ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

দুর্গাপুরে পুুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে চুরি

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। বাড়িতে কোন লোকজন না থাকার সুযোগে ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে চোর। গত ১৮ এপ্রিল গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে দুর্গাপুরের পাইকপাড়া গ্রামের নিলীমা আক্তার দুর্গাপুর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মঙ্গলবার দুর্গাপুর থানায় অভিযোগ করেন। গতকাল শনিবার পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
ওই পুুলিশ কর্মকর্তা রাজারবাগ পুলিশ লাইনের এসআই মোজাম্মেল হোসেন ও তার চাচাত ভাই ময়মনসিংহের ভালুকা থানার ওসি কামরুল ইসলাম। তারা সকলেরই চাকুরির সুবাদে বাড়ির বাইরে অবস্থান করেন।
অভিযোগে জানা গেছে, নেত্রকোনার দুর্গাপুরের পাইকপাড়া গ্রামের মৃত নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী সাহেরা খাতুন, মেয়ে নিলীমা ও প্রতিবন্ধী ছেলে রানাকে নিয়ে বাড়িতে থাকেন। তারা গত ১৭ এপ্রিল বিকেলে নিজ বসত বাড়িতে তালা লাগিয়ে চিকিৎসার ও হাট- বাজার করার জন্য পার্শ্ববতী কলমাকান্দার সিধলী বাজারে যান। কলমাকান্দায় ডাক্তার দেখিয়ে বাড়িতে না গিয়ে সিধলী ছেলে- মেয়েকে নিয়ে মেয়ের বাড়িতে থেকে যান। পরে ২০ এপ্রিল সোমবার দুপুর ১টার দিকে বাড়িতে ফিরে দেখতে পান অজ্ঞাতনামা চোর সুযোগ বুঝে বসত বাড়ির টিনের চালের স্কু- নাট- বল্টু খুলে ঘরের ভেতর প্রবেশ করে ট্রাঙ্কের ভেতর থাকা ব্রিফকেসের লগ খুলে কানের এক জোড়্ সোনার দুল, ২টি সোনার নাক ফুল, হাতর একটি সোনার আংটি, একটি সোনার বেসলেট ও একটি সোনার গলার হার যার ওজন ৬ ভরি ওজনের সোনার গহনা ও পায়ের ২টি নুপুর নিয়ে গেছে। যার আনুমানিক মূল্য ১৫ লক্ষ টাকা। বিষয়টি এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য জানান। এ ব্যাপারে সাহেরা খাতুনের মেয়ে নিলীমা আক্তার বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে গতকাল শনিবার পর্যন্ত পুলিশ চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি।
রাজারবাগ পুলিশ ফাড়ির এসআই মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ভালুকা থানার ওসি কামরুল ইসলাম আমার চাচাত ভাই। আমরা বাড়িতে থাকি না চাকুরির সুবাদে বেশীরভাগ সময় বাইরে থাকতে হয়। বাড়িতে আমার বৃদ্ধা মা, এক বোন ও প্রতিবন্ধী ছোট ভাই থাকে। ঘটনার সময় ওরা বাড়িতে ছিলনা। এই সুযোগে চুরি সংগঠিত হয়েছে। এ ঘটনায় দুর্গাপুর থানায় অভিযোগ করেছে আমার বোন। কিন্তু দুইদির পাড় হয়ে গেলেও চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দুর্গাপুরে পুুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে চুরি

আপডেট সময় :

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। বাড়িতে কোন লোকজন না থাকার সুযোগে ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে চোর। গত ১৮ এপ্রিল গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে দুর্গাপুরের পাইকপাড়া গ্রামের নিলীমা আক্তার দুর্গাপুর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মঙ্গলবার দুর্গাপুর থানায় অভিযোগ করেন। গতকাল শনিবার পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
ওই পুুলিশ কর্মকর্তা রাজারবাগ পুলিশ লাইনের এসআই মোজাম্মেল হোসেন ও তার চাচাত ভাই ময়মনসিংহের ভালুকা থানার ওসি কামরুল ইসলাম। তারা সকলেরই চাকুরির সুবাদে বাড়ির বাইরে অবস্থান করেন।
অভিযোগে জানা গেছে, নেত্রকোনার দুর্গাপুরের পাইকপাড়া গ্রামের মৃত নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী সাহেরা খাতুন, মেয়ে নিলীমা ও প্রতিবন্ধী ছেলে রানাকে নিয়ে বাড়িতে থাকেন। তারা গত ১৭ এপ্রিল বিকেলে নিজ বসত বাড়িতে তালা লাগিয়ে চিকিৎসার ও হাট- বাজার করার জন্য পার্শ্ববতী কলমাকান্দার সিধলী বাজারে যান। কলমাকান্দায় ডাক্তার দেখিয়ে বাড়িতে না গিয়ে সিধলী ছেলে- মেয়েকে নিয়ে মেয়ের বাড়িতে থেকে যান। পরে ২০ এপ্রিল সোমবার দুপুর ১টার দিকে বাড়িতে ফিরে দেখতে পান অজ্ঞাতনামা চোর সুযোগ বুঝে বসত বাড়ির টিনের চালের স্কু- নাট- বল্টু খুলে ঘরের ভেতর প্রবেশ করে ট্রাঙ্কের ভেতর থাকা ব্রিফকেসের লগ খুলে কানের এক জোড়্ সোনার দুল, ২টি সোনার নাক ফুল, হাতর একটি সোনার আংটি, একটি সোনার বেসলেট ও একটি সোনার গলার হার যার ওজন ৬ ভরি ওজনের সোনার গহনা ও পায়ের ২টি নুপুর নিয়ে গেছে। যার আনুমানিক মূল্য ১৫ লক্ষ টাকা। বিষয়টি এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য জানান। এ ব্যাপারে সাহেরা খাতুনের মেয়ে নিলীমা আক্তার বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে গতকাল শনিবার পর্যন্ত পুলিশ চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি।
রাজারবাগ পুলিশ ফাড়ির এসআই মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ভালুকা থানার ওসি কামরুল ইসলাম আমার চাচাত ভাই। আমরা বাড়িতে থাকি না চাকুরির সুবাদে বেশীরভাগ সময় বাইরে থাকতে হয়। বাড়িতে আমার বৃদ্ধা মা, এক বোন ও প্রতিবন্ধী ছোট ভাই থাকে। ঘটনার সময় ওরা বাড়িতে ছিলনা। এই সুযোগে চুরি সংগঠিত হয়েছে। এ ঘটনায় দুর্গাপুর থানায় অভিযোগ করেছে আমার বোন। কিন্তু দুইদির পাড় হয়ে গেলেও চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চলছে।