ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

চাঁদাবাজি রোধে জিরো টলারেন্স, অভিযোগ করলেই পুরস্কার

এস.এম. হুমায়ুন কবির, কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : ১১৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন কক্সবাজার–৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ঘোষণায় তিনি বলেছেন, “আমার নির্বাচনী এলাকায় কেউ যদি চাঁদাবাজি করে, সাথে সাথে পুলিশে দিন। সাহসিকতার জন্যে পুরস্কার দেয়া হবে।”
গতকাল শনিবার দেওয়া এই পোস্ট মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পোস্টের মন্তব্য ঘরে সাধারণ মানুষ ও সমর্থকদের পক্ষ থেকে ব্যাপক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই চাঁদাবাজিমুক্ত সমাজ গড়তে এমন উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
নির্বাচনী প্রচারণার সময়ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন এমপি কাজল। নির্বাচিত হওয়ার পরপরই এ বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান জানানোকে স্থানীয়রা “নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির বার্তা” হিসেবে দেখছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘোষণা দলীয় পরিচয় নির্বিশেষে অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত বহন করে।
কক্সবাজার-৩ আসনটি পর্যটন, মৎস্য ও ব্যবসা-বাণিজ্য নির্ভর একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, চাঁদাবাজি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্বস্তি ফিরবে এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি হবে।
এমপি কাজল বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। শুক্রবার তিনি ঢাকা যান। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এ ঘোষণায় এলাকায় নতুন করে আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে। এখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—ঘোষণার প্রতিফলন ঘটবে মাঠপর্যায়ে, আর কক্সবাজার–৩ হবে চাঁদাবাজিমুক্ত একটি মডেল আসন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চাঁদাবাজি রোধে জিরো টলারেন্স, অভিযোগ করলেই পুরস্কার

আপডেট সময় :

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন কক্সবাজার–৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ঘোষণায় তিনি বলেছেন, “আমার নির্বাচনী এলাকায় কেউ যদি চাঁদাবাজি করে, সাথে সাথে পুলিশে দিন। সাহসিকতার জন্যে পুরস্কার দেয়া হবে।”
গতকাল শনিবার দেওয়া এই পোস্ট মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পোস্টের মন্তব্য ঘরে সাধারণ মানুষ ও সমর্থকদের পক্ষ থেকে ব্যাপক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই চাঁদাবাজিমুক্ত সমাজ গড়তে এমন উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
নির্বাচনী প্রচারণার সময়ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন এমপি কাজল। নির্বাচিত হওয়ার পরপরই এ বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান জানানোকে স্থানীয়রা “নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির বার্তা” হিসেবে দেখছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘোষণা দলীয় পরিচয় নির্বিশেষে অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত বহন করে।
কক্সবাজার-৩ আসনটি পর্যটন, মৎস্য ও ব্যবসা-বাণিজ্য নির্ভর একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, চাঁদাবাজি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্বস্তি ফিরবে এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি হবে।
এমপি কাজল বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। শুক্রবার তিনি ঢাকা যান। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এ ঘোষণায় এলাকায় নতুন করে আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে। এখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—ঘোষণার প্রতিফলন ঘটবে মাঠপর্যায়ে, আর কক্সবাজার–৩ হবে চাঁদাবাজিমুক্ত একটি মডেল আসন।