ঢাকা ০২:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo পঞ্চগড়ে দিঘি থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, হাতে মিলল চিরকুট Logo কাঁঠালিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করে যাবে: ত্রাণমন্ত্রী Logo শ্রীপুরে জমি দখল ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন Logo আগামীকাল কুড়িগ্রামে এনসিপির কৃষক সমাবেশে যোগ দেবেন নাহিদ ইসলাম Logo ৭৩ বছর পর ছোনকা বিদ্যালয়ে বাণিজ্য বিভাগের অনুমোদন Logo নগরকান্দায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়ক সংস্কার, স্বস্তি এলাকাবাসীর Logo দলিল লেখক মিন্টু হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন Logo ঈশ্বরদীতে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্পে ৮০ জনের ছানি অপারেশন

তালতলীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের

পুলিশ সদস্যসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২১৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরগুনার তালতলীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পুলিশ সদস্য সহ ৫ জনকে বিবাদী করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক নারী। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ওসি তালতলী থানাকে এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেয়। এদিকে এ ঘটনা মিথ্যা বলে দাবি করছেন এলাকাবাসী। একই সাক্ষী দিয়ে একাধিক মিথ্যা মামলা দেওয়ায় নারীর বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থায়ীদের।
জানা যায়, ঈদের ছুটি কাটাতে বাড়িতে আসেন এএসআই খলিল। তার পিতা আব্দুল হামিদ ঘরামির সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে কহিনুর বেগম নামক নারীর সাথে। গত শনিবার সকালে ছুটি শেষে চাকরিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে যায় খলিল। এদিকে সেইদিন ভোর ৬ টা ২৫ মিনিটের সময় মারামারির ঘটনা উল্লেখ করে ২ জুন ২০২৬ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয়রা জানান, অত্র এলাকায় ওই দিন থেকে এখন পর্যন্ত কোন মারামারির ঘটনা ঘটেনি। মাথা ফাটার যে চিত্র ধারণ করা হয়েছে তা দেখে যে কেউ বুজবে ওটা ব্লেড ধরা কাটা হয়েছে। জমিজমা বিরোধের জের ধরে তাদের বিরুদ্ধে চলমান মামলা সহ আরও একাধিক মামলা দেওয়া হয়েছে। ওই নারী অত্র এলাকায় বসবাস করেননা। তিনি তালতলীর একটি আবাসনে বসবাস করেন। সেখানে বসে নামে বেনামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ওই নারীর শাস্তি দাবি করেন তারা।
এদিকে মামলার বাদী কহিনুর বেগমকে মারধরের বিষয়ে অস্বীকার করে অভিযুক্ত প্রধান আসামি (পুলিশ সদস্য) মো. খলিল বলেন, জমিজমা বিরোধের জের ধরে আমাকে সহ পরিবারের অন্য সদস্যদের মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। তারা একই সাক্ষী দিয়ে একাধিকবার মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে ওই নারীর ৬-৭ টা মামলা দেওয়া আছে। আমি এই মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
এদিকে কহিনুর বেগমের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে, কিংবা খুদে বার্তা পাঠিয়েও তার সারা মেলেনি।
তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত আদালতের কোন নির্দেশ আসেনি। আদালতের নির্দেশনা পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

তালতলীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের

পুলিশ সদস্যসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় :

বরগুনার তালতলীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পুলিশ সদস্য সহ ৫ জনকে বিবাদী করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক নারী। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ওসি তালতলী থানাকে এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেয়। এদিকে এ ঘটনা মিথ্যা বলে দাবি করছেন এলাকাবাসী। একই সাক্ষী দিয়ে একাধিক মিথ্যা মামলা দেওয়ায় নারীর বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থায়ীদের।
জানা যায়, ঈদের ছুটি কাটাতে বাড়িতে আসেন এএসআই খলিল। তার পিতা আব্দুল হামিদ ঘরামির সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে কহিনুর বেগম নামক নারীর সাথে। গত শনিবার সকালে ছুটি শেষে চাকরিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে যায় খলিল। এদিকে সেইদিন ভোর ৬ টা ২৫ মিনিটের সময় মারামারির ঘটনা উল্লেখ করে ২ জুন ২০২৬ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয়রা জানান, অত্র এলাকায় ওই দিন থেকে এখন পর্যন্ত কোন মারামারির ঘটনা ঘটেনি। মাথা ফাটার যে চিত্র ধারণ করা হয়েছে তা দেখে যে কেউ বুজবে ওটা ব্লেড ধরা কাটা হয়েছে। জমিজমা বিরোধের জের ধরে তাদের বিরুদ্ধে চলমান মামলা সহ আরও একাধিক মামলা দেওয়া হয়েছে। ওই নারী অত্র এলাকায় বসবাস করেননা। তিনি তালতলীর একটি আবাসনে বসবাস করেন। সেখানে বসে নামে বেনামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ওই নারীর শাস্তি দাবি করেন তারা।
এদিকে মামলার বাদী কহিনুর বেগমকে মারধরের বিষয়ে অস্বীকার করে অভিযুক্ত প্রধান আসামি (পুলিশ সদস্য) মো. খলিল বলেন, জমিজমা বিরোধের জের ধরে আমাকে সহ পরিবারের অন্য সদস্যদের মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। তারা একই সাক্ষী দিয়ে একাধিকবার মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে ওই নারীর ৬-৭ টা মামলা দেওয়া আছে। আমি এই মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
এদিকে কহিনুর বেগমের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে, কিংবা খুদে বার্তা পাঠিয়েও তার সারা মেলেনি।
তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত আদালতের কোন নির্দেশ আসেনি। আদালতের নির্দেশনা পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।