ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

তারাকান্দায় জাল নোটের আতঙ্কে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা

তারাকান্দা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৪১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় হাট-বাজারগুলোতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার জাল নোটের সরবরাহ অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে।এর মধ্যে রয়েছে ছোট বড় নোট, মুহূর্তের মধ্য এ ধরনের ছোট বড় লোক গুলো সক্রিয়ভাবে সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়ীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, ময়মনসিংহ তারাকান্দা উপজেলায় বিশেষ করে সাপ্তাহিক হাটের দিনগুলোতে এই চক্রটি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে। ভালো নোটের মাধ্যমে ভুয়া নোট, আসল টাকা চিনতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি পরিকল্পিত চক্র উপজেলার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতে জাল টাকা ছড়িয়ে দিচ্ছে। তারা সাধারণত ব্যস্ত সময়ে বা সন্ধ্যার পর ভিড়ের সুযোগ নিয়ে বড় নোট দিয়ে কম দামের পণ্য কেনে। এতে করে তারা সহজেই আসল টাকা ফেরত নিচ্ছেন। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে তারাকান্দা বাজার ও কাশগঞ্জ বাজার। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীণ আড়ত ও গবাদিপশুর হাটে এবংহাস মুরগির হাট গুলোতে এমনটা হয়ে থাকে।
তারাকান্দা বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান জানান, “গত সপ্তাহে এক ক্রেতা ১০০০ টাকার নোট দিয়ে শশা, কাঁচা মরিচ,লেবু ও গাজর কিনে নিয়ে যান। পরে তার বড় ভাই শাজাহান কে টাকা দিতে গিয়ে দেখি সেটি জাল। এদের মতো ছোট দোকানদারদের জন্য একদিনে ১০০০ টাকা হারানো অনেক বড় ক্ষতি।”
অন্যদিকে, সিএনজি চালক ও রিকশাচালকরাও এই বিপদে পড়ছেন। দ্রুত ভাড়া মিটিয়ে চলে যাওয়ার সময় নোট যাচাই করার সুযোগ পান না তারা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জাল নোটগুলো আসলের তুলনায় কিছুটা বেশি পিচ্ছিল এবং খসখসে ভাব কম থাকে। এছাড়া জলছাপ ও নিরাপত্তার সুতা আসল নোটের মতো নিখুঁত নয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাল নোট চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হউক। সাধারণ মানুষকে বড় অঙ্কের লেনদেনের সময় সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হউক। সেই সঙ্গে সন্দেহভাজন কাউকে দেখলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।
টাকা নেওয়ার সময় অবশ্যই জলছাপ ও খসখসে ভাব পরীক্ষা করে নিন, বড় বাজারে সম্ভব হলে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন ব্যবহার করুন, সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা চক্রের হদিস পেলে নিকটস্থ থানায় খবর দিন। বর্তমান রমজান মাসের ২০ থেকে শুরু করে জাল নোটের কারবারি বাড়বে ব্যাপক ভাবে। ঈদের ব্যস্ত সময়ে শপিং মহল গুলো সক্রিয়ভাবে জাল টাকা চিনার উপায় থাকে না বিধায়, জাল নোটের সরবরাহ অস্বাভাবিক হারে বেড়ে এতে করে আতঙ্কে জনসাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

তারাকান্দায় জাল নোটের আতঙ্কে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা

আপডেট সময় :

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় হাট-বাজারগুলোতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার জাল নোটের সরবরাহ অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে।এর মধ্যে রয়েছে ছোট বড় নোট, মুহূর্তের মধ্য এ ধরনের ছোট বড় লোক গুলো সক্রিয়ভাবে সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়ীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, ময়মনসিংহ তারাকান্দা উপজেলায় বিশেষ করে সাপ্তাহিক হাটের দিনগুলোতে এই চক্রটি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে। ভালো নোটের মাধ্যমে ভুয়া নোট, আসল টাকা চিনতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি পরিকল্পিত চক্র উপজেলার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতে জাল টাকা ছড়িয়ে দিচ্ছে। তারা সাধারণত ব্যস্ত সময়ে বা সন্ধ্যার পর ভিড়ের সুযোগ নিয়ে বড় নোট দিয়ে কম দামের পণ্য কেনে। এতে করে তারা সহজেই আসল টাকা ফেরত নিচ্ছেন। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে তারাকান্দা বাজার ও কাশগঞ্জ বাজার। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীণ আড়ত ও গবাদিপশুর হাটে এবংহাস মুরগির হাট গুলোতে এমনটা হয়ে থাকে।
তারাকান্দা বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান জানান, “গত সপ্তাহে এক ক্রেতা ১০০০ টাকার নোট দিয়ে শশা, কাঁচা মরিচ,লেবু ও গাজর কিনে নিয়ে যান। পরে তার বড় ভাই শাজাহান কে টাকা দিতে গিয়ে দেখি সেটি জাল। এদের মতো ছোট দোকানদারদের জন্য একদিনে ১০০০ টাকা হারানো অনেক বড় ক্ষতি।”
অন্যদিকে, সিএনজি চালক ও রিকশাচালকরাও এই বিপদে পড়ছেন। দ্রুত ভাড়া মিটিয়ে চলে যাওয়ার সময় নোট যাচাই করার সুযোগ পান না তারা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জাল নোটগুলো আসলের তুলনায় কিছুটা বেশি পিচ্ছিল এবং খসখসে ভাব কম থাকে। এছাড়া জলছাপ ও নিরাপত্তার সুতা আসল নোটের মতো নিখুঁত নয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাল নোট চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হউক। সাধারণ মানুষকে বড় অঙ্কের লেনদেনের সময় সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হউক। সেই সঙ্গে সন্দেহভাজন কাউকে দেখলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।
টাকা নেওয়ার সময় অবশ্যই জলছাপ ও খসখসে ভাব পরীক্ষা করে নিন, বড় বাজারে সম্ভব হলে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন ব্যবহার করুন, সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা চক্রের হদিস পেলে নিকটস্থ থানায় খবর দিন। বর্তমান রমজান মাসের ২০ থেকে শুরু করে জাল নোটের কারবারি বাড়বে ব্যাপক ভাবে। ঈদের ব্যস্ত সময়ে শপিং মহল গুলো সক্রিয়ভাবে জাল টাকা চিনার উপায় থাকে না বিধায়, জাল নোটের সরবরাহ অস্বাভাবিক হারে বেড়ে এতে করে আতঙ্কে জনসাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা ।