ঢাকা ০৩:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

বছর শেষে মূল্যস্ফীতি কমতে শুরু করবে: অর্থমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুন ২০২৪ ৩৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও মাস ছয়েক অপেক্ষার কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। শুক্রবার (৭ জুন) ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অর্থ মন্ত্রণালয় আয়োজিত বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

এ সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বছরের শেষের দিকে মূল্যস্ফীতি কমতে শুরু করবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, যাতে মূল্যস্ফীতির ওপর কোনো চাপ না পড়ে, সে জন্য বাজেটের আকার আমরা কমিয়ে রেখেছি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক প্রভাব অর্থনীতিতে পড়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। মূল্যস্ফীতি এখনও ৯ শতাংশের ঘরে। পৃথিবীর কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়িয়েছে। যার চাপ ডলারে পড়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার অবমূল্যায়ন মূল্যস্ফীতির বড় কারণ। আগামী বছরে মূল্যস্ফীতি কমে আসবে। মূল্যস্ফীতি যেহেতু চ্যালেঞ্জ, যে কারণে সংকোচনমূলক নীতি অব্যাহত থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, পরিকল্পনামন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুস সালাম, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন অর্থমন্ত্রী। প্রস্তাবিত এ বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। বিশাল অঙ্কের এ বাজেটের ঘাটতি ধরা হচ্ছে ২ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। আর অনুদান ছাড়া ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। যা মোট জিডিপির ৪ দশমিক ৬ শতাংশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বছর শেষে মূল্যস্ফীতি কমতে শুরু করবে: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:২৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুন ২০২৪

 

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও মাস ছয়েক অপেক্ষার কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। শুক্রবার (৭ জুন) ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অর্থ মন্ত্রণালয় আয়োজিত বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

এ সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বছরের শেষের দিকে মূল্যস্ফীতি কমতে শুরু করবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, যাতে মূল্যস্ফীতির ওপর কোনো চাপ না পড়ে, সে জন্য বাজেটের আকার আমরা কমিয়ে রেখেছি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক প্রভাব অর্থনীতিতে পড়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। মূল্যস্ফীতি এখনও ৯ শতাংশের ঘরে। পৃথিবীর কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়িয়েছে। যার চাপ ডলারে পড়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার অবমূল্যায়ন মূল্যস্ফীতির বড় কারণ। আগামী বছরে মূল্যস্ফীতি কমে আসবে। মূল্যস্ফীতি যেহেতু চ্যালেঞ্জ, যে কারণে সংকোচনমূলক নীতি অব্যাহত থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, পরিকল্পনামন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুস সালাম, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন অর্থমন্ত্রী। প্রস্তাবিত এ বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। বিশাল অঙ্কের এ বাজেটের ঘাটতি ধরা হচ্ছে ২ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। আর অনুদান ছাড়া ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। যা মোট জিডিপির ৪ দশমিক ৬ শতাংশ।