ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঝিনাইদহে সংরক্ষিত নারী আসনে তহুরা  খাতুনকে ঘিরে তৃণমূলের প্রত্যাশা Logo নওগাঁর ঠাকুরমান্দার ২শ বছরের পূরনো রাজখাড়া দেবত্তোর ষ্টেটের শ্রী শ্রী জয় কালি মাতা মন্দির ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের পরিদর্শন Logo সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার Logo এপেক্স বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নুরুল আমিন চৌধুরী Logo জনভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের জোর তৎপরতা, সচেতনতার আহ্বান Logo ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব Logo মানিকগঞ্জে পেটে লাথি মেরে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ Logo তারাকান্দায় বসতবাড়ি সংলগ্ন মাটি খনন করায় বসতবাড়ি ধসে যাওয়ার শঙ্কা Logo বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা Logo তারাকান্দায় ফখরুদ্দিন হত্যার জেরে ধরে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট

রেইসের মিউচুয়াল ফান্ডের শতভাগ সম্পদই নিরাপদ ও সুরক্ষিত

আইসিবি এবং ব্র্যাক ব্যাংকের হেফাজতে ৯৭%

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৬৯২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বাংলাদেশ রেইস ম্যানেজমেন্ট পিসিএল সম্মানিত কমিশন এবং বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করেছে যে, মিউচুয়াল ফান্ডের সকল তালিকাভুক্ত এবং অ-তালিকাভুক্ত শেয়ার সুরক্ষিত রয়েছে, যার মধ্যে ৯৭% সম্পদই আইসিবি এবং ব্র্যাক ব্যাংকের হেফাজতে। গত ২৪ জুন ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কর্তৃক জারি করা সাম্প্রতিক আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে রেইস ম্যানেজমেন্ট এই তথ্য জানায়।

মিউচুয়াল ফান্ড এর সমস্ত কার্যক্রম স্বচ্ছতা এবং নিরাপত্তার সাথে পরিচালিত করার জন্য কাস্টোডিয়ান ডিপি অ্যাকাউন্ট, ব্রোকারেজ ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট, ব্রোকারেজ ট্রেডিং (প্যারেন্ট) অ্যাকাউন্ট, ব্রোকারেজ ট্রেডিং (লিংক) অ্যাকাউন্ট, ব্রোকারেজ সাসপেন্স অ্যাকাউন্ট এবং ব্রোকারেজ ফ্র্যাকশনাল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে। যার মাধ্যমে দৈনিক লেনদেন, ব্যবস্থাপনা ও সিডিবিএল এর শেয়ার সেটেলমেন্ট হয়।

রেইস পরিচালিত ফান্ডের সকল সম্পদ আইসিবি ও ব্র্যাক ব্যাংকের হেফাজতে আছে এবং এ সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি সরাসরি তত্ত্বাবধান করে থাকে। মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্ট ডিড এবং কাস্টোডিয়ান চুক্তি অনুযায়ী বর্তমানে ফান্ডগুলোর সকল তালিকাভুক্ত শেয়ার কাস্টোডিয়ান ডিপি অ্যাকাউন্টে রাখা আছে। রেইস তার পরিচালিত ফান্ডগুলোর সম্পদের নিরাপত্তার প্রমাণ হিসেবে, ৩১ মে ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত ডিপিএ-৬ রিপোর্ট কমিশনের কাছে জমা দিয়েছে।

রেইসের সিনিয়র কর্মকর্তারা দাবী করেন যে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ভুল তথ্যের ভিত্তিতে বাজারে গুজব ছড়াচ্ছে। এসব মিথ্যা প্রচারণা আমাদের গত ১৫ বছরের অর্জিত সুনাম ক্ষুন্ন করছে এবং মিউচুয়াল ফান্ড ইন্ডাস্ট্রির আস্থা নষ্ট করছে। আমরা মাননীয় কমিশনারের কাছে সকল প্রমান ও তথ্যাদি প্রেরন করেছি, যা রেইস পরিচালিত সকল সম্পদের শতভাগ নিশ্চিত করে।

উল্লেখ্য যে, রেইস পরিচালিত সকল ফান্ডে গত ৫ বছরে (২০১৮-২৩) বিনিয়োগকারীদের ৬৮৩.৪৩ কোটি টাকা ডিভিডেন্ড দিয়েছে। বাংলাদেশ রেইস ম্যানেজমেন্ট পিসিএল বিনিয়োগকারীদের সর্বদা রেইসের পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে এবং মাননীয় কমিশন এর নির্দেশনায় একত্রে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রেইসের মিউচুয়াল ফান্ডের শতভাগ সম্পদই নিরাপদ ও সুরক্ষিত

আইসিবি এবং ব্র্যাক ব্যাংকের হেফাজতে ৯৭%

আপডেট সময় :

 

বাংলাদেশ রেইস ম্যানেজমেন্ট পিসিএল সম্মানিত কমিশন এবং বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করেছে যে, মিউচুয়াল ফান্ডের সকল তালিকাভুক্ত এবং অ-তালিকাভুক্ত শেয়ার সুরক্ষিত রয়েছে, যার মধ্যে ৯৭% সম্পদই আইসিবি এবং ব্র্যাক ব্যাংকের হেফাজতে। গত ২৪ জুন ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কর্তৃক জারি করা সাম্প্রতিক আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে রেইস ম্যানেজমেন্ট এই তথ্য জানায়।

মিউচুয়াল ফান্ড এর সমস্ত কার্যক্রম স্বচ্ছতা এবং নিরাপত্তার সাথে পরিচালিত করার জন্য কাস্টোডিয়ান ডিপি অ্যাকাউন্ট, ব্রোকারেজ ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট, ব্রোকারেজ ট্রেডিং (প্যারেন্ট) অ্যাকাউন্ট, ব্রোকারেজ ট্রেডিং (লিংক) অ্যাকাউন্ট, ব্রোকারেজ সাসপেন্স অ্যাকাউন্ট এবং ব্রোকারেজ ফ্র্যাকশনাল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে। যার মাধ্যমে দৈনিক লেনদেন, ব্যবস্থাপনা ও সিডিবিএল এর শেয়ার সেটেলমেন্ট হয়।

রেইস পরিচালিত ফান্ডের সকল সম্পদ আইসিবি ও ব্র্যাক ব্যাংকের হেফাজতে আছে এবং এ সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি সরাসরি তত্ত্বাবধান করে থাকে। মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্ট ডিড এবং কাস্টোডিয়ান চুক্তি অনুযায়ী বর্তমানে ফান্ডগুলোর সকল তালিকাভুক্ত শেয়ার কাস্টোডিয়ান ডিপি অ্যাকাউন্টে রাখা আছে। রেইস তার পরিচালিত ফান্ডগুলোর সম্পদের নিরাপত্তার প্রমাণ হিসেবে, ৩১ মে ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত ডিপিএ-৬ রিপোর্ট কমিশনের কাছে জমা দিয়েছে।

রেইসের সিনিয়র কর্মকর্তারা দাবী করেন যে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ভুল তথ্যের ভিত্তিতে বাজারে গুজব ছড়াচ্ছে। এসব মিথ্যা প্রচারণা আমাদের গত ১৫ বছরের অর্জিত সুনাম ক্ষুন্ন করছে এবং মিউচুয়াল ফান্ড ইন্ডাস্ট্রির আস্থা নষ্ট করছে। আমরা মাননীয় কমিশনারের কাছে সকল প্রমান ও তথ্যাদি প্রেরন করেছি, যা রেইস পরিচালিত সকল সম্পদের শতভাগ নিশ্চিত করে।

উল্লেখ্য যে, রেইস পরিচালিত সকল ফান্ডে গত ৫ বছরে (২০১৮-২৩) বিনিয়োগকারীদের ৬৮৩.৪৩ কোটি টাকা ডিভিডেন্ড দিয়েছে। বাংলাদেশ রেইস ম্যানেজমেন্ট পিসিএল বিনিয়োগকারীদের সর্বদা রেইসের পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে এবং মাননীয় কমিশন এর নির্দেশনায় একত্রে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।