ঢাকা,সোমবার,১২ আশ্বিন ১৪২৮,২৭,সেপ্টেম্বর,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক   > বাণিজ্য সম্প্রসারণে বৈশ্বিক ভিত্তি বঙ্গবন্ধুর তৈরি করা   > সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তাঁর স্ত্রীর বিচার শুরু   > করোনায় শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২১   > প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটনে অবস্থান করছেন   > একদিনে ৮০ লাখ ডোজ টিকা   > রাজবাড়ীতে জন্ম নিবন্ধন তৈরিতে নাজেহাল সনদ গ্রহিতারা   > গ্রাম ও শহরের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না : এমপি নয়ন   > সোনাইমুড়ীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন   > নন্দীগ্রামে ১৫ বছরেও চালু হয়নি হাসপাতাল  

   চলতি পথে -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বক্সার মোশাররফের পাশে দাঁড়ালেন রাসিক মেয়র

রাজশাহী ব্যুরো : এশিয়ান গেমসএ পদকজয়ী কিংবদন্তি বক্সার মোশাররফ হোসেনের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সম্মানিত মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। বক্সার মোশাররফ হোসেনের অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় রাজশাহী মহানগরীর তালাইমারি এলাকায় তাঁর বাসায় ছুটে যান সিটি মেয়র। এ সময় বক্সার মোশাররফ হোসেনের শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং তাঁকে নগদ এক লাখ টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। এছাড়াও মোশাররফ হোসেনের বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতি মাসে তাকে ভাতা প্রদানের আশ্বাস দেন মেয়র উল্লেখ্য ১৯৮৬ সালে এশিয়ান গেমস্ বক্সিংয়ে ৮১ কেজি হেভিওয়েটে ব্যক্তিগত ইভেন্টে বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র ব্রোঞ্চ পদক জিতেন মোশাররফ হোসেন। ১৯৮১ সাল থেকে টানা ১০ বছর ছিলেন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন। দেশের অন্যতম সেরা এই ক্রীড়াবিদ পক্ষাঘাগ্রস্ত হয়ে নিজ বাসাতেই চিকিৎসাধীন। রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় মহানগরীর তালাইমারি এলাকায় বক্সার মোশাররফ হোসেনের বাড়িতে যান রাসিক মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। মেয়র মহোদয়কে দেখেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন ভাই ছাড়া আমার খোঁজখবর কেউ নেয়নি। মেয়র মহোদয় খোঁজ নিতে আমার বাড়িতে এসেছেন, এটি আমার জন্য অত্যান্ত আনন্দের। এরআগেও মেয়র মহোদয় শহীদ কামারুজ্জামান ও জাহানারা জামান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দুইবার সহযোগিতা দিয়েছেন। মেয়র আমার পাশে আছেন এতেই আমি অনেক আনন্দিত। এ সময় রাসিক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, কিংবদন্তি বক্সার মোশাররফ হোসেন শুধু রাজশাহী নয়, পুরো বাংলাদেশের গর্ব। তিনি এশিয়ান গেমস্ে পদক জিতেছেন, ১০ বার জাতীয় পর্যায়ে চাম্পিয়ন হয়েছেন। তিনি তাঁর ক্রীড়া নৈপণ্য বাংলাদেশের জন্য কাজে লাগিয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এখন শারীরিকভাবে অসুস্থ। মেয়র আরো বলেন, মোশাররফ হোসেনের বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স বিধি অনুযায়ী মওকুফ করা হবে। জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবো। এছাড়া আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতি মাসে ভাতা প্রদান করা হবে। দেশের অন্যতম এই সেরা ক্রীড়াবিদের প্রয়োজনে সব সময় পাশে আছি, আগামীতেও থাকবো। এ সময় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তরিকুল আলম পল্টু সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বক্সার মোশাররফের পাশে দাঁড়ালেন রাসিক মেয়র
                                  

রাজশাহী ব্যুরো : এশিয়ান গেমসএ পদকজয়ী কিংবদন্তি বক্সার মোশাররফ হোসেনের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সম্মানিত মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। বক্সার মোশাররফ হোসেনের অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় রাজশাহী মহানগরীর তালাইমারি এলাকায় তাঁর বাসায় ছুটে যান সিটি মেয়র। এ সময় বক্সার মোশাররফ হোসেনের শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং তাঁকে নগদ এক লাখ টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। এছাড়াও মোশাররফ হোসেনের বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতি মাসে তাকে ভাতা প্রদানের আশ্বাস দেন মেয়র উল্লেখ্য ১৯৮৬ সালে এশিয়ান গেমস্ বক্সিংয়ে ৮১ কেজি হেভিওয়েটে ব্যক্তিগত ইভেন্টে বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র ব্রোঞ্চ পদক জিতেন মোশাররফ হোসেন। ১৯৮১ সাল থেকে টানা ১০ বছর ছিলেন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন। দেশের অন্যতম সেরা এই ক্রীড়াবিদ পক্ষাঘাগ্রস্ত হয়ে নিজ বাসাতেই চিকিৎসাধীন। রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় মহানগরীর তালাইমারি এলাকায় বক্সার মোশাররফ হোসেনের বাড়িতে যান রাসিক মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। মেয়র মহোদয়কে দেখেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন ভাই ছাড়া আমার খোঁজখবর কেউ নেয়নি। মেয়র মহোদয় খোঁজ নিতে আমার বাড়িতে এসেছেন, এটি আমার জন্য অত্যান্ত আনন্দের। এরআগেও মেয়র মহোদয় শহীদ কামারুজ্জামান ও জাহানারা জামান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দুইবার সহযোগিতা দিয়েছেন। মেয়র আমার পাশে আছেন এতেই আমি অনেক আনন্দিত। এ সময় রাসিক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, কিংবদন্তি বক্সার মোশাররফ হোসেন শুধু রাজশাহী নয়, পুরো বাংলাদেশের গর্ব। তিনি এশিয়ান গেমস্ে পদক জিতেছেন, ১০ বার জাতীয় পর্যায়ে চাম্পিয়ন হয়েছেন। তিনি তাঁর ক্রীড়া নৈপণ্য বাংলাদেশের জন্য কাজে লাগিয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এখন শারীরিকভাবে অসুস্থ। মেয়র আরো বলেন, মোশাররফ হোসেনের বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স বিধি অনুযায়ী মওকুফ করা হবে। জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবো। এছাড়া আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতি মাসে ভাতা প্রদান করা হবে। দেশের অন্যতম এই সেরা ক্রীড়াবিদের প্রয়োজনে সব সময় পাশে আছি, আগামীতেও থাকবো। এ সময় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তরিকুল আলম পল্টু সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শিশুগুলোর খাদ্য-শিক্ষা-স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একমুঠো চাল!
                                  

গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি : এই বয়সে মায়ের স্নেহের আঁচল ধরে হাসি-খেলায় জীবন কাটানোর কথা। কিন্তু সে বয়সেই শিশুগুলো এতিমখানা কিংবা হোস্টেলের একাকিত্ব জীবনের স্বাদ নিয়ে বেড়ে উঠছে। আবার কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় খাদ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য মাটির পাত্র হাতে এক মুঠো চাল সংগ্রহের জন্য কড়া নাড়তে হচ্ছে মানুষের দরজায়। বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন কওমি মাদরাসার একদল শিশু শিক্ষার্থী মাটির পাত্র নিয়ে মুষ্টি চালের জন্য যখন ঘটি হাতে যাচ্ছিল তখন শিশুসুলভ চেহারায় ছিল বিষাদের ছায়া। দৃশ্যটি শুধু কোমলমতি শিশুদের ভাবায়নি, ভাবান্তর ঘটিয়েছে পথচারিদেরও। আধুনিকতার চরম উৎকর্ষতার এই যুগে কোমলমতি শিশুদের হাতে মাটির পাত্র নিয়ে নিজেদের খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন পরিবারের কাছে দ্বারস্থ হওয়ার এমন দৃশ্য বিদ্ধ করেছে এলাকার সচেতন মহলকে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বার্থী কওমী মাদরাসাসহ এলাকার অনেক মাদরাসার কোমলমতি শিশুরা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় মাটির পাত্র (ঘটি) নিয়ে এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে যেতে হয় চালের জন্য। ওই বাড়ির গৃহকর্তীরা প্রতিবেলা রান্নার সময় ঘটিতে এক মুষ্টি করে চাল রাখেন। ঘটি পূর্ণ হলে মাদরাসায় পৌঁছে দেন। আর এ চাল দিয়ে কোমলমতি শিশুদের খাদ্যর জোগান হয়। দারিদ্রতা, অভাব-অনটন, অবজ্ঞা, অসচেতনতা এবং মাদরাসার এতিমখানার জন্য সরকারি অপ্রতুল বরাদ্দর কারণেই এমনটা হচ্ছে বলে মনে করে সচেতন মহল। প্রবাসী ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান মুন্সি বলেন, একপ্রকার ভিক্ষার টাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো চলে। বিশেষ দেকভালের ব্যবস্থা নেই। এই শিশুরাই একদিন বড় হয়ে সাহায্য-ভিত্তিক জীবনযাপন করবে। হয়ত কোনো মসজিদের ইমামতি কিংবা ব্যক্তি সাহায্যে গড়ে তুলবে কোনো মাদরাসা। কিন্তু আজ যারা সমাজপতি কিংবা রাষ্ট্রের বড় কর্তা হয়ে আছেন তাদের মৃত্যুতে জানাজা দাফন দোয়ার জন্য এদের দ্বারস্থ হতে হবে। জীবনের সকল কিছু ফেলে বিদায়ের শেষ বেলায় যখন এদের কাছে ধর্না দিতে হবে একটু দোয়া মাগফিরাতের জন্য, তখন সামাজিক উচ্চমর্যাদা দিয়ে কোরানের আলোয় আলোকিত করা উচিত কোমলমতি শিশুদের। গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মাজেদুল হক কাওছার বলেন, এই বয়সটি শিশুদের মানসিক ও শারীরিক গঠনের সময়। যদি তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এ ধরনের কাজে তাদের বাধ্য করা হয় তাহলে মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব পরতে পারে। গৌরনদী উপজেলা সমাজসেবা (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা সুশান্ত বালা জানান, যেকোনো এতিমখানার এতিমদের জন্য সরকারি বরাদ্দ নেয়ার জন্য নিবন্ধন করতে হয়। মাদরাসাটি এতিমখানা চালানোর জন্য কোনো নিবন্ধন করেনি।

ডামুড্যায় জয়ন্তীর বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা প্রদান
                                  

মো. নান্নু মৃধা, ডামুড্যা (শরীয়তপুর) : শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় করোনা রুগিদের বিনামূল্যে অক্সিজেন বিতরণ সেবা নিয়ে এগিয়ে এসেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের জয়ন্তী। সংগঠটি গত ১০ জুলাই থেকে পৌরসভার বাস ষ্টান প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রম শুরু করেন। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায় স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন জয়ন্তি এর আগে বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস শুরু হওয়ার পর থেকে জনসাধারণকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জনসাধারণকে বিভিন্ন ভাবে প্রচার প্রচার এর মাধ্যমে সচেতন করেন এবং তাদের মাঝে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ, জনসচেতনতা মূলক ক্যাম্পেইন,ত্রান বিতরণ,করোনা আক্রান্ত রোগীদের দ্বায়িত্ব গ্রহন সহ এ সংগঠনটি দির্ঘদিন যাবৎ রক্তদান কর্মসূচি, বৃক্ষরোপন, হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা, ডাস্টবিন স্থাপন, দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ, মানবতার দেয়াল স্থাপন, ইফতার মাহফিল, অসহায় এবং গরিবদুঃখীদের মাঝে বস্ত্র বিতরনসহ সেবা মূলক কার্যক্রম পালন করছেন এই সংগঠনটি জয়ন্তীর সমন্বয় কারি এনামুল হক ইমরান জানান ডামুড্যা উপজেলায় মুমূর্ষ করোনা পজিটিভ রুগিদের মাঝে এ অক্সিজেন সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হবে। ইমরান বলেন চিকিৎসকের লিখিত নির্দেশ অনুযায়ী করোনা পজিটিভ রোগীদের সেবাটি পেতে কোন প্রকার অর্থ খরচ করতে হবে না। তিনি আরো বলেন, আজ থেকে আমরা ফ্রী অক্সিজেন সেবা চালু করেছি, আমরা প্রতিনিয়ত দেখছি এক জন রোগী অক্সিজেনের অভাবে খুব কষ্ট পাচ্ছে। সামর্থ্যহীন মানুষকেও দেখা যাচ্ছে একটুখানি অক্সিজেনের অভাবে মারা যাচ্ছে। রোগীর স্বজনদের আর্তনাদ হাসপাতালে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে আমরা এসব দেখেই মানবিক উদ্যোগ নিয়েছি।

১৪ বছর নৌকায় বসবাসকারী গোলাপী বেগমের গৃহে প্রবেশ
                                  

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : ১৪ বছর ধরে মা গোলাপী (৯৫) কে নিয়ে নৌকায় থাকতেন নুরু মিয়া (৫৩)। মায়ের জন্য স্ত্রীর সাথে নুরু মিয়ার সম্পর্ক ভালো ছিল না। গত এপ্রিলে ১৪ বছর মা-ছেলের নৌকায় বসবাস শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসন সহ উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে গৃহহীন মা-ছেলের নৌকায় জীবনযাপনের বিষয়টি। মা গোলাপী ও ছেলে নুরু মিয়া শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার পূর্ব ডামুড্যার বাসিন্দা ছিলেন।
মুজিববর্ষে মা গোলাপী ও ছেলে নুরু মিয়ার জন্য ঘর বরাদ্দ দেন জেলা প্রশাসক। গত ২০ জুন সারাদেশে একযোগে মুজিববর্ষের ঘর বিতরণ অনুষ্ঠান থেকে গোলাপী ও নুরু মিয়াকে একটি ঘর বুঝিয়ে দেয়া হয়। একই সাথে জেলা প্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান গোলাপীকে ঘরের আসবাবপত্র সহ দশ দিনের খাবারও বুঝিয়ে দেন।
১৩ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা দারুল আমান ইউনিয়নে গোলাপীর সংসার দেখতে যান জেলা প্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান। এসময় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে তার হাতে তুলেদেন ঘরের আসবাবপত্র, তৈজসপত্র ও খাদ্য সামগ্রী।
এ সময় ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাদিকুর রহমান সবুজ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন মাঝি, পৌর মেয়র রেজাউল করিম রাজা ছৈয়াল, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) তাহমিনা আক্তার চৌধুরী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কাজী রিয়েল, দারুল আমান ইউপি চেয়ারম্যান মোক্তার হোসেন উপস্থিত ছিলেন। ঘর পেয়ে গোলাপী বেগম বলেন, আমাদের ভাগ্যে ছিল বলেই আজ ডিসি স্যার আমাদের দেখতে এসেছে। আসার সময় আমাদের জন্য খাদ্যসামগ্রী, আসবাবপত্র, আলমিরা, আলনা, খাট, ফ্যান, গ্যাস ও চুলা নিয়ে আসেন। আমি ডিসি স্যার ও প্রধানমন্ত্রীকে প্রাণ ভরে  দোয়া করি। জেলা প্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার নিয়ে গোলাপী বেগমের বাড়িতে মেহমান হিসেবে এসেছি।  গোলাপী বেগম ও নুরু মিয়া ১৪ বছর ধরে নৌকায় বসবাস করে আসছেন। তাদের একটি সংগ্রামী জীবন যুদ্ধের কাহিনী। বাংলাদেশের প্রায় সকল মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে এই গোলাপীকে নিয়ে। জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে পজিটিভ সংবাদ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন কে বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই।

বোয়ালমারীতে বাই সাইকেলে পত্রিকা নিয়ে ছোটেন শহরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে রুস্তম শেখ
                                  

জসীম মিয়া, ফরিদপুর ব্যুরো : পত্রিকার পাঠক মহলে এক নামে চেনেন তার নাম হলো “রুস্তম ”। যাকে পত্রিকার সরবারহকারি বলে চেনেন এমনকি তাকে অনেক সময় ডাকা হয়, ‘এই পেপার’, ‘ওই পত্রিকা’ ইত্যাদি নামে। ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে বাই সাইকেলে পত্রিকা নিয়ে ছোটেন শহরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। এ ভাবেই সে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে পত্রিকা বিলি করে চলছেন রুস্তম শেখ। বোয়ালমারী শহর থেকে শুরু করে কামারগ্রাম, মহিলাকলেজ, সৈয়দপুর, সাতৈর, ঘোষপুর, শেলাহাটি, দতরকাঠি, গোহাইলবাড়ি হয়ে মধুখালির নওপাড়া পর্যন্তু বাইসাইকেল করে পত্রিকা নিয়ে ছুটে চলেন প্রতিনিয়ত। এরই মাঝে গ্রাহকদের থেকে পত্রিকার টাকা আদায় করেন। তিনিই এ এলাকায় একমাত্র পত্রিকা বিক্রেতা। প্রতিদিন সকালে তিনি বাইসাইকেল চালিয়ে বোয়ালমারী চৌরাস্তা থেকে পত্রিকার এজেন্ট এম এম জামান এর কাছ থেকে পত্রিকা সংগ্রহ করেন, পত্রিকা সংগ্রহ করে এক দোকান থেকে আরেক দোকান, এক বাড়ি হতে আরেক বাড়িতে গিয়ে পাঠকের হাতে পত্রিকা পৌঁছে দেন। মানুষের অধিকার আদায়ের খবর বিলি করলেও তিনি নিজের ন্যূনতম মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। অথচ তিনি পত্রিকার সম্পাদক ও পাঠক উভয়ের মাঝে সেতুবন্ধন তৈরিতে ভূমিকা রাখেন। এলাকায় ও সমাজে ‘সরবারহকারি’ নামেই তার পরিচয়। রুস্তম ভোরে ঘুম থেকে উঠে ফজরের আজান হলে মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করেন। এরপর সংসারের টুকিটাকি কাজ সেরে নেন তিনি। রুস্তুমের গ্রামের বাড়ি বোয়ালমারী শহর থেকে ২ কিলো দুরে উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের বাগুয়ান গ্রামে। সে এই ব্যবসার মাঝে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বাবা মা’, স্ত্রী, সহ ২ মেয়ে নিয়ে রুস্তমের সংসার। দুটি সন্তানের লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষের মতো মানুষ করাই রুস্তমের স্বপ্ন। কথা হয় রুস্তম শেখের সাথে, তিনি বলেন, ২০ বছর বয়স থেকে ২০০৫ সালে আমি এ ব্যবসার সাথে জড়িত হই। আমার পত্রিকা বিক্রির এলাকায় আমাকে সকলেই খুব স্নেহ ও ভালোবাসেন। আমার পত্রিকার ব্যবসা করতে খুব ভালোলাগে, প্রতিদিন বাইসাইকেল চালিয়ে ভোরে পত্রিকা সংগ্রহ করি। রোদ-বৃষ্টি-ঝড় বা কনকনে শীত, যা-ই থাকুক না কেন, সব সামলে পত্রিকা ঠিকই পাঠকের দ্বারে পৌঁছে দেই। পত্রিকা পাঠকের হাতে পৌছে দিয়ে আমার বাড়ি ফিরতে কোন দিন রাত সাতটা আটটা ও বেজে যায়। পত্রিকা বিক্রি কমে যাওয়ায় আমাদের হকারদের পরিবার নিয়ে চলতে হিমশিম খেতে হয়। আর পত্রিকার মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে এমন আশঙ্কায় সংবাদপত্রের গ্রাহকেরা বাসা এবং অফিসে আগের মতো পত্রিকা নেয়া বন্ধ করে দেয়ায় পত্রিকা বিক্রিতে বিরাট ধস নেমে আসে। অথচ পত্রিকার পেছনে আলাদাভাবে লেখা রয়েছে পত্রিকার মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ায় না। জীবনের কথা বেশ আনন্দ নিয়ে বলা শুরু করলেন এই রুস্তম শেখ। পত্রিকা বিক্রি করে মাস শেষে যা আয় করি, তা পরিবারে ব্যয় করি। তিনি আরো বলেন, গ্রামে পত্রিকা এখন খুব কম বিক্রি হয়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকলেই খবর পড়ে থাকে। আগের চেয়ে এখন পত্রিকা কম চলে। তবুও পত্রিকা বিক্রি করছি অল্প স্বল্প। নিজেদের খরচ বাড়লেও পত্রিকার দামও আমাদের পাওনা তো বাড়ে না। বছরে দুটো ঈদ এলে পত্রিকার হকাররা পান না কোনো বাড়তি সহযোগিতা। এখন পত্রিকা বিক্রি কেমন হয় জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘পত্রিকা মালিকেরা পত্রিকা প্রিন্ট দিয়েই খালাস কিন্তু দিনদিন পাঠক বৃদ্ধি করা কিংবা পাঠক ফোরাম করার কোনো চিন্তা তাদের মাথায় নেই। এতে বিক্রির পরিমাণ দিনে দিনে কমছে।’ এ ব্যপারে বোয়ালমারী উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক দাউদুজ্জামান দাউদ বলেন, রুস্তম শেখ একজন পরিশ্রমী ছেলে দীর্ঘদীন সুনামের সাথে পত্রিকা ব্যবসা করে আসছে। তার পরিবারের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস বাড়াতে চাই, এবং আমি রুস্তমের সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।

পরিত্যক্ত বিমান নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত : ৮শ’ কোটি টাকা বকেয়া
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজের বড় অংশ জুড়ে পড়ে থাকা ১২টি উড়োজাহাজ বাজেয়াপ্ত করে নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বছরের পর বছর পড়ে থাকা উড়োজাহাজগুলো কার্গো এলাকায় মালামাল তোলা ও নামানোর কাজে সমস্যা তৈরি করছে। সূত্র জানায়, ইউনাইটেড, রিজেন্ট এবং জিএমজির কাছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (ক্যাব) বিভিন্ন ফি বাবদ ৭৫০ কোটি টাকা পাবে। আভিয়ানার কাছে পাওনা টাকার হিসাব করছেন কর্মকর্তারা। ইউনাইটেডের কাছে ১৯০ কোটি টাকা, জিএমজির কাছে ৩৬০ কোটি টাকা এবং রিজেন্টের কাছে ২০০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে ক্যাবের। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের আটটি, রিজেন্ট এয়ারওয়েজের দুটি, জিএমজি ও আভিয়ানার একটি করে উড়োজাহাজ দীর্ঘদিন ধরে পড়ে আছে। এতে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ এলাকাটি কার্যত উড়োজাহাজের ভাগারে পরিণত হয়েছে। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ-উল আহসান জানিয়েছেন, এই এয়ারলাইনগুলো এক থেকে আট বছর ধরে চালু নেই। ক্যাবের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান জানান, ‘ফি পরিশোধ করে উড়োজাহাজগুলো সরিয়ে নিতে ক্যাব বিভিন্নভাবে চিঠি দিলেও বিমান সংস্থাগুলোর সাড়া মেলেনি। এ কারণেই আমরা বিমানগুলো বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ জিএমজি ২০১২ সালে তাদের ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়। তারপর থেকে তাদের এমডি-৮২ উড়োজাহাজটি কার্গো ভিলেজে পড়ে আছে। ইউনাইটেড এয়ার কোনো ঘোষণা ছাড়াই প্রথম ফ্লাইট চালুর ১০ বছর পর ২০১৬ সালে ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়। রিজেন্ট প্রথম চালু হয়েছিল ২০১০ সালে। মহামারির কারণে অর্থনৈতিক সংকটে পড়ায় গতবছর তারা কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। এখন পর্যন্ত তাদের ফ্লাইট চালু হয়নি। আভিয়ানা ২০০৮ সালে ফ্লাইট চালু করার কয়েক বছরের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। বিশাল এলাকা জুড়ে উড়োজাহাজ পড়ে থাকায় বিমানবন্দরের সৌন্দর্যও বিনষ্ট হয়েছে।

ব্যবহার অনুপযোগী রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের বাড়ি
                                  

মাজহারুল ইসলাম চপল, ব্যুরো চীফ : রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে গরীব অসহায় ও ভূমিহীনদের দেওয়া বাড়ি বর্তমানে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সেখানে নেই রাস্তা, নেই বিদ্যুৎ, নেই খাবার পানির ব্যবস্থা। আবার ভাল নেই টয়লেট ব্যবস্থাও। এমন দৃশ্য চোখে পড়ে বাগমারা উপজেলার আউচ পাড়া ইউনিয়নের হাটগাঙ্গোপাড়া গ্রামে ভূমিহীনদের নতুন গুচ্ছ গ্রামে। এই অভাগা অসহায় পরিবারগুলোর সাথে কথা বলে জানা যায় আরও অনেক কিছু। ভুমিহীনদেন জন্য নির্মিত ১২টি বাড়ি এখন বর্ষার পানিতে ভাসছে। তাদের যাওয়া আসার মত নেই কোন রাস্তা। কারন ঐ বাড়ি গুলো করা হয়েছে বিলের মাঝে। বিলটির বুকচিরে বয়ে গেছে ছোট্ট একটি নদী, যদিও কালের বিবর্তনে প্রায় হরিয়ে গেছে নদীর মুলধারা। নাম তার “কম্প”। এই কম্প নদীর পাড় ঘেঁষে ফসলের ক্ষেত। আর ক্ষেতের মাঝে এই ঘর গুলো। সব মিলিয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন সেখানে আশ্রয় পাওয়া ১২টি পরিবার। অসহায় মানুষের দুর্ভোগের সংবাদ পেয়ে গত ১জুলাই (বৃহস্পতিবার) ঘটনাস্থলে মিডিয়া কর্মিরা উপস্থিত হলে আবেগাপ্লুত কন্ঠে ভুক্তভোগীরা জানান, আমরা কত কষ্টে জীবন জাপন করছি যা দেখার কেউ নাই। মাত্র কয়েকদিন হলো বাড়িতে আসা, এরমধ্যে এই বিপদে পড়েছি। কবে এসেছেন জানতে চাইলে তারা বলেন, গত ২০ জুন ২০২১ আমাদের ১২টি ভূমিহীন পরিবারকে বাড়ির কাগজ বুঝিয়ে দেয়। কিন্তু আমরা কেউ এখানে বসবাস করতে পারছি না। এখানে খাবার পানির ব্যবস্থ নেই, টয়লেট যেটা করে দিয়েছে, তাতে ঢোকার অবস্থা নাই, কারন জানতে চাইলে তারা বলেন, সামান্য বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাচ্ছে পুরো এলাকা।

যুগোপযোগী হচ্ছে ডাক আইন
                                  

আমিরুল ইসলাম : জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ডাক পরিবহন, মেইলিং অপারেট এবং কুরিয়ার সার্ভিস পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি আইন প্রণয়ন করছে সরকার। ১৮৯৮ সাল থেকে নিয়ে এবারই প্রথম আইনটি পরিপূর্ণভাবে যুগোযোগী করা হচ্ছে। যদিও ২০১০ সালে আইনটির কিছু কিছু ধারা সংশোধন করা হয়েছিলো। সংশোধিত ডাক আইনে রেমিট্যান্স ট্রান্সফার সেবা, ব্যাংকিং সেবা, ডাক জীবন বীমা সেবা দেবে ডাক বিভাগ। বর্তমানে শুধু ডাক সঞ্চয় ব্যাংক ও জাতীয় স্বঞ্চয়পত্র সেবা প্রদান করছে ডাক বিভাগ। নতুন করে ডাক সঞ্চয় ব্যাংকের নাম রাখা হবে পোষ্ট ব্যাংক। সব ধরণের প্রতিবন্ধী ব্যক্তির যাবতীয় প্রকৃতির শিক্ষা সামগ্রী ডাক অধিদপ্তর বিনামূল্যে গ্রহণ ও বিতরণ করবে। তবে একটি নীতিমালা তৈরি করে তা করা হবে। যেখানে সেখানে ডাক বহনকারি যানবাহন থামানো যাবে না। নির্ধারিত গন্তব্যে পৌছলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি, শুল্ক গোয়েন্দা অথবা সরকারের এখতিয়ার সম্পন্ন ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ডাক বহণকারি যাবাহন তল্লাসী করা যাবে। আইনের বিধান ভঙ্গ করলে থাকছে কঠোর শাস্তির বিধান। দুর্যোগের সময় বিনামূল্যে ত্রাণ সামগ্রী বহণ করবে ডাক বিভাগ। ডাক দ্রব্য বীমার আওতায় আনা হবে। ডাক দ্রব্য হারানো গেলে প্রেরককে বীমার টাকার সমপরিমান অর্থ ফেরত দেবে সরকার। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার(ইএমটিএস) এককভাবে ডাক বিভাগ অথবা সরকারি, বেসরকারি দেশীয় কিংবা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচলনা করবে। ডাকযোগে কোন ধরণের বিস্ফোরক পদার্থ, বিপদজ্জনক, নোংরা বিষাক্ত বা ক্ষতিকর কোন বস্তু এবং জীবন্ত প্রাণি ডাক যোগে পাঠানো যাবে না। অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ মদ্রণ, স্থিরচিত্র,ভিডিও চিত্র, সিডি, ডিভিডি, ফটোগ্রফ, খোদাইকৃত দ্রব্য ডাক যোযোগে পাঠানো যাবে না। ডাকদ্রব্যের উপরের আবরণের ওপর রাষ্ট্রবিরোধী,বিদ্রপাত্নক, হুমকি বা আক্রমণাত্নক কোক শব্দ, চিহৃন বা নকশা ব্যবহার করা যাবে না। সাম্প্রদায়িক উস্কানি, শ্রেণী বৈষম্য,ধর্মী অনভূমিতে আঘাত হানে অনুরূপ, ব্যক্তি, সমাজ ও প্রতিষ্ঠানের জন্য অবমাননাকর এবং রাজনৈতিক বিদ্ধেষপ্রষুত বক্তব্যসংম্বলিত লেখা, অডিও, ভিডিও, হাতের লেখা ডাকযোগে প্রেরণ করা যাবে না। অতি সহজে বিনষ্ট হয় বা অরক্ষিত কোন দ্রব্য ডাক যোগে প্রেরণ করা যাবে না। আইনটি দি পোষ্ট অফিস এ্যাক্ট ২০২০ নামে অভিহিত হবে। আইনটির খসড়া থেকে এই সব তথ্য জানা গেছে।
ডাক বিভাগের মহাপরিচালক মো: সিরাজ উদ্দিন দৈনিক গণমুক্তিকে বলেন, আইনটি বেশ পুরানো। যুগোপযযোগী করার করে গণমানুষকে উন্নততর সেবা প্রদানের জন্য কাজ করছি। আমরা আইনটি চুড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়েছিলাম। তারা কিছু কিছু ক্ষেত্রে কোয়ারি দিয়েছেন। সেগুলোর জবাব শিগগিরই দেওয়া হবে। তারপর মন্ত্রিসভায় অনুমোদন এবং পাশের জন্য জাতীয় সংসদে পেশ করা হবে। খসড়া আইনের ৩০ ধারায় বলা হয়েছে, মুদ্রণ ও প্রকাশনা আইন ১৯৭৩ এর বিধানে অনুমোদন ছাড়া কোন ধরণের সংবাদপত্র ডাকযোগে পাঠানো যাবে না। প্রেরক এবং প্রাপক কাউকে এক বছরের মধ্যে না পাওয়া গেলে মনি অর্ডারের অর্থ সরকারের কাছে দাবি দরা যাবে না। ডাক জীবণ বীমা চালু করবে ডাক বিভাগ। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীনে ডাক অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। খসড়ায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য মৌলিক যোগযোগের একমাত্র কর্তৃত্বপ্রাপ্ত ডাক সেবা প্রদানকারি সরকারি সংস্থা হবে ডাক বিভাগ। যা দেশে ইউনির্ভাসাল ডাক সেবা প্রদানকারি একমাত্র প্রতিষ্ঠান। আন্তর্জাতিভাবে বাংলাদেশ পোষ্ট হিসেবে পরিচিত হবে। এই আইন জারি হলে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে লাইসেন্স প্রদান এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত মেইলিং অপারেটর ও কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ গঠণ করবে। তিন সদস্য বিশিষ্ট ওই কমিটির চেয়ারম্যান নিয়োগ দেবে সরকার। বর্তমান মেইলিং অপারেটর বা কুরিয়ার সার্ভিসের ব্যবসা পরিচালনাকারিরা লাইসেন্সিং কর্র্তৃপক্ষ গঠণ করা হবে। একটি জাতীয় কুরিয়ার সার্ভিস নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। লাইসেন্স ছাড়া কেউ কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে না। লাইসেন্স প্রদানকারি কর্তৃপক্ষ ছাড়া কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ির গতিরোধ করা যাবে না। তবে রাষ্ট্র ও সরকারের নিরাপত্তার স্বার্থে গন্তেব্যে পৌঁছার পর আইন শৃঙ্খলা বাহিনী লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে গতিরোধ করা যাবে। কুরিয়ার সার্ভিসের ব্যবসা পরিচালনার জন্য ব্যক্তিকেও লাইসেন্স দেওয়া যাবে।
খসড়া আইনে অনুসারে, পার্সেল সার্ভিস বলতে ডকুমেন্ট ব্যতিত কার্টন, প্যাকেট প্রতি অনুর্ধব ৩০ কেজি পর্যন্ত ওজনের কোন দ্রব্য প্রেরকের কাছ থেকে মেইলিং অপারেটর ও কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত মাশুল গ্রহণ সাপেক্ষে লিখিত ঘোষণাপূর্বক তা পরিবহণ করে শুল্ক, কর, মাশুল পরিশোধ সাপেক্ষে প্রাপকের ঠিকানায় তার প্রাপ্তিস্বীকার গ্রহনপূর্বক বিতরণের জন্য দেওয়া সেবাকে বোঝানো হবে। আইনে ডাক অধিদপ্তর, লাইসেন্সপ্রাপ্ত মেইলিং অপারেটর ও কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান অভ্যন্তরীণ বা আন্তর্জাতিক ডাক দ্রব্যাদি সংগ্রহ, বহণ, যাচনা বা বিলি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রতারণামূলক বা ইচ্ছাকৃত ছাড়া অন্য ভাবে কোন ডাক দ্রব্য হারানো গেলে, বিলিতে ত্রুটি, বিলম্বে বা ক্ষতির দায় দায়িত্ব সরকার বহণ করবে না। ডাক ঘরের কোন কর্মকর্তা কর্মচারিও উল্লিখিত দায়ে দায়িত্ব বহণ করবেন না। তবে কি কি করলে প্রতারণা হবে বা ইচ্ছাকৃত ত্রুটি ছিলো তার কোন ব্যাখ্যা আইনে দেওয়া হয় নি। ডাক গ্রহণকালে গ্রহণকারি সামনেই মোড়কীকরণ করে প্রেরককে ঘোষণাপত্র দিতে হবে এতে আইনে নিষিদ্ধ কোন পণ্য নাই।
মেইলিং অপারেটর বা কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণের জন্য গঠিত লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রশাসনিক আওতাধীন একটি পৃথক সংস্থা হিসেবে গঠিত হবে। এই সংস্থার কার্যক্রম কর্মপরিধি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে। সরকার এই আইনের আওতায় মেইলিং অপারেটর বা কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের মেইলিং সেবা ব্যবসা পরিচালনার শর্তবলী আরোপ করবে। সরকার লাইসেন্স ফিস,চার্জ ও কমিশন নির্ধারণ করবে। এই আইনের অধীনে প্রণীত বিধিমালা অমান্য করলে মেইলিং অপারেটর বা কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের দন্ড ও শাস্তির বিধান করা করা হবে। এই আইনের অধীনে সরকার একটি জাতীয় কুরিয়ার সার্ভিস নীতি প্রণয়ন করবে। রাষ্ট্র ও জনগণের জন্য হুমকিস্বরূপ কোন দ্রব্যাদি গ্রহণ, পরিবহণ, বিতরণ করলে ওই মেইলিং অপারেটর বা কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, শুল্ক কর্তৃপক্ষ, লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাগণের উপস্থিতিতে কুরিয়ার দ্রব্যাদি বহণকারি যানবাহণের গতিরোধ করতে পারবে। যারা এই আইন ও বিধির শর্তমেনে আবেদন করবেন না তারা কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স পাবেন না। আইনে ডাক মাশুল বলতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ডাকযোগে পাঠানো বানিজ্যিক অবানিজ্যিক ডাক দ্রব্য পরিবহনের বিনিময়ে কাছ থেকে টিকিটের মাধ্যমে বা অন্য কোন উপায়ে আদায় করা মাশুল। যাকে পাওয়া যাবে না বা মৃত ব্যক্তির কাছে পাঠানো ডাকের মাশুল প্রেরক বহণ করবেন।
আইনের দশম অধ্যায়ে ডাক সেবা প্রদানকারিদের বিভিন্ন ধরণের শাস্তির বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। ডাক বিতরণকারি ব্যক্তির কাছে রক্ষিত নিবন্ধন বইয়ে কোন মিথ্যা তথ্য লেখলে অর্থাৎ ডাক বিতরণ না করে করেছেন এই ধরণের মিথ্যা তথ্য লেখলে তার ছয় বছরের কারাদন্ড এবং সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। ডাক দ্রব্য চুরি, অসদুপায়ে আত্নসাৎ, গোপন, নষ্ট করলে এবং ফেলে দিলে ওই ডাকা কর্মকর্তা কর্মচারির কমপক্ষে সাত বছরের কারাদন্ড এবং সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা হবে। ডাক ঘরে কর্মরত কোন নারী কর্মকর্তা কর্মচারিকে কর্মক্ষেত্রে কোন ধরণের নিগ্রহ, কটুক্তি, উস্কানিমূলক অঙ্গভঙ্গি, অশ্ললীল উক্তি করাই যাবে না। করলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ সেক্সুয়াল হেরেজমেন্টাল ইলিমিনেশন এন্ড প্রিভেন্ট পলিসির(বিএলএএসটি) অধীনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনটির ৯ ধারার বিধান ভঙ্গ করে কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি ঘটনার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। ডাকটিকিটি বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য দাবি করলে ৬ মাসের কারাদন্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার অর্থদন্ডে অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা হবে। ২০ এবং ২১ ধারার বিধান লঙ্গন করে ক্ষতিকর নিসিদ্ধ পণ্য এবং অশ্লিল দ্রব্য ডাকযোগে প্রেরণ করলে সর্বোচ্চ এক বছরের জেল এবং সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। কোন ব্যক্তি ডাকঘরের চিঠির বক্স, ডাক ঘরের কাউন্টার, মেইল প্রসেসিং সেন্টার, ডাক বছাই কেন্দ্র, সার্ভাররূম, কল সেন্টার স্ট্যাম্প গোডাউন এবং ডাক ট্রেজারি নোংরা করলে ক্ষতিকর পদার্থ নিক্ষেপ করলে তার সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদন্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। ডাক অধিদপ্তরের কোন কর্মকর্তা কর্মচারি একক বা দলগতভাবে অধিদপ্তরের উন্নয়নমূলক কাজে বাধা প্রদান করলে দরপত্রে বাধা দিলে, তথ্য ফাঁস করলে, হুমকি দিলে এবং চাঁদা দাবি করলে তার বা তাদের কমপক্ষে ১০ জেল এবং ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে।

বাঁচতে চায় মির্জাগঞ্জের মহসিন
                                  

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের কলাগাছিয়া মাদরাসার দপ্তরি ও মসজিদের মুয়াজ্জিন রাজ্জাক ফকিরের একমাত্র ছেলে মহসিন (২৪) দীর্ঘ দিন ধরে কিডনি রোগে ভোগছেন। মধ্যবিত্ত বাবার পক্ষে উন্নত চিকিৎসা দিতে না পারায় কোনো উন্নতিও দেখছেন না তিনি। তার চিকিৎসায় অন্তত সাত লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানায় চিকিৎসক। পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে তার চিকিৎসার খরচ জোগান দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। পরিবার সূত্র জানায়, মোঃ রাজ্জাক ফকির দুইটি বিবাহ করেন। মহাসিন তার প্রথম ঘরের সন্তান। তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করলে মহাসিনকে সাথে নিয়ে তার মা বিউটি বেগম (১ম স্ত্রী) বাবার বাড়িতে চলে আসেন। এরপর থেকে সেখানেই তারা বসবাস করেন। অন্যের বাসায় কাজ করে যা পান তাতেই তার দিন চলে। কিন্তু ছেলের কিডনি রোগ ধরা পড়ার পর আরো ভেঙে পড়েন তিনি। ছেলের চিকিৎসার জন্য এত টাকা কোথায় পাবেন এ নিয়ে সবসময় চিন্তায় থাকে তিনি। তারা দেশের বিত্তশালী ও হৃদয়বান লোকদের কাছে মহসিনের চিকিৎসায় এগিয়ে আসতে অনুরোধ করেছেন। মহসিনকে সাহায্য পাঠাতে বিকাশ করুন- ০১৭৪৯৮৮১৮০৮(মহাসিনের চাচাতো ভাই নুরুল ফকিরের নাম্বার)।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ঘুষ দিলেন, পরে গ্রেফতার
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : কুষ্টিয়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে জমি রেজিস্ট্রি করতে ঘুষ দিতে হয়েছে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বি এম আব্দুর রাফেলকে। পরিচয় দেওয়ার পরও তিনি রেহাই পাননি তাদের কাছ থেকে। শেষ পর্যন্ত ঘুষ দিয়েই তাকে জমি রেজিস্ট্রি করতে হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে সদর উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার সিংহের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে ফেসবুকে এক পোস্টে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন বি এম আব্দুর রাফেল সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পিয়ন আক্কাস আলী ও কর্মচারী মুকুল হোসেন ঘুষ নিয়েছেন। তিনি জানান, সদর উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি একটি ব্যাংকের মর্টগেজ দলিল রেজিস্ট্রির জন্য যান। সঙ্গে ছিলেন তার বড় ভাই। তাদের সঙ্গে ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তাও ছিলেন। জমি বন্ধক রেখে ঋণ নেওয়ার জন্য রেজিস্ট্রি করতে যান তিনি। অভিযোগ করে তিনি বলেন, কাজ শেষে অফিস সহকারী মুকুল ও পিয়ন আক্কাস ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। টাকার রশিদ চাইলে তারা তা দিতে পারবে না বলে জানায়। নিজের পরিচয় দেওয়ার পর পাঁচ হাজার টাকা কমিয়ে ২৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়। ঘুষের দাবিতে অটল থাকায় তার বড় ভাই ১০ হাজার টাকা দেন। পরে বিকেলেই এই অভিজ্ঞতার কথা ফেসবুকে তুলে ধরেন তিনি। ঘটনাটি জানাজানির পর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও দলিল লেখকরা বৈঠক করেন। এরপর আব্দুর রাফেলকে ফোন দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং টাকা ফেরত নেওয়ার অনুরোধ জানান। তবে তিনি টাকা ফেরত না নিয়ে ঢাকা চলে আসেন। সাব-রেজিস্ট্রার অফিস সূত্রে জানা গেছে, আব্দুর রাফেলের দলিলটি ব্যাংকের মর্টগেজ দলিল। বিষয়টি দেখভাল করেন ব্যাংক কর্মকর্তারা। এটির জন্য টাকা নেওয়ার কথা নয়। রাফেল বলেন, ‘ওটা একটি সরকারি অফিস। আমি আমার পরিচয় দেওয়ার পরও তারা টাকা দাবি করে। বিষয়টি নিয়ে আমি খুবই মর্মাহত।’ এ বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার সিংহ বলেন, ‘ঘুষ চাওয়ার বিষয়টি আমি জানি না। তবে, ওই কাজটি আমি দ্রুত করে দিয়েছিলাম।’ এদিকে, ঘুষ নেয়ার অভিযোগে গতকাল বুধবার অফিস সহকারী রফিকুল ইসলাম মুকুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

রাজশাহীতে ভূমিদস্যুর হাত থেকে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলন
                                  

মাজহারুল ইসলাম চপল, রাজশাহী ব্যুরো : রাজশাহীতে ভূমিদস্যুর দখল থেকে পৈত্রিক সম্পত্তি দখলমুক্ত করতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. রায়হানুল নঈমী (আশিক) নামে এক ভুক্তভোগী। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর দোশর মন্ডলের মোড়ে রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জনৈক জহুরুল ইসলাম ঝপু কর্তৃক তার পৈত্রিক সম্পত্তি দখল হয়েছে উল্লেখ করেন এবং সেই সম্পত্তি দখল মুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দপ্তরের কাছে আবেদন জানান। সংবাদ সমমেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী বলেন, আমি মো. রায়হানুল নঈমী (আশিক) পিতা. মৃত. নইমুল হুদা, পোষ্ট ঘোড়ামারা, থানা: বোয়ালিয়া, জেলা. রাজশাহী। আমি এই মর্মে আপনাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমার পিতার ক্রয়কৃত বায়া বিরস্তইল মৌজায় ৫ বিঘা জমি রয়েছে (যাহার মৌজা. সিন্দুর কুসুম্বী, হাল এয়ারপোর্ট, আরএস খতিয়ান ১৩০৯, দাগ নং ৬৫১৫-৩৩, জে,এল ১২৮, ধরনঃ ভিটা)। আমার পিতার মৃত্যুর পরে ওয়ারিশ/ পৈত্রিক সূত্রে আমি মো. রায়হানুল নঈমী (আশিক) আমার মা মোছা. সাবিয়া খাতুন এবং আমার ছোট বোন নিসা তাবাসুম ওয়ারিশন সূত্রের এই সম্পত্তির প্রকৃত হকদার মালিক হই। যা আমরা ৮ বছর যাবৎ ভোগ দখল করছি। এরই মধ্যে হঠাৎ করে জহুরুল ইসলাম (ঝপু), পিতা: মৃত. আবদুল জব্বার, সাং- বিরস্তইল, ডাকঘর: রাজশাহী চিনিকল, থানা: এয়ারপোর্ট, জেলা: রাজশাহী। মোবাইল: ০১৭২৮-০৩২২১৩, আমার মা ও বোনকে প্রলোভিত করে নাম সর্বস্ব ভুয়া বায়না করে এই মর্মে আমার উক্ত সম্পত্তি জবর দখল করেছে যা সম্পূর্ণ অন্যায় ও বে-আইনী। আমি ২৫/০৪/২০২১ ইং তারিখে এয়ারপোর্ট থানায় জহুরুল ইসলাম ঝপুর বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করি। কিন্তু থানা থেকে কোনরকম আমাকে সহযোগিতা করেনি। এছাড়াও আমার জমি বিবাদী জহুরুল ইসলাম (ঝপু) বাউন্ডারী দেওয়া শুরু করেছে। এরপর আমি ৯৯৯ কল দিয়ে সহযোগিতা কামনা করি। কিন্তু উক্ত এয়ারপোর্ট থানা আমাকে আশ্বাস ছাড়া আর কোন সহযোগিতা করেনি। এমতবস্থায় আমি প্রসাশনের সহযোগিতা না পেলে আমার পৈত্রিক সম্পত্তি হাত ছাড়া হয়ে যাবে। তাই আপনাদের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটানটি তুলে ধরে প্রসাশনের দৃষ্টিপাত ও সহযোগিতা কামনা করছি। এ বিষয়ে জহুরুল ইসলাম ঝপুর সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি বার বার প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান এবং বলেন এটি প্রশাসনের ব্যাপার, আপনারা এ নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে। বিষয়টি নিয়ে এয়ারপোর্ট থানার ওসি মশিউর রহমান বলেন, বিস্তারিত জেনে আমি ব্যবস্থা নেব।

ডামুড্যায় দীর্ঘ ১৩ বছর নৌকায় বাস করার পর ঘর পেলেন গোলাপী
                                  

মো. নান্নু মৃধা, ডামুড্যা (শরীয়তপুর) : নদীতে আর বসবাস করতে হবে না গোলাপীর। প্রধানমন্ত্রী উপহার পাকা ঘরে থাকবেন এখন থেকে। গত কয়েক মাস বিভিন্ন বৃদ্ধা মা কে নিয়ে নৌকায় ১৩ বছর এই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেই সংবাদের সূত্র ধরে প্রথমে নুরু মিয়ার মা গোলাপী কে সরকারি বয়স্ক ভাতা ও সরকারি ঘরের ব্যবস্থা করে দেন তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মর্তুজা আল মুঈদ। গত রোববার সকাল ১১ টায় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে সারা বাংলাদেশের ঘর উদ্বোধন করা হয়। বিকেল সারে ৪ টায় জয়ন্তী নদীর পাড়ে ঘরের কাগজপত্র বুঝিয়ে দেওয়া হয়।নুরু মিয়ার (৫৩) মায়ের নাম গোলাপী (৮৭), বাবা মৃত আশ্রাফ আলী। মা-ছেলে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়নের রামরায়কান্দি গ্রামের ভোটার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত) মোঃ আলমগীর হোসাইন, উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন মাঝি, ডামুড্যা পৌর মেয়র রেজাউল করিম রাজা ছৈয়াল সহ আরোও অনেকে ই। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেইন বলেন, সকালে বৈরি আবহাওয়া এবং গোলাপী বেগম চলাচলে অক্ষম হওয়ায় আমরা তাকে আজ অনুষ্ঠানে আনি নি। তাই বিকেলে তার হাতে ঘরের কাগজপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। তার ঘরের কাজ শেষ হলে আমরা গিয়ে তাকে ঘরে উঠিয়ে সব কিছু বুজিয়ে দিয়ে আসব। এছাড়া উপজেলার ৮০ টি ঘরের মধ্যে ৩০ ঘরের মালিকদের হাতে হাতে মালিকানা বুজিয়ে দেওয়া হয়েছে। গোলাপীর ছেলে নুরু মিয়া বলেন, আমার মা অক্ষম। হাটতে চলতে পারে না। আমি ধরিয়ে গোসল করাই আবার খাইয়ে দেই। গত কয়কে দিন আগে আপনার মাধ্যমে আমাকে ও আমার মাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তারপর আমার মা কে বয়স্ক ভাতা ও ঘরের আশ্বাস দেন। আজ ঘরের কাগজ দিয়েছে। ঘর তৈরি হলে ওউিয়ে দিয়ে আসবে বলেন। এর আগে শরীয়তপুরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দ্বিতীয় ধাপে ভূমিহীন ও গৃহহীন ১২০০ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের পাকা ঘরের সকল কাগজ পত্র বুজিয়ে দেয় জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান।

মোহনায় ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে ২১ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড, নিখোঁজ ৩
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ কোস্টগার্ড স্টেশন পাথরঘাটা কর্তৃক বরগুনা জেলার পাথরঘাটার বিশখালী নদীর লালদিয়ার মোহনায় ডুবে যাওয়া মাছ ধরা ট্রলার এফবি বিলকিস থেকে শুক্রবার (১৮ জুন) বিকালে ২১ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়, এখনও নিখোঁজ ৩ জন। নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আমিরুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বৈরি আবহাওয়ার কারণে বরগুনা জেলার পাথরঘাটার বিশখালী নদীর লালদিয়ার মোহনায় দুপুরে উক্ত মাছ ধরার ট্রলার ডুবির খবর পাওয়া যায়। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে স্টেশান কমান্ডার পাথরঘাটা লেঃ ফাহিম শাহরিয়ার এর নের্তৃতে বিসিজি স্টেশন পাথরঘাটা কর্তৃক একটি উদ্ধারকারী দল উদ্ধার অভিযানের নিমিত্তে ঘটনাস্থলে গমন করে। পরবর্তীতে ডুবে যাওয়া ট্রলালের সর্বমোট ২৪ জন জেলের মধ্যে ২১ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত -৭ এর পাতায় দেখুন

দৃষ্টি ফিরে পেল শিশু তৌসিন
                                  

চৌহালী প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার হাপানিয়া গ্রামের বই বাধাই শ্রমিক মো. আব্দুল মতিন ও গৃহিনী তাসলিমা বেগমের ঘর আলো করে জন্ম নেয় ফুটফুটে এক ছেলে সন্তান মোঃ তৌসিন। তৌসিনের বয়স মাত্র ৮ মাস। সম্প্রতি শিশু তৌসিনের বাম চোখে সমস্যা দেখে তার দরিদ্র বাবা-মা অনেক কষ্ঠে কিছু টাকা যোগার করে টাংগাইলের দুটি চক্ষুু হাসপাতালে নিয়ে যান। উভয় হাসপাতাল হতে বাম চোখের কর্নিয়ার সমস্যার কথা উল্লেখ করে ইস্পাহানি আই হসপিটাল, ফার্মগেট ঢাকায় রেফার করে। কিন্তু করোনায় চাকুরী হারানো বেকার দরিদ্র বাবার পক্ষে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করা সম্ভব না হওয়ায় তারা চৌহালীর সম্ভুদিয়া বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৪ ব্যাচের ছাত্রদের সংগঠন ফ্রেন্ডস ফাউন্ডেশন ফর হিউম্যানিটি’র কাছে সাহায্যের আবেদন জানায়। ফাউন্ডেশন তাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে প্রয়োজনীয় অর্থ দিয়ে বাচ্চাটাকে ইস্পাহানি হাসপাতালে প্রেরণ করে। ইস্পাহানি হসপিটালের ডাক্তার গন চোখের সানি ও রেটিনার সমস্যা ডায়াগনোসিস করে সানি অপারেশন এবং পরবর্তীতে অবজারভেশনে রাখার পরামর্শ দেয়। পরবর্তীতে ফাউন্ডেশন বাচ্চাটিকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হসপিটালে প্রেরন করে। সেখানে ডাক্তাররা পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেয়। ফাউন্ডেশনের সহায়তায় গত ৬/০৬/২১ তারিখে বাচ্চাটির অপারেশন সফল ভাবে সম্পন্ন হয়। বাচ্চাটির অপারেশনের যাবতীয় ব্যায় বহন করে ফাউন্ডেশনের সম্মানিত ডোনাররা। বর্তমানে বাচ্চাটি সুস্থ্য আছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তৌসিনে চাচা মোঃ আব্দুল্লাহ বলেন- দুঃসময়ে পাশে দাড়ানোর জন্য সংগঠনের সবাইকে ধন্যবাদ এরকম মানবিক কাজে যেন তারা সব সময় থাকে ।
উল্লেখ্য যে ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর হতে ফাউন্ডেশনটি চৌহালী উপজেলার অসহায় দরিদ্র মানুষদের চিকিৎসা সহায়তা, শীত বস্ত্র বিতরন, বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসায় টিউবয়েল স্থাপন সহ সমিজিক কাজ করে যাচ্ছে। সমাজের বিত্তবানরা তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে ফাউন্ডেশনটি আরো বৃহৎ আংগিকে সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে বলে মনে করেন ফাউন্ডেশনের সভাপতি- মোঃ আব্দুর রহিম।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে মসিক মেয়র
                                  

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ইসলামবাগ বস্তিতে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু। সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টায় ইসলামবাগ বস্তিতে অসহায় ৯ পরিবারকে এ খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়। এ সময় মেয়র ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারকে নগদ ৫ হাজার টাকা সহযোগিতা প্রদানের ঘোষণা দেন। বিতরণকালে মেয়র বলেন, অগ্নিকান্ডের পর থেকে আপনাদের সার্বিক খোঁজ-খবর আমরা রাখছি। আমাদের কাউন্সিলর সবসময় আপনাদের পাশে আছেন। আপনাদের সকল প্রয়োজনে আমরা আপনাদের পাশে আছি। তিনি আরো বলেন, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি যদি দুর্ঘটনাস্থলে পৌছাতে পারতো তবে ক্ষয়ক্ষতি আরো কম হতো। রাস্তার অভাবে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি দূরে রাখতে হয়েছে। তাই, আমাদের নিজেদের স্বার্থে রাস্তার জন্য জায়গা ছাড়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। এ সময় স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর হবিবুর রহমান হবি, জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ মহাবুল হোসেন রাজীব, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গৃহহীনদের সহায়তা তহবিলে মোংলা বন্দরের অনুদান
                                  

মনির হোসেন, মোংলা : ছিন্নমূল পরিবারের গৃহায়নের জন্য “হাউজ কনস্ট্রাকশন ফান্ড বাই প্রাইভেট ফাইনান্স এবং করোনা সহায়তা তহবিল” এ মোংলা বন্দরের পক্ষ থেকে ৫ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেন মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা। মুজিব বর্ষের অঙ্গিকার “বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবেনা” মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই মহৎ কার্যক্রম সফল করতে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের মাননীয় চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা “হাউজ কনস্ট্রাকশন ফান্ড বাই প্রাইভেট ফাইনান্স এবং করোনা সহায়তা তহবিল”-এ মোংলা বন্দরের পক্ষ হতে এই অনুদান প্রদান করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস মোংলা বন্দরের অনুদানের চেক বন্দর চেয়ারম্যানের নিকট হতে গ্রহণ করেন। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এবং সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ১৯৯৭ সালে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে কক্সবাজার উপকুলসহ পাশ্ববর্তী জেলা আক্রান্ত হয়। অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়ে। তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আক্রান্ত জেলাসমূহ পরিদর্শন করেন এবং গৃহহীন মানুষের দুর্দশা দেখে ১৯৯৭ সালেই “আশ্রায়ন” নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেন। এ প্রকল্পের সাফল্য ও ধারাবাহিকতা ২০১০-২০২২ (সংশোধিত) মেয়াদে ২.৫০ লক্ষভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমুল পরিবার পুনর্বাসনের লক্ষ্যে “হাউজ কনস্ট্রাকশন ফান্ড বাই প্রাইভেট ফাইনান্স” গঠন করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্দেশ্য সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মোংলা বন্দরের পক্ষ থেকে ৫ কোটি টাকা “হাউজ কনস্ট্রাকশন ফান্ড বাই প্রাইভেট ফাইনান্স এবং করোনা সহায়তা তহবিল” প্রদান করা হয়েছে।


   Page 1 of 8
     চলতি পথে
বক্সার মোশাররফের পাশে দাঁড়ালেন রাসিক মেয়র
.............................................................................................
শিশুগুলোর খাদ্য-শিক্ষা-স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একমুঠো চাল!
.............................................................................................
ডামুড্যায় জয়ন্তীর বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা প্রদান
.............................................................................................
১৪ বছর নৌকায় বসবাসকারী গোলাপী বেগমের গৃহে প্রবেশ
.............................................................................................
বোয়ালমারীতে বাই সাইকেলে পত্রিকা নিয়ে ছোটেন শহরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে রুস্তম শেখ
.............................................................................................
পরিত্যক্ত বিমান নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত : ৮শ’ কোটি টাকা বকেয়া
.............................................................................................
ব্যবহার অনুপযোগী রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের বাড়ি
.............................................................................................
যুগোপযোগী হচ্ছে ডাক আইন
.............................................................................................
বাঁচতে চায় মির্জাগঞ্জের মহসিন
.............................................................................................
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ঘুষ দিলেন, পরে গ্রেফতার
.............................................................................................
রাজশাহীতে ভূমিদস্যুর হাত থেকে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলন
.............................................................................................
ডামুড্যায় দীর্ঘ ১৩ বছর নৌকায় বাস করার পর ঘর পেলেন গোলাপী
.............................................................................................
মোহনায় ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে ২১ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড, নিখোঁজ ৩
.............................................................................................
দৃষ্টি ফিরে পেল শিশু তৌসিন
.............................................................................................
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে মসিক মেয়র
.............................................................................................
গৃহহীনদের সহায়তা তহবিলে মোংলা বন্দরের অনুদান
.............................................................................................
এশিয়ার জনপ্রিয় নারী মেয়র আইভী ৫৫ এ পা রাখলেন
.............................................................................................
ফুলবাড়ীর সফল উদ্যোক্তা হতে চান লাইজু
.............................................................................................
শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন গোপালগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী
.............................................................................................
১৪ বছরেও প্রতিবন্ধী ভাতা মেলেনি আপন রাজবংশীর ভাগ্যে
.............................................................................................
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রাণ সহায়তা প্রদান
.............................................................................................
রাতের আঁধারে তাদের গন্তব্য অসহায়দের বাড়ি
.............................................................................................
মুকসুদপুরে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বাদল এর ঈদ উপহার বিতরণ
.............................................................................................
অসহায় খাতুন নেছার পাশে দাড়ালেন ডিসি পারভেজ হাসান
.............................................................................................
কৃষকের ধান কেটে দিলেন সাংবাদিক নেতা
.............................................................................................
ধানকাটা শ্রমিকদের জন্য ইফতার নিয়ে মাঠে হাজির হলেন ওসি
.............................................................................................
বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদান
.............................................................................................
সেই সোনাবি বেগম পাচ্ছেন সরকারি ঘর
.............................................................................................
অসহায় ও ছিন্নমূলদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ
.............................................................................................
গৌরীপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাস্ক ক্যাম্পেইন
.............................................................................................
ডিমলায় ইউপি সদস্য হওয়ার স্বপ্ন দিন মজুরের
.............................................................................................
পারিবারিকভাবে আগুন নেভানোর মহড়ায় অংশ নিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
.............................................................................................
স্বাস্থ্যবিধি নির্দেশনা মানছেন না অনেকেই
.............................................................................................
ওসি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচার হওয়ায় বিভিন্ন সংগঠনের নিন্দা ও প্রতিবাদ
.............................................................................................
তুরেশি-শাহিনকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কারে ভূষিত
.............................................................................................
মৃত্যুর আগেই গ্রামবাসীকে খাওয়ালেন আবুল কাশেম
.............................................................................................
একযুগ পত্রিকা বিক্রি করলেও চলছে না শুক্লার জীবন
.............................................................................................
বদলগাছীতে নিম্নমানের স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণ সরবরাহ
.............................................................................................
নড়াইলে নির্যাতিত ৮০ বছরের বৃদ্ধার পাশে পুলিশ সুপার
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর পেয়ে খুশি রাস্তার পাশে ঝুপড়িতে থাকা বৃদ্ধ দম্পতি
.............................................................................................
মধুখালীতে জাতীয় ভোটার দিবস পালন
.............................................................................................
যুবনেতা থেকে পৌরপিতা সেলিম
.............................................................................................
আমরাও মানুষ কাজের ব্যবস্থা হলে মুক্তি মিলবে এই বিড়ম্বনার জীবন থেকে
.............................................................................................
প্রতিবন্ধী রোজিনা এখন রিকশা চালক
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁয় ৪০ জন শারীরিক প্রতিবন্ধী পেলেন হুইল চেয়ার
.............................................................................................
পদ্মায় শুকনো মৌসুমেও তলিয়ে যাচ্ছে নদী রক্ষা বাঁধ
.............................................................................................
বাঁচতে চায় হাবিবুর
.............................................................................................
সততার অনন্য এক উদাহরণ রিকশা চালক কবির হোসেন
.............................................................................................
স্লিপিং সিকনেস, ঘুমে ঘুমে মানুষ মারা যায়
.............................................................................................
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাড়ে তিন হাজার পরিবার পেল নতুন ঘর
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop