পর্যটক হয়রানি বন্ধে জিরো টলারেন্স
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ
- আপডেট সময় : ৭১ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজারে যেকোনো পরিস্থিতিতে পর্যটকদের হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন কক্সবাজার রিজিয়ন ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ। গতকাল সোমবার (২ মার্চ) সকালে কক্সবাজার রিজিয়ন ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যালয়ে আয়োজিত অফিসারদের কল্যাণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সভায় গত এক বছরের কার্যক্রমের তথ্য তুলে ধরে অতিরিক্ত ডিআইজি জানান, পর্যটন নগরীতে নিরাপত্তা জোরদার ও অপরাধ দমনে ট্যুরিস্ট পুলিশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তাঁর উপস্থাপিত তথ্যানুযায়ী, গত এক বছরে ছিনতাইকারী ৩৫ জন ও বিভিন্ন মামলার তামামভুক্ত ৯৬ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এছাড়া মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২৭২ জন হারানো শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৪১ জন ছেলে ও ১৩১ জন মেয়ে শিশু। উদ্ধার করা হয়েছে ৪১টি মোবাইল ফোন এবং ১১ জন ইভটিজারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক এবং ২১ জন মাদকাসক্তকে উদ্ধার করা হয়েছে। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ১৫ জন এবং শিশু ভিকটিম উদ্ধার হয়েছে ১৬ জন।
অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, “কক্সবাজারে আগত দেশি-বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার। কোনো অবস্থাতেই পর্যটকদের হয়রানি সহ্য করা হবে না। অভিযোগ পেলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সভায় তিনি আরও বলেন, কক্সবাজার রিজিয়ন ট্যুরিস্ট পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। রূপকথার গল্প সাজিয়ে কয়েকটি পত্রিকায় মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানান।
কল্যাণ সভায় ট্যুরিস্ট পুলিশের কর্মকর্তারা পেশাদারিত্ব, সততা ও জনবান্ধব আচরণ বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
সভা শেষে পর্যটন এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও জোরদার করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।



















