ঢাকা,শুক্রবার,১১০ ভাদ্র ১৪২৮,২৩,এপ্রিল,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > নিয়ম বহির্ভূতভাবে চলছে পশ্চিমাঞ্চল রেলের জিএম দপ্তর   > কাউয়াদিঘি হাওরে ধান কাটা উৎসব   > পঞ্চগড়ের এক মৌসুমে তিন ফসল   > অস্তিত্ব সংকটে রামগঞ্জে বীরেন্দ্র খাল   > করোনা থেকে সুস্থ হতে ঘরেই যা করবেন   > নোয়াখালীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ইফতার সামগ্রী বিতরণ   > পিএসজি-বায়ার্নকে নিয়ে পেরেজের মিথ্যাচার   > জিৎ করোনায় আক্রান্ত   > টিকার বিকল্প দেশের সন্ধান চলছে, সেরাম দিচ্ছে না   > বিচারকাজে গতি আনতে হাইকোর্টে আরও দুই বেঞ্চ  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
লকডাউনেও স্বাভাবিক রয়েছে বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি

বনাপোল প্রতিনিধি : সরকারের করোনা সংক্রমণ রোধে লকডাউন ঘোষণায় দেশে গণপরিবহন, শিক্ষাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আগামী ৭ দিন বন্ধ থাকলেও স্বাভাবিক রয়েছে বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য। দুই দেশের মধ্যে শর্তসাপেক্ষে পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে। তবে বেনাপোল থেকে দুর পাল্লার যাত্রীবাহি বাস চলাচল বন্ধ থাকায় শতশত পাসপোর্ট যাত্রী আটকা পড়েছে বিভিন্ন পরিবহন অফিসে। অনেকে আবার রাতে ভ্যান রিকশা যোগে বিভিন্ন আত্মীয় সজনদের বাড়িতে আশ্রয়ের জন্য চলে গেছে। বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক আব্দুল জলিল বলেন, লকডাউনের মধ্যে স্বাভাবিক নিয়মে বন্দরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলেছে। এছাড়া ট্রাকচালকরা আমদানি পণ্য নিয়ে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে গেছেন। পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াতও স্বাভাবিক ছিল বলে জানান তিনি। হঠাৎ করে দেশে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুহার বেড়ে যাওয়ায় প্রতিরোধে সরকার ১৮টি প্র¯তাবনা জারি করে। কিন্তু জনসাধারণের সচেতনতার অভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুহার। অবশেষে বাধ্য হয়ে সরকার ৭ দিনের লকডাউন ঘোষণা করে। এতে গণপরিবহন, শিক্ষাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধের মধ্যে পড়ে। তবে দেশের শিল্প কলকারখানায় উৎপাদন ও সরবরাহ সচল রাখতে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য, পণ্য পরিবহন লকডাউনের আওতামুক্ত রাখা হয়।
এদিকে বন্দরের কার্যক্রমের পাশাপাশি বেনাপোল কাস্টমসের কার্যক্রমও স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেনাপোল কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার মুস্তাফিজুর রহমান। বেনাপোল ট্রাক ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি আতিকুজ্জামান সনি জানান, লকডাউনের মধ্যে বন্দর থেকে পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অনান্য সময়ের মতো চালকরা মালামাল বহন করেছেন। বন্দরে চলাফেরার সময় চালকদের বিশেষ করে মাস্ক ও ডিপো ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
বেনাপোল বন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কলিমউদ্দীন বলেন, সব সংকট মুহূর্তে বন্দর সচল রাখতে শ্রমিকরা ঝুঁকি নিয়ে পণ্য খালাসের কাজ করে আসছেন। লকডাউনের মধ্যেও শ্রমিকরা সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে পণ্য খালাসের কাজ করছেন।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কারক সমিতির সাধারন সম্পাদক আলী হোসেন জানান, গত বছরে করোনার সময় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ হয়ে পড়ায় ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের লোকশানের মুখে পড়েছিলেন। প্রয়োজনীয় কাঁচামালের অভাবে শিল্পকলকারখানা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তবে এবার লকডাউনের মধ্যে বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম সচল রয়েছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব জানান, লকডাউনের মধ্যে এপথে শর্তসাপেক্ষে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারীযাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক আছে। তবে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় যাত্রীর সংখ্যা অন্যান্য দিনের তুলনায় কম। বর্তমানে মেডিকেল, বিজনেস ও কূটনৈতিক ভিসায় যাতায়াত করছেন যাত্রীরা। ট্যুরিস্ট ভিসা এখন পর্যšত বন্ধ। বর্তমান করোনা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে ভারত ভ্রমণে প্রয়োজন হচ্ছে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কোভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট।

লকডাউনেও স্বাভাবিক রয়েছে বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি
                                  

বনাপোল প্রতিনিধি : সরকারের করোনা সংক্রমণ রোধে লকডাউন ঘোষণায় দেশে গণপরিবহন, শিক্ষাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আগামী ৭ দিন বন্ধ থাকলেও স্বাভাবিক রয়েছে বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য। দুই দেশের মধ্যে শর্তসাপেক্ষে পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে। তবে বেনাপোল থেকে দুর পাল্লার যাত্রীবাহি বাস চলাচল বন্ধ থাকায় শতশত পাসপোর্ট যাত্রী আটকা পড়েছে বিভিন্ন পরিবহন অফিসে। অনেকে আবার রাতে ভ্যান রিকশা যোগে বিভিন্ন আত্মীয় সজনদের বাড়িতে আশ্রয়ের জন্য চলে গেছে। বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক আব্দুল জলিল বলেন, লকডাউনের মধ্যে স্বাভাবিক নিয়মে বন্দরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলেছে। এছাড়া ট্রাকচালকরা আমদানি পণ্য নিয়ে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে গেছেন। পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াতও স্বাভাবিক ছিল বলে জানান তিনি। হঠাৎ করে দেশে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুহার বেড়ে যাওয়ায় প্রতিরোধে সরকার ১৮টি প্র¯তাবনা জারি করে। কিন্তু জনসাধারণের সচেতনতার অভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুহার। অবশেষে বাধ্য হয়ে সরকার ৭ দিনের লকডাউন ঘোষণা করে। এতে গণপরিবহন, শিক্ষাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধের মধ্যে পড়ে। তবে দেশের শিল্প কলকারখানায় উৎপাদন ও সরবরাহ সচল রাখতে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য, পণ্য পরিবহন লকডাউনের আওতামুক্ত রাখা হয়।
এদিকে বন্দরের কার্যক্রমের পাশাপাশি বেনাপোল কাস্টমসের কার্যক্রমও স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেনাপোল কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার মুস্তাফিজুর রহমান। বেনাপোল ট্রাক ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি আতিকুজ্জামান সনি জানান, লকডাউনের মধ্যে বন্দর থেকে পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অনান্য সময়ের মতো চালকরা মালামাল বহন করেছেন। বন্দরে চলাফেরার সময় চালকদের বিশেষ করে মাস্ক ও ডিপো ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
বেনাপোল বন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কলিমউদ্দীন বলেন, সব সংকট মুহূর্তে বন্দর সচল রাখতে শ্রমিকরা ঝুঁকি নিয়ে পণ্য খালাসের কাজ করে আসছেন। লকডাউনের মধ্যেও শ্রমিকরা সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে পণ্য খালাসের কাজ করছেন।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কারক সমিতির সাধারন সম্পাদক আলী হোসেন জানান, গত বছরে করোনার সময় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ হয়ে পড়ায় ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের লোকশানের মুখে পড়েছিলেন। প্রয়োজনীয় কাঁচামালের অভাবে শিল্পকলকারখানা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তবে এবার লকডাউনের মধ্যে বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম সচল রয়েছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব জানান, লকডাউনের মধ্যে এপথে শর্তসাপেক্ষে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারীযাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক আছে। তবে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় যাত্রীর সংখ্যা অন্যান্য দিনের তুলনায় কম। বর্তমানে মেডিকেল, বিজনেস ও কূটনৈতিক ভিসায় যাতায়াত করছেন যাত্রীরা। ট্যুরিস্ট ভিসা এখন পর্যšত বন্ধ। বর্তমান করোনা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে ভারত ভ্রমণে প্রয়োজন হচ্ছে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কোভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট।

লকডাউনে ব্যাংকের সিদ্ধান্ত জানা যাবে আজ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : করোনাভাইরাসজনিত বিরাজমান পরিস্থিতিতে সরকার আগামী সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারা দেশে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শনিবার সকালে তাঁর সরকারি বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। তবে লকডাউনের মধ্যে দেশের অর্থনৈতিক লেনদেনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ব্যাংকখাত কীভাবে চলবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসছে আগামীকাল রোববার। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম গতকাল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘লকডাউনের বিষয়টি সরকার ছুটির দিনে ঘোষণা করেছে। গতকাল সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় আজ রোববার আমরা সিদ্ধান্ত জানা যাবে। কীভাবে ব্যাংক চলবে সে নির্দেশনা আসবে আজ সোমবার।’

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ
                                  

বেনাপোল প্রতিনিধি : বেনাপোল বন্দর দিয়ে রোববার সকাল থেকে দু‘দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বানিঝ্য বন্ধ রয়েছে। ভারতে দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে রোববার সকাল-সন্ধ্যা দু দেশের মধ্যে আমদানি রফতানি বন্ধ থাকে। আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও বেনাপোল বন্দরে পণ্য ওঠানামা সহ খালাস প্রক্রিয়া ছিল স্বাভাবিক। বেনাপোল- আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার অব্যাহত আছে স্বাভাবিকভাবে। ভারতের পেট্রাপোল সিএন্ডএফ স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ম্রী কার্ত্তিক চক্রবর্তী জানান, দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে সরকারী ছুটি থাকায় আমদানি রফতানি বন্ধ আছে। এই উৎসবটি ‘হোলি’ নামে পরিচিত। অশুভ শক্তির বিনাশ হিসাবে ‘হোলি উৎসব’ হয়ে থাকে। হলি উৎসবের কারণে শনিবার দুপুরের পর থেকে সব ধরনের আমদানি রফতানি বানিজ্য কমে যায়। ফলে রোববার বেনাপোল দিয়ে কোনো আমদানি-রফতানি হচ্ছে না। সোমবার সকাল থেকে পুনরায় পুরোদমে আবারো চলবে আমদানি-রফতানি বানিজ্য। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান হাবিব জানান, পাসপোর্ট যাত্রীদের দুই দেশের মধ্যে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে। সকাল থেকে বিকেলে পর্যন্ত ৮’শ পাসপোর্ট যাত্রী দু দেশের মধ্যে যাতায়াত করেছে।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মো: আজিজুর রহমান জানান, ভারতে হোলি উৎসবে সরকারী ছুটি থাকায় আজ রোববার থেকে আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে। ভারতীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে আগেই লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। তবে আমদানি রফতানি বন্ধ থাকলেও বেনাপোল কাস্টমস হাউস ও বন্দরে কার্যক্রম চলছে ¯া^ভাবিক নিয়মে। সোমবার সকাল থেকে আবার এ পথে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য চলবে।

শেয়ারবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ আছে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, দেশের অর্থনীতি গতিশীল করার জন্য একটি শক্তিশালী শেয়ারবাজার প্রয়োজন। আর এই বাজারকে জনবান্ধব হিসেবে তৈরি করতে চাই। পুঁজিবাজারের উন্নতির স্বার্থে আমরা সব দিতে প্রস্তুত। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারের বিষয় ছিল ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী; বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের আলোকে পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা’। ডিএসইর চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আসাদুল ইসলাম। অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারের প্রতি মানুষের বিশ্বাসের অভাব রয়েছে। তবে কেন অভাব, তা জানি না। অনেকেই ফোন করে পুঁজিবাজারের প্রতি বিশ্বাসের অভাবের কথা বলে। তিনি বলেন, গত বছরের বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য যা চাওয়া হয়েছিল, তারচেয়ে বেশি দেওয়া হয়েছে। আমরা কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ করে দিয়েছি, নগদ লভ্যাংশে উৎসাহিত করেছি। এ সময় আসন্ন বাজেটকে কেন্দ্র করে সবার উপকারে আসবে এমন কোনো পরামর্শ থাকলে, তা দেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি। তবে রাখতে পারবেন না, এমন কোনো পরামর্শ না দেওয়ার জন্যও বলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, একটি কোম্পানি বোনাস শেয়ার ১ বছর বা ২ বছর দিতে পারে। যা ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য হতে পারে। এর পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে না। এছাড়া অনেক কোম্পানির রিজার্ভ বড় করে, সেই অর্থের ছয়-নয় করে। তারমতে, বর্তমানে পুঁজিবাজার অনেক শক্তিশালী। আর এই বাজারকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চাই। শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারকে আইটি নির্ভর করতে হবে। বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারি এটি বুঝিয়ে দিয়েছে। আইটি ছাড়া অনেক কিছুই সম্ভব না। পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে অনেক সময় এক শ্রেণির লোক প্রতারণা করে। এই প্রতারণা বন্ধে তথ্য প্রযুক্তি অনেক অবদান রাখতে পারে। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, সরকারি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবিকে শক্তিশালী করা দরকার। এরমধ্যে প্রতিষ্ঠানটিকে ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটির পুঁজিবাজারে অনেক গুরুত্ব। কিন্তু যে উদ্দেশ্যে এটি গঠন করা হয়েছে, সেখান থেকে প্রতিষ্ঠানটি অনেক দূরে। তিনি আরও বলেন, পুঁজিবাজারের গভীরতা বাড়াতে কাজ করছে বিএসইসি। নতুন পণ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছি। বিশেষ করে একটি গতিশীল বন্ড মার্কেট তৈরির কাজ চলছে। ইতোমধ্যে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সুকুক বন্ড চালু হয়েছে। আরও নিয়ে কাজ চলছে। বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারকে এগিয়ে নিতে ইক্যুইটি মার্কেট নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এর লক্ষ্যে কাজ করছে কমিশন। আমরা অনেক বন্ডের অনুমোদন দিয়েছি। এসব বন্ড ফল দিতে শুরু করেছে। আগামীতে বন্ডগুলো লেনদেনে আসতে যাচ্ছে। এছাড়া বিদেশিরা বন্ডে বিনিয়োগ শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন, দুর্বল কোম্পানিগুকে সবল করতে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ওটিসি মার্কেটের ৪টি কোম্পানি মূল মার্কেটে নিয়ে আসা হয়েছে। ২১টি কোম্পানি এটিবিতে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছে। আরও ১৮টি কোম্পানি ভালো করার জন্য কাজ চলছে।

বড় দর পতনের পর সূচক বাড়লো বাজারে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : টানা দুইদিন দরপতনের পর শেয়ারবাজারের সূচক বেড়েছে। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার লেনদেনের শুরুতে দেশের শেয়ারবাজারে ধস দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত উল্লম্ফন ঘটেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৬২ পয়েন্ট। অপর দিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ১৯১ পয়েন্ট বেড়েছে।
ডিএসইতে গতকাল লেনদেনও বেড়েছে। লেনদেন হয়েছে ৬৯৩ কোটি ১৭ লাখ টাকার। রোববার লেনদেন হয় ৬১৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকার। ডিএসইতে আজ হাতবদল হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৮৮টির, কমেছে ৫৬টির, অপরিবর্তিত আছে ১০৮টির দর। লেনদেনের শুরুতে ডিএসইর ওয়েবসাইটে চোখ রাখতেই ধাক্কা খান বিনিয়োগকারীরা। কারণ লেনদেন শুরুর প্রথম ২০ মিনিট ডিএসইর ওয়েবসাইটে বাজারের প্রকৃত চিত্র দেখা যাচ্ছিল না।
এর পর ডিএসইর ওয়েবসাইট সচল হলে আরো বড় ধাক্কা খান বিনিয়োগকারীরা। ওয়েবসাইটে দেখা যায়, দরপতন হচ্ছে একের পর এক প্রতিষ্ঠানের। দেখতে দেখতে ধসে রূপ নেয় শেয়ারবাজার। প্রথম ঘণ্টার লেনদেনে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৯ পয়েন্ট পড়ে যায়। সকাল সাড়ে ১১টার পর ধস থেকে বেরিয়ে আসার আভাস দিতে থাকে বাজার। আর শেষ দিকে পতন কাটিয়ে একের পর এক প্রতিষ্ঠান দাম বাড়ার তালিকায় নাম লেখালে উল্লম্ফনের দেখা মেলে।
ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- রবি, বেক্সিমকো ফার্মা, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, জিবিবি পাওয়ার, লাফার্জ হোলসিম, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস।

লকডাউন গুজবে আবার দরপতন শেয়ারবাজার
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : দুই দিনে বড় দরপতনে ১৬৬ পয়েন্ট খুইয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এই দুই দিনের বড় দরপতনের কারণ খতিয়ে দেখতে ও করণীয় কী, তা জানতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রোকারদের সংগঠন ডিবিএ ও মার্চেন্ট ব্যাংকারদের সংগঠন বিএমবিএ নেতাদের বৈঠকে ডেকেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল রোববার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসি ভবনে বৈঠকটি হয়। বিএসইসির মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, বাজার পরিস্থিতি নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা আছে। সর্বশেষ জানা যায়নি। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে গতকাল লেনদেন শেষে ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৮৪ পয়েন্ট। গত কার্যদিবস কমেছিল ৮১ পয়েন্ট। অপর দিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ২৬৪ পয়েন্ট কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে করোনার সংক্রমণ আবার বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, সংক্রমণ বাড়ায় আবার লকডাউন জারি হতে পারে, এমন আতঙ্ক কাজ করেছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। এই লকডাউন গুজবে দুই কার্যদিবস ধরে বড় দরপতন দেখা গেছে শেয়ারবাজারে। ডিএসইতে আজ লেনদেনও কমেছে। আজ লেনদেন হয়েছে ৬১৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকার। গত কার্যদিবস লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৬৮৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকার। আজ হাতবদল হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর কমেছে ২৩৯ টির, বেড়েছে ৩১টির, অপরিবর্তিত আছে ৭৮টির দর। ডিএসইতে আজ লেনদেনের শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হলো বেক্সিমকো লিমিটেড, রবি, বেক্সিমকো ফার্মা, লঙ্কা বাংলা ফাইন্যান্স, লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড, রহিমাফুড, সামিট পাওয়ার, জিবিবি পাওয়ার, বিএটিবিসি, ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। অপর দিকে সিএসইতে হাতবদল হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর কমেছে ১৬৬টির, বেড়েছে ১৭টির, অপরিবর্তিত আছে ৪৮টির দর।

টিকা কিনতে ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক
                                  

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : করোনা প্রতিরোধে ৫ কোটি ৪০ লাখ মানুষের টিকাদান কার্যক্রমে বাংলাদেশকে ৪ হাজার ২৫০ কোটি টাকার (৫০ কোটি ডলার) ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক। সম্প্রতি এ ঋণ অনুমোদন দেয় বিশ্ব ব্যাংকের সদর দফতর।পাঁচ বছরের গ্রেস (কিস্তি অব্যাহতি) দিয়ে ৩০ বছর মেয়াদে এই ঋণ বাংলাদেশকে পরিশোধ করতে হবে। বহুজাতিক এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি বলছে, কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যান্ডামিক প্রিপেয়ার্ডনেস প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংকের অতিরিক্ত এই অর্থায়ন প্রথম পর্যায়ে দেশের ৪০ শতাংশ মানুষকে টিকাদানের আওতায় আনতে সরকারের যে প্রাথমিক অগ্রাধিকার পরিকল্পনা তার অধীনে ৩১ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে সহায়তা করবে। এটি নিরাপদ ও কার্যকরী টিকা কেনা, সংরক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং বিতরণে সরকারকে সহায়তা করবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে করোনা প্রতিরোধে বাংলাদেশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্য অর্জনে দ্রুত এবং সাম্যতার সঙ্গে মানুষের টিকা প্রাপ্তি জরুরি। এই অর্থায়ন জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ জনগণের জন্য অবিলম্বে টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করবে। বিশ্ব ব্যাংক বলছে, এই অর্থায়ন দেশের জনগণের প্রায় ২০ শতাংশের জন্য গ্লোবাল অ্যাকসেস ফ্যাসিলিটির (কোভ্যাক্স) মাধ্যমে প্রাপ্ত টিকা দেয়ার ব্যয় বহন করবে। বাকি ১১ শতাংশ মানুষের জন্য এই অর্থায়ন উৎপাদকের কাছ থেকে সরকারি ক্রয় অথবা কোভ্যাক্সের মাধ্যমে পাওয়া টিকার ব্যয়ভার ও টিকা প্রদানের ব্যয় বহন করবে। এর বাইরে সরকার নিজস্ব সম্পদের মাধ্যমে দেশের ৯ শতাংশ লোকের জন্য টিকার ব্যয়ভার বহন করবে। এই অতিরিক্ত অর্থায়নের ফলে প্রকল্পটিতে বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াল ৬০০ মিলিয়ন ডলার। এর বাইরে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) এই প্রকল্পে ১০০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করছে।

শেয়ারে খোয়া গেলো ২০ হাজার কোটি টাকা
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে বড় দরপতন হয়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজারে। ?এই পতনের মধ্যে পড়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের ২০ হাজার কোটি টাকার ওপরে খোয়া গেছে। তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার মাধ্যমে এই অর্থ হারিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। সবগুলো সূচকের পাশাপাশি কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট দর। লেনদেনের কমার পাশাপাশি উভয় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীরা হারিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি বাজার মূলধন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেন শুরুর আগে ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৪ লাখ ৮২ হাজার ৮৫৪ কোটি ৩০ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৪ লাখ ৭২ হাজার ৯৭ কোটি ৬৩ লাখ ৬৭ হাজার টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীরা ১০ হাজার ৭৫৬ কোটি ৬৭ লাখ ১৭ হাজার টাকা বাজার মূলধন হারিয়েছে। এদিকে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেন শুরুর আগে সিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৪ লাখ নয় হাজার ৯৫২ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়ায় তিন লাখ ৯৯ হাজার ৭২৪ কোটি ৬৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীরা ১০ হাজার ২২৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বাজার মূলধন হারিয়েছে। বিদায়ী সপ্তাহে চার কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ২ হাজার ৬২৭ কোটি ৮৫ লাখ ৮২ হাজার ১২১ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের সপ্তাহ থেকে ১৬৮ কোটি ১১ লাখ ৯৭ হাজার ১২৫ টাকা বা ২৬.৯২ শতাংশ কম হয়েছে। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ৫৯৫ কোটি ৯৭ লাখ ৭৯ হাজার ২৪৬ টাকার। ডিএসইতে বিদায়ী সপ্তাহে গড় লেনদেন হয়েছে ৬৫৬ কোটি ৯৬ লাখ ৪৫ হাজার ৫৩০ টাকার। আগের সপ্তাহে গড় লেনদেন হয়েছিল ৭১৯ কোটি ১৯ লাখ ৫৫ হাজার ৮৪৯ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে গড় লেনদেন ৬২ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ৩১৯ টাকা কম হয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৩৪ পয়েন্ট বা ২.১৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪৩৪ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১৮ পয়েন্ট বা ১.৪৩ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৮০ পয়েন্ট বা ৩.৭৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়ে এক হারাজ ২৪৭ এবং দুই হাজার ৭৩ পয়েন্টে। বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৬৮টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৭২টির বা ১৯.৫৭ শতাংশের, কমেছে ২১০টির বা ৫৭.০৬ শতাংশের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮৬টির বা ২৩.৩৭ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ১১৬ কোটি ৪২ লাখ ২১ হাজার ১৫২ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২৫৪ কোটি ৬২ লাখ ৬৫ হাজার ৭৩৫ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন ১৩৮ কোটি ২০ লাখ ৪৪ হাজার ৫৮৩ টাকা বা ৫৪.২৮ শতাংশ কম হয়েছে। সপ্তাহটিতে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪১৪ পয়েন্ট বা ২.৫৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৭৫০.১২ পয়েন্টে। সিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে সিএসসিএক্স ২৪৯ পয়েন্ট বা ২.৫৫ শতাংশ, সিএসই-৩০ সূচক ২৩৯ পয়েন্ট বা ১.৯২ শতাংশ, সিএসই-৫০ সূচক ২৬ পয়েন্ট বা ২.৯২ শতাংশ এবং সিএসআই ২৩ পয়েন্ট বা ২.৩২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৯ হাজার ৫শ পয়েন্টে, ১২ হাজার ১৭৫ পয়েন্টে, ১ হাজার ২০৩ পয়েন্টে এবং ১ হাজার ৩.২২ পয়েন্টে। সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ২৯৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৫৭টির বা ১৯.৩২ শতাংশের দর বেড়েছে, ১৬১টির বা ৫৪.৫৮ শতাংশের কমেছে এবং ৭৭টির বা ২৬.১০ শতাংশের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধাগুলো পাবে
                                  

কূটনৈতিক রিপোর্টার : যুক্তরাজ্যে ২০২৭ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকার বাজার সুবিধা (জিএসপি) পাবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হলেও দুই ধাপে তিন বছর করে দেশটিতে বাংলাদেশের পণ্য এই জিএসপি সুবিধা পাবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসন। গতকাল রোববার সকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার তার বাসায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান। এর আগে দু`দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্মেলন নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ব্রিটিশ হাইকমিশন। ব্রিটিশ হাইকমিশনার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রপ্তানিভিত্তিক বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিকে বিকশিত করার ক্ষেত্রে সহযোগিতার অংশ হিসেবে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হলেও দুই ধাপে তিন বছর করে যুক্তরাজ্যের বাজারে জিএসপি সুবিধা পাবে। প্রথম ধাপে ২০২৪ সাল আর দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সাল পর্যন্ত জিএসপি সুবিধা পাবে। অর্থাৎ আগামী ছয় বছর যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশ অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পেতে থাকবে। সংবাদ সম্মেলনে রবার্ট ডিকসন তার দেশে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের আরও আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশে ব্যবসার পরিবেশের উন্নতির ওপর জোর দেন। গেল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া দু`দেশের ওই বৈঠকে এ বিষয় আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এর মধ্যে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমম্বয়হীনতা, পদ্ধতিগত অনিশ্চয়তা, চুক্তি বাস্তবায়নের শর্তাবলী ও দুর্নীতি দূর করার পাশাপাশি ট্যাক্সেশনে জটিলতা রয়েছে। এই বিষয়গুলোর সুরাহা হওয়া জরুরি। আর এসব বিষয় সুরাহার ক্ষেত্রে পূর্বশর্ত হচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গীকার বলে উল্লেখ করেন রবার্ট ডিকসন।

বিশ্ববাজারে তাল রেখে স্বর্ণের দাম আরেক দফা কমলো
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : বড় ধরনের দরপতনের মধ্যে বিশ্ববাজারে আরেক দফা কমলো স্বর্ণের দাম। ফেব্রুয়ারি জুড়ে ৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ দরপতনের পর চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহেও স্বর্ণের দামে বড় পতন হয়েছে। এমন টানা দরপতনের মধ্যে প্রায় ৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে গেছে মূল্যবান এই ধাতুর দাম। স্বর্ণের পাশাপাশি গত সপ্তাহজুড়ে বড় দরপতন হয়েছে রুপা ও প্লাটিনামের। গত ১ সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে ১ দশমিক ৮৮ শতাংশ। রুপার দাম কমেছে ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ। প্লাটিনামের দাম কমেছে ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের এ দরপতনের ধারা অব্যাহত থাকলে শিগগিরই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দায়িত্বশীলরা।
এ বিষয়ে বাজুস সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার কারণে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে। দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর পরও আমরা দেখছি, গত কয়েক দিন ধরে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী। বিশ্ববাজারে দাম কমার এ প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আমরাও স্বর্ণের দাম কমাবো।
এদিকে মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে আসায় কয়েক সপ্তাহ ধরেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী দেখা দেয়ায় গত ৩ মার্চ থেকে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
২ মার্চ অনুষ্ঠিত বাজুসের কার্যনির্বাহী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩ মার্চ থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫১৬ টাকা কমিয়ে ৭১ হাজার ১৫১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬৮ হাজার ১ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ৫৯ হাজার ২৫২ এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৪৮ হাজার ৯৩১ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এর আগে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি ভরিতে স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯৮৩ টাকা কমানো হয়। সে হিসাবে দুই মাসের মধ্যে দেশের বাজারে ভরিতে স্বর্ণের দাম সাড়ে ৩ হাজার টাকা কমেছে। স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার পূর্বনির্ধারিত দাম বহাল রয়েছে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ১ হাজার ৪৩৫, ১৮ ক্যারেটের ১ হাজার ২২৫ এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা। বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম কমানোর পরও বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। অবশ্য গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে কিছুটা দাম বেড়েছে। এরপরও বড় পতনের হাত থেকে রক্ষা পায়নি স্বর্ণ। শেষ কার্যদিবসে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৩ দশমিক ৭২ ডলার বাড়ার পরও সপ্তাহের প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমেছে প্রায় ৩৪ ডলার। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমেছে ১ দশমিক ৮৮ শতাংশ। আগের সপ্তাহে ১ হাজার ৭৩৪ দশমিক ৩৯ ডলারে থিতু হওয়া প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম গত সপ্তাহ শেষে ১ হাজার ৭০০ দশমিক ৯১ ডলারে নেমে এসেছে। গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে স্বর্ণের দাম কমে ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং তার আগের সপ্তাহে কমে ২ দশমিক ১৪ শতাংশ। টানা তিন সপ্তাহের এই পতনে ৯ মাসের মধ্যে স্বর্ণের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে অবস্থান করছে। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের এই দরপতনের বিষয়ে বাজুস সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, মহামারি করোনাভাইরাস ভয়াবহ রূপ নিলে বিনিয়োগ অনেকটা একমুখী হয়ে পড়েছিল। বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণ কিনে মজুদ করে। এখন ধীরে ধীরে অর্থনীতি সচল হয়ে উঠেছে। বিনিয়োগকারীরাও অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। স্বর্ণের দাম কমার এটি একটি কারণ হতে পারে বলে আমার ধারণা। এদিকে স্বর্ণ ও রুপার দরপতনের সঙ্গে গেল সপ্তাহে বড় পতন হয়েছে আরও এক দামি ধাতু প্লাটিনামের। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম ৩ দশমিক ৭৫ ডলার বা দশমিক ৩৩ শতাংশ বাড়ার পরও সপ্তাহের ব্যবধানে এই ধাতুটির দাম কমেছে ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১২৯ দশমিক ৭৫ ডলারে। যা আগের সপ্তাহ শেষে ছিল ১ হাজার ১৮৮ দশমিক ৭০ ডলার। এছাড়াও শেষ কার্যদিবসে দশমিক ২৫ শতাংশ কমার মাধ্যমে গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে রুপার দাম কমেছে ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ২৪ ডলার। এই দরপতনের ফলে মাসের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে রুপার দাম ৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ কমে গেছে।

সুরক্ষার জন্য জাতীয় বীমা
                                  

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : মাত্রই পঞ্চাশ পেরোনো সরোয়ার আলম খুলনায় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কাজ করতেন। তার আয়ে নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারটির সংসার চলছিল। সঞ্চয়ও তেমন কিছু ছিল না। তিন সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন। বাকি দুই মেয়ের বড়জনের বিয়ে দিয়েছেন। ছোটটি কলেজে। এরই মধ্যে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সরোয়ার আলম। পরিবারের উপার্জনক্ষম একমাত্র ব্যক্তিকে হারিয়ে পরিবারটি পড়ে অকুলপাথারে।
একই অবস্থা হয় অগ্নিকাণ্ডে সব পুড়ে যাওয়া অসংখ্য ছোট্ট দোকানি থেকে ছোট-বড় ব্যবসায়ীরও। চোখের সামনে আগুনে যখন মালপত্র পুড়তে থাকে, তখন যেন স্বপ্নও পুড়তে থাকে তার। হঠাৎ দুর্ঘটনায় আয় হারিয়ে দেখা দেয় মহাবিপদ। চাইলে নিজের ও পরিবারের এমন কঠিন অনিশ্চিত সংকট মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি রাখা সম্ভব। শুধু জীবন নয়, ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তার জন্য গড়া সম্পদ বিনষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও কমানো সম্ভব। ঝুঁকি কমানোর এ পথের নাম `বীমা`। শুধু ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নয়, রাষ্ট্রের উন্নয়নেও বীমা বড় ভূমিকা রাখতে পারে। উন্নত দেশগুলোতে বীমা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখে। যুক্তরাষ্ট্রের ইন্স্যুরেন্স ইনফরমেশন ইনস্টিটিউটের তথ্য বলছে, ২০১৯ সালে দেশটিতে বীমার প্রিমিয়াম আয় ছিল ১ দশমিক ৩২ ট্রিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১১২ লাখ কোটি টাকা। এর ৫২ শতাংশ এসেছে জীবন বীমা থেকে। প্রতিবেশী ভারতে গত বছর বীমা খাতে প্রিমিয়াম আয় হয়েছে ৮ লাখ কোটি টাকারও বেশি। অথচ বাংলাদেশে ২০০৯ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত এক দশকে জীবন বীমা কোম্পানিগুলো এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকা এবং সাধারণ বীমা কোম্পানিগুলো এক লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকার বীমা পলিসি বিক্রি করে। উন্নত বিশ্বের মানুষের আয় বেশি। ফলে ভবিষ্যৎ আর্থিক সুরক্ষাও তাদের বেশি। তারপরও বীমা সুরক্ষা নেওয়াকে তারা অত্যাবশ্যক পণ্য কেনার মতো মনে করেন। এর ওপর আছে বাধ্যতামূলক বীমা। ঠিক বিপরীত অবস্থান বাংলাদেশের। এখানে মানুষের আয় কম। ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়ও থাকে কম। অথচ দেশের মানুষই সবচেয়ে কম বীমা করেন। নেই বাধ্যতামূলক বীমা পলিসিও। শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য গ্রুপ বীমা করার সুযোগ থাকলেও কারখানা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক খরচ কমাতে সে পথে যান না। এমন পরিস্থিতিতে সরকার সচেতনতা বাড়াতে বীমা দিবস পালনের উদ্যোগ নিয়েছে। ১৯৬০ সালে আলফা ইন্স্যুরেন্সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যোগদানের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ১ মার্চ জাতীয় বীমা দিবস পালনের ঘোষণা করা হয়। বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেন জানান, বর্তমানে দেশের প্রায় দুই কোটি মানুষ বীমার আওতাধীন। অথচ জনসংখ্যা বিবেচনায় দেশের অন্তত ১২ কোটি মানুষের বীমার আওতায় থাকা উচিত ছিল। এমন পরিস্থিতির কারণ জানতে চাইলে অর্থের সংস্থানের অভাবকে এর প্রধান কারণ বলে জানান বেশিরভাগ মানুষ। ঢাকার একটি কোম্পানির বিপণন কর্মকর্তা মহিদুল হক বলেন, বীমা করা ভালো।

ঋণ নিয়ে নয়ছয় করলে কঠোর শাস্তি
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ঋণ বিতরণ ও ব্যবহারে অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখী হতে হবে। এ কারণে এখন থেকে ঋণের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। নিয়মিত কিস্তি আদায় করতে হবে। কোনো ঋণে বড় ধরনের অনিয়ম পেলে তা সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানাতে হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র জানায়, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ নিয়ে বড় ধরনের জালিয়াতির ঘটনা সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ খাতে তদারকি জোরদার করেছে। এ কারণেই সার্কুলারটি জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইনকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আর্থিক খাতের অনিয়মগুলো শনাক্ত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করেছে। এসব বিষয়ে এখন কাজ চলছে। ঋণ জালিয়াতির কারণে পাঁচটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বড় ধরনের অর্থ সংকটে পড়েছে। তারা আমানতকারীদের অর্থও ফেরত দিতে পারছে না। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকও সমালোচনার মুখে পড়েছে। এসব প্রেক্ষাপট বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক আর্থিক খাতে তদারকি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। এজন্য তদারকির আওতায় প্রচলিত নিয়মনীতিতেও বেশ কঠোরতা আরোপ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়-আর্থিক খাতে ঋণের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত না হলে তা পুরো খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে সুশাসনকে বাধাগ্রস্ত করে। এ লক্ষ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে বিতরণ করা লিজ বা ঋণের অর্থ নির্দিষ্ট খাতেই বিতরণ করতে হবে। অন্য কোনো খাতে ব্যবহার করা যাবে না। ঋণের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম চালাতে হবে। একই সঙ্গে তদারকি জোরদার করতে হবে। এক প্রকল্পের ঋণ নিয়ে অন্য কোনো প্রকল্পের ঋণ পরিশোধ করা যাবে না। অর্থাৎ ঋণ নিয়ে ঋণ শোধ করা যাবে না। কিস্তিভিত্তিক প্রকল্পের ঋণ আগের কিস্তির অর্থ যথাযথ ব্যবহার হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে পরের কিস্তির অর্থ ছাড় করতে হবে। এ খাতের ঋণ অন্য খাতে ব্যবহারের ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ঋণের ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং তদারকির বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ঋণ নীতিমালা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এ লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ তদন্ত করতে হবে। তদন্ত প্রতিবেদন ঋণ গ্রহীতার নথিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে কোনো অনিয়ম থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ঋণের সদ্ব্যবহার সম্পর্কিত কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে তা তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানাতে হবে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এক খাতের নামে ঋণ নিয়ে অন্য খাতে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। কিন্তু কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এসব অর্থের একটি বড় অংশ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এক প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ নিয়ে তা অন্য খাতের ঋণ পরিশোধ করা বেআইনি। কিন্তু আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনেক গ্রাহক এমন কাজ করেছেন। ফলে যে প্রকল্পে ঋণ নিয়েছেন তা খেলাপি হয়ে গেছে। এসব কারণে এমন কঠোরতা আরোপ করা হয়েছে। ঋণের কিস্তির পুরো সদ্ব্যবহার হলেই অন্য কিস্তি ছাড় করার নিয়ম। কিন্তু কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ নিয়ম মানেনি। ফলে জালিয়াতির মাধ্যমে নেওয়া পুরো ঋণই এখন খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। এসব কারণে আর্থিক প্রতিষ্ঠানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মূলধন ঘাটতি বেড়ে গেছে।

‘দশ বছরে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়েছে’
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ‘জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছেন। কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন করে যেতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার কাজ করে যাচ্ছেন। গত দশ বছরে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়েছে।’ জাতীয় বীমা দিবস উপলক্ষে সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, উন্নত দেশে সব ধরনের সম্পদের বীমা রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিও এগিয়ে যাচ্ছে। অর্থনীতি আরো শক্তিশালী করতে, দেশের সকল সরকারি সম্পদ বীমার আওতায় আনার কাজ করছে বর্তমান সরকার। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে জীবন বীমা খাত। এক্ষেত্রে জীবন বীমার প্রিমিয়াম জনগণের সক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। যে দেশের বীমা খাত যতো শক্তিশালী সে দেশের অর্থনীতি ততো শক্তিশালী উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশের বীমা খাতের উন্নয়নে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের বীমা খাত উন্নয়নে নানা ভূমিকা পালন করছেন। বর্তমান সরকারের আমলেই বীমা আইন-২০১০ প্রণয়ন করা হয়েছে। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বীমা খাতের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নে আরো জোড়ালো ভূমিকা রাখতে হবে। আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আজ থেকে ৪০ হাজার বছর আগে পৃথিবীর লোক সংখ্যা ছিল ১০ কোটি। এসব মানুষ মধ্যপ্রাচ্যে টাইগ্রিস নদীর এপারে, ওপারে বসবাস শুরু করেন। এসব মানুষ কৃষিনির্ভর ছিলেন। এ সময় ব্যাবিলনে প্রথম বীমার প্রচলন হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে শস্য বীমার প্রচলন করা হয়। আধুনিক বিশ্বে লয়েডস’র মাধ্যমে ইংল্যান্ডে বীমার প্রচলন হয়।

টানা দরপতনে শেয়ারবাজারে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : পতনের মধ্য দিয়ে আরও এক সপ্তাহ পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। এর মাধ্যমে টানা ছয় সপ্তাহ পতনের মধ্যে থাকল শেয়ারবাজার। টানা এই দরপতনের মধ্যে পড়ে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বাজার মূলধন হারিয়েছে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। অবশ্য পতনের মধ্যেও গত সপ্তাহে হাজার কোটি টাকার ওপরে বাজার মূলধন বেড়েছে। বাজার মূলধন হাজার কোটি টাকার ওপরে বাড়লেও গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে কমেছে সবকটি মূল্য সূচক। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। গেল সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক কমেছে ১ শতাংশের ওপরে। আর লেনদেন কমেছে ৩৪ শতাংশের ওপরে। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে চার লাখ ৬৬ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল চার লাখ ৬৫ হাজার ৬৫৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে এক হাজার ২৯৭ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহে বাজার মূলধন কমে চার হাজার ৫২ কোটি টাকা। তার আগের চার সপ্তাহে কমে ৯ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকা, চার হাজার ৭০৮ কোটি টাকা, আট হাজার ২৭৭ কোটি টাকা এবং ৯ হাজার ৪২০ কোটি টাকা। এ হিসাবে টানা পাঁচ সপ্তাহের পতনে ডিএসই ৩৬ হাজার ৫১ কোটি টাকা বাজার মূলধন হারানোর পর এক হাজার ২৯৭ কোটি টাকা বেড়েছে। অর্থাৎ ছয় সপ্তাহের টানা পতনের মধ্যে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৩৪ হাজার ৭৫৪ কোটি টাকা। বাজার মূলধন বাড়া বা কমার অর্থ তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ও ইউনিটের দাম সম্মিলিতভাবে ওই পরিমাণ বেড়েছে বা কমেছে। এদিকে গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৫৯ দশমিক ৬০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৯ দশমিক শূন্য ৩ পয়েন্ট বা দশমিক ১৬ শতাংশ। তার আগের চার সপ্তাহে কমে ১৬২ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৮৮ শতাংশ, ৭৬ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ, ১১১ দশমিক ৮২ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং ৭৩ দশমিক ১৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ২৪ শতাংশ। অর্থাৎ ছয় সপ্তাহের টানা পতনে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক কমেছে ৪৯৩ পয়েন্ট। প্রধান মূল্য সূচকরে পাশাপাশি টানা ছয় সপ্তাহ পতন হয়েছে ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচকের। গত সপ্তাহজুড়ে সূচকটি কমেছে ৩৯ দশমিক ৭৮ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে এই সূচকটি কমে ৫ দশমিক ১২ পয়েন্ট বা দশমিক ২৪ শতাংশ। তার আগের চার সপ্তাহে কমে ৬৩ দশমিক শূন্য ৪ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৯০ শতাংশ, ১৭ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট বা দশমিক ৮০ শতাংশ, ১৭ দশমিক ২৪ পয়েন্ট বা দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং ২৮ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ২৭ শতাংশ। অপরদিকে ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকও টানা চার সপ্তাহ পতনের পর গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে কিছুটা বেড়েছিল। কিন্তু গত সপ্তাহে এই সূচকটি আবার পতনের মধ্যে পড়ে। গেল সপ্তাহে সূচকটি কমেছে ১৬ দশমিক ৬১ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৬ দশমিক ১৬ পয়েন্ট বা দশমিক ৫০ শতাংশ। তার আগের চার সপ্তাহে ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত এই সূচকটি কমে ২৪ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৯৮ শতাংশ, ১৯ দশমিক শূন্য ৯ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ, ১৪ দশমিক ২৫ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ১০ শতাংশ এবং ২৮ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ১৮ শতাংশ। সবকটি মূল্য সূচকের বড় পতন হলেও গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন অংশ নেয়া যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, কমেছে প্রায় তার সমান সংখ্যক। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১২১টি প্রতিষ্ঠান। বিপরীতে দাম কমেছে ১২৬টির। আর ১১৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৫৮৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৮৮৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ৩০৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা বা ৩৪ দশমিক ২২ শতাংশ। আর গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ৩৩৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় চার হাজার ৪৩৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেন কমেছে দুই হাজার ১০২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বা ৪৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ। গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনে ‘এ’ গ্রুপ বা ভালো কোম্পানির অবদান ছিল ৫৭ দশমিক দশমিক ৩৩ শতাংশ। এছাড়া ‘বি’ গ্রুপের ৩০ দশমিক ৮১ শতাংশ, ‘জেড’ গ্রুপের দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং ‘এন’ গ্রুপের ১১ দশমিক ১৮ শতাংশ অবদান ছিল। গত সপ্তাহে ডিএসইর মূল বাজারে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- বেক্সিমকো, রবি, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, সামিট পাওয়ার, ওয়ালটন, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, লাফার্জাহোলসিম এবং বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস।

রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের ঋণ শোধের সময় বাড়লো
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও কর্মচারীদের ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময় আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। শ্রমিক ও কর্মচারীরা তিন মাসের বেতন বাবদ সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে ওই ঋণ সুবিধা পেয়েছিল। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘মার্চ হতে ঋণগ্রহীতারা আরও ছয় মাস গ্রেস পিরিয়ড প্রাপ্য হবেন।’ সময় বাড়ানোর কারণে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে প্রথম কিস্তির সময় শুরু হবে। যদিও, আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানুয়ারি পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ড ছিল।
তবে, প্রতিমাসে এক কিস্তি হিসেবে ১৮ কিস্তিতে ঋণ পরিশোধের সিদ্ধান্ত বহাল আছে। জানা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রথম দফায় ২ শতাংশ সার্ভিস চার্জে পাঁচ হাজার কোটি টাকা এবং ৪ শতাংশ সুদে ৫ হাজার পাঁচশ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছিল। সরকার ২ শতাংশ সার্ভিস চার্জ এবং ব্যাংকগুলোকে দেওয়া ঋণ বাবদ ৪.৫ শতাংশ সুদ বাজেট থেকে ভর্তুকি দেবে।

দিনভর ছিলো বড় দরপতনের উদ্বেগ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সোমবার মূল্য সূচকের ব্যাপক পতনে উদ্বেগ উৎকণ্ঠার মধ্যদিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। গতকাল ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ৯০ পয়েন্ট বা ১ শতাংশ কমেছে। এদিন ডিএসইতে টাকার অংকে লেনদেনও কমে তলানিতে নেমেছে। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গতকাল সোমবার ডিএসইতে টাকার পরিমাণে ৪৬৭ কোটি ৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যা গত ৩ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন ডিএসইতে। এর আগে গত বছরের ২২ নভেম্বর ডিএসইতে ৪৯৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। গতকাল সোমবার ডিএসইতে আগের দিন থেকে ২২৭ কোটি ৪ লাখ টাকা কম লেনদেন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছিল ৬৯৪ কোটি ১৩ লাখ টাকার। এদিন ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ৯০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৩৮৫ পয়েন্টে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই৩০ সূচক ৪৮ পয়েন্ট কমেছে এবং ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ২০ পয়েন্ট কমেছে। গতকাল ডিএসইতে মোট ৩৪৩টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৩টির, দর কমেছে ২১৯টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ১০১টি কোম্পানির। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম কমায় একদিনেই ৫ হাজার কোটি টাকার ওপরে মূলধন হারিয়েছে ডিএসই। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬০ হাজার ৮০ কোটি টাকা। যা আগের কার্যদিবস শেষে ছিল ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৬৫৮ কোটি টাকা। এ হিসেবে বাজার মূলধন কমেছে ৫ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ২২৪ পয়েন্ট। সূচকটি ১৫ হাজার ৫৯৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪১ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার। সিএসইতে মোট ১৮৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৬টির, দর কমেছে ১২৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টির।


   Page 1 of 94
     অর্থ-বাণিজ্য
লকডাউনেও স্বাভাবিক রয়েছে বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি
.............................................................................................
লকডাউনে ব্যাংকের সিদ্ধান্ত জানা যাবে আজ
.............................................................................................
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ
.............................................................................................
শেয়ারবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ আছে
.............................................................................................
বড় দর পতনের পর সূচক বাড়লো বাজারে
.............................................................................................
লকডাউন গুজবে আবার দরপতন শেয়ারবাজার
.............................................................................................
টিকা কিনতে ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক
.............................................................................................
শেয়ারে খোয়া গেলো ২০ হাজার কোটি টাকা
.............................................................................................
বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধাগুলো পাবে
.............................................................................................
বিশ্ববাজারে তাল রেখে স্বর্ণের দাম আরেক দফা কমলো
.............................................................................................
সুরক্ষার জন্য জাতীয় বীমা
.............................................................................................
ঋণ নিয়ে নয়ছয় করলে কঠোর শাস্তি
.............................................................................................
‘দশ বছরে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়েছে’
.............................................................................................
টানা দরপতনে শেয়ারবাজারে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি
.............................................................................................
রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের ঋণ শোধের সময় বাড়লো
.............................................................................................
দিনভর ছিলো বড় দরপতনের উদ্বেগ
.............................................................................................
হিলি স্থলবন্দরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১২ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আয়
.............................................................................................
ছয় মাসে ক্রেডিট কার্ডভিত্তিক লেনদেন বেড়েছে ২৩ শতাংশ
.............................................................................................
দরপতনের শীর্ষে অধিকাংশই বিমা কোম্পানি
.............................................................................................
শেয়ারবাজারে আরও ১০ হাজার কোটি টাকা উধাও
.............................................................................................
ঋণের মেয়াদ বাড়াতে ব্যাংক মালিকদের চাপ
.............................................................................................
শেয়ারবাজারে সপ্তাহের প্রথম দিনেই হতাশা
.............................................................................................
স্বর্ণ ব্যবসার নতুন নিয়মে দাম বাড়বে
.............................................................................................
টানা পতনে হারিয়েছে ২২ হাজার কোটি টাকা মূলধন
.............................................................................................
পরিচালক ও এমডিদের সম্পদের হিসাব নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক
.............................................................................................
করোনায় ৫৮ শতাংশ তৈরি পোশাক শ্রমিকের আর্থিক চাপ বেড়েছে
.............................................................................................
ব্যাংক খাতের আগে যাত্রা করেও পিছিয়ে পড়েছে বীমা খাত
.............................................................................................
পুঁজিবাজারে লেনদেনে সূচকের বড় উত্থান
.............................................................................................
‘ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান’
.............................................................................................
১৯টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান পেল রাষ্ট্রপতি শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার
.............................................................................................
চলতি অর্থবছরে কৃষি খাতে বেড়েছে ঋণ
.............................................................................................
মজুতদারি ঠেকাতে চাল আমদানির উদ্যোগ
.............................................................................................
৯ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৯৪ হাজার কোটি
.............................................................................................
করোনা প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে বেড়েছে অনলাইন ব্যাংকিং
.............................................................................................
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য আসছে প্রণোদনা প্যাকেজ
.............................................................................................
রফতানি বাড়াতে সহায়তা দিচ্ছে সরকার
.............................................................................................
নভেম্বরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রপ্তানি কমেছে ৮ শতাংশ
.............................................................................................
আখ মাড়াই বন্ধ থাকছে রাষ্ট্রায়ত্ত ৬ চিনিকলে
.............................................................................................
পুঁজিবাজারে নতুন বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে
.............................................................................................
একক নামে ৫০ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে না
.............................................................................................
কারণ ছাড়াই ঊর্ধ্বমুখি চাল ও ভোজ্যতেলের বাজার
.............................................................................................
পুঁজিবাজারে কারসাজি বন্ধের ক্ষমতা চায় ডিএসই
.............................................................................................
৭ ব্যাংকের সিনিয়র পদে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত
.............................................................................................
‘অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে সবাই সুফল পাচ্ছে না’
.............................................................................................
বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনাতে হয়রানি না করার নির্দেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
.............................................................................................
উপশাখায় ঝুঁকছে ব্যাংক, দোরগোড়ায় সেবা
.............................................................................................
করোনা মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি
.............................................................................................
ঢাকার মিরপুরে ইসলামী ব্যাংকের সেনপাড়া উপশাখা চালু
.............................................................................................
ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো সেবার উদ্বোধন করল প্রিমিয়ার ব্যাংক
.............................................................................................
কর্মসংস্থান ব্যাংকের ডিএমডি হলেন জামিনুর রহমান
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop