| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > ইবি ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি   > ‘ভোটে বিচ্যুতি হলে সরকার হটানোর আন্দোলন’   > পর্দা নয় এবার বাস্তবে বাংলাদেশি ‘ভাইজান’কে দেখল ভারতবাসী!   > সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে : প্রধানমন্ত্রী   > মেডিকেল শিক্ষার্থীর দায়বদ্ধতা রয়েছে জনগণের কাছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী   > হেলিকপ্টার থেকে প্রধানমন্ত্রীর মোবাইলে পদ্মা সেতুর ছবি   > পাকিস্তানের জয়ের পর শোয়েব মালিকের টুইটবার্তা   > সীমান্ত হত্যা: বিএসএফের `গরু পাচার` যুক্তি মানছে না বিজিবি   > ১৩ অভিজাত ক্লাবে জুয়ার বিষয়ে রায় আগামী ২৮ জানুয়ারি   > মুজিববর্ষে বিএসএমএমইউতে বিনামূল্যে চিকিৎসা  

   শিক্ষা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ইবি ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

ডেস্ক রিপোর্ট : গত ২১ জানুয়ারি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে

সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

 ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কমিটির সদস্যরা হলেন কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম ও

সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক শেখ স্বাধীন শাহেদ। কমিটিকে আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদক গ্রুপের সঙ্গে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়।

এতে সভাপতি-সম্পাদকসহ উভয় গ্রুপের প্রায় ৩০ নেতাকর্মী আহত হয়।

বিদ্রহী গ্রুপের এক কর্মীর দায়ের করা মামলায় ওই দিন রতেই আটক হন সম্পাদক রাকিব।

সভাপতিসহ ওই মামলায় ১০ জনের নাম উল্ল্যেখ করে ২৩-২৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

ইবি ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : গত ২১ জানুয়ারি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে

সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

 ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কমিটির সদস্যরা হলেন কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম ও

সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক শেখ স্বাধীন শাহেদ। কমিটিকে আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদক গ্রুপের সঙ্গে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়।

এতে সভাপতি-সম্পাদকসহ উভয় গ্রুপের প্রায় ৩০ নেতাকর্মী আহত হয়।

বিদ্রহী গ্রুপের এক কর্মীর দায়ের করা মামলায় ওই দিন রতেই আটক হন সম্পাদক রাকিব।

সভাপতিসহ ওই মামলায় ১০ জনের নাম উল্ল্যেখ করে ২৩-২৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

মেডিকেল শিক্ষার্থীর দায়বদ্ধতা রয়েছে জনগণের কাছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন বলেছেন, মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের দায়বদ্ধতা রয়েছে জনগণের কাছে।

জনগণের ট্যাক্সের টাকায় যেমন মেডিকেল কলেজের স্থাপনা গড়ে উঠছে,

তেমনি ট্যাক্সের টাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ চলছে।

শিক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে ভালোমানের ডাক্তার হয়ে দেশের মানুষের সেবা করতে হবে। সেবার মনমানসিকতা নিয়ে চিকিৎসক হতে হবে।

 আজ শুক্রবার মানিকগঞ্জে কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের একাডেমি ভবন,

ছাত্রছাত্রীদের পৃথক হোস্টেল উদ্বোধন এবং ৬ষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে কর্নেল মালেক

মেডিকেল কলেজের লেকচার গ্যালারিতে ৬ষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন।

বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌস, পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম,

কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের প্রকল্প পরিচালক ডাক্তার দেলোয়ার হোসেন, ডা. শিশির রঞ্জন দাস,

৬ষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান মুন ও মো. ওয়ালি উল্লাহ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কিছু দিনের মধ্যে সারা দেশে মেডিকেল ওয়েস্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে।

এটা স্বাস্থ্য সেবার নতুন উদ্যোগ। জেলা হাসপাতাল ও সরকারি মেডিকেল কলেজেগুলোতে মালটিপারপাস ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে।

পাইলট প্রকল্প হিসেবে মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজকে বেছে নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে পাবলিক টয়েলেট নির্মাণ করা হবে।

পুরনো ৮টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হবে।

এর আগে মন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের একাডেমি ভবন ও

পৃথক দুটি হোস্টেল উদ্বোধন করেন ছাত্রছাত্রীদের জন্য। মেডিকেল কলেজের নিজস্ব ক্যাম্পাসের যাত্রা শুরু হল।

পবিপ্রবির ১৫ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ১৫ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

 র‌্যাগিংয়ের অভিযোগে এসব শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,

বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরেবাংলা হল-১ এ ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের

শিক্ষার্থীদের র‌্যাগিং দেয়ার সময় হল প্রভোস্টরা ১৫ শিক্ষার্থীকে সরাসরি ধরে ফেলেন।

পরে তাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন- কৃষি অনুষদের রমজান শেখ, মো. সামিউল আলম, মো. জাহাঙ্গীর আলম,মো.

সিফাত হোসাইন, মো. খালিদ হাসান মিলু, রনি হোসাইন, বিএএম অনুষদের মনিরুল ইসলাম, মো.

মেহেদী হাসান, ভূঁইয়া মো. আবু সুফিয়ান, মুক্তাদির আহমাদ, খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান অনুষদের মো.

জায়াদুল হক মিয়াজী, মো. শাহীন, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের এসকে সেফাতুল ইসলাম, মো. মোহতাসিম আরাফ, সাকিব আহমেদ পার্থ।

আগামী বছর থেকে সারা দেশে একই সময়ে একটাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশের সকল সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী বছর থেকে অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা আজ এক বৈঠকে বসে নীতিগতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এই বৈঠকটি আয়োজন করেছিল।

কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, এখন থেকে সারা দেশে বিজ্ঞান,

মানবিকও বাণিজ্য একেক বিভাগে একটাই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে

এবং একজন শিক্ষার্থীকে ভর্তির জন্যে একটাই পরীক্ষাই দিতে হবে।

তারা বলছেন, সবগুলো বিভাগে পরীক্ষার আয়োজন করতে দুদিনও সময় লেগে যাতে পারে।

তবে এই পরীক্ষা কে আয়োজন করবে, কিভাবে অনুষ্ঠিত হবে এসব প্রক্রিয়া

ও পদ্ধতির বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সংগঠন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়

পরিষদ এখন একসাথে বসে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এসব বিষয়ে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করবে।

সারা দেশের ৪৬টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্যে বর্তমানে প্রায় আড়াই লক্ষ শিক্ষার্থী

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরে ঘুরে একাধিক পরীক্ষা দিয়ে থাকেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

বর্তমানে এই পরীক্ষা যেভাবে দিতে হয় তাতে তারা নানা ধরনের হয়রানির শিকার হন।

খুবই অল্প সময়ের ব্যবধানে তাদেরকে দেশের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। এতে অর্থ ও সময়ের অপচয় হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের একজন সদস্য মোহাম্মদ আলমগীর বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন,

শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদেরকে যাতে আর এধরনের হয়রানি পোহাতে না হয়

সেজন্যে সকল সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা একই দিনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন।

"ছাত্রদের আগামী বছর থেকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে পৃথক পৃথক ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে না।

সারা দেশে একই প্রশ্নপত্রে একই সময়ে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষার কেন্দ্রগুলো হবে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে।"

অর্থাৎ কুমিল্লার কোন শিক্ষার্থী যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে চান

তাহলে তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে না।

কুমিল্লারই কোন একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বসে তিনি এখন এই পরীক্ষা দিতে পারবেন

এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদা অনুযায়ী স্কোর বা নম্বর অর্জন করতে পারলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ভর্তি হতে পারবেন।

"যে কোন জায়গা থেকে, দেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে বসে তারা ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবেন।"

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য মি. আলমগীর জানান, পরীক্ষাগুলো হবে বিষয়ের ওপর।

বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য এই তিনটি বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিকের

পাঠ্যসূচির ওপর ভিত্তি করে প্রশ্নপত্র তৈরি করা হবে।

যে শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিকে যেসব বিষয়ে পড়েছেন তাকে শুধু সেসব বিষয়েই পরীক্ষা দিতে হবে।

এই পরীক্ষায় শিক্ষার্থী যে স্কোর বা নম্বর অর্জন করবেন

সেটার ভিত্তিতেই তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্যে আবেদন করতে পারবেন।

শিক্ষার্থী যদি তার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ের শর্ত পূরণ করতে পারেন তাহলেই তিনি সেখানে ভর্তি হতে পারবেন।

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্যে কতো স্কোর থাকতে হবে সেটা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ই নির্ধারণ করবে।

"আমি বিজ্ঞানের ছাত্র, কিন্তু আমি যদি এখন সমাজ বিজ্ঞানে ভর্তি হতে চাই

তাহলে আমার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারণ করবে কোন কোন বিষয়ে আমাকে কতো স্কোর করতে হবে।"

ভর্তি পরীক্ষায় ওই স্কোর অর্জন করতে পারলে শিক্ষার্থী তার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করে ভর্তি হতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র নির্যাতন : বিচার চেয়ে টিএসসিতে `অবস্থান` নিয়েছেন মার খাওয়া মুকিম
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে `শিবির সন্দেহে` নির্যাতনের শিকার

চারজন শিক্ষার্থীর একজন মুকিম চৌধুরী বিচারের দাবিতে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান নিয়েছেন।

তিনি গত বুধবার সন্ধ্যে থেকে এই অবস্থান নিয়েছেন।

গত মঙ্গলবার রাতে তাকেসহ বাকীদেরকে নির্যাতনের পর পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়।

মুকিম চৌধুরী বিবিসিকে জানিয়েছেন, তাকে মারধর এবং বিনা কারণে পুলিশে দেয়ার ঘটনায়

জড়িতদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করবেন।

এজন্য জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগ নেতার ও ডাকসু হল সংসদের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন মিঃ চৌধুরী।

এদিকে, মুকিমের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট

বিভাগের শিক্ষার্থীরা রাজু ভাস্কর্যে মানববন্ধন করেছেন। মুকিম এই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

অন্যদিকে, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য জহুরুল হক হল কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

কী হয়েছিল?

মুকিম চৌধুরী বলেন, সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে গত মঙ্গলবার রাতে সরকার-সমর্থক ছাত্রলীগের

কয়েকজন নেতা তাকেসহ দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বর্ষের মোট চারজন ছাত্রকে গেস্টরুমে ডেকে নেবার পর তাদের মারধর করা হয়।

মারধরের শিকার শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, তাদেরকে `শিবির সন্দেহে` ডাকা হয়েছিল, এবং

তাদের দফায় দফায় হাতুড়ি, মোটা তার (মোটা এই কোএক্সিয়েল তারগুলো স্যাটেলাইট টিভি সংযোগের জন্য ব্যবহার হয়)

এবং ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে পেটানো হয়।

এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের অন্য নেতৃবৃন্দ এবং হলের আবাসিক শিক্ষকেরা এসে পৌঁছালে চার ছাত্রকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

তবে, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন,

ওই শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদ করার ঘটনায় শুধু হল শাখা ছাত্রলীগ নয়, হলের সাধারণ শিক্ষার্থীরাও ছিল।

"মারধরের ঘটনায় ছাত্রলীগ জড়িত ছিল না, যদি আমরা দেখি কেউ তাতে জড়িত ছিল,

তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।"

পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর গতকাল বুধবার বিকেল চারটায় শাহবাগ থানা থেকে চার ছাত্রকে ছেড়ে দেয়া হয়।

শাহবাগ থানা থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোন লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায়

চার ছাত্রকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেয়া হয়।

রাজু ভাস্কর্যে অবস্থান

থানা থেকে ছাড়া পাবার পর, চারজন ছাত্রের একজন মুকিম চৌধুরি ওই ঘটনার প্রতিবাদে

এবং তাতে জড়িতদের বিচার চেয়ে বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে অবস্থান ধর্মঘট পালন করছেন।

আজ বৃহস্পতিবার ভোররাত পর্যন্ত রাজু ভাস্কর্যে অবস্থান করার পর,

সকাল সাতটা থেকে আবারো সেখানে অবস্থান নিয়েছেন মুকিম।

তিনি জানিয়েছেন, "এ ঘটনায় যতক্ষণ জড়িতদের বিচার না হবে, আমাদের নিরাপত্তা না দেয়া হবে,

আমি এখান থেকে কোথাও যাবো না। আমাকে অন্যায়ভাবে সন্দেহ করা হইছে এবং বেদম মারা হইছে।

আমি এ ঘটনার বিচার চাই।" মুকিম অভিযোগ করেছেন,

তাকে মারধরের ঘটনায় সরকার-সমর্থক ছাত্রলীগের হল কমিটির কয়েকজন নেতা

এবং হল সংসদের কয়েকজন অংশ নিয়েছেন।

বিক্ষোভ

এদিকে, নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য দুপুর বারোটায় বিক্ষোভ মিছিল করছে।

তদন্ত কমিটি

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য জহুরুল হক হল কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

রাতে মুকিমকে দেখতে রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে এই তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানান

সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন।

এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, গত বছর অক্টোবর মাসে বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদকে

`শিবির সন্দেহে` টানা নির্যাতনের এক পর্যায়ে সে মারা যায়।

নির্যাতনের অভিযোগ ছিল ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দেশব্যাপী ছাত্রবিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিলো।

শিবির সন্দেহে` চার ছাত্রকে পিটিয়ে পুলিশে দেবার অভিযোগ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি হলে `ইসলামি ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে

যুক্ত সন্দেহে` চারজন ছাত্রকে মারধরের পর তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেবার ঘটনা ঘটেছে।

মারধরের শিকার হওয়া ছাত্রদের একজন এ জন্য সরকার-সমর্থক ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকে দায়ী করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ওই ঘটনার সময় উপস্থিত

একজন ছাত্রও বলেছেন, গতকাল মঙ্গলবার রাতে সরকার-

সমর্থক ছাত্রলীগের দু`জন নেতা ওই চারজনকে হলের গেস্টরুমে ডেকে নেবার পর তাদের মারধর করা হয়।

এ ব্যাপারে ছাত্রলীগের হল শাখা বা কেন্দ্রীয় নেতাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

মারধরের পর ওই ছাত্রদের পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয় এবং

১২ ঘন্টা শাহবাগ থানায় থাকার পর তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম গোলাম রব্বানী জানিয়েছেন,

`হল কর্তৃপক্ষের অনুরোধ অনুযায়ী` ওই চার ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় দেবার ব্যবস্থা করা হয়।

তবে ছাত্রদের মারধর করার কোন অভিযোগ সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান মি. রব্বানী।

কী হয়েছিল?

সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঐ ঘটনার সময়

উপস্থিত ছিলেন এমন একজন জানিয়েছেন, শিবিরকর্মী সন্দেহে রাত ১১টার দিকে

দ্বিতীয় বর্ষের দুইজন ছাত্র মুকিম চৌধুরী এবং আফসার উদ্দীনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য

গেস্টরুমে ডেকে নেয় হল শাখা ছাত্রলীগের দু`জন নেতা।

পরে তৃতীয় বর্ষের ছাত্র সানোয়ার হোসেন এবং মিনহাজউদ্দীনকেও ডেকে নেয়া হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই প্রত্যক্ষদর্শী জানান,

তাদেরকে হলের বর্ধিত ভবনে নিয়ে গিয়ে প্রথমে চড়-থাপ্পড় মারা হয়,

পরে রড ও ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে পেটানো হয়। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের অন্য নেতৃবৃন্দ এবং

হলের আবাসিক শিক্ষকেরা এসে পৌঁছালে ছাত্রদের শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

`কর্তৃপক্ষ মারধর সম্পর্কে জানেন না`

সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন,

ছাত্রদের মারধর বা পেটানো হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে তিনি জানেন না,

তবে এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে হল প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রব্বানীও জানান,

ছাত্রদের মারধর করার কোন অভিযোগ সম্পর্কে তিনি জানেন না।

চার ছাত্রকে পুলিশে দেবার কারণ কী?

ছাত্রদের পুলিশে হস্তান্তরের কারণ জানতে চাইলে অধ্যাপক রব্বানী বলেন,

গতকাল মঙ্গলবার রাতে হল কর্তৃপক্ষ তার কাছে চারজন ছাত্রকে

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় দেবার ব্যবস্থা করার অনুরোধ করে।

"অভিযোগ সম্পর্কে আমার কাছে কোন লিখিত আবেদন করা হয়নি।

হল কর্তৃপক্ষের অনুরোধ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছি।

তবে পরে ওই চারজন ছাত্রের বিরুদ্ধে কোন ক্রিমিনাল চার্জ বা

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ না থাকলে ছেড়ে দেবার জন্য পুলিশকে আমি অনুরোধ করি।"

প্রায় ১২ ঘন্টা পর বিকেল চারটায় পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয়।

শাহবাগ থানা থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোন লিখিত

অভিযোগ না পাওয়ায় চার ছাত্রকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেয়া হয়।

এ সম্পর্কে অধ্যাপক হোসেন জানিয়েছেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ এবং

ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন সবাই মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছে।

যে কারণে ওই ছাত্রদের সেই সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ করেছে কেউ কেউ।"

"তবে হল কর্তৃপক্ষকে জানানোর আগে তাদের কেউ মারধর করেছে এমন অভিযোগ সম্পর্কে আমি অবহিত নই।

যদি ওই চার জন ছাত্রের কেউ লিখিত অভিযোগ করে, তাহলে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেব আমরা।"

পরিবার উদ্বিগ্ন

দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মুকিম চৌধুরীর মা ফরিদা বেগম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থেকে সকালে ঢাকা এসে পৌছেছেন।

কথা বলার সময় তিনি কাঁদছিলেন, বলছিলেন ছেলেকে একা ঢাকায় রেখে যেতে তিনি ভরসা পাচ্ছেন না।

"আমার ছেলের নামে মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হইছে। এমন অবস্থায় আমি কেমন একা রেখে যাবো তাকে।"

সাতক্ষীরা সরকারি বালক ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
                                  

 শেখ হাবিবুর রহমান (হবি), সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরা সরকারি বালক ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২০ এর উদ্বোধন হয়েছে।

গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় বালিকা বিদ্যালয় ও সাড়ে ১০ টায় বালক উচ্চবিদ্যালয় প্রাঙ্গনে

পৃথক দুটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জাতীয় ও ক্রীড়া পতাকা উত্তোলন,

বেলুন, ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে উক্ত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন,

বিদ্যালয় দুটি পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল।

এ সময় দুটি বিদ্যালয়ের পৃথক দুটি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, বালিকা বিদ্যালয়রে প্রধান শিক্ষক ও

জেলা শিক্ষা অফিসার এস.এম আব্দুল্লাহ আল-মামুন ও সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমরেশ কুমার দাশ।

অনুষ্ঠান দুটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেবাশীষ চৌধুরী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোবায়ের হোসেন প্রমুখ।

এ সময় সেখানে বিদ্যালয় দুটির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক এ সময় বলেন, ক্রীড়া শক্তি, ক্রীড়া বল। ক্রীড়াই পারে আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বাড়াতে।

সুস্থ্য ও সবল থাকতে পারলেই সৃজনশীল শিক্ষিত ও উন্নত জাতি তৈরী হবে।

বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকীতে এই বিদ্যালয় দুটি তাদের সেরা পারফামেন্স উপহার দেবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নবম থেকে এসএসসি পর্যন্ত পাঁচজনের একজন ঝরে পড়ছে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : গাজীপুরের কালীগঞ্জের একটি সরকারি স্কুলেও প্রতিবছর যে পরিমাণ শিক্ষার্থী নবম শ্রেণীতে নিবন্ধন করেন,

তার মধ্যে একটি বড় অংশ শেষ পর্যন্ত নানা কারণে মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে না।

সারা বছর পড়ানোর পরও শিক্ষার্থীদের এমন ঝরে পরা নিয়ে হতাশ স্কুলটির একজন শিক্ষক তাসকিন জাহান।

তিনি বলেন, "ধরেন স্কুল থেকে রেজিস্ট্রেশন করেছে ১০০ জন। কিন্তু পরীক্ষা দিতে যায় ৭০ জনের মতো।

মানে থার্টি পারসেন্ট স্টুডেন্ট বাদ পড়ে যাচ্ছে। সেটা আমাদের টিচারদের জন্যও মানসিক চাপ।

কারণ আমরা চাই আমাদের প্রত্যেকটা স্টুডেন্ট পরীক্ষার হলে বসুক।"

বাংলাদেশের সবশেষ মাধ্যমিক শিক্ষাবর্ষের প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন শিক্ষার্থীর ঝরে পড়ার

বিষয়টি রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের অপচয় এবং যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে জানা গেছে,

দুই বছর আগে নবম শ্রেণীতে ২০ লাখ ৭৪ হাজার শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেছিল।

কথা ছিল তারা সবাই এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে।

কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে এবার পরীক্ষা দিতে যাচ্ছে ১৬ লাখ ৮২ হাজার শিক্ষার্থী।

অর্থাৎ প্রায় চার লাখ শিক্ষার্থী বা প্রতি পাঁচ জনের মধ্যে একজন ঝরে পড়েছে।

রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয়

প্রতি পাঁচ জনের মধ্যে একজন শিক্ষার্থীর এই ঝরে পড়ার হারকে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় বলে

উল্লেখ করে সরকারকে দ্রুত নজর দেয়ার কথা বলেছেন গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী।

তিনি বলেন, "সরকারি তথ্য থেকেই বেরিয়ে আসছে যে, মাধ্যমিকে ঝরে পড়ার লাগাম টানা যাচ্ছে না।

এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ সরকার শিক্ষার পেছনে যথেষ্ট পরিমাণে বিনিয়োগ করছে।

তারপরও পাঁচজনের মধ্যে একজন ঝরে যাওয়া আমাদের জাতীয় পর্যায়ে বিনিয়োগের একটা বড় অপচয়।

 যা অবশ্যই উদ্বেগের।"

ঝরে পড়ার কারণ কী

মাধ্যমিক শিক্ষা বিস্তারে সরকার বৃত্তি, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে বই ও খাবার সরবরাহসহ আরও

নানা খাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করা করলেও শিক্ষার্থীদের এই ঝরে পড়ার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

এক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ঝরে পড়ার অন্যান্য কারণগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও জানান তিনি মিসেস চৌধুরী।

"বেসরকারিভাবে এই ঝরে পড়া নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে কিন্তু এ নিয়ে রাষ্ট্রীয় বা সরকারি পর্যায়ে গবেষণার প্রয়োজন আছে।

তখন প্রকৃত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা যাবে আর সেই মোতাবেক প্রতিকারের উপায় বের করা সহজ হবে।" বলেন মিসেস চৌধুরী।

তবে এ পর্যন্ত যেসব তথ্য উপাত্ত পাওয়া গেছে, সেখানে ঝরে পড়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ

হিসেবে উঠে এসেছে ওই শিক্ষার্থীদের পরিবার অবস্থা সম্পন্ন হয় না।

তাদের পক্ষে এই শিক্ষার ব্যয় টেনে নেয়া কঠিন হয়ে যায়।

বাংলাদেশে প্রাথমিক পর্যায়ে বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ করা হলেও মাধ্যমিকের একটি বড় অংশই বেসরকারি।

যেখানে পড়াশোনার খরচ বেশি। তাছাড়া মাধ্যমিকে বিভিন্ন কোচিং বা প্রাইভেট পড়ার খরচও আছে।

সেটা অনেক পরিবারের জন্য বোঝা হয়ে যায় বলে জানান রাশেদা কে চৌধুরী।

ফলে একটা অংশ ঝরে যায়। তখন তারা বিভিন্ন দিকে রুটি রুজির সন্ধানে হারিয়ে যায়।

গাজীপুরের কালীগঞ্জের শিক্ষিকাও তার স্কুলে ঝরে পড়ার পেছনে এই উপার্জনের প্রতি ঝোঁক

এবং এছাড়া উচ্চ শিক্ষার প্রতি আগ্রহের অভাবকে কারণ হিসেবে তুলে ধরেন।

"আমাদের স্কুলের বাইরে একটা নতুন হোটেল হয়েছে। দেখা যায় যে অনেক স্টুডেন্ট স্কুল বাদ দিয়ে সেখানে কাজ করছে।

আবার অনেক ছেলেরা বাড়িতে কৃষিকাজ করে।

কারণ এই বয়সী অনেক ছেলেমেয়ের ওপর পরিবারের দায়িত্ব চলে আসে।

পড়াশোনার প্রতি তারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

ওরা বুঝতে পারে না যে এসএসসি পাস করে তার জীবনে কী এমন পরিবর্তনই বা হবে।" বলেন, মিস জাহান।

তবে মেয়েদের ক্ষেত্রে ঝরে পড়ার অন্যতম কারণ নিরাপত্তাহীনতা, মাধ্যমিকে নারী শিক্ষকের অভাব

এবং স্কুলগুলোয় স্যানিটেশনের ব্যবস্থা না থাকা বলে জানান রাশেদা কে চৌধুরী।

তিনি বলেন, "স্কুলে যাওয়া আসার পথে এমনকি স্কুলের ভেতরে এই বয়সী মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে বাবা মা খুব উদ্বিগ্ন থাকে।

অনেকে ইভটিজিং, যৌন নিপীড়নের শিকার হয়।

তাছাড়া অনেক পরিবার মেয়ের পেছনে এতো খরচ করতে চায় না।

তখন তারা মেয়েকে ঘরে বসিয়ে রাখা বা বিয়ে দিয়ে দেয়াকেই সহজ সমাধান বলে মনে করে।"

পরীক্ষায় অংশ না নেয়া মানে ঝরে পড়া নয়

তবে এই চার লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ না নেয়াকে ঝরে পড়া বলতে চাইছেন না

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান মোঃ জিয়াউল হক।

তাঁর মতে, গত এক দশকের তুলনায় মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি

পাওয়ার কারণে ঝরে পড়ার এই সংখ্যাকে বেশি বলে মনে হচ্ছে।

"এটাকে ঝরে পড়া বলা যাবে না। তারা লেখাপড়ার সাইকেলের মধ্যেই আছে।

হয়তো সে টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি বা অসুস্থ ছিল এজন্য এসএসসিতে অংশ নিতে পারেনি।

হয়তো তারা আগামী বছর পরীক্ষা দেবে।

এটা প্রতিবছরের চিত্র। একে অস্বাভাবিক হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।"

তিনি জানান, এক দশক আগেও যে পরিমাণ শিক্ষার্থী মাধ্যমিকে অংশ নেয়া থেকে বিরত থাকতো,

এখন সেই হার অনেকটাই কমে এসেছে। এবং প্রতিবছরই এই হার কমছে।

তবে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে রাতারাতি এই ঝরে পড়ার হার

শূন্য পর্যায়ে নামিয়ে আনা রীতিমত অসম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশে মোট শ্রমশক্তিতে যুক্ত সাড়ে ৮৮ শতাংশই জেএসসি

এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ঝরে পড়া শিক্ষার্থী।

তাই এই শিক্ষার্থীদের ধরে রাখতে সরকারের বিনিয়োগ নীতিমালায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড একে উদ্বেগের কিছু নেই বলে উল্লেখ করলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন,

দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সরকার শিক্ষা বিস্তারের যে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সেটা অধরাই থেকে যাবে।

 

বিএনপি-জামায়াত চায় না দেশ এগিয়ে যাক : শিক্ষামন্ত্রী
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বিএনপি জামায়াত দেশকে ধ্বংস করার জন্য কাজ করেছে।

আজও তারা চায় না বাংলাদেশ এগিয়ে যাক।

গতকাল শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে  চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় দীপু মনি বলেন, বিএনপি সব সময় নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।

কারণ তারা জনবিচ্ছিন্ন একটি দলে পরিণত হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও এসে তারা বলছে, নির্বাচন যে সুষ্ঠু হচ্ছে না তা প্রমাণ করার জন্যই তারা ভোটে অংশ নিচ্ছেন।

অর্থাৎ তারা নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে চায়।

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার প্রসঙ্গে দীপু মনি বলেন, দুর্গম চরাঞ্চলে ৪০ ভাগের ওপর ভোট পড়েছে।

সাধারণ মানুষ ভোট কেন্দ্রে এসে উৎসাহ নিয়ে ভোট দিয়েছে।

অথচ বিএনপি ইভিএম নিয়েও বিতর্ক করতে চায়।

এ সময় চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান,

পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান এবং বিভিন্ন নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে তিনি মতলব উত্তরে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন।

 

পূজার দিন ভোট প্রতিহতের ঘোষণা ছাত্রদলের
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : সরস্বতী পূজার দিনে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

এ সময় তারা পূজার দিনে ভোটের তারিখ বদল না করলে নির্বাচন প্রতিহতের ঘোষণা দিয়েছেন।

 আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়।

এ সময় এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

পূজার দিনে ভোট সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি নষ্ট করার ষড়যন্ত্র বলে বক্তারা উল্লেখ করেন। তারা ভোট পিছিয়ে দেয়ার দাবি জানান।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন বলেন, আওয়ামী লীগ কথায় কথায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির কথা বলে।

কিন্তু ৩০ তারিখ নির্বাচনের সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ সাম্প্রদায়িক। এ দেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ।

তাই অনতিবিলম্বে এই তারিখ পরিবর্তন করে একটি নিরপেক্ষ দিনে নির্বাচন করার দাবি জানাচ্ছি। তা না হলে ছাত্রদল সব ছাত্রসমাজকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামবে।

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ।

এখানে বহু ধর্মের মানুষ বসবাস করে। এ দেশের প্রায় ৮ শতাংশ মানুষ সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী।

এটি ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র নয়; এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে এই সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবে না।

তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনের বিপক্ষে নই। নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করার আহ্বান জানাই। নইলে সব ছাত্র-জনতা মিলে এই নির্বাচন প্রতিহত করব।

এ সময় তারা পূজার দিনে নির্বাচন, ছাত্রদল মানে না বলে নানা ধরনের স্লোগান দেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ,

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সদস্য সচিব আমানউল্লাহ আমান প্রমুখ।

                                                                                                                                                                      

সরস্বতী পূজা ও ঢাকা সিটি নির্বাচনী তারিখ নিয়ে জটিলতা
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : সরস্বতী পূজার দিন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন না করার দাবিতে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ।

আগামী ৩০শে জানুয়ারি ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

কিন্তু হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা বলছেন, ওই দিন সরস্বতী পূজা রয়েছে। তাই তারা সেটি পেছানোর আবেদন করেছেন।

কিন্তু নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ৩০ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধা নেই। পূজা এবং নির্বাচন একই সঙ্গে চলবে।

সরস্বতী পূজা আসলে কখন?

হিন্দু ধর্ম পঞ্জিকা অনুসারে সরস্বতী পূজা শুরু হয় পঞ্চমী তিথির শুরু থেকে।

পঞ্চমী শুরু হচ্ছে ১৪ই মাঘ ১৪২৬ (বাংলাদেশের বাংলা ক্যালেন্ডারে যা ১৫ই মাঘ ১৪২৬) তারিখ,

 অর্থাৎ আগামী ২৯শে জানুয়ারি সকাল সোয়া ৯টায়। পূজার ক্ষণ শেষ হবে পরদিন ৩০শে জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ।

এই পঞ্চমীর মধ্যে পূজার সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে হবে।

কিন্তু নির্বাচনের তারিখ নিয়ে জটিলতার কারণ কী?

গত ২২শে ডিসেম্বর বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করে যে,

৩০শে জানুয়ারি ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

কিন্তু এরপরে হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা নির্বাচন কমিশনে গিয়ে আপত্তি জানান যে, সেদিন তাদের পূজা রয়েছে।

তাই তারিখ পরিবর্তন করা জরুরি।

নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেছেন, সরকারি ছুটির তালিকায় সরস্বতী পূজার তারিখ নির্ধারিত রয়েছে ২৯শে জানুয়ারি।

সে কারণে আমরা ৩০শে জানুয়ারি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করেছি।

``পরবর্তীতে হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতারা আমাদের কাছে এসে আপত্তি জানিয়েছেন যে,

৩০শে জানুয়ারিতে তাদের পূজা আছে। কিন্তু যেহেতু এ ব্যাপারে তারা হাইকোর্টে গেছেন এবং

আদালত তাদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে, তাই আমাদের আর এখন এ ব্যাপারে কিছু করার নেই।``

তারিখ পরিবর্তন চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন একজন আইনজীবী।

আদালতে রিটকারী আইনজীবী অশোক কুমার ঘোষ বলেছেন,

২৯ জানুয়ারি সকাল ৯টা ১৫ মিনিট থেকে ৩০ জানুয়ারি সকাল ১১টা পর্যন্ত সরস্বতী পূজার আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে।

আর ৩০ জানুয়ারি পঞ্চমীর আগে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া যায় না। তাই নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়ায় ৩০ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

কীভাবে নির্ধারিত হয় পূজার দিনক্ষণ

বাংলাদেশের মাদারীপুরের মহেন্দ্রদী কালীবাড়ি মন্দিরের সভাপতি উত্তম ব্যানার্জী বলছেন,

তিথি-নক্ষত্র বিচার বিশ্লেষণ করে পূজার দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়ে থাকে।

পঞ্জিকায় এ ব্যাপারে বিশদ বর্ণনা থাকে, কখন তিথি শুরু হয়ে কখন শেষ হবে, দিনক্ষণ সময় সব দেয়া থাকে।

``তাই পূজা-অর্চনার জন্য আমরা পঞ্জিকার ওপর নির্ভর করি। পঞ্জিকা অনুযায়ীই পূজার সময় নির্ধারণ করা হয়। ``

হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা এজন্য বেশ কয়েকটি পঞ্জিকা অনুসরণ করে থাকেন।

ভারতের আদি বাংলা বর্ষপঞ্জির সঙ্গে ধর্মীয় পঞ্জিকার দিনক্ষণের মিল থাকলেও,

বাংলাদেশে প্রচলিত বাংলা বর্ষপঞ্জির সঙ্গে হুবহু মেলে না।

আদি বাংলা ক্যালেন্ডার নাকি বাংলাদেশের বাংলা ক্যালেন্ডার

একসময় পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশে একই ধরণের বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসরণ করা হলেও,

বাংলাদেশে কয়েক দফা বাংলা বর্ষপঞ্জি সংশোধিত হয়।

তবে বাংলাদেশের সরকারি কাজকর্মে বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুসরণ করা হলেও

হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা তাদের পূজা-অর্চনা ও আচার অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে এখনো আদি বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুসরণ করেন।

উত্তম ব্যানার্জী বলছেন, আমরা যেসব পঞ্জিকা দেখে ধর্মীয় অনুষ্ঠান করি,

 তার সঙ্গে ভারতের বাংলা বর্ষপঞ্জির মিল থাকলেও বাংলাদেশের বাংলা বর্ষপঞ্জির সঙ্গে কোন মিল নেই।

``বাংলা ক্যালেন্ডারে তিথি-নক্ষত্র থাকে না, কয়টা থেকে পূজা শুরু হবে, কখন শেষ হবে থাকে না।

সবচেয়ে বড় কথা, পঞ্জিকার সঙ্গে এই ক্যালেন্ডারের তারিখও মেলে না।

তাই পূজা-অর্চনার জন্য সেটা অনুসরণ করতেও পারি না।``

তিনি জানান, পঞ্জিকাগুলো ভারতেই তৈরি, ফলে সেখানকার বাংলা বর্ষপঞ্জির সঙ্গে পঞ্জিকার মিল রয়েছে।

এ কারণে যারা পঞ্জিকা দেখে কর্মকাণ্ড করেন, তারা স্বভাবতই সেই বাংলা তারিখ অনুসরণ করেন।

সেখানে পূর্ণিমা, অমাবস্যা, তিথি নক্ষত্র ইত্যাদির উল্লেখ থাকে।

তাই পহেলা বৈশাখ, চৈত্র সংক্রান্তির মতো অনেক অনুষ্ঠান বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী বাংলাদেশে পালন করা হলেও,

যারা পঞ্জিকা অনুসরণ করেন, তারা আদি বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুসরণ করেন।

ফলে তাদের উদযাপনের দিন একদিন আগে বা পরে হয়ে থাকে।

বাংলা বর্ষপঞ্জিতে ধর্মীয় এসব বিষয় কি গুরুত্ব পায়নি?

বাংলাদেশে কয়েক দফা বাংলা বর্ষপঞ্জি সংস্কার করা হলেও,

ভারতের বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলে আদি বাংলা বর্ষপঞ্জি অপরিবর্তিত অবস্থায় ব্যবহৃত হচ্ছে।

সেই বর্ষপঞ্জির সঙ্গে বাংলা পঞ্জিকাগুলোর মিল রয়েছে,যা অনুসরণ করেই

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নানা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান করা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে সেই পঞ্জিকাই অনুসরণ করেন।

উত্তম ব্যানার্জী বলছেন, বাংলাদেশের বাংলা বর্ষপঞ্জির সঙ্গে পঞ্জিকা অনুযায়ী তিথি, নক্ষত্র,

চাঁদের দিনক্ষণের হিসাব মেলে না। ফলে সেটি তারা অনুসরণ করতে পারছেন না।

কিন্তু বাংলা বর্ষপঞ্জি সংস্কারের ব্যাপারে কি এসব বিষয় আমলে নেয়া হয়নি?

বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক হাবিবুল্লাহ সিরাজী বলছেন, ``আমরা কোন ধর্মীয় বিষয় বিবেচনায় রেখে নয়,

বরং একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এবং গ্রহণযোগ্য বর্ষপঞ্জি তৈরি করতে চেয়েছি।

আদি বাংলা বর্ষপঞ্জি চান্দ্র মাসের সাথে মিল রেখে করা হয়েছিল।

কিন্তু সেখানে অনেক ক্রুটি ছিল। তাই আমরা চাইলাম গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সঙ্গে মিল রেখে আধুনিক একটা বর্ষপঞ্জি তৈরি করার।``

``সেটা করার পর দেখা গেল আমাদের বিশেষ কিছু দিন, যেমন আটই ফাল্গুন,

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের বাংলা তারিখ গ্রেগরিয়ান তারিখে একেক সময়ে একেক তারিখে পড়ছে।

তাই সেটা নির্দিষ্ট রাখার জন্য গত অক্টোবর মাসে আরেক দফা সংশোধন করা হয়েছে।``

এখানে ধর্মীয় কোন বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া হয়নি বলে তিনি বলছেন।

``আমরা চেয়েছি আধুনিক, মানসম্পন্ন ও গ্রহণযোগ্য একটি বর্ষপঞ্জি তৈরি করার, সেটাই আমরা করেছি।

এখানে বিজ্ঞানসম্মত ও আন্তর্জাতিক দিনক্ষণ অনুসরণ করা হয়েছে। এর সাথে ধর্মের কোন সম্পর্ক নেই।``

আদি বাংলা বর্ষপঞ্জি আর আধুনিক বাংলা বর্ষপঞ্জির কোনটা বেশি ভালো?

বাংলা একাডেমীর সাবেক মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান বলছেন, বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ,

যাচাই বাছাই এর পরেই আধুনিক বাংলা বর্ষপঞ্জি নির্ধারিত হয়েছে।

সুতরাং এটা বিজ্ঞানসম্মত ও মানসম্মত একটি বর্ষপঞ্জি। আদি যে বাংলা বর্ষপঞ্জি ছিল,

যা এখনো অনেকে অনুসরণ করেন, সেখানে কয়েক ঘণ্টার সময়ের ক্রুটি রয়েছে।

সেটা অনুসরণ করলে বছর থেকে কয়েক ঘণ্টা বা লিপইয়ারের হিসাব মিলবে না। তাই সেটার সংশোধন জরুরি ছিল।``

একসময় এটাই বাংলাভাষী সবাইকে মেনে নিতে হবে, তিনি বলছেন।

কিন্তু সংশোধনের পরেও কেন সেটা গ্রহণ করছেন না হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা?

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু পুরাণ বিশেষজ্ঞ নৃসিংহ প্রসাদ ভাদুরী বলছেন,

 ``সবকিছু বিজ্ঞানসম্মত হলেই যে সবাই গ্রহণ করবেন, তা তো নয়।

বিশেষ করে ধর্মের ব্যাপারে বিজ্ঞান নিয়ে তো কেউ ভাবতে চায় না।

তাই মানুষ নতুন করে সংশোধন হওয়া একটি বর্ষপঞ্জি সহজে গ্রহণ করতে পারে না, তারা বরং আদি বর্ষপঞ্জিকেই মেনে নিয়েছে।``

তিনি জানান, হিন্দু ধর্মের নানা অনুষ্ঠান পালনে গুপ্ত প্রেস পঞ্জিকা, পিএম বাগচী আর বেনিমাধব শীল পঞ্জিকা অনুসরণ করা হয়।

কিন্তু বাংলা বর্ষপঞ্জির কয়েক ঘণ্টার ক্রুটি ঠিক করে পরবর্তীতে বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা চালু করা হয়।

পশ্চিমবাংলার সরকারি কাজকর্মে সেটার ব্যবহারও করা হয়। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ এখনো সেটা গ্রহণ করেনি।

তিনি বলছেন, বাংলা বর্ষপঞ্জি বহু আগে থেকেই মাস গণনা করা হয়ে আসছে।

সম্রাট আকবর হিজরি বর্ষের সঙ্গে মিলিয়ে সেটার নতুন একটা ধরণ চালু করেন, যেটা এখন আমরা দেখছি।

হিন্দু পূজা অর্চনার ক্ষেত্রে আরো আগে থেকে যেভাবে তিথি নক্ষত্র ক্ষণ গণনা হতো, সেই ধরণের খুব বেশি পরিবর্তন আসেনি।

এ কারণেই মানুষ ধর্মীয় আচারের জন্য বর্ষপঞ্জির চেয়ে বরং পঞ্জিকার ওপর বেশি নির্ভর করছে।

বাংলা বর্ষপঞ্জির সংস্কার

বাংলা বর্ষপঞ্জি সংস্কারের উদ্যোগ শুরু হয় ১৯৫০ সালে। সেই কমিটির প্রধান ছিলেন ড. মেঘনাদ সাহা।

১৯৬৩ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ নেতৃত্বে বাংলা পঞ্জিকা সংস্কার নামে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

সেই কমিটি ড. মেঘনাদ সাহার সুপারিশ সামনে রেখে কিছু পরিবর্তন করে সুপারিশ করে।

যেমন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দিনের পরিধি মাপের পরিবর্তন করে গ্রেগরিয়ান পদ্ধতি

অনুসারে রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে তারিখ পরিবর্তন হবে বলে গণ্য করা। অধিবর্ষে চৈত্রে ৩১দিনের কথা বলা হয়।

সেই সুপারিশের আলোকে বাংলাদেশে প্রথম বাংলা বর্ষপঞ্জি ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয় ১৯৮৭ সালে।

সে সময় বছরের প্রথম পাঁচ মাস ৩১দিন এবং বাকি সাত মাস ৩০ দিন হিসাবে গণনা শুরু হয়।

পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালের ২৬শে জুলাই বাংলা একাডেমীর তৎকালীন

মহাপরিচালক হারুন-উর-রশিদকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

সেই কমিটির সুপারিশ ছিল চৈত্র মাসের বদলে ফাল্গুন মাসকে অধিবর্ষের মাস হিসাবে গণনা করা।

অর্থাৎ অধিবর্ষে ফাল্গুন মাস হবে ৩১ দিনে।

পরবর্তীতে ২০১৫ সালে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খানকে

সভাপতি করে আরেকটি সংস্কার কমিটি গঠিত হয়।

এই কমিটির সিদ্ধান্ত হয় বছরের প্রথম ছয় মাস ৩১দিনে গণনা করা হবে।

ফাল্গুন মাস ছাড়া অন্য পাঁচ মাস ৩০ দিনে পালন করা হবে।

ফাল্গুন মাস হবে ২৯ দিনের, কেবল লিপইয়ারের বছর ফাল্গুন ৩০ দিনের মাস হবে।

এই সুপারিশ অনুযায়ী, গত অক্টোবর মাস থেকে বাংলা বর্ষপঞ্জি সংস্কার করা হয়েছে।

তবে ভারতের বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলে আদি বাংলা বর্ষপঞ্জিই অনুসরণ করা হতে থাকে।

বাংলা বর্ষপঞ্জির শুরু

ইতিহাসবিদদের হিসাব অনুযায়ী ১৫৫৬ সাল থেকে বাংলা সন প্রবর্তন করা হয়।

মুঘল সম্রাট জালালউদ্দিন মোহাম্মদ আকবর খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য

তার সভার জ্যোতির্বিদ আমির ফতুল্লা শিরাজীর সহযোগিতায় ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দে

`তারিখ-এ-এলাহি` নামে নতুন একটি বছর গণনা পদ্ধতি চালু করেন।

এটি কৃষকদের কাছে `ফসলি সন` নামে পরিচিত হয়, যা পরে `বাংলা সন` বা `বঙ্গাব্দ` নামে প্রচলিত হয়ে ওঠে।

ঐ সময়ে প্রচলিত রাজকীয় সন ছিল `হিজরি সন`, যা চন্দ্রসন হওয়ার প্রতি বছর একই মাসে খাজনা আদায় সম্ভব হতো না।

বাংলা সন শূন্য থেকে শুরু হয়নি, যে বছর বাংলা সন প্রবর্তন করা হয়, সে বছর হিজরি সন ছিল ৯২৩ হিজরি।

সে অনুযায়ী সম্রাটের নির্দেশে প্রবর্তনের বছরই ৯২৩ বছর বয়স নিয়ে যাত্রা শুরু হয় বাংলা সনের।

বাংলা বর্ষের মাসগুলোর নামকরণ হয়েছে বিভিন্ন নক্ষত্রের নামে।

 

শাহবাগে শিক্ষার্থীদের ফের অবস্থান ভোটের তারিখ বদলের দাবিতে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের দাবিতে নির্বাচন কমিশন

অভিমুখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের পদযাত্রা এখন রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান করছে।

আগের দিনের ঘোষণা অনুযায়ী, আজ বুধবার দুপুর ১২টা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি শুরু করেন।

পরে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করে শাহবাগে অবস্থান নেন তারা।

এই পদযাত্রার কারণে শাহবাগ মোড়ের চতুর্দিকের সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

ফলে সব দিকের সড়কেই গাড়ি আটকে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে জগন্নাথ হল ছাত্র সংসদের ভিপি উৎপল বিশ্বাস বলেন, নির্বাচন কমিশনকে আমরা দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলাম।

এর মধ্যে দাবি না মানলে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করা হবে।

তারই অংশ হিসেবে আমরা এখন শাহবাগে অবস্থান নিয়েছি। আমরা আমাদের কর্মসূচি শুরু করব।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার শাহবাগ চত্বর থেকে ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণের তারিখ পেছাতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি)

১৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার দুপুর ১২টায় সেই সময় শেষ হয়।

এর মধ্যে ভোটের তারিখ পরিবর্তন করা না হলে তারা ইসি অভিমুখে যাত্রা করবেন বলে আগেই বলে রাখেন।

তারা পূজার দিনে ভোটের তারিখ নির্ধারণ করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টার অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার

(সিইসি) কেএম নূরুল হুদাসহ অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরও পদত্যাগ দাবি করেন।

প্রসঙ্গত, ৩০ জানুয়ারি দুই সিটির ভোটের দিন ঠিক করে তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

এই দিনে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সরস্বতী পূজা।  তাই ভোটের দিন বদলানোর দাবি জানান সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে মোট তিন স্তরের ১১ হাজার ১৩০ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে পাস করেছেন।

আজ বুধবার এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হুসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এস এম আশফাক হুসেন জানান, ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল আজ বুধবার প্রকাশ করা হয়েছে।

এ পরীক্ষায় মোট ১১ হাজার ১৩০ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

তাদের মধ্যে স্কুল পর্যায়ে পাস করেছেন ৯ হাজার ৬৩ জন, স্কুল-২ পর্যায়ে ৬১১ জন ও কলেজ পর্যায়ে ১ হাজার ৪৫৬ জন রয়েছেন।

চেয়ারম্যান আশফাক হোসেন বলেন, আজ বুধবার ৩টার পর থেকে চূড়ান্তভাবে পাস করা পরীক্ষার্থীদের মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে।

এসএমএসের মধ্যে ফলাফল দেখতে ওয়েবসাইটের লিংক দেয়া থাকবে।

আজ সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে ফলাফল পাওয়া যাবে বলেও তিনি জানান।

গত ২৬ ও ২৭ জুলাই ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

২২ অক্টোবর ফল প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। লিখিত পরীক্ষায় ১৩ হাজার ৩৪৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।

স্কুল পর্যায়ে ১০ হাজার ৯৬৮ জন, স্কুল পর্যায়-২ এ ৭৭০ জন এবং কলেজ পর্যায়ে ১ হাজার ৬০৭ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

১ লাখ ২১ হাজার ৬৬০ জন ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।

১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষায় ১০ দশমিক ৯৭ শতাংশ প্রার্থী উত্তীর্ণ হন।

১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের ভাইভা শুরু হয় ১২ নভেম্বর, চলে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত।

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের ১৩ হাজার ৩৪৫ শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

ক্ষুদে ডাক্তারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু ২৫ জানুয়ারি
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে ক্ষুদে ডাক্তারের মাধ্যমে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ফাইলোরিয়াসিস নির্মূল ও কৃমি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় প্রতিবছরই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষুদে ডাক্তারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। 

এ কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের ওজন, উচ্চতা ও চোখের দৃষ্টিশক্তি নিরূপন করা হবে। 

সূত্র জানা যায়, আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ক্ষুদে ডাক্তারের মাধ্যমে  দেশের

সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে

জেলা-উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রধান শিক্ষকদের জন্য নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।                  

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রধান শিক্ষকদের সাথে সমন্বয় সভায় আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষুদে ডাক্তারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে নির্দেশনা দিতে বলা হয়েছে।

আর সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিজ নিজ ক্লাস্টারের স্কুলগুলোতে ক্ষুদে ডাক্তারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়টি নিবিড়ভাবে তত্ত্বাবধান করতে বলা হয়েছে।

এছাড়া শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য পূরণ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে সরবরাহ করবেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা। 
 
এছাড়া নতুন বছরের শুরুতে যেসব শ্রেণিতে ক্ষুদে ডাক্তার টিম গঠন করা হয়নি সেসব শ্রেণিতে টিম গঠন করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সংক্রান্ত লিফলেট বিতরণ ও

লিফলেটের তথ্য শিক্ষার্থীদের করতে বলা হয়েছে প্রধান শিক্ষকদের। এছাড়া সহকারী শিক্ষকদের কর্মসূচিতে সম্পৃক্দ করতে বলা হয়েছে। 

যদি কোনো স্কুলে ওজন মাপার যন্ত্র, উচ্চাতা মাপার ফিতা বা দৃষ্টি শক্তি মাপার চার্ট না থাকে

সেক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকদের স্লিপ পরিকল্পনার আওতায় নূন্যতম পক্ষে একটি করে ডিজিটাল

ওজন মাপার যন্ত্র ও প্রতি শ্রেণির জন্য উচ্চতা মাপার ফিতা ও একটি আই চার্ট সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবেন। 

আর সকল সরকারি প্রাইমারি স্কুলসহ পিটিআই পরীক্ষণ বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত স্কুল,

রক্স পরিচালিত আনন্দ স্কুলগুলোকে এ কর্মসূচির আওতায় আনতে হবে।

এছাড়া প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্যচমেন্ট এরিয়ার ঝরে পড়া ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের বিদ্যালয়ে এনে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার চেষ্টা করতে হবে।

আজ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল আজ বুধবার (১৫ জানুয়ারি) প্রকাশ করা হতে পারে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হুসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ‘ভাইভা শেষ হয়েছে ৫ জানুয়ারি। ৬ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীদের যাচাই বাছাই শুরু হয়।

আজ বুধবার (১৫ জানুয়ারি) ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

বিকেলের মধ্যে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে।’

গত ২৬ ও ২৭ জুলাই ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

পরে ২২ অক্টোবর লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

লিখিত পরীক্ষায় ১৩ হাজার ৩৪৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।

তাদের মধ্যে স্কুল পর্যায়ে ১০ হাজার ৯৬৮ জন, স্কুল পর্যায়-২ এ ৭৭০ জন এবং কলেজ পর্যায়ে ১ হাজার ৬০৭ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন।

এর আগে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনে ১ লাখ ২১ হাজার ৬৬০ জন লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

অর্থাৎ লিখিত পরীক্ষায় ১০ দশমিক ৯৭ শতাংশ প্রার্থী উত্তীর্ণ হন।

লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের ভাইভা শুরু হয় ১২ নভেম্বর, চলে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত।

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের ১৩ হাজার ৩৪৫ জন ভাইভায় অংশগ্রহণ করেন।

ক্ষমতার দাপট ও অবৈধ্য সম্পদের রাজত্বে অধ্যক্ষ মফিজ উদ্দিন কবিরাজ
                                  

মাজহারুল ইসলাম চপল, রাজশাহী : রাজশাহীর মোহনপুর সরকারি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগের সুত্র ধরে জানা যায়, তিনি পরীক্ষার ফরম পূরন বাণিজ্যসহ ক্ষমতার দাপটে অবৈধ্য সম্পদের রাজত্ব্য তৈরি করেছেন।

কলেজের অধ্যক্ষ হলেও তিনি যেন সন্ত্রাসের গডফাদার।

উক্ত কলেজের দ্বাদশ শ্রেনীর মোসাঃ শারমিন নামের এক ছাত্রী তার বিরুদ্ধে

১০৭ ধারায় রাজশাহী জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট -১ নং আদালতে মামলা দায়ের করেন।

পরে তিনি আদালতে মুচলেকা দিয়ে ফিরে যান।

বিষয়টি নিয়ে মামলার বাদী মোসাঃ শারমিন এর সাথে কথা বলে জানতে পারি কলেজের অধ্যক্ষ এইচ এস সি

পরীক্ষার ফরম পূরণ না করে বরং তার প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। তবে স্থানীয় লোক মারফত জানতে পারি তিনি মোহনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক,

এই ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বিভিন্ন অবৈধ্য কাজ সহ অনেক সম্পদের মালিক হয়েছেন।

তিনি থানার অদুরে একটি বিলে  প্রায় ১০০ বিঘার দুইটি অবৈধ্য পুকুর খনন করছেন।

কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মেরে ফেলাসহ গুম করে দেওয়ার হুমকি দেন।

থানার পাশে টাইলস্ সজ্জিত ৪ তলা বাড়িসহ জানা-অজানা অনেক সম্পদ রয়েছে তার।

ধরাকে সরাজ্ঞান করে তিনি মোহনপুরে একক রামরাজত্ব কায়েম করেছেন বলে জনশ্রুতি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বলেন, তিনি একজন সরকারি চাকরি করেন কিন্তু কিভাবে রাজনৈতিক পদে বসে আছেন আমরা জানতে চাই।

এলাকাবাসির দাবি এই অসীম ক্ষমতাধর অধ্যক্ষের ব্যপারে  বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টিক্ষেপন করছি। 

বিষয়টি নিয়ে জানতে কলেজে গেলে তার মনোনিত একাউটেন্টস্ কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ সাংবাদিকদের সাথে খারাপ  আচোরণ ও ছবি তুলতে বাধা প্রদান করেন।

অধ্যক্ষের কথা জিজ্ঞাসা করলে বলেন, প্রিন্সিপাল সার নাই। পরে  মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পরবর্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সানওয়ার হেসেন এর সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি বলেন,

আমার বিষয়গুলো জানা ছিলোনা, জানলাম আমি তদন্ত করে দেখবো। 

মামলার বিষয়ে জানতে রাজশাহী জেলার বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১ নং আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাত আরা তিথি এর সাথে কথা বলা হলে,

তিনি দৈনিক গনমুক্তি পত্রিকাকে বলেন, এইচ এস সি পরীক্ষার ফরম পূরণ না করে দিয়ে

প্রাণ নাশের হুমকি প্রদানের কারনে কলেজের অধ্যক্ষ মফিজ উদ্দিন কবিরাজ ও

ভাইস প্রিন্সিপাল মকবুল হোসেন মুচলেকা দিয়েছেন মামলা নথিজাত করা হয়েছে এবং

বিধি মোতাবেক পরীক্ষার ফরমপূরম করার জন্য বলা হয়েছে।

 


   Page 1 of 62
     শিক্ষা
ইবি ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি
.............................................................................................
মেডিকেল শিক্ষার্থীর দায়বদ্ধতা রয়েছে জনগণের কাছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
পবিপ্রবির ১৫ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
.............................................................................................
আগামী বছর থেকে সারা দেশে একই সময়ে একটাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র নির্যাতন : বিচার চেয়ে টিএসসিতে `অবস্থান` নিয়েছেন মার খাওয়া মুকিম
.............................................................................................
শিবির সন্দেহে` চার ছাত্রকে পিটিয়ে পুলিশে দেবার অভিযোগ
.............................................................................................
সাতক্ষীরা সরকারি বালক ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
.............................................................................................
নবম থেকে এসএসসি পর্যন্ত পাঁচজনের একজন ঝরে পড়ছে
.............................................................................................
বিএনপি-জামায়াত চায় না দেশ এগিয়ে যাক : শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
পূজার দিন ভোট প্রতিহতের ঘোষণা ছাত্রদলের
.............................................................................................
সরস্বতী পূজা ও ঢাকা সিটি নির্বাচনী তারিখ নিয়ে জটিলতা
.............................................................................................
শাহবাগে শিক্ষার্থীদের ফের অবস্থান ভোটের তারিখ বদলের দাবিতে
.............................................................................................
১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ
.............................................................................................
ক্ষুদে ডাক্তারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু ২৫ জানুয়ারি
.............................................................................................
আজ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল
.............................................................................................
ক্ষমতার দাপট ও অবৈধ্য সম্পদের রাজত্বে অধ্যক্ষ মফিজ উদ্দিন কবিরাজ
.............................................................................................
ঢাবির ৬৩ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার
.............................................................................................
`জঙ্গি আস্তানা` থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী আটক
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয় চাকরিকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করেন কিছু শিক্ষকরা : রাষ্ট্রপতি
.............................................................................................
ঢাবি ছাত্রীর ধর্ষক গ্রেফতার ‘রেশমা নাটক’বললেন - আইন বিভাগের অধ্যাপক
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর সন্দেহভাজন ধর্ষককে নিয়ে বিতর্ক
.............................................................................................
ঢাবির উপাচার্য ৪ শিক্ষার্থীর অনশন ভাঙালেন
.............................................................................................
শিক্ষার্থী ধর্ষণ : বিক্ষোভ অব্যাহত, `সিসিটিভি ফুটেজ` পেয়েছে পুলিশ
.............................................................................................
ধর্ষকের দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি ভিপি নূরের
.............................................................................................
ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় মামলার অভিযানে পুলিশ-ডিবি
.............................................................................................
ছাত্রদলের মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণ ঢাবিতে
.............................................................................................
শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে আন্দোলন না করার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
.............................................................................................
কুয়েট: শিক্ষার্থীরা আরবীয় পোশাক পরায় বিশ্ববিদ্যালয় কেন বিব্রত?
.............................................................................................
শিশুশ্রমে তৈরি হচ্ছে শিশুদের বই
.............................................................................................
জাবির ১১ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
.............................................................................................
শিক্ষামন্ত্রী : বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে নতুন প্রজন্ম দেশ গড়বে
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বাণিজ্য চলবে না রাজনৈতিক রুম থাকবে না : সেতুমন্ত্রী
.............................................................................................
পরীক্ষার ফলাফল কেন শিশুদের আত্মহত্যার দিকে নিয়ে যায়?
.............................................................................................
সোয়া চার কোটি শিক্ষার্থীর নতুন বই
.............................................................................................
ছাত্রঐক্যের সন্ত্রাসবিরোধী গণপদযাত্রা ঢাবিতে
.............................................................................................
ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলা ভিপি নুরের
.............................................................................................
পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা আওয়ামী লীগের
.............................................................................................
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন এলাকায় অবিস্ফোরিত ককটেল
.............................................................................................
আওয়ামী লীগের `অস্বস্তি` কোথায় ভিপি নূরকে নিয়ে ?
.............................................................................................
নুরের মামলা ছাত্রলীগের ৩৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে
.............................................................................................
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
.............................................................................................
আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি-রেজিস্টারক বহিষ্কার
.............................................................................................
‘মধ্যযুগীয় কায়দায়’ নুরের ওপর হামলার বিচার দাবি-রিজভীর
.............................................................................................
ভিপি নুরের রক্তাত্তে উত্তাল ঢাবি
.............................................................................................
ভিপি নুরের ওপর হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনা হবে : নানক
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয় জাতির শ্রেষ্ঠক্ষেত্র : রাষ্ট্রপতি
.............................................................................................
ডাকসু ভিপিসহ হামলায় আহত ১৩
.............................................................................................
শিক্ষার্থীরা বছরের প্রথম দিনেই বই উৎসবে ভাসবে
.............................................................................................
কুয়েটের ৮ ছাত্র বহিষ্কার
.............................................................................................
বছরের প্রথমেই প্রাথমিকে বদলি কার্যক্রম শুরু
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি