ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

পরিবারের ১২ জনকে হত্যার অভিযোগ ইরানী যুবকের বিরুদ্ধে

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৬৪২ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগৃহীত

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ইরানে এই ধরনের পারিবারিক বন্দুকবাজির ঘটনা খুব বিরল

পারিবারিক অশান্তির জেরে নিজ পরিবারের ১২ জনকে গুলি করে হত্যার পর পুলিশের গুলিতে মারা যায় ইরানী যুবক। শনিবার দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের একটি প্রত্যন্ত এক গ্রামাঞ্চলে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা।

অভিযুক্ত যুবকের পরিচয় প্রকাশ করেনি স্থানীয় পুলিশ। কেরমান প্রদেশের বিচার বিভাগের প্রধান ইব্রাহিম হামিদি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, হামলাকারীর পরিবারের মধ্যে দিন কয়েক ধরে ঝামেলা চলছিল। সেই ঝামেলাই শনিবার চরমে ওঠে। এরপরই সে এমন রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটনায়।

হঠাৎ করেই বাইরে থেকে বাড়িতে ঢুকেই পরিবারের লোকেদের ওপর চড়াও হন যুবক। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্দুক বার করে একের পর এক গুলি চালায়। একে একে গুলি করে হত্যা করেন বাবা ও দাদাসহ পরিবারের মোট ১২ সদস্যকে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তাকে নিরস্ত্র করতে পাল্টা গুলি চালালে ৩০ বছরের যুবক মারা যান। পুলিশ জানিয়েছে, রীতিমতো অ্যাসল্ট রাইফেল নিয়ে অভিযুক্ত যুবক হামলা চালিয়েছিলেন পরিবারের ওপর। ইরানে এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে কেরমানের সেই গ্রামবাসীদের মধ্যে।

উল্লেখ্য, ইরানে এই ধরনের পারিবারিক বন্দুকবাজির ঘটনা খুব বিরল। সবশেষে ২০২২ সালে এক ব্যক্তি কাজ হারিয়ে অফিসের মধ্যেই পর পর গুলি চালিয়ে নিজে আত্মঘাতী হন। সেই ঘটনায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছিল। ২০১৬ সালে ২৬ বছর বয়সি এক যুবকের বিরুদ্ধে গুলি করে ১০ জনকে হত্যার করার অভিযোগ উঠেছিলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পরিবারের ১২ জনকে হত্যার অভিযোগ ইরানী যুবকের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় :

 

ইরানে এই ধরনের পারিবারিক বন্দুকবাজির ঘটনা খুব বিরল

পারিবারিক অশান্তির জেরে নিজ পরিবারের ১২ জনকে গুলি করে হত্যার পর পুলিশের গুলিতে মারা যায় ইরানী যুবক। শনিবার দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের একটি প্রত্যন্ত এক গ্রামাঞ্চলে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা।

অভিযুক্ত যুবকের পরিচয় প্রকাশ করেনি স্থানীয় পুলিশ। কেরমান প্রদেশের বিচার বিভাগের প্রধান ইব্রাহিম হামিদি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, হামলাকারীর পরিবারের মধ্যে দিন কয়েক ধরে ঝামেলা চলছিল। সেই ঝামেলাই শনিবার চরমে ওঠে। এরপরই সে এমন রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটনায়।

হঠাৎ করেই বাইরে থেকে বাড়িতে ঢুকেই পরিবারের লোকেদের ওপর চড়াও হন যুবক। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্দুক বার করে একের পর এক গুলি চালায়। একে একে গুলি করে হত্যা করেন বাবা ও দাদাসহ পরিবারের মোট ১২ সদস্যকে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তাকে নিরস্ত্র করতে পাল্টা গুলি চালালে ৩০ বছরের যুবক মারা যান। পুলিশ জানিয়েছে, রীতিমতো অ্যাসল্ট রাইফেল নিয়ে অভিযুক্ত যুবক হামলা চালিয়েছিলেন পরিবারের ওপর। ইরানে এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে কেরমানের সেই গ্রামবাসীদের মধ্যে।

উল্লেখ্য, ইরানে এই ধরনের পারিবারিক বন্দুকবাজির ঘটনা খুব বিরল। সবশেষে ২০২২ সালে এক ব্যক্তি কাজ হারিয়ে অফিসের মধ্যেই পর পর গুলি চালিয়ে নিজে আত্মঘাতী হন। সেই ঘটনায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছিল। ২০১৬ সালে ২৬ বছর বয়সি এক যুবকের বিরুদ্ধে গুলি করে ১০ জনকে হত্যার করার অভিযোগ উঠেছিলো।