ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

নার্সিং অধিদপ্তর একীভূতকরণের প্রতিবাদে ময়মনসিংহে নার্সদের মানববন্ধন

জহির রায়হান, ময়মনসিংহ
  • আপডেট সময় : ৭৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্বতন্ত্র নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্ত করে ভিন্ন পেশাজীবীর অধীনে নেয়ার প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ নার্সেস এসোসিয়েশন (বিএনএ) ময়মনসিংহ জেলা শাখা। গতকাল সোমবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে। এ সময় নার্সদের দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন এবং ষড়যন্ত্র বন্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ কামনা করে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে ৪৮ বছর ধরে নার্সদের নিজস্ব প্রশাসন ছিল। এটিকে ভিন্ন অধিদপ্তরের সাথে একীভূত করার উদ্যোগ জনস্বাস্থ্য ও নার্সিং সেক্টরের জন্য চরম হুমকি। ১৪ মাস আগে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ন্যায্য দাবিগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
বাংলাদেশ নার্সেস এসোসিয়েশন( বি এনএ,) ময়মনসিংহ জেলার সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, স্বতন্ত্র নার্সিং প্রশাসনকে ভিন্ন অধিদপ্তরের সাথে একীভূত করার অপপ্রয়াস বরদাশত করা হবে না। জাতীয় নার্সিং কমিশন গঠনের এখনই উপযুক্ত সময়।
সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নার্সদের আর রাস্তায় নামতে দেবেন না এই দাবি আজ স্মারকলিপিতে স্পষ্ট। কিন্তু যদি নার্সেরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়, তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে। নার্সদের জন্য আলাদা অধিদপ্তর ছিল, থাকবে। কেউ আমাদের উপর আঘাত করলে কঠোর আন্দোলন ও শাটডাউন ঘোষণা করা হবে।
নার্সিং কর্মকর্তা রফিকুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, নার্সিং পেশা দেশের স্বাস্থ্যসেবার মেরুদন্ড। এই পেশাকে ভিন্ন পেশাজীবীর অধীনে নেয়ার যে প্রচেষ্টা চলছে তা নার্সদের মর্যাদা ও পেশাগত স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। আমরা স্বতন্ত্র নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর রক্ষায় মাঠে আছি এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। নার্সদের কেউ অবহেলা করলে আমরা আর চুপ করে থাকবো না।
এসময় বক্তব্য রাখেন সহ সভাপতি আজাহারুল ইসলাম সোহাগ, কোষাধ্যক্ষ মাসুমা পারভীন, ছাত্র-ছাত্রী বিষয়ক প্রতিনিধি আহাদ, দিপু রায়, নার্সিং কর্মকর্তা লাকী আক্তার, নুরুল ইসলাম উজ্জ্বল, আঃ মজিদ, মিনহাজুল আবেদীন, বিজন কুমার বসাক, আম্বিয়া খাতুন প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নার্সিং অধিদপ্তর একীভূতকরণের প্রতিবাদে ময়মনসিংহে নার্সদের মানববন্ধন

আপডেট সময় :

স্বতন্ত্র নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্ত করে ভিন্ন পেশাজীবীর অধীনে নেয়ার প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ নার্সেস এসোসিয়েশন (বিএনএ) ময়মনসিংহ জেলা শাখা। গতকাল সোমবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে। এ সময় নার্সদের দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন এবং ষড়যন্ত্র বন্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ কামনা করে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে ৪৮ বছর ধরে নার্সদের নিজস্ব প্রশাসন ছিল। এটিকে ভিন্ন অধিদপ্তরের সাথে একীভূত করার উদ্যোগ জনস্বাস্থ্য ও নার্সিং সেক্টরের জন্য চরম হুমকি। ১৪ মাস আগে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ন্যায্য দাবিগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
বাংলাদেশ নার্সেস এসোসিয়েশন( বি এনএ,) ময়মনসিংহ জেলার সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, স্বতন্ত্র নার্সিং প্রশাসনকে ভিন্ন অধিদপ্তরের সাথে একীভূত করার অপপ্রয়াস বরদাশত করা হবে না। জাতীয় নার্সিং কমিশন গঠনের এখনই উপযুক্ত সময়।
সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নার্সদের আর রাস্তায় নামতে দেবেন না এই দাবি আজ স্মারকলিপিতে স্পষ্ট। কিন্তু যদি নার্সেরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়, তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে। নার্সদের জন্য আলাদা অধিদপ্তর ছিল, থাকবে। কেউ আমাদের উপর আঘাত করলে কঠোর আন্দোলন ও শাটডাউন ঘোষণা করা হবে।
নার্সিং কর্মকর্তা রফিকুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, নার্সিং পেশা দেশের স্বাস্থ্যসেবার মেরুদন্ড। এই পেশাকে ভিন্ন পেশাজীবীর অধীনে নেয়ার যে প্রচেষ্টা চলছে তা নার্সদের মর্যাদা ও পেশাগত স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। আমরা স্বতন্ত্র নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর রক্ষায় মাঠে আছি এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। নার্সদের কেউ অবহেলা করলে আমরা আর চুপ করে থাকবো না।
এসময় বক্তব্য রাখেন সহ সভাপতি আজাহারুল ইসলাম সোহাগ, কোষাধ্যক্ষ মাসুমা পারভীন, ছাত্র-ছাত্রী বিষয়ক প্রতিনিধি আহাদ, দিপু রায়, নার্সিং কর্মকর্তা লাকী আক্তার, নুরুল ইসলাম উজ্জ্বল, আঃ মজিদ, মিনহাজুল আবেদীন, বিজন কুমার বসাক, আম্বিয়া খাতুন প্রমুখ।