টুঙ্গিপাড়ায় পানির লাইনের লিকেজে সড়ক ধস, বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা
- আপডেট সময় : ৩৮ বার পড়া হয়েছে
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় পিরোজপুর–গোপালগঞ্জ মহাসড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পানির লাইনের দীর্ঘদিনের লিকেজের কারণে সড়ক ধসে পড়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে যান চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে এবং যে কোনো সময় বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, টুঙ্গিপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে গিমাডাঙ্গা এলাকায় এবং টুঙ্গিপাড়া দুঃস্থ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে সড়কের নিচ দিয়ে যাওয়া টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার পানির লাইন দীর্ঘদিন ধরে লিকেজ হয়ে আছে। লিকেজ হওয়া পানি ধীরে ধীরে সড়কের নিচের মাটি নরম করে দেয়ায় রাস্তার একটি অংশ ধসে গিয়ে মাঝখানে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি থাকলেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন যানবাহন চলাচল করছে।
এদিকে সামনে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ঘিরে এ সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।
গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী অনুপ কুমার দে মুঠোফোনে জানান, বিষয়টি টুঙ্গিপাড়া পৌরসভাকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “গত ২৬ ফেব্রুয়ারি চিঠির মাধ্যমে পৌরসভাকে পানির লাইন মেরামতের জন্য জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।”
এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শাহিনুজ্জামান বলেন, “পানির লাইনের সমস্যাটি আমরা জেনেছি। দ্রুত এটি মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয় সিএনজি চালক রুবেল বলেন, “রাস্তার দুই পাশ থেকেই গাড়ি আসে। মাঝখানে রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় বাঁশ দিয়ে ঘেরাও করে রাখা হয়েছে। আমরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাচ্ছি।”
মাহিন্দ্রা চালক লিটু ফকির বলেন, “অনেকদিন ধরেই রাস্তার এই অবস্থা। কিন্তু সড়ক বিভাগ ও পৌরসভা এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”
ভ্যানচালক আব্দুল করিম বলেন, “প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে ভ্যান চালাই। এখানে আসলেই ভয় লাগে। উল্টো দিক থেকে গাড়ি এলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঈদ সামনে রেখে সড়কে যানবাহনের চাপ আরও বাড়বে। তাই দ্রুত পানির লাইন মেরামত করে সড়ক সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।




















