| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > ইবি ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি   > ‘ভোটে বিচ্যুতি হলে সরকার হটানোর আন্দোলন’   > পর্দা নয় এবার বাস্তবে বাংলাদেশি ‘ভাইজান’কে দেখল ভারতবাসী!   > সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে : প্রধানমন্ত্রী   > মেডিকেল শিক্ষার্থীর দায়বদ্ধতা রয়েছে জনগণের কাছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী   > হেলিকপ্টার থেকে প্রধানমন্ত্রীর মোবাইলে পদ্মা সেতুর ছবি   > পাকিস্তানের জয়ের পর শোয়েব মালিকের টুইটবার্তা   > সীমান্ত হত্যা: বিএসএফের `গরু পাচার` যুক্তি মানছে না বিজিবি   > ১৩ অভিজাত ক্লাবে জুয়ার বিষয়ে রায় আগামী ২৮ জানুয়ারি   > মুজিববর্ষে বিএসএমএমইউতে বিনামূল্যে চিকিৎসা  

   আন্তর্জাতিক -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বার্থ ট্যুরিজম: যুক্তরাষ্ট্র গর্ভবতী ভিসা আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর গর্ভবতী নারীদের শুধুমাত্র সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য

আমেরিকায় ভ্রমণ ঠেকাতে নতুন কিছু নিয়ম চালু করেছে।

নীতিটি শুক্রবার থেকে কার্যকর হয় এবং "বার্থ ট্যুরিজম" বা

জন্ম দেয়ার উদ্দেশ্যে ভ্রমণ নামে পরিচিত এই বিধিকে একটি কঠোর ব্যবস্থা হিসাবে মনে করা হচ্ছে।

নতুন এই নিয়মে একজন গর্ভবতী নারী যদি যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ভিসার জন্য আবেদন করেন,

তাহলে তাকে এটা প্রমাণ দিতে হতে পারে যে মার্কিন মাটিতে সন্তান জন্ম দেওয়া ছাড়া তার ভ্রমণের নির্দিষ্ট অন্য কারণ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী প্রায় সব শিশু দেশটির নাগরিকত্ব পায় - যে আইনের সমালোচনা করে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তার প্রশাসন বলেছে যে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন ভ্রমণ নীতি প্রণয়ন জরুরী।

মি. ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন সীমাবদ্ধ করার চেষ্টা করছেন। এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন যেখানে

"যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী বা আইনগতভাবে সকল ব্যক্তিকে" নাগরিকত্ব প্রদানের কথা বলা হয়েছে।

তথাকথিত অ্যাংকর শিশু অথবা যে শিশুর মায়েরা ভিন্ন দেশের নাগরিক কিন্তু নাগরিকত্ব পাওয়ার আশায় সেখানে সন্তান জন্ম দিচ্ছেন -

তাদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনা করে আসছে কনজারভেটিভরা।

যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের স্বজন থাকার ভিত্তিতে ভিসা পাওয়ার প্রথাটি "চেইন মাইগ্রেশন" নামে পরিচিত, মি. ট্রাম্প এই নীতিরও সমালোচনা করেন।

নতুন নিয়ম কী আছে?

বি ভিসা প্রত্যাশী ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রে এই নতুন নিয়মটি প্রযোজ্য হবে, যা অনভিবাসীদের জন্য জারি করা হয়েছে।

কোন ব্যক্তির যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের "প্রাথমিক উদ্দেশ্য" যদি সেখানকার কাগজপত্র পাওয়ার আশায় সন্তান জন্ম দেয়া হয়,

তাহলে কনস্যুলার কর্মকর্তারা তাদের ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে।

নতুন এই বিধিতে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের এই অনুমতি দেয়া হয়েছে।

এই চূড়ান্ত বিধি প্রণয়নের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর, জাতীয় নিরাপত্তা ও আইন শৃঙ্খলা ঝুঁকির মুখে পড়া এবং

বার্থ ট্যুরিজম শিল্পকে কেন্দ্র করে অপরাধমূলক কাজ বেড়ে যাওয়াসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।

যেটা এর আগেও এই শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা সংস্থার ক্ষেত্রে দেখা গেছে।

নীতিতে আরও বলা হয়েছে, "বার্থ ট্যুরিজম শিল্প জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অপরাধমূলক কার্যকলাপের সাথে ছড়িয়ে পড়ছে।"

চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে ইচ্ছুকদের জন্যও এটি বিধির নিয়মগুলোকে আরও কড়া করা হয়েছে।

ভিসা আবেদনকারীদের এখন প্রমাণ করতে হবে যে তাদের চিকিৎসা ব্যয় বহন করার "উপায় এবং উদ্দেশ্য" আছে এবং

একজন কনস্যুলার কর্মকর্তাকে বোঝাতে হবে যে তাকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ইচ্ছুক এমন একজন ডাক্তারের ব্যবস্থাও তিনি করে রেখেছেন।

হোয়াইট হাউস নতুন এই বিধিমালার প্রশংসা করেছে।

প্রেসিডেন্টের প্রেস সেক্রেটারি স্টেফানি গ্রিশাম এক বিবৃতিতে বলেছেন যে "বার্থ ট্যুরিজম শিল্প"

হাসপাতালের ওপর বড় ধরণের চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং এই শিল্পকে ঘিরে অনেক অপরাধ হচ্ছে ।

"এই চমকপ্রদ অভিবাসনের ফাকফোকরগুলো বন্ধ করে দিলে স্থানীয়দের মধ্যে বাড়তে থাকা ক্ষোভ প্রশমন করা যাবে।"

"এবং এই আইনের চর্চার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সুরক্ষা যে ঝুঁকির মুখে পড়েছিল সেখান থেকে দেশকে রক্ষা করা যাবে।," তিনি আরও বলেন।

`বার্থ ট্যুরিজম"এর আওতায় কতজন শিশু জন্মগ্রহণ করে?

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে আসা মানুষেরা প্রতিবছর কতজন শিশু জন্ম দেয় তার কোনও রেকর্ড নেই,

তবে বিভিন্ন সংস্থা একটি আনুমানিক হিসাব দিয়েছে।

ইউএস সেন্টারর্স ফর ডিজিজেস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের সবশেষ তথ্য অনুসারে,

বিদেশী বাসিন্দারা ২০১৭ সালে প্রায় ১০ হাজার শিশুর জন্ম দিয়েছিল। এই সংখ্যাটি ২০০৭ সালের তুলনায় ৭,৮০০জন বেশি।       

কঠোর অভিবাসন আইন সমর্থনকারী সংস্থা সেন্টার ফর ইমিগ্রেশন স্টাডিজের ধারণা, ২০১৬ সালের শেষের ছয় মাস

এবং ২০১৭ সালের প্রথম ছয় মাসের মধ্যে অস্থায়ী পর্যটন ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসা নারীরা প্রায় ৩৩ হাজার শিশুর জন্ম দিয়েছেন।

মার্কিন কাস্টমস এবং সীমান্ত সুরক্ষা অনুযায়ী বর্তমানে গর্ভবতী নারীরা শিশুর জন্ম হওয়া পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন।

তবে সন্তান সম্ভবা এই মায়েরা যদি ভিসায় বেধে দেয়া নির্ধারিত সময়ের চাইতে বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে চান,

বা তাদের যদি সন্তান জন্মদানের খরচ মার্কিন করদাতাদের ওপর চাপানোর পরিকল্পনা থাকে তাহলে ওই মায়েদের ভ্রমণ সীমাবদ্ধ করা হতে পারে।

বার্থ ট্যুরিজম: যুক্তরাষ্ট্র গর্ভবতী ভিসা আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাই
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর গর্ভবতী নারীদের শুধুমাত্র সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য

আমেরিকায় ভ্রমণ ঠেকাতে নতুন কিছু নিয়ম চালু করেছে।

নীতিটি শুক্রবার থেকে কার্যকর হয় এবং "বার্থ ট্যুরিজম" বা

জন্ম দেয়ার উদ্দেশ্যে ভ্রমণ নামে পরিচিত এই বিধিকে একটি কঠোর ব্যবস্থা হিসাবে মনে করা হচ্ছে।

নতুন এই নিয়মে একজন গর্ভবতী নারী যদি যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ভিসার জন্য আবেদন করেন,

তাহলে তাকে এটা প্রমাণ দিতে হতে পারে যে মার্কিন মাটিতে সন্তান জন্ম দেওয়া ছাড়া তার ভ্রমণের নির্দিষ্ট অন্য কারণ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী প্রায় সব শিশু দেশটির নাগরিকত্ব পায় - যে আইনের সমালোচনা করে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তার প্রশাসন বলেছে যে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন ভ্রমণ নীতি প্রণয়ন জরুরী।

মি. ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন সীমাবদ্ধ করার চেষ্টা করছেন। এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন যেখানে

"যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী বা আইনগতভাবে সকল ব্যক্তিকে" নাগরিকত্ব প্রদানের কথা বলা হয়েছে।

তথাকথিত অ্যাংকর শিশু অথবা যে শিশুর মায়েরা ভিন্ন দেশের নাগরিক কিন্তু নাগরিকত্ব পাওয়ার আশায় সেখানে সন্তান জন্ম দিচ্ছেন -

তাদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনা করে আসছে কনজারভেটিভরা।

যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের স্বজন থাকার ভিত্তিতে ভিসা পাওয়ার প্রথাটি "চেইন মাইগ্রেশন" নামে পরিচিত, মি. ট্রাম্প এই নীতিরও সমালোচনা করেন।

নতুন নিয়ম কী আছে?

বি ভিসা প্রত্যাশী ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রে এই নতুন নিয়মটি প্রযোজ্য হবে, যা অনভিবাসীদের জন্য জারি করা হয়েছে।

কোন ব্যক্তির যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের "প্রাথমিক উদ্দেশ্য" যদি সেখানকার কাগজপত্র পাওয়ার আশায় সন্তান জন্ম দেয়া হয়,

তাহলে কনস্যুলার কর্মকর্তারা তাদের ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে।

নতুন এই বিধিতে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের এই অনুমতি দেয়া হয়েছে।

এই চূড়ান্ত বিধি প্রণয়নের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর, জাতীয় নিরাপত্তা ও আইন শৃঙ্খলা ঝুঁকির মুখে পড়া এবং

বার্থ ট্যুরিজম শিল্পকে কেন্দ্র করে অপরাধমূলক কাজ বেড়ে যাওয়াসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।

যেটা এর আগেও এই শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা সংস্থার ক্ষেত্রে দেখা গেছে।

নীতিতে আরও বলা হয়েছে, "বার্থ ট্যুরিজম শিল্প জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অপরাধমূলক কার্যকলাপের সাথে ছড়িয়ে পড়ছে।"

চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে ইচ্ছুকদের জন্যও এটি বিধির নিয়মগুলোকে আরও কড়া করা হয়েছে।

ভিসা আবেদনকারীদের এখন প্রমাণ করতে হবে যে তাদের চিকিৎসা ব্যয় বহন করার "উপায় এবং উদ্দেশ্য" আছে এবং

একজন কনস্যুলার কর্মকর্তাকে বোঝাতে হবে যে তাকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ইচ্ছুক এমন একজন ডাক্তারের ব্যবস্থাও তিনি করে রেখেছেন।

হোয়াইট হাউস নতুন এই বিধিমালার প্রশংসা করেছে।

প্রেসিডেন্টের প্রেস সেক্রেটারি স্টেফানি গ্রিশাম এক বিবৃতিতে বলেছেন যে "বার্থ ট্যুরিজম শিল্প"

হাসপাতালের ওপর বড় ধরণের চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং এই শিল্পকে ঘিরে অনেক অপরাধ হচ্ছে ।

"এই চমকপ্রদ অভিবাসনের ফাকফোকরগুলো বন্ধ করে দিলে স্থানীয়দের মধ্যে বাড়তে থাকা ক্ষোভ প্রশমন করা যাবে।"

"এবং এই আইনের চর্চার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সুরক্ষা যে ঝুঁকির মুখে পড়েছিল সেখান থেকে দেশকে রক্ষা করা যাবে।," তিনি আরও বলেন।

`বার্থ ট্যুরিজম"এর আওতায় কতজন শিশু জন্মগ্রহণ করে?

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে আসা মানুষেরা প্রতিবছর কতজন শিশু জন্ম দেয় তার কোনও রেকর্ড নেই,

তবে বিভিন্ন সংস্থা একটি আনুমানিক হিসাব দিয়েছে।

ইউএস সেন্টারর্স ফর ডিজিজেস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের সবশেষ তথ্য অনুসারে,

বিদেশী বাসিন্দারা ২০১৭ সালে প্রায় ১০ হাজার শিশুর জন্ম দিয়েছিল। এই সংখ্যাটি ২০০৭ সালের তুলনায় ৭,৮০০জন বেশি।       

কঠোর অভিবাসন আইন সমর্থনকারী সংস্থা সেন্টার ফর ইমিগ্রেশন স্টাডিজের ধারণা, ২০১৬ সালের শেষের ছয় মাস

এবং ২০১৭ সালের প্রথম ছয় মাসের মধ্যে অস্থায়ী পর্যটন ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসা নারীরা প্রায় ৩৩ হাজার শিশুর জন্ম দিয়েছেন।

মার্কিন কাস্টমস এবং সীমান্ত সুরক্ষা অনুযায়ী বর্তমানে গর্ভবতী নারীরা শিশুর জন্ম হওয়া পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন।

তবে সন্তান সম্ভবা এই মায়েরা যদি ভিসায় বেধে দেয়া নির্ধারিত সময়ের চাইতে বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে চান,

বা তাদের যদি সন্তান জন্মদানের খরচ মার্কিন করদাতাদের ওপর চাপানোর পরিকল্পনা থাকে তাহলে ওই মায়েদের ভ্রমণ সীমাবদ্ধ করা হতে পারে।

নিখোঁজ ২০ হাজার তামিল মারা গেছে, স্বীকার শ্রীলঙ্কা
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার প্রায় ১১ বছর পর অবশেষে শ্রীলঙ্কান সরকার স্বীকার করলো,

ওই সময় নিখোঁজ হওয়া ২০ হাজার তামিল বিদ্রোহীকে হত্যা করা হয়েছে।

সম্প্রতি রাজধানী কলম্বোয় জাতিসংঘের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ

হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে।

২০০৯ সালে গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে ব্যাপক গুম-খুনের অভিযোগ থাকলেও

এবারই প্রথম বিষয়টি স্বীকার করলো লঙ্কান সরকার।

১৯৮৩ সালে শুরু হয়ে টানা ২৬ বছর গৃহযুদ্ধ ছিল শ্রীলঙ্কায়। এতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত এক লাখ মানুষ।

যুদ্ধের শেষ দিকে লঙ্কান সরকারি বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী গোতাবায়া রাজাপাকসে।

তার কঠোর নেতৃত্বেই স্বাধীনতাপ্রত্যাশী হিন্দু ধর্মাবলম্বী তামিল সংখ্যালঘুদের হারায় বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকারি বাহিনী।

যুদ্ধে দুই পক্ষের বিরুদ্ধে নৃশংস পদ্ধতি বেছে নেয়ার অভিযোগ থাকলেও জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থার দাবি,

যুদ্ধের সময় সরকারি বাহিনী তামিলদের ওপর ব্যাপক হারে বেআইনি হত্যাকাণ্ড, গুম-খুন, যৌন নির্যাতন চালিয়েছে।

শেষের দিকে দেশটির সরকারি বাহিনীর আচরণ ইতিহাসেরই অন্যতম বর্বর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বলে মনে করা হয়।

মোবাইল ফোনে ধারণ করা ফুটেজে সরকারি বাহিনীর সদস্যদের চোখবাঁধা বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করতে দেখা যায়।

সে সময় ‘নো ফায়ার জোন’-এ একের পর এক সশস্ত্র হামলায় অন্তত ৭০ হাজার

তামিল বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

এছাড়া যুদ্ধের পরও ধারাবাহিকভাবে তামিল সমাজকর্মী ও

সাংবাদিক নিখোঁজ হচ্ছেন বলে দাবি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের।

এত সব অভিযোগ থাকলেও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনও

ধরনের ব্যবস্থা নিতে নারাজ প্রেসিডেন্ট রাজাপাকসে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, যুদ্ধ চলাকালীন যেসব সরকারি কর্মী মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন;

তাদের দায়মুক্তি দিতে শিগগিরই নতুন আইনের ঘোষণা দেবেন প্রেসিডেন্ট।

লঙ্কান এই প্রেসিডেন্টের দাবি, সেনাদের সাজা দিলে যুদ্ধ পরবর্তী শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ব্যাঘাত ঘটতে পরে।

শ্রীলঙ্কায় বৌদ্ধদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে।

গত বছরের নভেম্বরে নির্বাচনে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তিনি।

রোহিঙ্গা হত্যা বন্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : রোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে গাম্বিয়ার দায়েরকৃত মামলায় মিয়ানমারের বিরুদ্ধে

চারটি অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত।

আদালত সর্বসম্মতভাবে এ আদেশ জারি করেছে।

একই সঙ্গে রোহিঙ্গা হত্যা বন্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার নেদারল্যান্ডসের রাজধানী দ্য হেগে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায়

আইসিজের প্রধান বিচারপতি আবদুল কাভি আহমেদ ইউসুফ আদেশ ঘোষণা করেন।

আদেশ ঘোষণার শুরুতে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার

দায়েরকৃত মামলার পক্ষে রোহিঙ্গা নিপীড়ন ও গণহত্যার যেসব আলামত আদালতের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছিল,

সেসব বিরোধের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন বিচারপতি ইউসুফ।

আদালত বলেছেন, গণহত্যা সনদের ২ নং ধারা অনুযায়ী মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে

একটি বিশেষ সুরক্ষার অধিকারী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ এনে গত বছরের নভেম্বরে মামলা করে গাম্বিয়া।

গত ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

গাম্বিয়ার পক্ষে মামলার শুনানিতে নেতৃত্ব দেন দেশটির বিচার বিষয়ক মন্ত্রী আবুবকর তামবাদু।

অন্যদিকে মিয়ানমারের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন দেশটির নোবেলজয়ী নেত্রী অং সান সু চি।

সেসময় শুনানিতে মামলাকারী গাম্বিয়া রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে যাতে আর

কোনও ধরনের সহিংসতার ঘটনা না ঘটে সে লক্ষ্যে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ৫টি আদেশ চেয়েছিল।

বৃহস্পতিবার মামলার আদেশ ঘোষণায় জাতিসংঘের সর্বোচ্চ এই আদালত বলেছেন,

গণহত্যা সনদের ৪১ ধারার আওতায় তিনটি অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশের শর্তসমূহ বিরাজ করছে।

গাম্বিয়া সংখ্যালঘু এই গোষ্ঠীর সুরক্ষায় অন্তর্বর্তী যেসব ব্যবস্থার আদেশ চেয়েছে;

সেগুলোর প্রথম তিনটির লক্ষ্য হচ্ছে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

দু`দিন আগে মিয়ানমার সরকারের গঠিত একটি কমিশন ২০১৭ সালে রাখাইনে দেশটির

সেনাবাহিনীর অপারেশন ক্লিয়ারেন্সের সময় কিছু সৈন্য সেখানে যুদ্ধাপরাধ করলেও

গণহত্যার মতো ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল না বলে এক তদন্ত প্রতিবেদনে জানায়।

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ এই আদালত রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ ঘোষণার আগে

মিয়ানমারের ওই প্রতিবেদনকে অনেকেই প্রতারণামূলক হিসেবে দেখছেন।

বৃহস্পতিবারও এই মামলার আদেশ ঘোষণার আগে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি বলেছেন,

রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মতো ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে  তিনি গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসে লেখা এক নিবন্ধে তিনি বলেছেন,

রোহিঙ্গারা তাদের বিরুদ্ধে নিপীড়নের মাত্রাকে অতিরঞ্জিত হিসেবে তুলে ধরেছেন।

একই সঙ্গে রাখাইনে যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দেশীয় আইনে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

মিয়ানমার এবং গাম্বিয়া উভয় দেশই ১৯৪৯ সালে গৃহীত গণহত্যা সনদে স্বাক্ষরকারী।

এছাড়া আন্তর্জাতিক আদালতের সিদ্ধান্ত মানা বাধ্যতামূলক এবং সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ নেই।

যদিও সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য করার মতো ক্ষমতা নেই আদালতের।

তবে অতীতে খুব কম দেশই এই আদালতের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা কিংবা পুরোপুরি মেনে চলেছে।

যেভাবে আইসিজেতে রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলা

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে)

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গত নভেম্বরে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ এনে মামলা করে গাম্বিয়া।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক এ আদালতে গণহত্যার দায়ে তৃতীয় মামলা এটি।

গাম্বিয়া ও মিয়ানমার দুই দেশেই ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ।

জেনোসাইড কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী হিসেবে শুধু গণহত্যা থেকে বিরত থাকা নয় বরং

এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ এবং অপরাধের জন্য দেশগুলো বিচারের মুখোমুখি হতে বাধ্য।

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে প্রথম জেনোসাইড কনভেনশন মামলা হয়েছিল সার্বিয়ার বিরুদ্ধে ১৯৯৩ সালে।

এ মামলায় সার্বিয়া বসনিয়া হার্জেগোভিনিয়ায় গণহত্যা প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়েছিল বলে প্রমাণ হয়।

ইরানি কুদস ফোর্সের নতুন কমান্ডারকেও হত্যার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) বিদেশি সশস্ত্র শাখা

কুদস ফোর্সের নতুন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কায়ানিকেও হত্যার হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

কুদস ফোর্সের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে

মার্কিন সেনারা হত্যা করার পর জেনারেল কায়ানিকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়।

ইরান বিষয়ক মার্কিন বিশেষ প্রতিনিধি ব্রায়ান হুক সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনের ফাঁকে সৌদি মালিকানাধীন আশ-শারকুল আওসাত পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এই হুমকি দেন।

মার্কিন এই কর্মকর্তা বলেছেন, যদি ইসমাইল কায়ানি জেনারেল কাসেম সোলেইমানির

মতো মার্কিন নাগরিকদের হত্যা করার পথ বেছে নেন; তাহলে তাকেও একই পরিণতি বরণ করতে হবে।

ব্রায়ান হুক বলেন, এটি কোনও নতুন হুমকি নয়; বরং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সবসময় বলে থাকেন যে,

মার্কিন স্বার্থ রক্ষা করার জন্য তিনি চূড়ান্ত আঘাত হানবেন।

গত ৩ জানুয়ারি ইরাকের বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলা

চালিয়ে জেনারেল সোলেইমানিকে হত্যা করে মার্কিন বাহিনী।

এরপর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি জেনারেল কায়ানিকে কুদস ফোর্সের কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ দেন।

জেনারেল কায়ানি নিয়োগ পাওয়ার পর গত ৯ জানুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে বলেন,

সর্বশক্তি দিয়ে তিনি জেনারেল কাসেম সোলেইমানির পথ অনুসরণ করবেন।

তার লক্ষ্য হবে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনাদের উৎখাত করা। পার্সট্যুডে।

অং সান সু চিকে দ্য হেগের আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে নিয়ে গেছেন যে ব্যক্তি
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :গাম্বিয়ার বিচারমন্ত্রী আবুবাকার তাম্বাদুর পদক্ষেপের ফলে

মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে হেগের আদালতে দাঁড়িয়ে তার দেশের

বিরুদ্ধে আনা গণহত্যার অভিযোগ প্রশ্নে বক্তব্য দিতে বাধ্য হয়েছেন।

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আজ বৃহস্পতিবার যখন ওই মামলায় আদেশ দিতে যাচ্ছে,

তখন মিয়ানমারের নেত্রীকে আদালতে আনা ব্যক্তিটির বিষয়ে জানার চেষ্টা করেছেন বিবিসির অ্যানা হুলিগান।

কক্সবাজারে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গা শিবিরে আবুবাকার তাম্বাদুর সফরটি ছিল অপ্রত্যাশিত।

যখন তিনি বেঁচে ফিরে আসা মানুষজনের কাহিনী শুনছিলেন,

তখন মিয়ানমারের সীমান্তের অন্য পাশ থেকেও যেন তিনি গণহত্যার দুর্গন্ধ টের পাচ্ছিলেন।

তিনি বলছেন, ``আমি উপলব্ধি করছিলাম, টেলিভিশনের পর্দায় আমরা যা দেখি,

পরিস্থিতি আসলে তার চেয়েও কতটা গুরুতর।``

```রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনী এবং বেসামরিক বাসিন্দারা সংগঠিত হামলা চালাচ্ছে,

বাড়িঘর পুড়িয়ে দিচ্ছে, মায়ের কোল থেকে শিশুদের ছিনিয়ে নিয়ে জ্বলন্ত আগুনে ছুঁড়ে মারছে,

পুরুষদের ধরে ধরে মেরে ফেলছে, মেয়েদের ধর্ষণ করছে এবং সবরকমের যৌন নির্যাতন করছে।``

`ঠিক যেন রোয়ান্ডার মত`

কাঁপুনি তুলে দেয়ার মতো এই দৃশ্যগুলি মিস্টার তাম্বাদুকে ১৯৯৪ সালে

রোয়ান্ডা গণহত্যার ঘটনাগুলোকে মনে করিয়ে দিচ্ছিল,

যেখানে আট লাখের বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

``রোয়ান্ডায় টুটসিদের ওপর যেরকম অপরাধ করা হয়েছিল, এটা সেরকমই মনে হচ্ছিল।

এখানে সেই একই রকম কার্যক্রম হয়েছে, অমানবিক ঘটনা ঘটেছে, যেখানে গণহত্যার সব বৈশিষ্ট্যই রয়েছে।``

``আমি বুঝতে পারলাম, রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীকে চিরতরে ধ্বংস করার জন্য এটা মিয়ানমারের সরকারের একটা চেষ্টা।``

জবাবে মিয়ানমার কী বলছে, সেটা জানা কি প্রয়োজন?

কিছুই না করা কোন কাজ হতে পারে না।

``সব মিলিয়ে এটা মানবিকতার একটা ব্যাপার,`` কথা বলার সময় তার কণ্ঠস্বর উঁচুতে উঠে যাচ্ছিল।

``যা আমি শুনেছি আর দেখেছি, ব্যক্তিগতভাবে তাতে আমি ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম।

পেশাগতভাবে আমি চিন্তা করলাম, এসব কাজের জন্য মিয়ানমারকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।

আর সেটা করার মাধ্যম হলো আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে একটি মামলা করা।``

জাতিসংঘের রোয়ান্ডা ট্রাইব্যুনালের সাবেক কৌঁসুলি কক্সবাজারের বাস্তুচ্যুত মানুষদের ক্যাম্পে বসে যা চিন্তা করছিলেন,

তা হয়তো শুধুমাত্র কাকতালীয় কোন ঘটনা নয়, যেন সেটা `ঐশ্বরিক নিয়তি` ছিল।

গণহত্যা কনভেনশন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে।

যে ১৪৯টি দেশ ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে, তাদের যেকোনো দেশ মামলা করতে পারে।

কিন্তু সরাসরি মি. তাম্বাদুর নির্দেশনায় গাম্বিয়া সেই পদক্ষেপ নিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে গাম্বিয়া আবেদন করেন, যাতে আদালত একটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ জারি করে,

যাতে আর কোন সহিংসতা বা ধ্বংসযজ্ঞ না ঘটে এবং

রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যামূলক কাজের যে কোনও প্রমাণ সংরক্ষণ করা হয়।

মানবাধিকার সংগঠন গ্লোবাল সেন্টার ফর দি রেসপনসিবিলিটি টু প্রটেক্টের প্রধান,

সাইমন অ্যাডামস বলছেন, কথিত নৃশংসতার দায়ে মিয়ানমারকে জবাবদিহি করতে বাধ্য করার জন্য

শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিই সাহস, দক্ষতা এবং মানবতা দেখিয়েছেন। ``অনেকে চীনাদের প্রতিশোধের ভয়ে ভীত।

অন্যরা বলেছেন, এই কাজ করার জন্য এটা উপযুক্ত সময় নয়, রাজনৈতিকভাবে এটা ঝুঁকিপূর্ণ।

কিন্তু আমি তার সাহস দেখে মুগ্ধ। তিনি বুঝতে পারছিলেন, এর জন্য কতটা চাপ আসতে যাচ্ছে,

কিন্তু সেটা সামলাতে তিনি একটা কৌশল বেছে নিয়েছেন।``

আবুবাকার তাম্বাদু: খেলোয়াড় থেকে আইনজীবী

১৯৭২ সালে জন্ম নেয়া মিস্টার তাম্বাদু গাম্বিয়ার রাজধানী বানজুলে বড় হয়ে ওঠেন।

তিনি ছিলেন আঠারো ভাইবোনের মধ্যে একজন।তাঁর পিতার তিনজন স্ত্রী ছিল।

তরুণ বয়সে তিনি খেলাধুলায় খুব ভালো করেন, ফুটবলে তার দেশের জন্য শিরোপা এনে দিয়েছিলেন।

``আমি খারাপ খেলোয়াড় ছিলাম না,`` তিনি বিনীতভাবে স্বীকার করেন।

৪৭ বছর বয়সী এই ব্যক্তি তাঁর শৈশব জীবনে `ভাগ্যবান` বলে বর্ণনা করেন।

তাঁর মধ্যবিত্ত পরিবার দেশে একটি প্রাইভেট স্কুল এবং ব্রিটেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর পড়াশোনার খরচ বহন করতে সমর্থ হয়েছিল।

পিতাকে অসন্তুষ্ট করার ভয়ে তিনি খেলাধুলার স্বপ্ন বাদ দিয়ে দেন এবং একাডেমিক পথে হাঁটতে শুরু করেন।

``আমি কখনোই আইন নিয়ে পড়তে চাইনি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে (ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়) প্রথম যে

বিষয়টি পড়ার জন্য আমাকে বলা হয়, সেটা ছিল আইনবিদ্যা।``

পড়াশোনা শেষ করে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং একজন সরকারি কৌঁসুলি হিসেবে কাজ শুরু করেন।

ক্রমে রাজনীতি সচেতন হয়ে উঠছিলেন তিনি। বুঝে নিচ্ছিলেন গাম্বিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি।

এক পর্যায়ে তিনি ও তাঁর বন্ধুরা মানবাধিকার লঙ্গনের বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করেন।

২০০০ সালে এপ্রিল মাসে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া জাম্মেহ`র কুখ্যাত নিরাপত্তা বাহিনী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের

ওপর গুলি করে, এতে ১৪জন শিক্ষার্থী, একজন সাংবাদিক এবং একজন রেডক্রস স্বেচ্ছাসেবী নিহত হন।

মি. তাম্বাদু দেখতে পান যে, তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে এবং নির্যাতন করা হচ্ছে।

কিন্তু তাঁর পরিবার জাম্মেহর বিরোধিতা করার পরিণতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে

এবং তাকে দেশের বাইরে কাজ করতে রাজি করায়। তখন তিনি আন্তর্জাতিক বিচারের ক্ষেত্রে কাজ করতে শুরু করেন।

এই স্বেচ্ছা নির্বাসন তাকে জাতিসংঘের সেই আদালতে কাজ করার সুযোগ এনে দেয় যেটি

রোয়ান্ডা গণহত্যার কুশিলবদের বিচার করার জন্য স্থাপিত হয়েছিল।

রোয়ান্ডা সেনাবাহিনীর সাবেক চিফ অফ স্টাফ মেজর জেনারেল অগাস্টাস বিজিমুনগুর বিচারে তাঁর ভূমিকা ছিল।

তিনি বিশ্বাস করেন, তিনি যা করছিলেন, সেটা শুধুমাত্র রোয়ান্ডার গণহত্যাকারীদের বিচারের জন্যই নয়।

``এটা ছিল আফ্রিকান সব নেতাদের প্রতি একটা বার্তা....আমি এটাকে দেখি আফ্রিকায় বিচার

এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার একটি সংগ্রাম হিসাবে। এটা শুধুমাত্র রোয়ান্ডার ব্যাপার নয়।``

কেন নিউইয়র্কে গিয়েছিলেন তারা?

২০১৭ সালের শুরুতে জাম্মেহর পতনের পর তাম্বাদু গাম্বিয়ায় ফিরে আসেন এবং

প্রেসিডেন্ট আদামা ব্যারোর মন্ত্রিসভায় কাজ করতে শুরু করেন।

বিচারমন্ত্রী হিসাবে যখন তিনি গাম্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে নিউইয়র্কে সফর করতে যান,

তখন তিনি (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) বাংলাদেশ সফরে যেতে না পারায় বরং মিস্টার তাম্বাদুকে যাওয়ার অনুরোধ করেন।

তিনি তাঁর ডায়রি ঘেঁটে বলেছিলেন, ``কেন নয়?``

``আপনি এটাকে কাকতালীয় ঘটনা বলে বলতে পারেন,`` তিনি হেসে বলেন।

অবশ্য মিস্টার তাম্বাদুর পরবর্তী এসাইনমেন্টটি হয়তো তাঁর বাড়ির কাছেই থাকবে।

গাম্বিয়ার রাজধানী বানজুলে গত সপ্তাহেই একটি বিক্ষোভ শুরু করেছে সাবেক প্রেসিডেন্ট জাম্মেহর সমর্থকেরা।

তারা দাবি করছে ইকুয়াটোরিয়াল গিনিতে নির্বাসিত মিস্টার জাম্মেহকে যেন দেশে ফিরতে দেয়া হয়।

একটি ফাঁস হওয়া কথোপকথনের রেকর্ডে গাম্বিয়ার সাবেক এই নেতাকে বলতে শোনা গেছে, তিনি বিক্ষোভকে সমর্থন করছেন।

বিচারমন্ত্রী তাম্বাদু অবশ্য মনে করেন না যে জাম্মেহ ফিরে আসবেন।

কিন্তু যদি এসেই পড়েন, মিস্টার তাম্বাদু বলছেন, তাকে গ্রেফতার করা হবে।

``সাধারণ গাম্বিয়ানদের ওপর প্রেসিডেন্ট জাম্মেহ যেসব অপরাধ করেছেন,

সেগুলো জন্য তাকে বিচারের মুখোমুখি করতে পারলে এর চেয়ে খুশির আর কিছু হবে না।``

``ভাগ্যক্রমে তাঁর সঙ্গে আমার কখনো কিছু হয়নি।

যেদিন থেকে তিনি ক্ষমতা নিয়েছেন, সেদিন থেকে তাঁর নিষ্ঠুর এবং বর্বর পদ্ধতির বিরোধিতা করেছি আমি"।

গাম্বিয়ার কর্তৃপক্ষ এখন ভাবছে, কোথায় আনা হবে জাম্মেহর বিরুদ্ধে অভি।যোগ।

সবগুলো বিকল্পই সামনে আছে - দেশীয় বিচার, আঞ্চলিক ট্রাইব্যুনাল অথবা আন্তর্জাতিক আদালত।

মিস্টার তাম্বাদু মনে করেন, গাম্বিয়ার জন্য বিশ্ব দরবারে অবস্থান গড়ে নেয়ার এখনি সময়।

মানবাধিকারের দিক থেকে তারা নেতৃত্ব দিয়ে উদাহরণ তৈরি করতে চান।

``আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলা করার মাধ্যমে গাম্বিয়া দেখিয়ে দিয়েছে যে,

নিপীড়নের নিন্দা করার জন্য সামরিক শক্তি বা অর্থনৈতিক শক্তির দরকার নেই।

বড় বা ছোট সমস্ত রাষ্ট্রের জন্য আইনি বাধ্যবাধকতা এবং নৈতিক দায়িত্ব সমান।

আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে মামলা করার প্রাথমিক লক্ষ্য হলো রোহিঙ্গাদের ওপর যে নির্যাতন হচ্ছে,

সে ব্যাপারে বিশ্বব্যাপীকে কিছু করার জন্য তাগিদ দেয়া।

``ফলাফল যাই হোক না কেন, আদালত অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দিন বা না দিন,

আমরা চেয়েছিলাম মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর কি ঘটছে, সে ব্যাপারে বিশ্ববাসী সজাগ হোক-

আমি মনে করি মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ এখন জানে যে, বিশ্ববাসীর চোখ এখন তাদের ওপরে।``

``ফলাফল যাই হোক না কেন, এই মামলায় রোহিঙ্গাদের কিছুটা জয় হয়েছে।``

মেক্সিকো: যে দেশে প্রতিদিন ৯৫জন হত্যার শিকার হচ্ছে
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :মেক্সিকোয় সহিংসতার বিরুদ্ধে শান্তির জন্য মিছিল নিয়ে একশো ত্রিশ কিলোমিটারের বেশি হেঁটেছেন অ্যাকটিভিস্টরা।

দেশটিতে হত্যার ঘটনা রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রতিদিন অন্তত ৯৫জন বাসিন্দা হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে

আর প্রতি ১৫ মিনিটে একজন মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে দেশটিতে ৩৪ হাজার ৫৮২জনকে হত্যা করা হয়েছে। ১৯৯৭ সালের পর এটাই সর্বোচ্চ।

মেক্সিকোর এই তথ্যের সঙ্গে তুলনা করলে, ২০১৯ সালে যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়ায় ১১ হাজার যোদ্ধা

এবং বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস।

কিন্তু মেক্সিকো কোন যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ নয়। মেক্সিকোর পরিস্থিতি কতটা বিপদজনক? অন্য দেশের সঙ্গে মেক্সিকোর পার্থক্য কতটা?

`ভয়াবহ সংখ্যা`

বিশ্বের অন্যতম হত্যাকাণ্ডের দেশ হিসাবে মেক্সিকোর পরিচিতি পাওয়ার পেছনে দেশটির কুখ্যাত মাদক চক্রগুলোকে দায়ী করা হয়।

এ মাসের শুরুর দিকে, দশজন আদিবাসী সংগীতশিল্পীকে পশ্চিম মেক্সিকোকে

অতর্কিতে গুলি করে হত্যা করা হয় এবং তাদের দেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়।

নিহতদের বয়স ১৫ থেকে ৪২ বছরের মধ্যে। গুয়েরেরে রাজ্যের চিলাপা শহরের একটি অনুষ্ঠান থেকে তারা ফিরছিলেন।

গত নভেম্বরে মেক্সিকো-আমেরিকান মরমন পরিবারের নয়জন সদস্যকে মাদক চক্রের

বন্দুকধারীরা গুলি করে হত্যা করে, যাদের মধ্যে রয়েছে তিনজন নারী ও ছয়টি শিশু।

এই ঘটনা দেশে বিদেশে ব্যাপক ক্ষোভের তৈরি করে।

ওই ঘটনার জের ধরে নামী দুইজন অ্যাকটিভিস্ট, হাভিয়ের সিসিলিয়া এবং

জুলিয়ান লেব্যারন একটি মিছিলের আয়োজন করেছেন।

মিছিলটি ২৩শে জানুয়ারি মোরেলোস শহর থেকে শুরু হয়ে তিনদিন পরে রাজধানী মেক্সিকো সিটিতে গিয়ে শেষ হবে।

মাদক ব্যবসায়ীদের লড়াইয়ের ফলে ব্যাপক হত্যা এবং নিখোঁজের ঘটনাগুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্যই এই মিছিল।

প্রায় ৬২ হাজার নিখোঁজ মানুষের ব্যাপারে অনুসন্ধান করার জন্য সম্প্রতি একটি কমিটি গঠন করেছে মেক্সিকো।

মেক্সিকো ন্যাশনাল সার্চ কমিশনের প্রধান কার্লা কুইনটিনা একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন,

``আমাদের মনে রাখতে হবে, আমরা এখানে মানুষের জীবন ও পরিবার নিয়ে কথা বলছি।

এসব তথ্যপ্রমাণ খুবই ভয়াবহ এবং এর পেছনে যেসব ঘটনা রয়েছে, তা পরিবারগুলোর জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক।``

তুলনামূলকভাবে কতটা খারাপ পরিস্থিতি?

এই ভয়াবহ পরিসংখ্যান সত্ত্বেও, মেক্সিকোর হতাহতের ঘটনা অন্য কয়েকটি দেশের তুলনায় এখনো নীচে রয়েছে।

বিশ্ব ব্যাংকের ২০১৭ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব জুড়ে যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে, তাতে মেক্সিকোর স্থান উনিশতম।

এই তালিকার শীর্ষে আছে এল সালভাদর- যেখানে ২০১৭ সালে প্রতি

এক লাখ মানুষের মধ্যে ৬২টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই পরিসংখ্যান অনেক কমে এসেছে।

সংকটপূর্ণ ভেনিজুয়েলায় ২০১৯ সালে প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে ৬০টি

হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ভেনেজুয়েলান অবজারভেটরি অফ ভায়োলেন্স নামের একটি এনজিও,

যারা দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।

নাইজেরিয়া থেকে পাওয়া পরিসংখ্যান আংশিক হলেও,

জাতিসংঘের হিসাবে ২০১৩-২০১৬ সালে প্রতি একলক্ষ মানুষের মধ্যে দেশটিতে ৩৪জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের তালিকায় দক্ষিণ আফ্রিকা রয়েছে নবম অবস্থানে-

সেই সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকা নারীদের ওপর সহিংসতার জন্য সবচেয়ে খারাপ দেশ।

ব্রাজিলের পরিস্থিতিও মেক্সিকোর চেয়ে খারাপ-২০১৮ সালে দেশটিতে

৫১ হাজার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ব্রাজিলিয়ান ফোরাম অফ পাবলিক সিকিউরিটি।

দেশটিতে প্রতি দশ মিনিটে একজন নিহত হচ্ছে।

`স্থানীয় সমস্যা`

মেক্সিকোয় পাবলিক সিকিউরিটি বিষয়ক সমন্বয় দপ্তরের প্রধান স্যামুয়েল গনজালেজ রুইজ দেশটির

হত্যাকাণ্ডের এসব ঘটনাকে স্থানীয় সমস্যা বলে বর্ণনা করছেন, জাতীয় সমস্যা নয়।

এসব পরিসংখ্যান বলছে যে, বেশিরভাগ সহিংসতার ঘটনা ঘটছে কিছু অপরাধ প্রবণ এলাকায়,

যেখানে বিভিন্ন গ্যাং এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই করছে।

বিপরীতভাবে, জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ইয়ুকাটান এবং বাজা ক্যালিফোর্নিয়া সুরে সবচেয়ে কম সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

২০০৬ সালে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ফিলিপ ক্যালডেরন `মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ` শুরু করেন

এবং প্রায় ৫০ হাজার সেনা ও নৌ সদস্য মোতায়েন করেন।

পাশাপাশি ফেডারেল পুলিশ কর্মকর্তারাও কার্টেলগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে।

তার ছয় বছরের শাসনামলে মাদক সংশ্লিষ্ট সহিংসতায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ছিল ৬০ হাজার।

অনেকে ধারণা করেন, এই সংখ্যা আরো বেশি হবে।

বর্তমান প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়াল লোপেজ ওব্রাডর `শান্তি অর্জন এবং মাদকের যুদ্ধ অবসানের` প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

কিন্তু মাদক যুদ্ধ ঠেকাতে একটি ন্যাশনাল গার্ড গঠনে তার সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করে বলছেন যে,

এটির লক্ষ্য নির্দিষ্ট নয় এবং তার পূর্বসূরিদের নীতির থেকে খুব বেশি আলাদাও নয়।

তার সমালোচকরা মনে করেন, অপরাধী চক্রগুলো দমনের কৌশল নিয়ে

প্রেসিডেন্টের সুনির্দিষ্ট নীতি না থাকার কারণে সহিংসতা আরো বেড়ে যেতে পারে।

দমকলের বিমান দুর্ঘটনায় নিহত মার্কিন ক্রু
                                  
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ায় বুশফায়ারের সাথে লড়াই করার সময় একটি এয়ার ট্যাঙ্কার ফায়ারবলের সাথে বিধ্বস্ত হয়েছে এবং এতে আরোহী তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন।
 আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ১৩ : ৩০ (০২:৩০ জিএমটি) এর অল্প আগেই সি -১৩০ হারকিউলিস বিমানের সাথে কর্মকর্তারা যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেন।
নিউ সাউথ ওয়েলস (এনএসডাব্লু) রাজ্যের তুষার পর্বতমালায় বিধ্বস্ত হওয়ার কারণ এখনও জানা যায়নি। নিহতরা হলেন আমেরিকান বাসিন্দা।
উত্তপ্ত ও বাতাসের পরিস্থিতি ফিরে আসার পরে ৮০ টিরও বেশি ব্লেজ রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরার দুই ঘন্টা দক্ষিণে একটি সক্রিয় ফায়ার জোনটিতে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছিল বলে জানিয়েছে 
এনএসডাব্লু রুরাল ফায়ার সার্ভিস (এনএসডাব্লু আরএফএস)।
কমিশনার শেন ফিৎসিম্মনস বলেছেন, "মাঠের প্রতিবেদনগুলি হ`ল বিমানটি নেমে এসেছিল, 
এটি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং সেই দুর্ঘটনার সাথে একটি বড় আগুনের বল জড়িত ছিল," কমিশনার শেন ফিটজসিমনস বলেছিলেন।

সর্বশেষ উপলভ্য ফ্লাইটের ডেটা বিমানটি দেখিয়েছিল - যা কানাডার একটি সংস্থার মালিকানাধীন - কূমার কাছাকাছি।

ক্রুর তিন সদস্যকে সনাক্ত করা যায়নি। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন এবং

এনএসডব্লিউ প্রিমিয়ার গ্লাডিস বেরেজিকলিয়ান দমকলকর্মীদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

"আজ, আবার দেখায় যে আগুনের মরশুম অনেক দূরে," মিসেস বেরেজিক্লিয়ান বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন।

দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় অগ্নিকাণ্ড ফেব্রুয়ারিতে শিখর এবং এপ্রিল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মিঃ ফিটজসিম্মনস বলেছেন, অভিজ্ঞ ও "সুপরিচিত" ক্রু অস্ট্রেলিয়ায়

এই মৌসুমে অভূতপূর্ব বুশফায়ারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল।

"আমাদের হৃদয় তাদের সকলের সাথে রয়েছি যারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে যে তিনটি উল্লেখযোগ্য,

সম্মানিত কর্মী মারা গিয়েছিল যা তাদের জীবনের বহু দশক দমকলযুদ্ধে ব্যয় করেছে," তিনি বলেছিলেন।

রাজ্য ফায়ার কর্তৃপক্ষের সাথে মৌসুমী ব্যবস্থার অংশ হিসাবে উত্তর আমেরিকার ফার্ম কুলসন এভিয়েশন থেকে

হারকিউলিস সি -১৩০ জল বোমা বিমানটি লিজ দেওয়া হয়েছিল।
ফিজসিম্মনস জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার তদন্তের বাকি দিনগুলির জন্য সমস্ত বৃহত এয়ার ট্যাংকার বিমানের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল।

"এটি নিয়মিতভাবে জল বোমা বিস্ফোরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল ...

দুর্ঘটনার কারণ কী তা এই পর্যায়ে এখন পর্যন্ত কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।"

সেপ্টেম্বরের পর থেকে অস্ট্রেলিয়া বুশফায়ারের সংকটে লড়াই করেছে যার ফলে এখন কমপক্ষে ৩৩ জন মারা গেছে।

প্রায় ১ কোটি হেক্টর-এরও বেশি অঞ্চল - প্রায় ইংল্যান্ডের আকারের অঞ্চল - ব্লেজে ধ্বংস হয়েছে।

সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ রাজ্যগুলি হ`ল এনএসডাব্লু এবং ভিক্টোরিয়া।

অস্ট্রেলিয়ায় পরিচালিত কানাডিয়ান বিমান দমকল বাহিনী সংস্থা কুলসন এভিয়েশন মালিকানাধীন
সংস্থাটি ৩০ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং "১১০,০০০এরও বেশি নিরাপদ বিমানের সময়" দাবি করে
বিমানটি ১৫,০০০ লিটার জল বা ফায়ার বহন করতে পারে
২,০০০ মাইলের পরিসীমা সহ ৪০০ এম পি এইচ এর সাধারণ শীর্ষ গতি
এগুলি ১৯৫০ এর দশক থেকে মার্কিন ও যুক্তরাজ্যের বাহিনী ব্যবহার করে আসছে
তারা মার্কিন নৌবহরের "ওয়ার্কহর্স" হিসাবে গণ্য হয় এবং সাধারণত সৈন্য বা সরঞ্জাম বহন করে

অস্ট্রেলিয়ায় দমকল বাহিনীর বিমান বিধ্বস্ত ,নিহত-৩
                                  

 আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ায় দমকল বাহিনীর একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে তিনজন মারা গেছে বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সাড়ে ১৩ টার (২২:৩০ GMT) এর পরেই 
দক্ষিণ নিউ সাউথ ওয়েলসে বিমানের বড় ট্যাংকার নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
সংক্ষিপ্ত অনুসন্ধানের পরে জরুরি প্রতিক্রিয়াকারীদের দ্বারা ধ্বংসস্তূপটি পাওয়া গেছে।
এনএসডব্লিউর প্রিমিয়ার গ্ল্যাডিস বেরেজিক্লিয়ান জানিয়েছেন, 
রাজধানী ক্যানবেরার দুই ঘন্টা দক্ষিণে স্নোই পর্বতমালায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছিল।
তিনি আজ (বৃহস্পতিবার) সাংবাদিকদের বলেন, "আমাদের চিন্তাভাবনা, প্রার্থনা এবং
আন্তরিক সমবেদনা তাদের পরিবারগুলিতে যায়।"
"আজ, আবার দেখায় আগুনের মরসুম শেষ হয় না।"
এনএসডাব্লু রুরাল ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে যে, 
এই অঞ্চলে মারাত্মক আগুনের লড়াইয়ের জন্য জল-বোমা বিমানটি মোতায়েন করা হয়েছিল।
বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার কারণটি এখনও পরিষ্কার নয়, কমিশনার শেন ফিটজসিমনস জানিয়েছেন।
ইমপিচমেন্ট : ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পের বিচারে সাক্ষীর বদল প্রত্যাখ্যান করেছেন
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন ডেমোক্র্যাটরা রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিশংসনের বিচারে

রিপাবলিকানদের সাথে একটি "সাক্ষী বদল" অস্বীকার করেছেন।

আইন প্রণেতারা যারা রাষ্ট্রপতিকে পদ থেকে সরিয়ে দিতে চাইছেন তিনি তার প্রাক্তন জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা

জন বোল্টনের কাছ থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন বলে আশাবাদী।

তবে ডেমোক্র্যাটরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সহ-রাষ্ট্রপতি জো বিডেনের পুত্রকে সাক্ষী হিসাবে ডাকার অনুমতি দেওয়ার জন্য কোনও চুক্তি অস্বীকার করেছিল।

মিঃ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কংগ্রেসের বাধার অভিযোগ রয়েছে।

তিনি যেকোন অন্যায়কে তীব্রভাবে অস্বীকার করেন। হাউস ডেমোক্র্যাটস সিনেটে অভিশংসনের বিচারে

তাদের যুক্তি উপস্থাপন করায় তাদের মামলাটি তৈরি করতে তিন দিন সময় রয়েছে।

মিঃ ট্রাম্পের প্রতিরক্ষা দলটির প্রত্যাবর্তনের জন্য তার তিন দিন পরেই থাকবে।

ডেমোক্র্যাটস প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক সহায়তা ব্যবহার করে ইউক্রেনকে

তার ডেমোক্র্যাটিক হোয়াইট হাউজের চ্যালেঞ্জার মিঃ বিডেনকে অপমান করার তদন্তের ঘোষণা দেওয়ার জন্য

একটি দর কষাকষির চিপ হিসাবে ব্যবহার করার অভিযোগ করেছেন।

মিস্টার ট্রাম্প মিস্টার বিডেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির দাবির প্রতিবাদ করছেন,

যার ছেলে হান্টার ইউক্রেনীয় গ্যাস ফার্মের কাছে লাভজনক বোর্ডের পদে ছিলেন এবং

তার বাবা মার্কিন সহ-রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং আমেরিকান-ইউক্রেনীয় সম্পর্কের দায়িত্বে ছিলেন।

গতকাল বুধবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে যোগ দিয়ে

মিঃ ট্রাম্প কৌতুকপূর্ণভাবে সতর্ক করেছিলেন যে তিনি "সামনের সারিতে ডানদিকে বসে তাদের দুর্নীতিগ্রস্থ মুখের দিকে তাকাতে"

এসে ডেমোক্র্যাটদের মুখোমুখি হতে পারেন। এই ইমপিচমেন্টের বিচার আগামী সপ্তাহে শেষ হতে পারে,

তবে মিঃ ট্রাম্পের সহকর্মী রিপাবলিকানরা এই চেম্বারটি নিয়ন্ত্রণ করেন এবং তাকে বহিষ্কার করার সম্ভাবনা নেই।

 সাক্ষীর অদলবদলের প্রস্তাব কী?

ডেমোক্র্যাটরা মিঃ বোল্টনকে ডাকতে চান, যিনি ইউক্রেনের উপরে হোয়াইট হাউসের অভিযোগিত রাজনৈতিক চাপকে "ড্রাগের চুক্তি" হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন,

হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভের পূর্ব সাক্ষীর সাক্ষ্য অনুসারে।

তবে প্রাক্তন জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা বলেছেন যে সাব্পোয়েনা হিসাবে 
পরিচিত আইনী সমন উপস্থাপন না করা পর্যন্ত তিনি সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবেন না।

মিঃ ট্রাম্পের রিপাবলিকান মিত্ররা যুক্তি দেখিয়েছেন যে, হান্টার বিডেনকেও অভিশংসনের বিচারের আগে হাজির হওয়ার আদেশ দেওয়া উচিত।
তবে গতকাল বুধবার বিচারের বিরতি চলাকালীন সিনেটের শীর্ষ ডেমোক্র্যাট নিউইয়র্কের সিনেটর চক শুমার সাংবাদিকদের বলেছিলেন: "এই বাণিজ্য টেবিলে নেই।"

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "এটি কোনও কল্পনা ফুটবল বাণিজ্যের মতো নয়।

"ট্রায়ালগুলি সাক্ষীদের জন্য কোনও ব্যবসায় নয়" " জো বিডেন বুধবার আইওয়া-র ওসেজে বলেছেন,

যেখানে তিনি হোয়াইট হাউসের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন যে তিনি কোনও সাক্ষী ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে নিজেকে উপস্থাপন করবেন না।

"আমরা এটিকে প্রহসন বা রাজনৈতিক প্রেক্ষাগৃহে পরিণত করতে যাচ্ছি না," মিঃ বিডেন বলেছিলেন।

"আমি এর কোন অংশ চাই না।" পুত্রকে রক্ষা করে মিঃ বিডেন আরও বলেছেন :

"এমন কোনও দেহ নেই যা ইঙ্গিত দেয়নি যে তিনি একা নির্জন কাজ করেছেন যা অনুপযুক্ত বা ভুল ছিল - উপস্থিতি বাদে অন্যথায়।

তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে খারাপ লাগছিল।" মিঃ বিডেন গত বছর বলেছিলেন যে ,

নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তার পরিবারের কেউ চাকরি পাবেন না বা কোনও বিদেশি কর্পোরেশনের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রাখবেন।


কী হয়েছিল বিচারে?

গতকাল বুধবার, ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান অ্যাডাম শিফের প্রধান গণতান্ত্রিক আইনজীবী ইউক্রেনের সাথে

রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের আচরণকে "পাগলের চেয়েও খারাপ" বলে সমালোচনা করেছেন। "এটা বিদ্বেষমূলক, এটি বিদ্রোহী।

এটি আমাদের কথা ভঙ্গ করে। এবং এই দুর্নীতিবাজ তদন্তের নামে করা আমাদের বিশ্বজুড়ে থাকা সমস্ত কিছুর পরিপন্থী," তিনি বলেছিলেন।

হাউস গোয়েন্দা কমিটির চেয়ারম্যান মিঃ শিফ রিপাবলিকানদের "আমাদের গণতন্ত্র রক্ষায়"

মিঃ ট্রাম্পকে অফিস থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে সিনেটররা যদি রাষ্ট্রপতিকে বহিষ্কার না করেন তবে তারা "আমাদের বৈশ্বিক অবস্থানকেও ক্ষুণ্ন করবে"।

গতকাল বুধবার ভোরের প্রথম দিকে বিচারকের প্রথম দিন টেনে নিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে

সিনেটররা বর্ধনের গতি নিয়ে আলোচনার সৃষ্টি করলেন।

যে সমস্ত প্রমাণ উত্থাপিত হচ্ছে তার মধ্যে বেশিরভাগই প্রতিনিধি পরিষদে ইতোমধ্যে নিখুঁতভাবে উপস্থাপিত সাক্ষ্য প্রেরণা,

যা গত মাসে মিঃ ট্রাম্পকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেয়।

তীব্র নিয়মের অধীনে সিনেটরদের চেম্বারের মেঝেতে কফি পান করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং কেবল জল এবং দুধের অনুমতি রয়েছে।

প্রক্রিয়া চলাকালীন চেম্বারের বেশ কয়েকজন সদস্যকে ঝাপসা করা হয়েছে।

পারমাণবিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত ইরানের
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শেষ বিকল্প হিসেবে ছয় বিশ্ব শক্তির সঙ্গে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান।

গতকাল বুধবার দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির চিফ অব স্টাফ এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে

রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা আইআরএনএর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের চিফ অব স্টাফ মাহমুদ ভায়েজি বলেছেন,

২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়াই ইরানের অপর এক বিকল্প।

এর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে লেখা এক চিঠিতে পারমাণবিক চুক্তি থেকে ইরানের বেরিয়ে যাওয়ার

সম্ভাবনার কথা প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি তুলে ধরেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন মাহমুদ।

তিনি বলেন, এটা আলোচনা করা হয়েছিল যে, কেউ কেউ ইরানকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে নিয়ে যেতে পারে...এটা যদি সত্যি হয়,

তাহলে আমরা পারমাণবিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারি।

মুসলিম নিধন-যজ্ঞ চালিয়েছে উত্তর প্রদেশের পুলিশ
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা মিলে তাদের

একটি যৌথ প্রতিবেদনে উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের পুলিশের বিরুদ্ধে গরিব মুসলিমদের `নির্বিচারে হত্যা করার` অভিযোগ এনেছে।

দেশের প্রায় ৩০টি শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এই ছাত্রছাত্রীরা গত সপ্তাহে উত্তরপ্রদেশের

১৫টি শহর ও জনপদে ঘুরে ঘুরে এই রিপোর্ট প্রস্তুত করেছে।

ওই রাজ্যে নাগরিকত্ব আইন বিরোধী প্রতিবাদ ও বিক্ষোভে ইতিমধ্যেই অন্তত ২৩জন মারা গেছেন।

আজ বুধবার দিল্লিতে ওই রিপোর্ট প্রকাশ করার সময় ওই ছাত্রছাত্রীরা বলেন,

পুলিশের গুলিচালনার সময় ইচ্ছাকৃতভাবে নিশানা করা হয়েছে প্রান্তিক মুসলিম জনগোষ্ঠীকে - অনেক ক্ষেত্রে নাবালকদেরও।

"এখনও সেখানে ব্যাপক ধরপাকড় চলছে, মানুষ ভয়ে সিঁটিয়ে আছেন" বলেও তারা জানিয়েছেন।

বস্তুত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে ভারতে যে তীব্র প্রতিবাদ চলছে, তা সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী চেহারা নিয়েছে উত্তরপ্রদেশেই।

ওই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ গত ১৯ ডিসেম্বর বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে `বদলা` নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন।

তার পর দিন থেকেই তার রাজ্যের পুলিশ বেছে বেছে মুসলিমদের ওপর হামলা চালাতে

শুরু করে বলে ওই রাজ্যে সরেজমিনে তদন্তে যাওয়া ছাত্রছাত্রীরা দাবি করছেন।

মীরাট-মুজফফরপুর-আলিগড়ে যে দলটি গিয়েছিল, তাতে ছিলেন দিল্লি ইউনিভার্সিটির ছাত্রী থৃতি দাস।

থৃতি  বলছিলেন, "আমরা চারটে দলে ভাগ হয়ে মোট পনেরোটা জায়গায় ঘুরেছি,

আর সবাই কিন্তু এই হামলাগুলোর মধ্যে একটা `কমন প্যাটার্ন` লক্ষ্য করেছি।"

"প্রায় প্রতিটা হামলাই হয়েছে ২০শে ডিসেম্বর, অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রীর হুঙ্কারের ঠিক পরদিন –

আর সবগুলোই বেলা তিনটে থেকে চারটের মধ্যে।"

"সে সময় মানুষ সদ্য দুপুরের নামাজ সেরে মসজিদ থেকে বেরিয়েছেন।

তারা কেউ কেউ হয়তো সংগঠিত কোনও পদযাত্রায় সামিল হচ্ছিলেন, অথবা শান্তিপূর্ণ মিছিল করে এগোচ্ছিলেন।"

"তখনই পুলিশ তাদের বাধা দিয়ে চুপচাপ বসতে বলে। এরপরই শুরু হয়ে যায় বিনা প্ররোচনায় লাঠিচার্জ।"

"যদিও পুলিশ দাবি করেছে তারা ফায়ারিং করেনি,

আমাদের হাতে আসা ভিডিওতে তাদের গুলি চালাতেও দেখা গেছে।"

"আমি তো বলব উত্তরপ্রদেশের পুলিশ নির্দিষ্টভাবে মুসলিম জনগোষ্ঠীকে নিশানা করে গুলি চালিয়েছে!"

"যেখানে ভিক্টিমরা সবাই গরিব মহল্লার বাসিন্দা, বস্তিবাসী এবং দিন-এনে-দিন-খাওয়া মানুষজন!" বলছিলেন থৃতি।

বিজনৌর-কানপুরে গিয়েছিলেন আর একটি দলের সদস্য আকাশ মিশ্রা,

যিনি দিল্লিতে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব মাস কমিউনিকেশনের ছাত্র।

আকাশ বলছিলেন, "পুলিশ যেখানেই গুলি চালিয়েছে কোথাও কোমরের নিচে চালায়নি –

সব জায়গায় নিশানা করেছে সোজা পেটে, মাথায় বা বুকে।"

"সব জায়গাতেই তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল স্থানীয় বিজেপি বা সঙ্ঘ পরিবারের লোকজন।"

"আর তারা এমনভাবে মুসলিমদের ভয় দেখিয়েছে যে গুলিতে আহতরাও কেউ

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যেতে চাইছেন না - যদি আবার তাদের লাখ-

দু`লাখ টাকার জরিমানার নোটিশ ধরিয়ে দেওয়া হয়!"

বহু ক্ষেত্রে নিহতের পরিবারকে আজও পুলিশ পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট দেয়নি।

অনেক জায়গাতেই মরদেহ পুলিশের দেখিয়ে দেওয়া জায়গায় মাত্র এক ঘন্টার মধ্যে দাফন করে দিতে হয়েছে।

আর এই জুলুম ও নির্যাতন এখনও চলছে অব্যাহতভাবে –

মুসলিম মহল্লায় পুলিশ রাতবিরেতেও হানা দিচ্ছে।

অনুসন্ধানী দলের সদস্য, দিল্লির ছাত্রী অনন্যা ভরদ্বাজ বলছিলেন,

"মানুষ এতটাই ভয় পেয়েছে যে আহতদের পরিবার আমাদেরও দরজা খুলে দিতে চাইছিল না।"

"অনেকেই তারা ভয়ে এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন।"

"পুলিশ এখনও মুসলিমদের বাড়িতে ঢুকে পড়ছে ছাদ টপকে, দরজায় বাড়ি মেরে –

এমন কী মধ্যরাতের পরেও। মানুষকে তারা ঘুমোতে পর্যন্ত দিচ্ছে না", বলছিলেন অনন্যা।

এই রিপোর্ট প্রকাশের অনুষ্ঠানে ছিলেন ভারতের নামী সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্ট পামেলা ফিলিপোস।

তিনি বলছিলেন, "দেশের মূল ধারার গণমাধ্যমগুলো যখন এবিষয়ে সম্পূর্ণ নীরব,

তখন এই ছাত্রছাত্রীরাই জাতির বিবেকের কাজটি করল।"

"তারা দেখিয়ে দিল, উত্তরপ্রদেশ কীভাবে ভারতের `কিলিং ফিল্ডস` বা বধ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে –

যেখানে ইচ্ছাকৃতভাবে নিশানা করা হচ্ছে দরিদ্র মুসলিম জনগোষ্ঠীকে, যাদের প্রতিবাদ করার কোনও শক্তিই নেই!"

জামাল খাসোগজি হত্যা : যুবরাজ বিন সালমানের বিরুদ্ধে আমাজন বস জেফ বেজোসের ফোন হ্যাকে জড়িত থাকার অভিযোগ
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আমাজনের বস জেফ বেজোসের ফোন হ্যাক করার পেছনে

ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে সৌদি আরব।

বিভিন্ন প্রতিবেদন বলছে, যুবরাজের ব্যবহার করা একটি ফোন নম্বর থেকে

আসা একটি বার্তা এই হ্যাকিংয়ের সাথে তাঁর জড়িত থাকার ইঙ্গিত দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সৌদি দূতাবাস এই প্রতিবেদনগুলোকে "অযৌক্তিক"

উল্লেখ করে বলেছে এবং প্রতিবেদনগুলো নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার।

এর আগে অভিযোগ উঠেছিল যে, এই হ্যাকিংয়ের ঘটনার সাথে ইস্তানবুলের সৌদি

কনস্যুলেটে ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাসোগজির হত্যার ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে।

অনলাইন রিটেইল জায়ান্ট আমাজনের প্রতিষ্ঠাতার পাশাপাশি মিস্টার বেজোস ওয়াশিংটন পোস্টেরও মালিক।

যুক্তরাজ্যের সংবাদপত্র গার্ডিয়ানে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোহাম্মদ বিন সালমান,

যিনি এমবিএস বলেও পরিচিত, তাঁর ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে একটি হোয়াটসঅ্যাপ

বার্তা পাওয়ার পরপরই মিস্টার বেজোসের ফোন হ্যাক করা হয়েছিল।

দ্য ফিনান্সিয়াল টাইমস তাদের প্রতিবেদনে বলে, তথ্য চুরির ঘটনায় পরিচালিত তদন্তে জানা যায় যে,

প্রিন্সের কাছ থেকে একটি এনক্রিপ্ট করা ভিডিও ফাইল পাওয়ার পর

থেকেই এই কোটিপতির ফোন গোপনে বিশাল পরিমাণ তথ্য বিনিময় শুরু করে।

যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সৌদি দূতাবাস টুইটারে তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে এই

অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে এবং এ ঘটনার তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আমাজন কোন প্রতিক্রিয়া জানাননি।

আমেরিকার ট্যাবলয়েড দ্য ন্যাশনাল ইনকোয়ারার-এ মিস্টার বেজোসের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার পর এসব প্রতিবেদন আসে।

জেফ বেজোস এবং তার বান্ধবী ফক্স টেলিভিশনের সাবেক উপস্থাপিকা

লরেন স্যানচেজের মধ্যে বিনিময় করা লিখিত বার্তা ফাঁস করার পর

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মিস্টার বেজোস দ্য ন্যাশনাল ইনকোয়ারারের বিরুদ্ধে

"অন্যায় দাবী এবং ব্ল্যাকমেইল" করার অভিযোগ তোলেন।

এর এক মাস আগে তিনি এবং তার স্ত্রী ম্যাককেনজি বেজোস ঘোষণা দেন যে,

"দীর্ঘ সময়" আলাদা থাকার পর তারা তাদের ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানতে তালাকের পরিকল্পনা করছেন।

মিস্টার বেজোসের ফোন হ্যাকিংয়ের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ সৌদির বিরুদ্ধে এটাই প্রথম নয়।

গত বছরের মার্চে আমাজনের প্রতিষ্ঠাতার এক তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন যে,

 সৌদি আরব হ্যাকের সাথে জড়িত এবং তাঁর (বেজোসের) তথ্যে তারা প্রবেশাধিকার পেয়েছে।

গেভিন ডি বেকারকে মিস্টার বেজোস ভাড়া করেছিলেন এটা খুঁজে দেখতে যে,

তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য কিভাবে দ্য ন্যাশনাল ইনকোয়ারারের কাছে ফাঁস হলো।

মিস্টার ডি বেকার হ্যাকের ঘটনাকে ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে দেশটির

লেখক জামাল খাসোগজির হত্যার ঘটনাটিকে ওয়াশিংটন পোস্টের সংবাদ পরিবেশনের সাথে সংশ্লিষ্ট বলে জানিয়েছিলেন।

নাগরিকত্ব আইনে স্থগিতাদেশ দিতে রাজি হল না ভারতের সুপ্রিম কোর্ট
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের ওপর এখন কোনও স্থগিতাদেশ দিতে তারা যে রাজি নয়,

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট তা স্পষ্ট করে দিয়েছে।

‌ওই আইনের বিরুদ্ধে যে শতাধিক আবেদন আদালতে জমা পড়েছে,

তার শুনানিতে এদিন সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে তাদের বক্তব্য জানাতেও চার সপ্তাহের সময় দিয়েছে।

প্রধান বিচারপতি এস এ বোবডে-র নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ আজ বুধবার জানিয়ে দিয়েছে,

এ ব্যাপারে কেন্দ্রের বক্তব্য শোনার আগে তারা কোনও স্থগিতাদেশ দেওয়ার কথা বিবেচনাই করবেন না।

গত মাসে ভারতের পার্লামেন্টে পাস হওয়া নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে সারা দেশ প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে।

এই আইনকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অ্যাক্টিভিস্টরা আলাদা আলাদাভাবে যে সব আবেদন করেছিলেন,

আবেদনকারীদের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী ও কংগ্রেস নেতা কপিল সিবাল নাগরিকত্ব

আইনের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করার ও ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্টারের (এনপিআর) কাজ আপাতত বন্ধ রাখার দাবি জানান।

তবে সরকারের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেনুগোপাল জানান,

আবেদনগুলোর মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৬০টির প্রতিলিপি সরকারকে দেওয়া হয়েছে।

বাকিগুলো পড়ে বক্তব্য জানানোর জন্য আরও সময় দরকার।

ভারতের নাগরিকত্ব আইনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও

বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে সে দেশের সংখ্যালঘুরা যদি ভারতে চলে আসতাহলে তারা ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য হবেন।

তবে হিন্দু-বৌদ্ধ-শিখ-খ্রীষ্টানরা এই সুবিধা পেলেও মুসলিমরা এই আইনের আওতায় পড়ছেন না।

কিন্তু ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়ার বিধান এনে এই আইন ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রকেই লঙ্ঘন করছে,

এই যুক্তিতে সুপ্রিম কোর্টে আইনটিকে চ্যালেঞ্জ করে বহু আবেদন জমা পড়েছে।

তার ১৪৪টিকে একত্রিত করে সুপ্রিম কোর্টে ওই মামলার শুনানি শুরু হয়।

 

এই আবেদনকারীদের মধ্যে কংগ্রেস, ডিএমকে, সিপিএম, সিপিআই-য়ের মতো বিরোধী দল যেমন আছে,

তেমনি অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (আসু) মতো সংগঠনও আছে।

এছাড়া কেরালার রাজনৈতিক দল ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ, এআইএমআইএম নেতা ও

হায়দ্রাবাদের এমপি আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, তৃণমূলের এমপি মহুয়া মৈত্র,

তামিল অভিনেতা এবং রাজনীতিবিদ কমল হাসনও অন্যতম আবেদনকারী।

এখন যে তিন সদস্যের বেঞ্চ আবেদনগুলি শুনছে, তাতে প্রধান বিচারপতি ছাড়াও

রয়েছেন বিচারপিতি এস আবদুল নাজির ও বিচারপতি সঞ্জীব খান্না।

তবে সুপ্রিম কোর্ট এদিন জানিয়েছে, এই বেঞ্চের আকার বর্ধিত করে পাঁচ সদস্যের করা হবে

এবং সেই বর্ধিত বেঞ্চ এই প্রায় শ দেড়েক আবেদনের ওপর একটি অন্তর্বর্তী আদেশ জারি করবে।

এদিকে গতকাল (মঙ্গলবার) লখনৌতে এক সমাবেশে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছেন,

"বিক্ষোভকারীরা যত খুশি প্রতিবাদ চালিয়ে যেতে পারেন, কিন্তু সরকার কিছুতেই এই আইন প্রত্যাহার করবে না।"

অস্ট্রেলিয়ায় আগুন : ম্যালকম টার্নবুল স্কট মরিসনকে `বিভ্রান্তিমূলক` জাতি বলে অভিযোগ
                                  
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের বিরুদ্ধে বুশফায়ার সংকটের সময় 
নেতৃত্বের অভাবের অভিযোগ তোলা হয়েছে - তিনি দলীয় কক্ষ অভ্যুত্থানের পরে তিনিই বদলেছিলেন।


২০১৮ সালে পদচ্যুত হওয়া ম্যালকম টার্নবুল বিবিসিকে বলেছেন যে
মিঃ মরিসন গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের প্রভাবকে "ডাউনপ্লে" করে দেশকে বিভ্রান্ত করেছিলেন।
মিঃ মরিসন অগ্নিকাণ্ডের মাঝে মার্কিন ছুটি নেওয়ার জন্য গত মাসে ক্ষমা চেয়েছিলেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে তাঁর নীতিগুলি পর্যাপ্ত রয়েছে।
তবে মিঃ টার্নবুল বলেছেন যে তিনি তাঁর উত্তরসূরিদের পদ্ধতির "ব্যাখ্যা করতে" পারবেন না।
বিস্তৃত সাক্ষাত্কারে মিঃ টার্নবুল আরও বলেছিলেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের
"শীর্ষস্থানীয় জলবায়ু অস্বীকারকারী" এবং আমেরিকার নেতৃত্বের অভাব "চরম ক্ষতিকারক"।
মিঃ টার্নবুল বলেছিলেন, আগুনের মৌসুমের আগে "সবাই জানত আমরা খুব শুকনো সময়" ছিলাম
এবং এটি "খুব খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল"। "একজন নেতার যা করা উচিত তা করার পরিবর্তে ...
[মিঃ মরিসন] এটিকে তুচ্ছ করে দিয়েছিলেন এবং মাঝে মাঝে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে ছাড় দিয়েছিলেন,
যা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে নিছক বাজে কথা। সুতরাং এটি মানুষকে বিভ্রান্ত করছে," মিঃ টার্নবুল বলেছিলেন।
"অবশ্যই [তিনি] হাওয়াইয়ের ছুটিতে ছুটি কাটিয়ে সঙ্কটের শীর্ষে এসেছিলেন। সুতরাং আমি এর কোন ব্যাখ্যা দিতে পারি না।
"প্রধানমন্ত্রী যে জাতীয় সঙ্কটে এ জাতীয় আচরণ করতে পারে বা যেভাবে কাজ করবে তার সাথে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।"
সেপ্টেম্বরের পর থেকে বুশফায়াররা অস্ট্রেলিয়াকে দাগ দিয়েছে।
কমপক্ষে ৩০ জন মারা গিয়েছেন, হাজার হাজার ঘর-বাড়ির পাশাপাশি জীবিকা নির্বাহ হয়েছে,
বন্যজীবনে বিপর্যয়মূলক প্রভাব কখনই জানা যায়নি।
মিঃ মরিসন স্বীকার করেছেন যে তিনি তার পরিবারকে রেকর্ড ভাঙ্গা উত্তাপের আগুন হিসাবে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গিয়ে "অস্ট্রেলিয়ায় দুর্দান্ত উদ্বেগ" তৈরি করেছিলেন।
"আমি জানি যে কেউ কেউ এই বিপর্যয়ের মাঝেও রাজনৈতিক পয়েন্ট এবং
স্কোর পয়েন্ট করার চেষ্টা করেছেন এবং এটি হতাশাব্যঞ্জক," তিনি ক্রিসমাসের আগে বলেছিলেন।
তিনি জোর দিয়েছিলেন যে জলবায়ু পরিবর্তন ব্লেজের জন্য দায়ী "অনেক কারণের মধ্যে একটি"।
আগুন যেমন ছড়িয়ে পড়েছে, তেমনি জলবায়ু পরিবর্তন এবং অস্ট্রেলিয়ার ধ্বংসাত্মক গ্রীষ্মে এর অংশ সম্পর্কে বিতর্কও রয়েছে।
মিঃ টার্নবুল গভর্নিং লিবারাল পার্টির প্রাক্তন সহকর্মীদের লক্ষ্য নিয়েছিলেন এবং অন্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবটকে
"অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে সম্ভবত সবচেয়ে বিশিষ্ট জলবায়ু অস্বীকারকারী বলে অভিযুক্ত করেছিলেন,
তবে আরও অনেক লোক আছেন" যারা "যুদ্ধে লিপ্ত ছিলেন" বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে "।
মিঃ টার্নবুল বলেছিলেন, "এটি একটি অসাধারণ যুক্তিহীন এবং স্ব-ধ্বংসাত্মক পদ্ধতি।
মিঃ টার্নবুলের প্রধানমন্ত্রীর পদটি ২০১৫ সালে শুরু হয়েছিল যখন তিনি দীর্ঘ সময়ের প্রতিদ্বন্দ্বী মিঃ অ্যাবটকে সরিয়ে দিয়েছিলেন।
অনুরূপ ফ্যাশন থেকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে তিনি তিন বছর ক্ষমতায় ছিলেন।
অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে এটি একটি সুদৃ সময় ছিল এবং মিঃ টার্নবুলকে একজন প্রবীণ মন্ত্রী তীব্র ও দ্বিধাদ্বন্দী বলে গালি দিয়েছেন।
ক্ষমতায় থাকাকালীন বেশি কিছু না করার জন্য তিনি বাহ্যিকভাবেও সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছিলেন।
তাঁর পদত্যাগের অল্প আগেই মিঃ টার্নবুল তার দলের ডান্ট উইংয়ের সর্বশেষ খাদ্যে ছাড় দিয়ে তাঁর সরকারের প্রধান শক্তি নীতি ত্যাগ করেছিলেন। 

এই নীতিটি অস্ট্রেলিয়ার নির্গমন লক্ষ্যকে আইন প্রণয়ন করেছিল, যা দীর্ঘকাল ধনী দেশটির পক্ষে অপর্যাপ্ত বলে সমালোচিত হয়েছে। 
২০০৫ এর স্তরের ২৬৩০ হ্রাসের ২০৩০ লক্ষ্য জি -২০ দেশগুলির মধ্যে দুর্বলতমগুলির মধ্যে একটি।
তবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক এবং প্রাক্তন ব্যারিস্টার ও 
ব্যাংকার বিবিসিকে বলেছেন যে তিনি নির্মম রাজনৈতিক বিদ্রোহের শিকার হয়েছেন।
"লিবারেল পার্টির ডান [উইং] মূলত সন্ত্রাসীদের মতো কাজ করে," তিনি বলেছিলেন।
"এখন আমি পরামর্শ দিচ্ছি না যে তারা বন্দুক এবং বোমা বা এরকম কিছু ব্যবহার করে, তবে তাদের উপায় হ`ল ভয় দেখানো।

"এবং তারা মূলত পার্টির বাকীদের সবাইকে বলে ... আপনি যদি আমাদের যা চান তা না করেন, 
তবে আমরা অনুষ্ঠানটি উড়িয়ে দেব। বিখ্যাতভাবে অভ্যুত্থানের এক নেতা আমাকে বললেন, `আপনাকে সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দিতে হবে।` "

সিডনির আশ্রয়স্থলকে উপেক্ষা করে তাঁর অফিসগুলিতে বিশ্বনেতাদের সাথে মিঃ টার্নবুলের ছোট্ট ফ্রেমযুক্ত ছবি রয়েছে:

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি জোকো উইদোডো।

মিঃ ট্রাম্পের সাথে একটি ছবিও রয়েছে। এতটা খুশি স্ন্যাপ নয় - এই জুটি বিখ্যাতভাবে

একটি শরণার্থী অদলবদ চুক্তি নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং পরিবেশ সম্পর্কেও শত্রুতা রয়েছে।

মিঃ টার্নবুল বলেছেন, "জলবায়ু সংক্রান্ত পদক্ষেপের ক্ষেত্রে ট্রাম্প খুব ধ্বংসাত্মক ভূমিকা পালন করছেন।

ট্রাম্প এ সম্পর্কে কোনও হাড়ভাঙা করেন না। তিনি বলেছেন, বিশ্ব উষ্ণায়ন বর্জ্য," মিস্টার টার্নবুল বলেছিলেন।

"ট্রাম্প নির্গমন কমাতে বৈশ্বিক পদক্ষেপে ব্রেক চাপানোর চেষ্টা করছেন।

আমেরিকান নেতৃত্বের অভাব চরম ক্ষয়ক্ষতিজনক।" তিনি আরও যোগ করেছেন:

"আরও কত প্রবাল প্রাচীর ব্লিচ করতে হবে?

আর আরও কত মিলিয়ন হেক্টর বন পোড়াতে হবে?

"জলবায়ু পরিবর্তন অস্বীকারকারীরা ভুল বলে স্বীকার করার আগে আরও কত জীবন ও বাড়িঘর হারাতে হবে?"

ট্রাম্পের অভিশংসন : বিচারের প্রথম দিন দীর্ঘ বিতর্কের পরে সিনেট নিয়মকানুন
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রথম দিন প্রায় ১৩ ঘন্টা র‌্যাংকস আলোচনার পরে মার্কিন সিনেট

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিশংসন বিচারের জন্য গ্রামীণ বিধি গ্রহণ করেছে।

ডেমোক্র্যাটিক প্রসিকিউটররা মিস্টার ট্রাম্পের আইনজীবীদের সাথে এই প্রক্রিয়াটি নিয়ে বক্তৃতা দিয়েছিলেন,

এবং রিপাবলিকানরা আরও সাক্ষীর দাবি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

আজ বুধবার রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে তদন্ত ও প্রশ্নোত্তর যুক্তিতর্ক দিয়ে বিচার শুরু হবে।

মিঃ ট্রাম্প হলেন তৃতীয় মার্কিন রাষ্ট্রপতি যিনি অভিশংসনের বিচারের মধ্য দিয়ে গেছেন।

তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কংগ্রেসনাল তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

সে অন্যায়কে অস্বীকার করে।

মিঃ ট্রাম্পকে গণতান্ত্রিক নেতৃত্বাধীন হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ কর্তৃক

গত মাসে অভিযুক্ত করার পরে বিচারের দিকে রাখা হচ্ছে।

তবে তাঁর সহকর্মী রিপাবলিকানরা নিয়ন্ত্রিত সিনেট তাকে দোষী সাব্যস্ত করবে

এবং তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেবে বলে আশা করা যায় না।

গতকাল মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের জনাব

ট্রাম্প তাঁর বিরুদ্ধে করা অভিযোগকে "মাত্র একটি প্রতারণা" বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

এখন কি ঘটছে?

সিনেটররা মার্কিন প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের সভাপতিত্বে

একটি বিচারে নিরপেক্ষ বিচারক হিসাবে কাজ করার শপথ নিয়েছেন।

হাউস ডেমোক্র্যাটরা "ইমপিচমেন্ট ম্যানেজার" হিসাবে পরিচিত,

মামলা-মোকদ্দমা হিসাবে কাজ করেন, এবং মিঃ ট্রাম্পের আইনী দল প্রতিরক্ষা হিসাবে কাজ করে।

আজ বুধবার স্থানীয় সময় (২৩:০০ জিএমটি) শেষ হওয়া কার্যনির্বাহীর প্রথম দিনেই সম্মত বিধিগুলির অধীনে,

প্রত্যেক পক্ষকে তিন দিনের মধ্যে খোলার যুক্তিতর্ক প্রকাশের জন্য ২৪ ঘন্টা সময় দেওয়া হবে।

আজ বুধবার বিকেলে এটি শুরু হবে। এই সমাপ্তির পরে, সম্ভবত পরের সপ্তাহের প্রথমদিকে,

সিনেটরদের কাছে প্রশ্ন জিজ্ঞাসার সুযোগ থাকবে। তাদের ১৬ ঘন্টা সময় দেওয়া হয়েছে।

তারপরে নতুন সাক্ষী এবং প্রমাণের মূল ইস্যুতে মনোযোগ আবার ফিরে আসবে।

ভারপ্রাপ্ত চিফ অফ স্টাফ মিক মুলভনেয় এবং প্রাক্তন জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা

জন বোল্টন সহ মিঃ ট্রাম্পের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা

হোয়াইট হাউসের সহযোগীদের কাছ থেকে ডেমোক্র্যাটরা শুনতে চান।

তবে বেশিরভাগ রিপাবলিকান এই ঘটনা ঘটাতে নারাজ।

গতকাল মঙ্গলবার ডেমোক্র্যাটরা কীভাবে অবরুদ্ধ ছিল?
৫৩-৪৭-এর দলীয়-ভোটের মাধ্যমে সিনেট অভিশংসনের বিচারে দলিল ও প্রমাণ পেতে তিনটি গণতান্ত্রিক বিড প্রত্যাখ্যান করেছিল।
সিনেটররা ডেমোক্র্যাটিক নেতা চক শিউমার থেকে ইউক্রেনের সাথে 
মিঃ ট্রাম্পের চুক্তি সম্পর্কিত হোয়াইট হাউজের ফাইল উপস্থাপনের প্রস্তাব বাতিল করেছিলেন।
তারা রাজ্য বিভাগ এবং হোয়াইট হাউসের বাজেট অফিসের রেকর্ড এবং 
নথিপত্রের সাব-পোনার দাবিতে ফলো-আপ গতিও প্রত্যাখ্যান করেছিল।
রিপাবলিকান সিনেটররা ডেমোক্র্যাটস কর্তৃক মিঃ বোল্টনকে সাবপনিষ্ট করার প্রয়াসকেও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, 
যিনি বলেছিলেন যে তিনি এই জাতীয় কোনও আদেশ মেনে চলবেন।

অভিশংসনের মামলার নেতৃত্বাধীন হাউস ডেমোক্র্যাট, অ্যাডাম শিফ তার উদ্বোধনী বিবৃতিতে বলেছিলেন, 
বেশিরভাগ আমেরিকান "বিশ্বাস করেন না যে সেখানে সুষ্ঠু বিচার হবে"।
তিনি আরও যোগ করেন, "তারা বিশ্বাস করে না সিনেট নিরপেক্ষ হবে।"
"তারা বিশ্বাস করে যে ফলাফলটি প্রাক রান্না করা হয়েছে।"
রাষ্ট্রপতির আইনী দল এর আগে এই মামলাটিকে "সংবিধানের একটি বিপজ্জনক বিকৃতি"
আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে খালাস পাওয়ার দাবি করেছিল।
তিক্ত তর্ক চলাকালীন এক পর্যায়ে বিচারপতি রবার্টস হাউস প্রসিকিউটর এবং
ট্রাম্প আইনজীবি উভয়কেই অনুরোধ করেছিলেন এবং তাদের মনে রাখতে বলেন যে তারা
"বিশ্বের বৃহত্তম ইচ্ছাকৃত সংস্থাকে সম্বোধন করছেন"।
কীভাবে মিচ ম্যাককনেল চাপে এসেছিলেন?
রাষ্ট্রপতির আইনজীবীদের সমর্থিত,
সিনেটের মেজরিটি লিডার মিচ ম্যাককনেল শুরুতে তিন দিন থেকে
দু`দিনের মধ্যে এই উদ্বোধনী যুক্তি ত্যাগ করার পরিকল্পনা করেছিলেন।
ডেমোক্র্যাটরা বলেছিলেন যে এটি কোনও কভার-আপের চেয়ে কম ছিল না।
তবে কিছু রিপাবলিকান সহ সিনেটরদের সাথে বৈঠকের পরে মিঃ ম্যাককনেল
গতকাল মঙ্গলবার তিন দিনের মধ্যে যুক্তি খোলার বিষয়ে একমত হয়েছেন।
সিনেটররা মধ্যরাতের মধ্যরাতটি মার্কিন ভোটারদের দিকে কীভাবে দেখবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।
প্রেসিডেন্টের প্রধান আইনজীবী হোয়াইট হাউস কাউন্সেল প্যাট সিপলোন বলেছেন:
"এটি একটি সুষ্ঠু প্রক্রিয়া। একেবারেই কোনও মামলা নেই।"
পদ্ধতিগত জটলা আরও কয়েক দিন আশা করা হয়।
চার্জ কি?
প্রথমে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে নভেম্বরে নিজেকে পুনরায় নির্বাচিত করতে 
সহায়তা করার জন্য ইউক্রেনের সরকারের কাছে সাহায্য চাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
দাবি করা হয় যে, ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রপতি ভোলডিমির জেলেনস্কির সাথে 
এক সাক্ষাতের সময় তিনি ডেমোক্র্যাটিক হোয়াইট হাউসের প্রার্থী জো বিডেন,
যার পুত্র হান্টার একটি ইউক্রেনীয় শক্তি সংস্থার বোর্ডের পদে ছিলেন,
তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিরোধী তদন্তের জন্য তিনি সামরিক সহায়তা ফিরিয়েছিলেন।
দ্বিতীয় অভিযোগটি হ`ল, গতবছর অভিশংসনের শুনানিতে হোয়াইট হাউসের 
কর্মীদের সাক্ষ্য দেওয়ার অনুমতি প্রত্যাখ্যান করে মিঃ ট্রাম্প কংগ্রেসকে বাধা দিয়েছেন।
১৮ ডিসেম্বর ডেমোক্র্যাটিক-নেতৃত্বাধীন হাউজ মিঃ ট্রাম্পকে অভিশংসনের 
পক্ষে ভোট দেওয়ার পরে সিনেট এই মামলার শুনানি করছে।

 

দাভোসে যাচ্ছেন ইমরান খান, বসবেন ট্রাম্পের সঙ্গে
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিতে আজ

আজ মঙ্গলবার সকালে সুইজারল্যান্ডের দাভোসের উদ্দেশে পাকিস্তান ছেড়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

 এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও দাভোসে পৌঁছে গেছেন।

ইমরান খান ও ট্রাম্প— দুই নেতাই এই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন।

ট্রাম্প এমন এক সময়ে এই সম্মেলনে অংশ নিতে যাচ্ছেন,

যখন ওয়াশিংটনে তার বিরুদ্ধে অভিশংসনের বিচার উচ্চগতিতে এগিয়ে চলছে।

এই সম্মেলনের ফাঁকে আলাদাভাবে ইরাকের প্রেসিডেন্ট ও

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে ট্রাম্পের।

দাভোসে ইমরান খানের সফরসঙ্গী হয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরাইশি,

বাণিজ্য উপদেষ্টা আবদুল রাজ্জাক দাউদ, নিরাপত্তা বিষয়ক বিশেষ সহকারী মুঈদ ইউসুফ।

তবে ইমরান খান ছাড়াও সুইস কনফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট সিমোনেত্তা সোম্মারুগা

ও কুর্দিশ নেতা নেচিরভান বারজানির সঙ্গেও ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

চলতি বছরের দাভোস কনফারেন্সে জলবায়ু জরুরি অবস্থা ও

সামাজিক বৈষম্যের বিষয়টিতে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে বলে খবরে জানা গেছে।


   Page 1 of 334
     আন্তর্জাতিক
বার্থ ট্যুরিজম: যুক্তরাষ্ট্র গর্ভবতী ভিসা আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাই
.............................................................................................
নিখোঁজ ২০ হাজার তামিল মারা গেছে, স্বীকার শ্রীলঙ্কা
.............................................................................................
রোহিঙ্গা হত্যা বন্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশ
.............................................................................................
ইরানি কুদস ফোর্সের নতুন কমান্ডারকেও হত্যার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
.............................................................................................
অং সান সু চিকে দ্য হেগের আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে নিয়ে গেছেন যে ব্যক্তি
.............................................................................................
মেক্সিকো: যে দেশে প্রতিদিন ৯৫জন হত্যার শিকার হচ্ছে
.............................................................................................
দমকলের বিমান দুর্ঘটনায় নিহত মার্কিন ক্রু
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ায় দমকল বাহিনীর বিমান বিধ্বস্ত ,নিহত-৩
.............................................................................................
ইমপিচমেন্ট : ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পের বিচারে সাক্ষীর বদল প্রত্যাখ্যান করেছেন
.............................................................................................
পারমাণবিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত ইরানের
.............................................................................................
মুসলিম নিধন-যজ্ঞ চালিয়েছে উত্তর প্রদেশের পুলিশ
.............................................................................................
জামাল খাসোগজি হত্যা : যুবরাজ বিন সালমানের বিরুদ্ধে আমাজন বস জেফ বেজোসের ফোন হ্যাকে জড়িত থাকার অভিযোগ
.............................................................................................
নাগরিকত্ব আইনে স্থগিতাদেশ দিতে রাজি হল না ভারতের সুপ্রিম কোর্ট
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ায় আগুন : ম্যালকম টার্নবুল স্কট মরিসনকে `বিভ্রান্তিমূলক` জাতি বলে অভিযোগ
.............................................................................................
ট্রাম্পের অভিশংসন : বিচারের প্রথম দিন দীর্ঘ বিতর্কের পরে সিনেট নিয়মকানুন
.............................................................................................
দাভোসে যাচ্ছেন ইমরান খান, বসবেন ট্রাম্পের সঙ্গে
.............................................................................................
ভারত থেকে পেঁয়াজ আনার সুযোগ নেই : বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকশো অভিবাসী মেক্সিকো পৌঁছানোর জন্য নদী পার হয়
.............................................................................................
শ্রীলঙ্কা গৃহযুদ্ধ : নিখোঁজ হাজার হাজার মানুষ মারা গেছে-রাজাপাকস
.............................................................................................
ট্রাম্প অভিশংসন : সিনেটের বিচার সম্পর্কে আপনার যা জানা দরকার
.............................................................................................
ইরানের পক্ষে ট্রাম্পকে ‘নিন্দা’ জার্মানির
.............................................................................................
১৯৮৮ সালে চট্টগ্রামের লালদীঘিতে শেখ হাসিনার গাড়িবহরে নির্বিচার গুলি চালানোর মামলায় ৫ পুলিশের ফাঁসির আদেশ
.............................................................................................
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর দাড়ি এবং দাড়ি নিয়ে যত রাজনীতি
.............................................................................................
ভারতে হিন্দু রীতিতে বিয়ে হলো মসজিদের ভেতরে
.............................................................................................
হ্যারি এবং মেঘান: পিছু হটানো ছাড়া আর কোনও বিকল্প নেই, ডিউক বলেছেন
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ায় আগুন : ঝড়ের ক্ষতি হয়েছে তবে বুশফায়ার `শেষ থেকে অনেক দূরে`
.............................................................................................
২০০০ ধনীর হাতে বিশ্বের ৪৬০ কোটির বেশি গরিবের সম্পদ
.............................................................................................
চীনা প্রেসিডেন্টের নামের অশালীন অনুবাদে ফেসবুকের দুঃখ প্রকাশ
.............................................................................................
ইমপিচমেন্টের অভিযোগকে `নির্লজ্জ ও বেআইনি` বলছে ট্রাম্পের আইনজীবী দল
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে মদ নিষিদ্ধ করার একশো বছর : যেভাবেই এই উদ্যোগ বিফল হয়েছিল
.............................................................................................
চীনের অর্থনীতিতে তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে ধীরগতি
.............................................................................................
জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস নেতা আটক, নিতে হলো ট্রাকে
.............................................................................................
কাশ্মীর সংকট: পাঁচ মাস পরে পুনরায় মোবাইল সেবা চালু
.............................................................................................
ব্র্যাকসিত : প্রবিধানের বিষয়ে ইইউর সাথে `কোনও প্রান্তিককরণ নয়`, জাভিদ ব্যবসাকে বলেছেন
.............................................................................................
দাবানলে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়ায় এবার ভারি বর্ষণ
.............................................................................................
`আমরা যত দুঃখ পেয়েছি শত্রুরা ততটাই খুশি হয়েছে`, বললেন আয়াতোল্লাহ খামেনি
.............................................................................................
যুদ্ধ এড়াতে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে সংলাপে আগ্রহ রুহানির
.............................................................................................
চীনের প্রথম নারী ট্রাক্টর চালক ও আইকন মারা গেছেন
.............................................................................................
পুতিনের ক্ষমতা অব্যাহত রাখার জন্যই কি রাশিয়ায় সংবিধান পরিবর্তন?
.............................................................................................
চীনা জেলেরা সাগর থেকে এত স্পাই সাবমেরিন ধরছে কেন?
.............................................................................................
ইরান আমেরিকা : ইরানের ভেতরে বিরোধী দলগুলো কতটা শক্তিশালী?
.............................................................................................
পাঁচটি জিনিস যা ইউএস-চীন চুক্তিতে নেই ... এবং কেন
.............................................................................................
জিউলিয়ানির সহযোগী দাবি করেছেন, ট্রাম্প `ঠিক কীভাবে চলছিল তা জানতেন`
.............................................................................................
লস অ্যাঞ্জেলেস বিমানবন্দরের নিকটবর্তী স্কুলগুলিতে বিমানটি জ্বালানী ফেলেছে
.............................................................................................
গণতান্ত্রিক বিতর্ক: বার্নি স্যান্ডার্স এবং এলিজাবেথ ওয়ারেন দ্বন্দ্বের জের ধরে
.............................................................................................
রোহিঙ্গা নির্যাতন : গাম্বিয়ার মামলার আদেশ ২৩ জানুয়ারি
.............................................................................................
৩০শে জানুয়ারিতেই ঢাকা সিটি নির্বাচন, হাইকোর্টে পেছানোর আবেদন খারিজ
.............................................................................................
ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যে বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন প্রয়োগ শুরু
.............................................................................................
 কুইন হ্যারি এবং মেঘানের নতুন ভূমিকায় `রূপান্তর` করতে সম্মত হন
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ায় আগুন : বিশ্বজুড়ে `পূর্ণ সার্কিট` তৈরি করতে ধোঁয়াশা, নাসা বলেছেন
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি