ঢাকা ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo দাউদকান্দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭, আহত ৬ Logo বাগমারায় এলজিইডির কাজে নিম্নমানের অভিযোগ, তথ্য দিতে অনীহা প্রকৌশলীর Logo কক্সবাজারে মায়ের সঙ্গে কারাগারে ছয় বছরের শিশু Logo নেছারাবাদে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান Logo গোপালগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসহ আটক ১ Logo ঘাটাইলে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ Logo সুন্দরবন থেকে দেড় বছরে ৬১ দস্যুকে অস্ত্রসহ আটক করেছে কোস্টগার্ড Logo মনোনয়ন কিনতে গিয়ে লাঞ্ছিত প্রার্থীরা Logo পলিক্রস পেঁয়াজে কৃষকের নতুন স্বপ্ন, বদলাচ্ছে আয়ের হিসাব Logo ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দোষীদের গ্রেপ্তার দাবি

না ফেরার দেশে চলে গেলেন এক ক্যান্সার যোদ্ধা রাশেদ

চকরিয়া উপজেলা (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৭৫২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ক্যান্সারের কাছে হার মেনে দুনিয়া থেকে চলে গেলেন কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার,১নং ওয়ার্ড়,তরছপাড়া নিবাসী আবু আহামেদ্দের বড় ছেলে রাশেদুল ইসলাম রাশেদ(৩৩)

সোমবার দুপুর ২ টায়, তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম পলি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।সোমবার রাত ১০:৩০ মিমিটে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়,নামাজের পরে দাফন কার্য সম্পাদন করেন।মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। তিনি স্ত্রী,৫ ও ৩ বছেরের অবুঝ দুটি ছেলে ও আত্মীয়স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।পরিবার ও স্ত্রী সন্তান নিয়ে বেঁচে থাকার তীব্র বাসনা ছিল রাশেদের। মাতৃস্নেহে পিতৃস্নেহে আগলে রেখেছিলেন পরিবারের সকল ছোট ভাই ও বড় বোনকে। সেটা আজ শুধুই স্মৃতি।মরণঘাতী ক্যান্সার কেড়ে নিলো রাশদে কে।তার চলে যাওয়ার শোক কীভাবে কাটিয়ে উঠবো সেটাই ভেবে পাচ্ছে তার পরিবার।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

না ফেরার দেশে চলে গেলেন এক ক্যান্সার যোদ্ধা রাশেদ

আপডেট সময় :

 

ক্যান্সারের কাছে হার মেনে দুনিয়া থেকে চলে গেলেন কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার,১নং ওয়ার্ড়,তরছপাড়া নিবাসী আবু আহামেদ্দের বড় ছেলে রাশেদুল ইসলাম রাশেদ(৩৩)

সোমবার দুপুর ২ টায়, তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম পলি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।সোমবার রাত ১০:৩০ মিমিটে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়,নামাজের পরে দাফন কার্য সম্পাদন করেন।মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। তিনি স্ত্রী,৫ ও ৩ বছেরের অবুঝ দুটি ছেলে ও আত্মীয়স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।পরিবার ও স্ত্রী সন্তান নিয়ে বেঁচে থাকার তীব্র বাসনা ছিল রাশেদের। মাতৃস্নেহে পিতৃস্নেহে আগলে রেখেছিলেন পরিবারের সকল ছোট ভাই ও বড় বোনকে। সেটা আজ শুধুই স্মৃতি।মরণঘাতী ক্যান্সার কেড়ে নিলো রাশদে কে।তার চলে যাওয়ার শোক কীভাবে কাটিয়ে উঠবো সেটাই ভেবে পাচ্ছে তার পরিবার।