ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

খালেদা জিয়াকে ফের হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪ ১৪১ বার পড়া হয়েছে

খালেদা জিয়া : ফাইল ছবি

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে বুধবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হবে। এর আগে টানা পাঁচ মাস হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ১১ জানুয়ারি বাসায় ফেরেন বেগম খালেদা জিয়া।

চিকিৎসকদের পরামর্শে ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে আবারও এভারকেয়ার হাসপাতালে নিতে হয় খালেদা জিয়াকে।

দুর্নীতির দুই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাবন্দী হন। দুই বছরের বেশি সময় তিনি কারাবন্দী থাকার পর ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি পান তিনি।

খালেদা জিয়া হার্ট, লিভার সিরোসিস ছাড়াও আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতাও ভুগছেন তিনি। এরই মধ্যে কয়েক দফা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। গত বছরের জুনে খালেদা জিয়ার এনজিওগ্রাম করা হলে তার হৃদ্যন্ত্রে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এর একটিতে রিং পরানো হয়।

খালেদা জিয়া মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে পরিবারের তরফে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়। এরই মধ্যে অষ্টমবারের মতো সাজা স্থগিত করে আগের দুটি শর্তেই মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানো হয়।

মুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী শর্ত দুটি হলো: খালেদা জিয়া আগের মতোই ঢাকার নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন এবং এই সময় তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

খালেদা জিয়াকে ফের হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে

আপডেট সময় : ০২:১৭:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪

 

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে বুধবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হবে। এর আগে টানা পাঁচ মাস হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ১১ জানুয়ারি বাসায় ফেরেন বেগম খালেদা জিয়া।

চিকিৎসকদের পরামর্শে ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে আবারও এভারকেয়ার হাসপাতালে নিতে হয় খালেদা জিয়াকে।

দুর্নীতির দুই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাবন্দী হন। দুই বছরের বেশি সময় তিনি কারাবন্দী থাকার পর ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি পান তিনি।

খালেদা জিয়া হার্ট, লিভার সিরোসিস ছাড়াও আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতাও ভুগছেন তিনি। এরই মধ্যে কয়েক দফা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। গত বছরের জুনে খালেদা জিয়ার এনজিওগ্রাম করা হলে তার হৃদ্যন্ত্রে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এর একটিতে রিং পরানো হয়।

খালেদা জিয়া মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে পরিবারের তরফে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়। এরই মধ্যে অষ্টমবারের মতো সাজা স্থগিত করে আগের দুটি শর্তেই মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানো হয়।

মুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী শর্ত দুটি হলো: খালেদা জিয়া আগের মতোই ঢাকার নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন এবং এই সময় তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না।