ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪

জলদস্যুদের কবল থেকে জাহাজ উদ্ধারে ভারতের নৌবাহিনী অভিযান চালাতে পারে : মার্কিন বিশ্লেষক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪ ২০২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ভারতীয় মহাসাগরের যে অঞ্চলটিতে বাংলাদেশের জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ও ২৩ নাবিককে জিম্মি করেছে সোমালিয়ান জল দস্যুরা, সেখানের আশপাশে ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে। দেশটির নৌবাহিনী এমভি আবদুল্লাহ উদ্ধারে হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাজ্যভিত্তিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইওএস রিস্ক গ্রুপের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক মার্টিন কেলি।

কেলি বলেছেন, তার মতে, গত ৩ মার্চ সোমালিয়া উপকূল থেকে একটি জলদস্যু বিরোধী গোষ্ঠী গভীর সমুদ্রের উদ্দেশ্য রওনা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ভারত মহাসাগরের যে অঞ্চলে এই হামলা সংঘটিত হয়েছে, সেই এলাকায় ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে জাহাজটি জলদস্যুদের কবলে পড়ার খবর জানতে পারে বাংলাদেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠীটির কর্তৃপক্ষ। এসআর শিপিংয়ের সিইও মোহাম্মদ মেহেরুল করিম জানান, মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টার দিকে জাহাজ থেকে তাদের বার্তা পাঠানো হয়। তাতে বলা হয়, জলদস্যুরা জাহাজ দখল করে নিয়েছে।

ব্রিটিশ এই বিশ্লেষক আরও বলেন, এই অবস্থায় আবদুল্লাহ জাহাজটি উদ্ধারে ভারতীয় নৌবাহিনীর কোনো একটি জাহাজের পক্ষে হস্তক্ষেপ করা সম্ভব। এই ঘটনার পর কোনো একটি জাহাজ উদ্ধার করা আসলে কতটা কঠিন তার একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে এটি।

২০১০ সালের ডিসেম্বরে আরব সাগরে সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়েছিল বাংলাদেশি জাহাজ জাহান মণি। নিকেল ভর্তি জাহাজের ২৫ নাবিক এবং প্রধান প্রকৌশলীর স্ত্রীকে জিম্মি করা হয়েছিল।

দীর্ঘ চেষ্টার পর ১০০ দিনের মাথায় জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্তি পান তারা। পরে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। মুক্তিপণ বাবদ জলদস্যুদের অনেক টাকা দিতে হয়েছিলে বলে জানায় কেএসআরএম কর্তৃপক্ষ। সূত্র: ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জলদস্যুদের কবল থেকে জাহাজ উদ্ধারে ভারতের নৌবাহিনী অভিযান চালাতে পারে : মার্কিন বিশ্লেষক

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪

 

ভারতীয় মহাসাগরের যে অঞ্চলটিতে বাংলাদেশের জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ও ২৩ নাবিককে জিম্মি করেছে সোমালিয়ান জল দস্যুরা, সেখানের আশপাশে ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে। দেশটির নৌবাহিনী এমভি আবদুল্লাহ উদ্ধারে হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাজ্যভিত্তিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইওএস রিস্ক গ্রুপের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক মার্টিন কেলি।

কেলি বলেছেন, তার মতে, গত ৩ মার্চ সোমালিয়া উপকূল থেকে একটি জলদস্যু বিরোধী গোষ্ঠী গভীর সমুদ্রের উদ্দেশ্য রওনা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ভারত মহাসাগরের যে অঞ্চলে এই হামলা সংঘটিত হয়েছে, সেই এলাকায় ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে জাহাজটি জলদস্যুদের কবলে পড়ার খবর জানতে পারে বাংলাদেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠীটির কর্তৃপক্ষ। এসআর শিপিংয়ের সিইও মোহাম্মদ মেহেরুল করিম জানান, মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টার দিকে জাহাজ থেকে তাদের বার্তা পাঠানো হয়। তাতে বলা হয়, জলদস্যুরা জাহাজ দখল করে নিয়েছে।

ব্রিটিশ এই বিশ্লেষক আরও বলেন, এই অবস্থায় আবদুল্লাহ জাহাজটি উদ্ধারে ভারতীয় নৌবাহিনীর কোনো একটি জাহাজের পক্ষে হস্তক্ষেপ করা সম্ভব। এই ঘটনার পর কোনো একটি জাহাজ উদ্ধার করা আসলে কতটা কঠিন তার একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে এটি।

২০১০ সালের ডিসেম্বরে আরব সাগরে সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়েছিল বাংলাদেশি জাহাজ জাহান মণি। নিকেল ভর্তি জাহাজের ২৫ নাবিক এবং প্রধান প্রকৌশলীর স্ত্রীকে জিম্মি করা হয়েছিল।

দীর্ঘ চেষ্টার পর ১০০ দিনের মাথায় জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্তি পান তারা। পরে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। মুক্তিপণ বাবদ জলদস্যুদের অনেক টাকা দিতে হয়েছিলে বলে জানায় কেএসআরএম কর্তৃপক্ষ। সূত্র: ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস