ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

এনআইডি জালিয়াতির মামলায় ডা. সাবরিনার বিচার শুরু

কোর্ট রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১২:২০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৮৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় পরিচয়পত্র, এনআইডি জালিয়াতির মামলায় ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো। গতকাল সোমবার দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আহমেদের আদালত আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জগঠনের আদেশ দেন। ২০২২ সালের ১৯ জুলাই করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের শীর্ষ কর্মকর্তা ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও তার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীসহ ৮ আসামিকে পৃথক তিন ধারায় ১১ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত। জেলে থাকার পর উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে কারামুক্ত হন সাবরিনা।

জামিনে এসে ডা, সাবরিনা সোশ্যাল মিডিয়া, বইমেলায় ব্যাপকভাবে সরব রয়েছেন। কারাগারের স্মৃতি নিয়ে তিনি ‘বন্দিনী’ নামের একটি বই প্রকাশ করেছেন এবারের বইমেলায়। যা নানাভাবে আলোচিত হচ্ছে।
গতকাল সোমবার ডা. সাবরিনা আদালতে উপস্থিত থেকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চান। আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. ওসমান গনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ২০২০ সালের ৩০ আগস্ট ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন গুলশান থানা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, সাবরিনার দুটি এনআইডি কার্ড রয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন বিষয়টি টের পাওয়ার পর বিস্তারিত জানতে ইসির কাছে তথ্য চেয়েছে। সাবরিনা ২০১৬ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় দ্বিতীয়বার ভোটার হন। তিনি প্রথমে ভোটার হন সাবরীনা শারমিন হোসেন নামে। একটিতে জন্ম তারিখ দেয়া ১৯৭৮ সালের ২ ডিসেম্বর। অন্যটিতে ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বর।
প্রথমটিতে স্বামীর নাম হিসেবে ব্যবহার করেছেন আর এইচ হক। দ্বিতীয়টিতে স্বামীর নাম লেখা হয়েছে আরিফুল চৌধুরী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এনআইডি জালিয়াতির মামলায় ডা. সাবরিনার বিচার শুরু

আপডেট সময় : ১২:২০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

জাতীয় পরিচয়পত্র, এনআইডি জালিয়াতির মামলায় ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো। গতকাল সোমবার দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আহমেদের আদালত আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জগঠনের আদেশ দেন। ২০২২ সালের ১৯ জুলাই করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের শীর্ষ কর্মকর্তা ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও তার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীসহ ৮ আসামিকে পৃথক তিন ধারায় ১১ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত। জেলে থাকার পর উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে কারামুক্ত হন সাবরিনা।

জামিনে এসে ডা, সাবরিনা সোশ্যাল মিডিয়া, বইমেলায় ব্যাপকভাবে সরব রয়েছেন। কারাগারের স্মৃতি নিয়ে তিনি ‘বন্দিনী’ নামের একটি বই প্রকাশ করেছেন এবারের বইমেলায়। যা নানাভাবে আলোচিত হচ্ছে।
গতকাল সোমবার ডা. সাবরিনা আদালতে উপস্থিত থেকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চান। আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. ওসমান গনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ২০২০ সালের ৩০ আগস্ট ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন গুলশান থানা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, সাবরিনার দুটি এনআইডি কার্ড রয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন বিষয়টি টের পাওয়ার পর বিস্তারিত জানতে ইসির কাছে তথ্য চেয়েছে। সাবরিনা ২০১৬ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় দ্বিতীয়বার ভোটার হন। তিনি প্রথমে ভোটার হন সাবরীনা শারমিন হোসেন নামে। একটিতে জন্ম তারিখ দেয়া ১৯৭৮ সালের ২ ডিসেম্বর। অন্যটিতে ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বর।
প্রথমটিতে স্বামীর নাম হিসেবে ব্যবহার করেছেন আর এইচ হক। দ্বিতীয়টিতে স্বামীর নাম লেখা হয়েছে আরিফুল চৌধুরী।