ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

দৌলতপুরে সাংবাদিক নিয়ে অপপ্রচার, থানা ও সেনা ক্যাম্পে অভিযোগ

ছাবিনা দিলরুবা, মানিকগঞ্জ
  • আপডেট সময় : ১১১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার খলসি ইউনিয়নের খলসি পুরাতন বাজারে মেসার্স রবিন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোঃ ফরহাদের বিরুদ্ধে ৫০ বস্তা ডিএপি সার আনুমানিক দুই ঘন্টার মধ্যে সার গায়েব হওয়া তথ্য জানতে গিয়ে ও সাংবাদিকের দুটি মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে শারীরিক লাঞ্ছিত সহ ফেসবুকে অপপ্রচার করার অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় গত শুক্রবার দুপুরে আনুমানিক ২টার দিকে খলসী ইউনিয়নের খলশী বাজারের সারের ডিলার ফরহাদের দোকানে সরকারি বরাদ্দের ৫০ বস্তা ডিএপি সার আসে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। তবে মাত্র দুই–তিন ঘণ্টার ব্যবধানে সারগুলোর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি ।
শক্রবার সন্ধায় ঘটনার পর সন্ধ্যায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হেলাল কে সাংবাদিক মুঠোফোনে অবগত করলে তিনি বলেন,
“ শনিবার দুপুরে ডিলার ফরহাদের কাছে আসবে বলে জানান , আপনিও আসতে পারেন বা কাজ থাকলে যেতে পারেন ,সরেজমিনে ৫০ বস্তা গায়েব হওয়া সার রেজিস্টার চেক করে দেখবেন, ৫০ বস্তুা ডিএপি সার ডিলারের ফরহাদ এর রেজিস্ট্রারে সততা ও খলসি ৪ নং ওয়ার্ডের জনগণ পেয়েছেন কিনা।
পরদিন (১৫ নভেম্বর) শনিবার আনুমানিক দুপুর ১২টার দিকে তিনজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হেলাল, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রেজাউল করিম, উপহকারী কৃষি কর্মকর্তা সজীব কুমার এদের উপস্থিতিতে সাংবাদিক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ফরহাদের দোকানে গেলে ফরহাদের ছেলে রানা ও তার ভাতিজা বাদশা এবং তার সহযোগী সন্ত্রাসী চক্র সাংবাদিকদের উপর চড়াও হয়ে শারীরিক লাঞ্ছিত করে, কেড়ে নেয় দুটি মোবাইল। প্রায় দু’ঘন্টা পরে ঘিওর উপজেলার আরও দুইজন সাংবাদিক ফরিদ ও সাংবাদিক জীবন চলে আসেন। তারা সাংবাদিক লাঞ্ছিত ও মোবাইল কেড়ে নেওয়ার বিষয় অবগত হন। দৈনিক স্বাধীন সংবাদ-এর সাংবাদিক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম কে একা পেয়ে তিনজন উপসহকারী কৃষি অফিসার, উপসহকারী কৃষি অফিসার মোঃ হেলাল, উপসহকারী কৃষি অফিসার মোঃ রেজাউল করিম, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সজীব কুমার এদের উপস্হিতিতে দুটি মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে, তাদের ফোন দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ডিডিও করে আনুমানিক ৪ ঘন্টা শারীরিক লাঞ্চিত ও হেনেস্তা করেন এবং উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তার সামনেই অসৌজন্যমূলক আচরণ করে।
ঘটনাটি এমন পরিস্থিতি হলে নিকটবর্তী ঘিওর উপজেলার আরও দুই সাংবাদিক ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এদিকে ডিলার ফরহাদ ফোন করে তাদের অনুসারী লোকের সামনে মোবাইল ফেরত পেয়েছে মর্মে সাদা কাগজে স্বাক্ষর আদায় করে ডিলার ফরহাদ মোবাইল ফোনগুলো ফেরত দেয়। মোবাইলের মধ্যে থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে আসার পরে ডিলারের অনুসারী স্যোসাল মিডিয়ায় সাংবাদিকের ভিডিও ও ছবি দিয়ে মিথ্যা ভীতিহীন অপ্রচার ও চাঁদা তুলতে এসে সাংবাদিক কে আটক রাখার অপপ্রচার করে, Md pavel Rahman , Md Nahid khan, Md Rana khan ইত্যাদি একাদিক ফেসবুক আইডি থেকে সম্পতি আবার কিছু কিছু আইডি থেকে পোস্ট ডিলেট করে দেয়।
স্হানীয় ডিলার ফরহাদসহ এর ছেলে, ভাতিজা বাদশা তার তার সন্ত্রাসী চক্রের কারণে ভয়ে মুখ খুলতে পারেন না এবং সাংবাদিক কে বিনা কারণে শারীরিক লাঞ্ছিত করার ঘটনাকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সুশীল সমাজে সাংবাদিকদের বস্তুুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করা খুবই লাজুক হয়ে পড়েছে। এবিষয়ে অভিযুক্ত, ফেসবুকে অপ্রচারকারীদেরসহ ডিলার ফরহাদ চক্রদের নামে, ভুক্তভোগী সাংবাদিক মানিকগঞ্জ সেনা ক্যাম্প ও দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনার বিষয়ে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন— প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মানিকগঞ্জ জেলার উপপরিচালক কৃষিবিদ শাহজাহান সিরাজ বলেন, সাংবাদিকের সাথে এমন আচরণ করায় বিষয় টি আমরা দেখব।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দৌলতপুরে সাংবাদিক নিয়ে অপপ্রচার, থানা ও সেনা ক্যাম্পে অভিযোগ

আপডেট সময় :

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার খলসি ইউনিয়নের খলসি পুরাতন বাজারে মেসার্স রবিন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোঃ ফরহাদের বিরুদ্ধে ৫০ বস্তা ডিএপি সার আনুমানিক দুই ঘন্টার মধ্যে সার গায়েব হওয়া তথ্য জানতে গিয়ে ও সাংবাদিকের দুটি মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে শারীরিক লাঞ্ছিত সহ ফেসবুকে অপপ্রচার করার অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় গত শুক্রবার দুপুরে আনুমানিক ২টার দিকে খলসী ইউনিয়নের খলশী বাজারের সারের ডিলার ফরহাদের দোকানে সরকারি বরাদ্দের ৫০ বস্তা ডিএপি সার আসে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। তবে মাত্র দুই–তিন ঘণ্টার ব্যবধানে সারগুলোর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি ।
শক্রবার সন্ধায় ঘটনার পর সন্ধ্যায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হেলাল কে সাংবাদিক মুঠোফোনে অবগত করলে তিনি বলেন,
“ শনিবার দুপুরে ডিলার ফরহাদের কাছে আসবে বলে জানান , আপনিও আসতে পারেন বা কাজ থাকলে যেতে পারেন ,সরেজমিনে ৫০ বস্তা গায়েব হওয়া সার রেজিস্টার চেক করে দেখবেন, ৫০ বস্তুা ডিএপি সার ডিলারের ফরহাদ এর রেজিস্ট্রারে সততা ও খলসি ৪ নং ওয়ার্ডের জনগণ পেয়েছেন কিনা।
পরদিন (১৫ নভেম্বর) শনিবার আনুমানিক দুপুর ১২টার দিকে তিনজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হেলাল, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রেজাউল করিম, উপহকারী কৃষি কর্মকর্তা সজীব কুমার এদের উপস্থিতিতে সাংবাদিক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ফরহাদের দোকানে গেলে ফরহাদের ছেলে রানা ও তার ভাতিজা বাদশা এবং তার সহযোগী সন্ত্রাসী চক্র সাংবাদিকদের উপর চড়াও হয়ে শারীরিক লাঞ্ছিত করে, কেড়ে নেয় দুটি মোবাইল। প্রায় দু’ঘন্টা পরে ঘিওর উপজেলার আরও দুইজন সাংবাদিক ফরিদ ও সাংবাদিক জীবন চলে আসেন। তারা সাংবাদিক লাঞ্ছিত ও মোবাইল কেড়ে নেওয়ার বিষয় অবগত হন। দৈনিক স্বাধীন সংবাদ-এর সাংবাদিক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম কে একা পেয়ে তিনজন উপসহকারী কৃষি অফিসার, উপসহকারী কৃষি অফিসার মোঃ হেলাল, উপসহকারী কৃষি অফিসার মোঃ রেজাউল করিম, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সজীব কুমার এদের উপস্হিতিতে দুটি মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে, তাদের ফোন দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ডিডিও করে আনুমানিক ৪ ঘন্টা শারীরিক লাঞ্চিত ও হেনেস্তা করেন এবং উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তার সামনেই অসৌজন্যমূলক আচরণ করে।
ঘটনাটি এমন পরিস্থিতি হলে নিকটবর্তী ঘিওর উপজেলার আরও দুই সাংবাদিক ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এদিকে ডিলার ফরহাদ ফোন করে তাদের অনুসারী লোকের সামনে মোবাইল ফেরত পেয়েছে মর্মে সাদা কাগজে স্বাক্ষর আদায় করে ডিলার ফরহাদ মোবাইল ফোনগুলো ফেরত দেয়। মোবাইলের মধ্যে থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে আসার পরে ডিলারের অনুসারী স্যোসাল মিডিয়ায় সাংবাদিকের ভিডিও ও ছবি দিয়ে মিথ্যা ভীতিহীন অপ্রচার ও চাঁদা তুলতে এসে সাংবাদিক কে আটক রাখার অপপ্রচার করে, Md pavel Rahman , Md Nahid khan, Md Rana khan ইত্যাদি একাদিক ফেসবুক আইডি থেকে সম্পতি আবার কিছু কিছু আইডি থেকে পোস্ট ডিলেট করে দেয়।
স্হানীয় ডিলার ফরহাদসহ এর ছেলে, ভাতিজা বাদশা তার তার সন্ত্রাসী চক্রের কারণে ভয়ে মুখ খুলতে পারেন না এবং সাংবাদিক কে বিনা কারণে শারীরিক লাঞ্ছিত করার ঘটনাকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সুশীল সমাজে সাংবাদিকদের বস্তুুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করা খুবই লাজুক হয়ে পড়েছে। এবিষয়ে অভিযুক্ত, ফেসবুকে অপ্রচারকারীদেরসহ ডিলার ফরহাদ চক্রদের নামে, ভুক্তভোগী সাংবাদিক মানিকগঞ্জ সেনা ক্যাম্প ও দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনার বিষয়ে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন— প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মানিকগঞ্জ জেলার উপপরিচালক কৃষিবিদ শাহজাহান সিরাজ বলেন, সাংবাদিকের সাথে এমন আচরণ করায় বিষয় টি আমরা দেখব।