ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারে বনের জায়গা দখল ও অবৈধ বাণিজ্যের অভিযোগ

এস.এম হুমায়ুন কবির, কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : ১২৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
  •  তদন্তে নেমেছে বনবিভাগ, চাপের মুখে তদন্ত কমিটিবনের জায়গা দখল করে করাতকল স্থাপন এবং কোটি কোটি টাকার বনভূমি প্লট আকারে বিক্রির অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ সংক্রান্ত ছবি ও তথ্যসহ সংবাদ প্রকাশের পর বনবিভাগ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেয়।
    ডিএফও’র নির্দেশে সিনিয়র এসিএফ মুনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ইতোমধ্যে সরেজমিনে তদন্ত শুরু করেছে এবং প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
    অভিযোগের তদন্ত চলাকালে পাহাড়ের কথিত রাজা হিসেবে পরিচিত বসু হেডম্যানের ছেলে এবং আবদুল করিমের তিন স্ত্রীর কয়েকজন প্রভাবশালী অনুসারী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিজেদের রক্ষা করতে তারা ধোয়া পালং রেঞ্জের কতিপয় দুর্নীতিগ্রস্ত রেঞ্জার ও বিট কর্মকর্তার পরামর্শে বিপুল অর্থ ব্যয় করে বিভিন্ন মহল ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা করছেন।
    এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) জানিয়েছে, সংগঠনটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক এবং প্রাণ ও প্রকৃতি রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। বাপার নেতারা বলেন, “বসু হেডম্যানের দখলে থাকা কোটি কোটি টাকার বনজ সম্পদ শুধু বনবিভাগকে বুঝিয়ে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। তার কারণে যে বিপুল বনভূমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তার ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।”
    পরিবেশ সংগঠনটির পক্ষ থেকে বনখেকোদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার জন্য বনবিভাগের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।
    এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে এবং প্রমাণ সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কক্সবাজারে বনের জায়গা দখল ও অবৈধ বাণিজ্যের অভিযোগ

আপডেট সময় :
  •  তদন্তে নেমেছে বনবিভাগ, চাপের মুখে তদন্ত কমিটিবনের জায়গা দখল করে করাতকল স্থাপন এবং কোটি কোটি টাকার বনভূমি প্লট আকারে বিক্রির অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ সংক্রান্ত ছবি ও তথ্যসহ সংবাদ প্রকাশের পর বনবিভাগ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেয়।
    ডিএফও’র নির্দেশে সিনিয়র এসিএফ মুনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ইতোমধ্যে সরেজমিনে তদন্ত শুরু করেছে এবং প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
    অভিযোগের তদন্ত চলাকালে পাহাড়ের কথিত রাজা হিসেবে পরিচিত বসু হেডম্যানের ছেলে এবং আবদুল করিমের তিন স্ত্রীর কয়েকজন প্রভাবশালী অনুসারী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিজেদের রক্ষা করতে তারা ধোয়া পালং রেঞ্জের কতিপয় দুর্নীতিগ্রস্ত রেঞ্জার ও বিট কর্মকর্তার পরামর্শে বিপুল অর্থ ব্যয় করে বিভিন্ন মহল ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা করছেন।
    এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) জানিয়েছে, সংগঠনটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক এবং প্রাণ ও প্রকৃতি রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। বাপার নেতারা বলেন, “বসু হেডম্যানের দখলে থাকা কোটি কোটি টাকার বনজ সম্পদ শুধু বনবিভাগকে বুঝিয়ে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। তার কারণে যে বিপুল বনভূমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তার ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।”
    পরিবেশ সংগঠনটির পক্ষ থেকে বনখেকোদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার জন্য বনবিভাগের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।
    এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে এবং প্রমাণ সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।