ঢাকা,মঙ্গলবার,১৩ মাঘ ১৪২৭,২৬,জানুয়ারী,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > বাঁচতে চায় নীলফামারী আতোয়ারা বেগম   > কমলগঞ্জের তাঁতশিল্পে উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা বাড়ছে বিশ্ববাজারে   > টুঙ্গিপাড়ায় সাড়ে ৩৫শ’ পরিবার পাচ্ছেন নিরাপদ পানি   > ধান সংগ্রহে লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করা হয়েছে : ইউএনও   > সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা বিষয়ক লোক সংগীত ও পথ নাটক   > মেসিবিহীন বার্সেলোনার জয়   > সাতপাকে বাঁধা পড়লেন বরুণ-নাতাশা   > এসএসসির পাঠ্যসূচি কমিয়ে সিলেবাস প্রকাশ   > কুয়াশায় মাওয়ায় বিধ্বস্ত ৭ গাড়ী, আহত অনেকে   > রিমান্ডে পিকে হালদারের তিন সহযোগী  

   বিশেষ খবর -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
টুঙ্গিপাড়ায় সাড়ে ৩৫শ’ পরিবার পাচ্ছেন নিরাপদ পানি

অংকন, কোটালীপাড়া (টুঙ্গিপাড়া) : গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ২টি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের স্থাপন করে পাইপ লাইনের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ করা হয়েছে। দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষ হওয়ায় শুস্ক মৌসুমে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া বাসীর সবচেয়ে দূর্ভোগের কারণ হলো খাল ও নদীর পানির লবণাক্ততা। ভৌগলিক কারণে এ উপজেলায় গভীর নলকূপও স্থাপন করা যায় না। অন্যদিকে অগভীর নলকূপের পানিতে মাত্রাতিরিক্ত আয়রণ ও আর্সেনিক থাকায় নিরাপদ পানির অভাবে ৩টি ইউনিয়নের ১০ ভাগ মানুষ ডায়রিয়া, আমাশয়, টায়ফয়েড সহ পানি বাহিত রোগে ভুগছিলেন দীর্ঘ দিন। এই সমস্যা সমাধানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর হয়নিরাপদ পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জম্মস্থান গর্বিত গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী ও কুশলী ইউনিয়নে প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন নির্মিত ২টি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের স্থাপন করে পাইপ লাইনের মাধ্যমে পরিবারে পরিবারে সুপেয় পানি সরবরাহ শুরু করেছে। টুঙ্গিপাড়া থেকে শুরু হওয়া এ প্রকল্পে পাটগাতী প্ল্যান্টে ঘন্টায় ১ লাখ ৫০ হাজার লিটার পানি উত্তোলন করে ?সকাল-বিকাল দুই বেলা ২ হাজার পরিবারকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে সংযোগ দিয়ে সুপেয় পানি সরবরাহ করা হচ্ছে এবং সদ্য সমাপ্ত হওয়া কুশলী প্লান্টে ঘণ্টায় ৫০ হাজার লিটার পানি উৎপাদন করে ?চলতি জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে কুশলী ও বর্ণি ইউনয়নের ১ হাজার ৫০০ পরিবারে সুপেয় পানি সরবরাহ করা হবে। সুবিধাভোগী এলাকাবাসীরা জানান, আমাদের নিরাপদ পানির বড় অভাব ছিল। এজন্য এলাকায় পানিবাহিত রোগব্যাধি লেগেই থাকত। এখন পানির প্লান্টের কারণে আমরা ভালো পানি পাচ্ছি। বাড়িতে পাইপ লাইনের মাধ্যমে সরকার পানি দিচ্ছে। রান্না, গোসল সহ বাড়ির সব কাজ এ পানি দিয়েই করছি। সুপেয় নিরাপদ পানি পেয়ে আমরা খুবই উপকৃত হয়েছি। এতো ভালো পানি দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ। পর্যায়ক্রমে গোপালগঞ্জ সদর, কোটালীপাড়া, কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এ প্লান্ট স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছে জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তর।

টুঙ্গিপাড়ায় সাড়ে ৩৫শ’ পরিবার পাচ্ছেন নিরাপদ পানি
                                  

অংকন, কোটালীপাড়া (টুঙ্গিপাড়া) : গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ২টি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের স্থাপন করে পাইপ লাইনের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ করা হয়েছে। দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষ হওয়ায় শুস্ক মৌসুমে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া বাসীর সবচেয়ে দূর্ভোগের কারণ হলো খাল ও নদীর পানির লবণাক্ততা। ভৌগলিক কারণে এ উপজেলায় গভীর নলকূপও স্থাপন করা যায় না। অন্যদিকে অগভীর নলকূপের পানিতে মাত্রাতিরিক্ত আয়রণ ও আর্সেনিক থাকায় নিরাপদ পানির অভাবে ৩টি ইউনিয়নের ১০ ভাগ মানুষ ডায়রিয়া, আমাশয়, টায়ফয়েড সহ পানি বাহিত রোগে ভুগছিলেন দীর্ঘ দিন। এই সমস্যা সমাধানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর হয়নিরাপদ পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জম্মস্থান গর্বিত গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী ও কুশলী ইউনিয়নে প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন নির্মিত ২টি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের স্থাপন করে পাইপ লাইনের মাধ্যমে পরিবারে পরিবারে সুপেয় পানি সরবরাহ শুরু করেছে। টুঙ্গিপাড়া থেকে শুরু হওয়া এ প্রকল্পে পাটগাতী প্ল্যান্টে ঘন্টায় ১ লাখ ৫০ হাজার লিটার পানি উত্তোলন করে ?সকাল-বিকাল দুই বেলা ২ হাজার পরিবারকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে সংযোগ দিয়ে সুপেয় পানি সরবরাহ করা হচ্ছে এবং সদ্য সমাপ্ত হওয়া কুশলী প্লান্টে ঘণ্টায় ৫০ হাজার লিটার পানি উৎপাদন করে ?চলতি জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে কুশলী ও বর্ণি ইউনয়নের ১ হাজার ৫০০ পরিবারে সুপেয় পানি সরবরাহ করা হবে। সুবিধাভোগী এলাকাবাসীরা জানান, আমাদের নিরাপদ পানির বড় অভাব ছিল। এজন্য এলাকায় পানিবাহিত রোগব্যাধি লেগেই থাকত। এখন পানির প্লান্টের কারণে আমরা ভালো পানি পাচ্ছি। বাড়িতে পাইপ লাইনের মাধ্যমে সরকার পানি দিচ্ছে। রান্না, গোসল সহ বাড়ির সব কাজ এ পানি দিয়েই করছি। সুপেয় নিরাপদ পানি পেয়ে আমরা খুবই উপকৃত হয়েছি। এতো ভালো পানি দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ। পর্যায়ক্রমে গোপালগঞ্জ সদর, কোটালীপাড়া, কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এ প্লান্ট স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছে জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তর।

ফুলপুরে ৭ গ্রামের একমাত্র ভরসা বাঁশের সেতু
                                  

সেলিম রানা, ফুলপুর (ময়মনসিংহ) : ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার গুপ্তেরগাঁও (কালিবাড়ী ঘাট) গ্রামে প্রায় ১৫ বছর ধরে বাঁশের তৈরী সাঁকো দিয়েই চলাচল করছেন গুপ্তেরগাঁওসহ ৭ গ্রামের মানুষ। সরজমিন পরিদর্শন করে জানা গেছে, ফুলপুর উপজেলার পয়ারী ইউনিয়নের গুপ্তেরগাঁও কালিবাড়ী ঘাট সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা খড়িয়া নদীর উপর স্থানীয়দের উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে প্রায় ১৬০ ফুট দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট একটি বাঁশের সাঁকো। প্রায় ১৫ বছর ধরে এই বাঁশের সাঁকো পাড়ি দিয়েই ফুলপুর সদরে যাতায়াত করে চলেছে ৭ গ্রামের ৩০ থেকে ৪০ হাজার মানুষ। এলাকাবাসীদের নিজস্ব উদ্যোগেই সর্বপ্রথম প্রায় এক যুগেরও বেশী সময় আগে উক্ত ঘাটে নদীর উপর ১৬০ ফুট দৈঘ্য বিশিষ্ট একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। যুগের পরিবর্তনে ও সময়ের তাগিদে অনেক কিছুর পরিবর্তন ঘটলেও একটি পাঁকা ব্রিজের অভাবে জীবনযাত্রার মানের পরিবর্তন ঘটেনি ৭ গ্রামের দূর্ভাগা মানুষদের। একটি পাঁকা ব্রিজ না থাকার কারণে উপজেলা সদরে যাতায়াতের জন্য জনগনের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজসহ কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষজন বর্ষাকালে এই নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়েই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় চলাচল করে থাকে। গুপ্তেরগাঁও গ্রামের নুরুল ইসলাম বলেন, এখানে একটি পাঁকা ব্রীজ না থাকায় এলাকার লোকজন ফুলপুর সদরের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারছেনা। এজন্য তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন প্রকার কৃষি পণ্য শহরে বাজারজাত করনে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাছাড়া উপজেলা সদর হাসপাতালে জরুরি রোগী যাতায়াতেও তাদের চরম সমস্যার সম্মুুখীন হতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি। পয়ারী ইউনিয়নের গুপ্তেরগাঁও গ্রামের আনারুল হক জানান, কৃষকরা তাদের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ও শুকনো মৌসুমে নদীতে পানি কম থাকায় ছেলে-মেয়েরা ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে পারলেও বর্ষা মৌসুমে বেশী ঝুঁঁকি নিয়েই পারাপার হতে হয় তাদের। এখন এলাকাবাসীর একটাই দাবী, উক্ত ঘাটে নদীর উপর একটি পাকা সেতু নির্মান করা হলে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য উপজেলা সদরে নিয়ে যাওয়া এবং উপজেলা সদরে থেকে কোনো পণ্য নিয়ে আসা সহজ হত। গুপ্তেরগাঁও গ্রামের আব্দুল ছালাম জানান, বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশরত্ব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ও মানুষের সার্থে নানা উন্নয়ন মূলক কাজ করে আসছেন। তাই ফুলপুরের উন্নয়নের রুপকার, বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী জনাব শরীফ আহমেদ এমপি মহোদয় যদি আমাদের এই বাঁশের সাঁকোটির দিকে একটু নজর দিতেন তাহলে ৭ টি গ্রামের মানুষের অনেক উপকার হত। উল্লেখ্য যে, এই ৭ গ্রামের বেশীর ভাগ মানুষজনই শাক-সবজ্বি ও তড়ি-তরকারী জাতীয় কৃৃষিজ পন্য উৎপাদন করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। এ বিষয়ে ৬ নং পয়ারী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মফিদুল ইসলাম জানান, গুপ্তেরগাঁও কালিবাড়ীঘাটে ব্রীজ স্থাপনের জন্য কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

৩৫৫ কোটি টাকার পণ্য আটক করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন
                                  

মনির হোসেন, মোংলা : দেশের উপকূলীয় জেলা খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও সুন্দরবন অঞ্চলের জনগনের সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন। বিশ্বের অন্যতম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট সুন্দরবনের চার ভাগের ৩ ভাগ এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ জোনের আওতাধীন এলাকা সমূহে স্থানীয় জনসাধারনের সার্বিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, চিকিৎসা সেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে কোস্টগার্ডে কর্মরত কর্মকর্তা- কর্মচারীরা। সুন্দরবন অঞ্চলের নদ- নদী ও মৎস্য সম্পদ সুরক্ষায় কাজ করছে এ বাহিনীর চৌকষ সদস্যরা। পাশাপাশি সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল মৎস্যজীবী, মৌয়াল, বাওয়ালী ও অন্যান্য পেশার দরিদ্র মানুষের একমাত্র ভরসার প্রতীক কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশিক আহম্মদ সিদ্দিক জানান, ২০২০ সালে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন তার এখতিয়ারভূক্ত এলাকাসমূহে চোরাকারবারকারী,পাচারকারী, অবৈধ জেলে আটক, তক্ষক, বিদেশী মদ, গাঁজা, ইয়াবা, হরিণের মাংস, মাথা ও চামড়া, অবৈধ বোট ও অবৈধ জাল আটকসহ বিভিন্ন অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করেছে যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৩৫৫ কোটি ৮০ লক্ষ ৮০ হাজার ৪ শত টাকা। এসময় কোস্টগার্ডের অভিযানে ৭৬ জন পাচারকারী, হরিণের ৬০ কেজি মাংস, ১টি মাথা ও ৫টি চামড়া, বিরল প্রজাতির ২টি তক্ষক সাপ , বিদেশী মদ ৩৫৯ বোতল, গাঁজা ৭ কেজি ৭০৫ গ্রাম, ইয়াবা ৩১৯ পিস, আগেয়াস্ত্র ২টি, ইঞ্জিনচালিত বোট ২৯টি, ছোট বোট ১৯টি সহ অবৈধ ১৫৬ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে বিভিন্ন প্রকারের জাল ও দঁড়ি। পাশাপাশি মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে জাটকা, চিংড়ি পোনা,ফাইসা পোনা ধরার নিয়মের ক্ষেত্রে কোস্টগার্ডের ভূমিকা অসামান্য।বঙ্গোপসাগরে দেশীয় জলসীমায় মৎস্য সম্পদ সুরক্ষা ও ভারতীয় জেলেদের উৎপাত ঠেকাতে কঠোর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ১ ডিসেম্বর কোস্টগার্ডের টহল জাহাজ `বিসিজিএস সোনার বাংলা` ও ২২ ডিসেম্বর `বিসিজিএস অপরাজেয় বাংলা` দেশীয় জলসীমায় মাছ শিকারের অপরাধে দুটি ট্রলারসহ মোট ৩৩ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করেছে। এসময় জব্দ করা হয়েছে বিপুল পরিমান জাল,দঁড়ি ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছ।২০২০ সালের মার্চ মাসে সারাদেশে যখন করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে তখনই কাজ হারিয়ে অসহায় কর্মহীন হয়ে পড়ে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের এখতিয়ারভূক্ত এলাকার কয়েক লাখ মানুষ। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী করোনাকালে স্থানীয়দের সচেতন করতে এবং তাদের ঘরে রাখার জন্য কোস্টগার্ড বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ১ এপ্রিল থেকে শুরু হয় কোস্টগার্ডের নিজস্ব তহবিল থেকে অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে ত্রাণ সহায়তা। ধাপে ধাপে চলতে থাকে এ কার্যক্রম। চরম দূর্দিনে ৫ হাজার পরিবারকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে কোস্টগার্ড সদস্যরা। করোনাকালের সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে এ বাহিনীর প্রতিটি সদস্য। দেশের ক্রান্তিলগ্নে জনগনের জন্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এ বাহিনীর অনেক সদস্য।মোংলা, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা ও সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় একটি বেইস ও ১৪টি স্টেশান নিয়ে পরিচালিত হয় কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের কার্যক্রম। এ বাহিনীর কঠোর নজরদারির কারনে সুন্দরবনে অনেকটাই বনদস্যু জলদস্যুদের উৎপাত কমে গেছে। মাদকের বিরুদ্ধে `জিরো টলারেন্স` নীতি গ্রহন করে এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কোস্টগার্ড আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করেছে যা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে। সমুদ্র এলাকায় চোরাচালানরোধে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের তৎপরতা চোখের পড়ার মত। ২০২০ সালে কয়েক দফা অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান ভারতীয় শাড়ি কাপড়, চোরাই ডিজেল, বিদেশী মদসহ চোরাচালানে সংশ্লিষ্ট চীনা নাগরিক ও দেশীয় অপরাধীদের আটক করেছে কোস্টগার্ড। এছাড়া বঙ্গোপসাগর প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল ও অন্যান্য বহু অনাবিষ্কৃত খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। এ সকল মৎস্য ও খনিজ সম্পদ রক্ষায় কোস্টগার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের জাহাজ `বিসিজিএস কামরুজ্জামান` ও `বিসিজিএস মুনসুর আলী`সহ অন্যান্য টহল জাহাজ সমূহ বঙ্গোপসাগরে দেশীয় সমুদ্র সম্পদ ও অপার সম্ভাবনায়ময় সুনীল অর্থনীতি সুরক্ষায় সমুদ্রের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

শুরু হচ্ছে পাইপড ওয়াটার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক
                                  

মো. রেজাউল করিমক (কক্সবাজার) : কক্সবাজারের উখিয়ায় ৪৩ হাজার লিটার পানি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন পাইপড ওয়াটার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক উদ্বোধন হয়েছে। সর্বাধিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বৃহৎ ওয়াটার সাপ্লাই নেটওয়ার্ক প্রকল্পের আওতায় এতে ৬শ’ ২৭ পরিবার পানি ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছে।
জানা যায়, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ইউনিসেফের যৌথ সহযোগিতায় ওয়াশ প্রোগ্রামের অংশ হিসাবে পাইপড ওয়াটার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক বাস্তবায়ন করা হয়েছে। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী আল আমিন বিশ্বাস জানান, ওয়াটার সাপ্লাই নেটওয়ার্কের আওতায় উপজেলা সদরে ৮ হাজার ৯২ জন উপকারভোগী বিশুদ্ধ পানি ব্যবহারের সুযোগ পাবে। তন্মধ্যে ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ১টি মসজিদ ও ১৫১টি দোকান রয়েছে । এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের ডরমেটরি ও কোয়াটারে বসবাসরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী চালু হওয়া নেটওয়ার্ক প্রকল্পের মাধ্যমে পানি ব্যবহারের সুযোগ পাবে। তিনি আরও বলেন, বৃহৎ এ নেটওয়ার্কের আওতায় প্রতিদিন দুই বার অর্থাৎ ৮৬ হাজার লিটার পানি সরবরাহ করবে।
এদিকে গতকাল মঙ্গলবার সকালে ওয়াটার সাপ্লাই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন বর্তমান সরকার সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে নিরাপদ পানি ব্যবহার ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে গভীর নলকূপ স্থাপনের পাশাপাশি সর্বাধিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওয়াটার সাপ্লাই নেটওয়ার্ক চালু একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তবে নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য নিয়মিতভাবে পানির গুণগত মান পরীক্ষা এবং উপকারভোগী জনগোষ্ঠীকে নিরাপদ পানি সংগ্রহ, বহন ও সংরক্ষণে সচেতন হতে হবে। গত মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ইউনিসেফের আর্থিক সহযোগিতায় এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ কর্তৃক বাস্তবায়িত জিওবি ইউনিসেফ ওয়াশ প্রোগ্রামের আওতায় উখিয়া উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স চত্বরে স্থাপতি পাইপড ওয়াটার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: আল আমিন বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফ-এর ওয়াশ স্পেশালিষ্ট জাহিদুল মামুন, রাজা পালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, উখিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাঈদ মো. আনোয়ার, উখিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার সুব্রত কুমার ধর, এনজিও ফোরামের প্রশিক্ষণ সেল প্রধান সৈয়দ ওয়ালিউল ইসলাম ও উখিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক ফারুক আহমদ।
মো. মোশারফ হেসেন, প্রকল্প সমন্বয়কারী এনজিও ফোরাম এর উপস্থাপনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তরিকুল ইসলাম, সিনিয়র টেকনিক্যাল ম্যানেজার ও প্রজেক্ট ফোকাল, এনজিও ফোরাম, মেম্বার খুরশিদা বেগম, ছালাম শিকদার, সহসভাপতি, টাই পালং ওয়াটার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়াক, আরিফুর রহমান সুজন, কোষাধ্যক্ষ, হরিণমারা ওয়াটার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক প্রমুখ এবং প্রকল্পের পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন এ.কে.এম. হুমায়ুন কবির, টীম লীডার, এনজিও ফোরাম। উল্লেখ্য, জিওবি-ইউনিসেফ ওয়াশ প্রোগ্রামের আওতায় রাজাপালং ইউনিয়নের টাইপালং, হরিণমারা ও উপজেলা পরিষদ চত্বরে মোট তিনটি ওয়াটার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়েছে যেখান থেকে প্রায় ১৮ হাজার উপকার ভোগী নিয়মিত নিরাপদ পানি ব্যবহারের আওতায় আসবে।

বাঁশের সাঁকোই ভরসা নিতাই নদে
                                  

হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের ভেতর দিয়ে চলে গেছে নিতাই নদ। প্রায় ২০ গ্রামের হাজারো মানুষ চলাচল করেন এ সাঁকো দিয়ে। ভারতের মেঘালয় থেকে আসা উপজেলার ঘোষঁগাও বাজারের পূর্ব উত্তর দিয়ে বয়ে চলা প্রমত্তা এই নদের কালিকাবাড়ি ঘাটে পাঁকা সেতুর অভাবে দীর্ঘযুগ ধরে দুভোর্গ পোহাচ্ছেন কয়েক হাজার মানুষ। তারা শুষ্ক মৌসুমে বাঁশের সাঁকো ও বর্ষায় নৌকা দিয়ে চলাচল করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেতু না থাকায় তৈরি বাঁশের সাঁকো দিয়ে দক্ষিণ মাইজপাড়া ও ঘোষগাঁও এই দুই ইউনিয়নের কড়ই গড়া, কালিকাবাড়ি, রাম সিংহপুর, কাশিপুর, বাগপাড়া, ঘিলাগড়া, ছোট মুন্সিপাড়া,রানীপুর, নয়াপাড়া, ঘোষঁগাও, ভালুকাপাড়াসহ ২৭ টি গ্রামের মধ্যে প্রায় ২০ গ্রামের হাজারো মানুষ চলাচল করেন। সাঁকোর আশপাশে রয়েছে ২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২ টি উচ্চ বিদ্যালয়, ৩ টি কলেজ ও ৩ টি মাদাসার প্রায় ১ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী। এ ছাড়াও প্রতিদিন বাঁশের সাঁকো দিয়ে মোটরসাইকেল, ঠেলা গাড়ি, রিক্সা খুব ঝুঁকি নিয়ে নদ পার হয়। এলাকার উৎপাদিত ফসলও বাজারজাত হয় অনেক কম দামে। বাজারে পণ্য আনা নেওয়ার ক্ষেত্রে দ্বিগুণ খরচ করতে হয় ব্যবসায়ীদের। আগে এই সাঁকো দিয়ে পারাপার করতে টাকা দিতে হতো। বর্তমান তা বন্ধ থাকলেও সেতু না হওয়ায় ভোগান্তি কমছে না সাধারণ মানুষের। দুর্ভোগের বিষয়ে জানতে কালিকাবাড়ীর বাজারের ব্যবসায়ী বোরহান উদ্দিন বলেন, আমাদের এলাকায় এমন গুরুত্বপূর্ণ সাঁকো আর একটিও নেই। এখানে হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন চলাচল করেন। আমরা একাধিকবার প্রশাসনের কাছে সেতু নির্মাণের জন্য দাবি জানিয়েছি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সাঁকো ব্যবহারকারী ভালুকাপাড়া এলাকার বয়োবৃদ্ধ গিয়াস উদ্দিন বলেন, আর বলে কি হবে। আমরা এখন হতাশ। দাবি আর কার কাছে জানাবো। আমাদের ছেলে মেয়েরা ঝুঁকি নিয়ে স্কুল ও মাদ্রাসায় যাওয়া আসা করে। আমাদের পণ্য আনতে দ্বিগুণ টাকা গুনতে হয়। সাঁকো দিয়ে পার হলে মনে হয় এই বুঝি নদীতে পরে গেলাম। আমরা এখানে সেতু নির্মাণের জোর দাবি জানাচ্ছি। সেতু নির্মাণের বিষয়ে ধোবাউড়া এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী শাহিনুর ফেরদৌস বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, কালিকাবাড়ী ঘাটে ১২০ মিটার সেতু তৈরিতে একটি প্রস্তাবনা রয়েছে। এটি খুবই বড় প্রজেক্ট। সেটি একনেকে পাশ হলেই পরবর্তী প্রক্রিয়ায় কাজ হবে।

পায়ে হেঁটেই তিস্তা পার আবাদ হচ্ছে বিভিন্ন ফসল
                                  

রংপুর প্রতিনিধি : এক সময়ের খরস্রোতা তিস্তা নদীতে এখন হাঁটু পানি। কিছুদিন আগেও নৌকা যোগে তিস্তা পাড়ি দিতে হয়েছে। এখন পানি না থাকায় পায়ে হেঁটেই পারাপার হচ্ছে দুই পাড়ের বাসিন্দারা। নদীর বিভিন্ন স্থানে জেগে উঠেছে অসংখ্য চর-ডুবোচর। পানিপ্রবাহ না থাকায় নৌপথ প্রায় বন্ধের পথে। প্রতিদিনেই পানি কমতে থাকায় নদী শুকিয়ে এখন আবাদি জমিতে রূপ নিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নে তিস্তা নদীর চরাঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, পায়ে হেঁটেই তিস্তা পাড়ি দিচ্ছে দুই পাড়ের বাসিন্দারা। তিস্তার বুকে জেগে ওঠা ধু ধু বালুচরে এখন সবুজের সমারোহ। পানিপ্রবাহ না থাকায় ও পলি জমে এক সময়ের খরস্রোতা তিস্তা নদী আবাদি জমিতে পরিণত হয়েছে। কৃষকরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন ফসল পরিচর্যায়।
তিস্তা পাড়ের বাসিন্দারা জানান, তিস্তা নদী এখন অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষা মৌসুমে পানির প্রয়োজন নেই তবুও সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে যায়। আবার শুষ্ক মৌসুমে যখন পানির প্রয়োজন তখন পাওয়া যাচ্ছে না।
উলিপুর থেকে পায়ে হেঁটেই বেশির ভাগ নদী পাড়ি দিয়ে আসা গাবুরা গ্রামের আজিরন নেছা জানান, `তিস্তাতে এখন কোথাও হাঁটুপানি, কোথাও আরো কম। নদীতে একাধিক পথ তৈরি হয়েছে। কোথাও হেঁটেই যাওয়া যায় আবার কোথাও সামান্য একটু নদী নৌকা দিয়ে পার হতে হয়। শিবদেব চরের কৃষক মতিয়ার রহমান বলেন, তিস্তা শুকিয়ে যাওয়ায় চরে এখন বিভিন্ন ফসলের আবাদ হচ্ছে। চরের পলি ও দো-আঁশ মাটিতে চাষাবাদ হচ্ছে পিঁয়াজ, রসুন, বাদাম, মিষ্টি কুমড়া, ভুট্টা ও গমসহ নানা জাতের ফসল। তবে তিস্তা নদীতে পানি শুকিয়ে যাওয়ায় বোরো চাষিরা বিপাকে রয়েছেন সবচেয়ে বেশি। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় বোরো চাষ কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় পানিয়াল ঘাটের মাঝি হাসমত আলী বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারো তিস্তা পানি শূন্য হয়ে পড়েছে। আগের মতো নৌকা চালানো যাচ্ছে না। ফলে লোকজন পায়ে হেঁটে তিস্তা পাড়ি দিচ্ছে। জানতে চাইলে পীরগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামিমুর রহমান বলেন, `গত কয়েক বছর থেকে শুষ্ক মৌসুমে তিস্তায় পানি প্রবাহ থাকে না। ফলে কৃষকেরা বিপাকে পড়ছে। তবে তিস্তার জেগে ওঠা চরে এখন বিভিন্ন ফসলের আবাদ হচ্ছে।

কৃষকদের মাঠ ভ্রমণের আয়োজন করলে প্রশিক্ষণ ফলপ্রসূ হবে: জেলা প্রশাসক, কুষ্টিয়া
                                  

জাকের আলী শুভ, ব্যুরো : উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এবং উপজেলা পরিষদ কুমারখালী এর আয়োজনে অপ্রচলিত এবং উচ্চমূল্য ফসলের উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণ বিষয়ক ৩দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ গত ২৭-২৯ ডিসেম্বর কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা পরিষদ হলরুমে এবং ২৯ ডিসেম্বর প্রশিক্ষণের শেষদিনে মাঠ প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ের বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণের শেষদিনে ঝিনাদহের মহেশপুর উপজেলার চাপাতলা কমলাবাগানে প্রশিক্ষনার্থী ৬০ জন কৃষককে কমলা চাষের উপর ব্রিফ করা হয়। এসময়ে কমলা বাগানের মালিক রফিকুল ইসলাম এবং মহেশপুরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কৃষকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং কমলা চাষের সফলতার কাহিনী শোনান। মাঠ ভ্রমনের প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া জেলার জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেন। প্রধান অতিথি বলেন উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণ খুবই কার্যকরী হবে বলে আমি আশাকরি। শুধু ক্লাস রুম ভিত্তিক প্রশিক্ষণ নয় হাতে কলমে বা কৃষকদের এধরণের মাঠ ভ্রমণের আয়োজন করলে প্রশিক্ষণ ফলপ্রসূ হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সকল জমি উৎপাদনের কাজে লাগোতে হবে। মাঠ ভ্রমনে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কুমারখালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খান, কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীবুল ইসলাম খান, মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ^াশতী রানী শীল, কুমারখালী উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ দেবাশীষ কুমার দাশ, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মেরিনা আক্তার মিনা। ইউজিডিপি প্রকল্পের উপজেলা ডেভলপমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর বিপ্লব কুমার সাহা। কুমারখালী উপজেলার ৬০ জন কৃষক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। কৃষকরা প্রশিক্ষনে তাদের জ্ঞান কাজে লাগানোর অঙ্গীকার করেন।

পদ্মার দুর্গম চরে বিদ্যুতের আলো
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : পদ্মার দুর্গম ৮০ বছরের পুরোনো চর কাঁচিকাটা। চরটি শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার কাঁচিকাটা ইউনিয়নে অবস্থিত। চরের চারদিক দিয়ে পদ্মা নদী। নৌপথই যাতায়াতের একমাত্র ভরসা। সেই দুর্গম চরে গত মঙ্গলবার বিদ্যুতের আলো জ্বলেছে। পদ্মার তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে ওই চরে নেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ। চরটি শরীয়তপুর জেলা শহর থেকে সড়কপথে ভেদরগঞ্জের দুলারচরের দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার। এরপর ১৫ কিলোমিটার পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে কাঁচিকাটা। ওই চরের বাসিন্দারা বিদ্যুৎ পেয়ে তাদের ঘরে ঘরে আনন্দ উল্লাস করছে। অনেকে বসতঘর সাজিয়েছে। ঘরে টিভি ও রেফ্রিজারেটর এনে রেখেছেন। মঙ্গলবার কাঁচিকাটা ইউনিয়নের ১ হাজার ৬৮ পরিবারকে বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া হয়। শরীয়তপুর-২ আসনের সাংসদ ও পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক বিদ্যুৎ–সংযোগের উদ্বোধন করেন। মুন্সিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শরীয়তপুর জেলার ওপর দিয়ে পদ্মা নদী প্রবাহিত হয়েছে। পদ্মা নদী ভেদরগঞ্জের কাঁচিকাটা, নড়িয়ার চরআত্রা, নওপারা ও জাজিরার কুণ্ডেরচর ইউনিয়নকে বিচ্ছিন্ন করেছে। ওই ৪টি ইউনিয়নের ৭৯টি গ্রামে অন্তত এক লাখ মানুষের বসবাস। চরগুলোতে নৌপথে যাতায়াত করতে হয়। ওই চরগুলোতে বিদ্যুৎ–সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেন স্থানীয় সাংসদ ও পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক। কিন্তু শরীয়তপুর থেকে পদ্মা নদী পেরিয়ে চরে বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। তখন মুন্সিগঞ্জ থেকে পদ্মার তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন কেবলের সাহায্যে বিদ্যুৎ আনার সিদ্ধান্ত হয়। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে চরে বিদ্যুতায়নের কাজ শুরু হয়। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি নড়িয়ার চরআত্রা ও নওপারা ইউনিয়নে প্রথম সংযোগ দেওয়া শুরু হয়। মুন্সিগঞ্জের দিঘীর পার থেকে নড়িয়ার নওপারার পদ্মা নদীর দূরত্ব এক কিলোমিটার। ওই এক কিলোমিটার নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন কেবলের সাহায্যে বিদ্যুৎ আনা হয় নওপাড়া ১০ এমিভিএ সাবস্টেশনে। সেখান থেকে ৪২৭ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে চরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। চরআত্রা, নওপাড়া, কুণ্ডেরচর ও চাঁদপুরের একলাশপুর ইউনিয়নে ৪ হাজার ৫৬০ পরিবারকে বিদ্যুৎ–সংযোগ দেওয়া হয়েছে। আর গতকাল মঙ্গলবার কাঁচিকাটা ইউনিয়নের ১ হাজার ৬৮ পরিবারকে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ওই চরগুলোতে আরও ১৮ হাজার ৫০০ পরিবারকে বিদ্যুৎ–সংযোগ দেওয়া হবে। কাঁচিকাটা ইউনিয়নের চরজিংকিং এলাকার একাধিক বাসিন্ধা বলেন, চরে বিদ্যুতের আলো জ্বলবে তা কল্পনাও করতে পারেননি। এখন চরের মানুষের জীবনযাত্রার মানের পরিবর্তন হবে। বোরকাঠি এালাকার বাসিন্দা দিদারুল ইসলাম বলেন, ‘নৌপথ ছাড়া চর থেকে আমরা বের হতে পারি না। কোনো নাগরিক সুবিধা পাই না। সেই চরে আজ বিদ্যুতের আলো জ্বললো। আমরা অনেক আনন্দিত। শরীয়তপুরের পদ্মার চরাচঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্য সাবস্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে। কাঁচিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নুরুল আমীন বলেন, চারদিক দিয়ে নদী, নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে সংগ্রাম করে চরের মানুষ বেঁচে আছে। অনেক দুঃখ–কষ্ট চরের বাসিন্দাদের সঙ্গী। সেই চরে বিদ্যুতের আলো আসার খবরে আনন্দের বন্যা বইছে। সখিপুর থানা আওয়ামী লীগের তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ফজলুল হক কাওসার মোল্যা বলেন, গত সংসদ নির্বাচনের সময় চরবাসীর দাবী ছিল বিদ্যুৎ–সংযোগ পাওয়ার। পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক সাংসদ হওয়ার পর চরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করেছেন। মুন্সিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক এ এইচ এম মোবারক উল্লাহ বলেন, পদ্মা নদীর তলদেশ দিয়ে বিদ্যুতের লাইন নেওয়া অনেক চ্যালেঞ্জের ছিল। চরে সঞ্চালন লাইন বসানো অনেক কঠিন। নদীভাঙন, নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করে কাজ করতে হচ্ছে। তিনি ভাবতে পারেননি এতো স্বল্প সময়ে চরের অন্তত পাঁচ হাজার পরিবারকে বিদ্যুৎ–সংযোগ দিতে পারবেন। পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ছিল গ্রামের মানুষকে শহরের সেবা পৌঁছে দেওয়া। সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন। কেউ কখনো বিচ্ছিন্ন চরের মানুষের উন্নয়ের দিকে ফিরে তাকায়নি। চরের মানুষের জীবনমানের উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ–সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়, দুর্গম চরাঞ্চলে বিদ্যুৎ যায়। বিএনপির ক্ষমতায় থাকলে মানুষ নির্যাতন, জুলুম ও অত্যাচারিত হয়। বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারকে বার বার ক্ষমতায় আনতে হবে। তাহলে দেশ এগিয়ে যাবে। দুর্গম চরাঞ্চলে ৮০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করলাম। বিদ্যুতের আলো জ্বালিয়ে ২১ গ্রামের প্রায় ১০ হাজার ৬৮ জন গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্বোধন করা হলো।

রাজবাড়ীর পেঁয়াজকলি যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে
                                  

আতিয়ার রহমান, রাজবাড়ী : রাজবাড়ীতে দেশের উৎপাদনের ১৪ শতাংশ পেঁয়াজ উৎপাদন হয় । বর্তমানে মাঠে আবাদী মূলকাটা পেঁয়াজ রয়েছে। সবজিতে পেঁয়াজ যেমন গুরুত্বপূর্ণ একটা অনুসঙ্গ তেমনি পেঁয়াজের ফুলও বাড়তি সবজি ও পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে সব ধরনের তরকারিতে। পেঁয়াজের পরিবর্তে ফুল ব্যবহার করা হয় তরকারি রান্নার কাজে। মুলকাটা এ পেঁয়াজ থেকে বাড়তি সবজি হিসেবে পেঁয়াজের ফুল বিক্রি করা হচ্ছে। এতে পেঁয়াজ চাষিদের আবাদের বড় একটি খরচের অংশ উঠে যাচ্ছে পেঁয়াজ ফুল বিক্রি করে। এক বিঘা মূলকাটা পেঁয়াজ ক্ষেত থেকে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার পেঁয়াজ ফুল পাওয়া যায়। উৎপাদিত পেঁয়াজ ফুল গোয়ালন্দের জামতলার হাট থেকে পাইকাররা কিনে দেশের বিভন্ন স্থানে যাচ্ছেন বিক্রি করার জন্যে। রাজবাড়ীর ৫ উপজেলার মধ্যে সদর উপজেলা , বালিয়াকান্দি, গোয়ালন্দ, কালুখালী ও পাংশা উপজেলাতে পেঁয়াজ চাষ হয়। তবে মুলকাটা পেঁয়াজের বেশির ভাগ অংশ আবাদ হয় সদর, বালিয়াকান্দি ও গোয়ালন্দ উপজেলার ফসলী মাঠে। আর এ মুল কাটা পেঁয়াজ থেকে বাড়তি পেঁয়াজের ফুল পাওয়া যায়, যা থেকে কৃষকদের বাড়তি খরচের একটি বড় অংশ আসে পেয়াজের এ ফুল বিক্রি করে। রাজবাড়ী জেলার উৎপাদিত পেঁয়াজের ফুল ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকারা এসে কিনে নিয়ে বিক্রি করেন বিভিন্ন স্থানে। বর্তমানে প্রতি প্রতি কেজি পেঁয়াজ ফুল ২০ থেকে ২৫ টাকা ও প্রতি মণ ৮ শত টাকা থেকে ১০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন বাজারে। গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচড় ইউনিয়নের জামতলার হাট ও চেয়ারম্যান বাজারে ঢাকা সহ বিভিন্ন জেলার পাইকাররা এসে পেঁয়াজের ফুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। মূলকাটা পেঁয়াজ আবাদে বাড়তি ফুল বিক্রি করে কৃশকদের বাড়তি আয় যোগ হচ্ছে পেয়াজ উৎপাদনে। প্রথম দিকে পেঁয়াজের ফুল প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে। কৃষকেরা বলেন, মুলকাটা পেয়াজ চাষ করে তারা বাড়তি আয় হিসেবে পেঁয়াজের ফুল বিক্রি করে খরচের বড় একটা অংশ উঠছে তাদের। এক বিঘা জমি থেকে তারা পেঁয়াজের সাথে বাড়তি ৫ থেকে ৬ মণ পেঁয়াজ ফুল পাচ্ছেন। বিঘা প্রতি তারা ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা পেঁয়াজ ফুল বিক্রি করতে পারছেন।প্রথম দিকে প্রতি কেজি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ব্যাবসায়ীরা বলেন, গোয়ালন্দের জামতলার হাট থেকে তারা পেঁয়াজের ফুল কিনে নেন প্রতি মণ ৮ শত টাকা থেকে ১ হাজার টাকা মণ দরে। প্রতি কেজি ২০ থেকে ২৫ টাকায় তারা কিনতে পারছেন। এখান থেকে কিনে তারা ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিচ্ছেন বিক্রি করার জন্যে। বর্তমানে তারা কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা লাভ করতে পারছেন। আর মণ প্রতি তাদের লাভ হচ্ছে ৪ থেকে ৫ শত টাকা। প্রতিবছর তারা গোয়ালন্দের জামতলার হাট থেকে তারা এ পেঁয়াজের ফুল পাইকারি দরে ক্রয় করেন। গোপাল কৃষ্ন দাস-উপ-পরিচালক কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর রাজবাড়ী,-তিনি বলেন রাজবাড়ীতে এবছর মুলকাটা পেঁয়াজের আাদ হয়েছে ৫ হাজার হেক্টরেরও বেশি। আর এ পেঁয়াজ থেকে কৃষকেরা পেঁয়াজ ও পেঁয়াজের ফুল বা সবজি হিসেবে দুইভাবে ফলন পেয়ে লাভবান হয়ে থাকেন। পেঁয়াজের ফুল বিক্রি করে তাদের প্রচুর পরিমানে বাড়তি আয় হয়ে থাকে। রাজবাড়ীতে তিন ধরনের পেঁয়াজের মধ্যে মুলকাটা,হালি ও বীজ উৎপাদিত কদম পেঁয়াজ উৎপাদন হয়ে থাকে পেঁয়াজ ফুল বিক্রি করে এবছর কৃষকেরা ভালো লাভবান হচ্ছেন।

মুজিবনগর ভাস্কর্য রক্ষায় নিরাপত্তা জোরদার
                                  

নুহু বাঙ্গালী, মেহেরপুর : মুজিবনগর কমপ্লেক্সে ভাস্কর্য রক্ষায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃংখলা রক্ষাকালী বাহিনীর টহলের পাশাপাশি স্থাপন করা হয়েছে ১৩ টি সিসিটিভ ক্যামেরা। ক্যামেরাগুলোর ভাস্কর্য ও সারাদেশ থেকে আগত দর্শনার্থীসহ মুজিবনগর কমপ্লেক্সে অবস্থানরত প্রত্যেককে পর্যবেক্ষনের মধ্যে রাখা সম্ভব বলে জানিয়েছেন মুজিবনগর উপজেলা প্রশাসন। সুত্র মতে, বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী, স্বাধীনতার সূতিকাগারের স্বীকৃতি হিসেব ১৯৮৮ সালে নির্মান করা হয় স্মৃতিসৌধ। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ১৯৯৬ সাল থেকে তিন ধাপে শত কোটি টাকা ব?্যায়ে র্নিমাণ করা হয় মুজিবনগর কমপ্লেক্স। শেষ ধাপে ২০০৫-২০১১ সালে সেখানে নির্মিত হয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নানা ভাস্কর্য।
বর্তমানে মুজিবনগর কমপ্লেক্সের ভিতরে ও বাহিরের দিকে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চেও ভাষণ, তৎকালীন সরকারের শপথ, ১৬ ডিসেম্বরে পাকিস্থানীদের আত্মসমর্পণের ভাস্কর্য?সহ মুক্তিযুদ্ধের উল্লেখযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার ৬০০ টি ছোট বড় ভাস্কর্য রয়েছে। মুজিবনগর কমপ্লেক্সের এসকল গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ সকল ধরনের নিরাপত্তার জন্য বতর্মান সময়ে সিসিটিভি স্থাপন করেছে গণপুর্ত বিভাগ সেই সাথে মেরামত করা হয়েছে বিকল লাইট পোস্টগুলি। মুজিবনগরে বেড়াতে আসা গাংনীর মাহাবুব আলম জানান, যেখানেই সিসি ক্যামেরা স্থাপন রয়েছে সেখানেই অপরাধ কমেছে এবং সংঘটিত ঘটনার আলামত ও অপরাধিরা চিহ্নিত হয়েছে। সেহেতু মুজিবনগর কমপ্লেক্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক?্যামেরা স্থাপন করায় নিরাপত্তা বেশি মজবুত হয়েছে। একই মন্তব্য করেছেন মুজিবনগর কমপ্লেক্স চত্বরে ঝাল-মুড়ি বিক্রেতা সোহেল রানা। তিনি আরো জানান, এখানে অনেক মানুষ ঘুরতে আসে বিভন্ন এলাকা থেকে। ঘোরার সময় তারা ভাস্কর্যের সাথে ছবি উঠানোর জন?্য তারা খুব কাছে চলে যায়। তবে যখন থেকে ক্যামেরা লাগাচ্ছে তখন থেকেই সকলেই দুরে দাড়িয়েই ছবি তোলে। মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন সরকার জানান, কিছুদিন আগে কুষ্টিয়ায় নির্মাধীন ভাস্কর্য ভেঙ্গে দেওয়ার ঘটনায় মুজিবনগর কমপ্লেক্সের মধ্যে থাকা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ ভাস্কর্য রক্ষার্থে আমাদের বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে পুলিশ বিভাগ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, আনসার বাহিনীসহ সাদা পোশাকের আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তায় কাজ করছে। বতর্মানে সশস্ত্র আনছার সদস্যরা পালাক্রমে দিন রাত দায়িত্ব পালন করছেন। গণপূর্ত বিভাগের পক্ষ থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এতে ভাস্কর্যসহ মুজিবনগর কমপ্লেক্সের সকল কিছুর নিরাপত্তায় প্রযুক্তিগত ভাবে নিশ্চয়তা পেয়েছে।

রায়গঞ্জে একটি বাঁশের সাকো দিয়ে পাঁচ হাজার লোকের চলাচল
                                  

রেজাউল করিম, (রায়গঞ্জ) সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জের হাট পাঙ্গাসী ইউনিয়নের রামেশ্বর গাতি ও মাটি কোড়া গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালে র্নিমিত একটি বাশেঁর শাকো প্রায় পঁচিশ বছর ধরে মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। প্রতিদিন শতশত সাধারন মানুষ ও স্কুল কলেজ মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রী এইবাশেঁর সেতু পার হয়ে হাট বাজার ও বিভিন্ন প্রতিষ্টানে যাতায়াত করে থাকে। গতকাল রোববার সরেজমিনে গিয়ে জানাযায় মাত্র চারটি বাঁশ দিয়ে পাচঁশত ফুট র্দীঘ এই সেতুটি র্নিমাণ করা হয়েছে। মাঝে মাঝে সেতুটি ভেঙ্গে গেলে এলাকার সাধারণ জনগণ বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাঁদা তুলে এটি মেরামত করা হয়। এব্যাপারে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আশরাপুল ইসলাম বলেন এখানে একটি বড় আকারের ব্রীজ র্নিমাণের জন্য আমি ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা পর্যায়ে জরুরিভাবে আলোচনা করেছি এবং ব্রীজ র্নিমাণের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এদিকে এলাকার সর্বস্তরের জনগণের প্রানের দাবি সরকার যেন খুব দ্রুত এখানে একটি ব্রীজ র্নিমাণ করে দেন।

খাল থেকে বালু উত্তোলনের সড়কে ধস
                                  

বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটের চিতলমারীতে খাল থেকে বালু উত্তোলনের ফলে নালুয়া-ভোলা সড়কের কয়েকশ ফুট ধ্বসে গেছে। ঝুকিতে রয়েছে আরও অর্ধ কিলোমিটার সড়ক। চিতলমারী উপজেলার গুরুত্বপূর্ন এই সড়ক ধ্বসে যাওয়ায় জন দূর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। ঝুকি নিয়ে ভ্যান, অটো, বাইসাকেল ও মটর সাইকেল চললেও বন্ধ রয়েছে বড় যানবাহন চলাচল। বালু উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত দুটি ড্রেজার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বালু উত্তোলনকারীদের শনাক্ত ও অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটিকে চলাচলের উপযোগী করার আশ^াস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মারুফুল আলম। স্থানীয়রা জানান, ৪ কিলোমিটারের নালুয়া-ভোলা সড়কটির পাশে রয়েছে ৩০ থেকে ৪০ ফুট চওড়া হক ক্যানেল (কাটাখাল)। এই ক্যানেলের বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয়ভাবে তৈরি ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হয়েছে। বালু উত্তোলনের ফলে ক্যানেলের গভীরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় গত শুক্রবার সকালে সড়কের বড়বাড়িয়া মোহাম্মাদ আলীর বাড়ির সামনের রাস্তায় ফাটল দেখা দেয়। সোমবার নাগাদ রাস্তার অর্ধেক জুড়ে প্রায় দেড়শ থেকে দু‘শ ফুট ক্যানেলের পাশ থেকে ধ্বসে গেছে। এতে ওই স্থান থেকে বড় যান বাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঝুকির মধ্যে রয়েছে প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক। যা যেকোন সময় ধ্বসে পড়তে পারে। অন্যদিকে বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ড খালটি স্কাভেটর দিয়ে খনন করেছে। সড়কের কোল ঘেষে স্কাভেটর চালনা করে খাল খননেও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে গুরুত্বপূর্ন এই সড়কটি। এভাবে কয়েকদিন চলতে থাকলে এবং খালের পানি আরও কমলে সম্পূর্ণ রাস্তা ধ্বসে যাওয়ার সঙ্কা রয়েছে। যেকোন মূল্যে সড়কটিকে চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন তারা। সড়ক সংলগ্ন গোলা এলাকার লিটন শেখ বলেন, আমার বাড়ির সামনের খাল থেকে বালু উত্তোলন করে বালু বিক্রি করেছে কে বা কারা। গোলা কবর স্থান, রবিউলসহ বিভিন্ন জায়গায় এই বালু বিক্রি করেছেন। বালু উত্তোলন করায় রাস্তায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। রাস্তা ভেঙ্গে গেলে আমার বাড়িও বিলীন হবে এই খালে। স্থানীয়রা জানান, এই খালে ড্রেজার বসিয়ে বালু উঠিয়ে বিভিন্ন লোক ও প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। বারবার নিষেধ করা হলেও তিনি কোন তোয়াক্কা করেননি। এখন জনগুরুত্বপূর্ন এই রাস্তাটি খালে বিলীন হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। মোহাম্মাদ আলীর বাড়ির সামনে থেকে ধ্বসের ফলে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে। ভ্যান ও অটোতে যারা চলছে তারাও এক ধরণের ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে। গত রাতেও একটি অটো উল্টে এক শিশু ও তার মা আহত হয়েছেন। এভাবে চলতে থাকলেও আরও বড় দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এক ধরণের জোড় জবরদস্তি করে খালের বালু খনন করে যারা এত বড় ক্ষতি করল আমাদের তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু কাটার জন্য এই রাস্তা ভেঙ্গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য কায়েম আলী। চিতলমারী উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলেনা পারভীন বলেন, রাস্তাটি ধ্বসের ফলে জনগন মারাত্মক দূর্ভোগে পড়েছে। যাদের বালু উত্তোলনের ফলে সড়ক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, তাদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই। চিতলমারী উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাবেরা কামাল স্বপ্না বলেন, আমরা সড়কটি পরিদর্শণ করেছি। এখানে চলাচলে মানুষের দূর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে। যারা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
ইউপি চেয়ারম্যান সরদার মাসুদুর রহমান বলেন, যারা বালু উত্তোলন করেছেন তাদেরকে খূজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মারুফুল আলম বলেন, বিভিন্ন সময় স্থানীয়রা ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন ও খাল খননের ফলে সড়কটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আমি সড়কটি পরিদর্শণ করেছি। ঘটনাস্থল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত স্থানীয়ভাবে তৈরি দুটি ড্রেজার মেশিন ও আনুসঙ্গিক মালামাল জব্দ করেছি। কিন্তু ওই ড্রেজার মেশিনের কোন মালিক পাওয়া যায়নি। জব্দ করার পরে কেউ ড্রেজারের মালিকানাও দাবি করেননি। সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে আমরা এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলেছি। যত দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্ভব সড়কটিকে চলাচলের উপযোগী করা হবে। তিনি আরও বলেন, রাস্তা ধ্বসের বিষয়টি নিয়ে আমি জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায়ও কথা বলব। রাস্তার ধ্বসের প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।

এসটিআই আন্তর্জাতিক সম্মেলন গ্রিণ ইউনিভার্সিটিতে আজ শুরু
                                  

স্টাফ রিপোর্টার :

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার শিক্ষাবিষয়ক ‘এসডিজি-৪’ অর্জনে কার্যকর কৌশল নির্ধারণের অংশ হিসেবে আজ শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘সাসটেইনেবল টেকনোলজিস ফর ইন্ডাস্ট্রি (এসটিআই) ৪.০’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন। গ্রিণ ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ কর্তৃক আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলন উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এমপি। সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি। চলমান মহামারী থেকে সুরক্ষা ও নিরাপত্তার লক্ষ্যে সম্মেলনে সরাসরি অংশগ্রহণের পাশাপাশি ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মেও বিশে^র ২৯টি দেশ থেকে কয়েক শতাধিক শিক্ষক-গবেষক যুক্ত থাকবেন। সম্মেলনটি স্পন্সর করেছে আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি গ্লোবাল। এতে বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইন্ডিয়া, জার্মানী, চায়না, সৌদি আরব ও মালয়েশিয়াসহ বিশে^র বিভিন্ন গবেষকরা অংশ নেবেন। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশাঘ? আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এই অনুষ্ঠান চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অঙ্গণে প্রথম সারির সম্মেলন হিসেবে রূপ পাবে। আয়োজক কমিটি জানান, সম্মেলনে মূলত তিনটি পৃথক ট্র্যাক প্রাধান্য পাবে। এর মধ্যে রয়েছে, ইন্টেলিজেন্ট কম্পিউটিং, নেটওয়ার্ক অ্যান্ড সিকিউরিটি সিস্টেমস; এনার্জি, রোবটিক্স, ইলেক্ট্রনিক্স, সেন্সরস অ্যান্ড কমিউনিকেশন এবং টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং। এর আগে সম্মেলনে উপস্থাপনের জন্যে বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয় থেকে ২৯১টি গবেষণা প্রবন্ধ জমা পড়ে; যা থেকে ৯১টি প্রবন্ধ এবং ১২টি পোস্টার পেপার প্রেজেন্টশন উপস্থাপনের জন্য নির্বাচিত হয়। সম্মেলনে উপস্থাপিত মোট ৩টি প্রবন্ধ ও পোস্টার পেপার প্রেজেন্টেশন ‘বেস্ট পেপার’ হিসেবে নির্বাচিত হবে এবং বাছাইকৃত প্রবন্ধগুলো আইইইই এক্সপ্লোর ডিজিটাল লাইব্রেরিতে স্থান পাবে।
সম্মেলনের জেনারেল চেয়ার ও গ্রিণ ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক গণমুক্তিকে জানান, এসটিআই সম্মেলনের লক্ষ্য হলো, শিল্প বিপ্লবের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষক ও অনুশীলনকারীদের মধ্যে নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করা। যেখানে গবেষণাপত্র উপস্থাপন, নতুন আইডিয়া তৈরি, সাসটেইনেবল টেকলোজির চ্যালেঞ্জ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নের উপায় সংক্রান্ত নানা দিক নিয়ে আলোচনা হবে। যা মূলত চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করবে।
সম্মেলনে উদীয়মান আইআর ৪.০ বিশেষজ্ঞ এবং কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওটার লু’র আইইইই ফেলো ক্লাউডিও এ কেনিজারেজ স্মার্ট গ্রিড সিস্টেমের ওপর বক্তৃতা করবেন। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্নের আইইইই ফেলো রাজকুমার বুঁইয়া; কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলোম্বিয়ার আইইইই ফেলো ভিনসেন্ট ওয়াং, অস্ট্রোলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের অধ্যাপক হুসেইন আব্বাস, ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউটের সুস্মিতা মিত্রা, জার্মানীর ফ্রনোফার’র থ্রোস্টন হেনকেল, ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়ার প্রফেসর এম তরিকুল ইসলাম, জার্মানী হাইডেলবার্গের ইউরোপিয়ান মলিকিউলার বায়োলজি ল্যাবরেটরি (ইএমবিএল)’র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এম জুলিয়াস হোসেন, গুগলের আইইইই (এল-৭) ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজার মনিরুল ইসলাম শরিফ, অস্ট্রোলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ওলংগং থেকে মনিরুল ইসলাম, ব্রাক ইউনিভার্সিটির মনজুুর আহমেদ এবং রবি আজিয়াটা লিমিটেডের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ড. আসিফ নাইমুর রহমান প্রবন্ধ পাঠ করবেন।
এদিকে রাজধানীর ট্রাফিক দূরীকরণে বাংলাদেশে প্রথমবারের মত এআই-বেসড প্রজেক্ট কাজ করছে। যা ইতোমধ্যেই ইউরোপের জনপ্রিয় ম্যাগাজিনে বিশে^র ৯ম চ্যালেঞ্জ হিসেবে স্থান পেয়েছে। এলসেভিয়ার দ্বারা অর্থায?িত প্রজেক্টটি সম্মেলনে সাসটেইনেবল টেকনোলজিস ফর ইন্ডাস্ট্রি অনুষ্ঠানের সহযোগী ইভেন্ট হিসেবে কাজ করছে। এর বাইরেও সম্মেলনে ‘এডুকেশন ৪.০- প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনীর সঙ্গে এগিয়ে যাওয়া’ শীর্ষক একটি টিউটোরিয়াল ও বিশ^বিদ্যালয়ের সেন্টার অফ এক্সিলেন্স ফর টিচিং অ্যান্ড লার্নিয়ের উদ্যোগে ‘এডুনিয়াস ৪.০-ফাইন্ডিং দ্যা বেটার সল্যুশন ফর এডুকেশন শীর্ষক প্রতিযোগিতা স্থান পাবে।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৯ সালে প্রথম এসটিআই সম্মেলনে বিশে^র ২০টি দেশ থেকে ১২ জন স্পিকার, ২০০ লেখক, শতাধিক সিনিয়র গবেষক ও ৩০ জনেরও বেশি ইন্ডাস্ট্রি ব্যক্তিত্ব অংশ নেন।

কুয়াকাটায় বাণিজ্যিকভাবে মুক্তা চাষ
                                  

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কুয়াকাটায় বাণিজ্যিকভাবে মুক্তা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন বেকার যুবকরা। ইউটিউবে ভিডিও দেখে শুরু করেছিলেন সুজন হাওলাদার ও জাকারিয়া হাসান জনি নামে দুই যুবক। বছর শেষে এসেছে সফলতা। ফলে গ্রামের শিক্ষিত যুবকরাও পুকুর বা জলাশয়ে মাছ চাষের পাশাপাশি মুক্তা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন ধুলাসার ইউনিয়নের অনন্তপাড়া গ্রামে মুক্তা চাষ করে ভাগ্য বদলের স্বপ্নে বিভোর তারা। ২০১৯ সালের শুরুতে ইউটিউবের মাধ্যমে রংপুরের মুক্তাচাষি লিটনের সহযোগিতায় আগ্রহী হন সুজন। তিনি বাড়ির পেছনের ৩০ শতাংশ পুকুরের মিঠা পানিতে ২ হাজার ঝিনুক নিয়ে মুক্তা চাষ শুরু করেন। প্রথমবার সফলতা পেয়ে বাণিজ্যিকভাবে মুক্তা চাষ শুরু করেন। সুজনের সফলতা দেখে জনিও মুক্তা চাষ শুরু করেন। তাদের পুকুরে ইমেজ পদ্ধতি, টিস্যু প্রতিস্থাপন পদ্ধতি ও নিউক্লিয়ার্স বা গোলাকার ধরনের মুক্তা চাষ করছেন। ানা যায়, চাষ করা একেকটি মুক্তা ৩৫০-৪০০ টাকা বিক্রি করেন সুজন। একটি ঝিনুক থেকে একবারে দুটি মুক্তা জন্ম হয়। সেই ঝিনুক দিয়ে তৈরি হয় মাছের খাবার। ফলে মাছের পাশাপাশি একই পুকুরে মুক্তা চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে বেকারদের মাঝে। সরকারি সহায়তা পেলে মুক্তা চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হবেন বেকার যুবকরা- এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। ুজন হাওলাদার বলেন, ‘আমি ২০১৯ সালের প্রথমদিকে মাত্র ৭০০ ঝিনুক দিয়ে মুক্তা চাষ শুরু করি। এতে ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়। বছর শেষে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা বিক্রি করি। চলতি বছর পুকুরে ৬ হাজার ঝিনুকে মুক্তা চাষ চলছে। এবার ৩ লাখ টাকার মুক্তা বিক্রি হবে বলে আশা করছি।’ মুক্তা চাষে সময় বেশি লাগে কিন্তু খরচ কম, লাভের পরিমাণ বেশি। খাবার দেওয়ার দরকার হয় না। তার দেখাদেখি এলাকার শিক্ষিত যুবকরা মুক্তা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। কেউ কেউ শুরুও করেছেন। সুজন হাওলাদারের ফুফাতো ভাই বরিশাল বিএম কলেজের বাংলা বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র জাকারিয়া হাসান জনি মুক্তা চাষ শুরু করেছেন। তনি বলেন, ‘কিভাবে মুক্তা চাষ করে এমন ভিডিও দেখে সুজন ভাইয়ের পরামর্শ নিয়ে শুরু করেছি। পরে ময়মনসিংহ মুক্তা চাষ ইনস্টিটিউটে গিয়ে হাতেকলমে শিখে বাণিজ্যিকভাবে চাষ শুরু করেছি। একটা ঝিনুকে খরচ হয় ৩০-৩৫ টাকা। বিক্রি হয় ৩৫০-৪০০ টাকা।’

‘মুজিব অ্যাওয়ার্ডে’ ভূষিত ইউএস বাংলার কামরুল ইসলাম
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশে বেসরকারী এভিয়েশন সেক্টরে প্রধান কারিগর হিসেবে দেখা হয় কামরুল ইসলামকে। সফলতাই যেন তার শেষ গন্তব্য। এই সেক্টরে বিশেষ অবদান রাখায় “মুজিব শতবর্ষে মুজিব অ্যাওয়ার্ড-২০২০”-এ ভূষিত হয়েছেন ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের জেনারেল ম্যানেজার (পিআর) মো: কামরুল ইসলাম। রাজধানীর একটি হোটেলে সম্প্রতি মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ফাউন্ডেশন ও মাদার তেরেসা স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে তাকে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দীদার বখৎ। এছাড়া পদক প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা লায়ন মোঃ মাসুদুর রহমানসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। মিডিয়া বান্ধন কামরুল ইসলাম বাংলাদেশের এভিয়েশন জগতে ২৩ বছর ধরে অনবদ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। ১৯৯৮ সালের ১ ডিসেম্বর জিএমজি এয়ারলাইন্সে জুনিয়র অফিসার-মার্কেটিং সাপোর্ট এন্ড পাবলিক রিলেশনস্ এ যোগদানের মাধ্যমে এভিয়েশন সেক্টরে প্রবেশ করেন তিনি। এরপর দীর্ঘ পথচলায় কাজ করেছেন ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ এবং বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে। বাংলাদেশের এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি বিশেষ করে প্রাইভেট এয়ারলাইন্সের উত্থান-পতনসহ অনেক কিছু দেখার সুযোগ হয়েছে তার। চলার পথে অনেক কঠিন অভিজ্ঞতার ও সম্মুখীন হয়েছেন বহুবার। এভিয়েশন জনসংযোগে ফ্যাটাল এক্সিডেন্টের পিআর করা সবচেয়ে কঠিনতম অভিজ্ঞতা। কর্মচারী অসন্তোষ, মালিকানার দ্বন্দের জন্য এয়ারলাইন্স কোম্পানী বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রমের মতো নানা অভিজ্ঞতা অর্জনের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের জেনারেল ম্যানেজার (পাবলিক রিলেশনস) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার চলার পথে যাদের সহযোগিতা না পেলে পাবলিক রিলেশনস্ এ কাজ করা সম্ভব হতো না- সর্বপ্রথম ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশের সকল মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দকে, যাদের সাথে আমার আত্নার সম্পর্ক। আমার এভিয়েশন সেক্টরের সকল সহকর্মী, আমার ভালোলাগার কেন্দ্রবিন্দু শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় এর সকল শুভাকাঙ্খী, বন্ধু-বান্ধবসহ আমার পরিবারের সহযোগিতা না পেলে হয়তো সময় না মেনে কাজ করা অসম্ভব হতো, সেটাও আবার ২২ বছর। তিনি আরো বলেন, চলার পথে বাংলাদেশ এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রিজকে কতটুকু দিতে পেরেছি আমি জানি না কিন্তু দেয়ার জন্য চেষ্টা করেছি শতভাগ। পূর্ব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সামনের দিনগুলোতে চলতে চাই। চাই সকলের দোয়া আর পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা।’

লাকসামে জমে উঠেছে বিষাক্ত সুপারী ব্যবসা
                                  

কুমিল্লা, (লাকসাম) প্রতিনিধি : কুমিল্লা দক্ষিনাঞ্চল বৃহত্তর লাকসামের ৫ উপজেলার হাট-বাজার জুড়ে জমে উঠেছে বিষাক্ত দ্রব্য মিশ্রিত সুপারী ব্যবসা। এতে বাড়ছে মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি। এব্যাপারে জেলা-উপজেলা সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য দপ্তর কর্মকর্তারা রহস্যজনক কারনে যেন অনেকটাই নিরব দর্শকের ভুমিকায়।
জেলার দক্ষিনাঞ্চলের সবকটি উপজেলায় সাধারণ মানুষ এ সুপারী পন্যটি পান, চুনসহ মসল্লার সাথে কাঁচা কিংবা শুকনো সমানভাবেই খেয়ে থাকে। মানবদেহ চাঙ্গা রাখতে এ সুপারী প্রায় ৬ কাপ কপির সমান কার্যকর বলে অভিমত অনেকের। এ অঞ্চলের প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ মেহমান আপ্যায়ন, বিয়ে বাড়ীসহ নানাহ সামাজিক অনুষ্ঠানে এ সুপারী খেয়ে থাকেন। আবার এক শ্রেণির মানুষ এটিকে সাধারনত দেখা হয় ভালোবাসার প্রতীক কিংবা মানব দেহের কিছুৃ কিছু রোগের প্রতিকার হিসাবে ব্যবহার করেন।
স্থানীয় চিকিৎসকরা জানায়, প্রতিবছর এ অঞ্চলের মানুষ এ সুপারী খাওয়ার ফলে মানবদেহে নানাহ ভাবে স্বাস্থ্য ঝুঁকির শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে মুখে, গলায় ক্যান্সারসহ নানাহ জটিল রোগের মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। এ সুপারীকে নীরব ঘাতক হিসাবে উল্লেখ করেছেন কেউ কেউ। কারন হিসাবে এ সুপারীতে রয়েছে নিকোটিন, অ্যালকোহল ও ক্যাফেইনের উপাদানের প্রভাব এবং আবেগ প্রবন মাদক হিসাবেও উল্লেখ করেন কেউ কেউ। যদিও সকল শ্রেণির মানুষ কেউ শখ করে কিংবা দৈনন্দিন তালিকা এবং পারিবারিক ঐতিহ্য হিসাবে এ পান-সুপারীকে ব্যবহার করছে। এর মধ্যে কর্মক্ষম পুরুষ ও বৃদ্ধনারীদের মাঝে এর ব্যবহার বেশি। পাইকারী ও খুচরা দোকানীরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কাঁচা সুপারী সংগ্রহ করে শুকিয়ে ফরমালিনসহ বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রন পানিতে ৪/৫ দিন ভিজিয়ে কিংবা পঁচা-কাদা মাটির গর্তে এবং মাটির পাতিল ও বড় ড্রামে ৮/১০ দিন ভিজিয়ে রেখে শুকিয়ে অবশেষে চিকন চিকন ভাবে কেটে মোটা অংকের লাভে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছেন। স্থানীয় লোকজন জানায়, ওইসব ব্যবসায়ীরা বিশেষ বিশেষ দিন কিংবা নানাহ অনুষ্ঠান ঘিরে গলাকাটা দামে বিক্রি করছে। কিন্তু এ সুপারীর অভ্যান্তরে কি আছে এবং এ ব্যবসার প্রসার কি ভাবে বাড়ছে তা কিন্তু কেহই জানে না। এ অঞ্চলে পারিবারিক ভাবে ছাড়া দৃশ্যমান কোন সুপারী বাগান নেই। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন জেলার হাট-বাজার থেকে নানাহ জাতের সুপারী সংগ্রহ করে থাকেন। দামের বেলায় পাইকারী ও খুচরার ক্ষেত্রে অনেক তফাৎ। খুচরা বাজারে কাঁচা সুপারী প্রতি ডজন ১২০/১৫০ টাকা এবং শুকনো সুপারী প্রতি কেজি ৩৫০/৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মূলতঃ এ পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রনে কার কি ভূমিকা কেউ কিন্তু খবর রাখেন না। এব্যাপারে জেলা উপজেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগের একাধিক কর্মকর্তাদের মুটোফোনে বার বার চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


   Page 1 of 38
     বিশেষ খবর
টুঙ্গিপাড়ায় সাড়ে ৩৫শ’ পরিবার পাচ্ছেন নিরাপদ পানি
.............................................................................................
ফুলপুরে ৭ গ্রামের একমাত্র ভরসা বাঁশের সেতু
.............................................................................................
৩৫৫ কোটি টাকার পণ্য আটক করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন
.............................................................................................
শুরু হচ্ছে পাইপড ওয়াটার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক
.............................................................................................
বাঁশের সাঁকোই ভরসা নিতাই নদে
.............................................................................................
পায়ে হেঁটেই তিস্তা পার আবাদ হচ্ছে বিভিন্ন ফসল
.............................................................................................
কৃষকদের মাঠ ভ্রমণের আয়োজন করলে প্রশিক্ষণ ফলপ্রসূ হবে: জেলা প্রশাসক, কুষ্টিয়া
.............................................................................................
পদ্মার দুর্গম চরে বিদ্যুতের আলো
.............................................................................................
রাজবাড়ীর পেঁয়াজকলি যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে
.............................................................................................
মুজিবনগর ভাস্কর্য রক্ষায় নিরাপত্তা জোরদার
.............................................................................................
রায়গঞ্জে একটি বাঁশের সাকো দিয়ে পাঁচ হাজার লোকের চলাচল
.............................................................................................
খাল থেকে বালু উত্তোলনের সড়কে ধস
.............................................................................................
এসটিআই আন্তর্জাতিক সম্মেলন গ্রিণ ইউনিভার্সিটিতে আজ শুরু
.............................................................................................
কুয়াকাটায় বাণিজ্যিকভাবে মুক্তা চাষ
.............................................................................................
‘মুজিব অ্যাওয়ার্ডে’ ভূষিত ইউএস বাংলার কামরুল ইসলাম
.............................................................................................
লাকসামে জমে উঠেছে বিষাক্ত সুপারী ব্যবসা
.............................................................................................
এক চিঠিতেই বেকার ১২ শতাধিক শ্রমিক র্কমচারী, বন্ধ হলো পাবনা সুগার মিল
.............................................................................................
ভাটার ধোয়ায় জনস্বাস্থ্য হুমকিতে দক্ষিণ চট্টগ্রাম
.............................................................................................
লোকসানের ভারে বন্ধ হতে বসেছে পাবনা সুগার মিল
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ অ্যাওয়ার্ড পেলেন শেখ গালিবসহ ৪ বাংলাদেশি
.............................................................................................
আবেদন করেও ঘর পাননি মুক্তিযোদ্ধা মুনসুর আলী
.............................................................................................
রায়গঞ্জে সড়কের বেহাল দশায় দুর্ভোগ চরমে
.............................................................................................
কুমারখালীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত
.............................................................................................
ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ছুরিকাঘাত, থানায় মামলা না নেওয়ায় আদালতে বাবা
.............................................................................................
করতোয়া নদীর তীব্র ভাঙ্গনে শতাধিক ঘর-বাড়ী ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলিন
.............................................................................................
ছাতকে রেলের অচলাবস্থা
.............................................................................................
ফেরি ঘাটে ভাঙন, চলাচল বন্ধ
.............................................................................................
ঠাকুরগাঁওয়ে বন্যার পানিতে আবারও ভেসে গেল কোটি টাকার পাকা রাস্তা
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ে বাঁধের পুনঃনির্মাণ কাজ শেষ না হতেই ভাঙন
.............................................................................................
টাঙ্গাইলে চারাবাড়ি সড়কে আবারো ধ্বস, জিও ব্যাগ দিয়ে থামানোর চেষ্টা
.............................................................................................
৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ মামলায় ৯ বছরের শিশু গ্রেফতার!
.............................................................................................
রাঙ্গামাটির আদলে ঝুলন্ত সেতু হবে শীতলক্ষ্যায় : মেয়র আইভী
.............................................................................................
দৌলতদিয়ায় প্রতিদিনই লেগে আছে যানবাহনের যানজট
.............................................................................................
পাঁচদোনা-ডাংগা সড়ক চলাচল অনুপযোগী
.............................................................................................
সীমান্তে নারীরা জড়িয়ে পড়ছে চোরাচালানে
.............................................................................................
সীমানা জটিলতায় ৪ বছর ধরে নির্বাচন হচ্ছে না
.............................................................................................
এশিয়ান হাইওয়ে সড়কে দীর্ঘ ৭ কিলোমিটার যানজট
.............................................................................................
এনআইডি জালিয়াতি করে শত কোটি টাকার জমি রেজিস্ট্রি, আটক ৫
.............................................................................................
তাড়াশ বারুহাস সড়ক সহ আঞ্চলিক সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা, নজিরবিহীন ভোগান্তি
.............................................................................................
নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস দালাল চক্রের হাতে জিম্মি
.............................................................................................
আউশের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক
.............................................................................................
লাইনম্যান বাচ্চুর যত দুর্ণীতি-অপকর্ম, প্রতিবাদে হুমকি
.............................................................................................
বাঁশের সাঁকো যেন মরণফাঁদ!
.............................................................................................
ফুলেল শ্রদ্ধায় রাহাত খানকে শেষ বিদায়
.............................................................................................
ব্যাংক হিসাব খুললেও মিলছে না বনায়নের লভ্যাংশের টাকা
.............................................................................................
ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিষয়ে বাংলাদেশে প্রথম অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উমর ফারুক
.............................................................................................
ইসলামপুরে যমুনার বামতীর সংরক্ষণ প্রকল্পে ধ্স
.............................................................................................
টঙ্গীর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে অতিরিক্ত নিবাসী জায়গা হয়না মেঝেতেও
.............................................................................................
পানিতে ভাসছে প্রত্যন্ত এলাকা, জনজীবন বিপর্যস্ত
.............................................................................................
আয়েবার উদ্যোগে মুক্ত হলেন রায়হান কবীর
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop