাণী, নিজেকে শিকারী প্রাণীদের হাত থেকে রক্ষা করতে এর পিঠে অনেকগুলো কাঁটার মত থাকে।

বৃত্তাকার হওয়ায় শরীরের কাঁটামুক্ত অংশগুলো রক্ষা করতে সুবিধা হয় এর জন্য।

ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকায় ১৫ ধরণের হেজহগ পাওয়া যায়, যার মধ্যে সবকটিই নিশাচর।

 

Haha, Kkkkkk,: অনলাইনে কথোপথনের ভাষায় ভিন্ন হাসি
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট ( অনলাইন সংস্করণ) : আপনি আর কী লিখতে পারেন: "হাহাহা" অথবা "ওই মাইগশ, এতোই হাসির যে আমি হাসি থামাতে পারছিনা!!!"

এটা ঠিক যে টেক্সট বা মেসেজ পাঠানোর সময় কেউই সময় কিম্বা ড্যাটা নষ্ট করতে চায় না।

একারণেই অনেক মানুষ এমন শব্দ ব্যবহার করে, যা দিয়ে কোন ধ্বনিকে প্রকাশ করা যায়। যেমন ধড়াস, ক্রিং ক্রিং, হৈ হৈ, ঠাস ঠাস অথবা দ্রুম দ্রাম ইত্যাদি।

হাসির শব্দ তো সার্বজনীন- সব ভাষাতে ও সব মানুষের মুখে এই হাসি একই রকমের। তাই কি? আসলে ঠিক তা নয়।

আমাদের সবার হাসির শব্দ হয়তো একই রকমের হতে পারে, কিন্তু সেই হাসি যখন আমরা শব্দে প্রকাশ করি বা বানান করে লিখি তখন সেটা একেক দেশে একেক ভাষায় একেক রকমের হয়।

১. Haha

অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুসারে হাসি প্রকাশের সঠিক বানান হচ্ছে ha ha অথবা Ha ha ha!

কিন্তু যখন কোন মেসেজ বা টেক্সট পাঠানো হয় তখন সেটা কতো দ্রুত, কতো সহজে ও কতোটা স্বতস্ফূর্তভাবে পাঠানো হচ্ছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ। সেকারণে আমরা সাধারণত hahaলিখে মেসেজ পাঠাই।

অনেকে আবার hehe... ও লিখে থাকেন। কিন্তু এটা এখনো অতোটা জনপ্রিয় হতে পারেনি।

২. Kkkkkk

আপনি যদি পর্তুগীজ কিম্বা কোরীয় ভাষাতে আপনার হাসি প্রকাশ করতে চান তাহলে লেখা হয় kkkkkk

পর্তুগীজ ভাষীরা, বিশেষ করে ব্রাজিলে, হাসির ধ্বনি সাধারণত ইংরেজি বর্ণমালা kদিয়ে প্রকাশ করে।

কিন্তু এই হাসিটাই যদি খুব বেশি জোরে হয় তাহলে কয়েকবার k ব্যবহার করে লেখা হয় kkkkkk - অনেকে আবার লেখেন rsrsrs যা পর্তুগীজ শব্দ রিসোসের (হাসি) সংক্ষিপ্ত রূপ।

পর্তুগীজ ভাষার সাথে কোরীয় ভাষার কিছু কিছু মিল আছে, তবে যদি মুখ টিপে হাসা বা চাপা হাসি প্রকাশ করতে হয় তারা লিখবেন ㅋㅋㅋㅋㅋㅋ.

k অথবা ㅋএই দুটোই মুখের গভীরে জিহ্বার একেবারে গোড়া থেকে উচ্চারণ করা হয়, যা হাসির ফলে যে শব্দ হয় তার কাছাকাছি হতে পারে।

মানুষ যতো ভাষায় কথা বলে তার প্রায় সবকটিতেই খুশির শব্দ এই বর্ণমালার কাছাকাছি ধ্বনির সাহায্যে প্রকাশ করা হয়।

৩. Xaxaxa

গ্রিসে কেউ যদি প্রাণ খুলে অনলাইনে হাসতে চান, তাহলে তিনি hahaha অথবা kkkkkk এই দুটোর কোনটাই না লিখে লিখবেন xaxaxa, কারণ সেখানে এই অক্ষরগুলো দিয়েই হাসিটাকে সঠিকভাবে প্রকাশ করা সম্ভব।

৪. Olololo

রাশিয়াতে কেউ যদি সিরিলিক বর্ণমালা ব্যবহার করে হাসি প্রকাশ করতে চান তাহলে তারাও লিখবেন хахаха.

কেউ কেউ আবার লিখে থাকেন Olololo।

৫. Kiekie

কেউ আবার যদি তার হাসি বান্টু ভাষা লিঙ্গালায় প্রকাশ করতে চায়, তাকে লিখতে হবে kiekie.

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ও তার প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে ৮০ লাখ মানুষ এই ভাষাতে কথা বলেন।

তাদের হাসি যদি এমন হয় যে তারা সেটা থামাতেই পারছেন না তাহলে তারা লিখবেন kiekiekie.

৬. Jajaja

অনুষ্ঠানিক স্প্যানিশ ভাষায় যদি হাসি প্রকাশ করতে হয় তাহলে লিখতে হবে "Ja, ja, ja" কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই লেখেন jajaja - অথবা jajajajaaaa. এটানির্ভরকরেতারহাসিরতীব্রতারওপর।

তবে একেক রকমের হাসির জন্যে ব্যবহার করা হয় একেক রকমের বর্ণমালা। যেমন দুষ্টু হাসির জন্যে je অথবা jejeje, নিঃশব্দ হাসির জন্য jijiji আর বিস্ময়কর হাসি বোঝাতে jojojo!

৭. mdr

ফরাসী ভাষাতেও হাসির ধ্বনি যখন বানান করে লিখে প্রকাশ করা হয় তখন hahahaলেখা হয়। কিন্তু ফরাসী ভাষীরা তার পরিবর্তে কখনো সখনোmdr ব্যবহার করেন।

কেন? কারণ এটা হচ্ছে mort de rire (হাসতে হাসতে মরে যাচ্ছি) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এছাড়াও এটি খুব দ্রুত টাইপ করা যায়।

৮. lwkmd

নাইজেরিয়াতে কিছু হাস্যকর সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়। শুধু সংক্ষিপ্ত হওয়ার কারণেই সেটা করা হয় না। এটা অনেক জোরালোও বটে।

lwkmd হচ্ছে laugh wan kill me die -এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যার অর্থ বিষয়টি এতোটাই হাসির যে হাসতে হাসতে আপনি মরেই যাচ্ছেন।

৯. 555555

আপনি যদি কখনো কোন থাই বন্ধুর কাছ থেকে মজার মেসেজ পান তাহলে দেখবেন যে সে আপনাকে ইংরেজি 5 নম্বরটি কয়েকবার লিখে পাঠিয়েছে। থাইল্যান্ডে হাসির আওয়াজ হচ্ছে 555555.

এই বর্ণমালা যে থাই ভাষা থেকে এসেছে সেটি `ক্রা-দাই` ফ্যামিলির। এতে দক্ষিণপূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ চীন এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রায় সাড়ে নয় কোটি মানুষ কথা বলে থাকেন।

কিন্তু আপনি যদি চীনে থাকেন, তাহলে সাবধান! সেখানে 5 এই নম্বরটি উচ্চারিত হয় "উ" শব্দের মতো যার সাথে আবার কান্নার আওয়াজের মিল আছে। ফলে সেখানে 555555 এর অর্থ হতে পারে গভীর কান্নাও।

১০. H

ল্যাটিন অক্ষরের পর সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় আরবী বর্ণমালা।

ইসলামের প্রসারের সাথে সাথে এই ভাষাটিও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে। আরো অনেক ভাষা লেখা হয় আরবী বর্ণমালা ব্যবহার করে।

এই বর্ণমালার একটি বৈশিষ্ট্য হলো যে এটি শুধু ব্যাঞ্জনবর্ণ ব্যবহার করে থাকে। ফলে তাদের ha তে aথাকে না।

ফলে হাসির ধ্বনি হচ্ছে: hhhhhh অথবা ههههه

১১. Www

জাপানি ভাষায় হাসির জন্যে শব্দ হচ্ছে ওয়ারাই অথবা 笑い

এখন এটা টাইপ করতে সময় লাগে। ফলে অনেকেই লেখেন www অথবা wwwww.

১২. Ha3

মালয়েশিয়াতে তারা এটিকে আরো সংক্ষিপ্ত করেছে, যা যোগ করেছে একেবারে ভিন্ন মাত্রা।

চাপা হাসি বোঝাতে লিখতে পারেন: Ha

আর হাসি যদি জোরে হয় তাহলে লিখবেন Ha3 (যার অর্থ hahaha = ha x 3 = ha3)

১৩. Ahahah

ভাববেন না যে এখানে টাইপ করতে গিয়ে ভুল হয়েছে। আমরা আসলেই লিখতে চেয়েছি ahahah.

ইটালিয়ান ভাষায় hঅক্ষরটি উচ্চারিত হয় না। তবে এটি অন্যান্য স্বরবর্ণের উচ্চারণ বদলে দিতে পারে।

এক্ষেত্রে a অক্ষরের পর h ব্যবহার কোন হাসির ব্যাপার নয়- ইটালিতেha এর অন্য একটি অর্থ আছে। তা থেকে আলাদা করতেই hএর আগে a ব্যবহার করা হয়।

১৪. høhøhø

নরওয়েতে হাসি বোঝানো হয় কীভাবে? বেশিরভাগ মানুষই লিখেন hahaha.

তবে কেউ কেউ তাদের নিজস্ব একটি প্রকাশভঙ্গির পক্ষে। høhøhø... ড্যানিশ ভাষা- hæhæhæ (যাhehehe এর কাছে) থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তারা এটা ব্যবহার করে থাকতে পারেন।

 

 

৩ মরদেহের সঙ্গে ব্রিটিশ যুবকের ঘনিষ্ঠতা, অতঃপর…!
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ব্রিটিশ যুবক কাসিম খুররাম। বয়স ২৩ বছর। উপার্জনের জন্য প্রায়ই চুরি করে সে। একদিন সে চুরি করতে ঢুকে পরে বার্মিংহামের একটি শ্মশানে। সেখানে সে দেখতে পায় একের পর এক মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। পরিকল্পনা ছিল চুরি করার। কিন্তু তার পরিবর্তে পরপর তিনটি মৃতদেহের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতায় জড়ায় সে।

কাসিম খুররামের বিকৃত যৌনতার কথা প্রকাশ পেতে বেশি সময় লাগেনি। খবর পৌঁছায় বার্মিংহামে প্রশাসনের কাছেও। গ্রেফতার করা হয় তাকে। আদালতের প্রশ্নের মুখে আর অভিযোগ অস্বীকার করতে পারেনি সে। পরিবর্তে নিজের কৃতকর্মের কথা স্বীকার করে নেয় কাসিম।

কাসিম জানায়, শ্মশানে চুরির উদ্দেশ্যে গিয়েছিল। ড্রাগের নেশায় ডুবে ছিল সেই সময়। নেশার ঘোরে শ্মশানে থাকা তিন মৃতদেহের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে মেতে ওঠে সে। উল্লেখ্য, অপরাধের ভিত্তিতে কাসিমকে ৬ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন বিচারক। আপাতত তাই কারাগারেই থাকতে হবে তাকে।

শিশুদের আইকিউ বাড়ানোর কয়েকটি সহজ উপায়
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আইকিউ অর্থাৎ বুদ্ধি তীক্ষ্ম না হলে এখন প্রতিযোগিতার দুনিয়ায় টেকা দায়। কিন্তু শিশুদের আইকিউ কীভাবে বাড়ানো যায়? খুব সহজ কিছু উপায় দেখিয়েছেন শিশু বিশেষজ্ঞ ক্যারেন কুইন।

সব বিষয়ে কথা বলুন...

আপনার সন্তানের সঙ্গে সম্ভব হলে সব বিষয়েই কথা বলবেন। এতে অল্প অল্প করে জ্ঞান তো বাড়বেই, পাশাপাশি ভাষায় দক্ষতাও বাড়বে। শিশু বেশি কথা বললেই ভালো। কথা বলায় নিরুৎসাহিত করা তাদের বিকাশের জন্য ক্ষতিকর।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু খুব কম কথা বলে, তাদের তুলনায় বেশি কথা বলতে অভ্যস্ত শিশুদের বুদ্ধি অন্তত ২৮ পয়েন্ট বেশি।

ভাবনা আর দেখার জগতটা বড় করুন

নানা ধরনের রং, বিভিন্ন আকৃতির বস্তু, নানা রকমের ফল এবং প্রাণী দেখাতে হবে শিশুদের। স্কুলে যদি সে ব্যবস্থা থাকে তাহলে তো কথাই নেই। তবে নিজেও এমন কিছু বই কিনে দিন, যা পড়ে বা যেসব বইয়ের ছবি দেখে শিশু এ সব সম্পর্কে জানতে পারে।

গুনতে শেখান

বাচ্চাদের খুব সহজেই গুনতে শেখানো যায়। এই যেমন যদি বলেন, “পাঁচ মিনিটের মধ্যে খাবার তৈরি হয়ে যাবে”– তাহলে কিন্তু শিশু ৫ সংখ্যাটার সঙ্গে পরিচিত হলো।

যদি বলেন, “তোমার তিনটা চকলেট আছে, আমার আছে দুটো” – তাহলে আপনি ওকে ২ আর ৩ শিখতে সহায়তা করলেন।

চকলেট যদি হাতে নিয়ে দেখান – তাহলে ওরা আরো উৎসাহ নিয়ে সংখ্যাগুলো শেখার সঙ্গে সঙ্গে গুণতেও শিখবে।

স্মৃতি পরীক্ষা

কোনো বই পড়া শেষ হলে আপনার সন্তানকে বইয়ের গল্পটা নিজের মতো করে বলতে বলুন। এভাবে শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়ানো যায়। স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর আরো সহজ উপায়ও আছে। টেবিলের ওপর কিছু ক্যান্ডি রেখে সন্তানকে দেখান। দেখা হয়ে গেলে ক্যান্ডিগুলো কাগজ বা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিন। তারপর ওকে বলুন টেবিলের ফাঁকা জায়গায় সমান সংখ্যক চকলেট ক্যান্ডির মতো সাজিয়ে রাখতে৷ এভাবেও শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়ানো যায়।

খেলনা

পাজল, লেগো কাঠের তৈরি নানা ধরণের ব্লক – এসব বাচ্চাদের জন্য স্রেফ খেলনা হলেও, ওদের বুদ্ধাঙ্ক বা আইকিউ বৃদ্ধিতে খুব ভালো ভূমিকা রাখে।

সমস্যার সমাধান

নিজের কাপড় নিজেকেই পরতে দিন। খুব বেশি সময় লাগছে? বিরক্ত হবেন না। ওকে সময় দিন, ওর মতো করে কম সময়ে কাজটা শেষ করার সুযোগ দিন। ধীরে ধীরে ও সমস্যাটার একটা সমাধান ঠিকই বের করবে। এভাবে রাতের খাবারে কী কী খাওয়া যায়, ও কোথায় বেড়াতে যেতে চায় – এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগও দিন বাচ্চাদের। এর ফলে ওদের চিন্তা করা এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বাড়বে।

সৃষ্টিশীল কাজ

বাসায় ছবি আঁকার কাগজ, রং, তুলি, কাঁচি, আঠা, ব্রাশ – এসব রাখতে ভুলবেন না। এ ধরনের জিনিস নিয়ে খেলতে খেলতেও অনেক শিশু সৃষ্টিশীল কাজে আগ্রহী হয়ে ওঠে। পরবর্তী জীবনে এই আগ্রহটাই হয়ত ওকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

একাধিক অদ্ভূত শয্যাসঙ্গীর কথা জানালেন এই তরুণী!
                                  

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাজ্যের এই তরুণীর নাম অ্যামেথিস্ট রেলম। তার দাবি, তিনি ২০টি প্রেতাত্মার শয্যাসঙ্গিনী হয়েছেন। অশরীরীদের সঙ্গে শরীরী মিলন সম্ভব কি না, সে নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে। কিন্তু তার নিজের বক্তব্যে অনড় এই তরুণী। খবর নিউজ মেইলের।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২৭ বছর বয়সি অ্যামেথিস্ট পেশায় স্পিরিচুয়াল গাইডেন্স কাউন্সেলর। পেশাগত কারণেই ভৌতিক জগতের সঙ্গে তার নাকি ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ। ১২ বছর আগে তার তৎকালীন প্রেমিক এক নতুন বাড়িতে গিয়ে ওঠেন। সেখানে তিনি প্রথম অশরীরীর অস্তিত্ব টের পান।

প্রথমে তা ছিল একান্তভাবেই আবছায়া অনুভূতি। কোনও অদৃশ্য শক্তির উপস্থিতি তিনি টের পেতেন। কিন্তু ক্রমে তা শরীরী হয়ে ওঠে। তিনি তার উরুর উপরে চাপ অনুভব করতেন, সেই সঙ্গে ঘাড়ের কাছে কারোর নিঃশ্বাস পড়ছে টের পেতেন।
ক্রমে সেই অশরীরীর সঙ্গে তার শরীরী সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অ্যামেথিস্টের ভাষায়, অবর্ণনীয় আনন্দ সেই মিলনে। তিন বছর সেই সম্পর্ক টিকেছিল। কিন্তু তার প্রেমিক একদিন তাকে ভূতের সঙ্গে মিলিত অবস্থায় দেখে ফেলেন। তারপর সেই ভূত আর ফিরে আসেনি।

মানুষ প্রেমিকের সঙ্গ থেকে বেরিয়ে আসেন অ্যামেথিস্ট। একের পর এক প্রেতাত্মার সঙ্গে চলতে থাকে তার প্রেম। সেই সব শরীরী ভৌতিক প্রেম তাকে অন্য এক জগতের সন্ধান দিয়েছে বলেই তিনি মনে করেন।

একে একে ২০টি প্রেতাত্মার শয্যাসঙ্গিনী হয়েছেন তিনি। অ্যামেথিস্ট আরও জানান, কোনও ভূতের মাধ্যমেই গর্ভবতী হতে চান তিনি।

অ্যামেথিস্টের দাবির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু তাতে অ্যামেথিস্টের কিছু যায় বা আসে বলে মনে হয় না। তিনি ভৌতিক প্রেমিকদের নিয়ে সুখেই আছেন বলে জানান।

রহস্যময় ‘ফিংগালস কেভ’
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : স্কটল্যান্ডের অদূরে উত্তাল সমুদ্রে স্টাফা দ্বীপপুঞ্জে ‘ফিংগাল’স কেভ’র অবস্থান। কেউ বাস করে না সেই দ্বীপে। নাবিকেরা তাকে দেখছে হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে। এক সময় ‘সমুদ্র নেকড়ে’ ভাইকিংরা এই দ্বীপের নাম রেখেছিল ‘ফিংগাল’স কেভ’।

প্রকৃতির আশ্চর্য খেয়ালের কারণে ‘ফিংগাল’স কেভ’-এর ভেতরে তৈরি হয়েছে অসংখ্য খিলান। এ ব্যাপারে ভূতত্ত্ববিদরা মনে করেন, আজ থেকে প্রায় ছয় কোটি বছর আগে লাভা থেকে এই গুহার সৃষ্টি। এর গলিত পাথর খড়িমাটির ওপর দিয়ে যাওয়ায় গুহাটি এই বিশেষ আকৃতি পায়।

অন্যদিকে, আয়ারল্যান্ডের ‘জায়ান্ট’স কজওয়ে’ নামের অপর স্থানের সঙ্গেও এর আশ্চর্য রকমের মিল রয়েছে। যদিও ভূতত্ত্ববিদদের মতে, এদের মধ্যে মিল নাকি আপতিক নয়। তবে তাদের ধারণা, এই দুই প্রাকৃতিক বিস্ময়ের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে। তারা মনে করেন, একই লাভাস্রোত থেকে এই দুই গুহার সৃষ্টি হয়। এমনকি দু`টি গুহার সঙ্গে সংযোগ ছিল বলেও উপকথা রয়েছে। পরে নাকি সেই সেতু ধ্বংস হয়ে যায়।

হলুদ রঙের কোনো পোশাক পরা যাবে না যে দেশে!
                                  


অনলাইন ডেস্ক : মালয়েশিয়ায় হলুদ রঙের কোনও পোশাক একেবারেই পরা যাবে না। কারণ, হলুদ রংকে সে দেশে প্রতিবাদের প্রতীকী রং বলে মনে করা হয়। আসলে সে দেশের একটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হিসাবেই এই আইন করে মালয়েশিয়ায় ক্ষমতায় থাকা সরকার। এমনই আরও অনেক অদ্ভত আইন চালু রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। আসুন তার কয়েকটি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক...

১। আপনার আদরের পোষ্যটিকে ইচ্ছে মতো বিচিত্র পোশাকে সাজাবেন ভাবলেই সাজানো যাবে না। কারণ, আপনার এই ইচ্ছা পশু নির্যাতনের সামিল! তাই আপনার মোটা অঙ্কের জরিমানা হতে পারে! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমায় এমন বিচিত্র নিয়ম মানতে হয় সেখানকার বাসিন্দাদের।

২। আপনার কি সবচেয়ে পছন্দের ‘টাইম পাস’ ভিডিও গেম খেলা? আপনি কি সুযোগ পেলেই ভিডিও গেম খেলতে ব্যস্ত হয়ে যান? তাহলে গ্রিসে বেড়াতে গেলে বিপদে পড়তে পারেন। কারণ, গ্রিসে ভিডিও গেম খেলা নিষিদ্ধ। ভাবছেন, হোটেলের ঘরে লুকিয়ে খেলবেন! তাহলে শুনুন, রাস্তা-ঘাটে তো দূরের কথা, সে দেশে ঘরে কম্পিউটারেও ভিডিও গেম খেলা যাবে না। আসলে ‘বেআইনি জুয়া’ বন্ধ করতেই ২০০২ সালে এমন আইন করে গ্রিস সরকার। কারণ, একটা সময় বিভিন্ন ভিডিও গেমের আড়ালেই ‘বেআইনি জুয়া’র কারবার রমরমিয়ে বাড়ছিল সে দেশে।
৩। সন্তানকে নিজের পছন্দের নামে ডাকতে পারেন না ডেনমার্কবাসীরা। শুধু তাই নয়, শিশুর জন্মের পর সে দেশের সরকারের তৈরি ২৪ হাজার নামের একটি তালিকা থেকেই বেছে নিতে হয় সন্তানের নাম। সন্তানের নাম নিজের পছন্দ মতো রাখতে চাইলে তার জন্য বিশেষ ভাবে আবেদন করতে হয় সে দেশের নাগরিকদের। তাতে সরকারের সম্মতি মিললে তবেই সন্তানের নাম নিজের পছন্দ মতো রাখতে পারেন তাঁরা।

৪। সিঙ্গাপুরে গিয়ে ভুলেও চিউইংগাম খাবেন না। ধরা পড়লে জরিমানা করা হতে পারে! কারণ, সিঙ্গাপুরে চিউইংগাম নিসিদ্ধ। এক যদি আপনি প্রমাণ করতে পারেন যে আপনার চিউইংগামটি স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী বা ভেষজ গুণে ভরপুর, সে ক্ষেত্রে অনুমতি মিলতেও পারে!

৫। অনেকেই সকালে উঠে জগিং করেন শরীর-স্বাস্থ্য তরতাজা রাখার জন্য। তবে পূর্ব আফ্রিকার বুরুন্ডিতে গিয়ে জগিং করলে জেলে যেতে হতে পারে আপনাকে। স্থানীয় উপজাতিদের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করতে বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট পিয়ের এনকুরুনজিজা সে দেশে জগিং নিষিদ্ধ করেন। কারণ, এখানে জগিং করাকে যুদ্ধের মহড়া বলেই মনে করা হয়।

৬। অনেকেই ঘর সাজানোর জন্য বা ভালোবাসেন বলে ছোট কাচের পাত্রে গোল্ড ফিস রাখেন। গোল্ড ফিস রাখুন, ক্ষতি নেই। তবে পাত্রে যদি একা একটি গোল্ড ফিস রাখেন তা হলে প্রাণী নির্যাতনের অপরাধে আপনার থেকে মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হতে পারে! এমনই অদ্ভুত আইন রয়েছে রোমে। সে দেশের আইন অনুযায়ী, গোল্ড ফিস সমাজবদ্ধ প্রাণী। সুতরাং, পাত্রে একা একটি গোল্ড ফিস রাখা, সেটিকে বন্দি করে কষ্ট দেওয়ারই সামিল। তাই এই কড়া আইন।

পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে ডাইনোসর!
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : তাহলে ফিরিয়ে আনা যাবে সেই দৈত্যাকার ডাইনোসরদের? ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে ‘জুরাসিক পার্ক’-এর সেই দিনগুলো? পৃথিবীতে ফের দাপিয়ে বেড়াবে সেই ভয়ঙ্কর মাংসাশী টিরানোসরারা?

সেই সম্ভাবনা বা আশঙ্কা দেখা দিয়েছে হালের দু’-একটি আবিষ্কারে। জুরাসিক যুগের একটি গাছের কোটরে থাকা হলদেটে-বাদামি রঙের অ্যাম্বারের মধ্যে মিলেছে মশার জীবাশ্ম (ফসিল)। যার মধ্যে পাওয়া গেছে প্রাণ-সৃষ্টির প্রধান বীজ ডিএনএ। শুধু তাই নয়, ডাইনোসরের জীবাশ্মে অন্যত্র হদিস মিলেছে রক্তনালী ও কোলাজেন নামে বিশেষ এক ধরনের প্রোটিনের। ফলে সেই সব থেকে কোটি কোটি বছর আগে অবলুপ্ত হয়ে যাওয়া ডাইনোসরদের ফিরিয়ে আনা যাবে কি না, সেই কৌতূহলেরও জন্ম হয়েছে।

একেবারেই তা অসম্ভব, বিজ্ঞানীরা কিন্তু সে কথা বলছেন না। ‘আজগুবি’ বলে উড়িয়েও দিচ্ছেন না সেই সম্ভাবনা বা আশঙ্কা। কারণ বিবর্তনের নিয়মেই ডাইনোসররা হারিয়ে গেছে। তার পর বিবর্তনের প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়েই উন্নততর প্রাণের জন্ম ও বিকাশ হয়েছে পৃথিবীতে। তবে সেই বিবর্তনের রথের চাকার কোনও নির্দিষ্ট দিক নেই। এমন বলা যায় না তা শুধু ডাইনোসর যুগ থেকে মানবসভ্যতার দিকে বা তার চেয়ে উন্নততর কোনও প্রাণীর দিকে এগিয়ে চলেছে।

ব্রিটেনের নর্দাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনতত্ত্ববিদ জামাল নাসিরের কথায়, ‘অসম্ভব নয়। কারণ বিবর্তন প্রক্রিয়ার কোনও সুনির্দিষ্ট দিক নেই। এমন নয় যে তা শুধুই সামনের দিকে এগিয়ে যায়। বলা যায় না, তা শুধু পূর্ব থেকে পশ্চিম বা উত্তর থেকে দক্ষিণে গড়িয়ে চলেছে। কোন দিকে যাবে বিবর্তনের রথের চাকা, তা আগে থেকে ঠিক করা থাকে না। তার গতিপথ একেবারেই পরিকল্পিত নয়। বরং তা ভীষণ পাগলাটে। তাই জীবাশ্ম থেকে ডাইনোসরদের একেবারেই ফিরিয়ে আনা যাবে না, এটা মনে করি না। সেই সম্ভাবনাটা কমও নয়।’

নাসির এও জানিয়েছেন, সেই ডাইনোসরদের ফিরে আসার জন্য যথাযথ পরিবেশেরও প্রয়োজন। আমাদের জিনোমে আচমকা একটা বড়সড় রদবদল ঘটে গেলেই সেটা সম্ভব হয়ে যেতে পারে।

নাসিরের ওই বক্তব্য অবশ্য মানতে রাজি নন লন্ডনের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের ভার্টিব্রেট প্যালিয়েন্টোলজিস্ট সুসি মেডমেন্ট। তিনি বলেছেন, ‘ঠিকই অ্যাম্বারের মধ্যে ডাইনোসর যুগের মশার জীবাশ্ম মিলেছে। কিন্তু সেখানে মশার জীবন্ত কলার সন্ধান মেলেনি। ফলে সেখানে রক্ত জমাট বেঁধে রয়েছে, দেখা যায়নি। তাই সেখান থেকে ডাইনোসরদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।’

তবে অন্যত্র ডাইনোসরের জীবাশ্মে রক্তনালী ও কোলাজেন প্রোটিন মিলেছে। কিন্তু সেখানেও ডাইনোসরদের আদত ডিএনএ পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞানীদের একাংশের বক্তব্য, কোলাজেন তুলনায় বেশি দিন অবিকৃত থাকতে পারলেও। ডিএনএ’র পক্ষে তা সম্ভব নয়। কিছু দিনের মধ্যেই ডিএনএ পানি আর সূর্যালোকে একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়।

সুসি বলছেন, ‘এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণীর যে প্রাচীনতম ডিএনএ-র হদিস মিলেছে, তার বয়স ১০ লাখ বছর। আর ডাইনোসররা অবলুপ্ত হয়ে গেছে ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগে। ডাইনোসরদের ফিরিয়ে আনতে গেলে ততটা প্রাচীন ডিএনএ-র হদিস পেতে আমাদের। তাহলে হয়তো ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বহু বহু কোটি বছর আগে হারিয়ে যাওয়া ডাইনোসরদের।’

সূত্র: আনন্দবাজার

সুন্দরী মেয়েরা হৃদযন্ত্রের ক্ষতির কারণ, বলছে গবেষণা
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : সুন্দরী মেয়েরা পুরুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আকর্ষণীয় নারীদের সান্নিধ্যে আসলে পুরুষের মধ্যে মানসিক চাপ বাড়তে থাকে। এমনকি এই চাপ বাড়ার কারণে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। ন্নয় বছর পূর্বের একটি গবেষণায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে। স্পেনের ভ্যালেন্সিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।

ওই গবেষণায় জানা গেছে, সুন্দরী নারীর পাশে পাঁচ মিনিট বসলেই পুরুষের মধ্যে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায়। যা শরীরে কোর্ট্রিসল নামক বিশেষ হরমোনের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। আর বিপত্তি সেখানেই। বেশি কোর্ট্রিসলের প্রবাহ হৃদযন্ত্রের ক্ষতি থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস এমনকি পুরুষকে নপুংসক পর্যন্ত করে ফেলতে পারে।

গবেষকদের মতে, পুরুষদের মধ্যে যারা নারীদের কাছ থেকে সবসময় দূরে থাকতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য সুন্দরীরা একটু বেশি ক্ষতিকর। ৮৪ জন স্বেচ্ছাসেবী পুরুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে এই তথ্য। কম বয়সী সুন্দরী নারী আশেপাশে দেখলে অধিকাংশ পুরুষ প্রেমের সুযোগ আছে বলে ভাবতে শুরু করেন। খুব কম পুরুষই সুন্দরীদের পাশ কাটিয়ে চলতে পারেন। যার ফলে না চাইতেও পুরুষরা প্রেমে পড়তে বাধ্য।

যৌবন ধরে রাখে যেসব খাবার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : পুরুষের গোপনাঙ্গে রক্ত প্রবাহ ঠিকমত না হলে ইরেকটাইল ডিসফাংশন হয়। এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো এ থেকে মুক্তি দিতে পারে। মনে রাখতে হবে, এসব খাবার কেবল প্রতিরোধই গড়তে পারে, রোগের উপশম নয়।

ডার্ক চকলেট

সার্কুলেশন নামে একটি পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডার্ক চকলেটে ফ্ল্যাভোনয়েড নামে একটি পদার্থ থাকে, যা রক্ত প্রবাহ সচল রাখতে সাহায্য করে।
নাইট্রেটস

সবুজ সবজি যেমন পালং শাকে নাইট্রেট প্রচুর পরিমাণে আছে। নাইট্রেট রক্তনালী খোলা রাখতে এবং রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে। নপুংসকতার ওষুধ আবিষ্কারের আগে নাইট্রেটকে পুরুষাঙ্গ উত্থানের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

পেস্তা বাদামের প্রোটিন

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব পুরুষের ইরেকটাইল ডিসফাংকশান আছে, তারা যদি তিন সপ্তাহ টানা পেস্তা বাদাম খান, তবে সুফল পেতে পারেন। পেস্তায় এক ধরনের প্রোচিন আছে যা রক্ত প্রবাহিকার দেয়ালকে শিথিল করে। ফলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়।

অয়েস্টারের জিঙ্ক

অয়েস্টারের জিঙ্ককে কামোদ্দীপক পদার্থ বলা হয়, কেননা এতে জিঙ্কের মাত্রা অনেক বেশি।। জিঙ্ক টেস্টেটেরন হরমোন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

তরমুজ

গবেষণায় দেখা গেছে তরমুজ খেলে তা ভায়েগ্রার মত কাজ করে। এটা কামোদ্দীপনা বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। এর মধ্যে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা পুরুষাঙ্গে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে।

টমেটোর লাইকোপেন

লাইকোপেন এক ধরনের ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট, যা পুরুষাঙ্গে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। লাল রঙের যত সবজি বা ফল আছে সেগুলোতে লাইকোপেন বেশি থাকে।

চীনাবাদাম-আপেল

চা, পেঁয়াজ, চীনাবাদাম আর আপেল- এই জিনিসগুলো রক্ত সঞ্চালন ও কামোদ্দীপনা বাড়াতে সাহায্য করে।

চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় এই নারীর মল!
                                  
 
অনলাইন ডেস্ক : ক্লডিয়া ক্যাম্পেনেলা যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কাজ করেন। কিন্তু অবসর সময়ে তিনি যে কাজ করেন - সেটাই সবচেয়ে চমকপ্রদ।

কাজের ফাঁকে ফাঁকে তিনি নিজের মল অন্যদের দান করেন। কারণ ডাক্তাররা বের করেছেন যে ক্লডিয়ার মলে এমন `উৎকৃষ্ট মানের ব্যাকটেরিয়া আছে, যা অন্যের দেহে প্রতিস্থাপন করে বিভিন্ন পেটের রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব।

ক্লডিয়ার বয়স ৩১। তিনি এটাকে রক্তদানের মতই স্বাভাবিক ব্যাপার বলে মনে করেন।

 

তিনি বলছিলেন, “আমার অনেক বন্ধু মনে করে এটা একটা জঘন্য এবং উদ্ভট ব্যাপার। কিন্তু এটা আমাকে বিচলিত করে না। এটা দান করা খুবই সহজ এবং আমি চিকিৎসা গবেষণায় অবদান রাখতে পেরে খুশি।”

এই ‘মল প্রতিস্থাপন’ কিভাবে কাজ করে তা বলা দরকার এখানে। মনে রাখতে হবে এটা কোন জঘন্য ব্যাপার নয়, বরং একটা জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা।

মানুষের পেটের ভেতরকার নাড়িভুঁড়ি অর্থাৎ অন্ত্রের মধ্যে বাস করে অসংখ্যরকম অণুজীব। কিন্তু বর্তমান যুগে মানুষ যে এ্যান্টিবায়োটিক খায় - তা অনেকসময় শরীরের ভালো এবং খারাপ দু`ধরনের ব্যাকটেরিয়াকেই নির্বিচারে মেরে ফেলে।

ব্যাকটেরিয়া নির্মূল হয়ে যাবার পর যে বিরান পরিবেশ তৈরি হয় -তাতে `ক্লস্ট্রিডিয়াম ডিফিসিল` নামে বিশেষ এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া বংশবৃদ্ধি ঘটাতে থাকে।

এর ফলে এমন ডায়রিয়া হয় যার সাথে রক্তপাত, জ্বর এবং পেট ব্যথা হতে পারে - এবং অনেকক্ষেত্রে এটা এত গুরুতর রূপ নেয় যে রোগী মারা যায়।

এই পরিস্থিতিতে আরো এ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার চাইতে ভালো বিকল্প হিসেবে বেরিয়ে এসেছে এই `মল প্রতিস্থাপন` চিকিৎসা। অর্থাৎ একজন সুস্থ ব্যক্তির মল থেকে ভালো ব্যকটেরিয়াগুলো সংগ্রহ করে তা রোগীর মলদ্বার দিয়ে শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া।

ক্লডিয়ার মলে নাকি এত বেশি ভালো ব্যাকটেরিয়া আছে যে তা রীতিমত বিরল।

বিজ্ঞানীরা একে বলছেন ‘সুপার পু’ (super poo) - যার মধ্যে ভালো ব্যাকটিরিয়ার চমৎকার সমন্বয় ঘটেছে এবং ক্লডিয়া হচ্ছেন একজন ‘সুপার ডোনার’ বা দাতা।

ক্লডিয়া একজন ভেজিটারিয়ান অর্থাৎ নিরামিষভোজী, আর নিরামিষভোজীরা ভালো মল-দাতা হতে পারেন - এটা জানার পরই তিনি একজন ডোনার হতে আগ্রহী হন।

শিশুর পায়ে কিডনি!
                                  
অনলাইন ডেস্ক : এমন একটি রোগ যাতে কিডনির অবস্থান পায়ে! এমনই বিরল একটি রোগে ভুগছে ইংল্যান্ডের হামিশ রবিনসন নামের এক ১০ বছরের বালক। জিনগত কোনও সমস্যার কারণেই এই রোগ দেখা দিয়েছে তার বলে মত চিকিৎসকদের।

চিকিৎসকরা আরও জানিয়েছেন, হামিশই হয়তো একমাত্র মানুষ যার দেহে একটি নির্দিষ্ট ক্রোমোজোম নেই। 7p22.1 নামের ক্রোমোজোমের অভাবের ফলে হওয়া এই বিরল রোগটির নাম তাই চিকিৎসকেরা দিয়েছেন ‘হামিশ সিনড্রোম’। এই রোগে শরীরের কোনও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ সঠিক স্থানে না থেকে অন্য স্থানে থাকতে পারে। হামিশের ক্ষেত্রে তার শরীরে কিডনির অবস্থান দেখা যাচ্ছে ডান দিকের থাইয়ের উপরের দিকে। এই ধরনের ঘটনা আজ অবধি চিকিৎসা ক্ষেত্রে কখনও দেখা যায়নি বলেই জানিয়েছেন হামিশের চিকিৎসকেরা।

জানা যাচ্ছে, যে নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় ৬ সপ্তাহ আগেই ভূমিষ্ঠ হন হামিশ। হামিশের ওজন ছিল মাত্র ২ পাউন্ড বা ৯০০ গ্রাম। এছাড়া আমিষের কথা বলতেও সমস্যা হয় বলে জানিয়েছেন তার মা। 

তিনি আরও জানিয়েছেন, ১৭ মাস বয়সে হামিশ প্রথম যে শব্দটি উচ্চারণ করেন তা ছিল ‘মাম্মি’। এরপর অন্তত আরও ছয় বছর হামিশের মা’কে অপেক্ষা করতে হয়েছিল তার থেকে অন্য কোনও কথা শোনবার জন্য। কিন্তু শারীরিক সমস্যাও আটকে রাখতে পারেনি হামিশকে। নিয়মিত স্কুলে যায় সে। ভর্তি হয়েছে ক্যারাটে ক্লাসেও। তিনি তো বটেই, হামিশের বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকরাও তাকে নিয়ে যথেষ্ট গর্বিত বলে জানিয়েছেন তিনি।

গলায় জোঁকের বাসা! (ভিডিও)
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : কয়েক দিন ধরেই অসহ্য মাথা ব্যথায় কাবু ভিয়েতনামের এক নারী। ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে তিনি চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন। কিন্তু ওই নারীর গলা পরীক্ষা করার পরই চিকিৎসকের চক্ষু চড়কগাছ।

পরীক্ষা করে দেখা যায়, ৬৩ বছরের ওই নারীর গলার মধ্যে বাস করছে একটা মোটাসোটা রক্তচোষা জোঁক। তারপরই তড়িঘড়ি অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসক। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মহিলার গলা থেকে বার করে আনা হয় জোঁকটিকে। জোঁকটি প্রায় ২ ইঞ্চি লম্বা ছিল। চিকিৎসকদের অনুমান প্রায় তিন মাস ধরে জোঁকটি ওই নারীর গলাতেই ছিল। অস্ত্রোপচারের পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ওই নারীকে। জানা গিয়েছে তিনি এখন সুস্থ রয়েছেন।

নখের উপরেই সন্তানের জন্ম!
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : নানা অদ্ভূত ম্যানিকিওর আর নেল আর্ট দেখেছেন নিশ্চয়ই, তবে এমনটা দেখেননি হলফ করে বলতে পারি। সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন এক নারী, রয়েছে ছোট্ট অ্যাক্রিলিক সদ্যোজাত ও আম্ব্রেলিক্যাল কর্ডও। আর এটাই এবার নেল আর্টের বিষয়। ভিডিওটি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গেছে।

রাশিয়ান নেল আর্টিস্ট নেইল সানি ইন্সটাগ্রামে ভিডিওটি শেয়ার করেন। সেখানে দেখা যায়, জেল দিয়ে তৈরি এক নারী হাসপাতালের পোশাকে সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন। একজন তার সন্তানকে বের করে আনছেন, নাড়ি কাটছেন এবং মায়ের কোলে তুলে দিচ্ছেন।

শেয়ার হওয়র পর থেকে ভিডিওটি ইন্সটাগ্রামে ৫ লাখ জন দেখেছেন। টুইটারে এর ভিউয়ার সংখ্যা ২ মিলিয়নের বেশি।

এই অদ্ভূত নেল আর্ট দেখে লোকে মন্তব্যও করেছে অদ্ভূতই, ‘ঠিক যখন মনে হল তুমি সব দেখে ফেলেছো’, ‘এটা দেখে খুব বিরক্ত লাগছে’- লিখেছেন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা।

নেল সানি আগেও ডিম দিয়ে ম্যানিকিওর এবং কমলালেবু দিয়ে নেল আর্টের ভিডিও শেয়ার করেছিলেন।

সূত্র: এনডিটিভি

মারা গেলেন রাশিয়ার সবচেয়ে বয়স্ক নারী
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : রাশিয়ার সবচেয়ে বয়স্ক নারী নানু শাওভা মারা গেছেন। ১২৮ বছর বয়সী এই নারী দেশটির কাবারদিনো বালকারিয়ার নর্থ ককেশিয়ান রিপাবলিকের বাসিন্দা ছিলেন।

সোমবার স্থানীয় প্রশাসন একথা জানিয়েছে।
রাশিয়া বুক অব রেকর্ডস অনুযায়ী, কাবারদিনো-বালকারিয়ার বকসান জেলার জায়ুকোভো গ্রামের শতবর্ষী নানু শাওভা রাশিয়ার সবচেয়ে বয়স্ক নারী ছিলেন।
এক প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মে মাসে তার বয়স ১২৯ বছর হতো। বাকসান জেলা প্রশাসন তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।’
নানুকে ২০১৭ সালে রাশিয়া বুক অব রেকর্ডস সনদ দেয়া হয়।

সূত্র : তাস


   Page 1 of 34
     পাঁচমিশালি
বিয়ের কনের ক্রয়মূল্য
.............................................................................................
পৃথিবীর সবচেয়ে গোল‍াকার প্রাণী
.............................................................................................
Haha, Kkkkkk,: অনলাইনে কথোপথনের ভাষায় ভিন্ন হাসি
.............................................................................................
৩ মরদেহের সঙ্গে ব্রিটিশ যুবকের ঘনিষ্ঠতা, অতঃপর…!
.............................................................................................
শিশুদের আইকিউ বাড়ানোর কয়েকটি সহজ উপায়
.............................................................................................
একাধিক অদ্ভূত শয্যাসঙ্গীর কথা জানালেন এই তরুণী!
.............................................................................................
রহস্যময় ‘ফিংগালস কেভ’
.............................................................................................
হলুদ রঙের কোনো পোশাক পরা যাবে না যে দেশে!
.............................................................................................
পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে ডাইনোসর!
.............................................................................................
সুন্দরী মেয়েরা হৃদযন্ত্রের ক্ষতির কারণ, বলছে গবেষণা
.............................................................................................
যৌবন ধরে রাখে যেসব খাবার
.............................................................................................
চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় এই নারীর মল!
.............................................................................................
শিশুর পায়ে কিডনি!
.............................................................................................
গলায় জোঁকের বাসা! (ভিডিও)
.............................................................................................
নখের উপরেই সন্তানের জন্ম!
.............................................................................................
মারা গেলেন রাশিয়ার সবচেয়ে বয়স্ক নারী
.............................................................................................
বিশ্বের সবচেয়ে সুখী-অসুখী দেশ
.............................................................................................
এক টাকায় সিঙাড়া!
.............................................................................................
জড়িয়ে ধরাই যে নারীর পেশা, মাসে আয় লক্ষাধিক!
.............................................................................................
২০১৯ এর ক্যালেন্ডার একদমই ১৮৯৫ এর মতো!
.............................................................................................
এই লিপ আর্টের দাম সাড়ে চার কোটি টাকা!
.............................................................................................
মৃতদের সঙ্গে যৌনমিলন করেন যে হিন্দু সাধুরা
.............................................................................................
৩৩ বছর ধরে শুধু চা খেয়ে বেঁচে আছেন এই নারী!
.............................................................................................
সেক্স টয়ে আগ্রহী যে চার শহরের মানুষ
.............................................................................................
যে দেশে স্ত্রীর জন্মদিন ভুললেই ডিভোর্স!
.............................................................................................
আইসক্রিমের দাম ৭০ হাজার টাকা!
.............................................................................................
মৃত্যু পর্যন্ত তিনি খেতেই থাকবেন!
.............................................................................................
স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে মন্দিরে বিয়ে করলেন দুই নারী!
.............................................................................................
স্বেচ্ছায় বিষধর সাপের ২০০ ছোবল খেলেন যিনি
.............................................................................................
প্রেতাত্মার সঙ্গে প্রেম ও বিয়ে, অতঃপর ডিভোর্স
.............................................................................................
পৃথিবীতে মুরগির সংখ্যা কত?
.............................................................................................
খাঁটি নীলা চেনার উপায়
.............................................................................................
৩০০ কেজি মেদ ঝরিয়ে কেমন আছে পৃথিবীর সবচেয়ে মোটা পুরুষ?
.............................................................................................
বিশ্বের সবচেয়ে বড় জিহ্বা!
.............................................................................................
এইচআইভি পজিটিভ হওয়ার অপরাধে চাকরি থেকে বরখাস্ত
.............................................................................................
ওরাংওটাংকে বছরের পর বছর শিকল বেঁধে ধর্ষণ!
.............................................................................................
৯০ বছর পরে খোঁজ মিলল অন্য এক `টাইটানিক`র!
.............................................................................................
লড়াই করল কুকুর, ধর্ষণ থেকে বাঁচলেন নারী!
.............................................................................................
হোয়াইট হাউসের ব্রিফ্রিং রুমে টার্কি!
.............................................................................................
নিজের মেয়েকে `নববধূ` সাজিয়ে ফেসবুকে নিলাম
.............................................................................................
পোশাক ছাড়াই শপিংমল ঘুরে বেড়ালেন তরুণী!
.............................................................................................
ভ্যাম্পায়ার তরুণী
.............................................................................................
কুকুরের লাস্যময়ী তরুণীর সঙ্গ পছন্দ
.............................................................................................
৬৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে জুতা
.............................................................................................
কেন নিষিদ্ধ সিঙ্গাপুরে চুইংগাম?
.............................................................................................
শেষকৃত্যের ১৫ দিন পর বাড়ি ফিরল মৃত ব্যক্তি!
.............................................................................................
যে দেশে জন্মহার বাড়াতে সন্তানের জন্য জমি পুরস্কার
.............................................................................................
নিজের মাথা হাতে নিয়ে হাঁটছে শিশু
.............................................................................................
৯৮ শতাংশ নম্বর পেয়ে পাশ করলেন ৯৬ বছরের বৃদ্ধা
.............................................................................................
যে পিৎজাটি খেতে পারলে পাওয়া যাবে ৪১,০০০ টাকা!
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি