ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪

এলডিসি থেকে উত্তীর্ণের পর অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে বাড়তি সুবিধা তৈরি হবে

আমিনুল হক ভূইয়া, সংসদ থেকে
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুন ২০২৪ ৭৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তীর্ণর পর কিছু অভিঘাত বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও স্বল্প সুদে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধার অবসান ঘটবে একইসাথে অর্থনৈতিক সক্ষমতার বিকাশের মাধ্যেমে কিছু বাড়তি সুবিধা তৈরি হবে বলে, এমনটিই জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (৫ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ খসরু চৌধুরীর এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সব কথা জানান। এ সময় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেড়িয়ে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত হওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে সরকার রূপকল্প ২০৪১ এবং সংশ্লিষ্ট প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ গ্রহণ করে, যেখানে ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া, দারিদ্র দূর করা এবং ২০৪১ মাধ্যে উচ্চ আয়ের দেশের মর্যদা লাভের পথনকশা নির্ধরণ করেছে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণজনিত চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনায় সরকার বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানমুখী অবকাঠামো উন্নয়ন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন মানব সম্পদ গড়ে তোরা এবং প্রতিবন্ধি ও বয়স্ক জনগোষ্ঠীর টেকসই সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কার্যকর রাজস্ব ও মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব আহরণের পরিমাণ বৃদ্ধি, কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি, প্রবাসী আয় প্রেরণের হার বৃদ্ধি, রপ্তানী আয় বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখার জন্য রপ্তানী পণ্য ও রপ্তানী গন্তব্যস্থান বহুমুখীকরণ, বিদ্যমান গন্তব্যে রপ্তানীর পরিমাণ বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে;

পাশাপাশি সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ আহরণের জন্য স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলেছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে এখন থেকেই বিভিন্ন দেশ ও আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বা প্রেফারেন্সিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) এবং দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি ত্বরান্বিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করছে।

বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডাব্লিউটিও), আঙ্কটাড, ইউএনডিপিসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এলডিসি থেকে উত্তীর্ণের পর অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে বাড়তি সুবিধা তৈরি হবে

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুন ২০২৪

 

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তীর্ণর পর কিছু অভিঘাত বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও স্বল্প সুদে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধার অবসান ঘটবে একইসাথে অর্থনৈতিক সক্ষমতার বিকাশের মাধ্যেমে কিছু বাড়তি সুবিধা তৈরি হবে বলে, এমনটিই জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (৫ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ খসরু চৌধুরীর এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সব কথা জানান। এ সময় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেড়িয়ে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত হওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে সরকার রূপকল্প ২০৪১ এবং সংশ্লিষ্ট প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ গ্রহণ করে, যেখানে ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া, দারিদ্র দূর করা এবং ২০৪১ মাধ্যে উচ্চ আয়ের দেশের মর্যদা লাভের পথনকশা নির্ধরণ করেছে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণজনিত চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনায় সরকার বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানমুখী অবকাঠামো উন্নয়ন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন মানব সম্পদ গড়ে তোরা এবং প্রতিবন্ধি ও বয়স্ক জনগোষ্ঠীর টেকসই সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কার্যকর রাজস্ব ও মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব আহরণের পরিমাণ বৃদ্ধি, কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি, প্রবাসী আয় প্রেরণের হার বৃদ্ধি, রপ্তানী আয় বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখার জন্য রপ্তানী পণ্য ও রপ্তানী গন্তব্যস্থান বহুমুখীকরণ, বিদ্যমান গন্তব্যে রপ্তানীর পরিমাণ বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে;

পাশাপাশি সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ আহরণের জন্য স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলেছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে এখন থেকেই বিভিন্ন দেশ ও আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বা প্রেফারেন্সিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) এবং দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি ত্বরান্বিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করছে।

বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডাব্লিউটিও), আঙ্কটাড, ইউএনডিপিসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।