২২ জিলহজ ১৪৪১ , ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৩ আগস্ট , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > বরগুনায় অগ্নিঝরা টাউনহল চত্বরে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের মানববন্ধন ও অবস্থান ধর্মঘট   > বন্যায় মৃতের সংখ্যা দুইশ ছাড়াল   > স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হলেন সেব্রিনা ফ্লোরা   > বরিশাইল্লা ‘দাদো’র চরিত্রে মীর সাব্বির   > ২৪ ঘন্টায় আরো ৪৪ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬১৭   > ট্রেনের টিকিট হাতবদল হলেই সাজা   > মাদারীপুরের ডাসারে র‌্যাব-৮ এর অভিযানে দেশি-বিদেশী মদ উদ্ধার, আটক ১   > সুবিদখালী বাজার সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগ চরমে !   > এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিচার শুরু   > ভূঞাপুরে ছাত্রলীগ নেতার গলাকাটা লাশ উদ্ধার  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
অবশেষে কমল সোনার দাম

গণমুক্তি ডেস্ক : কয়েক দফায় দাম বাড়ার পর এবার সোনার দাম কমল। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের বাজারে কমল এ দাম। ভরিতে সাড়ে ৩ হাজার টাকা করে কমেছে। এতে ২২ ক্যারেটের ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ দাম পড়বে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। আজ বৃহস্পতিবার থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে অলংকার তৈরির এ ধাতু। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির (বাজুস) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকায় দেখা গেছে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা। গতকাল বুধবার পর্যন্ত এ মানের সোনার দাম ছিল ৭৭ হাজার ২১৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৭০ হাজার ৫৬৭ টাকা। গতকাল পর্যন্ত বিক্রি হয় ৭৪ হাজার ৬৬ টাকা করে।

একইভাবে ১৮ ক্যারেটের ভরির দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ৮১৯ টাকায়। গতকাল এ মানের সোনার ভরিপ্রতি দাম ছিল ৬৫ হাজার ৩১৮ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে সোনার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫১ হাজার ৪৯৬ টাকা। গতকাল বুধবার পর্যন্ত দাম ছিল ৫৪ হাজার ৯৯৫ টাকা। এদিকে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২১ ক্যাডমিয়ামের প্রতি ভরি রুপার বিক্রিমূল্য ৯৩৩ টাকা।

অবশেষে কমল সোনার দাম
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : কয়েক দফায় দাম বাড়ার পর এবার সোনার দাম কমল। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের বাজারে কমল এ দাম। ভরিতে সাড়ে ৩ হাজার টাকা করে কমেছে। এতে ২২ ক্যারেটের ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ দাম পড়বে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। আজ বৃহস্পতিবার থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে অলংকার তৈরির এ ধাতু। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির (বাজুস) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকায় দেখা গেছে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা। গতকাল বুধবার পর্যন্ত এ মানের সোনার দাম ছিল ৭৭ হাজার ২১৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৭০ হাজার ৫৬৭ টাকা। গতকাল পর্যন্ত বিক্রি হয় ৭৪ হাজার ৬৬ টাকা করে।

একইভাবে ১৮ ক্যারেটের ভরির দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ৮১৯ টাকায়। গতকাল এ মানের সোনার ভরিপ্রতি দাম ছিল ৬৫ হাজার ৩১৮ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে সোনার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫১ হাজার ৪৯৬ টাকা। গতকাল বুধবার পর্যন্ত দাম ছিল ৫৪ হাজার ৯৯৫ টাকা। এদিকে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২১ ক্যাডমিয়ামের প্রতি ভরি রুপার বিক্রিমূল্য ৯৩৩ টাকা।

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ব্যয় হ্রাস পাবে
                                  

বিশেষ প্রতিনিধি : বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ব্যয় হ্রাস পাবার কথা জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশ। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হওয়ায় বাণিজ্য ব্যয় হ্রাসে সহায়তা হবে। ভারত-বাংলাদেশ অংশীদারিত্ব: কোভিড-১৯ পরবর্তী বিশ্বে অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণ’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে এ কথা বলেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন ও ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি যৌথভাবে এই ওয়েবিনারের আয়োজন করে। ওয়েবিনারে শতাধিক শিল্প নেতারা অংশ নেন।

ওয়েবিনারে ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ বলেন, ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দুর্দান্ত পর্যায়। রেল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে উভয় দেশ কর্তৃক গৃহীত সাম্প্রতিক যোগাযোগ পদক্ষেপের ফলে বাণিজ্য ব্যয় হ্রাস করতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের স্থিতিশীল অর্থনীতি এবং শক্তিশালী ব্যবসায়িক পরিবেশের ফলে উভয় দেশই বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি নতুন সুযোগগুলিও ব্যবহার করতে সক্ষম হবে। চমৎকার উৎপাদন পরিবেশ, তরুণ জনগোষ্ঠী ও অনুকূল বিনিয়োগ পরিবেশ ইত্যাদি ব্যবহার করে তৃতীয় দেশগুলিতে রপ্তানির পাশাপাশি সহযোগিতা এবং যৌথ উদ্যোগের সুযোগগুলি অনুসন্ধান করার জন্যে ভারতীয় ব্যবসায়ী নেতাদের প্রতি আহ্বান রীভা গাঙ্গুলি দাশ। ভারতীয় হাইকমিশনার তার বক্তব্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে প্রবর্তিত আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের প্রতি আলোকপাত করেন।
তিনি বলেন, আত্মনির্ভর ভারত অভিযান পাঁচটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে রচিত- অর্থনীতি, অবকাঠামো, প্রযুক্তি-চালিত ব্যবস্থা, তরুণ জনগোষ্ঠী এবং চাহিদা। ২১ ট্রিলিয়ন টাকার একটি উদ্দীপক প্যাকেজ অবকাঠামোগত উন্নয়নের গতি বাড়িয়ে দেবে, গ্রামীণ অর্থনীতি ও কুটির শিল্পগুলিকে সহায়তা করবে, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলিকে উৎসাহ দেবে, বিদেশি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং ভারতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ইত্যাদি ত্বরান্বিত করবে। আত্মনির্ভর ভারত এমন শিল্প ও খাতকে চিহ্নিত এবং প্রচার করবে যেগুলো বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক আকার ধারণ করার মতো সক্ষমতা অর্জন করতে পারে এবং সম্ভাবনাময়। এটি ভারতকে অংশীদার দেশগুলির সহযোগিতায় বৈশ্বিক মান শৃঙ্খলের অংশ হতে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, এটি ভারতীয় ও বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরির বিশাল সুযোগ উন্মুক্ত করবে।
ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার মাধ্যমে উভয় দেশ যেসব নতুন সুযোগ পেয়েছে তা কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের ফলে ভারত ও বাংলাদেশে বিনিয়োগের বড় সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়াও তিনি শক্তিশালী বাণিজ্য নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে আরও বিনিয়োগ, সংহতি, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জ্ঞান বিনিময়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। ওয়েবিনারে প্রাণ গ্রুপ, ইফাদ গ্রুপ, এসবিআই বাংলাদেশ, ইন্দোফিল এবং শর্থী এন্টারপ্রাইজের শিল্প নেতারা বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন সুযোগ এবং অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্র জুড়ে আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।

দেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২০৬৪ ডলার
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : দেশে ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে মানুষের মাথাপিছু গড় আয় দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৬৪ ডলার। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ও মাথাপিছু আয়ের সাময়িক হিসাবে এই চিত্র উঠে এসেছে।

এক বছরের ব্যবধানে দেশের মানুষের মাথাপিছু গড় আয় বেড়েছে ১৫৫ ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু গড় আয় ছিল ১ হাজার ৯০৯ ডলার।

মাথাপিছু গড় আয় কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত আয় নয়। একটি দেশের মোট আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে দেওয়া হয়। বিদায়ী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। এটি সাময়িক হিসাব।

করোনার কারণে বিদায়ী বছরে প্রবৃদ্ধি কমেছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।

করোনায় চতুর্থবারের মতো বাড়ল স্বর্ণের দাম
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের মধ্যে চারবার স্বর্ণের দাম বাড়াল বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস)। এবার ভরি প্রতি দাম বাড়ানো হয়েছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা। ২২ ক্যারেটের ভরি প্রতি সর্বোচ্চ দাম পড়বে ৭৭ হাজার ২১৫ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম। আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে অলংকার তৈরির এ ধাতু। গতকাল বুধবার (৫ আগস্ট) বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে, স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে চলতি বছরের ২৪ জুলাই।

বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকায় দেখা গেছে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৭ হাজার ২১৫ টাকা। বুধবার পর্যন্ত এ মানের স্বর্ণের দাম রয়েছে ৭২ হাজার ৭৮৩ টাকা।

২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৭৪ হাজার ৬৬ টাকা। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬৯ হাজার ৬৩৪ টাকা। একইভাবে ১৮ ক্যারেটের ভরির দাম পড়বে ৬৫ হাজার ৩১৮ টাকা। বর্তমানে দাম রয়েছে ৬০ হাজার ৮৮৬ টাকা।

সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণ প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৫৪ হাজার ৯৯৫ টাকা। বুধবার পর্যন্ত দাম রয়েছে ৫০ হাজার ৫৬৩ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে ২১ ক্যারেট ক্যাডমিয়াম রূপার দাম। প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৯৩৩ টাকায়।

বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকট, চীন-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে ইউএস ডলারের প্রাধান্য খর্ব, তেলের দর পতন ও নানাবিধ অর্থনৈতিক সমীকরণের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ কোঠায় অবস্থান করছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশীয় বুলিয়ন মার্কেটেও স্বর্ণের দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত জুয়েলারি মালিকরা নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি করবেন।

করোনাকালেও প্রবাসী আয়ে রেকর্ড
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যেও শুধু জুলাই মাসেই ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজপ্তিতে বলা হয়, ‘বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যেও শুধু জুলাই মাসে ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। ইতিহাসে একক মাসে এর আগে কখনো এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি।’

গত জুনের পুরো সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১.৮৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রবাসী আয়ের এ ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকার জন্য সরকারের সময়োপযোগী ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পাশাপাশি বাংলাদেশের ইতিহাসে এযাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.২৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। গত ৩০ জুন বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩৬.০১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে যেটি ছিল সর্বোচ্চ।

‘মাত্র এক মাসের ব্যবধানে সেটি পৌছেছে ৩৭.২৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেকর্ডে। রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরূত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ।’

রেমিট্যান্সে দেশের এ অনন্য রেকর্ডে প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গত অর্থবছরের শুরু থেকে প্রবাসীদের প্রেরিত আয়ের উপর ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা প্রদান অব্যাহত আছে যার ফলে গতবছর ১৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।’

‘চলতি অর্থবছরে ৩-৫ বিলিয়ন ডলার বাড়তি অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। সামনের দিনে রেমিট্যান্স বৈধ পথে আনতে যত কৌশল অবলম্বন করতে হয় সেটা আমরা নেব,’ যোগ করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রবাসীদের রয়েছে দেশের প্রতি অকৃতিম ভালোবাসা আর মমত্ববোধ। তাদের টাকা প্রেরণে যত বাধা রয়েছে সেগুলো দূর করা হবে।’

সর্বোচ্চ দামের ইতিহাস গড়ল স্বর্ণ
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে। অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে পোঁছে গেছে মূল্যবান এ ধাতুটি।

চলতি বছরের শুরু থেকেই বিশ্ববাজারে উত্তাপ ছড়াচ্ছে স্বর্ণের দাম। তবে গত সপ্তাহ থেকে যেন পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটছে ধাতুটির দাম। এতেই সর্বোচ্চ দামের নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়ে গেল।

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ হয় আউন্স হিসেবে। এক আউন্স স্বর্ণ ৩১ দশমিক ১০৩ গ্রামের সমান। এখন বিশ্ববাজারে এক আউন্স স্বর্ণ কিনতে এক হাজার ৯২০ ডলারের উপরে লাগছে। অতীতে কখনও এত দামে স্বর্ণ বিক্রি হয়নি।

স্বর্ণের দামে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করতে চলতি বছরে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়েছে ৪০০ ডলারের উপরে বা ২৬ শতাংশ। বছরের শুরুর দিকে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল এক হাজার ৫১৭ ডলার। সোমবার (২৭ জুলাই) আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেন শুরু হতেই তা এক হাজার ৯৩১ ডলার স্পর্শ করেছে।

এর আগে, কখনও এক আউন্স স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯৩১ ডলার স্পর্শ করেনি। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯২০ ডলারে উঠেছিল। এটাই এতদিন বিশ্ববাজারে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম ছিল।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহের শুরুতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল এক হাজার ৮০৮ ডলার। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস সোমবার তা বেড়ে এক হাজার ৮২০ ডলার স্পর্শ করে।

মঙ্গলবার তা আরও বেড়ে এক হাজার ৮৪২ ডলারে উঠে। সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস বুধবার লেনদেনের এক পর্যায়ে এক হাজার ৮৬৫ ডলার পর্যন্ত উঠে স্বর্ণের দাম। এর মাধ্যমে ২০১১ সালের পর স্বর্ণের দাম আবারও এক হাজার ৮৫০ ডলার স্পর্শ করে।

স্বর্ণের দামের উল্লম্ফন চলে গত সপ্তাহের শেষ দুই কার্যদিবসেও। বৃহস্পতিবার দাম বেড়ে লেনদেনের এক পর্যায়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম এক হাজার ৮৯৫ ডলার পর্যন্ত পৌঁছে যায়। যদিও দিনের লেনদেন শেষে এক হাজার ৮৮৭ ডলারে থিতু হয়। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শুক্রবার দাম আরও বেড়ে এক হাজার ৯০১ ডলারে দাঁড়ায়।

সেখান থেকে চলতি সপ্তাহের লেনদেন শুরু হতেই প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯৩১ ডলারে উঠে গেছে। আজ ইতোমধ্যেই প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়েছে ৩০ ডলার। এর মাধ্যমে সপ্তাহের ব্যবধানে ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং মাসের ব্যবধানে ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ বাড়ল স্বর্ণের দাম।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের এমন দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে গত সপ্তাহে বাংলাদেশেও দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। গত শুক্রবার থেকে স্বর্ণের বাড়তি দাম কার্যকর হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়ে ৭২ হাজার ৭৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬৯ হাজার ৬৩৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬০ হাজার ৮৮৬ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের দাম ৫০ হাজার ৫৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দাম আগে কখনও এত ছিল না।

এদিকে বাজুস যখন দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় তখন বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল এক হাজার ৮৮৯ ডলার। অর্থাৎ বাজুসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসার পর ইতোমধ্যে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৩৪ ডলার বেড়ে গেছে।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার বিষয়ে সম্প্রতি ভেনাস জুয়েলার্সের কর্ণধার ও স্বর্ণ শিল্পী সমিতির সভাপতি গঙ্গা চরণ মালাকার বলেন, ‘স্বর্ণের দাম বাড়লেও আমাদের বিক্রি নেই। আমাদের দেশে স্বর্ণালংকার বেশি ব্যবহার করেন মধ্যবিত্তরা। করোনার কারণে এই মধ্যবিত্ত এখন বড় সমস্যায় পড়েছেন। তাছাড়া বয়স্করা এখন ঘর থেকে বের হচ্ছে না। সবমিলিয়ে আমাদের বিক্রি শূন্যের কোঠায় নেমেছে।’

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মালবাহী ট্রেন সার্ভিস শুরু
                                  

আমিনুল হক : বেনাপোল-পেট্রাপোল রেল সংযোগ ব্যবহার করে ৫০ কন্টেইনার বোঝাই ভারতীয় মালবাহী ট্রেন বাংলাদেশের অন্যতম স্থল বন্দর বেনাপোলে পৌঁছেছে। কনটেইনার ট্রেনটি ভারতের কলকাতার মাঝেরহাটের কনটেইনার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেডের (কনকোর) টার্মিনাল থেকে রওনা হয় এবং এটি বেনাপোলে পৌছে। ভারতে কনটেইনার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেডের মনোনীত ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো এবং টার্মিনালসমুহের সঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন স্টেশনকে সংযুক্ত করার জন্য একটি স্থায়ী পরিষেবা হচ্ছে। কনটেইনার ট্রেন সার্ভিস হলো একটি অতিরিক্ত পরিষেবা।
কনটেইনার ট্রেন সার্ভিস শুরু করতে ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় কন্টেইনার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া এবং বাংলাদেশ কনটেইনার কোম্পানি লিমিটেড একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। এর আগে ৩ এপ্রিল ২০১৮ প্রথম পরীক্ষামূলক মালবাহী ট্রেনটি কলকাতা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশন (বিবিডাব্লিউ) পর্যন্ত আসে।
বর্তমানে কোভিড -১৯ মহামারীর উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে সরবরাহ ব্যবস্থার ব্যত্যয় ঘটেছে। উভয় দেশের সরকারী এজেন্সিগুলি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের জন্য কার্যকর বিকল্প হিসেবে রেলপথকে ব্যবহার করে, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের অচলাবস্থা হ্রাস করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এই নতুন চালু হওয়া কনটেইনার ট্রেন সার্ভিসের মাধ্য দিয়ে রেলপথের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের এক বিশাল সুযোগ উন্মুক্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, উভয় দেশের সরকারের এই এই উদ্যোগ দুটি দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য যথেষ্ট পরিমাণে বাড়িয়ে তুলবে।

চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতের ট্রান্সশিপমেন্টের প্রথম পরীক্ষামূলক চালান
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভারতের কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর থেকে ট্রানজিট পণ্যবাহী কনটেইনার নিয়ে কোস্টাল জাহাজ ‘এমভি সেজুঁতি’ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে জাহাজটি বন্দরের জেটিতে পৌঁছায়।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পাদিত ট্রানজিট চুক্তির আওতায় এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত এসওপি (পরিচালন পদ্ধতির মান) অনুযায়ী প্রথম ট্রায়াল রান (পরীক্ষামূলক চলাচল) এটি। এতে প্রতিটি কনটেইনারের বিপরীতে সরকারি রাজস্ব আদায় করবে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। আর বন্দর ব্যবহার করার প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ পোর্ট ডিউজ, পাইলটেজ ফি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক চার্জ বা ফি আদায় করবে চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য নির্ধারিত ট্যারিফ সিডিউল অনুযায়ী।

এ প্রক্রিয়াটি মূলত বাংলাদেশ হয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে যুক্ত করার একটি সংক্ষিপ্ত পথ সৃষ্টি করবে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে সড়কপথে কনটেইনারে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে কি ধরনের জটিলতা আসতে পারে তা এই ট্রায়াল রানের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হবে ।

কাস্টমস এর তথ্যমতে, ভারতীয় পণ্য ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ কাস্টমস সাত ধরনের মাশুল আদায় করবে। এই সাতটি হলো প্রতি চালানের প্রসেসিং ফি ৩০ টাকা, প্রতি টনের জন্য ট্রান্সশিপমেন্ট ফি ৩০ টাকা, নিরাপত্তা মাশুল ১০০ টাকা, এসকর্ট মাশুল ৫০ টাকা এবং অন্যান্য প্রশাসনিক মাশুল ১০০ টাকা। এ ছাড়া প্রতি কনটেইনার স্ক্যানিং ফি ২৫৪ টাকা এবং বিধি অনুযায়ী ইলেকট্রিক সিলের মাশুল প্রযোজ্য হবে। এই নির্ধারিত সাতটি মাশুল বাবদ বাংলাদেশ কনটেইনার প্রতি ৫৫ ডলার পর্যন্ত পাবে। এর সাথে আলাদাভাবে যুক্ত হবে চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুল ।

আরও দুই বছরের জন্য গভর্নর হলেন ফজলে কবির
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক: গত ৩ জুলাই দ্বিতীয় দফার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সাবেক গভর্নর ফজলে কবিরকে আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।


বুধবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপ-সচিব মো. জেহাদ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক (সংশোধনী) আইন ২০২০-এর অনুচ্ছেদ ১৩(৩) এবং ১০(৫) এর বিধান অনুযায়ী ফজলে কবিরকে তার বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ ২০২২ সালের ৩ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হল।

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বয়স ৬৫ বছর নির্ধারিত ছিল। সেই বয়সসীমা আরও দুই বছর বাড়িয়ে জাতীয় সংসদে আইন পাস করায় সরকার।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে চার বছরের জন্য ফজলে কবিরকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় সরকার। তিনি ওই বছরের ২০ মার্চ গভর্নর হিসেবে যোগদান করেন। চুক্তি অনুযায়ী, গত ২০ মার্চ শেষ হয় তার নিয়োগের মেয়াদ। পরে তার চুক্তির মেয়ার আরও তিন মাস বাড়ানো হয়। গত ৩ জুলাই সেই মেয়াদও শেষ হয়। ফজলে কবিরের বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় তার চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ নেই। এ কারণে বয়সসীমা আরও দুই বছর বাড়িয়ে আইন পাস করায় সরকার।

এদিকে গভর্নরের অবর্তমানে তার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন ডেপুটি গভর্নর-১ এসএম মনিরুজ্জামান ও ডেপুটি গভর্নর-২ আহমেদ জামাল।

দু’দেশের সিদ্ধান্তের পর পণ্যবাহী প্রথম ভারতীয় ট্রেন আসলো বেনাপোলে
                                  

আমিনুল হক : ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পার্সেল ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্তের পর ভারত থেকে প্রথম পণ্যবাহী একটি ট্রেন বাংলাদেশের অন্যতম স্থল বেনাপোলে পৌঁছেছে। ভারতীয় রেলের এই বিশেষ পার্সেল এক্সপ্রেসটি (এসপিই) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের গুন্টুরের রেড্ডিপালেম থেকে বেনাপোল পর্যন্ত বন্দরে পৌছাতে ১৩৭২ কিলোমিটারের বেশি পথ অতিক্রম করেছে। দু’দেশের মধ্যে পণ্যপরিবহন সেবা চালু হওয়া ব্যবসায়ীদের মাঝে দারুণ আগ্রহ। দু’দেশের পার্সেল ট্রেন চলাচলে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি পাবার কথা জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলেছেন, এতে করে ঝুক্কিঝামেলা মুক্ত থাকবে। সময় এবং অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে। শুধু তাই নয়, দ্রুত পণ্য আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে। স্থানীয় বাজারে কমবে পণ্য মূল্যও।
পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্তের পর ভারত থেকে প্রথম পণ্যবাহী ট্রেনটি সোমবার পৌছায় বাংলাদেশের অন্যতম স্থল বন্দর বেনাপোলে। ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ থেকে ৩৮৪ টন শুকনো মরিচ নিয়ে ১৬টি ভ্যান যুক্ত বিশেষ পার্সেল ট্রেনটি বাংলাদেশে আসে।
উভয় দেশের পণ্যবাহী বা পার্সেল ট্রেন সার্ভিসের কারণে পণ্যপরিবহন ব্যয় ও সময় দুটোই সাশ্রয় হবে বলে জানালেন, বেনাপোলের ব্যবসায়ী আজিমউদ্দিন। তার মতে ট্রেনে পণ্যপরিবহন ঝুটঝামেলা মুক্ত। ব্যবসায়ীদের মধ্যেও আগ্রহ বেড়েছে। কারণ, বাংলাদেশ থেকে ট্রেনে দ্রুত রপ্তানিপণ্য পাঠানো সম্ভব হবে। এতে বাণিজ্যও বাড়বে।
কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব ব্যাপক আকার নিলে দু‘দেশের মধ্যে স্থল পথে পণ্যপরিবহণ পরিসেবা বন্ধ হয়ে পড়ে। এসময় রেলপথে পণ্যপরিবহনের প্রস্তাব দেয় ভারত। বাংলাদেশ এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানায়। এরপরই ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে তার প্রভাব কাটিয়ে ওঠতে দু`দেশের মধ্যে পার্সেল ট্রেন সার্ভিস চালু হয়। তার আগে জুন মাসে ১০৩টি ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রেন বাংলাদেশে যাতায়ত করে। পার্সেল ট্রেন পরিষেবা উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে।

গভর্নরের কার্যকাল বাড়লো দুই বছর
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের চাকরির মেয়াদ (কার্যকাল) বাড়িয়ে জাতীয় সংসদে বিল পাস করা হয়েছে। এতে গর্ভনের চাকরির বয়স দুই বছর বাড়িয়ে ৬৫ বছর থেকে ৬৭ বছর করা হলো।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের পক্ষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বিলটি পাসের জন্য প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠ ভোটে পাস হয়।

এর আগে বুধবার (৮ জুলাই) অর্থমন্ত্রীর পক্ষে পরিকল্পনামন্ত্রী এ বিলটি উপস্থাপন করেন।

১৯৭২ সালের ‘দ্য বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার’ সংশোধন করে, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২০` নামে বিলটি পাস হয়। এরপর বিলটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল।

এই বিলটি পাসের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর (সদ্য মেয়াদ উত্তীর্ণ) ফজলে কবিরকে তার পদে আরও দুই বছর রাখতে বাধা থাকলো না। গত ২ জুলাই ছিল তার শেষ কার্যদিবস। ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় তাকে পুনঃনিয়োগ দিতে পারেনি সরকার।

বর্তমান আইনে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার অনুযায়ী ৬৫ বছরের বেশি বয়স হলে কেউ গভর্নর পদে থাকতে পারবেন না।

নতুন পাস হওয়া আইনের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, দেশের রাজস্ব নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কার্যকর মুদ্রানীতি প্রণয়ন, মুদ্রা সরবরাহ ও ব্যাংক ঋণ ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ, মুদ্রা-মান সংরক্ষণ, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সমন্বয় প্রভৃতি বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করিয়া থাকে।

দেশের সুষ্ঠু আর্থিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে এই প্রতিষ্ঠানের কার্যকর ও উন্নততর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে উক্ত প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রাজ্ঞতা, বিচক্ষণতা, কর্মদক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ববাচক গুণাবলি প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্যের মূল নিয়ামক শক্তি বিবেচনায় উক্ত পদে যোগ্যতা ও উপযুক্ত ব্যক্তিকে বিদ্যমান বয়সসীমা অপেক্ষা অধিকতর বয়সে নিয়োগের সুযোগ রাখা কিংবা প্রয়োজনবোধে উক্ত পদে সমাসীন ব্যক্তিকে বিদ্যমান বয়সসীমা অতিক্রমণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্যতা অনুসারে পুনর্নিয়োগে প্রদান কিংবা উক্ত ব্যক্তির নিয়োগের নিরবচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতা বজায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা সমীচীন।

যাচাই-বাছাই প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় বিরোধীদলের সদস্য ব্যক্তিদের জন্য আইন সংশোধনের বিরোধিতা করেন। তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি ফিরিয়ে আনা, ব্যাংকের অর্থ পাচার ঠেকানো, ঋণখেলাপি বৃদ্ধি ঠেকানোর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।

তবে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, এই পরিবর্তন শুধু কোনো ব্যক্তির জন্য নয়, সবার জন্য। ব্যাংকের গতিশীল আনার জন্য এই পরিবর্তন।

এসএইচ/ এমটি

বড় অঙ্কের মূলধন সংকটে ১৩ ব্যাংক
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : দেশের অর্থনীতিতে করোনা ছোবলে পর থেকে প্রয়োজনীয় মূলধন সংরক্ষণ করতে পারেনি ১৩টি ব্যাংক। করোনার পর থেকে এই পর্যন্ত ব্যাংক খাতকে বাঁচাতে নানা ধরনের ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু মন্দার শুরু আগেই বেকায়দায় রয়েছে ব্যাংকগুলো।

আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুসারে ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি রয়েছে ২৫ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা। এসব ব্যাংক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। নতুন করে কোনো ঝুঁকি এলে ব্যাংক সেটি মোকাবিলার পরিবর্তে নিজেই বড় ধরনের সংকটে পড়বে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বরে মূলধনে ঘাটতিতে পড়া ব্যাংক ছিল ১২টি। তিন মাসে সংকটপূর্ণ ব্যাংক একটি বেড়েছে। মূলধন ঘাটতিতে পড়া ১৩ ব্যাংকের মধ্যে ৭টি সরকারি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূলধন ঘাটতি রয়েছে সরকারি মালিকানাধীন বিশেষায়িত খাতের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের। মার্চ শেষে ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতি হয়েছে ৯ হাজার ৭৬২ কোটি টাকা। তিন মাস আগে গত ডিসেম্বরে ছিল ৯ হাজার ৪১১ কোটি টাকা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৭৯০ কোটি টাকা ঘাটতি রয়েছে আরেক সরকারি ব্যাংক সোনালীর। দেশের শীর্ষ এ ব্যাংকের ডিসেম্বরে মূলধন ঘাটতি ছিল ৯ হাজার ৮৩২ কোটি টাকা। সরকারি অন্য

ব্যাংকগুলোর মধ্যে জনতার ২ হাজার ৫৬৩ কোটি, অগ্রণীর ২ হাজার ৪৭৫ কোটি, বেসিকের ১ হাজার ৫৪ কোটি ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) ৮৫৬ কোটি ও রূপালী ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি রয়েছে ৪৪৪ কোটি টাকা।

বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে আইসিবির ১ হাজার ৬০৭ কোটি, বাংলাদেশ কমার্সের ৯৩৫ কোটি, পদ্মার ৩২৫ কোটি, বাংলাদেশ পুলিশের কমিউনিটি ব্যাংকের ৮ কোটি, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের ৮ কোটি ও বেসরকারি খাতের ন্যাশনাল ব্যাংক ও পাকিস্তানের ৭৭ কোটি টাকা মূলধন ঘাটতি রয়েছে। ডিসেম্বরে মূলধন উদ্বৃত্ত থাকলেও মার্চে ঘাটতিতে পড়েছে এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক।

আন্তর্জাতিক ব্যাসেল-৩ নীতিমালা অনুসারে কোনো ব্যাংকের ৪০০ কোটি অথবা মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশের মধ্যে যেটি বেশি তা মূলধন হিসেবে সংরক্ষণ করতে হয়। গত মার্চ শেষে ব্যাংকিং খাতে মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ ছিল ১০ লাখ ৮৫ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা। এর বিপরীতে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৩ কোটি টাকা মূলধন সংরক্ষণের প্রয়োজন ছিল। ১৩ ব্যাংকের ঘাটতি হলেও অনেক ব্যাংক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি মূলধন সংরক্ষণ করেছে। ফলে সামগ্রিকভাবে মূলধন সংরক্ষণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ২১৪ কোটি টাকা, যা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি। এতে সামগ্রিকভাবে মূলধন পর্যাপ্ততার হার দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩৫ শতাংশ, যেখানে প্রয়োজন ১০ শতাংশ।

করোনা সংকটের কারণে ঋণ আদায় হবে না, খেলাপি ঋণ বাড়বে ব্যাংকগুলো নগদ টাকা ও মূলধনের সংকটে পড়বে এমন আশঙ্কা পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোও করেছে। মূলধনের ভিত্তি শক্তিশালী করে করোনা সংকট মোকাবিলায় ব্যাংকগুলোকে সক্ষম করতে ইউরোপের দেশগুলো ও ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লভ্যাংশ বিতরণ স্থগিত করেছে। বাংলাদেশে এটি করা হলেও পরে সামান্য শিথিল করা হয়। এ ছাড়া অনাদায়ী ঋণকে খেলাপি না দেখানো ও নীতিগত নানা ধরনের ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের জোগান দেওয়া অর্থ ও মুনাফার একটি অংশ মূলধন হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। কোনো ব্যাংক মূলধনে ঘাটতি রেখে তার শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে পারে না।

গভর্নরহীন কেন্দ্রীয় ব্যাংক, দায়িত্বে ডেপুটি গভর্নর
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ (৩ জুলাই)। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) গভর্নর হিসেবে ছিল তার শেষ কার্যদিবস। এদিকে গভর্নরের অবর্তমানে দুই ডেপুটি গভর্নরকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। বর্তমানে অর্থমন্ত্রীও দেশে নেই। সব মিলিয়ে অন্তত কিছু দিনের জন্য গভর্নরহীন হয়ে পড়ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব মো. জেহাদ উদ্দিন স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের অবর্তমানে ডেপুটি গভর্নর-১ এস এম মনিরুজ্জামান ও ডেপুটি গভর্নর-২ আহমেদ জামাল দায়িত্ব পালন করবেন। বর্তমান গভর্নর ফজলে কবিরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে শুক্রবার। অর্থাৎ এর পরদিন থেকেই গভর্নরের দায়িত্ব পালন করবেন এ দুই ডেপুটি গভর্নর।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের অবর্তমানে দৈনন্দিন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে গভর্নরের যোগদানের আগ পর্যন্ত ব্যাংকের ডেপুটি মনিরুজ্জামান ও আহমেদ জামাল নিজ নিজ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। এসএম মনিরুজ্জামান গভর্নরের দৈনিক ডাক দেখবেন এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠাবেন। পরে নিয়োগপ্রাপ্ত গভর্নরকে ডেপুটি গভর্নরদ্বয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করবেন প্রয়োজনে কার্যোত্তর অনুমোদন গ্রহণ করবেন।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, এটা বর্তমান আইনেই বলা আছে যে, গভর্নরের অবর্তমানে দায়িত্ব পালন করবেন দুই ডেপুটি গভর্নর। সেই অনুসারেই এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে করোনাভাইরাসের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এক লাখ কোটি টাকারও বেশি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এ প্যাকেজ বাস্তবায়ন হবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গাইডলাইনে। তাই সরকার বর্তমান গভর্নর ফজলে কবিরকে আরও দুই বছর রাখতে চায়। এ সংক্রান্ত আইনও সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু আইনটি সংসদে এখনও পাস হয়নি। এছাড়া বর্তমানে অর্থমন্ত্রীও চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে রয়েছেন। সব মিলিয়ে আইন সংশোধনের আগে গভর্নর নিয়োগ দেবে না সরকার। আইন সংশোধন হলে পুনরায় ফজলে কবিরকে নিয়োগ দেয়া হতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান গভর্নর ফজলে কবিরকে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের বর্তমান বয়সসীমা ৬৫ থেকে বাড়িয়ে ৬৭ বছর করতে চলতি বছরের ৮ জুন মন্ত্রিসভায় আইন সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। পরে সংশোধনীটি সংসদের বাজেট অধিবেশনে পাঠানো হয়। সংশোধনীটি ২৯ জুন সংসদের নোটিশে আনা হলেও শেষ পর্যন্ত উত্থাপিত হয়নি।

এসএইচ/ এমটি

আগস্টের মধ্যে প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ বিতরণের নির্দেশ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবে অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবিলায় ঘোষিত বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণ বিতরণ দ্রুত সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিশেষ করে শিল্প ও সেবাখাতের ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের ২০ হাজার কোটি টাকা চলতি জুলাই ও আগামী আগস্টের মধ্যে বিতরণ সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্প‌তিবার (২ জুলাই) গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেয়া হয়।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একটি সার্কুলার জারি করে রাতেই ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ছোট ও বড় ব্যবসায়ীদের জন্য সরকার প্রায় এক লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ পাবে বড় শিল্পখাত। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাত পাবে ২০ হাজার কোটি টাকা। এসব ঋণের সুদ ৯ শতাংশ হিসাব করা হলেও ঋণগ্রহীতাদের দিতে হবে গড়ে অর্ধেক সুদ। বাকি অর্থেক সুদের অর্থ সরকার ভর্তুকি আকারে ব্যাংকগুলোকে দিয়ে দেবে।

এসএইচ/ এমটি

বাংলাদেশি পণ্য নিতে চায় না ভারত
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রায় আড়াই মাস বন্ধ থাকার পর স্থলবন্দর আবার চালু হলেও ভারতের বাধার কারণে বাংলাদেশি পণ্য সে দেশে ঢুকতে পারছে না। তবে ভারত থেকে বাংলাদেশে পণ্য আমদানি স্বাভাবিক রয়েছে। রপ্তানিতে বাধা দূর করতে দিল্লিকে চিঠি দিয়েছে ঢাকা।

পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং আমদানি-রপ্তানিতে সংশ্লিষ্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

নৌ সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন সংবাদমাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশি পণ্য ভারতে প্রবেশের বাধা দূর করতে কূটনৈতিকভাবে চেষ্টা চলছে। তারা আশা করছেন দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে প্রায় আড়াই মাস স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। জুনের শুরুর দিকে বন্দর আবার চালু হয়। ভারত থেকে বাংলাদেশে পণ্য ঢুকলেও বাংলাদেশ থেকে ভারতে পণ্য ঢুকতে বাধা দেয় প্রতিবেশী দেশটি।

বাংলাদেশের পণ্য প্রবেশে বাধা নিয়ে দিল্লির সঙ্গে কয়েক দফা যোগাযোগ করে ঢাকা। দুই দেশই নির্বিঘ্নে পণ্য আমদানি-রপ্তানিতেঁ একমত হয়।

বাণিজ্য চালু করতে ভারত-বাংলাদেশ একমত হওয়ার পরও এ দেশের পণ্য ঢুকতে বাধা দেওয়াকে হতাশাজনক বলছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, ‘কেন বাংলাদেশি পণ্য প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছেন তিনি।

মূলত পশ্চিমবঙ্গের বাধার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানিতে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি সিঅ্যান্ডএফের (ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং) সদস্যরা জানান, তারা পণ্য রপ্তানি করতে না পারলে ভারতীয় পণ্য আমদানিও করবেন না। এ নিয়ে আজ মঙ্গলবার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

মহামারির মধ্যেও বাড়ল সোনার দাম
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : কোভিড-১৯ মহামারীকালে সোনার ভরি বেড়ে এক লাফে প্রায় ৭০ হাজার টাকায় উঠেছে। বাংলাদেশের বাজারে এর আগে কখনই এত বেশি দামে সোনা বিক্রি হয়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা।

তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সাম্প্রতিক সময়ে সোনার দর অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারেও তাদের দাম বাড়াতে হয়েছে। “আমরা হিসাব করে দেখেছি, বিশ্ব বাজারে প্রতি ভরি গোল্ডের দাম ৭ হাজার টাকা বেড়েছে। আমরা সেখানে ৫ হাজার ৭১৫ বাড়িয়েছি।”

অতীতে দেখা গেছে, দেশের বাজারে সোনার দাম সাধারণত ভরিতে এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা হ্রাস-বৃদ্ধি করা হয়। তবে এবার সবচেয়ে ভালো মানের সোনার দর (২২ ক্যারেট) এক লাফে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে জুয়েলার্স সমিতি।

মঙ্গলবার থেকে এই মানের প্রতি ভরি সোনা ৬৪ হাজার ৪২ টাকার পরিবর্তে ৬৯ হাজার ৮৬৭ টাকায় কিনতে হবে। জুয়েলার্স সমিতি সোমবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়।

তাতে বলা হয়, “করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ববাজারে সোনার দাম সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। “ফলে দেশের বুলিয়ন মার্কেটে সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে সোনার দাম পুনর্নির্ধারণ করেছেন।”

গত দুই সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স (২ দশমিক ৬৫ ভরি) সোনার দাম ৩০০ ডলার বেড়েছে বলে জানান আগরওয়ালা।

নতুন দর অনুযায়ী মঙ্গলবার থেকে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনা ৬৯ হাজার ৮৬৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৬৬ হাজার ৭১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫৭ হাজার ৯৭০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি বিক্রি হবে ৪৭ হাজার ৬৪৭ টাকায়।

সোমবার পর্যন্ত প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনা ৬৪ হাজার ১৫২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৬১ হাজার ৮১৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫৬ হাজার ৮০৪ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা বিক্রি হয়েছে ৪৪ হাজার ৩১ টাকায়। সর্বশেষ গত ২৮ মে দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স (৩১.১০৩৪৭৬৮ গ্রাম) সোনার দাম ছিল ১ হাজার ৭১৯ মার্কিন ডলার। সোমবার রাতে সেটি বেড়ে হয় ১ হাজার ৭৫৭ ডলার হয়েছে। ।

আগরওয়ালা বলেন, গত ১৫ দিন ধরে সোনার বাজার অস্থির। প্রতি ঘণ্টায় বাড়ছে দর। আন্তর্জাতিক বাজারে আট বছরের মধ্যে সোনার দাম সর্বোচ্চ উপরে উঠেছে।

“কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে হঠাৎ করেই বিশ্ব বাজারে গোল্ডের চাহিদা বেড়ে গেছে। সবাই এখন গোল্ড কিনে মজুদ করে রাখছে। চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে বেশ কিছুদিন ধরে সোনার দর বাড়ছিল। সম্প্রতি চীনের সঙ্গে ভারতের অস্থিরতার কারণেও গোল্ডের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।”

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম আরও বাড়তে বলে আভাস দিয়ে তিনি বলেন, “কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে সবাই এখন নিরাপদ বিনিয়োগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গোল্ড কিনে মজুদ করে রাখছে। সে কারণে দাম আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।” সোনার দাম বাড়লেও দেশে রুপার দাম অপরিবর্তিত থাকবে, ভরি ৯৩৩ টাকায়।

এলসি খুলেছে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড

নতুন বাজেটে সোনা আমদানির উপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ কমানোয় তার প্রভাবে স্থানীয় বাজারে দাম খুব বাড়বে না বলে মনে করছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী আগারওয়ালা। তিনি বলেন, “এতদিন বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে সোনা আমদানি হত না। নীতিমালার মাধ্যমে সোনা আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও ভ্যাট বেশি হওয়ার কারণে কেউ আমদানি করতে আগ্রহ দেখায়নি। এবারের বাজেটে ভ্যাট কমানোয় অনেকেই আমদানির উদ্যোগ নিয়েছেন।”

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের কর্ণধার আগরওয়ালা বলেন, “আমাদের ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের পক্ষ থেকে আজ দুবাই থেকে ১১ কেজি গোল্ড আমদানির জন্য এলসি খুলেছি। আশা করছি, দুই সপ্তাহের মধ্যে এই গোল্ড দেশে আসবে। “গোল্ড আমদানির অনুমতি দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আমাদের লাইসেন্স দিয়েছে। আমরাই প্রথম দেশে সোনা আমদানির জন্য এলসি খুলেছি।” সবাই সোনা আমদানি শুরু করলে স্থানীয় বাজারে এর দর স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করছেন আগরওয়ালা।


   Page 1 of 90
     অর্থ-বাণিজ্য
অবশেষে কমল সোনার দাম
.............................................................................................
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ব্যয় হ্রাস পাবে
.............................................................................................
দেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২০৬৪ ডলার
.............................................................................................
করোনায় চতুর্থবারের মতো বাড়ল স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
করোনাকালেও প্রবাসী আয়ে রেকর্ড
.............................................................................................
সর্বোচ্চ দামের ইতিহাস গড়ল স্বর্ণ
.............................................................................................
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মালবাহী ট্রেন সার্ভিস শুরু
.............................................................................................
চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতের ট্রান্সশিপমেন্টের প্রথম পরীক্ষামূলক চালান
.............................................................................................
আরও দুই বছরের জন্য গভর্নর হলেন ফজলে কবির
.............................................................................................
দু’দেশের সিদ্ধান্তের পর পণ্যবাহী প্রথম ভারতীয় ট্রেন আসলো বেনাপোলে
.............................................................................................
গভর্নরের কার্যকাল বাড়লো দুই বছর
.............................................................................................
বড় অঙ্কের মূলধন সংকটে ১৩ ব্যাংক
.............................................................................................
গভর্নরহীন কেন্দ্রীয় ব্যাংক, দায়িত্বে ডেপুটি গভর্নর
.............................................................................................
আগস্টের মধ্যে প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ বিতরণের নির্দেশ
.............................................................................................
বাংলাদেশি পণ্য নিতে চায় না ভারত
.............................................................................................
মহামারির মধ্যেও বাড়ল সোনার দাম
.............................................................................................
এক যুগের মধ্যে সর্বনিম্ন রেকর্ড
.............................................................................................
এবারের বাজেটে মানুষকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
করোনায় থেমে নেই মোংলা বন্দর, বাড়ছে আমদানি রফতানি
.............................................................................................
রফতানি বেড়েছে তিনগুণ
.............................................................................................
লভ্যাংশের নিষেধাজ্ঞা উঠলেও ব্যাংকে আস্থা আসছে না
.............................................................................................
ব্যাংক থেকে আগামী অর্থবছরে দ্বিগুণ টাকা নিতে চায় সরকার
.............................................................................................
প্রবৃদ্ধি আড়াই শতাংশের বেশি হবে না : সিপিডি
.............................................................................................
বিজিএমইএকেই ‘দায় নিতে হবে’ শ্রমিকদের বের করার ফলে
.............................................................................................
করোনা ভাইরাসে লোকসানে তথ্যপ্রয্ক্তুরি বিনিয়োগকারীরা
.............................................................................................
বাগেরহাটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে মাস্ক তৈরি
.............................................................................................
করোনার প্রভাবে মোংলার বাণিজ্যে স্থবিরতা
.............................................................................................
মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাজারে এলো ২০০ টাকার নোট
.............................................................................................
ব্যাংকের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ
.............................................................................................
উৎপাদকরা দাম যুদ্ধ শুরু করার সাথে সাথে এশিয়ায় তেল ডুবে গেছে
.............................................................................................
ধনবাড়ীতে ব্যাংক এশিয়ার শাখা উদ্বোধন
.............................................................................................
মহাদেবপুরে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের উদ্বোধন
.............................................................................................
করোনাভাইরাস এবং তেল : কেন অশোধিত মারাত্মক আঘাত হানে
.............................................................................................
পেঁয়াজের দাম কেজিতে বাড়ল ৪০ টাকা
.............................................................................................
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যের ৮০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড অনুদান
.............................................................................................
ঢাকা সিটির ভোট কেন্দ্রে চলছে অনুশীলনমূলক ভোটিং
.............................................................................................
ইলিশ ধরা পড়ছে বিস্ময়কর হারে
.............................................................................................
চীন, ভারত ও পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ
.............................................................................................
পদ্মা ব্যাংক এক বছরের মধ্যে স্টক মার্কেটে চলে আসবে : অর্থমন্ত্রীর প্রত্যাশা
.............................................................................................
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
.............................................................................................
সরকারি তহবিলের অর্ধেক বাণিজ্যিক ব্যাংকে রাখতে হবে
.............................................................................................
সোনার চেয়ে মূল্যবান: ধাতব প্যালেডিয়াম কেন বাড়ছে
.............................................................................................
বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৮, বলছে জাতিসংঘ
.............................................................................................
আগামীকাল বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু
.............................................................................................
ভয়াবহ বিপর্যয়ে পুঁজিবাজার
.............................................................................................
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দ্বিতীয় দিন অব্যাহত দরপতনে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা
.............................................................................................
সিএএ : মাইক্রোসফ্ট বস ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইনকে `দুঃখজনক` বলেছেন
.............................................................................................
রপ্তানিতে নগদ সহায়তার উৎসে কর অর্ধেক
.............................................................................................
নৌবাহিনীর বহরে আধুনিক যুদ্ধজাহাজ ওমর ফারুক হও আবু উবাইদাহ
.............................................................................................
কার্লোস ঘোসন : নিসান তদন্তকে `গ্রস বিকৃতকরণ`
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD