ঢাকা,সোমবার,১২ আশ্বিন ১৪২৮,২৭,সেপ্টেম্বর,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক   > বাণিজ্য সম্প্রসারণে বৈশ্বিক ভিত্তি বঙ্গবন্ধুর তৈরি করা   > সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তাঁর স্ত্রীর বিচার শুরু   > করোনায় শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২১   > প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটনে অবস্থান করছেন   > একদিনে ৮০ লাখ ডোজ টিকা   > রাজবাড়ীতে জন্ম নিবন্ধন তৈরিতে নাজেহাল সনদ গ্রহিতারা   > গ্রাম ও শহরের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না : এমপি নয়ন   > সোনাইমুড়ীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন   > নন্দীগ্রামে ১৫ বছরেও চালু হয়নি হাসপাতাল  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
প্রতিদিন একটি করে কলা খেলে শরীরে যা ঘটে

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সামান্য ক্ষুধা লাগলেই অনেকে কলা খান। হালকা ক্ষুধার বড় সমাধান এটি। কলা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী, একথা সবারই জানা। তবে কলা নিয়ে বিতর্কেরও শেষ নেই। অনেকেরই ধারণা, কলা খেলে ওজন বেড়ে যায়, আবার এই ফল খেলে ঠান্ডা লাগে ইত্যাদি। যদিও কলায় ক্যালোরি বেশি থাকে। এ কারণে অনেকেই কলা এড়িয়ে যান। একটি কলায় থাকে প্রায় ১২১ ক্যালোরি। তবে মনে রাখবেন, কলায় ক্যালোরি যেমন বেশি ঠিক তেমনই এতে থাকে বিভিন্ন পুষ্টিগুণও বেশি। যা শরীরের জন্য অনেক উপকারী। কলা পটাসিয়াম, মিনারেল, ভিটামিন সি’তে পরিপূর্ণ। এটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর একটি ফল। ভিটামিন, মিনারেলের পাশাপাশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও পাওয়া যায় কলায়। তবে কলায় পটসিয়ামের মাত্রা বেশি থাকায় যারা রেনাল ফেলিওরে ভুগছেন কিংবা পটাসিয়ামে অসুবিধা আছে তাদের কলা না খাওয়াই ভাল। প্রতিদিন একটি করে কলা খেলে শরীরে কী ঘটে তা আগে জেনে নিন-
>> কলায় থাকা পটাসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ কারণে যারা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন তারা অবশ্যই কলা খাবেন। তাহলে হৃদযন্ত্রও সুস্থ থাকে।
>> কলায় প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে। বিজ্ঞানীদের মতে, ২৫ গ্রাম মতো ফাইবার খেলে হৃদরোগের আশঙ্কা ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। তাই কলা খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
>> নানা ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ থাকে কলা। তাই প্রতিদিন কলা খেলে হার্ট যেমন ভালো থাকে, তেমনই ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যও ভালো থাকে।
>> কলায় থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই নিয়মিত কলা খেলে বিভিন্ন অসুখের ঝুঁকি কমবে। পাশাপাশি শরীরের প্রতিদিনের ভিটামিন সি’র চাহিদাও পূরণ হবে।
>> আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, অতিরিক্ত ওজন বা ডায়াবেটিসের সমস্যা না থাকলে প্রতিদিন কলা খাওয়া ভালো। কারণ কলার দাম বেশি নয়। কম খরচে এক ফলেই এতো ধরনের পুষ্টি হয়তো অন্য খাবারে মেলে না।
>> যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে তাদের পাকা কলা খাওয়া উচিত। এতে ফাইবার থাকায় পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। আবার পেট খারাপ হলে কাঁচকলা খেলে উপকার পাবেন।
কখন কলা খাবেন?
ভারি খাবারের সঙ্গে কলা খাবেন না। খাবার খাওয়ার এক থেকে দেড় ঘণ্টা পরে কলা খাবেন। কলায় প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। এ সময়ের ব্যবধানে খেলে ফাইবার সহজেই শরীর গ্রহণ করতে পারবে। অনেকে সরাসরি কলা খেতে পছন্দ করেন না। তারা কলার স্মুদি বানিয়ে খেতে পারেন। আবার সকালের নাস্তায় কলা ও ওটসের স্মুদিও খেলে সারাদিন তরতাজা থাকবেন। পেট ঠান্ডা রাখতে কলা ও সাবু মেখে খেয়ে নিন। যাদের অসুস্থতার কারণে তরল খাবার খেতে হচ্ছে তারা কলার স্মুদি অনায়াসেই খেতে পারেন।

প্রতিদিন একটি করে কলা খেলে শরীরে যা ঘটে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সামান্য ক্ষুধা লাগলেই অনেকে কলা খান। হালকা ক্ষুধার বড় সমাধান এটি। কলা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী, একথা সবারই জানা। তবে কলা নিয়ে বিতর্কেরও শেষ নেই। অনেকেরই ধারণা, কলা খেলে ওজন বেড়ে যায়, আবার এই ফল খেলে ঠান্ডা লাগে ইত্যাদি। যদিও কলায় ক্যালোরি বেশি থাকে। এ কারণে অনেকেই কলা এড়িয়ে যান। একটি কলায় থাকে প্রায় ১২১ ক্যালোরি। তবে মনে রাখবেন, কলায় ক্যালোরি যেমন বেশি ঠিক তেমনই এতে থাকে বিভিন্ন পুষ্টিগুণও বেশি। যা শরীরের জন্য অনেক উপকারী। কলা পটাসিয়াম, মিনারেল, ভিটামিন সি’তে পরিপূর্ণ। এটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর একটি ফল। ভিটামিন, মিনারেলের পাশাপাশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও পাওয়া যায় কলায়। তবে কলায় পটসিয়ামের মাত্রা বেশি থাকায় যারা রেনাল ফেলিওরে ভুগছেন কিংবা পটাসিয়ামে অসুবিধা আছে তাদের কলা না খাওয়াই ভাল। প্রতিদিন একটি করে কলা খেলে শরীরে কী ঘটে তা আগে জেনে নিন-
>> কলায় থাকা পটাসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ কারণে যারা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন তারা অবশ্যই কলা খাবেন। তাহলে হৃদযন্ত্রও সুস্থ থাকে।
>> কলায় প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে। বিজ্ঞানীদের মতে, ২৫ গ্রাম মতো ফাইবার খেলে হৃদরোগের আশঙ্কা ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। তাই কলা খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
>> নানা ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ থাকে কলা। তাই প্রতিদিন কলা খেলে হার্ট যেমন ভালো থাকে, তেমনই ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যও ভালো থাকে।
>> কলায় থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই নিয়মিত কলা খেলে বিভিন্ন অসুখের ঝুঁকি কমবে। পাশাপাশি শরীরের প্রতিদিনের ভিটামিন সি’র চাহিদাও পূরণ হবে।
>> আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, অতিরিক্ত ওজন বা ডায়াবেটিসের সমস্যা না থাকলে প্রতিদিন কলা খাওয়া ভালো। কারণ কলার দাম বেশি নয়। কম খরচে এক ফলেই এতো ধরনের পুষ্টি হয়তো অন্য খাবারে মেলে না।
>> যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে তাদের পাকা কলা খাওয়া উচিত। এতে ফাইবার থাকায় পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। আবার পেট খারাপ হলে কাঁচকলা খেলে উপকার পাবেন।
কখন কলা খাবেন?
ভারি খাবারের সঙ্গে কলা খাবেন না। খাবার খাওয়ার এক থেকে দেড় ঘণ্টা পরে কলা খাবেন। কলায় প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। এ সময়ের ব্যবধানে খেলে ফাইবার সহজেই শরীর গ্রহণ করতে পারবে। অনেকে সরাসরি কলা খেতে পছন্দ করেন না। তারা কলার স্মুদি বানিয়ে খেতে পারেন। আবার সকালের নাস্তায় কলা ও ওটসের স্মুদিও খেলে সারাদিন তরতাজা থাকবেন। পেট ঠান্ডা রাখতে কলা ও সাবু মেখে খেয়ে নিন। যাদের অসুস্থতার কারণে তরল খাবার খেতে হচ্ছে তারা কলার স্মুদি অনায়াসেই খেতে পারেন।

শরীরের ব্যথা কমানোর ৩ উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : যে কোনো কারণেই শরীরে ব্যথা হতে পারে। বসা বা শোয়া ভঙ্গিমার কারণে অনেক সময় শরীর ব্যথা হতে পারে। আবার বেশি হাঁটলে পায়ে ব্যথা এমনকি হাতেও ব্যথা হতে পারে বিভিন্ন কাজ করার কারণে। কমবেশি সবাই কোনো না কোনো সময় এ সমস্যার মধ্যে দিয়ে যায়। শরীরে ব্যথা হওয়ার মুখ্য কারণের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ক্লান্তি। শরীর অত্যাধিক ক্লান্ত হলে আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারেন। ফলে শরীরে বিভিন্ন রোগ ও প্রদাহ বাড়তে পারে। এছাড়াও শরীরে পানির ঘাটতি থাকলেও গায়ে, হাত-পায়ে যন্ত্রণা হতে পারে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি না খেলে তার প্রভাব আমাদের শরীরেই পড়ে। তবে শরীরে এরকম ব্যথা হলে কীভাবে মুক্তি পাবেন? এজন্য বেশি কিছু করার দরকার নেই। মাত্র ৩ উপায়েই শরীরের যে কোনো ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। জেনে নিন উপায়গুলো-
>> শরীরে পানির ঘাটতি যেন না হয় সেদিকে নজর রাখুন। দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে শরীর অনেক পানি বেরিয়ে যায়। তাই শরীরে পানির ঘাটতি থাকলে তা আমাদের পেশির উপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।
>> আপনার খাদ্যাভ্যাস স্বাস্থ্যকর করে তুলুন। একটি ঠিকঠাক ডায়েট অনুসরণ করুন। যেখানে প্রোটিন, ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট সবকিছু পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকবে। ডায়েটে পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম রাখতে হবে।
>> শরীরে যেকোনো প্রদাহ দূর করতে বিভিন্ন মসলা উপকারী ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে আদা, হলুদ, দারুচিনি, রসুন জাতীয় মসলাগুলো জয়েন্ট বা পেশির জন্য অত্যন্ত কার্যকর। এসব মসলা পাতে রাখলে সারবে শরীরের সব ধরনের ব্যথা।

নিয়মিত হাঁটলে যেসব রোগ থেকে মুক্তি মিলবে
                                  

লাইফ-স্টাইল ডেস্ক : দৈনন্দিন জীবনে হাঁটার গুরুত্ব সম্পর্কে যদিও কম বেশি অনেকেই জানে। তবে তা সত্ত্বেও কিছুটা আলসেমি এবং কষ্টের ভয়ে কিংবা কাজের ব্যস্ততার অজুহাতে অনেকেই হাঁটাহাঁটি এড়িয়ে চলতে চান। কিন্তু হাঁটা হলো সবচেয়ে সহজ ব্যায়াম। ছোট-বড় যে কেউ নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস করতে পারেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে আবার রিকশায় বা গাড়িতে না উঠে হাঁটাকে অপমান বা লজ্জাজনকও মনে করে থাকেন অনেকে। আসলে নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করার স্বাস্থ্যগত গুরুত্বকে অবহেলা করার কোনো উপায় নেই। ‘সুস্থ রাখতে দেহযন্ত্র, হাঁটাই হোক মূলমন্ত্র’ প্রতিপাদ্যে ২০১৭ সাল থেকে প্রতি বছর ৯ জানুয়ারি পালন করা হচ্ছে ‘জাতীয় হাঁটা দিবস’। অনেকেই মোটা হওয়ার জন্য অতিরিক্ত খাওয়াকে দায়ী করে থাকেন। আর এর প্রতিকার হিসেবে প্রথমেই খাওয়া কমিয়ে দিয়ে থাকেন। তবে এটি খুব কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ নয় তা বলাই বাহুল্য। কারণ আমাদের শরীরের বিপাকীয় ক্রিয়ার কারণে শরীরের ঘাটতি পূরণ করার জন্যে নির্দিষ্ট সময় পর ঠিকই খাওয়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। আর খাওয়া কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে হিতে বিপরীত হওয়াটাও অস্বাভাবিক নয়। তাই আমাদের সবসময় খেয়াল রাখতে হবে যে, আমরা খাবারের সাথে যে ক্যালোরি গ্রহণ করছি তার সমান বা বেশি যেন আমাদের শরীর থেকে ক্ষয় করতে পারি। এই কাজটি করতে হাঁটাহাঁটি একটি উত্তম উপায়। যাদের নিয়মিত ব্যায়াম করার অভ্যাস নেই; তারা নিয়মিত হাঁটলে অতিরিক্ত ক্যালোরি শরীর থেকে ক্ষয় হবে। হাঁটাহাঁটি করলে রক্তে ভালো কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়ে ও মন্দ কোলেস্টেরল বা এলডিএল কমে। খাওয়ার পরে কিছু সময় হাঁটাহাঁটি করলে নিজেকে বেশ ঝরঝরে লাগে এবং পাচিত খাদ্যদ্রব্যও খুব সহজেই হজম হয়ে যায়। এ ছাড়াও নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস থাকলে ক্ষুধাজনিত সমস্যাও দূর হয়ে যায়। হাঁটার ফলে গৃহীত খাবার হজম হয়ে গিয়ে পুনরায় ক্ষুধার সৃষ্টি করে যা শরীরের বিপাক ক্রিয়ার অনুপাত ঠিক রাখতে সাহায্য করে। তবে একদম ভরপেট খাওয়ার পরপরই হাঁটবেন না। একটু বিশ্রাম নিয়ে তারপরে হাঁটাহাঁটি করুন। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাদ্যাভাসের পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা করাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনার জন্যে অন্তত ৩০ মিনিট করে হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা খুব প্রয়োজন। উচ্চ রক্তচাপের পাশাপাশি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতেও প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হাঁটলে শরীরের পেশিতে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ে। ফলে রক্তের গ্লুকোজ কমে। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসলে হার্ট এ্যাটাক ও স্ট্রোক এর ঝুঁকিও হ্রাস পায়। নিয়মিত হাঁটলে রক্তনালির দেয়ালে চর্বি কম জমে। তাই করোনারি হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি কমে। এ ছাড়াও মূল করোনারি রক্তনালিতে ব্লক থাকলেও নিয়মিত হাঁটার কারণে আশপাশের ছোট রক্তনালিতে রক্ত সরবরাহ বাড়ে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। কমে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও। স্তন ক্যান্সারসহ অন্যান্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও হ্রাস পায়। হাঁটার সময় হৃৎস্পন্দন আর শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি বাড়ে। ফলে হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসে রক্ত সরবরাহ বাড়ে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই দুই অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়ে। এমনকি হাঁটার অভ্যাস থাকলে কিছুটা হলেও এই মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। হাঁটার সময় আমাদের মন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে পারে। এতে করে মন কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে কেন্দ্রীভূত থাকে না। আর খোলামেলা উদ্যানে ভোরের আলোতে হাঁটতে পারলে মনে একধরনের প্রশান্তি কাজ করে। আর এই অভ্যাস পুরো দিনের কাজের জন্যে উৎসাহ বাড়াতে বেশ সাহায্য করে। প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস রাখতে পারলে আমাদের শরীরের সকল কোষকলা সক্রিয় থাকে। ফলে প্রত্যেকটি কোষে বিশুদ্ধ রক্ত ও অক্সিজেন সঠিকভাবে পোঁছতে পারে। তাই নিয়মিত হাঁটার ফলে শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। যাদের ঘুমের সমস্যা রয়েছে অর্থাৎ যাদের খুব সহজে গভীর ঘুম হয় না; তাদের জন্যে নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস বেশ ফলদায়ক। নির্দিষ্ট সময় ধরে হাঁটার ফলে শরীর থেকে ঘাম নির্গত হয় এবং শরীরে ক্লান্তিবোধ হয়। এর ফলে শরীরে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ার তাড়না থাকে। নিয়মিত হাঁটলে মস্তিষ্কে এনডর্ফিন, ডোপামিন, সেরোটোনিনের মতো ভালো অনুভূতি তৈরির রাসায়নিক নিঃসরণ বাড়ে। ফলে বিষণ্নতা কমে, মন-মেজাজ ভালো থাকে, রাতে ঘুম হয় চমৎকার।

চোখের জ্বালাপোড়া ও ব্যথা কমানোর ৫ উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সারাদিন কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মনিটরে চোখ রেখে কাজ করেন অনেকেই। ফলে চোখে জ্বালাপোড়া ও ব্যথায় ভুগতে হয় প্রায়শই। চোখের অস্বস্তিতে বাড়ে মাথাব্যথাও। নিয়মিত এ সমস্যায় ভুগলে, তা হতে পারে দুশ্চিন্তার কারণ। এমন হওয়ার অন্যতম কারণ হলো চোখের শুষ্কভাব। শুধু আপনি নন, অনেকেই এই সমস্যায় ভুগে থাকেন। অ্যালার্জির কারণেও অনেকের এই সমস্যা হয়। চোখ জ্বালা করে ও লাল হয়ে যায়। তাই চোখের এই কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে আপনি কয়েকটি ঘরোয়া সমাধানের উপর অবশ্যই ভরসা করতে পারেন। কয়েকটি ঘরোয়া উপায় মেনে চললেই এ সমস্যায় আর ভুগতে হবে না। জেনে নিন ড্রাই আইজ থেকে মুক্তি পেতে কী কী সাবধানতা মেনে চলবেন?
১. চোখ পরিষ্কার রাখুন: নিয়মিত চোখ পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গড়ুন। সামান্য পরিমাণে গরম বা ঠান্ডা পানিতে তুলো ভিজিয়ে চোখ পরিষ্কার করতে পারেন। এভাবে চোখের পাতা, আইল্যাশ ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে পারেন। দিনে যতবার পারবেন, চোখ ভিজিয়ে রাখার চেষ্টা করুন।
২. ওমেগা: মাছের তেলে থাকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। নিয়মিত মাছের তেল খেতে না পারলে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন। এই উপাদানটি চোখের জন্য খুবই ভালো। চোখের মেইবোমিয়ান গ্র্যান্ড ভালো রাখে। চোখের পাতার একদম কোণায় এই গ্র্যান্ড থাকে।
৩. আইড্রপ ব্যবহার করুন: সারাদিন কম্পিউটারে কাজ করার কারণে চোখে ভীষণ চাপ পড়ে। এজন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আইড্রপ ব্যবহার করুন। এই ধরনের আইড্রপগুলো চোখ পরিষ্কার রাখে ও চোখের শুষ্কতা দূর করে। ড্রপ ব্যবহারের পর অবশ্যই বিশ্রাম নেবেন এবং চোখ ম্যাসাজ করবেন।
৪. পানি খেতে হবে: পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেলে শরীরের একাধিক সমস্যার সমাধান ঘটে। ঠিক একইভাবে চোখও ভালো রাখে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি না খেলে চোখের শুষ্কতা বেড়ে যায়। চোখের দৃষ্টিও কমে যায়।
৫. ভিটামিন: সূর্য রশ্মি থেকে পাওয়া ভিটামিন ডি অনেকের শরীরেই লাগে না। এর ফলে শরীরে ভিটামিন ডি শূন্যতা হয়ে যায়। যা বিভিন্ন রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রয়োজনে ভিটামিন ডি এর সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করতে পারেন। এই ভিটামিনের অভাবে ড্রাই আইজের সমস্য়া শুরু হয়।

জ্বরঠোসার ব্যথা ও ঘা দ্রুত সারাবেন যেভাবে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : হালকা জ্বর হলেও অনেকের ঠোঁটের কোণে ঘা হয়ে থাকে। অনেকটা ঘামাচির মতো হয়ে একসঙ্গে গোল হয়ে বের হয় ফুসকুঁড়ি। যাকে বলা হয় জ্বরঠোসা। প্রথম অবস্থায় ফুসকুঁড়ি, তারপর ঘা’তে রূপান্তরিত হয় জ্বরঠোসা। তীব্র ব্যথা ও যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায় একসময়। ঠিকমতো খাওয়া যায় না, এমনকি কথা বলতেও কষ্ট হয়! জ্বরঠোসা হলে সহজে সারতেও চায় না। এমন সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। জ্বরঠোসা হলে প্রাথমিক অবস্থায় কী করা উচিত তা জানা নেই অনেকেরই। ব্যথার ওষুধ কিংবা অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম ব্যবহার না করে বরং প্রাকৃতিক উপায়ে এই জ্বরঠোসা সারাতে পারেন। জেনে নিন কীভাবে দ্রুত সারাবেন জ্বরঠোসার ব্যথা ও ঘা-
আপেল সিডার ভিনেগার
শারীরিক নানা সমস্যার সমাধান করে আপেল সিডার ভিনেগার। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে এই দাওয়াই। আপেল সিডার ভিনেগারের সঙ্গে পানি মিশিয়ে প্রতিদিন দুইবেলা করে জ্বরঠোসার উপর লাগালেই দ্রুত সেরে যাবে।
সেইসঙ্গে ব্যথা ও ঘা দ্রুত শুকাবে এবং দাগও দূর হয়ে যাবে। পানি ছাড়া আপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার করবেন না, এতে জ্বালা করবে।
অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরায় থাকা বিভিন্ন পুষ্টিগুণ ক্ষত সারাতে বিবেশ কার্যকরী। জ্বরঠোসার ক্ষত নিরাময়ে অ্যালোভেরা জেল সামান্য পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এতে চুলকানি ও ব্যথা কমবে সেইসঙ্গে ঘা দ্রুত শুকিয়ে যাবে।
আদার তেল
আদায় আছে বিভিন্ন পুষ্টিগুণ। শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার দাওয়াই এটি। বিশেষ করে ব্যথা কমাতে জাদুকরী ভূমিকা রাখে আদা। জ্বরঠোসা হলে আদার তেল ব্যবহারে দ্রুত নিস্তার পাবেন। এই তেল হার্পস ভাইরাসকে ধ্বংস করতে সক্ষম।
পুদিনার তেল
ল্যাব পরীক্ষায় দেখা যায়, পেপারমিন্ট অয়েল এইচএসভি-১ এবং হার্পস সিমপ্লেক্স ভাইরাস টাইপ-২ (এইচএসভি-২) উভয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে কার্যকর। এই ভাইরাসগুলোই জ্বরঠোসা হওয়ার জন্য দায়ী। তাই পেপামিন্ট অয়েল ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রুত জ্বরঠোসা সারবে।
গরম ও ঠান্ডা সেঁক
গবেষণা অনুসারে, জ্বরঠোসার উপরে গরম সেঁক নিলে দ্রুত ব্যথা কমবে। সেইসঙ্গে ফোলাভাব, চুলকানি থেকে মুক্তি পাবেন। সুতির কাপড় গরম করে সেঁক নিতে পারেন। যদি জ্বরঠোসার কারণে ঠোঁট ফুলে যায়; সেক্ষেত্রে ঠান্ডা সেঁক নিতে পারেন।
বেকিং সোডা
বেকিং সোডা জ্বরঠোসার উপর ব্যবহারে ক্ষত শুকিয়ে যাবে দ্রুত। সেইসঙ্গে চুলকানি থেকেও মুক্তি পাবেন। এজন্য পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে তার মধ্যে কটন বল ডুবিয়ে জ্বরঠোসার উপর ব্যবহার করুন।
কর্নস্টার্চ
বেকিং সোডার মতো কর্ন স্টার্চ দিয়েও জ্বরঠোসার ঘা সারাতে পারবেন। ক্ষত দ্রুত শুকিয়ে যাবে এবং চুলকানির উপশম ঘটবে। এজন্য পানিতে মেশানো সামান্য কর্ন স্টার্চে কটন বল ডুবিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগান।
রসুন
গবেষণা অনুসারে, রসুনে থাকা অ্যান্টি-ভাইরাল বৈশিষ্ট্য জ্বরঠোসা সারাতে কাজ করে। এক কোয়া রসুন থেঁতলে তার মধ্যে অলিভ অয়েল মিশিয়ে জ্বরঠোসায় ব্যবহারে উপকার মিলবে দ্রুত। এই মিশ্রণটি জ্বরঠোসায় দিনে তিনবার পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন।
ভিটামিন ই
ভিটামিন ই’তে থাকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের ক্ষতিকর কোষগুলো মেরামত করতে সহায়তা করে। জ্বরঠোসা সারাতে কাজ করে ভিটামিন ই। সেইসঙ্গে ঘা নিরাময় এবং ব্যথা কমাতে দ্রুত কাজ করে এই তেল।
সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন
সূর্যের আলোর ক্ষতিকর রশ্মিতে জ্বরঠোসা আরও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। এজন্য সরাসরি সূর্যের আলো যাতে জ্বরঠোসায় না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। আপনার ঠোঁটে এবং তার চারপাশে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলবেন না যেন! অবশ্যই সানস্ক্রিনে যেন এসপিএফ-৩০ থাকে।
সূত্র: হেলথলাইন

রক্তদানের পর শরীরের যেসব উপকার হয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : রক্তদান মহৎ একটি উদ্যোগ। অন্যকে রক্ত দেওয়ার মাধ্যমে যেমন তার জীবন বাঁচানো যায়, ঠিক তেমনই রক্তদান করলে নিজের শরীরেরও উপকার হয়। অনেকেই ভেবে থাকেন, রক্তদান করলে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যায় ভুগতে হবে। ধারণাটি ঠিক নয়। কারণ রক্তদানের অনেক উপকারিতা আছে। পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ও নিঃস্বার্থ উপহার হলো রক্তদান। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে বছরে ৮-৯ লাখ ব্যাগ রক্তের চাহিদা থাকলেও রক্ত সংগ্রহ হয় ৬-৬.৫ লাখ ব্যাগ। ঘাটতি থাকে তিন লাখ ব্যাগের বেশি। এ ছাড়া সংগ্রহকৃত রক্তের মাত্র ৩০ শতাংশ আসে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের থেকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এক ব্যাগ রক্ত দিতে সময় লাগে মাত্র ১০-১২ মিনিট। এই অল্প সময়ে চাইলেই একজনের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। করা রক্ত দিতে পারবেন? ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সের মধ্যে শারীরিকভাবে সুস্থ নারী ও পুরুষ রক্ত দিতে সক্ষম। এক্ষেত্রে পুরুষের ওজন থাকতে হবে অন্তত ৪৮ কেজি এবং নারীর অন্তত ৪৫ কেজি। রক্তদাতাকে অবশ্যই ভাইরাসজনিত রোগ, শ্বাসযন্ত্রের রোগ এবং চর্মরোগ মুক্ত থাকতে হবে। সাধারণত ৯০ দিন পর পর, অর্থাৎ তিন মাস পর পর রক্ত দেওয়া যায়।
রক্ত দেওয়ার পর যা হয়
রক্ত দেওয়ার পর কিছুটা মাথা ঘোরাতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সময় হাঁটাহাঁটি না করে অন্তত ১-২ ঘণ্টা বিশ্রাম নেওয়া উচিত। রক্তদাতা যদি ঘামতে থাকেন এবং অস্থির হন, তবে তাকে স্যালাইন খাওয়াতে হয়। সাধারণত প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ মানুষ প্রতিবার ৪৫০ মিলিলিটার রক্ত দেওয়া হয়। রক্ত দেওয়ার পর লোহিত রক্তকণিকার মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যেতে অন্তত এক থেকে দেড় মাস সময় লাগতে পারে। পাশাপাশি রক্ত বাড়ে এমন খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।
নিয়মিত রক্তদানের মাধ্যমে শরীর যেভাবে উকৃত হয়-
>> নিয়মিত রক্তদান করলে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে।
>> বছরে তিনবার রক্ত দিলে শরীরে নতুন লোহিত কণিকা তৈরির হার বেড়ে যায়। এতে অস্থিমজ্জা সক্রিয় থাকে। দ্রুত রক্তস্বল্পতা পূরণ হয়।
>> রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা কমে যায়। এর ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে যায়।
>> শরীরে হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, জন্ডিস, ম্যালেরিয়া, সিফিলিস, এইচআইভি বা এইডসের মতো বড় রোগ সম্পর্কে জানা যায়।
>> রক্তদাতার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
সূত্র: বিবিসি

ব্ল্যাক ও হোয়াইটের চেয়েও মারাত্মক ইয়োলো ফাঙ্গাস! জেনে নিন লক্ষণ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চেয়ে হোয়াইট ফাঙ্গাস বেশি মারাত্মক। এখন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দুই ছত্রাকের চেয়ে ইয়োলো ফাঙ্গাস হতে পারে বেশি বিপজ্জনক। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে এই ইয়েলো ফাঙ্গাসের প্রথম কেসটি সনাক্ত করা হয়েছে।
এই নতুন সংক্রমণ নিয়ে এখন চলছে বিস্তর গবেষণা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইয়েলো ফাঙ্গাস ব্ল্যাক এবং হোয়াইট ফাঙ্গাসের চেয়ে আরও বেশি বিপজ্জনক হতে পারে। প্রথমেই জেনে নিন, ইয়েলো ফাঙ্গাস কী?
ইয়েলো ফাঙ্গাস, সাদা এবং কালো ফাঙ্গাসের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সংক্রমণটি সাধারণত সরীসৃপদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। মানবদেহে এই ফাঙ্গাস সংক্রমণের ফলে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে।
মানুষের মধ্যে প্রথম গাজিয়াবাদের ৪৫ বছর বয়সী একজন ব্যক্তির মধ্যে এই ফাঙ্গাস ইনফেকশনের প্রমাণ মিলেছে। তিনি সম্প্রতি করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন। ইয়েলো ফাঙ্গাসের কারণ এই সংক্রমণও প্রাথমিকভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণেই হয়ে থাকে।
এই ছত্রাক সংক্রমণের কারণ কী? অস্বাস্থ্যকর এবং উচ্চ আর্দ্র পরিবেশ, খারাপ স্বাস্থ্যবিধি, অস্বাস্থ্যকর খাবার এই ফাঙ্গাসের জন্য দায়ী। অতিরিক্ত আর্দ্রতাও ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের বৃদ্ধির পক্ষে উপযুক্ত পরিবেশ। এ ছাড়াও, যারা বেশি পরিমাণে স্টেরয়েড ব্যবহার করেন বা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল মেডিকেশনকেও এই সংক্রমণের কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ইয়েলো ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি কাদের? বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, হাই কোলেস্টেরল আছে, যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন অথবা আগে থেকেই অন্যান্য রোগে আক্রান্ত, তাদের ক্ষেত্রে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি।
এ ছাড়াও ত্বকের বিভিন্ন ক্ষত যেমন- কাটা বা পুড়ে যাওয়া অংশে ফাঙ্গাস প্রবেশ করার আশঙ্কা আছে। এটি ত্বকেও বিকাশ লাভ করতে পারে। সিডিসির তথ্য মতে, এই ব্যক্তিদের মধ্যে ফাঙ্গাস ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি -
>> যারা আইসিইউতে দীর্ঘ সময় আছেন।
>> যাদের অঙ্গ প্রতিস্থাপন হয়েছে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম।
>> যারা অতিরিক্ত অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল অথবা স্টেরয়েড ব্যবহার করেন।
>> যাদের কিডনি ড্যামেজ এবং ডায়ালিসিস চলছে।
ইয়েলো ফাঙ্গাসের উপসর্গ কী কী?
>> ওজন কমে যাওয়া
>> ক্লান্তি ও দুর্বলতা
>> খিদে কমে যাওয়া
>> ইন্টারনাল
>> সংক্রমণ যদি গুরুতর হয়, সেক্ষেত্রে ফোঁড়া বা ঘা থেকে পুঁজ বের হতে পারে
>> অর্গ্যান ফেলিওর
>> অপুষ্টি
>> ক্ষত শুকায় না
>> নেক্রোসিস পর্যন্ত হতে পারে
>> লাল বা বসে যাওয়া চোখ
ইয়েলো ফাঙ্গাসের চিকিৎসা
ইয়েলো ফাংগাসের কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। ব্ল্যাক এবং হোয়াইট-এর মতোই, ইয়েলো ফাঙ্গাসের প্রাথমিক চিকিৎসা হলো, অ্যান্টি ফাংগাল ইঞ্জেকশন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইয়েলো ফাঙ্গাস থেকে সেরে উঠতে, ব্ল্যাক বা হোয়াইট ফাঙ্গাসের তুলনায় বেশি সময় নেয়। বর্তমানে বেশ কিছু কেস স্টাডি করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা থেকে সেরে ওঠা ব্যক্তিদের মধ্যে এসব ফাংগাল ইনফেকশনের সংক্রমণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ব্ল্যাক ও হোয়াইট ফাঙ্গাসের লক্ষণ কী? কারা আছেন ঝুঁকিতে?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা কালো ছত্রাক সম্প্রতি ভারতের চারটি রাজ্যে মহামারি হিসেবে ছড়িয়ে পড়েছে। ব্ল্যাক ফাঙ্গাস আতঙ্কের কয়েক সপ্তাহ পরে এখন আবার হোয়াইট ফাঙ্গাস বা সাদা ছত্রাকে আক্রান্ত রোগীদের শনাক্ত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, হোয়াইট ফাঙ্গাস ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের তুলনায় বেশি বিপজ্জনক। তাই আক্রান্তদের চিকিৎসায় বিলম্ব হলে মৃত্যুও হতে পারে। এ ছত্রাক সংক্রমণের বিষয়টি নতুন নয়। কালো এবং সাদা উভয় ছত্রাকই শ্লেষ্মাজনিত কারণে হয়ে থাকে, যা এরই মধ্যে আমাদের পরিবেশে বিদ্যমান। হোয়াইট ফাঙ্গাস কী? হোয়াইট ফাঙ্গাস বা সাদা ছত্রাক বেশি বিপজ্জনক। কারণ এটি ফুসফুসের পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলোতে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এটি মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে এবং মস্তিষ্ক, শ্বসনতন্ত্র, পাচনতন্ত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোকেও প্রভাবিত করতে পারে। ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কী? ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা কালো ছত্রাকও হলো শ্লেষ্মাজাতীয় সংক্রমণ। কালো ছত্রাক মুখ, নাক, চোখের কক্ষপথ এমনকি মস্তিষ্ককেও প্রভাব ফেলতে পারে। কালো ছত্রাক শরীরে প্রবেশ করলে দৃষ্টিশক্তি কমায়। হোয়াইট ফাঙ্গাসের মতো এটিও ফুসফুসে ছড়িয়ে যেতে পারে। অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস, দিল্লির (এআইআইএমএসএইমস) পরিচালক রণদীপ গুলেরিয়ার জানান, স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ গ্রহণের ফলে ব্ল্যাক বা হোয়াইট দুই ছত্রাকের আক্রমণই হতে পারে।
হোয়াইট ফাঙ্গাসের ঝুঁকিতে কারা?
হোয়াইট ফাঙ্গাস এমন ব্যক্তিদের আক্রমণ করে; যারা ইমিউনোকম্প্রেসড, অর্থাৎ যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম আছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এই ছত্রাক সংক্রমণ বেশি ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগটি সংক্রামক নয়, তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন মানুষদেরকে বেশি আক্রমণ করে। অনেকটা করোনাভাইরাসের মতোই হোয়াইট ফাঙ্গাসের জীবাণুও ছড়িয়ে যেতে পারে। যেমন- আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস নেওয়া বা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ছত্রাকের জীবাণু। এমনকি ডায়াবেটিস ও ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তি যারা দীর্ঘদিন ধরে স্টেরয়েড গ্রহণ করছেন; তাদের হোয়াইট ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ঝুঁকিতে কারা?
ডায়াবেটিস রোগী, কোভিড রোগী এবং দীর্ঘদিন স্টেরয়েড গ্রহণ করেন এমন ব্যক্তিদের বেশি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আছে। এমনকি দীর্ঘদিন আইসিইউতে থাকলেও কালো ছত্রাকের ঝুঁকি বাড়ে।
হোয়াইট ফাঙ্গাসের লক্ষণ
হোয়াইট ফাঙ্গাস বা সাদা ছত্রাকের লক্ষণগুলো অনেকটা করোনা উপসর্গের মতোই। ফুসফুসে প্রদাহ, বুকে ব্যথা, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট হতে পারে। মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা এমনকি ফুলতেও পারে।
ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের লক্ষণ
সমীক্ষা দেখা গেছে, করোনা রোগীরাই ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। কালো ছত্রাক সংক্রমণের ফলে নাকের রং বদলে যাওয়া, চোখে কম দেখা, মুখের একপাশে ব্যথা, দাঁত ব্যথা, বুকে ব্যথা এবং শ্বাসকষ্ট হতে পারে। গুরুতর অবস্থায় কাশির সঙ্গে রক্তও বের হতে পারে। সময় মতো হাসপাতালে না নিলে রোগী এই সংক্রমণে মারাও যেতে পারেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

রোজা রাখলে শরীরের যেসব উপকার হয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : রোজা রাখলে শরীর নানাভাবে উপকৃত হয়ে থাকে। অনেকেরই হয়তো জানা নেই কীভাবে রোজা শরীরের নানাবিধ উপকার করে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন কমানো থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন রোগ সারানোর পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে রোজা রাখলে। এ ছাড়াও শরীরে বয়সের ছাপও পড়ে না রোজা রাখলে। জেনে নিন আরও যেসব উপকার মেলে রোজা থেকে-
দ্রুত ওজন কমায়: ড্রাই ফাস্টিংয়ের ফলে দ্রুত ওজন কমে থাকে। এ বিষয়ক বেশ কিছু গবেষণা আছে। জার্নাল অব হিউম্যান নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটিক্সের এক বিশ্লেষণে ২০১৩ সালে উঠে আসে এমন তথ্য।
গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এক মাসব্যাপী রমজানে রোজা রাখার প্রভাব বিশ্লেষণ করেন। গবেষণায় ২৪০ জন স্বাস্থ্যকর প্রাপ্তবয়স্করা টানা ২০ দিন রোজা রাখার পর দেখা যায়, তাদের বিএমআই কমেছে। তাই রমজান মাস হতে পারে শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানোর মোক্ষম সময়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: ড্রাই ফাস্টিয়ের মাধ্যমে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ানো যায়। রোজা রাখার কারণে শরীরের ক্ষতিকর কোষগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ‘পুনরায় সেট’ হয় এবং শরীরকে নতুন করে জেনারেট করে। এ ছাড়াও রোজা রাখার ফলে শরীর অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ থেকেও রক্ষা পায়। এর ফলে ইমিউন বুস্টিং হয় দ্রুত।
কোষের পুনর্গঠন: ২০১৪ সালে ইঁদুরের উপর পরিচালিত এক গবেষণা থেকে জানা যায়, দীর্ঘক্ষণ উপবাসের কারণে ইঁদুরের শরীরের পুরনো কোষগুলো সরে নতুন কোষ উৎপাদিত হয়েছে। প্রথম পর্যায়ের মানবদেহের পরীক্ষায়, এই গবেষকরা ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে কেমোথেরাপি গ্রহণের ক্ষেত্রে একই রকম প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
প্রদাহ কমে: ড্রাই ফাস্টিংয়ের রাণে শরীরের বিভিন্ন প্রদাহ দূর হয়। ২০১২ সালে নিউটিশন রিসার্চের প্রতিবেদনে উঠে আসে এমন তথ্য। গবেষকরা রমজানের এক সপ্তাহ আগে ৫০ জন প্রাপ্তবয়স্কের শরীরের প্রি-ইফ্লেমেটরি সাইটোকাইন পরিমাপ করেন। রোজার এক মাস পর আবারও অংশগ্রহণকারীদের শরীরের প্রি-ইফ্লেমেটরি সাইটোকাইন পরিমাপ করার পর দেখা যায়, প্রদাহের পরিমাণ অনেক কমেছে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ার ফলে রোজায় শরীরের প্রদাহও কমতে শুরু করে।
ত্বকের উপকার: যদিও রোজা রাখলে সারাদিন পানি গ্রহণ করা যায় না। তবুও ২০১৯ সালে এক গবেষণা মতে, উপবাসের কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় শরীরের ক্ষত নিরাময় হয় দ্রুত।
এমনকি রোজা ত্বক থেকে বয়সের ছাপ দূর করে। এর কারণ হলো কম ক্যালোরি গ্রহণ। ২০১৮ সালের এক সমীক্ষা অনুসারে, রোজা রাখলে শরীরের নতুন কোষ তৈরি হয়, এর ফলে বয়সের ছাপ পড়ে না চেহারায়।
শুধু শারীরিক উপকার নয় মানসিকভাবে সুস্থ থাকা যায় রোজা রাখলে-
>> কৃতজ্ঞতা বৃদ্ধি
>> গভীর বিশ্বাস
>> সচেতনতা বৃদ্ধি
>> প্রার্থনা করার সুযোগ
>> মানসিক প্রশান্তি
>> কাজে মনোযোগ
>> দুশ্চিন্তা দূর হয় ইত্যাদি।

রোজায় পানির তৃষ্ণা কমানোর উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : একে তো প্রচণ্ড গরম; তার উপরে সারাদিন রোজা রাখার ধকল। এ সময় পানি পিপাসা বোধ করা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীরে থেকে এমনিতেই পানি বেরিয়ে যায়। শরীর হয়ে পড়ে পানিশূন্য। ডিহাইড্রেশনের কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য, মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি এবং ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। এসব লক্ষণের পাশাপাশি পানিশূন্যতার কোরণে কিডনিজনিত সমস্যা এবং খিঁচুনির মতো মারাত্মক রোগও হতে পারে। তাই রমজানে বিভিন্ন সুস্বাদু পানীয় পান না করে বরং ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত পানি খেতে হবে। এ ছাড়াও কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখলে রোজায় পানি পিপাসা অনেকটা কমে যায়। এজন্য খাবারের বিষয়ে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত অনেকেই বিভিন্ন ধরনের খাবার খেয়ে থাকেন। তবে আপনার খাবারগুলো হতে হবে পুষ্টিকর এবং প্রচুর পরিমাণে পানিও পান করতে হবে। এ ছাড়াও জেনে নিন রোজায় যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন-
>> বিভিন্ন পানীয়তে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। এর ফলে আপনি অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ করে থাকেন। কোমল পানীয়, জুস বা শরবত আপনার পেট ভরাবে ঠিকই কিন্তু শরীরে কোনো পুষ্টি দেবে না। বরং এসব পানীয় আপনার হজম প্রক্রিয়া বাঁধাগ্রস্ত করবে। যার ফলে গ্যাস, ফোলাভাব, পেটের ব্যথা এবং ওজন বৃদ্ধিসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
>> পানি ওজন হ্রাস এবং নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ এটি বিষক্রিয়া থেকে মুক্তি দেয় এবং ক্ষুধা কমায়। এ কারণেই সারা রাত অল্প পরিমাণে পানি পান করা জরুরি।
>> প্রতিদিন কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। আপনি যদি গরমের এই সময় শরীরচর্চা করে থাকেন; তবে প্রচুর ঘাম বের হবে। তাই খেয়াল রাখবেন সেই পরিমাণ পানি গ্রহণ করতে হবে।
>> সালাদসহ বিভিন্ন খাবারে বেশি লবণ মেশাবেন না। লবণযুক্ত খাবার পরিহার করুন এ সময়। এমন খাবার শরীর থেকে বেশি পানি শুষে নেয়।
>> তাজা ফল এবং শাকসবজি বেশি করে খেতে হবে রমজানে। এগুলো পানি এবং ফাইবার সমৃদ্ধ। দীর্ঘসময় পর্যন্ত তা অন্ত্রে থাকে এবং তৃষ্ণা কমায়।
>> মিষ্টিযুক্ত পানীয় বা শরবতের পরিবর্তে তাজা ফলের রস খেতে হবে।
>> খাবার খাওয়ার সময় প্রচুর পরিমাণে পানি না খাওয়ার চেষ্টা করুন।
>> ইফতারে রোজা ভাঙার সময় বরফযুক্ত বা অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান করবেন না। এতে আপনার রক্তনালীগুলো সংকুচিত হয়ে যায় এবং বদহজমের কারণ হতে পারে।
>> চা-কফি পান থেকে বিরত থাকুন। কারণ ক্যাফেইনজাতীয় খাবারে থাকা মূত্রবর্ধক বৈশিষ্ট্য শরীর পানিশূন্য করে তোলে।
লধমড়হবংি২৪
>> বেশি করে শসা খান। তৃষ্ণা নিবারণ করে পানিতে ভরপুর এই সবজি। এ ছাড়াও শরীরকে শীতল করে, স্নায়ুজনিত ব্যাধি থেকে মুক্তি দেয়। ফাইবার থাকায় এটি হজমে সহায়তা করে এবং টক্সিন বের করে দেয় শরীর থেকে।
>> উচ্চ তাপমাত্রা এড়িয়ে চলুন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্থানে থাকুন। রোদের কম বের হলেই ভালো রোজার সময়। এতে পানি পিপাসা কম পাবে।

করোনা থেকে সুস্থ হতে ঘরেই যা করবেন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : করোনাভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা দেশব্যাপী বিস্তার লাভ করেছে। এতে মৃত্যুহারও বাড়ছে। এ সময় হাসপাতালগুলোতেও গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিদের ছাড়া অন্যদেরকে ভর্তিও নেওয়া হচ্ছে না। কোভিড-১৯ আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগই ঘরে থেকে চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে সুস্থ হয়ে উঠছেন। এ সময় ঘরে আইসোলেশনে থাকার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও অনেক। যারা করোনার সামান্য কয়েকটি উপসর্গে অসুস্থতা বোধ করছেন; তারা চাইলেই ঘরে থেকে বিশ্রাম নেওয়া ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার মাধ্যমে কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। কোভিড-১৯ এ আক্রান্তদের মধ্যে ফ্লু বা সাধারণ জ্বর, সর্দি-কাশি, গলা ব্যথার লক্ষণই বেশি প্রকাশ পায়। এসব লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পর আপনি যদি কোভিড-১৯ টেস্টে পজেটিভ হন; তাহলে ওষুধ এবং ঘরোয়া উপায়েই প্রতিকার মিলবে। কোভিড-১৯ এ আক্রান্তদের বেশিরভাগের মধ্যেই এ পর্যন্ত সাধারণ কিছু লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে। এগুলো হলো জ্বর, শুষ্ক কাশি, গলা ব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ, বুকের ব্যথা এবং শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি, গ্যাস্ট্রিকের সমসা, গন্ধ এবং স্বাদ অনুভূতি হ্রাস। আপনি যদি কোভিড-১৯ পজেটিভ হন; তাহলে কী করবেন? কোভিড-১৯ পজেটিভ হলে দ্রুত আপনি আইসোলেশনে থাকতে শুরু করেন। আপনি ছাড়াও পরিবারের অন্যরা সুস্থ আছেন কি-না সেক্ষেত্রে কোভিড-১৯ টেস্ট করাতে হবে। পরিবারের সবাই যদি সুস্থ থাকে; তাহলে তাদের সংস্পর্শে আসবেন না। আপনার শরীরে যদি কোনো মারাত্মক লক্ষণ দেখা নাও দেয়; তবুও নিজেকে সুস্থ মনে করবেন না। কারণ অন্যদের জন্য আপনার শরীরে থাকা ভাইরাসটি মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। এজন্য কোভিড-১৯ পজেটিভ হওয়ার পরপরই নিজেকে অন্যের থেকে আলাদা করুন। নেগেটিভ না হওয়া পর্যন্ত কারও সংস্পর্শে আসবেন না। বায়ু চলাচল করে এমন একটি ঘরে আলাদা থাকুন এ সময়। আপনার চারপাশ সবসময় স্যানিটাইজ করুন। অন্যের সংস্পর্শে আসা এড়িয়ে চলুন। সবসময় মাস্ক ব্যবহার করবেন। নিজের কাপড়, বাসন বা ব্যবহৃত জিনিসপত্র আলাদা করে রাখবেন। কিছুক্ষণ পরপর ২০ সেকেন্ডের জন্য সাবান পানিতে হাত ধুতে হবে।
বাড়িতে বসে যেভাবে চিকিৎসা করা যেতে পারে?
কোভিড-১৯ এর লক্ষণগুলো যদি সাধারণ হয়ে থাকে; তাহলে ঘরে বসেই আপনি সুস্থ হতে পারবেন। চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক এ সময় ওষুধ খেতে হবে। কখনোই কারও কাছ থেকে শুনে ওষুধ খাবেন না।
করোনা সংক্রমিত হলে আপনাকে অবশ্যই হাইড্রেটেড থাকতে হবে। এ সময় পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে। আতঙ্কিত বা দুশ্চিন্তা করা থেকে বিরত থাকবেন। এ সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভেষজ উপাদানসমূহ এবং পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি।
কখন হাসপাতালে যাবেন?
আপনার লক্ষণগুলো যদি ক্রমাগত খারাপ হতে থাকে; তাহলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। যেমন- শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছে, প্রচণ্ড বুকে ব্যথা, মানসিক বিভ্রান্তি, নীল ঠোঁট, বারবার ঘুমিয়ে পড়া ইত্যাদি সমস্যা হলে বুঝতে হবে আপনার শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ কমে আসছে।

এ সময় শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত যা করবেন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শ্বাসকষ্ট হলেই যে আপনি করোনায় আক্রান্ত, তা কিন্তু নয়! অন্যান্য অনেক কারণেই গরমে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। যাদের ফুসফুসে সামান্য হলেও সমস্যা আছে; তাদের ক্ষেত্রে এ সময় শ্বাসকষ্ট হওয়াটা স্বাভাবিক। তার ওপর আবার করোনার প্রভাব বেড়েই চলেছে। যেহেতু করোনাভাইরাস ফুসফুসে বংশবিস্তার করে, তাই এ সময় সাবধান হতেই হবে। এজন্য ফুসফুসের যত্ন নিতে হবে পুষ্টিকর খাবার খেয়ে ও নিয়মিত শরীরচর্চা করে। গরমে হাঁচি-কাশির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে শ্বাসজনিত অনেক সমস্যাও। একে তো প্রচুর ঘাম হয়ে থাকে, তার ওপর আবার রোদের তেজ বাড়ায় অনেকেই সাধারণ ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। সেইসঙ্গে বাড়ে শ্বাসকষ্টও। তাই গরমে শ্বাসকষ্ট বাড়লে দ্রুত যা করবেন-
> শ্বাসকষ্ট হলে রোদে বের হবেন না।
> শরীরচর্চা করার জন্য ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো।
> ধূমপান বন্ধ করুন দ্রুত।
> ফুসফুস ভালো রাখে এমন খাবার এ সময় বেশি করে খেতে হবে।
> ঘরে যাতে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস ঢুকতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। বন্ধ ঘরে থাকবেন না।
> ঘর ঠান্ডা রাখুন। একটানা এসিতে দীর্ঘক্ষণ থাকবেন না। এতে শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়তে পারে।
> এসির চেয়ে ফ্যান ব্যবহার করা ভালো।
> এ সময় অনেক ঘাম হয়, তাই প্রচুর পানি পান করতে হবে। তাহলে শরীর আর্দ্র থাকবে।
> নিয়মিত গোসল করুন ঠান্ডা পানি দিয়ে।
> ফুসফুস ভালো রাখতে যোগব্যায়াম করতে পারেন নিয়মিত।
> ফুসফুসের কয়েকটি ব্যায়াম আছে, যেগুলো নিয়মিত করা উচিত।
> ধুলা-বালি থেকে সব সময় দূরে থাকুন। এ সময় মাস্ক ব্যবহারের বিকল্প নেই।
> অ্যারোসল বা যেকোনো স্প্রে থেকে দূরে থাকুন।
> বেশি শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

করোনারোধে যেসব খাবার নিয়মিত খাওয়া উচিত
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। সরকার দেশে এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করেছে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খাবারের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। এমনকি আতঙ্কিত না হয়ে প্রতিদিন খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন এসব খাবার-
১. পর্যাপ্ত পানি পান করবেন। পাশাপাশি গরম পানি, চা ও কফি পান করতে পারেন।
২. সবুজ শাক-সবজিতে আছে ভিটামিন এ, সি, ই, মিনারেল ও ফাইবার। এসব শাক-সবজি খাওয়া জরুরি।
৩. ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল; যা সর্দি, কাশি, জ্বর দূর করতে কার্যকরী। যেকোনো সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।
৪. রসুনে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট; যা ঠান্ডা লাগা ও ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে।
৫. নিয়মিত টক দই খেলে উপকৃত হবেন।
৬. অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মধুর উপকারিতা অনেক। প্রতিদিন এক চা চামচ মধু খেতে পারেন।
৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে এমন পুষ্টিকর বা ভেষজ খাবার খান নিয়মিত। খাবারের পাশাপাশি সতর্ক থাকুন, তবেই সুস্থ থাকবেন। কেননা সচেতনতাই পারে করোনা মহামারী থেকে আমাদের রক্ষা করতে।

হেডফোনে লুকিয়ে থাকা জীবাণু পরিষ্কারের উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক: প্রত্যেকেই কমবেশি ইয়ারফোন বা হেডফোন ব্যবহার করে থাকেন। ঘরের বাইরে গেলে কিংবা বাসে-ট্রেনে ভ্রমণের সময় ইয়ারফোন ছাড়া কি চলে! ঘরেও তো নিয়মিত সবাই গান শোনা, সিনেমা-নাটক দেখা কিংবা কথা বলার জন্যও ইয়ারফোন ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে। তবে কখনো কি প্রিয় ও প্রয়োজনীয় ইয়ারফোনটির সুরক্ষার কথা ভেবেছেন? জীবাণুতে ঠাসা থাকে ইয়ারফোন বা হেডফোন। খালি চোখে পরিষ্কার দেখালেও কোটি কোটি জীবাণুর বাস প্রয়োজনীয় এ জিনিসে। সম্প্রতি, আমেরিকার হুইটার হাসপাতালের একদল চিকিৎসক এ বিষয়ে পরীক্ষা চালান। দেখা গেছে, বাথরুম বা রান্নাঘরের বেসিনের তুলনায় প্রায় ৬ গুণ বেশি জীবাণু থাকে ইয়ারফোন এবং হেডফোনে। আর সবজি কাটার জন্য ব্যবহৃত চপিংবোর্ডের চেয়ে প্রায় ২ হাজার ৭০৮ গুণ বেশি জীবাণু থাকে এতে। এবার নিশ্চয়ই মনে প্রশ্ন জেগেছে, তাহলে কীভঅবে জীবাণুগুলো ইয়ারফোনে জমা হয়? অ্যাপল কোম্পানির এক সমীক্ষায় তারা দেখিয়েছে, তেল, সাবান, শ্যাম্পু, সুগন্ধি থেকে শুরু করে খাবারের গুঁড়ো পর্যন্ত লেগে থাকে ইয়ারফোনে। দীর্ঘদিন এভাবে থাকলে একসময় এগুলোর পচন ধরে জীবাণুর বাসায় পরিণত হয়।
যেভাবে জীবাণুর বাসা ধ্বংস করবেন
এজন্যই নিয়মিত ইয়ারফোন ও হেডফোন পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। তা না হলে কান সংক্রমিত হতে পারে। কান পেকে যাওয়া, জ্বালা-যন্ত্রণা করা, কানের মধ্যে ঘা হওয়া, কানে না শোনা ইত্যাদি হতে পারে। ইয়ারফোন পরিষ্কারের জন্য এতে থাকা স্পঞ্জের আবরণ পানিতে ধুয়ে ভালো করে শুকিয়ে নিলেই হবে। বাকিটা হ্যান্ডস্যানিটাইজারে ভেজানো কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করলেই হবে। তবে ভেজা অবস্থায় ইয়ারফোন এবং হেডফোন ব্যবহার করা উচিত নয়। পুরো শুকিয়ে গেলে, তবেই ব্যবহার করবেন।

যে ডায়েটে ওজন কমবে আবার রোগও সারবে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ওজন কমানোর ক্ষেত্রে একেকজন ভিন্ন ভিন্ন ডায়েট চার্ট মেনে চলেন। এভাবেই অনেকে ভুল ডায়েট মেনে ওজন কমানোর বদলে আরও বাড়িয়ে ফেলেন। একসময় এর প্রভাব পড়ে শরীরে। দীর্ঘসময় ধরে শরীর বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান না পেয়ে নানা রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে। এজন্য ডায়েট করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। বর্তমানে আমরা বিভিন্ন ধরনের ডায়েটের নাম শুনেছি যেমন- অ্যাটকিনস ডায়েট, ভেগান ডায়েট, কেটজেনিক ডায়েট, রও ফুড ডায়েট, ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং ডায়েট, রেইনবো ডায়েট ইত্যাদি। সবগুলো ডায়েটের বিশেষ কিছু উপকারী দিক আছে। বর্তমানে ড্যাশ ডায়েটেও অনেক উপকার মিলছে বলে মতামত বিশেষজ্ঞদের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কার্যকরী ডায়েট হলো ড্যাশ। এ ডায়েটের মাধ্যমে ওজনও কমবে সঙ্গে সারবে দীর্ঘমেয়াদী নানা রোগ। মার্কিন চিকিৎসকরা বলছেন, হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখার ক্ষেত্রে বর্তমানে শীর্ষে রয়েছে ড্যাশ ডায়েট। এ ছাড়াও রক্তচাপ হ্রাস, ওজন কমানোসহ ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমানো যায় এ ডায়েটের মাধ্যমে। কারণ ড্যাশ ডায়েট চলাকালীন কম চর্বি, চিনি ও লবণযুক্ত খাবারের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। উঅঝঐ হচ্ছে ‘ডায়েটারি অ্যাপ্রোচেস টু স্টপ হাইপারটেনশন’। অর্থাৎ উচ্চ রক্তচাপ বন্ধের খাদ্যতালিকা। আমেরিকান ন্যাশনাল হার্ট, ফুসফুস এবং রক্ত ইনস্টিটিউটের মতে, এনআইএইচ সমর্থিত ড্যাশ ডায়েট উচ্চ রক্তচাপ কমানোর পাশাপাশি হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যও উন্নত রাখে।
হার্ভার্ড টিএইচ চ্যান স্কুল অব মেডিসিনের মতে, ১৯৯৬ সালে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের একটি সভায় ড্যাশ ডায়েটকে পরিচিত করা হয়। পরে ১৯৯৭ সালে নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে ড্যাশ ডায়েট সম্পর্কিত গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়।
যেভাবে কাজ করে ড্যাশ ডায়েট
রক্তচাপ কমানোর ক্ষেত্রে খাবার কীভাবে কাজ করে? এ বিষয় পরীক্ষা করার জন্য গবেষকরা ৪৫৬ জনের উপর সমীক্ষা চালায়। এক্ষেত্রে তারা ৩টি ডায়েট তাদের ওপর বাস্তবায়ন করেন। একটি হলো, স্ট্যান্ডার্ড আমেরিকান ডায়েট। অন্যটি ফল এবং উদ্ভিজ্জ ডায়েট এবং শেষটি ফল-মূল, শাক-সবজি, বাদাম এবং কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধযুক্ত খাবারে কম পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এমন খাদ্য।
সর্বশেষ দু’টি ডায়েট নিম্ন রক্তচাপের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা যায়। এসব খাবারে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফাইবার এবং প্রোটিন বেশি মাত্রায় উপস্থিত ছিল। তিনটি ডায়েটই প্রায় ৩ হাজার মিলিগ্রাম সোডিয়াম সরবরাহ করে।
ওজনের কোনো পরিবর্তন না করেই এ দুটি ডায়েট উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাস করে। এ কারণে যারা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন; তাদের জন্য আদর্শ এক ডায়েট হলো ড্যাশ। পাশাপাশি ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এ ডায়েট।
ড্যাশ ডায়েটের খাদ্যতালিকায় যা যা আছে-
>> শাক-সবজি, ফল-মূল এবং শস্যজাতীয় খাবার খাবেন। বিশেষ করে পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফাইবার এবং প্রোটিনসমৃদ্ধ এমন খাবার বেশি খেতে হবে।
>> ফ্যাটবিহীন বা স্বল্প ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাত পণ্য, মাছ, হাঁস, মটরশুটি, বাদাম এবং উদ্ভিজ্জ তেল অন্তর্ভুক্ত করুন।

ডায়াবেটিস রোগীর ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখবে যে জুস
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে সঠিক খাদ্যাভাস ও শরীরচর্চার বিকল্প নেই। তবে সঠিক খাদ্য কোনগুলো; তা অনেকেরই অজানা। খুবই সাধারণ কিছু শাক-সবজি ডায়াবেটিস রোগীর জন্য হতে পারে আদর্শ খাবার। যা প্রায়শই তারা এড়িয়ে যান! ডায়াবেটিসের বিভিন্ন ধরন আছে যেমন- টাইপ ১, টাইপ ২ এবং গর্ভকালীন ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিস রোগীর জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে অ্যালকোহল, ক্যাফেইন, ধূমপানের মতো ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো এড়ানো উচিত।
ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে আনতে সবুজ শাক-সবজি খাওয়ার বিকল্প নেই। পাশাপাশি প্রাণীজ প্রোটিন, প্রক্রিয়াজাত খাবার, প্যাকটে পানীয় এমনকি মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রেও বাঁধা-নিষেধ আছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা যদি প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণে গ্রিন জুস পান করেন; তবে ব্লাড সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করে। ভালো ফলাফলের জন্য সকালে খালি পেটে গ্রিন জুস খেতে হবে। জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন-
শসা, গ্রিন আপেল, লেবু, বাঁধাকপি, গাজর, পালং শাক, বিটরুট, টমেটো, রসুন, ধনেপাতা, লেটুসপাতা, আদা ও লাউ কুচি করে কেটে ব্লেন্ডারে জুস তৈরি করে পান করতে হবে প্রতিদিন এক গ্লাস। স্বাদের জন্য সামান্য হিমালয়ান পিংক সল্ট মেশাতে পারেন।
গ্রিন জুসের উপকারিতা
>> এ জুস ভিটামিন এ, কে, সি এবং আয়রনের দুর্দান্ত উৎস।
>> এটি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং সব ধরনের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে।
>> গ্রিন জুস পান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে, সেইসঙ্গে এনার্জি বুস্ট হবে।
>> অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ এ জুস পান করলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি মিলবে।
>> গ্রিন জুস পান করলে শরীরের ক্ষতিকর পদার্থ অর্থাৎ টক্সিন বের হবে। এতে রক্ত পরিষ্কার হবে।
>> এটি বিপাকক্রিয়া উন্নত করে। এ কারণে ডায়াবেটিস দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।
>> গ্রিন জুস তৈরিতে যেসব উপাদান ব্যবহার করা হয়; সেগুলোতে থাকা পুষ্টিগুণ শরীরের জন্য খুবই উপকারী। নিয়মিত এটি পান করলে তফাৎ খুব জলদি টের পাবেন।


   Page 1 of 120
     লাইফস্টাইল
প্রতিদিন একটি করে কলা খেলে শরীরে যা ঘটে
.............................................................................................
শরীরের ব্যথা কমানোর ৩ উপায়
.............................................................................................
নিয়মিত হাঁটলে যেসব রোগ থেকে মুক্তি মিলবে
.............................................................................................
চোখের জ্বালাপোড়া ও ব্যথা কমানোর ৫ উপায়
.............................................................................................
জ্বরঠোসার ব্যথা ও ঘা দ্রুত সারাবেন যেভাবে
.............................................................................................
রক্তদানের পর শরীরের যেসব উপকার হয়
.............................................................................................
ব্ল্যাক ও হোয়াইটের চেয়েও মারাত্মক ইয়োলো ফাঙ্গাস! জেনে নিন লক্ষণ
.............................................................................................
ব্ল্যাক ও হোয়াইট ফাঙ্গাসের লক্ষণ কী? কারা আছেন ঝুঁকিতে?
.............................................................................................
রোজা রাখলে শরীরের যেসব উপকার হয়
.............................................................................................
রোজায় পানির তৃষ্ণা কমানোর উপায়
.............................................................................................
করোনা থেকে সুস্থ হতে ঘরেই যা করবেন
.............................................................................................
এ সময় শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত যা করবেন
.............................................................................................
করোনারোধে যেসব খাবার নিয়মিত খাওয়া উচিত
.............................................................................................
হেডফোনে লুকিয়ে থাকা জীবাণু পরিষ্কারের উপায়
.............................................................................................
যে ডায়েটে ওজন কমবে আবার রোগও সারবে
.............................................................................................
ডায়াবেটিস রোগীর ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখবে যে জুস
.............................................................................................
রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে যা করবেন
.............................................................................................
ফুসফুসের ময়লা পরিষ্কার হবে ভেষজ ৬ খাবারে
.............................................................................................
লিভার পরিষ্কার রাখতে আমলকি খান ৫ উপায়ে
.............................................................................................
ওজন কমিয়ে শরীর ফিট রাখার উপায়
.............................................................................................
ঘরোয়া ফেসওয়াশ যেভাবে বানাবেন
.............................................................................................
ওজন কমাবে যে ৫ সহজ অভ্যাস
.............................................................................................
ফল না রস, কোনটি বেশি উপকারী?
.............................................................................................
করোনা প্রতিরোধ করবে যেসব খাবার
.............................................................................................
প্রতিদিন একটি পেয়ারা খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা
.............................................................................................
মহাঔষধি থানকুনি পাতা
.............................................................................................
উজ্জ্বল ত্বকের জন্য কফি
.............................................................................................
চায়ের রাজা গ্রিন টি
.............................................................................................
চুলে রং করুন ঘরে বসেই
.............................................................................................
কোয়ারেন্টাইনে যে কাজটি শিখতে পারেন পুরুষেরা
.............................................................................................
একা একা খেলে ওজন কমে, বলছে গবেষণা
.............................................................................................
৩১ জানুয়ারি : আজকের দিনটি কেমন যাবে?
.............................................................................................
প্রতিদিন দু’টি কলা খাবেন যে কারণে
.............................................................................................
ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খাবেন যে কারণে
.............................................................................................
দিনের শুরুতে যে ৭ কাজ আপনাকে ভালো রাখবে
.............................................................................................
৯১ বছর বয়সে এসে যাজক বললেন তিনি আসলে সমকামী
.............................................................................................
নাসাার্রিগুলোতে উৎপাদন হচ্ছে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস
.............................................................................................
নতুন বছরে কিছু সংকল্প করেছেন? কীভাবে রাখবেন তার পাঁচটি উপায়
.............................................................................................
যৌনকর্মীদের জন্য শ্রমশিবির বন্ধ করে দিচ্ছে চীন
.............................................................................................
`শক্ত মেয়েদেরও আমি টেবিলে বসে কাঁদতে দেখেছি’
.............................................................................................
ভালোবেসে বিয়ে, অতঃপর পরকীয়া-নির্যাতন সত্ত্বেও কেন মানিয়ে চলা
.............................................................................................
ট্রাকের ওপরেই বেডরুম, বাথরুমসহ দোতলা বাড়ি
.............................................................................................
কোন বিষয়ে মানুষের মাঝে আসক্তি তৈরি হয় ?
.............................................................................................
সম্পর্ক ভাঙ্গার পরেও সাবেক ছেলে বন্ধুর সঙ্গে এক বাসায় থাকতে হয়
.............................................................................................
নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ড
.............................................................................................
ব্রিটিশ রানীর পাঁচটি সজ্জাশিল্পী রাজকীয় রহস্য
.............................................................................................
২৬ অক্টোবর ২০১৯ পর্যন্ত ১২ রাশির পূর্বাভাস
.............................................................................................
দাঁতের যে ক্ষতি করে ফাস্ট ফুড ও সিগারেট
.............................................................................................
মাথায় উকুন শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
.............................................................................................
ধনে পাতার পুষ্টিগুণ
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop