ঢাকা,শনিবার,৯ মাঘ ১৪২৭,২৩,জানুয়ারী,২০২১ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : > ১১ হাজার মেট্রিক টন খাদ্রশস্য মজুদ রয়েছে সংসদে জানালেন খাদ্যমন্ত্রী   > কুড়িগ্রামে কম্বল বিতরণ   > থামছেই না টাঙ্গুয়ায় পাখি শিকার   > মুজিববর্ষে ঘর পাচ্ছে নওগাঁর ১১০ পরিবার   > লক্ষ্মীপুরে উৎপাদিত ৬০ পণ্য বিশ্ববাজারে   > ‘নির্ধারিত সময়েই হবে অলিম্পিক’   > অপেক্ষায় ঐশী   > জাতীয় সংসদে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবি   > ৪২ হাজার রোহিঙ্গা শনাক্ত মিয়ানমারের এপ্রিলে প্রত্যাবাসনের আশা   > রাজউকে প্রভাবশালি শফিউল্লাহ বাবু নকল, জাল-জালিয়াতির প্রধান কারিগর  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ঘরোয়া ফেসওয়াশ যেভাবে বানাবেন

লাইফ-স্টাইল ডেস্ক : শীতের রুক্ষতায় ত্বক কোমলতা হারিয়ে শুষ্ক হয় ও উজ্জ্বলতা হারিয়ে মলিন হয়ে যায়। ঠিক গাছের শুকনো পাতার মতো। এ সময় ত্বকের যত্নে ফেসওয়াশ খুব গুরুত্বপূর্ণ। সারাদিনে ত্বকের ওপর যে ধুলা-ময়লা জমে, তা দূর করার দায়িত্ব ফেসওয়াশের। ত্বক পরিষ্কার রাখতে ও উজ্জ্বলতা বাড়াতে ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন পছন্দের ফেসওয়াশ।
আসুন জেনে নিই কীভাবে তৈরি করবেন ফেসওয়াশ-
একটি বাটিতে আধা কাপ ওটস, আধা কাপ বেসন, ২চা চামচ বাদাম তেল, ১০ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার তেল ও ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়া নিন। এবার সব উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে কাচের জারে সংরক্ষণ করুন।
এক চা চামচ মিশ্রণ নিয়ে সামান্য পানি দিয়ে পেস্ট করে মুখে মাখুন। এরপর এক মিনিট ধরে ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
শীতে ত্বকের যত্নের শুরুতে একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। বাজার থেকে বাদাম তেল বা এভাকাডো সমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার কিনুন।

ঘরোয়া ফেসওয়াশ যেভাবে বানাবেন
                                  

লাইফ-স্টাইল ডেস্ক : শীতের রুক্ষতায় ত্বক কোমলতা হারিয়ে শুষ্ক হয় ও উজ্জ্বলতা হারিয়ে মলিন হয়ে যায়। ঠিক গাছের শুকনো পাতার মতো। এ সময় ত্বকের যত্নে ফেসওয়াশ খুব গুরুত্বপূর্ণ। সারাদিনে ত্বকের ওপর যে ধুলা-ময়লা জমে, তা দূর করার দায়িত্ব ফেসওয়াশের। ত্বক পরিষ্কার রাখতে ও উজ্জ্বলতা বাড়াতে ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন পছন্দের ফেসওয়াশ।
আসুন জেনে নিই কীভাবে তৈরি করবেন ফেসওয়াশ-
একটি বাটিতে আধা কাপ ওটস, আধা কাপ বেসন, ২চা চামচ বাদাম তেল, ১০ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার তেল ও ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়া নিন। এবার সব উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে কাচের জারে সংরক্ষণ করুন।
এক চা চামচ মিশ্রণ নিয়ে সামান্য পানি দিয়ে পেস্ট করে মুখে মাখুন। এরপর এক মিনিট ধরে ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
শীতে ত্বকের যত্নের শুরুতে একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। বাজার থেকে বাদাম তেল বা এভাকাডো সমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার কিনুন।

ওজন কমাবে যে ৫ সহজ অভ্যাস
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ওজন হ্রাস শুধুমাত্র ডায়েটিং কিংবা শরীরচর্চার ওপরই নির্ভর করে না। ওজন কমানোর লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য কিছুটা ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। তারমধ্যে অন্যতম একটি হলো জীবনযাত্রার অভ্যাসে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। বেশিরভাগ ছোট ছোট বিষয় যা আমরা প্রায়ই প্রতিদিন উপেক্ষা করি, সেগুলো ওজন কমানোর ব্যাপারে অনেক প্রভাব ফেলে। তাই হজমের ক্ষমতা বাড়াতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিনের ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কে আরও সচেতন হওয়া দরকার। টাইমস অব ইন্ডিয়া প্রকাশ করেছে এমন পাঁচটি অভ্যাসের কথা, যা আপনাকে ওজন কমাতে সাহায্য করবে।
বেশি করে পানি পান করুন
ডিহাইড্রেশন না-কি ক্ষুধার্ত সেই পার্থক্য বোঝাটা কঠিন।পর্যাপ্ত পানি পান না করলে আপনি ক্ষুধার্ত, বিরক্ত ও অলস বোধ করেন এমনকি মাথা ব্যথাও করতে পারে। তাই স্ন্যাকসের প্যাকেট খোলার আগে একগ্লাস পানি পান করে দেখুন যে আপনি সত্যিই ক্ষুধার্ত নাকি ডিহাইড্রেটেড। চাইলে বিভিন্ন শরবতও পান করতে পারেন পানির বদলে।
দুপুরের খাবার
দুপুরের খাবার সময় সম্পূর্ণ মনোযোগ আপনার খাবারের দিকে দেয়া উচিত। সোশ্যাল মিডিয়া কোনো স্ক্রোলিং করা যাবে না, ইমেলের জবাব দেয়া বা টুইটার ফিড পরীক্ষা করা যাবে না। আপনার খাওয়ার জন্য বিকেলে যে ১৫ মিনিট সময় নেবেন তা কোনো বিঘ্ন ছাড়াই ব্যয় করা উচিত। অত্যধিক খাবার খাওয়ার অভ্যাস দূর করার এবং তৃপ্তি সহকারে খাওয়ার এটিই একমাত্র উপায়। দু’টি অভ্যাস যা সাধারণত ওজন বৃদ্ধির সাথে জড়িত। আপনি যখন ওজন কমানোর চেষ্টা করবেন তখন খাবার একা খাওয়াই ভালো।
সময় মতো খাওয়া
আপনি যখন কাজের চাপে আটকে যান তখন ক্ষুধার দিকে নজর থাকে না। বেশিরভাগেরই জানা নেই যে, এটি কিছুক্ষণ পরে ক্ষুধা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে এবং আপনি অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করতে পারেন। এটি রোধ করতে সময় মতো পরিকল্পনা করে খাবার খেতে হবে তিনটি প্রধান মিলের মাঝে ছোট ছোট বিরতি নিয়ে কিছু হালকা খেতে পারেন।
অত্যাধিক খাবার এড়িয়ে চলুন
হালকা খাবার খাওয়ার সময় খেয়াল করুন যে, আপনি অত্যধিক মাত্রায় খেয়ে ফেলছেন না তো? বন্ধুর প্লেট থেকে একমুঠো স্ন্যাকস বা একটি স্যান্ডউইচ কিংবা এক কামড় বার্গার আপনার কাছে খুব বড় সমস্যা মনে না হতে পারে, তবে এটি আপনার ওজন কমানোর পরিকল্পনার পক্ষে মোটেও ভালো নয়। এটি দিনশেষে আপনার ক্যালরির পরিমাণ বাড়িয়ে তুলবে, যার ফলে আপনার ওজন কমানোর পরিকল্পনাকে বাধাগ্রস্থ হবে।
হাঁটাহাঁটি করুন
আপনি খাওয়ার পরে কেবল বসে থাকার পরিবর্তে, ১৫ মিনিট একটু হাঁটাহাঁটি করুন। দুপুরের খাবার পরে হাঁটা আপনার ওজন হ্রাস করার জন্য কেবল উপকারীই নয় বরং এটি মিড-ডে ফ্ল্যামও প্রতিরোধ করবে। যত বেশি হাঁটবেন, তত বেশি ক্যালোরি খরচ হবে, মেজাজ উৎফুল্ল থাকবে এবং কাজে আরও মনোযোগী হবেন।

ফল না রস, কোনটি বেশি উপকারী?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আস্ত ফল খাওয়া বেশি ভালো না-কি ফলের রস? এ নিয়ে রয়েছে নানা মত। শরীরচর্চা বা পরিশ্রমের কোনো কাজ করার সময় দ্রুত শক্তি পেতে ফলের রস খাওয়া যেতে পারে। তবে চিকিৎসকরা বলছেন পরিপূর্ণ পুষ্টি পেতে ফলের রস নয়, আস্ত ফলই খান। যেসব ফল খোসাসহ খাওয়া যায়, সেগুলোর খোসা ফেলবেন না। ফলের রস খেলে কিছু পুষ্টিগুণ বাদ পড়ে যায়। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস প্রকাশ করেছে সেই তালিকা-

ফলের রসে যা নেই
যেসব ফল খোসাসহ খাওয়া যায়, সেগুলোর পুষ্টিগুণ তুলনামূলক বেশি থাকে। খোসা ছাড়িয়ে ফল খেলে এমনিতেই পুষ্টিগুণ অনেকটা কমে যায়।

ফলের খোসা
আপেল, শশা, আঙুর, পেয়ারা, স্ট্রবেরি জাতীয় ফলগুলো খোসাসহই খাওয়া যায়। ফলের খোসা সরাসরি সূর্যের আলো পায়। বিভিন্ন রঙের পিগমেন্ট বিভিন্ন ওয়েভলেংথের সূর্যরশ্মি শোষণ করে। এসব পিগমেন্টের মধ্যে রয়েছে ক্যারোটিনয়েডস, ফ্লাভোনয়েডস যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। আঙুরের খোসা ক্যান্সার রুখতেও সাহায্য করে। ফলের রস করার সময় খোসা ফেলে দেয়া হয়। আস্ত ফল না খেয়ে রস খেলে আমাদের শরীর খোসার পুষ্টিগুণ থেকে বঞ্চিত হয়।

ফলের শাঁস
ফলের শাঁসে থাকে প্রয়োজনীয় ফাইবার। কমলার শাঁসে রয়েছে প্রচুর ফ্লাভোনয়েডস। সেইসঙ্গে রয়েছে ভিটামিন সি। এদুটোই শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কমলার রস করার সময় ফ্লাভোনয়েডস বেরিয়ে যায়। তাই ফলের রস খেলে শাঁসের পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হতে হয়।

ফাইবার
রস বের করে নিলে ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়। যেমন আপেলের মধ্যে ৩.৭৫ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার থাকে। আট আউন্স আপেলের রস তৈরি করতে লাগে তিন-চারটি আপেল। সেই হিসেবে আপেলের রসে ১২ থেকে ১৫ গ্রাম ফাইবার থাকার কথা। অথচ আপেলের জুসে ফাইবার প্রায় থাকে না বললেই চলে।

ক্যালরি
ফলের রস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা অনেক বেড়ে যায়। ফল খেলে কিন্তু ততটা বাড়ে না।যে পরিমাণ আপেল খেলে শরীর ১২০ ক্যালরি এনার্জি পায়, সেই পরিমাণ আপেলে রয়েছে ২৪ গ্রাম চিনি। অন্যদিকে, যে পরিমাণ আপেলের জুস থেকে শরীর ১২০ ক্যালরি এনার্জি পায়, সে পরিমাণ জুসে চিনির পরিমাণ প্রায় ৩০ গ্রাম। অধিকাংশ ফ্রুট জুসেই ফলের রসের পরিমাণ কম থাকে। কৃত্রিম সুইটেনার যোগ করা থাকে।

করোনা প্রতিরোধ করবে যেসব খাবার
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। এ সময় ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও ট্রেস এলিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত। বিভিন্ন ভিটামিনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন ডি। ভাইরাস হলো প্রোটিন যুক্ত অণুজীব, যার কারণে মানুষ জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট এমনকি মারাত্মক নিউমোনিয়ায় (নতুনভাবে) আক্রান্ত হতে পারে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বেশি পরিমাণে অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা উচিত প্রতিদিন। এসব ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। এছাড়া করোনার মতো ভাইরাসও রোধ করা যাবে। খাদ্য ও পুষ্টি সচেতনতা করোনা ঝুঁকি কমাতে পারে। তবে আমরা অনেকেই জানি না যে কোনো খাবারে কোন ভিটামিন পাওয়া যায়। আসুন জেনে নিই কোন খাবারে কোন ভিটামিন পাবেন।

বিটা ক্যারোটিন

উজ্জ্বল রংয়ের ফল, সবজি যেমন গাজর, পালংশাক, আম ও ডালে রয়েছে এই ভিটামিন।

ভিটামিন এ

গাজর, পালংশাক, মিষ্টি আলু, মিষ্টিকুমড়া, জাম্বুরা, ডিম, কলিজা, দুধজাতীয় খাবার।

ভিটামিন ই

কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পেস্তাবাদাম, বাদাম তেল, বিচিজাতীয় ও ভেজিটেবল অয়েল, জলপাইয়ের আচার, সবুজ শাকসবজিতে রয়েছে এই ভিটামিন।

ভিটামিন সি

আমলকী, লেবু, কমলা, সবুজ মরিচ, করলায় পাবেন ভিটামিন সি।

অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট

গ্রিন টি, সজনে পাতার চা, লাল চা, এসব চায়ে এল-থেনিন এবং ইজিসিজি নামক অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকে। যা আমাদের শরীরে জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অনেক যৌগ তৈরি করে শরীরে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে। এ ছাড়া ভিটামিন বি-৬, জিংক–জাতীয় খাবার যেমন-বিচিজাতীয়, বাদাম, সামুদ্রিক খাবার ও দুধ শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির কোষ বৃদ্ধি করে। তাই এ ধরনের খাবার বেশি খেতে হবে। আরও রয়েছে উচ্চ মানের আমিষজাতীয় খাবার যেমন-ডিম, মুরগি, গরু ও খাসি মাংস। যা খেতে পারেন পরিমাণ মতো।

প্রতিদিন একটি পেয়ারা খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বাজারে প্রায় সারা বছরই মেলে পেয়ারার দেখা। ভিটামিন সমৃদ্ধ এই ফলটি খেতে ভালোবাসেন না, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। দেশি ফলগুলোর মধ্যে পেয়ারা অন্যতম জনপ্রিয় ফল। লবণ মরিচ আর সামান্য কাসুন্দি মাখিয়ে কাঁচা পেয়ারা খাওয়ার স্বাদ মুখে লেগে থাকার মতো। এটি যে শুধু সুস্বাদু তাই নয়, বরং পুষ্টিগুণেও অনন্য। পেয়ারা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ভীষণ ভালো।

যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য পেয়ারা খুব কার্যকরী। কারণ একটি প্রমাণ আকারের পেয়ারায় মাত্র ৬৪ ক্যালোরি থাকে, আর তা হজম করতে খরচ হয় তার চেয়ে বেশি। পেয়ারায় প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, তা ভালো রাখে ত্বক আর চোখের স্বাস্থ্য। সেই সঙ্গে তা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও খুব কার্যকর।

যাদের ডায়াবেটিস আছে, তারা বিকেলের দিকে ক্ষুধা পেলে পেয়ারা খাওয়ার কথা ভাবতে পারেন। পেয়ারার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম, আছে প্রচুর ফাইবার। এই দুটি উপাদানের মিলিত ফল ব্লাড সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

যাদের সোডিয়াম-পটাশিয়াম স্তরে কোনো সমস্যা আছে, তারাও পেয়ারা খান নিয়মিত। যাদের ব্লাড প্রেশার একটু বেড়েই থাকে, তারা অবশ্যই পেয়ারা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও কনস্টিপেশনের সমস্যা কমাতেও তা কার্যকর।

আমাদের মুখগহ্বরের স্বাস্থ্যরক্ষায় পেয়ারার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। নিয়মিত পেয়ারা চিবিয়ে খেলে দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য খুব ভালো থাকে। অনেকে বলে থাকেন, পেয়ারার পাতা চিবিয়ে খেলে দাঁতের ব্যথা কমে যায়।

পেয়ারার ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট স্ট্রেস কমাতে দারুণ কার্যকর। তাই অতি অবশ্যই তা নিয়ম করে খান।

মহাঔষধি থানকুনি পাতা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : হাজার রোগের প্রতিষেধক থানকুনি পাতা। এ পাতায় রয়েছে নানাবিধ উপকারিতা। থানকুনি পাতাকে বলা হয়ে থাকে মহাঔষধি পাতা। থানকুনি পাতার রস শরীরের জন্য প্রচুর উপকারী খনিজ ও ভিটামিন জাতীয় পদার্থ সরবরাহ করে। এছাড়া জ্বর, আমাশয়, চুলঝরা, ডায়াবেটিস সহ বিভিন্ন রোগে নানাবিধ উপকারিতা নিয়ে আসে এই থানকুনি পাতা। এই পাতায় কি কি উপকারিতা রয়েছে :-

থানকুনি পাতার রস নিয়মিত পান করলে: যাদের গ্যাস্ট্রিক আলসারের সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত এই পাতা সেবন করলে উপকারিতা মিলবে। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে। কোন ভাবেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। তারা চাইলে এই পাতা প্রতিদিন নিয়মিত সেবন করতে পারেন। এতে করে আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনা সহজ হবে।

চুল ঝরা রােধে : প্রতিদিন দুধের সঙ্গে পাঁচ-ছয় ফোটা থানকুনির রস মিশিয়ে খেলে উপকারিতা পাবেন। দেখবেন ধীরে ধীরে আপনার চুল পড়া কমে যাচ্ছে।

ঘন ঘন জ্বর বা আমাশয় থেকে রক্ষা পেতে থানকুনির রস কাজে দেয়।

ত্বকের সতেজতা বৃদ্ধিতে এই পাতা ব্যবহার করা যায়।

অনেক শিশুই আছে যাদের ছেলেবেলায় কথা জড়িয়ে যায়, সেসব শিশুর উদ্বিগ্ন মায়েদের দুশ্চিন্তা অবসানে রয়েছে থানকুনি পাতা। প্রতিদিন এক চামচ করে থানকুনি পাতার রস গরম করে শিশুকে খাওয়ালে ধীরে ধীরে কথার অস্পষ্টতা কেটে যাচ্ছে।

আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় অনেকেরই ঠান্ডা লেগে যায়। তাদের জন্যও সমাধান রয়েছে থানকুনি পাতার রসেই। আধা চা চামচ থানকুনির রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে নিয়মিত খেলে উপকার পাবেন।

এছাড়া মুখের ঘায়ের সমস্যায় থানকুনি পাতা খুবই উপকারিতা দেয়।

কোথায় মিলবে এই পাতা?

শহরাঞ্চলে থাকায় অনেকেই ভাবেন কোথায় পাবো এই পাতা। আপনার পাশের কাঁচা বাজারগুলোতে একটু খোঁজ করলেই মিলবে থানকুনি পাতা। আর ইচ্ছে করলেই বাড়ির ছাদে অথবা বারান্দার এক কোনায় টবের ভেতরই লাগাতে পারেন থানকুনি গাছ।

এছাড়া আশপাশের ঝোপঝাড়ে একটু খোজ করলেই পেয়ে যাবেন এই উপকারি ভেষজ।

যারা গ্রামাঞ্চলে থাকেন তাদের অনেকেই এ পাতার উপকারিতা না জানায় রাস্তার ধারে, পুকুর পাড়ে, খেতের আইলে দেখার পরেও অবহেলা করে থাকেন। অথচ আল্লাহ তায়ালা তার প্রাকৃতিক সৃষ্টির মধ্যেই রোগ মুক্তির উপাদান দিয়েছেন। থানকুনি পাতা ছোট বলেও রয়েছে নানাবিধ উপকারিতা।

উজ্জ্বল ত্বকের জন্য কফি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ক্লান্তি যেমন কাটায় তেমনি ত্বকের মলিনভাব দূর করতেও কফি ব্যবহার করা যায়। রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে ত্বক সুস্থ রাখতে কফির নানাবিধ ব্যবহার সম্পর্কে জানানো হল। ত্বক পরিষ্কার রাখতে এই প্যাক জরুরি। এটা ত্বককে ব্রেকআউট থেকে রক্ষা করে, দাগ হালকা করে ও ত্বক মসৃণ করে উজ্জ্বল দেখাতে সহায়তা করে।

উপকরণ: এক টেবিল-চামচ কফির গুঁড়া। এক চা-চামচ হলুদের গুঁড়া। এক টেবিল-চামচ দই।

পদ্ধতি: সকল উপাদান মিশিয়ে মিহি পেস্ট তৈরি করুন। সারা মুখে প্যাকটি মেখে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে আসলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

বয়সের ছাপ কমাতে কফি

ত্বক প্রাকৃতিকভাবে আর্দ্র রাখতে কফি কার্যকর। এটা বয়সের ছাপ, বলিরেখা, শুষ্কতা ও দাগছোপ কমাতে সহায়তা করে।

উপকরণ: এক টেবিল-চামচ কফি গুঁড়া। এক টেবিল-চামচ মধু।

পদ্ধতি: দুইটি উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে ব্যবহার করুন। আলতো করে গোলাকারভাবে ত্বক মালিশ করুন এবং ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর মৃদু ফোমিং ফেইস ওয়াশ ব্যবহার করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

উজ্জ্বল ত্বকের জন্য কফি

কফির গুঁড়া ত্বকের জন্য উপকারী। এটা ত্বক মসৃণ, টানটান, আর্দ্র ও উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে। এটা ত্বকের লোম, শরীরের সেলুলাইট এমনকি ত্বকের মৃত কোষ ও ব্ল্যাক হেডস দূর করতে সাহায্য করে।

উপকরণ: তিন টেবিল-চামচ বাদামি চিনি। তিন টেবিল-চামচ কফির গুঁড়া। তিন টেবিল-চামচ নারিকেল তেল।

পদ্ধতি: সব উপকরণ মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন এবং গোসলের সময় ব্যবহার করুন। শরীর ভেজা অবস্থায় এই প্যাক দিয়ে সারা শরীর স্ক্রাব করে নিন। স্ক্রাবার দিয়ে গোলাকারভাবে ত্বক মালিশ করুন। চাইলে গোসলের সময় সাবান ব্যবহারের আগে বা পরে যে কোনো সময়েই এই স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন।

চায়ের রাজা গ্রিন টি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গ্রিন টিকে বলা হয় চায়ের রাজা। পৃথিবীতে যত রকমের চা আছে তার মধ্যে গুণে মানে সেরা গ্রিন টি। সাধারণত, পাতা তোলার পর কীভাবে তা প্রক্রিয়াকরণ করা হচ্ছে তার উপরই চায়ের ধরন ও গুণাগুণ নির্ভর করে। যত কম প্রক্রিয়াকরণ হবে চায়ের গুণাগুন তত বেশি বজায় থাকবে। চা পাতা তোলার পর তা শুকানো হয়, তারপর তা রোলিং বা পেশা হয়। তারপর তা অক্সিডেশন ও ফার্মেন্টেশন (গ‌্যাঁজানো) করে পানযোগ্য‌ করে তোলা হয়। এই পদ্ধতির উপরই নির্ভর করে চায়ের চরিত্র বা ধরন।

গ্রিন টি

এই চা সবচেয়ে কম প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। গ্যাঁজানো হয় না এবং বেশি তাপে শুকানোরও প্রয়োজন পরে না। তাই সবুজ পাতা অনেকটা সবুজ থাকে। ফলে, এই চায়ে সবচেয়ে বেশি গুণ রয়েছে। দিনে ২ কাপ গ্রিন টি পান করাই যায়। এই চা শরীরের রক্ত চলাচল বাড়িয়ে শরীরকে সতেজ ও ঝরঝরে করে তোলে।
অ্যা‌ন্টি কার্সিনোজেনিক গ্রিন টিতে এপিক্যাটেচিন, এপিগ্যালোক্যাটেচিন-৩-গ্যালাট উপাদান শরীরে ক‌্যানসার প্রতিরোধ করে। ব্লাড সুগার- এই চা পান করলে ইনসুলিন রেজিটেন্স কমে আর ইনস‌ুলিন সেনসিটিভিটি বাড়িয়ে দেয়, ফলে অল্প ইনস‌ুলিনেই বেশি কাজ হয়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। ব্লাড কোলেস্টেরল- রক্তে এলডিএল কমিয়ে দেয় এবং এইচডিএল বা গুড কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে রক্তের কোলেস্টেরল লেভেল ঠিক থাকে।

ওরাল হাইজিন

‘ইউরোপিয়ান জার্নাল অব নিউট্রিশন’ অনুযায়ী মুখের দুর্গন্ধ, দাঁত বা মাড়ির যে কোনও রকম সমস্যা থাকলে গ্রিন টি একটু উষ্ণ অবস্থায় কুলকুচি করে খেলে ওষুধের মতো কাজ করে। কারণ এতে উপস্থিত ক্যাটেচিন এবং পলিফেনল প্রাকৃতিক ফ্লোরাইডের মতো কাজ করে। শরীরের অত্যধিক মেদ ঝরাতে ক্যাটেচিন সাহায্য করে।

চুলে রং করুন ঘরে বসেই
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চুল রাঙাতে সাধারণত সৌন্দর্যচর্চাকেন্দ্রেই যাওয়া হতো। তবে এই সময়ে জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে না যাওয়া নিরাপদ। আর বেশির ভাগ সৌন্দর্যচর্চাকেন্দ্রই বন্ধ। ঘরে বসে নিজেই রাঙিয়ে নিতে পারেন নিজের চুল। সতর্কতা অবলম্বন করলেই হবে।
ঘরে নিজে নিজে চুল রং করার বেলায় খুব বেশি পরীক্ষামূলক নকশা বা রং বেছে নেওয়া ঠিক হবে না। সাদা বা কালো চুল রঙিন করার সময় খেয়াল রাখতে হবে রং যেন চুলের স্বাভাবিক রঙের কাছাকাছিই হয়।

যাঁদের কোঁকড়া বা রুক্ষ চুল, তাঁদের জন্য উষ্ণ রং ভালো। সিল্কি বা সোজা চুলের জন্য ঠান্ডা ধাঁচের রং—এমন মতই দিলেন সৌন্দর্যচর্চাকেন্দ্র পারসোনার পরিচালক নুজহাত খান। এ ছাড়া অনেকেই হয়তো প্রথমবার নিজ হাতে চুলে রং করবেন, তাই তিনি দিয়েছেন আরও কিছু পরামর্শ।

উষ্ণ রঙের মধ্যে পড়ে লাল, কমলা, তামা, সোনালি রং। ঠান্ডা ধাঁচের রং হলো বেইজ, নীল, বাদামি, ছাই। চুলে রং করার আগে কিছু উপকরণ রাখতে হবে হাতের কাছে। দুই বাক্স চুলের রং, পরার পুরোনো কাপড়, দুই জোড়া দস্তানা (গ্লাভস), চিরুনি, কিছু কাগজ, ক্লিপ, কাচ বা প্লাস্টিকের বড় দুটি বাটি, ড্রাই ব্রাশ।

রং করার আগে

* প্যাকেটের ওপর রঙিন চুলের যে ছবি থাকে, আপনার চুলে ঠিক তেমন রং না-ও আসতে পারে। কারণ চুলের ধরনের ওপর নির্ভর করে কেমন রং হবে। তাই কোন চুলে এর ফলাফল কেমন আসবে, তার ছবিসহ তালিকাটি দেখে কেনা উচিত।

* রং কেনার সময় অবশ্যই দুই বাক্স কিনতে হবে।

* রং কেনার পর পেছনে দেওয়া নির্দেশিকা পড়ে বুঝে নিতে হবে।

* কিছুটা ময়লা চুলে রং বসে দ্রুত। তাই চুল রঙিন করার দুই দিন আগে শ্যাম্পু করতে হবে।

* চুলে রং করার সময় এক জোড়া দস্তানা পরে নিন। অন্য জোড়া চুল ধোয়ার সময়। তা না হলে হাতে রং লেগে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

* ভিন্নধর্মী রং ব্যবহারের আগে কানের পেছনের পাশের চুলে একটু লাগিয়ে দেখে নেওয়া উচিত।

* চুলে পছন্দমতো রং না এলে দু-তিনবার রং ব্যবহার করবেন না। এতে চুলের ক্ষতি হয়।

* পছন্দমতো রং পেতে প্যাকেটে দেওয়া সময় মেনে চুলে রং রাখতে হবে।

* যাঁরা চুলের সাদা গোড়া রং করতে চান, তাঁরা অবশ্যই চুলের মাঝামাঝি থেকে নারকেল তেল ব্যবহার করবেন। এতে চুল ধোয়ার সময় বাকি চুলে রং বসবে না।

* রং করার আগে প্রথমে চুলকে চার ভাগে ভাগ করে নিন। কপাল ও কানের দিকে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করুন এর পরের ধাপে।

* চুলের ওপরের দিক থেকে রং করে নিচের দিকে নামতে হবে।

* আগার চুলে শেষ তিন-চার মিনিট রং রাখা ভালো। রঙের সঙ্গে অবশ্যই একটু শ্যাম্পু মিশিয়ে নিতে হবে। যেহেতু চুলের গোড়ায় রং গাঢ় হয়, তাই এভাবে ব্যবহার করলে কিছুটা হালকা হবে।

* পুরো চুলে রং লাগানোর পর রঙের প্যাকেটে লেখা সময় পর্যন্ত রাখতে হবে, এরপর ধুতে হবে। তা না হলে শেষের দিকের চুলে ভালো রং আসবে না।

* রং করা শেষে চুল খোঁপা করা যাবে না।

* চুল ধোয়ার সময় শ্যাম্পু ব্যবহার না করে পরিষ্কার পানি দিয়ে ২০ থেকে ৩০ মিনিট ধুয়ে নিন। খেয়াল রাখুন রং যেন না থাকে।

* কন্ডিশনার অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। তা না হলে চুলের রং শুকানোর পর আরও গাঢ় হয়ে যাবে।

কোয়ারেন্টাইনে যে কাজটি শিখতে পারেন পুরুষেরা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক 

কোয়ারেন্টাইনের সময়টাকে সঠিক কাজে ব্যবহার করতে চাইছেন? তাহলে এমন একটি কাজ শিখে নিন যা কিনা জীবনযাপনের ক্ষেত্রে ভীষণ জরুরি। এমনকী সম্পর্ক সুন্দর রাখতেও এর জুড়ি নেই। কী সেই কাজ? কিছুদিন আগের এক জরিপে দেখা গেছে, যেসব ছেলে ভালো রান্না জানেন মেয়েরা তাদের প্রতি একটু বেশিই আকৃষ্ট হন। তাই হোম কোয়ারেন্টাইনে অফিসের কাজের ফাঁকে রান্না শিখে নিন। যারা বাড়িতে থাকতে হচ্ছে বলে ছটফট করছেন তারাও একটু বাড়ির কাজ শিখুন। এমন সুযোগ সবসময় পাওয়া যায় না।


রান্নাকে মোটেই মেয়েদের কাজ ভাবা চলবে না। বরং এগিয়ে আসুক ছেলেরাও। যেকোনো বড় রেস্তোরাঁর শেফ কিন্তু বেশিরভাগ ছেলেরাই হন। আবার এমনও অনেক ছেলে আছেন যারা পানিটুকুও ঢেলে খেতে পারেন না। হোস্টেল কিংবা মেসলাইফ এসে অনেক ছেলেই রন্ধন পটিয়সী হয়ে ওঠে। নিজের কাজ চালিয়ে নেয়ার মতো চিকেন, নুডলস, ওমলেট, ভাত এসব রান্না অনেকেই শিখে নেন।


বাইরের দেশে অধিকাংশ সময়েই ঘরের কাজ ভাগাভাগি করে নেন নারী-পুরুষ। কিন্তু আমাদের সমাজের বেশিরভাগ পুরুষই ঘরের কাজকে মেয়েদের কাজ মনে করেন। তবে দৃষ্টিভঙ্গি বদলাচ্ছে। সঙ্গীর মন পেতে চাইলে রান্না বা অন্যান্য ঘরের কাজে মন দিচ্ছেন পুরুষেরাও।


ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার সোশিওলজিস্ট স্কট কলট্রানে এবং মাইকেল অ্যাডামস সম্প্রতি এই গবেষণাটি করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে মেয়েরাও এখন ছেলেদের মতোই ফুলটাইম অফিস করেন। বাড়ি ফেরার পর তাদের সঙ্গী যদি ঘরের কাজে সাহায্য করেন, তাহলে সঙ্গীর প্রতি তাদের ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধাবোধ বাড়ে। নিজেদের মধ্যে ঝগড়া কম হয়। ছেলেরা যদি মেয়েদের নানা কাজে সাহায্য করে তাতে সম্পর্ক আরও বেশি জোরদার হয়।


এছাড়াও সেই প্রভাব সন্তানদের উপর পড়ে। বাড়ি থেকেই তো শেখার শুরু। ফলে বাচ্চারা যেমন সহজে সবার সঙ্গে মিশতে শেখে তেমনই খাবারও ভাগ করে খেতে শেখে। সবাইকে সম্মান করতে শেখে। সম্পর্কের মর্যাদা দেয়। যারা বিবাহিত এবং বিয়ের উপযুক্ত তারা আজ থেকে রান্নাঘরে ঢুকুন। কোয়ারেন্টাইনের সময়টাকে কাজে লাগিয়ে রান্নার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজটি শিখে নিন।

একা একা খেলে ওজন কমে, বলছে গবেষণা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বন্ধু ছাড়া আপনি চলতেই পারেন না? এমনকী এককাপ কফি খেতেও সঙ্গীর প্রয়োজন পড়ে?

হৈ-হুল্লোর আর জমজমাট আড্ডায় সমানে চলে মুখরোচক সব খাবার? এদিকে আপনার ওজনের কাটা দিনদিন উর্ধ্বমুখী!

এইযে সবার সঙ্গে খাওয়ার অভ্যাস, ওজন বৃদ্ধির সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে কি? আমেরিকার গবেষকরা কিন্তু এমনটাই জানাচ্ছেন।

সম্প্রতি ‘আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিকাল নিউট্রেশন’-এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে আমেরিকান

হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের গবেষকরা ওজন বাড়ার নেপথ্যে অন্যতম কারণ হিসেবে দলবেঁধে খাওয়াদাওয়া করাকেই দাবি করছেন।

বিভিন্ন সময়ে একাধিক দলের উপর পরীক্ষা চালিয়ে গবেষকদের দাবি,

অনেকের সঙ্গে বা চেনা মানুষজনের সঙ্গে রেস্তরাঁয় খেতে বসলে প্রায় ৬০-৬৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই ‘ডায়েট ল্যাপস’ বা ডায়েট ছাপিয়ে খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে।

কোনো পার্টি বা দাওয়াতে একা খেলে যেটুকু অনিয়ম হয়, অনেকের সঙ্গে মজা করে খেতে বসলে সেই অনিয়ম বেড়ে যায় অনেকটা!

আমেরিকান ফিজিওলজিস্ট জন দে কাস্ত্রোর মতে, একা খেলে ক্যালোরি গ্রহণের মাত্রা অনেকটা কমে।

ডায়েট চার্টকে মাথায় রেখে খাওয়াও যায়। কী রকম সেটা? কাস্ত্রোর ব্যাখ্যা: ধরা যাক, রেস্তরাঁয় একসঙ্গে খেতে গিয়েছেন।

পেট ভরে গিয়েছে আপনার। তবু দলের চাপে আর শুধুই ‘চোখের ক্ষুধা’-র বশবর্তী হয়ে শেষ পাতে আর একটু ডেজার্ট চেখে ফেললেন।

যে খাবার কখনো খাননি তাও খেয়ে ফেললেন। এছাড়া অনেকেই ভেবে থাকেন,

একসঙ্গে খেলে খাবারের পরিমাণ ভাগ হয়ে যাওয়ায় ভাগে কম খাবারই জোটে। আসলে উল্টোটা ঘটে।

অনেকে মিলে খেলে সবার খাবার একসঙ্গে ভাগ করে খাওয়ার সময় পরিমাণ অত হিসেব করা যায় না।

আর তাতেই বাড়তে থাকে ওজন। এই ব্যাখ্যায় সহমত প্রকাশ করেছে ‘নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন’-এ প্রকাশিত আর এক গবেষণাপত্রও।

সেখানে ইংরেজ গবেষকরা দাবি করেছেন, সঙ্গী কোনোভাবে মোটা হয়ে গেলে ও বেশি খাওয়ার অভ্যাস আয়ত্তে আনলে,

তার সঙ্গে খেতে বসলে অতিরিক্ত খাবার খেয়ে ফেলার প্রবণতা বেড়ে যায় প্রায় ১৭১ শতাংশ।

একসঙ্গে খেলে যে যে কারণগুলোয় বেশি খাওয়া হয়ে যায়, তার মধ্যে অন্যতম নানা রকম খাবারের স্বাদ নেয়া,

অনেকটা খাবার অর্ডার করে ফেলা বা নষ্ট হওয়ার ভয়ে খেয়ে ফেলা।

ফলে একা খেলে যে খাবারের মাপ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকে তা অবশ্যই ঠিক।

তাই ওজন কমাতে চাইলে একা খাওয়ার অভ্যাস করুন।

 

 

৩১ জানুয়ারি : আজকের দিনটি কেমন যাবে?
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : আজ ৩১ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার। আজকের তারিখে জন্মগ্রহণ করায় রাশিচক্রে আপনি কুম্ভ রাশির জাতক-জাতিকা।

চলুন জেনে নেওয়া যাক আপনার রাশিতে আজকের পূর্বাভাস:

মেষ (২১ মার্চ - ২০ এপ্রিল)

আজ মেষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ব্যয় বহুল হতে পারে। দূরের যাত্রার যোগ প্রবল।

প্রবাসীদের দিনটি ভালো যাবে। ট্রান্সপোর্ট ও ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় আশানুরুপ লাভের আশা করা যায়।

বিদেশ থেকে ভালো কোনো সংবাদ পেতে পারেন। সন্ধার পর আপনার প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে।

শুভ রং: সবুজ

শুভ সংখ্যা: ২

বৃষ (২১ এপ্রিল - ২১ মে)

বৃষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে।

বকেয়া বিল বেতন আদায় হওয়াতে আর্থিক অবস্থা বলবান হয়ে উঠবে।

আজ কোনো বন্ধুর সাহায্য পেতে পারেন। বাড়িতে বড় ভাই বোনের সাথে

কোনো সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হবার সম্ভাবনা। ব্যবসায়িক ব্যয় কিছুটা বাড়তে পারে।

পূর্বপরিকল্পণা ছাড়াই দূরে কোথাও যেতে পারেন।

শুভ রং: সাদা শুভ সংখ্যা: ৩

মিথুন (২২ মে ২১ জুন)

মিথুন রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়।

বেকারদের চাকরি সংক্রান্ত পরীক্ষায় ভালো ফল লাভের সম্ভাবনা।

কোন শিক্ষা সংক্রান্ত ক্ষেত্রে চাকরি হতে পারে। রাজনৈতিক কাজে সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে।

ব্যবসায়ীক কাজে সফল হবেন। পারিবারিক কোনো বিষয়ে পিতার সাহায্য পেতে পারেন।

দিনের শেষে কোনো বন্ধুর সাথে দেখা হতে পারে।

শুভ রং: কমলা শুভ সংখ্যা: ২

কর্কট (২২ জুন ২২ জুলাই)

আজ কর্কট রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। আপনার ভাগ্য আপনার সহায় হতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় আশানুরুপ সফল হতে পারেন।

জীবিকা বা ভাগ্য উন্নতির আশায় বিদেশ যাত্রার প্রচেষ্টায় সফল হবেন।

কোনো অতীন্দ্রিয় সাধকের সাহায্য পেতে পারেন।

শুভ রং: বাদামি শুভ সংখ্যা: ২

সিংহ (২৩ জুলাই - ২৩ আগস্ট)

সিংহ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ঝামেলাপূর্ণ।

আজ শেয়ার ব্যবসায়ী ও ফরেক্স ট্রেডিং এ লাভবান হতে পারেন।

চিকিৎসক ও মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের দিনটি লাভ দায়ক।

ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে ঝামেলা দেখা দেবে।পাওনাদারের তাগাদা বৃদ্ধি পাবে।

বিকালের পর কোনো বন্ধুর সাহায্য পেতে পারেন।

শুভ রং: আকাশি শুভ সংখ্যা: ৩

কন্যা (২৪ আগস্ট ২৩ সেপ্টেম্বর)

আজ কন্যার জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। ব্যবসা বাণিজ্যে ভালো আয়ের যোগ রয়েছে।

অংশিদারী কাজে অংশিদারের দ্বারা উপকৃত হবেন।

জীবন সাথী আপনাকে কিছু অর্থ দিয়ে সাহায্য করতে পারে।

সন্ধার পর রাস্তাঘাটে সাবধানে চলবেন। পরীক্ষার্থীরা হটাৎ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

ঝুঁকি নিয়ে কোনো কাজ করতে গেলে পুলিশি হয়রানির সম্মূখীন হতে হবে।

শুভ রং: সাদা শুভ সংখ্যা: ২

তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর ২৩ অক্টোবর)

তুলা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে না। শরীর স্বাস্থ্য কিছুটা খারাপ থাকতে পারে।

কর্মস্থলে পদস্ত কর্মকর্তার সাথে কোনো প্রকার ঝামেলা দেখা দেবে।

সহকর্মীদের সাহায্য ছাড়া এ ঝামেলা হতে পরিত্রাণ পাওয়া অসম্ভব।

ব্যবসায়ীদের দিনটি ঝামেলাপূর্ণ হবে। ক্রয় বিক্রয়ে পরিবহন সংক্রান্ত বাধা বিপত্তির সম্মূখীন হতে হবে।

কাজের লোকের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবার আশঙ্কা প্রবল।

শুভ রং: কমলা শুভ সংখ্যা: ৩

বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর ২২ নভেম্বর)

বৃশ্চিক রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়।

সন্তানের পরীক্ষা নিয়ে অবিভাবকরা কিছুটা চিন্তায় পড়তে পারেন।

রোমান্টিক যোগাযোগে সফল হবেন। প্রিয়জনকে নিয়ে দূরে কোথাও ভ্রমনে যেতে পারেন।

শিল্পী ও সাহিত্যিকদের সম্মান মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। নিঃসন্তান দম্পতিদের সন্তান লাভের সম্ভাবনা প্রবল।

শুভ রং: লাল শুভ সংখ্যা: ২

ধনু (২৩ নভেম্বর ২১ ডিসেম্বর)

ধনু রাশির জাতক জাতিকার কর্মস্থলে কোন প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে।

পারিবারিক নিত্যনৈমত্তিক কাজে ব্যবহার যোগ্য কিছু সামগ্রি ক্রয় করতে পারেন।

যানবাহন লাভের যোগ প্রবল। ভূমি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে ভালো সংবাদ আসতে পারে।

ব্যবসায়ীক কাজে দূরে কোথাও যেতে পারেন। মায়ের কাছ থেকে কিছু অর্থ লাভের সম্ভাবনা।

শুভ রং: মেরুন শুভ সংখ্যা: ৫

মকর (২২ ডিসেম্বর ২০ জানুয়ারি)

মকর রাশির দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। বিদেশ থেকে ভালো কোনো সংবাদ আসতে পারে।

ছোট ভাই বোনের সাথে কিছু তর্ক বিতর্ক হবার আশঙ্কা।

আজ উবার ও পাঠাওয়ের চালকদের ভালো আয় হবে।

সাংবাদিকদের দিনটি ঝামেলাপূর্ণ। কর্মস্তলে কোন ঝামেলাপূর্ণ সংবাদ পেতে পারেন।

গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের দিনটি ভালো যাবে না। মানি এক্সেঞ্জ ব্যবসায়ীরা সতর্ক থাকবেন।

শুভ রং: সবুজ শুভ সংখ্যা: ৫

কুম্ভ (২১ জানুয়ারি ১৮ ফেব্রুয়ারি)

কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকার বকেয়া বিল আদায়ের যোগ প্রবল।

সঞ্চয়ের প্রষ্টোয় সামান্ন অগ্রগতি হতে পারে।

খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায় লাভের আশা করা যায়।

ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ থেকে কিছু আয় হতে পারে।

রাতে আত্মীয়র বাসায় আপ্যায়ণে অংশ নিতে পারেন।

খাদ্য ও পোশাক ব্যবসায়ীরা আজ ভালো লাভ করতে পারবেন।

শুভ রং: সাদা শুভ সংখ্যা: ১

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০ মার্চ)

মীন রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভাশুভ মিশ্রিত।

অসুস্থদের আরোগ্য লাভের যোগ। কর্মস্থলে আপনার প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে।

চাকরীজীবীরা ভালো কোনো সংবাদ পেতে পারেন। কর্মস্থলে নতুন দায়িত্ব লাভের যোগ রয়েছে।

দাম্পত্য সুখ শান্তি বৃদ্ধি পাবে। অংশীদারী বাণিজ্যে আশানুরুপ লাভের আশা রয়েছে।

প্রভাব ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। সন্ধার পর সময় কিছুটা প্রতিকূল হয়ে উঠবে। কলহের আশঙ্কা প্রবল।

শুভ রং: কমলা শুভ সংখ্যা: ৩

 

প্রতিদিন দু’টি কলা খাবেন যে কারণে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক :  সস্তা এবং সুস্বাদু ফল। পুষ্টিগুণ যেকোনো ফলের তুলনায় কোনো অংশেই কম নয়।

আবার দ্রুত শক্তি জোগাতেও এর বিকল্প নেই বললেই চলে। বলছি কলার কথা।

অতি পরিচিত এই ফলটিতে আছে প্রচুর পটাশিয়াম, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, প্রোটিন এবং আরও নানাবিধ উপকারি উপাদান।

এটি আমাদের শরীরের নানা উপকার করে।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানান, গত কয়েক বছরে সারা বিশ্বেই নারীদের মধ্যে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বেড়েছে কয়েকগুণ।

ঠিক এ কারণেই তো মেয়েদের প্রতিদিন দুটি করে কলা খাওয়া প্রয়োজন।

কারণ নিয়মিত এ ফলটি খাওয়া শুরু করলে শরীরে ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে,

যার প্রভাবে হার্টের স্বাস্থ্যের এতটাই উন্নতি ঘটে যে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা কমে।

সেই সঙ্গে নানাবিধ করোনারি হার্ট ডিজিজও দূরে থাকে।

প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক নারীরই মাসের নির্দিষ্ট কয়েকটি দিন শারীরিক ও মানসিক নানা অসুবিধার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

তবে পিরিয়ডের সময়কার মুড সুইং এবং শারীরিক  

কষ্ট থেকে যদি দূরে থাকতে হয়, তাহলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কলা যোগ করুন।

কারণ এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি৬, যা পিরিয়ডের সময় শরীর এবং মনকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

মাত্রাতিরিক্ত স্ট্রেস এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার কারণে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তের সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তাই নিজেকে সুস্থ রাখতে হলে কলা খেতে হবে নিয়মিত। কারণ এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম,

যা শরীরে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে সোডিয়ামের মাত্রা কমতে শুরু করে।

ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

কলায় উপস্থিত পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তে মিশে যাওয়া মাত্র মস্তিষ্ক এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের প্রবাহকে বাড়িয়ে তোলে।

সেই সঙ্গে নার্ভসেলের মধ্যে যাতে ইলেকট্রিকাল অ্যাকটিভিটি ঠিক মতো হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে।

ফলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না। আর মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়লে মনোযোগ ক্ষমতার উন্নতি তো ঘটেই,

সেইসঙ্গে বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তির ক্ষমতা বাড়তেও সময় লাগে না।

হজম ক্ষমতা যাতে দুর্বল হয়ে না যায়, তা সুনিশ্চিত করতে নিয়মিত কলা খাওয়া জরুরি।

আসলে এই ফলটিতে উপস্থিত ফাইবার, হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটাতে যেমন বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে,

তেমনি বদহজম এবং গ্যাস্ট্রিকের প্রকোপ কমাতেও দারুণ কাজ করে।

ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খাবেন যে কারণে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দুধ আমাদের শরীরের জন্য সবচেয়ে উপকারী খাবারগুলোর একটি।

সাধারণত সকালের খাবারে দুধ খেয়ে থাকেন বেশিরভাগ মানুষ।

এর পাশাপাশি চা বা কফিতেও দুধ মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস অনেকের।

কিন্তু আপনি যদি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খেতে পারেন, তবে তা স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে উপকারী।

চলুন জেনে নেয়া যাক ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খেলে কী উপকার পাওয়া যায়-

কোলেস্ট্রল নিয়ন্ত্রণে রাখে: প্রতি রাতে শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস করে

লো-ফ্যাট দুধ খেলে শরীরের কোলেস্ট্রল লেভেল অনেকটাই কমে এবং শরীর সুস্থ থাকে।

দুধে যে প্রোটিন থাকে তা খারাপ কোলেস্ট্রল কমিয়ে ভালো কোলেস্ট্রলের মাত্রা বৃদ্ধি করে।

গরুর দুধ ভিতামিন এ, ডি এবং ক্যালশিয়ামে সমৃদ্ধ যা আমাদের হৃদযন্ত্রকেও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

ভালো ঘুমে সহায়ক: বর্তমানে ঘুম না আসা খুব কমন একটি সমস্যা।

এক্ষেত্রে বেশিরভাগ চিকিৎসকই পরামর্শ দেন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধ খেতে।

দুধে যে বায়োঅ্যাক্টিভ প্রপারটিস থাকে তা স্ট্রেস কমিয়ে ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে। হাড় মজবুত করে: দুধে আছে ভিটামিন ডি।

যা আমাদের শরীরে ভিটামিন ডি তৈরির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং ক্যালশিয়াম হাড় মজবুত করার জন্য প্রয়োজন।

বেশিরভাগ নারীরই বয়স বাড়ার সঙ্গেসঙ্গে অস্টিওআরথ্রারাইটিসের সমস্যা দেখা দেয়,

নিয়ম করে প্রতিদিন রাতে দুধ খেলে এ ধরনের রোগব্যাধি থেকে মুক্তি মিলবে।

পাশাপাশি বাতের সমস্যাও শরীরে বাসা বাঁধতে পারবেনা।

সারাদিনের জন্য শক্তি: রাত্রে এক গ্লাস হালকা গরম দুধ খেয়ে ঘুমাতে গেলে

পরদিন সকালে আপনার এনার্জি লেভেল দেখে আপনি নিজেই অবাক হয়ে যেতে পারেন।

যেহেতু দুধের মধ্যে প্রোটিন এবং ল্যাক্টিন রয়েছে তা আপনাকে রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে,

ফলে আপনি সকালে বেশ তরতাজাভাবে ঘুম থেকে অথেন এবং সারাদিনের জন্য কাজে এনার্জি পান।

ত্বক সুন্দর করে: অনেকেই ত্বকের কোমলতা বাড়াতে এবং ত্বককে স্বাস্থ্যজ্জ্বল করতে দুধের সর মুখে মাখেন।

দুধ খেলেও কিন্তু ত্বক উজ্জ্বল হয় এবং তারুণ্যে ভরপুর থাকে।

দুধে ভিটামিন বি১২ ও থাকে যা ত্বকের ইল্যাস্টিসিটি বজায় রাখতে সাহায্য করে

ফলে অকালে চামড়া ঝুলে যায়না এবং ত্বক নরম ও তরতাজা থাকে।

 

দিনের শুরুতে যে ৭ কাজ আপনাকে ভালো রাখবে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দিনের শুরুটা দেখেই নাকি বলে দেয়া যায়, সারাদিন কেমন যাবে!

ঘুম ভাঙার পরে আপনি যদি একটি হাসিখুশি মন নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন, তবে দিনের বাকি সময়টুকুও আনন্দেই কাটবে।

দিনের শুরুতে কিছু কাজ আপনাকে সারাদিন চলার শক্তি জোগাবে।

সকালের সময়টুকু আপনি কীভাবে কাটাবেন, তার ওপরেই নির্ভর করে বাকি দিনটা আপনার কীভাবে কাটবে।

জেনে দিনের শুরুটা দারুণভাবে করার সহজ সাতটি কাজ-

ঘুম থেকে উঠে প্রথমে যে কাজটি করবেন তা হলো নিজের বিছানা পরিপাটি করে গুছিয়ে রাখা।

দিনের শুরুটা সুন্দর করার এটিই প্রথম ধাপ। খুব সাধারণ এই ঘরের কাজ আপনার মনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

সকালবেলা গুছিয়ে রাখা বিছানা আপনাকে মানসিক পরিতৃপ্তি দেয়। তাই দিনের শুরুতে এটাই হোক আপনার প্রথম কাজ।

এরপর বিছানা ছেড়ে হাত-মুখ ধুয়ে অবশ্যই একগ্লাস পানি খাবেন। সকালে শরীরকে আর্দ্র করা অত্যন্ত জরুরি।

ঘুম থেকে উঠে পানি খেলে শরীর শক্তি পাবে, ঘুমিয়ে থাকা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো ঠিকমতো কাজ শুরু করবে।

দিনের শুরুতে একগ্লাস পানি আপনার শরীরে সারারাত ধরে জমা টক্সিন বের করতে সাহায্য করবে।

এরপরের কাজটি হলো ব্যায়াম। জিম কিংবা সাঁতার, হাঁটা কিংবা জগিং- সকালে উঠে কিছু সময়ের জন্য হলেও ব্যায়াম করতেই হবে।

এর ফলে শুধু আপনার শরীর নয়, শক্তি পাবে আপনার মনও। কাজ করার নতুন উদ্যম পাবেন।

এরপর একটি তালিকা তৈরি করুন। তালিকাটি হবে সারাদিন আপনি কোন কাজগুলো করবেন, তার।

জরুরি কাজ যেমন, ডাক্তারের কাছে যাওয়া, ব্যাংকে যাওয়া ইত্যাদি থাকলে পাশাপাশি সময়ও উল্লেখ করে দিন।

গুরুত্ব অনুযায়ী কাজগুলো সাজিয়ে ফেলুন। সারাদিনের কাজ সহজ হয়ে যাবে।

অনেকেই আছেন যারা সকালে উঠেই ফোন ঘাঁটতে শুরু করেন। এটি ভীষণ অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

তাই সকালে উঠেই ফোন ঘাঁটা বন্ধ করুন। জরুরি না হলে সেলফোন থেকে দূরে থাকুন। বরং নিজের জন্য রাখুন সময়টুকু।

এরপর তৈরি হয়ে নিন সারাদিনের জন্য। গোসল, কাপড় পরা, তৈরি হওয়া সব ঝটপট সেরে ফেলুন।

কোনটার পরে কোনটা করবেন তাও ঠিক করে নিন।

সকালের রুটিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সকালের নাস্তা। সকালের খাবার হতে হবে স্বাস্থ্যকর ও পেটভর্তি।

সামনে যা পান তাই খেয়ে বের হয়ে যাবেন না। দরকার হলে আগের দিন ঠিক করে রাখুন, পরের দিন সকালের নাস্তায় কী খাবেন।

 

৯১ বছর বয়সে এসে যাজক বললেন তিনি আসলে সমকামী
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :"আমি সমকামী হিসেবেই জন্ম নিয়েছিলাম। এটি আমি নিজে পছন্দ করে নেইনি।

জীবনের বেশির ভাগ সময়ই এটি আশা করেছি যে আমি যদি বাকী সবার হতো হতাম (বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ),

বলছিলেন রিভারেন্ড স্ট্যানলি আন্ডারহিল।

অনেক অল্প বয়সেই তিনি অনুধাবন করেন যে তিনি ঠিক তার বয়সী অন্যদের মতো না।

"আমি আমার ভাইকেও ২০১৮ সালে বই লেখার আগ পর্যন্ত বলিনি যে আমি সমকামী," তিনি বিবিসিকে বলেন।

এই সময় তার বয়স ছিলো ৯১ এবং তার ভাই তার চেয়ে দু বছরের ছোটো।

"এবং সে খুব একটা উদ্বিগ্ন হয়নি। আমি যদি তাকে ও আমার পরিবারকে আগেই বলতে পারতাম।

অবশ্য আমি জানিনা তারা বিষয়টা তখন কিভাবে নিতো"।

নিজের আত্মজীবনীতে তিনি লিখেছেন যে তিনি বড় হয়েছেন একটি সমস্যাসঙ্কুল ও

অসহিষ্ণু পরিবেশে যেখানে দারিদ্রতা, শ্রেণী বৈষম্য আর মতামত চাপিয়ে দেয়াটাই ছিলো স্বাভাবিক চিত্র।

এসব কারণে তিনি যখন প্রাপ্তবয়স্ক হন তখন নিজেকে অন্যদের মতো

বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ আছে এমন একজন হিসেবেই উপস্থাপন করেন।তার জন্মের মাত্র নয় বছর আগে ১৯১৮ সালে ইংল্যান্ডে ভোটাধিকার পায় নারীরা।

তবে সমকামী হওয়াটা ছিল বেআইনি ও এটিকে `ঈশ্বরকে অসম্মানে`র সাথে তুলনা করা হতো।

ফলশ্রুতিতে অন্য অনেকের মতো আন্ডারহিলও তার সেস্কুয়ালিটি বা যৌন বৈশিষ্ট্য গোপন করেন।

"আমি সচেতনভাবেই নিজের সত্ত্বাকে দমন করি - নিজের ও ঈশ্বরসহ সবার কাছে"।

নিজের সাথে সংগ্রাম

শৈশবে আন্ডারহিল খুবই নার্ভাস ধরনের ব্যক্তি ছিলেন এবং তার অভিভাবক ছিলেন অনেক রক্ষণশীল।

সেখানে নিজের সেক্সুয়াল অরিয়েন্টেশন নিয়ে কথা বলার সুযোগ ছিল না বললেই চলে।

"আমি জানতাম না আমি কে। কিন্তু তাদের বলতে পারতামনা ।

আপনি জানেন যে হোমোসেক্সুয়াল শব্দটাই ডিকশনারিতে ছিল না"।

তার বাবা একটি কারখানায় কাজ করতেন যেখানে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম তৈরি করা হতো কিন্তু তার বেতন ছিল খুব কম।

বাবার সাথে তার সম্পর্ক ছিল অনেকটা নির্দেশনা বা আদেশ নিষেধ শোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ।

"আমার ধারণা তিনি আমাদের পছন্দ করতেন না। অবশ্য তিনি বলেননি তিনি কেন এমন ছিলেন"।

মায়ের সাথেও তার ঠিক স্বাভাবিক সম্পর্ক ছিল না

আরও ভয়াবহ হলো স্কুলে প্রায়শই তাকে টিটকারি বা হয়রানির শিকার হতে হতো।

আন্ডারহিলকে ডাকা হয় তার চিকিৎসার জন্য কিন্তু তিনি সেখানে অনেক রক্ত দেখে অজ্ঞান হয়ে যান।

পরে অ্যালেক্স নামক একজনকে ডাকা হয় তার শুশ্রূষার জন্য।

প্রেমে পড়া

"চোখে খুলেই দেখলাম অ্যালেক্স আমার দিকে তাকিয়ে আছে। কিছু একটা বলছিলেন তিনি। আমি শুনিনি কি বলেছেন। কিন্তু আমি তার প্রেমে পড়লাম"।

১৯৪৮ সালে নেভিতে তার চাকরী শেষে তিনি অ্যালেক্সের বাবার কাছ থেকে বেতনহীন হিসাব রক্ষকের ক্লার্ক হিসেবে কাজের অফার পেলাম।

"অ্যালেক্সের সাথে আমার সম্পর্ক ছিল চমৎকার। মনে হয়নি যে আইন ভঙ্গ করেছি বা এটি কোনো অস্বাভাবিক বিষয়"।

কিন্তু আন্ডারহিল যখন অ্যালেক্সের সাথে এক সাথেই থাকতে চাইলে তখন তিনি বুঝতে পারলেন যে এটি অগ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অ্যালেক্সের বাবা তাকে কাজ ছেড়ে দিয়ে নিজের পথ দেখতে বললেন।

আবার অ্যালেক্সের মধ্যেও পরিবর্তন দেখা গেলো। "সেই প্রথম উপসংহারে আসে যে আমার সাথে তার সম্পর্ক ছিল একটা পাপ"।

আন্ডারহিলের সাথে সম্পর্ক থাকা অবস্থাতেই এক নারীর সাথে প্রেম শুরু করে অ্যালেক্স।

শেষ পর্যন্ত ১৯৫২ সালে সে তার গার্লফ্রেন্ডকে বিয়ে করে।

বিষণ্ণতা

"এটা ছিলো খুবই কষ্টের। এটা প্রত্যাখ্যানের চেয়ে বড় কিছু ছিল। আমাকে নৈরাজ্যের মধ্যে ঠেলে দেয়া হয়েছিল"।

অ্যালেক্স এরপর গে কনভারসেশন থেরাপির পরামর্শ দেয়।

এক সকালে সে একদল বন্ধুকে ডাকে এবং তার হাতের ওপর হাত রেখে প্রার্থনা করতে বলে।

"সে ঈশ্বরকে বলছিল আমার ভেতরে থাকা দৈত্যকে বের করে নিতে এবং সমকামী অনুভব থেকে আমাকে মুক্তি দিতে"।

কিন্তু এর ফল ছিল একটা বিপর্যয়। "আমার খুবই খারাপ অনুভূতি হতে লাগলো যা আগে কোনদিন হয়নি।

১৯৬৭ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে সমকামিতাকে অপরাধের সংজ্ঞার বাইরে আনা হয়।

এমনকি এখনও ৬৮টি দেশে সমকামিতাকে কিছু মাত্রায় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। এর অর্ধেকই একসময় ব্রিটিশ উপনিবেশের মধ্যে ছিলো।

আন্ডারহিলকে টেস্টসটেরন হরমোনাল ইনজেকশনও নিতে হয়। কিন্তু এটি তার যৌন বিষণ্ণতাই বাড়িয়ে দিয়েছিলো কেবল।

পরে তিনি লন্ডনে চলে যান এবং সেখানে তিনি বহু সমকামী ব্যক্তিকে খুঁজে পান এবং আন্ডারহিল তাদের সাথে একটি ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ তৈরি করতে কঠিন পরিশ্রম করেন।

"আমি ভালোবাসা পেয়েছি এবং কিছু পুরুষের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো কিন্তু এগুলো বিকশিত হতে পারেনি প্রতিকূল পরিবেশের জন্য"।

পরে তিনি একটি অ্যাকাউন্টেন্সি ফার্ম এর অংশীদার হন এবং সেখানেও তার সেক্সুয়ালিটি একটি ইস্যু হয়ে দাঁড়ায়।

"তারা প্রতি পদক্ষেপে আমাকে নিয়ে উপহাস করতো কারণ আমি একজন সমকামী।

সে কারণে সেখান থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই এবং ধর্মযাজক হওয়ার দীর্ঘদিনের স্বপ্নের দিকে মনোযোগী হই"।

আন্ডারহিল ভুল ব্যাখ্যাকেই সব সমস্যার মূল বলে মনে করেন। তিনি সানডে স্কুলে পড়ার সময় থেকেই যিশুকে রোল মডেল মনে করেন।

রেডিওতে যিশুর জীবন ভিত্তিক নাটক তাকে বেশ প্রভাবিত করেছিলো। "আমি তাকেই জীবনের গাইড হওয়ার জন্য চেয়েছিলাম"।

যখন তার বয়স ৫০, তার এই গাইডের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ গড়ে ওঠে তার এবং তিনি যোগ দেন সোসাইটি অফ সেইন্ট ফ্রান্সিস-এ।

চার্চের হিপোক্রেসি

তিনি কেন্টারবুড়ি স্কুল অফ মিনিস্ট্রিতে তিন বছর পড়াশোনা করেন যাজক হওয়ার আশায়।

এমনকি কয়েকটি জায়গায় কাজ করেন নিজের সমকামী পরিচয়কে গোপন রেখেই।

তিনি বইয়ে লিখেছেন চার্চ কর্তৃপক্ষের হিপোক্রেসির জন্য তিনি সেটি বলতে পারেননি।

মুক্তি

তিনি লিখেছেন সমকামীদের প্রতি যিশুর মতো সহনশীলতা দেখানোর সুযোগ চার্চ হাতছাড়া করেছে।

এখন অবসর জীবন কাটাচ্ছেন লন্ডনে এবং সমকামীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোয় দারুণ খুশী তিনি।

"অবশেষে এটাই মুক্তি," বলছেন তিনি তিনি।

"আমি দুখ পাই এ কারণে যে আমি আমার স্বাভাবিক যৌন জীবন থেকে বঞ্চিত যা আমার জন্য চরম হতাশার কারণ হয়েছিল"।

আমি চিকিৎসকের কাছে গিয়ে বললাম এ বিশ্বের জন্য আমি ভালো নই"।

এরপর তিনি বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হন ও তার মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা দেখা দেয়।


   Page 1 of 118
     লাইফস্টাইল
ঘরোয়া ফেসওয়াশ যেভাবে বানাবেন
.............................................................................................
ওজন কমাবে যে ৫ সহজ অভ্যাস
.............................................................................................
ফল না রস, কোনটি বেশি উপকারী?
.............................................................................................
করোনা প্রতিরোধ করবে যেসব খাবার
.............................................................................................
প্রতিদিন একটি পেয়ারা খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা
.............................................................................................
মহাঔষধি থানকুনি পাতা
.............................................................................................
উজ্জ্বল ত্বকের জন্য কফি
.............................................................................................
চায়ের রাজা গ্রিন টি
.............................................................................................
চুলে রং করুন ঘরে বসেই
.............................................................................................
কোয়ারেন্টাইনে যে কাজটি শিখতে পারেন পুরুষেরা
.............................................................................................
একা একা খেলে ওজন কমে, বলছে গবেষণা
.............................................................................................
৩১ জানুয়ারি : আজকের দিনটি কেমন যাবে?
.............................................................................................
প্রতিদিন দু’টি কলা খাবেন যে কারণে
.............................................................................................
ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খাবেন যে কারণে
.............................................................................................
দিনের শুরুতে যে ৭ কাজ আপনাকে ভালো রাখবে
.............................................................................................
৯১ বছর বয়সে এসে যাজক বললেন তিনি আসলে সমকামী
.............................................................................................
নাসাার্রিগুলোতে উৎপাদন হচ্ছে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস
.............................................................................................
নতুন বছরে কিছু সংকল্প করেছেন? কীভাবে রাখবেন তার পাঁচটি উপায়
.............................................................................................
যৌনকর্মীদের জন্য শ্রমশিবির বন্ধ করে দিচ্ছে চীন
.............................................................................................
`শক্ত মেয়েদেরও আমি টেবিলে বসে কাঁদতে দেখেছি’
.............................................................................................
ভালোবেসে বিয়ে, অতঃপর পরকীয়া-নির্যাতন সত্ত্বেও কেন মানিয়ে চলা
.............................................................................................
ট্রাকের ওপরেই বেডরুম, বাথরুমসহ দোতলা বাড়ি
.............................................................................................
কোন বিষয়ে মানুষের মাঝে আসক্তি তৈরি হয় ?
.............................................................................................
সম্পর্ক ভাঙ্গার পরেও সাবেক ছেলে বন্ধুর সঙ্গে এক বাসায় থাকতে হয়
.............................................................................................
নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ড
.............................................................................................
ব্রিটিশ রানীর পাঁচটি সজ্জাশিল্পী রাজকীয় রহস্য
.............................................................................................
২৬ অক্টোবর ২০১৯ পর্যন্ত ১২ রাশির পূর্বাভাস
.............................................................................................
দাঁতের যে ক্ষতি করে ফাস্ট ফুড ও সিগারেট
.............................................................................................
মাথায় উকুন শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
.............................................................................................
ধনে পাতার পুষ্টিগুণ
.............................................................................................
রাশিফলে জেনে নিন কেমন যাবে আজকের দিনটি
.............................................................................................
তারুণ্য ও যৌবন অটুট থাকবে যে ১৬টি খাবারে
.............................................................................................
সহজেই মাংস সিদ্ধ করবেন যেভাবে
.............................................................................................
শরীর ভাল রাখতে যে নিয়মে হাঁটাহাঁটি করবেন
.............................................................................................
লিপস্টিকের রঙেই লুকিয়ে থাকে নারীদের ব্যক্তিত্ব
.............................................................................................
শীতকালে নিজেকে পরিচ্ছন্ন রাখুন ৫ উপায়
.............................................................................................
ওজন কমাতে কমলা খাবেন যেভাবে
.............................................................................................
সকালের নাস্তা স্বাস্থ্যের জন্য কতটুকু ভালো?
.............................................................................................
রাশিফলে জেনে নিন কেমন যাবে আজকের দিনটি
.............................................................................................
মেধাবী সন্তান পেতে যা করবেন
.............................................................................................
চাপের মধ্যে হৃদযন্ত্র ভালো রাখার ১০ উপায়
.............................................................................................
চুল পড়া কমায় কালিজিরা
.............................................................................................
রাশিফলে জেনে নিন কেমন যাবে আজকের দিনটি
.............................................................................................
ব্রেন স্ট্রোক ঠেকানোর সহজ উপায়
.............................................................................................
সহজ উপায়ে ক্রোধ প্রশমন
.............................................................................................
কোল্ড প্রেসড অয়েলে ত্বকের যত্ন
.............................................................................................
টনসিলের ব্যথা দূর করার ঘরোয়া ৫ টোটকা
.............................................................................................
করলা দিয়ে ত্বকের যত্ন!
.............................................................................................
চোখ সুস্থ রাখে এই ৪টি ব্যায়াম
.............................................................................................
শীতে গোসল না করার ক্ষতি কী?
.............................................................................................

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মো: রিপন তরফদার নিয়াম
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : মফিজুর রহমান রোকন
নির্বাহী সম্পাদক : শাহাদাত হোসেন শাহীন
বাণিজ্যিক কার্যালয় : "রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স"
(৬ষ্ঠ তলা), ২৮/১ সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড,
মতিঝিল বা/এ ঢাকা-১০০০| জিপিও বক্স নং-৫৪৭, ঢাকা
ফোন নাম্বার : ০২-৪৭১২০৮০৫/৬, ০২-৯৫৮৭৮৫০
মোবাইল : ০১৭০৭-০৮৯৫৫৩, 01731800427
E-mail: dailyganomukti@gmail.com
Website : http://www.dailyganomukti.com
   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop