| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > করোনা ভাইরাসে লোকসানে তথ্যপ্রয্ক্তুরি বিনিয়োগকারীরা   > সারাবিশ্বে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ৩৭৬৮৬   > নববর্ষের সব অনুষ্ঠান বন্ধ: প্রধানমন্ত্রী   > আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে কোনো গরিব না খেয়ে কষ্ট পায় না: পানিসম্পদ উপমন্ত্রী   > সৌদিতে ৩ দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা   > তিন হাজার শয্যার হাসপাতাল হচ্ছে মহাখালীর ডিএনসিসি মার্কেটে   > পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   > করোনাভাইরাসে সারা বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০৮৮০   > করোনাভাইরাসের প্রকোপের মাঝেই ইসরাইল থেকে অস্ত্র কিনছে ভারত   > করোনা সন্দেহে চিকিৎসায় অবহেলা  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
কোয়ারেন্টাইনে যে কাজটি শিখতে পারেন পুরুষেরা

লাইফস্টাইল ডেস্ক 

কোয়ারেন্টাইনের সময়টাকে সঠিক কাজে ব্যবহার করতে চাইছেন? তাহলে এমন একটি কাজ শিখে নিন যা কিনা জীবনযাপনের ক্ষেত্রে ভীষণ জরুরি। এমনকী সম্পর্ক সুন্দর রাখতেও এর জুড়ি নেই। কী সেই কাজ? কিছুদিন আগের এক জরিপে দেখা গেছে, যেসব ছেলে ভালো রান্না জানেন মেয়েরা তাদের প্রতি একটু বেশিই আকৃষ্ট হন। তাই হোম কোয়ারেন্টাইনে অফিসের কাজের ফাঁকে রান্না শিখে নিন। যারা বাড়িতে থাকতে হচ্ছে বলে ছটফট করছেন তারাও একটু বাড়ির কাজ শিখুন। এমন সুযোগ সবসময় পাওয়া যায় না।


রান্নাকে মোটেই মেয়েদের কাজ ভাবা চলবে না। বরং এগিয়ে আসুক ছেলেরাও। যেকোনো বড় রেস্তোরাঁর শেফ কিন্তু বেশিরভাগ ছেলেরাই হন। আবার এমনও অনেক ছেলে আছেন যারা পানিটুকুও ঢেলে খেতে পারেন না। হোস্টেল কিংবা মেসলাইফ এসে অনেক ছেলেই রন্ধন পটিয়সী হয়ে ওঠে। নিজের কাজ চালিয়ে নেয়ার মতো চিকেন, নুডলস, ওমলেট, ভাত এসব রান্না অনেকেই শিখে নেন।


বাইরের দেশে অধিকাংশ সময়েই ঘরের কাজ ভাগাভাগি করে নেন নারী-পুরুষ। কিন্তু আমাদের সমাজের বেশিরভাগ পুরুষই ঘরের কাজকে মেয়েদের কাজ মনে করেন। তবে দৃষ্টিভঙ্গি বদলাচ্ছে। সঙ্গীর মন পেতে চাইলে রান্না বা অন্যান্য ঘরের কাজে মন দিচ্ছেন পুরুষেরাও।


ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার সোশিওলজিস্ট স্কট কলট্রানে এবং মাইকেল অ্যাডামস সম্প্রতি এই গবেষণাটি করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে মেয়েরাও এখন ছেলেদের মতোই ফুলটাইম অফিস করেন। বাড়ি ফেরার পর তাদের সঙ্গী যদি ঘরের কাজে সাহায্য করেন, তাহলে সঙ্গীর প্রতি তাদের ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধাবোধ বাড়ে। নিজেদের মধ্যে ঝগড়া কম হয়। ছেলেরা যদি মেয়েদের নানা কাজে সাহায্য করে তাতে সম্পর্ক আরও বেশি জোরদার হয়।


এছাড়াও সেই প্রভাব সন্তানদের উপর পড়ে। বাড়ি থেকেই তো শেখার শুরু। ফলে বাচ্চারা যেমন সহজে সবার সঙ্গে মিশতে শেখে তেমনই খাবারও ভাগ করে খেতে শেখে। সবাইকে সম্মান করতে শেখে। সম্পর্কের মর্যাদা দেয়। যারা বিবাহিত এবং বিয়ের উপযুক্ত তারা আজ থেকে রান্নাঘরে ঢুকুন। কোয়ারেন্টাইনের সময়টাকে কাজে লাগিয়ে রান্নার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজটি শিখে নিন।

কোয়ারেন্টাইনে যে কাজটি শিখতে পারেন পুরুষেরা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক 

কোয়ারেন্টাইনের সময়টাকে সঠিক কাজে ব্যবহার করতে চাইছেন? তাহলে এমন একটি কাজ শিখে নিন যা কিনা জীবনযাপনের ক্ষেত্রে ভীষণ জরুরি। এমনকী সম্পর্ক সুন্দর রাখতেও এর জুড়ি নেই। কী সেই কাজ? কিছুদিন আগের এক জরিপে দেখা গেছে, যেসব ছেলে ভালো রান্না জানেন মেয়েরা তাদের প্রতি একটু বেশিই আকৃষ্ট হন। তাই হোম কোয়ারেন্টাইনে অফিসের কাজের ফাঁকে রান্না শিখে নিন। যারা বাড়িতে থাকতে হচ্ছে বলে ছটফট করছেন তারাও একটু বাড়ির কাজ শিখুন। এমন সুযোগ সবসময় পাওয়া যায় না।


রান্নাকে মোটেই মেয়েদের কাজ ভাবা চলবে না। বরং এগিয়ে আসুক ছেলেরাও। যেকোনো বড় রেস্তোরাঁর শেফ কিন্তু বেশিরভাগ ছেলেরাই হন। আবার এমনও অনেক ছেলে আছেন যারা পানিটুকুও ঢেলে খেতে পারেন না। হোস্টেল কিংবা মেসলাইফ এসে অনেক ছেলেই রন্ধন পটিয়সী হয়ে ওঠে। নিজের কাজ চালিয়ে নেয়ার মতো চিকেন, নুডলস, ওমলেট, ভাত এসব রান্না অনেকেই শিখে নেন।


বাইরের দেশে অধিকাংশ সময়েই ঘরের কাজ ভাগাভাগি করে নেন নারী-পুরুষ। কিন্তু আমাদের সমাজের বেশিরভাগ পুরুষই ঘরের কাজকে মেয়েদের কাজ মনে করেন। তবে দৃষ্টিভঙ্গি বদলাচ্ছে। সঙ্গীর মন পেতে চাইলে রান্না বা অন্যান্য ঘরের কাজে মন দিচ্ছেন পুরুষেরাও।


ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার সোশিওলজিস্ট স্কট কলট্রানে এবং মাইকেল অ্যাডামস সম্প্রতি এই গবেষণাটি করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে মেয়েরাও এখন ছেলেদের মতোই ফুলটাইম অফিস করেন। বাড়ি ফেরার পর তাদের সঙ্গী যদি ঘরের কাজে সাহায্য করেন, তাহলে সঙ্গীর প্রতি তাদের ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধাবোধ বাড়ে। নিজেদের মধ্যে ঝগড়া কম হয়। ছেলেরা যদি মেয়েদের নানা কাজে সাহায্য করে তাতে সম্পর্ক আরও বেশি জোরদার হয়।


এছাড়াও সেই প্রভাব সন্তানদের উপর পড়ে। বাড়ি থেকেই তো শেখার শুরু। ফলে বাচ্চারা যেমন সহজে সবার সঙ্গে মিশতে শেখে তেমনই খাবারও ভাগ করে খেতে শেখে। সবাইকে সম্মান করতে শেখে। সম্পর্কের মর্যাদা দেয়। যারা বিবাহিত এবং বিয়ের উপযুক্ত তারা আজ থেকে রান্নাঘরে ঢুকুন। কোয়ারেন্টাইনের সময়টাকে কাজে লাগিয়ে রান্নার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজটি শিখে নিন।

একা একা খেলে ওজন কমে, বলছে গবেষণা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বন্ধু ছাড়া আপনি চলতেই পারেন না? এমনকী এককাপ কফি খেতেও সঙ্গীর প্রয়োজন পড়ে?

হৈ-হুল্লোর আর জমজমাট আড্ডায় সমানে চলে মুখরোচক সব খাবার? এদিকে আপনার ওজনের কাটা দিনদিন উর্ধ্বমুখী!

এইযে সবার সঙ্গে খাওয়ার অভ্যাস, ওজন বৃদ্ধির সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে কি? আমেরিকার গবেষকরা কিন্তু এমনটাই জানাচ্ছেন।

সম্প্রতি ‘আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিকাল নিউট্রেশন’-এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে আমেরিকান

হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের গবেষকরা ওজন বাড়ার নেপথ্যে অন্যতম কারণ হিসেবে দলবেঁধে খাওয়াদাওয়া করাকেই দাবি করছেন।

বিভিন্ন সময়ে একাধিক দলের উপর পরীক্ষা চালিয়ে গবেষকদের দাবি,

অনেকের সঙ্গে বা চেনা মানুষজনের সঙ্গে রেস্তরাঁয় খেতে বসলে প্রায় ৬০-৬৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই ‘ডায়েট ল্যাপস’ বা ডায়েট ছাপিয়ে খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে।

কোনো পার্টি বা দাওয়াতে একা খেলে যেটুকু অনিয়ম হয়, অনেকের সঙ্গে মজা করে খেতে বসলে সেই অনিয়ম বেড়ে যায় অনেকটা!

আমেরিকান ফিজিওলজিস্ট জন দে কাস্ত্রোর মতে, একা খেলে ক্যালোরি গ্রহণের মাত্রা অনেকটা কমে।

ডায়েট চার্টকে মাথায় রেখে খাওয়াও যায়। কী রকম সেটা? কাস্ত্রোর ব্যাখ্যা: ধরা যাক, রেস্তরাঁয় একসঙ্গে খেতে গিয়েছেন।

পেট ভরে গিয়েছে আপনার। তবু দলের চাপে আর শুধুই ‘চোখের ক্ষুধা’-র বশবর্তী হয়ে শেষ পাতে আর একটু ডেজার্ট চেখে ফেললেন।

যে খাবার কখনো খাননি তাও খেয়ে ফেললেন। এছাড়া অনেকেই ভেবে থাকেন,

একসঙ্গে খেলে খাবারের পরিমাণ ভাগ হয়ে যাওয়ায় ভাগে কম খাবারই জোটে। আসলে উল্টোটা ঘটে।

অনেকে মিলে খেলে সবার খাবার একসঙ্গে ভাগ করে খাওয়ার সময় পরিমাণ অত হিসেব করা যায় না।

আর তাতেই বাড়তে থাকে ওজন। এই ব্যাখ্যায় সহমত প্রকাশ করেছে ‘নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন’-এ প্রকাশিত আর এক গবেষণাপত্রও।

সেখানে ইংরেজ গবেষকরা দাবি করেছেন, সঙ্গী কোনোভাবে মোটা হয়ে গেলে ও বেশি খাওয়ার অভ্যাস আয়ত্তে আনলে,

তার সঙ্গে খেতে বসলে অতিরিক্ত খাবার খেয়ে ফেলার প্রবণতা বেড়ে যায় প্রায় ১৭১ শতাংশ।

একসঙ্গে খেলে যে যে কারণগুলোয় বেশি খাওয়া হয়ে যায়, তার মধ্যে অন্যতম নানা রকম খাবারের স্বাদ নেয়া,

অনেকটা খাবার অর্ডার করে ফেলা বা নষ্ট হওয়ার ভয়ে খেয়ে ফেলা।

ফলে একা খেলে যে খাবারের মাপ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকে তা অবশ্যই ঠিক।

তাই ওজন কমাতে চাইলে একা খাওয়ার অভ্যাস করুন।

 

 

৩১ জানুয়ারি : আজকের দিনটি কেমন যাবে?
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : আজ ৩১ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার। আজকের তারিখে জন্মগ্রহণ করায় রাশিচক্রে আপনি কুম্ভ রাশির জাতক-জাতিকা।

চলুন জেনে নেওয়া যাক আপনার রাশিতে আজকের পূর্বাভাস:

মেষ (২১ মার্চ - ২০ এপ্রিল)

আজ মেষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ব্যয় বহুল হতে পারে। দূরের যাত্রার যোগ প্রবল।

প্রবাসীদের দিনটি ভালো যাবে। ট্রান্সপোর্ট ও ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় আশানুরুপ লাভের আশা করা যায়।

বিদেশ থেকে ভালো কোনো সংবাদ পেতে পারেন। সন্ধার পর আপনার প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে।

শুভ রং: সবুজ

শুভ সংখ্যা: ২

বৃষ (২১ এপ্রিল - ২১ মে)

বৃষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে।

বকেয়া বিল বেতন আদায় হওয়াতে আর্থিক অবস্থা বলবান হয়ে উঠবে।

আজ কোনো বন্ধুর সাহায্য পেতে পারেন। বাড়িতে বড় ভাই বোনের সাথে

কোনো সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হবার সম্ভাবনা। ব্যবসায়িক ব্যয় কিছুটা বাড়তে পারে।

পূর্বপরিকল্পণা ছাড়াই দূরে কোথাও যেতে পারেন।

শুভ রং: সাদা শুভ সংখ্যা: ৩

মিথুন (২২ মে ২১ জুন)

মিথুন রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়।

বেকারদের চাকরি সংক্রান্ত পরীক্ষায় ভালো ফল লাভের সম্ভাবনা।

কোন শিক্ষা সংক্রান্ত ক্ষেত্রে চাকরি হতে পারে। রাজনৈতিক কাজে সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে।

ব্যবসায়ীক কাজে সফল হবেন। পারিবারিক কোনো বিষয়ে পিতার সাহায্য পেতে পারেন।

দিনের শেষে কোনো বন্ধুর সাথে দেখা হতে পারে।

শুভ রং: কমলা শুভ সংখ্যা: ২

কর্কট (২২ জুন ২২ জুলাই)

আজ কর্কট রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। আপনার ভাগ্য আপনার সহায় হতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় আশানুরুপ সফল হতে পারেন।

জীবিকা বা ভাগ্য উন্নতির আশায় বিদেশ যাত্রার প্রচেষ্টায় সফল হবেন।

কোনো অতীন্দ্রিয় সাধকের সাহায্য পেতে পারেন।

শুভ রং: বাদামি শুভ সংখ্যা: ২

সিংহ (২৩ জুলাই - ২৩ আগস্ট)

সিংহ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ঝামেলাপূর্ণ।

আজ শেয়ার ব্যবসায়ী ও ফরেক্স ট্রেডিং এ লাভবান হতে পারেন।

চিকিৎসক ও মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের দিনটি লাভ দায়ক।

ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে ঝামেলা দেখা দেবে।পাওনাদারের তাগাদা বৃদ্ধি পাবে।

বিকালের পর কোনো বন্ধুর সাহায্য পেতে পারেন।

শুভ রং: আকাশি শুভ সংখ্যা: ৩

কন্যা (২৪ আগস্ট ২৩ সেপ্টেম্বর)

আজ কন্যার জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। ব্যবসা বাণিজ্যে ভালো আয়ের যোগ রয়েছে।

অংশিদারী কাজে অংশিদারের দ্বারা উপকৃত হবেন।

জীবন সাথী আপনাকে কিছু অর্থ দিয়ে সাহায্য করতে পারে।

সন্ধার পর রাস্তাঘাটে সাবধানে চলবেন। পরীক্ষার্থীরা হটাৎ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

ঝুঁকি নিয়ে কোনো কাজ করতে গেলে পুলিশি হয়রানির সম্মূখীন হতে হবে।

শুভ রং: সাদা শুভ সংখ্যা: ২

তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর ২৩ অক্টোবর)

তুলা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে না। শরীর স্বাস্থ্য কিছুটা খারাপ থাকতে পারে।

কর্মস্থলে পদস্ত কর্মকর্তার সাথে কোনো প্রকার ঝামেলা দেখা দেবে।

সহকর্মীদের সাহায্য ছাড়া এ ঝামেলা হতে পরিত্রাণ পাওয়া অসম্ভব।

ব্যবসায়ীদের দিনটি ঝামেলাপূর্ণ হবে। ক্রয় বিক্রয়ে পরিবহন সংক্রান্ত বাধা বিপত্তির সম্মূখীন হতে হবে।

কাজের লোকের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবার আশঙ্কা প্রবল।

শুভ রং: কমলা শুভ সংখ্যা: ৩

বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর ২২ নভেম্বর)

বৃশ্চিক রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়।

সন্তানের পরীক্ষা নিয়ে অবিভাবকরা কিছুটা চিন্তায় পড়তে পারেন।

রোমান্টিক যোগাযোগে সফল হবেন। প্রিয়জনকে নিয়ে দূরে কোথাও ভ্রমনে যেতে পারেন।

শিল্পী ও সাহিত্যিকদের সম্মান মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। নিঃসন্তান দম্পতিদের সন্তান লাভের সম্ভাবনা প্রবল।

শুভ রং: লাল শুভ সংখ্যা: ২

ধনু (২৩ নভেম্বর ২১ ডিসেম্বর)

ধনু রাশির জাতক জাতিকার কর্মস্থলে কোন প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে।

পারিবারিক নিত্যনৈমত্তিক কাজে ব্যবহার যোগ্য কিছু সামগ্রি ক্রয় করতে পারেন।

যানবাহন লাভের যোগ প্রবল। ভূমি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে ভালো সংবাদ আসতে পারে।

ব্যবসায়ীক কাজে দূরে কোথাও যেতে পারেন। মায়ের কাছ থেকে কিছু অর্থ লাভের সম্ভাবনা।

শুভ রং: মেরুন শুভ সংখ্যা: ৫

মকর (২২ ডিসেম্বর ২০ জানুয়ারি)

মকর রাশির দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। বিদেশ থেকে ভালো কোনো সংবাদ আসতে পারে।

ছোট ভাই বোনের সাথে কিছু তর্ক বিতর্ক হবার আশঙ্কা।

আজ উবার ও পাঠাওয়ের চালকদের ভালো আয় হবে।

সাংবাদিকদের দিনটি ঝামেলাপূর্ণ। কর্মস্তলে কোন ঝামেলাপূর্ণ সংবাদ পেতে পারেন।

গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের দিনটি ভালো যাবে না। মানি এক্সেঞ্জ ব্যবসায়ীরা সতর্ক থাকবেন।

শুভ রং: সবুজ শুভ সংখ্যা: ৫

কুম্ভ (২১ জানুয়ারি ১৮ ফেব্রুয়ারি)

কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকার বকেয়া বিল আদায়ের যোগ প্রবল।

সঞ্চয়ের প্রষ্টোয় সামান্ন অগ্রগতি হতে পারে।

খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায় লাভের আশা করা যায়।

ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ থেকে কিছু আয় হতে পারে।

রাতে আত্মীয়র বাসায় আপ্যায়ণে অংশ নিতে পারেন।

খাদ্য ও পোশাক ব্যবসায়ীরা আজ ভালো লাভ করতে পারবেন।

শুভ রং: সাদা শুভ সংখ্যা: ১

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০ মার্চ)

মীন রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভাশুভ মিশ্রিত।

অসুস্থদের আরোগ্য লাভের যোগ। কর্মস্থলে আপনার প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে।

চাকরীজীবীরা ভালো কোনো সংবাদ পেতে পারেন। কর্মস্থলে নতুন দায়িত্ব লাভের যোগ রয়েছে।

দাম্পত্য সুখ শান্তি বৃদ্ধি পাবে। অংশীদারী বাণিজ্যে আশানুরুপ লাভের আশা রয়েছে।

প্রভাব ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। সন্ধার পর সময় কিছুটা প্রতিকূল হয়ে উঠবে। কলহের আশঙ্কা প্রবল।

শুভ রং: কমলা শুভ সংখ্যা: ৩

 

প্রতিদিন দু’টি কলা খাবেন যে কারণে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক :  সস্তা এবং সুস্বাদু ফল। পুষ্টিগুণ যেকোনো ফলের তুলনায় কোনো অংশেই কম নয়।

আবার দ্রুত শক্তি জোগাতেও এর বিকল্প নেই বললেই চলে। বলছি কলার কথা।

অতি পরিচিত এই ফলটিতে আছে প্রচুর পটাশিয়াম, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, প্রোটিন এবং আরও নানাবিধ উপকারি উপাদান।

এটি আমাদের শরীরের নানা উপকার করে।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানান, গত কয়েক বছরে সারা বিশ্বেই নারীদের মধ্যে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বেড়েছে কয়েকগুণ।

ঠিক এ কারণেই তো মেয়েদের প্রতিদিন দুটি করে কলা খাওয়া প্রয়োজন।

কারণ নিয়মিত এ ফলটি খাওয়া শুরু করলে শরীরে ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে,

যার প্রভাবে হার্টের স্বাস্থ্যের এতটাই উন্নতি ঘটে যে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা কমে।

সেই সঙ্গে নানাবিধ করোনারি হার্ট ডিজিজও দূরে থাকে।

প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক নারীরই মাসের নির্দিষ্ট কয়েকটি দিন শারীরিক ও মানসিক নানা অসুবিধার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

তবে পিরিয়ডের সময়কার মুড সুইং এবং শারীরিক  

কষ্ট থেকে যদি দূরে থাকতে হয়, তাহলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কলা যোগ করুন।

কারণ এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি৬, যা পিরিয়ডের সময় শরীর এবং মনকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

মাত্রাতিরিক্ত স্ট্রেস এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার কারণে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তের সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তাই নিজেকে সুস্থ রাখতে হলে কলা খেতে হবে নিয়মিত। কারণ এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম,

যা শরীরে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে সোডিয়ামের মাত্রা কমতে শুরু করে।

ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

কলায় উপস্থিত পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তে মিশে যাওয়া মাত্র মস্তিষ্ক এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের প্রবাহকে বাড়িয়ে তোলে।

সেই সঙ্গে নার্ভসেলের মধ্যে যাতে ইলেকট্রিকাল অ্যাকটিভিটি ঠিক মতো হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে।

ফলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না। আর মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়লে মনোযোগ ক্ষমতার উন্নতি তো ঘটেই,

সেইসঙ্গে বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তির ক্ষমতা বাড়তেও সময় লাগে না।

হজম ক্ষমতা যাতে দুর্বল হয়ে না যায়, তা সুনিশ্চিত করতে নিয়মিত কলা খাওয়া জরুরি।

আসলে এই ফলটিতে উপস্থিত ফাইবার, হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটাতে যেমন বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে,

তেমনি বদহজম এবং গ্যাস্ট্রিকের প্রকোপ কমাতেও দারুণ কাজ করে।

ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খাবেন যে কারণে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দুধ আমাদের শরীরের জন্য সবচেয়ে উপকারী খাবারগুলোর একটি।

সাধারণত সকালের খাবারে দুধ খেয়ে থাকেন বেশিরভাগ মানুষ।

এর পাশাপাশি চা বা কফিতেও দুধ মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস অনেকের।

কিন্তু আপনি যদি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খেতে পারেন, তবে তা স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে উপকারী।

চলুন জেনে নেয়া যাক ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খেলে কী উপকার পাওয়া যায়-

কোলেস্ট্রল নিয়ন্ত্রণে রাখে: প্রতি রাতে শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস করে

লো-ফ্যাট দুধ খেলে শরীরের কোলেস্ট্রল লেভেল অনেকটাই কমে এবং শরীর সুস্থ থাকে।

দুধে যে প্রোটিন থাকে তা খারাপ কোলেস্ট্রল কমিয়ে ভালো কোলেস্ট্রলের মাত্রা বৃদ্ধি করে।

গরুর দুধ ভিতামিন এ, ডি এবং ক্যালশিয়ামে সমৃদ্ধ যা আমাদের হৃদযন্ত্রকেও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

ভালো ঘুমে সহায়ক: বর্তমানে ঘুম না আসা খুব কমন একটি সমস্যা।

এক্ষেত্রে বেশিরভাগ চিকিৎসকই পরামর্শ দেন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধ খেতে।

দুধে যে বায়োঅ্যাক্টিভ প্রপারটিস থাকে তা স্ট্রেস কমিয়ে ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে। হাড় মজবুত করে: দুধে আছে ভিটামিন ডি।

যা আমাদের শরীরে ভিটামিন ডি তৈরির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং ক্যালশিয়াম হাড় মজবুত করার জন্য প্রয়োজন।

বেশিরভাগ নারীরই বয়স বাড়ার সঙ্গেসঙ্গে অস্টিওআরথ্রারাইটিসের সমস্যা দেখা দেয়,

নিয়ম করে প্রতিদিন রাতে দুধ খেলে এ ধরনের রোগব্যাধি থেকে মুক্তি মিলবে।

পাশাপাশি বাতের সমস্যাও শরীরে বাসা বাঁধতে পারবেনা।

সারাদিনের জন্য শক্তি: রাত্রে এক গ্লাস হালকা গরম দুধ খেয়ে ঘুমাতে গেলে

পরদিন সকালে আপনার এনার্জি লেভেল দেখে আপনি নিজেই অবাক হয়ে যেতে পারেন।

যেহেতু দুধের মধ্যে প্রোটিন এবং ল্যাক্টিন রয়েছে তা আপনাকে রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে,

ফলে আপনি সকালে বেশ তরতাজাভাবে ঘুম থেকে অথেন এবং সারাদিনের জন্য কাজে এনার্জি পান।

ত্বক সুন্দর করে: অনেকেই ত্বকের কোমলতা বাড়াতে এবং ত্বককে স্বাস্থ্যজ্জ্বল করতে দুধের সর মুখে মাখেন।

দুধ খেলেও কিন্তু ত্বক উজ্জ্বল হয় এবং তারুণ্যে ভরপুর থাকে।

দুধে ভিটামিন বি১২ ও থাকে যা ত্বকের ইল্যাস্টিসিটি বজায় রাখতে সাহায্য করে

ফলে অকালে চামড়া ঝুলে যায়না এবং ত্বক নরম ও তরতাজা থাকে।

 

দিনের শুরুতে যে ৭ কাজ আপনাকে ভালো রাখবে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দিনের শুরুটা দেখেই নাকি বলে দেয়া যায়, সারাদিন কেমন যাবে!

ঘুম ভাঙার পরে আপনি যদি একটি হাসিখুশি মন নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন, তবে দিনের বাকি সময়টুকুও আনন্দেই কাটবে।

দিনের শুরুতে কিছু কাজ আপনাকে সারাদিন চলার শক্তি জোগাবে।

সকালের সময়টুকু আপনি কীভাবে কাটাবেন, তার ওপরেই নির্ভর করে বাকি দিনটা আপনার কীভাবে কাটবে।

জেনে দিনের শুরুটা দারুণভাবে করার সহজ সাতটি কাজ-

ঘুম থেকে উঠে প্রথমে যে কাজটি করবেন তা হলো নিজের বিছানা পরিপাটি করে গুছিয়ে রাখা।

দিনের শুরুটা সুন্দর করার এটিই প্রথম ধাপ। খুব সাধারণ এই ঘরের কাজ আপনার মনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

সকালবেলা গুছিয়ে রাখা বিছানা আপনাকে মানসিক পরিতৃপ্তি দেয়। তাই দিনের শুরুতে এটাই হোক আপনার প্রথম কাজ।

এরপর বিছানা ছেড়ে হাত-মুখ ধুয়ে অবশ্যই একগ্লাস পানি খাবেন। সকালে শরীরকে আর্দ্র করা অত্যন্ত জরুরি।

ঘুম থেকে উঠে পানি খেলে শরীর শক্তি পাবে, ঘুমিয়ে থাকা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো ঠিকমতো কাজ শুরু করবে।

দিনের শুরুতে একগ্লাস পানি আপনার শরীরে সারারাত ধরে জমা টক্সিন বের করতে সাহায্য করবে।

এরপরের কাজটি হলো ব্যায়াম। জিম কিংবা সাঁতার, হাঁটা কিংবা জগিং- সকালে উঠে কিছু সময়ের জন্য হলেও ব্যায়াম করতেই হবে।

এর ফলে শুধু আপনার শরীর নয়, শক্তি পাবে আপনার মনও। কাজ করার নতুন উদ্যম পাবেন।

এরপর একটি তালিকা তৈরি করুন। তালিকাটি হবে সারাদিন আপনি কোন কাজগুলো করবেন, তার।

জরুরি কাজ যেমন, ডাক্তারের কাছে যাওয়া, ব্যাংকে যাওয়া ইত্যাদি থাকলে পাশাপাশি সময়ও উল্লেখ করে দিন।

গুরুত্ব অনুযায়ী কাজগুলো সাজিয়ে ফেলুন। সারাদিনের কাজ সহজ হয়ে যাবে।

অনেকেই আছেন যারা সকালে উঠেই ফোন ঘাঁটতে শুরু করেন। এটি ভীষণ অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

তাই সকালে উঠেই ফোন ঘাঁটা বন্ধ করুন। জরুরি না হলে সেলফোন থেকে দূরে থাকুন। বরং নিজের জন্য রাখুন সময়টুকু।

এরপর তৈরি হয়ে নিন সারাদিনের জন্য। গোসল, কাপড় পরা, তৈরি হওয়া সব ঝটপট সেরে ফেলুন।

কোনটার পরে কোনটা করবেন তাও ঠিক করে নিন।

সকালের রুটিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সকালের নাস্তা। সকালের খাবার হতে হবে স্বাস্থ্যকর ও পেটভর্তি।

সামনে যা পান তাই খেয়ে বের হয়ে যাবেন না। দরকার হলে আগের দিন ঠিক করে রাখুন, পরের দিন সকালের নাস্তায় কী খাবেন।

 

৯১ বছর বয়সে এসে যাজক বললেন তিনি আসলে সমকামী
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :"আমি সমকামী হিসেবেই জন্ম নিয়েছিলাম। এটি আমি নিজে পছন্দ করে নেইনি।

জীবনের বেশির ভাগ সময়ই এটি আশা করেছি যে আমি যদি বাকী সবার হতো হতাম (বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ),

বলছিলেন রিভারেন্ড স্ট্যানলি আন্ডারহিল।

অনেক অল্প বয়সেই তিনি অনুধাবন করেন যে তিনি ঠিক তার বয়সী অন্যদের মতো না।

"আমি আমার ভাইকেও ২০১৮ সালে বই লেখার আগ পর্যন্ত বলিনি যে আমি সমকামী," তিনি বিবিসিকে বলেন।

এই সময় তার বয়স ছিলো ৯১ এবং তার ভাই তার চেয়ে দু বছরের ছোটো।

"এবং সে খুব একটা উদ্বিগ্ন হয়নি। আমি যদি তাকে ও আমার পরিবারকে আগেই বলতে পারতাম।

অবশ্য আমি জানিনা তারা বিষয়টা তখন কিভাবে নিতো"।

নিজের আত্মজীবনীতে তিনি লিখেছেন যে তিনি বড় হয়েছেন একটি সমস্যাসঙ্কুল ও

অসহিষ্ণু পরিবেশে যেখানে দারিদ্রতা, শ্রেণী বৈষম্য আর মতামত চাপিয়ে দেয়াটাই ছিলো স্বাভাবিক চিত্র।

এসব কারণে তিনি যখন প্রাপ্তবয়স্ক হন তখন নিজেকে অন্যদের মতো

বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ আছে এমন একজন হিসেবেই উপস্থাপন করেন।তার জন্মের মাত্র নয় বছর আগে ১৯১৮ সালে ইংল্যান্ডে ভোটাধিকার পায় নারীরা।

তবে সমকামী হওয়াটা ছিল বেআইনি ও এটিকে `ঈশ্বরকে অসম্মানে`র সাথে তুলনা করা হতো।

ফলশ্রুতিতে অন্য অনেকের মতো আন্ডারহিলও তার সেস্কুয়ালিটি বা যৌন বৈশিষ্ট্য গোপন করেন।

"আমি সচেতনভাবেই নিজের সত্ত্বাকে দমন করি - নিজের ও ঈশ্বরসহ সবার কাছে"।

নিজের সাথে সংগ্রাম

শৈশবে আন্ডারহিল খুবই নার্ভাস ধরনের ব্যক্তি ছিলেন এবং তার অভিভাবক ছিলেন অনেক রক্ষণশীল।

সেখানে নিজের সেক্সুয়াল অরিয়েন্টেশন নিয়ে কথা বলার সুযোগ ছিল না বললেই চলে।

"আমি জানতাম না আমি কে। কিন্তু তাদের বলতে পারতামনা ।

আপনি জানেন যে হোমোসেক্সুয়াল শব্দটাই ডিকশনারিতে ছিল না"।

তার বাবা একটি কারখানায় কাজ করতেন যেখানে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম তৈরি করা হতো কিন্তু তার বেতন ছিল খুব কম।

বাবার সাথে তার সম্পর্ক ছিল অনেকটা নির্দেশনা বা আদেশ নিষেধ শোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ।

"আমার ধারণা তিনি আমাদের পছন্দ করতেন না। অবশ্য তিনি বলেননি তিনি কেন এমন ছিলেন"।

মায়ের সাথেও তার ঠিক স্বাভাবিক সম্পর্ক ছিল না

আরও ভয়াবহ হলো স্কুলে প্রায়শই তাকে টিটকারি বা হয়রানির শিকার হতে হতো।

আন্ডারহিলকে ডাকা হয় তার চিকিৎসার জন্য কিন্তু তিনি সেখানে অনেক রক্ত দেখে অজ্ঞান হয়ে যান।

পরে অ্যালেক্স নামক একজনকে ডাকা হয় তার শুশ্রূষার জন্য।

প্রেমে পড়া

"চোখে খুলেই দেখলাম অ্যালেক্স আমার দিকে তাকিয়ে আছে। কিছু একটা বলছিলেন তিনি। আমি শুনিনি কি বলেছেন। কিন্তু আমি তার প্রেমে পড়লাম"।

১৯৪৮ সালে নেভিতে তার চাকরী শেষে তিনি অ্যালেক্সের বাবার কাছ থেকে বেতনহীন হিসাব রক্ষকের ক্লার্ক হিসেবে কাজের অফার পেলাম।

"অ্যালেক্সের সাথে আমার সম্পর্ক ছিল চমৎকার। মনে হয়নি যে আইন ভঙ্গ করেছি বা এটি কোনো অস্বাভাবিক বিষয়"।

কিন্তু আন্ডারহিল যখন অ্যালেক্সের সাথে এক সাথেই থাকতে চাইলে তখন তিনি বুঝতে পারলেন যে এটি অগ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অ্যালেক্সের বাবা তাকে কাজ ছেড়ে দিয়ে নিজের পথ দেখতে বললেন।

আবার অ্যালেক্সের মধ্যেও পরিবর্তন দেখা গেলো। "সেই প্রথম উপসংহারে আসে যে আমার সাথে তার সম্পর্ক ছিল একটা পাপ"।

আন্ডারহিলের সাথে সম্পর্ক থাকা অবস্থাতেই এক নারীর সাথে প্রেম শুরু করে অ্যালেক্স।

শেষ পর্যন্ত ১৯৫২ সালে সে তার গার্লফ্রেন্ডকে বিয়ে করে।

বিষণ্ণতা

"এটা ছিলো খুবই কষ্টের। এটা প্রত্যাখ্যানের চেয়ে বড় কিছু ছিল। আমাকে নৈরাজ্যের মধ্যে ঠেলে দেয়া হয়েছিল"।

অ্যালেক্স এরপর গে কনভারসেশন থেরাপির পরামর্শ দেয়।

এক সকালে সে একদল বন্ধুকে ডাকে এবং তার হাতের ওপর হাত রেখে প্রার্থনা করতে বলে।

"সে ঈশ্বরকে বলছিল আমার ভেতরে থাকা দৈত্যকে বের করে নিতে এবং সমকামী অনুভব থেকে আমাকে মুক্তি দিতে"।

কিন্তু এর ফল ছিল একটা বিপর্যয়। "আমার খুবই খারাপ অনুভূতি হতে লাগলো যা আগে কোনদিন হয়নি।

১৯৬৭ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে সমকামিতাকে অপরাধের সংজ্ঞার বাইরে আনা হয়।

এমনকি এখনও ৬৮টি দেশে সমকামিতাকে কিছু মাত্রায় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। এর অর্ধেকই একসময় ব্রিটিশ উপনিবেশের মধ্যে ছিলো।

আন্ডারহিলকে টেস্টসটেরন হরমোনাল ইনজেকশনও নিতে হয়। কিন্তু এটি তার যৌন বিষণ্ণতাই বাড়িয়ে দিয়েছিলো কেবল।

পরে তিনি লন্ডনে চলে যান এবং সেখানে তিনি বহু সমকামী ব্যক্তিকে খুঁজে পান এবং আন্ডারহিল তাদের সাথে একটি ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ তৈরি করতে কঠিন পরিশ্রম করেন।

"আমি ভালোবাসা পেয়েছি এবং কিছু পুরুষের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো কিন্তু এগুলো বিকশিত হতে পারেনি প্রতিকূল পরিবেশের জন্য"।

পরে তিনি একটি অ্যাকাউন্টেন্সি ফার্ম এর অংশীদার হন এবং সেখানেও তার সেক্সুয়ালিটি একটি ইস্যু হয়ে দাঁড়ায়।

"তারা প্রতি পদক্ষেপে আমাকে নিয়ে উপহাস করতো কারণ আমি একজন সমকামী।

সে কারণে সেখান থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই এবং ধর্মযাজক হওয়ার দীর্ঘদিনের স্বপ্নের দিকে মনোযোগী হই"।

আন্ডারহিল ভুল ব্যাখ্যাকেই সব সমস্যার মূল বলে মনে করেন। তিনি সানডে স্কুলে পড়ার সময় থেকেই যিশুকে রোল মডেল মনে করেন।

রেডিওতে যিশুর জীবন ভিত্তিক নাটক তাকে বেশ প্রভাবিত করেছিলো। "আমি তাকেই জীবনের গাইড হওয়ার জন্য চেয়েছিলাম"।

যখন তার বয়স ৫০, তার এই গাইডের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ গড়ে ওঠে তার এবং তিনি যোগ দেন সোসাইটি অফ সেইন্ট ফ্রান্সিস-এ।

চার্চের হিপোক্রেসি

তিনি কেন্টারবুড়ি স্কুল অফ মিনিস্ট্রিতে তিন বছর পড়াশোনা করেন যাজক হওয়ার আশায়।

এমনকি কয়েকটি জায়গায় কাজ করেন নিজের সমকামী পরিচয়কে গোপন রেখেই।

তিনি বইয়ে লিখেছেন চার্চ কর্তৃপক্ষের হিপোক্রেসির জন্য তিনি সেটি বলতে পারেননি।

মুক্তি

তিনি লিখেছেন সমকামীদের প্রতি যিশুর মতো সহনশীলতা দেখানোর সুযোগ চার্চ হাতছাড়া করেছে।

এখন অবসর জীবন কাটাচ্ছেন লন্ডনে এবং সমকামীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোয় দারুণ খুশী তিনি।

"অবশেষে এটাই মুক্তি," বলছেন তিনি তিনি।

"আমি দুখ পাই এ কারণে যে আমি আমার স্বাভাবিক যৌন জীবন থেকে বঞ্চিত যা আমার জন্য চরম হতাশার কারণ হয়েছিল"।

আমি চিকিৎসকের কাছে গিয়ে বললাম এ বিশ্বের জন্য আমি ভালো নই"।

এরপর তিনি বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হন ও তার মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা দেখা দেয়।

নাসাার্রিগুলোতে উৎপাদন হচ্ছে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস
                                  

শুভ কুমার ঘোষ, সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জের নাসাার্রিগুলোতে উৎপাদন হচ্ছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ইউক্যালিপটাস গাছ।

ফলে পরিবেশবান্ধব-ফলদ ও ঔষধি গাছ হুমকীর মুখে পড়ছে।

অকৃত্রিম বন্ধু গাছ মানবজাতির জীবনরক্ষা থেকে শুর“ করে বিভিন্ন উপকারে আসে এটাই সবারই জানা।

মানুষের পরম বন্ধু গাছ নীরব ভাষায় আমাদের সার্থকতার গান শোনায়।

জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং সাজাতে বৃক্ষের তুলনা নেই।

কিন্তু এমনও কিছু প্রজাতির গাছ আছে যা মানুষ এবং পরিবেশের জন্য হুমকী স্বরূপ।

বিজ্ঞানীদের গবেষণায় ধরা পড়া এমন একটি গাছ হচ্ছে ইউক্যালিপটাস।

বিদেশি এই গাছ এখন এদেশের মানুষের সামান্য কিছু লাভের কারণ হলেও এর ক্ষতির দিকটিই সবচেয়ে বেশি। 

ইতিপূবে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত এই গাছ রোপন নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে।

সেই সূত্র ধরে বাংলাদেশ সরকার ২০০৮ সালে মানুষ ও পরিবেশের কথা চিন্তা করে

ইউক্যালিপটাস গাছের চারা উৎপাদন ও বিপনণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।

কিন্তু সেই নিষেধের তোয়াক্কা না করেই সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার সর্বত্রই এই গাছের উৎপাদন ও বিক্রয় চলছে মহাসমারোহে।

এতে করে ফলদ বৃক্ষের চারা সংকট, আশেপাশের আবাদি জমির ফলন বিপর্যয়সহ জীববৈচিত্র্যের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। 

এক শ্রেণির নার্সারির মালিকেরা তাদের নার্সারিতে এই গাছের চারা উৎপাদন করে চলেছে।

অনেকে আবাদি জমি লিজ নিয়ে অন্যান্য ফসলের মতো এই গাছের বীজ বপন করে।

তারপর একটু বড় হলে সেখান থেকেই পাইকারি বিক্রি করে দেয়। অনেকে পুরনো পেশা ছেড়ে এই গাছের চারা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন।

রিক্সা-ভ্যান যোগে এই গাছের চারা উপজেলার বিভিন্ন হাটে ও গ্রামে গ্রামে ঘুরে বিক্রি করছেন। 

দ্র“ত বর্ধনশীল, শক্ত কাঠ ও অল্প স্থানে অল্প খরচে অধিক চারা উৎপাদন করা যায় বলে

নার্সারি মালিকেরা এখন প্রায় সারা বছরই এই গাছের চারা উৎপাদন করছে। 

আর সাধারন মানুষ এই গাছের চারা আগে বসতবাড়ি, ভিটে ও পতিত জমিতে লাগালেও এখন আবাদি জমির আইলে সারি করে এসব গাছ লাগাচ্ছে।

অনেকে জমি বন্ধক নিয়ে সেখানে এই গাছের বাগান গড়ে তুলছে।

সদর উপজেলার শিয়ালকোল বড় হামকুড়িয়া, ছোট হামকুড়িয়া, সার“টিয়া, শিবনাথপুর, শিলন্দা,

কয়েলগাতিসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ইউক্যালিপটাস গাছের শত শত বিঘা জমিতে বাগান গড়ে উঠেছে।

বড় হামকুড়িয়া গ্রামের চাষী আবু সাঈদ জানান, গত কয়েক বছর যাবৎ এই গাছের বাগান করে লাভবান হচ্ছে।

উৎপাদিত জমিতে ফসলের আবাদ করে যে পরিমান লাভ পাওয়া যায় তারচেয়ে ইউক্যালিপটাস গাছের বাগান করে দ্বিগুন লাভবান হচ্ছে।

তিনি আরো জানান এই গাছের ক্ষতিকর বিষয়টা জানেন। কিন্তু পেটের তাগিদে বুঝেশুনেই তা করতে হয়েছে।

বর্তমানে অনেক চাষী ক্ষতিকর বিষয়টা জানায় ভবিষ্যতে আর ইউক্যালিপটাস গাছের বাগান করবেন না বলে জানান।

এদিকে বিস্তীর্ন চরাঞ্চলে শতাধিক নার্সারিসহ কাজিপুর উপজেলার আলমপুর, রৌহাবাড়ি, সোনামুখি, ছালাভরা,স্থলবাড়ি, পার“লকান্দি,

হরিনাথপুর, ঢেকুরিয়া, কুনকুনিয়া, চরকাদহ, পাঁচগাছি, কবিহার, উদগাড়ি, সীমান্তবাজারসহ বহুস্থানে গড়ে উঠেছে এই গাছের নার্সারি।

বিশেষ করে চরাঞ্চলে এই প্রবণতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এতে করে জমির উর্বরতা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে।

অন্যান্য ফসলের ফলন কমে  গেছে। এই গাছের নিকটবর্তি ফলদ বৃক্ষ আগের মতো আর ফল দিচ্ছে না।

কিন্তু উপজেলার নার্সারি মালিকদের এই গাছের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানা নেই।

কাজিপুর উপজেলার স্থলবাড়ি গ্রামের ভাই ভাই নার্সারির মালিক রফিকুল ইসলাম জানান,

এই গাছ বিক্রি হয় বেশি, উৎপাদনও সহজ, তাই চাষ করছি। কিন্তু কি ক্ষতি হয় তা জানি না।

একই কথা জানান, ঢেকুরিয়া হাটে এই গাছ কিনতে আসা এক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন।

তিনি জানান, নদী শিকস্তি এবং ভাঙন এলাকা হওয়ায় এই গাছ লাগাই, কারণ তাড়াতাড়ি বাড়ে। ক্ষতির কিছু জানিনা।

কাজিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সন্তোষ চন্দ্র জানান, প্রতিদিন একটি ইউক্যালিপটাস গাছ গড়ে ৩৭ থেকে ৪০ লিটার পানি শোষণ করে নেয়।

মাটির নিচের ৩০ ফুট মতো জায়গা নিয়ে এই গাছ পানি শোষণ করে থাকে। ফলে আশপাশের অন্যান্য গাছের খাবার সংগ্রহে অসুবিধা হয়।

এতে করে আগের মতো ফল দিতে পারে না। তিনি আরো জানান, এই গাছের ফুল ও ফল মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

এমনকি কোন পাখি পর্যন্ত এই গাছের ডালে বাসা বাধে না।

কাজিপুর উপজেলার আমিনা মনসুর কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক দিবাকর সরকার জানান, এই গাছের ফুল খুব ছোট।

এগুলো সহজেই মানুষের নাকে মুখে ঢুকে যেতে পারে। আর এর প্রভাব খুবই মারাত্মক।

শ্বাসকষ্ট থেকে শুর“ করে আরো নানা রোগের সৃষ্টি হতে পারে। 

নতুন বছরে কিছু সংকল্প করেছেন? কীভাবে রাখবেন তার পাঁচটি উপায়
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : এসে পড়লো আর একটি নতুন বছর - ২০২০।

আমাদের মধ্যে অনেকেই নতুন বছরে নিজেকে বদলানোর জন্য একাধিক সংকল্প করি।

সুস্বাস্থ্য অর্জনের অথবা পয়সা অপচয় কমানোর সংকল্প করি।

অথবা নতুন কোনো অভ্যাস অর্জনের চেষ্টা করি, অথবা কোনো বদভ্যাস বর্জনের চেষ্টা করি।

যে সংকল্পই আপনি গ্রহণ করুন, তা অর্জনের জন্য আপনার যেটি অবশ্য প্রয়োজন তা হলো মোটিভেশন বা নিজের মধ্যে উদ্দীপনা সৃষ্টি করা।

কিন্তু আমরা সবাই জানি সেই উদ্দীপনা তৈরি করা কতটা কষ্টকর।

যুক্তরাষ্ট্রের স্ক্যানট্রন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে মাত্র ৮ শতাংশ মানুষ নববর্ষে নেওয়া সংকল্প বাস্তবায়ন করতে পারে।

কিন্তু আপনাকে সেই ৯২ শতাংশ ব্যর্থ মানুষের তালিকায় থাকতে হবে, এমন কোনো কথা নেই।

কীভাবে আপনি সফল হতে পারেন, নীচে তার পাঁচটি উপায় বাতলে দেওয়া হলো। চেষ্টা করে দেখুন। আপনার জন্য শুভেচ্ছা ।

১. ধীরে শুরু করুন

এমন সংকল্প নিন যেটা বাস্তবে মেনে চলা সম্ভব। তাহলেই আপনার সাফল্যের সম্ভাবনা বাড়বে।

প্রধান একটি সমস্যা হচ্ছে আমরা অতিমাত্রায় উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করি। "এমন একটা কিছু ভেবে বসি যে নতুন বছরে আমি নতুন এক মানুষ হয়ে উঠবো- এমন ভাবনার ভিত্তিটাই গরল," বলছেন মনোবিজ্ঞানী র‍্যাচেল ওয়েনস্টেইন।

আপনাকে শুরু করতে হবে ধীরে। তারপর আস্তে আস্তে সংকল্পের পারদ চড়াতে হবে।

যেমন, প্রথমেই ম্যারাথন দৌড়ের চিন্তা না করে আপনাকে শুরুতে একটি দৌড়ানোর জুতো কিনে জগিং শুরু করতে হবে।

অথবা আপনি যদি রান্না পছন্দ করেন, প্রথম দিকে আপনি সপ্তাহে একটি আইটেম রাঁধতে অন্যকে সাহায্য করুন যাতে রান্নাটা আপনি রপ্ত করতে পারেন।

কারণ, মিস ওয়েনস্টেইন বলছেন, "বাস্তব জীবনে পরিবর্তন আসে ধীরে ধীরে।"

২. পরিষ্কার-স্বচ্ছ লক্ষ্য

আমরা অনেক সময় লক্ষ্য স্থির করার আগে ভাবিনা ঠিক কীভাবে তা অর্জন করা যাবে।

সুতরাং খুঁটিনাটি পরিকল্পনা খুবই জরুরী।

"যেমন `আমি জিমে যাবো` এই সংকল্প করার চেয়ে `আমি মঙ্গলবার বিকালে এবং শনিবার সকালে জিমে যাবো` এমন পরিকল্পনা করলে সাফল্যের সম্ভাবনা বাড়বে," বলছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিল লিভি।

সুতরাং শুধুমাত্র একটি ধোঁয়াটে মনস্কামনা প্রকাশের চেয়ে এমন কিছু চাইতে হবে যা বাস্তবে করা সম্ভব।

৩. সমর্থন তৈরি

আপনার সংকল্প বাস্তবায়নের পথে যদি আপনি আর কাউকে যুক্ত করতে পারেন, তাহলে তা আপনাকে অনেক বেশি উদ্বুদ্ধ করবে।

যেমন কোনো ক্লাসে বন্ধুকে সাথে নেওয়া বা আপনার সংকল্পকে মানুষের সামনে প্রকাশ করলে নিজের মধ্যে প্রণোদনা বাড়বে।

অন্যরা জানলে লক্ষ্য অর্জনে আপনি বেশি করে চেষ্টা করবেন।

ব্রিটেনের ওয়ারইক বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের অধ্যাপক ড. জন মাইকেল বলছেন, আপনার সংকল্প সফল হলে অন্যের মঙ্গল হতে পারে, ব্যর্থ হলে অন্যের ক্ষতি হতে পারে -এমন পরিস্থিতি মানুষকে বিশেষভাবে উদ্বুদ্ধ করে।

সুতরাং আপনার সংকল্প বাস্তবায়নে অন্যদের যুক্ত করুন, তাদের সাহায্য নিন।

৪. ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলতে হবে

যখন লক্ষ্য অর্জন কঠিন মনে হয়, ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতিকে বিশ্লেষণ করতে হবে।

কী ধরণের সমস্যার মুখোমুখি আপনাকে হতে হচ্ছে? কোন কৌশল সবচেয়ে কার্যকর? কোন কৌশল কাজে লাগছে না?

বিশ্লেষণের পর আপনাকে বাস্তবমুখী পথ নিতে হবে। স্বল্প অর্জনকেও দাম দিতে হবে।

প্রতিদিনের জীবনযাপনে সামান্য অদল-বদলও অনেক সাফল্য বয়ে আনতে পারে।

যেমন, সাদা রংয়ের পাস্তা বা সাদা আটার রুটির বদলে আপনি বাদামি রঙের পাস্তা বা বাদামি গমের আটার রুটি খাওয়া শুরু করতে পারেন।

কেক বা চিপসের বদলে, সবজির স্টিক খেতে পারেন।

এর জন্য খুব একটি কষ্ট করতে হবেনা।

৫. নতুন বছরের সংকল্পকে দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যে রূপ

সবচেয়ে ভালো এবং কার্যকরী নববর্ষ সংকল্প সেগুলোই যেগুলো আপনার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের একটি অংশ হবে।

আপনার যদি খেলাধুলোর ব্যাপারে আগ্রহই না থাকে, তাহলে আপনার পক্ষে একজন চৌকস অ্যাথলেট হওয়া কখনই সম্ভব নয়।

মনোবিজ্ঞানী ড, অ্যান সুইনবোর্ন বলছেন, "যেসব মানুষ মনের জোরের ওপর নির্ভর করে, তাদের ব্যর্থতার সম্ভাবনা বেশি।"

সুতরাং এমন সংকল্প নিন যা নিয়ে আপনার আগ্রহ রয়েছে। বাস্তবায়নের খুঁটিনাটি পরিকল্পনা নিন এবং ঝামেলা হলে অন্যের সাহায্য বা পরামর্শ নিতে কুণ্ঠাবোধ করবেন না।

 

যৌনকর্মীদের জন্য শ্রমশিবির বন্ধ করে দিচ্ছে চীন
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  যৌনকর্মী এবং তাদের খদ্দেরদের আটক করে কথিত শিক্ষা কেন্দ্রগুলোয় পাঠানোর শাস্তি বাতিল করেছে চীন।

এরকম অভিযোগে আটক যৌনকর্মী এবং তাদের খদ্দেরদের পুলিশ আটক করার পর সর্বোচ্চ দুই বছরের জন্য কথিত শিক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হতো।

সেখানে তাদের জোরপূর্বক কাজ করতে হতো। বলা হয়, তাদের সেখানে খেলনা এবং বাসাবাড়ির জিনিসপত্র তৈরি করতে হয়।

আজ থেকে (২৯ ডিসেম্বর, ২০১৯) এই শাস্তি ব্যবস্থার অবসান হচ্ছে। যারা এখনো এসব বন্দীশিবিরে রয়েছেন, তাদের মুক্তি দেয়া হবে বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া।

তবে যৌন পেশা চীনে অবৈধই থাকছে।

এই অপরাধে কেউ দণ্ডিত হলে ১৫ দিনের আটকাদেশ এবং পাঁচ হাজার ইয়ুয়ান (৫৪৬ ডলার) পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।

সিনহুয়া বলছে, বিশ বছর আগে `আটক এবং শিক্ষা` ব্যবস্থা চালু করার ফলে `ভালো সামাজিক পরিবেশ এবং জনশৃঙ্খলা` তৈরি হয়েছে।

তবে সেখানে আরো বলা হয়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ব্যবস্থাটি অনেক বেশি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

২০১৩ সালে বেসরকারি সংস্থা এশিয়া ক্যাটালিস্টের একটি গবেষণায় প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে, এই ব্যবস্থার আদৌ কোন উপকারিতা আছে কিনা?

সেই প্রতিবেদনে দুইটি শহরের ৩০জন নারী যৌনকর্মীরা সাক্ষাৎকার নেয়া হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আটক থাকা নারীরা এমন কোন নতুন কাজ শিখতে সক্ষম হননি, যা মুক্তি পাওয়ার পর তাদের জীবনযাপনে সাহায্য করতে পারে। সাধারণত সেখানে আটককৃতদের হাতে করার কাজ শেখানো হয়।

সেখানে বলা হয়, ``যে যৌনকর্মীদের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে, আটককেন্দ্র থেকে মুক্তি পাওয়ার পরপরেই তারা আবার যৌন পেশায় ফিরে গেছেন।``

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ২০১৩ সালে ১৪০জন নারী যৌনকর্মী, খদ্দের, পুলিশ এবং বিশেষজ্ঞের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। তারা দেখতে পায়, অনেক যৌনকর্মীকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে পুলিশ স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করেছে।।

একজন যৌনকর্মী দাবি করেছেন, পুলিশ তাকে মিথ্যা কথা বলে স্বীকারোক্তিতে স্বাক্ষর করিয়েছে।

``পুলিশ আমাকে বললো, এতে কোন সমস্যা হবে না, আমাকে শুধু আমার নাম স্বাক্ষর করতে হবে। এরপরের চার পাঁচদিন পরে তারা আমাকে ছেড়ে দেবে,`` তিনি বলছেন।

``বরং তারা আমাকে হেফাজতে, পরে এবং শিক্ষা কেন্দ্রে ছয় মাস ধরে আটকে রাখে।``

বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

এশিয়া ক্যাটালিস্টের পরিচালক শেন টিংটিং বলছেন, ``জোরপূর্বক আটকে রেখে কাজ করার ব্যবস্থা বাতিল করা অবশ্যই ভালো একটি ব্যাপার। কিন্তু যৌনকর্মীদের অধিকার রক্ষায় এটা খুবই ছোট একটি পদক্ষেপ।``

``চীনের আইন এবং নীতির লক্ষ্য হচ্ছে যৌনকর্ম নিবারণ এবং দমন করা। কিন্তু উচিত ছিল তাদের নিরাপদ স্বাস্থ্যের জন্য একটি কাঠামো তৈরি এবং যৌন পেশাকে একটি পেশা হিসাবে নিরাপত্তা প্রদান করা,`` তিনি বলছেন।

২০১৩ সালে চীন ঘোষণা দিয়েছিল যে, ছোটখাটো অপরাধীদের জন্য তারা শ্রমশিবিরের মাধ্যমে পুনঃশিক্ষা দেয়ার কার্যক্রম বিলুপ্ত করছে।

এই সিদ্ধান্ত হয়েছিল বিচার সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি আলোচিত অন্যায্য ঘটনার প্রেক্ষাপটে। সেসব ঘটনার একটি হলো একজন মাকে শ্রমশিবিরে পাঠানো হয়েছিল কারণ তিনি ধর্ষণের শিকার হওয়া তার মেয়ের জন্য বিচার দাবি করেছিলেন।

তবে যৌনকর্মী ও তাদের খদ্দেরদের জন্য `আটক এবং শিক্ষা` ব্যবস্থা চালু ছিল।

পুনরায় শিক্ষা দেয়ার কার্যক্রম একেবারে বাতিল করে দিচ্ছে না চীন। দেশটির কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে, শিনজিয়াং প্রদেশের উত্তর-পশ্চিম অংশে বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছামূলক শিক্ষা ক্যাম্প রয়েছে, যা উগ্রপন্থা দমনে সহায়তা করছে।

তবে অধিকার কর্মীরা দাবি করেছেন যে, চীনের উইগুর সম্প্রদায়ের সদস্যদের জোর করে ধরে এসব ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং তাদের ধর্মবিশ্বাস সমালোচনা অথবা ত্যাগ করার জন্য বাধ্য করা হচ্ছে।

`শক্ত মেয়েদেরও আমি টেবিলে বসে কাঁদতে দেখেছি’
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : সৌন্দর্য চর্চা খাতে কটুবাক্য ব্যবহার এবং অন্যায় চাকরি চ্যুতির ব্যাপারে তদন্ত করার জন্য একটি স্বাধীন কর্তৃপক্ষ গঠনের আহবান জানিয়েছে ব্রিটিশ বিউটি কাউন্সিল, কারণ এই খাতটির কর্মীদের কোন ট্রেড ইউনিয়ন নেই।

বিবিসির ভিক্টোরিয়া ডার্বিশায়ার প্রোগ্রামের গোপন অনুসন্ধানে এই খাত জুড়ে কটুবাক্য বা গালাগালির চিত্র বেরিয়ে আসার পর তারা ওই আহবান জানায়।

``আমি দেখেছি, বড় বড় মেয়েরা, শক্ত মেয়েরা তাদের টেবিলে বসে কাঁদছে।

এখানকার পরিবেশ এতটাই বিষাক্ত আর হয়রানিমূলক যে, মানুষজন এই খাত থেকে বেরিয়ে যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে.`` বলছেন সারাহ (তার আসল নাম নয়), যিনি প্রসাধনী শিল্প জগতের একটি আন্তর্জাতিক নামী ব্র্যান্ডের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

তিনি বলছেন, তার বস তার পেছনে কথা বলেন এবং সরবরাহকারীদের বলেছেন যে, তিনি নাকি তাদের গোপন তথ্য অন্যদের বলেছেন।

``এরপর থেকে বস`রা আমাকে শুধুমাত্র প্রজেক্টের আওতায় ছোটখাটো কাজ দিচ্ছেন এবং গত দুই বছর ধরে যে প্রজেক্টে খুব ভালোভাবে কাজ করছিলাম, সেখান থেকে আমাকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে,`` তিনি বলছেন।

``জন সম্পদ বিভাগ এবং পরিচালনা পর্ষদ আমার কথাকে গুরুত্ব দেয়নি। আমার প্রচণ্ড রাগ লাগছিল, কিন্তু এটা শুধু ক্ষোভের ব্যাপার নয়- আসলে এটা হৃদয় ভেঙ্গে যাওয়ার মতো ব্যাপার।``

এরপর ওই কোম্পানি থেকে চাকরি ছেড়ে দেন সারাহ।

যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে গত বছর ১৪.২ বিলিয়ন পাউন্ড অবদান রেখেছে প্রসাধনী শিল্প খাত। চাকরি বাজারের প্রতি ৬০ জনের মধ্যে একজন এই খাতে চাকরি করেন।

ভিক্টোরিয়া ডার্বিশায়ার প্রোগ্রাম বিশ জনের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে কথা বলেছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন কোম্পানি পরিচালক থেকে শুরু করে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের মেক-আপ আর্টিস্ট, যারা দাবি করেছেন যে, নানা সময়ে তারা গালাগালি, নিপীড়ন এবং খারাপ রীতিনীতির শিকার হয়েছেন।

অনেকে বলেছে, তারা ক্ষোভ, হতাশায় ভুগেছেন, এমনকি কখনো কখনো এসব কারণে আত্মহত্যার কথাও চিন্তা করেছেন।

প্রায় সবাই বলেছেন, এই খাতটি প্রাতিষ্ঠানিক গালাগালির সংকটে ভুগছে। কিন্তু তারা ভয়ও পান যে, এ নিয়ে যদি তারা কোন অভিযোগ করেন, তাহলে তারা আর চাকরি করতে পারবেন না।

এই খাতে কোন ইউনিয়ন নেই, সুতরাং তাদের এমন কেউ নেই, যে বা যারা তাদের সমস্যাগুলো নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবে বা অন্য কোম্পানির সহায়তা চাইবে।

ভিক্টোরিয়া ডার্বিশায়ার প্রোগ্রাম যাদের সঙ্গে কথা বলেছে, তাদের অনেককেই একটি `প্রকাশ না করার শর্তে` চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে হয়েছে। এটি হচ্ছে এমন একটি চুক্তি, যার মাধ্যমে মুখ বন্ধ রাখার জন্য কর্মীদের হাজার হাজার পাউন্ড দেয়া হয়।

কিন্তু ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করার পরেও সারাহ এবং আরেকজন নারী কর্মী জানিয়েছেন, তারা চান তাদের ঘটনাগুলো মানুষ জানুক, যদিও তারা নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি।

`নিকোল` একটি নামকরা প্রসাধনী শিল্প কোম্পানির নির্বাহী হিসাবে কাজ করেছেন। তিনি বলছেন, যখন তিনি তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানান যে, তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন, তখন তাকে কাজ থেকে একপ্রকার বাইরে ঠেলে দেয়া হয়।

``আমাকে বৈঠকগুলো থেকে বাইরে রাখা হয়, আমাকে কোন তথ্য দেয়া হতো না, তারা এমনকি ইমেইলে আমাকে যোগ করাও বন্ধ করে দেয়,`` তিনি বলছেন।

``এরপর, মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষ করে কাজে ফেরার আড়াই মাসের মধ্যে আমাকে বলা হয় যে, এই প্রতিষ্ঠানে আমার কোন ভবিষ্যৎ নেই এবং আমার চলে যাওয়া উচিত।``

``তারা আমাকে যা বলেছে, সবই আমি বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলাম, যে আমি একজন খারাপ মানুষ। আমি বিষণ্ণতা, মানসিক চাপের চিকিৎসা করিয়েছি। একটি চিকিৎসা কেন্দ্রেও আমাকে থাকতে হয়েছে। আমি আসলে সত্যিই ভাগ্যবতী যে, আমি ফিরে আসতে পেরেছি...কিন্তু অনেক মানুষ সেটা পারে না।``

তবে শুধু নারীরাই এরকম অভিজ্ঞতার শিকার হচ্ছেন, তা নয়। জেক, যিনি এখন ফ্রিল্যান্স মেকআপ আর্টিস্ট হিসাবে কাজ করছেন, বলছেন, তার সঙ্গেও অতীতে অনেক খারাপ আচরণ করা হয়েছে।

``অনেকবার এমন ঘটেছে যে, তাদের আচরণ ছিল এমন, `তুমি কি তাকে সত্যিই তোমার মেক-আপ করতে দিতে চাও? সে একজন পুরুষ, সে জানে না কীভাবে ঠিকমতো মেক-আপ করতে হয়,`` তিনি বলছেন।

``আমি বিষণ্ণতার অনেকগুলো স্তরের ভিতর দিয়ে গিয়েছি। আমার মনে হচ্ছিল, আমার চারদিকে যারা আছে, তাদের কারো আন্তরিকতা নেই।``

কর্মসংস্থান বিষয়ক আইনজীবী ক্যারেন জ্যাকসন বলছেন, প্রসাধনী শিল্পে বৈষম্য করার এরকম শতশত মামলা তিনি নিয়ে তিনি কাজ করছেন, যার মধ্যে গালাগালি এবং হয়রানির মতো অভিযোগ রয়েছে।

``আমি একই কোম্পানির বিরুদ্ধে একই ধরণের অভিযোগ বারবার শুনেছি, যা থেকে বোঝা যায়, যে এরা অতীতের ভুল থেকে কোন শিক্ষা নিচ্ছে না এবং তারা কর্মক্ষেত্রে অগ্রহণযোগ্য আচরণ মেনে নিচ্ছে,`` তিনি বলছেন।

``আমি বুঝতে পারি না, কেন তারা এসব ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয় না এবং সমস্যাগুলো দূর করে সবার জীবনকে সহজ করে তোলে না।``

তবে এই শিল্পে এমন কিছু মানুষ রয়েছে, যারা এখানে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছেন।

বিখ্যাত মেক-আপ আর্টিস্ট ল্যান নগুয়েন-গ্রেয়ালিস বলছেন, পেশাজীবনের শুরুর দিকে তিনিও কটুবাক্য ও হয়রানির শিকার হয়েছে এবং সেই অভিজ্ঞতার কারণে নিজেকে অনেক নমনীয় করে তুলেছেন।

``এটা সবটাই বোনদের আন্তরিকতার মতো- অনেক মেয়েরাই দরকার হলে গোপনে আমার কাছে এসে তাদের কথা বলতে পারে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, এই মেয়েদের জানার দরকার আছে এই খাতটি খুবই চমৎকার। আপনি যদি সত্যিই একজন ভালো মানুষ হন, তাহলে আপনি এখানে স্থায়ী একটি পেশা জীবন তৈরি করতে পারবেন।``

এই শিল্পের বক্তব্য, মতামত এবং চাহিদার প্রতিনিধিত্ব করে ব্রিটিশ বিউটি কাউন্সিল।

ডার্বিশায়ার অনুষ্ঠানের ফলাফলগুলো প্রচারের পর, সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইলি কেনডাল বলেছেন, ``যেকোনো শিল্পের জন্য এটা খুবই হৃদয়বিদারক ব্যাপার,আমার একে অপরের গলা ধরে টানাটানি করছি।``

``এটার জন্য দায় সরকারের, কারণ এটা শুধুমাত্র প্রসাধনী শিল্প সংক্রান্ত ব্যাপার নয়, এটা একটা জাতীয় ইস্যু। আমি মনে করি, এখানে ন্যায়পালের মতো বা প্রাতিষ্ঠানিক একটি কর্তৃপক্ষ থাকা উচিত, যারা নিশ্চিত করবে যে, এটা যেন সবার জন্য একটি নিরাপদ স্থান হয়ে ওঠে।``

যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য বিষয়ক দপ্তর একটি বিবৃতিতে বলেছে: ``সমতার আইন অনুযায়ী, কর্মীরা কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গ, বর্ণ, প্রতিবন্ধীত্ব, ধর্ম, বিশ্বাস, যৌন দৃষ্টিভঙ্গি বা বয়সের কারণে হয়রানি করার বিরুদ্ধে সুরক্ষা রয়েছে এবং কর্মীরা এরকম ঘটনায় কর্মসংস্থান বিষয়ক ট্রাইব্যুনালের কাছে প্রতিকার চাইতে পারে।``

 

ভালোবেসে বিয়ে, অতঃপর পরকীয়া-নির্যাতন সত্ত্বেও কেন মানিয়ে চলা
                                  

ডেস্ক রির্পোট : আয়েশা আক্তার (ছদ্মনাম)। পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক এই নারী বিশ বছর আগে ভালোবেসে যাকে বিয়ে করেছিলেন, ১৫ বছর পর সেই ভালোবাসার মানুষেরই ভিন্ন এক রূপ আবিস্কার করেন তিনি।

মিসেস আক্তারের ভাষায়, তার `সুখের সংসার` হঠাৎ করেই এলোমেলো হয়ে যায়। কারণ, তার স্বামী অফিসের এক নারী কলিগের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।

"আমি হঠাৎ করেই দেখলাম প্রায় প্রতি সপ্তাহেই সে শুক্রবার-শনিবারে বাইরে থাকতে শুরু করেছে।"

তিনি বলেন, "বৃহস্পতিবারে অনেক রাত করে বাসায় ফিরছে। আগে কখনো সে এ রকম করেনি। সংসারে ঠিকমতো খরচ দিচ্ছে না।

এরপরই আমি তার পরকীয়া প্রেমের বিষয়টি আবিস্কার করি।"

"একদিন তার গাড়িতে আমি নতুন একটা মোবাইল খুঁজে পাই। সেই মোবাইল দিয়ে ও লুকিয়ে লুকিয়ে মেয়েটার সঙ্গে কথা বলতো।

এমনকি ওরা ভায়াগ্রা ট্যাবলেট খেয়ে কিভাবে ফিজিক্যাল রিলেশন করেছে সেগুলোও চ্যাটিংয়ে আলোচনা করতো।"

মিসেস আক্তার বলছেন, তিনি যখন এর প্রতিবাদ করেছেন তখন থেকেই মূলতঃ তার উপর স্বামীর অত্যাচার শুরু হয়।

মারধর, গালাগালি, সংসারের খরচ বন্ধ করে দেয়াসহ নানারকম অত্যাচার হয়েছে তার উপর।

"সে পুরুষ মানুষ এবং অনেক টাকা বেতন পায়। আমি কিছুই না। সে জাস্ট এটাই বোঝায় আমাকে। এবং তার ভাবভঙ্গি হচ্ছে, আমি যা ইচ্ছা করবো, পারলে তুই কিছু করে দেখা।"

"আমি এসব কথা পরিবারকে বলেছি, ওদের পরিবারকেও বলেছি। ওরা বুঝিয়েছে, কিন্তু কোন কাজ হয়নি। মামলা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সবাই নিষেধ করেছে।

দুটো বাচ্চা নিয়ে কোথায় যাবো তাই নির্যাতন সহ্য করেই এখনো সংসার করে যাচ্ছি।"

বাংলাদেশে স্বামীর ঘরে কিংবা নিজ পরিবারে নারীদের নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই এমন অবস্থা চললেও অনেকক্ষেত্রে নির্যাতিতরাই এর প্রতিবাদে খুব একটা আগ্রহ দেখান না।

কিন্তু বাংলাদেশে যেসব নারী এসব নির্যাতনের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চান, তারাও পরিবার কিংবা সমাজকে পাশে পাচ্ছেন না ঠিক মতো।

তামান্না নুপুর নামে আরেকজন নারীর সঙ্গে কথা হয়।

বছরের পর বছর স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে তিন বছর আগে তিনি স্বামীকে ডিভোর্স দিয়েছেন।

এখন গাজীপুরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।

তামান্না নুপুর জানাচ্ছেন, বিয়ের পর থেকেই পাঁচ বছর ধরে তিনি স্বামীর পরিবারে নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।

ছোটখাট বিষয়ে কিংবা কারণে-অকারণে তাকে মারধোর করা হতো।

সিগারেট দিয়ে একাধিকবার তার শরীরে ছ্যাকা দেয়ার ঘটনাও আছে।

"ওদের আসলে আমাকে ভালো লাগতো না কোন কারণে।

এজন্যই অত্যাচারের অজুহাত খুঁজতো। বাসায় জানাইছি। তারা বলে, সহ্য করো।"

মিজ নুপুর বলছেন, "কতদিন আর সহ্য করবো? যখন মাত্রা ছাড়ায় গেলো, শশুরবাড়ির সবাই নির্যাতন করতে শুরু করলো তখন আর থাকতে পারলাম না। নিজের সিদ্ধান্তেই তালাক দেই। আমার নিজের পরিবার বলছে, তারা আমার দায়িত্ব নিতে পারবে না।"

তামান্না নুপুর বলছেন, তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার বাবা-মা রাজি হননি।

"বাবা বললো, মামলা করে কী হবে? দরকার নাই। এখন পরিবার যদি হেল্প না করে, তাহলে আমার একার পক্ষে তো সম্ভব না। আমি তো থানা-পুলিশের ব্যাপার কিছুই বুঝি না।"

বাংলাদেশে পরিবারের মধ্যে বিশেষত: স্বামীর মাধ্যমে নারী নির্যাতনের যে চিত্র তা বেশ ভয়াবহ।

শারীরিক, মানসিক, আর্থিকসহ বিভিন্ন ধরণের নির্যাতনের মধ্যেই দিনের পর দিন অনেকেই জীবন পার করলেও এ নিয়ে অভিযোগ বা প্রতিবাদের চিত্র খুব একটা দেখা যায় না।

এ নিয়ে সচেতনতাও কম। আবার নিজ পরিবারেও নির্যাতনের মুখে পড়েন অনেকে।

২০১৫ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) নারী নির্যাতনের চিত্র নিয়ে যে জরিপ প্রকাশ করে সেখানে দেখা যায় বাংলাদেশে ৭২.৬ শতাংশ বিবাহিত নারীই কোন না কোনভাবে স্বামীর দ্বারা নির্যাতনের শিকার হন।

এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনের হার ৪৯.৬ শতাংশ।

জরিপে দেখা যাচ্ছে, যারা নির্যাতনের শিকার হয় তাদের ৭২.৭ শতাংশই নির্যাতনের ঘটনা বাইরের কাউকে বলেন না।

আর থানা-পুলিশ পর্যন্ত অভিযোগ পৌঁছান মাত্র ১.১ শতাংশ নির্যাতিত নারী।

অর্থাৎ বেশিরভাগই মুখ বুজে অত্যাচার সহ্য করে যাচ্ছেন।

কিন্তু এরকম পরিস্থিতি কেন হলো?

বাংলাদেশে জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির পরিচালক তৌহিদা খন্দকার বলছেন, "যাদের উপর সহিংসতাটা হয় তারা আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জানে না এর প্রতিকারে কোথায়, কার কাছে যেতে হবে।"

"এমনকি এগুলো যে নির্যাতন, সহিংসতা সেটাও অনেকে বোঝেন না বা সেই বার্তাটা তাদের কাছে নেই। পুলিশের কাছে যে যাবে, সেটা ফেইস করার মতো কোয়ালিটিও অনেকের নাই।"

তবে যারা আইনগত পদক্ষেপ নিতে চান, তাদেরও বিচার পেতে আছে নানা ভোগান্তি। বিচারে দীর্ঘসূত্রতা আছে।

"আবার মামলা দায়েরের পর অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্ব ভিক্টিমকেই নিতে হয়।

সাক্ষী-সাবুদও তাকেই জোগাড় করতে হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটা খুবই কঠিন।"

এসব জটিলতা জানার পরে অনেকেই মামলা করতে চাননা বলেই মনে করেন তৌহিদা খন্দকার।

বলা হচ্ছে, নির্যাতনের বিরুদ্ধে সবার আগে সোচ্চার হতে হবে নির্যাতনের শিকার নারীদেরকেই।

কিন্তু এর জন্য যেরকম পারিবারিক, সামাজিক ও আইনী বাস্তবতা দরকার বাংলাদেশে তার ঘাটতি আছে।

 

ট্রাকের ওপরেই বেডরুম, বাথরুমসহ দোতলা বাড়ি
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ইথিওপিয়ায় একজন চালক তার ট্রাকের ওপর দোতলা একটি বাড়ি নির্মাণ করেছেন।

কারণ তিনি সাথে করে সবসময় তার বাড়িটি নিয়ে যেতে পারেন।

বাড়িতে আছে তিনটি শোওয়ার ঘর, দুটো বসার ঘর ও তিনটি বাথরুম।

বাড়িটি সত্যিই চমকপ্রদ।

 

কোন বিষয়ে মানুষের মাঝে আসক্তি তৈরি হয় ?
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : কানাডার একজন চিকিৎসক ডা. গাবোর মেইটের বিশ্বাস সব ধরণের আসক্তির পেছনে থাকে মানুষের ভেতরে প্রোথিত ভীতি কিংবা যন্ত্রণা।

যে কারণে তার বিশ্বাস মাদকাসক্ত ব্যক্তির প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গীতে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন, সেই সঙ্গে চিকিৎসা পদ্ধতিও হওয়া উচিত পরিবর্তিত।

ডা. মেইট তার মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক লেখালেখির জন্য পরিচিত। এছাড়া উত্তর আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি মাদকাসক্তি প্রকোপ যেখানে সেই কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে রাসায়নিক জাতীয় পদার্থ অপব্যবহারের রোগীদের নিয়ে কাজ করার জন্য বিখ্যাত।

২০১৮ সালে তার কাজের জন্য তিনি কানাডার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান অর্ডার অব কানাডা লাভ করেন।

তিনি বিশ্বাস করেন, যে কোন আসক্তির পেছনেই প্রবল ভীতি বা তীব্র যন্ত্রনার কোন স্মৃতি থাকে।

এর কারণ কী? বিষয়টি নিয়ে ডা. মেইটের ব্যাখ্যা শোনা যাক।

আসক্তির কারণ অনুসন্ধান করতে চাইলে প্রথমেই আমাদের বুঝতে হবে, আসক্তির ফলে আমরা কী পাই।

সাধারণত মানুষ বলে, "এটা আমাকে যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয়, মানসিক চাপ থেকে দূরে রাখে, যে কোন পরিস্থিতিতে এক ধরণের নিয়ন্ত্রণ করতে পারার অনুভূতি হয়। মনে হয় সত্যিকারের বেঁচে আছি, তুমুল উত্তেজনা, তীব্র ভালো লাগা ইত্যাদি"

অন্য কথায় আসক্তি মানুষের কিছু বিশেষ প্রয়োজন মেটায় যা তার জীবনে পূরণ হচ্ছিল না।

এসব পর্যায়ে মনোযোগ না পাওয়া, একাকীত্ব আর মানসিক চাপের কারণে মানুষ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে।

মাদকাসক্তদের সংখ্যা বিচার করলে দেখা যায়, যাদের শৈশব খুব খারাপ কেটেছে, তাদের বেশির ভাগের মাদকাসক্ত হয়ে পড়ার আশংকা থাকে।

এর মানে হলো, আসক্তির পেছনে যন্ত্রনা এবং জটিল শৈশব কাজ করে। এর অর্থ হচ্ছে, যাদের শৈশব স্বাভাবিক ছিল না, তারা সবাই আসক্ত হবে--তা নয়। বরং যারা আসক্ত তাদের সবার শৈশব কষ্টে কেটেছে।

আসক্তি দূরীকরণের চিকিৎসার জন্য শাস্তি, ধমকাধমকি বা সমালোচনা নয়, বরং প্রয়োজন প্রচুর ধৈর্য, অনেকের অনেক সাহায্য এবং ব্যাপক বোঝাপড়ার প্রয়োজন।

আসক্তি ঠেকাতে বিশ্বব্যাপী যত চিকিৎসা আর পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তার মধ্যে অনেকগুলোই ব্যর্থ হয়েছে।

এখন প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক যে আমরা কি সত্যিই পরিস্থিতি বুঝতে পারছি? হয়তো না।

আসক্ত মানুষটির ভোগান্তিটা আমরা একেবারেই খেয়াল করছি না।

আসক্তি নিয়ে লোকের মধ্যে চালু একটি ধারণা হচ্ছে ইচ্ছা করে বা শখের বশে ওই পথে গেছে। কিন্তু অধিকাংশ সময় আসল ঘটনা সেটা নয়।

আমাদের চারপাশের সমাজের কাঠামোটাই এমন যে কোন ব্যক্তি আসক্ত হলে তাকে ধরে শাস্তি দাও।

"আমি এমন কাউকে চিনি না যে এক সকালে ঘুম থেকে উঠে ভাবলো, আজ থেকে আসক্ত হয়ে যাব!"

এটা পছন্দের ব্যপার নয়, এটা হয় মানসিক যন্ত্রনা থেকে পালানো বা বাঁচার জন্য। আর কেউই যন্ত্রনার মধ্যে থাকতে ভালোবাসে না।

মাদকাসক্তি নিয়ে সমাজে প্রচলিত আরেকটি ধারণা হলো, এটা বুঝি বংশ পরম্পরায় হয়।

ডা. মেইটের প্রশ্ন - যদি আমি মাতাল হই, আর সারাক্ষণ আমার বাচ্চাকে গালি দিতে থাকি, আর তা থেকে বাঁচার জন্য সে মদ খেতে চায়, তাহলে একে কি বংশ পরম্পরায় মাতাল বলা যাবে?

এটা বংশ গতির সমস্যা নয়, সমস্যা পারিপার্শ্বিকতার।

ফলে এক্ষেত্রে পরিবারের দায়িত্বশীল এবং যৌক্তিক আচরণ করার প্রয়োজন সবার আগে।

এরপর সমাজের অন্যদেরও পাশের মানুষটির জন্য সহমর্মিতা বোধ করার প্রয়োজন রয়েছে।

আরেকটি প্রচলিত ধারণা হচ্ছে, শুধু যারা নেশাদ্রব্য দিয়ে নেশা করে তারাই আসক্ত।

কিন্তু সমাজের বিশেষ কোন সংস্কৃতির কারনেও এটা হতে পারে।

কোন জনগোষ্ঠীর মধ্যে ধর্মীয় কিংবা সংস্কৃতিগতভাবে পানীয় জাতীয় অ্যালকোহল গ্রহণের চল আছে।

কোন কোন গোষ্ঠী নিজেরাই তৈরি করে এমন দ্রব্য।

এটা তাদের সংস্কৃতি, ফলে এখানে আসক্তির অন্যান্য চিকিৎসা কাজে আসবে না।

ডা মেইটের মতে, আসক্তি বলতে আমরা সাধারণভাবে যা বুঝি তা হলো এক ধরণের সাময়িক প্রশান্তির জন্য মানুষ বারবার যার দ্বারস্থ হয়। এবং একটা নির্দিষ্ট সময়ের পরে তার ভেতরে সেটার জন্য আবারো চাহিদা তৈরি হয়।

এটা সিগারেট হতে পারে, ড্রাগ হতে পারে, মদ জাতীয় বস্তু হতে পারে। হতে পারে যৌনতা, জুয়া, শপিং, কাজ, রাজনৈতিক ক্ষমতা, ইন্টারনেটে গেম খেলা---এমন অনেক কিছুই।

কেউ কাজ করেও একই ধরণের আনন্দ পেতে পারেন।

কিন্তু মানসিক প্রশান্তি বা তৃপ্তির জন্য মানুষ সঙ্গীতের দ্বারস্থও হয়।

আসক্তি হয়তো মানুষের অবচেতনে লুকনো এমন এক বোধ যে তিনি হয়ত যথেষ্ঠ ভালো নেই।

হয়তো তাকে কিছু করে প্রমাণ করে দেখাতে হবে এবং হয়তো কেউ তাকে ভালবাসে না।

"তখন কেউ কেউ কাজের ভেতরে ডুব দেয়--যেমন আমি", বলছিলেন ডা. মেইট।

"আমি যখন আমার মাদকাসক্ত রোগীদের আমার গল্প বলি, তারা বলে হ্যাঁ ডাক্তার তুমি আমাদের মতোই।

আসলে শেষ বিচারে আমরা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের মতো।"

 

সম্পর্ক ভাঙ্গার পরেও সাবেক ছেলে বন্ধুর সঙ্গে এক বাসায় থাকতে হয়
                                  

ডেস্ক রির্পোট :``আমার মনে হচ্ছিল যেন আমি একটা ফাঁদে আটকা পড়ে গেছিআমার সঙ্গে দুইবার এ ধরণের ঘটনা ঘটেছে``

২৬ বছরের লুসির সঙ্গে যখন তার তৎকালীন ছেলে বন্ধুর সম্পর্ক ভেঙ্গে যায়, তিনি নিজেকে যুক্তরাজ্যের অন্যতম `লুকায়িত আবাসন` ব্যবস্থার মধ্যে আটকে পড়েছেন বলে দেখতে পান।

এটি হচ্ছে এমন একটা ব্যাপার যে, ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও একজন তার বাসা বদলাতে পারেন না।

লুসি যখন তার ছেলে বন্ধুর সঙ্গে লন্ডনের একটি বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন, তখন তাকে ছয়মাসের জন্য চুক্তি করতে হয়েছিল।

সে সময় তাদের বেশকিছু পাউন্ড ডিপোজিট দিতে হয়।

সেই ডিপোজিটের অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পরেও আরো তিন মাস ধরে দুজনকে সেই বাসাতেই থাকতে হয়েছে।

বাসায় সোফা-কাম-বিছানা ছিল একটি, যেটি তাদের দুজনকেই শেয়ার করতে হতো।

লুসির জীবনে এরকম ঘটনা আরো একবার ঘটেছে।

যুক্তরাজ্যের বাসা সংক্রান্ত একটি দাতব্য সংস্থা বলছে, সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে একই বাসায় আটকে পড়ার ঘটনা যুক্তরাজ্যে একটি সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শেল্টার নামের ওই সংস্থাটি বিবিসি থ্রিকে জানিয়েছে, তারা অনেক সময়েই ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে শুনতে পান যে, সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পরে মানসিক কষ্টের মধ্যেও আইন ও অর্থনৈতিক কারণে তারা বাসা ছাড়তে পারেন না।

``অনেক মানুষ সামর্থ্যের কারণে যেমন নিজেদের জন্য নতুন বাসা খুঁজে নিতে পারেন না, আবার মেয়াদি চুক্তির কারণেও তাদের পক্ষে নতুন ঠিকানা নির্ধারণ করা সম্ভব হয় না,`` বলছেন দাতব্য সংস্থা শেল্টারের প্রথম নির্বাহী পল নিয়েট।

ন্যাশনাল হাউজিং ফেডারেশনের সাম্প্রতিক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে লুসির মতো প্রায় ২৫ লাখ ব্রিটিশ এরকম লুকায়িত আবাসনের মধ্যে রয়েছে, যারা তাদের শেয়ার করা বাড়ি ছাড়তে পারছে না, বা অভিভাবকদের কাছে যেতে পারছে না অথবা সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছে।

আরেকটি গবেষণায় বলা হয়েছে, বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির কারণে আঠারো বছর আগে তরুণরা যতটা সম্পদশালী ছিল, এখন তার চেয়ে অনেক দরিদ্র হয়েছে।

পরিবারের সঙ্গে বর্নমাউথে বসবাস করতেন লুসি।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ হওয়ার পরে ছেলে বন্ধুর সঙ্গে একটি বাসায় একত্রে বসবাস করতে শুরু করেন।

সে সময় লন্ডনের ফ্যাশন শিল্পে তিনি চাকরি খুঁজছিলেন।

``আমি তার সঙ্গে একত্রে থাকতে শুরু করি কারণ আমিও সেটা চাইছিলাম-কিন্তু এর বাইরে অর্থনৈতিক ব্যাপারও ছিল যে, খরচগুলো তার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেয়া। কারণ লন্ডনে আমি তখন কম বেতনে চাকরি শুরু করতে যাচ্ছিলাম।``

লুসির সে সময়ে মাসিক আয় ছিল ১৮০০ পাউন্ডের কিছু বেশি আর তিনি বাসা ভাড়া ও বিল বাবদ দিতেন ৮০০ পাউন্ড।

কিন্তু সেই সময়েই তিনি বুঝতে পারেন যে, তিনি সম্পর্কের অবসান চাইছেন।

``প্রথমবারের মতো আমরা দুইজন একত্রে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেছিলাম। যখন আলাদাভাবে থাকা হয়, তখন আসলে সম্পর্কের জটিলতাগুলো বোঝা যায় না।``

কিন্তু সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পরেও আরো তিনমাস তাদের দুজনকে একত্রে এক বাসায় থাকতে হয়। সেখানে এমনকি তাদের একই বিছানায় ঘুমাতে হয়, যা ছিল দুজনের জন্যই একটি কঠিন ব্যাপার।

``আমাদের একটা সোফা ছিল, যেটা আবার বড় করে নিলে বিছানা হিসাবেও ব্যবহার করা হতো। আমরা পালাক্রমে সেখানে ঘুমাতাম। কিন্তু কখনো কখনো এমন সময় আসতো যে, দুজনেরই ঘুম দরকার। তখন আমাদের একসঙ্গে ঘুমাতে হতো। তবে খানিকটা স্বাধীনতার জন্য আমরা মাঝে একটা বালিশ দিয়ে রাখতাম।``

``যতদিন আমাকে বাসা ভাড়া দিতে হবে, ততদিন আমি সেখানে থাকবো। আমার সেখানে থাকার সব অধিকার আছে।``

যদিও বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সদস্যদের কাছে যাওয়ার সুযোগ ছিল, কিন্তু এই বাসাটি তার কর্মক্ষেত্রের কাছে এবং সেখানে তার নিজের মাল-সামানও ছিল।

``আমি নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করতাম। হয়তো জোর করে সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে ডুবিয়ে রাখতাম, বাসায় অ্যালকোহল পান করতাম না, সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে হয়তো একত্রে টিভি দেখতাম। আমরা দুজনেই ছিলাম যেন হেটে চলে বেড়ানো মৃত মানুষের মতো।``

এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পর লুসি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, তিনি আর কখনোই কারো সঙ্গে থাকতে যাবেন না।

``একবারের অভিজ্ঞতাই এতটা ভয়াবহ ছিল যে, আমি নিজেকে বললাম, আর কোন সঙ্গীর সঙ্গে আর একত্রে থাকতে যাবো না।``

কিন্তু ২০১৮ সালে নতুন ছেলে বন্ধুর সঙ্গে একত্রে থাকতে শুরু করার পর আবার প্রায় একই রকম পরিস্থিতিতে নিজেকে দেখতে পান লুসি।

``আমার মধ্যে অস্বস্তি থাকলেও, তার সঙ্গে একত্রে থাকাটা বেশ সুবিধাজনক এবং কম খরচের বলে মনে হলো।

বিশেষ করে আমাদের অন্য মানুষজনের সঙ্গে থাকতে হবে না, যাদের কারণে আমাদের জীবন কঠিন হয়ে উঠতে পারে। সুতরাং আমি নতুন ছেলে বন্ধুর সঙ্গে থাকতে শুরু করলাম।``

কিন্তু এই সম্পর্ক যখন শেষ হয়ে গেল, এই যুগল অবশ্য ডিপোজিটের মায়া না করে তাদের সেই বাড়ি ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। লুসি বর্নমাউথে তার পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতে শুরু করলেন।

লুসি বলছিলেন, আবাসন খাতের এই পরিস্থিতি তার `মানসিক, শারীরিক আর অর্থনৈতিকভাবে` ভোগান্তির কারণ হয়েছে।

``আমি মনে করি, পুরো ব্যাপারটি অস্বস্তি আর লজ্জার। আবাসনের এরকম পরিস্থিতিতে পড়ার পরেও একজন তরুণীর কোথাও যাবার সুযোগ থাকে না আর ভেঙ্গে পড়া একটি সম্পর্কের মধ্যে থাকলে যেন সেই ব্যর্থতাকেই মেনে নেয়া হয়,`` লুসি বলছিলেন।

 

নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ড
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : মাটি ছোঁয়া জামা, পা-ঢাকা পাজামা বা প্যান্ট এবং বড় আকারের জাম্পার - যদি ভাবেন এটি ক্রিসমাসের পোশাক পরিকল্পনার তালিকা, তাহলে ভুল ভাবছেন

আমরা এখনকার চলতি `মডেস্ট ফ্যাশন` বা শালীন ফ্যাশন নিয়ে কথা বলছি।

আপনি যদি এখনো এ বিষয়ে শুনে না থাকেন, তাহলে জেনে রাখুন এর মূল ব্যাপারটাই হলো একটু ঢেকেঢুকে কাপড় পরা, যার চল নতুন করে পুরো দমে আসতে যাচ্ছে আবার।

শালীনভাবে, কিন্তু ফ্যাশন সম্মত পোশাক পড়ার ব্যাপারটি মুসলিম তরুণীদের মধ্যে ভীষণ জনপ্রিয়।

কিন্তু এখন বিষয়টি আর নির্দিষ্ট কোন ধর্মে বা বিশ্বাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আর বর্তমানে এই ফ্যাশন আকৃষ্ট করেছে অনেককে।

২১ বছর বয়সী আশা মোহামুদ একজন শালীন ব্লগার এবং মডেল, ইনস্টাগ্রামে যার ২৭ হাজার ফলোয়ার রয়েছে।

রেডিও ওয়ান নিউজবিট অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, শালীন ফ্যাশনের ব্যাপকতা এখন বেড়েছে।

"আমার তো মনে হয় নারীরা এখন আর পুরুষের চোখে সেক্সি বা আকর্ষণীয় হবার জন্য পোশাক পড়েনা, বরং নিজের চোখে ভালো দেখাতে চান তারা। হয়ত আগের মত পুশ-আপ অন্তর্বাস পড়তে দেখবেন না তাদের। তারা হয়ত কেবল একটা টু-পিস স্যুট পড়ে বেরুবেন ।"

ফ্যাশন ব্লগার জোডি ম্যারিয়ট-বেকার বলেছেন, সামাজিক মিডিয়া এবং সমাজের পরিবর্তিত ধ্যান ধারণার কারণে মানুষ এখন শালীন কাপড় পড়তে চায়।

তিনি মনে করেন, সাধারণ কাজ কিংবা আনুষ্ঠানিক প্রয়োজনে বা কাজে বেরুতে হলেও এখন শালীন পোশাকই পছন্দ করে লোকে।

মানুষের রুচির ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে। আর সেই পরিবর্তন কেবল ব্লগাররা নন, অনেক ব্র্যান্ডেরও নজরে পড়েছে।

ব্রিটিশ ব্র্যান্ড জন লুইস এর সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে দেখা গেছে, ক্রেতাদের কাছে দৈর্ঘ্যে বেশি এবং ঢোলা কাপড়ই এখন বেশি পছন্দ।

এ বছরে প্রতিষ্ঠানটি `মিডি ড্রেস` বা মাঝারি দৈর্ঘ্যের পোশাকের, যা হাঁটুর নিচ পর্যন্ত বা তার চেয়ে একটু বেশি লম্বা হয়, তার বিক্রি ১৫২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এছাড়া গোড়ালি পর্যন্ত লম্বা পোশাকের বিক্রি বেড়েছে ৩৩ শতাংশ।

এমন কাপড়ের চাহিদা কেবল জন লুইসের একারই বাড়েনি, অন্য প্রতিষ্ঠানেরও বেড়েছে।

মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার এবং অ্যাসোস নামের অন্য নামী প্রতিষ্ঠানগুলোরও শালীন পোশাকের বিক্রি বেড়েছে।

যারা নামের পোশাকের কথা মনে আছে? ইন্টারনেটে ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল যে পোশাক?

অনেক ব্লগারের মতে লম্বা এবং ঢোলা আকারের জন্য সেটিও মডেস্ট ফ্যাশন বা শালীন ফ্যাশনের একটি নমুনা হবে।

আশা নামের একজন মুসলমান তরুণী মনে করেন, মডেস্ট ফ্যাশন একেকজনের জন্য একেক রকম।

"আমি খাটো স্কার্ট পড়লে কেউ সেটাকে শালীন ভাববে না, কিন্তু আমি এর নিচে একটা ট্রাউজার পড়েছি।

শালীন পোশাক পরার জন্য এখন আর কেবল মুসলমান হবার দরকার নেই। বিষয়টা কেবল কোন ধর্মের জন্য নির্দিষ্ট নয়। এটাই এখন নতুন ধারা বিশ্বের, নতুন ট্রেন্ড।"

এদিকে, ব্লগার জোডি একে দেখেন `অন্তহীন সময়ের জন্য চলনসই, বাহারি এবং ঢোলা হলেও নজরকাড়া` হিসেবে।

আর সেজন্য শীতকাল একেবারে আদর্শ সময়।

এখন পুরো পৃথিবীতে ফ্যাশন জগতে যে ধরণের পরিবর্তন আসছে, তাতে কেবল শীতকাল নয়, বছর জুড়েই মানুষ একটু বড়সড় ঢোলা আর আরামদায়ক জামাকাপড় পড়তে পছন্দ করেন।

"এরকম কাপড়ে আমি খুবই আত্মবিশ্বাস এবং আরাম পাই। আমি যতই খাই না কেন আপনি আমার উঁচু হয়ে থাকা পেট দেখতে পাবেন না।"

ব্রিটেনে এখন এটি এতই আলোচিত বিষয় যে সেখানে একটি মডেল এজেন্সি আছে, যারা শালীন ফ্যাশনের কাপড় পড়েন এমন মডেলদের নিয়ে কাজ করছে।

উমামা মডেলস নামের প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শাম্মি হামৌদা মনে করেন ২০২০ সালে এই ফ্যাশন মেইনস্ট্রিম ফ্যাশন হিসেবে বিশ্ব দখল করবে।

 এক বছর আগে যখন তিনি ব্যবসা শুরু করেন, তখন তার মাত্র চারজন মডেল ক্লায়েন্ট ছিল, কিন্তু এখন তিনি ৬০জন মডেলের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

 "১৯৫০ এর দশকে ব্রিটেনে এটাই ছিল স্বাভাবিক, শালীনভাবেই পোশাক পরতেন নারীরা। সবার জামার ঝুল এবং হাতা ছিল লম্বা।"

তবে, বিক্রেতারা বলছেন, লম্বা জামার কদর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাটো আর আঁটসাঁটো পোশাকের চাহিদা এখনো কমে যায়নি।

আর জোডি মনে করেন, ফ্যাশনে বৈপরীত্য সব সময় ছিল, সামনের দিনেও থাকবে।

 


   Page 1 of 118
     লাইফস্টাইল
কোয়ারেন্টাইনে যে কাজটি শিখতে পারেন পুরুষেরা
.............................................................................................
একা একা খেলে ওজন কমে, বলছে গবেষণা
.............................................................................................
৩১ জানুয়ারি : আজকের দিনটি কেমন যাবে?
.............................................................................................
প্রতিদিন দু’টি কলা খাবেন যে কারণে
.............................................................................................
ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খাবেন যে কারণে
.............................................................................................
দিনের শুরুতে যে ৭ কাজ আপনাকে ভালো রাখবে
.............................................................................................
৯১ বছর বয়সে এসে যাজক বললেন তিনি আসলে সমকামী
.............................................................................................
নাসাার্রিগুলোতে উৎপাদন হচ্ছে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস
.............................................................................................
নতুন বছরে কিছু সংকল্প করেছেন? কীভাবে রাখবেন তার পাঁচটি উপায়
.............................................................................................
যৌনকর্মীদের জন্য শ্রমশিবির বন্ধ করে দিচ্ছে চীন
.............................................................................................
`শক্ত মেয়েদেরও আমি টেবিলে বসে কাঁদতে দেখেছি’
.............................................................................................
ভালোবেসে বিয়ে, অতঃপর পরকীয়া-নির্যাতন সত্ত্বেও কেন মানিয়ে চলা
.............................................................................................
ট্রাকের ওপরেই বেডরুম, বাথরুমসহ দোতলা বাড়ি
.............................................................................................
কোন বিষয়ে মানুষের মাঝে আসক্তি তৈরি হয় ?
.............................................................................................
সম্পর্ক ভাঙ্গার পরেও সাবেক ছেলে বন্ধুর সঙ্গে এক বাসায় থাকতে হয়
.............................................................................................
নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ড
.............................................................................................
ব্রিটিশ রানীর পাঁচটি সজ্জাশিল্পী রাজকীয় রহস্য
.............................................................................................
২৬ অক্টোবর ২০১৯ পর্যন্ত ১২ রাশির পূর্বাভাস
.............................................................................................
দাঁতের যে ক্ষতি করে ফাস্ট ফুড ও সিগারেট
.............................................................................................
মাথায় উকুন শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
.............................................................................................
ধনে পাতার পুষ্টিগুণ
.............................................................................................
রাশিফলে জেনে নিন কেমন যাবে আজকের দিনটি
.............................................................................................
তারুণ্য ও যৌবন অটুট থাকবে যে ১৬টি খাবারে
.............................................................................................
সহজেই মাংস সিদ্ধ করবেন যেভাবে
.............................................................................................
শরীর ভাল রাখতে যে নিয়মে হাঁটাহাঁটি করবেন
.............................................................................................
লিপস্টিকের রঙেই লুকিয়ে থাকে নারীদের ব্যক্তিত্ব
.............................................................................................
শীতকালে নিজেকে পরিচ্ছন্ন রাখুন ৫ উপায়
.............................................................................................
ওজন কমাতে কমলা খাবেন যেভাবে
.............................................................................................
সকালের নাস্তা স্বাস্থ্যের জন্য কতটুকু ভালো?
.............................................................................................
রাশিফলে জেনে নিন কেমন যাবে আজকের দিনটি
.............................................................................................
মেধাবী সন্তান পেতে যা করবেন
.............................................................................................
চাপের মধ্যে হৃদযন্ত্র ভালো রাখার ১০ উপায়
.............................................................................................
চুল পড়া কমায় কালিজিরা
.............................................................................................
রাশিফলে জেনে নিন কেমন যাবে আজকের দিনটি
.............................................................................................
ব্রেন স্ট্রোক ঠেকানোর সহজ উপায়
.............................................................................................
সহজ উপায়ে ক্রোধ প্রশমন
.............................................................................................
কোল্ড প্রেসড অয়েলে ত্বকের যত্ন
.............................................................................................
টনসিলের ব্যথা দূর করার ঘরোয়া ৫ টোটকা
.............................................................................................
করলা দিয়ে ত্বকের যত্ন!
.............................................................................................
চোখ সুস্থ রাখে এই ৪টি ব্যায়াম
.............................................................................................
শীতে গোসল না করার ক্ষতি কী?
.............................................................................................
রাশিফলে জেনে নিন কেমন যাবে আজকের দিনটি
.............................................................................................
একটানা কাজ করলে যে ক্ষতি হয়
.............................................................................................
টনসিলের ব্যথা কমানোর উপায়
.............................................................................................
সকালের ব্যায়াম
.............................................................................................
চুল পড়া রোধের উপায়
.............................................................................................
বয়সের ছাপের হাত থেকে ত্বককে বাঁচাবেন যেভাবে
.............................................................................................
কেমন যাবে আজকের দিনটি
.............................................................................................
শরীরের কতটুকু লবণ প্রয়োজন?
.............................................................................................
রাশিফলে জেনে নিন কেমন যাবে আজকের দিনটি
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম ।
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন ।
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন ।

সম্পাদক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত । সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্ল্যাক্স (৬ষ্ঠ তলা) । ২৮/১ সি টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ ঢাকা-১০০০ । জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা ।
ফোন নাম্বার : ০২-৯৫৮৭৮৫০, ০২-৫৭১৬০৪০৪
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, ০১৯১৬৮২২৫৬৬ ।

E-mail: dailyganomukti@gmail.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD