ঢাকা,শুক্রবার,৮ কার্তিক ১৪২৭,২৩,অক্টোবর,২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > দেশে ফেরামাত্র পি কে হালদারকে গ্রেফতারের নির্দেশ   > করোনায় একদিনে আরো ২৪ মৃত্যু   > গাইবান্ধার সাঘাটার রামনগর গ্রাম নদীভাঙন হতে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান   > আ:লীগের পায়ের নিচে মাটি নেই, তাদের সমালোচনায় জনমনে টিকে রয়েছে বিএনপি : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর   > নাসিকের প্রকল্প অনুমোদন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মেয়র আইভীর ধন্যবাদ   > এনু-রুপমের জামিন হাইকোর্টেও নামঞ্জুর   > মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল   > কুয়েতে নতুন ‘আইন পাস’, কমবে বাংলাদেশি শ্রমিক   > শাহরুখের লন্ডনের বাড়ি আর অক্ষয়ের টাকা চান কারিনা!   > হারলে বিদায়, জিতলেও অনিশ্চিত তামিমদের ভাগ্য  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বেনাপোল কাস্টমসে হয়রানির প্রতিবাদে শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ

বেনাপোল প্রতিনিধি : বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃক শুল্কায়ন ও পণ্য পরীক্ষণে হয়রানির প্রতিবাদে শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে বেনাপোল সি এন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশন। শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সরকার। বেনাপোল সিএন্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, বেনাপোল কাস্টমসে কোন কাজ করার পরিবেশ নেই। সিএন্ডএফদের সাথে দুর্ব্যবহার নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। এ কারণে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে ৩ নম্বর গ্রুপ এবং ৪ নম্বর শুল্কায়ন গ্রুপের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে সিএন্ডএফ কর্তৃপক্ষ।
এদিকে বেনাপোল কাস্টমস এর একটি পরীক্ষার গ্রুপ ইনভেস্টিগেশন রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (আইআরএম) কর্তৃক পণ্য পরীক্ষা নিয়ে নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। আমদানিকৃত একই পণ্য এখন ৩ বার পরীক্ষণ করতে হচ্ছে। প্রথমবার কাস্টমস পণ্য পরীক্ষণ করে আসার পর সে পণ্য আবার রাজস্ব কর্মকর্তা পরীক্ষণ করতে যাচ্ছেন। এরপর রাতে ডেপুটি কমিশনার আবারও সেই একই মাল পরীক্ষণ করছেন। তিনবার আলাদা আলাদাভাবে পরীক্ষণ করার কারণে লেবার খরচসহ অন্যান্য খরচ বেড়ে যাচ্ছে।
ফলে আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একটি পণ্য পরীক্ষণ করে তার রিপোর্ট নিতে এখন সময় লাগছে ৭ থেকে ১০ দিন। অনেক সময় ১৫ দিনও সময় লেগে যাচ্ছে । এসব হয়রানির প্রতিবাদে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। তাছাড়া আমদানিকারকরা বেনাপোল বন্দর দিয়ে কাজ করতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। বেনাপোলে সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা জানান, কাস্টমস অফিসার কর্তৃক পদে পদে হয়রানির শিকার হচ্ছি। এর একটা সুরাহা হওয়া উচিত। কাস্টমস অফিসারদের দৌরাত্ম্যে আমরা উদ্বিগ্ন। সবকিছু মেনে নেয়া যায় না। তারা ইচ্ছামতো শুল্কায়নে কাজ করছেন। বাংলাদেশের সকল কাস্টমস হাউসে ডাটাশিট ভ্যালু মানলেও ব্যতিক্রম শুধু বেনাপোলে। বেনাপোলে মিনিমাম ভ্যালু ডাটাশিট ভ্যালু বা রেফারেন্স ভ্যালু মানা হয় না। বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তারা রাজস্ব টার্গেট পূরণের লক্ষ্যে ইচ্ছামত পণ্যের শুল্কায়ন মূল্য নির্ধারণ করেন। ইচ্ছামত আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করায় আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আর এসব হয়রানির কারণে আমদানিকারকরা বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি ছেড়ে দিচ্ছেন।
বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান জানান, বেনাপোল কাস্টমসে হয়রানির কোন শেষ নাই। মাল ঢোকা থেকে শুরু করে পরীক্ষণ ও শুল্কায়নে নানাবিধ ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। আমদানিকৃত একই পণ্য বারবার পরীক্ষণ করতে হচ্ছে। পরীক্ষণ করে রিপোর্ট নিতে সময় লাগছে ১০ থেকে ১৫ দিন।

বেনাপোল কাস্টমসে হয়রানির প্রতিবাদে শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ
                                  

বেনাপোল প্রতিনিধি : বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃক শুল্কায়ন ও পণ্য পরীক্ষণে হয়রানির প্রতিবাদে শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে বেনাপোল সি এন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশন। শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সরকার। বেনাপোল সিএন্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, বেনাপোল কাস্টমসে কোন কাজ করার পরিবেশ নেই। সিএন্ডএফদের সাথে দুর্ব্যবহার নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। এ কারণে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে ৩ নম্বর গ্রুপ এবং ৪ নম্বর শুল্কায়ন গ্রুপের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে সিএন্ডএফ কর্তৃপক্ষ।
এদিকে বেনাপোল কাস্টমস এর একটি পরীক্ষার গ্রুপ ইনভেস্টিগেশন রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (আইআরএম) কর্তৃক পণ্য পরীক্ষা নিয়ে নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। আমদানিকৃত একই পণ্য এখন ৩ বার পরীক্ষণ করতে হচ্ছে। প্রথমবার কাস্টমস পণ্য পরীক্ষণ করে আসার পর সে পণ্য আবার রাজস্ব কর্মকর্তা পরীক্ষণ করতে যাচ্ছেন। এরপর রাতে ডেপুটি কমিশনার আবারও সেই একই মাল পরীক্ষণ করছেন। তিনবার আলাদা আলাদাভাবে পরীক্ষণ করার কারণে লেবার খরচসহ অন্যান্য খরচ বেড়ে যাচ্ছে।
ফলে আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একটি পণ্য পরীক্ষণ করে তার রিপোর্ট নিতে এখন সময় লাগছে ৭ থেকে ১০ দিন। অনেক সময় ১৫ দিনও সময় লেগে যাচ্ছে । এসব হয়রানির প্রতিবাদে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। তাছাড়া আমদানিকারকরা বেনাপোল বন্দর দিয়ে কাজ করতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। বেনাপোলে সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা জানান, কাস্টমস অফিসার কর্তৃক পদে পদে হয়রানির শিকার হচ্ছি। এর একটা সুরাহা হওয়া উচিত। কাস্টমস অফিসারদের দৌরাত্ম্যে আমরা উদ্বিগ্ন। সবকিছু মেনে নেয়া যায় না। তারা ইচ্ছামতো শুল্কায়নে কাজ করছেন। বাংলাদেশের সকল কাস্টমস হাউসে ডাটাশিট ভ্যালু মানলেও ব্যতিক্রম শুধু বেনাপোলে। বেনাপোলে মিনিমাম ভ্যালু ডাটাশিট ভ্যালু বা রেফারেন্স ভ্যালু মানা হয় না। বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তারা রাজস্ব টার্গেট পূরণের লক্ষ্যে ইচ্ছামত পণ্যের শুল্কায়ন মূল্য নির্ধারণ করেন। ইচ্ছামত আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করায় আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আর এসব হয়রানির কারণে আমদানিকারকরা বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি ছেড়ে দিচ্ছেন।
বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান জানান, বেনাপোল কাস্টমসে হয়রানির কোন শেষ নাই। মাল ঢোকা থেকে শুরু করে পরীক্ষণ ও শুল্কায়নে নানাবিধ ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। আমদানিকৃত একই পণ্য বারবার পরীক্ষণ করতে হচ্ছে। পরীক্ষণ করে রিপোর্ট নিতে সময় লাগছে ১০ থেকে ১৫ দিন।

সবজির দামে আগুন আলুর দাম দ্বিগুন
                                  

দীর্ঘদিন ধরেই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। এর মধ্যে নতুন করে আরও দাম বেড়েছে। সাতটি সবজির কেজি ১০০ টাকা ছুঁয়েছে। বাকি সবজিগুলোর বেশিরভাগের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার কাছাকাছি। আর হঠাৎ করে দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হওয়া আলুর কেজি এখনও ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা ব্যবসায়ীরা আলুর কেজি বিক্রি করছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, যা এক মাস আগে ছিল ৩০ টাকা।

হঠাৎ আলুর এমন অস্বাভাবিক দাম বাড়ায় সম্প্রতি খুচরা, পাইকারি ও কোল্ড স্টোর পর্যায়ে সর্বোচ্চ দামে বেঁধে দিয়েছে সরকার। সরকারের নির্দেশে অনুযায়ী, খুচরায় প্রতিকেজি আলুর দাম হবে ৩০ টাকা। তবে সরকারের এ নির্দেশনার কোনো প্রতিফলন বাজারে দেখা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে মধ্য বাড্ডার ব্যবসায়ী আরিফুল ইসলাম বলেন, সরকারের সব কথা কি মানুষ শোনে? আমরা ৩০ টাকা কেজি কিনতে না পারলে বিক্রি করবো কীভাবে? পাইকারিতে আমাদের প্রতিকেজি আলু কেনা পড়ছে ৪০-৪২ টাকা। অন্যান্য খরচ যোগ করে এক কেজি আলু ৫০ টাকার নিচে বিক্রি করা সম্ভব না।

তিনি বলেন, শুধু দাম বেঁধে দিলে হবে না। আড়ৎ ও কোল্ড স্টোরে কড়া নজরদারি করতে হবে। আড়ৎ ও কোল্ড স্টোরে আলুর দাম কমলে, খুচরা বাজারেও দাম কমে যাবে।

এদিকে গত সপ্তাহের মতো এখনও শিম, টমেটো, গাজর, বেগুন, বরবটি ও উস্তার কেজি একশর ঘরে রয়েছে। এর সঙ্গে নতুন করে একশ টাকার তালিকায় নাম লিখিয়েছে শসা।

এর মধ্যে টমেটো গত কয়েক মাসের মতো এখনও ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং গাজর ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের মতো শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। আর শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে।

বরবটির কেজি গত সপ্তাহের মতো ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুনও গত সপ্তাহের মতো ৮০ থেকে ১১০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। দাম অপরিবর্তিত রয়েছে উস্তারও। এক কেজি উস্তা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা।

এগুলোর পাশাপাশি বাজারে অন্য সবজিগুলোও স্বস্তি দিচ্ছে না। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, তা গত সপ্তাহে ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা। গত সপ্তাহে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া ঢেঁড়সের দাম বেড়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকা হয়েছে।

দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে ঝিঙা, কাঁকরোল, ধুন্দুল, কচুর লতি। ঝিঙার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, তা গত সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা। গত সপ্তাহে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া কাঁকরোলের দাম বেড়ে ৭০ টাকা হয়েছে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে কচুর লতি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

লাউয়ের পিস গত সপ্তাহের মতো বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। এক হালি কাঁচকলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। বাজারে আসা শীতের আগাম সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে শুধু মুলা ও পেঁপে। এর মধ্যে মুলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়।

স্বস্তি মিলছে না কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজের দামেও। এক কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। আমদানি করা বড় আকারের ভারতীয় পেঁয়াজের কেজির জন্যও গুনতে হচ্ছে ৮০ টাকা। গত মাসে ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই এমন চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।

নিত্যপণ্যের এমন চড়া দামে ক্রেতাদের মুখ থেকে শুধু হতাশার কথায় শোনা যাচ্ছে। মধ্য বাড্ডার বাসিন্দা রেজা বলেন, অনেক দিন ধরেই সবজির দাম বেশি। আর এক সপ্তাহে ধরে বাজারে সবকিছুর দাম আগুন। একশ টাকার সবজি কিনলে এক বেলাও ঠিক মতো হয় না। এক সপ্তাহে শুধু সবজির পেছনেই দেড়-দুই হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, আমাদের পক্ষে টেকাই মুশকিল হয়ে যাচ্ছে।

কারওয়ান বাজার থেকে সবজি কেনা মিলন কর্মকার বলেন, আমাদের কপাল থেকে সবজি প্রায় উঠে গেছে। বেশিরভাগ সবজির কেজি একশ টাকা। এত দাম দিয়ে সবজি কি করে কিনব? হিসাব করে দেখলে সবজির থেকে এখন বয়লার মুরগি সস্তা। কারণ বয়লার মুরগির কেজি ১২০ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

প্রায় একই ধরনের কথা বলেন রামপুরার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, একশ টাকার সবজি কিনলে একদিনও হয় না। ২০০ টাকার বয়লার মুরগি কিনলে টেনেটুনে দুই দিন নেয়া যায়। এর সঙ্গে মসলা ও তেলের খরচ আছে। বাস্তবতা হলো, এখন স্বল্প আয়ের মানুষের জীবন চালানো দায় হয়ে গেছে। একবেলা না খেয়ে থেকেও খরচের লাগাম টানা যাচ্ছে না।

সবজির দামের বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী মো. মিন্টু বলেন, বন্যার পর টানা বৃষ্টিতে সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চাহিদার তুলনায় বাজারে সবজির সরবরাহ অনেক কম। এ কারণে সবজির দাম এমন চড়া। সামনের সপ্তাহে সব সবজির কেজি একশ টাকা হয়ে গেলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। পরিস্থিতি যা তাতে জানুয়ারির আগে সবজির দাম কমার সম্ভাবনা কম।

রামপুরার এক ব্যবসায়ী বলেন, সবজির দাম বাড়ায় আমরাও বিপাকে আছি। বিক্রি অনেক কমে গেছে। আবার দাম বেশি হওয়ায় কারণে অল্প লাভে সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে। এছাড়া আড়ৎ থেকে সবজি আনার পর নষ্ট অনেক সবজি ফেলে দিতে হচ্ছে। সবমিলিয়ে কোনো রকমে আসল টিকছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে এক সময় ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে।

মার্চেন্ডাইজিংয়ের পেশায় অপার সম্ভাবনা
                                  


মহিউদ্দিন তুষার: বাংলাদেশের প্রধান রফতানি খাতই হল গার্মেন্ট অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং। দেশের মোট রফতানি আয়ের অধিকাংশই এ খাত থেকে আসছে। বিশাল এ সেক্টরে প্রচুর দক্ষ লোকবল প্রয়োজন পড়ছে। সেই তুলনায় কোম্পানির মালিকরা লোকবল পাচ্ছেন না। এ সেক্টরে যেমন প্রয়োজন হচ্ছে সাধারণ শ্রমিক, তেমনি প্রয়োজন দক্ষ ও শিক্ষিত লোকবল- যারা প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায়ে কাজ করবেন। শুধু বাংলাদেশে নয়, বর্তমান বিশ্ববাজারে পোশাকশিল্পের বিপুল চাহিদার কারণে অন্যসব পেশার চেয়ে মার্চেন্ডাইজিং পেশায় চাকরি পাওয়া অনেকটা সহজ। এছাড়া মার্চেন্ডাইজিংয়ে চাকরির বিশাল ক্ষেত্র রয়েছে বাংলাদেশে।এ দেশে প্রায় ১১ হাজারের মতো গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি রয়েছে। এছাড়া পাঁচ হাজার বায়িং হাউস এবং ফ্যাশন ও বুটিক হাউস তো রয়েছেই। তাই মার্চেন্ডাইজিং পেশা হিসেবে বেশ উজ্জ্বল। তৈরি পোশাকশিল্প কারখানায় একজন মার্চেন্ডাইজারের গুরুত্ব অনেক বেশি। মার্চেন্ডাইজিংয়ে দক্ষ জনবলের অভাব এখনও আছে এ দেশে। ফলে এ পেশায় কাজের সুযোগ অনেক বেশি।

শুধু দেশে নয়, বর্তমান বিশ্ববাজারে পোশাকশিল্পের বিপুল চাহিদার কারণে অন্যসব পেশার চেয়ে এতে চাকরি পাওয়াটা বেশ সহজও বটে। একেকটি পোশাকশিল্প এবং বায়িং হাউসে প্রচুর দক্ষ লোক নিয়োগ করা হয়। বস্ত্র কারখানা, বিভিন্ন বায়িং অফিস, ফ্যাশন হাউস, তৈরি পোশাকশিল্প ও টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে সরাসরি কাজ করার সুযোগ রয়েছে মার্চেন্ডাইজারদের। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এসব পেশাদারের উচ্চ বেতনসম্পন্ন কর্মসংস্থান সুবিধা রয়েছে। বেতনের শুরুটা ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকায় হলেও অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে একজন মার্চেন্ডাইজারের বেতন এক থেকে দেড় বছরে বেতনের অঙ্ক লাখের কোঠায় নিয়ে যেতে পারে। তাছাড়া চার থেকে ছয় বছরের মধ্যে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাসহ বেতন প্রায় দুই থেকে তিন লাখে পৌঁছে যায়। এক্ষেত্রে একজন মার্চেন্ডাইজারের ইংরেজি জ্ঞান ও যোগাযোগের ওপর নির্ভর করে তার কাজের দক্ষতা।

বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে মার্চেন্ডাইজিং পেশাকে কিভাবে দেখছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মোটেক্স এপিএসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ মাসুদ কবির বলেন, বাংলাদেশের শিল্প খাতে পোশাকশিল্প সর্ববৃহৎ রফতানি খাত। দেশের মোট রফতানি আয়ের প্রায় ৬৫ শতাংশ আসে এ খাত থেকে। এই শিল্পের গুরুত্ব এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মী-কর্মকর্তাদের দক্ষতা যোগ্যতার ওপর-ই এই শিল্পের ভবিষ্যৎ এবং সম্ভাবনা নির্ভরশীল। এই শিল্পে বিপণন, উৎপাদন এবং কমার্শিয়াল এই তিনটি বিভাগের ওপর মূল দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে। মূলত একজন বিপণন কর্মীই এই শিল্পে মার্চেন্ডাইজার হিসেবে পরিচিত। একজন মার্চেন্ডাইজার তার কোম্পানির পক্ষ থেকে বিদেশি ক্রেতা অনুসন্ধান, ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী তথ্য আদান-প্রদান, চুক্তি অনুযায়ী সঠিক মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন নিশ্চিতকরণ এবং যথাযথ সময়ে রফতানির মাধ্যমে ক্রেতা-বিক্রেতার অধিকার সংরক্ষণই থাকে প্রধান দায়িত্ব। এই কর্মকাণ্ডের মধ্যে ও তাকে নতুন নতুন ডিজাইন/প্যাটার্ন উদ্ভাবন, ব্যতিক্রমী কাঁচামালের ব্যবহারের উপযোগিতা তৈরি, ফ্যাশন সচেতনতা এবং প্রতিযোগিতাশীল মার্কেটে প্রতিযোগী মূল্য নিশ্চিত করেন ও তাকে সচেতন ও অনুসন্ধানী হতে হয়। প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে মার্চেন্ডাইজার পেশা অবশ্যই একটি চ্যালেঞ্জিং এবং আকর্ষণীয় চাকরি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে মোট পোশাকশিল্পের সংখ্যা, দেশি-বিদেশি বায়িং হাউজসহ বিভিন্ন ফ্যাব্রিক ও আনুষাঙ্গিক কোম্পানিতে একজন মার্চেন্ডাইজারের জন্য চাকরির চাহিদা অনেক প্রসারিত। আগ্রহী যে কোন গ্রাজুয়েট এই পেশায় তার নিজের ক্যারিয়ার গঠনে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। বাংলাদেশের অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মার্চেন্ডাইজিং পেশার বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, অধ্যয়নরত অবস্থায় ও একজন শিক্ষার্থী কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারেন। অন্য যে কোনো বিষয় থেকে পাস করেও যে কেউ এ পেশায় আসতে পারেন। তবে তাকে টেক্সটাইল ও গার্মেন্টের প্রাথমিক ও কারিগরি জ্ঞান অর্জনের জন্য অবশ্যই সরাসরি ফ্যাক্টরিতে কাজের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ গ্রহন করতে হবে। এই পেশায় দক্ষ ও যোগ্য করে নিজেকে গড়ার জন্য পরিশ্রম ও নিয়মানুবর্তিতা হল মূল শক্তি। পাশাপাশি ইংরেজিতেও পারদর্শী হতে হবে তার বিদেশি ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার জন্য। একজন দক্ষ মার্চেন্ডাইজারের ওপর একটি শিল্প/কোম্পানি বহুলাংশে নির্ভরশীল থাকে। তার যথাযথ দায়িত্ব ও কর্তব্যের মাধ্যমে একদিকে যেমন একটি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিস্ট শ্রমিক কর্মচারীদের মানসম্মত জীবন ব্যবস্থাপনায় সহযোগী, অন্যদিকে দেশের অর্থনীতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এর জন্য একজন অভিজ্ঞ মার্চেন্ডাইজার ও উন্নত জীবনমান অনুযায়ী পারিশ্রমিক ও সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করে থাকেন। সর্বোপরি তার অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যৎতে তিনি চাকরি পেশা থেকে চাকরিদাতা/ব্যবসায়ী হিসেবে ও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন। এক কথায়, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে মার্চেন্ডাইজিং পেশা একটি সম্মানজনক সম্ভাবনাময় পেশার নাম।

এ বিষয় জানতে চাইলে নিট কনসার্ন গ্রুপের সিনিয়র ম্যানেজার তানজির ওয়াহিদ বলেন, টেক্সটাইল মার্চেন্ডাইজিং সম্পর্কে আমরা অনেকেই শুনেছি। কিন্তু আমরা সঠিকভাবে জানি না যে আসলে টেক্সটাইল মার্চেন্ডাইজিং কী এবং এর কাজ কী। আসলে এটি একটি অনেক বড় একটি জায়গা যেখানে অনেক পেশার পথ খোলা রয়েছে। আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে গার্মেন্টের সঙ্গে জড়িত। বাংলাদেশের টেক্সটাইল জগতে নিজের পেশাদার জীবন শুরু করার অনেক সুযোগ রয়েছে। একজন মার্চেন্ডাইজারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে ক্রেতার কাছ থেকে অর্ডার নেয়া এবং সব কাজ সঠিকভাবে সম্পাদন করে ক্রেতাকে সঠিকভাবে মাল পৌঁছে দেয়া।

এ ছাড়াও একজন মার্চেন্ডাইজারকে ক্রেতার সন্তুষ্টি, আর্থিক অবস্থা এবং মার্কেট এ নিজের সুনাম এর বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হবে। অনেকেই বলে থাকেন যে একজন ভালো মার্চেন্ডাইজার হতে হলে তাকে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার বা অন্য কোনো ডিগ্রি থাকতে হবে। হ্যাঁ অবশ্যই এ যোগ্যতাগুলো আপনাকে পেশাগত জীবনে অনেক সহয়তা করবে। কিন্তু তার সঙ্গে আপনাকে হতে হবে দায়িত্বশীল, কর্মঠ এবং প্রগতিশীল।

বাংলাদেশের গার্মেন্ট শিল্প ক্রমবর্ধমান শিল্পগুলোর একটি। আমাদের অর্থনীতির একটি বড় অংশ হয়ে আছে এ গার্মেন্ট শিল্প। রফতানি পোশাক তৈরিতে বিশ্বে দ্বিতীয় চায়নার পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। বর্তমানে প্রায় পঁয়ষট্টি শতাংশ কর্মক্ষেত্রের সুযোগ তৈরি করেছে এ গার্মেন্ট শিল্প এবং জাতীয় অর্থনৈতিক আয়ে ৮৬ শতাংশ অবদান রাখছে। অনেক ব্র্যান্ড কোম্পানি এখন বাংলাদেশে তাদের ফ্যাক্টরি খোলার চিন্তা করছে। গার্মেন্ট শিল্পের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন চাকরিরও সুযোগ তৈরি হচ্ছে। যেহেতু গার্মেন্ট শিল্পের ব্যাপক প্রসার হচ্ছে এরই সঙ্গে ব্যাপক হারে বাড়ছে মার্চেন্ডাইজিং এ পেশা হিসেবে বেছে নেয়ার নতুন সম্ভাবনা। কাজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে বেতনও নেহাত কম নয়। এ সব কারণেই বাংলাদেশে টেক্সটাইল মার্চেন্ডাইজিংয়ের পেশায় রয়েছে অপার সম্ভাবনা।

নাসিকের ৭৫৫ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
                                  

এ এইচ ইমরান, নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) ২০২০-২১ অর্থ বছরের রাজস্ব ও উন্নয়নসহ মোট ৭৫৫ কোটি ৭৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ১৪৪ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছেন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনে এ বাজেট ঘোষণা করা হয়। প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব ও উন্নয়নখাতে মোট ৬৫৮ কোটি ৬৬ লক্ষ টাকা আয় এবং মোট ৬৫১ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। বছর শেষে ঘোষিত বাজেটে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা উদ্বত্ত থাকবে।
গত ২০১২ সালে প্রথমবারের মতো নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন বাজেট ঘোষণা করেছিলেন মেয়র আইভী। ওই বছরের ২৫ জুন প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট ঘোষণা করেন তিনি। ওই বাজেট ছিল ৩০৭ কোটি টাকার। এরপর ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে নাসিকের বাজেট ছিল ; ৩ কোটি ৯২ লাখ ৮৬ হাজার ৩৭৬ টাকা। ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে বাজেটের পরিমাণ ছিল ২৪ কোটি ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৫১২ টাকা। ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে বাজেট ছিল ৮৮ কোটি ৯০ লাখ ৮৪ হাজার ৬১৭ টাকার। ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে বাজেটের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ২০ লাখ ২৯ হাজার ৭৯১ টাকার। ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দ্বিতীয় মেয়াদে বিজয়ী হওয়ার পর নাসিকের ষষ্ঠ বাজেট ঘোষণা করেন মেয়র আইভী। ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ৬৬৩ কোটি ৬৭ লাখ ৪৩ হাজার ৬২৫ টাকা ঘোষণা করেন তিনি। ২০১৮ সালে ৭১৫ কোটি ৫১ লাখ ২১ হাজার ৩৭৭ টাকা বাজেট ঘোষণা করা হয়৷ ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৮৭০ কোটি ৩৯ লক্ষ ৭৭ হাজার ৭৬ টাকার বাজেট ঘোষণা করেন।
বাজেট ঘোষণা কালে মেয়র আরও জানান, নারায়ণগঞ্জ শহর অবৈধ স্ট্যান্ডের শহরে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেছেন, এই চাঁদাবাজির পেছনে কারা আছে তা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু মুখ খুলি না। এক্ষেত্রে তিনি মিডিয়ার সক্রিয় ভূমিকার আহবান জানান।
তিনি আরও বলেন, আমি চাই ফুটপাতে হকার বসবে না। কিন্তু আরেক জনপ্রতিনিধি চায় বঙ্গবন্ধু সড়কে হকার বসুক। আমি চাই ট্রাক স্ট্যান্ড ট্রাকের জায়গায় যাক। কিন্তু অন্য একজন জনপ্রতিনিধি চান ট্রাক স্ট্যান্ড মন্ডলপাড়াতেই থাকবে। কারণ চাঁদাবাজি করতেই হবে। নির্দিষ্ট জায়গায় বাস, ট্রাক, বেবি স্ট্যান্ড থাকুক।
শহরের বিভিন্ন পয়েন্টের অবৈধ যানবাহনের স্ট্যান্ড চিহ্নিত করে সিটি মেয়র বলেন, চাষাঢ়ায় এভাবে অবৈধ স্ট্যান্ড কারা করছে? ২০ টাকা করে সিটি কর্পোরেশনের নামে রসিদ করে খানপুর হাসপাতালের সামনে থেকে ইজিবাইক থেকে চাঁদা তোলা হয়। একাধিকবার গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে রসিদসহ জানিয়েছি। কিন্তু কাউকেই কিছু বলা হয় না। এর পেছনে কারা তা আমরা জানি কিন্তু মুখ খুলি না। রাইফেল ক্লাবের সামনে যেখানে এমপি মহোদয় প্রায় সময়ই বসেন। সেই ক্লাবের সামনে ২৪ ঘন্টা কীভাবে অবৈধ স্ট্যান্ড থাকে? চাষাঢ়াতে কীভাবে অবৈধ স্ট্যান্ড থাকে? সারা শহর এখন অবৈধ স্ট্যান্ডের নগরী। সিদ্ধিরগঞ্জের সড়কে তো পা ফেলা যায় না। লেগুনা, অটোরিক্সার চলাচলের কারণে নিত্য যানজটের সৃষ্টি হয়। কাদের ছত্রছায়ায় এসব চলে? শহরের মানুষ এসব জানে কিন্তু বলতে সাহস পায় না।
সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে দখল দারিত্বের বিরুদ্ধে কাজ করতে চান ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। তিনি বলেন, তাদের প্রতিহত করতে চাই। যারা চোরের মতো গোপণে জনগণের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে সরকারি জায়গা কেনে তাদেরকে চিহ্নিত করতে চাই। কারণ তাদের পূর্বপুরুষরা পূর্বে এই দেশ, এই শহরের বিরোধীতা করেছে। এখনও করছে, ভবিষ্যতেও করবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল আমিন, প্যানেল মেয়র-১ আফসানা আফরোজ বিভা হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) টিএম মোশারফ হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী আজগর হোসেন, প্যানেল মেয়র-২ মতিউর রহমান মতি, প্যানেল মেয়র-৩ মিনোয়ারা বেগমসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড কাউন্সিলরবৃন্দ।

রূপালী ব্যাংকের নতুন ডিএমডি হলেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের নতুন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হলেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন তিনি। মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ১৯৯০ সালে অফিসার হিসেবে রূপালী ব্যাংকে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ডিএমডি হিসেবে পদোন্নতি পাওয়ার আগে তিনি রূপালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে বিভাগীয় কার্যালয় ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রামে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। অভিজ্ঞ এ ব্যাংকার এর আগে সফলতার সঙ্গে শাখাপ্রধান ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, অল্টারনেট ব্যাংকিং বিভাগসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

ব্যাংকিং কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি সৃজনশীল কাজেও সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এমকম (ব্যবস্থাপনা) এবং পরবর্তী সময়ে এমবিএ (ফাইন্যান্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।

এমটি/ এসইচ

বাজারে চালের দাম কমেনি, কাঁচামরিচের দাম আকাশ ছোঁয়ার পথে
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক: সরকার পাইকারি পর্যায়ে চালের দাম নির্ধারণ করে দিলেও খুচরা বাজারে এখনো এর কোনো প্রভাব পড়েনি। যতটুকু বেড়েছিল চালের দাম, বাজারে সেই আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের বাজারও একই রকম, আগের থেকে বাড়েনি। স্থির রয়েছে ব্রয়লার মুরগির দামও। তবে সবজির দাম আরও বেড়েছে। কাঁচামরিচের দামও বাড়তে বাড়তে আকাশ ছোঁয়ার পথে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। এসব বাজারে চালের দোকানিরা বরাবরের মতোই বলছেন, সরকার চালের দাম বেঁধে দিলেও তাদের চাল আগের বেশি দামে কেনা। ফলে তাদের বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারের পাইকারি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, দেশি পেঁয়াজ ৭৫ থেকে ৮০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৭৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর মহাখালীর বউবাজারে দেশি পেঁয়াজ ৯০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কারওয়ান বাজারে খুচরায় একই দামে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে।

সবজির মধ্যে কারওয়ানবাজারে বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা ও গাজর ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এই বাজারের বিক্রেতা রবিনের দাবি, সবজির দাম আগের মতোই রয়েছে। নতুন করে দাম বাড়েওনি, কমেওনি। যদিও ক্রেতারা বলছেন, আগের সপ্তাহের চেয়ে দুয়েকটি সবজির দাম কিছুটা হলেও বেড়েছে।


এদিকে, মহাখালীর বউবাজারে সবজির মধ্যে পেঁপে ৪০ টাকা, ঢেড়স ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, সিম ১৬০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকা, করলা ৮০ টাকা ও টমেটো ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এই বাজারে শশা ৯০ থেকে ১০০ টাকা ও কাঁচামরিচ ২০০ থেকে থেকে ২৪০ টাকা টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর লেবু বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা হালি দরে। এছাড়া দেশি পেঁয়াজ ৯০ টাকা, রসুন ৯০ থেকে ৮০ টাকা ও আদা ২০০ থেকে ২৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এই বাজারের সবজি বিক্রেতা সেলিম সারাবাংলাকে বলেন, দুয়েকটি সবজির দাম নতুন করে বেড়েছি। কিন্তু কোনো সবজির দামই কমেনি।

এদিকে, সরকার পাইকারি পর্যায়ে বা মিল গেটে চালের দাম নির্ধারণ করে দিলেও বাজারে আগের দামেই চাল বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে মিনিকেট ৫৫ থেকে ৫৮ টাকা, আটাশ ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, নাজিরশাইল ৬০ থেকে ৬২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর পাইকারি বাজারে প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) মিনিকেট চালের দাম পড়ছে ২৭৫০ থেকে ২৮০০ টাকা, আটাশ ২৪০০ টাকা ও নাজিরশাইল ২৩০০ থেকে থেকে ৩০০০ টাকা। যদিও সরকার মিনিকেট চালের ৫০ কেজির বস্তার সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে ২৫৭৫ টাকা।

বিসমিল্লাহ স্টোরের মালিক গাফফার হোসেন বলেন, গেল সপ্তাহের দামেই চাল বিক্রি হচ্ছে। দাম কমেনি। মহাখালীর বউবাজারের দোকানী শরিফ মিয়া বলেন, চালের দাম এখনো বাড়তি রয়েছে। কারওয়ানবাজারের হাজি ইসমাইল অ্যান্ড সন্সের মালিক জসিম উদ্দিন সারাবাংলাকে বলেন, চালের বাজার একই রকম রয়েছে। সরকার দাম নির্ধারণ করে দিলেও বাজারে নতুন রেটের চাল আসেনি। আমরা বেশি দামে চাল কিনেছি, এখন তো কম দামে বিক্রি করতে পারি না। তাই আগের দামেই চাল বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, কারওয়ানবাজারে গরুর মাংস ৬০০ ও খাসির মাংস ৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর ব্রয়লার মুরগি ১২০ টাকা, পাকিস্তানি কর্ক ২২০ টাকা ও সাদা কর্ক ২০০ ও দেশি মুরগি ৪৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মুরগির দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় কমেনি, বাড়েওনি।

এমটি/ এসএইচ

কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ৩ মাসে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ৪৯ শতাংশ
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে করোনার চলমান সঙ্কটের মধ্যেও প্রবাসী আয়ে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে ২১৫ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। একক মাস হিসেবে যা দেশের ইতিহাসে এযাবৎকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স।

এর আগে সর্বোচ্চ রেকর্ড রেমিট্যান্স এসেছিল চলতি বছরের জুলাইয়ে। ওই মাসে রেমিট্যান্স আসে ২৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। তার আগের মাস জুনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে ২১৫ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১৮ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে (প্রতি ডলার ৮৪ টাকা ধরে), যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার বা ৪৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ বেশি। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ১৪৭ কোটি ৬৯ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

এদিকে চলতি অর্থবছরের তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রেমিট্যান্স এসেছে ৬৭১ কোটি ৩০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময় রেমিট্যান্স এসেছিল ৪৫২ কোটি ডলার। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৪৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

এদিকে রেমিট্যান্সের প্রবাহ চাঙ্গা থাকায় ইতিবাচক অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ন (রিজার্ভ)।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৯ দশমকি ১১ বিলিয়ন ডলার।

জানা গেছে, গত অর্থবছর রেমিট্যান্সের ওপর ঘোষিত ২ শতাংশ প্রণোদনা ঘোষণা করে সরকার। এরপর থেকেই বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়তে থাকে। চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরেও রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা অব্যাহত রাখা হয়েছে। এরপর থেকেই বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়তে থাকে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রবাসীরা মোট এক হাজার ৮২০ কোটি ৪৯ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ এক লাখ ৫৪ হাজার ৭৪২ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)। এর আগে কোনো অর্থবছরে এত অর্থ দেশে আসেনি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আহরণে রেকর্ড হয়। ওই সময় প্রবাসীরা এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন। সেই হিসাবে আগের অর্থবছরের তুলনায় সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার বা ১৫ হাজার কোটি টাকা।

এসএইচ/ এমটি

আবারো কমলো সোনার দাম
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : বাড়তে বাড়তে চূড়ায় ওঠার পর কমেছে স্বর্ণের দাম। আজ বৃহস্পতিবার থেকে দেশের বাজারে সব ধরনের সোনা ২ হাজার ৪৯৯ টাকা কমে বিক্রি হবে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ফলে দেশের বাজারে ভালো মানের স্বর্ণের ভরির দাম কমে ৭৪ হাজার আট টাকায় দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য কিছুটা হ্রাস পাওয়ায় ক্রেতা সাধারণের কথা চিন্তা করে বাজুসের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

কোভিড-১৯ মহামারিতে অর্থনীতিতে স্থবিরতার মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশের বাজারেও সোনার দাম বাড়তে থাকে লাফিয়ে লাফিয়ে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ২২ ক্যারেটের সোনার ভরি ছিল ৫৮ হাজার ২৮ টাকা। তারপর এপ্রিল ও মে ছাড়া প্রত্যেক মাসেই দাম বেড়েছে। মাঝে ফেব্রুয়ারিতে একবার কমেছিল। সবমিলিয়ে সাত মাসে সোনার দাম ভরিতে ১৯ হাজার ১৮৮ টাকা বাড়ে।

গত ৫ আগস্ট প্রতি ভরিতে চার হাজার ৪৩২ টাকা বাড়ানোয় সবচেয়ে ভালো মানের সোনার দাম ৭৭ হাজার ২১৬ টাকায় উঠেছিল। এই অবস্থায় সোনার দোকানগুলোতে বিক্রি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার দাম কমিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করে বাজুস।

আজ (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৪৪৯ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৪ হাজার ৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরি ৭০ হাজার ৮৫৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরি ৬২ হাজার ১১১ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫১ হাজার ৭৮৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে রুপার দাম পূর্বের নির্ধারিত ৯৩৩ টাকাই বহাল রয়েছে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ১৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর প্রতি ভরিতে দুই হাজার ৪৪৯ টাকা বাড়িয়েছিল বাজুস। তার আগে গত ১৩ ও ২১ আগস্ট স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস।

আগস্টের ১৬ দিনেই রেমিট্যান্স ১৯৬ কোটি ডলার!
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : করোনাভাইরাস মহামারির চলমান সংকটের মধ্যেও প্রবাসী আয়ের ধারা অব্যাহত রয়েছে। আগস্ট মাসের মাত্র ১৬ দিনেই ১৩৬ কোটি ডলারের রেকর্ড প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত বছরের আগস্টের তুলনায় এবার রেমিট্যান্সে ২৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি বছরের জুন ও জুলাইয়েও অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। তবে আগস্টে এসে কিছুটা কমেছে রেমিট্যান্সের গতি।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস আগস্টে ১৯৬ কোটি ৩৯ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ১৬ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৪ টাকা ধরে), যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫১ কোটি ৯২ লাখ ডলার বা ২৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেশি। আগের বছরের আগস্ট মাসে ১৪৪ কোটি ৪৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

এদিকে চলতি বছরের জুলাইয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। একক মাস হিসাবে যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ। এর আগে সর্বোচ্চ রেকর্ড রেমিট্যান্স এসেছিল চলতি বছরের জুনে। ওই মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

গত অর্থবছরে রেমিট্যান্সের ওপর ঘোষিত ২ শতাংশ প্রণোদনা ঘোষণা করে সরকার। এরপর থেকেই বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়তে থাকে। চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরেও রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা অব্যাহত রাখা হয়েছে। এরপর থেকেই বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়তে থাকে।

এদিকে রেমিট্যান্সের ওপর ভর করেই একের পরে এক রেকর্ড গড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ন (রিজার্ভ)। প্রথমবারের মতো ৩৯ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।

সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১ সেপ্টেম্বর দিন শেষে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়ায় ৩৯ দশমিক ১৫ বিলিয়ন বা তিন হাজার ৯১৫ কোটি ডলারে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত (২০১৯-২০) অর্থবছরে প্রবাসীরা মোট এক হাজার ৮২০ কোটি ৪৯ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ এক লাখ ৫৪ হাজার ৭৪২ কোটি টাকা (পরিমাণ প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)। এর আগে কোনো অর্থবছরে এত অর্থ দেশে আসেনি।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আহরণে রেকর্ড হয়। ওই সময়ে প্রবাসীরা এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন। সেই হিসেবে আগের অর্থবছরের তুলনায় সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার বা ১৫ হাজার কোটি টাকা।

রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড ছাড়াবে মোংলা বন্দর
                                  

মনির হোসেন, মোংলা : সময়ের সাথে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর মোংলা। আমদানি রপ্তানি বানিজ্যকে গতিশীল করতে এ বন্দরে প্রতিনিয়ত যুক্ত করা হচ্ছে অধ্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। পাশাপাশি বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজও চলছে দ্রুতগতিতে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনা ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আন্তর্জাতিক বিশ্বে একটি উন্নত ও লাভজনক বন্দর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে এ বন্দর। করোনা সংক্রমণের মধ্যেও মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ স্বাভাবিক ভাবেই তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের আশা ২০২১ সালে এ বন্দরে ১ হাজারেরও বেশি জাহাজ আগমন করবে। পদ্মা সেতু চালু হলে অন্যান্য সমুদ্র বন্দরের তুলনায় এ বন্দরের গুরুত্ব বাড়বে কয়েকগুন। করোনা ভাইরাসের প্রভাব দেশের অন্যান্য বন্দরগুলোতে পড়লেও মোংলা বন্দরে তেমন একটা পড়েনি। বিশেষ করে বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মো. শাহজাহান, পিএসসি, বিএন মোংলা বন্দরে যোগদানের পরপরই বন্দরের সবগুলো সেক্টরের কার্যক্রমে তিনি নিয়মিত তদারিক করেন। তার সময়োপযোগি সিদ্ধান্তের কারনে করোনার প্রভাব থাকা সত্বেও বন্দরের আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম গতিশীল থাকে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও গত অর্থ বছরে লক্ষ্য্যমাত্রা অর্জন করেছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ সমুদ্র বন্দর। এ বন্দর দিয়ে নিয়মিত পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত থাাকায় আগামী অর্থ বছরে রাজস্ব আদায় রেকর্ড ছাড়াবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম. শাহজাহান বলেন, দেশে করোনার সংক্রমণ থাকলেও বন্দরের আমদানি রপ্তানিতে কোন ভাটা পড়েনি।
বন্দর ব্যবস্থাপনার সঠিক নির্দেশনা সবাই মেনে চলায় বন্দরের কার্যক্রম বরাবরই গতিশীল। তিনি আরো জানান, মোংলা বন্দরে আগত বিদেশী জাহাজগুলোকে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ব্যবস্থা নিয়েছে। জাহাজের নাবিক ও শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়টি মাথায় রেখেই নানামূখী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
দিন দিন বন্দরের রাজস্ব আদায় বেড়েই চলছে। আগামী ২০২১ সালে বন্দরের রাজস্ব আদায় ৪০০ কোটি টাকার বেশি হবে বলে এ প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেছেন বন্দরের রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তারা। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থবছরে ৯০৩টি জাহাজ আসে এবং এক লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডেলিং হয়েছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ পরিচালক মো. মোস্তফা কামাল বলেন, বিগত অর্থ বছরের তুলনায় যেসব পণ্য এসেছিল তার থেকে সামান্য পরিমাণ কম এসেছে। অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও বন্দরের দীর্ঘ ও স্বল্প মেয়াদী উন্নয়ন প্রকল্পের কর্যক্রমে কোন ব্যাঘাত ঘটেনি বলেও জানান তিনি। মোংলা বন্দরের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম. শাহজাহান বলেন, সরকারের মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী বন্দরের উন্নয়নে বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে হয়েছে কয়েকটি চলমান রয়েছে। পদ্মা সেতু চালু হলে বন্দরের আমদানি রপ্তানি কয়েকগুন বাড়বে। আমরা সে প্রস্তুতিও ইতিমধ্যে নিয়ে রেখেছি। মোংলা বন্দরে প্রতিবছর জাহাজ আগমনের সংখ্যা বাড়ছে। বাড়ছে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম। গত ১০ বছরে এ বন্দরে জাহাজ আগমন বেড়েছে ৫ গুন। ২০২১ সালে এ বন্দরে জাহাজ আগমনের সংখ্যা ১ হাজারে গিয়ে দাঁড়াবে।

বেনাপোলে রেলপথে আমদানি বাণিজ্যে আগ্রহ বেড়েছে
                                  

যশোর প্রতিনিধি : বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে রেলপথে আমদানি বাণিজ্যে আগ্রহ বেড়েছে ব্যবসায়ীদের। ফলে আমদানিকারকদের ভোগান্তি কমে ফিরেছে স্বস্তি। সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়তে শুরু করেছে। বেনাপোল বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মূলত করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে গত ২২ মার্চ রেল ও স্থলপথে বেনাপোল বন্দর দিয়ে বন্ধ হয়ে যায় দুই দেশের মধ্যে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওপারে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে আটকা পড়ে প্রায় পাঁচ হাজার পণ্য বোঝাই ট্রাক। পরবর্তীতে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে দেশের অন্যান্য বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি সচল হলেও এ পথে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য সচলে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বারবার আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সচল করার নির্দেশনা দিলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বাধার কারণে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চালু হতে দীর্ঘ সময় চলে যায়। এ সময় ব্যবসায়ীরা ক্ষতির বিষয়টি জানালেও সচল হয়নি বাণিজ্য। পরে রেল কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস, বন্দর ও ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে বিকল্পভাবে বাণিজ্য সচল করতে রেলপথে সাইড ডোর ট্রেন এর মাধ্যমে শুরু হয় রেল বাণিজ্য। পার্সেল ভ্যানে দুই দেশের মধ্যে আমদানি বাণিজ্য চুক্তি হয়। বর্তমানে বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে স্থলপথের পাশাপাশি রেলপথে কার্গো রেল, সাইড ডোর কার্গো রেল এবং পার্সেল ভ্যানে সব ধরনের পণ্যের আমদানি বাণিজ্য চলছে। এতে ব্যবসায়ীদের যেমন দুর্ভোগ কমেছে, তেমনি বাণিজ্যে গতি বেড়ে সরকারেরও রাজস্ব আয় বাড়তে শুরু করে। রেলপথে বাণিজ্য প্রসার ঘটায় স্বস্তি ফিরে আসে বন্দর শ্রমিকদের মধ্যে। করোণা পরিস্থিতির কারণে কাজ কমে যাওয়ায় শ্রমিকরা বিপাকে পড়ে। বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন বলেন, স্থলপথে ভারতের বনগাও কালিতলা পার্কিংয়ে আমদানিকৃত পণ্য বোঝাই ট্রাক থেকে প্রতিদিন দুই হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করায় ব্যবসায়ীরা মোটা অংকের লোকসান দিয়ে এই পথে আমদানি করতে অনিহা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে পেট্রাপোল বন্দরে অবরোধ, হরতাল, শ্রমিক অসন্তোষসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় পণ্য পরিবহন করতে না পেরে ব্যবসায়ীরা প্রায়ই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন। ভারত থেকে পণ্য আমদানি করতে অনেক ক্ষেত্রে এক মাসেরও বেশি সময় লেগে যেত। রেলপথে সব ধরনের পণ্যের আমদানি হতে সময় লাগে তিন দিন। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহসভাপতি নুরুজ্জামান বলেন, করোনার কারণে ভারতের পেট্রাপোলের এক শ্রেণির ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে মাসের পর মাস ট্রাক আটকে রেখে মোটা অংকের চাঁদাবাজি করছিল। ফলে ব্যবসায়ীদের ক্ষতির কথা মাথায় রেখে রেলপথে শুরু হয় আমদানি বাণিজ্য। চলতি অর্থ বছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের লক্ষ্যমাত্রা পুরণ সম্ভব হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অবশেষে কমল সোনার দাম
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : কয়েক দফায় দাম বাড়ার পর এবার সোনার দাম কমল। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের বাজারে কমল এ দাম। ভরিতে সাড়ে ৩ হাজার টাকা করে কমেছে। এতে ২২ ক্যারেটের ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ দাম পড়বে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। আজ বৃহস্পতিবার থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে অলংকার তৈরির এ ধাতু। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির (বাজুস) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকায় দেখা গেছে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা। গতকাল বুধবার পর্যন্ত এ মানের সোনার দাম ছিল ৭৭ হাজার ২১৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৭০ হাজার ৫৬৭ টাকা। গতকাল পর্যন্ত বিক্রি হয় ৭৪ হাজার ৬৬ টাকা করে।

একইভাবে ১৮ ক্যারেটের ভরির দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ৮১৯ টাকায়। গতকাল এ মানের সোনার ভরিপ্রতি দাম ছিল ৬৫ হাজার ৩১৮ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে সোনার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫১ হাজার ৪৯৬ টাকা। গতকাল বুধবার পর্যন্ত দাম ছিল ৫৪ হাজার ৯৯৫ টাকা। এদিকে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২১ ক্যাডমিয়ামের প্রতি ভরি রুপার বিক্রিমূল্য ৯৩৩ টাকা।

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ব্যয় হ্রাস পাবে
                                  

বিশেষ প্রতিনিধি : বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ব্যয় হ্রাস পাবার কথা জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশ। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হওয়ায় বাণিজ্য ব্যয় হ্রাসে সহায়তা হবে। ভারত-বাংলাদেশ অংশীদারিত্ব: কোভিড-১৯ পরবর্তী বিশ্বে অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণ’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে এ কথা বলেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন ও ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি যৌথভাবে এই ওয়েবিনারের আয়োজন করে। ওয়েবিনারে শতাধিক শিল্প নেতারা অংশ নেন।

ওয়েবিনারে ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ বলেন, ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দুর্দান্ত পর্যায়। রেল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে উভয় দেশ কর্তৃক গৃহীত সাম্প্রতিক যোগাযোগ পদক্ষেপের ফলে বাণিজ্য ব্যয় হ্রাস করতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের স্থিতিশীল অর্থনীতি এবং শক্তিশালী ব্যবসায়িক পরিবেশের ফলে উভয় দেশই বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি নতুন সুযোগগুলিও ব্যবহার করতে সক্ষম হবে। চমৎকার উৎপাদন পরিবেশ, তরুণ জনগোষ্ঠী ও অনুকূল বিনিয়োগ পরিবেশ ইত্যাদি ব্যবহার করে তৃতীয় দেশগুলিতে রপ্তানির পাশাপাশি সহযোগিতা এবং যৌথ উদ্যোগের সুযোগগুলি অনুসন্ধান করার জন্যে ভারতীয় ব্যবসায়ী নেতাদের প্রতি আহ্বান রীভা গাঙ্গুলি দাশ। ভারতীয় হাইকমিশনার তার বক্তব্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে প্রবর্তিত আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের প্রতি আলোকপাত করেন।
তিনি বলেন, আত্মনির্ভর ভারত অভিযান পাঁচটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে রচিত- অর্থনীতি, অবকাঠামো, প্রযুক্তি-চালিত ব্যবস্থা, তরুণ জনগোষ্ঠী এবং চাহিদা। ২১ ট্রিলিয়ন টাকার একটি উদ্দীপক প্যাকেজ অবকাঠামোগত উন্নয়নের গতি বাড়িয়ে দেবে, গ্রামীণ অর্থনীতি ও কুটির শিল্পগুলিকে সহায়তা করবে, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলিকে উৎসাহ দেবে, বিদেশি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং ভারতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ইত্যাদি ত্বরান্বিত করবে। আত্মনির্ভর ভারত এমন শিল্প ও খাতকে চিহ্নিত এবং প্রচার করবে যেগুলো বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক আকার ধারণ করার মতো সক্ষমতা অর্জন করতে পারে এবং সম্ভাবনাময়। এটি ভারতকে অংশীদার দেশগুলির সহযোগিতায় বৈশ্বিক মান শৃঙ্খলের অংশ হতে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, এটি ভারতীয় ও বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরির বিশাল সুযোগ উন্মুক্ত করবে।
ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার মাধ্যমে উভয় দেশ যেসব নতুন সুযোগ পেয়েছে তা কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের ফলে ভারত ও বাংলাদেশে বিনিয়োগের বড় সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়াও তিনি শক্তিশালী বাণিজ্য নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে আরও বিনিয়োগ, সংহতি, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জ্ঞান বিনিময়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। ওয়েবিনারে প্রাণ গ্রুপ, ইফাদ গ্রুপ, এসবিআই বাংলাদেশ, ইন্দোফিল এবং শর্থী এন্টারপ্রাইজের শিল্প নেতারা বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন সুযোগ এবং অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্র জুড়ে আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।

দেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২০৬৪ ডলার
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : দেশে ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে মানুষের মাথাপিছু গড় আয় দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৬৪ ডলার। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ও মাথাপিছু আয়ের সাময়িক হিসাবে এই চিত্র উঠে এসেছে।

এক বছরের ব্যবধানে দেশের মানুষের মাথাপিছু গড় আয় বেড়েছে ১৫৫ ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু গড় আয় ছিল ১ হাজার ৯০৯ ডলার।

মাথাপিছু গড় আয় কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত আয় নয়। একটি দেশের মোট আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে দেওয়া হয়। বিদায়ী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। এটি সাময়িক হিসাব।

করোনার কারণে বিদায়ী বছরে প্রবৃদ্ধি কমেছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।

করোনায় চতুর্থবারের মতো বাড়ল স্বর্ণের দাম
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের মধ্যে চারবার স্বর্ণের দাম বাড়াল বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস)। এবার ভরি প্রতি দাম বাড়ানো হয়েছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা। ২২ ক্যারেটের ভরি প্রতি সর্বোচ্চ দাম পড়বে ৭৭ হাজার ২১৫ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম। আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে অলংকার তৈরির এ ধাতু। গতকাল বুধবার (৫ আগস্ট) বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে, স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে চলতি বছরের ২৪ জুলাই।

বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকায় দেখা গেছে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৭ হাজার ২১৫ টাকা। বুধবার পর্যন্ত এ মানের স্বর্ণের দাম রয়েছে ৭২ হাজার ৭৮৩ টাকা।

২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৭৪ হাজার ৬৬ টাকা। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬৯ হাজার ৬৩৪ টাকা। একইভাবে ১৮ ক্যারেটের ভরির দাম পড়বে ৬৫ হাজার ৩১৮ টাকা। বর্তমানে দাম রয়েছে ৬০ হাজার ৮৮৬ টাকা।

সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণ প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৫৪ হাজার ৯৯৫ টাকা। বুধবার পর্যন্ত দাম রয়েছে ৫০ হাজার ৫৬৩ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে ২১ ক্যারেট ক্যাডমিয়াম রূপার দাম। প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৯৩৩ টাকায়।

বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকট, চীন-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে ইউএস ডলারের প্রাধান্য খর্ব, তেলের দর পতন ও নানাবিধ অর্থনৈতিক সমীকরণের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ কোঠায় অবস্থান করছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশীয় বুলিয়ন মার্কেটেও স্বর্ণের দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত জুয়েলারি মালিকরা নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি করবেন।

করোনাকালেও প্রবাসী আয়ে রেকর্ড
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক : করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যেও শুধু জুলাই মাসেই ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজপ্তিতে বলা হয়, ‘বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যেও শুধু জুলাই মাসে ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। ইতিহাসে একক মাসে এর আগে কখনো এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি।’

গত জুনের পুরো সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১.৮৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রবাসী আয়ের এ ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকার জন্য সরকারের সময়োপযোগী ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পাশাপাশি বাংলাদেশের ইতিহাসে এযাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.২৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। গত ৩০ জুন বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩৬.০১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে যেটি ছিল সর্বোচ্চ।

‘মাত্র এক মাসের ব্যবধানে সেটি পৌছেছে ৩৭.২৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেকর্ডে। রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরূত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ।’

রেমিট্যান্সে দেশের এ অনন্য রেকর্ডে প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গত অর্থবছরের শুরু থেকে প্রবাসীদের প্রেরিত আয়ের উপর ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা প্রদান অব্যাহত আছে যার ফলে গতবছর ১৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।’

‘চলতি অর্থবছরে ৩-৫ বিলিয়ন ডলার বাড়তি অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। সামনের দিনে রেমিট্যান্স বৈধ পথে আনতে যত কৌশল অবলম্বন করতে হয় সেটা আমরা নেব,’ যোগ করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রবাসীদের রয়েছে দেশের প্রতি অকৃতিম ভালোবাসা আর মমত্ববোধ। তাদের টাকা প্রেরণে যত বাধা রয়েছে সেগুলো দূর করা হবে।’


   Page 1 of 91
     অর্থ-বাণিজ্য
বেনাপোল কাস্টমসে হয়রানির প্রতিবাদে শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ
.............................................................................................
সবজির দামে আগুন আলুর দাম দ্বিগুন
.............................................................................................
মার্চেন্ডাইজিংয়ের পেশায় অপার সম্ভাবনা
.............................................................................................
নাসিকের ৭৫৫ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
.............................................................................................
রূপালী ব্যাংকের নতুন ডিএমডি হলেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর
.............................................................................................
বাজারে চালের দাম কমেনি, কাঁচামরিচের দাম আকাশ ছোঁয়ার পথে
.............................................................................................
কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ৩ মাসে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ৪৯ শতাংশ
.............................................................................................
আবারো কমলো সোনার দাম
.............................................................................................
আগস্টের ১৬ দিনেই রেমিট্যান্স ১৯৬ কোটি ডলার!
.............................................................................................
রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড ছাড়াবে মোংলা বন্দর
.............................................................................................
বেনাপোলে রেলপথে আমদানি বাণিজ্যে আগ্রহ বেড়েছে
.............................................................................................
অবশেষে কমল সোনার দাম
.............................................................................................
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ব্যয় হ্রাস পাবে
.............................................................................................
দেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২০৬৪ ডলার
.............................................................................................
করোনায় চতুর্থবারের মতো বাড়ল স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
করোনাকালেও প্রবাসী আয়ে রেকর্ড
.............................................................................................
সর্বোচ্চ দামের ইতিহাস গড়ল স্বর্ণ
.............................................................................................
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মালবাহী ট্রেন সার্ভিস শুরু
.............................................................................................
চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতের ট্রান্সশিপমেন্টের প্রথম পরীক্ষামূলক চালান
.............................................................................................
আরও দুই বছরের জন্য গভর্নর হলেন ফজলে কবির
.............................................................................................
দু’দেশের সিদ্ধান্তের পর পণ্যবাহী প্রথম ভারতীয় ট্রেন আসলো বেনাপোলে
.............................................................................................
গভর্নরের কার্যকাল বাড়লো দুই বছর
.............................................................................................
বড় অঙ্কের মূলধন সংকটে ১৩ ব্যাংক
.............................................................................................
গভর্নরহীন কেন্দ্রীয় ব্যাংক, দায়িত্বে ডেপুটি গভর্নর
.............................................................................................
আগস্টের মধ্যে প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ বিতরণের নির্দেশ
.............................................................................................
বাংলাদেশি পণ্য নিতে চায় না ভারত
.............................................................................................
মহামারির মধ্যেও বাড়ল সোনার দাম
.............................................................................................
এক যুগের মধ্যে সর্বনিম্ন রেকর্ড
.............................................................................................
এবারের বাজেটে মানুষকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
করোনায় থেমে নেই মোংলা বন্দর, বাড়ছে আমদানি রফতানি
.............................................................................................
রফতানি বেড়েছে তিনগুণ
.............................................................................................
লভ্যাংশের নিষেধাজ্ঞা উঠলেও ব্যাংকে আস্থা আসছে না
.............................................................................................
ব্যাংক থেকে আগামী অর্থবছরে দ্বিগুণ টাকা নিতে চায় সরকার
.............................................................................................
প্রবৃদ্ধি আড়াই শতাংশের বেশি হবে না : সিপিডি
.............................................................................................
বিজিএমইএকেই ‘দায় নিতে হবে’ শ্রমিকদের বের করার ফলে
.............................................................................................
করোনা ভাইরাসে লোকসানে তথ্যপ্রয্ক্তুরি বিনিয়োগকারীরা
.............................................................................................
বাগেরহাটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে মাস্ক তৈরি
.............................................................................................
করোনার প্রভাবে মোংলার বাণিজ্যে স্থবিরতা
.............................................................................................
মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাজারে এলো ২০০ টাকার নোট
.............................................................................................
ব্যাংকের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ
.............................................................................................
উৎপাদকরা দাম যুদ্ধ শুরু করার সাথে সাথে এশিয়ায় তেল ডুবে গেছে
.............................................................................................
ধনবাড়ীতে ব্যাংক এশিয়ার শাখা উদ্বোধন
.............................................................................................
মহাদেবপুরে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের উদ্বোধন
.............................................................................................
করোনাভাইরাস এবং তেল : কেন অশোধিত মারাত্মক আঘাত হানে
.............................................................................................
পেঁয়াজের দাম কেজিতে বাড়ল ৪০ টাকা
.............................................................................................
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যের ৮০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড অনুদান
.............................................................................................
ঢাকা সিটির ভোট কেন্দ্রে চলছে অনুশীলনমূলক ভোটিং
.............................................................................................
ইলিশ ধরা পড়ছে বিস্ময়কর হারে
.............................................................................................
চীন, ভারত ও পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ
.............................................................................................
পদ্মা ব্যাংক এক বছরের মধ্যে স্টক মার্কেটে চলে আসবে : অর্থমন্ত্রীর প্রত্যাশা
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD