| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > এ শূণ্যতা কখনো পূরন হবার নয়   > প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার সফল বাস্তবায়নে ৩৬ বিসিএস আনসারের ১১জন কর্মকর্তার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ   > আমাদের দাবি , ‘জাতীয় দাম্পত্য দিবস’   > ৫০ দিনে ৪০ হাজার ক্ষুধার্ত পরিবারকে খাদ্য সহায়তা   > অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে শরীয়তপুর পুলিশ সুপারের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ   > রাজশাহী জেলা আনসার ও ভিডিপি’র ত্রাণসামগ্রী বিতরণ   > গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনায় নতুন আক্রান্ত ৩০৯   > করোনায় মাদক-জঙ্গি রোধে কঠোরতর ব্যবস্থা : র‌্যাব ডিজি   > রাজশাহী জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয় করোনাভাইরাসের প্রভাব হ্রাসে নিরবে কাজ করছে   > ক্যামেরা জার্নালিস্টদের সহায়তা দিলো পারটেক্স গ্রুপ  

   চলতি পথে -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
দূরপাল্লার বাস চলাচল শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক : নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে বন্ধ থাকা দূরপাল্লার বাস শুক্রবার সন্ধ্যায় চলতে শুরু করেছে।

এদিন বিকাল ৬টার পর রাজধানীর মহাখালী, সায়েদাবাদ, গুলিস্তান, শ্যামলী ও গাবতলী টার্মিনাল থেকে যান চলাচল শুরু করেছে।

শুক্রবার বিকালে মহাখালী বাস টার্মিনালে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘আমরা যাতায়াত ব্যবস্থা ঠিক রাখার জন্য নাইট কোচ চালু রেখেছি। এক্সপোর্ট ইমপোর্টের যাতে কোনও ক্ষতি না হয় সে জন্য ট্রাক চলছে। কিন্তু নাইট কোচেও রাত সাড়ে ৯টার সময় বাধা দেওয়া হচ্ছে। তাহলে বলুন নিরাপত্তাটা কোথায়?’

তিনি বলেন, ‘শ্রমিকরা নিরাপত্তা বোধ করলে গাড়ি চলা শুরু হবে।’

মহাখালী বাস টার্মিনাল সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম শুক্রবার রাতে বলেন, ‘আসলে দূরপাল্লার বাস চলাচল শুরু ওই অর্থে না। আমরা দিনের বেলায় গাড়ি চালাতে পারি না বিধায় রাতে গাড়ি চলে। গত রাতেও আমাদের গাড়ি চলেছে। এখন চালাতে পারছি তাই গাড়ি ছাড়া হচ্ছে।’

সায়েদাবাদ বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘এখান থেকেও রাতে গাড়ি চলছে। দিনে আমরা নিরাপত্তা বোধ করি না। সে জন্যই যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। এখন শুরু হয়েছে। আবার কালও যদি একই চিত্র দেখা যায় তাহলে যানচলাচল বন্ধ থাকবে।’

এর আগে ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলায় বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর হয়।

নিরাপদ সড়কের নিশ্চয়তাসহ শিক্ষার্থীদের ‘হত্যার’ বিচারের দাবিতে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। এ পটভূমিতে রাজধানীসহ সারাদেশে রাস্তায় পর্যাপ্তসংখ্যক গণপরিবহন নামানো হচ্ছে না। এতে দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

তবে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে যানবাহন ভাঙচুর ও শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতার কারণ দেখিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন মালিক-শ্রমিকরা।

নগরীর বাস টার্মিনালগুলো থেকেও আন্তঃনগর কিংবা দূরপাল্লার কোনও বাস ছেড়ে যায়নি। দুয়েকটা বাস ছাড়া ঢাকার বাইরে থেকেও কোনও গণপরিবহন ঢাকায় প্রবেশ করতে পারেনি। ভাঙচুরের আশঙ্কায় পরিবহন নামানো হয়নি বলে দাবি মালিকদের। ফলে অনেকটা বিপাকে পড়েছেন দূরপাল্লা ও রাজধানীর সাধারণ যাত্রীরা।

দূরপাল্লার বাস চলাচল শুরু
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে বন্ধ থাকা দূরপাল্লার বাস শুক্রবার সন্ধ্যায় চলতে শুরু করেছে।

এদিন বিকাল ৬টার পর রাজধানীর মহাখালী, সায়েদাবাদ, গুলিস্তান, শ্যামলী ও গাবতলী টার্মিনাল থেকে যান চলাচল শুরু করেছে।

শুক্রবার বিকালে মহাখালী বাস টার্মিনালে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘আমরা যাতায়াত ব্যবস্থা ঠিক রাখার জন্য নাইট কোচ চালু রেখেছি। এক্সপোর্ট ইমপোর্টের যাতে কোনও ক্ষতি না হয় সে জন্য ট্রাক চলছে। কিন্তু নাইট কোচেও রাত সাড়ে ৯টার সময় বাধা দেওয়া হচ্ছে। তাহলে বলুন নিরাপত্তাটা কোথায়?’

তিনি বলেন, ‘শ্রমিকরা নিরাপত্তা বোধ করলে গাড়ি চলা শুরু হবে।’

মহাখালী বাস টার্মিনাল সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম শুক্রবার রাতে বলেন, ‘আসলে দূরপাল্লার বাস চলাচল শুরু ওই অর্থে না। আমরা দিনের বেলায় গাড়ি চালাতে পারি না বিধায় রাতে গাড়ি চলে। গত রাতেও আমাদের গাড়ি চলেছে। এখন চালাতে পারছি তাই গাড়ি ছাড়া হচ্ছে।’

সায়েদাবাদ বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘এখান থেকেও রাতে গাড়ি চলছে। দিনে আমরা নিরাপত্তা বোধ করি না। সে জন্যই যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। এখন শুরু হয়েছে। আবার কালও যদি একই চিত্র দেখা যায় তাহলে যানচলাচল বন্ধ থাকবে।’

এর আগে ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলায় বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর হয়।

নিরাপদ সড়কের নিশ্চয়তাসহ শিক্ষার্থীদের ‘হত্যার’ বিচারের দাবিতে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। এ পটভূমিতে রাজধানীসহ সারাদেশে রাস্তায় পর্যাপ্তসংখ্যক গণপরিবহন নামানো হচ্ছে না। এতে দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

তবে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে যানবাহন ভাঙচুর ও শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতার কারণ দেখিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন মালিক-শ্রমিকরা।

নগরীর বাস টার্মিনালগুলো থেকেও আন্তঃনগর কিংবা দূরপাল্লার কোনও বাস ছেড়ে যায়নি। দুয়েকটা বাস ছাড়া ঢাকার বাইরে থেকেও কোনও গণপরিবহন ঢাকায় প্রবেশ করতে পারেনি। ভাঙচুরের আশঙ্কায় পরিবহন নামানো হয়নি বলে দাবি মালিকদের। ফলে অনেকটা বিপাকে পড়েছেন দূরপাল্লা ও রাজধানীর সাধারণ যাত্রীরা।

ব্যাংকক এয়ারপোর্টে পায়ের নিচে বাংলাদেশের পতাকা!
                                  


নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের পতাকার ডিজাইনে পায়ের পাপস বানিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে ‘বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্স’। ব্যাংকক এয়ারপোর্টে এমন ঘটনা ঘটেছে। চলচ্চিত্র নির্মাতা শাহনেওয়াজ কাকলী বিষয়টি নিয়ে নিজের ফেসবুকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বিমান দেশ ও জাতির সম্মানকে উজ্জ্বল করেছে বিদেশের মাটিতে! ব্যাংকক এয়ারপোর্ট ঘটনাস্থল। সেখানে বিমান এয়ারলাইন্সের পাপস ছাড়া অন্য কোনো দেশের পাপসের প্রয়োজন হয়নি। এর দায়ভার কার? সুহৃদরা কি একটু আওয়াজ দেবেন। কারা এগুলো পারিয়ে চলাচল করেন ইতিমধ্যে আপনারা বুঝে গেছেন। ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’।

শাহনেওয়াজ কাকলী বলেন, ‘আমি বিমান বাংলাদেশের যাত্রী ছিলাম না বলে আনন্দিত, এই জন্য যে ওই পাপসে দাঁড়িয়ে আমাকে ইমিগ্রেশন করতে হত। কিন্তু প্রশ্ন, আমি কি সেখানে দাঁড়াতাম? নিশ্চয় না বরং আমি বিমান বাংলাদেশের যাত্রী ছিলাম না বলে দুঃখিত ছিলাম।’
তিনি আরো বলেন, ‘যদি যাত্রী হতাম তাহলে নিজ হাতে সেই পাপসটা তুলে ফেলার অধিকার রাখতাম। শুধু লজ্জা আর অপমান মাথায় নিয়ে দেশে ফিরে আসতে হলো।’

এর আগে গত ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস উপলক্ষে শিক্ষামন্ত্রীর একটি অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকার আদলে কেক বানানো হয়।
পরে শিক্ষামন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ হন এবং কেক না কেটে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেই চাটুকার কর্মকর্তাদের নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠে।

এবার সমালোচনার মুখে পড়েছে বিমান এয়ারলাইন্স। নির্মাতা শাহনেওয়াজ কাকলীর পোস্টের নিচে অভিনেতা প্রাণ রায় আরেকটি ছবি প্রকাশ করেন, যেখানে দেখা যায় বাংলাদেশের পতাকার উপর দাঁড়িয়ে কথা বলছেন একজন। এছাড়াও অনেকেই নানা রকম মন্তব্য করছেন।
পোস্টের নিচে কমেন্টে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা লিখেন, ‘বলদের দল সব।’

ঘুরে আসতে পারেন খাগড়াছড়ির দর্শণীয় স্থানগুলো
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি খাগড়াছড়ি জেলা। পাহাড়, নদী ও লেকবেষ্টিত দেশের বৈচিত্রময় জনপদ। পাহাড়ের কোলে গড়ে উঠা নির্মল প্রকৃতি। পর্যটকের মনে হবে, প্রকৃতি যেন নিজ হাতে এটিকে গড়ে তোলেছে। এ জেলার সর্বত্রই দর্শনীয় স্থান, যেদিকে তাকাবেন আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন, পর্যটকরা খাগড়াছড়ির কয়েকটি স্থানে ভিড় করে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্থানগুলির অন্যতম হলো- আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র, আলুটিলার ঝর্ণা বা রিছাং ঝর্ণা, আলুটিলার সুড়ঙ্গ বা রহস্যময় সুড়ঙ্গ, দেবতার পুকুর (দেবতার লেক), শান্তিপুর অরণ্য কুটির, বিডিআর স্মৃতিসৌধ

আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র-
ব্যতিক্রমধর্মী পর্যটক স্থান আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র। খাগড়াছড়ি যাওয়ার সময়ই আপনার চোখে পড়বে পর্যটন কেন্দ্রটি। পর্যটন কেন্দ্রটির সামনে দাড়ালেই আপনি ভিতরে প্রবেশের লোভ সামলাতে পারবেন না। পর্যটন কেন্দ্র থেকে দূরে তাকালেই দেখতে পাবেন খাগড়াছড়ি শহর, আকাশ আর পাহাড়ের সৌন্দর্য। এর সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ হয়ে খাগড়াছড়ির সাবেক জেলা প্রশাসক লিখেছিলেন যা অনেকটা এ রকম-‘‘ক্লান্ত পথিক ক্ষণেক বসিও আলুটিলার বটমূলে, নয়ন ভরিয়া দেখিও মোরে চেঙ্গী নদীর কোলে।

পর্যটন কেন্দ্রটিতে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, গুহায় যাওয়ার সিড়ি, বসার সুব্যবস্থা ও বিশ্রাম কক্ষ রয়েছে। আপনি যখন

পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে উঠবেন খাগড়াছড়িকে দেখে দার্জিলিংয়ের কথা মনে পড়ে যাবে, মনে হতে পারে আপনি দার্জিলিং দেখছেন। বছরের প্রত্যেকটা দিনই দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যায় পর্যটন কেন্দ্রটিতে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভ্রমণপিপাসুরা ছু্টে যান সেখানে।

কিভাবে যাবেন- খাগড়াছড়ি সদর থেকে বাস, অটোরিক্সা কিংবা মোটরসাইকেলেও সল্প সময়ের মধ্যেই যাওয়া যায়।

রিছাং ঝর্ণা
ঝর্ণার জলরাশি উঁচু পাহাড় থেকে আছড়ে পড়ছে। জলধারা নীচে নেমে যাচ্ছে উচু পাহাড় গড়িয়ে। ঝর্ণার কাছে দাড়ালেই দেহ মন ভরে উঠবে পবিত্র স্নিগদ্ধতায়। সেখানে যাওয়ার আগে ঝর্ণার সৌন্দর্য সম্পর্কে যতটুকু কল্পনা করে থাকবেন তার চেয়েও অনেক সুন্দর জায়গা। ছর্ণা পর্যন্ত যাতায়াতের উচুনিচু রাস্তা আর পাশের তাকালেই দেখতে পাবেন পাহাড় আপনাকে এনে দিবে রোমাঞ্চকর অনুভুতি। মারমা ভাষায় ‘রি’ শব্দের অর্থ পানি আর ’ছাং’ শব্দের অর্থ ঝর্ণা। পাহাড় থেকে গড়িয়ে পড়া ঝর্ণা দেখতে প্রতিদিনেই পর্যটকরা ভিড় করেন।

যেভাবে যাবেন- রাঙ্গামাটি শহর থেকে আলুটিলা থেকে সামান্য দূরত্বেই ঝর্ণাটির অবস্থান। যাতায়াতের জন্য রয়েছে চান্দের গাড়ি, কার এবং মোটরসাইকেল।

 

আলুটিলার সুড়ঙ্গ বা রহস্যময় সুড়ঙ্গ
পর্যটন কেন্দ্রটির প্রধান আকর্ষণই গুহা। আলুটিলা সুড়ঙ্গটি দেখতে হলে পাহাড়ের চূড়া থেকে ২৬৬টি সিড়ি বেয়ে নামতে হবে পাহাড়ের পাদদেশে। সুড়ঙ্গটি পাথর আর শিলা মাটির ভাঁজে গড়া। প্রায় ১৮ ফুট ব্যাসের গুহামুখ আর গুহাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮০ ফুট। সুড়েঙ্গের ভিতরে গা ছমছম অন্ধকার, গুহার তলদেশ দিয়ে গড়িয়ে চলেছে জল। গুহায় প্রবেশ করার জন্য ১০ টাকার বিনিময়ে মশাল কিনে নিতে পারেন গুহার কাছে থেকেই। গুহার একদিক দিয়ে প্রবেশ করে অন্য দিক দিয়ে বের হতে সময় লাগবে প্রায় ১০/১৫ মিনিট।

যেভাবে যাবেন- পর্যটনকেন্দ্রটি অবস্থান খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পার্শ্বে ট্যাক্সিযোগ অথবা মোটরসাইকেলের মাধ্যমে যাতায়াত করা যায়।

দেবতার পুকুর (দেবতার লেক)
দেবতার পুকুরটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত। যার উচ্চতা সমুদ্র সমতল থেকে প্রায় এক হাজার ফুট ওপরে। পুকুরটিকে ঘিরে রয়েছে নানা রহস্য নানা কল্প কাহিনি। পুকুরটির চারপাশের বন জঙ্গল দেখে মনে হবে দেবতা নিজ হাতে সুন্দর পরিবেশ তৈরি করেছেন। পুকুরের স্বচ্ছ জলরাশি এনে দিতে পারে প্রশান্তি, আবার কেউবা জলের দিকে তাকিয়ে হয়ে যেতে পারেন উদাস।

পুকুরটি পরিগণিত হয় ত্রিপুরাদের তীর্থক্ষেত্র হিসেবে। তীর্থ মেলা বসে প্রতিবছর চৈত্রসংক্রান্তিতে। কথিত আছে, স্থনীয়দের তৃষ্ণা নিবারণের জন্য স্বংয় দেবতা পুকুরটি খনন করেছিলেন। স্থানীয়রা পুকুরের পানিকে আশীর্বাদ মনে করে। প্রচলিত আছে পুকরের পানি কখনো কমে না, পুকরের তলায় লুকায়িত গুপ্তধন দেবতারা পাহাড়া দিচ্ছেন। অনেকের ধারনা এখানে এসে সৃষ্টিকর্তার কাছে কিছু চাইলে মনের আশা পুরন হয়।

যেভাবে যাবেন- খাগড়াছড়ি থেকে মহালছড়ি হয়ে রঙ্গামাটি সড়কে জেলা সদর থেকে ১১ কিলোমিটার দক্ষিণে মূল রাস্তা হতে চার কিলোমিটার পশ্চিমে নূনছড়িতে পুকুরটি অবস্থিত।

শান্তিপুর অরণ্য কুটির
বিশাল অরণ্যের মাঝে এক কুটির। জনশ্রুতি আছে ভিক্ষুরা নিরিবিলি পরিবেশে প্রাকৃতিক পরিবেশে ধ্যান করার জন্য কুটিরটি ব্যবহার করতেন। এটি মূলত একটি বৌদ্ধ মন্দির। দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় বুদ্ধ মূর্তিটি এখানেই রয়েছে। জায়াগটি সবার জন্যই উন্মুক্ত, সব ধর্মের লোকদের অবার যাতায়াত রয়েছে সেখানে। তীর্থ স্থানটি দর্শনীয় স্থান হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছে। প্রতিদিনই পর্যটকরা ভিড় করেন সেখানে। কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে সমাগম ঘটে হাজার হাজার লোকের।

যেভাবে যাবেন- খাগড়াছড়ির পানছড়িতে অবস্থিত শান্তিপুর অরণ্য কুটির। বাসে পানছড়ি গিয়ে সেখান থেকে কার অথবা জীপে যেতে পারেন গন্তব্যে।
এছাড়াও বিডিআর স্মৃতিসৌধসহ আরও অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে খাগড়াছড়িতে।

 

সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ায় সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

সিলেট রেলস্টেশন ম্যানেজার আবদুর রাজ্জাক জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভাটেরা এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী জালালাবাদ একপ্রেসের একটা বগি এই দুর্ঘটনায় পড়ে।

এই রেললাইনটি সিলেটের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের রেল যোগাযোগের একমাত্র পথ।

আবদুর রাজ্জাক বলেন, দুর্ঘটনার কারণে চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস সিলেটে আটকা পড়েছে।

শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন মাস্টার মো. জাফর আলম জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পরপরই রিলিফ ট্রেন এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে উদ্ধারকাজ শেষ হয়ে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হতে পারে।

হঠাৎ ঢাকামুখী গণপরিবহন বন্ধ, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : রোববার সকাল থেকেই হঠাৎ করেই রাজধানীর কাছের জেলাগুলো থেকে ঢাকামুখী সব গণপরিবহন কার্যত বন্ধ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। উপায় না পেয়ে দুর্ভোগকে সঙ্গী করেই কেউ কেউ সিএনজি অটোরিকশা এবং রিকশা করে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েও ঢাকায় আসছেন।
 
মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও সোনারগাঁও থেকে বিভিন্ন গণপরিবহনের চলাচল সকাল থেকেই সিমিত হয়ে যায়। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা একেবারেই বন্ধ হয়ে যায় বলে অভিযোগ তোলে সাধারণ মানুষ।

এদিকে গণপরিবহন মালিকদের যানবাহন বন্ধ রাখার কারণ জানতে চাইলে তারা পরিস্কারভাবে এর জবাব দিতে পারেননি।

এদিকে, মুন্সীগঞ্জ থেকে সকালের দিকে ঢাকামুখী সব গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার সকালে শিমুলিয়া ঘাট এলাকার বাসস্ট্যান্ডে আসা যাত্রীরা অভিযোগ করেন, সকাল ৭টা থেকে ঢাকামুখী সব বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। কোনো ধরনের ঘোষণা ছাড়াই বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় বিপাকে পড়েন যাত্রীরা।

ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে দেখা করতে গেছে।

অন্যদিকে ঢাকা থেকে শিমুলিয়া ঘাটমুখী বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন সকালে বলেন, বিএনপির সমাবেশের কারণেই মালিক সমিতির লোকজন বাস বন্ধ করে দিয়েছে, যাতে দলীয় নেতাকর্মীরা ঢাকায় যেতে না পারেন। এ ধরনের ঘটনা নিন্দাজনক।

অপরদিকে ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে প্রায় সব ধরনের সড়ক পরিবহন বন্ধ রয়েছে।  সকাল থেকেই শহরের মেট্রো হল ও চাষাঢ়া কাউন্টার থেকে এসি বাস শীতল পরিবহন কেবল ছেড়ে যাচ্ছে ঢাকার উদ্দেশ্যে। আর ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল করলেও নির্ধারিত সময়ে কোনো ট্রেন না ছাড়ায় শিডিউল বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

যাত্রীদের অভিযোগ করেন, সকাল থেকে প্রয়োজনীয় কাজে ঢাকা যাবার জন্য অপেক্ষা করলেও কোনো গণপরিবহন পাননি তারা। উপায় না পেয়ে ট্রেনে ঢাকা যাবার জন্য অপেক্ষা করছেন। কিন্তু ট্রেনও অনেক দেরিতে ছাড়ছে।

সেখানকার এক ট্রাফিকের কর্মকর্তা জানান, দেখতে পাচ্ছি বাস চলছে না। তবে এর কারণ আমার জানা নেই। হয়তো কিছুক্ষণ পর থেকে চলতে পারে।

জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুকুল ইসলাম রাজীব বলেন, সকাল থেকেই সমাবেশে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ঢাকামুখী হবে এমন ভয়েই সরকার আগেই সব পরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড করে সমাবেশে মানুষ কমানো যাবে না। বরং কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ বৃদ্ধি করা হবে।

নারী ও ঢাকা শহর
                                  

২৮ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
নিজস্ব প্রতিবেদক : অফিসের একটা কাজে কয়েক দিন আগে বাসে করে গাজীপুর যেতে হয়েছিল। ঢাকা-গাজীপুর রুটে সেটাই নাকি সবচেয়ে ভালো বাস! রাস্তায় যেতে টের পেলাম ভালোর নমুনা। আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে একজন তরুণী বাসে উঠে আমার পাশে এসে বসেন। পাঁচ ঘণ্টার দীর্ঘ ভ্রমণে টুকটাক কথা হয় তাঁর সঙ্গে। জানতে পারি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজে পড়েন। ঢাকায় বাড়ি। সপ্তাহের শেষে বাড়ি আসেন। কিন্তু বাসের কথা মনে হলেই তাঁর আসতে ইচ্ছে করে না। বাসে যাতায়াতের অভিজ্ঞতা একদম অপ্রীতিকর। রাস্তার বেহাল দশা, যানজট--এগুলো তবু মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু বাসচালক, বাসের বেশির ভাগ পুরুষযাত্রী, বাসচালকের সহকারীর বাজে চাহনি, সুযোগ পেলেই শরীরে অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ-এগুলো মেনে নেওয়া যায় না, সহ্য করাও যায় না। বেশি উচ্চবাচ্য করলে মেয়েটিকেই দোষারোপ করতে থাকে। রুপার ঘটনার পর তো সন্ধ্যা নামলে ভয় করতে থাকে বাসে।

বাসে আলাপ হওয়া ওই তরুণীর কথা ভাবছি গত কয়েক দিন ধরে। আগে মনে করা হতো শিক্ষিত ক্ষমতায়িত মেয়েদের পুরুষেরা ভয় পায়। কিন্তু কীসের কি। এই দেশেই তো প্রতিদিন নারীদের ঘরে-বাইরে সহিংসতার শিকার হতে হচ্ছে। যাচ্ছে চলে প্রাণটা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেয়েরা যখন নিজের জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ের নির্যাতনের কথা ‘হ্যাশট্যাগ মি টু’ দিয়ে জানান দিচ্ছে, সে সময়ই চোখে পড়ল থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত জরিপটি।

এক কোটির বেশি মানুষের বসবাস এমন ১৯টি শহরে এক জরিপের মাধ্যমে থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন এ তালিকা তৈরি করেছে। ৩৮০ জন বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তিতে এ জরিপ করা হয়েছে। যৌন সহিংসতা, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ, ক্ষতিকর সামাজিক চর্চা এবং অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার ভিত্তিতে এ অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। নারীদের জন্য সবচেয়ে খারাপ শহরের মধ্যে সপ্তম অবস্থানে আছে ঢাকা। নারীর প্রতি যৌন সহিংসতা ও হয়রানির দিক দিয়ে সবচেয়ে খারাপ মহানগরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান চতুর্থ।

নারীদের জন্য সবচেয়ে খারাপ শহর মিসরের কায়রো। এরপর যথাক্রমে পাকিস্তানের করাচি, কঙ্গোর কিনশাশা, ভারতের নয়াদিল্লি, পেরুর লিমা, মেক্সিকোর মেক্সিকো সিটি এবং বাংলাদেশের ঢাকা। ঢাকার পরে আছে নাইজেরিয়ার লাগোস, ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা এবং তুরস্কের ইস্তাম্বুল। সবচেয়ে ভালো শহরের তালিকাও প্রকাশ করেছে তারা। যুক্তরাজ্যের লন্ডন সবচেয়ে ভালো শহর । দ্বিতীয় জাপানের টোকিও এবং তৃতীয় হয়েছে ফ্রান্সের প্যারিস। জরিপের এই ফল নিয়ে ফেসবুকে একজন নারী মন্তব্য করেছেন এটাই তো প্রত্যাশিত, আরেকজন নারী লিখেছেন, খারাপ শহরের তালিকায় ঢাকা প্রথম হয়নি দেখে অবাক হলাম।

এই প্রতিবেদন অনুযায়ী ঢাকায় এক কোটি আশি লাখেরও বেশি মানুষ। তার অর্ধেক নারী। এই বিপুল পরিমাণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার কেউ নেই। রাস্তাঘাটে, কর্মক্ষেত্রে, গণপরিবহনে নারীদের এসব ঝক্কি সামলে তাঁকে প্রতিদিন নিজেকে প্রমাণ করতে হয়। নারীর ক্ষমতায়নের পথে অনিরাপদ নগর বাধাই বটে। গণপরিবহনে সংরক্ষিত সিট নিয়েও কত কথা। নারী হিসেবে অতিরিক্ত সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে-কত কী। ভিড় ঠেলে ওঠা-নামা থেকে সিটে বসা বা দাঁড়িয়ে থাকা-সেখানেও যৌন নিপীড়নের শিকার হননি এমন নারীর সংখ্যা কমই। যানজটে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়, দেখা মেলে না পরিষ্কার কোনো গণশৌচাগারের। ফলে তাঁর প্রস্রাবের রাস্তায় সংক্রমণসহ নানা শারীরিক জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

ইউএন উইমেন এর নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ‘সেফ সিটিস ফ্রি অব ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট উইমেন অ্যান্ড গার্লস ইনিশিয়েটিভ ইন পাবলিক প্লেস’ প্রচারণা মনে করে, সেই শহরই নারীর জন্য নিরাপদ, যেখানে তাঁরা নির্বিঘ্নে যেকোনো সময় সব জায়গায় চলাচল করতে পারবেন, তাঁদের অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ও মানবাধিকারের নিশ্চয়তা দেবে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার। যেখানে কোনো মেয়ে হয়রানি বা নির্যাতনের শিকার হলে অপরাধী উপযুক্ত শাস্তি পাবে।

আমাদের দেশে পারিবারিক নির্যাতনের বিষয়ে যতটুকু সচেতনতা বেড়েছে, সর্বসাধারণের চলাচলের স্থানগুলো অর্থাৎ গণপরিবহন, কর্মক্ষেত্র, রাস্তা, পার্ক, গণশৌচাগার নিয়ে ততখানি সচেতনতা বাড়েনি। এসব স্থান এখনো নারীর অনুকূলে নয়।

বেসরকারি সংস্থা অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের এক জরিপে দেখা গেছে, ৮৭ শতাংশ নারী বাস টার্মিনাল বা রেল স্টেশনের মতো জায়গায় নানা ভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন।

নারীর এগিয়ে যাওয়ার পথ এমনিতেই বন্ধুর। পদে পদে এসব হয়রানি সে পথে প্রতিদিন নিত্যনতুন বাধার সৃষ্টি করছে।

অন্তর্জালে দেখি নারীরা পৃথিবীর জয় করে ফেলছেন, আর আমি ঘর থেকে বের হই নানা শঙ্কা নিয়ে।তারপরও আমরা বের হই। নয়তো চলাই থেমে যেত। নারী নিজের তাগিদেই অপরিসীম মনের জোরে এই দুর্গম পথ পাড়ি দিতে নামছে। রাষ্ট্র আর কিছু না পারুক অন্তত নারীর নিরাপত্তাটুকু দিক। যাতে নিশ্চিন্তে একজন নারী ঘর থেকে বের হয়ে কোনো রকম হয়রানির শিকার না হয়ে নিজের কাজ সেরে ঘরে ফিরে আসতে পারে।

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
                                  

২৬ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা চট্টগ্রাম মহসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই যানজট এখন পর্যন্ত ছাড়েনি। নারায়ণগঞ্জের মুড়াপাড়া থেকে মেঘনা টোল সেতু পার হয়ে প্রায় পাঁচ কিলোমিটারজুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর ফলে রাজধানী থেকে যাওয়া আসা ও চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা থেকে ঢাকা গামী যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এদিকে যানজটের মধ্যে গাড়ি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন মেঘনা ব্রীজের টোল কর্মকর্তারাও।


পকেটে ইয়াবা দিয়ে মামলা, সাংবাদিকদের সড়ক অবরোধ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : পকেটে ইয়াবা দিয়ে রাজধানীতে এক ফটো সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযোগ এনে তার মুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে অবরোধ করেছেন সাংবাদিকরা। গত ২৭ জুন রাজধানীর শান্তিনগর থেকে আটকের পর কারাগারে আটক থাকা ফটো সাংবাদিক আশিক মোহাম্মদ ডেইলি অবজারভারের কর্মরত ছিলেন। আজ শনিবার বেলা ১১টা থেকে তাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ ও মুক্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ ও সমাবেশে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতারাসহ শতাধিক সাংবাদিক অংশ নেন।

এতে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম মহাসচিব পুলক ঘটক অভিযোগ করেন, কয়েকজন টহল পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটির জেরে আশিক মোহাম্মদকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে তার পকেটে ১০টি ইয়াবা দিয়ে মাদকের মামলা দেয়। আশিকের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার এবং তাকে মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত সড়ক বন্ধ থাকবে বলে জানান পুলক।

এর আগে কারাগারে থাকা আশিকের সঙ্গে কথা বলার পর পুলক ঘটক তার এক ফেইসবুক পোস্টে লেখেন, গত ২৭ জুন (ঈদের পরদিন) রাত ১২টার পর টহল পুলিশের একটি দল শান্তিনগর কাঁচাবাজারের কাছে আশিকের মোটরসাইকেল থামায়। সেখানে তার সঙ্গে পুলিশের কথাবার্তা এবং তর্কবিতর্ক হয়। পুলিশ তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় এবং মারধর করে ভ্যানে তোলে। পুলক আরও লেখেন, বিভিন্ন জায়গায় ঘোরানোর পর রাত ২টার দিকে তাকে থানায় নিয়ে যায়। সেখানে আরেক দফা মারধর করলে তার নাকমুখ দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হয়।

এরপর তাকে বলা হয় যে এক লাখ টাকা দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। নইলে মাদকের মামলার আসামি হিসেবে কোর্টে চালান দেওয়া হবে। আশিক বলে যে সে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে পারবে। এর বেশি দেওয়ার সামর্থ্য তার নেই। পরদিন আশিকের পকেটে ইয়াবা পাওয়া গেছে এই অভিযোগ তুলে তাকে আদালতে চালান করে পুলিশ। সমাবেশে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি শাবান মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী, ঢাকা রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 


   Page 1 of 1
     চলতি পথে
দূরপাল্লার বাস চলাচল শুরু
.............................................................................................
ব্যাংকক এয়ারপোর্টে পায়ের নিচে বাংলাদেশের পতাকা!
.............................................................................................
ঘুরে আসতে পারেন খাগড়াছড়ির দর্শণীয় স্থানগুলো
.............................................................................................
সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ
.............................................................................................
হঠাৎ ঢাকামুখী গণপরিবহন বন্ধ, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা
.............................................................................................
নারী ও ঢাকা শহর
.............................................................................................
ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
.............................................................................................
পকেটে ইয়াবা দিয়ে মামলা, সাংবাদিকদের সড়ক অবরোধ
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD