ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

দু’দিনের চীন সফরে পুতিন

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৫:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪ ৫০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বৃহস্পতিবার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মার্চের নির্বাচনে পুনরায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই পুতিনের প্রথম বিদেশ সফর।

পুতিন বেইজিংয়ে এসে পৌঁছানোর পর চীনা কর্মকর্তারা স্বাগত জানান এবং গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

পুতিনের সফরসূচী অনুযায়ী বৃহস্পতিবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ছাড়াও পুতিন ইউক্রেনে তার যুদ্ধ প্রচেষ্টা এবং দেশের বিচ্ছিন্ন অর্থনীতির জন্যে ব্যাপক সহায়তা পাওয়ার চেষ্টা করবেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

দুই দেশের সম্পর্কের ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপন করবেন। বেইজিং সফরের প্রাক্কালে চীনের সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পুতিন ইউক্রেন সংকট মোকাবেলায় বেইজিংয়ের প্রকৃত ইচ্ছার প্রশংসা করেন।

তিনি বলেছেন, ইউক্রেন সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে চীনের পরিকল্পনায় তাঁর সমর্থন রয়েছে। কারণ, ইউক্রেন সংকটের পেছনের কারণগুলো সম্পর্কে বেইজিংয়ের পূর্ণ ধারণা আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দু’দিনের চীন সফরে পুতিন

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪

 

দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বৃহস্পতিবার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মার্চের নির্বাচনে পুনরায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই পুতিনের প্রথম বিদেশ সফর।

পুতিন বেইজিংয়ে এসে পৌঁছানোর পর চীনা কর্মকর্তারা স্বাগত জানান এবং গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

পুতিনের সফরসূচী অনুযায়ী বৃহস্পতিবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ছাড়াও পুতিন ইউক্রেনে তার যুদ্ধ প্রচেষ্টা এবং দেশের বিচ্ছিন্ন অর্থনীতির জন্যে ব্যাপক সহায়তা পাওয়ার চেষ্টা করবেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

দুই দেশের সম্পর্কের ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপন করবেন। বেইজিং সফরের প্রাক্কালে চীনের সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পুতিন ইউক্রেন সংকট মোকাবেলায় বেইজিংয়ের প্রকৃত ইচ্ছার প্রশংসা করেন।

তিনি বলেছেন, ইউক্রেন সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে চীনের পরিকল্পনায় তাঁর সমর্থন রয়েছে। কারণ, ইউক্রেন সংকটের পেছনের কারণগুলো সম্পর্কে বেইজিংয়ের পূর্ণ ধারণা আছে।