ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪

দখল ও দূষণে হারিয়ে যাচ্ছে দাগনভূঞার দত্ত খাল

শাখাওয়াত হোসেন টিপু, দাগনভূঞা 
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৬০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রাজাপুর বাজার সংলগ্ন দত্তের খালটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় আশপাশের ময়লা আবর্জনা ফেলে দখল-দূষণে বর্তমানে অনেকটা অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। খালটিতে হাট-বাজারের পলিথিন, বিস্কুট ও চিপসের প্যাকেটসহ অপচনশীল প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়মিত ফেলা হচ্ছে। রাজাপুর বাজারের কোথাও ডাস্টবিন না থাকায় সরাসরি পানিতে, কোথাও খালের পাড়ে ফেলা হচ্ছে এসব পরিত্যাক্ত বর্জ্য। খালের উপর নির্মিত ব্রীজের উত্তর পাশে কসাইখানায় জবাইকৃত গরুর বর্জ্য। এইসব আবর্জনা পঁচে দুর্গন্ধে আশপাশের পরিবেশ দূর্ষিত হচ্ছে। জবাই খানার পাশেই রয়েছে রাজাপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা ও একটি মসজিদ। এইসব আবর্জনা দুর্গন্ধে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও মসজিদের মুসল্লিদের। এবিষয়ে বারবার প্রতিবাদ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না ভূক্তভোগীরা। অপরদিকে একটি অসাধু চক্র এ দত্তের খালটি বন্দোবস্ত নিয়ে দখলের পাঁয়তারা চালালে স্থানীয় ভূমি অফিস বন্দোবস্তি বাতিলের জন্য মামলা করে।

জানা যায়, দত্তের খালটির পাশেই রয়েছে রাজাপুর বাজার, রাজাপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা, রাজাপুর ভূমি অফিস ও রাজাপুর ইউপির অস্থায়ী কার্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী স্থাপনা ও বসতবাড়ি। খালটির উত্তর পাশ দিয়ে বয়ে যায় ছোট ফেনী নদী। রাজাপুর বাজার সপ্তাহে রোববার ও বুধবার দুই দিন হাট বসে। বাজারটিতে কয়েক’শ দোকান রয়েছে এবং আশপাশের হাজার হাজার ক্রেতা বিক্রেতার সমাগম ঘটে। এছাড়াও বাজারটির উপরদিয়ে বয়ে গেছে ফেনী-দরবেশ হাট-সোনাইমুড়ি আন্ত মহাসড়ক।

স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ, দাগনভূঞা উপজেলায় রাজাপুর বাজারটি একটি ঐতিহ্যবাহী বাজার। এই বাজারে কৌশুল্য, সিন্দুরপুর, অলাতলী, কোরাইশমুন্সী, গজারিয়া, রামচন্দ্রপুর, বিরলী ও রতনপুরসহ আশপাশের মানুষ ক্রয় বিক্রয়সহ প্রয়োজনীয় এই কাজে আসেন। এই বাজারে প্রতিদিনকার আবর্জনা ও প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলার জন্য নেই নির্ধারিত কোনো ডাসবিন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম। তাই যার যার ইচ্ছেমতো যত্রতত্র ফেলছে খালে ফেলছে উচ্ছিষ্ট ময়লা-আবর্জনা। পচনশীল এসব ময়লার দুর্গন্ধে দূষিত হচ্ছে আশপাশের বাতাস। দূর্গন্ধে বিপাকে পড়তে হয় বাজারে আগত ক্রেতা ও ব্যবসায়ীকে। অপচনশীল প্লাস্টিক বর্জ্য বৃষ্টি ও বর্ষার পানির সঙ্গে নেমে যাচ্ছে খাল ও নদীতে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভ‚ক্তভোগীরা দত্তের খালটি রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি বাজারে একটি ডাস্টবিন ও শোচাগার নির্মানের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সচেতন করার দাবি জানান।

স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, এখানে ডাস্টবিন স্থাপন না করায় তাঁরা যত্রতত্র ময়লা ফেলছেন। তবে বিশেষ করে বাজারে খেলার মাঠের দক্ষিণ পশ্চিম কোনে ময়লার দূর্গন্ধে নিজেদেরই দোকানে থাকতে সমস্যা হয়। পথচারীদের সমস্যা তো হয়ই, দোকানে কাস্টমারও আসে না।

বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মতিন স্বপন বলেন, রাজাপুর বাজারের ব্যবসায়ীরা খুবই অসচেতন অনেক বার বলার পরও তারা দত্তের খালটিতে ময়লা ফেলছে।

রাজাপুর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম জানান, ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট কোন জায়গা না থাকায় বাজারের দোকানদাররা যত্রতত্র ময়লা ফেলছে। অন্যদিকে দত্তের খালটি একেবারে বাজারে পাশে হওয়ায় সবাই ময়লা-আবর্জনা খালের মধ্যে ফেলছে। এতে করে খালটি দিনদিন অস্তিত্ব হারাচ্ছে এবং পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
বাজারে আগত ক্রেতা সত্যপুর গ্রামের কামরুল হোসেন জানান, ‘রাজাপুর বাজারের পাশে খেলার মাঠের দক্ষিণ পশ্চিম কোনের খালের পাশে কসাইখানায় জবাইকৃত গরুর বর্জ্য ফেলায় দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম পাটোয়ারী ক্ষোভের সাথে বলেন, কেউ কারো কথা শুনছে না ছোট ফেনী নদীর শাখা খাল দত্তের ছরায় যে যার মত করে ময়লা-আবর্জনা ফেলছে। দিন দিন এই খালটি ছোট হয়ে আসছে। যা পরিবেশের জন্য হুমকি।

পরিবেশভিত্তিক সংগঠন ‘পরিবেশ ক্লাব অব ইয়ুথ নেটওয়ার্ক’ এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহাম্মদ জানান, নদীমাতৃক এই দেশের নদীসমূহ দিন-দিন বিলীন হয়ে যাচ্ছে, আমরাই প্রতিনিয়ত নদী শাসন করছি, করছি খাল-নদী দূষণ এভাবে প্রতিনিয়ত নদ-নদী, খাল-বিলে দূষণ চলতে থাকলে নদী তার নাব্যতা হারাবে, পরিবেশের সৃষ্টি হবে বিপর্যয়। তিনি আরও জানান, অপচনশীল বর্জ্য ময়লা-আবর্জনায় পরিবেশ দূষণের মাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ইতিমধ্যে প্লাস্টিক বর্জ্য নদীর পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইকোসিস্টেম নষ্ট করছে এসব প্লাস্টিকের বর্জ্য। সময় থাকতে নদ-নদী কিংবা পরিবেশের যতœ নিতে হবে। এতে পরিবেশ হয়ে উঠবে নির্মল বাসযোগ্য।

রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিন মামুন জানান, দত্তের খালটি একটি মহল নিজেদের মৎস্যচাষী সাজিয়ে বন্দোবস্তি নিয়ে জবর দখলের পাঁয়তারা করছে এবং ময়লা-আবর্জনা ফেলে ভরাট করছে। এতে খালটি অস্তিত্ব হারাচ্ছে এবং আশপাশের পরিবেশ দূর্ষন করছে। দত্তের খালটি ও বাজারের পরিবেশ রক্ষায় পরিষদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান।

রাজাপুর ইউপির তহসিলদার মো. তাজুল ইসলাম জানান, যারা বন্দোবস্ত নিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দখল ও দূষণে হারিয়ে যাচ্ছে দাগনভূঞার দত্ত খাল

আপডেট সময় : ০২:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রাজাপুর বাজার সংলগ্ন দত্তের খালটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় আশপাশের ময়লা আবর্জনা ফেলে দখল-দূষণে বর্তমানে অনেকটা অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। খালটিতে হাট-বাজারের পলিথিন, বিস্কুট ও চিপসের প্যাকেটসহ অপচনশীল প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়মিত ফেলা হচ্ছে। রাজাপুর বাজারের কোথাও ডাস্টবিন না থাকায় সরাসরি পানিতে, কোথাও খালের পাড়ে ফেলা হচ্ছে এসব পরিত্যাক্ত বর্জ্য। খালের উপর নির্মিত ব্রীজের উত্তর পাশে কসাইখানায় জবাইকৃত গরুর বর্জ্য। এইসব আবর্জনা পঁচে দুর্গন্ধে আশপাশের পরিবেশ দূর্ষিত হচ্ছে। জবাই খানার পাশেই রয়েছে রাজাপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা ও একটি মসজিদ। এইসব আবর্জনা দুর্গন্ধে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও মসজিদের মুসল্লিদের। এবিষয়ে বারবার প্রতিবাদ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না ভূক্তভোগীরা। অপরদিকে একটি অসাধু চক্র এ দত্তের খালটি বন্দোবস্ত নিয়ে দখলের পাঁয়তারা চালালে স্থানীয় ভূমি অফিস বন্দোবস্তি বাতিলের জন্য মামলা করে।

জানা যায়, দত্তের খালটির পাশেই রয়েছে রাজাপুর বাজার, রাজাপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা, রাজাপুর ভূমি অফিস ও রাজাপুর ইউপির অস্থায়ী কার্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী স্থাপনা ও বসতবাড়ি। খালটির উত্তর পাশ দিয়ে বয়ে যায় ছোট ফেনী নদী। রাজাপুর বাজার সপ্তাহে রোববার ও বুধবার দুই দিন হাট বসে। বাজারটিতে কয়েক’শ দোকান রয়েছে এবং আশপাশের হাজার হাজার ক্রেতা বিক্রেতার সমাগম ঘটে। এছাড়াও বাজারটির উপরদিয়ে বয়ে গেছে ফেনী-দরবেশ হাট-সোনাইমুড়ি আন্ত মহাসড়ক।

স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ, দাগনভূঞা উপজেলায় রাজাপুর বাজারটি একটি ঐতিহ্যবাহী বাজার। এই বাজারে কৌশুল্য, সিন্দুরপুর, অলাতলী, কোরাইশমুন্সী, গজারিয়া, রামচন্দ্রপুর, বিরলী ও রতনপুরসহ আশপাশের মানুষ ক্রয় বিক্রয়সহ প্রয়োজনীয় এই কাজে আসেন। এই বাজারে প্রতিদিনকার আবর্জনা ও প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলার জন্য নেই নির্ধারিত কোনো ডাসবিন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম। তাই যার যার ইচ্ছেমতো যত্রতত্র ফেলছে খালে ফেলছে উচ্ছিষ্ট ময়লা-আবর্জনা। পচনশীল এসব ময়লার দুর্গন্ধে দূষিত হচ্ছে আশপাশের বাতাস। দূর্গন্ধে বিপাকে পড়তে হয় বাজারে আগত ক্রেতা ও ব্যবসায়ীকে। অপচনশীল প্লাস্টিক বর্জ্য বৃষ্টি ও বর্ষার পানির সঙ্গে নেমে যাচ্ছে খাল ও নদীতে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভ‚ক্তভোগীরা দত্তের খালটি রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি বাজারে একটি ডাস্টবিন ও শোচাগার নির্মানের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সচেতন করার দাবি জানান।

স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, এখানে ডাস্টবিন স্থাপন না করায় তাঁরা যত্রতত্র ময়লা ফেলছেন। তবে বিশেষ করে বাজারে খেলার মাঠের দক্ষিণ পশ্চিম কোনে ময়লার দূর্গন্ধে নিজেদেরই দোকানে থাকতে সমস্যা হয়। পথচারীদের সমস্যা তো হয়ই, দোকানে কাস্টমারও আসে না।

বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মতিন স্বপন বলেন, রাজাপুর বাজারের ব্যবসায়ীরা খুবই অসচেতন অনেক বার বলার পরও তারা দত্তের খালটিতে ময়লা ফেলছে।

রাজাপুর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম জানান, ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট কোন জায়গা না থাকায় বাজারের দোকানদাররা যত্রতত্র ময়লা ফেলছে। অন্যদিকে দত্তের খালটি একেবারে বাজারে পাশে হওয়ায় সবাই ময়লা-আবর্জনা খালের মধ্যে ফেলছে। এতে করে খালটি দিনদিন অস্তিত্ব হারাচ্ছে এবং পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
বাজারে আগত ক্রেতা সত্যপুর গ্রামের কামরুল হোসেন জানান, ‘রাজাপুর বাজারের পাশে খেলার মাঠের দক্ষিণ পশ্চিম কোনের খালের পাশে কসাইখানায় জবাইকৃত গরুর বর্জ্য ফেলায় দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম পাটোয়ারী ক্ষোভের সাথে বলেন, কেউ কারো কথা শুনছে না ছোট ফেনী নদীর শাখা খাল দত্তের ছরায় যে যার মত করে ময়লা-আবর্জনা ফেলছে। দিন দিন এই খালটি ছোট হয়ে আসছে। যা পরিবেশের জন্য হুমকি।

পরিবেশভিত্তিক সংগঠন ‘পরিবেশ ক্লাব অব ইয়ুথ নেটওয়ার্ক’ এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহাম্মদ জানান, নদীমাতৃক এই দেশের নদীসমূহ দিন-দিন বিলীন হয়ে যাচ্ছে, আমরাই প্রতিনিয়ত নদী শাসন করছি, করছি খাল-নদী দূষণ এভাবে প্রতিনিয়ত নদ-নদী, খাল-বিলে দূষণ চলতে থাকলে নদী তার নাব্যতা হারাবে, পরিবেশের সৃষ্টি হবে বিপর্যয়। তিনি আরও জানান, অপচনশীল বর্জ্য ময়লা-আবর্জনায় পরিবেশ দূষণের মাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ইতিমধ্যে প্লাস্টিক বর্জ্য নদীর পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইকোসিস্টেম নষ্ট করছে এসব প্লাস্টিকের বর্জ্য। সময় থাকতে নদ-নদী কিংবা পরিবেশের যতœ নিতে হবে। এতে পরিবেশ হয়ে উঠবে নির্মল বাসযোগ্য।

রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিন মামুন জানান, দত্তের খালটি একটি মহল নিজেদের মৎস্যচাষী সাজিয়ে বন্দোবস্তি নিয়ে জবর দখলের পাঁয়তারা করছে এবং ময়লা-আবর্জনা ফেলে ভরাট করছে। এতে খালটি অস্তিত্ব হারাচ্ছে এবং আশপাশের পরিবেশ দূর্ষন করছে। দত্তের খালটি ও বাজারের পরিবেশ রক্ষায় পরিষদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান।

রাজাপুর ইউপির তহসিলদার মো. তাজুল ইসলাম জানান, যারা বন্দোবস্ত নিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি চলমান রয়েছে।