ঢাকা ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ডাকাতের গুলিতে পিতা-পুত্র নিহত

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪ ৬০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

কক্সবাজারের ৩৪টি আশ্রয় শিবিরে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার বসবাস। দীর্ঘ বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার টেকনাফসহ কয়েকটি এলাকায় আশ্রয় শিবিরে বসবাসরত রোঙ্গিরা বিভিন্ন ধরণের মারাত্মক অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। ডাকাতি, হত্যা, মাদক চোরাচালান, মানবপাচার, নারী পাচার, অপরহরণ ইত্যাদি এখন নিয়মে দাড়িয়েছে।

কক্সবাজারের গর্জনিয়ায় রোহিঙ্গা ডাকাত আবছার বাহিনী ত্রাস রাজত্ব কায়েম করেছে। এই ডাকাত গোষ্ঠীর ভয়ে স্থানীয় মানুষ আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছে। অথচ এই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কোন সদস্যের বিনা অনুমতিতে আশ্রয় শিবিরের বাইরে যাওয়া নিষেধ।

রোববার দিবাগত মধ্যরাতে কক্সবাজারের রামু ইপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড ঘোনার পাড়া এলাকার মুহাম্মদ সেলিমের বাড়ীতে ৪৫/৫০ জনের একদল ডাকাত হানা দিয়ে প্রথমে
মুহাম্মদ সেলিমকে গুলি করে। এসময় ছেলেকে রক্ষায় মোঃ জাফর এগিয়ে এলে তাকেও গুলি করা হয়।

তাদের উদ্ধার করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষনা করেন।

মূলত মিয়ানমার থেকে ১০/১৫ বছর পূর্বে এদেশে এসে বন বিভাগের সংরক্ষিত পাহাড় জবরদখল করে বসতি শুরু করেন রোহিঙ্গা নুর হোছন ও তার সন্তান এলাকার কুখ্যাত সন্ত্রাসী একাধিক হত্যা মামলার পলাতক আসামী রোহিঙ্গা আবছার।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ডাকাতের গুলিতে পিতা-পুত্র নিহত

আপডেট সময় : ০৪:০১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

 

কক্সবাজারের ৩৪টি আশ্রয় শিবিরে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার বসবাস। দীর্ঘ বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার টেকনাফসহ কয়েকটি এলাকায় আশ্রয় শিবিরে বসবাসরত রোঙ্গিরা বিভিন্ন ধরণের মারাত্মক অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। ডাকাতি, হত্যা, মাদক চোরাচালান, মানবপাচার, নারী পাচার, অপরহরণ ইত্যাদি এখন নিয়মে দাড়িয়েছে।

কক্সবাজারের গর্জনিয়ায় রোহিঙ্গা ডাকাত আবছার বাহিনী ত্রাস রাজত্ব কায়েম করেছে। এই ডাকাত গোষ্ঠীর ভয়ে স্থানীয় মানুষ আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছে। অথচ এই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কোন সদস্যের বিনা অনুমতিতে আশ্রয় শিবিরের বাইরে যাওয়া নিষেধ।

রোববার দিবাগত মধ্যরাতে কক্সবাজারের রামু ইপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড ঘোনার পাড়া এলাকার মুহাম্মদ সেলিমের বাড়ীতে ৪৫/৫০ জনের একদল ডাকাত হানা দিয়ে প্রথমে
মুহাম্মদ সেলিমকে গুলি করে। এসময় ছেলেকে রক্ষায় মোঃ জাফর এগিয়ে এলে তাকেও গুলি করা হয়।

তাদের উদ্ধার করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষনা করেন।

মূলত মিয়ানমার থেকে ১০/১৫ বছর পূর্বে এদেশে এসে বন বিভাগের সংরক্ষিত পাহাড় জবরদখল করে বসতি শুরু করেন রোহিঙ্গা নুর হোছন ও তার সন্তান এলাকার কুখ্যাত সন্ত্রাসী একাধিক হত্যা মামলার পলাতক আসামী রোহিঙ্গা আবছার।