ঢাকা ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪

আগামী ৬ মাস পেঁয়াজ আমদানি না হলেও সমস্যা হবে না

আমিনুল হক ভূইয়া
  • আপডেট সময় : ১২:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১২৬ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

আগামী ৬ মাস পেঁয়াজ আমদানি না করলেও কোনরকম সমস্যা হবে না। বরং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে

বাংলাদেশে দুই ধরণের পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। একটি মুড়িকাটা অপরটি বীজ পেঁয়াজ। মুড়িকাটা পেঁয়াজ শেষে এরই মধ্যে কোথাও কোথাও বীজ পেঁয়াজ ওঠতে শুরুও করেছে। কয়েক দিনের মধ্যেই পুরোদমে বীজ পেঁয়াজ বাজারে আসবে। তাতে কৃষক পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য পাবেন।

আগামী ৬ মাস পেঁয়াজ আমদানি না করলেও কোনরকম সমস্যা হবে না। বরং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

শ্যামবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শংকর চন্দ্র ঘোষ গণমুক্তির সঙ্গে আলাপকালে একথা বলেন। শংকর বাবু জানালেন, তিনি নিজেও বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ ও অন্যান্য পণ্য আমদানি করে থাকেন। দীর্ঘ দিনের ব্যবসায়ীক অভিজ্ঞতা থেকে একটি বিষয় পরিষ্কার করে বলা যায়, বাংলাদেশ আগামী ছয় মাস পেঁয়াজ আমদানি না করলেও চলবে।

তাতে করে দেশের কৃষকরা উপাদিৎ পেঁয়াজের সঠিক দাম পাবেন। শংকর বাবু বলেন, আমাদের কৃষকদের কথা চিন্তা করতে হবে। একজন কৃষক একজন দেবতা। তিনি চাল, ডাল থেকে শুরু করে নানা পণ্য উৎপান করে থাকেন। সেই পণ্য দিয়েই আমরা বাচি। এ কারণে কৃষক ভাইদের কথাও ভাবতে হবে।

কোন রকমের গুজব নয়, একজন ব্যবসায়ী হিসাবে বলতে পারি এখনই পেঁয়াজ আমদানি না হলেও কোন সমস্যা দেখা দেবে না। রমজানের আগেই বীজ পেঁয়াজ বাজারে পাওয়া যাবে। তখন দামও সহনশীল হবে। পেঁয়াজ নিয়ে অযথা ভাবনার প্রয়োজন নেই বলে জানালেন এই ব্যবসায়ী।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আগামী ৬ মাস পেঁয়াজ আমদানি না হলেও সমস্যা হবে না

আপডেট সময় : ১২:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

 

আগামী ৬ মাস পেঁয়াজ আমদানি না করলেও কোনরকম সমস্যা হবে না। বরং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে

বাংলাদেশে দুই ধরণের পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। একটি মুড়িকাটা অপরটি বীজ পেঁয়াজ। মুড়িকাটা পেঁয়াজ শেষে এরই মধ্যে কোথাও কোথাও বীজ পেঁয়াজ ওঠতে শুরুও করেছে। কয়েক দিনের মধ্যেই পুরোদমে বীজ পেঁয়াজ বাজারে আসবে। তাতে কৃষক পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য পাবেন।

আগামী ৬ মাস পেঁয়াজ আমদানি না করলেও কোনরকম সমস্যা হবে না। বরং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

শ্যামবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শংকর চন্দ্র ঘোষ গণমুক্তির সঙ্গে আলাপকালে একথা বলেন। শংকর বাবু জানালেন, তিনি নিজেও বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ ও অন্যান্য পণ্য আমদানি করে থাকেন। দীর্ঘ দিনের ব্যবসায়ীক অভিজ্ঞতা থেকে একটি বিষয় পরিষ্কার করে বলা যায়, বাংলাদেশ আগামী ছয় মাস পেঁয়াজ আমদানি না করলেও চলবে।

তাতে করে দেশের কৃষকরা উপাদিৎ পেঁয়াজের সঠিক দাম পাবেন। শংকর বাবু বলেন, আমাদের কৃষকদের কথা চিন্তা করতে হবে। একজন কৃষক একজন দেবতা। তিনি চাল, ডাল থেকে শুরু করে নানা পণ্য উৎপান করে থাকেন। সেই পণ্য দিয়েই আমরা বাচি। এ কারণে কৃষক ভাইদের কথাও ভাবতে হবে।

কোন রকমের গুজব নয়, একজন ব্যবসায়ী হিসাবে বলতে পারি এখনই পেঁয়াজ আমদানি না হলেও কোন সমস্যা দেখা দেবে না। রমজানের আগেই বীজ পেঁয়াজ বাজারে পাওয়া যাবে। তখন দামও সহনশীল হবে। পেঁয়াজ নিয়ে অযথা ভাবনার প্রয়োজন নেই বলে জানালেন এই ব্যবসায়ী।