ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

কপ্টার বিধ্বস্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যু

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪ ৬৭ বার পড়া হয়েছে

রাইসি-আমির আব্দুল্লাহিয়ান মারা গেছেন: ছবি সংগৃহীত

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ইরানি সংবাদমাধ্যম বলছে, হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ানসহ অপর আরোহী মারা গেছেন। ইরানের আরও কিছু সংবাদমাধ্যমও একই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বার্তা সংস্থা এএফপি এবং আল জাজিরাও তাদের প্রতিবেদনে একই তথ্য জানিয়েছে।

তবে রাইসি এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের মৃত্যুর বিষয়ে এখনো ইরানের তরফে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি আসেনি। রেড ক্রিসেন্টের তরফে জানানো হয় যে, কপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় কোনো আরোহীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই।

ইরানের এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাকবলিত হেলিকপ্টারটি সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে। তার ভাষায় প্রেসিডেন্ট রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি দুর্ঘটনায় সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে… ।

এর আগে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা জানান, প্রেসিডেন্ট রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটির বিধ্বস্ত হওয়ার স্থানের খোঁজ পেয়েছেন তারা। অপরদিকে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানায়, পরিস্থিতি ভালো নয়।

রোববার (২০ মে) আজারবাইজানের সীমান্তের কাছে দুটি বাঁধ উদ্বোধন করেন প্রেসিডেন্ট রাইসি। এরপর হেলিকপ্টারে ইরানের উত্তর-পশ্চিমের তাবরিজ শহরের দিকে যাচ্ছিলেন। সফরসঙ্গী ছিলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ানসহ আরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা। তাবরিজ থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে দূর্ঘটনার কবলে পড়ে তাদের বহনকারী হেলিকপ্টারটি।

প্রেসিডেন্টের বহরে মোট তিনটি হেলিকপ্টার ছিল। অন্য দুটি হেলিকপ্টার নিরাপদে অবতরণ করলেও রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কপ্টার বিধ্বস্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যু

আপডেট সময় : ১০:৪৫:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

 

ইরানি সংবাদমাধ্যম বলছে, হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ানসহ অপর আরোহী মারা গেছেন। ইরানের আরও কিছু সংবাদমাধ্যমও একই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বার্তা সংস্থা এএফপি এবং আল জাজিরাও তাদের প্রতিবেদনে একই তথ্য জানিয়েছে।

তবে রাইসি এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের মৃত্যুর বিষয়ে এখনো ইরানের তরফে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি আসেনি। রেড ক্রিসেন্টের তরফে জানানো হয় যে, কপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় কোনো আরোহীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই।

ইরানের এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাকবলিত হেলিকপ্টারটি সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে। তার ভাষায় প্রেসিডেন্ট রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি দুর্ঘটনায় সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে… ।

এর আগে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা জানান, প্রেসিডেন্ট রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটির বিধ্বস্ত হওয়ার স্থানের খোঁজ পেয়েছেন তারা। অপরদিকে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানায়, পরিস্থিতি ভালো নয়।

রোববার (২০ মে) আজারবাইজানের সীমান্তের কাছে দুটি বাঁধ উদ্বোধন করেন প্রেসিডেন্ট রাইসি। এরপর হেলিকপ্টারে ইরানের উত্তর-পশ্চিমের তাবরিজ শহরের দিকে যাচ্ছিলেন। সফরসঙ্গী ছিলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ানসহ আরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা। তাবরিজ থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে দূর্ঘটনার কবলে পড়ে তাদের বহনকারী হেলিকপ্টারটি।

প্রেসিডেন্টের বহরে মোট তিনটি হেলিকপ্টার ছিল। অন্য দুটি হেলিকপ্টার নিরাপদে অবতরণ করলেও রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।