ঢাকা,সোমবার,১২ আশ্বিন ১৪২৮,২৭,সেপ্টেম্বর,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক   > বাণিজ্য সম্প্রসারণে বৈশ্বিক ভিত্তি বঙ্গবন্ধুর তৈরি করা   > সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তাঁর স্ত্রীর বিচার শুরু   > করোনায় শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২১   > প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটনে অবস্থান করছেন   > একদিনে ৮০ লাখ ডোজ টিকা   > রাজবাড়ীতে জন্ম নিবন্ধন তৈরিতে নাজেহাল সনদ গ্রহিতারা   > গ্রাম ও শহরের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না : এমপি নয়ন   > সোনাইমুড়ীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন   > নন্দীগ্রামে ১৫ বছরেও চালু হয়নি হাসপাতাল  

   শিক্ষা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
শিক্ষার্থীদের স্কুলমূখী করতে শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাজ করতে হবে: রংপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আঃ মতিন, রংপুর প্রতিনিধি : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এমপি বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শতকরা ৫ ভাগেরও কম শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের স্কুল মুখী করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রতিটি বিভাগ ও জেলায় গিয়ে মতবিনিময় করছে। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীরা যেন স্কুলের বাহিরে না থাকে। মঙ্গলবার সকালে রংপুর প্রাইমারী টিচার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারী মোকাবেলায় দীর্ঘ দেড় বছর স্কুল বন্ধ থাকাকালীন আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে ক্লাস করার সুযোগ করে দিয়েছিলাম। স্কুল খোলার পর থেকে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সাথে তাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানে আসতে শুরু করেছে। প্রাথমিকের শিক্ষকদের পরিচালনার দায়িত্ব কর্মকর্তাদের নিতে হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে সরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করে শিক্ষকদের মান-সম্মন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর অনেক সরকার এসেছে, কেউ প্রাথমিক শিক্ষা ও শিক্ষকদের মান বাড়ায়নি। প্রধানমন্ত্রী ২০১০ সালে ক্ষমতায় এসে এক সাথে ২৬ হাজারের অধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারী করেছেন। বর্তমানে বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীরা বই পাচ্ছে, উপবৃত্তি পাচ্ছে, শিক্ষা উপকরণ দেয়া হচ্ছে। মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক আসিব আহসানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, প্রাথমিক শিক্ষা রংপুর বিভাগীয় উপ-পরিচালক মুজাহিদুল ইসলাম, পিটিআইয়ের সুপারিনটেনডেন্ট খোন্দকার ইকবাল হোসেন, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদসহ অন্যরা।

শিক্ষার্থীদের স্কুলমূখী করতে শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাজ করতে হবে: রংপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
                                  

আঃ মতিন, রংপুর প্রতিনিধি : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এমপি বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শতকরা ৫ ভাগেরও কম শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের স্কুল মুখী করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রতিটি বিভাগ ও জেলায় গিয়ে মতবিনিময় করছে। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীরা যেন স্কুলের বাহিরে না থাকে। মঙ্গলবার সকালে রংপুর প্রাইমারী টিচার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারী মোকাবেলায় দীর্ঘ দেড় বছর স্কুল বন্ধ থাকাকালীন আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে ক্লাস করার সুযোগ করে দিয়েছিলাম। স্কুল খোলার পর থেকে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সাথে তাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানে আসতে শুরু করেছে। প্রাথমিকের শিক্ষকদের পরিচালনার দায়িত্ব কর্মকর্তাদের নিতে হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে সরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করে শিক্ষকদের মান-সম্মন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর অনেক সরকার এসেছে, কেউ প্রাথমিক শিক্ষা ও শিক্ষকদের মান বাড়ায়নি। প্রধানমন্ত্রী ২০১০ সালে ক্ষমতায় এসে এক সাথে ২৬ হাজারের অধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারী করেছেন। বর্তমানে বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীরা বই পাচ্ছে, উপবৃত্তি পাচ্ছে, শিক্ষা উপকরণ দেয়া হচ্ছে। মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক আসিব আহসানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, প্রাথমিক শিক্ষা রংপুর বিভাগীয় উপ-পরিচালক মুজাহিদুল ইসলাম, পিটিআইয়ের সুপারিনটেনডেন্ট খোন্দকার ইকবাল হোসেন, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদসহ অন্যরা।

অনার্সে ভর্তিতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক
                                  

বগুড়া অফিস : বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রায় সাড়ে চার হাজার আসনে ভর্তি হতে শত শত ছাত্রছাত্রী ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে ছুটছেন। তবে ৯০০ টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকা ব্যয় হওয়ায় দরিদ্র অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে অনুরোধ জানিয়েছেন। কলেজ সূত্র জানায়, গত ২ জুন ঢাকায় আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর গত ২৯ আগস্ট দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি স্কুল-কলেজের প্রধান ও মাঠপর্যায়ে শিক্ষা কর্মকর্তাদের চিঠি দেওয়া হয়। এ চিঠি অনেক প্রতিষ্ঠানে পৌঁছেনি। বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ কর্তৃপক্ষ চিঠি পেয়ে অনার্সে ভর্তিচ্ছুদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করেছে। এ কলেজে প্রায় সাড়ে চার হাজার ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হবে। তবে সরকারি শাহ সুলতান ও সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজে ডোপ টেস্ট ছাড়াই ভর্তি করা হচ্ছে। সরকারি শাহ সুলতান কলেজে এবার অনার্সে এক হাজার ৯২০ জন ও মহিলা কলেজে এক হাজার ১৪০ জন ছাত্রছাত্রী নেওয়া হবে। ভর্তির ক্ষেত্রে শাহ সুলতান কলেজে লিখিত ও মহিলা কলেজে মৌখিকভাবে অঙ্গীকারনামা নেওয়া হচ্ছে। এদিকে সরকারি আজিজুল হক কলেজে অনার্স ভর্তিচ্ছুরা ডোপ টেস্টের জন্য শহরের সরকারি, বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে ভিড় করছেন। ডোপ টেস্টের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯৫০ টাকা, সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ৯০০ টাকা ও বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে এক হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা চার্জ নেওয়া হচ্ছে। তবে ভর্তির সময় কম থাকায় অনেকে বাধ্য হয়ে বেশি খরচ করে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যাচ্ছেন। সেখানে গিয়েও তাদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে রক্ত ও প্রস্রাব দিতে হচ্ছে। বাড়তি টাকা খরচ করতে হওয়ায় দরিদ্র অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। ডোপ টেস্ট করতে আসা শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, অন্য কলেজে ডোপ টেস্ট করানো হচ্ছে না। অথচ আজিজুল হক কলেজে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক। হাতে সময় কম। তারপরও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে ডোপ টেস্ট করতে হচ্ছে। এক অভিভাবক জানান, ডোপ টেস্ট ভালো উদ্যোগ। তবে ফি বেশি হওয়ায় তার মতো অনেক অভিভাবককে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এছাড়াও সময় না থাকায় তাদের ভোগান্তি শিকার হতে হচ্ছে। বগুড়া সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বেল্লাল হোসেন জানান, তারা কোনো চিঠি না পাওয়ায় ডোপ টেস্ট ছাড়াই ভর্তি করছেন। তবে ছাত্রীদের কাছে পরবর্তীতে ডোপ টেস্ট রিপোর্ট জমা দিতে মৌখিকভাবে অঙ্গীকার করানো হচ্ছে।
সরকারি শাহ সুলতান কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আগামীতে ডোপ টেস্ট করতে বাধ্য থাকবে এমন লিখিত অঙ্গীকার নিয়েই শিক্ষার্থী ভর্তি করছেন। সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী জানান, সরকারি সিদ্ধান্তের কারণে শিক্ষার্থীদের ডোপ টেস্ট করানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, শুধু তারা নন; দেশের অনেক কলেজে ডোপ টেস্ট করিয়েই অনার্সে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে।

স্কুল-কলেজে সপ্তাহে একদিন ক্লাস হবে: শিক্ষা উপমন্ত্রী
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : স্কুল-কলেজ খোলার পর প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে একদিন ক্লাস নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী যে সুনির্দিষ্ট তারিখ দিয়েছেন, সে অনুযায়ী ক্লাস শুরু করতে পারবো বলে আশা করছি। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে একদিন করে ক্লাস নেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। তবে তা পরিবর্তন হতে পারে, হয়তো বা আরও বেশিদিন ক্লাস নিতে পারব। গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ইমারর্জেন্সি কেয়ার উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, এইচএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষা সশরীরে নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এটাই আপাতত লক্ষ্য। অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলবে। আগামীতে নতুন সিলেবাসের রূপরেখা দাঁড় করিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে নতুন সিলেবাসটা বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি। নওফেল বলেন, স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক চাপের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষাখাতে বেশ ক্ষতি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় অনলাইনে, অফলাইনে ও টেলিভিশনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখার চেষ্টা করেছি। প্রাথমিক, নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাসহ সব পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু এটা যথেষ্ট নয়। তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে প্রাথমিকভাবে আমাদের চিন্তা হচ্ছে, করোনার সংক্রমণ হার নিয়ন্ত্রণে রাখা। সংক্রমণ হার এখন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আছে। স্বাস্থ্যখাতের ওপর তেমন চাপ পড়ছে না।

দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে : দীপু মনি
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশের সব স্কুল কলেজ আগামী ১২ই সেপ্টেম্বর থেকে খুলে দেয়া হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি শুক্রবার তার নির্বাচনী এলাকায় এক স্কুলের উদ্বোধন করতে গিয়ে এ ঘোষণা দেন। তিনি পরে সাংবাদিকদের বলেন, "সব ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১২ই সেপ্টেম্বর থেকেই খুলে দেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।" কোভিড সংক্রান্ত পরামর্শক কমিটির সাথে গত রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের সাথে এক বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান। তিনি বলেন, কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় কমিটি ওই বৈঠকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে বলেছেন যে এ সিদ্ধান্তের ফলে মূলত প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ও মাদ্রাসাসহ সব ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই খুলে দেয়া হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ১৫ই অক্টোবর খুলে দেয়ার বিষয়ে আগেই সিদ্ধান্ত হলেও এখন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন যে শিক্ষার্থীদের এক ডোজ টিকা দেয়া এবং কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চাইলে নিজেরা নির্ধারিত সময়ের আগেই খুলে দেয়ার ব্যবস্থা করতে পারবে। গত বছর মার্চে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকে স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে বা সরাসরি ক্লাস বন্ধ রাখা হয়েছে। দীর্ঘ সময় স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কারণে শিক্ষার্থীদের যে ক্ষতি হচ্ছে, সে নিয়ে প্রশ্ন ক্রমেই জোরালো হচ্ছিণ। তবে গতকাল স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ঘোষণা করেছিলেন যে চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় এবং নার্সিং ইনস্টিটিউটগুলোয় আগামী ১৩ই সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীদের সশরীরে উপস্থিতির মাধ্যম্যে ক্লাশ শুরু হবে। এখন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না এলেও ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি সংক্রমণের হার কমে আসায় কোভিড কারিগরি পরামর্শক কমিটির সাথে আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি। মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেছেন এ সিদ্ধান্তের ফলে মূলত প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ও মাদ্রাসাসহ সব ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই খুলে দেয়া হবে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগেই পনের অক্টোবর খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হলেও, এখন মন্ত্রণালয় বলছে শিক্ষার্থীদের এক ডোজ টিকা দেয়ায় এবং কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চাইলে নিজেরা নির্ধারিত সময়ের আগেই তা খুলে দেয়ার ব্যবস্থা করতে পারবে।

শিক্ষাবোর্ডের রেজাল্ট আর্কাইভে ঢুকে সার্টিফিকেট জালিয়াতি, গ্রেপ্তার ৭
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের ডিজিটাল রেজাল্ট আর্কাইভে তথ্য পরিবর্তন করে জাল সার্টিফিকেট তৈরির অভিযোগে সাত জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে কৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীর নাম, জন্মতারিখ ও অন্যন্য তথ্য বদলে দিয়ে অকৃককার্য শিক্ষার্থীর জন্য জাল সনদ তৈরির অভিযোগ আছে। টাকার বিনিময়ে জাল সনদ তৈরির একটি ঘটনা সামনে আসার পর তদন্ত করে চক্রটির সন্ধান পায় পুলিশ। শুক্রবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর, রমনা ও চকবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর গোয়েন্দা সাইবার এন্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ। তারা হলেন— নূর রিমতি, মো. জামাল হোসেন, এ. কে. এম মোস্তফা কামাল, মো. মারুফ, ফারুক আহম্মেদ স্বপন, মাহবুব আলম ও মো. আবেদ আলী। তাদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি প্রবেশপত্র, সনদপত্র, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, নাম ও বয়স বদলের জন্য শিক্ষাবোর্ড বরাবর আবেদনপত্র, রেজাল্ট শিট ও খাম জব্দ করা হয়েছে। গতকাল দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ ব্রিফিংয়ে অভিনব এই জালিয়াতির বিষয়ে বিস্তারিত জানান অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার। ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে ডিবির কর্মকর্তা বলেন, ভিকটিম নূর তাবাসসুম সুলতানা ২০১৯ সালে ধানমন্ডি কামরুননেছা গভ. গার্লস হাই স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করে। জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করার জন্য শিক্ষা বোর্ডকে সে যে মোবাইল নম্বর দিয়েছিল গত ২১ আগস্ট তাতে একটি ক্ষুদে বার্তা আসে। ওই বার্তায় তার রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঠিক থাকলেও শিক্ষার্থীর নাম ও বাবা-মায়ের নাম এবং জন্ম তারিখ ভিন্ন দেখানো হয়। তখন তারা স্কুল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করে জানতে পারেন তার সনদপত্রে এই পরিবর্তনগুলো করা হয়েছে। এ ঘটনায় ধানমন্ডি মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। এ মামলার তদন্ত করে ডিবি। ঘটনার রহস্য উন্মোচনের ব্যাপারে ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, নূর রিমতি ২০১৯ সলে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়। কিন্তু তার ইতালি যাওয়ার জন্য এসএসসি পাশের সার্টিফিকেট প্রয়োজন ছিল। জাল সনদ তৈরির জন্য সে তার মামা মো. জামাল হোসেনের মাধ্যমে এ. কে. এম মোস্তফা কামালের সঙ্গে সাড়ে তিন লাখ টাকায় চুক্তিবদ্ধ হন। চুক্তি অনুযায়ী মোস্তফা কামাল শিক্ষা বোর্ডের দালাল মো. মারুফ, মাহবুব আলম, ফারুক আহম্মেদ স্বপন, মো. আবেদ আলীদের সাথে সমন্বয় করে নূর তাবাসসুমের জেএসসি এবং এসএসসির সব তথ্য সংগ্রহ করে। এরপর তারা শিক্ষার্থীর নাম, পিতার নাম, মাতার নাম সংশোধনের জন্য শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ফরমেটে আবেদন করেন।

সিংড়ায় গুগল মিটে ক্লাস করছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
                                  

আফরোজা ইয়াসমিন, নাটোর : কোভিট-১৯ পরিস্থিতিতে দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ দান বন্ধ থাকায় ক্ষতির মুখে পড়েছে শিক্ষা ব্যবস্থা। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমলমতি শির্ক্ষাথীরা পিছিয়ে পড়েছে সবচেয়ে বেশি। এমন পরিস্থিতিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় চলতি ২০২১ সালের মে মাস থেকে গুগল মিট ব্যবহার করে অনলাইন ভিত্তিক পাঠ দানের কার্যত্রম শুরু করেছেন নাটোরের সিংড়া উপজেলা শিক্ষা অফিস। র্স্মাট ফোন ব্যবহার করে ঘরে বসেই গুগল মিটে যুক্ত হয়ে ক্লাস করছে উপজেলার ২১০টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির প্রায় ৩শত শির্ক্ষাথী। উপজেলা শিক্ষা অফিস জানায়, ২১০টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১১১৫জন শিক্ষক কর্মরত আছেন এবং তাদের গুগল মিট প্রশিক্ষনের আওতায় এনে ৮টি ক্লাষ্টারের শিক্ষকদের ৪৫ থেকে ৫০টি সাব-এ ভাগ করে গুগল মিটে প্রতিনিয়ত পাঠ দান কার্যক্রম চলমান আছে। উপজেলার আয়েশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শির্ক্ষাথী হুজাইফার অভিভাবক মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন,স্কুল বন্ধ থাকায় আমার ছেলে পড়া লেখার মনযোগ হারিয়ে ফেলেছিল। গুগল মিটে নিয়মিত ক্লাস করায় এখন নিয়মিত পড়া লেখা করছেন। আমরা শিক্ষা অধিদপ্তরের এই কার্যক্রমকে স্বাগত জানাই।
পাকুড়িয়া সরকারী প্রাথমকি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও নাটোর জেলা এম্বাসেডর(এটুই) মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সিংড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসের তত্বাবধানে এটুআই কর্তৃক অনুমোদন পেয়ে নাটোর জেলায় প্রথম ২০২০ সালের জুন মাসে চলনবিল অনলাইন স্কুল ফেসবুক পেইজ থেকে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা হয়। বর্তমান গুগল মিটের পাশা পাশি চলনবিল অনলাইন স্কুলও চলমান আছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আলী আশরাফ বলেন, গুগল মিটে ৫ম শ্রেণির শির্ক্ষাথীদের পাঠ দান কার্যক্রম চলমান আছে। করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে যদি আরও দীর্ঘ সময় লাগে তাহলে পর্যায়ক্রমে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরও পাঠ দান কার্যক্রম শুরু করা হবে। পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক শির্ক্ষাথীদের হোম ওর্য়াক (বাড়ির কাজ) বিতরণ কার্যক্রম ৫ম সপ্তাহ পর্যন্ত হয়েছে। চলমান লকডাউনের বিধি নিষেধের কারনে বিতরণ কার্যক্রম শিথিল আছে। বিধি নিষেধ উঠানো হলে পুনরায় এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি ইউনিসেফ ইউনেসকোর
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে ক্লাস কার্যক্রম শুরু করতে আর অপেক্ষা না করে দ্রুত সময়ের মধ্যে স্কুল-কলেজ খোলার দাবি জানিয়েছেন ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর ও ইউনেসকোর মহাপরিচালক অড্রে অ্যাজুল। গতকাল সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে তাঁরা এ কথা জানান। বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর ১৮ মাস পেরিয়ে গেছে এবং লাখ লাখ শিশুর পড়াশোনা এখনো ব্যাহত হচ্ছে। ১৯টি দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে, যা ১৫ কোটি ৬০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এটা চলতে পারে না। বন্ধের ক্ষেত্রে স্কুলগুলো সবার শেষে এবং পুনরায় খোলার ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে থাকা উচিত।’ যৌথ বিবৃতিতে হেনরিয়েটা ফোর ও অড্রে অ্যাজুল বলেন ‘সংক্রমণ সীমিত পর্যায়ে রাখার প্রচেষ্টায় সরকার অনেক সময়ই স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে এবং দীর্ঘকাল ধরে সেগুলো বন্ধ রেখেছে। এমনকি মহামারিজনিত পরিস্থিতি, যখন এটা দাবি করে না তখনো। প্রায়শই এই ব্যবস্থাগুলো শেষ পদক্ষেপ হিসেবে নেওয়ার বদলে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে, স্কুলগুলো বন্ধ রাখা হলেও বার ও রেস্তোরাঁগুলো খোলা ছিল।’ তারা বলেন, ‘স্কুলে যেতে না পারার কারণে শিশু এবং তরুণ জনগোষ্ঠী যে ক্ষতির সম্মুখীন হবে তা হয়তো কখনোই পুষিয়ে নেওয়া যাবে না। শেখার ক্ষতি, মানসিক সংকট, সহিংসতা ও নির্যাতনের সম্মুখীন হওয়া থেকে শুরু করে স্কুলভিত্তিক খাবার ও টিকা না পাওয়া বা সামাজিক দক্ষতার বিকাশ কমে যাওয়া– শিশুদের ক্ষেত্রে তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি তাদের শিক্ষাগত অর্জন এবং সামাজিক সম্পৃক্ততায় এর প্রভাব পরিলক্ষিত হবে।’ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত যে, সংক্রমণের প্রধান চালিকাশক্তিগুলোর মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো নেই। এদিকে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রশমন কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে স্কুলগুলোতে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঝুঁকি সামাল দেওয়া সম্ভব। স্কুল খুলে দেওয়া বা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঝুঁকি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এবং যে কমিউনিটিতে স্কুল অবস্থিত সেখানকার মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনা করে নেওয়া উচিত।’ টিকা দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, ‘স্কুলগুলো পুনরায় চালুর ক্ষেত্রে সব শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর টিকা দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করা যায় না। বৈশ্বিক পর্যায়ে টিকা ঘাটতি নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে বিপর্যয়ের মুখে ফেলেছে। এ অবস্থায় টিকাদানের ক্ষেত্রে সম্মুখ সারির কর্মী ও মারাত্মক অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার প্রদান অব্যাহত থাকবে। স্কুলে প্রবেশের আগে টিকাদান বাধ্যতামূলক না করাসহ সব স্কুলের উচিত যত দ্রুত সম্ভব ব্যক্তিগতভাবে স্কুলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীরা যাতে কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে সে ব্যবস্থা করা।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বর্তমানের অস্পষ্ট সুবিধার জন্য, আমাদের ভবিষ্যৎকে স্কুল বন্ধ রাখার মাধ্যমে জিম্মি রাখা হচ্ছে। অগ্রাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই আরও বিবেচক হতে হবে। আমরা নিরাপদে যাতে স্কুলগুলো পুনরায় চালু করতে পারি সে বিবেচনা গ্রহণ করতে হবে।’

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত
                                  

সংসদ রিপোর্টার : করোনাভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণের সময়কালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবি অবান্তর বলে জাতীয় সংসদে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’ গতকাল বুধবার সংসদে বাজেট পাসের প্রক্রিয়ার সময় বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন ছাঁটাই প্রস্তাবের জবাব দিতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে, জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও গণফোরামের সদস্যরা ছাটাই প্রস্তাবের সময় বেশিরভাগ সংসদ সদস্য স্কুল খুলে দেওয়ার দাবি করেন। অবশ্য দু-একজন এর বিরোধিতাও করেন। সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিজ্ঞানকে অস্বীকার করে বৈশ্বিক সংকট করোনা অতিমারির মধ্যে আমরা চলতে পারি না।’ তিনি বলেন, ‘বিজ্ঞান বলছে, শতকরা ৫ শতাংশ বা তার কমে সংক্রমণের হার না নামা পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। বিজ্ঞান সম্মত নয়। এখন সংক্রমণের হার প্রায় ২৪ শতাংশ। কোনো কোনো জেলায় সংক্রমণ ৫০ শতাংশ বা তারও ঊর্ধ্বে। এই সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবি আদৌ যৌক্তিক কিনা, তা ভেবে দেখার দরকার আছে। কারণ এই সংসদ জাতির জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।’ দীপু মনি বলেন, ‘বিশ্বের উন্নত দেশগুলো বিভিন্ন সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার চেষ্টা করেছিল। তারা খোলার পর সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার পর আবারো বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘উন্নত দেশগুলোতে যেখানে শ্রেণীকক্ষে ২০-২৫ জনের শিক্ষার্থীর বেশি বসে না। আমাদের এখানে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা গায়ে গায়ে লেগে বসে থাকে। সেখানে খোলার প্রশ্নটা একেবারেই অবান্তর।’ শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বলা হয় শিশুদের ইমিউনিটি অনেক বেশি। শিশুরা কম সংক্রমিত হচ্ছে, এটা যেমন বলা হচ্ছে আবার বিজ্ঞান বলছে শিশুদের মাধ্যমে ছড়ানোর আশঙ্কা অনেক বেশি। তারা নিজেরা হয়তো আক্রান্ত হলে তাদের মধ্যে লক্ষণ হয়তো থাকবে না, কিন্তু বাড়িয়ে গিয়ে তাদের বাবা-মাসহ অন্যদের সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে। সেটা বিবেচনায় থাকতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সময় অভিভাবকদের সঙ্গে আমার কথা হয়। তাদের কেউ কেউ খুলে দেওয়ার কথা বললেও এসময় খোলা হলে তারা তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাবেন না বলে একবাক্যে জবাব দেন। তারা বলেন, সন্তানদের মেরে ফেলার জন্য পাঠাতে পারি না। তাদের বিভিন্নভাবে এক্সপ্রেশন প্রকাশ করেন।’
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা খুব শিগগিরই জানাব। কী পদ্ধতি আমরা করব, সবকিছুই আমরা জানাব। তবে, শিক্ষার্থী অভিভাবকসহ সবাইকে বলব উদ্বিগ্ন হবেন না। বৈশ্বিক সংকট চলছে। এই সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সব ক্ষেত্রে সেভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। একইভাবে শিক্ষাক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত হবে। এটি সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। অবশ্যই আমরা প্রজ্ঞা, জ্ঞানের সব কিছু প্রয়োগ করে সিদ্ধান্ত নেব।’
মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন সারাবিশ্বেই ব্যত্যয় ঘটেছে। আমাদের এখানেও কিছুটা ঘটেছে। কিন্তু, তাদের যাতে দীর্ঘ মেয়াদে কোনো ক্ষতি না হয়ে যায়, তার জন্য সর্বোচ্চ নজর রাখছি। কেভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির পরামর্শ গ্রহণ করেই আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকি।’

চাকরি নয়, নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, সরকার বিভিন্ন স্থানে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দিয়েছে। ভবিষ্যতে সকল জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে। অনেক সংশয়ের মধ্যে বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হলেও ইতোমধ্যে সেই সংশয় মিথ্যা প্রমাণিত করে নিজেদের প্রমাণ দিয়েছে। আগামীতে তারাও বিশ্ব র‍্যাংকিংয়ে স্থান পাবে সেই বিশ্বাস আমাদের আছে। শনিবার গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর অনলাইনে ৪র্থ সমাবর্তনে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। সমাবর্তনে ডা. দীপু মনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে ডিগ্রি নেওয়ার পর শুধু চাকরির জন্য ঘুরবেন, এটা যেন না হয়। নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। অন্যের চাকরির উৎস হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।’
সমাবর্তনে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ, গ্রিন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ গোলাম সামদানী ফকির, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ ফায়জুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, রূপকল্প ২০৪১ ছাড়াও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের নতুন নতুন দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা তাতে নিঃসন্দেহে বড় সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শুধু চাকরির চিন্তা করলে চলবে না। নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চিন্তাও রাখতে হবে। জ্ঞানার্জনের পথ কখনও শেষ হয় না। নিজের জানার পথ সব সময় খোলা রাখতে হবে। পরিস্থিতি ভালো কিংবা খারাপ হোক, নিজের শিক্ষার দ্বার সব সময় চালু রাখতে হবে। কারণ, মানুষের শিক্ষার সিংহভাগই প্রতিষ্ঠানের বাইরে থেকে অর্জিত হয়।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন অটোপাস
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শর্ত সাপেক্ষে দ্বিতীয় বর্ষে প্রমোশন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। যেসব শিক্ষার্থী ২০২০ সালে অনার্স প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন, তাদেরকে শর্ত সাপেক্ষে দ্বিতীয় বর্ষে প্রমোশন দিয়ে ক্লাস করার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।
কভিড-১৯ মহামারীর কারণে পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা এ সুযোগ পাচ্ছেন। গতকাল বুধবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২০ সালে অনার্স প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নিতে সর্বমোট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩৫ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেন। এদের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থী সংখ্যা ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬২৬ জন, অনিয়মিত ১৯ হাজার ৫০ জন। আর মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৫১ হাজার ১৫৯ জন।
এদের মধ্যে দ্বিতীয় বর্ষে প্রমোশন পাবেন ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিল ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৮৭৬ জন শিক্ষার্থী। প্রমোশন পেতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শর্ত হলো- পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এই শিক্ষার্থীদেরকে অবশ্যই প্রথম বর্ষের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। কেউ যদি এই পরীক্ষায় অংশ না নেয় বা পরীক্ষায় অংশ নিয়ে রেগুলেশন অনুযায়ী ‘নট প্রমোটেড’ হয় সেক্ষেত্রে তাকে দেয়া প্রমোশন বাতিল হয়ে যাবে।

সহসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলার কোন ইঙ্গিত মিলছে না
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : শিগগিরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হচ্ছে না, এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। গতকাল মঙ্গলবার কেরানীগঞ্জ জাজিরা মোহাম্মদিয়া আলীম মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। কবে নাগাদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গত বছরের শেষে ও এ বছরের শুরুতে সংক্রমণের হার কমিয়ে আনতে পেরেছিলাম। করোনা সংক্রমণ এখন ঊর্ধ্বগামী। যেখানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৫ শতাংশের নিচে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। কিন্তু এখন তো অনেক বেশি। সংক্রমণের যে ঊর্ধ্বগতি আপনারাই বলেন এই পরিস্থিতি কীভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা যায়।’ তিনি জানান, সংক্রমণের হার ১৩ শতাংশের বেশি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সময় জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কী করে বলবো বলেন। আমাদের কারো পক্ষে বলা সম্ভব না। আমরা আশা করেছিলাম, মার্চ মাসে খুলে দেবো। প্রতিদিন সিনারিও চেঞ্জ হচ্ছে। লকডাউন মানলে সংক্রমণ কমবে। আমরা তো মানিছি না, আর মানছি না বলেই বার বার খারাপের দিকে যাচ্ছে।’ শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বলবো পড়াশোনা থেকে দূরে সরে যাবেন না। পরীক্ষা যদি না হয় তাহলে পরের ক্লাসে তো উঠতে হবে। তাই পড়া ছেড়ে দিলে হবে না।’ অভিভাবকেদর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ভয়ংকর ভিডিও গেমস রয়েছে, মাদক সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং রয়েছে; বাবা-মায়েরা দেখবেন, এগুলোর সঙ্গে কিশোরা যেন না জড়ায়। বাবা-মা সব সময় দেখেন। এই সময় যেন একটু বেশি গুরুত্ব দেন।’ শিক্ষার্থীদের টিকা প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মেডিক্যাল শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়া হবে। এবার তো উপহারের ৬ লাখ টিকা এসেছে। এর মধ্যে আরও আসছে। জুন থেকে আবাসিক শিক্ষার্থীদের টিকা পাওয়ার কথা।’ সব শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ’আগে আবাসিক শিক্ষার্থীদের দিয়ে তারপর সবাইকে দেবো।’

শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায়
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : পাঠ্যপুস্তকের আদলে নোট-গাইড নিষিদ্ধ করে ‘শিক্ষা আইন ২০২০’-এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই খসড়া অনুমোদনের জন্য শিগগিরই মন্ত্রিপরিষদে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। গতকাল বুধবার ‘চাইল্ড পার্লামেন্টে সেশন ২০২১’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি একথা জানান। চাইল্ড পার্লামেন্টের উত্থাপিত এক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে শিক্ষামন্ত্রী জানান, আমরা শিক্ষা আইন দীর্ঘদিন ধরে করার চেষ্টা করছি। সেই শিক্ষা আইনের খসড়াটি করোনাকালেই চূড়ান্ত করেছি। এখন সেটি মন্ত্রিপরিষদে যাবে। এরপর আরও কয়েকটি প্রক্রিয়া আছে সেগুলো সম্পন্ন করে পার্লামেন্টে যাবে। সংসদে পাস হয়ে গেলে আমরা আইনটি বাস্তবায়ন করতে পারব। এ সময় মন্ত্রী চাইল্ড পার্লামেন্টে বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও সমস্যা সমাধানের বিষয় তুলে ধরেন। চাইল্ড পার্লামেন্টে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দীপু মনি বলেন, অন্যের জরিপ নয়, নিজেরা জরিপ করে প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরতে হবে। সমস্যা সমাধানের জন্য সুপারিশ করতে হবে। অনুষ্ঠানে চাইল্ড পার্লামেন্টে উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক। উল্লেখ্য, সরকার শিক্ষা আইনে শিক্ষার্থীদের জন্য সব ধরনের নোট এবং গাইড নিষিদ্ধের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে সরকারের অনুমতি নিয়ে সহায়ক বই প্রকাশ করা যাবে। এছাড়া শিক্ষকরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট, কোচিং করাতে পারবেন না। তবে ফ্রিল্যান্সিং কোচিংয়ে বাধা থাকবে না। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলাকালীন কোচিংয়ে যেতে পারবেন না।

বিশ্বের ৮শ’ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় নেই ঢাবি, বুয়েট ব্র্যাক বা নর্থ সাউথ
                                  

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার : যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান কোয়াককোয়ারেল সাইমন্ডস (কিউএস) বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‍্যাঙ্কিং ২০২২ প্রকাশ করেছে। তাতে প্রথম ৮০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট), ব্র্যাক বা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অবস্থান নেই। এ ছাড়া, শীর্ষ ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় ভারতের আটটি ও পাকিস্তানের তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।
গত বছরের মতো এই বছরের তালিকাতেও দেশের শীর্ষ দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৮০১ থেকে ১০০০ এর মধ্যে রয়েছে। কিউএস তাদের তালিকায় ৫০০ এর পরে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান সুনির্দিষ্ট করে উল্লেখ করেনি।
একাডেমিক খ্যাতি, চাকরির বাজারে সুনাম, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, শিক্ষকপ্রতি গবেষণা-উদ্ধৃতি, আন্তর্জাতিক শিক্ষক অনুপাত ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অনুপাতের ভিত্তিতে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‍্যাঙ্কিং করে প্রতিষ্ঠানটি।
২০১২ সালে কিউএস’র তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ছিল ৬০১ এর মধ্যে। ২০১৪ সালে তা পিছিয়ে ৭০১তম অবস্থানের পরে চলে যায়। ২০১৯ সালে তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান আরও পেছনের দিকে চলে যায়।
দেশের শীর্ষ দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি কিউএস’র তালিকায় ১০০১ থেকে ১২০০তম অবস্থানের মধ্যে রয়েছে।
গত ১০ বছরের মতো এবারও তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)। এ ছাড়া, ২০২২ সালের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে রয়েছে ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজ ও হার্ভাড ইউনিভার্সিটি। গত বছরের মতো এবারের তালিকাতেও বিশ্বের ১০০টি সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় এশিয়ার ২৬টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এশিয়ার শীর্ষ দুটি বিশ্ববিদ্যালয় হলো, সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর ও নানিয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি। তালিকায় এদের অবস্থান যথাক্রমে ১১তম ও ১২তম।

পরিস্থিতি বুঝে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেবে সরকার
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আমরা চাই, কোনো শিক্ষার্থী যেন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে না পড়ে। গতকাল রোববার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে রাখতে হচ্ছে। সংক্রমণ পাঁচ শতাংশের নিচে না আসা পর্যন্ত বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’ চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। আজ রোববার দিবাগত রাত থেকে আগামী ৬ জুন পর্যন্ত এই লকডাউন বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সমন্বয় অধিশাখার উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে আজ রোববার এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের সব বিধিনিষেধ আরোপের সময়সীমা আজ ৩০ মে মধ্যরাত থেকে আগামী ৬ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো। এর আগে করোনার সংক্রমণ রোধে সারা দেশের চলমান বিধিনিষেধ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর কথা বলেছিলেন জাতীয় পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। ডা. মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ বলেছিলেন, ‘দেশে করোনা সংক্রমণ এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ভারতীয় ভেরিয়্যান্টও ধরা পড়ছে এলাকাভেদে। সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বিবেচনায় যানবাহন চলাচল ও মানুষের কার্যক্রমের ওপর চলমান বিধিনিষেধ আরও বাড়ানো যেতে পারে।’

অনুকূল অবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে ১৩ জুন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : করোনাভাইরাস পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে আগামী ১৩ জুন থেকে দেশের সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেওয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। গতকাল বুধবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পর প্রথমে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আগে ক্লাস শুরু হবে। এ ছাড়া ষষ্ঠ থেকে নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে একদিন করে ক্লাস নেওয়া হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে পূর্ণাঙ্গভাবে ক্লাস শুরু হবে বলেও জানান তিনি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আগামী ১২ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। আমাদের সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জি এম হাসিবুল আলম।

দেশের ৫৯ লাখ শিক্ষার্থী শিক্ষা ঝুঁকিতে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : করোনা মহামারির কারণে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় দেশের ৫৯ লাখ ২০ হাজার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থী ন্যূনতম শিক্ষা থেকেও বঞ্চিত। পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) এবং ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) যৌথ গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। সমীক্ষার ফলাফলে বলা হয়েছে, ৫১ শতাংশ প্রাথমিক ও ৬১ শতাংশ মাধ্যমিক শিক্ষার্থী পড়াশোনার ক্ষতি এড়াতে কোচিং ও গৃহশিক্ষকের মাধ্যমে পড়ালেখা চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। এতে আরও বলা হয়, মহামারিতে শিক্ষার ব্যয় গ্রামীণ পরিবারে ১১ গুণ ও শহুরে পরিবারে ১৩ গুণ বেড়েছে। মহামারিতে দেশে দারিদ্র্যের রূপ কিভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে তা জানতে পিপিআরসি এবং বিআইজিডি যৌথভাবে দেশজুড়ে তিন ধাপে টেলিফোন জরিপ করে। ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত এটি করা হয়। এই গবেষণার তৃতীয় ধাপের দ্বিতীয় অংশ হলো -কোভিড ইমপ্যাক্ট অন এডুকেশন লাইফ অব চিলড্রেন। আজ গবেষণার ফলাফল যৌথভাবে উপস্থাপন করেন পিপিআরসি-র চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এবং বিআইজিডি-র নির্বাহী পরিচালক ড. ইমরান মতিন। হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, বিশেষ করে দরিদ্র দেশের ৫৯ লাখ শিক্ষার্থী শিক্ষা পরিবারগুলোর ওপর আরও বেশি অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করছে। ছাত্রদের পড়ালেখার যে ক্ষতির কথা সমীক্ষায় উঠে এসেছে বাস্তবে ক্ষতি হয়েছে তার চেয়েও বেশি। তাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে তারা ড্রপআউটের ঝুঁকিতে পড়বে।
ইমরান মতিন বলেন, স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের একটি অংশের পড়ালেখা ঝুঁকিতে আছে। স্কুল খোলার পর শিক্ষার্থীরা যেন তাদের এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারে তার জন্য অবশ্যই ব্যবস্থা রাখতে হবে।


   Page 1 of 71
     শিক্ষা
শিক্ষার্থীদের স্কুলমূখী করতে শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাজ করতে হবে: রংপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
.............................................................................................
অনার্সে ভর্তিতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক
.............................................................................................
স্কুল-কলেজে সপ্তাহে একদিন ক্লাস হবে: শিক্ষা উপমন্ত্রী
.............................................................................................
দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে : দীপু মনি
.............................................................................................
শিক্ষাবোর্ডের রেজাল্ট আর্কাইভে ঢুকে সার্টিফিকেট জালিয়াতি, গ্রেপ্তার ৭
.............................................................................................
সিংড়ায় গুগল মিটে ক্লাস করছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি ইউনিসেফ ইউনেসকোর
.............................................................................................
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
চাকরি নয়, নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন অটোপাস
.............................................................................................
সহসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলার কোন ইঙ্গিত মিলছে না
.............................................................................................
শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায়
.............................................................................................
বিশ্বের ৮শ’ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় নেই ঢাবি, বুয়েট ব্র্যাক বা নর্থ সাউথ
.............................................................................................
পরিস্থিতি বুঝে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেবে সরকার
.............................................................................................
অনুকূল অবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে ১৩ জুন
.............................................................................................
দেশের ৫৯ লাখ শিক্ষার্থী শিক্ষা ঝুঁকিতে
.............................................................................................
খুলনার সিনিয়র শিক্ষক মওলানা আব্দুস সাত্তার আর নাই
.............................................................................................
মারাত্মক স্বাস্ব্যঝুঁকির মধ্যে হয়ে গেলো এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা
.............................................................................................
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরীক্ষা বন্ধ রাখার সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
.............................................................................................
গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি আবেদন ১লা এপ্রিল থেকে
.............................................................................................
শিক্ষামন্ত্রী ও তদন্ত কমিটির বিষয়ে কলিমউল্লাহর বক্তব্য মিথ্যা: ইউজিসি
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয়ের নোংরা শিক্ষক রাজনীতির শিকার আমি
.............................................................................................
ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে
.............................................................................................
ঢাবির হলের তালা ভেঙে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু ২৪ মে থেকে
.............................................................................................
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আরেক দফা ছুটি ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত
.............................................................................................
অটোপাসেও সন্তষ্ট নন প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী
.............................................................................................
এমপিওভুক্ত ৫৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তুতি চলছে
.............................................................................................
একযোগে ৪৬ সরকারি কলেজে নতুন অধ্যক্ষ
.............................................................................................
বশেমুরবিপ্রবি প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি; সভাপতি লিটু, সাধারণ সম্পাদক আলিফ
.............................................................................................
উচ্চশিক্ষায় আসনের কোনো সঙ্কট নেই : ইউজিসি
.............................................................................................
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত ১৩৪ মামলা আদালতে বিচারাধীন
.............................................................................................
ঢাবির বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সামিয়া রহমান
.............................................................................................
এইচএসসির ফল প্রকাশে সংশোধিত আইনের গেজেট জারি
.............................................................................................
এসএসসির পাঠ্যসূচি কমিয়ে সিলেবাস প্রকাশ
.............................................................................................
মাধ্যমিকে পদোন্নতি পাচ্ছেন ৬ হাজার শিক্ষক
.............................................................................................
ভর্তি ফি ছাড়া অন্য কোনো ফি নেয়া যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
সমালোচনার মুখে ঢাবির সান্ধ্য এমবিএ কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত
.............................................................................................
টিউশন ফি ছাড়া অন্য খাতে টাকা নিতে পারবে না বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল
.............................................................................................
শিক্ষা ব্যবস্থায় আনন্দ নিয়ে আসতে চাই : ডা. দীপু মনি
.............................................................................................
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ল
.............................................................................................
পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি পাচ্ছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
.............................................................................................
মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল
.............................................................................................
মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত বুধবার
.............................................................................................
এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল
.............................................................................................
আবারো বাড়লো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি
.............................................................................................
বৌদ্ধবিহারে বিশ্ববিদ্যালয় পুন:প্রতিষ্ঠার দাবি
.............................................................................................
একাদশে ভর্তি শুরু, ক্লাস হবে অনলাইনে
.............................................................................................
প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলতে প্রস্তুতি শুরুর নির্দেশ
.............................................................................................
বিদ্যালয় খোলা না গেলে অটােপাশের ইঙ্গিত
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop