ঢাকা ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

নরসিংদীতে অবৈধ অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ এখন বড় চ্যালেঞ্জ

নরসিংদী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনকে ঘিরে অবৈধ অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সহিংসতা এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী অতিতে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করা এবং অপরাধ চক্রকে দমন করার উপর জোর দিচ্ছে। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পূর্বে ২০২৪ইং সালের ১৯ জুলাই নরসিংদী জেলা কারাগারে হামলা, ব্যাপক ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় কারাগার থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার উল্লাহ বাংলা টিমের ৯ জন জঙ্গিসহ ৮২৬ জন কারাবন্দী পালিয়ে যায় এবং লুট করা হয় ৮৪টি আগ্নিয়াস্ত্র ও ৭ হাজারের অধিক গোলাবারুদ। ইতিমধ্যে পলাতক কারাবন্দিদের মধ্যে স্ব-ইচ্ছায় আত্মসমর্পণ ও গ্রেপ্তারসহ মোট ৬৪৪ জন বন্দিকে আইনের আওতায় আনা হলেও এখনো পর্যন্ত ১৫১ জন কারাবন্দি ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। অপর দিকে কারাগার থেকে লুট হওয়া আগ্নিয়াস্ত্রের মধ্যে ৫৮টি আগ্নিয়াস্ত্র উদ্ধার করা হলেও এখনো পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি ২৭টি আগ্নিয়াস্ত্র এবং ৫ হাজারেরও অধিক গোলাবারুদ। ২০২৪ইং সালের ৫ আগস্ট এরপর থেকে চলতি সালের নভেম্বর পর্যন্ত গত ১৫ মাসে নরসিংদীর ৬টি উপজেলায় ১৩৫টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। আর এ সকল খুনের ঘটনা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মাদক ব্যবসা, বালু ব্যবসা এবং এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে প্রতিনিয়ত ঘটে আসছে। এতে করে ব্যবসায়ী মহলসহ এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎকন্ঠা বিরাজ করছে এবং আতংকের মধ্যে দিনাতিপাত করছে। বিষয়টি নিয়ে নরসিংদী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফারুক এর সাথে আলাপ করলে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রনই আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আইন শৃংখলা পরিস্থিতির জন্য এটা হুমকিও। আমি সবগুলো থানাকে বলে দিয়েছি যে কোন মূলেই হউক অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। তিনি আরো বলেন, প্রত্যেকটি খুনের ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং আসামীদের শনাক্ত করা হয়েছে। অধিকাংশ আসামীকে গ্রেফতার এবং অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া নরসিংদীর মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় বা কিছু করা প্রয়োজন আইন শৃংখলা বাহিনী সবকিছু করে যাচ্ছে এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হচ্ছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে লুট হওয়া অস্ত্র আসামী নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে। এসব পড়ে থাকেনা, এগুলো একাধিক হাত ইতিমধ্যে বদল হয়েছে এবং সন্ত্রাসীদের কাছে পৌছে গেছে। এসব অস্ত্র উদ্ধার করা এখন জরুরী হয়ে পড়েছে। তানাহলে আইন শৃংখলার অবনতি হতে পারে। পুলিশের অপর একটি সূত্র জানায়, একবার আগ্নেয়াস্ত্র হাতছাড়া হয়ে গেলে তা উদ্ধার করা খুবই কঠিন। এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসীরা এ সকল অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বেঁচাকেনা করে থাকে। তবে এ সকল অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ব্যাপারে আইন শৃংখলা বাহিনীও তৎপর রয়েছে।
নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মো: রাশেদুল হাসান রিন্টু এর সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন অতি তাড়াতাড়ি নরসিংদী জেলার আইন শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নয়ন না হলে ব্যবসায়িক পরিবেশ ভালো হবেনা। তাই অবৈধ অস্ত্রধারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং তাদের নিকট থেকে অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। তাহলেই আইন শৃংখলার পরিবেশ ফিরে আসবে এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ ভালো হবে। তিনি আরো বলেন, নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে লুট হওয়া আগ্নিয়াস্ত্র এবং গুলি এখানকার সন্ত্রাসীরা ব্যবহার করছে। তারাই খুন খারাপি করছে। এতে করে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
নরসিংদী জেলা কারাগারের দায়িত্বে নিয়োজিত জেল সুপার মো: তারেক কামাল বলেন, পালিয়ে যাওয়া কারাবন্দিদের সরকার সাধারণ ক্ষমা করার পরও এখনো পর্যন্ত যারা আত্মসমর্পণ করেনি এবং অস্ত্র জমা দেননি তারা অবশ্যই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নন। তাদেরকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। নরসিংদী জেলা পুলিশ জানিয়েছে ২০২৫ সালের জানুয়ারী থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১০ মাসে ১০৫ জন অস্ত্রধারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৫২ টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ৬ হাজার ৭৭৮ কেজি গাঁজাসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
গত ১০ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে: জেনারেল (অব:) মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী নরসিংদীতে আসেন এবং নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় এখনো পর্যন্ত অবৈধ অস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে রয়েছে বলে উল্লেখ করে বলেন, নরসিংদীর রায়পুরাতে সন্ত্রাসীদের হাতে অসংখ্য আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। এগুলো উদ্ধার করার জন্য অতি তাড়াতাড়ি কম্বিং অপারেশন করা হবে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা নির্বাচনী পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে পারে। অবৈধ অস্ত্রের একটি বড় অংশ মেঘনা নদী দিয়ে নরসিংদী শহরে প্রবেশ করে যা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। পাশা-পাশি নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের একটি অংশ এখনো অপরাধীদের হাতে রয়েছে, যা অপরাধমূলক কর্মকান্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

নরসিংদীতে অবৈধ অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ এখন বড় চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় :

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনকে ঘিরে অবৈধ অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সহিংসতা এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী অতিতে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করা এবং অপরাধ চক্রকে দমন করার উপর জোর দিচ্ছে। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পূর্বে ২০২৪ইং সালের ১৯ জুলাই নরসিংদী জেলা কারাগারে হামলা, ব্যাপক ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় কারাগার থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার উল্লাহ বাংলা টিমের ৯ জন জঙ্গিসহ ৮২৬ জন কারাবন্দী পালিয়ে যায় এবং লুট করা হয় ৮৪টি আগ্নিয়াস্ত্র ও ৭ হাজারের অধিক গোলাবারুদ। ইতিমধ্যে পলাতক কারাবন্দিদের মধ্যে স্ব-ইচ্ছায় আত্মসমর্পণ ও গ্রেপ্তারসহ মোট ৬৪৪ জন বন্দিকে আইনের আওতায় আনা হলেও এখনো পর্যন্ত ১৫১ জন কারাবন্দি ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। অপর দিকে কারাগার থেকে লুট হওয়া আগ্নিয়াস্ত্রের মধ্যে ৫৮টি আগ্নিয়াস্ত্র উদ্ধার করা হলেও এখনো পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি ২৭টি আগ্নিয়াস্ত্র এবং ৫ হাজারেরও অধিক গোলাবারুদ। ২০২৪ইং সালের ৫ আগস্ট এরপর থেকে চলতি সালের নভেম্বর পর্যন্ত গত ১৫ মাসে নরসিংদীর ৬টি উপজেলায় ১৩৫টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। আর এ সকল খুনের ঘটনা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মাদক ব্যবসা, বালু ব্যবসা এবং এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে প্রতিনিয়ত ঘটে আসছে। এতে করে ব্যবসায়ী মহলসহ এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎকন্ঠা বিরাজ করছে এবং আতংকের মধ্যে দিনাতিপাত করছে। বিষয়টি নিয়ে নরসিংদী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফারুক এর সাথে আলাপ করলে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রনই আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আইন শৃংখলা পরিস্থিতির জন্য এটা হুমকিও। আমি সবগুলো থানাকে বলে দিয়েছি যে কোন মূলেই হউক অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। তিনি আরো বলেন, প্রত্যেকটি খুনের ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং আসামীদের শনাক্ত করা হয়েছে। অধিকাংশ আসামীকে গ্রেফতার এবং অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া নরসিংদীর মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় বা কিছু করা প্রয়োজন আইন শৃংখলা বাহিনী সবকিছু করে যাচ্ছে এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হচ্ছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে লুট হওয়া অস্ত্র আসামী নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে। এসব পড়ে থাকেনা, এগুলো একাধিক হাত ইতিমধ্যে বদল হয়েছে এবং সন্ত্রাসীদের কাছে পৌছে গেছে। এসব অস্ত্র উদ্ধার করা এখন জরুরী হয়ে পড়েছে। তানাহলে আইন শৃংখলার অবনতি হতে পারে। পুলিশের অপর একটি সূত্র জানায়, একবার আগ্নেয়াস্ত্র হাতছাড়া হয়ে গেলে তা উদ্ধার করা খুবই কঠিন। এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসীরা এ সকল অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বেঁচাকেনা করে থাকে। তবে এ সকল অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ব্যাপারে আইন শৃংখলা বাহিনীও তৎপর রয়েছে।
নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মো: রাশেদুল হাসান রিন্টু এর সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন অতি তাড়াতাড়ি নরসিংদী জেলার আইন শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নয়ন না হলে ব্যবসায়িক পরিবেশ ভালো হবেনা। তাই অবৈধ অস্ত্রধারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং তাদের নিকট থেকে অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। তাহলেই আইন শৃংখলার পরিবেশ ফিরে আসবে এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ ভালো হবে। তিনি আরো বলেন, নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে লুট হওয়া আগ্নিয়াস্ত্র এবং গুলি এখানকার সন্ত্রাসীরা ব্যবহার করছে। তারাই খুন খারাপি করছে। এতে করে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
নরসিংদী জেলা কারাগারের দায়িত্বে নিয়োজিত জেল সুপার মো: তারেক কামাল বলেন, পালিয়ে যাওয়া কারাবন্দিদের সরকার সাধারণ ক্ষমা করার পরও এখনো পর্যন্ত যারা আত্মসমর্পণ করেনি এবং অস্ত্র জমা দেননি তারা অবশ্যই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নন। তাদেরকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। নরসিংদী জেলা পুলিশ জানিয়েছে ২০২৫ সালের জানুয়ারী থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১০ মাসে ১০৫ জন অস্ত্রধারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৫২ টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ৬ হাজার ৭৭৮ কেজি গাঁজাসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
গত ১০ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে: জেনারেল (অব:) মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী নরসিংদীতে আসেন এবং নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় এখনো পর্যন্ত অবৈধ অস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে রয়েছে বলে উল্লেখ করে বলেন, নরসিংদীর রায়পুরাতে সন্ত্রাসীদের হাতে অসংখ্য আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। এগুলো উদ্ধার করার জন্য অতি তাড়াতাড়ি কম্বিং অপারেশন করা হবে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা নির্বাচনী পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে পারে। অবৈধ অস্ত্রের একটি বড় অংশ মেঘনা নদী দিয়ে নরসিংদী শহরে প্রবেশ করে যা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। পাশা-পাশি নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের একটি অংশ এখনো অপরাধীদের হাতে রয়েছে, যা অপরাধমূলক কর্মকান্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এখন বড় চ্যালেঞ্জ।