ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

জিম্মি নাবিকদের স্বজনদের ভিড় চট্টগ্রাম অফিসে 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪ ১৬৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর নাবিক ও ক্রুদের খোঁজে জাহাজের চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ অফিসে ভিড় করছেন জিম্মি নাবিকদের স্বজনরা।

মালিকপক্ষ তাদের আশ্বস্ত করে বলা হয়, যে কোনো মূল্যে নাবিক ও ক্রুদের সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হবে। বুধবার (১৩ মার্চ) সকালে অনেকেই চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদে কবির গ্রুপের অফিসে ছুটে আসেন।

অফিসে আসা স্বজনদের কারো বাবা, কারো ভাই, কারো স্বামী, কারো সন্তান এখন সোমালিয়া জলদস্যুদের কাছে জিম্মি। স্বজনরা হাতে ছবি নিয়ে জাহাজ কোম্পানির অফিসে ছুটে আসেন।

এমভি আবদুল্লাহর ফোর্থ ইঞ্জিনিয়ার তানভীর আহমেদের পরিবারও আসেন। ছেলে আবদুল্লাহর ছবি হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন তার মা পঞ্চাশোর্ধ্ব জোৎস্না বেগম।

ছেলে সর্বশেষ সোমবার সন্ধ্যায় তার সঙ্গে কথা হয়েছে। এরপর থেকে মোবাইল ফোন বন্ধ।

স্বামীর খোঁজে এসেছিলেন জিম্মি নাবিক নুরউদ্দিনের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস। তিনি বলেন, অডিও বার্তায় জানিয়েছেন তাদের জাহাজ সোমালিয়ার উপকূলের দিকে নিয়ে যাচ্ছে দস্যুরা। জাহাজে তখন অস্ত্রশস্ত্রসহ ৫০ জনের মতো জলদস্যু ছিল। তাদের মুক্ত করতে আমরা যেন মালিকপক্ষের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করি।

এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেএসআরএম গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম। জানালেন, বুধবার সকালেও নাকিকদের সঙ্গে কথা হয়েছে। সবাই ভালো আছেন। আমরা জলদস্যুদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।

যে কোনো মূল্যে নাবিক ও ক্রুদের সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করার বিষয়ে জোর দিচ্ছি। সবাইকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে যা যা করার দরকার সব করবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জিম্মি নাবিকদের স্বজনদের ভিড় চট্টগ্রাম অফিসে 

আপডেট সময় : ০৭:২০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪

 

সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর নাবিক ও ক্রুদের খোঁজে জাহাজের চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ অফিসে ভিড় করছেন জিম্মি নাবিকদের স্বজনরা।

মালিকপক্ষ তাদের আশ্বস্ত করে বলা হয়, যে কোনো মূল্যে নাবিক ও ক্রুদের সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হবে। বুধবার (১৩ মার্চ) সকালে অনেকেই চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদে কবির গ্রুপের অফিসে ছুটে আসেন।

অফিসে আসা স্বজনদের কারো বাবা, কারো ভাই, কারো স্বামী, কারো সন্তান এখন সোমালিয়া জলদস্যুদের কাছে জিম্মি। স্বজনরা হাতে ছবি নিয়ে জাহাজ কোম্পানির অফিসে ছুটে আসেন।

এমভি আবদুল্লাহর ফোর্থ ইঞ্জিনিয়ার তানভীর আহমেদের পরিবারও আসেন। ছেলে আবদুল্লাহর ছবি হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন তার মা পঞ্চাশোর্ধ্ব জোৎস্না বেগম।

ছেলে সর্বশেষ সোমবার সন্ধ্যায় তার সঙ্গে কথা হয়েছে। এরপর থেকে মোবাইল ফোন বন্ধ।

স্বামীর খোঁজে এসেছিলেন জিম্মি নাবিক নুরউদ্দিনের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস। তিনি বলেন, অডিও বার্তায় জানিয়েছেন তাদের জাহাজ সোমালিয়ার উপকূলের দিকে নিয়ে যাচ্ছে দস্যুরা। জাহাজে তখন অস্ত্রশস্ত্রসহ ৫০ জনের মতো জলদস্যু ছিল। তাদের মুক্ত করতে আমরা যেন মালিকপক্ষের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করি।

এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেএসআরএম গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম। জানালেন, বুধবার সকালেও নাকিকদের সঙ্গে কথা হয়েছে। সবাই ভালো আছেন। আমরা জলদস্যুদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।

যে কোনো মূল্যে নাবিক ও ক্রুদের সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করার বিষয়ে জোর দিচ্ছি। সবাইকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে যা যা করার দরকার সব করবো।