ঢাকা, সোমবার , ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ , ২৮ সেপ্টেম্বর , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > করোনায় দেশে আরো ৩২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১,২৭৫   > এক্সট্রাকশনের পর নেটফ্লিক্সের নতুন ছবিতে ক্রিস হেমসওয়ার্থ   > ঠাকুরগাঁওয়ে সুরক্ষা সামগ্রী ও স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ   > বিনামূল্যে গ্রামীন জনপদের প্রান্তিক মায়েরা পাচ্ছে জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ের সেবা   > বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ে বাঁধের পুনঃনির্মাণ কাজ শেষ না হতেই ভাঙন   > টাঙ্গাইলে গৃহবধূর আত্মহত্যা!   > নীলফামারীতে ভিটামিন"এ" ক্যাম্পেইন সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা   > সাংগুতে বিপুল পরিমান ইয়াবা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড   > মোংলায় বিশ্ব নদী দিবস পালন   > বৌদ্ধবিহারে বিশ্ববিদ্যালয় পুন:প্রতিষ্ঠার দাবি  

   রেসিপি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সাদা চমচম

ডেস্ক রিপোর্ট : নানা স্বাদের মিষ্টি খেতে কে না ভালোবাসে! আর চমচমের নাম শুনলে তো কথাই নেই। রসে ভরা তুলতুলে চমচম অনেকেরই বেশ প্রিয়।

চলুন জেনে নেয়া যাক সুস্বাদু সাদা চমচম তৈরির রেসিপি-

উপকরণ:
ছানা- ১ কাপ
সুজি- ১/২ চা চামচ
ময়দা- দেড় চা চামচ
বেকিং পাউডার- এক চিমটি
খাবার তেল- ১ চা চামচ
গুঁড়া চিনি- দেড় চা চামচ
এলাচ গুঁড়া- ১ চিমটি।
শিরার জন্য:
চিনি- দেড় কাপ
পানি- সাড়ে পাঁচ কাপ
এলাচ- ৩-৪টি
ফুটানো গরম পানি- ৩-৪ কাপ।

প্রণালি:
ছানা নিয়ে হাতের তালুর সাহায্যে ভালো করে মথে নিন। এবার ছানার সঙ্গে একে একে সুজি, ময়দা, বেকিং পাউডার ও চিনি দিয়ে সব উপকরণ হাতের সাহায্যে আগে ছানার সাথে মিলিয়ে নিয়ে তেলটুকু দিয়ে আবারো একটু ভালো করে মথে নিন।

একটা ছড়ানো হাঁড়িতে চিনি, পানি ও এলাচ দিয়ে চুলায় বসিয়ে সিরা হতে দিন। সিরা হতে হতে মিষ্টিগুলো বানিয়ে নিন।ছানা সমান ৮-১০ বা ১২ টা ভাগ করে নিয়ে পছন্দমতো শেপে চমচম বানিয়ে নিন। সিরা কয়েকবার ফুটে উঠলে চুলার আঁচ কমিয়ে মিষ্টিগুলো সিরায় ছেড়ে দিন। তবে ফুটন্ত সিরায় কখনো মিষ্টি ছাড়বেন না।

মিষ্টিগুলো সিরায় ছাড়ার পর চুলার আঁচ মাঝারি থেকে একটু বাড়িয়ে দিন। ঢাকনা দেবেন না। এবার মিষ্টিগুলো উপরে ভেসে ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন বিশ মিনিটের জন্য। এবার চুলার আঁচ মাঝারি করে দিন।

অন্য চুলায় হাড়িতে ২-৩ কাপ পানি ফুটতে দিন। বিশ মিনিট পর ঢাকনা খুলে মিষ্টিগুলো উলটে দিন আর হাঁড়ির পাশ ঘেঁষে আধা কাপ গরম পানি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সিরার মধ্যে দিয়ে দিন। আবার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন বিশ মিনিটের জন্য। এরপর ঢাকনা খুলে আধা কাপ গরম পানি একইভাবে শিরায় দিয়ে দিন আর মিষ্টিগুলো আরেকবার উল্টে দিন।

একই পদ্ধতি আরও দুইবার করুন। মোট ১ ঘণ্টা বিশ মিনিটের মতো জ্বাল দেবেন। শেষের দিকে সিরা যদি খুব বেশি ঘন লাগে তাহলে ১ কাপ করে গরম পানি দেবেন। মিষ্টি শেষে আর উল্টানোর প্রয়োজন নেই কারণ মিষ্টি খুবই তুলতুলে থাকবে।

১ ঘণ্টা বিশ মিনিট পর মিষ্টি রেডি হলে চুলা অফ করে দিয়ে চমচমগুলো ঢেকে রেখে দিন ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত। স্বাভাবিকভাবে ঠান্ডা হতে দিন, ফ্রিজে রাখবেন না।। ঠান্ডা হলে মাওয়ায় গড়িয়ে পরিবেশন করুন দারুণ মজার তুলতুলে রসালো সাদা চমচম।

সাদা চমচম
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : নানা স্বাদের মিষ্টি খেতে কে না ভালোবাসে! আর চমচমের নাম শুনলে তো কথাই নেই। রসে ভরা তুলতুলে চমচম অনেকেরই বেশ প্রিয়।

চলুন জেনে নেয়া যাক সুস্বাদু সাদা চমচম তৈরির রেসিপি-

উপকরণ:
ছানা- ১ কাপ
সুজি- ১/২ চা চামচ
ময়দা- দেড় চা চামচ
বেকিং পাউডার- এক চিমটি
খাবার তেল- ১ চা চামচ
গুঁড়া চিনি- দেড় চা চামচ
এলাচ গুঁড়া- ১ চিমটি।
শিরার জন্য:
চিনি- দেড় কাপ
পানি- সাড়ে পাঁচ কাপ
এলাচ- ৩-৪টি
ফুটানো গরম পানি- ৩-৪ কাপ।

প্রণালি:
ছানা নিয়ে হাতের তালুর সাহায্যে ভালো করে মথে নিন। এবার ছানার সঙ্গে একে একে সুজি, ময়দা, বেকিং পাউডার ও চিনি দিয়ে সব উপকরণ হাতের সাহায্যে আগে ছানার সাথে মিলিয়ে নিয়ে তেলটুকু দিয়ে আবারো একটু ভালো করে মথে নিন।

একটা ছড়ানো হাঁড়িতে চিনি, পানি ও এলাচ দিয়ে চুলায় বসিয়ে সিরা হতে দিন। সিরা হতে হতে মিষ্টিগুলো বানিয়ে নিন।ছানা সমান ৮-১০ বা ১২ টা ভাগ করে নিয়ে পছন্দমতো শেপে চমচম বানিয়ে নিন। সিরা কয়েকবার ফুটে উঠলে চুলার আঁচ কমিয়ে মিষ্টিগুলো সিরায় ছেড়ে দিন। তবে ফুটন্ত সিরায় কখনো মিষ্টি ছাড়বেন না।

মিষ্টিগুলো সিরায় ছাড়ার পর চুলার আঁচ মাঝারি থেকে একটু বাড়িয়ে দিন। ঢাকনা দেবেন না। এবার মিষ্টিগুলো উপরে ভেসে ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন বিশ মিনিটের জন্য। এবার চুলার আঁচ মাঝারি করে দিন।

অন্য চুলায় হাড়িতে ২-৩ কাপ পানি ফুটতে দিন। বিশ মিনিট পর ঢাকনা খুলে মিষ্টিগুলো উলটে দিন আর হাঁড়ির পাশ ঘেঁষে আধা কাপ গরম পানি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সিরার মধ্যে দিয়ে দিন। আবার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন বিশ মিনিটের জন্য। এরপর ঢাকনা খুলে আধা কাপ গরম পানি একইভাবে শিরায় দিয়ে দিন আর মিষ্টিগুলো আরেকবার উল্টে দিন।

একই পদ্ধতি আরও দুইবার করুন। মোট ১ ঘণ্টা বিশ মিনিটের মতো জ্বাল দেবেন। শেষের দিকে সিরা যদি খুব বেশি ঘন লাগে তাহলে ১ কাপ করে গরম পানি দেবেন। মিষ্টি শেষে আর উল্টানোর প্রয়োজন নেই কারণ মিষ্টি খুবই তুলতুলে থাকবে।

১ ঘণ্টা বিশ মিনিট পর মিষ্টি রেডি হলে চুলা অফ করে দিয়ে চমচমগুলো ঢেকে রেখে দিন ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত। স্বাভাবিকভাবে ঠান্ডা হতে দিন, ফ্রিজে রাখবেন না।। ঠান্ডা হলে মাওয়ায় গড়িয়ে পরিবেশন করুন দারুণ মজার তুলতুলে রসালো সাদা চমচম।

সুস্বাদু পাবদা মাছের ঝোল রাঁধবেন যেভাবে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : বাঙালির খাবার মানেই নানা রকম মাছের পদ। কোনোটা ভাজা তো কোনোটা ঝোল, কোনোটা আবার পাতুরি। কত স্বাদ, কত ধরনের যে রেসিপি! গরম ভাতের সাথে যেকোনো মাছের ঝোল হলে আর কিছু দরকার হয় না। আর তা যদি হয় পাবদা মাছ, তবে তো কথাই নেই! চলুন জেনে নেয়া যাক পাবদা মাছের ঝোল তৈরির রেসিপি-

উপকরণ:
পাবদা মাছ- ৪-৫ টি
লবণ
হলুদ
সরষের তেল
রসুন- ৫ থেকে ৬ কোয়া
কাশ্মীরী লাল মরিচ গুঁড়া- ২ চামচ
টমেটো পিউরি- ৩ চামচ
কাঁচা মরিচ- ২ থেকে ৩টি
ধনেপাতা কুচি।

প্রণালি:
পাবদা মাছ কেটে ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার লবণ, হলুদ আর সামান্য সরষের তেল মাখিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। এবার যে পাত্রে মাছ রান্না করবেন সেই পাত্রে ১ চামচ হলুদ, ১ চামচ মরিচ গুঁড়া, ১ চামচ হলুদ, তিন চামচ টমেটো পিউরি, রসুনের পেস্ট ১ চামচ আর ২ চামচ সরষের তেল দিন। এবার এর মধ্যে অল্প হালকা গরম পানি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।

এবার অল্প আঁচে কড়াই বসিয়ে তার মধ্যে দুটি কাঁচা মরিচ দিন। অন্য একটি কড়াইতে সরষের তেল গরম করে মাছ ভেজে নিন। এবার সাবধানে মাছগুলো ছাড়ুন ঝোলের মধ্যে।মাছে সামান্য ধনেপাতা কুচি, সামান্য গরম পানি আর ২টি কাঁচা মরিচ চিরে দিয়ে দিন। নামানোর আগে একটু কাঁচা সরষের তেল ছড়িয়ে দিন। অল্প আঁচে ১০ মিনিট ঢাকা দিয়ে রাখুন। তৈরি হয়ে গেলো সুস্বাদু পাবদা মাছের ঝোল। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

গরুর মাংসের তিন পদ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ভোজন রসিকদের জন্য কোরবানির ঈদ মানেই ভূরি ভোজের মহোৎসব। ঈদ উপলক্ষে বানানো নানা পদের বাহারি খাবার দাবার দেখে অনেকেই লোভ সামলাতে পারেন না। কিন্তু আপনি যতই রসনা বিলাসী হোন না কেন, খাবার খেতে হবে পরিমিত। তবে রান্নাটাও হওয়া চায় যুৎসই। গরুর মাংসের তিনটি সুস্বাদু পদ সম্পর্কে জেনে নিতে পারেন।

গরুর মাংস ভুনা
উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি, আদা বাটা ৪ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ, আস্ত রসুন ৬ কোয়া, জিরা বাটা ১ চা চামচ, দারুচিনি ৬ টুকরা, এলাচ ৬ টুকরা, পিয়াজ মোটা গোল করে কাটা ২ কাপ, পিয়াজ চিকন কুচি ১ কাপ, জিরা, শুকনা মরিচ ২টা, তেল ২ কাপ, হলুদ দেড় চা চামচ, শুকনা মরিচ বাটা ১ চা চামচ, লবণ ১ টেবিল চামচ, চিনি ১ চা চামচ।
প্রণালি : প্রথমে চুলায় তেল দিয়ে চিকন কুচি করা পিয়াজ ভেজে নিতে হবে। এবার মোটা গোল পিয়াজ দিয়ে একটু বাদামি হলে মাংস, আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরা বাটা, হলুদ বাটা, মরিচ বাটা দিয়ে খুব ভালো করে ভুনে গরম পানি ২ কাপ ঢেলে দিতে হবে। পিয়াজের সঙ্গে মেশানো মসলা মাংসের ওপর ছড়িয়ে অল্প আঁচে আধাঘণ্টা রাখতে হবে।

দই মাংস
উপকরণ : মাংস আধা কেজি, টক দই আধা কাপ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, আদা বাটা আধা চা-চামচ, জিরা গুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, সরিষা বাটা আধা চা-চামচ, তেল ২ টেবিল চামচ, পিয়াজ কুচি সিকি কাপ, চিনি স্বাদমতো, লেবুর রস স্বাদমতো, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি : পিয়াজ তেলে হালকা ভাজুন। চিনি ও লেবুর রস ছাড়া বাকি সব উপকরণ মাংসে মেখে তেলে ছেড়ে দিন। ঢেকে মৃদু আঁচে রান্না করুন। মাংস সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে তেলের ওপর উঠলে চিনি ও লেবুর রস দিয়ে দিন। মাখা মাখা ঝোল থাকতে নামান। গরম গরম পরিবেশন করুন।

বাদামি কোরমা
উপকরণ : খাসির মাংস আধা কেজি, ঘি বা তেল আধা কাপ, পিয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, রসুন মিহি কুচি ১ চা-চামচ, আদা বাটা ১ চা-চামচ, এলাচি ৩টি, দারুচিনি ২ সেমি করে ২ টুকরা, লবঙ্গ ২টি, জিরা গুঁড়া আধা চা-চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, টক দই সিকি কাপ, বাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ, আলুবোখারা ৮টি, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি : মাংস বড় টুকরা করুন। ঘিয়ে পিয়াজ, রসুন দিয়ে হালকা ভাজতে হবে যেন পিয়াজ বাদামি রং না হয়। অন্যান্য মসলা দিয়ে মৃদু আঁচে ৪-৫ মিনিট ভাজুন। মাংস, দই ও বাদাম দিয়ে অল্প আঁচে রান্না করতে হবে। মাংস সিদ্ধ হলে আলুবোখারা ও লবণ দিয়ে নেড়ে দমে রাখুন। আলুবোখারা নরম হলে এবং মাংস তেলের ওপরে উঠলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

সরিষার তেলে গরুর তেহারি
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : আসছে কোরবানির ঈদ। ঈদ মেন্যুতে রাখতে পারেন মজাদার সরিষার তেলের তেহারি। সহজ উপায়ে তেহারি রান্নার রেসিপি জেনে নিন।

উপকরণ
গরুর মাংস- ১ কেজি (হাড়সহ)
পোলাওয়ের চাল- আধা কেজি
তরল দুধ- প্রয়োজন মতো
আদা বাটা- ২ টেবিল চামচ
রসুন বাটা- দেড় টেবিল চামচ
জয়ফল ও জয়ত্রী গুঁড়া- আধা চা চামচ
বাটার মিল্ক- আধা কাপ
সরিষার তেল- পৌনে ১ কাপ
তেজপাতা- ৩টি
সবুজ এলাচ- ৬টি
দারুচিনি- কয়েক টুকরো
গোলমরিচ- ১ চা চামচ
পেঁয়াজ কুচি- ১ কাপ
লবণ- স্বাদ মতো
কাঁচা মরিচ- কয়েকটি (ফালি করে নেওয়া)


প্রস্তুত প্রণালি
আধা কাপ দুধে ১ চা চামচ সাদা ভিনেগার মিশিয়ে বাটার মিল্ক বানিয়ে নিন। মাংস ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নিন। আদা বাটা, রসুন বাটা, জয়ফল ও জয়ত্রী গুঁড়া ও বাটার মিল্ক দিয়ে মাংস মেখে নিন। ১ ঘণ্টার জন্য রেখে দিন ম্যারিনেট করে।
সরিষার তেল গরম করে গরম মসলা ভেজে নিন। পেঁয়াজ কুচি ও কাঁচা মরিচ দিয়ে দিন। পেঁয়াজ নরম হয়ে গেলে ম্যারিনেট করা মাংস দিয়ে দিন। স্বাদ মতো লবণ দিয়ে মাংস ভুনে নিন। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাংস সেদ্ধ করে নিন। মাঝে মাঝে নেড়ে দেবেন। প্রয়োজনে বাড়তি পানি ব্যবহার করুন। তবে খুব বেশি পানি না দেওয়াই ভালো। মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে ঝোল থেকে তুলে রাখুন। এই মসলাতেই রান্না করুন তেহারি।
চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। মাংসের মসলায় দিয়ে ভেজে নিন। চালের দ্বিগুণ পরিমাণ ফুটন্ত গরম পানি দিয়ে দিন। পানির সাথে তরল দুধ ব্যবহার করতে পারেন মাপ মতো। আস্ত কাঁচা মরিচ ছেঁড়ে দিন পনেরো থেকে বিশটির মতো। স্বাদ মতো লবণ দিয়ে দিন। মিডিয়াম টু হাই হিটে রান্না করুন। মাখো মাখো হয়ে গেলে জ্বাল কমিয়ে মাংসগুলো দিয়ে দিন। আলতো হাতে মিশিয়ে নিন চালের সঙ্গে। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। চুলার আঁচ কমিয়ে দমে রাখুন ১০ মিনিট। ঢাকনা তুলে নেড়েচেড়ে আরও ১০ মিনিটের জন্য দমে রাখুন। নামিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম।

ঈদে গরুর মাংসের মুখরোচক ৪ রেসিপি
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : কোরবানির ঈদ আসলেই হরেক রকমের গরুর মাংসের রেসিপি রান্না করা হয়। তবে অনেক আবার রেসিপি না জানার কারণে রান্না করতে পারে না। তাই আপনাদের জন্য এখানে কিছু গরুর মাংসের রেসিপি দেওয়া হলো।

কড়াই গোস্ত

কোরবানির ঈদের সবচেয়ে পছন্দের মাংস রান্নার মধ্যে গরুর কড়াই গোস্ত অন্যতম। এটি কমবেশি সবাই পছন্দ করে থাকে।

উপকরণ
* গরুর মাংস ১ কেজি
* পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ
* হলুদ ও গুঁড়া ১ টেবিল চামচ
* মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ
* মাংসের মসলা ১ চা চামচ
* দারচিনি ও এলাচ ৩/৪ টুকরো, জয়ফল।
* জয়ত্রী বাটা ১ চা চামচ
* টক দই ১ কাপ
* টমেটো কিউব ১ কাপ
* তেজপাতা ২টি
* তেল ১ কাপ
* রসুন কোয়া ২/৩টি
* লবণ পরিমাণ মতো।

প্রস্তুত প্রণালী
* একটি চালুনি পাত্রে গরুর মাংস রেখে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার একটি পাত্রে মাংস, টক দই, লবণ সহ সব মসলা একসঙ্গে ভালো করে মেখে ২০/২৫ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন।
* হাঁড়িতে তেল গরম করে অর্ধেক পেঁয়াজ কুচি, দারচিনি, এলাচ, তেজপাতা হালকা বাদামী করে ভেজে মেরিনেট করা মাংস দিয়ে নেড়ে কষাতে হবে। পরিমাণ মতো পানি দিয়ে মৃদু আঁচে রান্না করতে হবে। কিছু সময় পর মাংস সেদ্ধ হল কিনা দেখে নিন।
* মাংস সিদ্ধ হয়ে আসলে ও মাংসের ওপর তেল ভেসে উঠলে নামিয়ে রাখতে হবে। তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি, রসুনের কোয়া, টমেটো কুচি হালকা বাদামী করে ভেজে মাংস কড়াই-এ দিয়ে ২/৩ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে ফেলুন। এভাবেই তৈরি হয়ে যাবে গরুর মাংসের কড়াই গোস্ত।

কালা ভুনা

গরুর মাংসের কালো ভুনা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবার হলেও দেশের কমবেশি সকল মানুষই এই রেসিপিটি পছন্ন করেন। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে এটি তৈরি করবেন।

উপকরণ
* ২ কেজি হাড় ছাড়া গরুর মাংস
* ১/২ চামচ বা মরিচ গুড়া ও ১ চামচ হলুদ গুড়া
* ১/২ চামচ জিরার গুড়া ও ১/২ চামচ ধনিয়া গুড়া
* ১ চাচম পেঁয়াজ বাটা ও ২ চামচ রসুন বাটা
* ১/২ চামচ আদা বাটা, সামান্য গরম মশলা (দারুচিনি, এলাচি)
* ১/২ কাপ পেঁয়াজ কুঁচি, কয়েকটা কাঁচা মরিচ,
* পরিমাণ মতো লবণ ও সরিষার তেল।

প্রস্তুত প্রণালী
* গরুর মাংস ধুয়ে নিয়ে একটি চালুনি পাত্রে রেখে পানি ঝরিয়ে নিন। তারপর লবন, তেল ও বাকি সব মশলা দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিতে হবে (পেঁয়াজ কুঁচি এবং কাঁচা মরিচ বাদে)।
* মাখানো মাংসটি এবার চুলায় হালকা আঁচ রেখে জ্বাল দিতে হবে। এবার দুই কাপ পানি দিয়ে আবারো ঢাকনা দিয়ে দিন। মাংস সেদ্ধ হতে সময় লাগবে। যদি মাংস সেদ্ধ না হয় তবে আবারো গরম পানি এবং জাল বাড়িয়ে নিন।
* ঝোল শুকিয়ে, মাংস নরম হয়ে গেলে রান্নার পাত্রটি সরিয়ে রাখুন। এবার অন্য একটি কড়াই নিয়ে, তাতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুঁচি এবং কাঁচা মরিচ ভাঁজতে থাকুন।
* সোনালী রং হয়ে আসলো সেই কড়াইতে গরুর মাংস দিয়ে , হালকা আঁচে ভাজতে হবে। মাংস কাল হয়ে যাওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন, খেয়াল রাখতে হবে যাতে মাংস পুড়ে না যায়। সবশেষে রান্নাটি নামানোর আগে লবণটি চেখে নিন। কালা ভুনার স্বাদ আরো বাড়াতে খাঁটি সরিষার তেল ব্যবহার করুন।

শাহী রেজালা

কোরবানির ঈদে গরুর মাংসের শাহী রেজালা খুবই জনপ্রিয়। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে গরুর মাংসের রেজালা তৈরি করা যায়।

প্রয়োজনীয় উপকরণ
* ১ কেজি গরুর মাংস
* পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
* আদা ও রসুন বাটা
* হলুদ জিরা ও ধনিয়া
* কেওড়া জল ও কিশমিশ
* আলু বুখারা ও টক দই
* বাদাম বাটা ও চিনি
* কাঁচা মরিচ বাটা বা পেস্ট,
* জয়ফল/ জয়ত্রী/ পুস্তদানা
* গরম মসলা (এলাচি/ দারুচিনি) তেজপাতা ও তেল।
* লবণ

যেভাবে রান্না করবেন

একটি চালনি নিয়ে মাংস ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার সব উপকরণ পরিমাণমতো নিয়ে দই আর অল্প পানি দিয়ে একসাথে মিশিয়ে ঘণ্টাখানেক মেরিনেট করে রেখে দিন।
*এরপর মাংসে তেল, কাঁচামরিচ পেস্ট, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, হলুদ, জিরা, ধনিয়া, লবণ, বাদাম বাটা, চিনি, জয়ফল, জয়ত্রী,পুস্তদানা বাটা, তেজপাতা, গরম মসলা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।
* মেশানোর হয়ে গেলে মাংসের মিশ্রণটি চুলায় বসিয়ে দিন। অল্প আঁচে গরম হতে থাকবে এবং মাংস সিদ্ধ হচ্ছে কিনা কিছু ক্ষণ পরে দেখে নিন।
* মাংস সেদ্ধ হয়ে আসলে কেওড়া জল, কিশমিশ ও আলুবোখারা দিয়ে দিন। এরপর ঢাকনা দিয়ে হালকা আঁচে আরও কিছু সময় জ্বাল দিন। তারপর লবণ ঝাল হয়েছে কিনা দেখে নিন। বাগার দিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। অল্প কিছু সময়ের মধ্যেই হয়ে যাবে মজাদার গরুর মাংসের রেজালা ।

গার্লিক বিফ

গরুর মাংসের গার্লিফ বিফ খুবই মজাদার একটি রেসিপি। এটি চাইলেই আপনি বাড়িতে তৈরি করতে পারেন। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে এটি তৈরি করবেন।

প্রয়োজনীয় উপকরণ
* গরুর মাংস ১ কেজি
* পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
* হলুদ গুঁড়া ১ কাপ ও মরিচ গুঁড়া ১ কাপ
* আদা বাটা আধা চা চামচ ও রসুন বাটা আধা চা চামচ
* রসুনের কোয়া ৬/৭টি ও ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ
* জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ
* তেল আধা কাপ, মাংসের মসলা আধা চা চামচ
* টমেটো সস আধা কাপ ও টক দই ১ কাপ
* গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ ও লবণ স্বাদ মতো।

প্রস্তুত প্রণালী

* গরুর মাংস ধুয়ে নিয়ে একটি চালুনি পাত্রে রেখে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার একটি পাত্রে মাংস, তেল, টক দই, হলুদ, মরিচ, আদা, রসুন, পেঁয়াজ, লবণ সহ সব মসলা নিয়ে আধা ঘণ্টা খানিক মেরিনেট করে রাখুন।
* কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ বাদামী করে ভেজে মাংস দিয়ে নেড়ে কষাতে হবে। কষানো হলে সামান্য পানি দিয়ে নেড়ে ঢেকে রাখতে হবে। মাংস সিদ্ধ হয়ে আসলে টমেটোসস, কাঁচামরিচ ফালি ও রসুনের কোয়া দিয়ে ১০ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

পাতায় মোড়া পমফ্রেট
                                  

উপকরণ : চান্দা মাছ ২টি, পোস্ত বাটা ৩ চা-চামচ, সরষে বাটা ১ চা-চামচ, মরিচ বাটা ১ চা-চামচ, নারকেল বাটা ১ চা-চামচ, লবণ, চিনি স্বাদমতো, টমেটো কুচি ১টি, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়ো ১ চা-চামচ, তেঁতুলের ক্বাথ ১ টেবিল চামচ, সরষের তেল পরিমাণমতো।

প্রণালি : মাছ ভালোভাবে ধুয়ে হলুদ মেখে হালকা ভেজে নিন। তেলের মধ্যে টমেটো কুচি, রসুন, মরিচ, সরষে, পোস্ত ও নারকেল বাটার মিশ্রণ দিন। মসলা কষিয়ে তেঁতুলের ক্বাথ দিন। লবণ ও চিনি মেশান। মরিচ গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো দিয়ে মাছগুলো ফুটতে দিন। এবার মসলাসহ নামিয়ে কলাপাতায় মুড়ে ১৫ মিনিট স্টিম করে নিন। এবার নামিয়ে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

খাসির মাংস ভুনা রেসিপি
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : মাংস ভুনা খেতে কার না ভালো লাগে, সেটা যদি হয় খাসির মাংস ভুনা। তাহলে তো কথাই নেই, শুনলেই যের জিভে জল চলে আসে। তাই আপনাদের জন্য আজকের আয়োজন খাসির মাংস ভুনা। দেখে নিন কীভাবে তৈরি করবেন রেসিপিটি-

উপকরণ
খাসির মাংস- ১ কেজি
পেঁয়াজ কুচি- ১ কাপ
দারচিনি- ৩ টুকরা, এলাচ- ৪টি, লবঙ্গ- ৫টি, তেজপাতা- ৩টি
আস্ত কাঁচামরিচ ২-৩টি
আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
হলুদ ১ চা চামচ
জিরাগুঁড়া- দেড় চা চামচ
ধনিয়াগুঁড়া- ১ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া- ২ চা চামচ
গরম মশলাগুঁড়া- ১/৪ চা চামচ
লবণ স্বাদমতো
গরম পানি পরিমাণমতো
তেল ৪ টেবিল চামচ

নির্দেশনা
১। প্রথমে কুকিং প্যানে তেল গরম দিয়ে এর মধ্যে একে একে আস্ত গরম মশলা ও পেঁয়াজকুচি দিয়ে দিন।

২। পেঁয়াজ নরম হয়ে গেলে আদা বাটা ও রসুন বাটা দিয়ে সব একসাথে ঘন ঘন নেড়ে দিন। এরপর এই মশলার মধ্যে মরিচগুঁড়া, হলুদ, জিরা, ধনিয়াগুঁড়া, গরম মশলাগুঁড়া এবং পরিমাণমতো লবণ দিন। অল্প অল্প পানি দিয়ে মশলা বেশ সময় নিয়ে কষিয়ে নিন।

৩। পানি শুকিয়ে মসলার ওপরে তেল উঠে এলে এতে খাসির মাংস দিয়ে দিন। চুলার আঁচ এ সময় একটু বাড়িয়ে রাখুন।

৪। মাংস ঢেকে রান্না করুন। মাংস থেকে অনেক পানি বের হবে। এই পানিতেই মাংস অনেকখানি সিদ্ধ হয়ে যাবে। মাংস মাঝে মাঝে নেড়ে দিন যাতে নিচে না লেগে যায়। এরপর টুলার আঁচ মাঝারি করে রাখুন।

৫। মাংস আধা ঘণ্টারও বেশি সময় নিয়ে কষিয়ে রান্না করুন। মাংস যত সময় নিয়ে কষাবেন তত এর টেস্ট বাড়বে। মাংসের পানি পুরোপুরি শুকিয়ে তেল উপরে উঠে গেলে অল্প অল্প গরম পানি যোগ করুন। মাংস মাঝে মাঝে নেড়ে দিন যাতে হাঁড়ির নিচে লেগে না যায়।

৬। মাংস কষাতে কষাতেই অনেকটা সিদ্ধ হয়ে যাবে। এখন মাংস ভালোমতো কষানো হয়ে গেলে এতে পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন।

৭। মাংস সিদ্ধ হয়ে গ্রেভি ঘন হয়ে এলে চুলা বন্ধ করে দিন। মাংসের ওপর ২-৩টি আস্ত কাঁচামরিচ ছড়িয়ে দিয়ে মাংস কিছুক্ষণ ঢেকে রেখে দিন।

৮। সবশেষে খিচুড়ি, পরাটা বা সাদা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার খাসির মাংস ভুনা।

তৈরি করুন ম্যাংগো ক্রিম পুডিং
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : এসময়ে পাওয়া যাচ্ছে সবার প্রিয় পাকা আম। তৈরি করতে পারেন দারুণ স্বাদের ম্যাংগো ক্রিম পুডিং।

উপকরণ
পাকা মিষ্টি আমের রস-১ কাপ, ঘন দুধ ৩ কাপ, চিনি ১ কাপ, ডিম ৫টি, এলাচ গুঁড়া সামান্য, ক্রিম ২ টেবিল চামচ।

প্রণালী
এক লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে অর্ধেক করুন। আমের রস ও ডিমের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে দুধ, ডিম, চিনি, এলাচ গুঁড়া ও ক্রিম দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন।

চিনি দিয়ে ক্যারামেল করা পাত্রে মিশ্রণ ঢেলে পাত্রের মুখ ঢাকনা দিয়ে ঢেকে প্রেসার কুকারে পানি দিয়ে ৮ সিটি ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। পুডিং নিজে থেকে ঠাণ্ডা হলে ওপরে আমের টুকরো দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

ক্যারামেল তৈরি
ঢাকনাসহ স্টিলের বক্সে প্রথমে একটু চিনি দিয়ে চুলায় দিন। যতক্ষণ চিনি বাদামি রং না হয় সে পর্যন্ত পাত্রটি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সব জায়গায় লাগিয়ে নিন। এবার ক্যারামেল ঠান্ডা করে পুডিং-এর মিশ্রণ ঢালুন।

সুজি দিয়ে তৈরি করুন সুস্বাদু চমচম
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সুজির হালুয়া খেতে পছন্দ করেন সবাই। সুজি দিয়ে তৈরি করা যায় নানা স্বাদের পিঠাও। আবার সুজি দিয়ে তৈরি করা যায় চমৎকার স্বাদের সব মিষ্টি। আজ চলুন জেনে নেয়া যাক সুজি দিয়ে চমচম তৈরির রেসিপি-

উপকরণ:
সুজি- ১/২ কাপ
তরল ঘন দুধ- ১ কাপ
চিনি- ১ টেবিল চামচ
ঘি-১ টেবিল চামচ
ডিম- ১ টি
তেল- ভাজার জন্য।

সিরার জন্য:
চিনি- ১ কাপ
পানি- ২ কাপ
দারুচিনি- ২ টি।

প্রণালি:
একটি পাতিলে দুধ দিতে হবে। দুধ বলক আসলে চিনি, ঘি, সুজি দিয়ে একটু নরম ময়ান দিতে হবে। ঠান্ডা হলে ফেটানো ডিম অল্প অল্প করে দিয়ে ভালোভাবে সুজিকে ময়ান দিতে হবে। এরপর ময়ানটাকে হাতে একটু ঘি/তৈল নিয়ে চমচমের শেপ দিতে হবে।

একটি গভীর প্যানে ডুবো তেলে হালকা আঁচে ভাজতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে গরম সিরায় ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরে সিরা থেকে তুলে মাওয়ায় গড়িয়ে পরিবেশন করুন।

কমলালেবু দিয়ে অরেঞ্জ চিকেন রেসিপি
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : শীত চলে যাওয়ার মুখে৷ কিছুদিন পরই বাজার থেকে উধাও হবে কমলালেবু৷ তার আগে কমলালেবু দিয়ে বানিয়ে ফেলুন দারুণ এই ফিউশন রেসিপি৷

প্রয়োজনীয় উপাদান

*চিকেন ব্রেস্ট-২ টো (বোনলেস, ছোট টুকরোয় কাটা)

*ময়দা-১ কাপ

*লবন-প্রয়োজন মত

*গোলমরিচ-১/৪ চা চামচ

*অলিভ অয়েল-৩ টেবল চামচ

সসের জন্য

*পানি-দেড় কাপ

*অরেঞ্জ জুস-২ টেবল চামচ

*লেবুর রস-১/৪ কাপ

*ভিনিগার-১/৩ কাপ

*সয়া সস-আড়াই টেবল চামচ

*কমলালেবুর খোসা কোরা-১ টেবল চামচ

*ব্রাউন সুগার-১ কাপ

*আদা কোরা-আধ চা চামচ

*রসুন-আধ চা চামচ

* পেঁয়াজ-২ টেবল চামচ

*রেড পেপার ফ্লেক্স-১/৪ চা চামচ

*কর্নস্টার্চ-৩ টেবল চামচ

*পানি-২ টেবল চামচ

প্রস্তুত প্রণালী

দেড় কাপ পানি, অরেঞ্জ জুস, লেবুর রস, ভিনিগার, সয়া সস একটা সসপ্যানে মাঝারি আঁচে ফোটান৷ এর মধ্যে কমলালবেুর খোসা কোরা, ব্রাউন সুগার, আদা, রসুন, পেঁয়াজ কুচি, রেড পেপার ফ্লেক্স দিয়ে ফোটান৷ চিকেন একটা জিপলক ব্যাগে ভরে নিন৷ সস ঠান্ডা হলে ১ কাপ সস জিপলক ব্যাগে ভরে রেফ্রিজরেটরে ভরে ২ ঘণ্টা রাখুন৷

ময়দা, লবণ, গোলমরিচ গুঁড়ো একসঙ্গে নিয়ে ম্যারিনেট করা চিকেন দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে নিন৷ বড় কড়াইতে মাঝারি আঁচে অলিভ অয়েল গরম করুন৷ চিকেন দিয়ে দুপিঠ সোনালি করে ভেজে তুলুন৷ এবার ওই কড়াইতেই সস দিয়ে ফোটাতে থাকুন৷ কর্নস্টার্চ ২ টেবল চামচ পানিতে গুলে নিয়ে সসের মধ্যে দিয়ে দিন৷ আঁচ একদম কমিয়ে চিকেন দিন৷ ৫ মিনিট ফোটান৷ ক্রমাগত নাড়তে থাকবেন৷ নামিয়ে নিন৷

তথ্যসূত্র: নিউজ১৮

যেভাবে তৈরি করবেন লাচ্ছা সেমাইয়ের কেক
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ছুটির দিনে বাসায় কাউকে দাওয়াত করেছেন। তাকে চমকে দিতে পারেন লাচ্ছা সেমাইয়ের কেক দিয়ে। খুব অল্প সময়েই এটা তৈরি করা যায়। দেখুন কিভাবে তৈরি করবেন লাচ্ছা সেমাইয়ের কেক-

উপকরণ

লাচ্ছা সেমাই-১ প্যাকেট, ডিম ২টি, আইসিং সুগার-১ কাপ, বাদাম কুচি-২ টেবিল চামচ, কিসমিস ১ টেবিল চামচ, ঘি-২ টেবিল চামচ, তেল– আধা কাপ।

প্রণালি

প্রথমে একটি বোলে ডিম, ঘি, তেল ও চিনি ভালোমতো বিট করে নিতে হবে। এরপর লাচ্ছা সেমাই ভেঙে এই মিশ্রণে মিশিয়ে নিতে হবে। ওভেন ট্রেতে দিয়ে উপরে বাদাম ও কিসমিস দিতে হবে।

এবার ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ২০ মিনিট ইলেক্ট্রিক ওভেনে বেক করবেন। খেয়াল রাখবেন ইলেক্ট্রিক ওভেনের ওপরের রড যেন বেশিক্ষণ না জ্বলে। এতে কেক পুড়ে যেতে পারে। ২০ মিনিট পর নামিয়ে ঠাণ্ডা করে কেটে পরিবেশন করুন।

ছুটির দিনে সুস্বাদু ফিস খিচুড়ি
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ছুটির দিন মানেই ঘুম থেকে দেড়িতে ওঠা। অফিসে যেতে হয় না। কাজের তেমন তাড়া থাকেনা। আর এর সাথে যদি দুপুরের খাবারটা সুস্বাদু ফিস খিচুড়ি হয় তাহলেতো কোনো কথাই নেই।

এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তৈরি করবেন এই সুস্বাদু ফিস খিচুড়ি:

উপকরণ

*পরিমাণ মতো বাসমতী চাল

*যে কোনও মাছের কাঁটা ছাড়া পিস

*মুগ ডাল-২ কাপ

*মটরশুঁটি-২ টেবিল চামচ

*একটা পেঁয়াজ কুচি

*রসুন কুচি-১ কাপ

*আদা কুচি-২ চা চামচ

*গোলমরিচ গুড়ো-২ চা চামচ

*হলুদ গুঁড়ো- ১ চা চামচ

*জিরা গুঁড়ো- ১ চা চামচ

*গোটা জিরা- হাফ চা চামচ

*তেল- ২ টেবিল চামচ

*লবণ পরিমাণ মতো

*ঘি- হাফ চা চামচ

*ধনেপাতা কুচি- ২ টেবিল চামচ

*লেবুর রস-২ টেবিল চামচ

প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে মাছের পিসগুলোতে ২ টেবিল চামচ লেবুর রস, অল্প অলিভ অয়েল ও অল্প লবণ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন এক ঘণ্টা৷ একটি পাত্রে চাল আর ডাল একসঙ্গে নিয়ে ধুয়ে আধা ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন৷ এরপর কড়াইয়ে তেল গরম করুন৷ তেল গরম হয়ে আসলে একে একে জিরা ও পেঁয়াজ কুচি একসঙ্গে বাদামী করে ভেজে নিন৷

এবার এতে আদা কুচি, রশুন কুচি, হলুদ গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, পরিমাণ মতো লবণ ও অল্প পানি দিয়ে মশলাগুলো ভালো করে কষিয়ে নিন৷ এবার পানিতে ভিজিয়ে রাখা চাল ও ডাল জল ঝড়িয়ে কড়াই দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করুন৷ তিন চার মিনিট মশলার সঙ্গে চাল ও ডাল ভালো করে নাড়িয়ে দুই কাপ পানি দিন৷ তারপর একে একে মটরশুঁটি, ধনেপাতা কুচি, মেরিনেট করে রাখা মাছের টুকরাগুলি ছড়িয়ে দিন৷

এরপর ঢাকনা লাগিয়ে মিডিয়াম আঁচে রান্না করুন চাল সিদ্ধ হওয়ার পর্যন্ত রেখে দিন৷ এতেই মাছ সিদ্ধ হয়ে যাবে এবং পানি পরিমাণমতো দিলে খিচুড়ি ঝরঝরে হবে৷ তবে হ্যাঁ মনে রাখবেন মাছ দেওয়ার পর নাড়াচাড়া করলে মাছ ভেঙ্গে যাবে৷ খিচুড়ি হয়ে আসলে নামানোর আগে অল্প ঘি ছিটিয়ে দিতে পারেন৷ টমেটো, পেয়াজ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন স্পাইশি ফিস খিচুড়ি৷

তথ্যসূত্র: কলকাতা ২৪×৭

ঘি দিয়ে চিংড়ির রোস্ট
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ছোট বড় সকলেই পছন্দ করেন চিংড়ি মাছ। এই মাছটির স্বাদ নানা ভাবে নিতে চান সবাই। ঘি দিয়ে চিংড়ি মাছের রোস্ট শুনতে যেমন ভিন্নধর্মী তেমনি তা খেতেও অসাধারণ।

উপকরণ
চিংড়ি ৪৫০ গ্রাম (প্রতিটি চিংড়ি যেন ৩৫-৪০ গ্রাম ওজনের হয়), দেশি ঘি ৫০ গ্রাম, বড় পেঁয়াজ ২টি, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, টমেটো পিউরি ১ টেবিল চামচ, জয়িত্রী বাটা ১ চিমটি,পানি ঝরানো টক দই ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি
প্রথমে চিংড়ির খোসা ছাড়িয়ে পরিষ্কার করে নিন। এবার পুরো ঘি সমান দুটি ভাগে ভাগ করে রাখুন। কড়াইয়ে অর্ধেক অর্থাৎ ২৫ গ্রাম ঘি গরম করুন। তাতে পেঁয়াজ বাটা ও আদা বাটা দিয়ে নাড়তে থাকুন। পেঁয়াজ লালচে রং হলে টমেটো পিউরি, জয়িত্রী বাটা, পানি ঝরানো টক দই আর লবণ দিয়ে কষতে থাকুন।

মসলা থেকে ঘি ছাড়তে শুরু করলে, কাঁচা চিংড়ি (সেদ্ধ, ভাপা অথবা হালকা ভাজাও নয়) দিন। অল্প নেড়ে ঢাকা দিয়ে কিছুক্ষণ সেদ্ধ হতে দিন। চিংড়ি আধসেদ্ধ হয়ে এলে নামিয়ে নিন।

এবার একটি বেকিং-প্রুফ ডিশ নিয়ে তাতে বাকি ২৫ গ্রাম ঘি ভাল করে মাখিয়ে নিন। ডিশের উপরে চিংড়ি রাখুন। ১৮০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় প্রি-হিট করে রাখা ওভেনে চিংড়ি ৫ মিনিট বেক করে নামিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন চিংড়ির ঘি রোস্ট।

বাড়িতেই তৈরি করুন সুস্বাদু ‘এগ কাঠি রোল’
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ছোট থেকে বড় প্রায় সবারই পছন্দ ডিমের নানা পদ৷ আর তা মাথায় রেখেই নিচে দেওয়া হল বিকেলে খাওয়ার মতো ডিম দিয়ে তৈরি কাঠি রোল৷ তবে হ্যাঁ, যাদের ডিম খেলে সমস্যা হয়, তারা পারলে এড়িয়ে যান৷ ডিমের পরিবর্তে অ্যাড করে নিন অন্য কিছু৷

এগ কাঠি রোল তৈরির উপকরণ

১. তিনটি ডিম,

২. ময়দা এক কাপ,

৩. তেল দুই টেবিল চামচ,

৪. লবণ পরিমাণ অনুযায়ী,

৫. পেঁয়াজ কুচি,

৬. গাজর কুচি,

৭. বাঁধাকপি কুচি,

৮. কাঁচামরিচ কুচি পরিমাণমতো,

৯. বিট লবণ,

১০. চাট মশলা,

১১. ধনে গুঁড়া,

১২. গোলমরিচের গুঁড়া স্বাদ মতো,

১৩. তেঁতুলের সস অথবা মেয়োনিজ পরিমাণ মতো

প্রণালী

প্রথমে পরোটার ডো তৈরির জন্য সব উপকরণ (ময়দা ১ কাপ, তেল ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণ অনুযায়ী) মিশিয়ে নিন। এরপর ভেজা কাপড় দিয়ে ১৫ মিনিট সেটি ঢেকে রাখুন।

১৫ মিনিট পর পরোটা বেলে নিন৷ মনে রাখবেন, আটা নয়, তেল দিয়েই এটি বেলতে হবে। এবার একটি তাওয়া বা প্যানে পরটাগুলোকে অল্প সেঁকে নিতে হবে, তেল দেওয়া যাবে না৷

এবার ৩টি ডিম কিছুটা লবণ দিয়ে ফেটিয়ে নিতে হবে। প্রতিটি পরটার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণে ডিমের মিশ্রণ ঢালতে হবে। পরোটার ওপর ডিমের মিশ্রণ দিয়ে দুপৃষ্ঠে হালকা লাল করে ভেজে নিন৷

এবার তেলে পেঁয়াজ কুচি, গাজর কুচি, বাঁধাকপি কুচি, সামান্য কাঁচামরিচ কুচি দিয়ে নেড়ে একে একে বিট লবণ, চাট মশলা, ধনিয়া গুঁরা, গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে চার-পাঁচ মিনিট নেড়ে নামিয়ে ফেলুন। এই সবজিটা একটু ক্রাঞ্চি হবে।

এরপর ডিম পরোটার মাঝে সবজি দিন, তেঁতুলের সস দিয়ে (অথবা এইসব সস খেতে ইচ্ছে না হলে মেয়োনিজও দিতে পারেন) টমেটো সস যোগ করে মুড়িয়ে রোল করুন। এবার টুথপিক দিয়ে সেটি আটকে দিন৷ তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু এগ কাঠি রোল৷

সূত্র: কলকাতা ২৪x৭

এই শীতে বারবিকিউ প্রন
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : এই শীতেই তো বন্ধুরা মিলে বারবিকিউ করার মজাই আলাদা। তবে মুরগির বারবিকিউ আর কত দিন। এবার অল্প সময়েই তৈরি করে নিন মজাদার প্রন বারবিকিউ।

উপকরণ
গলদা চিংড়ি ৫টি, রসুন কুঁচি ১ টেবিল চামচ, চিলি ফ্লেক্স ১ চা চামচ, অলিভ অয়েল ২ টেবিল চামচ, ডিমের কুসুম ৪ টেবিল চামচ, সরিষা গুঁড়া আধ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, পাতিলেবুর রস ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি
প্রথমে মাছ ভাল করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এবার রসুন কুঁচি, চিলি ফ্লেক্স, লবণ, অলিভ অয়েল দিয়ে মাছ ভাল করে মেখে নিন। ফয়েলে মুড়িয়ে ১ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন।

একটি পাত্রে ডিমের কুসুম, রসুন বাটা, সরিষা গুঁড়া, পাতিলেবুর রস, লবণ দিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। খেয়াল রাখবেন মিশ্রণটি যেন মসৃণ হয়। কারণ এটি কিন্তু সস হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

এবার বারবিকিউ ওভেন ১৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ১০ মিনিট প্রি-হিট করে নিন। মাছ ফ্রিজ থেকে বের করে ২-৩ মিনিট ওভেনে রান্না করুন। এবার একটা প্লেটে তৈরি করা সসের সঙ্গে শীতের রাতে গরম গরম পরিবেশন করুন বারবিকিউ প্রন।

জিলাপি তৈরি করুন বাসায়
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : অনেকে মচমচে জিলাপি খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু বাসায় বানাতে পারেন না বলে নিয়মিত খাওয়া হয় না। এজন্য চাইলে শিখে নিতে পারেন জিলাপি বানানোর পদ্ধতি। দেখে নিন এটা কীভাবে বানাবেন-

উপকরণ

১ কাপ ময়দা, ২ কাপ চিনি, প্রয়োজনমতো পানি, ১/৩ চা চামচ লবণ, ৩ টেবিল চামচ টক দই, আধা চা চামচ বেকিং পাউডার, ভাজার জন্য তেল।

সিরা তৈরির উপকরণ

২ কাপ পানি, দেড় কাপ চিনি, ৩টি এলাচ, সামান্য ফুড কালার, ১ চা চামচ লেবুর রস।

প্রস্তুত প্রণালি

একটি বাটিতে ময়দা, বেকিং পাউডার ও লবণ মিশিয়ে নিন। সামান্য পানি দিয়ে মাখান। অল্প অল্প করে দেবেন পানি। টক দই দিয়ে আবার মেখে নিন মিশ্রণটি। আরও একটু পানি দিয়ে মিহি ডো তৈরি করুন। ডিম ফেটানোর মেশিন দিয়ে ভালো করে ফেটান। খুব বেশি ঘন বা বেশি পাতলা হবে না মিশ্রণটি। এবার কেচাপের বোতলে নিয়ে নিন ময়দার মিশ্রণ।

সিরা তৈরি করার জন্য একটি প্যানে পানি, চিনি ও এলাচ ভেঙে নিন। মিডিয়াম আঁচে জ্বাল দিতে থাকুন আঠালো না হওয়া পর্যন্ত। ফুড কালার দিয়ে দিন। আঙুলে নিয়ে দেখুন আঠালো হয়েছে কিনা। হয়ে গেলে নামিয়ে লেবুর রস দিন সিরায়। সিরা উষ্ণ গরম থাকতে থাকতে জিলাপি দিতে দিতে হবে। এজন্য ঢেকে রাখুন সিরার পাত্র।

জিলাপি ভাজার জন্য প্যান দিন চুলায়। তেল গরম হলে কেচাপের বোতলের চেপে প্যাঁচ দিয়ে জিলাপির আকৃতি করে দিন। মাঝারি আঁচে বাদামি করে ভেজে নিন জিলাপি। ভাজা হয়ে গেলে উঠিয়ে তেল ঝরিয়ে সিরার পাত্রে দিয়ে দিন। ১০ সেকেন্ড রেখে উঠিয়ে পরিবেশন করুন মচমচে জিলাপি।


   Page 1 of 23
     রেসিপি
সাদা চমচম
.............................................................................................
সুস্বাদু পাবদা মাছের ঝোল রাঁধবেন যেভাবে
.............................................................................................
গরুর মাংসের তিন পদ
.............................................................................................
সরিষার তেলে গরুর তেহারি
.............................................................................................
ঈদে গরুর মাংসের মুখরোচক ৪ রেসিপি
.............................................................................................
পাতায় মোড়া পমফ্রেট
.............................................................................................
খাসির মাংস ভুনা রেসিপি
.............................................................................................
তৈরি করুন ম্যাংগো ক্রিম পুডিং
.............................................................................................
সুজি দিয়ে তৈরি করুন সুস্বাদু চমচম
.............................................................................................
কমলালেবু দিয়ে অরেঞ্জ চিকেন রেসিপি
.............................................................................................
যেভাবে তৈরি করবেন লাচ্ছা সেমাইয়ের কেক
.............................................................................................
ছুটির দিনে সুস্বাদু ফিস খিচুড়ি
.............................................................................................
ঘি দিয়ে চিংড়ির রোস্ট
.............................................................................................
বাড়িতেই তৈরি করুন সুস্বাদু ‘এগ কাঠি রোল’
.............................................................................................
এই শীতে বারবিকিউ প্রন
.............................................................................................
জিলাপি তৈরি করুন বাসায়
.............................................................................................
সহজে ‘ঝিনুক পিঠা’ তৈরির পদ্ধতি
.............................................................................................
ফুচকা তৈরি করুন ঘরেই
.............................................................................................
দুধ লাউ রেসিপি
.............................................................................................
লাউ দিয়ে মজাদার লাড্ডু
.............................................................................................
শীতের বিকেলে গরম ম্যাকারনি
.............................................................................................
চকলেট ও ছানার পায়েস
.............................................................................................
স্পাইসি ফিস খিচুড়ি
.............................................................................................
মুর্গ খোবানী
.............................................................................................
চিকেন শাসলিক তৈরি
.............................................................................................
মিষ্টি কুমড়ার কোর্মা
.............................................................................................
চিলি গার্লিক চিকেন
.............................................................................................
ফুলকপির কালিয়া
.............................................................................................
শীতের মজাদার দুধ পুলি
.............................................................................................
নাস্তায় চিজি টোস্ট স্যান্ডউইস
.............................................................................................
গরম গরম চিংড়ি পোলাউ
.............................................................................................
শীতে গাজরের হালুয়া রোল
.............................................................................................
ইলিশ মাছের কোরমা
.............................................................................................
জনপ্রিয় ডাল কিমা
.............................................................................................
সুস্বাদু রসমালাই
.............................................................................................
চিংড়ির দোপেয়াজাটা
.............................................................................................
ভিনদেশি নাশতা
.............................................................................................
মেক্সিকান টাকোস
.............................................................................................
এক সাথে পুডিং কেকের স্বাদ
.............................................................................................
চুলায় তৈরি চকলেট আমন্ড বেটেনবার্গ কেক
.............................................................................................
ঘরেই তেহারি
.............................................................................................
ঘরে রেস্টুরেন্টের মত চিকেন চাওমিন
.............................................................................................
শীতের সকালের নাস্তায় স্বাস্থ্যকর সবজি ভাজি
.............................................................................................
পুঁটি মাছের ঝোল রেসিপি
.............................................................................................
পূজার নাডু, সন্দেশ আর মোয়া
.............................................................................................
রুই মাছের সুস্বাদু ফিশ বল
.............................................................................................
পূজোর দিনের রান্না
.............................................................................................
নিজেই রান্না করুন মুরগির রোস্ট
.............................................................................................
চায়ের সঙ্গে কামড় দিন সিঙাড়া রোল ফ্রাই
.............................................................................................
মজাদার খাবার মখমলি কোফতা
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD