ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাগমারায় এলজিইডির কাজে নিম্নমানের অভিযোগ, তথ্য দিতে অনীহা প্রকৌশলীর Logo কক্সবাজারে মায়ের সঙ্গে কারাগারে ছয় বছরের শিশু Logo নেছারাবাদে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান Logo গোপালগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসহ আটক ১ Logo ঘাটাইলে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ Logo সুন্দরবন থেকে দেড় বছরে ৬১ দস্যুকে অস্ত্রসহ আটক করেছে কোস্টগার্ড Logo মনোনয়ন কিনতে গিয়ে লাঞ্ছিত প্রার্থীরা Logo পলিক্রস পেঁয়াজে কৃষকের নতুন স্বপ্ন, বদলাচ্ছে আয়ের হিসাব Logo ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দোষীদের গ্রেপ্তার দাবি Logo লাইসেন্স নেই, অধিক মূল্যে জ্বালানি বিক্রি করায় জরিমানা

একজন সফল কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোখলেছুর রহমান

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৮৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যে কোন এলাকার উন্নয়নের পূর্ব শর্ত যেমন যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ঠিক তেমনি দেশের উন্নয়নে- জাতির উন্নয়নে- শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন নি:সন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এ লক্ষ্যে পৌঁছা ঠিক তখনি সম্ভব- যখন দেশ হয় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার বদৌলতে ২০২৬ সনে আমাদের এ দেশ উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় সারা বিশ্বে পরিচিতি লাভ করবে। আর এই সফলতার পেছনে পুরোটাই কৃষি বিভাগের কৃতিত্ব। এরই ধারাবাহিকতায় ভূঞাপুর উপজেলা কৃষি অফিস গত এক বছরে যে সফলতা দেখিয়েছে তার কোন তুলনা হয়না। কৃষিবান্ধব উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোখলেছুর রহমান ও তার অধীনস্থ সকল কর্মকর্তা ও প্রতিটি কৃষিকর্মীর নিরলস প্রচেষ্টায় এক সময়ের অবহেলিত যমুনা চরাঞ্চলের বালুময় প্রান্তরে যেন সোনা ফলতে শুরু করেছে। চরাঞ্চলের সিংহভাগ জমিই বছরের বেশির ভাগ সময় থাকতো অনাবাদী। আর আজ ফি বছর ধরেই সেখানে আবাদ হয় নানা ফসল ও শাক-সবজি। তন্মধ্যে ধান, পাট, ভুট্ট, বাদাম, তিলসহ অনেক ফসলই নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি হয়ে থাকে।
২১৬ দশমিক ৩৮ বর্গকিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট এই ক্ষুদ্র উপজেলার সিংহভাগ এলাকাই হচ্ছে যমুনা নদী ঘেরা চরাঞ্চল। এতে চর ও ভর মিলিয়ে আবাদি জমির পরিমাণ মাত্র ১৬ হাজার ৪শ হেক্টর। তাতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আবাদ হয় বোরো ধান- ৭ হাজার ৩শ ৬০ হেক্টর জমিতে ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আবাদ হয় ৭ হাজার ৩শ ৭০ হেক্টর জমিতে। অনুরূপভাবে আমন ৪ হাজার ৮শ ৯০ ও ৪ হাজার ৯শ ৩০ হেক্টর জমিতে, গম ৭শ ৮০ ও ৭শ ৯০ হেক্টর জমিতে, ভুট্টা ৩ হাজার ২৫ ও ৩ হাজার ৪৫ হেক্টর জমিতে, মাসকলাই ১ হাজার ২শ ২০ ও ১ হাজার ২শ চব্বিশ হেক্টর জমিতে, মসুর ৮শ ৫০ ও ৮শ ৫৫ হেক্টর জমিতে, পেঁয়াজ ১শ ৬০ ও ১শ ৭৫ হেক্টর জমিতে, রসুন ৬৫ ও ৭০ হেক্টর জমিতে, আদা ২০ ও ২৫ হেক্টর জমিতে, হলুদ ২০ ও ৫৫ হেক্টর জমিতে, ধনিয়া ৫০ ও ১শ ৯০ হেক্টর জমিতে, মিষ্টি আলু ১শ ৪০ ও ১শ ৪৫ হেক্টর জমিতে, চিনাবাদাম ১ হাজার ৭শ ১০ ও ১ হাজার ৭শ ৩০ হেক্টর জমিতে, সরিষা ২ হাজার ৮শ ৭০ ও ৩ হাজার ২শ ১০ হেক্টর জমিতে, তিল ২ হাজার ১শ ৫ ও ২ হাজার ১শ ১০ হেক্টর জমিতে। আর এই সফলতা বাস্তবায়নে উপজেলা কৃষি অফিসকে যথেষ্ট শ্রম দিতে হয়েছে। এক বছরে বাস্তবায়িত হয়েছে ৫৭৭টি কৃষি প্রদর্শনী, হয়েছে ১৭টি মাঠ দিবস। সেই সাথে ৩শ কৃষক-কৃষানীকে দেয়া হয়েছে কৃষি বিষয়ক নানা প্রশিক্ষণ। আর এর নেপথ্যে যার ভূমিকা ভূঞাপুরবাসী চিরদিন মনে রাখবে তিনি হলেন কৃষিবান্ধব উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোখলেছুর রহমান।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

একজন সফল কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোখলেছুর রহমান

আপডেট সময় :

যে কোন এলাকার উন্নয়নের পূর্ব শর্ত যেমন যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ঠিক তেমনি দেশের উন্নয়নে- জাতির উন্নয়নে- শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন নি:সন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এ লক্ষ্যে পৌঁছা ঠিক তখনি সম্ভব- যখন দেশ হয় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার বদৌলতে ২০২৬ সনে আমাদের এ দেশ উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় সারা বিশ্বে পরিচিতি লাভ করবে। আর এই সফলতার পেছনে পুরোটাই কৃষি বিভাগের কৃতিত্ব। এরই ধারাবাহিকতায় ভূঞাপুর উপজেলা কৃষি অফিস গত এক বছরে যে সফলতা দেখিয়েছে তার কোন তুলনা হয়না। কৃষিবান্ধব উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোখলেছুর রহমান ও তার অধীনস্থ সকল কর্মকর্তা ও প্রতিটি কৃষিকর্মীর নিরলস প্রচেষ্টায় এক সময়ের অবহেলিত যমুনা চরাঞ্চলের বালুময় প্রান্তরে যেন সোনা ফলতে শুরু করেছে। চরাঞ্চলের সিংহভাগ জমিই বছরের বেশির ভাগ সময় থাকতো অনাবাদী। আর আজ ফি বছর ধরেই সেখানে আবাদ হয় নানা ফসল ও শাক-সবজি। তন্মধ্যে ধান, পাট, ভুট্ট, বাদাম, তিলসহ অনেক ফসলই নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি হয়ে থাকে।
২১৬ দশমিক ৩৮ বর্গকিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট এই ক্ষুদ্র উপজেলার সিংহভাগ এলাকাই হচ্ছে যমুনা নদী ঘেরা চরাঞ্চল। এতে চর ও ভর মিলিয়ে আবাদি জমির পরিমাণ মাত্র ১৬ হাজার ৪শ হেক্টর। তাতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আবাদ হয় বোরো ধান- ৭ হাজার ৩শ ৬০ হেক্টর জমিতে ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আবাদ হয় ৭ হাজার ৩শ ৭০ হেক্টর জমিতে। অনুরূপভাবে আমন ৪ হাজার ৮শ ৯০ ও ৪ হাজার ৯শ ৩০ হেক্টর জমিতে, গম ৭শ ৮০ ও ৭শ ৯০ হেক্টর জমিতে, ভুট্টা ৩ হাজার ২৫ ও ৩ হাজার ৪৫ হেক্টর জমিতে, মাসকলাই ১ হাজার ২শ ২০ ও ১ হাজার ২শ চব্বিশ হেক্টর জমিতে, মসুর ৮শ ৫০ ও ৮শ ৫৫ হেক্টর জমিতে, পেঁয়াজ ১শ ৬০ ও ১শ ৭৫ হেক্টর জমিতে, রসুন ৬৫ ও ৭০ হেক্টর জমিতে, আদা ২০ ও ২৫ হেক্টর জমিতে, হলুদ ২০ ও ৫৫ হেক্টর জমিতে, ধনিয়া ৫০ ও ১শ ৯০ হেক্টর জমিতে, মিষ্টি আলু ১শ ৪০ ও ১শ ৪৫ হেক্টর জমিতে, চিনাবাদাম ১ হাজার ৭শ ১০ ও ১ হাজার ৭শ ৩০ হেক্টর জমিতে, সরিষা ২ হাজার ৮শ ৭০ ও ৩ হাজার ২শ ১০ হেক্টর জমিতে, তিল ২ হাজার ১শ ৫ ও ২ হাজার ১শ ১০ হেক্টর জমিতে। আর এই সফলতা বাস্তবায়নে উপজেলা কৃষি অফিসকে যথেষ্ট শ্রম দিতে হয়েছে। এক বছরে বাস্তবায়িত হয়েছে ৫৭৭টি কৃষি প্রদর্শনী, হয়েছে ১৭টি মাঠ দিবস। সেই সাথে ৩শ কৃষক-কৃষানীকে দেয়া হয়েছে কৃষি বিষয়ক নানা প্রশিক্ষণ। আর এর নেপথ্যে যার ভূমিকা ভূঞাপুরবাসী চিরদিন মনে রাখবে তিনি হলেন কৃষিবান্ধব উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোখলেছুর রহমান।