ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

প্রভাব খাটিয়ে পরিবেশের ক্ষতি এখন অতীত : পরিবেশ মন্ত্রী

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৩:৩১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪ ৫০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

পরিবেশ দূষণে বাংলাদেশে বছরে ২ লাখ ৭২ হাজার মানুষের অকালমৃত্যু

সনাতনী পদ্ধতি ইট পোড়ানো পরিবেশ ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি। ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সনাতন পদ্ধতিতে ইট বানানোর কারণে বছরে ১৩ কোটি মেট্রিক টন মাটি ব্যবহার হচ্ছে। এটা পরিবেশ ক্ষতি হচ্ছে। পরিবেশ ও খাদ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বন উজাড় হচ্ছে কৃষিজমির ক্ষতি হচ্ছে

 

প্রভাব খাটিয়ে পরিবেশের ক্ষতি এখন অতীত। যা হবে জাতীয় স্বার্থে। এক জায়গায় বন কেটে অন্য জায়গায় গাছ লাগালে তা সমান হয় না।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অডিটোরিয়ামে বিবিএস এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ন্যাশনাল রিসোর্স অ্যাকাউন্টস আন্ডার ইউএন সিস্টেম অব ইনভায়রনমেন্টাল ইকোনমি অ্যাকাউন্টিং শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনারে একথা বলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, অনেক পরিকল্পনা হয়, কিন্তু বাস্তবায়নে হোঁচট খাচ্ছি। টেকসই উন্নয়ন ধারা চলে এসেছে। সামনে সবচেয়ে বড় যুদ্ধ প্রকৃতির সঙ্গে। প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে বেশি দিন টিকে থাকা যায় না।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ উদ্বেগজনক মাত্রার দূষণ এবং পরিবেশগত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে, যা তুলনামূলক বেশি ক্ষতি করছে দরিদ্র, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, বয়স্ক এবং নারীদের।

এসময় বিশ্বব্যাংকের পরিসংখ্যান তুলে ধরে সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে ২০১৯ সালে বায়ুদূষণসহ চার ধরনের পরিবেশ দূষণে ২ লাখ ৭২ হাজারের বেশি মানুষের অকাল মৃত্যু হয়েছে।

এদের ৫৫ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয় বায়ুদূষণের কারণে। দূষণের কারণে সে বছর দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ সমপরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রী মো. শহীদুজ্জামান সরকার, বাংলাদেশে নিযুক্ত এফএওর প্রতিনিধি জিয়াকুন শি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন।

এ সময় তিনি বলেন, সনাতনী পদ্ধতি ইট পোড়ানো পরিবেশ ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি। ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সনাতন পদ্ধতিতে ইট বানানোর কারণে বছরে ১৩ কোটি মেট্রিক টন মাটি ব্যবহার হচ্ছে। এটা পরিবেশ ক্ষতি হচ্ছে। পরিবেশ ও খাদ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বন উজাড় হচ্ছে কৃষিজমির ক্ষতি হচ্ছে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

প্রভাব খাটিয়ে পরিবেশের ক্ষতি এখন অতীত : পরিবেশ মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৩১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪

 

পরিবেশ দূষণে বাংলাদেশে বছরে ২ লাখ ৭২ হাজার মানুষের অকালমৃত্যু

সনাতনী পদ্ধতি ইট পোড়ানো পরিবেশ ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি। ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সনাতন পদ্ধতিতে ইট বানানোর কারণে বছরে ১৩ কোটি মেট্রিক টন মাটি ব্যবহার হচ্ছে। এটা পরিবেশ ক্ষতি হচ্ছে। পরিবেশ ও খাদ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বন উজাড় হচ্ছে কৃষিজমির ক্ষতি হচ্ছে

 

প্রভাব খাটিয়ে পরিবেশের ক্ষতি এখন অতীত। যা হবে জাতীয় স্বার্থে। এক জায়গায় বন কেটে অন্য জায়গায় গাছ লাগালে তা সমান হয় না।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অডিটোরিয়ামে বিবিএস এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ন্যাশনাল রিসোর্স অ্যাকাউন্টস আন্ডার ইউএন সিস্টেম অব ইনভায়রনমেন্টাল ইকোনমি অ্যাকাউন্টিং শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনারে একথা বলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, অনেক পরিকল্পনা হয়, কিন্তু বাস্তবায়নে হোঁচট খাচ্ছি। টেকসই উন্নয়ন ধারা চলে এসেছে। সামনে সবচেয়ে বড় যুদ্ধ প্রকৃতির সঙ্গে। প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে বেশি দিন টিকে থাকা যায় না।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ উদ্বেগজনক মাত্রার দূষণ এবং পরিবেশগত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে, যা তুলনামূলক বেশি ক্ষতি করছে দরিদ্র, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, বয়স্ক এবং নারীদের।

এসময় বিশ্বব্যাংকের পরিসংখ্যান তুলে ধরে সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে ২০১৯ সালে বায়ুদূষণসহ চার ধরনের পরিবেশ দূষণে ২ লাখ ৭২ হাজারের বেশি মানুষের অকাল মৃত্যু হয়েছে।

এদের ৫৫ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয় বায়ুদূষণের কারণে। দূষণের কারণে সে বছর দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ সমপরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রী মো. শহীদুজ্জামান সরকার, বাংলাদেশে নিযুক্ত এফএওর প্রতিনিধি জিয়াকুন শি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন।

এ সময় তিনি বলেন, সনাতনী পদ্ধতি ইট পোড়ানো পরিবেশ ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি। ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সনাতন পদ্ধতিতে ইট বানানোর কারণে বছরে ১৩ কোটি মেট্রিক টন মাটি ব্যবহার হচ্ছে। এটা পরিবেশ ক্ষতি হচ্ছে। পরিবেশ ও খাদ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বন উজাড় হচ্ছে কৃষিজমির ক্ষতি হচ্ছে।