| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > ইবি ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি   > ‘ভোটে বিচ্যুতি হলে সরকার হটানোর আন্দোলন’   > পর্দা নয় এবার বাস্তবে বাংলাদেশি ‘ভাইজান’কে দেখল ভারতবাসী!   > সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে : প্রধানমন্ত্রী   > মেডিকেল শিক্ষার্থীর দায়বদ্ধতা রয়েছে জনগণের কাছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী   > হেলিকপ্টার থেকে প্রধানমন্ত্রীর মোবাইলে পদ্মা সেতুর ছবি   > পাকিস্তানের জয়ের পর শোয়েব মালিকের টুইটবার্তা   > সীমান্ত হত্যা: বিএসএফের `গরু পাচার` যুক্তি মানছে না বিজিবি   > ১৩ অভিজাত ক্লাবে জুয়ার বিষয়ে রায় আগামী ২৮ জানুয়ারি   > মুজিববর্ষে বিএসএমএমইউতে বিনামূল্যে চিকিৎসা  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশের এক কোটিরও বেশি মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়েছেন।

মাথার ঘাম পায়ে ঠেলে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বা রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশি অভিবাসীদের সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে দেশের বার্ষিক রেমিটেন্সের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে চলেছে।

বিদেশে পাড়ি জমানো এ প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে

আজ বৃহস্পতিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২০ তারিখের মুদ্রার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো: 

দেশের বাজারে আজ ১ মার্কিন ডলার কেনা হচ্ছে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা দিয়ে, বিক্রি হচ্ছে ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা দরে।

ইউরোজোনের একক মুদ্রা ইউরো কেনা হচ্ছে ৯৪ টাকা ২০ পয়সা দিয়ে, বিক্রি হচ্ছে ৯৭ টাকা দরে।

ভারতীয় রুপি কেনা হচ্ছে ১ টাকা ২০ পয়সা দরে, বিক্রি হচ্ছে ১ টাকা ২৫ পয়সা দরে।

মালয়েশিয়ার রিঙ্গিত কেনা হচ্ছে ১৯ টাকা ৫০ পয়সা দরে। বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা ৮০ পয়সা দরে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম কেনা হচ্ছে ২২ টাকা ৬০ পয়সা দরে, বিক্রি হচ্ছে ২৩ টাকা ৩০ পয়সা দরে।

 

আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশের এক কোটিরও বেশি মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়েছেন।

মাথার ঘাম পায়ে ঠেলে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বা রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশি অভিবাসীদের সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে দেশের বার্ষিক রেমিটেন্সের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে চলেছে।

বিদেশে পাড়ি জমানো এ প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে

আজ বৃহস্পতিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২০ তারিখের মুদ্রার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো: 

দেশের বাজারে আজ ১ মার্কিন ডলার কেনা হচ্ছে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা দিয়ে, বিক্রি হচ্ছে ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা দরে।

ইউরোজোনের একক মুদ্রা ইউরো কেনা হচ্ছে ৯৪ টাকা ২০ পয়সা দিয়ে, বিক্রি হচ্ছে ৯৭ টাকা দরে।

ভারতীয় রুপি কেনা হচ্ছে ১ টাকা ২০ পয়সা দরে, বিক্রি হচ্ছে ১ টাকা ২৫ পয়সা দরে।

মালয়েশিয়ার রিঙ্গিত কেনা হচ্ছে ১৯ টাকা ৫০ পয়সা দরে। বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা ৮০ পয়সা দরে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম কেনা হচ্ছে ২২ টাকা ৬০ পয়সা দরে, বিক্রি হচ্ছে ২৩ টাকা ৩০ পয়সা দরে।

 

সরকারি তহবিলের অর্ধেক বাণিজ্যিক ব্যাংকে রাখতে হবে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :ব্যাংক ঋণের সুদ হার সিঙ্গেল ডিজিট এবং সরল সুদ কার্যকর করার নিমিত্তে

সরকারি তহবিলের অর্ধেক বেসরকারি ব্যাংকে আমানত রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বেসরকারি ব্যাংকে ৬ শতাংশ হারে সরকারি তহবিল আমানত হিসাবে রাখা যাবে।

বাকি ৫০ শতাংশ সরকারি ব্যাংকে সাড়ে ৫ শতাংশ সুদে আমানত রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

যদিও সরল সুদ ও সিঙ্গেল ডিজিট বাস্তবায়নের বিষয়টি ঝুলে গেছে এবং বারবার ডেটলাইন পরিবর্তন করায় সংশয় রয়ে গেছে।

 সূত্র জানায়, সুদের হার কমাতে ব্যাংকগুলোকে দেওয়া সুবিধার অন্যতম এটি। যদিও একগুচ্ছ সুবিধা নিয়েও কথা রাখেনি ব্যাংকগুলো।

বরং একের পর এক অজুহাত তুলে কালক্ষেপণ করছে। কিন্তু সুবিধাগুলো ঠিকই ভোগ করে চলেছে।

গতকাল সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়,

এডিপি এবং পরিচালন বাজেটের আওতায় প্রাপ্ত অর্থ, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা এবং

সরকার মালিকানাধীন কোম্পানির নিজস্ব তহবিলের উদ্বৃত্ত অর্থের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাংলাদেশে ব্যাংকিং

ব্যবসায় নিয়োজিত বেসরকারি ব্যাংক অথবা অব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান অথবা

উভয় ধরনের প্রতিষ্ঠানে আমানত রাখার জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে সুদের হার এক অঙ্কে নামিয়ে আনা প্রয়োজন।

সে পরিপ্রেক্ষিতে সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে উল্লেখিত উত্সসমূহের উদ্বৃত্ত অর্থ সর্বোচ্চ

৫ দশমিক ৫০ শতাংশ সুদহারে রাষ্ট্রমালিকাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকে এবং মোট উদ্বৃত্ত অর্থের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ

সুদহারে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকে মেয়াদি আমানত রাখা যাবে। তবে প্রতিষ্ঠানসমূহের ভবিষ্যত্ তহবিলের অর্থ,

পেনশন তহবিলের অর্থ এবং এন্ডাউমেন্ট ফান্ডের অর্থ এর আওতা বহির্ভূত থাকবে।

সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ব্যাংকের সুদহার বেঁধে দেওয়ার পর আমানতকারীদের সবাই যাতে সরকারি ব্যাংকের দিকে ঝুঁকে না পড়েন,

তা ঠেকাতে বেসরকারি ব্যাংকে ডিপোজিটে মুনাফা বেশি থাকবে।

সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যাংকে ডিপোজিটের ক্ষেত্রে যদি সুদ হার ৬ শতাংশ করে দেওয়া হয়,

তাহলে সবাই সরকারি ব্যাংকে টাকা রাখবে। তাই সরকারি ব্যাংকে ডিপোজিটের সুদ হার হবে

সাড়ে ৫ শতাংশ এবং বেসরকারি ব্যাংকে ডিপোজিটের ক্ষেত্রে সুদ হার হবে ৬ শতাংশ।

দুই জায়গায় ৬ শতাংশ হলে, বিভিন্ন কারণে সবাই চলে যাবে সরকারি ব্যাংকে। এজন্য আমরা এক্ষেত্রে আধা শতাংশ পার্থক্য রাখছি।

এর আগে ২০১৮ সালের ২ এপ্রিল সরকারের নিজস্ব অর্থের ৫০ শতাংশ বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকে

রাখার বিধান রেখে প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে ঐ প্রজ্ঞাপনে আমানত রাখার ওপর সুদের হার নির্ধারণ করে দেওয়া হয়নি।

এমনকি সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে সুদের পার্থক্যও রাখা হয়নি। নতুন প্রজ্ঞাপনে এগুলো স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, আগামী ১ এপ্রিল থেকে সব ধরনের ব্যাংক ঋণে সুদ হার সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ এবং

আমানতে সুদ হার সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার।

সোনার চেয়ে মূল্যবান: ধাতব প্যালেডিয়াম কেন বাড়ছে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : মূল্যবান ধাতব প্যালেডিয়ামের দাম বিশ্বব্যাপী পণ্য বাজারে বেড়েছে।

এটি গত দুই সপ্তাহে ২৫% এরও বেশি বেড়েছে এবং গত বছরের তুলনায় এটি প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

প্রায় $ ২.৫০০ (এক হাজার ৯২২ ডলার) প্যালেডিয়াম এক আউন্স সোনার চেয়ে দামি এবং এর দাম বাড়ানোর জন্য চাপগুলি শীঘ্রই খুব সহজেই কমার সম্ভাবনা নেই।

তবে প্যালাডিয়াম কী, এটি কীসের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং কেন এর দাম বাড়ছে?

প্যালেডিয়াম কী?
এটি প্লাটিনাম হিসাবে একই গ্রুপে একটি চকচকে সাদা ধাতু, পাশাপাশি রুথেনিয়াম, রোডিয়াম, অসমিয়াম এবং ইরিডিয়াম।

বিশ্বের প্যালেডিয়ামের বেশিরভাগ অংশ রাশিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসে।

এর বেশিরভাগ অংশ অন্যান্য ধাতব, সাধারণত প্ল্যাটিনাম এবং নিকেলের খনিতে উৎপাদন হিসাবে উৎপন্ন হয়।

এটা কি কাজে লাগে?

এর মূল বাণিজ্যিক ব্যবহার অনুঘটক রূপান্তরকারীগুলির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসাবে রয়েছে -

একটি গাড়ী এক্সস্ট সিস্টেমের একটি অংশ যা নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করে - প্রধানত পেট্রোল এবং হাইব্রিড যানবাহনে পাওয়া যায়।

৮০% এরও বেশি প্যালাডিয়ামের বিস্তৃত অংশগুলি এই ডিভাইসগুলিতে ব্যবহৃত হয় যা

বিষাক্ত গ্যাসগুলি যেমন কার্বন মনোক্সাইড এবং নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইডকে কম ক্ষতিকারক নাইট্রোজেন,

কার্বন ডাই অক্সাইড এবং জলীয় বাষ্পে পরিণত করে।

এটি ইলেক্ট্রনিক্স, ডেন্টিস্ট্রি এবং গহনাগুলিতেও খুব কম পরিমাণে ব্যবহৃত হয়।

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ধাতবটির উড়ানের মূল্য বিশ্বজুড়ে অনুঘটক রূপান্তরকারীদের চুরিতে লাফিয়ে উঠেছে।

লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, ২০১৯ সালের প্রথম ছয় মাসে চুরির সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় ৭০% বেশি ছিল।

কেন এর দাম বাড়ছে?

সংক্ষেপে, এটি কারণ প্যালেডিয়াম সরবরাহের সরবরাহকে ছাড়িয়ে যায় এবং এটি কিছু সময়ের জন্য হয়ে পড়ে।

২০১৯ সালে উত্পাদিত ধাতুর পরিমাণ একের পর এক অষ্টম বছর বিশ্বব্যাপী চাহিদার চেয়ে কম হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

প্ল্যাটিনাম এবং নিকেল নিষ্কাশনের একটি গৌণ পণ্য হিসাবে,

খনিজকারীদের ক্রমবর্ধমান দামের প্রতিক্রিয়া হিসাবে প্যালেডিয়াম আউটপুট বাড়ানোর জন্য কম স্বাচ্ছন্দ্য রয়েছে।

এবং এই ঘাটতি অব্যাহত রয়েছে বলে মনে হচ্ছে, দক্ষিণ আফ্রিকা, যা বিশ্বের সরবরাহের প্রায় ৪০% উত্পাদন করে,

এক সপ্তাহের আগের তুলনায় নভেম্বরে প্যালাডিয়াম সহ প্ল্যাটিনাম গ্রুপের ধাতুগুলির উৎপাদন  তার কমেছে ১৩.৫%।

এদিকে, বেশ কয়েকটি কারণে গাড়ি নির্মাতাদের কাছ থেকে প্যালেডিয়ামের চাহিদা তীব্রভাবে বেড়েছে।

বিশ্বজুড়ে সরকারগুলি, বিশেষত চীন, তারা পেট্রোল যানবাহন থেকে বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করার কারণে নিয়মনীতি কঠোর করে চলেছে।

একই সাথে ইউরোপে ডিজেল নিঃসরণ কেলেঙ্কারিরও প্রভাব পড়েছে।

সেখানকার গ্রাহকরা ডিজেল গাড়িগুলি থেকে সরে যাচ্ছেন, যা বেশিরভাগ তাদের অনুঘটক রূপান্তরকারীগুলিতে প্ল্যাটিনাম ব্যবহার করে

এবং এর পরিবর্তে প্যালেডিয়াম ব্যবহার করে পেট্রোল চালিত যানবাহন কিনছে।

এই মাসের গোড়ার দিকে স্বাক্ষরিত মার্কিন-চীন বাণিজ্য চুক্তিও দাম বাড়িয়েছে।

ব্যবসায়ীরা আশা করছেন যে চুক্তিটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উপর নিম্নচাপকে স্বাচ্ছন্দ্য করতে এবং চীনা গাড়ি বিক্রয়কে হ্রাস করতে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৮, বলছে জাতিসংঘ
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  গত বছরের তুলনায় এ বছর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কম হতে পারে।

চলতি ২০২০ অর্থবছরের বাংলাদেশের মোট জাতীয় উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ,

গত বছর যা ছিল ৮ দশমিক ১০ শতাংশ।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে জাতিসংঘ।

বৈশ্বিক অর্থনীতির সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে সম্প্রতি ‘বিশ্ব অর্থনীতির পরিস্থিতি এবং সম্ভাবনা-২০২০’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ ।

তাতে বলা হচ্ছে, ২০২০ সালে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কম হলেও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে সর্বোচ্চ।

প্রতিবছর জাতিসংঘ এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার প্রবৃদ্ধি গড়ে গোটা বিশ্বে জিডিপি প্রবৃদ্ধির চেয়ে দ্রতগতিতে কমছে।

২০১৮ সালে দক্ষিণ এশিয়ার প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৬ শতাংশ হলেও ২০১৯ সালে তা ছিল ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

তবে এ সত্ত্বেও বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ ও নেপালের প্রবৃদ্ধি ছিল শক্তিশালী অবস্থানে।

এ বছর বাংলাদেশের চেয়ে প্রবৃদ্ধি কম হবে প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের।

চলতি বছরে দেশ দুটির প্রবৃদ্ধি হবে যথাক্রমে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ২ দশমিক ১০ শতাংশ।

তবে গত শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জাতিসংঘ বলেছে,

গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কম হওয়া ছাড়াও এ বছর দেশটিতে উচ্চমাত্রায় মুদ্রাস্ফীতি হতে পারে।

জাতিসংঘের ‘বিশ্ব অর্থনীতির পরিস্থিতি এবং সম্ভাবনা-২০২০’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে,

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য দ্বন্দ্বের কারণে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প অনেকটা সম্প্রসারিত হয়েছে।

যা ২০১৯ সালে বাংলাদেশকে ৮ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করে।’

এছাড়া চলতি বছরে বাংলাদেশে দ্রব্যম্ল্যু বৃদ্ধি পাবে ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ হারে, গত বছর যা ছিল ৫ দশমিক ১০।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বাংলাদেশের উন্নতির বিষয়টির উল্লেখ করে বলা হয়েছে,

স্বল্পোন্নত যেসব দেশ অন্তত ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারবে না তারা এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা থেকে ছিঁটকে পড়বে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মাত্র ১৫টি দেশ এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাঙ্খিত জিডিপি অর্জন করতে পারছে।

দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, বেনিন, কম্বোডিয়া, ইথিওপিয়া, রুয়ান্ডা, সেনেগাল ও দক্ষিণ সুদান।

এসডিজি বাস্তবায়নে ১৭টি লক্ষ্য অর্জন করার পথে রয়েছে এসব দেশ।

বাণিজ্য বিরোধের কারণে ২০১৯ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি কমে হয় এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন ২ দশমিক ৩ শতাংশ হয়। এ বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে জাতিসংঘ বলছে, যদি বিরোধ কমে তাহলে ২০২০ সালে বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৫ শতাংশ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

আগামীকাল বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : আগামীকাল টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে দাওয়াতে তাবলিগের ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হচ্ছে ।

তবে আজ বাদ আসর শুরু হবে প্রাক-বয়ান।

কনকনে শীত উপেক্ষা করে গতকাল বুধবার থেকেই মুসল্লিরা আসতে শুরু করেছেন।

আগামী রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।

 প্রথম পর্ব শেষে সোমবার রাতের মধ্যে ইজতেমা ময়দান ছাড়েন মুসল্লিরা। দ্বিতীয় পর্বের সংগঠকরা গত মঙ্গলবার মাঠের দায়িত্ব বুঝে নেন।

গতকাল বুধবার বাদ মাগরিব মাওলানা সা’দ আহমদ কান্ধলভী মনোনীত দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের ৩২ সদস্যের জামাত ময়দানে এসে পৌঁছেছেন।

এ জামাতের নেতৃত্বে রয়েছেন শূরা সদস্য মাওলানা আবদুস সাত্তার।

এ জামাতকে অভ্যর্থনা জানান বাংলাদেশের শূরা সদস্য সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম ও মুফতি ইজাহার আহমেদ।

এদিন ইজতেমার বিভিন্ন দায়িত্বে নিয়োজিতদের উদ্দেশে বিশেষ বয়ান (নজমের বয়ান) করেন ভারতের মাওলানা মুফতি রিয়াজুর রহমান।

আগত মুসল্লিরা যাতে কষ্ট না পান, তাদের যাতে কোনো সমস্যা না হয়- বয়ানে সেদিকে গুরুত্ব দেন তিনি।

এছাড়া বিভিন্ন দায়িত্ব সম্পাদনের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন কমিটি করা হয়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, দ্বিতীয় পর্বেও প্রথম পর্বের মতো বহুমাত্রিক নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৮ হাজার সদস্য এ কাজে নিয়োজিত থাকবেন।

যাত্রাবাড়ী থেকে আসা আবুল হোসেন বলেন, ইজতেমায় এসেছি আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের আশায়।

আখেরি মোনাজাত শেষে চিল্লার জামাতে বের হয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ।

গাজীপুর থেকে আসা আবদুর রশীদ বলেন, ইজতেমায় অংশগ্রহণ করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে হয়,

তাই যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই ইজতেমায় অংশগ্রহণ করব।

ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা মুসল্লি মো. সামসুল আরেফিন জানান, প্রথম চিল্লা (৪০ দিন) বাংলাদেশ ও ২য় চিল্লা ভারতে শেষ করে ইজতেমায় এসেছি।

আখেরি মোনাজাতের পর আবার তৃতীয় চিল্লায় দাওয়াতি কাজে বেরিয়ে যাব। আল্লাহকে রাজি-খুশি করতে পারলে জিন্দেগি ও আখেরাত সুন্দর হবে।

আয়োজক কমিটির অন্যতম সদস্য প্রকৌশলী শাহ মো. মুহিবুল্লাহ জানান, ময়দানের প্রস্তুতি প্রায় ৯০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে।

যা বাকি আছে আজ বৃহস্পতিবার (আজ) সকালের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।

তাবলিগ জামাতের স্বেচ্ছাসেবীদের প্রস্তুতি ছাড়াও ডেসকো, তিতাস, ওয়াসাসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট

সেবাদানকারী সংস্থাগুলো তাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম গত মঙ্গলবার রাতে মাঠ পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেন,

সরকার মুসল্লিদের সুবিধার্থে ইজতেমা মাঠে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে।

১৩টি গভীর নলকূপের মাধ্যমে ২য় পর্বেও প্রায় সাড়ে ৩ কোটি গ্যালন খাবার পানি ও ওজু-খোসলের পানি সরবরাহ করা হবে।

৮ হাজারের বেশি মুসল্লি একসঙ্গে টয়লেট ব্যবহার করতে পারবে।

দেশ-বিদেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এ পর্বেও সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

খিত্তাওয়ারি মুসল্লিদের অবস্থান : মিরপুর (খিত্তা-১, ২), সাভার (৩-৪), টঙ্গী (৫), উত্তরা (৬ ও ৭),

কাকরাইল (৮-১৪), মোহাম্মদপুর (১৫), যাত্রাবাড়ী (১৬), ডেমড়া (১৭), কেরানীগঞ্জ (১৮-১৯), ধামরাই (২০),

নবাবগঞ্জ/দোহার (২১), মানিকগঞ্জ (২২), টাঙ্গাইল (২৩), নারায়ণগঞ্জ (২৪), নেত্রকোনা (২৫), জামালপুর (২৬),

ময়মনসিংহ (২৭), কিশোরগঞ্জ (২৮), শেরপুর (২৯), গাজীপুর (৩০), বগুড়া (৩১), নরসিংদী (৩২), নওগাঁ (৩৩),

রাজশাহী (৩৪), নাটোর (৩৫), সিলেট (৩৮), সুনামগঞ্জ (৩৯), হবিগঞ্জ (৪০), মৌলভীবাজার (৪১), চাঁপাইনবাবঞ্জ (৪২),

জয়পুরহাট (৪৩), মুন্সীগঞ্জ (৪৪), মাদারীপুর (৪৫), শরীয়তপুর (৪৬), রাজবাড়ী (৪৭), ফরিদপুর (৪৮), গোপালগঞ্জ (৪৯),

পঞ্চগড় (৫০), নীলফামারী (৫১), লালমনিরহাট (৫২), গাইবান্ধা (৫৩), কুড়িগ্রাম (৫৪), ঠাকুরগাঁও (৫৫),

রংপুর (৫৬), দিনাজপুর (৫৭), ব্রাহ্মণবাড়িয়া (৫৮), চাঁদপুর (৫৯), খাগড়াছড়ি (৬০), ফেনী (৬১), রাঙ্গামাটি (৬২),

বান্দরবান (৬৩), লক্ষ্মীপুর (৬৪), নোয়াখালী (৬৫), কুমিল্লা (৬৬), কক্সবাজার (৬৭), চট্টগ্রাম (৬৮), চুয়াডাঙ্গা (৬৯),

কুষ্টিয়া (৭০), খুলনা (৭১), যশোর (৭২), ঝালকাঠি (৭৩), পটুয়াখালী (৭৪), বরিশাল (৭৫), ভোলা (৭৬),

বরগুনা (৭৭) ও পিরোজপুর (৭৮)। তুরাগ নদের পশ্চিমপাড়ে অবস্থিত খিত্তাগুলো হল- পাবনা (৩৬), সিরাজগঞ্জ (৩৭),

মাগুড়া (৭৯), সাতক্ষীরা (৮০), নড়াইল (৮১), ঝিনাইদহ (৮২), বাগেরহাট (৮৩) ও মেহেরপুর (৮৪)।

এ ছাড়াও ৮৫ ও ৮৬ নম্বর খিত্তা ও তুরাগ নদের পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত ৮৭নং খিত্তা সংরক্ষিত খিত্তা হিসেবে রাখা হয়েছে।

নজমের জামাত

ময়দানের নজমের দায়িত্বে রয়েছেন প্রকৌশলী শাহ মো. মুহিব্বুল্লাহসহ ১৩ সদস্যের কমিটি।

পানি ও গ্যাসের জামাতে রয়েছেন মো. আসাদুজ্জামানসহ ৯ জন, বিদ্যুতের জামাতে রয়েছেন প্রকৌশলী সুজাত আলীসহ ১৬ জন,

মাইকের জামাতে রয়েছেন আফজাল হোসেন মোল্লাসহ ৭ জন, নিজামুদ্দিনের মুরুব্বিদের জামাতে রয়েছেন ডা. নাফিজসহ ৫ জন,

বিদেশি খিমার নজমের জামাতে রয়েছেন মাওলানা বোরহানসহ ৬ জন,

আন্তুর্জাতিক শূরার জামাতে রয়েছেন প্রফেসর আবদুল হান্নানসহ ৩ জন এবং

বিদেশি মেহমানদের খেদমতের জামাতে মাওলানা সাইফুল্লাহসহ ৫ জন।

 

                                                                             

ভয়াবহ বিপর্যয়ে পুঁজিবাজার
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : স্মরণকালের সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে শেয়ারবাজার। ব্যাপক সম্ভাবনাময় এ খাতটি মুখ থুবড়ে পড়েছে।

সবার চোখের সামনে প্রতিদিনই হাওয়ায় মিশে যাচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকার বাজারমূলধন।

 গত ১০ মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ১ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা উধাও হয়ে গেছে। ফলে লাখো বিনিয়োগকারী পুঁজি হারিয়ে পথে বসেছেন।

শুধু বিনিয়োগকারী নন, শেয়ারবাজারে ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণে সর্বস্তরের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সঞ্চয়ের অর্থ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রাখা গ্রাহকের আমানতের টাকা এবং

মিশন থেকে ফিরে আসা বিভিন্ন কর্মকর্তাদের টাকাও মিশে গেছে এ ব্ল্যাকহোলে।

চাকরি হারিয়ে বেকার হয়েছেন বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসের কয়েক হাজার চাকরিজীবী।

পরিবার নিয়ে তারাও পথে বসেছেন। এসব কারণে বিব্রত সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এ অবস্থায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বাজারের উন্নয়নে করছে। শীর্ষ ব্রোকারদের সঙ্গে বুধবার বৈঠক হয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাজার পতনের প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীকে কঠোর অবস্থানে যেতে হবে।

জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন,

শেয়ারবাজারের সংকট একদিনের নয়। অনেক দিন থেকে চলে আসছে।

তিনি বলেন, যে যেভাবেই বিশ্লেষণ করুক, মূল সমস্যা হল এ বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নেই।

বিভিন্ন সময়ে যারা বিনিয়োগকারীদের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, তাদের বিচার হয়নি। ফলে আস্থা ফিরে আনতে কাজ করতে হবে।

এক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ অনিয়মের সঙ্গে জড়িতরা যত শক্তিশালীই হোক

এবং যে পদেই থাকুক তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। কারসাজির মাধ্যমে কেউ পুঁজি হাতিয়ে নিলে তার বিচার হয় এ

নিশ্চয়তা দিতে হবে বিনিয়োগকারীদের। এছাড়াও দুর্বল কোম্পানির তালিকাভুক্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

জানা গেছে, চলতি বছরের ১৪ মার্চ ডিএসইর বাজারমূলধন ছিল ৪ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। 

গতকাল বুধবার পর্যন্ত তা কমে ৩ লাখ ১৩ হাজার টাকায় নেমে এসেছে।

এ হিসাবে আলোচ্য সময়ে ডিএসইর বাজারমূলধন কমেছে ১ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা।

এ সময়ে ডিএসইর মূল্যসূচক ৬ হাজার ৬৫৫ পয়েন্ট থেকে কমে ৪ হাজার ৩৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে।

এ সময়ে মূল্যসূচক ১ হাজার ৬২০ পয়েন্ট কমেছে। ৫০ টাকার শেয়ারের দাম নেমে এসেছে ১ টাকায়।

এরমধ্যে যারা মার্জিন ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করেছেন, তারা পুঁজি হারানোর পরও বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ঋণগ্রস্ত।

শুধু ব্যক্তি বিনিয়োগকারী নন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরও রয়েছেন এ সমস্যায়।

অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের ইক্যুইটি নেতিবাচক। আর এ সমস্যা থেকে উত্তরণের আপাতত কোনো সুখবর নেই।

ফলে আর্থিক সংকটে স্টক এক্সচেঞ্জ ও ব্রোকারেজ হাউসে প্রতিনিয়ত জনবল ছাঁটাই হচ্ছে। বেশ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস বন্ধ হওয়ার পথে।

সবমিলিয়ে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে তীব্র সংকটে শেয়ারবাজার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গর্ভনর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, শেয়ারবাজারসহ সামগ্রিকভাবে আর্থিক খাত দুর্বৃত্তদের দখলে।

ফলে ক্যাসিনোর মতো এখানে বড় অভিযান চালাতে হবে। এক্ষেত্রে অন্য কেউ নয়, প্রধানমন্ত্রীকে শক্ত অবস্থান নিতে হবে।

তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের এমন একটি বার্তা দিতে হবে, যে কারসাজির মাধ্যমে কেউ তার টাকা হাতিয়ে নিলে বিচার হয়।

এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শক্ত অবস্থান নেয়া ছাড়া আমি এর সমাধান দেখি না।

পতনের কারণ

বিশ্লেষকদের মতে, মোটাদাগে শেয়ারবাজারে দুই ধরনের সংকট চলছে। এক্ষেত্রে চাহিদার দিক থেকে সংকট হল এ বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নেই।

ফলে নতুন বিনিয়োগকারী আসছে না। বাড়ছে না তারল্য প্রবাহ।

আর সরবরাহের দিক থেকে সংকট হল বাজারে নতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে আসতে পারে, এ ধরনের ভালো কোনো কোম্পানি আসছে না।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যে দেশে ব্যাংক থেকে টাকা নিলে ফেরত দিতে হয় না, সে দেশে উদ্যোক্তারা পুঁজিবাজারে আসতে চাইবে না, এটাই স্বাভাবিক।

আর বাজারে ভালো কোম্পানি না এলে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও বাড়বে না।

তাদের মতে, মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিসহ সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতির বিভিন্ন সূচককে বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে।

কিন্তু শেয়ারবাজারই একমাত্র জায়গা যেখানে অর্থনীতির প্রকৃত চিত্র ফুটে উঠে। চাইলেও এটি বাড়িয়ে দেখানো যায় না।

তাদের মতে, সুনির্দিষ্ট কয়েকটি কারণে এ সংকট তৈরি হয়েছে। এরমধ্যে আছে- ব্যাংক ও সামগ্রিকভাবে আার্থিক খাতের সুশাসনের অভাব।

প্রভাবশালীদের চাপে আইপিওতে (প্রাথমিক শেয়ার) নামসর্বস্ব দুর্বল কোম্পানির অংশগ্রহণ।

বেপরোয়া প্লেসমেন্ট (বাজারে আসার আগে শেয়ার বিক্রি) বাণিজ্য। বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও তারল্য সংকট।

তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ কোম্পানির আয় কমে যাওয়া। সরকারি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবির নিষ্ক্রিয়তা,

কারসাজি চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নেয়া এবং সাম্প্রতিক নেয়া পদক্ষেপগুলো সময় উপযোগী ও কার্যকর না হওয়ার মতো কারণগুলো অন্যতম।

এছাড়াও কোম্পানির অডিট রিপোর্টেও জালিয়াতি রয়েছে।

তাদের মতে, সাম্প্রতিক দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের কারণে বড় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ আড়ালে চলে গেছে। ফলে লেনদেনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

জানতে চাইলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, বাজার পরিস্থিতির উন্নয়নে আমরা কাজ করছি।

সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আমরা বুধবার বৈঠক করেছি।

তিনি বলেন, চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতে বাজার চলবে। এখানে আমাদের কিছু করার নেই।

কিন্তু অস্বাভাবিক কিছু ঘটলে আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি। তিনি বলেন, শীর্ষ ব্রোকারদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তাদের মতামত শুনেছি।

এরপর বিষয়টি আমরা বিবেচনা করব। তার মতে, বাজারের মূল্য আয়ের অনুপাত এখন ১০। এটি বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার দায়

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, সিকিউরিটিজ আইন অনুসারে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ মূলত শিল্পায়নে পুঁজি জোগানে সহায়তা করা।

বাজারে কারসাজি রোধ করে কর্পোরেট সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা।

কিন্তু দীর্ঘদিন থেকেই সূচকের উত্থান-পতনে ভূমিকা রেখে আসছে এ সংস্থা। বাজারে পতন হলে ব্রোকার এবং ডিলারদের বিভিন্ন ছাড় দিয়ে আসছে।

কখনও কখনও বড় ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে সাপোর্ট দিচ্ছে। ফলে ক্ষুদ্র ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদেরও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, দরপতন হলেই বিএসইসি সাপোর্ট দেবে।

এ কারণে শেয়ারবাজারে পতন হলে বিএসইসির শীর্ষ কর্তাদের পদত্যাগ চেয়ে মিছিল বের হয়।

কিন্তু সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বড় কোনো কারসাজি চক্রকে শাস্তি দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপনের মতো দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি এ সংস্থা।

এছাড়াও গত ১০ বছরে বিএসইসির অনুমোদন দেয়া বেশিরভাগ কোম্পানি বিতর্কিত। তালিকাভুক্ত এসব কোম্পানির আয় কমে যাচ্ছে।

এসব দুর্বল কোম্পানি নিয়ে আসার জন্য কোনো ইস্যু ম্যানেজারকেও শাস্তি দিতে পারেনি এ সংস্থা।

দাবি আদায়ের মাধ্যম

শীর্ষ ব্রোকাররা বিভিন্ন সময়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে জিম্মি করে বিভিন্ন দাবি আদায় করে নিচ্ছে।

সম্প্রতি একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ দেয় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ।

এ ইস্যুতে পর্ষদের ভেতরেই ব্যাপক বিভক্তি সৃষ্টি হয়। শেয়ার হোল্ডার পরিচালকদের ৪ জনের মধ্যে ৩ জনই এর বিপক্ষে ছিলেন।

কিন্তু স্বতন্ত্র পরিচালকরা পক্ষে থাকায় শেষ পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠদের ভোটে অনুমোদন পান ওই এমডি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, তিনি যাতে বিএসইসির চূড়ান্ত অনুমোদন না পান সে জন্য সংঘবদ্ধভাবে বাজারে পতন ঘটানো হয়।

এর আগেও বিভিন্ন সময়ে দাবি আদায়ের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে চাপে ফেলতে বাজারে দরপতন হয়।

এর মধ্যে ভারতকে বাদ দিয়ে চীনকে কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে নিয়োগের জন্য বাজারে পতন ঘটানো হয়েছিল।

আর নিয়ন্ত্রক সংস্থার শীর্ষ কর্তারাও তাদের পদ ধরে রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে অন্যায্য দাবিও মেনে নিয়েছে।

তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আয় কমছে

বর্তমানে দেশের শেয়ারবাজারে ২০টি শিল্প খাত তালিকাভুক্ত। এর মধ্যে ফার্মা এবং আইটি খাত ছাড়া প্রায় সব নেতিবাচক।

বিশ্লেষকদের বিবেচনায় বাজারের তালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত ৯টি খাত। এগুলো হল- ব্যাংক, লিজিং কোম্পানি, বীমা,

টেলিকম, সিমেন্ট, সিরামিক, টেক্সটাইল এবং আবাসন। এ খাতগুলো বাজারের ৭০ শতাংশ দখল করে আছে।

কিন্তু বর্তমানে এর সব খাতের আয় কমছে। ফলে এরা লভ্যাংশও কমিয়ে দিয়েছে।

সরাসরি বাজারে এর প্রভাব পড়ছে। ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানিগুলোর দুরবস্থার বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত।

সরকারও বিষয়টি স্বীকার করছে। আর্থিক অবস্থা খারাপের কারণে গত বছর ৩০ কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি।

অন্যদিকে বাজারমূলধনের বিবেচনায় শেয়ারবাজারে সবচেয়ে বড় কোম্পানি গ্রামীণফোন।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানটির আয় কমছে। এছাড়াও ১২ হাজার কোটি টাকা পাওয়া নিয়ে সরকারের সঙ্গে কোম্পানিটির জটিলতা তৈরি হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে বাজারে এর বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। সামগ্রিক বিবেচনায় দেখা গেছে,

অধিকাংশ মৌলভিত্তি উপেক্ষা করে অতিমূল্যায়িত হয়ে এসব কোম্পানি বাজারে এসেছিল।

কোম্পানিগুলো ইস্যু ম্যানেজারকেন্দ্রিক একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজারে আসে।

বাজার থেকে বেশি টাকা নেয়ার জন্য শুরুতে প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করে। এরপর মূলধন বাড়িয়ে বাজার থেকে বেশি টাকা নেয়।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেয়া হয় মাত্রাতিরিক্ত প্রিমিয়াম। নিয়ম অনুসারে তালিকাভুক্তির পর প্লেসমেন্টের শেয়ারে এক বছরে লকইন (বিক্রি নিষিদ্ধ) দেয়া থাকে।

এ সময়ের মধ্যে প্লেসমেন্টের শেয়ার বিক্রি করা যায় না। কিন্তু এক্ষেত্রে ইস্যু ম্যানেজার সাধারণত কিছু ব্রোকারেজের সঙ্গে চুক্তি করে,

অন্তত এক বছর শেয়ারটির দাম ধরে রাখতে হবে। এরপর লকইনের সময় শেষে শেয়ার ফ্রি হলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে সিন্ডিকেট কেটে পড়ে।

এভাবে দুর্বল কোম্পানির মাধ্যমে বাজার থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়।

এছাড়াও ব্যাংক ও আর্থিক খাতের নেতিবাচক অবস্থা শেয়ারবাজারে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডারদের মধ্যে বিভিন্ন কারণে সৃষ্টি দূরত্বের প্রভাব পড়েছে বাজারে।

এসব কারণে সক্রিয় ১৩ লাখ বিও (বেনিফিশারি ওনার) অ্যাকাউন্টের মধ্যে বর্তমানে এর অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর অ্যাকাউন্ট নেতিবাচক।

জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট চলছে। যে কারণে আমানত সংগ্রহের জন্য ব্যাংকগুলোতে অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে।

কোনো কোনো ব্যাংক ১০ শতাংশ সুদেও আমানত সংগ্রহ করছে।

ফলে বিনিয়োগকারীদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ শেয়ারবাজার থেকে ব্যাংকে চলে আসছে।

বাজারের অন্যতম আরেক উল্লেখযোগ্য খাত লিজিং কোম্পানি। বর্তমানে ২৩টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত।

কিন্তু এর মধ্যে ১২টি কোম্পানি দেউলিয়ার পথে। এসব কোম্পানির পোর্টফোলিও নেতিবাচক।

সামগ্রিকভাবে বাজারে যার প্রভাব পড়েছে। ফলে বাজারেও তারল্য সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

                                                                                                                                                          

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দ্বিতীয় দিন অব্যাহত দরপতনে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে আজও (মঙ্গলবার) বড় আকারের দরপতন অব্যাহত ছিলো।

গতকাল সোমবার সূচক ৮৮ পয়েন্ট কমার পর আজ দ্বিতীয় দিনের মতো সূচক কমেছে ৮৭.২৪ পয়েন্ট।

এই দরপতনে বিক্ষোভ দেখা দেয় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।

দুপুরে মতিঝিলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে মানববন্ধন করেন বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা।

এর আগে সপ্তাহখানেক ধরেই অব্যাহত ছিল দরপতনের এই ধারা।

অবশ্য বিশ্লেষক ও কোন কোন বিনিয়োগকারীর চোখে এই দরপতন আকস্মিক নয়।

২০১০ সালের পর থেকেই খুব ধীরে এই দরপতন হচ্ছিল যেটাকে তারা বলছেন `স্লো পয়জনিং`।

একজন নিয়মিত শেয়ার ব্যবসায়ী মুস্তাফিজুর রহমান বলছেন, তিনি কয়েকমাস আগে তিনি তার শেয়ারগুলো বিক্রি করে ফেলেছেন,

তখনই লোকসান হয়েছিলো ১৭ লাখ টাকা। কিন্তু এখন বিক্রি করলে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা লোকসান হতো তার।

"আমার কাছে মনে হচ্ছে শেয়ার বাজারের ট্রেন্ডটা ক্রমেই নিম্নমুখী হচ্ছে", বলছিলেন মি. রহমান।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে গত এক সপ্তাহ ধরে এই দরপতন হচ্ছে। গতকাল সূচক নেমে ৪১২৩ পয়েন্টে কমে আসে।

আজ আরো কমবার পর পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ৪০৩৬।

২০১৫ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মূল্যসূচক সর্বশেষ এত নিচে নেমেছিল। তখন সূচক ছিো ৪ হাজার ১২২ পয়েন্ট।

আশার আলো নেই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক এবং পূঁজি-বাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক শাহাদত হোসেন সিদ্দিক বলছিলেন,

সূচক কমার পিছনে দুইটি কারণ কাজ করছে।

"প্রথমত এখন বেসরকারি বিনিয়োগ হচ্ছে না। আর দ্বিতীয় কারণ হল, এই মার্কেটের উপর মানুষের আস্থা চলে যাচ্ছে।

সেই আস্থা ফিরিয়ে আনার কোন চেষ্টা করা হচ্ছে না"।

পূঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ বলছেন, "আজ পর্যন্ত যা অবস্থা তাতে আশার কোন আলো দেখা যাচ্ছে না"।

তিনি বলছিলেন, "এই অবস্থা হওয়ার আগেই পলিসি সাপোর্ট দেয়া উচিত ছিল।

বাংলাদেশে পলিসি মেকিং-এর সার্কেলে অমনযোগিতার বিষয় আছে। বিদেশি বিনিয়োগ আনা বা রাখার ব্যাপারে তাদের সিরিয়াসনেস নেই"।

তিনি বলেন, এই ক্ষেত্রে পূঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এছাড়া বিদেশী বিনিয়োগ বাজারে না থাকাটাকে আরেকটা কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন বিনিয়োগকারীরা।

এসইসি পুনর্গঠনের দাবি

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে দুপুরের মানববন্ধনটি করে বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ নামে একটি সংগঠন।

এর সভাপতি মিজানুর রশিদ চৌধুরী, নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠনের দাবি জানান।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে আজ দাম কমার শীর্ষে ছিলো এসএস স্টিল লিমিটেড, আলহাজ্ব টেক্সটাইল, গোল্ডেন হার্ভেস্ট ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের।

গত সপ্তাহেও কয়েকজন বিনিয়োগকারীকে মুখে কালো কাপড় বেধে বিক্ষোভ করতে দেখা যায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে।

বাংলাদেশে ১৯৯৬ এবং ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন হলে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদে ফেটে পড়েন বিনিয়োগকারীরা।

এসইসি`র কমিটি গঠন

এবারের দরপতনের কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোন মন্তব্য করতে চায়নি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ।

এদিকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি`র সাথে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মকর্তা জানান,

সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বাজার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পাঁচ সদস্যের কমিটি করেছে সরকার।

সেই কমিটিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন নির্বাহী পরিচালক, এসইসি`র একজন নির্বাহী পরিচালক

এবং ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকবেন বলে এই কর্মকর্তা জানান।

 

সিএএ : মাইক্রোসফ্ট বস ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইনকে `দুঃখজনক` বলেছেন
                                  
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মাইক্রোসফ্টের বস সত্য নাডেলা ভারতের বিতর্কিত নতুন নাগরিকত্ব আইন সম্পর্কে কথা বলেছেন।
ভারতবর্ষে জন্মগ্রহণকারী নির্বাহী বলেছিলেন, যা হচ্ছে তা `দুঃখজনক` এবং তিনি একজন বাংলাদেশী অভিবাসীকে দেশের প্রযুক্তি শিল্পে সফল হতে দেখবেন।
তাঁর মন্তব্য আইনের বিরুদ্ধে চলমান, কখনও কখনও সহিংস, বিক্ষোভের মাঝে আসে।
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে (সিএএ) সমালোচনা করা হয়েছে, কারণ এটি মুসলমানদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ হিসাবে দেখা হচ্ছে।
নিউইয়র্কের সম্পাদকদের জন্য মাইক্রোসফ্ট ইভেন্টে বক্তব্য রেখে মিঃ নাদেলা বলেছিলেন : 
"আমি মনে করি যা ঘটছে তা দুঃখজনক, মূলত সেখানে বেড়ে ওঠা একজনের ধরণ হিসাবে ... আমি মনে করি এটি কেবল খারাপ," বুজফিডের মতে।
তিনি বলেন, "আমি এমন কোনও বাংলাদেশী অভিবাসী দেখতে চাই যা ভারতে এসে 
ভারতে পরবর্তী ইউনিকর্ন তৈরি করে বা ইনফোসিসের পরবর্তী সিইও হয়ে যায়," তিনি বলেছিলেন।
মিঃ নাদেলা হায়দরাবাদে বড় হয়েছেন - ভারতের প্রযুক্তি কেন্দ্র - তবে তিনি এখন আমেরিকান নাগরিক।

এর পরপরই মাইক্রোসফ্ট ইন্ডিয়া মিঃ নাদেল্লাকে উদ্ধৃত করে একটি বিবৃতি জারি করে যেখানে তিনি

"এমন এক ভারতের জন্য তার প্রত্যাশা পুনর্বার করেন যেখানে অভিবাসী একটি সমৃদ্ধ সমাপ্তির সন্ধান করতে পারে"।

তবে যোগ করেছে যে "প্রত্যেক দেশ তার সীমানা নির্ধারণ করবে এবং জাতীয় সুরক্ষা রক্ষা করবে এবং সে অনুযায়ী অভিবাসন নীতি নির্ধারণ করবে।"

সিএএ, যা ১০ জানুয়ারী বাস্তবায়িত হয়েছিল, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং

বাংলাদেশের প্রতিবেশী মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলির অমুসলিমদের দ্বারা দ্রুত নাগরিকত্বের আবেদন ট্র্যাক করে।

নাগরিকদের প্রস্তাবিত জাতীয় নিবন্ধের পাশাপাশি সমালোচকরা বলেছেন যে সিএএ ভারতের মুসলিম সংখ্যালঘু জনসংখ্যার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করবে।

এই আইনটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল দেশে কয়েক সপ্তাহ ধরে সহিংস প্রতিবাদের সূত্রপাত করেছে।

রাজধানী দিল্লিতে পাশাপাশি মুম্বই, কলকাতা (পূর্বে কলকাতা), বেঙ্গালুরু এবং হায়দরাবাদের বড় শহরগুলিতে বিশাল বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কানপুর এবং মুজাফফরনগরের উত্তরের শহরগুলিতে বিক্ষোভ সহিংসতা এবং বেশ কয়েকটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

রপ্তানিতে নগদ সহায়তার উৎসে কর অর্ধেক
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : রপ্তানি আয়ের ধাক্কা সামলাতে নগদ সহায়তার উৎসে কর কমিয়ে অর্ধেক করেছে সরকার।

দীর্ঘদিন ধরে দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নগদ সহায়তা (ক্যাশ ইনসেনটিভ) দিয়ে আসছে সরকার।

তবে এই সহায়তা থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভন্ন হারে উৎসে কের কেটে রাখত সরকার।

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দিচ্ছে সরকার।

অর্থাৎ কোনো রপ্তানিকারক ১০০ টাকার পোশাক রপ্তানি করলে সরকার সেই রপ্তানিকারককে ১ টাকা নগদ সহায়তা দিচ্ছে।

এই ১ টাকা থেকে আবার ১০ শতাংশ উৎসে কর কেটে রাখছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর।

সে হিসাবে ১০০ টাকা রপ্তানির বিপরীতে রপ্তানিকারক প্রকৃতপক্ষে ৯০ পয়সা নগদ সহায়তা পাচ্ছিলেন।

রপ্তানি বাণিজ্যে সংকট উত্তরণে নগদ সহায়তার উৎসে কর পুরোটা প্রত্যাহারসহ সরকারের কাছে আরও

কিছু নীতি-সহায়তা চেয়েছিল পোশাক রপ্তানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ।

কিন্তু এনবিআর পুরোটা না কমিয়ে অর্ধেক করেছে। অর্থ্যাৎ পোশাক রপ্তানিকারকদের এখন নগদ সহায়তার উপর ৫ শতাংশ উৎসে কর দিতে হবে।

গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে নগদ সহায়তা থেকে ৩ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে রাখা হত।

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার তা কমিয়ে ৫ শতাংশ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ইনকাম ট্যাক্স অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৪ এর সেকশন ৪৪ এর সাব-সেকশন (৪) এর ক্লজ (বি)

এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার রপ্তানির নগদ ভর্তুকির (নগদ সহায়তা) উপর উৎসে কর কর্তনের হার দশ শতাংশ থেকে হ্রাস করে পাঁচ শতাংশ নির্ধারণ করল।

‘এতে খুব বেশি লাভ হবে না’ জানিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, “গত অর্থবছরে ৩ শতাংশ কেটে রাখা হত।

এবারের বাজেটে তা বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছিল। সংকট কাটাতে আমরা এই পুরোটাই প্রত্যাহার চেয়েছিলাম। কিন্তু অর্ধেক করা হয়েছে।”

“তার মানে গত অর্থবছরে যেটা কেটে রাখা হত, এই বিপদের মধ্যেও তার চেয়ে বেশি কেটে রাখা হচ্ছে।”

রুবানা হক বলেন, “সত্যিই খারাপ সময় পার করছি আমরা।

সরকারের নীতি-সহায়তা ছাড়া এ সংকট কাটানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এবং সে সহায়তা খুব দ্রুত প্রয়োজন।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথমার্থে (জুলাই-ডিসেম্বর)

এক হাজার ৯৩০ কোটি ২২ লাখ (১৯.৩০ বিলিয়ন) ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।

যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ কম আয় হয়েছে। আর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম ১২ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

নৌবাহিনীর বহরে আধুনিক যুদ্ধজাহাজ ওমর ফারুক হও আবু উবাইদাহ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : গণচীনে নির্মিত বাংলাদেশ নৌবাহিনী যুদ্ধজাহাজ ওমর ফারুক ও আবু উবাইদাহ বৃহস্পতিবার মোংলা নেভাল জেটিতে এসে পৌঁছায়।

এসময় কমান্ডার খুলনা নৌ অঞ্চল রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা জাহাজ দুটিকে স্বাগত জানান।

জাহাজ দুটি’র আগমন উপলক্ষে নেভাল জেটিতে নৌবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও নাবিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ফোর্সেস গোল ২০৩০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক আগ্রহ ও

নির্দেশনায় সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে বহুমূখী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে নৌবহরে যুক্ত হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি ও

যুদ্ধ সরঞ্জামে সজ্জিত আধুনিক যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন, হেলিকপ্টার ও মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট।

নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও নৌবহরের ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে নৌবাহিনীর জাহাজ ওমর ফারুক ও

আবু উবাইদাহ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, আধুনিক এ যুদ্ধজাহাজ দুটির প্রতিটি দৈর্ঘ্যে ১১২ মিটার এবং প্রস্থে ১২.৪ মিটার

যা ঘন্টায় সর্বোচ্চ ২৪ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে সক্ষম। প্রতিটি জাহাজ বিভিন্ন আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জামে সুসজ্জিত।

জাহাজ দুটিতে রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন কামান, ভূমি থেকে আকাশে এবং ভূমি থেকে ভূমিতে উৎক্ষেপনযোগ্য ক্ষেপনাস্ত্র,

অত্যাধুনিক সারভাইলেন্স র‌্যাডার, ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম, সাবমেরিন বিধ্বংসী রকেট, র‌্যাডার জ্যামিং সিস্টেমসহ বিভিন্ন ধরণের যুদ্ধ সরঞ্জামাদি। 

সার্বিকভাবে শত্রু বিমান, জাহাজ ও স্থাপনায় আঘাত আনার পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে এই দুটি জাহাজের।

এছাড়াও হেলিকপ্টার অবতরণ ও উড্ডয়নের জন্য ডেক ল্যান্ডিংসহ জাহাজে সমুদ্রে উদ্ধার তৎপরতা,

সন্ত্রাস ও জলদস্যু দমন এবং চোরাচালান বিরোধী নানাবিধ অপারেশন পরিচালনার সক্ষমতা রয়েছে।
জাহাজ দুটি দেশের জলসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দূর্যোগকালীন জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা,

অবৈধ মৎস্য নিধন, সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় মানবপাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধ, জলদস্যুতা দমন,

জেলেদের নিরাপত্তা বিধানসহ বর্তমান সরকারের ব¬ু ইকোনমির বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নতুন এ যুদ্ধজাহাজ দুটি নৌবহরে অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে নৌবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।
এর আগে ১৮ ডিসে¤¦র ২০১৯ তারিখ সাংহাইয়ের সেনজিয়া শিপইয়ার্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধজাহাজ দুটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করে।

গত ২৩ ডিসে¤¦র ২০১৯ জাহাজ দুটি গণচীনের সাংহাই বন্দর হতে যাত্রা শুরু করে

জানজিয়াং বন্দর ও মালয়েশিয়ার ক্লাং বন্দর হয়ে প্রায় ৮ হাজার কিলোমিটার সমুদ্রপথ অতিক্রম করে বাংলাদেশে এসে পৌঁছায়।

 

কার্লোস ঘোসন : নিসান তদন্তকে `গ্রস বিকৃতকরণ`
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রাক্তন নিসান বস কার্লোস ঘোসনের আইনজীবীরা তার নেতৃত্বের পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত চালানোর অভিযোগ এনে এই সংস্থাটিকে আক্রমণ করেছেন।

তারা বলেছিল যে তদন্ত, যা জাপানে তাকে গ্রেপ্তারের দিকে পরিচালিত করেছিল, 
"কার্লোস ঘোসনকে নামানোর নির্দিষ্ট, পূর্বনির্ধারিত উদ্দেশ্য" নিয়েই এই তদন্ত শুরু করা হয়েছিল।
"তদন্তটি সত্য সন্ধানের বিষয়ে কখনও ছিল না," তারা বলেছিল।
মন্তব্যগুলি একটি সংবাদ সম্মেলনের আগে এসেছিল যে মিঃ ঘোসন আজ পরের দিকে লেবাননে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
নিসান দাবিগুলির বিষয়ে মন্তব্য করার অনুরোধের সাথে সাথে প্রতিক্রিয়া জানায়নি, যা মিঃ ঘোসন এর আগে যেমন করেছেন তার অনুরূপ।
আজ বুধবার বহুল প্রত্যাশিত নিউজ কনফারেন্সে, তিনি কীভাবে জাপানি কর্তৃপক্ষকে জামিন এড়ানোর মাধ্যমে এবং 
গত মাসের শেষে দেশে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আরও বেশি তথ্য সরবরাহ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে?
মিঃ ঘোসন নভেম্বরে, ২০১৮ সালে তার ক্ষতিপূরণকে যথাযথভাবে রিপোর্ট করা সহ আর্থিক অসদাচরণের অভিযোগে জাপানে গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত
গাড়িচালক নিসানকে চালিত করেছিলেন।

গতকাল মঙ্গলবারের বিবৃতিতে, তার প্রতিরক্ষা দলটি বলেছিল যে

"নিসানের দাবি যে এটি `একটি শক্তিশালী, পুরো অভ্যন্তরীণ তদন্ত` করেছে তা সত্যের চরম বিকৃতি" "

তাদের যুক্তি ছিল যে তদন্তের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ও আইনী দলগুলির স্বাধীনতার সাথে আপস করা হয়েছিল

এবং অভিযোগ করেছেন যে মিঃ ঘোসন নিজেই কখনও সাক্ষাত্কার নেননি।

"এগুলি নিরপেক্ষ ও নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কোনও সংস্থার বৈশিষ্ট্য নয়,

বরং প্রমাণ যে নিসনের তদন্ত মূলত ত্রুটিযুক্ত, পক্ষপাতদুষ্ট এবং প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্বাধীনতার অভাব ছিল।"

এক্সিকিউটিভরা জাপানের নিসানকে ফ্রান্সের রেনালোর সাথে একীকরণের তার প্রচেষ্টা অবরুদ্ধ করতে চেয়েছিল, তারা যোগ করেছে।

গতকাল মঙ্গলবার নিসান একটি বিবৃতি জারি করার পরে এই মন্তব্য করা হয়েছে,

বলেছেন যে তিনি ঘোষনের আর জাপানে না থাকা সত্ত্বেও আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

গাড়িচালক তাকে অফিস থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তেরও পক্ষপাতিত্ব করে বলেছিলেন যে তিনি "নির্বাহী হিসাবে দায়িত্ব পালনের পক্ষে উপযুক্ত নন"।

টোকিওর প্রসিকিউটররা পৃথকভাবে তার স্ত্রী ক্যারোলের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন, যেহেতু তারা বলে যে আদালতে মিথ্যা বক্তব্য দেওয়ার সন্দেহ রয়েছে।

তিনি লে প্যারিসিয়েনকে বলেছিলেন যে তিনি তার পালানোর পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত নন এবং তার স্বামীকে

"একটি শিল্প চক্রান্ত এবং রেনো এবং নিসানের মধ্যে যুদ্ধের শিকার" বলে অভিহিত করেছিলেন।

আগামী ১০ জানুয়ারি বন্ধ থাকবে বাণিজ্য মেলা
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকীর কাউন্টডাউন শুরু আগামী ১০ জানুয়ারি (শুক্রবার)।

এ কারণে ওইদিন ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বন্ধ থাকবে। 

বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) উপ-পরিচালক এবং মেলার সদস্য সচিব আবদুর রউফ।

এর আগে শেরেবাংলা নগরে শুরু হওয়া মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলা ১০ জানুয়ারি বন্ধ রাখতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

মেলা শুরুর দিন সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে-

জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সুপারিশের আলোকে গঠিত নিরাপত্তা উপ-কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেছিলেন মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২ সিটি করপোরেশনের ২৮টি পয়েন্টে, বিভাগীয় শহরগুলোতে,

৫৩ জেলা ও দুই উপজেলা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ৮৩টি পয়েন্টে কাউন্টডাউন ঘড়ি বসানো হবে।

এসব স্থানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে।

অনুষ্ঠান যাতে বিভিন্ন স্থান থেকে জনসাধারণ দেখতে পায়, সেজন্য টিভিস্ক্রিন বসানো হবে।

তিনি বলেন, কাউন্টডাউন উদ্বোধনের দিন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে সেনাবাহিনী, তাদের সহযোগিতা করবে অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদসহ প্রশাসন ও নিরাপত্তাকর্মীরা বিষয়টি দেখাশোনা করবেন।

স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে।

আগামী ১০ জানুয়ারি (শুক্রবার) প্যারেড গ্রাউন্ডে কাউন্টডাউন অনুষ্ঠানে ২ হাজার আমন্ত্রিত অতিথি ও ১০ হাজার দর্শক থাকবেন।

দর্শক যারা যাবেন, তারা মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে নাম রেজিস্ট্রেশন করে যেতে পারবেন বলেও জানান মন্ত্রী।

পাট পণ্যের দাম কমানো হবে : পাটমন্ত্রী
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : পাটের পণ্যে মানুষের আগ্রহ সৃষ্টিতে দাম কমাতে সরকার ১০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে বলে জানান পরিবেশ,

বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

আজ সোমবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার পাট পণ্যর স্টলের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় তিনি আরও বলেন, পর্যায়ক্রমে এসব পণ্যে দাম কমানো হবে।
 ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার অন্যতম আকর্ষণ দেশীয় ঐতিহ্যের পাট পণ্য।

ঘর গোছানোর দরকারি জিনিসপত্র থেকে শুরু করে প্রায় তিন থেকে চারশ পাট পণ্যের দেখা মিলবে এসব স্টলে।

তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে প্লাস্টিকের বিকল্প পাটের ব্যাগ।
বাণিজ্যমেলার একপ্রান্তে হলেও সবসময়ই ভিড় দেখা যায় পাট পণ্যের স্টলে।

কৌতুহলী দর্শনার্থীদের কৌতুহল যেন আরো বেড়ে যায় প্লাস্টিকের বিকল্প পাটের পলিথিন দেখে।

স্টলগুলোতে দেখা যাবে পাটের প্রলেপ দিয়ে তৈরি ঢেউ টিন, হাডবোর্ড এবং নানার ডিজাইনের ট্রে।
সৌখিন ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে উদ্যোক্তারা তৈরি করেছেন ঘর সাজানোর ওয়ালেট,

হাল ফ্যাশনের জুতা, নানান রঙের ব্যাগ কিংবা বাহারি ডিজাইনের শো-পিস।

একে তো দেশীয় ঐতিহ্য অন্যদিকে পরিবেশ বান্ধব আর রুচিসম্মত হওয়ায় এসব পণ্য কিনতে তরুণ প্রজন্মের ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মতো।
সরকারি সহায়তা পেলে সোনালী আঁশ পাট পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন উদ্যোক্তারা।

 

চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধের সুফল বাংলাদেশের পোশাক খাত কেন নিতে পারলো না?
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : নতুন অর্থ বছরের শুরু থেকেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রফতানি খাত তৈরি পোশাকের রফতানি প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে কমতে দেখা যাচ্ছে।

অথচ চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধের ফলে পোশাক খাতের যেসব মার্কিন ক্রেতা চীন থেকে পোশাক কিনতেন,

তাদের অনেকেই বাংলাদেশমুখী হবেন বলেই মনে করা হচ্ছিলো।

কিন্তু দেখা যাচ্ছে, সেটা হয়নি। চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধের সুফল বাংলাদেশ কেন নিতে পারলো না?

আর সামগ্রিকভাবে পুরো খাতেই কেন রফতানি কমছে?

সাভারের একটি পোশাক কারখানা। সোহেল ইন্টারন্যাশনাল মনিকা অ্যাপারেলস নামে এই কারখানাটিতে কাজ করেন প্রায় দুইশো শ্রমিক।

এক যুগ আগে গড়ে ওঠা এই কারখানা শুরুতে ভালো ভালো চললেও গত একবছরে বিদেশি ক্রেতাদের কাছ থেকে কাঙ্খিত ক্রয়াদেশ আসছে না।

প্রতিষ্ঠানটির পারিচালক আমিনুল ইসলাম জানাচ্ছেন, গেলো গ্রীষ্মের পুরোটাতেই কারখানায় কোন কাজ হয়নি।

শ্রমিকদের একরকম বসিয়ে রেখে তিন মাস বেতন গুনতে হয়েছে। এমনকি বড় বড় কারখানা থেকে সাব-কন্ট্রাক্টেও কোন কাজ পাওয়া যাচ্ছিলো না।

কারণ সেসব কারখানাতেও অর্ডার কমে যায়।

"এই পরিস্থিতি আসলে গত কয়েকবছরে এবাইরই প্রথম ফেইস করলাম। ডিসেম্বরের দিকে আমরা বেশ কিছু অর্ডার পেয়েছি,

কিন্তু এর আগেই যে ক্ষতিটা হয়ে গেছে সেটা কাটিয়ে ওঠা মুস্কিল।"

রফতানি কি পুরো পোশাক খাতেই কমছে?

সাভারের আমিনুল ইসলাম তার কারখানার যে চিত্র তুলে ধরেছেন, সেটা অনেকের ক্ষেত্রেই ঘটছে।

মি. ইসলাম জানাচ্ছেন, তার কারখানার আশেপাশে থাকা ১০টি কারখানার মধ্যে ৩টি কারখানা গত একবছরে বন্ধ হয়ে গেছে।

রফতানির চিত্রেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের প্রথম ৬ মাসেই ধারাবাহিকভাবে পোশাক রফতানি থেকে আয় কমেছে।

এই ৬ মাসে পোশাক রফতানি হয়েছে ১ হাজার ৬০২ কোটি ৪০ লাখ ডলারের কিছু বেশি।

এই আয় গত অর্থ বছরে একই সময়ের তুলনায় প্রায় আট শতাংশ কম।

একই সঙ্গে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আয় কমেছে ১৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

`চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধের সুফল ঘরে তুলতে পারেনি বাংলাদেশ`

গেলো বছরের জুলাই থেকেই চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধ শুরুর পর ধারণা করা হয়েছিলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে মার্কিন ক্রেতারা চীন থেকে পোশাক কিনবেন না।

অথবা কমিয়ে দেবেন। আর এতে করে লাভবান হবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত।

কিন্তু দেখা যাচ্ছে তা হয়নি। উল্টো বাংলাদেশের সামগ্রিক পোশাক রফতানিতেই নেতিবাচক ধারা দেখা যাচ্ছে।

এসময়ের মধ্যে বিশ্বে পোশাক রফতানিতে তৃতীয় স্থানে থাকা ভিয়েতনাম বেশ লাভবান হয়েছে।

তাদের পোশাক রফতানি বাড়ায় গেলো বছর দুইয়ে থাকা বাংলাদেশের আরো কাছে চলে আসে দেশটি।

আর যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশকেও ছাড়িয়ে যায় ভিয়েতনাম।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে বাংলাদেশের রফতানি আয় যেখানে ২শ ৪১ কোটি ডলার।

সেখানে একইসময়ে ভিয়েতনামের আয় দ্বিগুণেরও বেশি ৬শ ৪৫ কোটি ডলার।

 রফতানি কমে যাওয়ার কারণ কী?

পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ বলছে, ভিয়েতনাম যে মার্কিন ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে, সেটা মূলত: হচ্ছে চীনা বিনিয়োগের কারণে।

বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, "প্রথমত: মার্কিন ক্রেতারা ভিয়েতনামের পোশাক পছন্দ করছে।

আমরা যে ধরণের পোশাক বানাই, সেসব পোশাকের চাহিদা যুক্তরাষ্ট্রে কমেছে। এটা একটা দিক।"

তিনি বলেন, "আরেকটি দিক হচ্ছে, ভিয়েতনামে প্রচুর চীনা বিনিয়োগ আছে। ওদের স্থানীয় উদ্যোক্তা সেভাবে নেই আসলে।

ফলে যখন চীনে ব্যবসা কমে গেছে, তারা সেটা পাশেই ভিয়েতনামে নিয়ে এসেছে। এমনও হয়েছে যে, চায়নায় কিছু অংশ করে পরে সেটা ভিয়েতনামে এনে শেষ করেছে।

এবং ভিয়েতনাম থেকেই রফতানি করেছে। ভিয়েতনামের ক্যাপাসিটি কম থাকলেও যেহেতু প্রাথমিকভাবে পোশাকের কাজগুলো চায়নায় হচ্ছে, সে কারণেও তারা লাভবান হয়েছে।"

মিসেস হক জানাচ্ছেন, ভিয়েতনাম যেভাবে সেদেশে সরকারি সহায়তা পায়, বাংলাদেশ সেখানে পিছিয়ে আছে।

তিনি বলছেন, এই মুহূর্তে ডলারের বিপরীতে টাকা শক্তিশালী থাকায় প্রতিযোগীতামূলক দরে পোশাক বিক্রি করা যাচ্ছে না।

তবে অর্থনীতি বিশ্লেষক মামুন রশীদ আবার বলছেন, বাংলাদেশে মূল সমস্যাটা অন্য জায়গায়।

তিনি বলছেন, চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধের মতো আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির সুযোগ বাংলাদেশ কিভাবে নেবে তা নিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা ছিলো না।

তিনি বলছেন, "নগদ প্রণোদনা, কর কমানো কিংবা ইনসেনটিভ বাড়ানো, টাকার অবমূল্যায়নের জন্য চাপ দেয়া এগুলোর দিকেই আমরা বিজিএমইএ`কে ইদানিং বেশি তৎপর দেখতি পাচ্ছি।"

"কিন্তু এ খাতে দক্ষতা বাড়ানো, গবেষণা এবং পণ্যে বৈচিত্র আনার জন্য যেরকম পরিকল্পনা দরকার ছিলো সেটা দেখা যায়নি।"

মি. রশীদ বলছেন, বিদেশি ক্রেতাদের কেনার ধরণ পাল্টেছে।

উচ্চমূল্যের, ভালো ডিজাইনের পোশাকের বিক্রি বাড়ছে। কিন্তু বাংলাদেশ সে ধরণের পোশাক বানায় না।

এখানে মূলত: সস্তা ধরণের পোশাক তৈরি হয়। সুতরাং পণ্যে বৈচিত্র আনতেই হবে।

বিজিএমইএ কী বলছে?

বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলছেন, পোশাক খাতে যে কিছু হচ্ছে না তা নয়।

তিনি বলছেন, ইতোমধ্যেই গবেষণা খাতে বিনিয়োগ হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে কী কী ধরণের পণ্য,

কী রকম দামে বিক্রি হচ্ছে সেসব তথ্য পোশাক কারখানা মালিকদের কাছে দেয়া হচ্ছে, যাতে তারা ট্রেন্ড বুঝতে পারেন।

"খুব পড়াশোনা করে যে আমাদের সেক্টরটাকে বিবেচনা করেছি সেটা না। আমরা এখন এটাকে কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি।

নানারকম থিংক ট্যাংকের সঙ্গে কাজ হচ্ছে। ইতোমধ্যেই ৬টি গবেষণায় আমরা বিনিয়োগ করেছি।"

"আমরা আগামী ৫ বছরে কী করবো, ১০ বছরে কী করবো, সেগুলো ভাবা হচ্ছে। পণ্যে বৈচিত্র আনা একই সঙ্গে উৎপাদনেও বৈচিত্র আনার চেষ্টা হচ্ছে।

অর্থাৎ একই যন্ত্র ব্যবহার করে কিভাবে উৎপাদন বাড়বে, এফিশিয়েন্সি বাড়বে সেগুলো নিয়ে কাজ হচ্ছে।"

 

২৯ ট্রাভেল এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল ১ বছরে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : হজ কার্যক্রমে দুর্নীতি ও অনিয়ম, হজযাত্রীদের থেকে বেশি বিমান ভাড়া আদায় এবং

অপ্রয়োজনীয় টিকিং বুকিং দেওয়ায় ই পদক্ষেপ নেয় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

আজ রোববার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকের কার্যপত্র এ তথ্য পাওয়া যায়।

কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত

এই বৈঠকে কমিটির সদস্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন,

তানভীর ইমাম ও সৈয়দা রুবিনা আক্তার অংশ নেন।

২৯টি ট্রাভেল এজেন্সির লাইসেন্স বাতিলের তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংসদীয় কমিটিকে জানানো হয়।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতির দায়ে বাতিল হয়েছে ১৬টি এজেন্সির লাইসেন্স।

সেগুলো হলো- কুমিল্লার হাবির এয়ার ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস, ফেনীর কাজী ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস, ঢাকার সারা এয়ার ইন্টারন্যাশনাল,

আল মুজদালিফা এভিয়েশন, কে আলম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস, ট্রাইটন ওভারসীজ, সিয়াম ওভারসীজ, সুবহা ইন্টারন্যাশনাল,

সৌদি বাংলা এয়ার সার্ভিস লিমিটেড, আল ফাইন ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, মাহির হজ সার্ভিস অ্যান্ড ট্যুরস, আবাবিল ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস,

সুপার খিদমাহ ট্রাভেলস্‌ অ্যান্ড ট্যুরস, চট্টগ্রামের মামুন ট্রাভেলস্‌ লিমিটেড, আল সাফা এয়ার ট্রাভেলস্‌ ও আল হারামাইন ট্রাভেলস।

হজযাত্রীদের থেকে নির্ধারিত হারের অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের আদেশে বাতিল হয় ৫টি এজেন্সির লাইসেন্স।

এগুলো হলো- হাসেম এয়ার ইন্টারন্যাশনাল, গোল্ডেন বেঙ্গল ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, আল গাজী ট্রাভেলস,

চ্যালেঞ্জার ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস ও সানশাইন এক্সপ্রেস ট্রাভেল এনকর্পোরেশন।

অপ্রয়োজনীয় বুকিং এবং তা বাতিলের মাধ্যমে প্রতারণায় ৮টি ট্রাভেল এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল হয়।

এগুলো হলো- ঢাকার মাদারল্যান্ড ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস্‌, সামস এয়ার ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস্‌, মুনা ট্রাভেলস্‌ অ্যান্ড ট্যুরস, ট্রাভেল সেন্টার,

চট্টগ্রামের চৌধুরী ইন্টারন্যাশনাল, ঊর্মি ট্রাভেলস্‌ এজেন্সি ও দারুল ইমান ইন্টারন্যাশনাল ও ফেনীর বিপ্লব ইন্টারন্যাশনাল।

সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেসব এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে তারা পরে লাইসেন্স ফিরে পেতে আপিল করেছিলেন।

তবে ২০ এজেন্সির আপিল আবেদন মঞ্জুর করেনি মন্ত্রণালয়। বাকি চারটি এজেন্সির আপিল আবেদন এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।

এই বৈঠক নিয়ে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, হবিগঞ্জ,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর ও হাতিয়ায় ছোট রেস্ট হাউস নির্মাণসহ পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা,

কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে ব্যক্তি মালিকানার উদ্যোগে পেশ করা প্রস্তাব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, নোয়াখালীর হাতিয়া ও নিঝুম দ্বীপে ৪৯.৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে পর্যটকদের জন্য রেস্তোরাঁ,

 কটেজ, ক্রুজ ভেসেল সংগ্রহসহ পর্যটন সুবিধা সৃষ্টির জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

কাসেম সোলাইমানি হত্যার সাথে বাংলাদেশে সোনার দাম বৃদ্ধির সম্পর্ক কী?
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশে স্বর্ণ কিনতে হলে আজ থেকে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।

বাজারে সব ধরণের স্বর্ণেই ভরি প্রতি এক হাজার টাকার বেশি বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি।

বর্ধিত দামে রবিবার থেকে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম বেড়ে ৬০ হাজার টাকা ভরি হয়েছে। ২০১৩ সালের পর প্রথমবার স্বর্ণের দাম ৬০ হাজার ছাড়ালো।

এর আগে ২০০৩ সালে স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ৭০ হাজার ছাড়িয়েছিল।

বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির প্রেসিডেন্ট গঙ্গাচরন মালাকার  বলেন, "তেলের দাম বেড়েছে, ডলার ফল করেছে। আর সেই সাথে স্বর্ণের দামও বেড়েছে।"

স্বর্ণের দাম বেড়েছে কেন?

মিস্টার মালাকার বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের খারাপ অবস্থা এবং চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নবায়ন না হওয়ার কারণে এমনিতেই স্বর্ণের বাজার চড়া ছিল।

তবে নতুন করে বাড়ার পেছনে মার্কিন হামলায় ইরানি জেনারেল কাসেম সোলেয়মানি নিহত হবার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে যে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সেটি দায়ী বলে জানান তিনি।

"ভবিষ্যতে যদি এই অবস্থা আরো খারাপ হয় তাহলে গোল্ডের দাম আরো বেড়ে যেতে পারে," বলেন মিস্টার মালাকার।

মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হলে স্বর্ণের দাম কমবে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন,

শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, ডলারের দাম, তেলের দাম, শেয়ার বাজারের উঠানামাসহ নানা কারণে স্বর্ণের দাম বাড়ে।

"দাম বাড়বে নাকি কমবে, সেটা কেউ বলতে পারবে না," তিনি বলেন।

স্বর্ণের দাম বাড়লে কী হয়?

সাধারণত বাজারে যেকোন পণ্যের দাম নির্ধারিত হয় সেই পণ্যের চাহিদা এবং যোগানের ভিত্তিতে।

তবে কিছু পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়লে তার প্রভাব দেশের বাজারে পরে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। আর স্বর্ণ এমনি একটি পণ্য।

এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে যেহেতু স্বর্ণের দাম ডলারের বিপরীতে হয়, তাই ডলারের দাম বাড়লে স্বর্ণের দামও বাড়ে।

তবে স্বর্ণের দাম বাড়লে তা একটি দেশের অর্থনীতিতে কী ধরণের প্রভাব ফেলে এমন প্রশ্নে অর্থনীতিবিদ ফাহমিদা খাতুন বলেন,

নতুন করে প্রভাব সৃষ্টি করার চেয়ে, স্বর্ণের দাম দিয়ে বোঝা যায় যে সেই অর্থনীতির স্বাস্থ্যটা আসলে কেমন।

তার মতে, স্বর্ণের অতিরিক্ত দাম মূলত দুর্বল অর্থনীতিকে প্রতিফলিত করে। অর্থাৎ সেই অর্থনীতিতে টাকার আধিক্য থাকলেও তার ভিত্তি ততটা মজবুত হয় না।

তিনি বলেন, "যখন একটি অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ে তখন মানুষ অন্য বিনিয়োগের তুলনায় যে বিনিয়োগটা নিরাপদ সেখানে অর্থ রাখতে চায়। এজন্য বেছে নেয় স্বর্ণকে"।

"বাংলাদেশে মানুষ যেভাবেই হোক টাকা অর্জন করেছে আর সেটি তারা নিরাপদ স্থানে বিনিয়োগ করতে চায়," তিনি বলেন।

আর এ কারণে উৎপাদনশীল খাতে ব্যক্তিগত বিনিয়োগ হয় না বলেও মনে করেন তিনি।

যার উদাহরণ হিসেবে অর্থনীতিবিদ ফাহমিদা খাতুন বলেন, এ কারণেই দেশের অর্থনীতিতে ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগ নেই বললেই চলে।

এছাড়া ব্যাংকেও তারল্য সংকট দেখা দিচ্ছে। মানুষ শাসন ব্যবস্থার উপর আস্থা হারাচ্ছে এবং

ব্যাংক থেকে যে পরিমাণ রিটার্ন পাওয়ার কথা সেটাও মানুষ পাচ্ছে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

"আর এ জন্য একটা স্থিতিশীল জায়গায় মানুষ বিনিয়োগ করতে চাইছে," তিনি বলেন।

ব্যক্তিগত বিনিয়োগে আগ্রহ কমে গেলে অর্থনীতিতে উৎপাদন ব্যবস্থা ব্যাহত হয়।

আর একারণে সৃষ্টি হয় বেকারত্ব, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিসহ নানা সংকটের।

 


   Page 1 of 88
     অর্থ-বাণিজ্য
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
.............................................................................................
সরকারি তহবিলের অর্ধেক বাণিজ্যিক ব্যাংকে রাখতে হবে
.............................................................................................
সোনার চেয়ে মূল্যবান: ধাতব প্যালেডিয়াম কেন বাড়ছে
.............................................................................................
বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৮, বলছে জাতিসংঘ
.............................................................................................
আগামীকাল বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু
.............................................................................................
ভয়াবহ বিপর্যয়ে পুঁজিবাজার
.............................................................................................
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দ্বিতীয় দিন অব্যাহত দরপতনে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা
.............................................................................................
সিএএ : মাইক্রোসফ্ট বস ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইনকে `দুঃখজনক` বলেছেন
.............................................................................................
রপ্তানিতে নগদ সহায়তার উৎসে কর অর্ধেক
.............................................................................................
নৌবাহিনীর বহরে আধুনিক যুদ্ধজাহাজ ওমর ফারুক হও আবু উবাইদাহ
.............................................................................................
কার্লোস ঘোসন : নিসান তদন্তকে `গ্রস বিকৃতকরণ`
.............................................................................................
আগামী ১০ জানুয়ারি বন্ধ থাকবে বাণিজ্য মেলা
.............................................................................................
পাট পণ্যের দাম কমানো হবে : পাটমন্ত্রী
.............................................................................................
চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধের সুফল বাংলাদেশের পোশাক খাত কেন নিতে পারলো না?
.............................................................................................
২৯ ট্রাভেল এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল ১ বছরে
.............................................................................................
কাসেম সোলাইমানি হত্যার সাথে বাংলাদেশে সোনার দাম বৃদ্ধির সম্পর্ক কী?
.............................................................................................
স্বর্ণের ভরি বেড়ে ৬০ হাজার ছাড়াল
.............................................................................................
চ্যানেল আই প্রকৃতি মেলা আগামীকাল
.............................................................................................
২০২৪ সালের মধ্যে সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়াকে ছাড়াবে বাংলাদেশের অর্থনীতি
.............................................................................................
বেনাপোলে হয়রানি ও তল্লাশি বেড়েছে
.............................................................................................
মুকেশ আম্বানি : এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি খুচরা জায়ান্ট অ্যামাজন নিয়েছেন
.............................................................................................
ঋণের সুদহার ৯% ক্রেডিট কার্ড ছাড়া
.............................................................................................
বাণিজ্যমেলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
১১ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে চতুর্থ দিনের অনশন পাটকল শ্রমিকদের
.............................................................................................
নতুন বছরের শুরু অর্থনীতিতে চাপ নিয়েই
.............................................................................................
আগামিকাল বাণিজ্য মেলা শুরু, বাড়লো টিকিট মূল্য
.............................................................................................
ব্যাংক থেকে দেদারসে ঋণ নিচ্ছে সরকার, পরিণতি কী?
.............................................................................................
মেনন : ১০ বছরে পাচার ৯ লাখ কোটি
.............................................................................................
পেঁয়াজের দামের সাথে ভোজ্যতেল-চিনির স্বস্তি নেই
.............................................................................................
আগামী শুক্র ও শনিবার রাজধানীর ব্যাংক খোলা
.............................................................................................
১১ পণ্যের লাইসেন্স বাতিল
.............................................................................................
তহবিল ব্যবস্থাপক ব্ল্যাকলিস্টযুক্ত চীনা নজরদারি ফার্মকে সমর্থন
.............................................................................................
বিশ্বে ১৯০ কোটি ডলার মানব অঙ্গের অবৈধ বাণিজ্য
.............................................................................................
১লা জানুয়ারি থেকে অবৈধ ডিটিএইচ বন্ধে অভিযান শুরু : তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
আমদানি বন্দের পর বেনাপোল বন্দরে কাঁচামাল আমদানি শুরু
.............................................................................................
পাতাল রেল নির্মিত হবে এডিবির ঋণে
.............................................................................................
বাণিজ্য ঘাটতি ৫৬২ কোটি ডলার ছাড়ালো
.............................................................................................
বাংলাদেশে দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ কোথায় যায়?
.............................................................................................
বাণিজ্য বাধা দূর করতে ১৬ ইস্যু
.............................................................................................
ব্যবসার প্রসারে এবার উপশাখা খুলতে পারবে ব্যাংক
.............................................................................................
বিশ্বের নবম ধনকুবের ভারতের মুকেশ আম্বানি
.............................................................................................
বাংলাদেশ কি পারবে ভারতের উপর পেঁয়াজের নির্ভরতা কাটাতে?
.............................................................................................
অতিরিক্ত দামেও দেশে আরও সাতশ টন পেঁয়াজ ঢুকছে
.............................................................................................
তিনশ’ কোটি টাকার বন্ড ছাড়তে চায় ইফাদ
.............................................................................................
আজ শনিবার বাপা ফুডপ্রোর সমাপনী
.............................................................................................
নওগাঁয় চারদিনব্যপী আয়কর মেলায় হয়েছে
.............................................................................................
পেঁয়াজের পর চালের দাম বেড়ে চলেছে
.............................................................................................
লাভের আশায় আগাম পেঁয়াজ তুলছেন কৃষকেরা
.............................................................................................
পেঁয়াজ সংকট: বাংলাদেশ চাহিদামতো উৎপাদন করতে পারছে না কেন
.............................................................................................
পেঁয়াজের দাম ২৫০ টাকায় ওঠায় হিমশিম ক্রেতা-বিক্রেতা
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি