ঢাকা, সোমবার , ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ , ২৮ সেপ্টেম্বর , ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > করোনায় দেশে আরো ৩২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১,২৭৫   > এক্সট্রাকশনের পর নেটফ্লিক্সের নতুন ছবিতে ক্রিস হেমসওয়ার্থ   > ঠাকুরগাঁওয়ে সুরক্ষা সামগ্রী ও স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ   > বিনামূল্যে গ্রামীন জনপদের প্রান্তিক মায়েরা পাচ্ছে জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ের সেবা   > বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ে বাঁধের পুনঃনির্মাণ কাজ শেষ না হতেই ভাঙন   > টাঙ্গাইলে গৃহবধূর আত্মহত্যা!   > নীলফামারীতে ভিটামিন"এ" ক্যাম্পেইন সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা   > সাংগুতে বিপুল পরিমান ইয়াবা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড   > মোংলায় বিশ্ব নদী দিবস পালন   > বৌদ্ধবিহারে বিশ্ববিদ্যালয় পুন:প্রতিষ্ঠার দাবি  

   বিশেষ খবর -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ে বাঁধের পুনঃনির্মাণ কাজ শেষ না হতেই ভাঙন

অলক কুমার, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপাড়ে দ্বিতীয় রক্ষা গাইড বাঁধের পুনঃনির্মাণ কাজ শেষ হতে না হতেই ফের ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনের ফলে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ১৫০ মিটার বাঁধ ও বাঁধের অভ্যন্তরে থাকা পাকা দালানসহ বেশ কয়েকটি বসতভিটা। ভাঙন অব্যাহত থাকায় হুমকির মুখে বঙ্গবন্ধু সেতুসহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি গ্রাম।

গতকাল শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের গরিলাবাড়ি এলাকায় বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব দ্বিতীয় রক্ষাগাইড বাঁধের ১৫০ মিটার অংশ ভেঙে বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি নদী গর্ভে চলে গেছে।

জানা গেছে, যমুনা নদীর ভাঙন থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু রক্ষার্থে ২০০৪ সালে সেতুর পূর্ব পাড়ের দক্ষিণ পাশে কার্পেটিং ও সিসি ব্লকের মাধ্যমে নির্মাণ কাজ করা হয় দ্বিতীয় রক্ষা গাইড বাঁধ। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে দুর্বল বাঁধে ২০১৭ সালে আঘাত হানে যমুনা। অল্প সময়ের ব্যবধানে বাঁধ ও বাঁধের অভ্যন্তরের কয়েক শতাধিক বসতভিটা গ্রাস করে নেয় আগ্রাসী যমুনা। পরে পুনঃ বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয় সেতু কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি ৩৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪৫০ মিটার এই গাইড বাঁধের নির্মাণ কাজ শেষ করে ‘রানা বিল্ডার্স এন্ড সহিদ ব্রাদার্স’ নামের দুইটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু প্রথম থেকেই গাইডবাঁধ নির্মাণে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ করে আসছিল স্থানীয়রা। শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে পুনঃনির্মাণ বাঁধটির মধ্যবর্তী অংশে ভাঙন দেখা দেয়। অল্প সময়েই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় ১৫০ মিটার বাঁধ ও বাঁধের অভ্যন্তরে থাকা পাকা দালানসহ তিনিটি বসতভিটা। এর আগেও চলতি বছরের জুলাই মাসের শুরুতে ভাঙনের কবলে পড়ে বাঁধটির শেষ প্রান্তের ৫০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, বঙ্গবন্ধু সেতু দ্বিতীয় রক্ষাগাইড বাঁধের কাজ শেষ না হতেই ভাঙন শুরু হয়েছে। দুইবারের ভাঙনে শতাধিক পরিবার গৃহহারা হয়েছে। বাঁধ নির্মাণের শুরু থেকেই সেতু কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের নিম্নমানের কাজের অভিযোগ করলেও তা শুনেনি সেতু কর্তৃপক্ষ।

গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত আলী তালুকদার বলেন, বাঁধ নির্মাণে নিম্নমানের কাজ করা হয়েছে। যে টাকা ধরা হয়েছিল বাঁধ নির্মাণে তার অর্ধেক টাকাও ব্যায় হয়নি। সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা এবং ঠিকাদার যোগসাজস করে বাঁধ নির্মাণের টাকা আত্মসাৎ করেছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী এহসানুল কবির পাভেল বলেন, ভাঙন ঠেকাতে প্রতিনিয়ত কার্যক্রম পরিচালানা করা হচ্ছে। যখন বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করা হয় তখন নদীর গভীরতা ছিল ৪০ মিটার। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কারণে নদীর গভীরতা দাড়ায় ৪৫ মিটারে। ফলে সেখানে ভাঙন শুরু হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ে বাঁধের পুনঃনির্মাণ কাজ শেষ না হতেই ভাঙন
                                  

অলক কুমার, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপাড়ে দ্বিতীয় রক্ষা গাইড বাঁধের পুনঃনির্মাণ কাজ শেষ হতে না হতেই ফের ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনের ফলে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ১৫০ মিটার বাঁধ ও বাঁধের অভ্যন্তরে থাকা পাকা দালানসহ বেশ কয়েকটি বসতভিটা। ভাঙন অব্যাহত থাকায় হুমকির মুখে বঙ্গবন্ধু সেতুসহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি গ্রাম।

গতকাল শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের গরিলাবাড়ি এলাকায় বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব দ্বিতীয় রক্ষাগাইড বাঁধের ১৫০ মিটার অংশ ভেঙে বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি নদী গর্ভে চলে গেছে।

জানা গেছে, যমুনা নদীর ভাঙন থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু রক্ষার্থে ২০০৪ সালে সেতুর পূর্ব পাড়ের দক্ষিণ পাশে কার্পেটিং ও সিসি ব্লকের মাধ্যমে নির্মাণ কাজ করা হয় দ্বিতীয় রক্ষা গাইড বাঁধ। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে দুর্বল বাঁধে ২০১৭ সালে আঘাত হানে যমুনা। অল্প সময়ের ব্যবধানে বাঁধ ও বাঁধের অভ্যন্তরের কয়েক শতাধিক বসতভিটা গ্রাস করে নেয় আগ্রাসী যমুনা। পরে পুনঃ বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয় সেতু কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি ৩৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪৫০ মিটার এই গাইড বাঁধের নির্মাণ কাজ শেষ করে ‘রানা বিল্ডার্স এন্ড সহিদ ব্রাদার্স’ নামের দুইটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু প্রথম থেকেই গাইডবাঁধ নির্মাণে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ করে আসছিল স্থানীয়রা। শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে পুনঃনির্মাণ বাঁধটির মধ্যবর্তী অংশে ভাঙন দেখা দেয়। অল্প সময়েই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় ১৫০ মিটার বাঁধ ও বাঁধের অভ্যন্তরে থাকা পাকা দালানসহ তিনিটি বসতভিটা। এর আগেও চলতি বছরের জুলাই মাসের শুরুতে ভাঙনের কবলে পড়ে বাঁধটির শেষ প্রান্তের ৫০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, বঙ্গবন্ধু সেতু দ্বিতীয় রক্ষাগাইড বাঁধের কাজ শেষ না হতেই ভাঙন শুরু হয়েছে। দুইবারের ভাঙনে শতাধিক পরিবার গৃহহারা হয়েছে। বাঁধ নির্মাণের শুরু থেকেই সেতু কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের নিম্নমানের কাজের অভিযোগ করলেও তা শুনেনি সেতু কর্তৃপক্ষ।

গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত আলী তালুকদার বলেন, বাঁধ নির্মাণে নিম্নমানের কাজ করা হয়েছে। যে টাকা ধরা হয়েছিল বাঁধ নির্মাণে তার অর্ধেক টাকাও ব্যায় হয়নি। সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা এবং ঠিকাদার যোগসাজস করে বাঁধ নির্মাণের টাকা আত্মসাৎ করেছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী এহসানুল কবির পাভেল বলেন, ভাঙন ঠেকাতে প্রতিনিয়ত কার্যক্রম পরিচালানা করা হচ্ছে। যখন বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করা হয় তখন নদীর গভীরতা ছিল ৪০ মিটার। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কারণে নদীর গভীরতা দাড়ায় ৪৫ মিটারে। ফলে সেখানে ভাঙন শুরু হয়েছে।

টাঙ্গাইলে চারাবাড়ি সড়কে আবারো ধ্বস, জিও ব্যাগ দিয়ে থামানোর চেষ্টা
                                  

অলক কুমার, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলে ধলেশ্বরী নদীর ওপর তোরাপগঞ্জ সড়কে চারাবাড়ি ঘাট সেতুর সন্নিকটে দ্বিতীয় বারের মতো অর্ধেকের বেশি রাস্তা ধসে পড়েছে। এতে করে পশ্চিমাঞ্চলের অন্তত ৫টি ইউনিয়নের সাথে শহরের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সদর উপজেলার চরাঞ্চলের কাতুলী, হুগড়া, কাকুয়া, মাহমুদনগর ও নাগরপুরের ভাড়রা ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে।

স্থানীয়রা জানান, বর্ষার শুরু থেকে ব্রীজের ৫০০ গজ দক্ষিণে কয়েকটি অবৈধ বাংলা ড্রেজার দিয়ে নদী থেকে মাটি তোলা হচ্ছে। সেই মাটি ভারি ট্রাক দিয়ে ব্রীজের পশ্চিম পাশে লিংক রাস্তা দিয়ে আনা নেওয়া সময় ভাঙ্গনের স্থানে প্রচুর চাপ পড়ে। যার ফলে ওই রাস্তার মাটি ধ্বসে গিয়ে টাঙ্গাইল-তোরাপগঞ্জ সড়কের যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। অবৈধ ড্রেজিং এর বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানালো প্রয়োজনীয় কোন প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তা ধ্বসে যাওয়ার ফলে ব্রীজের উপর দিয়ে মানুষ হেটে চলাচল করছে। সিএনজি ও ব্যাটারি চালিত অটো চালকরা উভয় পাড়ে যানবাহন পার্কিং করে রেখেছে। শ্রমিকরা জিও ব্যাগে বালু ভর্তি করছে।

সিএনজি অটোরিকশা চালক হুগড়া গ্রামের সাজেদুল ইসলাম বলেন, রাস্তাটি ধ্বসে গেছে যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়াও ব্রিজের নিচের অবস্থা ভয়াবহ খারাপ। যেকোনো সময় ব্রিজটি ভেঙে যেতে পারে। এখন ব্রিজটি দ্রুত সংস্কার করা দরকার তা না হলে যেকোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

কাতুলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নায়েব আলী বলেন, নদী থেকে অবৈধ ড্রেজিং এর কারণে ভারি ট্রাক চলাচল করে একই স্থানে বার বার ধ্বসে যাচ্ছে। তাই অবৈধ ড্রেজিং বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইকবাল আলী বলেন, মাটির ট্রাক মোড় ঘোরানোর সময় অধিক চাপে বার বার রাস্তাটি ধ্বসে পড়েছে। ফলে পশ্চিম টাঙ্গাইলের মানুষ খুব কষ্টে শহরের সাথে যাতায়াত করছে। অবৈধ ড্রেজিং এর বিষয়ে প্রশাসনকে অতিহিত করা হলেও অবৈধ ড্রেজার বন্ধ হয়নি। ইতিমধ্যে সাংসদ আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরে এক হাজার জিও ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। জিও ব্যাগ ফেলা শেষ হলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হবে আশা করা যায়।

টাঙ্গাইল এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম আজম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রাস্তা সচল করার জন্য এলজিইডি’র পক্ষ থেকে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। অপরদিকে স্থায়ী সমাধানের জন্য ঢাকায় প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ মামলায় ৯ বছরের শিশু গ্রেফতার!
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক: গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের মামলায় ৯ বছরের এক শিশুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত শিশুটি স্থানীয় আলোক বর্তিকা স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অভিযুক্ত শিশুটিকে গাইবান্ধা আমলি আদালতে হাজির করে সাঘাটা থানা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় আদালতের বিচারক কাজী ফখরুল ইসলাম শিশুটিকে গাইবান্ধা জেলা কারাগারের মাধ্যমে যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গাইবান্ধা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ৯ বছরের শিশুটি গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পাশের বাড়ির পাঁচ বছরের এক শিশুকে জোড় করে একটি নির্মাণাধীন বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় নির্যাতনের শিকার শিশুটির চিৎকারে ওই শিশুটি পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার সাক্ষী সাত বছর বয়সী দুই শিশু। ঘটনার পাঁচদিন পর বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নির্যাতনের শিকার শিশুটির বাবা বাদী হয়ে সাঘাটা থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।

অভিযুক্ত শিশুর বড় ভাই বলেন, বিষয়টি সাজানো। সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত করতে এ মামলা করা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিশুর বাবা বলেন, পারিবারিকভাবে আমাদের হেনস্তা করতে মামলাটি করা হয়েছে। আমার ছেলে একটি শিশু মেয়েকে জোর করে ধর্ষণ করার উপযুক্ত বয়সে এখনও পৌঁছায়নি। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মঞ্জুর মোর্শেদ বাবু বলেন, বিষয়টি সাজানো। ৯ বছরের একটি শিশুর শরীর ধর্ষণ করার জন্য কতটা উপযোগী এটা সবাই জানেন। এ ছাড়া ভিকটিমকে স্থানীয়ভাবে ডাক্তারি পরীক্ষা না করিয়ে রংপুরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও প্রশ্নবিদ্ধ।

সাঘাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বেলাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় সাঘাটা থানায় একটি মামলা করা হলে বিকেলে অভিযুক্ত শিশুটিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়।

এমটি/ এসএইচ

রাঙ্গামাটির আদলে ঝুলন্ত সেতু হবে শীতলক্ষ্যায় : মেয়র আইভী
                                  

এ এইচ ইমরান, নারায়ণগঞ্জ ব্যুরো : রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতুর আদলেই নির্মিত হবে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে শীতলক্ষ্যা নদীর উপর কদম রসুল সেতু। করোনার কারণে পিছিয়ে গেলেও আগামী ২০২১ সালে এর দৃশ্যমান কার্যক্রম শুরু হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র ডাঃ সেলিনা হাতাৎ আইভী। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের উন্নয়নের স্বার্থে আপোষহীন নেত্রী মেয়র আইভী, বন্দর ও নারায়ণঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণে এ সেতুটির কার্যক্রম শুরু করেছেন।
সিটি করোর্পশন সুত্রে জানা যায়, শীতলক্ষ্যা নদীর বন্দর এলাকার কদমরসুল মাজার সংল্গন সেতুর নাম হবে কদমরসুল সেতু। ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর একনেকের সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিন এর অনুমোদন দেন। এতে সেতুটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯০ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা। সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ১৩৮৫ মিটার ও প্রস্থে সাড়ে ১২ মিটার। সেতুটি নগরের ৫ নং খেয়া ঘাটে নির্মিত হবে। কদম রসুল সেতুটি বন্দরের আলী আহাম্মদ সড়কের ১০০ ফুট হয়ে ৫ নং খেয়া ঘাট হয়ে সিরাজ দৌল্লাহ সড়কে এসে শেষ হবে। এছাড়াও সেতুটির দুই পাশে ৫ ফুট ওয়াকওয়ে ও বৈদ্যুতিক বাতিসহ আধুনিক সব ধরনের সুযোগ সুবিধা থাকবে। এ সেতু দিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল করলেও কোন ধরনের টোল দিতে হবে না। সেতুটির নকশার কার্যক্রম চলছে। শীঘ্রই সেতুটির দরপত্র আহবান করা হবে। কাজ শুরু হওয়ার দুই বছরের মধ্যেই কাজ শেষ করা হবে। ২০২৩ সালে সেতুটির কার্যক্রম শেষে সকল প্রকার যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আজগর হোসেন জানান, কদমরসুল সেতুটি রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতুর চেয়েও দৃষ্টিনন্দন হবে। এতে নারায়ণগঞ্জবাসীর দুর্ভোগ লাগবের পাশাপাশি সিটির পরিচিতিও বেড়ে যাবে।

দৌলতদিয়ায় প্রতিদিনই লেগে আছে যানবাহনের যানজট
                                  

রাজবাড়ী প্রতিনিধি : দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশ দ্বার দৌলতদিয়া পাটুরিয়া নৌরুট দিয়ে ঢাকা সহ বিভিন্ন জেলায় যেতে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ও যাত্রী পারাপার হয়ে থাকে। গত কয়েক দিন ধরে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌ-রুটে নাব্য সংকটের কারনে ৯ দিন বন্ধের পর সীমিত আকারে ফেরি চলাচল শুরু করা হলেও ২ দিন চলার পর নাব্য সংকটে ফেরি চলাচল বন্ধ রেখেছে কতৃপক্ষ। এ কারনে ওই রুটের যানবাহনের চাপ বেড়েছে দৌলতদিয়া পাটুরিয়া নৌ-রুটে। এদিকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটেও তীব্র স্রোত ও পাটুরিয়া প্রান্তে ফেরি চলাচলের চ্যানেলে পলি জমে ভরাট হওয়ায় নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে। নাব্য সংকট দুর করতে পলি অপসারনের কাজ করছে বিআইডব্লিউটি’এর ৫টি ড্রেজার দিয়ে। তবে স্রোতের তীব্রতার কারনে পলি অপসারন ব্যাহত হচ্ছে। যে কারনে অপসারিত পলি ফের ফেরি চলাচলের চ্যানেলে এসে জমা হচ্ছে। এতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে প্রতিদিনই ধীর গতিতে ফেরি চলাচল করতে হচ্ছে।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় স্বাভাবিক সময়ের চাইতে ফেরিগুলো ঘাটে ভিরতে সময় লাগছে দ্বিগুনেরও বেশি। এ কারনে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটে যানবাহনের চাপ বেড়েছে আগের চাইতে দ্বিগুনেরও বেশি। এতে প্রতিদিনই যানবাহনের যানজট লেগেই আছে দৌলতদিয়া প্রান্তের মহসড়কে। আজও দৌলতদিয়া প্রান্তে পন্যবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাস সহ প্রায় কয়েকশত যানবাহন ফেরি পারের অপেক্ষায় যানজটে আটকে আছে। তবে যাত্রীবাহী যানবাহনের চাইতে পন্যবাহী পরিবহনের সংখ্যাই বেশি রয়েছে মহাসড়কে। বর্তমানে এ নৌ-রুটে ১৬ টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। তবে আজ থেকে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌ-রুটে ফেরি চলাচল ফের বন্ধের কারনে এ রুটের যানবাহনের চাপ পরেছে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায়।
সোমবার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট পার হতে দৌলতদিয়া প্রান্তের মহাসড়ক ও গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় কয়েকশত যানবাহন ফেরি পারের অপেক্ষায় মহসড়কে যানজটে আটকে রয়েছে। শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটের ফেরি চলাচল বন্ধের কারনে যানবাহনগুলো দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট দিয়ে পারাপার হওয়ায় যানবাহনের চাপ আরো বেড়েছে। বর্তমানে দৌলতদিয়া প্রান্তে ৪টি ফেরি ঘাট সচল রয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএ এর উপ সহকারী প্রকৌশলী শাহ আলম বলেন, ফেরি চলাচলে দৌলতদিয়া পাটুরিয়া নৌ-রুটে তেমন ভাবে নাব্য সংকট নেই। তবে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং আগামী কিছুদিন পরে পানি কমে গেলে নাব্য সংকট দেখা দিতে পারে এবং ফেরি চলাচল ব্যাহত হতে পারে তাই এ রুটে ৫টি ড্রেজার দিয়ে নাব্য সংকট কাটাতে পলি অপসারন করা হচ্ছে। আগামী জানুয়ারী পর্যন্ত ফেরি চলাচলের চ্যানেলে ড্রেজিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

পাঁচদোনা-ডাংগা সড়ক চলাচল অনুপযোগী
                                  

এম.এ আউয়াল, নরসিংদী : নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ডাঙ্গায় প্রতিষ্ঠিত একে খান অর্থনৈতিক অঞ্চলটি একটি অন্যতম। এই অঞ্চলের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাঁচদোনা মোড় থেকে ডাঙ্গা ১২ কিলোমিটার। এছাড়া ডাঙ্গা থেকে ঘোড়াশালে আট কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে এই ২০ কিলোমিটার সড়কটি সংস্কার না করায় বর্তমানে এটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
জানা গেছে, জেলার অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের অন্যতম প্রতিষ্ঠানগুলোর ভারী শিল্পের অংধিকাংশই ডাঙ্গা-ঘোড়াশাল অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত। এ অঞ্চলের ভারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালামাল যাতায়াতের এই প্রধান সড়ক দিয়ে দৈনিক শতাধিক ভারী যানবাহন চলাচল করে থাকে। এছাড়া শুষ্ক মৌসুমে ইটভাটায় ব্যবহৃত শতাধিক ট্রলি যাতায়াতের ফলে রাস্তায় ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আর এই গর্তের ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই তাতে পানি জমে আস্তে আস্তে রাস্তার ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকে।
তিন বছর আগে সড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প একনেকে অনুমোদিত হলে স্থানীয়ভাবে এর সংস্কার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ধীরে ধীরে সড়কটি বেহাল হতে থাকে। বর্তমানে এই ২০ কিলোমিটার সড়কে প্রায় কয়েক হাজার ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের চলাচলে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, সড়কটির এই বেহাল দশায় প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। ফলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ভারী যানবাহন চলাচলের পরিমাণও কমে গেছে। সড়কের দৃশ্যপটের এমনই অবস্থা যে, সাধারণ মানুষের হেঁটে ১০০ গজ যাওয়ার মতো অবস্থাও নেই। পুরো সড়কের বিটুমিন সম্পূর্ণভাবে উঠে গেছে। বর্তমানে সড়কটি লাল মাটি আর লাল রঙের পানিতে একাকার।
স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, এক যুগেরও বেশি সময় ধরে রাস্তাটির কোনো সংস্কার কাজ হচ্ছে না। দিন যতই যাচ্ছে, রাস্তার অবস্থা ততই খারাপ হচ্ছে। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তার বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য এসব গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে চলাচলকারী যানবাহন ও পথচারীরা।
ডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাবের উল হাই জানান, ২০১৭ সালের ১১ জুলাই পাঁচদোনা-ডাঙ্গা-ঘোড়াশাল চার লেন সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ৮৬৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। এরই মধ্যে পাঁচদোনা-ডাঙ্গা এলাকার জমি অধিগ্রহণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।
এ বিষয়ে নরসিংদী সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মোফাজ্জল হায়দার বলেন, শিগগিরই সড়কটি ইট দিয়ে সংস্কার করা হবে। রাস্তাটি সোজা করে নতুন প্ল্যান দিয়ে আবার একনেকে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হচ্ছে। এর অনুমোদন হলেই বাকি কাজগুলো শুরু করা হবে। একটু দেরি হলেও ভালো একটি ফলাফল পাওয়া যাবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

সীমান্তে নারীরা জড়িয়ে পড়ছে চোরাচালানে
                                  

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের বেনাপোল-শার্শা সীমান্তে মাদক ও স্বর্ণ পাচারে ব্যবহার করা হচ্ছে নারীদের। গত ১৬ দিনে পাচারের সাথে সরাসরি জড়িত থাকায় ৯ নারী পাচারকারীকে হাতেনাতে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এসব মাদক ও স্বর্ণ পাচারে, অল্প সময়ে অধিক অর্থের লোভে পাচারকারী খাতায় নাম লেখাচ্ছে তারা। সেই সাথে অনেক নারী গড ফাদারদের খপ্পরে পা দিয়ে অল্প দিনে কোটিপতি হওয়ার আশায় জড়িয়ে পড়ছে পাচার কাজে।
বেনাপোল-শার্শা ভারত সীমান্ত ঘেঁষা হওয়ায় এ পথে পুরুষের পাশাপাশি নারী পাচারকারীর সংখ্যাও দিনদিন বেড়ে চলেছে। গডফাদাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায়, পাচারকারীরা আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে এসে আবারও গড ফাদারদের প্রলোভনে জড়িয়ে পড়ছে পাচার কাজে। সীমান্ত এলাকা ঘুরে জানা যায়, বেনাপোল-শার্শা সীমান্তের কায়বা, রুদ্রপুর, গোগা, অগ্রভুলাট, পাঁচভুলাট, শালকোনা, পাকশিয়া, ডিহি, গোড়পাড়া, পুটখালী, দৌলতপুর, গাতিপাড়া, সাদিপুর, রঘুনাথপুর, ঘিবা ও ধান্যখোলা সীমান্তে পাচারকারীরা অনেক বেশি সক্রিয়। আর এসব রুট সীমান্ত ঘেঁষা হওয়ায় এসব রুটকে বেছে নেয়া হচ্ছে।
সীমান্তের পুলিশ ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর বাগআঁচড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ শার্শার রাড়িপুকুর গ্রাম থেকে পানি ভর্তি কলসিতে করে ফেনসিডিল বহনের সময় রিপন হোসেনের স্ত্রী কাকলী বেগম (২৬)-কে ১৩ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করে। একই দিন বেনাপোল পোর্ট থানার গয়ড়া গ্রাম থেকে যশোরের অভয়নগর থানার গুয়াখোলা এলাকার ইকবালের স্ত্রী পারভীন বেগম বুলু (৩০) ও কোতয়ালী থানার নরেন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুল আজিজ খানের মেয়ে রোকেয়া খাতুন (২০) কে দুই কেজি গাঁজাসহ আটক করে পোর্ট থানা পুলিশ। এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর শার্শার সাতক্ষীরা-নাভারণ সড়কের আমতলা এলাকা থেকে বাগআঁচড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার সাতপুর গ্রামের শুভ আহমেদের স্ত্রী জুলেখা বেগম (২৫) ও একই গ্রামের আব্দুল্লাহর স্ত্রী আকলিমা খাতুন খাদিজা (২৬) কে ১১০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করে। ৬ সেপ্টেম্বর সকালে বেনাপোল পৌর এলাকার ভবেরবেড় গ্রাম থেকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ যশোরের কোতয়ালী থানার নরেন্দ্রপুর (আমড়াতলা) এলাকার আব্দুল আজিজের মেয়ে মনি (৩৭) ও বাগেরহাট সদরের যাত্রাপুর গ্রামের আইয়ুব আলী শেখের মেয়ে ফাতেমা খাতুন (২৫) কে তিন কেজি গাঁজাসহ আটক করে।

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুল আলম খান বলেন, আমরা মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি যারা এ ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্ট রয়েছে তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। কোন মাদক ব্যবসায়ী এবং তাদের মদদ দাতাদের ছাড় দেওয়া হবে না।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান বলেন, মাদক বিরোধী অভিযান ও মাদক উদ্ধার কার্যক্রম অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে যদি কোন গডফাদার জড়িত থাকে তাদেরও ছাড় দেওয়া হবে না।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বেনাপোল সদর ক্যাম্পের সুবেদার হান্নান মিয়া বলেন, চোরাচালানীরোধে সীমান্তে বিজিবি সতর্ক আছে। গত এক বছরে ১৩টি পিস্তল, ২৪টি ম্যাগজিন, ৫৮টি গুলি, ২৫ দশমিক ৪১ কেজি স্বর্ণেরবার, ২০ হাজার ৮২৭ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল, ৫৪৭ কেজি গাঁজা, ৪০৬ বোতল মদ, ৫৬৭ পিস ইয়াবা ও ৪০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধারসহ ২০১ জনকে আটক করেছে বিজিবি সদস্যরা। এ সময়ে ১৭ কোটি ৭৫ লাখ ৪০ হাজার ৫শ’ টাকার মালামাল আটক করা হয়।

সীমানা জটিলতায় ৪ বছর ধরে নির্বাচন হচ্ছে না
                                  

জয়পুরহাট প্রতিনিধি : জয়পুরহাটের পাঁচবিবি পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলদের দায়িত্ব পালনের মেয়াদোত্তীর্ণ চার বছর অতিবাহিত হলেও বন্ধ পৌর নির্বাচন। যদিও পৌর মেয়রের দাবি, সীমানা সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়ে মামলা থাকায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে নির্বাচন হওয়া না হওয়া বিষয়ে আমার কোন এখতিয়ার নেই। বিষয়টি সম্পূর্ণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের একতিয়ার। সর্বশেষ বিগত ২০১১ সালে নির্বাচন হলেও পরবর্তী নির্বাচন ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত হওয়ার নিয়ম থাকলেও সীমানা জটিলতার মামলার কারনে সম্ভব হয়নি জানান, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম।
এ বিষয়ে পৌর মেয়র আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান হাবিব সাংবাদিকদের জানান, পৌরসভার সীমানা ছোট হওয়ায় এখানে বড় ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে অনীহা প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি সকল কমিশনার এলাকার সুধীজনদের সঙ্গে আলোচনান্তেই পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে সীমানার আয়তন বড় আকারে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রস্তাব পাঠানো হয়। এ সময় বালিঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের জনসাধারণ বর্ধিত সীমানার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করে এবং মামলাটি স্থিতি অবস্থায় আছে। মামলাটি দ্রুত সমাধানের জন্য পৌরসভা আইনজীবিও নিয়োগ করে। করোনার প্রভাবে উচ্চ আদালত পরিপুর্ণ চালু না থাকায় মামলাটি এষনও নিস্পত্তি হয়নি বলেন, মেয়র।

এশিয়ান হাইওয়ে সড়কে দীর্ঘ ৭ কিলোমিটার যানজট
                                  

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের এশিয়ান হাইওয়ে সড়কে দীর্ঘ ৭ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের নয়াপুর এলাকায় আজ বুধবার ভোরে একটি সিমেন্ট ভর্তি ট্রাক নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রাস্তার পাশে আড়াআড়িভাবে পড়ে থাকার কারণে যানজটের সূত্রপাত হয়। নয়াপুর বাজারের মধ্যভাগে আরো একটি ট্রাক ও কনফিডেন্ট কোম্পানির সামনের একটি কাভার্টভ্যান বিকল হওয়ার এ যানজট দীর্ঘ হতে থাকে। যানজট জামপুর ইউনিয়নের কোবাগা ও বন্দর উপজেলার মদনপুর পর্যন্ত এ যানজট গিয়ে পৌছে। ফলে অনেক যাত্রীদের পায়ে হেটে তাদের গন্তবে যেতে দেখা গেছে। এ যানজটের কারনের এশিয়ান হাইওয়ে সড়ক ছাড়াও শাখা রাস্তাগুলোতে এর প্রভাবে গিয়ে পড়েছে। যানজটের ফলে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়েছে। ভোর সাড়ে ৬ টা থেকে শুরু করে বেলা সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত যানজট লক্ষণীয় ছিল। যানজট নিয়ন্ত্রনে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি সোনারগাঁও থানা পুলিশ, তালতলা ফাঁড়ি পুলিশ ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে।
আফজাল করিম নামের এক বেসরকারী অফিসের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যানজটের কারনে সকাল ৮ টার দিকে বস্তল মোড় থেকে বাসে উঠে সাড়ে ১০ টায় ললাটি তিন কিলোমিটার পাড় হতে পারিনি। যানজটের পাশাপাশি অসহ্য গরমে অতিষ্ট হয়ে পড়েছি।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগামী নাসিরউদ্দিন নামের এক রোগী জানান, সকালে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে মিরেরটেক এলাকায় যানজটের কবলে পরতে হয়েছে। তালতলা থেকে আধা ঘন্টার পথ মদনপুরে দীর্ঘ ৪ ঘন্টায়ও পোঁছাতে পারিনি।
আল্লাহর দান পরিবহনের চালক ফয়সাল জানান, নয়াপুর এলাকায় তিনটি গাড়ি বিকল হয়ে পড়ে আছে পুলিশ এগুলো সঠিক সময়ে সরিয়ে না দেওয়ার কারনে যাত্রীসহ সকলের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি মোজ্জাফর হোসেন বলেন, নয়াপুর এলাকায় তিনটি গাড়ি বিকল হয়ে পড়ে ছিল। এক একটি গাড়ি সরিয়ে নিতে প্রায় ঘন্টা সময় লেগে যায়। এগুলো সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। যানজট নিরসনে পুলিশ ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে।

এনআইডি জালিয়াতি করে শত কোটি টাকার জমি রেজিস্ট্রি, আটক ৫
                                  

হাফিজুর রহমান জীবন, কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ায় জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির মাধ্যমে শতকোটি টাকার জমি বিক্রি চেষ্টার অভিযোগে ক্রেতা বিক্রেতাসহ ৫ জনকে আটক করেছে র‌্যাব ও পুলিশ। আটক ক্রেতা কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের কাটদহচর গ্রামের মৃত সাহাজদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে। বিক্রেতা কুমারখালী উপজেলার শালঘর মধুয়া গ্রামের আতিয়ার শেখের ছেলে মো. মিলন হোসেন(৩৮), মূলহোতা কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকার খন্দকার আবুল হোসেনের ছেলে মো. ওয়াদুল ওরফে মিন্টু খন্দকার(৬০), মূল হোতা মিন্টু খন্দকারের বোন কুমারখালী উপজেলার লাহিনী দাসপাড়ার সাত্তার শেখের স্ত্রী ছানোয়ারা খাতুন(৫০) ও অপর বোন খন্দকার আব্দুল আজিজের স্ত্রী মোছা. জাহানারা খাতুন(৪৫)। চক্রটি প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি জালিয়াতি করে দখলের চেষ্টা করে। এই ঘটনায় সকল প্রতারককে আটক করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত।
অপরদিকে, এ জমি জালিয়াতি চক্রের সাথে কুষ্টিয়া শহর যুবলীগের আহ্বায়ক আশরাফুজ্জামান সুজনের জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠায় শহর যুবলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। গত রবিবার রাতে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কুষ্টিয়া শহর যুবলীগের কমিটি বিলুপ্তির এ ঘোষণা দেয়া হয়। কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম জানান, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও গঠনতন্ত্র বিরোধী কাজে লিপ্ত থাকায় শহর যুবলীগের কমিটি কেন্দ্র থেকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ১৫ মে ছাত্র নেতা সুজনকে আহ্বায়ক করে ২১ সদস্যের শহর যুবলীগের কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছিল।

তাড়াশ বারুহাস সড়ক সহ আঞ্চলিক সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা, নজিরবিহীন ভোগান্তি
                                  

সাইফুল্লাহ সরকার, তাড়াশ : সিরাজগঞ্জের তাড়াশের আঞ্চলিক সড়কগুলো খানাখন্দে ভরপুর হয়ে এখন বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তৈরি হয়েছে ছোট ছোট পুকুর। নজিরবিহীন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রী ও পথচারীদের। জানা গেছে, উপজেলার তাড়াশ-বারুহাস আঞ্চলিক সড়কের পিচ পাথর উঠে বেশ কয়েকটি স্থানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ( এল,জি,ই,ডি) এই সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় পাকা সড়কের মাঝে আকা বাঁকা উচু, নিচু ও বড় বড় গর্ত তৈরি হয়ে চলাচলের একদম অনুপযোগী হয়ে পরেছে।

সরেজমিনে, তাড়াশ থেকে বারুহাসের সড়কে কোহিত মালার ব্রীজের পশ্চিম পাশে, চৌবাড়িয়া মোড়, বারুহাস হেদার খাল, বারুহাস বাজারের পুর্বে ব্রীজের পাশে দেখা যায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়ে পানিতে তলিয়ে গেছে। ঝুঁঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। যাত্রী-পথচারীদের নজিরবিহীন ভোগান্তির খন্ড খন্ড দৃশ্যও চোখে পড়ে। ঘটছে সেখানে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা। নষ্ট হচ্ছে সিএনজি ভাংছে অটো রিক্সার চাকা। গাড়ী চলা চলের একদম অনুপযোগী হয়ে পরেছে সড়কটি।

ওই সড়কের পথচারী খরখরিয়া গ্রামের রিপন হোসেন,বিনোদপুর গ্রামের আতিক হাসান, বারুহাস গ্রামের মিজান হোসেন জানান, কষ্টের যেন শেষ নাই। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় বড় বড় গর্ত যেন পুকুরে রূপ নেয়। নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয় নিয়েই এই মরণফাঁদ পাড়ি দিতে হচ্ছে আমাদের। দুর্ঘটনার কবলে পরে অটো রিক্সার চাকা ভেঙ্গে অনেক যাত্রী গুরুত্বর আহত হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোক্তার হোসেন মুক্তা বলেন, সড়কটি দিয়ে যানবাহন চলাচলে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এই পথ দিয়ে চলাচল কারী পথচারীদের। ইউনিয়ন পরিষদ হতে প্রাথমিক পর্যায়ে ইট বালি ফেলে চলাচলের ব্যবস্থা করেছি। বিষয়টি সংসদ সদস্য মহদোয় কে জানিয়েছি। তিনি কথা দিয়েছেন অচিরেই সংস্কারের ব্যবস্থা করবেন।

তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ বাবুল হোসেন জানান, সড়কটি মেরামতের জন্য প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যেই সড়কের খানাখন্ড মেড়ামত করা হবে। সড়কটি টেন্ডারের জন্য প্রক্রিয়াধীন।

অপর দিকে ,তাড়াশ পৌর শহরের খাদ্যগুদামের সামনে থেকে তাড়াশ পশ্চিম অবদা বাধ পর্যন্ত সড়কের মাঝে মাঝে সৃষ্টি হয়েছে গর্ত। প্রতিদিন যানবাহন উল্টে ঘটছে দূর্ঘটনা । পৌর সভা থেকে গর্তগুলোতে মাঝে মাঝে ভাঙ্গা ইট ফেললেও টেকশই হচ্ছে না । দ্রুত টেকশই মেরামত প্রয়োজন। প্রায় ৭ বছর আগে স্থানীয় সরকার অধিদপ্তর প্রকৌশল বিভাগ ( এল,জি,ই,ডি) উপজেলা শহরের যানজোট কমাতে শহরের পুর্ব পার্শদিয়ে হাসপাতাল গেট থেকে উত্তর ওয়াবদাবাধ পর্যন্ত বাইপাস সড়ক নির্মিত করে। পরে সরকার তাড়াশে পৌরসভা ঘোষনা করার পরে সড়কটি বর্তমানে পৌর সভার আওতায় পরেছে।

এ ব্যাপারে তাড়াশ পৌরসভার সচিব আশরাফুল ইসলাম বলেন, খাদ্যগুদাম থেকে উত্তর ওয়াবদা বাধের সড়কটি সম্ভবত সড়ক ও জনপদের তারপরও জনগনের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পৌরসভা থেকে ভাঙ্গা ইট দিয়ে তাৎক্ষনিকভাবে গর্ত গুলো মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করা হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস দালাল চক্রের হাতে জিম্মি
                                  

এ এইচ ইমরান, নারায়ণগঞ্জ ব্যুরো : নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট দালাল মুক্ত হয়নি। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে গত মঙ্গলবার ৭ দালাল গ্রেফতার হলেও এখনও মূলহোতা আলমগীর ও বাবুর নেতৃত্বে প্রায় দেড়শতাধিক দালাল তাদের অপকর্ম করেই যাচ্ছে। এসব দালালদের গ্রেফতারের পাশাপাশি অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি ভূক্তভোগীদের।
জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দালাল চক্রের হাতে জিম্মি পাসপোর্ট করতে আসা আবেদনকারীরা। এখানে দালাল ছাড়া কোন পাসপোর্ট করা যায় না। দালালদের দৌরাত্মের কারণে ভূক্তভোগীরা অতিষ্ঠ এমন অভিযোগ উঠে। এছাড়াও করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে পাসপোর্ট অধিদপ্তর নতুন পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ বন্ধ থাকলেও দালালরা নতুন পাসপোর্ট আবেদন জমা দিয়েছে এ অফিসে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এ অভিযান চালায়। এসময় পুলিশ আল আমিন, জিসান, মাসুদুর রহমান, আফজাল ইসলাম ওরফে পারভেজ, আনিসুজ্জামান রাশেদ, রিয়াদ হোসেন, মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার করে। এসময় পুলিশ ৫টি পাসপোর্ট, ২টি ল্যাপটপ, ২টি ডেস্কটপ, ১টি প্রিন্টার, ২টি ভুয়া সিল ও নগদ ৭৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। সিল দুটিতে দুজন সরকারি ডাক্তারের নাম লেখা রয়েছে। তাদের ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে ডিবি পুলিশ। এতে ভূক্তভোগীরা কিছু আশস্ত হলেও পুরোপুরি দালাল মুক্ত হয়নি পাসপোর্ট অফিস। এ অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে দালালদের মূলহোতা আলমগীল ও বাবু তাদের প্রায় দেড় শতাধিক সহযোগিদের নিয়ে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। দালাল চক্রটি এখানে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট করানোসহ ভূয়া নাম ঠিকানা, ভূয়া সিল ও সনদ পত্র এমনকি ভূয়া এনআইডি, থানার জিডি ব্যবহার করে জালিয়াতি করছে বলে ভূক্তভোগীদের দাবি। ভূক্তভোগীরা আরও জানায়, ইতিপূর্বে এ পাসপোর্ট অফিস থেকে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট করার অভিযোগ রয়েছে আলমগীর, বাবু ও শ্যামলের বিরুদ্ধে। তারপরও সংশ্লিষ্টরা তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়ায় আলমগীর ও তার সহযোগিরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তাদেরকে দ্রুতই গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি এলাকাবাসীর। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির এসআই মনির হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ড শেষে আদালতে পাঠানো হবে। তাদের দেয়া তথ্যমতে এই চক্রের মুল হোতা আলমগীর (বড়), বাবু, আলমগীর (ছোট), শ্যামল, মানিক, মুসা, সালাউদ্দিন, মামুন, সুমন, রাশেদ, খায়ের, জনি, শান্তা ও পারবেজকে গ্রেফতার করতে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছে ডিবি পুলিশ। এদের আটক করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও তিনি জানান। ডিবির ওসি আলমগীর হোসেন জানান, পাসপোর্ট অফিস নিয়ে অনেক অভিযোগ পেয়ে এসপি স্যারের নির্দেশে আমরা অভিযান চালিয়ে ৭ জন দালালকে আটক করি। দালালরা পাসপোর্ট করতে আসা লোকজন থেকে প্রতি পাসপোর্টে দশ হাজার টাকা থেকে এক লাখ টাকা নেওয়ার তথ্য পেয়েছি। তিনি আরো জানান, পাসপোর্ট অফিসের দালাল চক্রকে আটক করতে আমাদের অভিযান চলমান আছে।

আউশের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক
                                  

মো. আবদুর রহিম সজল, মির্জাগঞ্জ : পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি গ্রামে গ্রামে চলছে এখন আউশ ধান কাটা ও মাড়াইয়ের উৎসব। চলতি বছরে করোনা দুর্যোগকে সঙ্গে নিয়ে আউশের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। করোনার সঙ্কটকালে আউশ ধান কাটা ও মাড়াইয়ে এবং আমন ধান রোপনে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। দিগন্ত বিস্তৃত মাঠ জুড়ে এখন দোলা দিচ্ছে পাকা সোনালী ধান। বিস্তৃত সোনালী ফসলের মাঠ এখন যেনো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরো বিকশিত করে তুলছে। মাঠের পর মাঠ ছড়ানো পাকা ধানের সোনালী আভা ও মন মাতানো গন্ধে যেন দিগন্ত ছেঁয়ে গেছে।
উপজেলার সুবিদখালী , চরখালী, কাকড়াবুনিয়া, ভয়াং, মাধবখালী, আমড়াগাছিয়া ও মির্জাগঞ্জ এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চলতি মৌসুমে আউশ ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার কৃষকরা। ভালো ফসল উৎপাদন হওয়ায় হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করছেন তারা। করোনা পরিস্থিতিতে আউশের ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকদের মুখে ফুটেছে হাসির ঝিলিক।
এদিকে, আউশ ধান কাটা ও মাড়াইয়ের সাথে চলতি মৌসুমে আমন ধানের চারা রোপণের কাজ করছেন কৃষকরা। ভালো ফসল উৎপাদনের স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছেন তারা। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে শ্রমিক সঙ্কটের কারণে আউশ ধান কাটা ও আমন চারা রোপণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে তাদের। এরপরও থেমে নেই তারা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় এবার আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে এবার চলতি আউশ ও আমন মৌসুমে ১০ হাজার ৮৬০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে উপজেলার বিভিন্ন মাঠে মাঠে স্থানীয় জাতের আউশ ধান রোপন হয়েছে ১২০ হেক্টর জমিতে এবং উফশী আউশ ধান রোপণ হয়েছে ৭ হাজার ৫০ হেক্টরসহ মোট ৭ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে। আর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ হাজার মেট্রেক টন ধান। উপজেলায় এবারে ইরি-২৭, ৪৮, বাউ-৬৩, (আবদুল হাই) ও বিআর ৪২-৪৩ জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। এবারে চাষী পর্যায়ে বীজ উৎপাদনের জন্য সরকারি অর্থায়নে ২৪টি প্রদর্শনী দেওয়া হয়েছে। গত বারের আউশের ভালো ফলন দেখে এবারে আউশ চাষে কৃষকের আগ্রহ দেখা গেছে। ফলে গতবারের চেয়ে এবারে ২ হাজার ৯৫৯ হেক্টর বেশি জমিতে আউশ ধান চাষ হয়েছে। এসব জাতের মধ্যে ব্রি ধান-৪৮ চাষে ব্যাপকভাবে সাড়া পেয়েছে কৃষকরা। অন্যান্য বছরের তুলনায় দ্বিগুণ ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগ আরো জানান,দীর্ঘদিন যাবত এ উপজেলার কৃষক আউশ মৌসুমে স্থানীয় জাতের বীজ আবাদ করতো। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে চলতি মৌসুমে আউশ ধান আবাদে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এ উপজেলার কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, সঠিক সময়ে বৃষ্টিপাত হওয়ায় এবার আউশের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধানের উৎপাদন ভালো হওয়াতে একদিকে যেমন কৃষক পরিবারও খুশি, অন্যদিকে বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারাও আউশ ধান উৎপাদনে বেশ মুগ্ধ।
কৃষক নুরুল ইসলাম , রুহুল আমীন , সাহেব আলী, মাধব শীল, জব্বার আকন, মন্নান মল্লিকসহ কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর ফলন ভাল হয়েছে। তাছাড়া বাজারে ধানের দামও ভালো। এবার ৮০০ টাকা-৮৫০ টাকা দরে ধান বিক্রি হচ্ছে। যা গত বছরের তুলনায় বেশি। তবে করোনাভাইরাসের কারণে প্রয়োজনীয় শ্রমিক সঙ্কট রয়েছে। এছাড়া যে পরিমাণ শ্রমিক রয়েছে তাদের মজুরির পরিমাণও বেশি। তবে ধানের বাজার দর বাড়তি থাকলে এবারের আউশ আবাদে কৃষকদের লস হবে না বলে কৃষকরা আশাবাদী।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আরাফাত হোসেন বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর আউশের বাম্পার ফলন হয়েছে। চলতি বছরে আউশের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ হাজার ১৫০ হেক্টর। আর অর্জিত হয়েছে ৭ হাজার ৩০০ হেক্টর। যা গত বছরের তুলনায় বেশি। বাজারে ধানের দাম ভাল। এভাবে ধানের দাম থাকলে মির্জাগঞ্জের কৃষকগণ লাভবান হবে। তিনি আরো জানান, কৃষি বিভাগের লোকজন সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছেন। এ বছর আমন ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ হাজার ১৫০ হেক্টর।

লাইনম্যান বাচ্চুর যত দুর্ণীতি-অপকর্ম, প্রতিবাদে হুমকি
                                  

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) একশ্রেণীর কর্মচারী লাইন নির্মাণ, মিটার ও অবৈধ সংযোগ দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকাপয়সা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোনো নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে গ্রাহকদের সরলতার সুযোগ নিয়ে তারা এ ধরনের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের খপ্পরে পড়ে গ্রাহকরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। এসব অনিয়ম ও দুর্ণীতি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে কোটিপতি বনে গেছেন এসব লাইনম্যানরা।

জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগ লক্ষ্মীপুর বিদ্যুৎ বিতরণ শাখার সাধারণ সম্পাদক ও লাইনম্যান মোঃ বাচ্চু এ চক্রের অন্যতম বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার কাশেম নগর গ্রামের মৃত আবুল কালামের ছেলে।

এ চক্রটিকে টাকা দিয়েও বিদ্যুতের সংযোগ না পেয়ে হতাশায় পড়েছেন লক্ষ্মীপুর পৌর ১৪নং ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দারা। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কথা বলে স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্রের মাধ্যমে ১ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ্মীপুর পিডিবির লাইনম্যান মোঃ বাচ্চু। কিন্তু টাকা নেওয়ার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও মিটার সংযোগ পায়নি ৩০-৫০ জন গ্রাহক। অথচ সম্পূর্ন বিনামূল্যে লাইন নির্মাণ বা মিটার সংযোগ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ভুক্তভোগী গ্রাহক ও চুক্তিপত্র সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার গোপীনাথপুর হইতে ইয়ারপুর গ্রামে পিডিবি বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণে ১১ পিলার ও ৪০টি মিটার সংযোগের কাজ সম্পন্ন করে দিবেন লাইনম্যান বাচ্চু। যার জন্য ১ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা চুক্তিভিত্তিক নিয়ে নেন বাচ্চু। কিন্তু চুক্তিপত্র অনুসারে ২০১৩ সালের মধ্যে লাইন নির্মাণের কথা থাকলেও এখনো সম্পন্ন করা হয়নি।

চুক্তিপত্রে উল্লেখ ছিল, ২০১৩ সালের মধ্যে লাইন ও মিটার সংযোগ সম্পন্ন করে দিবেন বাচ্চু। লাইন নির্মাণ সম্পন্ন হলে প্রতি মিটারে আলাদা আলাদা টাকা পরিশোধ করতে হবে। উক্ত কাজ যথাসময়ে সম্পূর্ণ করতে না পারলে চুক্তিপত্রে উল্লেখিত ১ম পক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

এদিকে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, চুক্তিপত্রের ১ম পক্ষ মোঃ মাসুদ মারা গেলে ২য় পক্ষ অর্থাৎ পিডিবির লাইনম্যান বাচ্চু এ সুযোগে নানা টালবাহানা করে আসছেন। ফলে ওই এলাকার সহজ সরল মানুষগুলো টাকা দিয়েও পড়ছেন চমর বিপাকে।

এ ব্যপারে অভিযুক্ত লক্ষ্মীপুর পিডিবির লাইনম্যান মোঃ বাচ্চুর কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগের বিষয়ে না বলেই রাগান্বিত হয়ে বলেন, আমি রাজনীতি করি। কেউ যদি স্ট্যাম্প নিয়ে কিছু করতে চায় করুক। এসময় স্ট্যাম্প ও ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকী দেন তিনি।

লক্ষ্মীপুর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের (পিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার ফাত্তজুল ইসলাম শাকের বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। পিডিবির লাইন নির্মাণ বা মিটার সংযোগ নিতে কোনো টাকা পয়সা লাগেনা। চুক্তিপত্রকালীন সময়ে মিটার জামানত ৮শ টাকা নেওয়া হতো। এছাড়া কারো কাছ থেকে চুক্তিপত্র করে টাকা আদায় করা কঠিন অপরাধ। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এসময় গ্রাহকদের লাইন ও সংযোগ দ্রুত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

পরবর্তি পর্বে আসছে: সহকারী প্রকৌশলীদের অনিয়ম, লাইনম্যান শামছু ও শাহজাহানের দুর্ণীতির ফিরিস্তি

বাঁশের সাঁকো যেন মরণফাঁদ!
                                  

বাগেরহাট প্রতিনিধি : জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকো। বর্ষা আর জোয়ারের পানিতে অনেক সময় তলিয়ে যায় সাঁকোটি। বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের সায়েরাবাদ গ্রামের নদী উপর অবস্থিত এই সাঁকোটি হাজার হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ব্যক্তিরা এখানে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন। দাবি পূরণ না হওয়ায় স্কুলশিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
জানা যায়, রামপালের গৌরম্ভা ইউনিয়নের সায়েরাবাদ বাজারের দক্ষিন পার্শ্বের নদী উপরে একটি বাঁশের সাকো আছে। প্রায় প্রতিবছর বাঁশের সাঁকোটি মেরামত করতে হয় এলাকাবাসীর। সারাবছরই পায়ের জুতা খুলে কাপড় ভিঝিয়ে নদী পার হতে হয়। সামান্য ঝড়-বৃষ্টি হলে চারদিকে কাঁচা রাস্তা ভারী হয়ে যায় লোকজনের চলাচল। ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন সাঁকো দিয়ে স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ জনসাধারনের পারাপার হতে হয়। তবে বর্ষাকালে পানির স্তর বেড়ে সাঁকোটি ডুবে গিয়ে পরিণত হয় মরণফাঁদে। কয়েকবার দূর্ঘটনার শিকারও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। স্থানীয়রা জানান, নদীতে সেতু না থাকায় সাঁকোর উপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পাড়ি দিতে হয়। এভাবে আর কতদিন চলতে হবে তা আমরা জানিনা। তবে প্রতিবছর একবার করে এলাকাবাসী মিলে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে থাকি। তাছাড়া, এলাকায় রয়েছে অসংখ্য স্কুল-মাদ্রাসা মসজিদসহ বিভিন্ন পাঠাগার। তবে নদীর মধ্যে ব্রীজ না থাকায় বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছি আমরা।
গৗরম্ভা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী গিয়াসউদ্দিন জানান, বাগেরহাট ৩ আসনের এমপি এবং বন পরিবেশ ও জলবায়ু উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আ. খালেককে বিষয়টি জানিয়েছি। তিনি মন্ত্রানালয়ে এ বিষয়টি অবহিত করেছেন। এলাকার এই বাঁশের সাঁকোর স্থানে ব্রীজ এবং কাঁচা রাস্তাটি পাকা করা হবে। এ বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি কামনা করেছেন।

ফুলেল শ্রদ্ধায় রাহাত খানকে শেষ বিদায়
                                  

গণমুক্তি ডেস্ক: বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক রাহাত খানকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এর আগে শনিবার গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় তাকে শেষ বিদায় জানান বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

জাতীয় প্রেসক্লাবে জানাজা ও শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাহাত খানের মরদেহ তার শেষ কর্মস্থল তেজগাঁওয়ে প্রতিদিনের সংবাদ কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে আরেক দফা জানাজার পর তাকে দাফন করা হয়। রাহাত খান গত শুক্রবার মারা যান।

শনিবার তার মরদেহ জাতীয় প্রেসক্লাবে নেওয়া হলে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে প্রয়াত এই সাংবাদিকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তব্য দেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবিবুল্লাহ সিরাজী ও রাহাত খানের স্ত্রী অপর্ণা খান।

সেখানে জানাজায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, সাবেক মহাসচিব আবদুল জলিল ভুঁইয়া, সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জাকারিয়া কাজল, বর্তমান মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু প্রমুখ। এ সময় জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক স্বপন সাহাসহ অনেকে নীরবে দাঁড়িয়ে প্রয়াত সাংবাদিকের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পরে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে রাহাত খানের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়।

জাতীয় প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের পর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রয়াত সাংবাদিকের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। এ সময় আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এমপি ও দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন। পরে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, বাংলা একাডেমি, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, জাতীয় প্রেসক্লাব, জাতীয় প্রেসক্লাব কর্মচারী ইউনিয়ন, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, উদীচীসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয় রাহাত খানের কফিনে।

এদিকে রাহাত খানের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারা বাংলাদেশ-এর প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হরুন-অর-রশিদ প্রমুখ। পৃথক শোকবার্তায় তারা প্রয়াত রাহাত খানের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ ছাড়াও শোক প্রকাশ করেছেন পাবনা প্রেসক্লাব ও পাবনা সংবাদপত্র পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

এমটি/ এসএইচ


   Page 1 of 36
     বিশেষ খবর
বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ে বাঁধের পুনঃনির্মাণ কাজ শেষ না হতেই ভাঙন
.............................................................................................
টাঙ্গাইলে চারাবাড়ি সড়কে আবারো ধ্বস, জিও ব্যাগ দিয়ে থামানোর চেষ্টা
.............................................................................................
৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ মামলায় ৯ বছরের শিশু গ্রেফতার!
.............................................................................................
রাঙ্গামাটির আদলে ঝুলন্ত সেতু হবে শীতলক্ষ্যায় : মেয়র আইভী
.............................................................................................
দৌলতদিয়ায় প্রতিদিনই লেগে আছে যানবাহনের যানজট
.............................................................................................
পাঁচদোনা-ডাংগা সড়ক চলাচল অনুপযোগী
.............................................................................................
সীমান্তে নারীরা জড়িয়ে পড়ছে চোরাচালানে
.............................................................................................
সীমানা জটিলতায় ৪ বছর ধরে নির্বাচন হচ্ছে না
.............................................................................................
এশিয়ান হাইওয়ে সড়কে দীর্ঘ ৭ কিলোমিটার যানজট
.............................................................................................
এনআইডি জালিয়াতি করে শত কোটি টাকার জমি রেজিস্ট্রি, আটক ৫
.............................................................................................
তাড়াশ বারুহাস সড়ক সহ আঞ্চলিক সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা, নজিরবিহীন ভোগান্তি
.............................................................................................
নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস দালাল চক্রের হাতে জিম্মি
.............................................................................................
আউশের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক
.............................................................................................
লাইনম্যান বাচ্চুর যত দুর্ণীতি-অপকর্ম, প্রতিবাদে হুমকি
.............................................................................................
বাঁশের সাঁকো যেন মরণফাঁদ!
.............................................................................................
ফুলেল শ্রদ্ধায় রাহাত খানকে শেষ বিদায়
.............................................................................................
ব্যাংক হিসাব খুললেও মিলছে না বনায়নের লভ্যাংশের টাকা
.............................................................................................
ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিষয়ে বাংলাদেশে প্রথম অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উমর ফারুক
.............................................................................................
ইসলামপুরে যমুনার বামতীর সংরক্ষণ প্রকল্পে ধ্স
.............................................................................................
টঙ্গীর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে অতিরিক্ত নিবাসী জায়গা হয়না মেঝেতেও
.............................................................................................
পানিতে ভাসছে প্রত্যন্ত এলাকা, জনজীবন বিপর্যস্ত
.............................................................................................
আয়েবার উদ্যোগে মুক্ত হলেন রায়হান কবীর
.............................................................................................
কুশিয়ারার ভাঙনে শতশত বাড়িঘর বিলীন
.............................................................................................
শিবপুরের কৃষিজমিতে ইটভাটার আগ্রাসন
.............................................................................................
শ্রীনগরে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া এলপি গ্যাসের রমরমা ব্যবসা
.............................................................................................
লক্ষ্মীপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের অনিয়ম ও দুর্ণীতি
.............................................................................................
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৫ হাজার ৭ কোটি ২১ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা
.............................................................................................
শরীয়তপুরে বন্যার পানি কমছে, তবুও দুর্ভোগে হত দরিদ্র পরিবার
.............................................................................................
কোন রকমে জীবন যাপন করছেন পদ্মায় বানভাসিরা
.............................................................................................
প্রকল্পের কাজে গড়িমসি, ডুবে যাচ্ছে ডিএনডি
.............................................................................................
৩৮ বিসিএস নন ক্যাডার থেকে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্তির আর্জি
.............................................................................................
দু’দফার বন্যায় রাজবাড়ীর নিম্নাঞ্চলের মানুষ দিশেহারা
.............................................................................................
দানের টাকায় উপজেলা পর্যায়ে প্রথম করোনা হাসপাতাল
.............................................................................................
মুন্সীগঞ্জে বন্যার পানিতে মানবেতর জীবন যাপন
.............................................................................................
সাবেক সচিবকে কটূক্তি করে পোস্ট দেয়ায় ২ জন গ্রেপ্তার
.............................................................................................
কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কমলেও বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত
.............................................................................................
করোনায় না ফেরার দেশে ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের বার্তা সম্পাদক
.............................................................................................
লকডাউনে একবেলা খান দেশের ১৭ লাখ মানুষ
.............................................................................................
বাসসের প্রধান বার্তা সম্পাদক হলেন সাজ্জাদ হোসেন সবুজ
.............................................................................................
ঢাকা সিলেট মহাসড়ক ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দখলে!
.............................................................................................
ধোবাউড়ায় অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরী হচ্ছে বেকারি পন্য
.............................................................................................
রাজবাড়ীতে পদ্মার পানি বিপদ সিমার ১৪ সেঃমিঃ নিচ দিয়ে প্রবাহিত
.............................................................................................
শরীয়তপুরে অপ্রয়োজনে করা হচ্ছে ৭০ ভাগ সিজারিয়ান
.............................................................................................
সুন্দরবনের বনজ সম্পদ রক্ষা ও দস্যুদমনে বাগেরহাট পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু
.............................................................................................
বকশীগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি, বাড়ছে আতঙ্ক
.............................................................................................
নীলফামারীতে তিস্তার পানিতে দুই উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন প্লাবিত
.............................................................................................
কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি, লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি
.............................................................................................
দিনাজপুরে টানা বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
.............................................................................................
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলে অতিষ্ট দুই উপজেলার হাজারো গ্রাহক!
.............................................................................................
টাঙ্গাইলের চারাবাড়ি সেতুতে ঝুঁকি নিয়ে লক্ষাধিক মানুষের চলাচল
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD