ঢাকা,সোমবার,১২ আশ্বিন ১৪২৮,২৭,সেপ্টেম্বর,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক   > বাণিজ্য সম্প্রসারণে বৈশ্বিক ভিত্তি বঙ্গবন্ধুর তৈরি করা   > সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তাঁর স্ত্রীর বিচার শুরু   > করোনায় শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২১   > প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটনে অবস্থান করছেন   > একদিনে ৮০ লাখ ডোজ টিকা   > রাজবাড়ীতে জন্ম নিবন্ধন তৈরিতে নাজেহাল সনদ গ্রহিতারা   > গ্রাম ও শহরের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না : এমপি নয়ন   > সোনাইমুড়ীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন   > নন্দীগ্রামে ১৫ বছরেও চালু হয়নি হাসপাতাল  

   দেশজুড়ে -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
রাজবাড়ীতে জন্ম নিবন্ধন তৈরিতে নাজেহাল সনদ গ্রহিতারা

আতিয়ার রহমান, রাজবাড়ী : বিভিন্ন দরকারী কাজে ও শিক্ষার্থীদের ভর্তিসহ নানা প্রয়োজনে জন্ম নিবন্ধন প্রয়োজন হচ্ছে সব শ্রেনী পেশার মানুষের। বিশেষ করে যাদের ন্যাশনাল আইডি কার্ড নেই এবং ২০ বছরের নিচে যাদের বয়স তাদের সরকারী ও বেসরকারী নানা প্রয়োজেন প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট হচ্ছে জন্ম সনদ বা জন্ম নিবন্ধন। কিন্তু এই জন্ম নিবন্ধন সনদটি বিভিন্ন প্রয়োজনে এখন এর ব্যাবহার অনেকাংশে বেড়েছে, কিন্তু তা তৈরী করতে বা গ্রাহকরা হাতে পেতে দীর্ঘ সময় ও ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। নতুন করে সনদ তুলতে বা তৈরীতে গ্রাহকরা পরছেন নানা ধরনের সমস্যায়। ইউনিয়ন পরিষদ বা পেরসভা থেকে একটি জন্ম সনদ পেতে এখন একসপ্তাহ থেকে তিন চার মাস পর্যন্ত লেগে যাচ্ছে।
গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে গীয়ে দেখা যায় বিকাল ৪ টার পরও অনেক মানুষের ভির। বিভিন্ন প্রয়োজনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন ও নতুন করে তৈরী করতে এসেছেন এসব মানুষ। ইউনিয়ন পরিষদ সচিবকে ঘিরে মানুষের জটলা দেখতে পাওয়া যায় জন্ম নিবন্ধন করতে আসা এসব মানুষদের। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত নিবন্ধন করতে এসে দুর্ভোগে পরেছেন। সরকারী বিভিন্ন ধরনের জটিলতা এখন গ্রাহকদের ভোগান্তির মূল কারন হিসেবে উল্লেখ করেন গ্রাহক ও ইউনিয়ন পরিষদ কতৃপক্ষ। বিশেষ করে বেশি ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে স্কুল ও কলেজে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের নানা প্রয়োজনে। এদিকে কোন ব্যাক্তির মৃত্যু সনদ তৈরী করতে গেলেও তার জন্ম সনদ প্রয়োজন হচ্ছে। জন্ম সনদ না থাকলে তা নতুন করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনলাইনে আবেদন করে তা পেতে হচ্ছে। এতে দিনের পর দিন এমনকি মাসের পর মাস সময় নষ্ট সহ নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নিবন্ধন গ্রহিতাদের। জেলার ৫টি উপজেলার ৪২ টি ইউনয়ন ও ৩ টি পৌরসভার সব খানেই নিবন্ধন জটিলতার অবস্থা একই। জন্ম সনদ তৈরী করতে আসা শিক্ষার্থী ও সনদ গ্রহিতারা বলেন, একটি জন্ম সনদ তৈরী বা ভুল সংশোধন করে হাতে পেতে দিনের পর দিন মাসের পর মাস সময় লাগছে, এত তাদের চরম দুর্ভোগে পরতে হচ্ছে। সময় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হাতে পেতে বিড়ম্বনায় পরছেন তারা। গোয়ালন্দ উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা মোঃ মোস্তফা মুন্সি, সলতানপুর, মিজানপুর, দৌলতদিয়া, দেঊগ্রাম ও ছোটভাকলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আ. রাজ্জাক, আতিয়ার রহমান, আব্দুর রহমান, মো. হাফিজুর রহমান ও আমজাদ হোসেন বলেন, বর্তমানে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন ও সনদ তৈরীতে সময় ও সমস্যা বেশি হচ্ছে। তবে ইউনিয়ন পরিষদে অধিনে নিবন্ধন তৈরীর প্রক্রিয়াটা থাকলে জনগনের ভোন্তি কম হত। উপজেলার আওতায় ভুল সংশোধন করার ক্ষেত্রে সময় এবং ঝামেলা বেশি হচ্ছে। তবে এ সমস্যা কিছুদিন পর এই সমস্যা কমবে বলে জানান তারা।
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার ভিাগের উপ-পরিচালক মো. মাহাবুর রহমান বলেন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ৪৫ দিনের মধ্যে করার বিধান রয়েছে। কিন্তু সময় মত এ নিবন্ধন না করার কারনে সময় এবং সমসা বাড়ছে। জন্ম ও মৃত্যুর সাথে সাথে নিবন্ধন যথা সময়ে করা হলে চাপ কবে বলেন।সমস্যা নিরসনে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় জন ভোগান্তি কমাতে চেয়ারম্যান মেয়রদের সাথে আলোচনা করে জনগনকে সচেতন করা চেষ্টা করছেন। তবে সঠিক ভাবে তথ্য প্রদান করা হলে কমসময়ে নিবন্ধন করা যাবে, কমে যাবে ভোগান্তি।

রাজবাড়ীতে জন্ম নিবন্ধন তৈরিতে নাজেহাল সনদ গ্রহিতারা
                                  

আতিয়ার রহমান, রাজবাড়ী : বিভিন্ন দরকারী কাজে ও শিক্ষার্থীদের ভর্তিসহ নানা প্রয়োজনে জন্ম নিবন্ধন প্রয়োজন হচ্ছে সব শ্রেনী পেশার মানুষের। বিশেষ করে যাদের ন্যাশনাল আইডি কার্ড নেই এবং ২০ বছরের নিচে যাদের বয়স তাদের সরকারী ও বেসরকারী নানা প্রয়োজেন প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট হচ্ছে জন্ম সনদ বা জন্ম নিবন্ধন। কিন্তু এই জন্ম নিবন্ধন সনদটি বিভিন্ন প্রয়োজনে এখন এর ব্যাবহার অনেকাংশে বেড়েছে, কিন্তু তা তৈরী করতে বা গ্রাহকরা হাতে পেতে দীর্ঘ সময় ও ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। নতুন করে সনদ তুলতে বা তৈরীতে গ্রাহকরা পরছেন নানা ধরনের সমস্যায়। ইউনিয়ন পরিষদ বা পেরসভা থেকে একটি জন্ম সনদ পেতে এখন একসপ্তাহ থেকে তিন চার মাস পর্যন্ত লেগে যাচ্ছে।
গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে গীয়ে দেখা যায় বিকাল ৪ টার পরও অনেক মানুষের ভির। বিভিন্ন প্রয়োজনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন ও নতুন করে তৈরী করতে এসেছেন এসব মানুষ। ইউনিয়ন পরিষদ সচিবকে ঘিরে মানুষের জটলা দেখতে পাওয়া যায় জন্ম নিবন্ধন করতে আসা এসব মানুষদের। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত নিবন্ধন করতে এসে দুর্ভোগে পরেছেন। সরকারী বিভিন্ন ধরনের জটিলতা এখন গ্রাহকদের ভোগান্তির মূল কারন হিসেবে উল্লেখ করেন গ্রাহক ও ইউনিয়ন পরিষদ কতৃপক্ষ। বিশেষ করে বেশি ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে স্কুল ও কলেজে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের নানা প্রয়োজনে। এদিকে কোন ব্যাক্তির মৃত্যু সনদ তৈরী করতে গেলেও তার জন্ম সনদ প্রয়োজন হচ্ছে। জন্ম সনদ না থাকলে তা নতুন করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনলাইনে আবেদন করে তা পেতে হচ্ছে। এতে দিনের পর দিন এমনকি মাসের পর মাস সময় নষ্ট সহ নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নিবন্ধন গ্রহিতাদের। জেলার ৫টি উপজেলার ৪২ টি ইউনয়ন ও ৩ টি পৌরসভার সব খানেই নিবন্ধন জটিলতার অবস্থা একই। জন্ম সনদ তৈরী করতে আসা শিক্ষার্থী ও সনদ গ্রহিতারা বলেন, একটি জন্ম সনদ তৈরী বা ভুল সংশোধন করে হাতে পেতে দিনের পর দিন মাসের পর মাস সময় লাগছে, এত তাদের চরম দুর্ভোগে পরতে হচ্ছে। সময় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হাতে পেতে বিড়ম্বনায় পরছেন তারা। গোয়ালন্দ উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা মোঃ মোস্তফা মুন্সি, সলতানপুর, মিজানপুর, দৌলতদিয়া, দেঊগ্রাম ও ছোটভাকলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আ. রাজ্জাক, আতিয়ার রহমান, আব্দুর রহমান, মো. হাফিজুর রহমান ও আমজাদ হোসেন বলেন, বর্তমানে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন ও সনদ তৈরীতে সময় ও সমস্যা বেশি হচ্ছে। তবে ইউনিয়ন পরিষদে অধিনে নিবন্ধন তৈরীর প্রক্রিয়াটা থাকলে জনগনের ভোন্তি কম হত। উপজেলার আওতায় ভুল সংশোধন করার ক্ষেত্রে সময় এবং ঝামেলা বেশি হচ্ছে। তবে এ সমস্যা কিছুদিন পর এই সমস্যা কমবে বলে জানান তারা।
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার ভিাগের উপ-পরিচালক মো. মাহাবুর রহমান বলেন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ৪৫ দিনের মধ্যে করার বিধান রয়েছে। কিন্তু সময় মত এ নিবন্ধন না করার কারনে সময় এবং সমসা বাড়ছে। জন্ম ও মৃত্যুর সাথে সাথে নিবন্ধন যথা সময়ে করা হলে চাপ কবে বলেন।সমস্যা নিরসনে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় জন ভোগান্তি কমাতে চেয়ারম্যান মেয়রদের সাথে আলোচনা করে জনগনকে সচেতন করা চেষ্টা করছেন। তবে সঠিক ভাবে তথ্য প্রদান করা হলে কমসময়ে নিবন্ধন করা যাবে, কমে যাবে ভোগান্তি।

গ্রাম ও শহরের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না : এমপি নয়ন
                                  

মো. নজরুল ইসলাম দীপু, লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন বলেছেন, সরকার দেশের প্রতিটি গ্রামে শহরের সকল সুবিধা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। এলক্ষ্যে সরকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করণসহ নানা উন্নয়ন কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ হবে উন্নত দেশ এবং তখন শহর ও গ্রামের মধ্যে আর কোনো পার্থক্য থাকবে না। গতকাল শনিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রোকনপুর উচ্চ বিদ্যালয়র নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রোকনপুর উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্র পরিষদ। শুরুতে ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে রোকনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপনের উদ্বোধন করেন এমপি নয়ন। এমপি শিক্ষার্থীদের আহবান জানিয়ে বলেন, বর্তমান পরিবর্তনশীল উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করতে হবে। এছাড়াও বর্তমান সময়ে করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে বিদ্যালয়ে আসার জন্যও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আহবান করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানের সকল উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানে আমি আপনাদের পাশে আছি। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের ১নং প্যানেল চেয়ারম্যান মো. তাফাজ্জল হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, অতিরিক্ত সচিব (অব.) বীর মুক্তিযোদ্ধা কায়কোবাদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বশিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জিহাদী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আমির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব ইমতিয়াজ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩২ জন হাসপাতালে ভর্তি
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আরও ২৩২ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৮৭ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪৫ জন। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন ২৩২ জন ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৯৭ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছে ৯৯০ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছে ২০৭ জন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৫ হাজার ৪৬০ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১৪ হাজার ২০৪ জন রোগী। ডেঙ্গুতে এ সময়ে ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বাগেরহাটে টিকা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন নিবন্ধনকারীরা
                                  

নকিব মিজান, বাগেরহাট : কিষান বন্ধ দিয়ে টিকা নিতে আসছিলাম। সকাল সাতটা থেকে ১১ পর্যন্ত দাড়িয়ে আছি, কিন্তু টিকা পাইনি। টিকা কেন্দ্রে (টিকা প্রদান কক্ষ) তালা মারা। কেউ কোন খোজ নিচ্ছে না। শত শত মানুষ মাঠে দাড়িয়ে আছে। টিকা দেবে না আগেই বলে দিলে পারত। বাগেরহাট সদর হাসপাতালের সামনে কয়েক ঘন্টা দাড়িয়ে থেকে টিকা না পেয়ে এভাবেই নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন বাগেরহাট সদর উপজেলার পাটরপাড়া এলাকার দিনমজুর শেখ আসাদ। শুধু শেখ আসাদ নয়, সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বাগেরহাট সদর হাসপাতালের টিকাদান কেন্দ্রের সামনে দুই শতাধিক নিবন্ধনকারীকে এভাবে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। টিকার মজুদ শেষ হওয়া স্বত্তেও নিবন্ধনকারীদের কেন অবহিত করা হয়নি, এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিবন্ধকারীরা।
গোবরদিয়া গ্রামের রোমিচা বেগম জানান পরিবারের চারজনের টিকা দেওয়ার তারিখ ছিল আজ। সবাইকে নিয়ে সাড়ে সাতটার সময় এসে লাইনে দাড়িয়েছি। কিন্তু ১২টার সময়ও জানতে পারিনি টিকা নেই। স্বাস্থ্য বিভাগের কেউ জানায়নি যে টিকা শেষ হয়ে গেছে। পরে বাইরের এক লোকের মাধ্যমে শুনতে পারলাম টিকা শেষ। তবে বাগেরহাট সদর হাসপাতাল টিকাদান কেন্দ্রে টিকা শেষ হলেও অন্যান্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকা কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ। বাগেরহাটের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, বাগেরহাট সদর হাসপাতালের টিকাদান কেন্দ্রের মজুদ গতকাল শেষ হয়েছে। পরবর্তীতে টিকা প্রাপ্তি স্বাপেক্ষে আবারও যথারীতি টিককা দেওয়া শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, নিবন্ধনকারীরা যাতে টিকা নিতে এসে ফিরে না যায় এজন্য আমরা মাইকিং করে জানিয়ে দিব। টিকাদান কেন্দ্রের সামনে টিকা শেষ লেখা সম্বলিত ব্যানার দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। বাগেরহাট জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বাগেরহাট জেলায় এ পর্যন্ত ২ লাখ ৩৫ হাজার ৭৪৫ জন টিকা নিয়েছেন। এদের প্রথম ডোজ নিয়েছেন এক লক্ষ ৫৪ হাজার ২৫৬ জন এবং ২য় ডোজ নিয়েছেন ৮১ হাজার ৪৮৯ জন।

নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত বাড়লো, ভর্তি ৩০১ জন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : নতুন করে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩০১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৫৩ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪৮ জন। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন ৩০১ জন ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৭১ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছে এক হাজার ৮৩ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছে ১৮৮ জন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৩ হাজার ৫৫৬ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১২ হাজার ২৩১ জন রোগী। ডেঙ্গুতে এ সময়ে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সিরাজগঞ্জে চলছে স্কুলের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ
                                  

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ দেড় বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিশু-কিশোরদের আনন্দ-উল্লাস যেন হারিয়ে গেছে। সকাল বেলা স্কুলে গিয়ে শিক্ষার্থীর পতাকা উত্তোলনের সঙ্গে জাতীয় সংগীত, শরীরচর্চা এসব কিছু যেনো করোনার কাছে হার মেনেছে। তবে শিক্ষার্থীদের এই অপেক্ষা পালা শেষ হচ্ছে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ঘোষণায় স্বস্তি ফিরেছে শিক্ষকসহ সব শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। এখন চলছে বিদ্যালয়গুলোতে পরিষ্কার-পরিছন্নতার কাজ। সরেজমিনে দেখা গেছে, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার ২৭৮টি সরকারি প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা শ্রেণিকক্ষ, বেঞ্চসহ আসবাবপত্র পরিষ্কার করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের আশপাশ ও মাঠে জমে থাকা আগাছাও পরিষ্কার করতে দেখা গেছে। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে রঙয়ের কাজ করতেও দেখা যায়। বন্যার পানি বাড়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলো পানিতে ভাসছে। স্কুল খোলার কথা শুনেও তারা স্কুলে গিয়ে কিছু করতে পারছেন না। এতে বন্যা কবলিত এলাকার স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনেকেই হতাশায় দিন পার করছেন। পৌর শহরের শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বাবা মাসুদ হোসেন বলেন, করোনার কারণে সব স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা বাড়িতে মোবাইলে নানা ধরনের গেমে আসক্তি হয়ে গেছে। এসব গেম খেলা থেকে তাদের যদি দ্রুত সরিয়ে আনা না যায়, তাহলে শিক্ষার্থীরা আরও ধংসের পথে চলে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। উল্লাপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ভাটবেড়া মাহমুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ জানান, সরকারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। তবে দীর্ঘ ১৮ মাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেক শিক্ষার্থী ঝরে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যেসব শিক্ষার্থী পঞ্চম শ্রেণিতে পড়তো তারা অনেকে কাজে লিপ্ত হয়ে গেছে। তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর শিক্ষকদের শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্কুলমুখী করার পরামর্শ দেন। এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ঘোষণা শুনে উপজেলার ২৭৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এরই মধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু হয়েছে। বন্যার কারণে ১০টি স্কুল পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়াও প্রায় ৪০ থেকে ৫০টি স্কুলের চারপাশে পানি রয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, উল্লাপাড়ার ২৭৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৫২ হাজার। শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠান খোলার পরে কতজন শিক্ষার্থী ঝরে গেছে তার সঠিক তথ্য জানা যাবে।

দেশজুড়ে র‍্যাবের দালাল বিরোধী অভিযান
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : সারা দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয় ও পাসপোর্ট অফিসে দালালদের বিরুদ্ধে একযোগে অভিযান চালাচ্ছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল রোববার সকাল থেকে এ অভিযান শুরু হয়েছে। গতকাল দুপুরে বিষয়টি এনটিভি অনলাইনকে জানিয়েছেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার এএসপি আ ন ম ইমরান হোসেন। ইমরান হোসেন বলেন, ‘র‍্যাবের সব ব্যাটালিয়ন সারা দেশে একযোগে বিভিন্ন হাসপাতাল, বিআরটিএ ও পাসপোর্ট অফিসগুলোতে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে অভিযান চালাচ্ছে। এ অভিযানে এরই মধ্যে অনেককে আটক করা হয়েছে। র‍্যাবের এ অভিযান চলমান থাকবে।’ গতকাল রোববার সকাল থেকে র‍্যাব-৩-এর সহযোগিতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে দালালদের বিরুদ্ধে অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু। পলাশ কুমার বসু বলেন, ‘ঢামেকে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আজ সকাল থেকে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ৩০ দালালকে আটক করা হয়েছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।’ এদিকে, রাজধানীর কেরাণীগঞ্জে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয় ও পাসপোর্ট অফিসে দালালদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছেন র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে বিআরটিএ অফিস থেকে এখন পর্যন্ত ৩৬ ও পাসপোর্ট অফিস থেকে ১৬ দালালকে আটক করা হয়েছে। এ অভিযানে রোববার র‍্যাব-১০-এর সহযোগিতায় বিআরটিএতে অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলাম ও পাসপোর্ট অফিসে অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা আক্তার।

এক মাস জুড়ে সাড়ে ৭ হাজার ডেঙ্গু রোগী
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : চলতি আগস্ট মাসের ৩০ দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৪৩২ জন। এটি এখন পর্যন্ত এ বছরের সর্বোচ্চ শনাক্ত। এছাড়া এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৪১ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এরমধ্যে ৩০ জনই মারা গেছেন আগস্টে। গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের দেওয়া তথ্য থেকে এসব জানা যায়। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ২৩৩ জন। এদের মধ্যে ২১৩ জনই ঢাকার। আর ঢাকার বাইরে ২০ জন। সারাদেশে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ১ হাজার ১৫০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। এরমধ্যে ঢাকাতেই আছে এক হাজার ৪ জন, আর বাকি ১৪৬ জন ঢাকার বাইরে অন্য বিভাগে। এই বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ১০ হাজার ৯০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং ছাড়া পেয়েছেন ৮ হাজার ৮৯৫ জন।

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি
                                  

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে শনিবার বিকেল ৩ টায় ধরলাার পানি সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার ও ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে পানি বৃদ্ধি পেয়ে ব্রহ্মপুত্রের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার ও তিস্তার পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এতে করে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকার চরাঞ্চলের নীচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। ঘর-বাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত: ৩০ হাজার মানুষ। এসব এলাকার কাচা সড়ক তলিয়ে থাকায় ভেঙ্গে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
পানি বাড়ার সাথে সাথে ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, দুধকুমারসহ অন্যান্য নদীর ভাঙ্গন তীব্র হয়ে উঠেছে।
এদিকে কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্র জানায়, চলতি বন্যায় জেলায় ১০ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ও ৮৫ হেক্টর জমির সবজি ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের ধরলা পাড়ের কৃষক আব্দুস ছালাম জানান, বন্যার পানিতে পটল ক্ষেত তলিয়ে গেছে। তলিয়েছে রোপা আমন ক্ষেতও। গ্রামের রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ায় চলাচলের দুর্ভোগ বেড়েছে বলে জানান তিনি। কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মন্জুরুল হক জানান, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমির আমন ক্ষেত ও ৮৫ হেক্টর জমির সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে আছে। পানি দ্রুত নেমে গেলে কিছু ফসল রক্ষা পাবে। আর দীর্ঘ স্থায়ী হলে ক্ষতি একটু বেশি হবে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আরিফুল ইসলাম জানান, উজানে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় আশা করছি আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ধরলা ও তিস্তার পানি কমতে শুরু করবে। তবে ব্রহ্মপুত্রের পানি বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় থাকলেও আরো দুইদিন পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ২২১ রোগী হাসপাতালে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২২১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ১৯৯ জন এবং ঢাকার বাইরে নতুন ২২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গি বিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (১৫ আগস্ট সকাল ৮টা থেকে ১৬ আগস্ট সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে নতুন ২২১ জন ভর্তি হয়েছেন। ঢাকায় নতুন ১৯৯ জন এবং ঢাকার বাইরে নতুন রোগী ২২ জন ভর্তি হয়েছেন।

২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫৭ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : দেশে গতকাল শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫৭ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। নতুন রোগীদের মধ্যে ২১৯ ঢাকায় এবং বাকিরা ঢাকার বাইরে বিভিন্ন বিভাগের বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম জানিয়েছে। কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এক হাজার ৪০ জন ডেঙ্গু রোগী সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে ৯৫৪ জন রোগীকে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার ৯০২ জন রোগী ডেঙ্গু নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে চার হাজার ৮৩৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তাদের মধ্যে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) ডেঙ্গু সন্দেহে ২৪টি মৃত্যুর তথ্য পাঠানো হয়েছে।

গণটিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দেশের সব ইউনিয়ন পর্যায়ে গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে গতকাল শনিবার। আগামী ১২ আগস্ট পর্যন্ত চলবে এ কর্মকাণ্ড। সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া টিকাদান চলবে বেলা ৩টা পর্যন্ত। ছয় দিনে পর্যায়ক্রমে ৩২ লাখ মানুষকে টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হবে। রাজধানীর চলমান টিকা কেন্দ্র ছাড়া উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫৪ ওয়ার্ডে ৫৪টি ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭৫ ওয়ার্ডে ৭৫টি অস্থায়ী বুথ তৈরি করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন, ‘এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগণকে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনার কার্যক্রম শুরু হল। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা ৩২ লাখ মানুষকে টিকার আওতায় নিয়ে আসব। তাদের প্রত্যেকের জন্যই দ্বিতীয় ডোজের টিকাও সরবরাহ করে রাখা হবে। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রেখে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে।’ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে করোনার প্রতিরোধক গণটিকা প্রদান শুরু হয় বেলা ১১টায়। কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জোবায়ের আহমেদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। উপজেলার প্রত্যেকটি ইউনিয়নের ১,২,ও ৩ ওয়ার্ডের সর্বমোট ৬ হাজার ৬০০ জনকে এখন পর্যন্ত টিকা দেওয়া হয়েছে।
বাগেরহাটের ৭৮টি কেন্দ্রে একযোগে গণটিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়। জেলায় প্রচণ্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করেই সাধারণ জনগণ টিকা নিতে আসছেন। সকালে জেলার ৯টি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ও মোংলা পৌরসভায় গণটিকা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত দিন পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত এ টিকা কার্যক্রম চলবে।
বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোছাব্বেরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিটি ইউনিয়নের সুবিধামতো স্থানে আমরা টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করেছি। যে ইউনিয়নবাসীর জন্য যেখানে করলে সুবিধা হয় সেখানেই টিকাদানের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। সুষ্ঠ ও স্বাভাবিকভাবে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সদস্য, রেড ক্রিসেন্ট সদস্যরাও স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।

জেলাগুলোতে কেমন হবে কঠোর লকডাউন!
                                  

মহিউদ্দিন তুষার : ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে চলমান বিধিনিষেধ শিথিল করা হলেও ২৩ দফা নির্দেশনা দিয়ে ঈদের তৃতীয় দিন অর্থাৎ ২৩ জুলাই ভোর ৬টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা করেছে সরকার। কুরবানি ঈদের মানুষের চলাচল ও পশুরহাটে কেনাবেচার বিবেচনায় লকডাউন শিথিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। এদিকে দেশের ব্যস্ততম নৌরুট সদরঘাট, মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ী এবং মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটেও নেমেছে ঘরমুখো মানুষের ঢল। একই চিত্র গাবতলী, ফার্মগেট এবং সায়দাবাদ বাস টার্মিনালে। শহরের অস্থায়ী মানুষ যে যার মত করে নিজের ঘরে ফিরছে। দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যেন ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। পাটুরিয়া ঘাটের প্রতিটি ফেরিতে উপচে পড়া ভিড় সৃষ্টি হয়। যাত্রীদের চাপে ফেরিগুলোতে আর ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন ঠিকমতো ফেরিতে উঠার সুযোগ পাচ্ছিল না। দক্ষিণাঞ্চলের রুটগুলোর বেশিরভাগ লঞ্চে রয়েছে যাত্রীদের ভিড়। তবে ঈদযাত্রায় অন্যান্য সময়ের মতো যাত্রীদের হুড়োহুড়ি তেমন নেই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে। ঈদের পর মাত্র এক দিন সময় পাবে গ্রাম থেকে আসা শহরমূখী মানুষ। লকডাউনে সরকারি-বেসরকারি ও পোশাক এবং শিল্পকারখানা বন্ধ থাকায় অনেকেই থেকে যাবে নিজ জেলাতেই। যার কারনে বাড়তি চাপ পড়বে দেশের বেশিরভাগ জেলাগুলোতে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য শরীয়তপুর, চাঁদপুর, মাদারীপুর, বরিশালসহ দেশের অনেক জেলা। এর ফলে শহরের কভিট-১৯ আক্রান্ত মানুষ ধারা স্থানীয়দের মধ্যে রোগ ছড়ানোরও ঝুঁকি রয়েছে। এজন্য বাড়তি সতর্কতা নিতে হবে স্থানীয় প্রশাসনের। ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত জেলাগুলোতে কতটা সর্তকতায় থাকবে স্থানীয় প্রশাসন এ নিয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, চট্রগ্রাম এবং যশোর জেলার জেলা প্রশাসকদের সাথে কথা হয় দৈনিক গণমুক্তির সাথে। কঠোর লকডাইন নিয়ে তাদের মতামত জানান। দেখা যায়, গত জুন মাসে ঢাকা বিভাগের মধ্যে শরীয়তপুর জেলা ভালো অবস্থানে থাকলেও বর্তমানে এই জেলায় করোনা রোগীর সনাক্ত বেড়েছে কয়েকগুণ। এর মধ্যে ঈদের ছুটিতে ঘরমূখী মানুষদের উপস্থিতিতে বেড়েছে বাড়তি চাপ। কঠোর লকডাউনে কেমন সর্তক থাকবে জানালেন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান। তিনি বলেন, বর্তমানে করোনার প্রকোপ আগের থেকে অনেক বেশি যার জন্য আমরা বাড়তি সর্তকতা নিয়েছি। আগের থেকে মোবাইল কোট বাড়িয়েছি। উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ বাহিনী সবাই যার যার স্থান থেকে সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করবে। যারা আইন মানবে না তাদের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা থাকবে। জেলার সকলের প্রতি অনুরোধ থাকবে সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন প্রয়োজনা ছাড়া বাহিরে ঘুরাফেরা করবেন না। নিজে ভালো থাকবেন পরিবারের সবাইকে ভালো থাকার ব্যবস্থা করবেন। আগামী ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশের ন্যায় মাদারীপুর জেলাতেও কঠোর লকডাউন চলবে। কাউকেই লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনে ছাড় দেবে না বলেন জানান মাদারীপুর জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড.রহিমা খাতুন। তিনি বলেন, গত লকডাউন চলাকালে অনেকেই বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে রাস্তায় বের হয়েছিলেন। কিন্তু এবার তা হতে দেয়া হবে না। প্রত্যকে মোড়ে মোড়ে থাকবে পুলিশের কড়া চেকপোস্ট। কারণ দর্শানো ছাড়া চেকপোস্ট পার হয়ে কেউ যেতে পারবে না। করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে এবার কঠোর ভূমিকায় মাঠে থেকে কাজ করবে প্রশাসন। বরিশাল জেলার জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার জানান, ১৭ জুলাই একদিনে বরিশাল জেলায় ১৯৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়। অদ্যাবধি এ জেলায় ১০৯৮৫ জন ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছে এবং মোট ৭০৮৮ জন ব্যক্তি করোনা থেকে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এখন পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ১৪৫ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বলেন, ঈদের পরে কঠোর লকডাউনে নেয়া হবে বাড়তি সর্তকতা। যশোর জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: তমিজুল ইসলাম খান জানান, যশোর জেলায় ১৭ ও ১৮ জুলাই দুই দিনের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায় ২৩ জন। এ নিয়ে জেলায় করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬৯ জনে। এদিকে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৬ হাজার ৯৯৬ জনের ও সুস্থ্য হয়েছেন ১০ হাজার ৫৮২ জন। তিনি বলেন, করোনা মোকাবিলায় আরো কঠোর হচ্ছে। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর্মী বা করোনা রোগী নয়, বাড়ির বাইরে বেরোলে সকলকেই মাস্ক পরতে হবে। যারা নিয়ম ভাঙবে তাদের হতে পারে জরিমানা থেকে হাজতবাস। চট্রগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিস্তার রোধ করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

৩০ মণের ‘খান বাহাদুর’কে নিয়ে স্বপ্ন চাঁদপুরের শফিউল্লাহ
                                  

চাঁদপুর প্রতিনিধি : চার বছর আগে শখের বসে হাট থেকে একটি বাছুর কিনেছিলেন দোকানি শফিউল্লাহ খান। ভালোবেসে নাম রেখেছিলেন ‘খান বাহাদুর’। ৩০ মণের বেশি ওজনের গরুটির বয়স এখন পাঁচ বছর। উচ্চতায় সাড়ে ৫ ফুট এবং লম্বায় ৭ ফুট। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর বালিথুবা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ রাজাপুর খান বাড়ি আমিনুল হক খানের ছেলে শফিউল্লাহ খান (৪৬)। এই গরু লালন-পালনে দোকানের পুঁজি লাগিয়েছেন তাই এবারের কোরবানির ঈদে গরুটি বিক্রি করে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন তিনি। দেখতে অনেক বড়সড় হওয়ায় অনেকেই গরুটি দেখতে বাড়িতে এসে ভিড় জমাচ্ছেন। অনেক ক্রেতা এ ষাঁড় গরু কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় এখনো বিক্রি হয়নি। বাতেন গাজী, রুবেল খান, শাকিবসহ বেশ কয়েকজন গরুটি দেখতে এসে বলেন, চাঁদপুরে এত বড় সাইজের গরু আমরা গত ১০ বছরেও দেখিনি। অন্যান্য জেলায় এত বড় সাইজের গরুর খবর পাওয়া গেলেও চাঁদপুরে তেমন একটা পাওয়া যায় না। তাই লোকমুখে শুনে ছুটে এসেছি এক নজর দেখতে। শফিউল্লাহ খান বলেন, ‘আমি ও ছেলে ১০ শ্রেণির শিক্ষার্থী রহমাত উল্লাহ খান মিলে চার বছর যাবত সম্পূর্ণ দেশীয় প্রকৃতিতে খাবার দিয়ে গরুটিকে লালন পালন করছি। ঘাস, ভুসি, খৈল, চাল, ভুট্টা, আম, কাঁঠাল, কলা, তাল কুমড়া ধান, সিদ্ধ করে খাওয়ানো হয় তাকে। কখনো কোন প্রকারের ফিড বা ইনজেকশন জাতীয় কোনো কিছুই ব্যবহার করিনি। এই গরুর সঠিক পরিচর্যা ও খাবার ঠিক রাখতে গিয়ে নিজের একমাত্র দোকানের অবস্থা করুণ হয়ে গেছে। পুরো দোকানে কোন মালামাল নেই। সব টাকাই আমার এই গরুর পেছনে লেগে গেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এখন ঘুরে দাঁড়াতে চাই। আশা করছি এবার কোরবানি ঈদে গরুটি বিক্রি করলে ভালো একটি দাম পাব। গত বছরের কোরবানির ঈদেও হাটে তুলেছিলাম কিন্তু আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় বাড়িতে নিয়ে আসি। তার প্রতি একটা মায়া কাজ করে এখন।’ জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. বখতিয়ার উদ্দিন বলেন, ‘গরুর সাইজের তালিকা আমাদের কাছে নেই। তবে গরুটি যদি হাইব্রিড জাতের হয়ে থাকে তাহলে ৪ বছরে ৩০ মণ বা তার অধিক হওয়া স্বাভাবিক।’

শরীয়তপুরে অসহায়দের পাশে সেনাবাহিনী
                                  

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শরীয়তপুরের জাজিরার পাইনপাড়া চর এলাকায় করোনা মহামারির এ দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে অসহায়, দুস্থ ও কর্মহীন ১৫০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গতকাল বুধবার এডহক সিএসসি এর প্রধান মেজর জেনারেল এফএম জাহিদ হোসেনের নির্দেশনায় এবং ইএসএসটি (পিএমবিপি) পক্ষ থেকে ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেডের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এ খাদ্যসহায়তা দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৯৯ কম্পোজিট বিগ্রেডের কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ২৭ আর ই ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. আফজাল হোসেন, ২৮ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের লে. কর্ণেল সামি উদ দৌলা চৌধুরী ও ১৯ বীর এর লে. কর্ণেল মো. আরিফুর রহমান। দুস্থদের দেয়া খাদ্য সহায়তার প্যাকেটে আট কেজি চাল, চার কেজি আটা, এক কেজি ডাল, ৫০০ গ্রাম চিনি, দুই কেজি আলু, ৫০০ গ্রাম তেল ও এক প্যাকেট সেমাই ছিল। সেনাবাহিনী জানায়, করোনা সংক্রমণ রোধে বিধিনিষেধ চলাকালীন অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সেনাবাহিনী। বুধবার ১৫০টি পরিবারের মাঝে এ খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়। পরবর্তীতে আরও ৩৫০টি অসহায় পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে।

অসুস্থ বৃদ্ধার দ্বায়িত্ব নিলেন ইউএনও মামুন
                                  

বগুড়া প্রতিনিধি : নওগাঁর সাপাহারে মানসিক ভারসম্যহীন অসুস্থ গীতা রানী (৬০) এর আকুতি শুনতে পায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুল্যাহ আল মামুন। গীতা রানী লোক মুখে শুনা নাম, পরিচয়হীন এক অসুস্থ বৃদ্ধা মানসিক ভারসম্যহীন নারী ৩ দিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে ছিলো নওগাঁর সাপাহার উপজেলার পাগলার মোড় নামক এলাকায় একটি পরিত্যক্ত গোডাউন ঘরে। ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া না করায় আরো বেশি করে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। চলাচলের শক্তিও ছিলনা তাঁর। হিতাহিত জ্ঞান না থাকায় এবং শরীরিক দুর্বলতার কারনে সেখানেই মানব বর্জ পরিত্যাগ করে পড়ে ছিলেন তিনি। ফলে নষ্ঠ হয়ে যায় পরনের কাপড়। দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে আশে পাশে। আত্মীয়-স্বজন বা পাশে দাঁড়াবার মত ছিলনা কেউ।
গত শনিবার গভীররাতে এই নারীর করুণ অবস্থার কথা স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে থেকে জানতে পায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্যাহ আল মামুন। ওই রাতেই ছুটে গিয়ে শামীম রেজা নামে এক ব্যক্তির পরিত্যাক্ত গোডাউন ঘর থেকে অসুস্থ, অপরিচ্ছন্ন এবং বিবস্ত্র অবস্থায় এই নারীকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অসুস্থ নারীকে দেখভালের জন্য স্থানীয় এক মহিলাকে নিয়োজিত করেন ইউএনও। গভীররাতে দোকান বন্ধ থাকায় বস্ত্রহীন নারীকে নিজ সহধর্মিণীর কাপড় এবং বাড়ি থেকে খাবার এনে দেন জনবান্ধব এ সরকারি কর্মকর্তা। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাঁকে উপজেলা সদরে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। স্থায়ীভাবে কোন ব্যাবস্থা না হওয়া পর্যন্ত সহায় সম্বলহীন এই নারীর অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসাসহ ভরণ-পোষণের দ্বায়িত্ব নেন তিনি।
গত সোমবার দুপুরে গীতা রানীর ব্যবহারের জন্য নতুন কাপড় নিয়ে হাসপাতালে গিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পলা কর্মকর্তা ডা. মুহা. রুহুল আমিন। গীতা রানীর বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রায় ৫ বছর আগে সাপাহার উপজেলা আসে এই নারী। মানসিক ভারসম্য হারিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াতেন। ২ বছর আগে ২ মাস থেকেছেন শিরন্টি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ শ্রী যোগেশের বাড়িতে। এরই সূত্রধরে কথা হয় গ্রাম পুলিশ যোগেশের সাথে। তিনি জানান, এই নারী প্রায় ৫ বছর থেকে এলাকার বিভিন্ন জায়গায় থাকেন। ২ বছর আগে ২ মাস আমার বাড়িতে ছিলেন। তখন তার ঠিকানা খুজে বের করে ছিলাম। তার নাম গীতা রানী। মান্দা উপজেলায় তার বাড়ি ছিল। সেখানে দেড় বিঘা জমি আছে। কিন্তু তার স্বজনেরা তাকে নিতে চাননা। কারণ হিসেবে তারা যোগেশকে জানান, হিন্দু থাকা অবস্থায় তার বিয়ে হয়ে ছিল।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুল্যাহ আল মামুন বলেন, একজন মানুষ হিসাবে একজন মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দ্বায়িত্বের মধ্য পড়ে। আমি সেটাই প্রতিপালন করেছি। গাতী রানী পুরোপুরি সুস্থ্য হলে তাঁকে সেইফ হোমে পাঠানোর ব্যাবস্থা করা হবে।


   Page 1 of 25
     দেশজুড়ে
রাজবাড়ীতে জন্ম নিবন্ধন তৈরিতে নাজেহাল সনদ গ্রহিতারা
.............................................................................................
গ্রাম ও শহরের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না : এমপি নয়ন
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩২ জন হাসপাতালে ভর্তি
.............................................................................................
বাগেরহাটে টিকা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন নিবন্ধনকারীরা
.............................................................................................
নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত বাড়লো, ভর্তি ৩০১ জন
.............................................................................................
সিরাজগঞ্জে চলছে স্কুলের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ
.............................................................................................
দেশজুড়ে র‍্যাবের দালাল বিরোধী অভিযান
.............................................................................................
এক মাস জুড়ে সাড়ে ৭ হাজার ডেঙ্গু রোগী
.............................................................................................
কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ২২১ রোগী হাসপাতালে
.............................................................................................
২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫৭ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে
.............................................................................................
গণটিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে
.............................................................................................
জেলাগুলোতে কেমন হবে কঠোর লকডাউন!
.............................................................................................
৩০ মণের ‘খান বাহাদুর’কে নিয়ে স্বপ্ন চাঁদপুরের শফিউল্লাহ
.............................................................................................
শরীয়তপুরে অসহায়দের পাশে সেনাবাহিনী
.............................................................................................
অসুস্থ বৃদ্ধার দ্বায়িত্ব নিলেন ইউএনও মামুন
.............................................................................................
শ্রীনগরে চাউলসহ নগদ অর্থ বিতরণ
.............................................................................................
মুকসুদপুরের কাশালিয়া-গোয়ালগ্রাম রাস্তাটির বেহাল দশা
.............................................................................................
কবে হবে চৌহালী উপজেলা পরিষদ
.............................................................................................
কলাপাড়ায় সরকারি খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ
.............................................................................................
দাগনভূঞা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেন সংকট
.............................................................................................
নারায়ণগঞ্জে পানিবন্দি ১৫ হাজার মানুষ
.............................................................................................
রাজশাহীতে কোরবানির চাহিদা মিটবে দেশি গরুতে
.............................................................................................
মিরকাদিমের ধবল গরুর চাহিদা সারাদেশে
.............................................................................................
লকডাউনে দুর্ভোগের শিকার সাধারণ মানুষ
.............................................................................................
বাগাতিপাড়ায় রেলগেট-দয়ারামপুর ৭ কিলোমিটার সড়কে জনদুর্ভোগ চরমে
.............................................................................................
সানন্দবাড়ীতে এলজিইডি রাস্তায় এলাকাবাসীর মাটি ভরাট
.............................................................................................
কঠোর লকডাউন ঘোষণায় ঈদের মতো বাড়ি ফিরছে মানুষ
.............................................................................................
সাত জেলায় ‘লকডাউন’
.............................................................................................
কোস্টগার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক
.............................................................................................
রাজনগরে ৪২টি পরিবার পেল স্বপ্নের ঠিকানা
.............................................................................................
দিনাজপুরে রসালো মিষ্টি লিচুর ফলন কম, দাম চড়াতে উঠেছে
.............................................................................................
আষাঢ়ে বৃষ্টির কবলে সারাদেশ
.............................................................................................
চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫
.............................................................................................
আম ব্যবসায় ঝুঁকছে শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
মশক নিধনে মাছ অবমুক্ত করলেন মসিক মেয়র
.............................................................................................
কাঁঠালিয়ায় হলতা নদীর ভাঙনে ৯টি প্রতিষ্ঠান বিলিন
.............................................................................................
মেহেরপুরে ভারতীয় ভেরিয়েন্টের শংকায় সীমান্তবাসী
.............................................................................................
হরিণাকুণ্ডুতে অবৈধভাবে বালু উত্তালন
.............................................................................................
কোস্টগার্ডের অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ ডাকাত আটক
.............................................................................................
সারাদেশে দিনব্যাপী প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনী
.............................................................................................
শরীয়তপুরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন
.............................................................................................
চৌহালীতে যমুনার ভাঙনে হুমকির মুখে ১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
.............................................................................................
ময়মনসিংহ সদরের কাতলাসেন ভেকিবিল খাল খনন সম্পন্ন
.............................................................................................
মোংলাসহ উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’এ ক্ষতিগ্রস্থদের নৌবাহিনীর মানবিক সহায়তা
.............................................................................................
করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মসিকের উদ্যোগে মাসব্যাপী সচেতনতা কার্যক্রম
.............................................................................................
দৃষ্টিনন্দন করা হচ্ছে হাকালুকি ও মাধবকুণ্ডকে
.............................................................................................
নদী দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ
.............................................................................................
সাতক্ষীরায় বেড়িবাঁধ ভেঙে ২০টি গ্রাম প্লাবিত
.............................................................................................
নির্মাণের দু-মাসের মাথায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের মেরামত
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop