| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > করোনা ভাইরাসে লোকসানে তথ্যপ্রয্ক্তুরি বিনিয়োগকারীরা   > সারাবিশ্বে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ৩৭৬৮৬   > নববর্ষের সব অনুষ্ঠান বন্ধ: প্রধানমন্ত্রী   > আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে কোনো গরিব না খেয়ে কষ্ট পায় না: পানিসম্পদ উপমন্ত্রী   > সৌদিতে ৩ দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা   > তিন হাজার শয্যার হাসপাতাল হচ্ছে মহাখালীর ডিএনসিসি মার্কেটে   > পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   > করোনাভাইরাসে সারা বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০৮৮০   > করোনাভাইরাসের প্রকোপের মাঝেই ইসরাইল থেকে অস্ত্র কিনছে ভারত   > করোনা সন্দেহে চিকিৎসায় অবহেলা  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
করোনা ভাইরাসে লোকসানে তথ্যপ্রয্ক্তুরি বিনিয়োগকারীরা

স্টাফ রিপোর্র্টার:
সারা বিশ্বেই চলছে করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক। এর প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারেও। ফলে মার্চের দরপতনে শুধু তথ্যপ্রযুক্তি খাত থেকেই প্রায় তিন’শ কোটি টাকা হারিয়েছেন শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ১০টি কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত। এর মধ্যে মার্চ মাসে ৯টি কোম্পানিরই শেয়ারের দরপতন হয়েছে। সম্মিলিতভাবে এই কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম কমেছে ২৯৪ কোটি ৭২ লাখ ৫ হাজার টাকা। তবে পতনের বাজারে শুধু ইনটেকের শেয়ার দাম বেড়েছে।
শেয়ারবাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনাভাইরাসের প্রভাবে বিশ্বের সব শেয়ারবাজারেই টালমাটাল অবস্থা। বাংলাদেশের শেয়ারবাজারেও এর ব্যতিক্রম না। শুধু করোনাভাইরাস আতঙ্কে সরকারের পক্ষ থেকে নানা সুবিধা দেয়ার পরও শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না।
তাদের মতে, করোনাভাইরাস যেভাবে সারাবিশ্বে ত্রাস ছড়াচ্ছে তাতে শুধু শেয়ারবাজার না সার্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এমন চিন্তাভাবনা থেকেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হয় তো আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সে কারণে হয়তো অনেকে লোকসানে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন। তবে এ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধরা উচিত। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসলে অবশ্যই পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
তথ্য পর্যালোচনা দেখা যায়, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোর মধ্যে মার্চে বিনিয়োগকারীরা সব থেকে বেশি লোকসান হয়েছে এডিএন টেলিকম থেকে। মার্চজুড়ে কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ারের দাম কমেছে ৯ টাকা ২০ পয়সা। এতে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারহোল্ডারদের সম্মিলিতভাবে লোকসান হয়েছে ৫৯ কোটি ৪৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
এরপরেই রয়েছে জিনেক্স ইনফোসিস। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম কমার কারণে শেয়ারহোল্ডাররা হারিয়েছেন ৫৯ কোটি ১১ লাখ ৯২ হাজার টাকা। মার্চে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম কমেছে ৬ টাকা ৩০ পয়সা। সম্মিলিতভাবে শেয়ারহোল্ডারদের ৫৬ কোটি ৩৩ লাখ ৫৮ টাকা লোকসানের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানটি দখল করেছে আইটি কনসালটেন্টস। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের দাম কমেছে ৪ টাকা ৬০ পয়সা।
এছাড়া আমরা নেটওয়ার্কে ২৯ কোটি ৭৯ লাখ ৮৫ হাজার, ড্যাফোডিল কম্পিউটারে ২৮ কোটি ৪৫ লাখ, বিডিকমে ১৮ কোটি ১২ লাখ ২৭ হাজার, আমরা টেকনোলজিতে ১৬ হাজার ৮৫ কোটি ৯৯ লাখ, অগ্নি সিস্টেমে ১৫ কোটি ৯৬ লাখ ২৩ হাজার এবং ইনফরমেশন সার্ভিসেসে ১০ কোটি ৫৯ লাখ ২৪ হাজার টাকা হারিয়েছেন শেয়ারহোল্ডাররা।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. বখতিয়ার হাসান বলেন, করোনাভাইরাস যেভাবে প্রকোপ ছড়াচ্ছে তা সার্বিক অর্থনীতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কতোদিন করোনাভাইরাসের এ তাণ্ডব চলবে তা বলা যাচ্ছে না। আবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসলে প্রতিষ্ঠানগুলোর মুনাফায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি না তা নিয়েও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ আছে। যা সার্বিকভাবে শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

করোনা ভাইরাসে লোকসানে তথ্যপ্রয্ক্তুরি বিনিয়োগকারীরা
                                  

স্টাফ রিপোর্র্টার:
সারা বিশ্বেই চলছে করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক। এর প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারেও। ফলে মার্চের দরপতনে শুধু তথ্যপ্রযুক্তি খাত থেকেই প্রায় তিন’শ কোটি টাকা হারিয়েছেন শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ১০টি কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত। এর মধ্যে মার্চ মাসে ৯টি কোম্পানিরই শেয়ারের দরপতন হয়েছে। সম্মিলিতভাবে এই কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম কমেছে ২৯৪ কোটি ৭২ লাখ ৫ হাজার টাকা। তবে পতনের বাজারে শুধু ইনটেকের শেয়ার দাম বেড়েছে।
শেয়ারবাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনাভাইরাসের প্রভাবে বিশ্বের সব শেয়ারবাজারেই টালমাটাল অবস্থা। বাংলাদেশের শেয়ারবাজারেও এর ব্যতিক্রম না। শুধু করোনাভাইরাস আতঙ্কে সরকারের পক্ষ থেকে নানা সুবিধা দেয়ার পরও শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না।
তাদের মতে, করোনাভাইরাস যেভাবে সারাবিশ্বে ত্রাস ছড়াচ্ছে তাতে শুধু শেয়ারবাজার না সার্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এমন চিন্তাভাবনা থেকেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হয় তো আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সে কারণে হয়তো অনেকে লোকসানে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন। তবে এ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধরা উচিত। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসলে অবশ্যই পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
তথ্য পর্যালোচনা দেখা যায়, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোর মধ্যে মার্চে বিনিয়োগকারীরা সব থেকে বেশি লোকসান হয়েছে এডিএন টেলিকম থেকে। মার্চজুড়ে কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ারের দাম কমেছে ৯ টাকা ২০ পয়সা। এতে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারহোল্ডারদের সম্মিলিতভাবে লোকসান হয়েছে ৫৯ কোটি ৪৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
এরপরেই রয়েছে জিনেক্স ইনফোসিস। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম কমার কারণে শেয়ারহোল্ডাররা হারিয়েছেন ৫৯ কোটি ১১ লাখ ৯২ হাজার টাকা। মার্চে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম কমেছে ৬ টাকা ৩০ পয়সা। সম্মিলিতভাবে শেয়ারহোল্ডারদের ৫৬ কোটি ৩৩ লাখ ৫৮ টাকা লোকসানের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানটি দখল করেছে আইটি কনসালটেন্টস। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের দাম কমেছে ৪ টাকা ৬০ পয়সা।
এছাড়া আমরা নেটওয়ার্কে ২৯ কোটি ৭৯ লাখ ৮৫ হাজার, ড্যাফোডিল কম্পিউটারে ২৮ কোটি ৪৫ লাখ, বিডিকমে ১৮ কোটি ১২ লাখ ২৭ হাজার, আমরা টেকনোলজিতে ১৬ হাজার ৮৫ কোটি ৯৯ লাখ, অগ্নি সিস্টেমে ১৫ কোটি ৯৬ লাখ ২৩ হাজার এবং ইনফরমেশন সার্ভিসেসে ১০ কোটি ৫৯ লাখ ২৪ হাজার টাকা হারিয়েছেন শেয়ারহোল্ডাররা।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. বখতিয়ার হাসান বলেন, করোনাভাইরাস যেভাবে প্রকোপ ছড়াচ্ছে তা সার্বিক অর্থনীতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কতোদিন করোনাভাইরাসের এ তাণ্ডব চলবে তা বলা যাচ্ছে না। আবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসলে প্রতিষ্ঠানগুলোর মুনাফায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি না তা নিয়েও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ আছে। যা সার্বিকভাবে শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

বাগেরহাটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে মাস্ক তৈরি
                                  

বাগেরহাট প্রতিনিধি : বিভিন্ন দূর্যোগ ও জরুরী অবস্থায় দেশের ব্যবসায়ীরা পন্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বৃদ্ধিতে ব্যস্ত থাকে। বর্তমান সময়ের সব থেকে ভয়ঙ্কর সংকট নোভেল করোনা ভাইরাসের দোহাই দিয়েও নিজেদের পকেট ভারী করায় ব্যস্ত অনেক ব্যবসায়ী। ১০ টাকার মাস্ক ৩০ টাকা থেকে শুরু করে ১‘শ-২‘শ টাকাও বিক্রি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। কেউ কেউ আবার হাসপাতালের ব্যবহৃত মাস্ক কুড়িয়ে এনে, ধুয়ে ও শুকিয়ে বিক্রি করছে। চারদিকে অসাধু মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মাঝে অতিরিক্ত টাকা আয়ের চিন্তা। সেই মূহুর্তে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে মাস্ক তৈরি করে স্বল্প মূল্যে বাজার জাত করছেন ভূমি বুক ক্যাফে নামের একটি খাবারের প্রতিষ্ঠান। আর এই মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে বাগেরহাটের সুশীল সমাজসহ সাধারণ মানুষ।
গত শুক্রবার বিকেল থেকে বাগেরহাট প্রেসক্লাব ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত ভূমি বুক ক্যাফে তাদের কার্যক্রম বন্ধ রেখে মাস্ক তৈরি শুরু করে। ইতোমধ্যে তারা ৩ হাজার মাস্ক তৈরি করেছে। তারা মোট ১৫ হাজার মাস্ক তৈরি করবেন। আমরা সাড়ে সাত টাকা দরে একটি মাস্ক বিক্রি করছি। এত কম দামে মাস্ক পেয়ে ক্রয় করছেনও অনেকে। এই মূল্যে একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচটি মাস্ক ক্রয় করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। নিজেদের তৈরিকৃত মাস্ক ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
ভূমি বুক ক্যাফে কর্তৃপক্ষ বলছে, শুধু ব্যবসার উদ্দেশ্যে নয় সেবার মানসিকতা নিয়ে আমরা এই প্রতিষ্ঠান গড়েছি। আমরা জানি প্রাণ বাঁচলে, মানুষ বাঁচলে ব্যবসা আরো হবে। যারা ভূমি`র কাস্টমার তারাই ভূমি`র প্রকৃত মালিক। তারা থাকলে এই প্রতিষ্ঠান থাকবে, তারা না থাকলে এই প্রতিষ্ঠান থাকবে না। ক্রেতা, আমাদের নিজস্ব কর্মী ও জনসাধারণের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি।
ভূমি বুক ক্যাফে‘র কর্মকর্তা মীর জায়েসী আশরাফি জেমস বলেন, কোন প্রকার জনসমাগম এড়াতে আমরা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছি। বাজারে বেশি দামে মাস্ক বিক্রি হচ্ছে। যার ফলে হতদরিদ্র ও সাধারণ মানুষ মাস্ক ক্রয় করতে হিমশিম খাচ্ছে। তাই আমরা স্বেচ্ছা শ্রমে মাস্ক তৈরি করে সরঞ্জামের মূল্য হিসেবে মাত্র সাড়ে সাত টাকায় বিক্রি করছি। একজন ব্যক্তি আমাদের কাছ থেকে একসাথে ৫টি মাস্ক ক্রয় করতে পারবেন। মুঠোফোনে অর্ডার দিয়েও মাস্ক সংগ্রহ করতে পারবেন বলে জানান তিনি।

করোনার প্রভাবে মোংলার বাণিজ্যে স্থবিরতা
                                  

মনির হোসেন,মোংলা : করোনা ভাইরাসের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর মোংলায়। আমদানি রপ্তানী কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে চললেও ব্যবসায়ীরা রয়েছেন আতঙ্কে। আমদানিকারকদের মতে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে যাতায়াত ও ইমপোর্ট পারমিশান (আইপি) বন্ধ করে দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে পুরাতন মোংলার ব্যবসায়ীদেরও ব্যবসা বাণিজ্য স্থবিরতা নেমে এসেছে। গত কয়েকদিন ধরেই ব্যবসা বাণিজ্যের উপর বিরুপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বলে জানান তারা। এদিকে করোনার প্রভাবকে পুঁজি করে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যে বাড়িয়ে দিচ্ছেন এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী। গত কয়েকদিনে অসাধু চক্রের প্রতিষ্ঠানগুলোতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত। জরিমানাও করা হয়। তাতেও স্বস্তি ফিরছেনা বাজারে। মোংলা শহরের আইসিটি ব্যবসায়ী মো. বাবুল হোসেন জানান, করোনার প্রভাবে গত কয়েকদিন ধরে ব্যবসা বাণিজ্য ধস নেমেছে। আগের মত গ্রাহক তেমন একটা আসেনা। সরকারি নিষেধাজ্ঞা কারনে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আগের মত কাজ নেই। আরেক ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান দুলাল জানান, আমার ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে এখন আর আগের মত কাজের অর্ডার পাচ্ছিনা। এখন দৈনিক ভিত্তিতে শ্রমিকদের বেতন দিতেও সমস্যা হচ্ছে।
এদিকে করোনার আতঙ্কে শহরের রাস্তাঘাট একেবারেই ফাঁকা। অধিকাংশ দোকান ও বিতানগুলোতে ক্রেতাদের আনাগোনা নেই। সবকিছুইতেই এক ধরনের নীরবতা। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেনা। এদিকে দূর পাল্লার যাত্রীবাহী পরিবহনেও তেমন যাত্রী পাওয়া যাচ্ছেনা বলে জানান বাস মালিক সমিতির এক প্রতিনিধি। এ অবস্থায় অনেকে গণপরিবহন বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানান তিনি। এদিকে করোনা ভাইরাসের কারনে সুন্দরবনে পর্যটকদের ভ্রমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বনবিভাগ।
পাশাপাশি বনের উপর নির্ভরশীল মানুষের চলাচলেও কড়াকড়ি আরোপ করেছে বনবিভাগ। অন্যদিকে মার্চ মাসের শুরু থেকে বিদেশ থেকে মোংলায় ফেরত আসা ২১৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি বিদেশ থেকে আসা এ সকল লোকজনকে তাঁদের নিজ নিজ বাড়ীতে থাকতে বলেছে স্থানীয় প্রশাসন। করোনা সংক্রমণ রোধে বিদেশ থেকে আসা লোকজন যাতে নিজ বাড়ি-ঘর থেকে বের না হন, সেজন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ এবং ওই এলাকাগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সজাগ রয়েছেন এলাকাবাসীও। প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে কেউ বাইরে ঘুরাঘুরি করলে তাঁর বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

 

মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাজারে এলো ২০০ টাকার নোট
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বাজারে ছাড়া হয়েছে ২০০ টাকা মূল্যমানের নোট। বাংলাদেশ ব্যাংক আজ দেশে প্রথমবারের মতো এই টাকা বাজারে ছেড়েছে।

এ বিষয়ে গত ২২ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, বাজারে প্রচলিত ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার মতোই ২০০ টাকার নোট ছাড়া হবে। আগামী মাসে স্মারক ও প্রচলিত-দুই ধরনের ২০০ টাকার নোট ছাড়া হবে, তবে ২০২১ সাল থেকে নিয়মিত নোট বাজারে থাকবে।

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী বা মুজিববর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে ১০০ টাকা মূল্যমানের সোনা ও রূপার স্মারক মুদ্রাও পাওয়া যাচ্ছে।

২০০ টাকার নোটের ওপর ‘মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ নোট’ কথাটি লেখা রয়েছে। তবে ২০২১ সাল থেকে যে নোটগুলো ছাড়া হবে, তাতে আর তা লেখা থাকবে না।

                                                            

ব্যাংকের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর শাখার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ ও আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার এবং সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

একই সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নবায়ন, ব্যবহার বিষয়ক নীতিমালা মেনে চলার জন্য ব্যাংক গুলোকে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে গত রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে নিরাপত্তার জন্য অধিক সংখ্যক সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োজিত করতে হবে। ব্যাংকের নিরাপত্তায় নিয়োজিত সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরীদের অস্ত্র চালানোর পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

এ ছাড়া ভল্টের নিরাপত্তাসহ অন্যান্য খাতেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যাংকের ভেতরে ও বাইরে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশনাও রয়েছে।

ব্যাংক চলাকালীন ও অন্য সময়ও সিসি ক্যামেরায় তথ্য সংরক্ষণ করার নির্দেশনা দেয়া আছে। যাতে কোনো ব্যাংকে কোনো অঘটন ঘটলে সিসি ক্যামেরার রেকর্ড দেখে অপরাধীদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

উৎপাদকরা দাম যুদ্ধ শুরু করার সাথে সাথে এশিয়ায় তেল ডুবে গেছে
                                  
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আজ ৯  সোমবার এশিয়ায় তেলের দাম ক্রাশ হয়েছে প্রায় ৩০% যা বিশ্লেষকরা মূল্য যুদ্ধের সূচনা বলে মন্তব্য করছেন। শীর্ষ তেল রফতানিকারী সৌদি আরব 
গত শুক্রবার রাশিয়াকে তীব্র উত্পাদন কমানোর ব্যপারে রাজি করতে ব্যর্থ হওয়ার পরে সপ্তাহান্তে তার তেলের দাম কমিয়ে দিয়েছে।
 
তেল কার্টেল ওপেক এবং এর সহযোগী রাশিয়া এর আগে প্রোডাকশন কার্বগুলিতে একসাথে কাজ করেছিল। 
অস্থির শক্তি বাজারগুলিতে আজ সোমবার বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট অয়েল ফিউচারগুলি ব্যারেল প্রতি সর্বনিম্ন $ ৩১.০২ ডুবে গেছে।
গত শুক্রবার থেকে তেলের দাম হ্রাস পেয়েছে, যখন সৌদি আরবের নেতৃত্বে ওপেকের ১৪ সদস্য তার সহযোগী রাশিয়া ও অপ-অপেক সদস্যদের সাথে বৈঠক করেছেন।
করোনাভাইরাস ক্রমবর্ধমান ছড়িয়ে পড়ার কারণে ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রতি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে তা নিয়ে তারা আলোচনা করেছেন। 
তবে উভয় পক্ষই দিনে প্রায় দেড় মিলিয়ন ব্যারেল উৎপাদন কমানোর ব্যবস্থা নিয়ে একমত হতে ব্যর্থ হয়েছিল।

গত শুক্রবার ব্রেন্ট শুক্রবারে এনিয়ার দিকে নেমে যাওয়ার প্রবণতা সহ শুক্রবারে ৫০ ডলার ব্যারেলের নিচে নেমেছে বলে সৌদি আরব সাপ্তাহিক সপ্তাহে গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া দামগুলিকে দ্রুত হ্রাস করায়।
এই অঞ্চলটিতে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভারত সহ কয়েকটি বড় আমদানিকারক রয়েছে।

বিশ্বব্যাপী তেল উত্পাদন এখন চাহিদা ছাড়িয়ে যাওয়ার পরে, মরগান স্ট্যানলির তেল বিশ্লেষক মার্টজিন রেট বলেছেন, ওপেকের সদস্যরা এখন বাজারের শেয়ার দখল করতে আরও তেল পাম্প করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মিস্টার ইঁদুর এক গবেষণা নোটে বলেছিলেন, "ওপেক দেশগুলিতে এখন উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে খুব সামান্য প্রণোদনা রয়েছে, তেলের বাজারগুলি তীব্রভাবে সাবলীলভাবে দেখায়," মিস্টার র্যাটস এক গবেষণা নোটে বলেছেন। সামগ্রিকভাবে, ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে তেলের দামগুলি সর্বশেষে এই স্তরে ছিল এবং এটি ১৬ বছরের নীচের দিকে। গবেষণা সংস্থা ভান্ডা ইনসাইটস-এর জ্বালানী বিশ্লেষক বান্দনা হরি বলেছেন, ওপেক এবং রাশিয়ার মধ্যে উত্পাদন কাট নিয়ে দ্বিমত দেখে বাজারগুলি হতবাক হয়েছিল, যা বিশ্বের শীর্ষ নির্মাতা হিসাবে আমেরিকা গত বছরকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। "ওপেক / নন-ওপেক জোটের পতন তেল বাজারের জন্য একটি বড় ধাক্কা, এবং এটি আরও চ্যালেঞ্জের সাথে আসে যে সামনে কী রয়েছে তার পুরো চিত্র আমাদের কাছে নেই," মিসেস হরি বিবিসিকে বলেছেন।

 

 

                     

 

ধনবাড়ীতে ব্যাংক এশিয়ার শাখা উদ্বোধন
                                  

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর পাইস্কার নতুন বাজারে ব্যাংক এশিয়া লি: এর এজেন্ট ব্যাংকিং এর শাখা ব্যাংক উদ্বোধন করা হয়েছে।
পাইস্কা ইউপি চেয়ারম্যান আরিফ বজলুর সভাপতিত্বে মঙ্গলবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এশিয়া ব্যাংক লি: এর জামালপুরের ডিস্টিক ম্যানেজার আহসান হাবীব সিদ্দিকী, অনুষ্ঠানে ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন ও প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ হারুনার রশিদ হীরা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধনবাড়ী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা শামছুল হুদা, ধনবাড়ী উপজেলা প্রকৌশলী জয়নুল আবেদীন, ব্যাংক এশিয়ার কর্মকর্তা মুবীন আহমেদ, বদিউজ্জামান, জনতা ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা মো: নূরুল ইসলাম,ধনবাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক আরশেদ আলম,পাইস্কা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাইস্কা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মাহবুবুল আশম পলাশ, দৈনিক গনমুক্তি ও মাইটিভির সাংবাদিক হাফিজুর রহমান, প্যানেল চেয়ারম্যান মারুফ হাসান লিটন, ইউপি সচিব আ: বারী, উদ্যোক্তা কাবেল হোসেন প্রমূখ।অনুষ্ঠানে ধনবাড়ী উপজেলার সকল ইউনিয়নের সচিব ও উদ্যোক্তা সহ এলাকার সকল শ্রেণীপেশার ব্যাক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

মহাদেবপুরে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের উদ্বোধন
                                  

নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁ’র মহাদেবপুর উপজেলায় নওহাটা’র মোড়ে চৌমাশিয়া বাজারে ইসলামকী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ্যারোমা এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠান ব্যাংকের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

আজ শনিবার দুপুরে এ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মহাদেবপুর-বদলগাছি আসনের সংসদ সদস্য মোঃ ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম।

ইসলামী ব্যাংক-এর সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রাজশাহী জোনের প্রধান মোঃ কাউছার-উল-আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মহাদেবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আহসান হাবিব, নওগাঁ’র সিভিল সার্জন ডাঃ আখতারুজ্জামান আলাল, চেরাগপুর ইউনিয়ন পরিসদের চেয়রম্যান শিবনাথ মিশ্র, বলিহার কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আতিকুর রহমান, ইসলামী ব্যাংক মহাদেবপুর শাখা প্রধান মোঃ শওকত আলী, সরস্বতিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সায়েম, এ্যারোমা এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ মাহবুব আলম এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

এ সময় ব্যাংকের নওগাঁ ও মহাদেবপুর শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং চৌমাশিয়া বাজারের ব্যবসায়ীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

করোনাভাইরাস এবং তেল : কেন অশোধিত মারাত্মক আঘাত হানে
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বের বৃহত্তম তেল উত্পাদকরা করোনভাইরাসের পতনের সাথে জড়িত হওয়ায় আউটপুট কমিয়ে দিতে পারে।

ওপেক এবং তার সহযোগীদের প্রতিনিধিরা এই সপ্তাহে বৈঠক করবেন বলে

আশা করা হচ্ছে তেলের দামকে সমর্থন করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য।

ব্রেন্ট ক্রুড সেপ্টেম্বরে শীর্ষে থেকে ২০% হ্রাসের পরে এক বছরের সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছেছে।

তাহলে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে এত বড় প্রভাব ফেলছে কেন ?

বিশ্বব্যাপী তেলের দাম এত কমেছে কেন? যেহেতু চুনার নববর্ষের ছুটি চীনের অনেক অংশে বাড়ানো হয়েছে

এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাগুলি স্থানে রয়েছে কারখানা, অফিস এবং দোকান বন্ধ রয়েছে।

এর অর্থ হ`ল বিশ্বের বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক,

যা সাধারণত দিনে প্রায় ১৪ মিলিয়ন ব্যারেল খরচ করে, বিদ্যুতের যন্ত্রপাতি,

জ্বালানী যানবাহনগুলিতে এবং লাইট চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রচুর পরিমাণে তেল প্রয়োজন।

এই প্রাদুর্ভাবের ফলে জেট জ্বালানির চাহিদার উপর বিশেষত বড় প্রভাব পড়বে

কারণ বিশ্বজুড়ে বিমান সংস্থা চীনতে বিমান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে

এবং দেশের অভ্যন্তরে ভ্রমণের বিধিনিষেধের অর্থ খুব কম ফ্লাইট রয়েছে।

ব্লুমবার্গ এই সপ্তাহে জানিয়েছে যে চীনের দৈনিক অপরিশোধিত ব্যবহার ২০% হ্রাস পেয়েছে,

যুক্তরাজ্য এবং ইতালির তেলের সমান প্রয়োজন।

এর প্রতিক্রিয়ায় এশিয়ার বৃহত্তম তেল পরিশোধক সংস্থা সিনোপেক, যা চীন সরকারের মালিকানাধীন,

 এটি প্রতিদিন অপরিশোধিত পরিমাণটি প্রায় ৬০০০,০০০ ব্যারেল বা  ১২% কেটে নিয়েছে,

যা এক দশকেরও বেশি সময়কালে এটি সবচেয়ে বেশি কাটা হয়েছে।

শিকাগো ভিত্তিক তেল বিশ্লেষক ফিল ফ্লাইনের মতে এই পতনের মাত্রা শক্তি শিল্পকে হতবাক করেছে:

"আমরা এই স্কেলের চাহিদা ধ্বংসের ঘটনা দেখিনি যা এটিকে দ্রুত এগিয়ে যায়।

"এটি আমাদের বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রাদুর্ভাবের প্রভাব সম্পর্কে কী বলে?

তেলের চাহিদার তীব্র পতন চীনের ব্যবসায়িক ক্রিয়াকলাপ হ্রাসের একটি স্পষ্ট লক্ষণ 
এবং ইঙ্গিত দিয়েছিল যে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, যা ইতিমধ্যে তিন দশকের নীচে ছিল, আরও ধীর হবে।
চিনা একাডেমি অফ সোস্যাল সায়েন্সেস-এর সমর্থিত থিঙ্ক-ট্যাঙ্কের অর্থনীতিবিদ ঝাং মিং বলেছেন, 
এই প্রাদুর্ভাব বছরের প্রথম তিন মাসের জন্য দেশের বার্ষিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ৫% এর নিচে ঠেলে দিতে পারে।
চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের 
মূল ইঞ্জিন হিসাবে উন্নত দেশগুলি বৃদ্ধি বাড়াতে লড়াই করছে। 
চীনের যে কোনও নেতিবাচক প্রভাব বিশ্বজুড়ে প্রায় ছড়িয়ে পড়েছে তা নিশ্চিত।
এই সপ্তাহে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিভা বলেছেন, 
মহামারীটি কমপক্ষে স্বল্পমেয়াদে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে 
সতর্ক করে দিয়েছে যে আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলার অপেক্ষা রাখে না: 
"আমাদের কীভাবে মূল্যায়ন করতে হবে করোনাভাইরাসের বিস্তার এবং 
এই ক্রিয়াটি কতটা কার্যকর তা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। "
 তেল উত্পাদকরা কী করবে বলে আশা করা হচ্ছে?
 
বিশ্বের বৃহত্তম তেল উত্পাদনকারীরা বলা হচ্ছে যে কমছে দাম বাড়ানোর জন্য ২০১৬ সালের 
পর থেকে আরও বেশি উৎপাদন কাট নিয়ে আলোচনা করা হবে।
ওপেক সদস্য ইরান গতকাল সোমবার প্রকাশ্যে তেলের দামকে সমর্থন করার 
ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছে কারণ করোনাভাইরাস চাহিদা হিট করেছে।
 এই বিবৃতিটি তথাকথিত ওপেক + হিসাবে এসেছে, যার মধ্যে রাশিয়া রয়েছে, এই সপ্তাহে এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে 
এমন এক সভায় প্রতিদিন ৫০০,০০০ থেকে ১ মিলিয়ন ব্যারেলের আউটপুট কাট নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।
সিএমসি মার্কেটসের মার্গারেট ইয়াং বলেছে যে বাজারটি আশা করছে যে দিনে দিনে ৫,০০,০০০ ব্যারেল উৎপাদন কাটা হবে
তবে: পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার পরে আমরা আরও গভীর কাটা ছাড়তে পারব না। "
পেঁয়াজের দাম কেজিতে বাড়ল ৪০ টাকা
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : কয়েক দিন ধরে কমতে থাকলেও আবারও বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁজ।

এক দিনের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে সর্বোচ্চ ৪০ টাকা।

এছাড়া বেড়েছে ভোজ্যতেল, ডাল, আদা, শুকনা মরিচ, এলাচ, দারুচিনির দামও।

বিক্রেতারা বলছেন, সিটি নির্বাচনের কারণে ঢাকায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় এসব পণ্যের দাম বেড়েছে।

তবে ক্রেতারা বলছেন, এসব বিক্রেতাদের অজুহাত মাত্র।

কেন না, ভোটের এক দিন আগে পরিবহন বন্ধ রাখার ঘোষণা রয়েছে, সেটা এখনও শুরু হয়নি।

তাই বিক্রেতারা একজোট হয়ে একটি অজুহাত দেখিয়ে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নয়াবাজার ও

শান্তিনগর কাঁচাবাজারের বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,

এদিন প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৩০-১৪০ টাকায়।  এক দিন আগেও বিক্রি হয় ৯০-১১০ টাকায়।

আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৭০-১২৫ টাকায়। এক দিন আগে বিক্রি হয় ৬০ থেকে ৯০ টাকায়।

কারওয়ান বাজারের খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা আরিফ বলেন,

সিটি নির্বাচনের কারণে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম বলে বেশি দরে বক্রি করতে হচ্ছে।

খুচরায়ও এর প্রভাব পড়েছে। কিন্তু এসবই তাদের অজুহাত। তাদের কাছে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ রয়েছে।

কিন্তু তারা কারসাজি করে বাড়তি দরে বিক্রি করছে।

একই বাজারের পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা মো. আশরাফ বলেন,

সিটি নির্বাচনের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে গাড়ি আসতে চাচ্ছে না- যার কারণে সরবরাহ কম। দামও বেশি।

অন্যদিকে বাজারে মুদি বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,

এক দিন আগে বুধবার পাঁচ লিটারের সয়াবিন কোম্পানি ভেদে বিক্রি হয়েছে ৪৬৫ থেকে ৫১৫ টাকা-

যা আজ বৃহস্পতিবার বিক্রি হয়েছে ৪৭৫ থেকে ৫২০ টাকা।

মশুরের ডাল মান ভেদে বিক্রি হয়েছে ১২০-১৩০ টাকা। এক দিন আগে ছিল ১১০-১২৫ টাকা।

প্রতি কেজি দারুচিনি বিক্রি হয়েছে ৪২০-৪৫০ টাকা। এক দিন আগে ছিল ৪০০-৪৪০ টাকা।

আদা বিক্রি হয়েছে ১২০-১৮০ টাকা কেজি। এক দিন আগে ছিল ১১০-১৬০ টাকা।

শুকনা মরিচ বিক্রি হয় ২৪০-৩৫০ টাকা কেজিতে। এক দিন আগে ছিল ২২০-৩৩০ টাকা।

এলাচ (ছোট) প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৪৩০০-৫০০০ টাকায়। এক দিন আগে ছিল ৪২০০-৪৫০০ টাকা।

নয়াবাজারের মুদি বিক্রেতা মো. শাহীন বলেন, পাইকারি বাজারে একাধিক মুদি পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে-

যার কারণে খুচরা বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে পণ্যগুলো। পাইকাররা পরিবহন বন্ধের অজুহাতে দাম বাড়িয়েছে।

তাছাড়া শুক্রবার সবাই সপ্তাহের বাজার করবে একটু বেশি। ফলে সব কিছু বিবেচনা করে তারা দাম বাড়িয়েছে।

 

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যের ৮০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড অনুদান
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : কক্সবাজারে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সহায়তায় বাংলাদেশে জাতিসংঘের

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) কার্যক্রমে যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন সংস্থা

ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ডিএফআইডি)

আরও ৮০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড (১ কোটি ২ লাখ ইউএস ডলার) অনুদান দিয়েছে।

ডিএফআইডি’র এ অনুদানের ফলে ডব্লিউএফপি ২ লাখ ৭০ হাজার ৬শ’ শরণার্থীকে ইলেকট্রনিক ভাউচারের

(ই-ভাউচার) আওতায় তিন মাস খাদ্য সহায়তা প্রদান করতে সক্ষম হবে।
আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে শরণার্থী শিবিরে অবস্থানরত

পরিবারবর্গ ২৫টি ডব্লিউএফপি-সমর্থিত দোকান থেকে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী ক্রয় করতে পারবে।
ই-ভাউচার আউটলেট থেকে কেনাকাটা করার জন্য পরিবারগুলো প্রতি মাসে

সদস্য-প্রতি ৯ ইউএস ডলার (৭৭০ টাকা) করে পেয়ে থাকে।

এই অর্থ ডব্লি¬উএফপি’র একটি প্রি-পেইড অ্যাসিসটেন্ট কার্ডে থাকে যা ব্যবহার করে

পরিবারগুলো দোকান থেকে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী ক্রয় করতে পারে।
বিশেষ করে তারা টাটকা ফলমূল, শাকসবজি, মাছ, ডিম, মুরগী, মসলা এবং অন্যান্য সামগ্রী কিনতে পারে।

ই-ভাউচারের দোকানগুলো স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়,

তাই স্থানীয় জনগণ আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ পায়।
বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রসঙ্গে ডব্লি¬উএফপি’র প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর রিচারড রেগান বলেন,

‘যুক্তরাজ্যের এই অনুদান আমাদের ই-ভাউচারের মাধ্যমে খাদ্য

সহায়তামূলক কার্যক্রমগুলো অব্যহত রাখার সুযোগ করে দিয়েছে।

স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সাথে বাজার ব্যবস্থাপনায় ই-ভাউচার সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।

এই দোকানগুলোতে প্রাপ্ত খাদ্যসামগ্রীর প্রায় সবই কক্সবাজারের বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত,

তাই ই-ভাউচারের কারণে স্থানীয় জনগণও নানাভাবে উপকৃত হচ্ছে।’
২০২০ সালের মাঝামাঝি নাগাদ সকল শরণার্থীদেরকে ই-ভাউচারের আওতায়

আনার ব্যাপারে ডব্লিউএফপি আশাবাদী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসের হিসাব অনুযায়ি ডব্লিউএফপি প্রতি মাসে অন্তত

৮ লাখ ৪২ হাজার ১০০ জন শরণার্থীকে খাদ্য সহায়তা দিয়ে আসছে। এদের মধ্যে অর্ধেক

শরণার্থী ই-ভাউচারের মাধ্যমে সহায়তা পেয়ে থাকে,

এবং বাকি অর্ধেক সরাসরি খাদ্য বিতরণ কর্মসূচীর মাধ্যমে চাল, ডাল ও তেল পেয়ে থাকে।
ডিএফআইডি’র সহযোগিতায় ডব্লিউএফপি ইতিমধ্যে একটি পরীক্ষামূলক কৃষি বাজার চালু করেছে,

যেখান থেকে পরিবারবর্গ বিভিন্ন দ্রব্যসামগ্রী যেমন চাল, ডাল, তেল ইত্যাদি অনুদান হিসেবে গ্রহণ করে থাকে।

এসব বাজারের মাধ্যমে ক্যাম্পে বসবাসরত শরণার্থীরা টাটকা কৃষিপণ্য, মাছ, মাংস ইত্যাদি সহজেই সংগ্রহ করতে পারে।
ডিএফআইডি’র মাধ্যমে যুক্তরাজ্য সরকার কক্সবাজারে ডব্লিউএফপির কর্মকান্ডে উদারভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে চলেছে।
ডিএফআইডি ২০১৭ সালে ১ কোটি ১৩ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড,

২০১৮ সালে ১ কোটি ৭০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড এবং ২০১৯ সালে ২ কোটি ৪ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড অনুদান দিয়েছে।

 

ঢাকা সিটির ভোট কেন্দ্রে চলছে অনুশীলনমূলক ভোটিং
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর সকল ভোট কেন্দ্রে

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের মাধ্যমে (ইভিএম) অনুশীলনমূলক ভোটিং চলছে।

আজ দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে রাজধানীর ভোট কেন্দ্রগুলোতে অনুশীলনমূলক ভোটিং শুরু হয়েছে, চলবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।
ইভিএম-এ ভোট প্রদানের প্রক্রিয়ার সঙ্গে ভোটাররা পরিচিত নন। তাই ভোটারদের ইভিএম মেশিনে কিভাবে ভোট দিতে হয়,

তা জানাতে নির্বাচন কমিশন এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। জানার আগ্রহ নিয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটাররা ভিড় করছেন।
এবারের নির্বাচনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট দিয়ে পছন্দের প্রার্থী নির্বাচনের সুযোগ পাচ্ছেন ভোটাররা।
ঢাকা উত্তর সিটিতে ১ হাজার ৩১৮টি ভোটকেন্দ্রের ৭ হাজার ৮৫০টি বুথে ৩০ লাখ ৯ হাজার ভোটার এবং

ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১ হাজার ১৫০ ভোটকেন্দ্রের ৬ হাজার ৫৮৯টি বুথে ২৪ লাখ ৫২ হাজার

ভোটার ইভিএমের মাধ্যমে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পাচ্ছেন।
আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ইলিশ ধরা পড়ছে বিস্ময়কর হারে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :বাংলাদেশে গত কয়েকদিন ধরে ইলিশ ধরা বেড়েছে।

মেঘনা নদীতে গত এক সপ্তাহে লক্ষ্মীপুর জেলায় প্রায় ৪০০ মেট্রিক টন ইলিশ ধরা পড়েছে।

অথচ একটা সাধারণ ধারণ রয়েছে যে, বর্ষা হলো ইলিশের ভরা মৌসুম। এসময়ই ধরা পড়বে ইলিশের বড় অংশটি।

লক্ষ্মীপরের মৎস্য কার্যালয় বলছে, ২০১৯ সালে একই সময়ে সপ্তাহে বড়জোর ৫০ থেকে ৬০ মেট্রিক টন মাছ ধরা পড়েছিল।

অথচ এবার ধরা পড়ছে আট গুন বেশি মাছ। কর্মকর্তারা বলছেন, গত ১৫-২০ বছরে এমন ঘটনা দেখা যায়নি।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বিবিসিকে বলেছেন, "এটা খুবই অস্বাভাবিক ঘটনা।

আমি গত ১৫-২০ বছরেও এমন ঘটনা দেখিনি। মনে হচ্ছে এটা ইলিশের নতুন মৌসুম হতে পারে,

কিন্তু আমরা চাই বারো মাসই মৌসুম চলুক।"

পৃথিবীর মোট ইলিশের প্রায় ৬০% উৎপাদন হয় বাংলাদেশে। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত পদ্মার ইলিশ।

ইলিশ বিশেষজ্ঞদের মতামত হচ্ছে, পদ্মা-মেঘনা অববাহিকায় যে ইলিশের বাস স্বাদের জন্য তারা সবচেয়ে বিখ্যাত।

মৎস্য কর্মকর্তা মি. হোসেন বলেছেন, যে ইলিশ এখন পাওয়া যাচ্ছে এগুলো মূলতঃ সাগর থেকে নদীর মোহনায় আসা ইলিশ।

আগে কেবল ডিম ছাড়ার সময় নদীর মোহনায় আসত ইলিশ।

"কিন্তু এই সময়টাতে ইলিশ সাধারণত ডিম ছাড়ে না, কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায়,

তারা অনেকটাই আগের জীবনচক্রে ফেরত গেছে। এর মানে হচ্ছে, আগে ইলিশ কমবেশি বারো মাসই ডিম ছাড়ত,

কিন্তু সেই জীবনচক্র অনেকটা হারিয়ে গিয়েছিল, যা ইদানীং আবার ফেরত আসছে।"

মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী গত এক দশকে বাংলাদেশে ইলিশের উৎপাদন প্রায় তিন গুন হয়েছে।

দেখা যাচ্ছে, নদী এবং নদীর মোহনা দুই জায়গাতেই ইলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

তা সত্ত্বেও সাধারণত বাংলাদেশে শীত মৌসুমে ইলিশ প্রায় পাওয়াই যায় না।

মি. হোসেন বলছেন, "কিন্তু গত এক সপ্তাহে এখানে জেলেরা ৪০০ মেট্রিক টনের মত ইলিশ ধরেছে।

আর মাছের আকার দেখে আমাদের মনে হচ্ছে, এটা এখনই শেষ হয়ে যাবে না, আরো অন্তত দেড় থেকে দুই মাস চলবে।"

মি. হোসেন বলছিলেন, এই সময়ে এত ইলিশ ধরা পড়ার সাথে অমাবস্যা-পূর্ণিমার সময়ের একটা সম্পর্ক রয়েছে।

"কারণ অমাবস্যা ও পূর্ণিমা শুরুর আগের দুইদিন এবং পরের তিনদিন এই সময়ে নদীতে ও নদীর মোহনায় পানির প্রবাহ বেশি থাকে,

যে কারণে সে সময়ে সাগর থেকে মাছ বেশি আসে এবং মাছের চলাচলও এ সময় বেশি থাকে।"

সরকারের মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের ইলিশ বিষয়ক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আনিসুর রহমান বলছেন,

গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে ইলিশের পরিমাণ অনেক বেড়েছে, সেটা একটা কারণ।

"ইলিশ মাছ রক্ষার জন্য আগে কেবল জাটকা ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকতো,

কিন্তু গত মৌসুমে জাটকা ইলিশের সাথে সাথে মা ইলিশ ধরার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা দেয়া হচ্ছে।

ফলে এখন ইলিশ তার জীবনচক্র পূর্ণ করতে পারছে। এর ফলে ইলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।"

ইলিশ রক্ষায় সরকার কয়েক দফা জাটকা ও মা-ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

২০শে মে থেকে ২৩শে জুলাই পর্যন্ত ৬৫দিন সাগরে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ ছিল।

সেই সঙ্গে মার্চ ও এপ্রিল দুই মাস এবং অক্টোবরে ২২দিন নদীতে ইলিশ ধরা বন্ধ ছিল।

"এই সময়ে সাগর থেকে মাছ নদীতে এসে ডিম ছেড়ে আবার সাগরে ফিরে যেতে পারে।

এই সময়ে একটি ইলিশের জীবনচক্র পূর্ণ হয়, আগে জীবনচক্র পূর্ণ হবার আগেই তারা ধরা পড়ে যেত।"

তবে সংখ্যা বৃদ্ধি ছাড়াও গত কয়েকদিনের কিছুটা ঠাণ্ডা আবহাওয়া বেশি মাছ ধরা পড়ার

আরেকটি কারণ হতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

ক্রেতারা খুশী

অসময়ে বহু পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ার কারণে বাজারে ইলিশের দাম কমেছে। আর এর ফলে ক্রেতারা খুশী।

লক্ষ্মীপুর জেলা সদরের একজন কলেজ শিক্ষক সাবিহা ইয়াসমিন বলছিলেন,

গত কয়েকদিন ধরে স্থানীয় বাজারে আগের চেয়ে অর্ধেক দামে ইলিশ মাছ পাওয়া যাচ্ছে।

"পাঁচ থেকে ছয়শো গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ এক হালি এগারোশ টাকায় কিনেছি।

মাসের শুরুতে আমাদের পরিবারের এক অনুষ্ঠানের জন্য এই ওজনের ইলিশ মাছ জোড়া (দুইটা) কিনেছি এক হাজার টাকায়।"

তবে, লক্ষ্মীপুরের বাজারের আঁচ এখনো ঢাকায় এসে পৌঁছায়নি।

লালমাটিয়া মহিলা কলেজের শিক্ষক ফাতেমা শারমীন বলেছেন,

"ইলিশের দাম কমার খবর শুনে বাজারে গিয়ে দেখি এখনো ওখানকার মত কমে নাই, অল্প কমেছে।

কিন্তু মাছ যদি এ হারে ধরা পড়তে থাকে, তাহলে আমরা আশাবাদী হতে পারবো।"

বাঙালির ইলিশপ্রীতি অতুলনীয়। কেবল খাবার খাবার পাতে নয়,

সাহিত্যে এমনকি কূটনীতিতেও ইলিশ প্রসঙ্গ উঠে এসেছে অনেকবারই।

২০১৯ সালের জুলাই মাসে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

মমতা ব্যানার্জী বিধানসভায় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্তব্য করেছিলেন যে,

ভারত তিস্তার পানি না দেয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ইলিশ পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ।

এমনকি ২০১৭ সালে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে ইলিশ মাছ স্বীকৃতি পেয়েছে।

ফলে বাঙ্গালীর ইলিশ প্রীতির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও মিলেছে।

চীন, ভারত ও পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :  চলতি অর্থবছরে বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির যে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক তাতে বাংলাদেশ ভারত

বা পাকিস্তানকেই শুধু নয় বরং শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ চীনকেও ছাড়িয়ে যাবে৷

২০১৯/২০ অর্থ বছরে ৩০ জুন বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশ হবে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে৷

পরবর্তী অর্থ বছরে যা আরো খানিকটা বেড়ে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ হতে পারে৷

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ২০২০ সালে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৫ শতাংশ হবে৷

ভারত ও শ্রীলঙ্কায় দেশজ বিনিয়োগ ও দেশজ চাহিদা বাড়ায় উৎপাদনও বাড়বে৷

ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ উন্নত হওয়ায় এবং অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়ার সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশ,

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক৷

ভারতে ব্যাংক নয় এমন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে তেমন বিনিয়োগ আসে না,

যে অবস্থা আরো দীর্ঘমেয়াদী হবে৷ ফলে ২০১৯/২০ অর্থ বছরে ৩১ মার্চ দেশটির প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা কমে ৫ শতাংশ হবে৷

তবে পরবর্তী অর্থবছরে তা আবার বেড়ে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ হবে৷

পাকিস্তানে ২০১৯/২০ অর্থ বছরে (জুন ৩০) জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৪ শতাংশ হবে৷ পরবর্তী অর্থবছরে তা বেড়ে ৩ শতাংশ হতে পারে৷

২০ ডিসেম্বর ২০১৯ সাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে বিশ্বব্যাংক এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে৷

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে, বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে ধীরে ধীরে উন্নতির মাধ্যমে

গত বছরের তুলনায় এবছর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা দ্রুত হওয়ার আভাস দেওয়া হয়েছে৷

২০১৯ সালে বিশ্বে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২ দশমিক ৪ শতাংশ এবং এবার যেটা ২ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে৷

কয়েকটি উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশ গত বছরের সংকট কাটিয়ে নিজেদের অর্থনীতির উন্নয়ন ঘটাবে,

এই আশা থেকেই বিশ্বব্যাংক প্রবৃদ্ধির এই পূর্বাভাস দিয়েছে৷ যদিও একই সঙ্গে বলেছে,

যুক্তরাষ্ট্র এবং আরো কয়েকটি উন্নয়নশীল দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) কিছুটা হ্রাস পাবে৷

চীনের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধে জড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট দেশজ উৎপাদনে যে,

অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে তার জেরে দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কিছুটা কমে ১ দশমিক ৮ শতাংশ হবে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে৷

শিল্পনির্ভর ইউরো অঞ্চলেও ‘ইন্ডাসট্রিয়াল অ্যাক্টিভিটি’ হ্রাস পাওয়ায় জিডিপিতে নিম্নগতি থাকতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে৷

তবে ব্রাজিলের মত উদীয়মান অর্থনীতির দেশে গত বছরের তুলনায় মোট দেশজ উৎপাদন বাড়বে৷

মেক্সিকো ও তুরস্কে ২০১৯ সালে প্রবৃদ্ধি প্রায় শূন্য ছিল, এ বছর ওই অবস্থার উন্নতি ঘটা উচিত বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক৷

ধীরে হলেও আর্জেন্টিনার অর্থনৈতিক অগ্রগতিও হচ্ছে৷ তবে গত দুই বছরের তুলনায় এবার প্রবৃদ্ধির গতি কমে যেতে পারে৷

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্রম নেতিবাচকগতি এবার থামবে বলা হয়েছে৷

সেইসঙ্গে ২০২১ সাল নাগাদ দেশটি প্রবৃদ্ধি আবারও অগ্রগতির পথে উঠে আসবে৷

কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে ইরানের রাজনীতিতে যে চরম সংকট দেখা দিয়েছে তা বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাসকে পুরো উল্টে দিতে পারে৷

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন ইরানে এই সংকট তৈরির আগে করা৷

পূর্ব এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চল ২০২০ সালে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৭ শতাংশ হবে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে৷

যদিও বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে এই অঞ্চলের শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ চীনের প্রবৃদ্ধিতে কিছুটা নিম্নগতি দেখা দিতে পারে৷

এ বছর দেশটির জিডিপি ৫ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে৷ তবে কলম্বিয়া, ফিলিপিন্স, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের জিডিপি বাড়বে৷

 

পদ্মা ব্যাংক এক বছরের মধ্যে স্টক মার্কেটে চলে আসবে : অর্থমন্ত্রীর প্রত্যাশা
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : অর্থমন্ত্রী এএইচএম মুস্তফা কামাল আশা প্রকাশ করেছেন যে পদ্মা ব্যাংক আগামী এক বছরের মধ্যেই স্টক মার্কেটের তালিকায় যুক্ত হবে।

ব্যাংকটি ইতোমধ্যেই সাফল্যের সাথে এর প্রথম বছর অতিক্রম করেছে।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে পদ্মা ব্যাংকের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও

বার্ষিক ব্যবসায় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
কামাল বলেন, ‘নতুন নামে পুনরায় চালু হওয়ার মাত্র এক বছরের মধ্যেই পদ্মা ব্যাংক

তার নতুন সেভিংস প্রোডাক্টসের মাধ্যমে গ্রাহকের আস্থা অর্জন করেছে।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ শরাফত অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন।

আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।
কামাল বলেন, অর্থ নয়, গ্রাহকের আস্থাই একটি ব্যাংকের মূল সম্পদ। পদ্মা ব্যাংক গ্রাহকের এই আস্থা অর্জন করেছে।

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, আগামী এক বছরের মধ্যেই ব্যাংকটি স্টক মার্কেটে চলে আসবে।’

ব্যাংকের উপর আস্থা রাখায় ও নতুন আমানত গচ্ছিত রাখায় নাফিজ শরাফত ব্যাংকের গ্রাহকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, ব্যাংকটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপনে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকিং ডিভিশনের সিনিয়র সেক্রেটারি মো. আসাদুল ইসলাম এবং

পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. এহসান খসরু।
এহ্সান খসরু পদ্মা ব্যাংকের প্রথম বছরের অর্জন তুলে ধরে বলেন, ব্যাংকটি দুই বছর আগের বিপর্যয়কর অবস্থা কাটিয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, পদ্মা ব্যাংক গ্রাহকদের কাছে ব্যাংকিং সেবা সহজ করার লক্ষে ইতোমধ্যেই পদ্মা ক্লিক, পদ্মা ডিজি,

পদ্মা আই ব্যাংকিং ও পদ্মা ওয়ালেট নামে কয়েকটি নতুন এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়ার চালু করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের অ্যাডভান্স ডিপজিট র‌্যাসিও (এডিআর) দুই বছরের আগের চেয়ে এখন ভাল।

এছাড়াও আমরা ২০২০ সাল নাগাদ ব্যাংকের এডিআর শতভাগের কমে নিয়ে আসতে চাই।’

আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশের এক কোটিরও বেশি মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়েছেন।

মাথার ঘাম পায়ে ঠেলে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বা রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশি অভিবাসীদের সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে দেশের বার্ষিক রেমিটেন্সের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে চলেছে।

বিদেশে পাড়ি জমানো এ প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে

আজ বৃহস্পতিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২০ তারিখের মুদ্রার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো: 

দেশের বাজারে আজ ১ মার্কিন ডলার কেনা হচ্ছে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা দিয়ে, বিক্রি হচ্ছে ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা দরে।

ইউরোজোনের একক মুদ্রা ইউরো কেনা হচ্ছে ৯৪ টাকা ২০ পয়সা দিয়ে, বিক্রি হচ্ছে ৯৭ টাকা দরে।

ভারতীয় রুপি কেনা হচ্ছে ১ টাকা ২০ পয়সা দরে, বিক্রি হচ্ছে ১ টাকা ২৫ পয়সা দরে।

মালয়েশিয়ার রিঙ্গিত কেনা হচ্ছে ১৯ টাকা ৫০ পয়সা দরে। বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা ৮০ পয়সা দরে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম কেনা হচ্ছে ২২ টাকা ৬০ পয়সা দরে, বিক্রি হচ্ছে ২৩ টাকা ৩০ পয়সা দরে।

 


   Page 1 of 89
     অর্থ-বাণিজ্য
করোনা ভাইরাসে লোকসানে তথ্যপ্রয্ক্তুরি বিনিয়োগকারীরা
.............................................................................................
বাগেরহাটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে মাস্ক তৈরি
.............................................................................................
করোনার প্রভাবে মোংলার বাণিজ্যে স্থবিরতা
.............................................................................................
মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাজারে এলো ২০০ টাকার নোট
.............................................................................................
ব্যাংকের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ
.............................................................................................
উৎপাদকরা দাম যুদ্ধ শুরু করার সাথে সাথে এশিয়ায় তেল ডুবে গেছে
.............................................................................................
ধনবাড়ীতে ব্যাংক এশিয়ার শাখা উদ্বোধন
.............................................................................................
মহাদেবপুরে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের উদ্বোধন
.............................................................................................
করোনাভাইরাস এবং তেল : কেন অশোধিত মারাত্মক আঘাত হানে
.............................................................................................
পেঁয়াজের দাম কেজিতে বাড়ল ৪০ টাকা
.............................................................................................
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যের ৮০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড অনুদান
.............................................................................................
ঢাকা সিটির ভোট কেন্দ্রে চলছে অনুশীলনমূলক ভোটিং
.............................................................................................
ইলিশ ধরা পড়ছে বিস্ময়কর হারে
.............................................................................................
চীন, ভারত ও পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ
.............................................................................................
পদ্মা ব্যাংক এক বছরের মধ্যে স্টক মার্কেটে চলে আসবে : অর্থমন্ত্রীর প্রত্যাশা
.............................................................................................
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
.............................................................................................
সরকারি তহবিলের অর্ধেক বাণিজ্যিক ব্যাংকে রাখতে হবে
.............................................................................................
সোনার চেয়ে মূল্যবান: ধাতব প্যালেডিয়াম কেন বাড়ছে
.............................................................................................
বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৮, বলছে জাতিসংঘ
.............................................................................................
আগামীকাল বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু
.............................................................................................
ভয়াবহ বিপর্যয়ে পুঁজিবাজার
.............................................................................................
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দ্বিতীয় দিন অব্যাহত দরপতনে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা
.............................................................................................
সিএএ : মাইক্রোসফ্ট বস ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইনকে `দুঃখজনক` বলেছেন
.............................................................................................
রপ্তানিতে নগদ সহায়তার উৎসে কর অর্ধেক
.............................................................................................
নৌবাহিনীর বহরে আধুনিক যুদ্ধজাহাজ ওমর ফারুক হও আবু উবাইদাহ
.............................................................................................
কার্লোস ঘোসন : নিসান তদন্তকে `গ্রস বিকৃতকরণ`
.............................................................................................
আগামী ১০ জানুয়ারি বন্ধ থাকবে বাণিজ্য মেলা
.............................................................................................
পাট পণ্যের দাম কমানো হবে : পাটমন্ত্রী
.............................................................................................
চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধের সুফল বাংলাদেশের পোশাক খাত কেন নিতে পারলো না?
.............................................................................................
২৯ ট্রাভেল এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল ১ বছরে
.............................................................................................
কাসেম সোলাইমানি হত্যার সাথে বাংলাদেশে সোনার দাম বৃদ্ধির সম্পর্ক কী?
.............................................................................................
স্বর্ণের ভরি বেড়ে ৬০ হাজার ছাড়াল
.............................................................................................
চ্যানেল আই প্রকৃতি মেলা আগামীকাল
.............................................................................................
২০২৪ সালের মধ্যে সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়াকে ছাড়াবে বাংলাদেশের অর্থনীতি
.............................................................................................
বেনাপোলে হয়রানি ও তল্লাশি বেড়েছে
.............................................................................................
মুকেশ আম্বানি : এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি খুচরা জায়ান্ট অ্যামাজন নিয়েছেন
.............................................................................................
ঋণের সুদহার ৯% ক্রেডিট কার্ড ছাড়া
.............................................................................................
বাণিজ্যমেলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
১১ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে চতুর্থ দিনের অনশন পাটকল শ্রমিকদের
.............................................................................................
নতুন বছরের শুরু অর্থনীতিতে চাপ নিয়েই
.............................................................................................
আগামিকাল বাণিজ্য মেলা শুরু, বাড়লো টিকিট মূল্য
.............................................................................................
ব্যাংক থেকে দেদারসে ঋণ নিচ্ছে সরকার, পরিণতি কী?
.............................................................................................
মেনন : ১০ বছরে পাচার ৯ লাখ কোটি
.............................................................................................
পেঁয়াজের দামের সাথে ভোজ্যতেল-চিনির স্বস্তি নেই
.............................................................................................
আগামী শুক্র ও শনিবার রাজধানীর ব্যাংক খোলা
.............................................................................................
১১ পণ্যের লাইসেন্স বাতিল
.............................................................................................
তহবিল ব্যবস্থাপক ব্ল্যাকলিস্টযুক্ত চীনা নজরদারি ফার্মকে সমর্থন
.............................................................................................
বিশ্বে ১৯০ কোটি ডলার মানব অঙ্গের অবৈধ বাণিজ্য
.............................................................................................
১লা জানুয়ারি থেকে অবৈধ ডিটিএইচ বন্ধে অভিযান শুরু : তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
আমদানি বন্দের পর বেনাপোল বন্দরে কাঁচামাল আমদানি শুরু
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD