| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > ইবি ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি   > ‘ভোটে বিচ্যুতি হলে সরকার হটানোর আন্দোলন’   > পর্দা নয় এবার বাস্তবে বাংলাদেশি ‘ভাইজান’কে দেখল ভারতবাসী!   > সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে : প্রধানমন্ত্রী   > মেডিকেল শিক্ষার্থীর দায়বদ্ধতা রয়েছে জনগণের কাছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী   > হেলিকপ্টার থেকে প্রধানমন্ত্রীর মোবাইলে পদ্মা সেতুর ছবি   > পাকিস্তানের জয়ের পর শোয়েব মালিকের টুইটবার্তা   > সীমান্ত হত্যা: বিএসএফের `গরু পাচার` যুক্তি মানছে না বিজিবি   > ১৩ অভিজাত ক্লাবে জুয়ার বিষয়ে রায় আগামী ২৮ জানুয়ারি   > মুজিববর্ষে বিএসএমএমইউতে বিনামূল্যে চিকিৎসা  

   বিশেষ খবর -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে সংখ্যালঘুরা নির্বাচন করতে পারে না?

 

 ডেস্ক রিপোর্ট :ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধন আইনকে ঘিরে দেশজুড়ে তুমুল প্রতিবাদ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনটির পক্ষে ব্যাপক যুক্তি দিয়ে চলেছেন।

গত শনিবার কর্ণাটকের হুবলিতে এক সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন,

"আফগানিস্তানে বুদ্ধ মূর্তিকে টুকরো করা হয়েছে কামান দিয়ে।

হিন্দু ও শিখ সংখ্যালঘুদের আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে নির্বাচনে অংশ নেয়ার অধিকার দেয়া হয়নি,

তাদের স্বাস্থ্যসেবার অধিকার নেই, শিক্ষার সুযোগ নেই।

হিন্দু, শিখ, জৈন,বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানরা ভারতের এসে আশ্রয় প্রার্থনা করেছে"।

আসলে নিজেদের করা আইনের পক্ষে বলতে গিয়ে অমিত শাহ প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন আফগানিস্তান,

পাকিস্তান ও বাংলাদেশে শিখ ও হিন্দুরা কিভাবে নির্যাতনের শিকার হয় ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়।

কিন্তু আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ভোট দেয়া বা নির্বাচনে দাঁড়ানোর অধিকার নেই?

পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের নির্বাচনী অধিকার

পাকিস্তানের সংবিধানের আর্টিক্যাল ৫১(২-এ) অনুযায়ী জাতীয় পরিষদের দশটি আসন সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত।

মোট ৩৪২টি আসনের মধ্যে ২৭২টিতে সরাসরি ভোট হয় সেখানে।

আর দশটি সংখ্যালঘুদের জন্য ও ৬০টি নারীদের জন্য।

দুভাবে সংখ্যালঘুদের পার্লামেন্টে যাওয়ার সুযোগ আছে পাকিস্তানে।

১. দশ সংরক্ষিত আসন দলগুলোর মধ্যে আসন অনুপাতে ভাগ হয়।

দলগুলো নিজেরা প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে তাদের সংসদে পাঠায়।

২. আরেকটি উপায় হলো সংখ্যালঘু যে কেউ সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।

সেখানে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ আছে।

নিজের আসনে যে কাউকে ভোট দিতে পারে সেখানকার সংখ্যালঘুরা। ভোটের অধিকারও সবার জন্য সমান।

এমনটি দেশটির সংবিধানেও সংখ্যালঘুদের প্রতি সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

তাই বলা যায় শুধু সংরক্ষিত আসনেই না, অন্য আসনেও চাইলে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে।

২০১৮ সালের নির্বাচনে মহেশ মালানি, হরিরাম কিশোয়ারি লাল ও

জ্ঞান চাদ আসরানি সরাসরি আসনে নির্বাচন করেছিলেন পার্লামন্টে ও

প্রাদেশিক পরিষদে এবং তারা পার্লামেন্টে গিয়েছিলেন।

হিন্দু ও শিখদের নির্বাচনী অধিকার কতটা আফগানিস্তানে?

দীর্ঘদিন ধরে গৃহযুদ্ধ ও সহিংসতা মোকাবেলা করছে আফগানিস্তান। এখানেই ভিত্তি গড়েছিলো আল কায়েদা।

২০০২ সালে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর হামিদ কারজাই প্রথম রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন।

এরপর ২০০৫ সালে নির্বাচন হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসেবে দেশটির জনসংখ্যা ৩ কোটি ৭০ লাখ।

এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হেসেবে হিন্দু ও শিখ সংখ্যালঘু মাত্র এক থেকে দেড় হাজার।

সংসদের নিম্নকক্ষে ২৪৯টি আসন আছে যেখানে প্রার্থীরা সরাসরি নির্বাচিত হন।

সংখ্যালঘুরা তাতে অংশ নিতে পারেন।

তবে সেখানে নির্বাচন করতে একজন প্রার্থীকে ৫ হাজার ব্যক্তিকের সমর্থন দেখাতে হয় মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়েই।

এই আইন সবার জন্য সমান তবে সংখ্যালঘু কারও এতো মানুষের সমর্থন যোগাড় করা কঠিন।

২০১৪ সালে আশরাফ গনির সরকার হিন্দু শিখদের জন্য সংসদের নিম্নকক্ষে একটি আসন সংরক্ষণ করে।

সেসময় নারিন্দার পাল সিং সংসদে এসেছিলেন।

এর বাইরে উচ্চকক্ষেও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য আসন সংরক্ষিত আছে।

এখন দুজন এমপি আছেন সেখানে। প্রেসিডেন্ট তাদের মনোনীত করেছেন।

এর বাইরে সংখ্যালঘুরা নিজ আসনে যাকে খুশী ভোট দিতে পারেন।

তারা যে কোনো জায়গায় নির্বাচনও করতে পারেন যদিও ৫ হাজার লোকের সমর্থন যোগাড় করতে পারেন।

 বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নির্বাচন করতে পারেন

সংসদে সংখ্যালঘুদের জন্য কোনো আসন সংরক্ষিত নেই কিন্তু নারীদের জন্য ৫০টি আসন আছে।

বাংলাদেশের পার্লামেন্টে ৩৫০ আসনের মধ্যে ৫০টি সংরক্ষিত নারীদের জন্য।

২০১৮ সালের নির্বাচনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৭৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জন নির্বাচিত হয়েছেন।

এর আগের সংসদেও সম সংখ্যক সংখ্যালঘু এমপি ছিলেন।

সংরক্ষিত আসন: ভারত ও পাকিস্তানে কতটা পার্থক্য

ভারতের সংবিধান অনুযায়ী নিম্নবর্ণের ও উপজাতীয়দের জন্য লোকসভা ও রাজ্যসভায় আসন সংরক্ষনের বিধান আছে।

লোকসভার ৫৪৩ আসনের মধ্যে ৭৯টি নিম্নবর্ণের ও ৪১টি টি উপজাতীয়দের।

রাজ্য সভাগুলোতে ৩ হাজার ৯৬১ টি আসনের মধ্যে এগুলো আছে যথাক্রমে ৫৪৩ ও ৫২৭।

এসব আসনে প্রার্থীও হবেন এ দুটি গোষ্ঠী থেকে।

এর মানে হলো ভারতে সংরক্ষিত আসন নির্দিষ্ট শ্রেণীর জন্য, তবে ভোট দিতে পারবে সবাই।

দলগুলো প্রার্থী মনোনয়ন দেয় কিন্তু তাদের নির্বাচিত হওয়া নির্ভর করতে সবার ভোটের ওপর।

বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে সংখ্যালঘুরা নির্বাচন করতে পারে না?
                                  

 

 ডেস্ক রিপোর্ট :ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধন আইনকে ঘিরে দেশজুড়ে তুমুল প্রতিবাদ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনটির পক্ষে ব্যাপক যুক্তি দিয়ে চলেছেন।

গত শনিবার কর্ণাটকের হুবলিতে এক সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন,

"আফগানিস্তানে বুদ্ধ মূর্তিকে টুকরো করা হয়েছে কামান দিয়ে।

হিন্দু ও শিখ সংখ্যালঘুদের আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে নির্বাচনে অংশ নেয়ার অধিকার দেয়া হয়নি,

তাদের স্বাস্থ্যসেবার অধিকার নেই, শিক্ষার সুযোগ নেই।

হিন্দু, শিখ, জৈন,বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানরা ভারতের এসে আশ্রয় প্রার্থনা করেছে"।

আসলে নিজেদের করা আইনের পক্ষে বলতে গিয়ে অমিত শাহ প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন আফগানিস্তান,

পাকিস্তান ও বাংলাদেশে শিখ ও হিন্দুরা কিভাবে নির্যাতনের শিকার হয় ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়।

কিন্তু আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ভোট দেয়া বা নির্বাচনে দাঁড়ানোর অধিকার নেই?

পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের নির্বাচনী অধিকার

পাকিস্তানের সংবিধানের আর্টিক্যাল ৫১(২-এ) অনুযায়ী জাতীয় পরিষদের দশটি আসন সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত।

মোট ৩৪২টি আসনের মধ্যে ২৭২টিতে সরাসরি ভোট হয় সেখানে।

আর দশটি সংখ্যালঘুদের জন্য ও ৬০টি নারীদের জন্য।

দুভাবে সংখ্যালঘুদের পার্লামেন্টে যাওয়ার সুযোগ আছে পাকিস্তানে।

১. দশ সংরক্ষিত আসন দলগুলোর মধ্যে আসন অনুপাতে ভাগ হয়।

দলগুলো নিজেরা প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে তাদের সংসদে পাঠায়।

২. আরেকটি উপায় হলো সংখ্যালঘু যে কেউ সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।

সেখানে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ আছে।

নিজের আসনে যে কাউকে ভোট দিতে পারে সেখানকার সংখ্যালঘুরা। ভোটের অধিকারও সবার জন্য সমান।

এমনটি দেশটির সংবিধানেও সংখ্যালঘুদের প্রতি সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

তাই বলা যায় শুধু সংরক্ষিত আসনেই না, অন্য আসনেও চাইলে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে।

২০১৮ সালের নির্বাচনে মহেশ মালানি, হরিরাম কিশোয়ারি লাল ও

জ্ঞান চাদ আসরানি সরাসরি আসনে নির্বাচন করেছিলেন পার্লামন্টে ও

প্রাদেশিক পরিষদে এবং তারা পার্লামেন্টে গিয়েছিলেন।

হিন্দু ও শিখদের নির্বাচনী অধিকার কতটা আফগানিস্তানে?

দীর্ঘদিন ধরে গৃহযুদ্ধ ও সহিংসতা মোকাবেলা করছে আফগানিস্তান। এখানেই ভিত্তি গড়েছিলো আল কায়েদা।

২০০২ সালে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর হামিদ কারজাই প্রথম রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন।

এরপর ২০০৫ সালে নির্বাচন হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসেবে দেশটির জনসংখ্যা ৩ কোটি ৭০ লাখ।

এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হেসেবে হিন্দু ও শিখ সংখ্যালঘু মাত্র এক থেকে দেড় হাজার।

সংসদের নিম্নকক্ষে ২৪৯টি আসন আছে যেখানে প্রার্থীরা সরাসরি নির্বাচিত হন।

সংখ্যালঘুরা তাতে অংশ নিতে পারেন।

তবে সেখানে নির্বাচন করতে একজন প্রার্থীকে ৫ হাজার ব্যক্তিকের সমর্থন দেখাতে হয় মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়েই।

এই আইন সবার জন্য সমান তবে সংখ্যালঘু কারও এতো মানুষের সমর্থন যোগাড় করা কঠিন।

২০১৪ সালে আশরাফ গনির সরকার হিন্দু শিখদের জন্য সংসদের নিম্নকক্ষে একটি আসন সংরক্ষণ করে।

সেসময় নারিন্দার পাল সিং সংসদে এসেছিলেন।

এর বাইরে উচ্চকক্ষেও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য আসন সংরক্ষিত আছে।

এখন দুজন এমপি আছেন সেখানে। প্রেসিডেন্ট তাদের মনোনীত করেছেন।

এর বাইরে সংখ্যালঘুরা নিজ আসনে যাকে খুশী ভোট দিতে পারেন।

তারা যে কোনো জায়গায় নির্বাচনও করতে পারেন যদিও ৫ হাজার লোকের সমর্থন যোগাড় করতে পারেন।

 বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নির্বাচন করতে পারেন

সংসদে সংখ্যালঘুদের জন্য কোনো আসন সংরক্ষিত নেই কিন্তু নারীদের জন্য ৫০টি আসন আছে।

বাংলাদেশের পার্লামেন্টে ৩৫০ আসনের মধ্যে ৫০টি সংরক্ষিত নারীদের জন্য।

২০১৮ সালের নির্বাচনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৭৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জন নির্বাচিত হয়েছেন।

এর আগের সংসদেও সম সংখ্যক সংখ্যালঘু এমপি ছিলেন।

সংরক্ষিত আসন: ভারত ও পাকিস্তানে কতটা পার্থক্য

ভারতের সংবিধান অনুযায়ী নিম্নবর্ণের ও উপজাতীয়দের জন্য লোকসভা ও রাজ্যসভায় আসন সংরক্ষনের বিধান আছে।

লোকসভার ৫৪৩ আসনের মধ্যে ৭৯টি নিম্নবর্ণের ও ৪১টি টি উপজাতীয়দের।

রাজ্য সভাগুলোতে ৩ হাজার ৯৬১ টি আসনের মধ্যে এগুলো আছে যথাক্রমে ৫৪৩ ও ৫২৭।

এসব আসনে প্রার্থীও হবেন এ দুটি গোষ্ঠী থেকে।

এর মানে হলো ভারতে সংরক্ষিত আসন নির্দিষ্ট শ্রেণীর জন্য, তবে ভোট দিতে পারবে সবাই।

দলগুলো প্রার্থী মনোনয়ন দেয় কিন্তু তাদের নির্বাচিত হওয়া নির্ভর করতে সবার ভোটের ওপর।

সীমান্তে বিএসএফ-এর গুলিতে গত দুইদিনে বাংলাদেশি নিহত-৫
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :বাংলাদেশের সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে গত দুইদিনে অন্তত পাঁচজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ভোরে উত্তরাঞ্চলীয় নওগাঁর পোরশা উপজেলার দুয়ারপাল সীমান্তে গোলাগুলিতে

ওই তিনজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি।

এতে আরও তিনজন বাংলাদেশি আহত হয়েছে বলেও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে।

তারা বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

পুরো ঘটনার খতিয়ে দেখে বিজিবি পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছেন বিজিবির একজন ক্যাম্প কমান্ডার মোখলেসুর রহমান।

জানা যায়, আজ ভোরের দিকে ২০/২৫ জন বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ী ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফিরছিল।

এ সময় ভারতীয় সীমান্তে কেদারিপাড়া ক্যাম্পের বিএসএফ জওয়ানরা তাদেরকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে।

এতে ভারতীয় সীমান্তের ভেতরেই তিন জন নিহত হন।

স্থানীয়রা দাবি করছেন তারা গরু ব্যবসার সাথে জড়িত।

তবে বিএসএফ বিভিন্ন সময়ে বলেছে, সীমান্তে নানা সময়ে যারা গুলিতে নিহত হয়,

মূলত তারা গরু পাচার ও চোরাকারবারের সাথে জড়িত থাকে।

এর আগে গতকাল, লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে বিএসএফ`এর গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার ভোরে ভারত থেকে গরু নিয়ে ফেরার পথে উপজেলার বনচৌকি সীমান্তের কাছে

এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন লালমনিরহাট –

১৫ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম তৌহিদুল আলম।

এই ঘটনায় প্রতিবাদপত্র পাঠিয়ে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।

গত এক বছরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে দেশটির সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিএসএফ`র হাতে

বাংলাদেশিদের প্রাণহানির সংখ্যা তিন গুন বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের আইন ও সালিশ কেন্দ্র।

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি সংবাদপত্রের তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করে সংস্থাটি।

ওই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০১৯ সালে ভারতের সীমান্ত রক্ষা বাহিনী-

বিএসএফ`র হাতে প্রাণ হারিয়েছে ৩৮ জন বাংলাদেশি।

এরমধ্যে ৩৩ জন গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে এবং বাকি ৫ জনকে নির্যাতন করে মারা হয়েছে।

অথচ এর এক বছর আগে অর্থাৎ ২০১৮ সালে সীমান্তে এমন প্রাণহানির সংখ্যা ছিল ১৪ জন।

সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে প্রাণহানির সংখ্যা তিন গুণেরও বেশি বেড়েছে।

বাইউস্ট’র পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : এর ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের উদ্যোগে গত রোববার পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ ইনিস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম) এর সহযোগীতায় বাইউস্ট অডিটোরিয়ামে, এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

শিক্ষার্থীদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বিষয়ে বিষদ ধারণা প্রদানের লক্ষ্যে আয়োজিত সেমিনার উদ্বোধন করেন,

উপাচার্য প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এমসালজার হোসেন, এনডিসি, পিএসসি (অব:)।

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেনরেজিস্ট্রার কর্নেল সুমন কুমার বড়ুয়া, পিএসসি (অব:),

ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রধান ফাতেমা জোহরা এবং বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

সেমিনারে হালনাগাদ তাত্ত্বিক এবং ব্যবহারিক তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে বিআইসিএম রিসোর্স পারসনগণ

শিক্ষার্থীদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সংক্রান্ত কৌশল, ঝুঁকি ও সম্ভাবনার দিক সমূহ আলোচনা করেন। বিজ্ঞপ্তি

ভোট গ্রহণের দিন পরিবর্তনে হিন্দু মহাজোট অভিন্দন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ৩০ জানুয়ারী সরস্বতী পুজার দিন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ভোট গ্রহণের তারিখ পরিবর্তন করায় প্রধান মন্ত্রী,

শিক্ষা মন্ত্রী, নির্বাচন কমিশন এবং সকল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের পক্ষ থেকে অভিন্দন জানানো হয়েছে।

গত সোমবার জোটের এক বিবৃতিতে বলা হয়,

সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি গুরুত্ব প্রদান করে ছুটির দিনেও

মিটিং করে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

বিভিন্ন সূধীজন এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রক মিডিয়া যে ভাবে অক্লান্ত পরিশ্রম ও

সহযোগীতা করে হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থেকেছেন সেজন্য দেশের হিন্দু সম্প্রদায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।

দেশের হিন্দু সম্প্রদায় সব সময় এভাবেই দেশবাসীর ভালোবাসা ও সহযোগীতা কামনা করে।
হিন্দু মহাজোটের পক্ষে নির্বাহী সভাপতি অ্যাডঃ দীনবন্ধু রায়, মহাসচিব অ্যাডঃ গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক,

প্রধান সমন্বয়কারী বিজয় কৃষ্ণ ভট্টাচার্য, সিনিয়র সহ সভাপতি প্রদীপ কুমার পাল, সাংগঠণিক সম্পাদক অধ্যাপক সুব্রত কুমার দাস,

মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডঃ প্রতীভা বাকচীসহ আর্ন্তজাতিক সম্পাদক বিজন সানা প্রমুখ সভায় বকত্ব্য রাখেন।

মজুদ গ্যাস ব্যবহার করা যাবে আর ১১ বছর
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন,

দেশে মজুদ গ্যাস ১১ বছর ব্যবহার করা যাবে। বর্তমানে দেশে ১০ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুদ রয়েছে।

গ্যাসের ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে সম্ভাব্য স্থানে গ্যাস কূপ খননের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এতথ্য জানান।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে এ সংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সরকার মোহাম্মদ এবাদুল করিম।

জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে বিদ্যমান গ্যাস ক্ষেত্রসমূহ হতে বর্তমানে দৈনিক ২ হাজার ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে।

এই হারে গ্যাস উৎপাদন অব্যাহত থাকলে উক্ত গ্যাস মজুদ (১০ দশমিক ৬৩) দ্বারা ১১ বছর ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, গৃহীত পরিকল্পনা অনুযায়ী বাপেক্স ২০১৯-২০২১ সাল নাগাদ দুটি অনুসন্ধান কূপ,

২০২২-২০৩০ সাল নাগাদ ১৩টি অনুসন্ধান কূপ এবং ২০৩১-২০৪১ সাল নাগাদ ২০টি অনুসন্ধান কূপ খননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ জানান,

বর্তমানে আমদানিকৃত এলএনজিসহ দেশে দৈনিক ৩ হাজার ১৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

ছয়টি গ্যাস বিতরণ কোম্পানির মাধ্যমে বিদ্যুৎ ক্যাপটিভ পাওয়ার শিল্প সারকারখানা সিএনজি গৃহস্থালী বাণিজ্যিক ও চা বাগান শ্রেণিতে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে আবাসিক খাতে গড়ে দৈনিক ৪৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং বাণিজ্যিক খাতে গড়ে দৈনিক ২২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে।

এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুত উৎপাদন ক্ষমতা বেশি থাকায় সারাদেশে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই।

তবে সঞ্চালন ও বিতরণ নেটওয়ার্কের সীমাবদ্ধতার কারণে মাঝে মধ্যে বিদ্যুত বিভ্রাট ঘটে।

ভবিষ্যতে বিদ্যুতের উত্তরোত্তর চাহিদা বৃদ্ধি মোকাবেলা করার জন্য সরকার নতুন উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করছে।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সে নতুন ইতিহাস
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সে নতুন রেকর্ড হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম ১৫ দিন অর্থাৎ  ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছে বাংলাদেশ।

২০১৯-২০ অর্থবছরের সাড়ে ৬ মাসে (২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি)

এক হাজার ৩০ কোটি (১০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

রেমিটেন্স প্রবাহের এ ইতিবাচক ধারায় রফতানি আয়ে ধাক্কার পরও

বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

আজ শনিবার(১৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক রেমিটেন্স প্রবাহের সাপ্তাহিক যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়,

২০২০ সালের প্রথম মাস জানুয়ারির ১৫ তারিখ পর্যন্ত ৯৬ কোটি (প্রায় ১ বিলিয়ন) ডলার এসেছে বাংলাদেশে।

এর আগে দেশের ইতিহাসে দুই সপ্তাহে এতো বেশি রেমিটেন্স আসেনি।

অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ৯৪০ কোটি ৩৪ লাখ (৯ দশমিক ৪ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল বাংলাদেশে।

যা ছিল গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি।

২০১৯ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরে ১৬৮ কোটি ৭০ লাখ রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

যা ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের চেয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি। এক মাসের হিসাবে বাংলাদেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিটেন্স এসেছে গত ডিসেম্বরে।

এখন পর্যন্ত এক মাসে সর্বোচ্চ ১৭৪ কোটি ৮২ লাখ ডলার রেমিটেন্স পেয়েছে বাংলাদেশ ২০১৯ সালের মে মাসে।

 

প্রকৌশলী কে এম আনোয়ার হোসেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নতুন মহাপরিচালক
                                  

স্টাফ রিপোর্ট : প্রকৌশলী কে, এম, আনোয়ার হোসেন গত ৯ জানিুয়ারি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেছেন।

এর আগে তিনি যৌথ নদী কমিশন এর সদস্য পদে কর্মরত ছিলেন।

এছাড়াও তিনি বোর্ডে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পূর্ব রিজিয়ন), প্রধান প্রকৌশলী, উত্তর-পূর্বাঞ্চল, বাপাউবো, সিলেট পদে কর্মরত ছিলেন।   

প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে বিএসসি-ইন-সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং

১৯৮৯ সালে এআইটি, ব্যাংকক হতে স্নাতকোত্তর এমএসসি-ইন-ওয়াটার রিসোর্স ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী অর্জন করেন।

তিনি ১৯৮৪ সালের ২০ জানুয়ারি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডে সহকারী প্রকৌশলী (পুর) পদে যোগদান করেন।

দীর্ঘ ৩৬ বছর চাকুরী জীবনে তিনি পরিকল্পনা, নক্সা দপ্তরসহ মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরে বাপাউবো’র নদী তীর সংরক্ষণ, সেচ,

বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন প্রকল্পে এবং যৌথ নদী কমিশনের বিভিন্ন কাজে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডে চাকুরিকালীন তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানী, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, মরক্কো,

অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ দেশ-বিদেশে বিভিন্ন সেমিনার ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

তিনি ১৯৬১ সালে নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপ-জেলাধীন সিরাজনগর (নয়াচর) গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

বাস্তবায়নের আশ্বাসে পাটকল শ্রমিকদের কাজে যোগদান
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : কয়েক দফা আন্দোলন ও আমরণ অনশনের পর সরকারের পক্ষ থেকে

মজুরি কমিশন বাস্তবায়নের আশ্বাস পেয়ে কাজে ফিরেছেন পাটকল শ্রমিকরা।

আগামী ১৬ জানুয়ারির মধ্যে তাদের দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসের পর প্রত্যাহার করা হয় অনশন কর্মসূচি।

ফলে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে খুলনার শিল্পাঞ্চল এলাকায়।

আজ শনিবার ভোরে শ্রমিকরা কাজে যোগ দেয়ায় উৎপাদন শুরু হয়েছে পাটকলে।

মিলগুলো হচ্ছে- ক্রিসেন্ট জুট মিল, খালিশপুর জুট মিল, দৌলতপুর জুট মিল, প্লাটিনাম জুবিলি জুট মিল, স্টার জুট মিল, আলিম জুট মিল ও ইস্টার্ন জুট মিল।

রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল সিবিএ-ননসিবিএ সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. মুরাদ হোসেন বলেন,

১৫ দিনের মধ্যে মজুরি কমিশনের স্লিপ প্রদান করা হবে- এমন আশ্বাসে আমরা আন্দোলন প্রত্যাহার করেছি।

১৬ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) মজুরি কমিশনের স্লিপ প্রদান করা হবে।

ফলে আজ শনিবার ভোর ৬টা থেকে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন।

মুরাদ হোসেন বলেন, দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পাটকল খুলনায়। খুলনার সাতটি পাটকলে স্থায়ী-অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক রয়েছেন।

যারা সবাই কাজে যোগদান করেছেন। ফলে শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে।

জানা গেছে, আমরণ অনশনের সময় খুলনাঞ্চলের রাষ্ট্রায়ত্ত ৯ পাটকলের মধ্যে যশোরের জেজেআই ও কার্পেটিং জুট মিল বাদে বাকি ৭টি পাটকলের উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল।

এ পাটকলগুলোতে প্রতিদিন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ২৭২ দশমিক ১৭ মেট্রিক টন। সেখানে চালু থাকা ওই দুটি পাটকলে উৎপাদন হয়েছে মাত্র ৮৬ দশমিক ৩৯ মেট্রিক টন।

পাটকলগুলোতে প্রতিদিনের উৎপাদিত পণ্যের বাজার মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। সে হিসেবে শ্রমিকদের পাঁচদিনের অনশনে পাঁচ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

শ্রমিকদের দাবি নিয়ে গত ১৫, ২২ ও ২৬ ডিসেম্বর তিন দফা বৈঠক হলেও তাতে কোনো সুফল আসেনি।

সর্বশেষ গত ২৬ ডিসেম্বরের বৈঠকে মজুরি কমিশন বাস্তবায়নের বিষয়ে কোনো সুরাহা না হওয়ায় ওই দিন গত ২৯ ডিসেম্বর দুপুর থেকে আবারও ১১ দফা দাবিতে অনশন করার ঘোষণা দেন শ্রমিক নেতারা।

সেই অনুযায়ী শ্রমিকরা অনশন কর্মসূচি পালন শুরু করেন।

 

মালয়েশিয়ায় `বহু বাংলাদেশি টাকার অভাবে টিকিট করতে পারেনি`
                                  

 ডেস্ক রিপোর্ট : অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফিরে আসার জন্য মালয়েশিয়ার সরকার ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত যে সময় বেধে দিয়েছিল সেটি পার হবার পর অনেক বাংলাদেশী সেখানে বিপাকে পড়েছেন।

এরই মধ্যে ১লা জানুয়ারি থেকে মালয়েশিয়া পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২২৫ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে, যাদের মধ্যে ৭৮জন বাংলাদেশি রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

অনেক বাংলাদেশী এখন সেখানে গ্রেফতার আতঙ্কে আছেন।

অনেকে কেন ফিরতে পারেনি?

অবৈধ বিদেশীদের দেশে ফিরে যাবার জন্য মালয়েশিয়ার সরকার যে সুযোগ দিয়েছে সে অনুযায়ী দেশে ফেরার টিকিট এবং মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র - এ দুটি জিনিস লাগবে।

ইমিগ্রেশনের ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে হলে সাথে বিমানের টিকিটও দিতে হয়। এছাড়া জরিমানা হিসেবে ৭০০ রিঙ্গিত অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫ হাজার টাকা।

অবৈধভাবে বসবাস করা বহু বাংলাদেশী অর্থ সংকটের কারণে সেটি করতে পারেননি।

আবার যারা বিমানের টিকিট জোগাড় করেছেন তারাও মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র পাননি।

কারণ এজন্য ইমিগ্রেশন অফিসে ছিল উপচে পড়া ভিড়। মালয়েশিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন আহমেদুল কবির, যিনি সাংবাদিকতার সাথেও জড়িত।

তিনি বলেন, "ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ১১ টি প্রদেশে ৮০টি কাউন্টার করেছিল। প্রতিদিন গড়ে ৪০০ স্পেশাল পাস ইস্যু করেছে। প্রতিদিন হাজার-হাজার অবৈধ অভিবাসী স্পেশাল পাস নেবার জন্য কাউন্টারে ভিড় করেছে।"

"অনেকে টাকার অভাবে টিকিট করতে পারেননি। আবার অনেকে টিকিট করলেও স্পেশাল পাস নিতে পারেননি," বলছিলেন মি: কবির।

পরিস্থিতি বিবেচনা করে, ডিসেম্বর মাসের শেষ দুই সপ্তাহে বাংলাদেশ বিমান মালয়েশিয়া থেকে প্রতিদিন অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

একজন অবৈধ অভিবাসী দেশে ফিরে আসার জন্য বাংলাদেশ সরকার প্রতিটি বিমান টিকিটে ১২হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দিয়েছে।

কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি পুরোপুরি সামলানো যায়নি।

ছাত্র ভিসা নিয়ে পাঁচ বছর আগে মালয়েশিয়া গিয়েছিলেন বাংলাদেশের জুবায়ের আহেমদ।

সে ভিসার মেয়াদ শেষ হবার পর কয়েক বছর আগে মালয়েশিয়া সরকার অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ হওয়ার যে সুযোগ দিয়েছিলেন, তাতে আবেদন করেন মি: আহমেদ। কিন্তু লাভ হয়নি। তাকে দেশে ফিরে আসতে হচ্ছে।

বিমানের টিকিট জোগাড় করার পরেও নির্দিষ্ট তারিখে বাংলাদেশে আসতে পারেননি তিনি। ভিড়ের কারণ মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ছাড়পত্র নিতে দেরি হয়েছে মি: আহমেদের।

জুবায়ের আহমেদ বলেন, "স্পেশাল পাস নেবার জন্য আমি ভোর সাড়ে তিনটায় গিয়ে ইমিগ্রেশন অফিসে পৌঁছি। স্পেশাল পাস না পেয়ে অনেকে কান্নাকাটি করছে। "

কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে বলেন, মালয়েশিয়ায় বৈধভাবে ছয় লাখের বেশি বাংলাদেশি বসবাস করছে। তবে অবৈধদের বিষয়ে তাদের কোন ধারণা নেই।

ঐ কর্মকর্তা দাবি করেন, যারা বাংলাদেশে ফিরে যেতে ইচ্ছুক তারা সবাই মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র পেয়েছেন।

কিন্তু সেখানকার বাংলাদেশিরা বলছেন, অর্থ সংকটের কারণে অনেকে যে বিমান টিকিট কিনতে পারেনি এবং জরিমানার টাকা জোগাড় করতে পারেননি সে ধারণা নেই বাংলাদেশ দূতাবাসের।

শেঙ্গেন ভিসা আবেদনে নতুন নিয়ম, বাংলাদেশীদের জন্যও প্রযোজ্য হবে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :  ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে ভ্রমণে যে শেঙ্গেন ভিসার প্রয়োজন হয়, তার আবেদনের ক্ষেত্রে নতুন কিছু নিয়ম চালু হচ্ছে।

নতুন এসব নিয়ম বাংলাদেশী আবেদনকারীদের জন্যও প্রযোজ্য হবে, যা আগামী ২রা ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর হবে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশী নাগরিকদের ভিসা আবেদনের সাথে এখনকার ৬০ ইউরোর পরিবর্তে ৮০ ইউরো (প্রায় আট হাজার টাকা) জমা দিতে হবে।

শিশুদের ক্ষেত্রেও আবেদনের সাথে ফি দিতে হবে, যদিও তাদের জন্য এ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ ইউরো, যা বর্তমানে ৩৫ ইউরো নির্ধারিত আছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভিসা সংক্রান্ত নীতিমালা পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশসহ সব জায়গায় শেঙ্গেনভুক্ত দেশগুলোর যত মিশন আছে, তার সবগুলোতেই এই নতুন নিয়মাবলী কার্যকর হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে বাংলাদেশী আবেদনকারীরা সম্ভাব্য সফরের ছয় মাস আগেই আবেদন করতে পারবেন।

এখন তিন মাস আগে আবেদনের সুযোগ আছে।

শেঙ্গেনভিসাইনফো.কম অনুযায়ী, শেঙ্গেনভুক্ত যেসব দেশের ভিসা অফিস ঢাকায় নেই তারা এ সংক্রান্ত সেবা দাতা প্রতিষ্ঠান বা এক্সটারনাল সার্ভিস প্রভাইডারকে সহায়তা করবে ভ্রমণকারীদের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে।

এক্সটারনাল সার্ভিস প্রভাইডার এজন্য সার্ভিস ফি নিতে পারবে, তবে তা অবশ্যই ভিসা ফি`র বেশি হবে না।

সে কারণে এক্সটারনাল সার্ভিস প্রভাইডার সর্বোচ্চ চার্জ গ্রহণ করলে বাংলাদেশ থেকে আবেদনকারীদের ১৬০ ইউরো পর্যন্ত জমা দিতে হতে পারে।

এর বাইরে আপডেটেট ভিসা কোডে নতুন একটি মেকানিজমের কথা বলা হয়েছে, প্রতি তিন বছরে এরা পর্যালোচনা করবে যে ফি আবার পরিবর্তন করা উচিত কি-না।

এছাড়া নতুন এই কৌশলের আওতায় ভিসার মেয়াদ কমানো ও ভিসা প্রসেসিংয়ে সময় বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।

শেঙ্গেনভিসাইনফো.কম এর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে শেঙ্গেনভুক্ত দেশগুলোর দূতাবাস বা কনস্যুলেটগুলোতে বাংলাদেশীদের প্রায় ৩০ হাজার ৫৭৩ টি আবেদন জমা পড়েছিল। তবে এগুলোর মধ্যে নয় হাজার ৯৭৬টি আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়।

ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে পছন্দনীয় দেশ হলো সুইডেন। গত বছর প্রায় ৭ হাজার ২৫টি আবেদন পড়ে সুইডিশ ভিসার জন্য।

এরপর ইতালির জন্য ৬ হাজার ৯৩৫টি এবং জার্মানির ভিসার জন্য পাঁচ হাজার ৮৫৪টি আবেদন জমা পড়ে।

২০১৮ সালে ইউরোপের ভিসা আবেদনের জন্য বাংলাদেশীরা ব্যয় করেছে প্রায় ১৮ লাখ ৩৪ হাজার ইউরো।

১৯ যুবককে ফেরত পাঠাল বিএসএফ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : যশোরের বেনাপোল দিয়েভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)১৯ যুবককে ফেরত পাঠাল ।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদেরকে হস্তান্তর করে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহসিন খান পাঠান জানান, তারা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক। কয়েক বছর আগে তারা অবৈধ পথে ভারতে গিয়েছিল।

সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে জেলে ছিল।

এরপর তারা জেল থেকে ছাড়া পেলে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদেরকে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে পাঠায়।

ফেরত আসা যুবকদের বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

 

মহেশপুর সীমান্তে একসঙ্গে গরু-মানুষের প্রবেশ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে গরু-মানুষ এক সঙ্গেই প্রবেশ করছে বাংলাদেশে।

নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত এমন অনুপ্রবেশকারী ৩২৫ জনকে বিজিবি আটক করেছে।  

আটককৃতদের ভাষ্যমতে, ভারতের মেদিনীপুর ও বেঙ্গালুরু থেকে তাদের তাড়িয়ে  দেয়া হয়েছে।

তারা বেশ ক’বছর আগে কাজের জন্য সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে অনেক আগেই ভারতে গিয়েছিলেন।  অনুপ্রবেশকারী মাসুম ও ফয়সাল হাওলাদার বলেছেন, তাদের বাড়ি ছিল খুলনা জেলায়।

ভারতে কাজ করতে গিয়ে স্থানীয়দের নির্যাতনসহ দীর্ঘদিন তারা বেতন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

ফলে ভারতের এক দালালের মাধ্যমে ৮ হাজার টাকায় চুক্তি করে। তারা  গরুর সঙ্গে সীমান্ত পার করে দিয়েছে।

কাঁটাতার পার করে দালালরা বলেছে-তোরা গরুর সঙ্গে নদী পার হয়ে সোজা হাঁটতে থাকবি। এরপ্র এপারে এসে তারা বিজিবির হাতে আটক হয়েছেন।

মূলত জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি) আতঙ্কে ভারত থেকে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটছে।

নির্যাতনের ভয়ে প্রতিদিনই ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে মানুষ ঢুকছে বাংলাদেশে ।

অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্তে টহল জোরদার করলেও তাদের ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়ছে অনুপ্রবেশকারীরা।

গত নভেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঢোকার সময় ৩২৫ জনকে আটক করেছেন খালিশপুরস্থ ৫৮ বিজিবির সদস্যরা।

অনুপ্রবেশকারীরা জানান, বিজেপি’র লোকজন বলছে তোমরা এদেশে থাকতে পারবা না, বাংলাদেশে চলে যাও।

কখনও রাস্তার পাশে থাকলে পুলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছে, বাড়ি ঘর ভেঙে দিচ্ছে। ভারতে বেশিদিন থাকতে পারব না।, কখন কী হয় এই ভয়ে আমরা এদেশে চলে আসছি।

মহেশপুর সীমান্তের বাঘাডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, নদীর ওপারে ভারত-এপারে বাংলাদেশ। সীমান্তের ওপারে ভারতের অভ্যন্তরে নদীর-কোল ঘেঁষে প্রচুর কলাবাগান।

বাগানেরও প্রায় দেড়শ গজ ভেতরে কাঁটাতার। দালালের মাধ্যমে বিএসএফের সহযোগিতায় কাঁটাতার পেরিয়ে রাতে লোকজন ভারত থেকে আসছে। সকালে দেখা যায় ভেজা কাপড় পড়ে আছে। যখন বিজিবি থাকে না তখন সীমান্ত পার হয়ে তারা আসে।

সীমান্তের সেজিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা পল্লী চিকিৎসক শওকত আলী জানান, ভোর রাতের দিকে ভারত থেকে লোক আসে।

সকাল বেলায় নামাজ পড়তে উঠলে দেখা যায় ভারত থেকে আসা লোকজন, নসিমন, মাহিন্দ্রসহ নানাভাবে দেশের ভেতরে ঢুকছে।

যে পরিমাণ ধরা পড়ে তার থেকে অনেক বেশি লোক দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে।

জুলুলী, বাঘাডাঙ্গা ও খোশালপুর এলাকার বাসিন্দারা বলেন, অনেকেই আছে যারা স্বাধীনতার পর বা তারও অনেক পরে বাংলাদেশ থেকে তাদের জমিজমা বিক্রি করে ভারতে চলে গিয়েছিল।

এরা আবার দেশে এভাবে আসতে থাকলে তো সরকার বাংলাদেশে জায়গা দিতে পারবে না। সরকারের উচিত অনুপ্রবেশ ঠেকানো। আমরা স্থানীয়ভাবে কিছু করবো তাও করার উপায় নেই। বিজিবি কাউকে কোনো তথ্যও দিতে দেয় না। তথ্য দিলেই হয়রানি করে।

মহেশপুরের সীমান্তবর্তী নেপা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল আলম বলেন, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এলাকার মানুষকে সচেতন করবো এমন কোনো নির্দেশনা সরকার আমাদের দেয়নি।

ফলে কিছু করতেও পারছি না। সরকারি নির্দেশনা এলে আমরা সবাই মিলে সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড চালাবো।

খোশালপুর গ্রামের দফাদার (গ্রাম পুলিশ) জাহিদুল ইসলাম জানান, মাঝে বিজিবির টহলের কারনে অনুপ্রবেশ কিছুটা কমেছিল। কিন্তু এখন আবার বেড়েছে।

ঝিনাইদহ-৫৮ বিজিবির পরিচালক লে. কর্নেল কামরুল আহসান বলেন, বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটলেও জুলুলী বিওপি সংলগ্ন এলাকাকে সব থেকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। কেননা এই অংশেই কাঁটাতার নেই।

তাই জুলুলীসহ বিভিন্ন এলাকায় বিজিবি টহল জোরদার করেছি। তবে যারা অনুপ্রবেশ করছে তারা সকলেই বিভিন্ন সময় কাজের সন্ধানে কিংবা চিকিৎসার জন্য ভারতের গিয়েছিল।

ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিলু মিয়া বিশ্বাস বলেন, যারা আটক হচ্ছে তারা সকলেই বাংলাদেশি।

বিজিবি সীমান্ত থেকে পাসপোর্টবিহীন অবস্থায় ঢুকে পড়া লোকদের ধরে থানায় সোপর্দ করলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

দেশে বিমান চলাচল সবচেয়ে বিপদজনক
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : বিমানে কোথাও যাওয়াকে মনে করা হয় সবচেয়ে নিরাপদ ভ্রমণ, কিন্তু কিছু দেশ আছে যেখানে বিমানে চলাচল করা মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

এরকম একটি দেশ হচ্ছে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র বা ডিআরসি।

সম্প্রতি এই দেশটিতে দুটো দুর্ঘটনার পর বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে বড় রকমের প্রশ্ন উঠেছে।

সবশেষ দুর্ঘটনাটি হয়েছে নভেম্বরে, পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোমায়। বিমানটি একটি বাড়ির উপরে আছড়ে পড়লে ২৭ জন প্রাণ হারান।

এভিয়েশন সেফটি নেটওয়ার্ক সারা বিশ্বে বিমান চলাচলের উপর নজর রাখে এবং এবিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে।

তাদের তথ্য উপাত্তে দেখা যায়, ১৯৪৫ সালের পর আফ্রিকা মহাদেশের এই দেশটিতেই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক যাত্রীবাহী বিমান দুর্ঘটনায় পড়েছে।

নর্থ ড্যাকোটা ইউনিভার্সিটির ড্যানিয়েল কাওয়াসি আদজেকুম বলছেন, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে প্রচুর দুর্ঘটনার পেছনে রয়েছে নানা কারণ - ভৌগলিক ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় দুর্বলতা।

একই সাথে এই দেশটিতে বিমানে চলাচল করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ,কারণ রাজধানী কিনশাসা থেকে দেশটির ২৫টি বড় বড় শহরের মাত্র চারটি ছাড়া আর কোনটিতেই সড়ক পথে যাওয়া যায় না।

দেশটির বিমান বন্দরের অবকাঠামো খুবই সেকেলে ও ভগ্নপ্রায়, বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্যে যে ট্রাফিক ব্যবস্থা ও যন্ত্রপাতি আছে - সেসবও কোন রকমে কাজ চালানোর মতো।

এছাড়াও যেসব বিমান ব্যবহার করা হয় সেগুলোও বাতিল হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থায়, কিম্বা বহু বছরের পুরনো।

ফ্লাইট ক্রু এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্যে যারা কাজ করেন - তাদের নিয়েও সমস্যা আছে। তাদের ওপর নজরদারি করার মতো তেমন শক্ত কোন ব্যবস্থা নেই।

আর কিছু কিছু দুর্ঘটনার জন্যে দায়ী খারাপ আবহাওয়া - প্রবল বৃষ্টিপাত, ঝড়-বাদল। বর্ষাকালে বিমান চলাচলের জন্যে এসবও বড়ো হুমকি হয়ে ওঠে।

২০১০ সালের পর থেকে সবচেয়ে বেশি বিমান দুর্ঘটনা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। তার পরেই রাশিয়া, ক্যানাডা, মেক্সিকো এবং ইন্দোনেশিয়া।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে বাণিজ্যিকভাবে যেসব রুট ব্যবহৃত হয়, বিশ্বের মধ্যে সেগুলোই সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত। এই পথে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বিমান চলাচল করে আর একারণে সেখানে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও থাকে বেশি।

এই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে রাশিয়াতে, ৫৩২। তারপরেই ইন্দোনেশিয়া, যেখানে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৫২০ জন।

এই দুটো দেশে বিমান যাত্রীর সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের সংখ্যাও।

গত ১০ বছরে রাশিয়াতে বিমান-যাত্রীর সংখ্যা প্রায় তিনগুণ বেড়েছে আর ইন্দোনেশিয়াতে বেড়েছে চার গুণ।

এই একই সময়ে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে দুর্ঘটনায় যতো মানুষের প্রাণহানি হয়েছে, একই সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে নেপালেও।

এই দুটো দেশেই এই ১০ বছরে ১৮০ জনের মতো নিহত হয়েছে।

নেপালেও বিমান দুর্ঘটনার জন্যে এর ভূ-প্রাকৃতিক কারণকে দায়ী করা হয়।

বিমান বন্দর এমন একটি জায়গায় যেখানে পাহাড় কাটিয়ে রানওয়েতে অবতরণ করা অনেক সময়ই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়।

বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও দুর্বলতা আছে নেপালে। এসব স্বত্বেও দেশটিতে বিমান-যাত্রীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে।

যাত্রীর সংখ্যা গত কয়েক বছরে হু হু করে বেড়েছে। ডিআরসির চাইতেও নেপালে যাত্রীবাহী বিমানের সংখ্যা তিনগুণ বেশি।

সারা বিশ্বে যতো বিমান চলাচল করে তার মাত্র শূন্য দশমিক এক শতাংশ বিমান চলে ডিআরসিতে।

অর্থাৎ বিশ্বে এক হাজার বিমান থাকলে এই দেশে বিমান আছে মাত্র একটি।

কিন্তু ২০১০ সালের পর থেকে মোট বিমান দুর্ঘটনার চার শতাংশই ঘটেছে এই দেশে।

একারণে এই দেশটির বিমান ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনেক দেশেই আসা নিষিদ্ধ কিম্বা সীমিত।

 

সরকারের ধান সংগ্রহে কৃষকের সঙ্গে এই প্রতারণার শেষ কোথায়?
                                  

কাজী নজরুল ইসলাম

উৎপাদক কৃষকদের উৎসাহ মূল্য বা ন্যায্য মূল্য প্রদান করা, খাদ্যশস্যের বাজার দর যৌক্তিক পর্যায়ে স্থিতি রাখা, খাদ্য নিরাপত্তা মজুদ গড়ে তোলা এবং সরকারি খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থায় সরবরাহ অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে সরকার প্রতি বছরই সংগ্রহ মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান ও গম সংগ্রহ করেন। প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে নানা ধরনের অভিযোগ শুনে এবং গণমাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে কৃষকের উৎপাদিত খাদ্য শস্য ক্রয় পদ্ধতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে বেড়িয়ে এসেছে ব্যাপক অনিয়মের চিত্র। জানা গেছে কৃষকের সাথে প্রতারণার ভয়াবহ কাহিনী। পাওয়া গেছে মৃত ব্যক্তির নামে, কৃষি কাজের সাথে জরিত নয় এমন লোকদের থেকে ধান সংগ্রহের প্রমান। কৃষকের নামে ব্যাংক একাউন্ট খুলে শত শত মেট্রিক টন ধান কিনে তা ঢোকানো হলো সরকারি খাদ্যগুদামে। আবার ধানের মূল্যও ব্যাংক থেকে পরিশোধ করা হলো ওই একই কৃষকের নামে। কিন্তু হতভাগা কৃষক এর কিছুই জানেন না। কে তার নাম কৃষি তালিকায় অন্তরর্ভূক্ত করলো, কে তার নামের তালিকা খাদ্য বিভাগকে প্রদান করলো, কে তার নামে ব্যাংক হিসেব খুলে কেইই বা আবার টাকা তুলে নিলো, এসবের কোন তথ্যই জানা নেই গত মৌসুমে শরীয়তপুরের বোরো ধান চাষি অনেক কৃষকের কাছে।

বাংলাদেশ এখনো কৃষি নির্ভর দেশ। সরকার এখনো কৃষি অর্থনীতিকেই প্রাধান্য দিয়ে আসছে। কৃষি এবং কৃষককে বলা হচ্ছে দেশের প্রাণ। গোটা দেশবাসীর মুখে দু’বেলা দু’মুঠো খাদ্য তুলে দিতে সুর্যোদয় থেকে সুর্যাস্ত পর্যন্ত নিরন্তর হাঁড়ভাঙ্গা খাটুনি খেটে কৃষক ফসল উৎপাদন করে চলেছেন সভ্যতার গোড়া থেকেই। মাত্র কিছুকাল আগেও দেশের বড় কৃষক বা গৃহস্তরাই ছিলেন দেশের সবচে স্বচ্ছল ও সুখী মানুষ। এখনো বলা হয়ে থাকে দেশের ৮০ শতাংশ লোক কৃষি কাজের সাথে সম্পৃক্ত। কিন্তু সুখে নেই তারা। দুখের ভাগারে ফেলে সুখ তাদের কপাল থেকে নির্বাসনে গেছে বহু আগেই।  দিন দিন ধার দেনা মাথার বোঝাঁ হয়ে দাঁড়াচ্ছে কৃষকের। ঋণ-কর্জ করে, চড়া দরে সাব বীজ কিনে, দ্বিগুন-তিনগুন দরে শ্রমিক নিয়ে, মহাজন-এনজিও থেকে মোটা সুদে টাকা তুলে এখনো আমার দেশের কৃষককে ফসল ফলাতে হয় প্রতি মৌসুমে। খড়া, বন্যা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি সহ নানান প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে অভাগা কৃষক যখন তার উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলেন, ঠিক তখনি তাদের কপাল পুড়ে। কৃষকের উৎপাদিত ফসল বিশেষ করে ধানের বাজারে ধ্বস নামে ভরা মৌসুমে। উৎপাদন ব্যয়ের ধারে কাছেও পৌছেনা ধানের মূল্য। বাধ্য হয়ে সীমাহীন লোকসান মেনে নিয়ে পানির দরে ধান বিক্রি করতে হয় কৃষককে। সাম্প্রতিক কালে সরকার কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে খাদ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে ধান ও গম ক্রয় পদ্ধতি শুরু করেছেন। এর আওতায় প্রতি কেজি বোরো ও আমন ধানের দর নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ টাকা। অর্থাৎ ১ হাজার ৪০ টাকায় প্রতি মন ধান খাদ্য বিভাগের কাছে বিক্রি করতে পারবেন উৎপাদক কৃষক। তাতে কৃষকের খরচ পুষিয়ে কিছুটা লাভের মুখ দেখার সুযোগ সৃষ্টি হয়। কিন্তু কোন জেলায় কতজন কৃষক কত টন ধান উৎপাদন করলো, আর সরকার সংশ্লিষ্ট জেলায় কতজন কৃষকের কাছ থেকে কত টন বা মন ধান ক্রয় করলো এ নিয়ে একটি প্রশ্ন থেকে যায়। আমি এখানে দেশের একটি শতভাগ কৃষিনির্ভর পশ্চাদপদ জেলা শরীয়তপুরের পরিসংখ্যান তুলে ধরতে চেষ্টা করছি।

২০১৯ সালে বোরো মৌসুমে সরকার ২৫ এপ্রিল থেকে ৩১ আগষ্ট তারিখের মধ্যে দুই দফায় সারা দেশ থেকে ২ লক্ষ ৫০ হাজার মেট্রিক টন বোরো ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেন। এর আওতায় শরীয়তপুর জেলায়ও ১ হাজার ৯৭৩ মেট্রিক টন ধান ক্রয় করেন। জেলায় ২৭ হাজার ২১৫ হেক্টর জমিতে ১ লক্ষ ৭২ হাজার ৬১৫ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপাদন করেছেন ৮৭ হাজার ৫০৮ জন কৃষক। কৃষি বিভাগ জেলার ৬টি উপজেলা থেকে খাদ্য বিভাগকে উৎপাদক কৃষকের তালিকা দিয়েছে মাত্র ৩ হাজার ৩৯ জনের। খাদ্য বিভাগ মাত্র ৮৪০ জন কৃষকের নামে ৫ কোটি ১২ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকার বিনিময়ে ধান ক্রয় করেছে  ১ হাজার ৯৭৩ মেট্রিক টন। জেলায় উৎপাদিত প্রায় পৌনে ২ লক্ষ টন ধানের বিপরীতে সরকার কিনলেন মাত্র ১ হাজার ৯৭৩ মেট্রিক টন ধান। আর সাড়ে ৮৭ হাজার কৃষকের মধ্য থেকে মাত্র ৮৪০ জনের নামে ধান ক্রয় করলো খাদ্য বিভাগ। যা উৎপাদিত ফসলের মাত্র ১.১৪% এবং উৎপাদক কৃষকের ১% এরও কম অর্থাৎ ০.৯৬%। এটা শুধু বৈষম্যই নয়, ধান ক্রয়ের নামে কৃষকের সাথে সরকারের রীতিমত উপহাস। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, যে ৮৪০ বা সাড়ে ৮’শ কৃষকের নামে ধান সংগ্রহ করা হয়েছে তার অধিকাংশ কৃষকই জানেন না তাদের নামে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান ক্রয় বা বিক্রি করা হয়েছে। দেখা গেছে, ৩/৪ বছর আগে মৃত্যু বরণ করেছেন এমন লোকের নামেও কৃষি বিভাগ খাদ্য বিভাগকে তালিকা সরবরাহ করেছে এবং ওই সকল মৃত ব্যক্তিদের নামে ব্যাংকে হিসাব নাম্বার খুলে, তাদের নামে ধান বিক্রি দেখিয়ে ব্যাংক থেকে ধানের মূল্য তুলে নিয়েছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। শুধু তাই নয়, কোন ভাবেই কৃষি কাজের সাথে জরিত নন এমনকি এক শতাংশ কৃষি জমিও নেই, পরিবারের কেউ কোন দিন কৃষি কাজ করেনি এমন লোকের নামও ধান সংগ্রহের তালিকায় পাওয়া গেছে।  

শরীয়তপুর জেলায় এ বছর উপজেলা ভিত্তিক কতজন কৃষক কি পরিমান ধান উৎপাদন করেছেন এবং কতজনের কাছ থেকে সরকার কতটুকু ধান ক্রয় করেছে সে পরিসংখ্যানটি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরছি। শরীয়তপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবছর জেলার সদর উপজেলায় ১৮ হাজার ৬৫০ জন কৃষক ৪০ হাজার ১৫৭ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন  করেছেন। এর বিপরীতে কৃষি বিভাগ খাদ্য বিভাগকে তালিকা সররাহ করেছে ৯৫০ জন উৎপাদক কৃষকের। আর খাদ্য গুদাম ১৬৩ জন কৃষকের থেকে কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করেছে মাত্র ৪৪৫ মেট্রিক টন। নড়িয়া উপজেলায় ১৭ হাজার ৩১৫ জন কৃষক ৩৬ হাজার ৬৯৫ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন  করেছেন। এর বিপরীতে কৃষি বিভাগ খাদ্য বিভাগকে ১৯২ জন উৎপাদক কৃষকের তালিকা সররাহ করেছে। আর খাদ্য গুদাম ১৫৮ জন কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করেছে ৪৪৭ মেট্রিক টন। জাজিরা উপজেলায় ১ হাজার ২০০ জন কৃষক ৭ হাজার ৪৪০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন  করেছেন। এর বিপরীতে কৃষি বিভাগ খাদ্য বিভাগকে তালিকা সররাহ করেছে ৩৯৪ জন কৃষকের। আর ৩৫ জন কৃষকের কাছ থেকে খাদ্য গুদাম ধান সংগ্রহ করেছে মাত্র ৯০ টন। ভেদরগঞ্জ উপজেলায় ১৯ হাজার ২০০ জন কৃষক ৩০ হাজার ১০৯ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন  করেছেন, এর বিপরীতে কৃষি বিভাগ খাদ্য বিভাগকে তালিকা সররাহ করেছে ৯১০ জন কৃষকের। খাদ্য গুদাম ধান সংগ্রহ করেছে ১৪৯ জন কৃষকের থেকে কাছ থেকে ৩৩১ মেট্রিক টন। ডামুড্যা উপজেলায় ১৩ হাজার ১৪৩ জন কৃষক ২৭ হাজার ১৫৯ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন  করেছেন। এর বিপরীতে কৃষি বিভাগ খাদ্য বিভাগকে তালিকা সররাহ করেছে ৪৫০ জন কৃষকের। খাদ্য গুদাম ধান সংগ্রহ করেছে ১৮৪ জন কৃষকের থেকে কাছ থেকে ২৯৫ মেট্রিক টন। গোসাইরহাট উপজেলায় ১৮ হাজার কৃষক ৩১ হাজার ৫০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন করেছেন। এর বিপরীতে কৃষি বিভাগ খাদ্য বিভাগকে তালিকা সররাহ করেছে ১৪৩ জন কৃষকের আর খাদ্য গুদাম ধান সংগ্রহ করেছে ১৫০ জন কৃষকের কাছ থেকে ৩৬৫ মেট্রিক টন।

খাদ্য বিভাগকে ঘিরে অসাধু চক্র বা সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন থেকেই শরীয়তপুরে বেশ তৎপর। সরকারি ভাবে ন্যায্য মূল্যের ধান, গম, চাল ক্রয়ে তারা সব সময়েই দুই নম্বরী পথ বেছে নেয়। সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে থাকেন চিহ্নিত খাদ্য ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক আশ্রয়ে লালিত সুবিধাবাদী অসাধু নেতা। খাদ্য ও কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কিছু অসৎ লোকের যোগসাজোশে কৃষকের সাথে প্রতারণা করে ওই চক্রটি প্রতি বছর হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কৃষি বিভাগ খাদ্য গুদামকে কৃষকের মূল তালিকা প্রদানের পর ধান সংগ্রহ চালাকালিন সিন্ডিকেটের সাথে হাত মিলিয়ে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা কৃষি কাজের সাথে জরিত নয় এমন কিছু লোকের নামে সম্পূরক তালিকা প্রদান করে থাকেন। উভয় তালিকায়ই অসংখ্য ভূয়া কৃষকের নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয়। আর ভূয়া কৃষকের নামেই বেশীরভাগ ধান সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। সরেজমিন অনুসন্ধান করে জানা গেছে, শরীয়তপুর সদর উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের কৃষকের নামে কৃষি বিভাগ শরীয়তপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের কয়েকজন বাসিন্দার নাম তালিকাভূক্ত করেছে। এদের মধ্যে দক্ষিন মধ্যপাড়া গ্রামের সামাদ শেখ মারা গেছেন তিন বছর আগে, তার নামে ৫০ মন ধান ক্রয় করেছে খাদ্য গুদাম। তার ছেলে ইদ্রিস শেখও মারা গেছে দুই বছর আগে। ইদ্রিসের নামেও খাদ্য গুদাম ক্রয় করেছে ৭৫ মন ধান  এবং সামাদ শেখের অপর দুই ছেলে জাকির শেখের নামে ৫০ মন ও ইয়াসিন শেখের নামে ২৫ মন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। উত্তরা ব্যাংক শরীয়তপুর শাখা চেকের মাধ্যমে তাদের ধান বিক্রির টাকা পরিশোধ করেছে বলেও নিশ্চিত হওয়া গেছে। সামাদ শেখের ছেলে ইয়াছিন শেখ জানিয়েছেন, তারা অল্প কিছু ধান উৎপাদন করলেও কোথাও কোন ধান বিক্রি করেননি, এমনকি কে তাদের নামে কোথায় ধান বিক্রি করেছে তাও তাদের জানা নেই। তিনি আরো জানিয়েছেন, তার পিতা সামাদ শেখ ও মেজ ভাই ইদ্রিশ শেখ অনেক আগেই মৃত্যু বরণ করেছেন। একই গ্রামের মান্নান ঢালীর ছেলে মুনসুর আলম ঢালী এবং আবু আলম ঢালীর কাছ থেকেও ৭৫ মন করে মোট দেড়‘শ মন ধান ক্রয় করেছে আঙ্গারিয়া খাদ্য গুদাম। মুনসুর ঢালী এবং আবু আলম ঢালীও জানিয়েছেন তারা সামান্য কিছু ধান উৎপাদন করলেও সরকারের কাছে ধান বিক্রি করেননি। উত্তরা ব্যাংক থেকে চেকের মাধ্যমে ধানের মুল্য বাবদ ৭৮ হাজার টাকা উত্তলোন করেছেন কিনা জানতে চাইলে আবু আলম ঢালী বলেন, “ আমি তো স্বাক্ষর দিতেই জানিনা, টাকা তুলবো কিভাবে”?

একইভাবে জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল কাঁচিকাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা গ্রাম পুলিশ আক্তার হোসেনের নামে ৫০ মন, মেছের আলী মির্জির নামে ৫০ মন, ইউপি সদস্য খায়রুন নেছার নামে ৫০ মন, গ্রাম পুলিশ জহিরুল ইসলামের নামে ৫০ মন, সাবেক ইউপি মেম্বার নজরুল ইসলামের নামে ৫০ মন ধান ক্রয় করেছে ভেদরগঞ্জ খাদ্য গুদাম। তারা জানিয়েছেন, সরকারি গুদামে তাদের নামে ধান ক্রয় বিষয়ে তারা কিছুই জানেননা। জাজিরা উপজেলার মূলনা ইউনিয়নের ছাব্বিশ পাড়া গ্রামের ফারুখ মাদবরের নামে ৫০ মন এবং মজিবর খালাসীর নামে ৫০ মন ধান সংগ্রহ করেছে জাজিরা খাদ্য গুদাম। তারা জানিয়েছেন, জাজিরা বাজারের খাদ্য ব্যবসায়ী রশীদ বেপারী তাদের নামে ব্যাংকে একাউন্ট খুলিয়ে প্রতিটি চেকে দুইটি করে পাতায় স্বাক্ষর রেখে চেকের পাতা ছিড়ে রেখেছেন। রশীদ বেপারী তাদের দুইজনকে মাত্র ২০০ টাকা পথ খরচ দিয়েছেন। কিন্তু তারা কোন ধান গুদামে বিক্রি করিনি। একই উপজেলার বড় কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মাঝির নামে জাজিরা উপজেলা খাদ্য গুদাম ৭৫ মন ধান ক্রয় করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার এক আত্মীয় আমার কাছ থেকে যাবতীয় কাগজ ও সই স্বাক্ষর রেখে আমার নামে ৩ টন ধান গুদামে দিয়েছে বলে আমি জানি। তবে আমি নিজে ধান বিক্রি করিনি। আমার নামে ধান ক্রয়ের বিনিময়ে আমার ওই আত্মীয় আমাকে ২ হাজার টাকা দিয়েছেন। এমনিভাবে যাদের নামে গুদামে ধান ক্রয় করা হয়েছে এনম অনেক কৃষকের সাথে কথা বলার পর তারা এ সম্পর্কে কিছুই জানেননা বলে বলে জানিয়েছেন।
খাদ্য মন্ত্রনালয়ের ২০১৭ সালের আভ্যন্তরিন খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে উপজেলা সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটি উপজেলার ধান ও গম উৎপাদন অনুযায়ী সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা ইউনিয়নওয়ারী বিভাজন করবে। উপজেলা কৃষি অফিসার কর্তৃক সরবরাহ করা মৌসুমে আবাদকৃত জমির পরিমান এবং সম্ভাব্য উৎপাদনের পরমিান সহ ডাটা বেইজ হতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কৃষক নির্বাচন করবে। উপজেলা কমিটি প্রত্যেকের প্রদেয় খাদ্যশস্যের পরিমান সহ নির্বাচিত কৃষকদের তালিকা সংশ্লিষ্ট ক্রয় কেন্দ্রে প্রেরণ করবে। এ তালিকায় অন্তর্ভূক্ত কৃষকদের নিকট থেকে ধান ও গম ক্রয় করা হবে। ক্রয়কারি কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ যেমন, কৃষি কার্ড, পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে তালিকাভূক্ত কৃষকদের সনাক্ত করবেন। তালিকা বহির্ভূত কারো কাছ থেকে ধান গম ক্রয় কার যাবেনা। আরো বলা হয়েছে, অধিক সংখ্যক কৃষককে ন্যায্য মূল্যে ধান বিক্রির সুযোগ প্রদানের লক্ষ্যে উপজেলা কমিটি একজন কৃষকের কাছ থেকে সর্বনিন্ম তিন বস্তা পরিমান বা ১২০ কেজি ধান ও ১৫০ কেজি গম থেকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার কেজি বা তিন মেট্রিক টন দাধ ও গম ক্রয় করতে পারবে। কিন্তু লক্ষ্য করা গেছে সরকারের এই নীতিমালার শর্ত ভঙ্গ হয়েছে পদে পদে।
গত ২০ নভেম্বর থেকে নতুন করে সরকার সারা দেশ থেকে ৬ লক্ষ মেট্রিক টন আমন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে প্রতিটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা ভিত্তিক তালিকা প্রেরণ করেছেন। ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০ তারিখের মধ্যে ধান ক্রয় করতে হবে। এর আওতায় শরীয়তপুর জেলায় ১ হাজার ৭৩৫ মেট্রিক টন আমন ধান ক্রয় করা হবে। সে লক্ষ্যে কাজ করছে খাদ্য বিভাগ। শরীয়তপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জানিয়েছেন, কোন অনিয়মের সুযোগ থাকবেনা আমন ধান সংগ্রহে। তালিকাভূক্ত কৃষকদের কাছ থেকে লটারীর মাধ্যমে ধান ক্রয় করা হবে। এখন শুধু অপেক্ষার পালা, সরকার কি শতভাগ নীতিমালা অনুসরণ করে কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করবেন, নাকি পূর্বেকার নিয়মের গন্ডিতেই বাধা হবে অসহায় কৃষকের ভাগ্য।

ডিআরইউর নতুন সভাপতি আজাদ সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :  ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিপেন্ডেন্টের বিশেষ প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম আজাদ।

আর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন এশিয়ান মেইল টোয়েন্টিফোর ডটকমের চিফ রিপোর্টার রিয়াজ চৌধুরী।

 আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে কার্যনির্বাহী কমিটির এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

ভোট গণনা শেষে সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

সভাপতি পদে নির্বাচিত আজাদ পেয়েছেন ৫৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহনেওয়াজ দুলাল পেয়েছেন ৪৮৯ ভোট।

আর সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী রিয়াজ চৌধুরী পেয়েছেন ৫৬৭ ভোট।

আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নুরুল ইসলাম হাসিব পেয়েছেন ৫৬৫ ভোট।

এছাড়া বিজয়ীরা হলেন সহসভাপতি পদে নজরুল কবীর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে হেলিমুল আলম বিপ্লব, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে হাবীবুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক পদে জাফর ইকবাল, প্রচার সম্পাদক পদে মাইদুর রহমান রুবেল, তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক পদে সাখাওয়াত হোসেন সুমন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে মজিবুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মিজান চৌধুরী।

এছাড়া কার্যনির্বাহী পদে বিজয়ী হয়েছেন মইনুল আহসান, এস এম মিজান, আহমেদ মুশফিকা নাজনীন, কামরুজ্জামান বাবলু, ইমরান হাসান মজুমদার, এম মুরাদ হোসেন, সায়ীদ আবদুল মালেক।

এর আগে অর্থ সম্পাদক পদে জিয়াউল হক সুমন, নারী বিষয়ক সম্পাদক পদে রীতা নাহার, আপ্যায়ন সম্পাদক পদে এইচ এম আকতার এবং জনকল্যাণ সম্পাদক পদে খালিদ সাইফুল্লাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।

অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে সীমান্তে সতর্কাবস্থায় বিজিবি
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : সম্প্রতি ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে জাতীয় নাগরিক তালিকা (এনআরসি) তৈরির কারণে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশে বেড়ে গেছে।

এসব অনুপ্রবেশকারীরা ঝিনাইদহসহ দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে দিনাজপুরের বিরামপুর সীমান্তে সতর্কাবস্থায় রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

তবে হিলি সীমান্তে এধরণের কোনও আশঙ্কা না থাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

ফুলবাড়ি-২৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শরিফুল্লাহ আবেদজানান, সম্প্রতি ঝিনাইদহের মহেষপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সংখ্যা বেড়েছে।

তাই সীমান্তে নজরদাড়ি বাড়ানোর পাশাপাশি সতর্কাবস্থায় রয়েছে বিজিবি।

তবে এখন পর্যন্ত আমাদের দায়িত্বে থাকা কোনও সীমান্তে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশের সহায়তায় সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত মানুষদের নিয়ে নিয়মিত মতবিনিময় করে জনসচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে।

তারা আশ্বস্ত করেছেন অন্য কোনও স্থান দিয়ে কাউকে প্রবেশ করতে দিবে না।

সেই সঙ্গে বিজিবির পাশাপাশি সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে তারা নিজেরা টহল দিচ্ছে।

বিজিবি হিলির বাসুদেবপুর কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার জিল্লুর রহমানজানান, হিলি সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের কোনও আশঙ্কা নেই এখানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

জয়পুরহাট-২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে.কর্নেল রাশেদ মোহাম্মদ আনিছুল হকের মোবাইলে একাধিকবার রিং করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় তার কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

 

 


   Page 1 of 32
     বিশেষ খবর
বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে সংখ্যালঘুরা নির্বাচন করতে পারে না?
.............................................................................................
সীমান্তে বিএসএফ-এর গুলিতে গত দুইদিনে বাংলাদেশি নিহত-৫
.............................................................................................
বাইউস্ট’র পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
ভোট গ্রহণের দিন পরিবর্তনে হিন্দু মহাজোট অভিন্দন
.............................................................................................
মজুদ গ্যাস ব্যবহার করা যাবে আর ১১ বছর
.............................................................................................
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সে নতুন ইতিহাস
.............................................................................................
প্রকৌশলী কে এম আনোয়ার হোসেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নতুন মহাপরিচালক
.............................................................................................
বাস্তবায়নের আশ্বাসে পাটকল শ্রমিকদের কাজে যোগদান
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় `বহু বাংলাদেশি টাকার অভাবে টিকিট করতে পারেনি`
.............................................................................................
শেঙ্গেন ভিসা আবেদনে নতুন নিয়ম, বাংলাদেশীদের জন্যও প্রযোজ্য হবে
.............................................................................................
১৯ যুবককে ফেরত পাঠাল বিএসএফ
.............................................................................................
মহেশপুর সীমান্তে একসঙ্গে গরু-মানুষের প্রবেশ
.............................................................................................
দেশে বিমান চলাচল সবচেয়ে বিপদজনক
.............................................................................................
সরকারের ধান সংগ্রহে কৃষকের সঙ্গে এই প্রতারণার শেষ কোথায়?
.............................................................................................
ডিআরইউর নতুন সভাপতি আজাদ সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ
.............................................................................................
অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে সীমান্তে সতর্কাবস্থায় বিজিবি
.............................................................................................
মার্চ থেকে জুলাই বড় অপরাধ ঘটার সময়
.............................................................................................
আইজিপির প্রশংসায় দুদক চেয়ারম্যানের পত্র
.............................................................................................
স্বচ্ছতার প্রয়োজনে সকল নথি ডিজিটাল করা হচ্ছে -গৃহায়ণ চেয়ারম্যান
.............................................................................................
রিফাত হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি রিশান ফরাজী গ্রেফতার
.............................................................................................
সরকার স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে
.............................................................................................
নারী উদ্যোক্তা মেলায় এবারও সেরা ‘বিটি’
.............................................................................................
বিশ্ব নারী দিবসে ‘নারীর কথা’র মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান
.............................................................................................
নিউইয়র্কে ইডিপি’র বর্ণাঢ্য চতুর্থ বর্ষ উদযাপিত
.............................................................................................
বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ, শরীয়তপুরের সম্মেলন অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
বৃহস্পতিবার জার্মানি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
৯ বছর পর মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদল
.............................................................................................
গাইবান্ধা পবিস জি.এম পানা উল্যাহ এখন গ্রাম-গঞ্জে আলোর ফেরিওয়ালা
.............................................................................................
অদম্য মেধাবীদের কথা! ওদের পন্থা হতে পারে ধনী রাস্ট্র গড়ার পদ্ধতি!
.............................................................................................
দ্বীপাঞ্চল স›দ্বীপ আলোকিত হল শেখ হাসিনার হাত ধরেই
.............................................................................................
সেনা প্রধানকে সৌদি সরকারের সম্মাননা
.............................................................................................
এবারে ৬৪ জেলার মুসল্লিরা জামায়াতে অংশ নেবেন
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর কাছে পুলিশের যেসব চাওয়া
.............................................................................................
ভারত যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
.............................................................................................
৮৭ উপজেলায় ভোট ১০ মার্চ
.............................................................................................
সিলেটে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত
.............................................................................................
৩৩৯ জনকে নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন
.............................................................................................
বইমেলার পর্দা উঠছে কাল
.............................................................................................
অবিলম্বে কৃষিজমি সুরক্ষায় আইন প্রণয়নের দাবি
.............................................................................................
মানবসেবায় আদম তমিজি ও মানবিক ঢাকা
.............................................................................................
এম পি ফুলবাড়ীতে আসবেন তাই দাড়িয়ে আছি রাস্তায়
.............................................................................................
ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আত্মসমর্পণ জানুয়ারির শেষে
.............................................................................................
ফরাজী আর নেই
.............................................................................................
৬ শর্ত শিথিল করে শিগগিরই রাইড শেয়ারিং নিবন্ধন
.............................................................................................
পানি ও ভূসম্পদ ব্যবস্থাপনাকে গুরুত্ব দিলেন বিশেষজ্ঞরা
.............................................................................................
১০ দফা দাবিতে শেওড়াপাড়ায় পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ-বিক্ষোভ
.............................................................................................
ফেলানী হত্যার অষ্টম বছর: বিচারের অপেক্ষায় পরিবার
.............................................................................................
চমকের মন্ত্রিসভায় একঝাঁক নতুন মুখ
.............................................................................................
ফোনের অপেক্ষায় নতুনরা
.............................................................................................
৪০ ভাগ ছাত্রী প্রতি মাসে স্কুলে অনুপস্থিত থাকে
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি