ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

ঈদযাত্রায় ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধের আহ্বান যাত্রী কল্যাণ সমিতির

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ এপ্রিল ২০২৪ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জ্বালানি তেলের মুল্য কমিয়ে সরকার যখন বাস ভাড়া কমানোর চেষ্টা করছে, এমন সময়ে কমানো ভাড়া কার্যকর করার পরিবর্তে পবিত্র ঈদুল ফিতরে যাতায়াতে দেশের বিভিন্ন রুটে বাস, লঞ্চ, উড়োজাহাজসহ বিভিন্ন শ্রেণির গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নামে নৈরাজ্য শুরু হয়েছে। সরকার প্রতিবছর ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্যকারী গণপরিবহনগুলোকে কাগুজে বাঘের মত হুশিয়ারি দিলেও কার্যকর অর্থে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে এবছর ঈদের অনলাইন টিকিটে বিভিন্ন রুটে কিছু সংখ্যক পরিবহন কোম্পানীগুলো প্রকাশ্যে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলেও তাদের বিরুদ্ধে অতীতের মত কোন ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

বুধবার (৩ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত সংগঠন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এই অভিযোগ করেন । বিবৃতিতে বলা হয়, আভ্যন্তরিন রুটে আকাশ পথে দিগুন-তিনগুন দামে বিমানের টিকিটি বিক্রি হচ্ছে। সড়ক পথে বিভিন্ন দুরপাল্লার রুটে ৫ এপ্রিল থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত দেড়গুন, ৮, ৯ ও ১০ এপ্রিল কোথাও দিগুন, কোথাও তিনগুন বাড়তি দামে বাসের টিকিট বিক্রি হচ্ছে। নৌ-পথে বিভিন্ন রুটে কেবিনে ক্ষেত্রে দিগুন তিনগুন বাড়তি ভাড়ায় টিকিট বিক্রি হচ্ছে।

এ অবস্থায় ভাড়া নৈরাজ্য প্রকাশ্য ঘটলেও সরকারের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর এখনো কোন তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে নিম্ন আয়ের লোকজন ও গার্মেন্টস কর্মী, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকেরা ঈদের অগ্রিম টিকিট সংগ্রহের ক্ষেত্রে চরম বিপাকে পড়ছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি সাবেক মন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে সংশিষ্ট বাস কোম্পানী বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন পুলিশের আইজিপি। বিআরটিএ, বিআইডাব্লিউটিএ, হাইওয়ে পুলিশ, নৌ পুলিশের তরফে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও এমন ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে কেউ এগিয়ে আসছে না।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি পর্যবেক্ষণে বলা হচ্ছে, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য বন্ধে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না গেলে ঈদযাত্রায় নিম্ন আয়ের লোকজনের বাসের ছাদে, ট্রেনের ছাদে, পণ্যবাহী পরিবহনে, ফিটনেস বিহিন সিটি বাসে, খোলা ট্রাকে, মোটরসাইকেলে, ট্রাকের পণ্যের উপরে ঝুঁকিপূষর্ণ যাতায়াত কোনভাবেই বন্ধ করা যাবে না।

যাত্রী স্বার্থ রক্ষায় জরুরী ভিত্তিতে ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঈদযাত্রায় ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধের আহ্বান যাত্রী কল্যাণ সমিতির

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ এপ্রিল ২০২৪

জ্বালানি তেলের মুল্য কমিয়ে সরকার যখন বাস ভাড়া কমানোর চেষ্টা করছে, এমন সময়ে কমানো ভাড়া কার্যকর করার পরিবর্তে পবিত্র ঈদুল ফিতরে যাতায়াতে দেশের বিভিন্ন রুটে বাস, লঞ্চ, উড়োজাহাজসহ বিভিন্ন শ্রেণির গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নামে নৈরাজ্য শুরু হয়েছে। সরকার প্রতিবছর ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্যকারী গণপরিবহনগুলোকে কাগুজে বাঘের মত হুশিয়ারি দিলেও কার্যকর অর্থে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে এবছর ঈদের অনলাইন টিকিটে বিভিন্ন রুটে কিছু সংখ্যক পরিবহন কোম্পানীগুলো প্রকাশ্যে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলেও তাদের বিরুদ্ধে অতীতের মত কোন ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

বুধবার (৩ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত সংগঠন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এই অভিযোগ করেন । বিবৃতিতে বলা হয়, আভ্যন্তরিন রুটে আকাশ পথে দিগুন-তিনগুন দামে বিমানের টিকিটি বিক্রি হচ্ছে। সড়ক পথে বিভিন্ন দুরপাল্লার রুটে ৫ এপ্রিল থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত দেড়গুন, ৮, ৯ ও ১০ এপ্রিল কোথাও দিগুন, কোথাও তিনগুন বাড়তি দামে বাসের টিকিট বিক্রি হচ্ছে। নৌ-পথে বিভিন্ন রুটে কেবিনে ক্ষেত্রে দিগুন তিনগুন বাড়তি ভাড়ায় টিকিট বিক্রি হচ্ছে।

এ অবস্থায় ভাড়া নৈরাজ্য প্রকাশ্য ঘটলেও সরকারের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর এখনো কোন তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে নিম্ন আয়ের লোকজন ও গার্মেন্টস কর্মী, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকেরা ঈদের অগ্রিম টিকিট সংগ্রহের ক্ষেত্রে চরম বিপাকে পড়ছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি সাবেক মন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে সংশিষ্ট বাস কোম্পানী বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন পুলিশের আইজিপি। বিআরটিএ, বিআইডাব্লিউটিএ, হাইওয়ে পুলিশ, নৌ পুলিশের তরফে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও এমন ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে কেউ এগিয়ে আসছে না।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি পর্যবেক্ষণে বলা হচ্ছে, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য বন্ধে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না গেলে ঈদযাত্রায় নিম্ন আয়ের লোকজনের বাসের ছাদে, ট্রেনের ছাদে, পণ্যবাহী পরিবহনে, ফিটনেস বিহিন সিটি বাসে, খোলা ট্রাকে, মোটরসাইকেলে, ট্রাকের পণ্যের উপরে ঝুঁকিপূষর্ণ যাতায়াত কোনভাবেই বন্ধ করা যাবে না।

যাত্রী স্বার্থ রক্ষায় জরুরী ভিত্তিতে ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।