| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > ইবি ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি   > ‘ভোটে বিচ্যুতি হলে সরকার হটানোর আন্দোলন’   > পর্দা নয় এবার বাস্তবে বাংলাদেশি ‘ভাইজান’কে দেখল ভারতবাসী!   > সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে : প্রধানমন্ত্রী   > মেডিকেল শিক্ষার্থীর দায়বদ্ধতা রয়েছে জনগণের কাছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী   > হেলিকপ্টার থেকে প্রধানমন্ত্রীর মোবাইলে পদ্মা সেতুর ছবি   > পাকিস্তানের জয়ের পর শোয়েব মালিকের টুইটবার্তা   > সীমান্ত হত্যা: বিএসএফের `গরু পাচার` যুক্তি মানছে না বিজিবি   > ১৩ অভিজাত ক্লাবে জুয়ার বিষয়ে রায় আগামী ২৮ জানুয়ারি   > মুজিববর্ষে বিএসএমএমইউতে বিনামূল্যে চিকিৎসা  

   জাতীয় -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রাষ্ট্রক্ষমতায় তার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে।

জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানোর লক্ষ্যে সরকারের প্রয়াসে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে তিনি দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শেখ হাসিনা আজ শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) বিকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় দলের কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটি

এবং উপদেষ্টা কাউন্সিলের যৌথ সভায় বক্তৃতাকালে একথা বলেন।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয়লাভের পর থেকে একটানা তিন মেয়াদের জন্য সরকার ক্ষমতায় রয়েছে।

আমাদের সরকারের ধারাবাহিকতার ফলে দেশের উন্নয়ন দৃশ্যমান হচ্ছে এবং জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটছে।

দলের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে জাতির জনকের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

ইনশাল্লাহ, আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে পারব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল এবং পল্লী এলাকায় বসবাসকারী জনগণ যেন আমাদের সকল অর্জনের সুফল পায় সেই লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তন করা। আমরা এই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছি এবং এই কাজ অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, আমরা উচ্চ প্রবৃদ্ধি হার অর্জন করেছি এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে আমরা ভালো অবস্থানে রয়েছি।

আমরা সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রাখব।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার জাতীয় পর্যায়ে মুজিব বর্ষ উদযাপনের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

পাশাপাশি অন্যান্য সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানও ভাবগম্ভীর পরিবেশে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন করবে।

আমরা ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত মুজিব বর্ষ উদযাপন করব

এবং এরইমধ্যে ক্ষণগণনা শুরু করেছি। আমরা ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করব।

১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যা করে তার নাম একেবারে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,

কিন্তু এখন আর কেউ তার নাম মুছতে পারবে না, কারণ তিনি সংগ্রাম করেছিলেন এবং সারাজীবন দেশের মানুষের জন্য কষ্ট সহ্য করেছিলেন।

তার ২৪ বছরের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে এবং জাতির পিতার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় অর্জিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন দেশকে স্বাধীন করেছিলেন তখন ৮২ শতাংশের বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করত।

আওয়ামী লীগ সরকার দারিদ্র্য হারকে ২০ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।

এটা সম্ভব হয়েছে যেহেতু আমরা জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণ করছি।

এর আগে দুপুরে প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি

এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

তারা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধি সৌধে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান।

প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা প্রথমে জাতির পিতার সমাধি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার এই মহান স্থপতির প্রতি সম্মান জানাতে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

পরে, শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে দলের পক্ষ

থেকে সমাধি সৌধের বেদিতে আরেকটি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

তারা সেখানে ফাতেহা পাঠ করেন এবং বঙ্গবন্ধুর আত্মার শান্তি কামনা করে অনুষ্ঠিত বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

সেখানে অনুষ্ঠিত একটি মিলাদেও তারা অংশ নেন। মোনাজাতে দেশ ও জাতির অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি এবং

অগ্রগতি কামনার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং বিশেষ সহকারীগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, সকাল ১১টায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার পৈত্রিক নিবাস গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া এসে পৌঁছান।

টুঙ্গিপাড়া পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী সরাসরি বঙ্গবঙ্গুর সমাধিসৌধে যান এবং সেখানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং ফাতেহা পাঠ করেন।

উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি

পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর এটাই ছিল টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর।

গত ২০ এবং ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনে শেখ হাসিনা পর পর ৯ম বারের মতো

আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ওবায়দুল কাদের টানা দ্বিতীয় বারের মতো সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সূত্র : বাসস

সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে : প্রধানমন্ত্রী
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রাষ্ট্রক্ষমতায় তার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে।

জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানোর লক্ষ্যে সরকারের প্রয়াসে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে তিনি দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শেখ হাসিনা আজ শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) বিকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় দলের কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটি

এবং উপদেষ্টা কাউন্সিলের যৌথ সভায় বক্তৃতাকালে একথা বলেন।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয়লাভের পর থেকে একটানা তিন মেয়াদের জন্য সরকার ক্ষমতায় রয়েছে।

আমাদের সরকারের ধারাবাহিকতার ফলে দেশের উন্নয়ন দৃশ্যমান হচ্ছে এবং জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটছে।

দলের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে জাতির জনকের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

ইনশাল্লাহ, আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে পারব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল এবং পল্লী এলাকায় বসবাসকারী জনগণ যেন আমাদের সকল অর্জনের সুফল পায় সেই লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তন করা। আমরা এই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছি এবং এই কাজ অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, আমরা উচ্চ প্রবৃদ্ধি হার অর্জন করেছি এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে আমরা ভালো অবস্থানে রয়েছি।

আমরা সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রাখব।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার জাতীয় পর্যায়ে মুজিব বর্ষ উদযাপনের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

পাশাপাশি অন্যান্য সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানও ভাবগম্ভীর পরিবেশে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন করবে।

আমরা ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত মুজিব বর্ষ উদযাপন করব

এবং এরইমধ্যে ক্ষণগণনা শুরু করেছি। আমরা ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করব।

১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যা করে তার নাম একেবারে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,

কিন্তু এখন আর কেউ তার নাম মুছতে পারবে না, কারণ তিনি সংগ্রাম করেছিলেন এবং সারাজীবন দেশের মানুষের জন্য কষ্ট সহ্য করেছিলেন।

তার ২৪ বছরের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে এবং জাতির পিতার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় অর্জিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন দেশকে স্বাধীন করেছিলেন তখন ৮২ শতাংশের বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করত।

আওয়ামী লীগ সরকার দারিদ্র্য হারকে ২০ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।

এটা সম্ভব হয়েছে যেহেতু আমরা জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণ করছি।

এর আগে দুপুরে প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি

এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

তারা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধি সৌধে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান।

প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা প্রথমে জাতির পিতার সমাধি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার এই মহান স্থপতির প্রতি সম্মান জানাতে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

পরে, শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে দলের পক্ষ

থেকে সমাধি সৌধের বেদিতে আরেকটি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

তারা সেখানে ফাতেহা পাঠ করেন এবং বঙ্গবন্ধুর আত্মার শান্তি কামনা করে অনুষ্ঠিত বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

সেখানে অনুষ্ঠিত একটি মিলাদেও তারা অংশ নেন। মোনাজাতে দেশ ও জাতির অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি এবং

অগ্রগতি কামনার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং বিশেষ সহকারীগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, সকাল ১১টায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার পৈত্রিক নিবাস গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া এসে পৌঁছান।

টুঙ্গিপাড়া পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী সরাসরি বঙ্গবঙ্গুর সমাধিসৌধে যান এবং সেখানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং ফাতেহা পাঠ করেন।

উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি

পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর এটাই ছিল টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর।

গত ২০ এবং ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনে শেখ হাসিনা পর পর ৯ম বারের মতো

আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ওবায়দুল কাদের টানা দ্বিতীয় বারের মতো সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সূত্র : বাসস

হেলিকপ্টার থেকে প্রধানমন্ত্রীর মোবাইলে পদ্মা সেতুর ছবি
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : সব প্রতিকূলতাকে জয় করে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ৩ হাজার ৩০০ মিটার আজ দৃশ্যমান।

সেই স্বপ্ন পূরণের অভিযাত্রাকে হেলিকপ্টার থেকে মোবাইল ফোনে ছবি তুলেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 আজ শুক্রবার বিকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকা ফেরার পথে

পদ্মার উপর আকাশ থেকে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ছবি তোলেন সরকারপ্রধান।

দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে

টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ঢাকায় ফিরছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়,

প্রধানমন্ত্রী নিজে হেলিকপ্টারের জানালা দিয়ে মোবাইলে ছবি তুলছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে বেশ হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায়।

জাতির জনকের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হওয়ার পর

নতুন কমিটির সকল কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের

সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে টুঙ্গিপাড়া সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে সাড়ে ১০টার পর শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিশেষ হেলিকপ্টার টুঙ্গিপাড়ায় অবতরণ করে।

এর আগে সকাল ৭টার দিকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বাকি সদস্যরা ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরের মিডিয়া সেন্টারের সামনে থেকে রওনা হন।

তারা সড়ক পথে ৬টি বাসে করে যাত্রা করেন টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে।

বেলা ১১টার পর টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধি কমপ্লেক্সে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগের নতুন কমিটির।

পরে সেখানে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ শেষে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকও হবে সেখানে। 

সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে গোপালগঞ্জে নেয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ সাইদুর রহমান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ও

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

টুঙ্গিপাড়াসহ জেলার সর্বত্র তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।

টুঙ্গিপাড়ায় অবতরণের পর সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়।

পরে তিনি জাতির পিতার সমাধি কমপ্লেক্স ফাতেহা পাঠ শেষে মোনাজাতে অংশ নেন।

বেলা ২টা ২০ মিনিটে সেখান থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।

এসকে

ই-পাসপোর্ট : বাংলাদেশে কোন রঙ এর পাসপোর্ট কাদের জন্য?
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশে গতকাল ২২শে জানুয়ারি থেকে চালু হয়েছে ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট বিতরণ কর্মসূচী।

তবে, ই-পাসপোর্ট চালু হলেও বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য আগের মতই তিন রঙ এর পাসপোর্ট চালু থাকবে।

কোন রঙ এর পাসপোর্ট কাদের জন্য? চলুন জেনে নিই:

পাসপোর্টের তিন রং

বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের হিসেব অনুযায়ী ২০১৯ সালে এপ্রিল মাস পর্যন্ত প্রায় আড়াই কোটি মানুষের পাসপোর্ট রয়েছে।

স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭৩ সালে পূর্ণাঙ্গ রূপে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।

তখন থেকে বাংলাদেশে মূলত তিন রঙ এর পাসপোর্ট চালু আছে,

যা মূলত তিনটি ভিন্ন ধরণ ও ব্যবহার নির্দেশকারী প্রতীক হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে।

বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের একজন পরিচালক মোহাম্মদ আবু সাঈদ বলেছেন,

শুরুতে পাসপোর্ট ছিল তিন রকম, অর্ডিনারি বা সাধারণ পাসপোর্ট,

স্পেশাল বা বিশেষ পাসপোর্ট এবং ডিপ্লোম্যাটিক বা কূটনৈতিক পাসপোর্ট।

বিশেষ পাসপোর্ট কেবল মাত্র ভারতে যাবার জন্য ইস্যু করা হতো বলে সেটি ইন্ডিয়ান পাসপোর্ট নামেও পরিচিত ছিল।

২০১০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশি সাধারণ পাসপোর্টের রং ছিল সবুজ, আর কূটনৈতিক পাসপোর্ট ছিল লাল রং এর।

এছাড়া ইন্ডিয়ান পাসপোর্টের রংও ছিল লাল, তবে সেটি কূটনৈতিক পাসপোর্টের চেয়ে কিছুটা আলাদা রং এর।

২০১০ সালের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের সব পাসপোর্ট হাতে লেখা ছিল।

কিন্তু ২০১০ সালে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন আইকাও এর

নির্দেশনা অনুযায়ী মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বা এমআরপি চালু করা হলে বিশেষ পাসপোর্ট

বা কেবল ভারতে যাওয়ার পাসপোর্ট বিলুপ্ত করা হয়।

কোন পাসপোর্ট কার জন্য?

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাসপোর্টের রং ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিন্তু যে দেশ যে রং এরই পাসপোর্ট দিক না কেন,

সেটা অবশ্যই ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন আইকাও এর কাছ থেকে

পাসপোর্ট এর রং আর নকশার ছাড়পত্র নিতে হয়।

তবে সাধারণভাবে পৃথিবীতে লাল, নীল, সবুজ ও কালো এই চারটি রং এর ভিন্ন ভিন্ন শেড এর হয়।

বাংলাদেশে সাধারণভাবে সকলের জন্য সবুজ রং এর পাসপোর্ট চালু থাকলেও,

দেশে আরো দুটি রং অর্থাৎ নীল এবং লাল পাসপোর্ট চালু রয়েছে।

কাদের জন্য কোন রঙ এর পাসপোর্ট?

সবুজ পাসপোর্ট

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের পরিচালক মিঃ সাঈদ বলেছেন,

সবুজ পাসপোর্টকে বলা হয় অর্ডিনারি পাসপোর্ট।

"এই পাসপোর্ট হচ্ছে বাংলাদেশের সকল সাধারণ নাগরিক এবং সরকারি চাকরিজীবীর জন্য।

এক্ষেত্রে জন্মসূত্রে এবং বৈবাহিক উভয় সূত্রে বাংলাদেশের সব নাগরিকের জন্য এই সবুজ পাসপোর্ট।"

সবুজ পাসপোর্টে বিদেশে গমনের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসার প্রয়োজন হয়।

নীল পাসপোর্ট

নীল রং এর পাসপোর্টকে বলা হয় অফিসিয়াল পাসপোর্ট।

সরকারি কাজে কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে হলে এই অফিসিয়াল পাসপোর্ট ব্যবহার করা হয়।

এই পাসপোর্ট করার জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিসের অনুমোদন বা গভর্নমেন্ট অর্ডার (জিও) প্রয়োজন হয়।

এই নীল পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা অন্তত ২৭টি দেশে বিনা ভিসায় ভ্রমণ করতে পারবেন।

মিঃ সাঈদ বলেছেন, "২০১০ সালের আগে এই নীল পাসপোর্ট ছিল না,

ওই বছর পর্যন্ত সবুজ পাসপোর্টের মধ্যেই হাতে লিখে সরকারি অনুমোদন দেয়া হতো।"

তবে, সরকারি কাজ ছাড়া সরকারি চাকরিজীবীরা যদি বিদেশ গমন করতে চান তাহলে তারা নীল পাসপোর্ট ব্যবহার করতে পারবেন না।

লাল পাসপোর্ট

লাল পাসপোর্টকে বলা হয় ডিপ্লোম্যাটিক বা কূটনৈতিক পাসপোর্ট।

এই পাসপোর্ট পাবেন রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীসভার সদস্যগণ, সংসদ সদস্য এবং তাদের স্পাউস অর্থাৎ স্বামী বা স্ত্রী।

সেই সঙ্গে উচ্চতর আদালতের বিচারপতিগণ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ,

পাবলিক সার্ভিস কমিশনের প্রধান, মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ এবং বিদেশে বাংলাদেশি মিশনের কর্মকর্তারা লাল পাসপোর্ট পান।

লাল পাসপোর্ট যাদের আছে, তাদের বিদেশ ভ্রমণের জন্য কোন ভিসা প্রয়োজন হয় না।

তারা সংশ্লিষ্ট দেশে অবতরণের পর অন-অ্যারাইভাল ভিসা পান।

ডিপ্লোম্যাটিক বা কূটনৈতিক পাসপোর্ট সব দেশেই লাল রং এর হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের সাধারণ পাসপোর্ট সবুজ কেন?

বাংলাদেশের সাধারণ পাসপোর্টের রং সবুজ কেন, এই প্রশ্নের কয়েক রকম উত্তরের কথা জানা যায়।

কোন একটি কারণ এখানে প্রতিষ্ঠিত নয় এক্ষেত্রে।

একটি প্রচলিত ধারণা হচ্ছে অধিকাংশ মুসলিম দেশের পাসপোর্টের রং সবুজ থাকে, এই কারণে বাংলাদেশের পাসপোর্টের রংও সবুজ।

আরেকটি প্রচলিত ধারণা হচ্ছে, বাংলাদেশের পতাকার রং এর সঙ্গে মিলিয়ে আইকাও এর তালিকা থেকে সবুজ রং বেছে নেয়া হয়েছে।

তবে, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, এই রং এর মাধ্যমে পাসপোর্টের সক্ষমতা বোঝায় না।

পাসপোর্টের আকার

পৃথিবীর সব দেশের পাসপোর্টের মাপ একই হয়। আর এই মাপটি নির্ধারিত হয় আইকাও এর বেধে দেয়া নিয়ম অনুসারে।

আইকাও নির্দেশনা অনুযায়ী এর মাপ নির্ধারণের কয়েকটি কারণ রয়েছে।

যেমন: আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে আলাদা মাপের পাসপোর্ট নিরীক্ষা করার জন্য

এয়াপোর্টে ভিন্ন আকৃতির মেশিন প্রয়োজন হবে ,যা স্থাপন করা জটিল এবং

সেটি নিয়ন্ত্রণও করাও ব্যয় সাপেক্ষ ও দুরূহ। যে কারণে এই ব্যবস্থা।

ই-পাসপোর্ট করার আগে জেনে নিন
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ● বাংলাদেশে ‘ই-পাসপোর্ট বাস্তবায়ন ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্পটির ব্যয় ধরা ৪ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা।

● জার্মানির ভেরিডোস জিএমবিএইচ কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি তিন হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা।

● কাস্টম ডিউটি, ভ্যাট ও এআইটি এক হাজার ২৪ কোটি টাকা।

● প্রকল্পের অন্যান্য খরচ ২০৭ কোটি টাকা।

● ভেরিডোস জিএমবিএইচ কোম্পানি তিন কোটি ই-পাসপোর্ট বুকলেট সরবরাহ করবে।

● সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক ১০ বছরের জন্য রক্ষণাবেক্ষণও করবে ভেরিডোস।

● ঢাকায় নতুন স্বয়ংসম্পূর্ণ ডাটা সেন্টার, ডিজাস্টার রিকভারি সেন্টার এবং অত্যাধুনিক পার্সোনালাইজেশন সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে।

● দিনে পাসপোর্ট প্রিন্ট প্রায় ২৫ হাজার।

● মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) প্রথম দুই পাতায় পাসপোর্টধারীর তথ্য থাকলেও

ই-পাসপোর্টের দ্বিতীয় পাতাটি থাকবে পালিমারের তৈরি কার্ডের মতো (এটিএম কার্ড-সদৃশ)।

● কার্ডে পাসপোর্ট বাহকের নাম, ঠিকানা, জন্ম তারিখসহ নানা মৌলিক তথ্য থাকবে। 

সেই কার্ডের ভেতরে একটি মাইক্রো চিপ থাকবে। যেখানে পাসপোর্ট বাহকের সব গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল তথ্য ও ডাটাবেজ সংরক্ষিত (কিন্তু অদৃশ্যমান) থাকবে।

● ডাটাবেজে থাকবে পাসপোর্টধারীর তিন ধরনের ছবি, ১০ আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ।

● দেশের ৭২টি পাসপোর্ট অফিস, বিদেশে ৮০টি মিশন, ৭২টি এসবি-ডিএসবি অফিস,

২২টি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টসহ সব অফিসে সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক স্থাপন। 

● ই-পাসপোর্টের মাধ্যমে একজন বিদেশগামী কারও সাহায্য ছাড়া নিজেই নিজের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন।

প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এক মিনিটেরও কম সময়ে।

● পৃথিবীতে এর চেয়ে নিরাপদ ও অত্যাধুনিক পাসপোর্ট এখন পর্যন্ত উদ্ভাবন হয়নি।

● বিশ্বের ১১৮টি দেশে এই পাসপোর্টের ব্যবহার রয়েছে।

● প্রথম পর্যায়ে দেয়া হবে ২০ লাখ পাসপোর্ট।

● ই-পাসপোর্ট জাল করা সম্ভব নয়।

● ২৩ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে ঢাকা শহরের বাসিন্দারা ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

● বাংলাদেশে দুই ধরনের ই-পাসপোর্ট দেয়া হবে। একটি ৪৮ পাতার, অন্যটি ৬৪ পাতার।

সাধারণ, জরুরি ও অতি জরুরির জন্য তিন ধরনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

● ৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ পাসপোর্টের ফি ৩৫০০ টাকা, জরুরি পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা এবং

অতি জরুরি সাড়ে সাত হাজার টাকা ফি দিতে হবে। ৪৮ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদের ক্ষেত্রে সাধারণ, জরুরি ও অতি জরুরি ফি যথাক্রমে ৫ হাজার, ৭ হাজার ও ৯ হাজার টাকা।

● ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ পাসপোর্টের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা, জরুরি ৭ হাজার ৫০০ এবং

অতি জরুরি বাবদ ১০ হাজার ৫০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬৪ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদের ক্ষেত্রে সাধারণ,

জরুরি ও অতি জরুরি ফি যথাক্রমে ৭ হাজার, নয় হাজার ও ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজ স্বর্ণদ্বীপ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : সেনাবাহিনীর শীতকালীন মহড়ায় যোগ দিতে নোয়াখালীর স্বর্ণদ্বীপে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে স্বর্ণদ্বীপে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার।

স্বর্ণদ্বীপে সরকার প্রধান বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দেবেন। সেখানে সেনাবাহিনীর যুদ্ধকালীন মহড়া হবে।

মহড়া শেষে স্বর্ণদ্বীপের ময়নামতি ক্যাম্পে সেনা সদস্যদের নিয়ে দরবারে মিলিত হবেন তিনি।

তার আগমনকে কেন্দ্র করে নেয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা।

সমতার ভিত্তিতে সুবিচার নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর : শেখ হাসিনা
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ।

জনগণের জানমালের নিরাপত্তার জন্য সরকার আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করছে।

তিনি বলেন, শোষণ-বঞ্চনামুক্ত ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করে আইনের শাসন,

মানবাধিকার ও সুবিচার সুনিশ্চিত করা আমাদের সরকারের মূল লক্ষ্য।

একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও আধুনিক বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে মাহফুজুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা এসব কথা বলেন।

এর আগে বিকাল সোয়া ৪টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে দিনের কার্যসূচি শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের মাঝে এই উপলব্ধি তৈরি করছে, আইনের চোখে সব নাগরিক সমান।

কোনো অপরাধীই অপরাধ করে পার পাবে না। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে ৭৫ পরবর্তী সময়ে এ দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে মর্মান্তিক ও কলঙ্কিত দিন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় যে সব খুনি বিভিন্ন দেশে পালিয়ে আছে বা আশ্রয় গ্রহণ করেছে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার সব প্রচেষ্টা অব্যাহত।

আইনশৃঙ্খলায় সরকারের সাফল্য তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান সাফল্য হল- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করা।

বর্তমান সময়ে মাদক সমস্যা সমাজের একটি বিষফোঁড়া। সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

মাদক সংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। মাদকের মামলার বিচার দ্রুত শেষ করার জন্য আমরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ প্রণয়ন করেছি।

সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতেও বর্তমানে নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

সংসদ নেতা বলেন, সরকার নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত অপরাধ বিচারের লক্ষ্যে ৯৫টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব–্যনাল গঠন করা হয়েছে,

নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধসমূহের বিচার দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে। এর প্রমাণ চাঞ্চল্যকর ফেনীর নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলা।

মাত্র ৬২ কার্যদিবসে এ মামলার বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইনের শাসন নিশ্চিতকল্পে বিচার কাজে গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারকের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।

এর ধারাবাহিকতায় বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের ২০১৪ থেকে ২০১৮ মেয়াদে

বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে ৬ জন ও হাইকোর্ট বিভাগে ৩৭ জন বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

অধস্তন আদালতে ৬৭১ জন সহকারী জজ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ১০০ জন সহকারী জজ নিয়োগের কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহারে যেমন বহুমাত্রিক অপরাধ বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি প্রযুক্তি ব্যবহার করেই অপরাধীদেরকে আইনের জালে ধরে ফেলা হচ্ছে।

সরকার বিচারপ্রার্থী জনগণের ভোগান্তি লাঘবে সঠিক বিচারের নিশ্চয়তা প্রদান করে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবার জন্য সমতার ভিত্তিতে সুবিচার নিশ্চিত করা এবং

বিচার ব্যবস্থায় দৃশ্যমান উন্নয়ন সাধন করে সমাজের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আমাদের সরকার বদ্ধপরিকর।

বাউল গানের বিশ্ব ঐতিহ্য যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় : হাসানুল হক ইনুর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেন,

বাউল গানের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এমন কোনো কাজ করবেন না, যা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। আজকে বাউল গান বিশ্ব ঐতিহ্যে স্থান পেয়েছে।

যদি কেউ অপরাধ করে থাকে সেটা আমরা দেখব। তিনি বলেন, বাউল গানকে বিশ্ব ঐতিহ্যে স্থান করতে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি, সেটা আমরা অর্জন করেছি।

বাউল গানের তো কোনো দোষ নেই। কিন্তু বাউল গান যারা করে বা ব্যক্তিবিশেষ সে যদি কোনো অপরাধে সম্পৃক্ত হয়,

তাহলে আইন তার আপন গতিতে চলবে। আইনে যে ব্যবস্থা নেয়ার সেটা নেবে। এটার সঙ্গে গানের সম্পৃক্ততা নেই।

প্রশ্নকারীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনি কি নিশ্চয়তা দিতে পারবেন যারা বাউল গান গাচ্ছেন তারা অপরাধের ঊর্ধ্বে, কোনো অপরাধ করেন না।

এটা তো ঠিক না। কে কী করছেন সেটার হিসাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। কাজেই বিষয়টার সঙ্গে ঐতিহ্যের কোনো সম্পর্ক নেই।

বরং বলব এরা এমন কোনো কাজ যেন না করে, আজকে যে বাউল গান বিশ্ব ঐতিহ্যে স্থান পেয়েছে সেটা যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়।

সংসদ নেতা বলেন, এখনও কেউ যদি কিছু করে থাকে, অপরাধ যদি করে আমরা দেখব, যথাযথ ব্যবস্থা নেব।

অহেতুক কারও চুলকাটা বা গানে প্রতিবন্ধকতা করা এটা মোটেই গ্রহণযোগ্য না।

তিনি বলেন, কুষ্টিয়ায় বাউলের ওই জায়গার উন্নয়ন আওয়ামী লীগ সরকারই করে দিয়েছে। সেখানেও বাধা পেয়েছি।

প্রথমবার করতে গেলাম, তখন অনেকেই বাধা দিয়েছে। ঝুপড়ি, টুপড়ি করে তারা ওভাবেই থাকবে।

পরে সুন্দর করে ঘর করে দেয়া হয়েছে বাউল গানের ঐতিহ্য রক্ষা করার জন্য। সে কারণে তো বাউল গান বিশ্ব ঐতিহ্যে স্থান পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংবিধান লঙ্ঘন করে যখনই সামরিক সরকাররা ক্ষমতায় আসে তখন ঘোষণা দেয় আজ থেকে আমি রাষ্ট্রপতি হলাম।

হলাম বলেই কাজ শুরু হয়ে যায়। পরিষ্কার করা শুরু হয়ে যায়। কেটে কুটে ছাপ করে,

কেউ সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছে পরে দেখা যাচ্ছে সবচেয়ে দামি গাড়ি নিয়ে চলছে।

কেউ টি-শার্ট পরে নেমে গেল পরে দেখা যায় প্যারিস থেকে স্যুটকোট নিয়ে আসছে। এগুলো তো দেখেছি। এগুলো বেশি দিন থাকে না, ৬ মাস।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন,

সরকারি ও বেসরকারিভাবে সমবায়ের মাধ্যমে কৃষকের পণ্য উৎপাদন, বিক্রি ও বাজারজাত করার পদক্ষেপ বিদ্যমান রয়েছে।

যাতে কৃষকরা অধিক লাভবান হবে। পুরনো সমবায় আইনকে যুগোপযোগী করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান,

আমাদের সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। দুর্নীতির মামলাসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা,

গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের দুর্নীতির মামলাসহ অন্যান্য চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির মামলাসমূহ নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

মমতা হেনা লাভলীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।

জলবায়ু ঝুঁকি ইনডেক্সে বাংলাদেশ ৬ষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়,

জলোচ্ছ্বাস ও অনাবৃষ্টিসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষের জীবন-জীবিকা বিপন্ন হচ্ছে।

দেশজ উৎপাদন উৎপাদনশীলতা ব্যাহত হচ্ছে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রুনাইর হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ : ঢাকায় নবনিযুক্ত ব্রুনাইর হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওথমান

গতকাল বুধবার বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় হাইকমিশনার তাদের কৃষি খাতের সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি বলেন, আপনারা কৃষি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছেন।

কাজেই আমাদের কৃষি খাতের বিশেষ করে হ্যাচারি (কৃত্রিম মৎস্যপোনা উৎপাদন) খাতের সম্প্রসারণে আমরা আপনার সহায়তা চাই।

এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ খাদ্যশস্য এবং সবজি উৎপাদনের সাফল্য নিয়ে ব্রুনাইর সঙ্গে নিজস্ব অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পারে।

তিনি বাংলাদেশে গড়ে ওঠা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোয় খাদ্য এবং কৃষি প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে বিনিয়োগ করতে ব্রুনাইর প্রতি আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা নবনিযুক্ত হাইকমিশনারকে স্বাগত জানান এবং তার দায়িত্ব পালনকালে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বসানো হলো পদ্মাসেতুর ২২তম স্প্যান
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : বসানো হলো পদ্মাসেতুর ২২তম স্প্যানএর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান সেতুর ৩ হাজার ৩শমিটার

আজ বৃহস্পতিবার ১১ টা ৩২ মিনিটে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই স্প্যান বসানোর কাজ শেষ হয়

সেতুর মাওয়া প্রান্তের ৫ ও ৬ নম্বর পিয়ারের উপর বসানো হলো এই ২২তম স্প্যান

 আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ৯টার দিকে ইয়ার্ড থেকে রওনা হওয়ার জন্য পজিশনিং করার মধ্য এই স্প্যান বসানোর প্রক্রিয়ার শুরু হয়।

পরে ভাসমান ক্রেনবাহী জাহাজ এটি নিয়ে খুঁটির কাছে পৌছায়। ইয়ার্ড থেকে এই খুঁটির দূরত্ব ছিল হওয়ায় অল্প সময়েই স্প্যানটি বসানো সম্ভব হলো।

এ মাসে আরও একটি স্প্যান বসার কথা রয়েছে।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের জানান,

আগামী ২৫ জানুয়ারি চাইনিজ নিউ ইয়ার থাকায় নির্ধারিত সময়ের দু’দিন আগেই এটি খুঁটিতে তোলা হলো।

আবহাওয়াসহ সবকিছু অনুকুলে থাকায় বৃহস্পতিবারই স্প্যানটি খুটিতে বসানো হলো।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার এই সেতুতে থাকবে মোট ৪২টি পিয়ার। এর মধ্যে ৩৬টি পিয়ার সম্পন্ন হয়েছে।

সেতুতে মোট ৪১টি স্প্যান বসবে। যার ২১টি বসে গেছে। আগামী জুলাইয়ে সব স্প্যান বসে যাওয়ার কথা রয়েছে।

মূল সেতু নির্মাণ করছে চীনের চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন।

নদীশাসনের কাজে নিয়োগ করা হয়েছে চীনের সিনোহাইড্রো করপোরেশনকে।

দুটি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড।

এই সেতুর নির্মাণ কাজ তদারক করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বুয়েট ও কোরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে করপোরেশন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস।

এই সেতু নির্মাণের ফলে দেশের বাণিজ্য, উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জিডিপি দেড় থেকে দুই শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

পদ্মা বহুমুখী মূল সেতুর ৮৫ দশমিক ৫ শতাংশ নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফাস্ট ট্র্যাক মনিটরিং কমিটি।

এছাড়া এই প্রকল্পের পুরো কাজের ৭৬ দশমিক ৫০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।

গত রবিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ফাস্ট ট্র্যাক মনিটরিং কমিটির পঞ্চম সভায় এই তথ্য জানানো হয়।

পদ্মা বহুমুখী প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরে সভায় জানানো হয়,

পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় জাজিরা প্রান্তে এপ্রোচ রোডের কাজ-৯১ শতাংশ,

মাওয়া প্রান্তে এপ্রোচ রোডের কাজ ১০০ শতাংশ, সার্ভিস এরিয়া (২)-১০০ শতাংশ,

মূল সেতু নির্মাণ কাজ ৮৫.৫০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে এবং নদী শাসনের কাজ ৬৬ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭৬.৫০শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।

ই-পাসপোর্ট ‘মুজিববর্ষের’ উপহার : প্রধানমন্ত্রী
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ই-পাসপোর্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষের’ উপহার।

এর মাধ্যমে বাংলাদেশ আরো একধাপ এগিয়ে গেল।

দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশেই প্রথম ই-পাসপোর্ট চালু করতে সক্ষম হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার (২২ জানুয়ারি) সকালে

ইলেকট্রনিকস পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনারও উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে পূর্ণাঙ্গ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

তখন হাতে লিখে পাসপোর্ট দেয়া হত। ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে আগামী ১০ বছরের জন্য আমরা এখন ই-পাসপোর্ট প্রদানের পদক্ষেপ নিয়েছি।

এটা বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট এমবেডেড ইলেক্ট্রনিক মাইক্রো প্রসেসর চিপ থাকবে।

এতে পাসপোর্টধারীর বায়োগ্রাফি ও বায়োমেট্রিক অর্থাৎ তার ছবি, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, চোখের কর্নিয়া থাকবে।

তিনি বলেন, অতীতে একটা সমস্যা ছিল পাসপোর্ট নিয়ে। একসময় গলাকাটা পাসপোর্টও প্রচলিত ছিল আমাদের দেশে।

সেটা আর কখনও হবে না। এখন আর মানুষ ধোকায় পড়বে না। এখন স্বচ্ছতার সঙ্গে চলবে।

এখন ‘ই গেট’ থাকবে যেখানে সরাসরি খুব সহজেই ইমিগ্রেশন দ্রুত করতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সৌভাগ্য ২০২০ আমার জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন করছি।

এরইমধ্যে কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। মুজিববর্ষে ই-পাসপোর্ট মানুষ পাবে,

সেজন্য জনগণকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীর উদযাপনের এই বিশেষ বছরে আমরা জনগণের হাতে ই-পাসপোর্ট তুলে দিতে পারছি

যা নিঃসন্দেহে ডিজিটাল জগতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে আরো উজ্জ্বল করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর হাতে তার ই-পাসপোর্ট তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল অধিকতর নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সম্বলিত ই-পাসপোর্টের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোল্টজসহ বিদেশে বাংলাদেশ মিশনের প্রতিনিধিবৃন্দ।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের আওতাধীন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় জার্মান কোম্পানি ভেরিডোস জিএমবিএইচ কর্তৃক ই-পাসপোর্ট ও

স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ৫ থেকে ১০ বছর।

৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৩৫০০ টাকা, জরুরি ফি ৫৫০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ৭৫০০ টাকা

এবং ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৫০০০ টাকা, জরুরি ফি ৭০০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ৯০০০ টাকা।

নতুন পাসপোর্টের ক্ষেত্রে অতীব জরুরিতে ৩ দিনে, জরুরিতে ৭ দিনে ও

সাধারণ পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে ২১ দিনের পাসপোর্ট পাওয়া যাবে।

তবে পুরনো অথবা মেয়দোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রি-ইস্যু করার ক্ষেত্রে অতীব জরুরি পাসপোর্ট ২ দিনে,

জরুরি পাসপোর্ট ৩ দিনে ও সাধারণ পাসপোর্ট ৭ দিনের মধ্যে দেয়া হবে।

আলাদা আলাদা ই-পাসপোর্ট ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে সাধারণ আবেদনকারীদের জন্য ৪৮ পৃষ্ঠার

৫ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ১০০ মার্কিন ডলার ও জরুরি ফি ১৫০ মার্কিন ডলার।

১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ১২৫ মার্কিন ডলার ও জরুরি ফি ১৭৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা

জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি) অনুযায়ী পূরণ করতে হবে।

অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী, যার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই,

তার পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। সূত্র : বাসস

 

মুজিববর্ষে বাড়ি পাবে ৬৮ হাজার দরিদ্র পরিবার
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশের ৬৮ হাজার ৩৮টি গ্রামে একটি করে

দুস্থ ও দরিদ্র পরিবারকে পাকা বাড়ি নির্মাণ করে দেবে সরকার।

প্রতিটি বাড়িতে খরচ হবে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬০ টাকা। চলতি ও আগামী অর্থবছর এসব বাড়ি নির্মাণ করা হবে।

এ জন্য দুই বছরে বরাদ্দ প্রয়োজন ২ হাজার ৪০ কোটি ১৮ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০ টাকা।

চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) ও

কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) কর্মসূচির বিশেষ বরাদ্দ বাতিল করে ৩০ হাজার বাড়ি নির্মাণ খাতে ৮৯৯ কোটি ৫৮ লাখ

টাকা স্থানান্তরের প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

এ প্রস্তাবে বলা হয়, মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশের ৬৮ হাজার ৩৮টি গ্রামে একটি করে মোট ৬৮ হাজার ৩৮টি দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি দুস্থ

ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে বিতরণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের সভাপতিত্বে এ বিষয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সচিব বলেন, ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে টিআর-কাবিটা কর্মসূচির বিশেষ খাতের অর্থ দিয়ে

গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও দুর্যোগে ঝুঁকি হ্রাসকল্পে গৃহহীন পরিবারের মাঝে দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে।

যার মাধ্যমে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’

অনুযায়ী প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন সহজ হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘এর ধারাবাহিকতায়  মুজিববর্ষ উপলক্ষে  এ মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিটি গ্রামে

গৃহহীনদের মধ্য থেকে একটি পরিবারকে দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি দেয়া হবে। তাই ৬৮ হাজার ৩৮টি বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে সভায় অতিরিক্ত সচিব (ত্রাণ) বলেন, বাংলাদেশে অতি দরিদ্রতার হার যখন ক্রমশ নিম্নমুখী

তখন ভিজিএফের সাহায্য ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনতে হবে, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে কর্মমুখী করবে এবং আত্মনির্ভরশীল ও আত্মমর্যাদাশীল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবে।

 তিনি আরও বলেন, চলতি (২০১৯-২০) এর সংশোধিত বাজেটে ভিজিএফের অব্যয়িত অর্থ থেকে ন্যূনতম

প্রয়োজনীয় অর্থ সংকুলান রেখে অবশিষ্ট অর্থ মুজিববর্ষ উপলক্ষে নির্মিতব্য বাড়িতে স্থানান্তর করার বিষয়ে তার অভিমত ব্যক্ত করেন।

উপস্থিত সব অনুবিভাগ প্রধান এ বিষয়ে অতিরিক্ত সচিবের (ত্রাণ) সঙ্গে ঐকমত্য পোষণ করেন।

এ প্রসঙ্গে সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (বাজেট) বলেন,

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি জারিকৃত অনুমোদিত কর্মসূচির আওতায় স্কিম চিহ্নিতকরণ, প্রণয়ন,

যাচাই, সংশোধন, বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন পদ্ধতি শীর্ষক পরিপত্র প্রতিপালন সাপেক্ষে,

ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী টিআর-কাবিটা কর্মসূচির বিশেষ খাতের বরাদ্দ দ্বারা গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় গৃহনির্মাণের সারসংক্ষেপ অনুমোদন করেছেন।

একইভাবে ভিজিএফ কর্মসূচির ২০১৯-২০ সংশোধিত বাজেট এবং ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে মুজিববর্ষ উপলক্ষে

নির্মিতব্য দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি নির্মাণে ব্যয়ের জন্য অর্থ বিভাগের সম্মতি সাপেক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সানুগ্রহ অনুমোদনের জন্য পেশ করতে হবে।

সভায় বিস্তারিত আলোচনা শেষে পরিচালন/বিশেষ কার্যক্রম হতে উন্নয়ন ব্যয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরের

সংশোধিত বাজেটে ৩০ হাজার বাড়ি নির্মাণের জন্য প্রতিটি বাড়ি ২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬০ টাকা হিসাবে

মোট ৮৯৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা স্থানান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

 

পরপর চারজন সংসদ সদস্যের মৃত্যু অত্যন্ত কষ্টের : প্রধানমন্ত্রী
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন,

মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে আমাদের বর্তমান সংসদের চারজন সংসদ সদস্য মারা গেলেন। এটা সত্যিই আমাদের দুর্ভাগ্য।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ও

সংসদ সদস্য ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যুতে উত্থাপিত শোক প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আবেগজড়িত কণ্ঠে আরো বলেন,

মানুষ জন্ম নিলে মৃত্যু অবধারিত। কিন্তু কিছু কিছু মৃত্যু সত্যিই অত্যন্ত কষ্টের, বেদনার।

প্রয়াত সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেকের কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা, একাগ্রতা ও দেশপ্রেম ছিলো অসামান্য।

হঠাৎ করেই এতো তাড়াতাড়ি তিনি এভাবে চলে যাবেন তা কখনো ভাবতেও পারিনি।

এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

আলোচনা শেষে শোক প্রস্তাবটি সর্বসম্মতক্রমে গৃহীত হয়।

পরে প্রয়াত সংসদ সদস্য ইসমাত আরা সাদেকের রুহের মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন এবং

মোনাজাত শেষে রেওয়াজ অনুযায়ী সংসদের বাকি কার্যক্রম স্থগিত রেখে সংসদের অধিবেশন

আজ বুধবার বিকাল সোয়া চারটা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য হাফেজ রুহুল আমিন মাদানী।

শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ,

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ,

সরকারি দলের কাজী নাবিল আহমেদ, ওয়াশিকা আয়েশা খান, আকম সারোয়ার জাহান ও জাতীয় পার্টির (এ) রওশন আরা মান্নান।

শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের সংসদের দুর্ভাগ্য পরপর চারজন সংসদ সদস্য ডা. ইউনুস আলী সরকার,

ডা. মোজাম্মেল হক, আবদুল মান্নান এবং সবশেষ আজ (মঙ্গলবার) ইসমাত আরা সাদেক মারা গেলেন।

ইসমাত আরা সাদেক অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে সব কাজ করতেন। তার সবচেয়ে বড় গুণ ছিল ওনার সততা, নিষ্ঠা ও একাগ্রতা, দেশপ্রেমও ছিল অসামান্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জন্ম নিলে মৃত্যু অবধারিত। কিন্তু সেই মৃত্যু এমন সময় হয়, সেটা সত্যি খুব কষ্টকর।

মিসেস সাদেক আসলে একজন গৃহিনী ছিলেন। বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে জড়িত থাকলেও কখনো রাজনীতিতে খুব সক্রিয় ছিলেন না।

তার স্বামী প্রয়াত এ এস এইচ কে সাদেক যখন ১৯৯২ সালে আওয়ামী লীগ যোগদান করেন।

’৯৬ সালে যখন প্রথম সরকার গঠন করি, তখন প্রয়াত ইসমাত আরা সাদেকের স্বামী এ এস এইচ কে সাদেককে মন্ত্রী বানিয়েছিলাম।

শিক্ষা মন্ত্রী থাকাকালে তিনি অনেক কাজ করে গেছেন।

২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস করা, নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট করার জন্য গঠিত কমিটিও তারই নেতৃত্বে ছিল।

মন্ত্রী সাদেক ওই কমিটির সভাপতি হিসাবে বার বার ভিয়েনাতে গেছেন, প্লান্টের অনেক কাজ করে তিনি করে গিয়েছেন।

এছাড়া সুন্দরবনকে ইউনেস্ক কর্তৃক বিশ্ব ঐত্যিহ্য ঘোষণার ক্ষেত্রেও তার যথেষ্ট অবদান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষামন্ত্রী সাদেকের মৃত্যুর পর মিসেস সাদেককে যখন নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুরোধ করলাম,

তখন প্রথমে তিনি ঘাবড়ে গিয়ে বলেছিলেন, আমি এটা করতে পারবো? আমি বলেছিলাম- আপনি পারবেন।

ওই নির্বাচন করে জিতে আসার পর প্রথমে তাকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দিলাম।

তখন প্রয়াত ইসমাত আরা সাদেক বললেন, আমি তো কখনো এভাবে অফিস চালাইনি, কখনো কিছু করিনি, আমি তো গৃহিনী ছিলাম।

আমি কীভাবে করবো? আমি বলেছিলাম, যেহেতু আপনি শিক্ষিত মহিলা, আমি আছি আপনার সঙ্গে, কোন চিন্তা নেই।

যখন যা দরকার হবে আপনি বলবেন, আর আপনি পারবেন এটা আমার বিশ্বাস আছে। এরপর প্রতিটি কাজ অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সততার সঙ্গে করে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর ইসমাত আরা সাদেককে জনপ্রশাসনের দায়িত্ব দিলাম।

তখনও তিনি দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ছিলেন। প্রতি সপ্তাহে তার সঙ্গে বসতাম। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তিনি কাজ করতেন।

প্রতিটি কাজে তার সততা ও একাগ্রতা ছিল অসামান্য।

তিনি বলেন, মাত্র এক সপ্তাহ আগে আমার সঙ্গে দেখা করে মিসেস সাদেক আমাকে বললেন- শরীরটা খুব খারাপ।

অপারেশন করতে হবে। তখন তাকে পরামর্শ দিয়ে বলেছিলাম- অপারেশনের আগে দ্বিতীয় অভিমত নিন। অনেকক্ষণ কথা হলো।

কিন্তু উনি আজ আর নেই। কেশবপুরের উন্নয়নে উনি অনেক কাজ করে গেছেন। উনাকে কষ্ট বা ভুগতে হলো না।

কিন্তু তিনি এতো তাড়াতাড়ি চলে যাবেন ভাবতেও পারিনি।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন,

ইসমাত আরা সাদেক অত্যন্ত সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ছিলেন।

তার স্বামী প্রয়াত শিক্ষামন্ত্রী এ এস এইচ কে সাদেকও ছিলেন অত্যন্ত উচ্চশিক্ষিত ও অভিজাত পরিবারের সদস্য।

আমাদেরকেও চলে যেতে হবে। কিন্তু পরপর আমাদের কয়েকজন সংসদ সদস্য মারা গেলেন। এটা অত্যন্ত কষ্টের ও বেদনার।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ইসমাত আরা সাদেক সবসময় আমাদের মাতৃস্নেহে কথা বলতেন, পরামর্শ দিতেন।

তার স্বামী এ এস এইচ কে সাদেক যেমন অত্যন্ত সজ্জন-প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্ব ছিলেন, ঠিক তেমনি অত্যন্ত সাদামনের মানুষ ছিলেন।

সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, প্রয়াত ইসমাত আরা সাদেকের পরিবারের সঙ্গে আমাদের পরিবারের ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিলেন।

একজন বিদুষি, ভদ্র ও অভিজাত পরিবারের সদস্য ছিলেন তিনি। তার কথাবার্তা, আপ্যায়ন ও চাল-চলন অভিজাত পরিবারের আভিজাত্য ছিল।

জাতীয় পার্টির (এ) রওশন আরা মান্নান বলেন, হঠাৎ করেই পর পর কয়েকজন এমপির মৃত্যু আমাদের ব্যথিত করে তুলেছে।

মৃত্যু অবধারিত, কিন্তু মানুষের মৃত্যু সত্যিই অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

ইসমাত আরা সাদেক ও তার স্বামী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এ এস এইচ কে সাদেক দু’জনই সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ছিলেন।

‘নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপিই সব সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে’
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :বিশ্বের অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের মত বাংলাদেশে মন্ত্রী এমপিরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারছে না।

এর ফলে নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপিই কেবল সব সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। 

আজ মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে

এক বৈঠকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, নির্বাচনের পরিবেশকে ঘোলাটে করার জন্য একটি পক্ষ সক্রিয়।

নানা ধরনের ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা যে প্রক্রিয়া সেই প্রক্রিয়ার অংশ কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে।

নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে সেটি বিএনপির পক্ষে আমাদের বিপক্ষে। 
তিনি আরো বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য সংসদীয় গণতন্ত্রের দেশে সংসদ

সদস্যরা অবশ্যই পারে মন্ত্রীরাও সরকারি প্রটোকল সুযোগ-সুবিধা বাদ দিয়ে নির্বাচনের প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারে।

আমাদের দেশে আমরা পারছি না। 

সিটি নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকছে না : ইসি সচিব
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এবার সেনাবাহিনী রাখা হচ্ছে না।

এ জন্য আজ বুধবার (২২ জানুয়ারি) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বৈঠকে অন্য বাহিনীগুলো অংশ নিলেও সেনাবাহিনীকে ডাকা হয়নি।

এদিকে সদ্য ঢাকা-১০, বগুড়া-১, বাগেরহাট-৪, যশোর-৬ ও গাইবান্ধা-৩ আসন শূন্য হয়েছে।

শূন্য হওয়া এই আসনগুলোতে ভোট কবে হবে তা আগামী ২৮ জানুয়ারি কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত হবে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দিনও ২৮ জানুয়ারি নির্ধারিত হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাচন ভবনে কমিশনের ৫৮তম সভা শেষে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর এসব তথ্য জানান।

 দুই সিটির নির্আবাচনে ইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করবে ইসি।

আগে দেখা যেত পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসারের পাশাপাশি সেনাবাহিনীকেও এই বৈঠকে ডাকা হতো।

তবে আগামীকালের বৈঠকে সেনাবাহিনীকে ডাকা হচ্ছে না।

এ বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব থাকে। সেই নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে ডাকা হয়।

এটি জাতীয় নির্বাচন নয়, স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এখানে সেনাবাহিনীকে কোনো দায়িত্ব দেয়া হয়নি।

তাই তাদেরকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীর সভায় ডাকা হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘তবে ইভিএম ব্যবহারের জন্য টেকনিক্যাল ব্যক্তি হিসেবে থাকবে, যারা ইভিএম এক্সপার্ট।

তারা সেনাবাহিনীর ফোর্স হিসেবে থাকবে না, বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য থাকবে না।’

 ২০১৫ সালে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে ক্যান্টনমেন্টে স্ট্যান্ড বাই হিসেবে রাখা হয়েছিল বলে জানান এক সাংবাদিক।

তার প্রশ্ন, এবার কোনোভাবে সেনাবাহিনীকে রাখা হবে কি-না? জবাবে সচিব বলেন, ‘এবার কোনোভাবেই সেনাবাহিনীকে রাখা হবে না।’

মাঠে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা দৃশ্যমান না থাকার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সচিব বলেন,

‘আমরা বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে বেশ কয়েকবার কথা বলেছি।

তারা বলেছেন, সকল ম্যাজিস্ট্রেটকে দৃশ্যমান করার চেষ্টা করছেন। তবে সবসময় যে ম্যাজিস্ট্রেটরা জানিয়ে যাবেন, তা নয়।

কিছু কিছু সময় তদন্ত করতে হলে তাদেরকে গোপনে যেতে হয়। এ জন্যই হয়তো সবার সামনে দৃশ্যমান হচ্ছে না। কিন্তু তারা প্রতিবেদন ঠিকই দিচ্ছেন।’

ইংরেজিতে থাকা ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২’ বাংলা করতে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানমের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

সেই কমিটি এটা দেখে-শুনে চূড়ান্ত করেছে। আজকের কমিশন সভায় তা চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

এখন এটিকে ইসি সচিবালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হবে বলেও জানান মো. আলমগীর।

উন্নয়ন প্রকল্প তদারকি : আইএমইডির সুপারিশ আমলে নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ঠুঁটো জগন্নাথে পরিণত হয়েছে উন্নয়ন প্রকল্প তদারকির একমাত্র সরকারি সংস্থা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)।

সংস্থাটি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে বিভিন্ন পর্যায়ে প্রকল্প পরিদর্শন করে তার ওপর প্রতিবেদন তৈরি করে সুপারিশ দিলেও মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো আমলে নিচ্ছে না।

 এ প্রেক্ষাপটে আইএমইডি’র সুপারিশ মানার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন,আইএমইডির পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন ও সমাপ্ত মূল্যায়ন প্রতিবেদন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

মতামত ও সুপারিশের আলোকে ব্যবস্থা গ্রহণ ও গৃহীত ব্যবস্থার বিষয়ে আইএমইডিকে জানাতে হবে।

সেই সঙ্গে আরও একটি নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। গত ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে এ সংক্রান্ত একটি সার-সংক্ষেপ অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

নির্দেশ পাওয়ার পর ১৫ জানুয়ারি মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর কাছে চিঠি দিয়েছে আইএমইডি।

প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশের পর প্রকল্পের গুণগত মান বাড়বে বলে মনে করছেন পরিকল্পনা সচিব মো. নূরুল আমিন এবং

বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা।

জানতে চাইলে আইএমইডির সচিব আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ যুগান্তরকে বলেন,

আইএমইডি থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার-সংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়।

তিনি এতে স্বাক্ষর করেছেন। এর মধ্য দিয়ে আইএমইডির দেয়া সুপারিশগুলো প্রতিপালনে মন্ত্রণালয় ও

বিভাগগুলো আন্তরিক হবে বলে আশা করছি। ফলে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অগ্রগতি যেমন বাড়বে,

তেমনি প্রকল্পের মানসম্মত বাস্তবায়নও বৃদ্ধি পাবে।

মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে পাঠানো চিঠিতে আইএমইডি বলেছে, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি)

অন্তর্ভুক্ত চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের প্রায় শতভাগ মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন করে পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন

এবং সমাপ্ত প্রকল্পসমূহের প্রান্তিক মূল্যায়ন করে প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হয়।

এছাড়া এ বিভাগের মতামত ও সুপারিশ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ এবং প্রকল্প পরিচালককে যথারীতি জানানো হয়।

এর পাশাপাশি প্রকল্পের ভৌত ও আর্থিক অগ্রগতির মাসিক তথ্য অনলাইনে প্রাপ্তির জন্য

প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (পিএমআইএস) সফটওয়্যার চালু করা হয়েছে।

কিন্তু আইএমইডি’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা মতামত বা সুপারিশের আলোকে কী ব্যবস্থা নেয়া নেয়া হয়

সে সম্পর্কে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ বিভাগকে অবহিত করা হয় না।

এডিপিভুক্ত সব প্রকল্প হতে প্রকল্পের মাসিক ভৌত ও আর্থিক অগ্রগতির তথ্য পিএমআইএসে দেয়া হচ্ছে না।

এতে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প সমাপ্তি এবং প্রকল্পের গুণগত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা উভয়ই দুরূহ হয়ে পড়েছে।

উপযুক্ত বিষয়াবলি প্রধানমন্ত্রীর সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনার জন্য সার-সংক্ষেপ উপস্থাপন করা হয়।

এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনক্রমে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে অনুরোধ করা হল।

প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নির্দেশ দুটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্দেশনা হল- আইএমইডির প্রণীত পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন ও সমাপ্তি মূল্যায়ন প্রতিবেদন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে

প্রদত্ত মতামত বা সুপারিশের আলোকে ব্যবস্থা গ্রহণ ও গৃহীত ব্যবস্থা আইএমইডিকে দ্রুততার সঙ্গে জানাতে হবে।

অপর নির্দেশটি হচ্ছে, এডিপিভুক্ত সব প্রকল্প হতে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমে

(পিএমআইএস) প্রকল্পের ভৌত ও আর্থিক অগ্রগতির মাসিক তথ্য নিয়মিতভাবে দিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা সচিব মো. নূরুল আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেয়ার পর এখন বিষয়টি আর আইএমইডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকল না।

এটি প্রতিপালন করা মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায়।

এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা না হলে এখন আইএমইডি শক্তভাবে বলতে পারবে।

তাছাড়া পরবর্তীতে আবারও সার-সংক্ষেপ আকারে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করতে পারবে।

ফলে প্রধানমন্ত্রী নতুন নির্দেশ অথবা অ্যাকশন নেয়ারও নির্দেশ দিতে পরেন।

এতে প্রকল্পের অগ্রগতি যেমন বাড়বে, তেমনি বাড়বে মানও।

অর্থনীতিবিদ ও বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেন,

প্রকল্পের নানা রকম অনিয়ম অব্যবস্থাপনাসহ খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নিয়েই প্রশ্ন উত্থাপন করে আইএমইডি।

তাদের সুপারিশ যদি গ্রহণ করা না হয় তাহলে কেন নেয়া হয় না বা মেনে নিলেও

কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এগুলো অবশ্যই অবহিত করে ব্যাখ্যা দেয়া উচিত।

কিন্তু সেটি না করে যদি চুপচাপ উপেক্ষা করা হয়, তাহলে আইএমইডি থাকা না থাকা সমান হয়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এতে প্রকল্পের গুণগত মান বাড়বে এবং দ্রুত বাস্তবায়নও নিশ্চিত হবে।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আমরা সহায়তা দিতে প্রস্তুত : জাপানের রাষ্ট্রদূত
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকায় নবনিযুক্ত জাপানী রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতো বলেছেন,

তার দেশ প্রলম্বিত রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশকে যে কোনো প্রকারের সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

 তিনি বলেন, আমরা রোহিঙ্গা সমস্যার একটি টেকসই সমাধান চাই এবং এ বিষয়ে আমরা বাংলাদেশকে যে কোনো প্রকারের সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছি।

সোমবার বিকালে জাপানের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার জাতীয় সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে একথা বলেন। খবর বাসসের।

বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের ব্যাপক উপস্থিতি কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মিয়ানমারের জনগণের দীর্ঘ সময়ের উপস্থিতির কারণে এখানে সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডের সৃষ্টি হতে পারে বলেও তিনি আশংকা ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় জাপানের সহযোগিতার জন্য তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুণর্গঠনকালে তিনি জাপানের সমর্থনের কথা স্মরণ করে বলেন,

এই সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন দেশে (পাকিস্তানের বন্দি দশা থেকে) ফিরে আসেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার একমাত্র লক্ষ্যই ছিল দেশকে স্বাধীন করা এবং সাধারণ জনগণের মৌলিক চাহিদাগুলো নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, ২০২২ সালে জাপান এবং বাংলাদেশ তাদের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী ব্যবসা, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্কের উল্লেখ করেন।

দেশের শিল্পায়ন এবং জনগণের কর্মসংস্থানে তার সরকারের উদ্যোগে সারাদেশে একশ’

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন,

জাপানী বিনিয়োগকারীদের জন্য আড়াইহাজার এবং গাজীপুরে জমি বরাদ্দ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জাপানের উদ্যোক্তারা সেখানে নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে পারে।

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সময় জাপানের স্বীকৃতি প্রদানের কথাও স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,

বঙ্গবন্ধুই এই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের ভিত রচনা করেন।

বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের সংশ্লিষ্টতার জন্যও প্রধানমন্ত্রী জাপানের প্রশংসা করে বলেন,

অন্ততপক্ষে ৩১০টি জাপানী কোম্পানি দেশে কাজ করে যাচ্ছে।

আঞ্চলিক যোগাযোগ সম্প্রসারণে ‘বিবিআইএন’ (বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপাল) এবং

‘বিসিআইএম (বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমার) ইকোনমিক করিডোর’ উদ্যোগ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন,

এই অঞ্চলের যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে গতিসঞ্চারে চট্টগ্রাম, মংলা এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরের আধুনিকায়ন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পূর্ব এবং পশ্চিমের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য কক্সবাজার বিমানবন্দরকে উন্নত করা হচ্ছে।

জাপানের সহায়তায় বাংলাদেশে বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের উল্লেখ করে জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন,

বাংলাদেশ জাপানের সব থেকে দীর্ঘ এবং বৃহৎ উন্নয়ন সহযোগী।

টোকিওর সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর দ্রুত এবং সুষ্ঠু বাস্তবায়ন ও তার দেশ প্রত্যাশা করে, বলেন তিনি।

বাংলাদেশকে বিনিয়োগের উৎকৃষ্ট গন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন,

আমরা আশাকরি দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে সহযোগিতার মাত্রা আরও বৃদ্ধি পাবে।

ইতো শেখ হাসিনাকে বলেন যে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে তার (শেখ হাসিনার)

গতিশীল নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এবং তিনি (অ্যাবে) দুই দেশের মধ্যে উন্নয়ন সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে অপেক্ষমাণ রয়েছেন।

বৈঠকে জাপানের রাষ্ট্রদূত দুই দেশের রাজনীতিবিদ এবং সংসদ সদস্যদের সফর বিনিময়ের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রদূত ইতো এ সময় গত ১০ জানুয়ারি থেকে জাতির পিতার

জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষণ গণনার অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, ইহা একটি অবিস্মরণীয় ইভেন্ট।

জাপানের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফরের সময়

হলি আর্টিজান বেকারির ভিকটিমদের পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং দুঃখ ভাগাভাগি করে নেয়ার জন্যও তাকে (প্রধানমন্ত্রী) ধন্যবাদ জানান।

প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা -এমপি মান্নানের মরদেহে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনের সংসদ সদস্য,

মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নানের মরদেহে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সোমবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ফুল দিয়ে এই শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে রাষ্ট্রপতি পক্ষে তার সামরিক সচিব প্রয়াত সাংসদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

বীর মুক্তিযোদ্ধা এই সংসদ সদস্যকে ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র সালামের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

আব্দুল মান্নানের প্রথম জানাজা শেষে হেলিকপ্টারে করে তার মরদেহ নিজ সংসদীয় এলাকা বগুড়ার সোনাতলায় নেওয়া হবে।

সেখানেও একটি জানাজা হবে। এরপর সারিয়াকান্দিতে তৃতীয় জানাজা শেষে নিজ গ্রামে দাফন করা হবে।

সংসদ সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান গত শনিবার সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে

রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।

মান্নান আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) একাদশ জাতীয় সংসদের ষষ্ঠ অধিবেশনে

যোগ দিতে সংসদ ভবনে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল মান্নান।

সেখানেই বুকে ব্যাথা শুরু হলে তাকে ল্যাব এইড হাসপাতালে নেওয়া হয়।

২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-১ আসন থেকে

আওয়ামী লীগের মনোনয়নে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আব্দুল মান্নান।

পরে ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয় পান তিনি।

২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আব্দুল মান্নান।


   Page 1 of 350
     জাতীয়
সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
হেলিকপ্টার থেকে প্রধানমন্ত্রীর মোবাইলে পদ্মা সেতুর ছবি
.............................................................................................
জাতির জনকের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
.............................................................................................
ই-পাসপোর্ট : বাংলাদেশে কোন রঙ এর পাসপোর্ট কাদের জন্য?
.............................................................................................
ই-পাসপোর্ট করার আগে জেনে নিন
.............................................................................................
আজ স্বর্ণদ্বীপ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
সমতার ভিত্তিতে সুবিচার নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর : শেখ হাসিনা
.............................................................................................
বসানো হলো পদ্মাসেতুর ২২তম স্প্যান
.............................................................................................
ই-পাসপোর্ট ‘মুজিববর্ষের’ উপহার : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
মুজিববর্ষে বাড়ি পাবে ৬৮ হাজার দরিদ্র পরিবার
.............................................................................................
পরপর চারজন সংসদ সদস্যের মৃত্যু অত্যন্ত কষ্টের : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
‘নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপিই সব সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে’
.............................................................................................
সিটি নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকছে না : ইসি সচিব
.............................................................................................
উন্নয়ন প্রকল্প তদারকি : আইএমইডির সুপারিশ আমলে নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
.............................................................................................
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আমরা সহায়তা দিতে প্রস্তুত : জাপানের রাষ্ট্রদূত
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা -এমপি মান্নানের মরদেহে
.............................................................................................
প্রভাবশালী দৈনিক গালফ নিউজের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
একসাথে থাকব, একসাথে খাব; ক্রিকেটারদের পাপন
.............................................................................................
আ.লীগ ক্ষমতায় আছে বলে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
সরকারি চাকরিজীবী ১২ লাখ, শূন্য পদ ৩ লাখের বেশি
.............................................................................................
৩০ সেকেন্ডেই ই-পাসপোর্টে খুলে যাবে ই-গেট
.............................................................................................
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের নতুন তারিখ পহেলা ফেব্রুয়ারি
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর নীতি ও আদর্শে চলতে ছাত্রলীগকে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর ইতালি সফরে গুরুত্ব পাবে বাণিজ্য ও অভিবাসন ইস্যু
.............................................................................................
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাথে ড. হাছান মাহমুদের সাক্ষাৎ
.............................................................................................
রাজাকারের তালিকা প্রকাশ, সংসদে তোপের মুখে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
.............................................................................................
পুঁজিবাজারের বিপর্যয় রোধে ৬ পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
বঙ্গোপসাগরে নৌবাহিনীর সফল মিসাইল উৎক্ষেপণ
.............................................................................................
বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে মুজিববর্ষ উদযাপন করবে ইউনেস্কো : সংসদে প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে বাংলাদেশ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
ধর্ষকদের ক্রসফায়ার সমর্থনে এমপিদের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি
.............................................................................................
আগামী ১৭ মার্চ সন্ধ্যায় ১৪ দলের মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি শুরু
.............................................................................................
পরিস্থিতি বদলেছে, আমরা এখন কোনো দাতাকে ডাকি না : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
আবুধাবি সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
আবুধাবি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
পাকিস্তান সফরে টি-টোয়েন্টি খেলার সিদ্ধান্তে অটল বিসিবি : পাপন
.............................................................................................
ইজতেমার আখেরি মোনাজাতে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রী ৩ দিনের সফরে আবুধাবি যাচ্ছেন আজ
.............................................................................................
জাহাজ রফতানি প্রমাণ করে বাংলাদেশ পৃথিবীর কাছে বিস্ময় : বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
ঢাকা দক্ষিণে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪ কাউন্সিলর প্রার্থীর জয়
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
.............................................................................................
মুজিববর্ষ : ২২-২৩ মার্চ সংসদের বিশেষ অধিবেশন
.............................................................................................
শোষণ-বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক মানের হচ্ছে কক্সবাজার ও সৈয়দপুর বিমানবন্দর
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রী : প্রতিযোগিতার বাজার, তবু বার্গেনিং করুন
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আগামীকাল
.............................................................................................
আজ বস্ত্রমেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর
.............................................................................................
একাদশ জাতীয় সংসদের ৬ষ্ঠ অধিবেশন শুরু আজ
.............................................................................................
নতুন বছরে আরও ১৩২ বাংলাদেশি ফিরলেন সৌদি থেকে
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি