ঢাকা ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজারে গ্যাস পাম্প বিস্ফোরণ

দগ্ধদের চিকিৎসা চলছে, দায় এড়াতে তৎপরতা

কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৬২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় গ্যাস ফিলিং স্টেশনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় ১৬ জন দগ্ধ হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের মৃত্যু সহ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এদিকে দুর্ঘটনার পর দায় এড়াতে তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে।
গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট প্রায় পাঁচ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দগ্ধদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালসহ চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আগুনে অন্তত ১০টি বসতবাড়ি ও ২০-২৫টি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে প্রাথমিকভাবে কারিগরি ত্রুটি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির কথা বলা হয়েছে। ফিলিং স্টেশনটির অনুমোদন ও নিরাপত্তা মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে অনুসন্ধানে জানা গেছে, এত বড় দুর্ঘটনার দায় থেকে বাঁচতে গ্যাস ফিলিং স্টেশনটির মালিকপক্ষ সক্রিয়ভাবে তৎপর রয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, কলাতলির জনৈক আবসার মালিকপক্ষের হয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিতরণের করে যাচ্ছে ।
অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও প্রভাবশালী কর্তা ব্যক্তিদের ‘ম্যানেজ’ করে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত ও ধামাচাপা দেওয়ার চক্রান্ত চলছে।
ফিলিং স্টেশনের মালিক এন আলমের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচনায় এসেছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও ক্ষতিগ্রস্তরা মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। দায় প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের পাশাপাশি ক্ষোভ ও বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস ফিলিং স্টেশনের মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের দুর্ঘটনা পুনরাবৃত্তি ঘটতেই থাকবে।।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কক্সবাজারে গ্যাস পাম্প বিস্ফোরণ

দগ্ধদের চিকিৎসা চলছে, দায় এড়াতে তৎপরতা

আপডেট সময় :

কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় গ্যাস ফিলিং স্টেশনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় ১৬ জন দগ্ধ হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের মৃত্যু সহ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এদিকে দুর্ঘটনার পর দায় এড়াতে তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে।
গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট প্রায় পাঁচ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দগ্ধদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালসহ চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আগুনে অন্তত ১০টি বসতবাড়ি ও ২০-২৫টি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে প্রাথমিকভাবে কারিগরি ত্রুটি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির কথা বলা হয়েছে। ফিলিং স্টেশনটির অনুমোদন ও নিরাপত্তা মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে অনুসন্ধানে জানা গেছে, এত বড় দুর্ঘটনার দায় থেকে বাঁচতে গ্যাস ফিলিং স্টেশনটির মালিকপক্ষ সক্রিয়ভাবে তৎপর রয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, কলাতলির জনৈক আবসার মালিকপক্ষের হয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিতরণের করে যাচ্ছে ।
অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও প্রভাবশালী কর্তা ব্যক্তিদের ‘ম্যানেজ’ করে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত ও ধামাচাপা দেওয়ার চক্রান্ত চলছে।
ফিলিং স্টেশনের মালিক এন আলমের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচনায় এসেছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও ক্ষতিগ্রস্তরা মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। দায় প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের পাশাপাশি ক্ষোভ ও বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস ফিলিং স্টেশনের মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের দুর্ঘটনা পুনরাবৃত্তি ঘটতেই থাকবে।।